• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata

রাজ্য

'যোগ্যশ্রী'তে এবার সিযোগ মিলবে সংখ্যালঘু, ওবিসি ও জেনারেল ক্যাটেগরিদেরও, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

নয়া মাস্টারস্ট্রোক মমতা সরকারের। এবার যোগ্যশ্রী প্রকল্পের আওতায় আরও বেশি ছাত্রছাত্রীকে অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে রাজ্য সরকার। এব্যাপারে এক্স হ্যান্ডলে দীর্ঘ পোস্ট করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগ্যশ্রী প্রকল্পে এবার কাদের যুক্ত করছে রাজ্য? সেব্যাপারে এক্স হ্যান্ডলে বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মুখ্যমন্ত্রী এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লিখেছেন, জানাতে গর্ব হচ্ছে যে, আমাদের যোগ্যশ্রী স্কিম যাতে আমরা রাজ্যের SC/ST ছাত্র-ছাত্রীদের ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মেডিকেল কোর্সে ভর্তির জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি, তা আমাদের SC/ST ছেলে-মেয়েদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবার পথে খুবই কাজে লাগছে। এই স্কিমে আমরা এবার সংখ্যালঘু, ওবিসি এবং জেনারেল ক্যাটেগরি ছাত্রছাত্রীকেও যুক্ত করব।তিনি আরও লিখেছেন, এই ২০২৪ সালের পরীক্ষাতেই আমাদের যোগ্যশ্রী ছেলেমেয়েরা JEE (অ্যাডভান্সড) পরীক্ষায় ২৩টি র্যাঙ্ক (১৩টি IIT র্যাঙ্ক সহ), JEE (মেইন) এ ৭৫টি র্যাঙ্ক, WBJEE-এ ৪৩২টি র্যাঙ্ক এবং NEET-এ ১১০টি র্যাঙ্ক পেয়েছে। এইসব কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ফলাফল আগের বছরের ফলাফলের চেয়েও অনেক ভালো।যোগ্যশ্রীর এই বিপুল সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে এটাকে আমরা আরও বড় আকারে করছি। রাজ্যজুড়ে মোট ৫০টি সেন্টার খোলা হয়েছে যেখানে আমার দুহাজার SC/ST ছেলেমেয়ে ট্রেনিং পাবে। এখন ক্লাস ১১ থেকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু হবে। এতে ছেলেমেয়েরা আরো ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, আমাদের পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর ছেলে-মেয়েরা আরও অনেক বেশি সংখ্যায় ইঞ্জিনিয়ার-ডাক্তার হবে এটাই আমি চাই। এবার যুক্ত হবে সংখ্যালঘু, ওবিসি এবং জেনারেল ক্যাটেগরির ছেলেমেয়েরাও। সবার জন্য রইল আমার অভিনন্দন।

জুন ১১, ২০২৪
রাজ্য

গদীতে আসীন হয়েই বাংলাকে টাকা পাঠাল মেদী, সারা দেশে বন্টন ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা

তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর পরই নানা খাতে টাকা বরাদ্দ করে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রথমে কৃষকদের জন্য়, এবার রাজ্যগুলিতে করের অতিরিক্ত কিস্তির টাকার অনুমোদন দিল এনডিএ সরকার। সোমবারই নয়াদিল্লিতে প্রথম বৈঠকে বসে নরেন্দ্র মোদীর মন্ত্রিসভা। আর সেদিনই দেশের সমস্ত রাজ্যগুলিকে করের টাকার অতিরিক্ত কিস্তি দিল মোদী সরকার। এদিকে জুন মাসের করের টাকার অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। সারা দেশে রাজ্যগুলিকে ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা ভাগ করে দেওয়া হয়েছে।এই টাকার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও ভাগ পেয়েছে। প্রায় ১০,৫১৩ কোটি টাকা পেয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দীর্ঘ বছর ধরেই রাজ্য় দাবি করে আসছে রাজ্যের খাতের হাজার হাজার কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দিচ্ছে না। বকেয়া আদায়ের জন্য় দিল্লিতে গিয়ে ধর্নাও দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। এবার লোকসভার ভোটের অন্যতম ইস্যু ছিল কেন্দ্রীয় বঞ্চনা। সব থেকে বেশি টাকা পেয়েছে উত্তরপ্রদেশ। নিয়মানুযায়ী রাজ্যগুলিকে করের ভাগ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। যাক পোষাকী নাম ট্যাক্স ডেভোলিউশন। আয়কর-সহ অন্যান্য খাতে রাজ্যগুলি থেকে কেন্দ্র যা আয় করে, তার একটি অংশ রাজ্যকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে টাকা দেয় কেন্দ্র। উত্তরপ্রদেশ পেয়েছে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টকা। তার পরেই রয়েছে বিহার। তাদের দেওয়া হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা।কর কাঠামোর টাকার কত অংশ কোন রাজ্য পাবে সেটি ঠিক করার অন্যতম মানদণ্ড হল সে রাজ্যের জনসংখ্যা। সেই বিচারে উত্তরপ্রদেশের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি পেয়েছে। জনসংখ্যার বিচারে করের টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে চতুর্থ স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। বাংলা পেয়েছে ১০,৫১৩ কোটি টাকা।অন্তর্বর্তী বাজেটে এই ডেভোলিউশন খাতে ১২ লক্ষ ১৯ হাজার ৭৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। জুন মাসে দেওয়া হল এক লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা।

জুন ১১, ২০২৪
রাজ্য

যাদবপুরের মাটিকে মর্যাদায় ভরালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল কংগ্রেসে কেউ মানুষের ঊর্ধ্বে নয়। কারণ সকলেই মানুষের জন্য কাজ করতে তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছেন। মানব সেবাই আমাদের ভিত্তি। যাদবপুরের মাটি আমার কাছে সর্বদা আলাদা। এই মাটি আমাকে মানুষের সেবা করার প্রথম সুযোগ দেয়। এই মাটির মানুষ আমাকে সর্বদা দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন। এই মাটি থেকে আমি যা পেয়েছি, তা আজন্ম আমার হৃদয়ের মণিকোঠায় থেকে যাবে। সোনারপুর স্পোর্টিং ইউনিয়নের খেলার মাঠ এবং যাদবপুরের বারো ভূতের মাঠে, ঝড়-বৃষ্টিকে মাথায় নিয়ে যে সংখ্যায় আমার গণদেবতা এসে আজকের জনসভা দুটিকে সাফল্যমণ্ডিত করলেন, তার জন্য আমি সকলকে নতমস্তকে প্রণাম জানাই। মনে রাখবেন বিজেপি এবং বিজেপির বি-টিম সিপিআইএম - এই দুটি দলকে একটাও ভোট নয়। কারণ, এরা কল্যাণ নয় হিংসায় বিশ্বাসী।

মে ২৬, ২০২৪
রাজ্য

মমতার নিশানায় ফের কার্তিক মহারাজ, আইনি চিঠি মুখ্যমন্ত্রীকে

ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিশানায় ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। এদিন আবার বাঁকুড়ার ওন্দার জনসভা থেকে কার্তিক মহারাজের নাম নিয়ে তুলোধনা করলেন তৃণমূলনেত্রী। এলাকায় এলাকায় গিয়ে ধর্মের নামে আপনি বিজেপি করে বেড়ান। আমি বলছি আপনি করুন। কিন্তু বিজেপির চিহ্নটা বুকে লাগিয়ে রেখে করুন। ভরা মঞ্চ থেকে এভাবেই কার্তিক মাহারাজকে এদিনও আক্রমণ তৃণমূল সুপ্রিমোর।আমি একটি লোকের নাম করে বলেছিলাম, তাঁর নাম কার্তিক মহারাজ। তিনি আমাদের এজেন্ট বসতে দেননি। ভোটের দুদিন আগে মুর্শিদাবাদে যে দাঙ্গাটা করিয়েছিলেন তার হোতা ছিলেন উনি। আমি সেই জন্য বলেছিলাম এবং বলে যাব। আগে অধীর করতেন, এখন বিজেপি করেন।মুর্শিদাবাদের যে জায়গায়টায় রেজিনগরে ভোটের দুদিন আগে দাঙ্গা করেছিল। সেখানে ওনার আশ্রম। উনি আশ্রম চালান, আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু আমি যখন জিজ্ঞাসা করলাম ওখানে তৃণমূলের এজেন্ট নেই কেন? বলল কার্তিক মহারাজ বলেছেন এখানে তৃণমূলের এজেন্ট বসতে দেব না। কিছু লোককে খেপিয়েছে যারা ছানার ব্যবসায়ী। খবর আমিও রাখি। এলাকায় এলাকায় গিয়ে ধর্মের নামে আপনি বিজেপি করে বেড়ান। আমি বলছি আপনি করুন। কিন্তু বিজেপির চিহ্নটা বুকে লাগিয়ে রেখে করুন। লুকিয়ে লুকিয়ে কেন? আমি তাই বলেছি। আমি যেটা বলি সেটা প্রমাণ ছাড়া বলি না। বাংলায় তৃণমূলের এজেন্ট বসবে না, ভোটের দুদিন আগে দাঙ্গা করিয়ে দেবে। তাদের আমি ছেড়ে দেব?এদিকে, আইনজীবী মারফত এদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়েছেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। ৪ দিনের মধ্যে তাঁর চিঠির জবাব না পেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর আগে হুগলির গোঘাটের সভা থেকেও কার্তিক মহারাজকে বেনজির নিশানা করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ের সেই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই এই আইনি চিঠি।তিনি আইনি পথে মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের মোকাবিলা করবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন। শেষমেশ আইনজীবী মারফত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠালেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের কার্তিক মহারাজ। ৪ দিনের মধ্যে তাঁর চিঠির জবাব না পেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্দে আইনি পথে হাঁটবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে তৃণমূলের তরফেও জানানো হয়েছে আইনি পথেই এর মোকাবিলা করবেন তাঁরা।তৃণমূল সুপ্রিমোর মন্তব্য ভারত সেবাশ্রম সংঘের অগণিত ভক্তের ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

মে ২১, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যপালের পদত্যাগ দাবি মুখ্যমন্ত্রীর, রাজভবনে যাবেন না মমতা

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছিলেন রাজভবনেরই এক অস্থায়ী মহিলা কর্মী। যা ঘিরে আজ ফের একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিশানা করলেন সিভি আনন্দ বোসকে। রাজ্যপালের পদত্যাগ দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে এবার থেকে কোনও কাজে আর রাজভবনে যাবেন না বলেও সাফ জানিয়েছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তবে রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন হলে কোথায় তিনি যাবেন তাও এদিন স্পষ্ট করেছেন তৃণমূলনেত্রী।মাননীয় রাজ্যপাল! আমার কী দোষ আপনি বলুন। আমি তো জানিই না ঘটনা পুরো। রাজ্যপালের তো পদত্যাগ করা উচিত। মহিলাদের উপর নির্যাতন করার আপনি কে? প্রেসকে ডেকে এডিট করে কিছু ভিডিও দেখিয়েছে। পুরোটা কি দেখিয়েছে? কপিটা আমার কাছে আছে। এখনও তো সব বেরোয়নি। আর একটা পেনড্রাইভ পেয়েছি। আরও কেলেঙ্কারি। বাবারে! আমাকে এখন রাজভবনে ডাকলে আমি আর যাব না। আমাকে রাস্তায় ডাকলে যাব। রাজ্যপালের কথা বলতে হলে আমাকে রাস্তায় ডাকবেন। রাস্তায় গিয়ে কথা বলে আসব। রাজভবনে আর যাব না। যা কীর্তি-কেলেঙ্কারি শুনছি তাতে আপনার পাশে বসাটাও পাপ।উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আবহে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অভিযোগ উঠেছে। রাজভবনেরই এক অস্থায়ী কর্মী রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ করেছেন। দুবার রাজভবনের পিস রুমে তাঁর শ্লীলতাহানি করেছেন সিভি আনন্দ বোস, এমনই অভিযোগে হেয়ার স্ট্রিট থানায় রাজ্যপালের বিরুদ্ধে নালিশ জানিয়েছেন ওই মহিলা। যদিও রাজ্যপাল নিজে অবশ্য। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে পাল্টা সোচ্চার হয়েছেন রাজ্যপাল। রাজভবনের তরফে বেশ কয়েকটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। তবে সেই ভিডিও নিয়েও তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, এডিট করে ওই ভিডিও প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

মে ১১, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুলকালাম, তুঙ্গে বিতর্ক

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে অস্বস্তি বেড়েছে পদ্মশিবিরে। এবার আরও অস্বস্তি বাড়াল পুলিশ। সন্দেশখালিতে যৌন নির্যাতন-ধর্ষণের ঘটনা সাজানো বলছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। সেই ভাইরাল ভিডিওর রেশ কাটতে না কাটতেই নয়া ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে মহিলারা দাবি করছেন, ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিল মহিলা মোর্চার নেত্রী। তাঁরা কোনও ধর্ষণের অভিযোগ করেননি। এবার সেই ঘটনায় বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাসকে সমন পাঠাল সন্দেশখালি থানার পুলিশ। তাঁকে জেরা করতে চায় পুলিশ।সন্দেশখালিতে ধর্ষণ কিংবা যৌন নির্যাতনের ঘটনা কি সাজানো? এবার আরও একটি নতুন ভিডিও-য় চাঞ্চল্যকর কিছু দাবি করতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। যদিও সেই ভিডিও-টির সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা।দিন কয়েক আগেই সন্দেশখালির (Sandeshkhali) BJP নেতা গঙ্গাধর কয়ালের বক্তব্য নিয়ে এটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেই ভিডিও প্রকাশ করে সন্দেশখালির গোটা ঘটনা নিয়ে BJP-কেই তুলোধনা করতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। বৃহস্পতিবার ভাইরাল হওয়া আরও একটি ভিডিও-য় সন্দেশখালিরই আরেক বিজেপি নেতা অনুপ দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনা গিয়েছে বসিরহাটের BJP প্রার্থী তথা সন্দেশখালি আন্দোলনের মুখ রেখা পাত্র সহ কয়েকজন মহিলাকে।এবার নতুন আরও একটি ভিডিও-য় মুখ খুলতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। সেই ভিডিও-য় তিন মহিলার দাবি, ধর্ষণ-সহ যে বিভিন অভিযোগ করা হয়েছে তা সাজানো। এমনকী মহিলা কমিশন যেদিন সন্দেশখালিতে গিয়েছিল ওই দিন এক বিজেপি নেত্রী তাঁদের মিথ্যা অভিযোগ করতে বলেছিলেন বলেও দাবি তাঁদের। সাদা কাগজে তাঁদের দিয়ে সই করিয়ে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ তাতে লেখা হয়েছে বলে দাবি কয়েকজন মহিলার।আদৌ তাঁদের সঙ্গে ধর্ষণের মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে ওই ভাইরাল ভিডিও-য় দাবি করেছেন মহিলারা। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা। বর্তমানে মিথ্যা মামলা তাঁরা তুলে নিতে চাইলে বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাস ও এলাকার কয়েকজন বিজেপি নেতারা তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনায় মাম্পিকে জেরা করতে তাঁকে তলব করেছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৪
রাজনীতি

এসএসসির চাকরি বাতিলে সুপ্রিম রায়, কি বললেন মমতা- অভিষেক

২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি জানান, এখনই চাকরি বাতিল হচ্ছে না। তবে এখানেই এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হচ্ছে না। ১৬ জুলাই এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি। এসএসসি আদালতকে জানিয়েছে এরমধ্যে ১৯,০০০ চাকরি বৈধ। সুপ্রিম নির্দেশের পরই এবার আসরে নামল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সমাজমাধ্যমে লিখলেন সত্যের জয় হল।তিনি এদিন লিখেছেন, বাংলার ভাবমূর্তি নষ্টে বিজেপির বিস্ফোরণ সুপ্রিম কোর্টে নিষ্ক্রিয়। সব প্রতিবন্ধকতার বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলবে। মানুষের পাশে থেকে জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই চলবে। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই চলবে।🙏I am really very happy and mentally relaxed on receipt of justice at the highest Court of the land. Congratulations to the entire teaching fraternity and my humble regards to the Honble Supreme Court of India.🙏সুপ্রিম কোর্টে ন্যায় প্রাপ্তির পর আমি বাস্তবিকই খুব খুশী এবং Mamata Banerjee (@MamataOfficial) May 7, 2024এদিকে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছে তাতে বেজায় খুশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর জন্য শিক্ষক সমাজকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মমতা। আর শীর্ষ আদালতকে আন্তরিক শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টে ন্যায়প্রাপ্তির পর আমি বাস্তবিকই খুব খুশি এবং মানসিক ভাবে তৃপ্ত। সামগ্রিক ভাবে শিক্ষক সমাজকে জানাই আমার অভিনন্দন এবং মাননীয় সুপ্রিম কোর্টকে জানাই আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা।মঙ্গলবার ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার ২৫৭৫৩ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশে আপাতত স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এদিন জানান, এখনই কারও চাকরি বাতিল হচ্ছে না। যদি যোগ্য-অযোগ্য আলাদা করা সম্ভব হয়, তাহলে গোটা প্যানেল বাতিল করা ন্যায্য হবে না। তবে এখানেই এই মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হচ্ছে না। ১৬ জুলাই এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি। তবে এই রায়কে নিজেদের জয় হিসাবে দেখছে রাজ্যের শাসকদল। পাল্টা বিজেপির দাবি, সিবিআই তদন্ত চলবে। আর চূড়ান্ত শুনানি হবে ১৬ জুলাই। সুতরাং এখনই নিষ্পত্তি নয় এই মামলার।The Honorable Supreme Court has DEFUSED the BJPs EXPLOSIVE hurled last week to malign Bengals image and destabilize WB government.TRUTH HAS TRIUMPHED!We will continue to defy all odds and stand shoulder to shoulder with the people until our last breath.জয় বাংলা 💪🏻 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) May 7, 2024

মে ০৭, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

বর্ধমানের গন্তারে তৃণমূল প্রার্থী শর্মিলা সরকারকে সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রী বলেন, বিজেপির অপশাসনে সবকিছুর মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে, কেবলমাত্র সাধারণ মানুষের জীবনের মূল্য হ্রাস পেয়েছে। বিজেপি এবং সিপিআইএম একজোট হয়ে আমাদের রাজ্যের ২৬,০০০ মানুষের থেকে চাকরি কেড়ে নিয়েছে। তাই সিপিআইএম-কংগ্রেস-বিজেপির এই জনবিরোধী জোটকে প্রতিহত করতে হবে। নির্বাচন কমিশন আমাদের ১,৫০০ পুলিশ কর্মীকে অন্য রাজ্যে নিয়ে গিয়েছে কিন্তু তাদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটদান থেকে বিরত রেখেছে। এটা গণতন্ত্রের জন্য কালো দিন। আমি কথা দিচ্ছি, যদি তাঁরা ভোটদান না করতে পারে তাহলে আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো।বৃহস্পতিবার রাজভবনে এক অস্থায়ী মহিলা কর্মীর রাজ্যপালের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় হয়ে যায়। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি নারীদের নিয়ে খুব বড় বড় ভাষণ দেন। কিন্তু রাজ্যপালের রাজভবনে ঘটে যাওয়া ঘটনার ব্যাখ্যা কী? সেই অসহায়, নিষ্পাপ মেয়েটির কী দোষ ছিল? লজ্জা লাগছে আমার! ছিঃ! বিজেপির কালো শাসনে আমরা কেউ ভালো নেই, আমাদের সকলকে ভালো থাকতে হবে।যদিও অভিযোগের পর পরই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, সত্যের জয় হবেই। আমি কারও চক্রান্তকে ভয় করি না। কেউ যদি আমার নামে কুৎসা করে নির্বাচনী সুবিধা পেতে চায়, ঈশ্বর তাঁদের মঙ্গল করুন। কিন্তু তাঁরা বাংলায় দুর্নীতি ও সহিংসতার বিরুদ্ধে আমার লড়াই থামাতে পারবে না।

মে ০৩, ২০২৪
রাজ্য

অধীরের দুর্গে তাঁকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী, কি কৌশল মমতার?

আগামী ৭ মে, তৃতীয় দফায় ভোট হবে মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর, মালদা উত্তর ও মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রে। এরপর চতুর্থ দফাতেই রয়েছে প্রেসটিজ ফাইট। ওই পর্বে ভোট হবে অধীর চৌধুরীর বহরমপুরে কেন্দ্রে। নিজের দুর্গে অধীরকে হারাতে মরিয়া তৃণমূল নেত্রী। ইতিমধ্যেই বহরমপুরে ঘাঁটি গেড়েছেন তিনি। আগামী দিন তিনেক বহরমপুরের একটি রিসর্টে থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই জেলার বাকি দুই লোকসভা কেন্দ্রের ভোট পরিচালনা করে চলেছেন। বহরমপুরে পাঁচবারের সাংসদ অধীর চৌধুরীকে হারাতে কৌশল পাকা করে ফেলেছেন মমতা।মুর্শিদাবাদ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভগবানগোলায় বিধানসভায় উপনির্বাচন হবে লোকসভা ভোটের সঙ্গেই। শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ চপারে করে বহরমপুরে পৌঁছন দিদি। শাসক দলের অন্দরের খবর, সেখান থেকে বহরমপুরের রিসর্টে যাওয়ার আগে ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর ও বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে রণকৌশল তৈরিতে আলাদা করে বৈঠক করেন মমতা।জানা গিয়েছে, বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানকে জেতাতেই রণকৌশলই হুমায়ুনের সঙ্গে প্রায় ১৫ মিনিটের বৈঠকে পাকা করেছেন মমতা। সেই বৈঠকেই ভরতপুরের দলীয় বিধায়ককে বিশেষ দায়িত্ব দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।ইউসুফ পাঠানকে প্রার্থী করায় শুরুতে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন এই হুমায়ুনই। তাহলে হঠাৎ কেন দলের এই বিধায়ককেই আস্থা রাখলেন দিদি? তৃণমূল সূত্রে খবর, হুমায়ুন কবীর বহরমপুর লোকসভা কেন্দ্র হাতের তালুর মতো চেনেন। সব পরিসংখ্যান, ভোটারদের আচরণ তাঁর চেনা। একসময় অধীর চৌধুরীর শিষ্যও ছিলেন তিনি। ফলে হুমায়ুনে ভরসা রেখেই কাঁটা দিয়ে কাঁটা তুলতে মরিয়া চেষ্টায় তৃণমূল সুপ্রিমো।পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বহরমপুর বিধানসভা এলাকা থেকে বিপুল লিড পেয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। তাতেই তাঁর জয় নিশ্চিত হয়। এবার সেই পথ বন্ধ করতে বহরমপুর পুরসভা এলাকায় পরুসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপালকে দায়িত্ব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নেত্রীর এই ভরসার পর ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, মমতা তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছেন, তাঁর আশা তিনি তা রক্ষা করতে পারবেন। অন্যদিকে অধীর চৌধুরী ঘনিষ্ঠ মহলে দাবি করেছেন, বহরমপুরে পরাজয়ের আতঙ্কেই মাননীয়া নাকি ব্যর্থ কৌশল রচনা করছেন

এপ্রিল ২৯, ২০২৪
রাজনীতি

"চাকরি খেকো মানুষ দেখেছেন?", মেদিনীপুরের জনসভায় প্রশ্ন মমতার

এদিন তৃণমূলের দুই প্রার্থী তমলুকের দেবাংশু ভট্টাচার্য ও মেদিনীপুরের জুন মালিয়ার সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন ক্ষুব্ধ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা মানুষ খেকো বাঘ দেখেছেন। চাকরি খেকো মানুষ দেখেছেন?মমতা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, একদিকে যেমন বিনা পয়সায় রেশন দেওয়ার মত মিথ্যাচার করছে বিজেপি, অন্যদিকে গদ্দাররা ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করে বাংলায় হিংসার বাতাবরণ সৃষ্টি করছে। তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের জোড়াফুলের প্রার্থী, যুব সমাজের প্রতিনিধি দেবাংশু ভট্টাচার্য এবং মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের জোড়াফুলের প্রার্থী, বিশিষ্ট অভিনেত্রী জুন মালিয়াকে আপনারা জয়ী করুন এবং এই মাটি থেকে সকল অপশক্তিদের বিদায় দিন। কারণ এরা কোনও দিন আপনাদের ভালো চায় না, চাইতে পারে না। এদের ক্ষমতাচ্যুত না করা পর্যন্ত আমাদের এই লড়াই থামবে না।মমতা বলেন, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের মেদিনীপুরের এই ধাত্রীভূমি কোনও দিন কোনও সাম্প্রদায়িক-বিভেদকামী শক্তির কাছে বশ্যতা স্বীকার করেনি। এই পবিত্র মাটি শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর মাটি, মাতঙ্গিনী হাজরার মাটি, পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, সতীশ সামন্ত, সুশীল ধাড়া, বীরেন্দ্রনাথ শাসমল-এর মাটি। আজকের কেশিয়াড়ী এবং দাঁতনের জনসভায় অসহ্য গরমেও বিপুল সংখ্যায় মানুষ এসে, এই সভা দুটিকে সাফল্যমণ্ডিত করেছেন। এর জন্য আমি চির কৃতজ্ঞ থাকবো।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
রাজ্য

বাংলায় বেকার ছেলেকে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়ঃ অমিত শাহ

এরাজ্যে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা ঘুষ দিতে হয়। রাজ্যের কয়েকজন নেতা ও মন্ত্রীদের ঘর থেকে উদ্ধার হয়েছে কোটি কোটি টাকা। অনেকেই জেল খাটছেন। এই ভ্রষ্টাচার আটকাতে গেলেই মোদি সরকারকে দরকার । মঙ্গলবার দুপুরে দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীর সমর্থনে নির্বাচনী প্রচার এবং রোডশো করতে এসে এভাবেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের সমালোচনা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন উত্তরবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় মালদা এসে রোড শো করেন কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইংরেজবাজার শহরের ফোয়ারা মোড় থেকে রবীন্দ্র এভেনিউ এলাকার রবীন্দ্রমূর্তির কাছেই রোড-শো শেষ হয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দক্ষিণ মালদার বিজেপি প্রার্থী শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরীকে হুডখোলা গাড়িতে পাশে নিয়ে এই রোড-শো করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রোড-শোকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের বাদ্যযন্ত্র ও দলীয় ঝান্ডায় সামিল হন দলীয় নেতা, কর্মীরা।এদিন তীব্র দাবদহের মধ্যে মালদার ইংরেজবাজার শহরের প্রাণকেন্দ্র ফোয়ারা মোড় থেকে রথবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর রোড-শোয়ের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। সকাল গড়িয়ে দুপুরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের হেলিকপ্টার নামে মালদা বিমানবন্দরে। এরপরে সেখান থেকে কনভয় নিয়ে সরাসরি শহরের ফোয়ারা মোড় এলাকার সভা মঞ্চে চলে আসেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সেখানে মাত্র পাঁচ মিনিট বক্তব্য রেখেই শুরু হয় এই রোড শো। এদিন নির্বাচনী প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, এরাজ্যে একের পর এক দুর্নীতিগ্রস্ত নেতারা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সির কাছে ধরা পড়েছে। এই বাংলায় বেকার ছেলেকে চাকরি পেতে গেলে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয় । এর থেকে আর নিন্দাজনক কি হতে পারে? প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লক্ষ্য স্বচ্ছ ভারত এবং উজ্জ্বল ভারত গড়ে তোলা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আরও বলেন, উজ্জ্বল ভারত গড়তে গেলে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে হবে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে গেলে এনআরসি এবং সিএএ দরকার। ভ্রষ্টাচার বন্ধ করতে হবে। বেকারত্ব দূর করতে হবে। যেটা গত দুইবারের ক্ষমতায় থেকে কেন্দ্রের মোদি সরকার করেছেন। এরাজ্যে তৃণমূল সরকার শুধু দুর্নীতি আর ভ্রষ্টাচার করে এসেছে। তাঁর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর একটাই ভাষা সেটাই হচ্ছে আপনাদের ভোট । এই ইংরেজবাজার বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি প্রার্থীকে অন্তত এক লক্ষেরও বেশি ভোট দিয়ে জয়ী করতে হবে। এদিন মালদায় রোড-শো করার সময় মালদার তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪২ ডিগ্রির কাছাকাছি। আর এত দাবদাহের মধ্যে অসংখ্য মানুষের ভিড় দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ । তিনি বলেন, আপনাদের জনজোয়ার এবং স্লোগান বলে দিচ্ছে এই বাংলায় বিজেপি প্রচুর আসন পাবে । একইভাবে মালদার দুটো আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবে বিজেপির দুই প্রার্থী। এই রোড-শো করার পর এই দিন মালদা থেকে হেলিকপ্টার করেই পূর্ণিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ২৩, ২০২৪
রাজ্য

অভিষেককে খুন করার চেষ্টা, অভিযোগ মমতার, এসএসসি নিয়োগ বাতিল নিয়েও চরমে সুর

নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুন করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর। এই অভিযোগে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। তবে এপ্রসঙ্গে নাম না করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকেই নিশানা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বিজেপির এক গদ্দার বললেন বোমা ফাটাব। আরে বোমা ফাটিয়ে মমতা ব্যানার্জির ওপর রাগ হয় তো মেরে দে। অভিষেককেও তো খুন করতে গিয়েছিলি, ধরে ফেলেছিলাম আমরা। তার বাড়ি পর্যন্ত রেইকি করেছে। ফেসটাইমে ফোন করেছে। আপকা সাথ বাত করনা চাহতা হু। সময় দিলেই গুলি করে দিয়ে পালিয়ে যেত। এরা চায়, যাঁরা ওঁদের বিরুদ্ধে কথা বলে, তাঁদের মেরে দাও, জেলে ভরে দাও। তাঁকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দাও। মানুষের ভোটে জিতবেন যদি মনে করেন তাহলে এত ভয় দেখানোর কী দরকার ছিল।দিন কয়েক আগেই চলতি সপ্তাহে রাজ্যে বড় কিছু ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যা নিয়ে রীতিমতো চর্চা ছড়িয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে তাই অভিষেকের বাড়ির রেইকি করায় অভিযুক্তের গ্রেফতারিতে শুভেন্দুকেই নিশানা করেছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।এরপর তিনি অভিষেকের বাড়ি ও অফিসের সামনের এলাকার রেইকি করেছিলেন বলেও খবর মেলে। এই ঘটনার খবর মিলতেই নড়েচড়ে বসে কলকাতা পুলিশ (Kolkata Police)। মুম্বই থেকে তাকে গ্রেফতার করে আনে লালবাজার। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও অফিসের কেন রেইকি করেছিলেন রাজারাম? তা এখনও স্পষ্ট না হলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু এর পিছনে গভীর রহস্যের গন্ধ পেয়েছেন।মঙ্গলবার ভাতারে লোকসভা ভোটের প্রচারে এসএসসির চাকরি বাতিল সংক্রান্ত হাইকোর্টের নির্দেশ নিয়ে ফের মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশকে এ দিন একতরফা বলে সোচ্চার হন মমতা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ২ কোটি লোককে চাকরি দেবেন বলেছিলেন। একটা লোককে চাকরি দেননি। আর আমরা বাংলায় যখন চাকরি চাকরি দি, তখন আপনারা কোর্টেকে দিয়ে সেগুলো খেয়ে নেন। ওরা তো আমাদের আন্ডারে নয়, আপনাদের আন্ডারে।এরপরই মমতা বলেন, আমি রায় নিয়ে বলছি, বিচারকের নাম নিয়ে বলছি না, আমার প্রয়োজন পড়ে না। যদি বলতেন এখানে অসুবিধা আছে, ভুল হয়েছে, সংশোধন করে নাও। করে নিতাম আমরা। ভুল হতেই পারে। যে কেউ করতে পারেন। সবটাতো আর আমি চালাই না। শিক্ষা দফতর স্বতন্ত্র। আজকে বলুন তো যাঁরা একতরফা রায় দিয়ে ২৬ হাজার ছেলেমেয়ের চাকরি খেয়ে নিলেন, আর বললেন এক মাসের মধ্যে আট বছরের মাইনে সুদ সহ টাকা ফেরৎ দিতে হবে, পারবেন?

এপ্রিল ২৩, ২০২৪
রাজ্য

হাইকোর্টে চাকরি বাতিল, উচ্চ আদালতে যাওয়ার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রায়গঞ্জের চাকুলিয়ায় সোমবার নির্বাচনী জনসভা করেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলোধোনা করেন বিজেপিকে।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে যদি বিষাক্ত বিজেপি পুনরায় ক্ষমতায় আসে তাহলে না থাকবে নির্বাচন, না থাকবে গণতন্ত্র, না বেঁচে থাকবে সংবিধান। ধর্মের উস্কানি দিয়ে সকলের মধ্যে বিভেদের বীজ বুনে দিচ্ছে এই বিজেপি। আমি বেঁচে থাকতে এনআরসি, সিএএ এবং ইউনিফর্ম সিভিল কোড হতে দেবো না বাংলায়। এই বিজেপির সঙ্গী এখন সিপিআইএম এবং কংগ্রেস। এদেরকে ভোট দেওয়া মানেই, বিজেপিকে সুবিধে করে দেওয়া। কংগ্রেসের এই নীতির উপর বীতশ্রদ্ধ হয়েই আজ রায়গঞ্জের চাকুলিয়ার সভামঞ্চে কংগ্রেসের ৩ জন ব্লক সভাপতি যোগদান করলেন জোড়াফুলের পরিবারে। এই বৃহৎ লড়াইয়ে তাঁদের সকলকে স্বাগত।এদিন কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৬ সালের এসএসসির সব নিয়োগ বাতিল করে দিয়েছে। চাকরি গিয়েছে প্রাশ ২৬ হাজার জনের। এই জনসভায় মমতা বলেন, আজ হাইকোর্টের একটি নির্দেশ প্রকাশ পেয়েছে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায়। আমরা এই রায়কে কেন্দ্র করে উচ্চ-আদালতে যাবো। কেউ যদি চাকরি প্রার্থীদের পাশে না থাকে, আমি শেষ অব্দি থেকে যাবো। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস মানুষের শক্তি। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়বো।আগামী ২৬ এপ্রিল রায়গঞ্জ কেন্দ্রের জোড়াফুলের প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণীকে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ২২, ২০২৪
রাজ্য

মুর্শিদাবাদে প্রচারে রাজনাথ সিং, তুলোধোনা তৃণমূল নেত্রীকে, দার্জিলিংয়ের সভায় ফোন-বার্তা শাহর

নরেন্দ্র মোদী- অমিতনশাহের পর এবার রাজনাথ সিং। রাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে এসে তৃণমূলনেত্রী মমতাবন্দ্যোপাধ্যায়কে ঝাঁঝালো আক্রমণ করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। রবিবার মুর্শিদাবাদের জলঙ্গিতে নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন বিজেপির এই বর্ষীয়ান নেতা। নির্বাচনী সভামঞ্চ থেকে বাংলার আইনশৃঙ্খলার পরিবেশ নিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জিকে নিশানা করেছেন রাজনাথ।মমতাদিদি খাদি পড়েন, আর আড়ালে লুঠ চলছে। চৈতণ্যদেব, রাজা রামমোহন রায়, বিদ্যাসাগর, সুভাষচন্দ্রের বাংলায় মমতার আমলে কী হল? বাংলায় এখন আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। পুরো বাংলাজুড়ে অরাজক একটা পরিবেশ। এখন সাম্প্রাদয়িকতার জন্য বাংলার নাম উঠে আসছে। এখানে ইডি-সিবিআই তদন্তে এলে গুন্ডারা হামলা চালায়। এখানে আইনশৃঙ্খলা নেই।সন্দেশখালি ইস্যুতে রাজনাথ বলেন, সন্দেশখালির ঘটনা ভারতের নয়, গোটা দুনিয়ার যে দেখেছে সেই বলেছে এটা মানবতার লজ্জা। মমতাদিদি খাদি পড়েন, আর খাদির আড়ালে বাংলায় লুঠ চলছে। এখানে চাকরির পরীক্ষায় দুর্নীতি হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে সব ক্ষেত্রেই দুর্নীতি। আপনার নামেই শুধু মমতা, আচার-ব্যবহারে মমতা পুরো নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আপনার মনের মমতা কোথায় গেল?অন্যদিকে, দার্জিলিঙের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে সভা করার কথা ছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্টরমন্ত্রী অমিত শাহের। তবে সেই সভা আজ বাতিল হয়ে গিয়েছে। খারাপ আবহাওয়ার কারণে শিলিগুড়ি থেকে উড়তেই পারেনি শাহের কপ্টার। তবে সভায় না এলেও ফোনে বার্তা দিয়েছেন অমিত শাহ।রাজু বিস্তার ফোনে শাহ বলেন, গোর্খাদের পাশে আছি আমরা। খারাপ আবহাওয়ার কারণে যেতে পারিনি। দেশের ইতিহাসে গোর্খাদের বড় অবদান আছে। পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে একমাত্র বিজেপিই। আপনারা মোদিজীর পাশে থাকুন। ২৬ তারিখ রাজু বিস্তাকেই পদ্ম চিহ্নে ভোট দিন।

এপ্রিল ২১, ২০২৪
রাজ্য

৪০০ পার করার স্বপ্ন দেখছে, ২০০ পার করে দেখাক, বিজেপিকে কটাক্ষ মমতার

ইতিমধ্যে রাজ্যের তিন লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২৫ এপ্রিল উত্তরবঙ্গের আরও ৩ কেন্দ্রে নির্বাচন রয়েছে। চড়কিপাক খাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মালদায় জনসভা করেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দিল্লি দখলে ৪০০ পার করার স্বপ্ন দেখছে বিজেপি। আমি বলছি আগে ২০০ আসন পার করে দেখান, তারপরে সাঁতার কাটবেন। হাতে গোনা কয়েকটি রাজ্য ছাড়া কোথাও ভোট নেই আপনাদের । তাহলে এত লম্পঝম্প কিসের। এবারে দিল্লি দখলে মানুষ আমাদের পাশেই থাকবে।মুখ্যমন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য, বিজেপিকে কেন ভোট দেবেন? ওরা মানুষের জন্য কি করেছে? মালদার এক বিজেপি সাংসদ খগেনবাবু পাঁচ বছরের ২৫ কোটি টাকা পেয়েছে। একটা পয়সাও উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করেনি। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা কথা বলে ভোট পাওয়া যায় না। উন্নয়নই শেষ কথা। আপনারা করে দেখাতে পারেননি। কিন্তু আমরা করে দেখিয়েছি। এদিন দুপুরে উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন ব্যানার্জির সমর্থনে গাজোল কলেজ সংলগ্ন মাঠেই নির্বাচনী জনসভা বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। জনসভার শেষে ধামসা, মাদলের সঙ্গে আদিবাসীদের সাথে নৃত্য করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।এদিনের এই নির্বাচনী জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি উত্তর মালদা লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসূন ব্যানার্জিকে সামনে রেখেই সাধারণ মানুষের কাছে ভোট চান। এই জনসভায় উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তাজমুল হোসেন, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মৌসুম নূর, দলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী, তৃণমূলের জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রসেনজিৎ দাস প্রমূখ।এদিন মালদায় আরেকটি জনসভা করেন মমতা। মানিকচক বিধানসভা কেন্দ্রের এনেয়াতপুরে দক্ষিণ মালদার তৃণমূল প্রার্থী শাহনাওয়াজ আলি রায়হানের সমর্থনে আরেকটি নির্বাচনী সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।এদিন গাজোলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, পশ্চিমবঙ্গ, দক্ষিণ ভারত, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান সহ একাধিক রাজ্যে বিজেপির ভোট নেই। তাহলে ওদের এত কিসের দাম্ভিকতা । লোকসভার ৫৪৩ টি আসনের মধ্যে গতবার ওরা পেয়েছিল ৩০৩টি আসন । এবার স্বপ্ন দেখছে ৪০০ আসন পার করার। আমি বলছি ২০০ আসন পার করে দেখান। তারপরে সাঁতার কাটবেন। দিল্লি এবার আপনাদের দখলে যাবে না।এদিন পরিযায়ী শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন , মালদার যারা পরিযায়ী শ্রমিক রয়েছেন, তারা নির্বাচনের সময় অন্তত এসে ভোটটা দিয়ে যান। নইলে পরে দেখবেন হয়তো বিজেপির ওই সরকার আপনাদের সাথে দুষ্টুমি করে নামটাই হয়তো বাদ দিয়ে দিবে। আর তখন এনআরসি এবং সিএএ ছকে ফেলে আপনাদেরকে নিয়ে ছলনা করা হবে। তবে আমি বেঁচে থাকতে এই বাংলায় এনআরসি হতে দেব না। মনে রাখবেন আমি বাংলার রয়েল বেঙ্গল টাইগার। তাই ওরা আজকে এত ভয় পাচ্ছে।এদিন নির্বাচনী সভায় মুখ্যমন্ত্রী গণিখান চৌধুরী প্রসঙ্গে বলেন, বরকতদা যখন বেঁচে ছিলেন, তখন ওনার সাথে আমার খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। উনাকে আমি শ্রদ্ধা করি। এক সময় মানুষ ওনাকে ভোট দিয়েছেন তার কাজের জন্য। কিন্তু এখন আবার কি। অনেক তো হলো। আমরা তো বরকত সাহেবের ভাগ্নি মৌসুম নূরকে এর আগে টিকিট দিয়েছিলাম। এখন মৌসম রাজ্যসভার সাংসদ।

এপ্রিল ২০, ২০২৪
রাজ্য

সংখ্যালঘু দেখলেই এনআইএ সক্রিয়, ভয়ঙ্কর অভিযোগ মমতার

কেন অস্ত্র নিয়ে মিছিল করবেন? সংখ্যালঘু দেখলেই এনআইএ নিয়ে ঢুকে পড়ার অধিকার কে দিয়েছে? হরিহরপাড়ায় সভা থেকে তোপ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। পাশাপাশি কংগ্রেস ও সিপিএমকে বিজেপির দালাল বলেও তীব্র আক্রমণ করেন মমতা। এখানে ইন্ডিয়া জোট নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।দক্ষিণবঙ্গে ভোটের প্রচারে তৃণমূল সুপ্রিমো। রামনবমীর দিনে অস্ত্র-মিছিল নিয়ে নাম না করে বিজেপিকে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচনের দিনেই ফের একবার রামনবমীর শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে হওয়া বিক্ষিপ্ত কিছু গন্ডগোলের ঘটনা তুলে ধরে নাম না করে গেরুয়া শিবিরকে নিশানা তৃণমূলনেত্রীর। বহরমপুরের তৃণমূল প্রার্থী ইউসুফ পাঠানের হয়ে এদিন নির্বাচনী প্রচার সারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই প্রচার মঞ্চ থেকেই বিজেপিকে ধুয়ে দিলেন তৃণমূলনেত্রী।শর্ত সাপেক্ষে রামনবমীর শোভাযাত্রার অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। যদিও কয়েকটি জায়গায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় অস্ত্র নিয়ে বের হতে দেখা যায় রাম-ভক্তদের। সেই প্রসঙ্গ তুলেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পরশুদিন ছোট্ট একটা ঘটনা ঘটিয়েছে। গতকাল আবারও ঘটিয়েছিল। তাতে ওসি ও আমার এক ভাই আহত হয়েছে। ১৯ জন আহত হয়েছেন। কেন অস্ত্র নিয়ে মিছিল করবেন আপনারা? কে অধিকার দিয়েছে অস্ত্র নিয়ে মিছিল করার? কে অধিকার দিয়েছে সংখ্যালঘুদের বাড়ি এনআইএ নিয়ে ঢুকে পড়ার?এরই পাশাপাশি এদিন ফের একবার ইন্ডিয়া জোট নিয়ে মুখ খোলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে তুলোধনা করেন তিনি। তেড়েফুঁড়ে আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকেও। মমতার কথায়, বাংলায় ইন্ডিয়া জোট নেই। আমরা আছি। কেন্দ্রে সরকার হলে ইন্ডিয়া জোটকে আমরাই সাহায্য করব। আমরাই নেতৃত্ব দেব। বাংলা নেতৃত্ব দেবে। এখানে সিপিএম ও কংগ্রেস বিজেপির দালালি করে। তাই আমাদের সাথে ওদের কোনও সম্পর্ক নেই। কংগ্রেস-সিপিএম তো কেরালাতেই লড়াই করছে। এখানে কংগ্রেস ও সিপিএম আসন ভাগাভাগি করেছে। বিজেপির কাছ থেকে কিছু কিছু নিচ্ছে আর দিচ্ছে।গেরুয়া শিবিরকে আক্রমণে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের প্রসঙ্গ টেনেছেন তৃণমূলনেত্রী। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বিজেপির এত বড় সাহস যে বলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বন্ধ করবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার মহিলাদের অধিকার। ৩ মাসের মধ্যে বিজেপিকে দেশ থেকে গুটিয়ে দেব। ইডি।সিবিআইকে যারা ভয় করে তারাই বিজেপি করে। বাংলায় NRC হবে না। CAA করতে দেব না।

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
রাজ্য

বিক্ষোভের মুখে অধীর চৌধুরী, ‘গো-ব্যাক’ শুনে সপাটে কষালেন চড়?

ফের নিজের খাসতালুকে বিক্ষোভের মুখে বহরমপুরের বিদায়ী সাংসদ তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি। এই লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী শনিবার খোশমেজাজেই প্রচারে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ ছন্দপতন। বহরমপুর গান্ধী কলোনি থেকে বিটি কলেজ মোড় পর্যন্ত মিছিলের সময় বাধার মুখে পড়েন তিনি। পাঁচ বারের সাংসদকে শুনতে হল গো-ব্যাক স্লোগান। তখনই মেজাজ হারালেন অধীর। সপাটে একজনকে চড় কষানোর অভিযোগ উঠেছে অধীরের বিরুদ্ধে।যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। পাল্টা স্বভাবসিদ্ধ রবিনহুড মেজাজে তিনি বলেছেন, তৃণমূলের চুল্লুখোররা আমাকে ডিস্টার্ব করছিল। প্রতিবাদ করেছি মাত্র। কিন্তু তৃণমূল ছাড়ার দল নয়। তারাও পাল্টা এলাকায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে। যার জেরে এলাকা উত্তপ্ত।এদিন ভোটারদের সঙ্গে জনসংযোগ চলাকালীন এলাকার তৃণমূল কর্মীরা তাঁকে গিরে গো-ব্যাক স্লোগান দিতে থাকেন। বিক্ষোভের জেরে আটকে প়ড়ে কংগ্রেস সাংসদের গাড়ি। গাড়ি থেকে নেমে পড়েন অধীর। তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। তখন এক তৃণমূল কর্মীকে হুমকি দিয়ে ধাক্কা মারেন অধীর। চড়ও মারেন। এই গন্ডগোলের খবর পেয়ে এলাকায় ছুটে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী।বিক্ষোভের মধ্যে থেকে কংগ্রেস প্রার্থীকে উদ্ধার করে পুলিশ। বিক্ষুব্ধদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এই ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে তারা। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, জনভিত্তি হারিয়ে মেজাজ হারাচ্ছেন অধীর চৌধুরি। অধীরকে গোটা ঘটনার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি তৃণমূলের। কেন কারও গায়ে অধীর হাত তুলবেন সে প্রশ্ন তুলেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।পাল্টা অধীরের দাবি, ছক কষে তাঁর প্রচারে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। বিক্ষোভকারীদের চুল্লুখোর বলে আক্রমণ করেছেন তিনি। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে পুলিশ সুপারকে ফোন করে অভিযোগ জানান অধীর। তিনি বলেন, তৃণমূল ওদের চুল্লুখোরদের দিয়ে আমার প্রচার আটকাবে, তা মানব কেন? নেশা করে গো ব্যাক বলবে, প্রতিবাদ তো করবই। আর সেটাই করেছি। চার দিকে সিসিটিভি আছে, দেখলেই প্রমাণ পাবেন, আদৌ গায়ে হাত দিয়েছি কি না।বহরমপুর পুরসভার চেয়ারম্যান নাড়ুগোপাল মুখোপাধ্যায় অধীরকে আক্রমণ করে বলেন, নিজের গড়ে তাঁর জনভিত্তি মাটিতে মিশে গেছে। তাই তিনি বার বার বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন এবং মেজাজ হারাচ্ছেন। এবার চড় মেরে সীমা ছাড়িয়েছেন।

এপ্রিল ১৩, ২০২৪
দেশ

বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে বাংলা থেকে ধৃত দুই, মুখ খুললেন মমতা

বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে দুই অভিযুক্তকে নিউ দিঘার পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থেকে এনআইএ গ্রেফতার করেছে। বাংলা থেকে জঙ্গি সন্দেহে দুজন গ্রেফতার হওয়া নিয়ে রাজ্য সরকারকে তুলোধনা করে ময়দানে বিরোধীরা। শাসকদল তৃণমূলকে নিশানা করে সোচ্চার শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, বিকাশ ভট্টাচার্যেরা। এবার এই ইস্যুতেই মুখ খুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে দুই সন্দেহভাজনকে কাঁথি থেকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। যদিও কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গেই এদিন যৌথ অপারেশন ছিল রাজ্য পুলিশও। এবিষয়ে শুক্রবার দিনহাটার নির্বাচনী সভা থেকে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বেঙ্গালুরুতে একটা বোমা ফেটেছিল। তারা কর্নাটকের বাসিন্দা। বাংলায় লুকিয়েছিল। ২ ঘণ্টার মধ্যে ধরে দিয়েছে রাজ্য পুলিশ। আবার বলছে বাংলা সেফ নয়। দিল্লি-উত্তর প্রদেশ সেফ? রাজস্থান, গুজরাত সেফ? বাংলার মানুষ শান্তিতে থাকুক বিজেপি এটা চায় না।উল্লেখ্য, বেঙ্গালুরুর রামেশ্বরম ক্যাফেতে বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুই সন্দেহভাজনকে কাঁথি থেকে গ্রেফতার করেছে NIA। বিভিন্ন সূত্র মারফত গত কয়েকদিন ধরে খবর পৌঁছেছিল তদন্তকারীদের কাছে। শেষমেশ অতর্কিতে অভিযান চালিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের সৈকতনগরী থেকে দুই সন্দেহভাজনকে NIA গ্রেফতার করেছে।দুজনকে ধরে দিতে পারলে ১০ লক্ষ টাকা করে পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল NIA-এর তরফে। এদিনের এই অভিযানে NIA-এর সঙ্গেই ছিল রাজ্য পুলিশও। যৌথভাবে এই অপারেশন চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে রাজ্য পুলিশের তরফে।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
রাজ্য

রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূলকে ভোট দেওয়ার আবেদন

ইদের মঞ্চে ভোটের বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকেই ভোট দেওয়ার বার্তা দলনেত্রীর। বৃহস্পতিার কলকাতার রেড রোডে ইদের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদায়ী সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে ওই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই এদিন তৃণমূলনেত্রী ফের একবার তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপিকে।বৃহস্পতিবার ইদের সকালে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে রেড রোডের অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছেন হয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে ফের একবার সিএএ, এনআরসি ইস্যুতে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ইস্যুতে তৃণমূলনেত্রী বলেন, CAA, NRC চাই না। আমরা কোনও ভেদাভেদ চাই না। সবাই মিলে একসঙ্গে থাকতে চাই। সবাইকে এককাট্টা হতে হবে। একাধিক এজেন্সিকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনের আগে ভয়ের আবহ তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার, এমনই অভিযোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তাঁর কথায় ,ভোটের আবহে ভয় দেখাতে চাইছে কেউ কেউ। ইডি, সিবিআই, আয়কর দফতর দিয়ে ভয় দেখাচ্ছে। সবাইকে জেলে ঢোকাতে চাইছে। ভোটের সময় বেছে বেছে মুসলিম লিডারদের ফোন করে বলছে কি চাই? আমাদের সঙ্গে বিজেপির লড়াই এখানে। তৃণমূল ছাড়া একটা ভোটও অন্য কোনও দলকে দেবেন না।এবারের লোকসভা নির্বাচনে ৪০০-র বেশি আসন পার করে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহ, জেপি নাড্ডারা। বিজেপির সেই লক্ষ্যকে কটাক্ষ করে এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো একুশের বিধানসভা ভোটের প্রসঙ্গ টেনে এদিন বলেন, বলেছিল এবার দুশো পার। সত্তরেই শেষ। এখন বলছে চারশো পার। আগে দুশো পার করে দেখাও।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
রাজনীতি

সুকান্ত, শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ মমতার, পাল্টা দিলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতি

শনিবার লোকসভা ভোটের প্রচারে বালুরঘাটের তপনে জনসভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বালুরঘাটের বিদায়ী সাংসদ তথা বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। ১০০ দিনের কাজ ও আবাস যোজনা প্রকল্পে কেন্দ্রের অর্থ আটকে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী দায়ী করেন সুকান্ত মজুমদার ও শুভেন্দু অধিকারীকে। মমতা বলেন, ওরা বাংলার গদ্দার, বাংলার কুলাঙ্গার। পাল্টা জবাব দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি।এ দিন জলপাইগুড়িতে ঝড়বিধ্বস্ত এলাকা প্রদর্শনে তাঁর যাওয়া ও বিরোধী বিজেপি নেতাদের না যাওয়া নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গেই সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে বাংলার টাকা কেন্দ্রীয় সরকারের আটকে রাখার প্রসঙ্গটি আসে। মমতা বলেন, আপনাদের এখানে ওই কুসান্তবাবু আছেন, আর ও দিকে আছে গদ্দার। এরা মনে করে, যা বলবে তা-ই করতে হবে। গায়ের জোরে চালাবে।এরপরই সুকান্ত মজুমদারের নাম ধরে চ্যালেঞ্জ ছোড়েন মমতা। বলেন, চ্যালেঞ্জ করছি সুকান্তবাবুকে। ভোট দেওয়ার আগে বলেননি আপনি আর গদ্দার? বাংলাকে ১০০ দিনের টাকা দেওয়া যাবে না? বাংলার বাড়ি দেওয়া যাবে না? রাস্তা দেওয়া যাবে না? কোনও দিন সারি-সারনা ধর্ম নিয়ে কথা বলেছেন দিল্লিতে গিয়ে? তারপরই মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, আপনারা বাংলার টাকা বন্ধ করেছেন, আপনারা বাংলার গদ্দার। আপনারা বাংলার কুলাঙ্গার। আপনারা বাংলার ভাল চান না। আপনারা উত্তরবঙ্গের ভাল চান না। আপনারা দক্ষিণবঙ্গেরও ভাল চান না।পরে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণের জবাব দেন সুকান্ত। বলেন, ইয়ে ডর হামে আচ্ছা লগা। বালুরঘাট কেন, উত্তরবঙ্গেও গত বারে যেমন শূন্য হাতে তৃণমূল ফিরেছিল, এ বারও শূন্য হাতে ফিরবে। কংগ্রেসও তাই। উনি ১০০ দিনের টাকার কথা বলছেন, আমি এখনও বলছি, উনি হিসাব দিন, সব টাকা কেন্দ্র দেবে। হিসাব না দিলে একটি টাকাও পাবে না। কারণ, নরেন্দ্র মোদীর শপথ, উনি চুরি করবেন না। কাউকে করতেও দেবেন না। উনি আমাকে কুসান্ত বলুন বা যতই খারাপ কথা বলুন। আমি কোনও খারাপ কথা বলব না। তার জবাবও দেব না। আমার পারিবারিক শিক্ষা তেমন নয়।সাম্প্রতিক ঝড়ে বাড়ি ভেঙে পড়া নিয়ে পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন সুকান্ত। বলেন, উনি বরং বলুন, এত বাড়ি ভেঙে পড়ল কেন? কেন এই মানুষজনকে উনি বাড়ি বানানোর টাকা পেতে দেননি।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 35
  • 36
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal