• ৩ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata Banerjee,

রাজ্য

'ইন্ডিয়া জিতবে, বিজেপি হারবে,' বেঙ্গালুরুতে মমতার বিরাট চ্যালেঞ্জ

পাটনার পর বেঙ্গালুরু। এরপর মুম্বাই। তারই মধ্যে বিজেপি বিরোধী মহাজোটের নাম ঠিক হয়ে গেল। ইউপিএ-র যাত্রা সমাপ্ত। এবার ইন্ডিয়ার যাত্রা শুরু হল। মঙ্গলবার বেঙ্গালুরুতে বিরোধীদের ২৬ দলের বৈঠকে ইন্ডিয়ায় শিলমোহর পড়ে। তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা, এই বৈঠক ফলপ্রসূ এবং গঠনমূলক হয়েছে। মমতা বলেন, আজ থেকে আমরা প্রকৃত চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। এই বৈঠকে ইউপিএ নাম বদলে হয়েছে ইন্ডিয়া। তা নিয়েও উচ্ছ্বসিত তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, দেশবাসী সংকটের মধ্যে আছেন। দলিত, সংখ্যালঘু, হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, মণিপুর, অরুণাচল, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, বাংলা, বিহার, মহারাষ্ট্র, সরকার বিক্রি আর সরকারকে কেনা এখন গভর্নমেন্টের (মোদী সরকারের) কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই জন্য আমরা সবাই মিলে, এক প্রকৃত চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি। যার সংক্ষিপ্ত নাম হল ইন্ডিয়া। আমাদের এই চ্যালেঞ্জ নিতে দাও, ইন্ডিয়া (ভারত)। এনডিএকে ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে? বিজেপি তুমি কি ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে? অন্যান্য লোকজন তোমরা কি ইন্ডিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে? আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসি। আমরা এই দেশের বাসিন্দা। আমরা আপনাদের জন্য।তৃণমূল সুপ্রিমোর সোজা কথা, ইন্ডিয়াকো বাঁচানা হ্যায়, দেশ কো বাঁচানা হ্যায়। ভাজপা (বিজেপি) তো দেশ বেচনে কা সওদাগিরি কর রহা হ্যায়। লোকতন্ত্র কো খরিদনে কা সওদাগিরি কর রহা হ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ, এই জন্যই মোদী সরকার কোনও প্রতিষ্ঠানকে এখন আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেয় না। তিনি বলেন, কোনও ব্যক্তি কোনও বিরোধীশাসিত রাজ্যকে সমর্থন করলেই পরদিন তার কাছে ইডি-সিবিআই চলে যায়। শুধু ৩৫৫ ধারা, ৩৫৬ ধারা জারি করার ভয় দেখায়। এবার ইন্ডিয়া জিতবে, বিজেপি হারবে। পরবর্তী বৈঠক হবে মহারাষ্ট্রে। সেখানে অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি থেকে অন্যান্য বিষয়গুলো দেখা হবে। মহারাষ্ট্রেই তৈরি হবে ১১ জনের কমিটি।

জুলাই ১৮, ২০২৩
দেশ

রাজ্যে প্রবল বিরোধিতা, ব্যাঙ্গালুরুতে এক মঞ্চে সোনিয়া-মমতা

২৬টি বিজেপি বিরোধী দলের মহাজোট বৈঠক শুরু হচ্ছে কিছুক্ষণ পরেই। ইতিমধ্যে ব্যাঙ্গালুরুতে হাজির হয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী, সাংসদ রাহুল গান্ধী, তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির হয়েছিলেন কর্ণাটকের উপমুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের কংগ্রেস প্রধান ডিকে শিবকুমার।বিহারের পর কর্ণাটক, দ্বিতীয়বার বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের বৈঠকে বসছে কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএমরা। এবার বৈঠকে থাকছে ২৬ বিরোধী দলের নেতৃত্ব। সোমবার বিকেলে বিরোধী দলগুলির সৌজন্য-বৈঠকও হয়। বৈঠক শেষে বিরোধী নেতানেত্রীদের নৈশভোজের আমন্ত্রণে সনিয়া গান্ধী। সনিয়ার ডাকা নৈশভোজে থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও ডেরেক ওব্রায়েন। কংগ্রেস, মোদি সরকারের অর্ডিন্যান্সের বিরোধিতার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বৈঠকে যোগ দিচ্ছে আপ-ও। পাটনায় বিজেপি বিরোধী জোটের প্রথম বৈঠকে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করার বার্তাই দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নীতীশ কুমাররা। এবারের মেগা বৈঠকের শেষে কী উঠে আসে, সেদিকেই নজর জাতীয় রাজনীতিতে। অবশ্য বৈঠক নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না বিরোধীরা। এদিকে, বাংলায় প্রবল সংঘাত থাকলেও বেঙ্গালুরুর বৈঠকে মমতা-অভিষেক সঙ্গে সনিয়া-রাহুলের এক মঞ্চে বসে আলোচনা ঘিরে প্রবল কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে বিজেপি শিবির। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, বৈঠকের কোনও ভবিষ্যৎ নেই। বারে বারে এই ধরনের বৈঠক করে বিজেপি বিরোধীরা। যারা যুক্ত হয়েছেন, তারা পরিবারকে বাঁচাতে চাইছে। সারদা মামলায় প্রত্যক্ষভাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিভাবে কতটা জড়িয়ে ছিলেন সেই সম্পর্কিত যাবতীয় নথি আমি আগামী দু-একদিনের মধ্যে সিবিআই এর ডাইরেক্টর এর কাছে পেশ করব। রাজনীতি বড়ই অদ্ভুত। কে কখন কার দিকে, কে কার প্রকৃত মিত্র, আর কে শত্রু, তা সহজে বুঝে ওঠা দায় ? কিন্তু প্রশ্ন হল, দ্বন্দ্বের মধ্যে দিয়ে বন্ধুত্ব রক্ষা কি আদৌ সম্ভব?

জুলাই ১৮, ২০২৩
রাজ্য

'তিহারে বসে বাপ-বেটি বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে, একই দশা হবে পিসি-ভাইপোর'- সুকান্ত

আপনাদের এখানকার বড় নেতা এখন দিল্লির তিহার জেলে বসে বেদের মেয়ে জোসনা সিনেমার গান গাইছেন জেলখানায় সম্বল, থালা বাটি কম্বল। এখন আবার বাপ বেটি পাশাপাশি বসে গাইছেন। অপেক্ষা করুন কয়েক মাস। পিসি আর ভাইপো একইভাবে সঙ্গে ওই গান করবেন। রবিবার বিকেলে বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ষাটপলসা মোরে জনসভায় এভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।এদিন সুকান্ত মজুমদার বলেন, আপনারা তৃণমূলের চোখে চোখ রেখে লড়াই করে যান। আমার কাছে খবর আছে আপনারা যখন দলীয় পতাকা বাঁধতে যাচ্ছিলেন তখন এই থানার ওসি বলেছিলেন গুলি চালিয়ে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি একজন কার্যকর্তার গায়ে গুলি চালান, হাইকোর্টে গিয়ে আপনার উর্দি খুলে দিতে না পারলে আমার নাম সুকান্ত মজুমদার নয়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জটিল মণ্ডলকে আক্রমণ করে বলেন, বালি পাচারের টাকা খাবেন। একটা অংশ পুলিশকে দেবেন আর আমাদের লোকেদের ধমকাবেন চমকাবেন এটা চলতে দেওয়া যাবে না। এখন বলছি শুধরে যান। মনে রাখবেন আপনাদের বড় বড় আইপিএসদের সিবিআই, ইডি ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। আপনি তো থানার ওসি। আপনাকে তুলে নিয়ে যেতে দুমিনিট সময় লাগবে না।অনুব্রত মণ্ডলকে কটাক্ষ করে সুকান্ত মজুমদার বলেন, আগে শুনতে পেতেন খেলা হবে। কিন্তু এখন শুনতে পান? আগে ওরা কথায় কথায় দিল্লি যেত। এখন দিল্লি যেতে বললে তারা বলে দিল্লি যাব না। আরও বড় বড় চোর রয়েছে। উপর তোলার চোরদের আমরা টাইট করব। নিছু তলার চোরদের আপনারা শায়েস্তা করুণ। আপনাদের বড় নেতা চরাম চরাম, পাঁচন, নকুলদানার দাওয়াই দিতেন। এখন শোনা যাচ্ছে বেদের মেয়ে জোসনার গান গাইছে। জেলখানা সম্বল, থানা বাটি কম্বল। আমরা দিল্লি গেলে শুনি। আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করুণ পিসি আর ভাইপো পাশাপাশি একই সঙ্গে বসে একই গান গাইবেন।নগর উন্নয়ন মন্ত্রী শনিবার বলেছিলেন ২৪ সালে আমারই সরকার গড়ব। সেই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে সুকান্ত বলেন, ২৪ সালে যদি তৃণমূল সরকার গড়ে তাহলে হাতিও জামা প্যান্ট পরে ঘুরবে। আর পারলে আমার বিরুদ্ধে সিবিআই লাগান। তবে বলে রাখি ভোটের দিন কাউকে বুথ লুঠ করতে দেবেন না। তাঁর জন্য ঝাণ্ডার সঙ্গে মোটা মোটা ডাণ্ডা রাখন। কেউ বুথ লুঠ করতে এলে শায়েস্তা করুণ। পুলিশ ধরে নিয়ে গেলে এক মাসের মধ্যে আপনার বাড়িতে পৌঁছে দেব।

জুলাই ০২, ২০২৩
রাজ্য

ভোটের মুখে কোচবিহারের সীমান্ত এলাকা উত্তপ্ত, গুলিতে ঝাঁঝরা- মৃত এক তৃণমূল কর্মী, জখম ৬

তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্তরবঙ্গ সফরের মধ্যেই উত্তপ্ত কোচবিহারের দিনহাটা। পঞ্চায়েত ভোটে প্রচার চলাকালীন কোচবিহারের গীতালদহের জারি ধরলা এলাকায় চলল নির্বাচারে গুলি। দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ১ জনের, জখম হয়েছেন ৬ জন। নিহতকে নিজেদের কর্মী বলে দাবি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই অপকর্ম করেছে। তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি। পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন পর্ব থেকে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে মোট ১১ জনের।গতকাল সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোচবিহারের চাঁদমারি থেকে পঞ্চায়েতের প্রচার শুরু করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে যে, সীমান্তবর্তী জারি ধরলা গ্রামে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে অশান্তি শুরু হয়। গীতালদহে এক তৃণমূল কর্মীর বাবু হক নামে এক তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় জখম হয়েছেন আরও ৭ জন।দিনহাটার তৃণমূল বিধায়ক উদয়ন গুহ বলেন, ওপার থেকে দুষ্কৃতীদের নিয়ে এসে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বিজেপি। বিজেপির কয়েক জন নেতা, মন্ত্রী বিভিন্ন রাজ্য এবং প্রতিবেশী দেশ থেকে দুষ্কৃতীদের এনে রাজ্যে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। জারি ধরলা এমন এলাকা যেখানে বিএসএফের নজর ছাড়া কিছু হওয়া সম্ভব নয়। তার পরেও এই ধরণের আক্রমণ হল। বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারে কাছে এ রকম ঘটনা ঘটল। বিএসএফ কী করছিল? কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ অধিকারীর বিরুদ্ধেও আঙুল তুলেছেন তিনি।কোচবিহারের বিজেপির জেলা সভাপতি সুকুমার রায় তৃণণূলের অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, দিনহাটার গীতালদহে জারি ধরলা এলাকা সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম। যেখানে প্রতিনিয়ত চোরাচালানের কারবার চলে। ওই জায়গায় আমাদের সংগঠন একেবারে নেই বললেই চলে। বর্তমানে কয়েক জন বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। বরাবরই ওই এলাকায় তৃণমূলের সংঘর্ষ লেগেই থাকে। খুনের পিছনে হয়ত কোনও চোরাচালান কারবারের যোগ থাকতে পারে বা এটা তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল হতে পারে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনও দিনহাটার ঘটনার দিকে নজর রেখেছে। রিপোর্ট তলব করেছে জেলা প্রশাসনের কাছে।

জুন ২৭, ২০২৩
রাজনীতি

দিল্লিতে দোস্তি, বাংলায় কুস্তি! মমতার বক্তব্যে জোট নিয়ে কিসের ইঙ্গিত?

জাতীয়স্তরে বিজেপি বিরোধী মহাজোট গড়তে উদ্যোগ নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মোদী সরকারকে উৎখাত করতে রাহুল, মমতা, নিতীশ, লালুপ্রসাদ, স্ট্যালিনরা বৈঠক করেন পাটনায়। ফের আগামী জুলাইতে বিরোধী দলগুলো বৈঠক করবে সিমলাতে। সর্বভারতীয় স্তরে যতই বিজেপি বিরোধী জোটের ঐক্য গড়ার উদ্যোগ হোক না কেন বাংলায় যে কংগ্রেস, সিপিএমকে তৃণমূল এক ছটাও জায়গা ছাড়তে নারাজ তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রচারমঞ্চকে বেছে নিলেন আগামী লোকসভা ভোটের ক্ষেত্র প্রস্তুতির কাজে। সোমবার কোচবিহারের জনসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে এল বিজেপি বিরোধী মহাজোটের প্রসঙ্গ। বাংলায় মহাজোটের সমীকরণ নিয়েও প্রসঙ্গ এল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, পঞ্চায়েত নির্বাচনের পরে, আগামী লোকসভায় বিজেপিকে আমরা পরাজিত করব এবং দেশে একটি উন্নয়নমুখী সরকার গড়ব। তবে, তাঁর চাঁচাছোলা বক্তব্য যে, দিল্লিতে আমাদের মহাজোট হবে। বাংলায় সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি জোট করেছে। ওদের পরাজিত করুন। এখানে আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ব। আমরা বিজেপি, সিপিএম এবং কংগ্রেসকে পরাজিত করব।শিক্ষক নিয়োগ থেকে আবাস কেলেঙ্কারি, তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি অভিযোগ। পঞ্চায়েত ভোটে যা নিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে পারে রাজ্যের শাসক শিবির। বিলক্ষণ জানেন দলনেত্রী। সমস্যা মোকাবিলায় তাই পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে নেমেই দুর্নীতি দূরীকরণের ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার কোচবিহারের প্রচার সভায় তাঁর প্রতিশ্রুতি, আমাদের দল তৃণমূল স্তরে আর দুর্নীতি হতে দেবে না।এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা পঞ্চায়েতকে তেমন গুরুত্ব দেইনি। এখন দেখছেন জনগণের মতামত চাওয়া হয়েছে। দুই মাস আগে মতামত চাওয়া হয়েছিল। কাউকে টাকা দেবেন না। আমরা চুরি হতে দেব না। কেউ টাকা চাইলে তার ছবি তুলে আমাকে পাঠান। আমরা এখন থেকে পঞ্চায়েত নিয়ন্ত্রণ করব। কাউকে চুরি করতে দেবেন না। আমরা জনগণের পঞ্চায়েত চাই।প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে মমতার দাবি, একজন কোটি কোটি টাকা নিয়ে রাশিয়া-আমেরিকা যাচ্ছেন। কিন্তু কেন্দ্র বাংলার একশ দিনের প্রকল্পের টাকা আটকে রেখেছে। বারবার অনুরোধ করেও টাকা দিচ্ছে না। কেন্দ্র একশ দিনের কাজের জন্য সাত হাজার কোটি টাকা দেয়নি। পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়যুক্ত হওয়ার পরে তৃণমূল সেই অর্থ আদায় করবে।একুশের বিধানসভা ভোটে শীতলকুচিতে গুলি চলেছিল। এবার পঞ্চায়েত ভোটে বিএসএফের কাজে বড় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, আমার কাছে তথ্য আছে যে কিছু বিএসএফ আধিকারিক সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করছেন, ভোটারদের হুমকি দিচ্ছেন এবং ভোট না দিতে বলছেন। আমি জনগণকে আতঙ্কিত না হয়ে নির্ভয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে বলছি। যদি বিএসএফ আপনাকে ভয় দেখায়, পুলিশকে খবর দিন। পুলিশ এফআইআর দায়ের করবে এবং আইন আইনের পথে চলবে।

জুন ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতের ভোটের মাঝেই দলীয় পদ ছাড়লেন তৃণমূল বিধায়ক সাহিত্যিক মনোরঞ্জন ব্যাপারী, ব্যাপক শোরগোল

দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচন কমিটির সদস্য, হুগলী জেলা (জোনাল ৬) ও সাধারণ সম্পাদক পশ্চিম বঙ্গ রাজ্য তৃণমুল কংগ্রেস কমিটি, উক্ত দুটি দলীয় পদ থেকে ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করলাম, বুধবার তিনি ফেসবুকে ঘোষণা করেন।মনোরঞ্জন ব্যাপারী লিখেছেন, বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দেবার ইচ্ছা ছিল যেহেতু আগে আমি একটি চাকরি করতাম, নির্বাচনে দাঁড়াবার জন্য সেটি ছাড়তে হয়েছিল। দু বছরের অধিক সময় হয়ে গেল পঞ্চাশ বার ছোটাছুটি করেও যার পেনশন ও গ্রাচুইটির কিছু পাইনি, তাই এই মুহূর্তে বিধায়ক পদ ছাড়তে পারছি না। তা হলে খাবো কী? যেদিন পেনশন পেতে আরম্ভ করব এই পদ থেকেও সরে দাঁড়াব।তাঁর কথায়, এতদিনে বুঝতে পেরেছি এই রাজনীতি আমার মতো মানুষের জন্য নয়।

জুন ২১, ২০২৩
রাজ্য

মনোনয়নের পঞ্চম দিনেও ভাঙড়-ক্যানিংয়ে মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা, নবান্নে ছুটলেন নওশাদ

মঙ্গলবারের পর ফের বুধবার। ফের অশান্ত দক্ষিণ ২৪ পরগ নার ভাঙড় ও ক্যানিং। মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এই দুই এলাকা। বুধবারও একই চিত্র দেখা যায়। মুড়ি-মুড়কির মতো বোমাবাজি, বাঁশ-ডান্ডা নিয়ে পুলিশকে তাড়া করে দুষ্কৃতীরা। আক্রমণ হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের ওপর। লাঠিচার্জ করে এলাকা শান্ত করার চেষ্টা করে পুলিশ।প্রসঙ্গত, ক্যানিংয়ে মঙ্গলবার ব্যাপক অশান্তি হয় মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে। বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বাঁশ-লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়, বোমাবাজি করে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানো হয়। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ এবং প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল দলের তরফ থেকে ক্যানিংয়ে যান। তাঁরা দলীয় প্রার্থীদের সুরক্ষার আশ্বাস দিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে নিয়ে যান।কিন্তু বুধবারও একই চিত্র ক্যানিংয়ে। মনোনয়ন জমা দিতে বেরিয়ে দুষ্কৃতী হামলার আশঙ্কায় রাস্তা অবরোধ তৃণমূলের। আর তা নিয়ে চড়ছে পারদ। ক্যানিং এক নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি শৈবাল লাহিড়ির নেতৃত্বে আজ মনোনয়ন জমা কর্মসূচি রয়েছে শাসক শিবিরের। তৃণমূলের ব্লক সভাপতির অভিযোগ, তাঁদের যাওয়ার পথে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রচুর দুষ্কৃতী জড়ো হয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে তৃণমূল প্রার্থীদের ওপর হামলা চালাতে পারে তারা। এমনকি তাঁকে খুন করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি। এই পরিস্থিতিতে ব্লক সভাপতির নেতৃত্বে ক্যানিং হাসপাতাল মোড় অবরোধ করে রেখেছে তৃণমূলের হাজারখানেক কর্মী সমর্থক। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দাপটে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা হয় ক্যানিংয়ে।এদিকে, জমায়েত সরাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বাধে এলাকায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বাঁশ-ডান্ডা নিয়ে পুলিশের দিকে তাড়া করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে এলাকা শান্ত করা হয়।এদিকে বুধবারও উত্তপ্ত ছিল ভাঙড়-এক বিডিও অফিস চত্বর। বাঁশ, লাঠি হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে থাকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। কেউ কেউ জানিয়ে দেয় আজ আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে দেব না। ভাঙড়ে এদিনও বোমাবাজি হয়। ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী এদিন নবান্নে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে। আইএসএফকে প্রার্থী দিতে তৃণমূল বাধা দিচ্ছে বলে নওশাদ অভিযোগ করেছেন।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজ্য

পুরসভা-নগরোন্নয়ন দফতরে সিবিআই, করমন্ডলের দুর্ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিষ্ফোরক মমতা

রেল দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্ত শুরু হওয়ার পরের দিনই রাজ্যের ১৪টি পুরসভা ও সল্টলেকের নগরোন্নয়ন দফতরে হানা দেয় সিবিআই। বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে করমন্ডল এক্সপ্রেসে নিহতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সাহায্য দেয় রাজ্য সরকার। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন সিবিআই তদন্ত নিয়ে। করমন্ডল এক্সপ্রেসে সিবিআই তদন্ত প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এতবড় ঘটনা কী করে ধামাচাপা দেওয়া যায় তার প্রচেষ্টা চলছে। কেন দুর্ঘটনা ঘটল, কেন এত লোক মারা গেল? ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সঠিক তদন্ত হল না। কোনও এভিডেন্স নেই। এদিকে সিবিআই নগরোন্নয়ন দফতরে ঢুকে গেছে। এখন কি বাথরুমেও ঢুকবে? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এসব করে ধামচাপা দেওয়া যাবে না। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে চাঁদের চূড়ান্ত শাস্তি হোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সি কর্পোরেশনে জল,কল দেখতে গেলে আগামী দিন কিন্তু ভয়ঙ্কর হবে, হুঁশিয়ার দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, টাকা দয়া করে দিচ্ছেন না। আমরা ১৫ লক্ষ টাকা দিতাম। আমরা এক্সট্রা করছি(রাজ্য সরকার)।

জুন ০৭, ২০২৩
দেশ

করমন্ডল দুর্ঘটনা: 'কিছু একটা ঘটেছে নিশ্চয়ই', মৃত্যুর সংখ্যা ৫০০! সংশয় মমতার

বালেশ্বরে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৮। আহতের সংখ্যা সাড়ে ছশোরও বেশি। যদিও বেসরকারি ভাবে মৃতের সংখ্য়া আরও বেশি বলে দাবি করা হচ্ছে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ও মনে করেন প্রায় ৫০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এই ভয়ানক রেল দুর্ঘটনায়।করমণ্ডল এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন বাংলার বহু মানুষ, আহত হয়েছেন অনেকে। শুক্রবার রাত পেরিয়ে শনিবার দিনভর উদ্ধারকাজ চলছে। পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে শনিবার সকালে বালেশ্বরে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্ধারকারী দলের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে রেল-বাজেট নিয়ে ক্ষোভের কথাও উগরে দিলেন মমতা।শনিবার হেলিকপ্টারে চেপে বালেশ্বরের দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উদ্ধারকাজ খতিয়ে দেখে তিনি কথা বলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যে যে রাজ্যের মানুষ মারা গিয়েছেন সেই রাজ্যের সরকার মৃতদের পরিবারকে সাহায্য করবেন। আমরাও মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা দেব। ওড়িশা সরকার ও রেলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে আমরাও কাজ করছি।রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার সময় এদিন কেন্দ্রীয় রেল বাজেট না হওয়া নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কিছু একটা ঘটেছে নিশ্চয়ই। ভালো করে তদন্ত করতে হবে। আমি তো শুনছি সংখ্যাটা ৫০০ (সম্ভবত মৃতের সংখ্যা বোঝাতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী)। রেলকেই বিশেষভাবে গোটা বিষয়টি দেখতে হবে। এখন তো রেলের বাজেটও হয় না। মুখ্যমন্ত্রী যখন এই কথাগুলো বলছেন তখন তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে তা শুনছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, এখনও পর্যন্ত ২৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশঙ্কা, সংখ্যাটা আও বাড়তে পারে।শুক্রবার সন্ধা রাতে ওড়িশার বালেশ্বরে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে আপ শালিমার-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস। এরাজ্যের বহু মানুষ দুর্ঘটনাগ্রস্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সওয়ারি ছিলেন। রাজ্যের তরফে হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছেন, নবান্নের তরফে ওডিশা সরকার এবং দক্ষিণ পূর্ব রেলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। যে নম্বরগুলি চালু করা হয়েছে সেগুলি হল, 033- 22143526/ 22535185. এছাড়া অন্য হেল্পলাইন নম্বরগুলি হল, হাওড়া ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য 033 2638 2217, খড়গপুর ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর হল 8972073925/9332392339, বালাসোর ডিভিশনের জন্য হেল্পলাইন নম্বর 8249591559/ 7978418322 এবং শালিমার ডিভিশনের জন্য 9903370746। বিপদগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, যার নম্বর হল 6782262286।

জুন ০৩, ২০২৩
রাজনীতি

তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচি আটকাতেই অভিষেককে তলব, দাবি মমতার

সিবিআইয়ের তলবে নবজোয়ার কর্মসূচি ছেড়ে কলকাতামুখী হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর ফলে বাঁকুড়ার পাত্রসায়রে নবজোয়ার কর্মসূচিতে ভার্চুয়াল ভাষণ দিলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর দাবি, অভিষেককে বিজেপি ভয় পায়, তাই নবজোয়ার কর্মসূচি আটকাতেই ওকে ডাকা হয়েছে। কিন্তু অভিষেককে ডেকে নবজোয়ার যাত্রা বন্ধ করা যাবে না।বিজেপি ও কেন্দ্রীয় সরকারকে নিশানা করেছেন মমতা{ তিনি বলেন, সিবিআই, ইডি তৃণমূলকে ভয় পায়। অভিষেককে বিজেপি ভয় পায়। নবজোয়ার কর্মসূচি বন্ধ করার চেষ্টা করছে বিজেপি। কিন্তু অভিষেককে তর্জন, গর্জন করে আটানোর চেষ্টা করে কিছু করতে পারবে না। তৃণমূল কংগ্রেস শুধু জনগণের পরিবার। তারপরেই তৃণমূল নেত্রী বলেন, বিজেপিকে দেশ থেকে না তাডা়নো পর্যন্ত লড়াই থামাব না। তৃণমূল বিজেপির কাছে মাথা নত করবে না। অভিষেককে আটকালে আমি নবজোয়ারে যাব। এত মার খেয়েও আমি এখনও যা করতে পারি, বিজেপির ট্রাবল ইঞ্জিন তা করতে পারে না। বিজেপি নেতারা আমার দল, আমার পরিবারের পিছনে লেগে আছে। মমতার কথায়, একটা ছেলে ২৫ দিন ধরে বাইরে। ঠিক করে খাওয়া, ঘুম হয়নি।শিক্ষক নিয়োগ মামলায় কুন্তল ঘোষের চিঠির জেরে শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করে নোটিস দিয়েছে সিবিআই। শনিবার সকাল ১১ টায় নিজাম প্যালেসে তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মে ১৯, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

দিদির সঙ্গে দেখা করতে কালীঘাটে বলিউডের বজরঙ্গী ভাইজান

ফ্যাকাসে আকাশী রঙের হাফ হাতা শার্ট। হাতের বাইসেপ ফোলানো চেনা দৃশ্য। নীল জিনসের ট্রাউজার। দোখে রোদ চশমা। বাহাতে গোল্ডেন ঘড়ি। ডানহাতে রিস্টবেল্ট। হাতজোর করে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। কালীঘাটে ভাইজানের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। ১৩ বছর পরে কলকাতায় এলেন সলমন খান। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে রয়েছে ধামাকা। তার আগে দিদির সঙ্গে দেখা করতে কালীঘাটে যান সলমন খান। বেশ কিছুক্ষণ ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে।কলকাতায় এলে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে কালীঘাটে যাবেন আগে থেকেই ঘোষিত কর্মসূচি ছিল বলিউড সুপারস্টারের। তাঁকে দেখার জন্য সলমন ফ্যানেরা ভিড় জমিয়েছিলেন রাস্তার দুধারে। কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল ভাইজানের জন্য। সলমন খানের নিরাপত্তা নিয়ে মমতা চিন্তিত বলে জানিয়ে দেন। গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দল তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছে। এদিকে গত বছর ২৯ জুন পঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা খুন হন। তারপর থেকে টেনশন বাড়তে থাকে। আসতে থাকে খুনের হুমকি।

মে ১৩, ২০২৩
রাজনীতি

বঙ্গে কেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ? কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার রাতে দমদমে নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। অমিত শাহর রাজ্য সফর নিয়ে গতকাল নবান্নে কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগে মনিপুর যাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মনিপুরে সংঘর্ষে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির পর বাড়িতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মনিপুর জুড়ে ১৪৪ কার্ফু জারি রয়েছে। সেই মনিপুর ছেড়ে বাংলায় কেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ? প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, অমিত শাহ বাংলায় আসতেই পারেন। তাতে মনে করার কিছু নেই। কিন্তু আগে মনিপুরে নয় কেন? যে রাজ্য হিংসায় জ্বলছে। বাংলায় কিছু ঘটলে পরের দিনই তো প্রতিনিধি পাঠিয়ে দেন।মঙ্গলবার একাধিক কর্মসূচি রয়েছে অমিত শাহর। ভারত-বাংলাদেশ পেট্রোপল সীমান্তে সরকারি অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে অমিত শাহ যাবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। এদিন বিকেলে সায়েন্স সিটির মঞ্চে খোলা হাওয়া আয়োজিত রবীন্দ্র স্মরণ অনুষ্ঠানেও হাজির থাকবেন অমিত শাহ। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপিকে বহিরাগত তকমা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে। সেই তকমা ঘোচাতেই বিজেপির রবীন্দ্র স্মরণ। বিজেপি যে বাঙালি বিদ্বেষী নয় তা বোঝাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির।

মে ০৯, ২০২৩
রাজ্য

কেন বাংলায় নিষিদ্ধ ‘দ্য কেরালা স্টোরি’? কি বলছেন মুখ্যমন্ত্রী ও সংঘ পরিবার?

বাংলায় দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ করেছে রাজ্য সরকার। নিষিদ্ধ ঘোষণার আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে দ্য কেরালা স্টোরি তৈরি করে বিজেপি উদ্দেশ্য প্রণোদিত উসকানি দিচ্ছে। দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ করতে মুখ্যসচিবকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের শান্তি সৌহার্দ্য বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে খবর। যদিও বিজেপি ও হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, সংখ্যালঘু তোষণ করতেই দ্য কেরালা স্টোরি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়।সোমবার নবান্নে দ্য কেরালা স্টোরি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আগেই অস্বস্তি ব্যক্ত করেন। মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় এই সিনেমা নিয়ে বিজেপিকে নিশানা করেন। মমতার দাবি, ওরা বিভাজনের রাজনীতি করছে। কেন দ্য কাশ্মীর ফাইলস বানালো ওরা? এক শ্রেণীর মানুষকে কটাক্ষ করার জন্য। এখন কেরালা স্টোরি বানিয়েছে। ওটা সিপিএম-এর রাজ্য। আমি ওদের একেবারেই সমর্থন করি না। ওরা বিজেপি-র সঙ্গে চলছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, বিজেপি মনোনীত কিছু তারকা তো বাংলাতেও এসেছিলেন। তাদের টাকা দেয় বিজেপি। তথ্য বিকৃত করে তারা নাকি বেঙ্গল ফাইলস নামে একটি ছবি বানাচ্ছে। আগে কাশ্মীর ফাইলস, তারপর দ্য় কেরল স্টোরি, এবার বাংলার মানুষদের তাতাতে বেঙ্গল ফাইলস তৈরি করা হচ্ছে। এভাবে বাংলাকেও অপমান করার চেষ্টা করছে। ওরা বলছে, সেভ বেঙ্গল। কেন? শান্তিপ্রিয় একটা রাজ্য বাংলা। বিজেপি ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে কেন?তবে মুখ্য়মন্ত্রীর সিনেমা নিষিদ্ধ ঘোষণার পর বিজেপি ও সংঘ পরিবার একযোগে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে। দ্য কেরালা স্টোরির বাঙালি পরিচালক সুদীপ্ত সেন আদালতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী আইসিসকে সমর্থন করছেন। তিনি সন্ত্রাসবাদীদের পক্ষে সমর্থন করছেন। আরএসএস ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি, সত্যি ঘটনাকে আড়াল করতে চাইছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক টিকিয়ে রাখতেই এই পদক্ষেপ। বাঙালি হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন নিয়ে সিনেমা হওয়া উচিত বলেও মনে করে সংঘ পরিবার। পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য সাংগঠনিক পর্যায়ে বৈঠক করছে আরএসস ও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

মে ০৯, ২০২৩
কলকাতা

পোষ্যকে হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে ঘাম ঝড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভিডিও ভাইরাল

ট্রেডমিলে হাঁটতে হাঁটতে বাজেট তৈরির কথা আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যখন তিনি হাঁটার সময় পান না তখন ট্রেডমিলেই সেই কাজ সেরে নেন। রবিবার ছুটির দিনে ইনস্টাতে ট্রেড মিলে হাঁটার ভিডিও পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে পোষ্যকে হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে ঘাম ঝড়াচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। কয়েক সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তাঁর হাতে মিষ্টি দেখতে একটি লোমশ বিদেশি কুকুর রয়েছে। সেই কুকুরটি হাতে নিয়েই ট্রেডমিলে হাঁটছেন মমতা। অবাক পানে তাকিয়ে রয়েছে কুকুরটি। সে কোনও দুষ্টমি করছে না।বাংলার মুখ্যমন্ত্রী যখন মিছিলে হাঁটেন তখন তাঁর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পারেন না নেতা-নেত্রীরাও। এমনকী তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরাও প্রায় ছুটতে থাকেন। যখন বাইরে হাঁটার সময় পান না তখন ট্রেড মিলেই হাঁটা সেরে নেন তিনি। এবার ট্রেডমিলে মুখ্যমন্ত্রীর হাতে ওই মিষ্টি পোষ্যকে দেখে নেটিজেনরা মজার মজার মন্তব্য করেছেন।

মে ০৭, ২০২৩
রাজ্য

“অমর্ত্য সেনের বাড়িতে হাত দিলে আমি যা দেব না”, হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রীর, প্রতিবাদ মিছিল শান্তুনিকেতনে

জমি ইস্যুতে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য় সেনের পাশে যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় রয়েছেন তা ফের ঘোষণা করে জানিয়ে দিলেন। আন্দোলনে নামার নির্দেশও দিয়ে গেলেন তিনি। অমর্ত্য সেনের বাড়িতে হাত দিলে আমি যা দেব না, আমায় চেনে না। মালদা থেকে ট্রেনে কলকাতা ফেরার পথে বোলপুর ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে এভাবেই হুঁশিয়ারি দিয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন মহিলাদের সামনে রেখে আন্দোলনে শামিল হতে। বঙ্গজননী ও পড়ুয়াদের সামনে রেখে আন্দোলনে করতে নির্দেশ দেন তিনি।ঘোষণা মতো শুক্রবার রবীন্দ্রভূমীতে রক্তকরবী মঞ্চস্থের মধ্য দিয়ে ভারতরত্ন অমর্ত্য সেনকে অমর্যাদার জন্য প্রতিবাদ জানানো হয়। কলকাতা থেকে চিত্রপরিচালক গৌতম হালাদার, অভিনেত্রী চৈতী ঘোষ সহ অনান্য শিল্পীর রক্তকরবী মঞ্চস্থ করে প্রতিবাদে শামিল হয়। শান্তিনিকেতন এখন যক্ষপুরী হয়ছে বলে দাবি করছেন শিল্পীরা।নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদের হুঁশিয়ারি, মানববন্ধন ও নাটকের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ হয় শান্তিনিকেতনে। এদিন প্রতীচী বাড়ি সংলগ্ন মোড় থেকে বিশ্বভারতীর সমবায় ব্যাঙ্ক পর্যন্ত পদযাত্রা করেন সামাজিক মর্যাদা রক্ষা কমিটি। পরে রাস্তার উপর রক্তকরবী নাটক পরিবেশন করে প্রদিবাদ করেন শিল্পীরা৷এদিকে ফের বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা আদালতকে মর্যাদা দিই। ম্যাজিস্ট্রেট অমর্ত্য সেনের প্রতীচী বাড়ির সামনে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। তা এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। সেই ধারা লঙ্ঘন করে কি করে এত মানুষ জমায়েত হয়ে কর্মসূচি করতে পারে? আইন কি শুধু বিশ্বভারতীর জন্যই?নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ১৩ ডেসিমেল জমি দখল করে রেখেছেন। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের এই অভিযোগ নিয়ে নিন্দার ঝড় ওঠে সর্বস্তরে। তবে প্রয়াত পিতা আশুতোষ সেনের উইল অনুযায়ী উত্তরাধিকার সূত্রে জমি তাঁরই, দাবি করেন অমর্ত্য সেন। ইতিমধ্যেই এই মর্মে সিউড়ি জেলা আদালত ও কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধ্যাপক সেন। হাইকোর্ট বিশ্বভারতীর জমি খালি করার নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে।কিন্তু, দিনের পর দিন বিশ্ব বরেণ্য ভারতরত্ন অমর্ত্য সেনকে জমি দখলকারী, জমি কব্জাকারী প্রভৃতি শব্দে বলে এক প্রকার হেনস্থা ও অবমাননা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই মর্মে অমর্ত্য সেনের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের ভূমিকার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বিভিন্ন সংগঠনের মানুষজন।শুক্রবার অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদের হুঁশিয়ারির প্রতিবাদে প্রতীচী বাড়ি সংলগ্ন শিক্ষাভবন মোড় থেকে পদযাত্রা করেন সামাজিক মর্যাদা রক্ষা কমিটি। কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে নাট্যকর্মী, সমাজকর্মী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, শিক্ষাবিদেরা অংশ নেন মানববন্ধন কর্মসূচিতে। প্রতিবাদ মিছিলে হাজির ছিলেন শান্তিনিকেতনের আশ্রমিকেরাও। উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা দিয়ে মিছিল শেষ হয় বিশ্বভারতীর সমবায় ব্যাঙ্কের কাছে৷ সেখানে রাস্তার উপর রক্তকরবী নাটক মঞ্চস্থ করে প্রতিবাদ করেন নাট্যকর্মীরা।

মে ০৬, ২০২৩
রাজ্য

বর্ধমানের জেলাশসক ও পুলিশ সুপারকে আমের প্যাকেট উপহার দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

মালদা যাওয়ার সময় বর্ধমান স্টেশনে ট্রেন দাঁড়ানোয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে বহু মানুষ ভিড় করেছিলেন। প্রশাসনিক বৈঠক ও দলীয় সভা করতে মালদা গিয়েছিলেন তিনি। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ফেরার পথে বর্ধমান স্টেশনে ফের একই ভিড় চোখে পড়ল। তবে এবার বিশেষ ঘটনার সাক্ষী থাকল উপস্থিতি মানুষজন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় আম ভর্তি প্যাকেট উপহার দিলেন পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা ও পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেনকে। হাজির ছিলেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।শুক্রবার ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চড়ে মালদা থেকে কলকাতায় ফিরছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিকেল ৫টার পর কাঞ্চনজঙ্ঘা বর্ধমান স্টেশনের পাঁচ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়ায়। মুখ্য়মন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ, জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা ও পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ট্রেনের কামরা থেকে বেরিয়ে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারের হাতে আম ভর্তি প্যাকেট ও তোয়ালে উপহার দেন। মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে জেলার উন্নয়ন নিয়ে একগুচ্ছ দায়িত্ব দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বপন দেবনাথ বলেন, মুখমন্ত্রী আমার সঙ্গে জেলার উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেছেন। ৫ টা ১৩ মিনিটে ডাউন কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস বর্ধমান স্টেশন ছেড়ে চলে যায়।

মে ০৫, ২০২৩
রাজনীতি

দিল্লিতে 'নিখোঁজ' মুকুল শেষমেশ রাতে ধরা দিলেন, জানালেন তিনি বিজেপিতেই রয়েছেন

মুকুল রায় নাকি নিখোঁজ? বাবাকে কোন দুজন যুবক সল্টলেকের বাড়ি থেকে এয়ারপোর্টে নিয়ে গিয়েছে। রীতমতো এয়ারপোর্ট অথরিটি, এয়ারপোর্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু রায়। এমনকী বীজপুর থানায়ও অভিযোগ দায়ের করে শুভ্রাংশু। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ দিল্লিও চলে গিয়েছে মুকুল রায়ের খোঁজ করতে। কিন্তু রাতেই সংবাদ মাধ্যমে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি স্বেচ্ছায় দিল্লি এসেছেন। কেউ তাঁকে জোর করেনি। তাঁর সঙ্গে শুভ্রাংশুর সঙ্গে কথা হয়েছে।গতকাল রাতে মুকুল রায় দুজন সঙ্গীকে নিয়ে দিল্লিতে যাওয়ার পর থেকে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড় হয়ে যায়। প্রথম দফায় মুকুল নিখোঁজ বলে তোলপাড় হয়ে যায় শুভ্রাংশুর বক্তব্যের পর। তারপর গতকাল রাতেই দিল্লি বিমানবন্দরে দেখা মেলে মুকুল রায়ের। তিনি দিল্লিতে কয়েক দিন থাকবেন বলেও প্রতিক্রিয়ায় জানিয়ে দেন। পরবর্তীতে মঙ্গলবার সারা দিন মুকুলের কোনও খোঁজ মেলেনি। তারই মধ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা ফেসবুক পোস্ট করেন প্রত্যাবর্তন। ফের হইচই শুরু হয়ে যায় এই পোস্টকে কেন্দ্র করে।শেষমেশ রাতে এক সংবাদ মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মুকুল রায় জানিয়ে দেন, তিনি বিজেপিতে থেকেই রাজনীতি করবেন। শুভ্রাংশুর বিজেপিত যোগদান করা উচিত। কোনও দিন আমি তৃণমূল করিনি। ১০০ শতাংশ নিশ্চিত তৃণমূল আর করব না। মুকুলের এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আশার পর ফের শোরগোল পরে যায় রাজনৈতিক মহলে। সেভাবে আর মুকুলের প্রতিক্রিয়ার জবাব দিতে পারেননি পুত্র শুভ্রংশু। এখন দেখার বিষয় ফের কি গেরুয়া উত্তরীয় গলায় পরতে চলেছেন মুকুল? এই চর্চাই চলছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস আর জাতীয় নয়, উঠে এল কেজরিওয়ালের আপ

৭ বছরেই শেষ জাতীয় দলের মর্যাদা। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস এবার আঞ্চলিক দলে পরিণত হয়েছে। সোমবার এই খবর জানিয়ে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন, তার আগেই চলে গেল সর্বভারতীয় তকমা। জাতীয় দলের মর্যাদা চলে গিয়েছে এনসিপি ও সিপিআইয়ের। অন্য দিকে আম আদমি পার্টি জাতীয় দলের স্বীকৃতি পেল। দিল্লি ও পঞ্জাবে রয়েছে আপের সরকার। গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচনে লড়তে গিয়ে কুপোকাৎ হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে তো চোখের জল নাকের জল এক করে ফেলেছে তৃণমূল। সেখানে নোটার থেকেও কম ভোট পয়েছে মমতার দল। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে জাতীয় দল হিসাবে তাদের মর্যাদা কেন কেড়ে নেওয়া হবে না? গত বছর জুলাইয়ে তৃণমূল, এনসিপি এবং সিপিআইকে চিঠি পাঠিয়ে জবাবদিহি চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন।কীভাবে জাতীয় দলের মর্যাদা পাওয়া যায়?প্রথমত, লোকসভা নির্বাচনে কোনও দলকে অন্তত তিনটি রাজ্য থেকে ভোটে লড়তে হবে ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলিতে মোট লোকসভা আসনের ২ শতাংশ আসনে জিততে হবে।দ্বিতীয়ত, লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচনে অন্তত ৪টি রাজ্যে ৬ শতাংশ করে ভোট পেতেই হবে ও এক বা তার বেশি রাজ্যে ৪টি লোকসভা আসন পেতে হবে।তৃতীয়ত, ৪টি বা তার বেশি রাজ্যে রাজ্য দলের তকমা থাকতে হবে দলের কাছে। এই তিন শর্তের যে কোনও একটি পূরণ করলেই জাতীয় দলের তকমা পাওয়া যায়।উল্লেখ্য, উপরোক্ত তিনটে শর্তের কোনওটি পূরন করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক মহলের আশঙ্কা মেঘালয়ের পাঁচ তৃণমূল বিধায়কের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তৃণমূলের জাতীয় দলের মর্যাদা চলে যেতেই বঙ্গ বিজেপি রেরে করে উঠেছে।

এপ্রিল ১০, ২০২৩
রাজ্য

‘হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী?’ আক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রীর

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতিতে চাকরি বাতিলের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। তবে পর পর চাকরি বাতিলের ঘোষণায় উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার আলিপুর আদালতের একটি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, কথায় কথায় লোকের চাকরি খাবেন না। কালও দুজন আত্মহত্যা করেছেন। হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী? এটা রাজনীতির বিষয় নয়। দয়া করে রাজ্যের বদনাম করবেন না।বেআইনি নিয়োগের কারণে সম্প্রতি ৮৮৪ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তার আগে একই কারণে গ্রুপ ডি এবং শিক্ষক পদেও চাকরি হারাতে হয়েছে অনেককে। সদ্য প্রকাশিত শিক্ষা দফতরের ওএমআর শিটে নম্বরের মহিমা যে কাউকে অবাক করতে বাধ্য। ০, ১, ২ নম্বর পাওয়া পরিক্ষার্থীদের নম্বর বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫৪, ৫৫, ৫৬। সাদা চোখেই ধরা পড়েছে সীমাহীন দুর্নীতি। তবে চাকরি চলে যাওয়ায় মুখ্যমন্ত্রী আবেগ তাড়িত হয়ে পড়েছেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, এখন রোজ কথায় কথায় ৩ হাজার চাকরি বাদ, ৪ হাজার চাকরি বাদ। নীচুতলার কেউ অন্যায় করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব, এটা আমার চিরকালের স্বভাব। তবে কালও দুজন আত্মহত্যা করেছেন। কেউ ভুল করলে তার দায় তাঁরা নেবেন কেন? হঠাৎ করে চাকরি চলে গেলে সে খাবে কী? যাঁরা অন্যায় করেছে অ্যাকশন নিন। আমার কোনও দয়া নেই তাঁদের জন্য।এমনকী চাকরি বাতিল হওয়াদের ফের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর যুক্তি, ছেলেমেয়েদের সুযোগ দিন। দরকার হলে তাঁদের পরীক্ষা নিন। আদালত যেটা বলবে সেটা আমরা করব। দয়া করে চাকরি খাবেন না। এটা আমার মনের ভাবনা। কথায় কথায় লোকের চাকরি খাবেন না। এটা রাজনীতির বিষয় নয়। অন্য রাজ্যে তো এটা হচ্ছে না। এরাজ্যে কেন হচ্ছে? আমাকে দুবেলা গালাগালি দিন। দরকার হলে মারুন। দয়া করে রাজ্যটার বদনাম করবেন না। তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতায় এসে একটা সিপিএম ক্যাডারেরও চাকরি খাইনি। তোমরা কেন খাচ্ছ? দেওয়ার ক্ষমতা নেই, কাড়ছ কেন?

মার্চ ১৪, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের বাজেট ভাষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি, এক বছরেই উলোট-পূরাণ

রাজ্যপাল হায় হায় বলে স্লোগান দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের দেওয়া লিখিত ভাষণ পাঠ করা নিয়েই যাবতীয় বিতর্কের সূত্রপাত। রাজ্যপালের ভাষণ চলাকালীন চোর ধরো জেল ভরো স্লাগান দিতে থাকেন বিজেপি বিধায়করা। ছিঁড়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালের ভাষণের কপি। ওয়াকআউট করে বিজেপি বিধায়করা। এমনকী রাজ্যপাল বিধানসভা চত্বরে গাড়িতে ওঠার সময়ও গেরুয়া শিবিরের বিধায়করা স্লোগান দিতে থাকেন।এর আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সময় বিপরীত দৃশ্য দেখা যেত। তখন রাজ্যপালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাত তৃণমূলের মন্ত্রী-বিধায়করা, এখন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বিজেপি বিধায়করা। একেবারেই উলোট-পূরাণ।গতবছর ২০২২ রাজ্য বাজেট অধিবেশনে তৎকালীন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় ভাষণ না পাঠ করেই বিধানসভার কক্ষ ত্যাগ করছিলেন। তখন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শশী পাঁজা, শিউলি সাহারা ঘেরাও করে ফেলেছিলেন ধনকড়কে। কোনওরকম ভাবে নামকা ওয়াস্তে রাজ্য সরকারের লিখিত ভাষণ পাঠ করে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর চোখের ইশারায় তৃণমূলের মহিলা বিধায়করা এমন কান্ড ঘটিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এখন বিজেপির স্লোগান-বিক্ষোভের সমালোচনা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপাল বদলে যেতেই বদলে গেল বিধানসভার পরিস্থিতি। এমনকী রাজভবনকে তৃণমূল বলত বিজেপির সদর দফতর। এখন পরিস্থিতির অনেকটাই বদল ঘটেছে। জগদীপ ধনকড় রাজ্যপালের পদ ছেড়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে ভোটই দেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস।২৬ জানুয়ারি সাধারণতন্ত্র দিবসে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল। তখনও কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছে বিজেপি। তারপর সেন্ট জেভিয়ার্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডি লিট প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেছিলেন রাজ্যপাল।মোদ্দা কথা রাজ্যপালের কর্মকান্ডে খুশি নয় বঙ্গ বিজেপি। এখনও অবধি রাজ্যপালের অবস্থানে তৃণমূল স্বস্তিতে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

খামেনেই বলেছিলেন ১ হাজার, রিপোর্ট বলছে ১৬ হাজার! ইরানে মৃত্যুমিছিল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই দাবি করেছেন, দেশজুড়ে চলা গণবিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত অন্তত এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চিত্র যে আরও ভয়াবহ, তা উঠে এসেছে একটি সাম্প্রতিক রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানে বিক্ষোভ দমনের নামে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৬ হাজার ৫০০ মানুষ। আহত হয়েছেন প্রায় ৩ লক্ষ ৩০ হাজারেরও বেশি নাগরিক।মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস ইরানের একাধিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে বর্ণনা করা হয়েছে খামেনেই সরকারের নির্মম দমননীতির কথা। ইরানের এক চিকিৎসক আমির পারাস্তা জানিয়েছেন, বিক্ষোভের শুরুতে নিরাপত্তা বাহিনী রবার বুলেট ব্যবহার করছিল। কিন্তু পরে খামেনেইয়ের নির্দেশে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার শুরু হয়। দেখা মাত্রই আন্দোলনকারীদের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালানো হচ্ছে। রাইফেল ও মেশিনগানের গুলিতে বহু মানুষের মাথা, বুক ও কাঁধ ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছে। রক্তে ভিজে যাচ্ছে রাজপথ।ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হলেও এলন মাস্কের স্টারলিঙ্কের মাধ্যমে বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন অনেকে। সেই পথেই ওই চিকিৎসক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। চক্ষু বিশেষজ্ঞ আমির পারাস্তার দাবি, গুলির আঘাতে চোখ হারিয়েছেন প্রায় ৭০০ থেকে এক হাজার মানুষ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজারের মধ্যে। নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ও অন্তঃসত্ত্বা মহিলাও রয়েছেন।হাসপাতালগুলিতে রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। রক্তের অভাবে বহু আহতের মৃত্যু হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও থামেনি ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর দমন অভিযান।মূল্যবৃদ্ধি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভাঙন, প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং কট্টর ধর্মীয় শাসনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে। সেই ক্ষোভই এবার রাস্তায় নেমে এসেছে। সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে কার্যত বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই অভিযোগ উঠেছে, বিক্ষোভ দমাতে নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী।এর আগে আমেরিকার মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ দাবি করেছিল, ইরানে মৃতের সংখ্যা তিন হাজার ছাড়িয়েছে। তবে নতুন এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
বিদেশ

গ্রিনল্যান্ড বিতর্কে নতুন মোড়! ইউরোপের উপর বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করলেন ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ড কিনতে চান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু গ্রিনল্যান্ড একটি স্বশাসিত দ্বীপ, যা ডেনমার্কের অধীনে। ফলে এই প্রস্তাবে স্বাভাবিক ভাবেই আপত্তি জানিয়েছে গ্রিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক। শুধু তাই নয়, ফ্রান্স, ব্রিটেন-সহ একাধিক ইউরোপীয় দেশও ট্রাম্পের এই প্রস্তাব মানতে রাজি হয়নি। এর পরেই ক্ষোভ উগরে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইউরোপের কয়েকটি দেশের উপর বাণিজ্যিক শুল্ক চাপানোর ঘোষণা করলেন তিনি।শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, ব্রিটেন, নরওয়ে, জার্মানি, সুইডেন, নেদারল্যান্ড এবং ফিনল্যান্ড থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের উপর ১০ শতাংশ করে শুল্ক বসানো হবে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে। এখানেই থামেননি ট্রাম্প। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে কোনও সমঝোতা না হলে ১ জুন থেকে এই শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করা হবে।ট্রাম্পের দাবি, বহু বছর ধরে আমেরিকা ইউরোপের বিভিন্ন দেশকে নানা বাণিজ্যিক সুবিধা ও ভর্তুকি দিয়ে এসেছে। তাঁর বক্তব্য, এখন সেই সুবিধার পালা শেষ। ট্রাম্প আরও বলেন, গ্রিনল্যান্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য। তাঁর অভিযোগ, ডেনমার্ক নিজের সীমানা ঠিকমতো রক্ষা করতে পারছে না। সেই কারণেই আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডের উপর নজরদারি দরকার বলে দাবি করেন তিনি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, যেসব দেশের উপর এই শুল্ক চাপানো হয়েছে, তাদের প্রত্যেকটিই আমেরিকার দীর্ঘদিনের মিত্র দেশ। শুল্ক ঘোষণার একদিন আগেই ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে তাঁর প্রস্তাবে যারা সমর্থন দেবে না, তাদের উপর বাণিজ্যিক চাপ বাড়ানো হবে। শনিবার সেই কথাই কার্যত বাস্তবায়িত করলেন তিনি।ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, চিন ও রাশিয়াও গ্রিনল্যান্ডের উপর নজর রাখছে। তাঁর মতে, বৈশ্বিক নিরাপত্তা বজায় রাখতে আমেরিকার গ্রিনল্যান্ডে উপস্থিতি জরুরি। তিনি এটাও বলেন, গত দেড়শো বছরের বেশি সময় ধরে একাধিক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডেনমার্ককে গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তবে প্রতিবারই সেই প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে ডেনমার্ক।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

খাওয়ার থালা হাতে নামতে গিয়েই ঘটে ঘটল.... সুন্দরবনের পর্যটকের মর্মান্তিক পরিণতিতে কেঁপে উঠল রাজ্য

শীতের মরশুমে সুন্দরবনে পর্যটকদের ভিড়ের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। রাতের অন্ধকারে লঞ্চ থেকে মাতলা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়ে গেলেন এক পর্যটক। তাঁর খোঁজে রবিবার সকাল থেকে চলছে তল্লাশি। নিখোঁজ যুবকের নাম সুমন্ত পাল। বয়স ২৬ বছর। তিনি দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ার বাসিন্দা।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৬ জানুয়ারি গড়িয়া থেকে ২২ জনের একটি পর্যটক দল সুন্দরবনের কৈখালিতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁরা সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখেন। ওই দলেরই সদস্য ছিলেন সুমন্ত। দুদিন জঙ্গল ভ্রমণের পর শনিবার রাতে তাঁরা আবার কৈখালিতে ফিরে আসেন। মাতলা নদীর উপর একটি লঞ্চেই তাঁদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা ছিল।শনিবার রাতে ওই লঞ্চেই ঘটে যায় দুর্ঘটনাটি। জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ খাওয়াদাওয়ার সময় সুমন্ত হাতে ভাতের থালা নিয়ে লঞ্চের সিঁড়ি দিয়ে উপর থেকে নীচে নামছিলেন। সেই সময়ই তিনি ভারসাম্য হারিয়ে সিঁড়ি থেকে সরাসরি মাতলা নদীতে পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই নদীর স্রোতে তলিয়ে যান তিনি।ঘটনার পর লঞ্চের চালক ও সঙ্গে থাকা কয়েক জন জলে নেমে তাঁকে খোঁজার চেষ্টা করেন। কিন্তু মাতলা নদীতে স্রোত প্রবল থাকায় তাঁকে আর পাওয়া যায়নি। এরপর বনদপ্তর ও কুলতলি থানায় খবর দেওয়া হয়। রবিবার সকাল থেকে নদীতে তল্লাশি শুরু হলেও দুপুর পর্যন্ত নিখোঁজ যুবকের কোনও খোঁজ মেলেনি। তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।লঞ্চের চালক শুভেন্দু সরদার জানিয়েছেন, রাতে খাবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শরীরের ভারসাম্য রাখতে না পেরেই ওই যুবক নদীতে পড়ে যান। পর্যটক দলের সদস্য জয় সাহা বলেন, তাঁদের সকলের বাড়িই গড়িয়ায়। ২২ জন বন্ধু মিলে সুন্দরবন ঘুরতে এসেছিলেন। এমন ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।এই ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। লঞ্চে থাকা অন্যান্যদের জেরা করা হচ্ছে। নিখোঁজ যুবকের পরিবারের কাছেও ইতিমধ্যেই দুঃসংবাদ পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভিতর থেকে বন্ধ দরজা, ফোন ধরেননি দু’জনেই! মহেশতলায় রহস্যমৃত্যু

রবিবার সকালে মহেশতলায় একটি ফ্ল্যাট থেকে স্বামী-স্ত্রীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। ঘটনাটি ঘটেছে মহেশতলা পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ি ফুট এলাকায়। মৃতদের নাম তন্ময় দে (৫২) এবং তাঁর স্ত্রী রুমা রক্ষিত (৪৭)। পুলিশ দরজা ভেঙে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা দুজনকেই মৃত বলে ঘোষণা করেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কুড়ি ফুট এলাকার একটি আবাসনের তিনতলায় ভাড়া থাকতেন ওই দম্পতি। রবিবার সকালে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। দীর্ঘক্ষণ ফোন না ধরায় সন্দেহ হয়। এরপর পরিবারের লোকজন ফ্ল্যাটে এসে দেখেন দরজা ভিতর থেকে বন্ধ। অনেকবার ডাকাডাকি করা হলেও ভিতর থেকে কোনও সাড়া মেলেনি। দরজায় ধাক্কা দিয়েও কোনও শব্দ না পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢোকে। শোওয়ার ঘরে খাটের উপর অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় স্বামী-স্ত্রীকে। তাঁদের পাশেই একাধিক ঘুমের ওষুধের খালি বাক্স পড়ে ছিল। দ্রুত দুজনকে উদ্ধার করে বেহালা বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করে তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুজনেই আত্মঘাতী হয়েছেন। তবে কী কারণে এই চরম সিদ্ধান্ত, তা জানার চেষ্টা চলছে। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, বেশ কিছু দিন ধরেই আর্থিক সমস্যায় ভুগছিলেন ওই দম্পতি। ঋণের চাপ বা অর্থনৈতিক দুশ্চিন্তা থেকেই এই ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।দুটি দেহই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ ও সময় জানা যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে সিঙ্গুরে মোদির বড় ডাক! পরিবর্তনের বার্তা, তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে পালাবদলের মাটি সিঙ্গুরে এসে পরিবর্তনের ডাক দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই মঞ্চ থেকেই তিনি বাঙালি অস্মিতার কথা তুলে ধরেন এবং রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে একাধিক ইস্যুতে আক্রমণ করেন। বিশেষ করে অনুপ্রবেশ এবং এসআইআর পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধানমন্ত্রী।সম্প্রতি বিভিন্ন রাজ্যে বাঙালিদের হেনস্তার অভিযোগ ঘিরে সরব হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলা ও বাঙালিকে বঞ্চনার অভিযোগও দীর্ঘদিনের। সেই আবহে সিঙ্গুরে দাঁড়িয়ে মোদি দাবি করেন, বিজেপির মতো করে কেউ বাংলাকে সম্মান দেয়নি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সরকারের আমলেই বাংলা ভাষা ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে। এর ফলে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে গবেষণার নতুন পথ খুলেছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের উদ্যোগেই দুর্গাপুজো ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপিকে অবাঙালিদের দল হিসেবে তুলে ধরার অভিযোগ মোকাবিলায় বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসঙ্গকে গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।অনুপ্রবেশ ইস্যুতেও সিঙ্গুরের সভা থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ান মোদি। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল রাজ্য ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে আপস করছে। তিনি বলেন, তৃণমূল অনুপ্রবেশকারীদের বিভিন্ন সুবিধা দেয় এবং তাদের রক্ষা করতে আন্দোলনেও নামে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবেই দেখে তৃণমূল। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, গত ১১ বছর ধরে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্য সরকারকে সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমির প্রয়োজনীয়তার কথা জানালেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে হলে ভুয়ো নথির মাধ্যমে যারা দেশে থেকে গিয়েছে, তাদেরও নিজ দেশে ফেরত পাঠানো উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।তবে একই সঙ্গে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গও তোলেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার তাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে সিএএ কার্যকর করে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মঞ্চ থেকে একদিকে বাঙালি আবেগ, অন্যদিকে নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা দিতে দেখা গেল প্রধানমন্ত্রীকে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা হিংসার পরে মৃতের বাড়িতে সাংসদ, দেরি না দায়িত্ব— বিতর্ক তুঙ্গে

অশান্ত বেলডাঙায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি। দুদিনের হিংসার পর এলাকাজুড়ে টহল দিচ্ছে পুলিশ। আজও চলছে রুটমার্চ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বিরোধীদের একটাই প্রশ্ন ছিল, এত বড় ঘটনার পরেও কোথায় ছিলেন বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান? কেন তাঁকে এলাকায় দেখা যাচ্ছিল না? এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর।সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বেলডাঙায় দেখা গেল ইউসুফ পাঠানকে। তিনি যান নিহত পরিযায়ী শ্রমিক আলাউদ্দিন শেখের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে আলাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন সাংসদ। তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন তিনি।এর একদিন আগেই বহরমপুরে রোড শো করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই তিনি জানান, ইউসুফ পাঠান এলাকায়ই ছিলেন এবং বেলডাঙায় যেতে চেয়েছিলেন। অভিষেক বলেন, তাঁর র্যালি ও বৈঠক শেষ হলে সাংসদ, বিধায়করা একসঙ্গে নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়াবেন। পাশাপাশি প্রশাসনের তরফে আর্থিক সাহায্য ও মৃতের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।এই ঘোষণার পরেই বেলডাঙায় ইউসুফের উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, আলাউদ্দিনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার সময় ইউসুফও আর্থিক সাহায্য ও চাকরির বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বেলডাঙার বিধায়কও।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইউসুফ পাঠান বলেন, এই ধরনের ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, পরিযায়ী শ্রমিকরা শুধু নিজের জন্য কাজ করেন না, যে রাজ্যে কাজ করেন সেই রাজ্যের উন্নয়নেও তাঁদের বড় ভূমিকা থাকে। তাই এই ধরনের ঘটনা হওয়া কখনওই কাম্য নয়।তবে দেরিতে এলাকায় আসা নিয়ে বিরোধীদের অভিযোগ মানতে নারাজ সাংসদ। তাঁর দাবি, তিনি এলাকাতেই ছিলেন এবং জনপ্রতিনিধিরা মাঠে নেমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কাজ করছিলেন। তাঁর কথায়, তাঁরা সব সময় মানুষের পাশেই আছেন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

যে জমি দেখেছিল টাটার স্বপ্ন, সেখানেই মোদীর সভা! সিঙ্গুরে ইতিহাসের মোড়

যে জমি এক সময় বড় শিল্পের স্বপ্ন দেখেছিল, যেখানে হাজার হাজার মানুষের কাজের আশা জড়িয়ে ছিল, সেই জমিতেই আজ বড় রাজনৈতিক সভা। হুগলির সিঙ্গুরে সেই জমিতেই সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একদিন এই সিঙ্গুর ছেড়েই টাটার ন্যানো কারখানা চলে গিয়েছিল গুজরাটের সানন্দে। তারপর কেটে গিয়েছে বহু বছর। সেই জমিতে আর শিল্প ফেরেনি, চাষও হয়নি। সেই দীর্ঘ অধ্যায়ের মাঝেই আজ ফের সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র নজর।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলা ও অসমকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই আজ আরও একগুচ্ছ প্রকল্পের সূচনা করতে চলেছেন তিনি। হুগলির সিঙ্গুর থেকেই প্রায় ৮৩০ কোটি টাকার বেশি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একই সঙ্গে একটি নতুন অমৃত ভারত ট্রেনেরও সূচনা করবেন তিনি।এ দিন অসম থেকে সরাসরি বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর তিনটের পর থেকে একের পর এক প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার কথা রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেম প্রকল্প। এই প্রকল্পের আওতায় তৈরি হবে একটি ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট টার্মিনাল এবং একটি রোড ওভার ব্রিজ। প্রায় ৯০০ একর এলাকা জুড়ে বলাগড়কে আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং টার্মিনাল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যার বার্ষিক পণ্য পরিবহণ ক্ষমতা প্রায় ২.৭ মিলিয়ন টন হবে।এই প্রকল্পে দুটি কার্গো জেটি তৈরি হবে। একটি কনটেনারবাহী পণ্যের জন্য এবং অন্যটি ড্রাই বাল্ক কার্গোর জন্য ব্যবহৃত হবে। এর ফলে ঘনবসতিপূর্ণ শহর এলাকা থেকে ভারী পণ্য পরিবহণ অনেকটাই সরানো যাবে। কলকাতায় যানজট ও দূষণ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পরিবহণের নিরাপত্তা বাড়বে এবং নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। কম খরচে পণ্য পরিবহণের সুবিধা পাওয়ায় আঞ্চলিক শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা এবং কৃষিপণ্য বাজারে পৌঁছনো আরও সহজ হবে। এই প্রকল্প থেকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বহু কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলেও মনে করা হচ্ছে।এ দিন কলকাতায় একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রিক ক্যাটামারানেরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রান্সপোর্টের জন্য কোচি শিপইয়ার্ডে তৈরি এই ক্যাটামারানটি ছয়টি ইলেকট্রিক জাহাজের মধ্যে একটি। ৫০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম এই হাইব্রিড ইলেকট্রিক ক্যাটামারানে রয়েছে আধুনিক প্রপালশন ব্যবস্থা ও লিথিয়াম-টাইটানেট ব্যাটারি প্রযুক্তি। এটি সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মোডে যেমন চলতে পারে, তেমনই দীর্ঘ সময় হাইব্রিড মোডেও চলতে সক্ষম। হুগলি নদী বরাবর যাত্রী পরিবহণ, পর্যটন ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এই জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী জয়রামবাটি থেকে বরগোপীনাথপুর হয়ে ময়নাপুর পর্যন্ত নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। এটি তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর নতুন রেললাইন প্রকল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই রেলপথ চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ময়নাপুর থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত একটি নতুন ট্রেন পরিষেবাও শুরু হবে। এর ফলে বাঁকুড়া জেলার বাসিন্দারা সরাসরি রেল যোগাযোগের সুবিধা পাবেন। দৈনন্দিন যাত্রী, পড়ুয়া এবং তীর্থযাত্রীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ ও সাশ্রয়ী হবে।বাংলার জন্য তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনেরও সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এই ট্রেনগুলি কলকাতা থেকে আনন্দ বিহার টার্মিনাল, শিয়ালদহ থেকে বারাণসী এবং সাঁতরাগাছি থেকে তাম্বরমের মধ্যে চলবে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে সিঙ্গুরের মাটি থেকেই উন্নয়ন ও রাজনৈতিক বার্তা দিতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬
বিদেশ

পেট্রোলের দাম চাইতেই মৃত্যু! বাংলাদেশে গাড়ি চাপা দিয়ে খুন হিন্দু যুবক

বাংলাদেশে ফের এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। রাজবাড়ি জেলায় পেট্রোল পাম্পে কাজ করা এক যুবককে গাড়ি চাপা দিয়ে পিষে মারার অভিযোগ উঠেছে। নিহত যুবকের নাম রিপন সাহা, বয়স প্রায় ৩০ বছর। অভিযোগ, পেট্রোলের দাম চাইতেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাজবাড়ি জেলার গোয়ালান্দা মোড়ের করিম ফিলিং স্টেশনে ডিউটি করছিলেন রিপন। সেই সময় একটি কালো রঙের এসইউভি গাড়ি পেট্রোল পাম্পে আসে। গাড়িতে প্রায় ৫ হাজার টাকার তেল ভরানো হয়। কিন্তু তেল নেওয়ার পর টাকা না দিয়েই গাড়িটি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন চালক। রিপন সেই সময় গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে টাকা চাইতে যান। অভিযোগ, টাকা দেওয়ার বদলে গাড়িটি তাঁর উপর দিয়েই চালিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।পুলিশ জানিয়েছে, গাড়িটি একটি ল্যান্ড ক্রুজার। সেটির মালিক রাজবাড়ি জেলার প্রাক্তন বিএনপি নেতা আবুল হাসান ওরফে সুজন। গাড়িটি চালাচ্ছিলেন কামাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি। অভিযুক্ত আবুল হাসান অতীতে বিএনপির জেলা কমিটির ট্রেজারার ও যুবদলের সভাপতি ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। পেশায় তিনি একজন ঠিকাদার।ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতিমধ্যেই পুলিশের হাতে এসেছে। সেই ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়িটি পেট্রোল ভরে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রিপন ও তাঁর এক সহকর্মী সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। রিপন গাড়ির পিছনে দৌড়ান। কিছু দূর গিয়ে পেট্রোল পাম্পের আর এক কর্মী দেখতে পান, হাইওয়ের উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে রিপনের দেহ। মাথা ও মুখে গুরুতর আঘাত ছিল তাঁর। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই যুবকের। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।এই ঘটনার পর আবারও বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গত বছরের শেষে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে একের পর এক হিন্দু নিগ্রহ ও হত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে। গত ১৮ ডিসেম্বর দীপু চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু যুবকের নৃশংস মৃত্যুর ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারির শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত একাধিক হিন্দু হত্যার খবর সামনে এসেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal