• ২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Marriage

রাজ্য

বিয়ে বাড়ির আরোহী বাহী চারচাকা গাড়িতে লরির ধাক্কা -মৃত ২ জখম ৩

বেপরোয়া ভাবে চলা লরির ধাক্কায় মৃত্যু হল চারচাকা গাড়ির দুই আরোহীর। জখম হয়েছে আরও তিন জন। সোমবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার তক্তিপুরে মেমারি মালডাঙা সড়ক পথে।পুলিশ জানিয়েছে ,মৃতরা হল প্রকাশ বাগ (৩০) ও তার ভাই তাপস বাগ (২৬)। জখম রূপচাঁদ মান্ডি ,শিবু টুডু ও দীপঙ্কর কুন্ডুকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। মৃত ও জখমরা সকলেই মেমারির কালিবেলে এলাকার বাসিন্দা। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ঘাতক লরির খোঁজ শুরু করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, চারচাকা গাড়ির পাঁচ আরোহী রবিবার জামালপুর থানার পাঁচড়ার ভেরিলি গ্রামে বিয়েবাড়ি গিয়েছিলেন। সেখান থেকে এদিন সকালে তাঁরা চারচাকা গাড়িতে চড়ে মেমারির কালিবেলে গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন।পথে তক্তিপুর এলাকায় মেমারি গামি দ্রুত গতীর একটি লরি চারচাকা গাড়িটিতে সজোরে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায়।এই দুর্ঘটনায় চারচাকা গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চারচাকা গাড়ির চালক প্রকাশ বাগের। বাকি আরোহী তাপস বাগ, রূপচাঁদ মান্ডি শিবু টুডু ও দীপঙ্কর কুন্ডুকে উদ্ধার করে মেমারি গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রকাশ বাগের ভাই তাপস কে মৃত ঘোষণা করেন।জখদের শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় তাঁদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

মার্চ ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেত্রী মেঘনা ও শুভজিৎ

সাত পাকে বাঁধা পরলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেঘনা মুখার্জি। বিয়ে করলেন শুভ্রজিৎ ব্যানার্জি কে। বিয়ের আসর বসেছিল গোলপার্কের ঘোষবাড়িতে। বিশেষ দিনে হাজির হন ছোটপর্দার অনেক তারকা। টলিউডের জনপ্রিয় জুটি নীল-তৃণা থেকে উপস্থিত হন জীবন সাথী ত্রিশূল ধারাবাহিকের অনেকেই। যমুনার ঢাকী খ্যাত অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যও বিয়েবাড়ি আলোকিত করেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিথিদের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।জীবন সাথী ধারাবাহিকের সকলে জানালেন, ওদের বিবাহিত জীবন যেন সুখের হয়। খুব আনন্দ করে কাটাক। লাভ ইউ বোথ। গড ব্লেস ইউ বোথ।বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ মেঘনা - শুভ্রজিৎমেঘনার বর্তমান ধারাবাহিক ত্রিশূলের অভিনেত্রীরা জানান, আমরা এতদিন ধরে খুব এক্সাইটেড ছিলাম। মেঘনাকে ও শুভজিৎ কে অনেক অনেক শুভকামনা। খুব ভালো থাকুক ওরা। ওদেরকে দেখেই যেন আমরা ভালো থাকতে পারি।তারকার বিয়ে। তাই এলাহি আয়োজন ছিল। স্টার্টারে গন্ধরাজ চিকেন ফ্রাই থেকে শুরু করে ছিল দইবড়া, ড্রাই চিলি, ফিস, দইবড়া, বেবিকরণ, কোল্ডড্রিঙ্কস, কফি ছাড়াও আরও আইটেম। ডিনারে ছিল ভেটকি পাতুঋ, পোলাও, মটন কষার মটন সুস্বাদু সব ডিশ। সবমিলিয়ে মেঘনার বিয়ের একটা আলাদাই পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। আর এই পরিবেশে সবাই মেঘনার মধুর মিলনের সাক্ষী থাকল।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিয়ের ১০ বছর কাটালেন পায়েল-দ্বৈপায়ন

বিয়ের পর ১০টা বছর একসঙ্গে কাটিয়ে দিলেন অভিনেতা দ্বৈপায়ন দাস ও অভিনেত্রী পায়েল দে। সেই আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন পায়েল। দ্বৈপায়নের সঙ্গে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, শুভ ১০ ..শুভ হোক প্রতিদিন ...আসো আমরা একসঙ্গে এইভাবে সময়টা যেন কাটাতে পারি। ...হাসতে থাকো..অনেক ভালোবাসি তোমাকে... খুব শুভ বিবাহ বার্ষিকী . এই পোস্টে অনেকেই ভালোবাসার কমেন্টে ভরিয়ে দিয়েছেন। সঙ্গীতশিল্পী মনস্বিতা ঠাকুর কমেন্ট করে লিখেছেন, দুজনকেই শুভ বিবাহবার্ষিকী। অভিনেতা দেব চ্যাটারজি লিখেছেন, শুভ বিবাহবার্ষিকী , খুব খুব ভালো থেকো তোমরা আজীবন। অনেক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা। এছাড়া বিশেষ দিনে তিনি আরও অনেক ভালোবাসা পেয়েছেন। চৈতালি দাশগুপ্ত কমেন্টে লিখেছেন, অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা নিস্পায়ল-গোগোল।বর্তমানে কালারস বাংলায় সোনা রোদের গান ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন পায়েল। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন সৌম্য ব্যানারজি। প্রতিদিন রাত ৮টায় এই ধারাবাহিকটি টেলিকাস্ট করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গাঁটছড়া বাঁধলেন মৌনী-সূরজ

শহর জুড়ে যেন প্রেমেরই মরশুম। অনুপম রায়ের এই গানের লাইনটা বর্তমান সময়ের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যাচ্ছে। তবে এখন প্রেমের মরশুমের পরিবর্তে বলা চলে শহর জুড়ে যেন বিয়ের মরশুম। টলিউড থেকে বলিউড অনেক তারকারই চার হাত এক হচ্ছে। সেই তালিকায় জুড়ল এবার বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায়ের নাম। পাত্র সূরজ নাম্বিয়ার। বরের পরিবারের নিয়ম মেনে মালয়ালী রীতিতে বিয়ে করলেন বাঙালি কন্যা। গোয়ায় সাতপাক ঘুরলেন দুজনে। সাদা চাদোয়া এবং সাদা ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল বিয়ের মণ্ডপ। লাল এবং সাদা শাড়িতে সেজেছেন মৌনী। দক্ষিণী রীতিতে বিয়ে হলেও বেনারসি পরেছেন কোচবিহারের মেয়ে। মাথায়, গলায়, হাতে সোনার গয়নায় উজ্জ্বল মৌনী। ঘিয়ে রঙা শেরওয়ানি এবং সাদা মুন্ডতে দেখা গেল সূরজকে। মালাবদল করার পরে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন নবদম্পতি। দুজনের হলদি আর মেহেন্দির অনুষ্ঠান হয়েছিল বুধবার। মালয়ালী মতে বিয়ে হলেও আজ সন্ধ্যের লগ্নে বাঙালি মতে বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গাঁটছড়া বাঁধলেন অনিন্দিতা-সুদীপ

কয়েক ঘণ্টা আগে জনতার কথার প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছিল চার হাত এক হচ্ছে অভিনেত্রী অনিন্দিতা রায়চউধুরী ও অভিনেতা সুদীপ সরকারের। অবশেষে গাঁটছড়া বাঁধলেন অনিন্দিতা ও সুদীপ। ২০২২ এর প্রজাতন্ত্র দিবসে শুভ কাজ সেরে ফেললেন দুজনে।এদিন সিঁদুরদান, মালাবদল, আংটি বদল সবকিছুই হল। ৫৫ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন বিশেষ দিনে। বৃহস্পতিবার থেকে আবার দুজনের কাজ শুরু হবে।কলকাতার প্রথম শ্রেণীর এক দৈনিক সংবাদপত্রকে অনিন্দিতা তাঁর বিয়ের মেনু জানালেন। বিয়েতে ঠাসা ছিল বাঙালি খাবার। সাদা ভাত, ডাল, তরকারি, ঘিয়ে আলুভাজা, মটন, চিকেন, চাটনি, বেকড রসগোল্লা, আইসক্রিম, পানে জমজমাট হয়ে গেল বিয়ের আসর। বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী মানালী মনীষা দে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ের ভিডিও পোস্ট করে নবদপম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তিনি। অভিনেত্রী আভেরী সিংহ রায় সোশ্যাল মিডিয়ায় নবদম্পতির ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, এই হাসিটাই চেয়েছিলাম একদিন। আজ পেয়েছি। কতটা খুশি বলে বোঝাতে পারবোনা।

জানুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিবাহবার্ষিকী তে স্মৃতিমেদুর শঙ্কর মুদি কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়

আজ পরিচালক ও অভিনেতা কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের জীবনে আনন্দের দিন। আজকের বিশেষ দিনে চার হাত এক হয়েছিল কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় ও চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়ের। বিশেষ দিনে পুরনো দিনের স্মৃতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিলেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়।এদিন বিয়ের একটি ছবি শেয়ার করেছেন কৌশিক। ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবিতে বর বেশে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। পাশে নববধূ চূর্ণী গঙ্গোপাধ্যায়। মাথায় মুকুট, গলায় মালা, কপালে লাল টিপ।ক্যাপশনে কৌশিক লিখেছেন, পারিবারিক আপডেট দেওয়ার চল আমাদের পরিবারে নেই। নিজেরাই নিজেদের মতো করে আনন্দ বা মন খারাপ সামলে আগলে রেখেছি। কিন্তু এমন কিছু দিন আসে যখন মনে হয়, বহু মানুষের আশীর্বাদ নিয়ে আবার নতুন করে পথ চলা শুরু করি। আজ আমাদের বিবাহবার্ষিকী। এত ভালবাসা আপনারা দিয়েছেন। কৃতজ্ঞতা জানাই।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ফেব্রুয়ারিতে বিয়ে করছেন ফারহান আখতার

২০১৭ সালে প্রথম বিয়ে ভেঙে যাওয়ার পর ২০১৮ সালে শিবানী ডান্ডেকরের সঙ্গে ২০১৮ সালে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হন বলিউড অভিনেতা ও পরিচালক ফারহান আখতার। এই বছর মার্চে দুজনের চার হাত এক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মার্চে নয়, ফারহান আখতার ও শিবানীর বিয়ে হচ্ছে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি। শোনা যাচ্ছে, মুম্বইয়ের এক বিলাসবহুল হোটেলে হবে রাজকীয় অনুষ্ঠান। নিমন্ত্রিতদের তালিকায় শুধুমাত্র আত্মীয়-পরিজন এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা। কোভিডের জন্য খুব বড় করে অনুষ্ঠান করতে রাজি নন শিবানী-ফারহান। সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের তৈরি পোশাকে সাজবেন বর-কনে। ফারহান আখতার বর্তমানে তাঁর আগামী ছবি জি লে জারা নিয়ে ব্যস্ত। ফারহানের পরিচালনায় এই ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে ক্যাটরিনা কাইফ, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এবং আলিয়া ভাটের মতো বড় নামদের। ২০২২ এর মাঝামাঝি সময়ে এই ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা। ২০২৩ এ ছবিটি মুক্তির কথা রয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Aishwarya : বাবা-মায়ের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন ঐশ্বর্যর

বাবা-মায়ের ৫২তম বিবাহবার্ষিকী। যেকোনো সন্তানের কাছেই এই দিনটা খুব স্পেশ্যাল। অভিনেত্রী ঐশ্বর্য রায় বচ্চনও এর ব্যতিক্রম নন। দুজনের থ্রোব্যাক ছবি শেয়ার করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী। ইনস্টাগ্রামে মা বৃন্দা রায় এবং প্রয়াত বাবা কৃষ্ণরাজ রায়ের একটি ছবি শেয়ার করেন।পানামা নথি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের পর এটাই সামাজিক মাধ্যমে ঐশ্বর্যর প্রথম পোস্ট। ছবিতে ঐশ্বর্যকে মা-বাবাকে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা গেছে। দুজনের মুখে চওড়া হাসি। ছবি পোস্ট করে বাবা-মাকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে ঐশ্বর্য লেখেন, বিবাহবার্ষিকীর অনেক শুভেচ্ছা প্রিয়, ডার্লিং মাম্মি-ড্যাডি। ভালোবাসি তোমাদের এবং ধন্যবাদ তোমাদের অপার ভালোবাসা, আশির্বাদের জন্য সবসময়। ২০১৭ সালে প্রয়াত অভিনেত্রীর বাবা কৃষ্ণরাজ রায়।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য প্রায়শই বাবা-মা, মেয়ে আরাধ্যা এবং স্বামী অভিষেকের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন ঐশ্বর্য। জীবনের বিশেষ দিনে পরিবারের সকলের সঙ্গে ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় বলি সুন্দরীকে। ২০০৭ সালে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ঐশ্বর্য। তাঁদের একমাত্র মেয়ে আরাধ্যা এখন ১০ বছরের।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Katrina Kaif : বিয়ের পর প্রথম রান্না করলেন ক্যাটরিনা, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল সেই ছবি

কদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিয়ে নিয়ে আলোচনা মানে ভিকি কৌশল আর ক্যাটরিনা কাইফের বিয়ে। বিয়ের পর্ব শেষ হয়ে গেলেও বিয়ে সংক্রান্ত খবর এখনও শেষ হয়নি। রোজই কোনও না কোনও খবর সামনে আসছে। বিয়ের পর এবার প্রথম রান্নাঘরে এলেন ক্যাটরিনা। আর রান্নাঘরে এসেই বানালেন সুজির হালুয়া। পাঞ্জাবি ভাষায় এই রীতিকে চৌনকা চারধানা (Chaunka Chardhana)। নিয়ম বলে প্রথমবার রান্নাঘরে গিয়ে ঘরের লক্ষ্মীকে মিষ্টি খাবার বানাতে হয়।পঞ্জাবি বউমা ক্যাটরিনা কইফ। পঞ্জাবি ঘরের রীতি মেনে হাতাখুন্তি তুলে নিয়ে জমিয়ে রাঁধলেন সুজির হালুয়া। সেই ছবি আবার ভাগ করে নিয়েছেন অনুরাগীদের সঙ্গে। ক্যাপশনে লিখেছেন, আমি তৈরি করেছি। শ্বশুরবাড়িতে এই প্রথম রান্না করলেন ক্যাটরিনা। তিনি যাতে পঞ্জাবি বাড়ির সব রীতিনীতি শিখে নিতে পারেন, সে দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছেন ভিকির মা বীণা কৌশল।গত ৯ ডিসেম্বর রাজস্থানের সোয়াই মাধোপুরের সিক্স সেন্সেস বারওয়ারা ফোর্টে রাজকীয় বিয়ে সেরেছেন ক্যাটরিনা-ভিকি, এরপর অজানা কোথাউ মধুচন্দ্রিমা কাটিয়ে চলতি সপ্তাহের গোড়াতেই মুম্বইয়ে ফিরেছেন। এবার বিয়ের পর প্রথম সুজির হালুয়া রান্না করে শ্বশুরবাড়ি থেকে শুরু করে নেটিজেন সকলের মন কেড়ে নিলেন ক্যাটরিনা।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Katrina Kaif : শুধু রিয়েল লাইফেই নয়, ইন্সটাগ্রাম ডিপিতেও ক্যাটরিনার সঙ্গী ভিকি

শেষ হয়েও হইল না শেষ। এই কথাটিই এখন ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফের বিয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ৭-৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলেছিল ভিক্যাটের বিয়ের গ্র্যান্ড অনুষ্ঠান। কিন্তু এখনও রয়ে গেছে বিয়ের রেশ। জানা গেছে খুব শীঘ্রই গ্র্যান্ড রিসেপসন করবেন ভিকি-ক্যাটরিনা। এদিকে প্রথমবার ইন্সটাগ্রাম ডিপি চেঞ্জ করলেন ক্যাটরিনা কাইফ।এতদিন মিসেস ভিকির ইন্সটাগ্রামের ডিপি ছিল সিঙ্গেল। তবে এবার তাঁর ডিপি তে অ্যাড হল ভিকি কৌশল। অর্থাৎ ভিকি কৌশলের সঙ্গে ইন্সটা ডিপি করেছেন ক্যাটরিনা। সেই ছবিতে রাজস্থানের পড়ন্ত বিকালের রোদ গায়ে মেখে পরস্পরের দিকে অপলক দৃষ্টিতে চেয়ে আছেন ক্যাটরিনা ও ভিকি। বিয়ের দিনের এই অন্যতম সেরা মুহূর্তই এখন ক্যাটরিনার ইনস্টাগ্রাম ডিপি। ডিপি চেঞ্জ করার পর সেটা নেটিজেনদের নজর এড়াতে পারেনি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বিয়ের কয়েকঘন্টার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একই ক্যাপশন লিখে ছবি শেয়ার করেছিলেন ক্যাটরিনা ও ভিকি। তাঁদের বার্তা ছিল, শুধুমাত্র ভালোবাসা আর কৃতজ্ঞতাতেই আমাদের হৃদয় ভরপুর সেই সবের জন্য যা আমাদের এই মুূহূর্ত এনে দাঁড় করিয়েছে। আপনাদের সকলের ভালোবাসা আর আর্শীবাদ কাম্য আমাদের এই নতুন যাত্রাপথে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Marriage: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, বাড়ছে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স

চিন্তাভাবনা অনেকদিন আগে থেকেই ছিল, অবশেষে বাস্তবে রূপান্তর হতে চলেছে সেই ভাবনা। বৃহস্পতিবার মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে ২১ বছর করার প্রস্তাবনা পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সূত্রের খবর, এক বছর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়ানোর যে কথা বলেছিলেন, তারপর থেকেই এই বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছিল।গত বছর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য় রাখতে গিয়েই দেশের মহিলাদের নিজেদের প্রতিভাকে প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর থেকে বাড়ানোর কথা বলেছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, আমাদের সরকার দেশের মেয়ে-বোনেদের স্বাস্থ্য নিয়ে ক্রমাগত উদ্বিগ্ন থাকে। মেয়েদের অপুষ্টির হাত থেকে রক্ষা করতে, সঠিক বয়সে তাদের বিয়ে হওয়া জরুরি।সূত্রের খবর, কেন্দ্রের এই প্রস্তাবনাকে সমর্থন জানিয়েছে নীতি আয়োগের টাস্ক ফোর্স এই টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জয়া জেটলি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আধিকারিক ডঃ ভিকে পালও এই টাস্ক ফোর্সের সদস্য। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব, নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক, উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রক-সহ একাধিক মন্ত্রকের প্রতিনিধিরাও এই টাস্ক ফোর্সের সদস্য।গত বছর জুন মাসে এই টাস্ক ফোর্সের গঠন করে কেন্দ্র। গত ডিসেম্বরে প্রথম রিপোর্ট জমা দেয় টাস্ক ফোর্স। সেই রিপোর্টেই টাস্ক ফোর্সের তরফে জানানো হয়েছিল, মহিলাদের স্বাস্থ্যের কথা বিচার-পর্যালোচনা করে দেখা গিয়েছে, মহিলাদের প্রথম সন্তান হওয়ার বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হওয়া উচিত।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ranbir-Alia : কবে বিয়ে করছেন রণবীর আলিয়া? খোঁজ মিলল তার

ক্যাটরিনা কইফ আর ভিকি কৌশলের বিয়ের রেশ এখনও থামেনি।রোজই তাদের বিয়ে সংক্রান্ত কিছু না কিছু খবর সোশ্যাল মিডিয়াতে ঘোরাফেরা করছে। এর মাঝেই বি টাউনে আলিয়া ভট্ট আর রণবীর কপূরের বিয়ে নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে। তাঁরা কি অন্য কোনও দেশে গিয়ে বিয়ে করবেন এরকম প্রশ্নও ঘোরাফেরা করছে।তাদের বিয়ে প্রসঙ্গে মুম্বই সংবাদমাধ্যমের খবর, ২০২২-এর ডিসেম্বর কিংবা ২০২৩-এর জানুয়ারিতেই সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন রালিয়া। তবে ক্যাটরিনা, দীপিকা, প্রিয়াঙ্কাদের মতো মুম্বই ছেড়ে অন্য কোথাও গিয়ে যে বিয়ে করবেন না তাঁরা, সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। জানা গেছে শুধু দূরে গিয়ে বিয়ে করাই নয়, বিয়ের জন্য প্রচুর টাকা খরচ করতেও রাজি নন আলিয়া-রণবীর, বরং সাদামাঠা ঘরোয়া পরিবেশেই চার হাত এক করতে চান তাঁরা। তাঁদের বিয়েতে যে পরিবারই গুরুত্ব পাবে, সেই খবরটাও পাওয়া গেছে।আলিয়ার বয়স্ক বাবা মহেশ ভট্ট আর রণবীরের কাকার পক্ষে অন্যত্র গিয়ে বিয়েতে শামিল হওয়া সম্ভব নয় বলেই আলিয়া-রণবীর নাকি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মুম্বইয়ের এক সাত তারা হোটেলেই তাঁদের বিয়ে হবে। জানা গেছে হয়তো মুম্বইয়ের তাজ ল্যান্ড এন্ডস এ বিয়ে করতে পারেন এই দুই বলি তারকা।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Katrina : ক্যাটরিনা কে বিয়ের শুভেচ্ছা জানালেন ঋতাভরী

বিয়ের পর থেকেই অনেক শুভেচ্ছা পাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিয়ের ছবি পোস্ট করার পর কমেন্ট বক্সেও প্রচুর মানুষ তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন সেলেবরাও। এবার তাকে শুভেচ্ছা জানালেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী।বিয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে অভিনেত্রী ক্যাপশনে লেখেন, এক্কেবারে মাটির মানুষ, বিউটি কুইন ক্যাটরিনা কাইফ। যাঁর সঙ্গে আমি কাজও করেছিলাম। জীবনের নতুন এই সফরের জন্য অনেক শুভেচ্ছা। অত্যন্ত সম্মান করি, কামনা করি তুমি যেন জীবনে সমস্ত কিছু পাও।এক নামী কোম্পানীর বিজ্ঞাপনে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন ঋতাভরী ও ক্যাটরিনা। তাই তাকে খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন। টলিউড অভিনেত্রী এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন ক্যাটরিনা বাংলা সিনেমা নিয়ে অনেক কিছু জিজ্ঞাসা করেছিলেন। ঋতুপর্ণ ঘোষের বিরাট ভক্ত তিনি। এমনকি ঋতাভরীর মায়ের সিনেমা নিয়েও জিজ্ঞাসা করেছিলেন জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Mekhla Dasgupta : পরনে লাল বেনারসি, বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন সারেগামাপা খ্যাতা গায়িকা

কেন রোদের মতো হাসলে না / আমায় ভালোবাসলে না / আমার কাছে দিন ফুরালেও আসলে না। এই মন কেমনের জন্মদিন / চুপ করে থাকা কঠিন / তোমার কাছে খরস্রোতাও গতিহীন। যার গাওয়া এই গান সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ জনপ্রিয় জয় সেই মেখলা দাশগুপ্ত সাতপাঁকে বাঁধা পড়লেন। সারেগামাপার রিয়েল্যিটি শো থেকে প্রথম পরিচিতি পাওয়া মেখলা বিয়ে করলেন তার আট বছরের বন্ধু অর্কপ্রভ চৌধুরী কে। শিলিগুড়ির ছেলে অর্কপ্রভ কর্পোরেট অফিসে কাজ করেন।রিজেন্ট পার্কের একটি বিলাসবহুল ভিলায় বুধবার সন্ধ্যায় বসেছিল মেখলার বিয়ের আসর। বিয়ের দিন লাল বেনারসি তে দারুণ লাগছিল তাকে। মেখলার এই স্পেশাল ডে তে উপস্থিত ছিলেন গানের জগতের একাধিক নাম। দুর্নিবার সাহা, মীনাক্ষী মুখার্জি, অরিত্র দাশগুপ্ত, গৌরব সাহা, শোভন গাঙ্গুলি, জয় সরকার, জয়তী চক্রবর্তী সহ আরও অনেকে। কোভিডের মধ্যে বিয়ে তাই অতিথির লিস্ট খুব বেশি বড় করতে পারেননি মেখলা।কয়েকদিন আগেই নতুন পরিবারকে নিয়ে দিদি নাম্বার ১ এ গিয়েছিলেন এই গায়িকা। সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্টও করেন। তার ছোটবেলার বন্ধুরা তাকে আইবুড়োভাত রেঁধে খাইয়েছিলেন। এবার চার হাত এক হল মেখলা-অর্কপ্রভর।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yami Gautam: স্বামীর সঙ্গে বিয়ের প্রথম জন্মদিন উদযাপন ইয়ামির

১ মাস হল সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতম। ভিকি ডোনার খ্যাত এই জনপ্রিয় অভিনেত্রীর আজ বিয়ের প্রথম জন্মদিন। স্পেশাল ডে তে পরিবারের সঙ্গে বিয়ের প্রথম জন্মদিন উদযাপন করলেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করে ইয়ামি লিখেছে, ২৮.১১.২১ আমার জীবনের সবচেয়ে স্পেশাল দিন হওয়া উচিত। অত্যন্ত ধন্য বোধ করছি। আমার সুন্দর পরিবারকে ধন্যবাদ, বিশেষত আমার স্বামীকে (আদিত্য এখন এই কথাটা আমি জোরে বলতে পারি)।পরিবার এবং স্বামীকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ইয়ামি। এত নিঃস্বার্থ হওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অভিনেত্রী। বিশেষ দিনে স্বামী আদিত্য ধর ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের সঙ্গে লিভিং রুমে বসে কেক কেটেছেন ইয়ামি গৌতম। মুখে চওড়া হাসি। মা ও শ্বশুর-শ্বাশুড়ি পাশে হাততালি দিচ্ছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ঘনিষ্ঠ মানুষদের উপস্থিতিতে বিয়ে সারেন ইয়ামি ও আদিত্য। আর এক মাস পর বিয়ের প্রথম জন্মদিনে স্বামীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তার দিনটি স্পেশাল করে তোলার জন্য।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Salman Khan : বিবাহবার্ষিকীতে ভালোবাসা বিনিময় সলমনের বোন অর্পিতার

বলিউড স্টার সলমন খানের লাইফে আজ বিশেষ দিন। কারণ তাঁর ছোট বোন অর্পিতা খান শর্মার বিবাহবার্ষিকী আজকের দিনে।আজ থেকে ৭ বছর আগে আয়ুশ শর্মার সঙ্গে বিয়ে হয় অর্পিতার। ২০১৪ সালের ১৮ নভেম্বর হায়দরাবাদের ফলকনামা প্যালেসে রাজকীয়ভাবে বিয়ে হয়েছিল তাঁদের। সপ্তম বিবাহবার্ষিকীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অপরকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। স্ত্রী অর্পিতকে জড়িয়ে ধরে একটি ছবি পোস্ট করেন অন্তিম অভিনেতা আয়ুষ। ক্যাপশনে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, শুভ বিবাহবার্ষিকী আমার ভালোবাসা। ভাবতেই পারছি না, দেখতে দেখতে সাতটা বছর কেটে গেল। তোমার মতো এমন একজন সঙ্গীকে আমার জীবনে পাঠিয়ে ঈশ্বর আমার উপর অনেক আশির্বাদ দিয়েছেন। তুমি যেভাবে আমার অত্যন্ত খারাপ জোকস এবং বোকা বোকা নানা কথাবার্তা প্রশ্রয় দিয়েছো। তোমার জন্য খুব খুব গর্ববোধ হয়। আর একটা কথা বলতে চাই। যত দিন যাচ্ছে, আমার বুদ্ধি কিন্তু আরও লোপ পাচ্ছে। তাই তার জন্য তৈরি থেকো। অন্যদিকে অর্পিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, সপ্তম বিবাববার্ষিকীর অনেক শুভেচ্ছা আমার ভালোবাস। আমি যখন ৮ বছরে পা রাখার এই যাত্রায় ফিরে তাকাই, একটা ছেলেকে পুরুষে পরিণত হতে দেখি। একজনের পুত্র বাবা হিসেবে পরিণত হয়েছে। আমার সেরা বন্ধু থেকে আমার চিরজীবনের সঙ্গী হিসেবে দেখেছি। আমি আমাদের যাত্রাকে লালন করি এবং পরবর্তীকালে সুখী হতে চাই। বলে বোঝাতে পারব না তোমাকে কতটা ভালোবাসি। কতটা তোমার সঙ্গে ঝগড়া করতে ভালোবাসি এবং তোমাকে কষ্ট দিতে কতটা ভালোবাসি। কিন্তু সবচেয়ে বিষয়, বলে বোঝাতে পারব না তোমাকে নিয়ে কতটা গর্বিত আমি।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Vicky-Katrina : ভিকি ক্যাটরিনার বিয়ের খবর ঠিক পেলেন হারলিন

দুজনের সম্পর্ক এখন অতীত। শুধু তাই নয়, যোগাযোগটুকু পর্যন্ত নেই। তাতে কি। ভিকি কৌশলের বিয়ের খবর অবশ্য ঠিকই পৌঁছে গেছে তার প্রাক্তন প্রেমিকা হারলিন শেথির কাছে।অতীত ভুলে নিজেকে এগিয়ে নিয়েছেন হারলিন। আপাতত কাজ নিয়েই ব্যস্ত। এমনই বলছেন তাঁর ঘনিষ্ঠরা। অভিনেত্রীর এক বন্ধু সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, বন্ধুবান্ধবরা ভিকির সঙ্গে ক্যাটরিনার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করে। ওদের বিয়ে নিয়েও কথা হচ্ছে। কিন্তু এই নিয়ে বেশি চর্চা করতে চায় না হারলিন। সোজাসুজিই বলে, আমাকে ওই দিকে ঠেলে দিও না।বলিপাড়ায় কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, ডিসেম্বরেই গাঁটছড়া বাঁধতে চলেছেন ভিকি-ক্যাটরিনা। রাজস্থানের বিলাসবহুল প্রাসাদেই জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করবেন এই তারকা জুটি। একসময় গুঞ্জন রটেছিল, ভিকি-হারলিনের প্রেম নাকি ক্যাটরিনার জন্যই ভেঙেছিল। অনেকে যদিও বলেন উরি: দ্য সার্জিকাল স্ট্রাইক-এর সাফল্যই নাকি বদলে দিয়েছিল ভিকিকে। ভাঙন কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে অজস্র। কিন্তু আসল কারণটা এখনও অজানা।

নভেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Marriage : দুর্গাপুজোয় মল্লিকবাড়িতে বিয়ের আসর

দুর্গাপুজো মানেই বাঙালির কাছে একটা ইমোশন। আর পুজোর সময় যদি বিয়েবাড়ি থাকে তাহলে তো কথাই নেই। পুজোর সময় বিয়ে হলে শুধু বিয়েবাড়ির নিমন্ত্রিত অথিতিরাই নন, যে দুজন মানুষের চার হাত এক হচ্ছে তাদের মধ্যেও একটা আলাদা এক্সাইটমেন্ট কাজ করে। করোনার মধ্যে পরিস্থিতি একটু চেঞ্জ হলেও দুর্গাপুজোর সময় বিয়ে করা এটা বন্ধ হয়ে যায়নি। তাই এবারের দুর্গাপুজো শুরু ঠিক আগেই বিয়ের পিড়িতে বসতে চলেছেন মল্লিকবাড়ির ছোট ছেলে দেবজয় মল্লিক। যাকে আমরা সর্বজয়া ধারাবাহিকে খলনায়কের চরিত্রে দেখতে পাচ্ছি। পাত্রী রুপশ্রী চক্রবর্তী। যিনি পেশায় একজন পুষ্টিবিদ (নিউট্রিশন কনসাল্টেন্ট)। মল্লিকবাড়িতে প্রতিবছরই জাঁকজমকভাবে দুর্গাপুজো হয়। এবার আবার বিয়ের সানাই বাজবে। তাই আলাদাই উন্মাদনা রয়েছে। তবে কোভিড প্রটোকল মেনেই পুরো অনুষ্ঠান হবে। ৮ অক্টোবর গোলপার্কের বাড়িতে বিয়ে এবং রিসেপশন দুটোই একসাথে করে নেওয়া হবে কোভিডের জন্য। তবে প্রচলিত নিয়ম মেনে ১০ অক্টোবর চারু মার্কেটের মল্লিক বাড়িতে বৌভাত। সেখানে পরিবারের খুব ক্লোজ যারা তারাই থাকবে। বিয়ের আগেই সর্বজয়া ধারাবাহিকের খলনায়কের চরিত্রটা পেয়েছেন দেবজয়। এই চরিত্রের জন্য দেবজয় স্নেহাশিস চক্রবর্তী, ব্লুস প্রোডাকশন ও জি বাংলাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।মল্লিকবাড়ির বৌমা হতে চলেছেন রূপশ্রী। তাই স্বাভাবিকভাবেই খুব এক্সাটেড তিনি। ফোনে বলছিলেন,একদম পুজোর মুখে বিয়ে। দেবীপক্ষে বিয়ে। বাড়িতে মা আসা মানে আমেজই বদলে যাওয়া। এই পাঁচটা দিন সবাই সবার কাজ ভুলে এখানে আসে। অনেক মজা হয়, আনন্দ হয়। কোভিডের মধ্যে পরিস্থিতি একটু চেঞ্জ হলেও আফটার হল বিয়ে। আমি পার্সোনালি খুব লাকি ফিল করছি। খুব আনন্দের বিষয়। বাড়ির সব বড়রা খুব এনকারেজ করছে। সবাই অসম্ভব খুশি। এই প্রজন্মের সবথেকে ছোট ছেলে ও। যখন কলেজের ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি তখন বেঙ্গল ম্যাট্রিমনি থেকে আলাপ। বাবার ভারী পছন্দ হয়েছিল। আমি বাবার খুব ওবিডিয়েন্ট ডটার। বাবা বলেন বিয়ে হবে। আমি তখন বলি আমার এস্টাব্লিশড হতে একটু টাইম লাগবে। তবে থেকেই আমাদের আলাপ। খুব ভালো বন্ধুত্ব। ওর সাথে শুধু নয়, ওর মা-বাবার সাথে আরও বেশি ভালো বন্ধুত্ব।দুটো প্রফেশনই আলাদা। কোনও সমস্যা হয়েছে কি? ফোনের ওপ্রান্ত থেকে রূপশ্রী জানালেন,প্রফেশন আলাদা হলেও কোনও জায়গায় কমন ফ্রেন্ডসগূলো এক হয়ে গেছে। ওর প্রফেশনে ওর যারা কলিগ তারা আমার পেশেন্ট বা ক্লায়েন্ট হয়ে দাঁড়িয়েছে।রিল লাইফ খলনায়ক রিয়েল লাইফ কেমন? হাসতে হাসতে রূপশ্রী জানালেন,অসম্ভব একজন সিম্পল পার্সন উনি। ভেরি গ্রাউন্ডেড হি ইস। রিল লাইফে দেবজয় কে যেরকম ক্রুয়েল দেখায় রিয়েল লাইফে একদমই ও সেটা নয়। অসম্ভব ফ্রেন্ডলি এবং অসম্ভব ফ্যামিলি পার্সন।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Srabanti : শ্রাবন্তীর চতুর্থ প্রেমে ভাঙন

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চার শেষ নেই। ব্যক্তিগত জীবন, তার বিয়ে সবকিছু নিয়েই নেটিজেনদের কৌতূহলের শেষ। তার তৃতীয় বিয়েটা নিয়েও অনেকের মনে অনেক প্রশ্ন।আরও পড়ুনঃ পরীমণির সঙ্গে একজন পুলিশকর্তার প্রেম !তবে এবার নাকি আবার শোনা যাচ্ছে, নায়িকার চতুর্থ প্রেমেও নাকি ভাঙন ধরেছে। বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যবসায়ী অভিরূপ নাগ চৌধুরীর সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সূত্রের খবর মানলে, ইনস্টাগ্রামে অভিরূপকে আনফলো করেছেন শ্রাবন্তী। তাতেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি আবারও মন ভাঙল টলিপাড়ার অভিনেত্রীর? না কি অন্য কোনও ঘটনা।আরও পড়ুনঃ রাজ কুন্দ্রার পর্নোগ্রাফি নিয়ে মুখ খুললেন শার্লিন চোপড়াঅল্প বয়সেই পরিচালক রাজীব বিশ্বাসকে বিয়ে করেছিলেন শ্রাবন্তী। দুজনের ছেলের নাম অভিমন্যু। ডাক নাম ঝিনুক। রাজীবের সঙ্গে ডিভোর্স হওয়ার পর মডেল কৃষাণ ব্রজকে বিয়ে করেছিলেন শ্রাবন্তী। বেশিদিন সে বিয়ে টেকেনি। এরপরই রোশন সিংয়ের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন টলিউড অভিনেত্রী। গত বছর থেকে রোশন ও তিনি আলাদা থাকছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অন্যকে আনফলো করেছেন। কটাক্ষ, পালটা কটাক্ষের পালাও চলেছে বেশি কিছুদিন। তবে কিছুদিন আগে আবার শ্রাবন্তীর সঙ্গে সংসার করতে চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন রোশন। এক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাত্কার দিতে গিয়ে জানিয়েছেন, শ্রাবন্তীর জন্য তিনি অপেক্ষা করবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Minor Marriage: চার হাত এক হওয়ার মুহূর্তে ব্যাকুল খুদে প্রেমিকার স্বপ্ন ভঙ্গ

বিয়ের বয়স না হলেও প্রেমিককেই জীবনসঙ্গী হিসাবে পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল খুদে প্রেমিকা। তাই বুধবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার মণ্ডলহাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রেমিকা সটান চলে আসে পুর্বস্থলীর হলদি-নপাড়া এলাকা নিবাসী প্রেমিকের বাড়িতে। তাঁদের বিয়ের সব আয়োজনও সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ ওই রাতেই সেখানে পৌছে যাওয়ায় ছাদনাতলায় বসার আগেই স্বপ্নভঙ্গ হল প্রেমিকার। সাবালিকা হয়ে প্রেমিকের সঙ্গে বিয়ের পিড়িতে বসার জন্য প্রেমিকাকে এখন পার করতে হবে পাঁচ পাঁচটা বসন্ত।দুই পরিবারের কাছ থেকে তেমনই মুচলেখা আদায় করে নিয়েছে পুলিশ ও চাইল্ড লাইন কর্তৃপক্ষ । নবালিকা অবশ্য সেই শর্তেই শেষমেষ সন্মতি জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ার মণ্ডলহাট এলাকা নিবাসী নাবালিকার বয়স মাত্র ১৩ বছর। পূর্বস্থলীর হালদি-নপাড়া নিবাসী তাঁর প্রেমিকের বয়স কুড়ি। এই যুবককে বিয়ে করার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠেছিল প্রেমিকা। তাই বুধবার সে সটান চলে আসে প্রেমিক যুবকের বাড়িতে।প্রেমিকাকে নিরাশ করতে না চেয়ে যুবকের পরিবার দুজনের চার হাত এক করার যাবতীয় আয়োজনও সম্পূর্ণ করে ফেলেন।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারসেই খবর গোপনে পৌছে যায় পূর্বস্থলী থানার পুলিশের কাছে। পাত্র পাত্রী ছাতনা তলায় বিয়ের পিড়িতে বসার আগেই পুলিশ তাদের তুলে নিয়ে থানায় চলে যায়। পুলিশের তরফে খবর দেওয়া হয় চাইল্ড লাইনে। এদিন কাটোয়া থেকে চাইল্ড লাইনের টিম পূর্বস্থলী থানায় পৌছেয়া। ১৮ বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত ওই নাবালিকার বিয়ে দেওয়া যাবে না বলে দুই পরিবার চাইল্ডলাইনের কাছে মুচলেখা দেয়। তার পর তারা ছাড়া পায়।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে কুখ্যাত দুস্কৃতিচাইল্ড লাইন আধিকারিক সুচেতনা ভট্টাচার্য বলেন, অল্প বয়সে ছেলে, মেয়েদের বিয়ে দিলে তাদের শারীরিক ও মানসিক কি ক্ষতি হতে পারে তা দুই পরিবারকে বোঝানো হয়। বিবাহ সংক্রান্ত বয়সসীমা মানার ব্যাপারে দুই পরিবার এদিন মুচলেখা দিয়েছেন। নাবালিকাকে তাঁর বাড়িতে পৌছে দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal