• ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩, সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Minister

রাজনীতি

Nishith Pramanik: নিশীথের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নচিহ্ন

প্রশ্ন উঠে গেল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে।রাজ্যসভায় কংগ্রেস সাংসদ রিপুণ বোরার করার অভিযোগের ভিত্তিতে নিশীথ প্রামাণিকের নাদরিকত্ব নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। নিশীথ প্রামাণিক কি বাংলাদেশি? শুক্রবার এই মর্মে প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠিও লিখেছেন বোরা। শনিবার সেই চিঠিই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সমালোচনার সুযোগ পেয়ে রাজ্যের দুই মন্ত্রী তা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন।BarakBanglaNews, RepublicTV Tripura, IndiaToday Business Standard publishes, @NisithPramanik is a Bangladeshi national. Its a matter of grave concern that a foreign national is an incumbent union minister. Urging PM @narendramodi in a letter to conduct an enquiry to clarify it. pic.twitter.com/5Td0xIoG8n Ripun Bora (@ripunbora) July 17, 2021মোদিকে লেখা রিপুণের চিঠি পোস্ট করে তাঁদের দাবি, কোনও বিদেশি নাগরিক দেশের মন্ত্রী হলে ভারতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। এর জবাবে রাজ্য বিজেপি-র বক্তব্য, কুৎসা না করে কোনও প্রমাণ থাকলে দিক তৃণমূল। অসমের কংগ্রেস নেতা রিপুন মোদিকে পাঠানো চিঠিতে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর উল্লেখ করে দাবি করেছেন, নিশীথ আদতে বাংলাদেশের পলাশবাড়ির হরিনাথপুরের বাসিন্দা। ভারতে কম্পিউটার কোর্স করার নামে আসার পরে কোচবিহারে থেকে যান। প্রথমে তৃণমূলে এবং পরে বিজেপি-তে যোগ দিয়ে সাংসদ হন। রিপুন আরও দাবি করেছেন, যে নথি দেখিয়ে নিজেকে কোচবিহারের বাসিন্দা বলে নিশীথ দাবি করেছেন তা ভুয়ো। জালিয়াতি করে তৈরি বলেও অভিযোগ তুলেছেন রিপুণ।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক গেমস ভিলেজে করোনার হানা, আক্রান্ত ১ অ্যাথলিটসেই চিঠির কথা উল্লেখ করেই ব্রাত্য টুইটারে লিখেছেন, রাজ্যসভার সাংসদ রিপুণ বোরা সঠিক প্রশ্ন তুলেছেন। বহু সংবাদমাধ্যমে নিশীথ প্রামাণিক বাংলাদেশের নাগরিক বলে উল্লেখ রয়েছে। এই ধরনের লোককে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করার আগে কি কোনও কিছুই খতিয়ে দেখা হয়নি? ভুলে গেলে চলবে না এই নিশীথের বিরুদ্ধে কতগুলি গুরুতর অপরাধমূলক মামলা চলছে। লজ্জাজনক। রাজ্যের আর এক মন্ত্রী ইন্দ্রনীল দেশের নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন।

জুলাই ১৭, ২০২১
শিক্ষা

TET-SSC: প্রতিবছর রাজ্যে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ, কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী? জানুন

এক টেট পরীক্ষার জট ছাড়াতে সময় লেগেছে পাক্কা পাঁচটি বছর। ২০১৬ সালের উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের সেই প্রক্রিয়া অবশেষে আদালতের হস্তক্ষেপে সম্প্রতি শেষ হওয়ার দিকে এগোচ্ছে। এরই মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর ঘোষণা, এখন থেকে প্রতিবছরই শিক্ষক নিয়োগের জন্য টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘোষণা রাজ্যের শিক্ষক পদপ্রার্থীদের জন্য নতুন আশা সৃষ্টি করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে শিক্ষক নিয়োগের বিভিন্ন পরীক্ষা নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতাই চাকরিপ্রার্থী শিক্ষকদের মনে এই ঘোষণার বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।আরও পড়ুনঃ সোমবার থেকে বাড়ছে মেট্রো, জেনে নিন সময়সূচিশিক্ষামন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির শুক্রবারই কলকাতা হাইকোর্ট উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়ার ওপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করেছে। তার জেরে ইতিমধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশন ইন্টারভিউ নেওয়ার বিষয় নিয়ে তৎপরতা শুরু করেছে। শুক্রবারের কলকাতার হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিরই মধ্যে এখন থেকে রাজ্য সরকার প্রতিবছর প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু শনিবার নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, শূন্যপদের ভিত্তিতে প্রতিবছর টেট পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাসম্ভব স্বচ্ছ রাখার চেষ্টা করা হবে । এদিকে কমিশনের তরফেও আলাদা সাংবাদিক বৈঠক করে জানানো হয়, আদালতের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে অচলাবস্থা কেটেছে। সফল প্রার্থীদের প্রথমে ইন্টারভিউ এবং তারপরে সেই ভিত্তিতে মেধা তালিকা তৈরি করে নিয়োগ করা হবে নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘিরে কোনও অসন্তোষ থাকলে প্রার্থীরা কমিশনের দপ্তরে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে বলেও কমিশনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ ৭ বছর ধরে স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে রয়েছে। একাধিকবার আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া। শুধু তাই নয় উচ্চ প্রাথমিকের ইন্টারভিউ লিস্ট প্রকাশ নিয়েও অস্বচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ হবে। পুজোর আগেই প্রাথমিকের টেটের ফল প্রকাশ করা হবে বলেও খবর। সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য এমনটাই জানিয়েছেন। শুধু তাই নয় সুপ্রিমকোর্ট সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ ও রাজ্য সরকারকে প্রাথমিকের টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট নেওয়া নিয়ে নির্দেশ দিয়েছে। সেক্ষেত্রে শিক্ষামন্ত্রী শনিবারের ঘোষণাকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করছেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ।

জুলাই ১০, ২০২১
রাজনীতি

Minister WB: বিজেপিকে রুখতে ঝাঁড়ফুক বা পানিপোড়া, নাহলে ৭০-৮০ ডিগ্রির দাওয়াই, হুঙ্কার রাজ্যের মন্ত্রীর

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়পেট্রোপণের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের কু-পুত্র বলে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। রবিবার নিজের বিধানসভা এলাকা পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রাম ও সাতগেছিয়া বাজার এলাকায় হওয়া দলের প্রতিবাদ কর্মসূচীতে যোগ দেন সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। সেই কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখতে উঠে নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে কার্যত তুলোধনা করেন গ্রন্থাগার মন্ত্রী। মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেছে বিজেপি নেতৃত্ব। সারা রাজ্যের পাশাপাশি এদিন পেট্রোপণ্যের লাগামছাড়া মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মন্তেশ্বরের সাতগেছিয়া ও কুসুমগ্রামে প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করা হয় । সেই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী এদিন আরও বলেন, সেই সব গ্রাম আমি চিনি যেখানে বিজেপির কর্মীরা অনেক মুসলমান বাড়ির সামনে কাঁফন রেখেছিল। যারা রেখেছিল তারাও মুসলমান। তাদেরও টুপি আছে, দাড়িও আছে।নামাজ তারাও পড়ে। তবে তারা কুড়ি হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে গিয়েছে। সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ওইসব বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে এরপরেই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমরা প্রথমে ওদের ঝাড়ফুঁক তেল ও পানি পোড়া দেব । তাতে যদি ঠিক হয়ে যায় তো ঠিক আছে। না হলে ৭০ ডিগ্রি বা ৮০ ডিগ্রির বিষয়টি পরে ভেবে দেখা হবে।পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে এইসব বিস্ফোরক মন্তব্য করার পাশাপাশি দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের কু-পুত্র বলেও কটাক্ষ করেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী।বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর এমন বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সংবিধানের শপথ নেওয়া রাজ্যের একজন মন্ত্রী যে ভাষায় দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আপমান করছেন তা কার্যত নজিরবিহীন। একই সঙ্গে কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্য থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে এই রাজ্যে বিরোধীদের নিকেশ করতে চায় শাসক দল।তারই ইঙ্গিত স্বরুপ মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ঝাড়ফুঁক, তেলপোড়া, পাণি পোড়া, ৭০ডিগ্রি, ৮০ডিগ্রির প্রসঙ্গ তুলেছেন। তবে এই সব হুঁশিয়ারী দিয়ে লাভ কিছু হবে না। কারণ দেশের আইনি শাসন ব্যবস্থা অনুযায়ী বিরোধীদেরও রাজনীতি করার ও মত প্রকাশের আধিকার রয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২১
দেশ

Covid Package: রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভার

মোদির নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরই কোভিড মোকাবিলায় বড় প্যাকেজ ঘোষণা। কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৩,১২৩ কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করল কেন্দ্র। রদবদলের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল বৃহস্পতিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে আয়োজিত সেই বৈঠকে অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলার উদ্দেশে এই আপৎকালীন বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বরাদ্দ অর্থের মধ্যে ১৫ হাজার কোটি টাকা সরাসরি কেন্দ্র খরচ করবে। ৮ হাজার কোটি টাকা রাজ্যগুলির মধ্যে বণ্টন করা হবে। আগামী নমাসের মধ্যে এই কর্মসূচি কার্যকর করা হবে বলে কেন্দ্র জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ইশান্তের পরিবর্তে সিরাজকে খেলানোর ভাবনাবুধবার হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে গুজরাতের বিজেপি নেতা মনসুখ মাণ্ডব্যকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর মনসুখ বলেন, এই টাকায় দেশের ৭৩৬টি টি জেলায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে শিশু চিকিৎসা বিভাগ গড়া হবে। ব্যবস্থা হবে ২০ হাজার আইসিইউ শয্যার। পাশাপাশি, পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত রাখা হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই সক্রিয়তা।নতুন এই ঘোষণা থেকে পরিষ্কার, করোনার মোকাবিলাকেই অগ্রাধিকার দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । বিরোধীদের অভিযোগ, দেশে করোনা সংকটের মোকাবিলার ব্যর্থতার অভিযোগই হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে দেওয়ার প্রধান কারণ। আর এদিনও বৈঠকের পরেই করোনার প্যাকেজ ঘোষণা বুঝিয়ে দিল, মোদি সরকার অতিমারির মোকাবিলায় মরিয়া পদক্ষেপ করতে চাইছে।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজনীতি

Suvendu-Mamata: "২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ", তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

বামেদের ২৩৫-এর দম্ভ যেন তাড়া করছে তৃণমূল কংগ্রেসকে। এমনই দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি রাজ্যে ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা পুরসভার পুরপ্রশাসক, বিধায়ক, আইপিএস, আইএএসরা যুক্ত বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার মূলতুবি প্রস্তাব অধ্যক্ষ বাতিল করে দেওয়ায় ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ জন্মদিনে বাড়িতে গিয়ে সৌরভকে শুভেচ্ছা মমতার, দিদিকে দাদার দুর্দান্ত উপহার২০০৬-তে ২৩৫টি আসন পেয়ে বামফ্রণ্ট সরকার বাংলায় ক্ষমতায় ফিরে এসেছিল। সেই বিপুল জনসমর্থনে মাথা ঘুরিয়ে দিয়েছিল বামফ্রণ্টকে, বিশেষত সিপিএমকে। মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য বলেছিলেন, আমরা ২৩৫, আপনারা ৩০। এভাবেই ক্ষমতা জাহির করেছিলেন তিনি। এবার সিপিএম বা বাম প্রতিনিধি বিধানসভায় শূন্য। সেই প্রসঙ্গ টেনে আনেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, সব কথায় ক্ষমতা দেখাচ্ছেন। ২৩৫-এর দম্ভের মতো ২১৩-এর দম্ভ যদি দেখান, তাহলে বিএ কমিটিতে গিয়ে সহযোগিতার হস্ত প্রসারিত করার ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিবন্ধকতা আছে। তাই বিএ কমিটির বৈঠকে যাইনি। এটা আমাদের বয়কট নয়। এটা বলতে না দেওয়ার প্রতিবাদ। আরও পড়ুনঃ জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বেভূয়ো টিকা নিয়ে এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে। একাধিক তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর সঙ্গে ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেবের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। শুভেন্দু সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, আজ আমাদের বিধায়ক ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে আলোচনার জন্য মূলতুবি প্রস্তাব দেয়। কেন আলোচনা হবে না ভূয়ো টিকা নিয়ে? ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে মূলতুবি প্রস্তাব বাতিল করা হয়েছে। ভূয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডে কলকাতা কর্পোরেশনের পুরপ্রশাসক থেকে একাধিক বিধায়ক, আইপিএস, জনপ্রতিনিধি, ছোট থেকে বড় নেতা সকলেই যুক্ত। তা প্রমাণিত।

জুলাই ০৮, ২০২১
দেশ

Rail Minister: জেলাশাসক থেকে সফল ব্যবসায়ী, মেধাবী অশ্বিনী এখন দেশের বড় দায়িত্বে

অনেক ক্ষেত্রেই সাংসদ-বিধায়কদের প্রথাগত শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অনেকের পড়াশুনার গন্ডি মাধ্যমিকও পার হয়নি। এরই মধ্যে মন্ত্রীও হন কেউ কেউ। রাজনীতিতে অংশগ্রহণে শিক্ষিত সমাজের অনীহা ক্রমশ বাড়ছে। ব্যতিক্রমও কেউ কেউ আছেন। বুধবার রেলমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁর পড়াশুনার খতিয়ান চমকে দেওয়ার মতো।২০২১ এ বুধবার প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয়বারের জন্য মন্ত্রীসভার সম্প্রসারণ করেন। তাতে রেলমন্ত্রীর দ্বায়িত্ব পান অশ্বিনী বৈষ্ণব। তাঁকে রেল মন্ত্রক এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রকের দ্বায়িত্ব দেওয়া হয়।অশ্বিনী বৈষ্ণব ১৯৭০-এ রাজস্থানের যোধপুর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। জানা গিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন অশ্বিনী। ১৯৯১-তে ইলেকট্রনিক ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্বর্ণপদক নিয়ে রাজস্থানের যোধপুর থেকে এমবিএম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৪-তে আইএএস যোগ দেওয়ার আগে আইআইটি কানপুর থেকে এমটেক সম্পন্ন করেন। আইএএস তাঁর সর্বভারতীয় স্তরে তাঁর র্যাঙ্কিং ছিল ২৭। ২০০৮ সালে বৈষ্ণব পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত ওয়ার্টন স্কুল থেকে এমবিএ পড়াশোনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান।বৈষ্ণব ওড়িষ্যার বালাসোর ও কটক জেলায় জেলা শাসক হিসাবে কাজ করেছিলেন। পুর্বতন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর কার্যালয়ে উপসচিব পদে নিযুক্ত হওয়ার আগে ২০০৩ পর্যন্ত তিনি ওড়িশায় কর্মরত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের অধীনস্ত পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নে ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০০৪ সালে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ নির্বাচন পরাজয়ের পর তিনি বাজপেয়ীর ব্যক্তিগত সচিব হিসাবে কাজ করেছিলেন। ২০০৬এ তিনি গোয়ার মর্মাগাঁও পোর্ট ট্রাস্টের ডেপুটি চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন, পরবর্তী দুবছর তিনি সেখানেই থাকেন।এমবিএ শেষ করার পরে অশ্বিনী ভারতে ফিরে এসে জিই পরিবহণে ম্যানেজিং ডিরেক্টর পদে যোগ দেন। তারপরে তিনি সিমেন্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে কাজ করেছিলেন।কর্পোরেট সেক্টরে কাজ করতে করতে তিনি নিজে ব্যাবসায় মন স্থির করেন। ২০১২ তে তিনি কর্পোরেট সেক্টর ছেড়ে গুজরাতে তিনটি টি অটো লজিস্টিকস প্রাইভেট লিমিটেড এবং ভি ভি জি অটোর কম্পোনেন্টস প্রাইভেট লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।২০১৮ -তে তিনি ওড়িশা থেকে রাজ্যসভার সংসদ। ওড়িশায় বিনা-প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভা নির্বাচনে জিতেছিলেন। বৈষ্ণব বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন কমিটির সদস্য। তাঁর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পরিবেশ ও বন।

জুলাই ০৮, ২০২১
দেশ

Cabinet Minister: কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় শপথ বাংলার চার সাংসদের, সরলেন বাবুল-দেবশ্রী

বাংলা থেকে চারজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন। যদিও এবারও এরাজ্য থেকে কেউ পূর্ণমন্ত্রী হলেন না। বুধবার চারজনই রাষ্ট্রপতি ভবনে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন। মন্ত্রী হলেন বণগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর, বাঁকুড়ার সুভাষ সরকার, কোচবিহারের নিশীথ অধিকারী ও আলিপুরদুয়ারের জন বার্লা। এদিন শপথ নেন মোট ৪৩ জন মন্ত্রী। রদবদলের আগে ১৪ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ইস্তফা দেন। তার মধ্যে ২ জন বাংলার, বাবুল সুপ্রিয় ও দেবশ্রী চৌধুরী।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমারমতুয়াদের নাগরিকত্ব নিয়ে বিধানসভা নির্বাচনের আগেই ক্ষোভপ্রকাশ করেছিলেন বণগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে নিরস্ত করেছিল। এখনও এরাজ্যে নাগরিকত্ব প্রদানের কাজ শুরু হয়নি। তাছাড়া এবারের নির্বাচনে মতুয়া ভোটের জোরে ঠাকুরবাড়ি সংলগ্ন ও নদিয়ার বেশ কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে ভাল ফল করে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে, স্বভাবতই মতুয়া ভোট ব্যাংক বজায় রাখতে শান্তনুকে মন্ত্রী করতে হয়েছে। আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজঙ্গলমহল থেকে মন্ত্রী হলেন বাঁকুড়ার সাংসদ সুভাষ সরকার। সাম্প্রতিক নির্বাচনে জঙ্গলমহলের মধ্যে বাঁকুড়ায় তুলনামূলক ভাল ফল করেছে গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গ বিজেপির সব থেকে বড় ভরসার জায়গা। সেখান থেকে দুজনকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় স্থান দিল বিজেপি।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাকেন্দ্রে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের দিনই রাজ্য যুব মোর্চার পদ ছাড়লেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। তিনি সরসারি তোপ দেগেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে।শুভেন্দু দলকে নিজের মতো চালাচ্ছেন ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ভুল বোঝাচ্ছেন বলে গুরুতর অভিযোগ সৌমিত্রর। রাজ্য সভাপতি সব কিছু বোঝেন না বলেও তিনি মন্তব্য করেছেন। তবে সৌমিত্র এখন বিজেপি ছাড়ছেন না বলেও জানিয়েছেন ভিডিও বার্তায়।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Accident: বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী

বরাত জোরে বেঁচে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের বিধায়ক বড়সড় পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। রাজ্যের গ্রন্থাগারমন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী সোমবার বিকেলে নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে মেমারি-কাটোয়া রোড ধরে কাটোয়ায় বাড়ি ফিরছিলেন। পথে মেমারি থানার কামালপুর ব্রিজের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। জানা গিয়েছে, অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য বাড়ি যাচ্ছিলেন। আহত মন্ত্রীকে রাতে পৌছে দেওয়া হয় কাটোয়ার কবজগ্রামের বাড়িতে।আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, সাতগেছিয়ার আগেই বড়সড় বিপত্তি ঘটে। ওই সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি ডানদিকে ঘুরে যাওয়া মেমারি মুখী একটি বোলেরো পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মন্ত্রীর গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই দুর্ঘটনায় সামান্য জখম হয়েছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। মন্ত্রীর গাড়ির চালক এবং বোলেরো গাড়ির চালকও আহত হন । বোলেরো গাড়ির চালককে মেমারির পাহাড়হাটি স্বাস্থকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্যে নিয়ে যাওয়া হয় । আরও পড়ুনঃ বিপদসংকুল ও ভয়ঙ্কর সাচ পাস অভিযানের অভিজ্ঞতাগ্রন্থাগারমন্ত্রী বলেন, বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি। দুটি আঙুলে সামান্য চোট রয়েছে। তবে সুস্থ রয়েছি। তাঁর মায়ের শরীর খারাপ। মায়ের চিকিৎসা করানোর জন্য তিনি তাঁর কাটোয়ার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। এ বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান সদর(দক্ষিণ) এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানান, মন্ত্রীর গাড়ির চাকা পাংচার হয়ে এই বিপত্তি ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar-Bratya meet: সংঘাত আবহেই বাজেট অধিবেশনের আগে রাজ্যপালের সঙ্গে ব্রাত্য সাক্ষাতে জল্পনা

রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাতের আবহেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সাক্ষাৎপর্বের শেষেই সে কথা ৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও-সহ টুইট করেন রাজ্যপাল। লেখেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যব্রত বসু সঙ্গে এক ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনা হল। শুক্রবার বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনের আগে এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে, এদিনই রাজ্যপালের সঙ্গে দেবাঞ্জন দেবের যোগসূত্র খুঁজে বের করে একটি ছবি প্রকাশ করেছে তৃণমূল। এমন আবহে বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের আগে তৃণমূলের প্রতিনিধি হিসেবে ব্রাত্য বসুর এই সাক্ষাৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এর পিছনে অন্য কোনও সমীকরণ রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহপ্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের অগস্টে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্বে নেওয়ার পর থেকেই নানা ইস্যুতে তীব্র দ্বন্দ্ব হয়েছে রাজভবন-নবান্নের। তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরেও সেই দ্বন্দ্ব আরও বেড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি আবার বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও সংঘাত বেঁধেছে রাজ্যপালের। বৃহস্পতিবার আবার সংবাদ মাধ্যমকে একটি ছবি দেখিয়ে তৃণমূল নেতা সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, ভুয়ো টিকা-কাণ্ডের প্রতারক দেবাঞ্জনের ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক নিরাপত্তা রক্ষী। তাঁর নাম অরবিন্দ বৈদ্য। সে-ও ভুয়ো কিনা বলতে পারব না। তিনি আরও বলেন, এটা চিনতে পারেন কিনা দেখুন তো! ওই নিরাপত্তারক্ষী কাদের পিছনে দাঁড়িয়ে আছেন? মাননীয় রাজ্যপাল ও তাঁর আত্মীয়দের সঙ্গে হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছেন দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা রক্ষী।Had an hour long useful interaction with Shri Bratyabrata Basu Roy Chowdhury, Minister in Charge Education @MamataOfficial and traversed several issues connected to state of affairs of State Universities. pic.twitter.com/hvPpvEPX7R Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) July 1, 2021এমন পরিস্থিতিতে আবার শুক্রবার রাজ্যপাল বিধানসভায় যাবেন। তাই রাজ্য রাজনীতির কারবারিদের মতে, শিক্ষামন্ত্রীকে পাঠিয়ে বক্তৃতার আগেই কিছুটা হলেও রাজ্যপালের সঙ্গে সরকারপক্ষের সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও, সাংবিধানিকভাবে রাজ্যপাল রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। আর রাজ্যপাল নিজের টুইটে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিষয়েই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার কথা বলেছেন। তা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার ও রাজভবনের দূরত্ব কমানোর প্রয়াসের কথাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনীতিক বিশেষজ্ঞরা।

জুলাই ০১, ২০২১
নিবন্ধ

Bidhan Chandra Roy: বিরোধী বিধান'-র জ্যোতি স্নেহ

ডঃ বিধান চন্দ্র রায়ের মুখ্যমন্ত্রী সময়কাল ও তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা নিয়ে বহু কথা আলোচিত হয়। কিন্তু তাঁর আপাত গম্ভীর চেহারার মধ্যে অসম্ভব রসবোধ নিয়ে সেভাবে চর্চা হয়না। মানুষটির অসামান্য ব্যক্তিত্বের আড়ালে যে অনবদ্য রসবোধ সম্পন্ন একটি চরিত্র লুকিয়ে থাকত তা ওনার মুখের অভিব্যক্তি দেখে একেবারেই আন্দাজ করা যেতনা। তাঁর রসবোধ নিয়ে বহু কাহিনি লোকমুখে ছড়িয়ে পড়ে। শোনা যায় বিধান রায় প্রায়ই মজার ছলে তাঁর রোগীদের বলতেনঃ# ডাক্তারবাবুরা যে যে ওষুধ লিখে দেবে তা অবশ্যই কিনবেন, কেননা দোকানদারদেরও তো বাঁচতে হবে।# ওষুধ কিনে বাড়ি ঢুকেই ওইগুলি ডাস্টবিনে ফেলে দেবেন কারণ আপনাকেও তো বাঁচতে হবে! তাঁর গম্ভীর ভাবে রসিকতা শুনে ডাক্তাখানার উপস্থিত সকলে হেসে অস্থির হতেন।জানা যায় তিনি ঘনিষ্টমহলে বলতেন, রোগ সারাতে হাসি খুব দরকার। হাসি রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা অনেক গুন বাড়িয়ে দেয়। মন প্রফুল্ল থাকলে অসুখ বোধ কম থাকে। তাঁর মতে আমাদের অসুখের সত্তর ভাগ শারীরিক বাকিটা মানসিক। বিধাসভায় মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায়চিকিৎসক হবার বিশেষ ইচ্ছা ছোটবেলায় বিধান রায়ের ছিল না, তিনি একই সাথে শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ফর্মের জন্য আবেদন করেছিলেন। ডাক্তারির ফর্মটা আগে আসায় ওটাতেই আবেদন করেন। কলেজ স্ট্রিট ওয়াইএমসিএ-তে তিনি থাকতেন। প্রবল অর্থাভাবের মধ্যেই তিনি ডাক্তারি পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। রোগীর বাড়িতে বারো ঘণ্টায় আট টাকা পারিশ্রমিকে মেল নার্সের কাজ অবধি করেছেন। মেল নার্স কথাটি আজকাল তেমন শোনা যায় না। অর্থাভাবে কলকাতার রাস্তায় ট্যাক্সিও চালিয়েছেন। কাজের গুরুত্ব বোঝাতে একথা তৎকালীন রাইটার্সের কর্মীদের প্রায়সই তিনি বলতেন। আজকের সমাজিক মাধ্যম সেই সময়ে থাকলে তাঁকে ট্যাক্সি ড্রাইভার মুখ্যমন্ত্রী আখ্যা দিতে খুব বেশী দেরী করত না।বিধান চন্দ্র রায় ও জ্যোতি বসু-র রাজনৈতিক ভাবধারা ও রাজনৈতিক দল সম্পুর্ণ দুই মেরু তে অবস্থিত ছিল। একজন ডান পন্থী আরেকজন কট্টর বামপন্থী। কিন্তু তাদের একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও সন্মানবোধ ছিল দেখার মত। এই সম্পর্ক নিয়ে বহু কাহিনী লোক মুখে ছড়িয়ে পড়ে।জগদীশ চন্দ্র বোসের জন্ম শতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী নেহেরুর সাথে বিধান রায়জানা যায়, ১৯৫৪-তে বিধান চন্দ্র রায় তখন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। বিরোধী দলনেতা জ্যোতি বসু। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষকদের জঙ্গি আন্দোলনে বেসামাল সরকার। বিধানসভায় প্রতিদিন বিরোধীদের ওয়াক আউট। স্তব্ধ বিধানসভার কাজ। বিড়ম্বনায় পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা অবস্থা তথৈবচ। জঙ্গি আন্দোলনের জন্য বিরোধী দলনেতা জ্যোতি বসুর বিরুদ্ধে জারি হল গ্রেফতারি পড়োয়ানা। জ্যোতি বসু তখন বিধানসভায়। বিধানসভার বাইরে পুলিশ তাঁর অপেক্ষায়। বেরোলেই গ্রেফতার করবে জ্যোতি বসুকে। খবরটা বিধান চন্দ্রর কানে যেতেই তিনি তাঁকে আলাদা করে ডেকে বললেন, রাতে বিধানসভায় থেকে যেতে। যাতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার না করতে পারে। আর তাঁর কোনো অসুবিধা না হয় তার ব্যবস্থাও তিনি করলেন। বিধান রায়ের এহেন আচরণে কংগ্রেসের অন্যান্য নেতারা খুশি হননি। বিধান রায়ের বক্তব্য, আমার বিরোধী দলের হলেও উনি খুব বড়ো রাজনীতিবিদ। ওঁকেও প্রয়োজন। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজনৈতীক নেতাদের কাছে সৌজন্যবোধের এই নিদর্শন মানুষ আশা করেনা। শোনা যায়, বিধান রায় পুলিশকে নির্দেশ দিয়ে রেখেছিলেন যে, কোনও বিক্ষোভ হলেই জ্যোতিকে গ্রেপ্তার করে আগে জেলে ভরে দেবে। জ্যোতি বসু বারবার গ্রেপ্তার হয়ে আর জেলে গিয়ে তিতিবিরক্ত হয়ে একদিন বিধানচন্দ্রকে বললেন, আপনার পুলিশ যে কোনও আন্দোলন হলেই আমাকে ধরে কেন? বিধান রায় এতটুকু বিচলিত না হয়ে সহাস্যে উত্তর দিলেন তুমি তো জানো একটা প্রবাদ আছে When the storm came, tallest tree are the first hit. তা তুমিই তো একমাত্র সেই নেতা, তোমাকে গ্রেপ্তার করবে না তো, কাকে করবে? জ্যোতি বসু চুপচাপ শুনে চলে গেলেন। এইরকমই, জ্যোতি বসুকে আরেকটি বিতর্কে লজ্জিত করে দিয়েছিলেন বিধান রায়। বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বিধান রায় প্রচুর টাকা খরচ করে একটা নতুন অফিস বানান, তাতে আনা হয় সেগুন কাঠের এক রাজকীয় চেয়ার। জ্যোতি বসু বিধানসভায় এর তীব্র প্রতিবাদ করলে মুখ্যমন্ত্রী উঠে দাঁড়িয়ে বলেন তুমি এতে প্রতিবাদ করছ কেন? তুমিই তো এই মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে একদিন বসবে। তরুণ বিরোধী দলনেতা সাংঘাতিক লজ্জা পেয়ে বসে পড়লেন।সৌজন্যের এক অনন্য নজীর ১৯৫২-র বিধানসভা ভোটের কিছু আগে নির্বাচনী প্রচারসভা থেকে একে অপরকে তীব্র আক্রমণ করছেন বিধানচন্দ্র রায় এবং জ্যোতি বসু। একদিন ধর্মতলাতে বিধান রায়ের জনসভা। সেখানে পৌঁছে গাড়ি থেকেই তিনি দেখেন, জ্যোতি হেঁটে যাচ্ছেন। তাঁর সেক্রেটারি দিয়ে জ্যোতিকে ডেকে পাঠিয়ে বিধান রায় জানতে চান, তিনি কোথায় যাচ্ছেন? প্রত্যুত্তরে জ্যোতি বসু বলেন, আপনার সরকার ট্রামের ভাড়া বাড়িয়েছেন। আজ প্রতিবাদ মিছিল আছে, সেখানেই যাচ্ছি। শুনে বিধান রায় বলেন, খালি পেটে বিধান রায় আর কংগ্রেসকে হারানো যাবে না। গাড়িতে এসো, খানকয়েক লুচি আছে, দুজন মিলে উদ্ধার করি। তারপর তুমি গিয়ে বিধান রায়কে গালাগালি কর।রাধাকৃষ্ণান,সরোজিনি নাইডু ও প্রধানমন্ত্রী নেহেরুর সাথে বিধান রায়১৫৫৩-এ গণনাট্য সংঘের জমিদারিপ্রথা উৎখাত নিয়ে ৫৯ টি নাটক চলাকালীন কংগ্রেস সরকার নিষিদ্ধ করে দেন। যদিও শোনা যায়, এতে বিধান রায়ের সায় ছিলনা। সেই বিবাদ শেষ অবধি বিধানসভা পর্যন্ত গড়ায়। বিধানসভা হলে বিরোধী দলনেতা জ্যোতি বসু বিধান রায়কে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি হিটলারের মত আচরণ করছেন। এর উত্তর দিতে গিয়ে বিধান রায় স্মিত হেসে বলেন হ্যাঁ হিটলার স্তালিনের উত্তর দিচ্ছে। এই উত্তরের প্রত্যুত্তর না দিয়ে জ্যোতি বসু নিজের আসনে বসে পরেন। তবে বিধান রায়ের ব্যক্তিগত সচিব সরোজ চক্রবর্তী লিখেছেন, দুজনের মধ্যে সমঝোতা ছিল যে, ভোটের সময় কেউই একে অন্যের নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে জনসভা করবেন না। ১৯৫২ সালের সাধারণ নির্বাচন ছাড়া আর কখনও কেউ এই চুক্তি ভাঙেননি। ডাঃ রায়ের বাড়িতে জ্যোতি বসু যখন কফি খেতে আসতেন ওঁর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সমস্যাবলী নিয়ে আলোচনা করতেন, তখন দুজনে একেবারে অন্য মানুষ। আমি এই ঘটনা বহুবার দেখেছি।ইদানীং রাজনীতিতে ছোট বড়ো সব নেতাকর্মী ও মন্ত্রীদের মুখে কারণে অকারণে কটুক্তি আর অশ্রাব্য ভাষার বন্যা বইছে। অনেকের অশ্রাব্য ভাষা কানে পাতা দায়। একে অপরের প্রতি ন্যূনতম সৌজন্যবোধ নেই বললে অত্যুক্তি হবেনা। অথচ এটা তো হওয়ার ছিলনা। সল্টলেক উপ-নগরী উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিধান চন্দ্র রায় ২৪ জুন ১৯৬২। রাইটার্সে বিধান রায়ের শেষ দিন। সেদিন এক সন্ন্যাসী তাঁর সাথে দেখা করতে এলে তাঁকে বলছিলেন, শরীর তেমন ভালো ঠেকছে না, কাল নাও আসতে পারি। মাথায় তখন অসহ্য যন্ত্রণা। পরের দিন বাড়িতে ডাক্তার শৈলেন সেন ও যোগেশ বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডাকা হল। তাঁদের সিদ্ধান্ত হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। ৩০ জুন ডাক্তার রায় তাঁর প্রিয় বন্ধু ললিতমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বললেন, আমি তিরিশ বছর হৃদরোগের চিকিৎসা করে আসছি, আমার কতটা কী হয়েছে আমি তা খুব ভাল করেই বুঝতে পারছি। কোনও ওষুধই আমাকে ভাল করতে পারবে না।১ লা জুলাই তাঁর জন্মদিন। সেদিনই তাঁর তিরোধান দিবস। ওই দিন তাঁর আত্মীয়স্বজনরা এলেন। পরিচারক কৃত্তিবাসের হাত থেকে এক গ্লাস মুসুম্বির রস খেলেন। বন্ধু সার্জেন ললিতমোহনকে দেখে খুশি হয়ে বললেন, ললিত আমার গুরুও বটে, ওর কাছ থেকে কত কিছু শিখেছি।তার পর এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে বললেন, আমি দীর্ঘ জীবন বেঁচেছি। জীবনের সব কাজ আমি শেষ করেছি। আমার আর কিছু করার নেই। এর পর বললেন, আমার পা ঠান্ডা হয়ে আসছে। তাঁর পরেই নাকে নল, ইঞ্জেকশন এবং ১১টা ৫৫ মিনিটে নাগাদ শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দুঃসংবাদ পেয়ে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের স্ত্রী বাসন্তীদেবী বলেছিলেন, বিধান পুণ্যাত্মা, তাই জন্মদিনেই চলে গেল। ভগবান বুদ্ধও তাঁর জন্মদিনে সমাধি লাভ করেছিলেন। দেহাবসানের কয়েক বছর আগে কেওড়াতলা মহাশ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লির উদ্বোধন করতে এসে বিধানচন্দ্র বলেছিলেন, ওহে আমাকে এই ইলেকট্রিক চুল্লিতে পোড়াবে। ২ জুলাই ১৯৬২ তাঁর সেই ইচ্ছা পূর্ণ করা হয়েছিল।আর যাঁরা তাঁর নিন্দায় সদা মুখর ছিলেন তাঁদের সম্বন্ধে জীবনসায়াহ্নে বলেছিলেন, আমি যখন মরব তখন ওই লোকগুলোই বলবে, লোকটা ভাল ছিল গো, আরও কিছু দিন বাঁচলে পারত।বিধান রায়ের মৃত্যুর পর ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নালে তাঁকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে লেখা হয় first medical consultant in the subcontinent of India, who towered over his contemporaries in several fields? at his professional zenith he may have had the largest consulting practice in the world, news of his visit to a city or even railway station bringing forth hordes of would-be patients.জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুলাই ০১, ২০২১
দেশ

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি স্বপন দাশগুপ্তর

রাজ্যে যে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতি চলছে তার নিন্দা আগেই করেছে বিজেপি। এ বার রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে লোকাল ট্রেন চালু করার দাবি জানাল গেরুয়া শিবির। দলের রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বৃহস্পতিবারই লোকাল ট্রেন চালানোর দাবি জানিয়ে রেলমন্ত্রী পীযূষ গয়ালকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেই চিঠি-সহ টুইটও করেছেন স্বপন। লিখেছেন, রাজ্যে এখন যে লকডাউন চলছে তা খামখেয়ালি এবং শৃঙ্খলাহীন। এই দাবির সঙ্গে গয়ালকে চিঠিতে বিজেপি সাংসদ লিখেছেন, বাংলার সাধারণ মানুষের সুবিধা করে দিতে রেলমন্ত্রী হিসেবে এবং ব্যক্তিগতভাবে আপনি আশা করি উদ্যোগী হবেন। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ আপনার পদক্ষেপের আশায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুয়ারে সরকার,-এর পর এবার পূর্ব বর্ধমানে দুয়ারে পুলিশবিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরে গত ৬ মে রাজ্যে করোনা রুখতে কড়া বিধিনিষেধ চালু করা হয়। রাজ্য সরকার সেটাকে লকডাউন না বললেও কার্যত সেই পরিস্থিতিই তৈরি হয়। লোকাল ট্রেন চলাচল সেই থেকেই বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি বিধিনিষেধে রাজ্য সরকার অনেক ছাড় দিলেও এখনও লোকাল ও মেট্রো রেল চালুর অনুমতি দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি তা নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় যাত্রী বিক্ষোভও হয়েছে।The terms of the lockdown in W Bengal are whimsical. Buses are allowed but local trains Kolkata Metro are not. Commuters are facing enormous hardship loss of livelihood. I have today requested the Rail Minister to initiate the process of resumption of services. pic.twitter.com/5jQ6LOrb1L Swapan Dasgupta (@swapan55) July 1, 2021বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যে বিধিনিষেধে নতুন ছাড় শুরু হচ্ছে। এই সময় ট্রেল চলাচল স্বাভাবিক না হলেও কিছু ছাড় মিলবে বলে আশা করা হয়েছিল। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্টই জানিয়েছেন, এখন ট্রেন চালালে করোনা সংক্রমণ এক লাফে বেড়ে যাবে। তারই বিরোধিতা করে রেলমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠিতে স্বপন দাবি করেছেন, গত ১৫ দিনে রাজ্যে লকডাউন পরিস্থিতিতে অনেক ছাড় মিলেছে। অফিস, থেকে রেস্তরাঁ, জিম, সেলুন ও পার্লার চালু হয়েছে। লোকাল বাসও চালু হয়েছে। কিন্তু ট্রেন চালু না হওয়ায় সাধারণ মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। যে অল্পসংখ্যক গণপরিবহণ চালু রয়েছে তাতে খুবই ভিড় হচ্ছে। সুতরাং লোকাল ট্রেন চালু হলে যাত্রী সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে।

জুলাই ০১, ২০২১
রাজ্য

Cancer Hospital: রাজ্যে ২টি নতুন ক্যানসার হাসপাতালের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

টাটা মেমোরিয়ালের সঙ্গে যৌথ ভাবে দুটি ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও রাজ্যের অধিকাংশ ক্যানসার আক্রান্ত মুম্বাই যান চিকিৎসা করাতে। তাতে একদিকে যেমন টাকা-পয়সার খরচ বেড়ে যায়, অন্যদিকে সঙ্গে থাকার লোকজনের ঝক্কিও থাকে।আরও পড়ুনঃ Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনএদিন নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন রাজ্যের মানুষ মুম্বাই যান ক্যানসারের চিকিৎসা করতে। এরপর এই রাজ্যেই উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে। টাটা মেমোরিয়াল ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে দুটো ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র করবে এখানে। তার মধ্যে একটা এসএসকেএমে অন্যটি উত্তরবঙ্গে তৈরি করা হবে। এর ফলে আর বাইরের রাজ্যে যেতে হবে না ক্যানসার আক্রান্তদের।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিএদিকে এদিনে বৈঠকে ফের ভ্যাকসিন নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। টিকাপ্রদানে রাজ্য দেশের মধ্যে সেরা কাজ করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইতিমধ্যে রাজ্যে ২.১৭ কোটি ডোজ টিকা দিয়েছি। কেন্দ্রের কাছ থেকে মোট ১.৯৯ কোটি টিকা পেয়েছি। তার মধ্যে ১.৯০ কোটি ডোজ দিয়েছি। রাজ্যে ৫৯ কোটি টাকা দিয়ে সরকারি ট্রেজারি থেকে ১৮ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন কিনেছে। মমতার প্রশ্ন, অন্যরা তিন কোটি ভ্যাকসিন পেলে আমি কেন এক কোটি কম পাব? ফের টিকার দাবি জানিয়ে আজই রাজ্য চিঠি দেবে কেন্দ্রকে।

জুন ৩০, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: কসবা-কাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে যোগের অভিযোগ বিজেপির

রাজ্যে টিকাকরণের নামে ব্যাপক বেনিয়ম চলছে বলে অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিতে চলেছে বিজেপি (BJP)। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ায় নিজের দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক বৈঠকে একথা জানান বাঁকুড়ার সাংসদ চিকিৎসক সুভাষ সরকার। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য সরকার কেন্দ্রের পাঠানো টিকাকে নিজেদের কেনা টিকা বলে দাবি করছে। তাছাড়া, এদিন সুভাষবাবু একাধিক ছবি দেখিয়ে দাবি করেন, কলকাতার কসবায় ভুয়ো টিকাকরণ শিবির আয়োজনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ভুয়ো আইএএস (IAS) আধিকারিক দেবাঞ্জন দেবের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে তৃণমূলের (TMC)। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে ছবি রয়েছে দেবাঞ্জনের। এই ভুয়ো টিকাকরণ নিয়ে রাজ্য সরকারকে এক এক হাত নিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁন। তাঁদের দাবি, কেন্দ্র সরকার সকলের জন্য ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছে, কিন্তু রাজ্য সরকার তা ঠিকভাবে বণ্টন করতে ব্যর্থ। উপরন্তু, এরকম ভুয়ো ঠিকাকরণে রাজ্যে মানুষের মনে ভয়ের সঞ্চার হচ্ছে। আরও পড়ুনঃ হাম বা বিসিজি বা স্রেফ পাউডার গোলা জল দেওয়া হয়েছে কসবার ক্যাম্পেএরপর তিনি হাওড়ার মানপুর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে টিকাকরণের নামে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। বলেন, সেখানে অবনী খুটিয়া নামে এক ব্যক্তি টিকা নিতে যান। সেখানে তাঁকে পঞ্চায়েত প্রধানের সুপারিশ লিখিয়ে আনতে বলা হয়। তিনি সেখানে গেলে দেখেন তাঁর ফোনে টিকাকরণের (Vaccination) এসএমএস ও সার্টিফিকেট চলে এসেছে। অথচ টিকাই নেননি অবনীবাবু। প্রশ্ন হল, তাহলে অবনীবাবুর টিকা কে চুরি করল? টিকাটা কে নিল? সেই টিকাই কি বাজারে বিক্রি হচ্ছে? রাজ্যে টিকাকরণের অডিটের দাবিও তোলেন তিনি। বলেন, প্রত্যেকটা টিকা কাকে দেওয়া হয়েছে তা জানা দরকার। রাজ্য সরকার এত অসৎ হলে তো মহা মুশকিল। এই অবনী খুটিয়া যদি এবার করোনায় আক্রান্ত হন। পরিবার যদি তাঁকে হারায়। তাহলে কি তাঁদের ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার?যাদবপুরের সাংসদ গেলেন জাল ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্পে ডোজ ও প্রচার নিতে!বিধায়ক লাভলী মৈত্র মঞ্চে পরিচয় করিয়ে দিলেন,জয়েন্ট কমিশনার আইএএস অফিসার বলে!তাই জন্য কি আগেভাগে কেঁদে বলেছিলেন ফিরাদ সাহেব,আমায় কলকাতার মানুষকে বাঁচাতে দিল নাসঠিক তদন্ত হোক। দোষীরা যেন ছাড়া না পায়। pic.twitter.com/xOTuUV2Mab Saptarshi Chowdhury (@saptarshiOFC) June 25, 2021সুভাষবাবুর দাবি, কেন্দ্রের টিকাকে রাজ্যের টিকা বলে চালানো হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যকে ১.৭৫ কোটি টিকা দিয়েছে। সেখানে রাজ্য সরকার কিনেছে মাত্র ১৭ লক্ষ ভ্যাকসিন। তাতেই সব টিকা রাজ্য সরকার কিনেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। কেন্দ্রের নতুন নীতি অনুসারে কোনও রাজ্যকে আর একটাও টিকা কিনতে হবে না। কেন্দ্রীয় সরকার সবাইকে বিনামূল্যে টিকা দেবে। তিনি বলেন, পরিকাঠামো থাকলেও রাজ্য সরকার টিকাকরণের গতি শ্লথ করে রেখেছে। টিকার কৃত্রিম চাহিদা তৈরি করে টাকা উপার্জনের জন্য একাজ করছে তারা। কেন্দ্র আজ পর্যন্ত কত টিকা পাঠিয়েছে আর কত টিকা দেওয়া হয়েছে তার তথ্য কেন প্রকাশ করছে না রাজ্য? সুভাষবাবুর কথায়, এসব কথা জানিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে চিঠি দেব।

জুন ২৫, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে কবে পুরভোট? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে ১১২টি পুরসভার নির্বাচন বাকি রয়েছে। এরমধ্যে ৬টি কর্পোরেশনও আছে। পুরপ্রশাসক নিয়োগ করে পুরসভাগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে। কবে পুরভোট হতে পারে বৃহস্পতিবার নবান্নে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।২০১৮-তেই বেশ কয়েকটি পুরসভার নির্বাচিত বোর্ডের পরিচালনের মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। তারপর ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১১২টিতে। তার মধ্যা কলকাতা, হাওড়া, বিধাননগর, চন্দননগর, আসানসোল ও শিলিগুড়ি কর্পোরেশনের নির্বাচন বাকি রয়েছে। এবার রাজ্য অপেক্ষা করছে বিধানসভার ৭টি আসনে কবে উপনির্বাচন হবে। এর মধ্যে যে কোনও একটি আসন থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জয়ী হতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আরও পড়ুনঃ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডরাজ্যে পুরসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইলেকশন কমিশন আগে উপনির্বাচনের কথা বলুক, আমাদের সময়মতো পুর নির্বাচন করব। আমরা অপক্ষো করছি। আমরা তৈরি। আমাদের নির্বাচন করতে কোনও ভয় নেই। আমাদের দেখতে হবে ৭ টি আসনে কবে উপনির্বাচন হয়। বাদ বাকিগুলো করে নেব।আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি শেষ, রায়দান স্থগিতলোকসভা ভোটের পর থেকেই রাজ্যে পুরসভাগুলোর মেয়াদ শেষ হতে থাকে। নানা কারণে নির্বাচন পিছোতে থাকে। শেষমেশ কোভিড পরিস্থিতি এসে পড়ে এরাজ্যেও। এরইমধ্যে ৮ দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবার দেখার বিষয় কবে উপনির্বাচন ঘোষণা করে। রাজ্য চাইছে যত দ্রুত সম্ভব উপনির্বাচন যেন হয়। সেক্ষেত্রে তারপরই পুরনির্বাচনও সম্পন্ন করে ফেলতে চায় রাজ্য।

জুন ২৪, ২০২১
দেশ

Dhankhar: দিল্লিতে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক রাজ্যপালের

ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে নবান্ন-রাজভবন দ্বন্দ্বের আবহে দিল্লি উড়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে সোমবারই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি বিধায়কদের একটি প্রতিনিধি দল দেখা করেছিল রাজ্যপালের সঙ্গে। তার পরেই রাজ্যপালের তিন দিনের এই দিল্লি-সফর স্বাভাবিকভাবেই জল্পনা বাড়িয়েছে।দিল্লিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে রাজ্যপাল দেখা করতে পারেন বলে জল্পনা। এমনকী, কানাঘুঁষো শোনা যাচ্ছে, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও দেখা করতে পারেন ধনখড়। যদিও দিল্লিতে রাজ্যপালের কর্মসূচি কী হবে, সে ব্যাপারে রাজভবনের তরফে থেকে এখনও কিছুই জানানো হয়নি। তবে দিল্লির উদ্দেশে উড়ে যাওয়ার আগের ঘটনাক্রমের বিচারে মনে করা হচ্ছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যদি রাজ্যপালের বৈঠক হয়, সেখানে বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা-র প্রসঙ্গ উঠে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। দিল্লি গিয়ে বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অরুণ কুমার মিশ্রের সঙ্গে দেখা করেছেন ধনখড়। তিনি বর্তমানে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারপার্সন। যদিও টুইটারে এই সাক্ষাৎ-কে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ হিসেবেই ব্যাখ্যা করেছেন ধনখড়। এ ছাড়াও বুধবার কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি এবং পর্যটন মন্ত্রী প্রহ্লাদ সিং প্যা টেলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। টুইটারে জানিয়েছেন, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন তাঁরা। দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় কয়লা, খনি এবং সংসদীয় মন্ত্রকের মন্ত্রীর সঙ্গে। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ফিরে আসার আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে পারেন। প্রসঙ্গত, দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগেই বাংলায় রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া চিঠি দিয়েছেন রাজ্যপাল। মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো বিষয় নিয়ে সরব হয়ে চিঠিতে ধনখড় লিখেছেন, ভোটের পরে বহু মানুষ হিংসার কবলে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন। বিরোধীদের প্রচুর সম্পত্তি নষ্ট করা হয়েছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো ঘটনা অব্যাহত। চলছে নারী নির্যাতনও। রাজ্যের এই পরিস্থিতি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও আপনি নীরব থেকেছেন। এমনকী, মন্ত্রিসভার বৈঠকেও এ নিয়ে কোনও আলোচনা করেননি।

জুন ১৬, ২০২১
বিদেশ

Netanyahu: ইজরায়েলে নতুন সুর্যের উদয়, অবসান একযুগের

বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর (Netanyahu) এক যুগের শাসন শেষ হল ইজরায়েলে। রবিবার ১২০ আসনের সংসদে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মনোনীত হলেন নফতালি বেনেট (Naftali Benette)। গত ১২ বছর ধরে ইজরায়েলের মসনদ সামলে এসেছেন সত্তরোর্ধ্ব নেতানিয়াহু। তবে ইদানিং তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়ে। আর সে কারণেই রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয় সে দেশে। অবশেষে সেই টালমাটাল পরিস্থিতির অবসান হল। নতুন সরকার গঠনে সম্মতি দিল ইজরায়েলের সংসদ।১২০ আসনের সংসদে এদিন ৫৯টি ভোট পড়ে নেতানিয়াহুর পক্ষে। নতুন জোট সরকার গড়ার পক্ষে ভোট পড়ে ৬০টি। সে দেশের সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, নাফতালি ইতিমধ্যেই নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেছেন। আন্তর্জাতিক স্তরে বহুলচর্চিত নাম বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। বিশ্ব রাজনীতিতে অত্যন্ত সক্রিয় তিনি। ইজরায়েলে সব থেকে বেশি সময় ধরে থাকা প্রধানমন্ত্রী তিনি। এবার সেই নেতানিয়াহু সংসদে বসবেন বিরোধী পক্ষের নেতা হিসাবে।একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত নেতানিয়াহু। ফিলিস্তিনিদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। গাজ়ায় বোমারু বিমানের হানাদারি নিয়েও তাঁর ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়ে। এরপরই ধীরে ধীরে তাঁর ১২ বছরের গদি টলমল করা শুরু হয়। বাম-ডান নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করতে উদ্যোগী হয়। নেতানিয়াহুর ১২ বছরের শাসনের অবসানের খবরে এদিন তেল আভিভের রাস্তায় নামে হাজার মানুষের ঢল। আনন্দে মাতোয়ারা তাঁরা।নেতানিয়াহু ছিলেন দক্ষিণপন্থী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের চরমতম উদাহরণ। অভিযোগ, বিরোধীদের দমনপীড়ন থেকে শুরু করে, সরকার ও প্রশাসনকে নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। রবিবার সংসদের ভোটে জিতেই প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন ৪৯ বছরের বেনেট। আর তাঁর আগমনেই নতুন সরকার গঠনের সঙ্গে ইতিহাস হয়ে থাকল ইজরায়েলের রাজনীতি। এই প্রথম ইহুদী (Jews) দেশের সরকারে যেমন অতি দক্ষিণপন্থীরা আছেন, তেমনই আরব মুসলিমরাও আছেন। অতি দক্ষিণপন্থীদের সঙ্গে ক্ষমতা ভাগাভাগি করে নিয়েছেন সে দেশে বসবাসকারী ২১ শতাংশ আরব মুসলিম (Islams)।২০০৯ সালে দ্বিতীয়বার ইজরায়েলের মসনদে বসেছিলেন নেতানিয়াহু। দুর্নীতির অভিযোগে ইতিমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন সদ্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। জেরুজালেমের আদালতে তাঁর দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ফলে, তাঁর জেলে যাওয়া এখন কার্যত সময়ের অপেক্ষা। এছাড়াও তাঁর লিকুদ পার্টির (Likud Party) বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধেও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রয়েছে। কূটনৈতিক মহলের দাবি, নেতানিয়াহুর বিদায়ে পশ্চিম এশিয়ার রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা করবে। ভারতের সঙ্গে বরাবর সুসম্পর্ক রয়েছে ইজরায়েলের (India-Israel)। সে দেশের পালাবদল নিয়ে এদিন রাতে কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি বিদেশ মন্ত্রক থেকে। তবে কূটনৈতিক মহলের দাবি, ভবিষ্যতে ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা।

জুন ১৪, ২০২১
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রীম ক্ষতিপূরণ নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ মমতার

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম ক্ষতিপূরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ফের এরাজ্যের প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন ঘূর্ণিঝড় যশের মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ডাকা বৈঠকে ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় এ রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ওই বৈঠকের পরে নবান্নে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওডিশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশকে ৬০০ কোটি করে বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছেন । সেখানে এ রাজ্যকে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আয়তনের দিক থেকে বৃহৎ এই রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা অযৌক্তিক বলে মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন। গতবছরের আম্ফান পর্বে কেন্দ্রীয় সহায়তা বাবদ প্রতিশ্রুত অর্থসাহায্য ও ঠিকমতো মেলেনি বলেও তিনি আজ অভিযোগ করেছেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পর নবান্নে ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন মমতা। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আম্ফানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই এবারের আসন্ন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গতবছর আম্ফানের সময় ১০ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রাণহানি রোখা গিয়েছিল। এবারও একই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। এজন্য ৪ হাজার ত্রাণশিবির খুলে লোককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। অতিমারির আবহে ত্রাণ শিবির গুলিতে করোনা বিধি যাতে কঠোরভাবে মানা হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, নবান্ন এবং উপান্ন কাল থেকে ৪৮ ঘণ্টা সারাক্ষণ নজরদারি চলবে। উদ্ধারকার্য চালানোর জন্য দল তৈরি করা হয়েছে। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গোটা বিষয়টি তদারক করবেন। দক্ষিণবঙ্গে ঘূর্ণি ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ব্লক ব্লকে সচেতনতা মূলক প্রচার এবং মৎস্যজীবীদের মধ্যে সমুদ্রের না যাওয়ার বিষয়ে নিরন্তর প্রচার চালানোর জন্য তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

বাতিল হচ্ছে না মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক

কবে হবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা? সেই উত্তরের খোঁজে এখনও দিশেহারা কয়েক লক্ষ পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকরা। সম্ভাব্য দিনক্ষণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করে কিছুই বলতে পারলেন না শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেই পরীক্ষা হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নেবেন বলেও জানালেন শিক্ষামন্ত্রী। গত বছর মার্চ থেকেই রাজ্যে দাপট দেখাচ্ছে করোনা। অতিমারি পরিস্থিতিতে সেই সময় থেকেই বন্ধ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সাধারণত বছরের শুরুতে এই দুই পরীক্ষা হয়ে যায়। তবে করোনার জেরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। ভোট মেটার পর এই দুই পরীক্ষা হবে বলেই দিনক্ষণ স্থির করা হয়েছিল। তবে কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মাধ্যমিকের দিনক্ষণ বদল করা হয়। যদিও উচ্চমাধ্যমিকের দিনক্ষণ অপরিবর্তিতই।কিন্তু বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই দুই পরীক্ষা কবে হবে সে বিষয়ে সামান্য ইঙ্গিত দিলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট জানালেন, এখনই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক হচ্ছে না। অতিমারী পরিস্থিতি কেটে গেলেই দুই পরীক্ষা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তবে কি মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকও বাতিল হতে চলেছে, এমন গুঞ্জনও চতুর্দিকে শোনা যাচ্ছে। তবে সেই জল্পনায় জল ঢাললেন শিক্ষামন্ত্রী। কোনওভাবেই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা বাতিল হবে না বলেই জানিয়ে দিলেন ব্রাত্য বসু। তবে পরীক্ষার দিনক্ষণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেবেন বলেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। উল্লেখ্য, উচ্চমাধ্যমিক হোম সেন্টারে হবে বলে ইতিমধ্যেই পর্ষদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে হোম সেন্টার হবে কিনা, সে বিষয়েও এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ২১, ২০২১
রাজ্য

বাতিল হচ্ছে না মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক

কবে হবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা? সেই উত্তরের খোঁজে এখনও দিশেহারা কয়েক লক্ষ পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকরা। সম্ভাব্য দিনক্ষণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত করে কিছুই বলতে পারলেন না শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুও। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেই পরীক্ষা হবে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই নেবেন বলেও জানালেন শিক্ষামন্ত্রী। গত বছর মার্চ থেকেই রাজ্যে দাপট দেখাচ্ছে করোনা। অতিমারি পরিস্থিতিতে সেই সময় থেকেই বন্ধ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সাধারণত বছরের শুরুতে এই দুই পরীক্ষা হয়ে যায়। তবে করোনার জেরে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে চলছে টানাপোড়েন। ভোট মেটার পর এই দুই পরীক্ষা হবে বলেই দিনক্ষণ স্থির করা হয়েছিল। তবে কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মাধ্যমিকের দিনক্ষণ বদল করা হয়। যদিও উচ্চমাধ্যমিকের দিনক্ষণ অপরিবর্তিতই।কিন্তু বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে এই দুই পরীক্ষা কবে হবে সে বিষয়ে সামান্য ইঙ্গিত দিলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট জানালেন, এখনই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক হচ্ছে না। অতিমারী পরিস্থিতি কেটে গেলেই দুই পরীক্ষা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই একাদশ শ্রেণির পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। তবে কি মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকও বাতিল হতে চলেছে, এমন গুঞ্জনও চতুর্দিকে শোনা যাচ্ছে। তবে সেই জল্পনায় জল ঢাললেন শিক্ষামন্ত্রী। কোনওভাবেই মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা বাতিল হবে না বলেই জানিয়ে দিলেন ব্রাত্য বসু। তবে পরীক্ষার দিনক্ষণ সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেবেন বলেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। উল্লেখ্য, উচ্চমাধ্যমিক হোম সেন্টারে হবে বলে ইতিমধ্যেই পর্ষদের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে হোম সেন্টার হবে কিনা, সে বিষয়েও এখনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ২১, ২০২১
কলকাতা

মারণ ভাইরাসে মৃত্যু মুখ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের

মারণ করোনা ভাইরাসের থাবা এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেজো ভাই অসীম বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদিও ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি কালী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই পরিচিত। সূত্রের খবর, গত একমাস ধরে তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাইপাসের ধারে মেডিকা হাসপাতালে ভরতি ছিলেন বলে খবর। কোভিডের বিরুদ্ধে যুদ্ধে আজ সকালে তিনি হার মানলেন। খবর পেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পরিবারে যথারীতি শোকের ছায়া। কালীঘাটেই থাকতেন কালী বন্দ্যোপাধ্যায়। ষাটোর্ধ্ব কালীবাবু মাস খানেক আগে করোনায় আক্রান্ত হন। মেডিকা সুপারস্পেশ্যাালিটি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই এতদিন লড়াই চালিয়েছিলেন। কিন্তু শেষমেশ হার। শনিবার সকাল ৯টা ২০ নাগাদ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। খবর নিশ্চিত করেছেন মেডিকার চেয়ারম্যান ডা. অলোক রায়। কোভিড বিধি মেনে যথাযথভাবে নিমতলা মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য হবে বলে জানা গিয়েছে।

মে ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ...
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরে মমতার গাড়িতে কাদা-জুতো! ‘চোর’ স্লোগানের পর পানিহাটি থেকে বিস্ফোরক বার্তা শুভেন্দুর

হালিশহরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, রবিবার তাঁর গাড়ি যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান। সেই সময় গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। মমতাকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে দাবি।পানিহাটিতে তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে এই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথেষ্ট ব্যবস্থা করেছিল। টেলিভিশনের ছবিতে তিনি এক জন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকের নেতৃত্বে পুলিশকর্মীদের নিরাপত্তা দিতে দেখেছেন বলেও জানান শুভেন্দু।শুভেন্দুর আরও দাবি, ঘটনাস্থলে বিজেপির কোনও পরিচিত মুখ বা দলীয় পতাকা তিনি দেখতে পাননি। একই সঙ্গে তিনি মমতার হালিশহর সফর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, ছুটির দিনে এক জন আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে মমতা সেখানে গিয়েছিলেন এবং পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতাকে যথাসম্ভব নিরাপত্তা ও সম্মান দেওয়ার নির্দেশ রয়েছে বলেও জানান শুভেন্দু। তবে তাঁর পরামর্শ, কেউ সাহায্য চাইলে অবশ্যই সাহায্য করা উচিত। কিন্তু এমন কোনও জায়গায় গিয়ে পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হয়।হালিশহরের ঘটনার সূত্রপাত থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, মৃত ব্যক্তি তৃণমূলের কর্মী ছিলেন। রবিবার তাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ বিক্ষোভ দেখান বলে অভিযোগ। কাদা ও জুতো ছোড়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গেই মমতাকে তিলোত্তমার বাড়িতে যাওয়ার পরামর্শ দেন শুভেন্দু। একই সঙ্গে হাত জোড় করে ক্ষমা চাওয়ার কথাও বলেন তিনি। তিলোত্তমাকাণ্ডের সময়কার একাধিক অভিযোগ তুলে মমতার বিরুদ্ধে তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দুর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এক দিকে হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ ও কাদা-জুতো ছোড়ার অভিযোগ, অন্য দিকে সেই ঘটনার নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্যসব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ফের উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দু’মাস কোথায় ছিলেন? ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে মুখ খুললেন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত, জানালেন সব

দুমাস ধরে পুলিশের খোঁজের বাইরে ছিলেন তিনি। তাঁর সন্ধানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ পাওয়ার পর সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। পরপর দুদিন জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার তদন্তকারীদের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের একাধিক প্রশ্নের মুখোমুখি হন তিনি।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনীতে জমি প্রতারণার মামলায় শনিবার সুমিতকে দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিআইডি। রবিবারও তাঁকে ফের ডাকা হয়। এদিন প্রায় আট ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। ভবানী ভবন থেকে বেরোনোর পর সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন সুমিত। তবে মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে বেশির ভাগ বিষয়েই মন্তব্য করতে চাননি তিনি।গত দুমাস কোথায় ছিলেন, সাংবাদিকেরা এই প্রশ্ন করলে প্রথমে সুমিত বলেন, আমি এই বিষয়ে মন্তব্য করতে পারব না। পরে একই প্রশ্ন করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, এদিকে, আশপাশেই ছিলাম। তাঁর এই মন্তব্যের পর তিনি কলকাতাতেই ছিলেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।এত দিন আত্মগোপনে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হলে সুমিত বলেন, সুপ্রিম কোর্ট যেমন নির্দেশ দিয়েছে, তা-ই তো মেনে চলছি। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়েও মুখ খুলতে চাননি তিনি। সেবাশ্রয়-সহ একাধিক বিষয়ে তাঁর নাম জড়ানোর প্রসঙ্গ উঠলে বলেন, মন্তব্য করতে পারব না।তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে সুমিত বলেন, হতে পারে। তবে কারা এর নেপথ্যে রয়েছে, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য, মামলা আদালতে বিচারাধীন। পুলিশ যখনই ডাকবে, তিনি তদন্তে সহযোগিতা করবেন।তাঁর বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন করা হয়। সেই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে সুমিত বলেন, বাজে কথা। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলিকে মিথ্যা বলেও দাবি করেন তিনি।এর আগে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যেতে দেখা যায়। তৃণমূলের গাড়িতে করে সেখানে যাওয়ার বিষয়েও প্রশ্ন ওঠে। তার জবাবে সুমিত বলেন, যে অফিসে কাজ করি, সেই অফিস থেকে গাড়িটা দিয়েছে।এদিকে সুমিত নিজেই জানিয়েছেন, তাঁকে আগামী দিনেও তদন্তকারীদের সামনে হাজির হতে হবে। চাকরি দুর্নীতি সংক্রান্ত ডেবরার মামলায় তাঁকে ফের ডাকা হয়েছে। তাঁর কথায়, কাল ১১টার সময় ডেকেছে। তবে এদিন কোনও নথি সঙ্গে আনতে বলা হয়নি বলেও জানান তিনি।শালবনীর জমি প্রতারণা মামলা-সহ সুমিতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এর আগে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও লুকআউট নোটিসও জারি হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর তদন্তে সহযোগিতা করতে শুরু করেন তিনি। পরপর দুদিন ভবানী ভবনে জিজ্ঞাসাবাদের পর সুমিতের দুমাস কোথায় ছিলেনএই প্রশ্নের উত্তর ঘিরেই এখন নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
রাজ্য

হালিশহরে মমতার গাড়িতে হামলা? ‘টার্গেট ছিল মমতাকে শেষ করা’, বিস্ফোরক দাবি কল্যাণের

হালিশহরে পুলিশ হেফাজতে মৃত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জুতো, ইট ও পাথর ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।মমতার সঙ্গে এদিন ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, হালিশহরে যাওয়ার সময় মমতার গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁকে লক্ষ্য করে ওঠে চোর স্লোগানও। পরিস্থিতির জেরে কিছু সময় গাড়ি আটকে থাকে বলে তৃণমূলের দাবি।হালিশহর থেকে ফিরে ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, মমতার গাড়ি লক্ষ্য করে বড় বড় পাথর ছোড়া হয়েছে এবং গাড়ির সামনে বাধা তৈরি করা হয়েছিল। একইসঙ্গে তাঁর অভিযোগ, বাইরে থেকে লোক এনে জমায়েত করা হয়েছিল এবং প্রায় এক ঘণ্টা তাঁদের আটকে রাখা হয়।কল্যাণের আরও দাবি, মমতার গাড়িতে যেভাবে পাথর ছোড়া হয়েছে, তাতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। তাঁর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করেই হামলা চালানো হয়েছিল এবং তাঁকে শেষ করে দেওয়াই উদ্দেশ্য ছিল। তবে এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।ঘটনার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সরব হন। তাঁর দাবি, গাড়ি লক্ষ্য করে প্রচুর ইট ছোড়া হয়েছে এবং দীর্ঘ সময় তাঁকে আটকে রাখা হয়েছিল। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীদের ভূমিকা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।মমতার বক্তব্য, তাঁকে এভাবে থামানো যাবে না। তিনি আরও বলেন, তিনি মানুষের কাছে যাবেন এবং কোনও বাধাতেই পিছিয়ে আসবেন না।হালিশহর থানার হেফাজতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগকে কেন্দ্র করেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তিকে তৃণমূল কর্মী বলে দাবি করেছেন মমতা। তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতেই হালিশহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফর ঘিরে বিক্ষোভ, গাড়িতে ইট-পাথর ছোড়ার অভিযোগ এবং পাল্টা রাজনৈতিক আক্রমণে নতুন করে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি।ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, বিক্ষোভ কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং গাড়ি লক্ষ্য করে সত্যিই ইট-পাথর ছোড়া হয়েছিল কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে। পুলিশি তদন্তে ঘটনার প্রকৃত ছবি সামনে আসে কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
বিদেশ

হাসিনা ফেরার আগেই বাংলাদেশে বড় ‘পালাবদল’! বিএনপির সঙ্গে কি মিশছে আওয়ামী লিগ? সাংসদের মন্তব্যে তুঙ্গে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে কি তৈরি হতে চলেছে নতুন সমীকরণ? দীর্ঘদিনের দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং আওয়ামী লিগ কি এবার কাছাকাছি আসতে পারে? বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার জল্পনার মধ্যেই এমনই এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা।চলতি বছরের ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা, এমন খবর সামনে এসেছে। তার মধ্যেই আওয়ামী লিগকে নিয়ে বড় মন্তব্য করেছেন বিএনপির এক সাংসদ। সুনামগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ নাসির উদ্দিন চৌধুরী বৃহস্পতিবার একটি সমাবেশে বলেন, আওয়ামী লিগ তাঁদের শত্রু নয়, বরং মিত্র। তাঁর দাবি, মুক্তিযুদ্ধের সময় দুই পক্ষ একসঙ্গে লড়াই করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে আওয়ামী লিগ বিএনপির সঙ্গে মিশে যেতে পারে।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তা হলে কি নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আওয়ামী লিগকে ফের রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা রয়েছে? বিএনপির সঙ্গে কি সত্যিই তৈরি হতে চলেছে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতা? আপাতত এই প্রশ্নগুলির কোনও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি।কারণ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও আওয়ামী লিগের সঙ্গে দল মিশে যাওয়ার বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। তারেক রহমানও এমন কোনও ইঙ্গিত দেননি। বরং শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছে বিএনপি।২০২৪ সালের ৫ অগস্ট ছাত্র-যুব আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লিগ সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লিগ এবং তাদের ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও আওয়ামী লিগের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।এর পর থেকেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিএনপি এবং আওয়ামী লিগের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়েছে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবিও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি শেখ হাসিনার অডিয়ো বার্তা প্রকাশ নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিল বিএনপি।অন্যদিকে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ঘিরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণআন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে এবং তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সাংসদের আওয়ামী লিগকে মিত্র বলা এবং দুই দলের এক হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর এই মন্তব্যই দলের আনুষ্ঠানিক অবস্থান কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ফলে হাসিনার দেশে ফেরার আগে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সত্যিই নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হচ্ছে কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

১০ ঘণ্টার জেরা শেষে সুমিত সোজা অভিষেকের বাড়িতে, ভবানী ভবনে কী জানলেন গোয়েন্দারা?

ভবানী ভবনে প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদের পর সিআইডি দফতর থেকে বেরোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক হিসেবে পরিচিত সুমিত রায়। শনিবার সকালে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মিনিট আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছেছিলেন তিনি। দীর্ঘ জেরার পর সিআইডি দফতর থেকে বেরিয়ে সোজা চলে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে। তবে জেরায় সুমিতের কাছ থেকে ঠিক কী তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। তাঁকে ফের তলব করা হয়েছে কি না, তা-ও স্পষ্ট নয়।পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির জমি প্রতারণার মামলায় শুক্রবার রাতে সুমিতকে নোটিস পাঠায় সিআইডি। সেই নোটিসে সাড়া দিয়েই শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। সুমিতের বিরুদ্ধে মোট চারটি মামলা রয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আগে জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে জমি সংক্রান্ত মামলায় শীর্ষ আদালত থেকে সুরক্ষা পেয়েছেন তিনি। তদন্তে সহযোগিতা করার শর্তেই সেই সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই নির্দেশ মেনেই সিআইডির জেরায় হাজির হন সুমিত।জমি প্রতারণার মামলায় সুমিতের বিরুদ্ধে আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, দুর্নীতির টাকা তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। যদিও এই মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনও অভিযোগের কথা সামনে আসেনি। তবে সুমিত দীর্ঘ জেরার পর অভিষেকের বাড়িতে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সুমিতের নাম সামনে আসে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে গ্রেফতারের পর। অভিযোগ ওঠে, বিধানসভা নির্বাচনে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলাতেও সুমিতের নাম অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে।অভিযোগের তদন্তে সুমিতের খোঁজে এর আগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে দীর্ঘ সময় তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের সন্ধান মেলেনি বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। এরপর থেকেই তাঁকে নিয়ে তদন্তকারীদের তৎপরতা বাড়ে। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা এবং লুকআউট নোটিসও জারি করেছিল বলে জানা গিয়েছে।পরে আদালতের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। সেই আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার সিআইডির তলবে ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি। প্রায় ১০ ঘণ্টার জেরা শেষে বেরিয়ে তাঁর গন্তব্য হয় অভিষেকের কালীঘাটের বাড়ি। এখন সিআইডির জেরায় কী তথ্য উঠে এল এবং তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal