• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

দেশ

গ্রামের বার্তা

God today can appear before the hungry people only in the form of breadMahatma Gandhiপরমাত্মা হওয়ার বা সাজার তার মধ্যে এক প্রধানতম সমস্যা হল সাধারণ মানুষকে অন্ন বস্ত্র বাসস্থান জোগানো। কারণ পরমাত্মার কাছে হাপিত্যেশি মানুষের এগুলিই হয় মূলত প্রধান চাহিদা। গান্ধীজির রুটির যদি আভিধানিক অর্থ ধরা হয় তাহলে ভুল হবে। কারণ রুটির চাহিদা মানে তার সঙ্গে উল্লিখিত বিষয়গুলিও জড়িয়ে থাকে। পরমাত্মা আর রুটির সম্পর্ক বলতে গেলে যে ছবির কথা এক নিশ্বাসে সামনে আসে তার হল Leonardo Da Vinci র The Last Supper। সেই ছবি তে পরমাত্মা শিষ্যদের সঙ্গে শেষ ভোজে বসেছেন, সেই ভোজে ও শুধু রুটি নেই। আনুসঙ্গিক আরও কিছু আছে। ধর্মশাস্ত্রে এই আনুসঙ্গিকের অনেক ব্যাখ্যা রয়েছে। বাস্তবিক জীবনেও রুটি ও তার আনুসঙ্গিক চাহিদার বিস্তৃতি অনেক। সদ্য শেষ হওয়া লোকসভা নির্বাচনে ফল দেখে কথা গুলো মনে হল তাই বলে ফেললাম।২০১৯য়ের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৩০৩ টি আসন। এবারে পেয়েছে ২৪০ টি আসন। অর্থাৎ বিজেপির ৬৩টি আসন কমেছে । গেরুয়া ভাঁড়ারে এই টানাটানি শহর বা শহরাঞ্চলে নয় মূলত গ্ৰাম ভারতে। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি গ্ৰামীন ও সংলগ্ন লোকসভা কেন্দ্র গুলির মধ্যে ২৫৩টি আসন জিতেছিল। এবার ওই আসনগুলির মধ্যে জিতেছে ১৯৩টি আসন। অর্থাৎ ৬৩টি হারা আসনের মধ্যে ৬০ টি আসন রয়েছে গ্ৰামাঞ্চলে। প্রচার ও নির্বাচন পর্ব মিলিয়ে প্রায় ৮০টই সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে পরমাত্মা প্রেরিত দূত বলে দাবি করেন। নির্বাচনী ফল বলছে গ্ৰামীন ভারত সেই পরমাত্মা কে হৃদয়ে ঠাঁই দেয়নি।এখনও ভারতের দুই তৃতীয়াংশ মানুষ গ্ৰামে বাস করেন। NSO র Household expenditure survey (2022-23) বলছে গ্ৰামীন জনতার মাসিক per capita expenditure ৩৭৭৩ টাকা। যদি গড়ে একটি পরিবারে চার থেকে পাঁচ জন সদস্য থাকে তাহলে মাসিক ব্যায় দাঁড়ায় আনুমানিক ষোলো থেকে কুড়ি হাজার টাকা। গ্ৰামে রাস্তা ঘাট, শৌচাগার, আবাস, পানীয় জল ও বিদ্যুতের উন্নতি যে হয়নি তা নয়। কিন্তু গ্ৰামাঞ্চলে মানুষের আয় বা উপার্জন বাড়ে নি। সাম্প্রতিক বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে সব পরিবার কৃষির সঙ্গে যুক্ত তাদের আর্থিক অবস্থার একটু বেশি ই অবনতি হয়েছে। Ministry of statistics and implementation য়ের ২০২৩-২৪ অর্থ বর্ষের দেখা যাচ্ছে দেশে কৃষি ক্ষেত্রে বৃদ্ধির হার ১.৪ শতাংশ। অথচ দেশের সার্বিক আর্থিক বৃদ্ধির হার বলা হচ্ছে ৮.২ শতাংশ। এই হিসাব অনুযায়ী সার্বিক, আর্থিক উন্নয়নের হার বাড়লেও দেশের ৪৫.৮ শতাংশ মানুষ যার সঙ্গে যুক্ত সেই কৃষিতে বৃদ্ধি মাত্র ১.৪ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে প্রতি মাসে শুধু রেশনে বিনামূল্যে পাঁচ কেজি চাল বা আটা দিয়ে এই ছিদ্র যে বোজানো যাবে না সেই বার্তাই ভোটে দিয়েছে গ্ৰামীন ভারত। আরো বুঝিয়ে দিয়েছে শুধু freebies বিলোলে হবে না দিতে হবে দুহাতে কাজ এবং সম্মান। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফেরার পরে বাপু কে ভারত আত্মা চিনিয়ে ছিল গ্ৰাম। এক ই গোলার্ধে সম্পুর্ন বিপরীত মতাদর্শে মাও সেতুং কে লক্ষ্যে পৌঁছাতে গ্ৰাম দিয়ে শহর ঘিরতে হয়েছিল। এবার দেশে নির্বাচনের সামনে প্রশ্ন ছিল সংবিধান নিয়ে, গনতন্ত্র নিয়ে, বেকারি, দারিদ্র্য ও সম্প্রীতি নিয়ে। পরমাত্মার নির্মাণ, তীব্র ধর্মীয় মেরুকরণের হাতছানি সরিয়ে রেখে ভোটে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে গ্ৰামীন ভারত।

জুন ২৩, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতায় রাতের শেষ মেট্রোর সময় বদল, জানুন টিকিট কাটার পদ্ধতিও

যাত্রীদের সুবিধার জন্য মেট্রো রেলওয়ে গত ২৪ মে থেকে পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে ব্লু লাইনে বিশেষ রাত্রিকালীন মেট্রো পরিষেবা চালু করেছে। আপ এবং ডাউন উভয় দিকের এই পরিষেবা দুটি সোম থেকে শুক্রবার রাত ১১ টায় কবি সুভাষ এবং দমদম স্টেশন থেকে ছাড়ছে। রাতে প্রচুর সংখ্যক মানুষের চাহিদা পূরণ করা যাবে এই আশা নিয়ে চালু করা হয়েছিল এই পরিষেবা। রাতের এই পরীক্ষামূলক পরিষেবাগুলি মেট্রো যাত্রীদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হচ্ছে না। কলকাতা মেট্রো রেল জানাচ্ছে, দমদম এবং কবি সুভাষের মধ্যে যাতায়াতকারী রাত ১১ টার প্রতিটি ট্রেনে গড়ে মাত্র ৩০০ জন যাত্রী হচ্ছে। এই পরিষেবাগুলি চালাতে মেট্রো রেলের প্রচুর খরচ হচ্ছে(চালানোর খরচ হিসাবে প্রায় ২.৭ লক্ষ টাকা এবং অন্যান্য খরচ হিসাবে ৫০ হাজার টাকা )। কিন্তু বিনিময়ে এই দুটি ট্রেন থেকে আয় হচ্ছে খুবই কম(গড়ে মাত্র ৬ হাজার টাকা )। এটিও লক্ষ্য করা গেছে যে অনেক স্টেশনে কাউন্টার খোলা রেখে গড়ে মাত্র ১ বা ২ টি টোকেন বিক্রি হচ্ছে। অর্থাৎ টোকেন বিক্রির হারও খুবই কম।মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র মেট্রো রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আগামী ২৪ জুন (সোমবার)থেকে এই পরীক্ষামূলক রাত্রিকালীন পরিষেবার সময় ২০ মিনিট এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ২৪ জুন থেকে ব্লু লাইনে এই পরীক্ষামূলক রাত্রিকালীন পরিষেবাগুলি কবি সুভাষ এবং দমদম থেকে রাত ১০.৪০টায় ছাড়বে। এই পরিষেবা সোমবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত পাওয়া যাবে এবং সমস্ত স্টেশনে থামবে। কোনও স্টেশনে টোকেন, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি বিক্রির জন্য কোনও টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে না। যাত্রীদের UPI পেমেন্ট মোড ব্যবহার করে সমস্ত স্টেশনে বসানো ASCRM মেশিন থেকে টোকেন কেনার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। স্মার্ট কার্ড থাকা যাত্রীরাও এই পরীক্ষামূলক রাতের পরিষেবায় চড়তে পারবেন।

জুন ১৯, ২০২৪
রাজ্য

বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে শিয়ালদামুখী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস

ফিরল করমন্ডল এক্সপ্রেসের ছবি। বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে শিয়ালদামুখী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন পেরানোর পরেই কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসেকে সজোরে ধাক্কা মারে মালগাড়ি। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুটি কামরা সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। বহু যাত্রীর আহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পিছনের দুটি কামরা লাইনচ্যুত। মালগাড়ির ইঞ্জিনের ওপর উঠে গেল কাঞ্চনজঙ্ঘার দুটি কামরা। স্থানীয় মানুষজন উদ্ধারের কাজে হাত লাগায়।৫ জনের মত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জখম হয়েছেন ২৫-৩০ জন। একই লাইনে মালগাড়ি ও কাঞ্চনজঙ্ঘা, উত্তরবঙ্গে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৫

জুন ১৭, ২০২৪
বিদেশ

মৈত্রী এক্সপ্রেস ও বন্ধন এক্সপ্রেস সাময়িক বাতিল, জানাল রেল দফতর

বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের অনুরোধে বাংলাদেশে ঈদ-উল-আধহা উদযাপন উপলক্ষে নিম্নলিখিত পরিষেবাগুলি সাময়িকভাবে বাতিল থাকবে। জানিয়েছে পূর্ব রেলওয়ে- 13109/13110 কলকাতা-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট - কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস, 13107/13108 ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট -কলকাতা-ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট মৈত্রী এক্সপ্রেস এবং 13129/13130 কলকাতা-খুলনা-কলকাতা বন্ধন এক্সপ্রেস ।* 13107 ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস (যাত্রা শুরু 14.06.2024, 16.06.2024, 18.06.2024 এবং 21.06.2024)* 13110 ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস (যাত্রা শুরু 15.06.2024, 19.06.2024 এবং 22.06.2024 তারিখে)* 13108 কলকাতা ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট মৈত্রী এক্সপ্রেস (যাত্রা শুরু 15.06.2024, 17.06.2024, 19.06.2024 এবং 22.06.2024 তারিখে)* 13109 কলকাতা ক্যান্টনমেন্ট মৈত্রী এক্সপ্রেস (যাত্রা শুরু 14.06.2024, 18.06.2024 এবং 21.06.2024 তারিখে)* 13129 কলকাতা - খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস (যাত্রা শুরু 16.06.2024 এবং 20.06.2024 তারিখে)* 13130 খুলনা - কলকাতা বন্ধন এক্সপ্রেস (যাত্রা শুরু 16.06.2024 এবং 20.06.2024 তারিখে)

জুন ১০, ২০২৪
দেশ

রুষ্ট গনদেবতা

I rebel, therefore I exist.Albert Camusগন দেবতার অভিজ্ঞানই তো প্রসবিনী করে লেখকের কলম। অস্তিত্বের সংকটে পড়লে শিরদাঁড়া ঝুঁকতে শুরু করলে জনতার রোষ ডানা ঝাপটায়। মানবজমিনের এই ইতিহাস আরো একবার পরীক্ষা দিল এবারের লোকসভা নির্বাচনে। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে জনতা জনার্দন জানিয়ে দিল কোনো পরমাত্মা নয় গনতন্ত্রের থানে একমাত্র গনদেবতার ই অধিষ্ঠান। গত দশ বছরে বিশাল আধিপত্য বিস্তারে যে অনুশীলন শুরু হয়েছিল তাতে সুতীক্ষ্ণ কৌশলে আরও অতিকায় করে তোলার অভিযান ছিল এই নির্বাচনের পর্ব থেকে পর্বান্তরে। সেই অভিযানের সামনে দাঁড়িয়ে বিশেষত গ্ৰামীন ভারত জানিয়ে দিল কে আসল জনার্দন। ২০২৪য়ের নির্বাচনী ফলাফলকে কোনো সরল মাত্রায় বিচার করা যাবে না। একদিকে খাদ্য দ্রব্যের আকাশ ছোঁয়া দাম, বেকারত্ব, আর্থিক, সামাজিক অসাম্য, আর কৃষকদের রুটি রুজির অনিশ্চয়তা। এই দুর্দশাগ্ৰস্ত ভারতকে নস্যাৎ করে বেলাগাম মেরুকরণের রাজনীতি তীব্র ধর্মীয় বিভাজন আর এক ও অদ্বিতীয় নেতার ভাবমূর্তি নির্মানের প্রচার কৌশল। এর পাশাপাশি ছিল দেশের সংবিধান কি অক্ষত থাকবে, গনতন্ত্র কোন চেহারায় থাকবে সেই প্রশ্নও। এই বহুমাত্রিক ক্যানভাসের কেন্দ্রস্থলে দাঁড়ানো প্রবল বলশালী শাসককে ভারতীয় ভোটার রা জানিয়ে দিল গনতন্ত্র, বহুমত, বহুমুখী,বহুস্বর ই প্রকৃত প্রতাপশালী। খালি পেটে ধর্ম হয় না, প্রাচীন প্রবাদ। মূল্যায়ন সংস্থা CRISIL জানাচ্ছে পেঁয়াজ সহ অন্যান্য আনাজের দাম বেড়েছে চল্লিশ শতাংশের বেশি। গৃহস্থ বাড়িতে নিরামিষ থালি তৈরির খরচ বেড়েছে ৯%। আমিষ থালির খরচ তুলনায় কিছুটা কম। কিন্তু আমিষ কেনার সামর্থ্য সবার নেই। বিভিন্ন কাঁচা মালের দামের ভিত্তিতে দেশের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব পশ্চিমে গৃহস্থের বাড়িতে রান্না করা খাবারের গড় খরচ হিসাব করে তারা। আম জনতার এই দূর্ভোগ কে প্রশমন করতে মুসলিমদের দুষে বিদ্বেষ ছড়িয়ে ছিলেন নরেন্দ্র মোদী। খালি পেট সেই বিদ্বেষে ভোলেনি। অযোধ্যা যার অন্তর্গত সেই লোকসভা কেন্দ্র ফইজাবাদে বিজেপি হেরেছে। তিন দশকের বেশি সময় ধরে অযোধ্যার রামমন্দির গেরুয়া রাজনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। আবার সাম্প্রতিক সময় গেরুয়া হিন্দুত্বের অন্যতম প্রধান মঞ্চ বারানসী। সেই বারানসী তে এক অকিঞ্চিৎকর প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে ভোট যুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর জয়ের ব্যবধান বিপুল হারে কমেছে। পেটের আগুনের আঁচে পুড়েছে বিদ্বেষের রাজনীতি ও। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের মঙ্গল সুত্র, সম্পত্তি ও পিছিয়ে পড়াদের সংরক্ষণ কেড়ে নিয়ে মুসলিমদের দিয়ে দেবে। প্রচারের এই তীব্র বিদ্বেষের সুর প্রথম শোনা যায় রাজস্থানের বারমের কেন্দ্রে। সেখানে বিজেপি হেরেছে । গুজরাটে বনসকন্ঠ লোকসভা কেন্দ্র। এই বনসকন্ঠ শহরে ডেয়ারী শিল্পের প্রাচুর্য রয়েছে। এই কেন্দ্রের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী মুসলমানদের অধিক সংখ্যক সন্তানের জন্মদাতা বলেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে হিন্দুদের মোষ কেড়ে নিয়ে মুসলমানদের দিয়ে দেবে। গুজরাটের বনসকন্ঠেও বিজেপি হেরেছে। ২০১৪ এবং ২০১৯-র তুলনায় গেরুয়া হিন্দুত্বের চারণভূমি উত্তর প্রদেশে বিজেপির শোচনীয় ফল হয়েছে। দলিত, সবরকম OBC এবং মুসলিম ভোটাররা বিজেপির জয়রথ থামিয়েছেন। যাদবদের দল হিসেবে পরিচিত SP র নেতা অখিলেশ যাদব, যাদব নির্ভরতা কমিয়ে এই তিন শক্তি কে কাছে টেনে এক নতুন Social Engineering -র রাস্তা দেখিয়েছেন। এবারের নির্বাচনের আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বিজেপির ৩৭০ অথবা ৪০০ আসন পারের স্লোগান সংবিধানের প্রশ্নকে উচ্চকোটির স্তর থেকে বেরিয়ে গন রাজনীতির পরিসরে প্রবেশ করিয়েছে। বিজেপি ৩৭০ বা ৪০০ আসন পেলে সংবিধান বদলাবে। সেই বদলে দেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থা উঠে যাবে। এই আশঙ্কা বিশেষত তুলনায় শিক্ষিত দলিত যুব সম্প্রদায়ের মধ্যে ছড়িয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এতদিন সংবিধান নিয়ে আশঙ্কা, আলোচনা, বিতর্ক সব ই ছিল উচ্চকোটির সীমানায় বন্দি। ইংরেজি সংবাদপত্র, JNU, Delhi Law School, Delhi School of Economics and Sociology, এবং India International centre য়ের seminar hall য়েই সংবিধান নিয়ে যাবতীয় আলোচনা হতো। সংবিধান দলিত এবং OBC সম্প্রদায়ের Mass politics য়ে চলে আসার ফলে ভুগতে হল বিজেপি কে। এই পথ ধরেই দলিত রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা চন্দ্রশেখর আজাদ এবার সংসদে গেলেন। শুধু তাই নয় উত্তর প্রদেশের জনতা এবার ভোটে হিন্দুত্বের রাজনীতির প্রতিস্পর্ধা হিসেবে Social justice party কে ফিরিয়ে আনলেন। এই নির্বাচনী ফলে বিভিন্ন রাজ্য, বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর স্বর ভারতের স্বাভাবিক বৈচিত্র্যকেও ফিরিয়ে এনেছে। তবে এই নির্বাচন শুধু শাসকদের নয়, বিরোধীদের ও আরো দ্বায়িত্বশীল হওয়ার কথা বলেছে।

জুন ১০, ২০২৪
দেশ

এই আলো এই অন্ধকার

আলো -অন্ধকারে যাই -মাথার ভিতরে স্বপ্ন নয়,কোন এক বোধ কাজ করেআলো আর অন্ধকার যে শুধু কবির বোধ জাগায় তা নয়। প্রকৃতির নিয়মে মানুষের সমাজেও আলো আর অন্ধকারের পাশাপাশি অবস্থানে ছড়িয়ে থাকে বিষাদ আর সুখ। ধান ভানতে শিবের গীত গেয়ে লাভ নেই অতএব থামা যাক। লোকসভা নির্বাচনের চালচিত্রে যে প্রসঙ্গে আলো অন্ধকারের কথা মনে এল এবার সে কথাই শুরু হোক।পঞ্চম দফার ভোট পর্যন্ত গত লোকসভা নির্বাচনের তুলনায় ভোট দানের হার কমা নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ চলছে। পঞ্চম দফার শেষে দেখা যাচ্ছে কয়েক কোটি মানুষ এবার ভোট দিলেন না। তাঁরা কি গনতন্ত্রে আস্থা হারালেন? নাকি ভোট কম পড়ার পিছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে? এর উত্তর খুঁজতেই বিভিন্ন পন্ডিত ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নানান মতামত দিচ্ছেন। ভোট দানের হার কমার মাঝে পঞ্চম দফার ভোটে দেখা যাচ্ছে পুরুষদের থেকে মহিলাদের ভোট দানের হার বেশি। ২০ শে মে আটটি রাজ্য এবং কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ৪৯ টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট দান সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে এই ৪৯ টি লোকসভা কেন্দ্রে মহিলাদের ভোট দানের হার ৬৩ % এবং পুরুষদের ভোটদানের হার ৬১.৪৮% ।আরও পড়ুনঃ ভোটের সুনামিতবে জম্মু কাশ্মীর, মহারাষ্ট্র ও পশ্চিম বঙ্গে মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের ভোটদানের হার সামান্য বেশি। পাশাপাশি বিহার এবং ঝাড়খণ্ডে পুরুষ এবং মহিলাদের ভোট দানের হারে ব্যাবধান অনেকটাই বেশি। বিহারে মহিলা ভোট পড়েছে ৬১.৫৮% আর পুরুষ ভোট পড়েছে ৫২.৪২ % । ঝাড়খণ্ডে মহিলা ভোট দানের হার ৬৮.৬৫ % এবং পুরুষদের ভোটদানের হার ৫৮.০৮ % । এই নির্বাচনে সব রাজনৈতিক দলের ই পাখির চোখ মহিলা ভোট। নারী শক্তির জয়গান আর মহিলাদের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রবল প্রচারে নির্বাচনী ক্ষেত্র মুখর। তাই বলা ই যায় রাজনৈতিক দল গুলির প্রাণভোমরা বন্দী রয়েছে নারী শক্তির ভাঁড়ারে। যদিও ভোট টানার জন্য কিছু কল্যাণময় প্রকল্প ছাড়া মহিলাদের মূল সমস্যা দূর করার কোনো দিশা নেই। তবু ভোটের গনগনে আঁচের মধ্যে রাজনীতির পরিসরে মহিলাদের স্বর প্রতিষ্ঠার এই স্ব-উদ্যোগ যেন ঠান্ডা বাতাস।আরও পড়ুনঃ গ্যারান্টি বনাম ন্যায় - ভোটের হালহকিকততবু আলোর পাশেই তো অন্ধকার থাকে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে দেশের প্রায় পাঁচ কোটি প্রথম বার ভোটারের মধ্যে মাত্র ১৭ শতাংশ ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করেছেন। সবচেয়ে করুণ চিত্র বিহারে। জাতীয় জনসংখ্যার বিচারে বিহারের জনসংখ্যায় তারুন্যের ভাগ সবচেয়ে বেশি। সেই রাজ্যে কম বয়সীদের মধ্যে মাত্র ১৭ শতাংশ ভোটার তালিকায় নাম তুলেছেন। দিল্লিতে এই সংখ্যা ২১ শতাংশ। দেশের তরুণ নাগরিকদের ভোটদানে এই অনীহার কারণ কি? তারা কি গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আগ্ৰহ হারাচ্ছেন? এর উত্তর খোঁজা অত্যন্ত জরুরি। ভারতের মত বৃহত সংখ্যক তরুণ, তরুণীর দেশে এই প্রবণতা গনতন্ত্রের পক্ষে অশুভ ইঙ্গিত

মে ২৭, ২০২৪
রাজ্য

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে দুপুরে মাছ-ভাত, যাত্রাপথেই সুস্বাদু খাবরে তৃপ্ত বাঙালি

কথায় আছে মাছে ভাতে বাঙালি অর্থাৎ বাঙালি যেখানেই যাক দুপুরের আহারে মাছ ভাত চাই ই চাই। অবশ্য এতে সমস্যার কিছুই নেই, বাঙালিরা যেখানেই যায় মাছ ভাতের হোটেল একটা অবশ্যই জোগাড় করে নেয়। শুধুমাত্র যাত্রার সময়কালে বাঙালিকে ম্যানেজ করতে হয় দুপুরের খাবারটা মাছ ভাত ছাড়া। তবে সেই চিন্তারও এখন অবসান হয়েছে। দুপুরের আহারে মাছ ভাত একটি অপূর্ব পরিচিতি যা বাঙালি সমাজের জীবনধারা এবং সংস্কৃতির অন্তর্নিহিত অংশ। এই অংশের মূল্যায়ন এখন 22301 হাওড়া - নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের মাধ্যমে পূর্ণতঃ সম্পন্ন হয়েছে। এখন হাওড়া - নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এ বাংলার সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন সুস্বাদু খাবারের পদগুলি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেমন প্রাতরাশে ত্রিকোণ পরোটা, ছোলার ডাল, মাল্টিগ্রেন আটার রুটি। লাঞ্চ অথবা ডিনারের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বাসন্তী পোলাও, চিকেন কষা, ফিস ফ্রাই, ধোকা অথবা ছানার ডালনা, সোনামুগের ডাল, বাঙালির অতিপ্রিয় মাছের ঝোল, সরষে মাছ, মিষ্টি দই, সন্দেশ এবং ক্ষীরকদম। প্রাতরাশ থেকে লাঞ্চ এবং ডিনার এর জন্য বাছাইকৃত বাঙালি খাবারের প্রতিটি অংশে উল্লেখযোগ্য সুস্বাদ এবং পারিপাটিত্ব সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, তার উচ্চ-গতির ক্ষমতা এবং বিলাসবহুল সুযোগ-সুবিধার জন্য বিখ্যাত ৷ যাত্রীদের জন্য একটি অতুলনীয় অভিজ্ঞতার সাথে রেল ভ্রমণকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করে চলেছে ৷ উল্লেখযোগ্যভাবে, ঋতুগত ভিন্নতা সত্ত্বেও বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সাফল্য মেক ইন ইন্ডিয়া উদ্যোগের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

মে ১৭, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতা মেট্রোয় খুচরোর সমস্যা থেকে শীঘ্রই মুক্তি, সাড়া জাগানো উদ্যোগ

মেট্রো স্টেশনের টিকিট কাউন্টারেটিকিট কাটতে গিয়ে খুচরোর সমস্যার পরিচিত দৃশ্য খুব শীঘ্রই অতীত হতে চলেছে। কলকাতা মেট্রো কর্তৃপক্ষ ডিজিটাল লেনদেনের এক নতুন পন্থা হিসাবে ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউ পি আই) ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা খুব তাড়াতাড়ি চালু করছে। এর ফলে কাউন্টারে খুচরো টাকা বা পয়সার মাধ্যমে সঠিক ভাড়া দিতে গিয়ে বর্তমানে মেট্রো যাত্রীরাযে সমস্যার সম্মুখীন হন তা আর হবে না।স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমস ( ক্রিস ) এর সহায়তায় মেট্রো কর্তৃপক্ষ ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউ পি আই) ভিত্তিক টিকিটিং ব্যবস্থা চালু করছেন। মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী পি উদয় কুমার রেড্ডির উপস্থিতিতে মঙ্গলবার গ্রিন লাইনের শিয়ালদহ স্টেশনে এই ব্যবস্থার মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। শ্রী রেড্ডি নিজে এই ব্যবস্থার সাহায্যে একটি টিকিট কাটেন। মেট্রো রেলওয়ের প্রিন্সিপাল চিফ অপারেশন্স ম্যানেজার শ্রী সৌমিত্র বিশ্বাসের উদ্যোগে ও তৎপরতায় এই নতুন টিকিটিং ব্যবস্থা মেট্রোয় চালু হচ্ছে।এই মহড়া সম্পূর্ণ হলেই নতুন এই টিকিটিং ব্যবস্থা প্রথমে গ্রিন লাইনে চালু হবে। এই সুবিধা নিতে আগ্রহী যাত্রীদের টিকিট কাউন্টারে গিয়ে প্রথমে তাদের গন্তব্য স্টেশনের নাম বলতে হবে। এরপর কাউন্টারের ডুয়াল ডিসপ্লে বোর্ডে ভেসে ওঠা কিউ আর কোডটি স্ক্যান করে স্মার্ট ফোনের সাহায্যে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করতে হবে। এই লেনদেন সম্পূর্ণ হলেই কিউ আর কোড বেসড কাগজের টিকিটটি তিনি হাতে পাবেন এবং মেট্রোয় সফর করতে পারবেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মেট্রো যাত্রীরা নিজেদের স্মার্ট কার্ডও রিচার্জ করতে পারবেন।Shri P Uday Kumar Reddy,GM, conducted the trial of #UPI Payment Based Ticketing System at #Sealdah #Metro station today.Once the trial is over,this ticketing system will be introduced in #GreenLine first then #BlueLine,#PurpleLine #OrangeLine for the benefit of the commuters. pic.twitter.com/IuWm4rEk4t Metro Railway Kolkata (@metrorailwaykol) May 7, 2024কলকাতা মেট্রোর গ্রিন লাইনে এই ব্যবস্থা সফল হলে যাত্রীদের সুবিধার্থে তা ব্লু লাইন , পার্পল লাইন ও অরেঞ্জ লাইনেও চালু করা হবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ইতিমধ্যেই নেওয়া হয়েছে।মেট্রো রেল , স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ও সেন্টার ফর রেলওয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমস ( ক্রিস )-এর বরিষ্ঠ আধিকারিকরা আজকের এই মহড়ায় শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন।

মে ০৮, ২০২৪
দেশ

ভোটের সুনামি

এই বছর কে বিশ্ব নির্বাচনী বর্ষ বললে খুব একটা ভুল হবেনা। বিশ্বজুড়ে যেন নির্বাচনের ধুম পড়েছে। Reuters যাকে বলছে নির্বাচনের সুনামি। নির্বাচন কে আমরা বলে থাকি গনতন্ত্রের উৎসব। আমাদের প্রতিবেশী সূর্যের নিচে থাকা দুই দেশ পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। সুদূর প্রান্তে রাশিয়াতে নির্বাচন হয়ে পুতিন আবার ক্ষমতায় ফিরেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ইউক্রেনেও এই বছরই নির্বাচন হতো। চলতি বছরে বাকি যে দেশগুলিতে নির্বাচন হবে তার মোট জনসংখ্যা পৃথিবীর জনসংখ্যার অর্ধেক।২৪-র শেষ দিকে দুই মার্কিনী বৃদ্ধ Donald Trump ও Joe Biden য়ের নির্বাচনী ভাগ্য নির্ধারিত হবে। চলতি বছরে ভোটের লাইনে দাঁড়াবে Britain ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর পরেও ভোটমুখি দেশের তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। Haiti, Indonesia, Cambodia,Iran, Slovakia, Portugal, Senegal, Kuwait, দক্ষিণ Korea এবং Solomon দ্বীপপুঞ্জ। এই তালিকা ভুক্ত কয়েক টি দেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, বাকি কয়েকটিতে হবে এই বছরেই।বিশ্বজুড়ে এই গনতান্ত্রিক উৎসবের মেলায় সকল দেশের রানী হয়ে বসে আছে ভারতবর্ষ। ৪৭ -এ স্বাধীনতা। দেশ ভাগ, দাঙ্গা, ছিন্নমূল মানুষের দীর্ঘশ্বাস পেরিয়ে দেশ নির্মাণে গনতন্ত্রের ভিত গাঁথা শুরু। সদ্য স্বাধীন দেশে যার প্রকাশ ১৯৫২-র নির্বাচনে। ১৯৫১-র ২৫শে অক্টোবর থেকে ১৯৫২র ২১শে ফেব্রুয়ারি এই চার মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সতেরো কোটি তিরিশ লক্ষ ভোটার ভোট দিয়েছিলেন। ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল কর্মযজ্ঞ অবাক হয়ে দেখেছিল পৃথিবী। চলতি লোকসভা নির্বাচনে ৯৭ কোটি ভারতবাসী ভোট দেবেন। উত্তরে কাশ্মীর থেকে দক্ষিণে কন্যাকুমারী, পূর্বে অরুনাচল থেকে পশ্চিমে গুজরাত।পাহাড়, সমুদ্র, গহন বনাঞ্চল, ধুসর মরুভূমি, গ্ৰামীন ক্ষেত্র আর আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক শহরাঞ্চল বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র। এই গনতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ নির্বাচন। গনতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী নির্বাচনে জিতে যারা দেশ চালাবেন দেশের সব প্রান্তের বৈচিত্র্য মাখা মানুষের প্রতিনিধি। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনের ফল এই ভাবনায় কেমন যেন প্রশ্ন তুলেছে। ২০১৯শে ২০৩ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। হিন্দি বলয়ের দশটি রাজ্যে মোট লোকসভা আসন ২২৫। এই ২২৫ টি আসনের মধ্যে ২০৩টি আসন জিতেছিল গেরুয়া শিবির। সরকার গড়তে লাগে ২৭২ টি আসন। অর্থাৎ ওইখান থেকেই প্রায় finishing point য়ে পৌঁছে গিয়েছিল বিজেপি। দেশের পূর্ব বা দক্ষিণ ভারতের জনমত এই অঙ্কের সামনে কাঁটা বিছানোর অবস্থানে ছিল না। একেবারে সিনেমার চিত্রনাট্যের মতো।এখানেই লুকিয়ে রয়েছে ভারতীয় গনতন্ত্রের fallacy. নির্বাচনী সাফল্য হচ্ছে সংখ্যার খেলা। দিল্লির শাসক তো সারা দেশের শাসনভার সামলায়। অথচ কোনো রাজনৈতিক দল উত্তর ভারতের দশ রাজ্য দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, হরিয়ানা, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, বিহার, ছত্তিশগঢ়, ঝাড়খণ্ডে বিজয়রথ ছোটাতে পারে তাহলে দিল্লির কুর্সি তার হাতের মুঠোয় চলে আসবে। যা হয়েছিল ২০১৯শে। এবারও ভোটের হাওয়া যা বলছে তাতে নরেন্দ্র মোদীর ই ক্ষমতায় ফেরার কথা।এই বিজয় পথের কেন্দ্রে রয়েছে উত্তর প্রদেশ। উত্তর প্রদেশে বড় সংখ্যায় জিতলে দিল্লির তক্ৎ নাগালের মধ্যে এসে যায় কথাটা প্রবাদে পরিনত হয়েছে। তবে এবারে বিজেপির লক্ষ্য ৩৭০ আসন। তাই এবারের নির্বাচনে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত বিজেপির কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দফার নির্বাচনে বিজেপির heart land উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও বিহারে ভোট কম পড়েছে। একে তো হিন্দি বলয়ের বাইরে আসন বাড়ানোর লক্ষ্য, তার উপর হৃদয়পুরে ভোট কম পড়া। এই দুয়ে মিলে বিজেপির চিন্তা বেড়েছে। দ্বিতীয় দফাতেও যদি কম ভোট পড়ে তাহলে চিন্তা আরো বাড়বে। শেষ পর্যন্ত যদি ২০২৪ শে ও বিজেপির জেতার অঙ্কে ২০১৯শের ফলের পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে বলতে হবে দেশের নির্বাচনী গনতন্ত্রের চালচিত্র বদলাচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
রাজ্য

যাত্রীদের কষ্টের দিন শেষ, শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন সেকশনে সমস্ত ১২ কোচের লোকাল ট্রেন

শিয়ালদহ মেইন ও নর্থ সেকশনে সমস্ত EMU লোকালগুলিকে ১২ কোচের করার জন্য শিয়ালদহ মেইনের সাবার্বান প্লাটফর্মগুলি অর্থাৎ ১ থেকে ৫ নং প্লাটফর্মের দৈর্ঘবৃদ্ধির কাজ জোরকদমে এগিয়ে চলেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের ইয়ার্ডের জটিলতা সত্ত্বেও চ্যালেঞ্জগুলি কাটিয়ে, ডেডিকেটেড প্রজেক্ট টিম 24X7 অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে নির্দিষ্ট যাতে সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করা যায়। নতুন ট্র্যাক, বৈদ্যুতিক লাইন ইত্যাদি স্থাপনের কাজ সহ এমন একটি বিশাল প্রকল্প সম্পন্ন করার জন্য সুবিন্যস্ত পরিকল্পনা এবং সুস্পষ্ট সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ। এই নতুন লে আউটে ইলেকট্রিক ট্রাকশনের বন্দোবস্ত এবং সিগন্যালিং মডিফিকেশনের কাজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ধৈর্যসাপেক্ষ ব্যাপার। ট্রেন চলাচল চালু রেখে এসমস্ত কাজ করা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং এবং দক্ষ রেলকর্মীরা এই বাধা অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছেন। গ্রীষ্মের ভয়ঙ্কর তাপপ্রবাহ সত্ত্বেও, নিবেদিত প্রজেক্ট টিম বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে উঠছে এবং ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার এবং সিগন্যালিং সরঞ্জামগুলির জন্য নতুন খুঁটি স্থাপন করা হচ্ছে। নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং নতুন পরিকাঠামোর নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য এই কাজটি নির্ভুলতার সাথে করা হচ্ছে। দিনের যাত্রী চলাচলে ব্যাঘাত কমাতে এবং ধুলা দূষণ কমাতে রাতে নির্মাণ কাজ চালানো হচ্ছে।যাত্রীদের অসুবিধা কমানোর জন্য, দিনের বেলায় যাত্রীদের চলাচলের সুবিধার্থে প্ল্যাটফর্ম ১,২,৩ এবং ৪ এর কাছে অতিরিক্ত অস্থায়ী এক্সেস রুট খোলা হয়েছে।প্রতি রাতেই রেলসেবা নিবৃত্তির পরেই পূর্বরেলের কর্মীরা কোমর বেঁধে কাজে নেমে পড়ছেন কারণ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে প্রথম ট্রেন চলার আগেই কাজ শেষ করতে হবে যাতে যাত্রীসাধারণ কোনওরকম অসুবিধার সম্মুখীন না হন। শিয়ালদহের সমস্ত সংশ্লিষ্ট বিভাগই প্রত্যেকে প্রত্যেকের বিভাগীয় কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে চলতে বদ্ধপরিকর যাতে খুব শীঘ্রই শিয়ালদহ মেইন এবং নর্থ এর সমস্ত লোকাল ট্রেনই ১২ বগির করে তোলা যায়। প্রকল্পটি শিয়ালদহে সামগ্রিক পরিচালন নমনীয়তা এবং যাত্রীদের সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৪
নিবন্ধ

আপনি কোন ট্রেনে চাপেন EMU নাকি MEMU? জানেন তাদের পার্থক্য?

কলকাতা ও হাওড়ার শহর ও শহরতলীর বাসিন্দরা EMU লোকাল ট্রেনগুলিতে চড়েননি, এরকম যাত্রী খুব কমই আছেন। অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য এই যাতায়াত মাধ্যম এই অঞ্চলের দ্রুত নগরায়নের সহায়ক হিসেবেও বলা যেতে পারে। EMU ট্রেনগুলি শহরতলির অংশগুলির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধাকে ত্বরান্বিত করে। দ্রুতগতির ত্বরণ, চওড়া কোচ, চওড়া দরজা - জানালা, ফলে ভালোভাবে হাওয়া চলাচলের ব্যবস্থা এবং কোচের অভ্যন্তরে হাই স্পিড ফ্যানগুলি যাত্রী স্বাচ্ছন্দের সহায়ক। এই অঞ্চলে প্রথম EMU ট্রেন চলাচল শুরু হয় হাওড়া - শেওড়াফুলি সেকশনে ১৯৫৭ সালে। EMU ট্রেনে অনেকগুলি করে ইউনিট থাকে। প্রত্যেকটি unit এ থাকে দুটি ট্রেইলার কোচ এবং একটি মোটর কোচ এবং EMU ট্রেনে কোচের সংখ্যা সচরাচর তিনের গুণিতকে হয়। বর্তমানে ৯ কোচ বা ১২ কোচ EMU ট্রেনের চলাচল পূর্ব রেলের অধিক্ষেত্রে দেখা যায়। এর প্রত্যেকটি ট্রেইলার কোচে ১১৩ জন যাত্রী বসতে পারে যেখানে মোটর কোচে বসতে পারে ৯৮ জন যাত্রী। এছাড়া EMU ট্রেনগুলিতে স্থানীয় পণ্যের সহজে বাজারজাত করার জন্য vendor কোচ ও যুক্ত থাকে যেখানে ৮৬ জন যাত্রী বসতে পারে। ২৫ KV AC ট্র্যাকশন এবং কনভার্টার এর সাহায্যে এই ট্রেনের DC মোটরগুলিকে চালানো হয়। পূর্বরেলের অধিক্ষেত্রে কলকাতা, হাওড়ার শহর এবং শহরতলীর যোগাযোগব্যবস্থা বজায় রাখতে রোজ প্রায় ১২৭২ টি EMU লোকাল চলাচল করে। এর মধ্যে হাওড়া ডিভিশনে চলে ৩৮৬ টি লোকাল ট্রেন এবং শিয়ালদহ ডিভিশনে ৮৮৬ টি লোকাল ট্রেন। এছাড়াও প্রায় একইরকম দেখতে MEMU বা Mainline EMU ট্রেন চলাচল করে। এই MEMU ট্রেনগুলি সচরাচর শহরতলীর বাইরের অঞ্চলে স্বল্প এবং মাঝারি দূরত্বের ট্রেন হিসেবে চালানো হয়। EMU ট্রেন এর মতোই MEMU ট্রেনগুলিরও আলাদা কোনও ইঞ্জিন থাকে না। মোটর কোচগুলি এখানে ইঞ্জিনের কাজ করে। যদিও MEMU ট্রেনের দৈর্ঘ্য সাধারণত EMU ট্রেনের তুলনায় বেশি হয়। কারণ, MEMU ট্রেনগুলিতে কোচের সংখ্যা সচরাচর EMU ট্রেনগুলির তুলনায় বেশি হয়। বর্তমানে পূর্ব রেলে মোট ১৪১ টি MEMU ট্রেন চলাচল করে। এর মধ্যে হাওড়া ডিভিশনে চলে ৪৫ টি, শিয়ালদহ ডিভিশনে ১৩ টি, আসানসোলে ৮৫ টি এবং মালদা ডিভিশনে ৬ টি। ১৯৯৫ সালে আসানসোল-আদ্রা বিভাগে MEMU পরিষেবা প্রথম শুরু হয়েছিল।এছাড়াও আছে DEMU ট্রেন। তবে এগুলি চলে ডিজেল মোটরে। পূর্ব রেলে এখন মোট ৫০ টি DEMU সার্ভিস চলাচল করে। এরমধ্যে ১১ টি হাওড়া ডিভিশন, ৩৯ টি মালদা ডিভিশনে চলে। এই EMU /MEMU /DEMU ট্রেনগুলি পূর্বরেলের অধিক্ষেত্রে স্বল্প ও মাঝারি দূরত্বে কম খরচে যাতায়াতের জন্য সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে সমাদৃত। সর্বনিম্ন ভাড়া ৫ টাকায় লোকাল ট্রেনে চড়ে যতটা দূরত্বে যাওয়া যেতে পারে, তা অকল্পনীয়। এর পরিবর্তে যে কোনও স্থল পরিবহনের মাধ্যমে সমদূরুত্বে যাতায়াত করতে ২০ টাকা দিতে হতে পারে। বাংলার আর্থ সামাজিক উন্নতিতে পূর্ব রেল এই সাবার্বান ট্রেনগুলির পরিচালনায় অত্যন্ত তৎপর এবং গণপরিবহনের মাধ্যমের উপর সঠিক গুরুত্ব আরোপ করে যথাযতভাবে চালাতে সর্বদা সচেষ্ট।

এপ্রিল ১১, ২০২৪
দেশ

খেলা হবে কিন্তু মাঠ কই

২০২১ শের বিধানসভা নির্বাচনে আবহে রাজ্যে স্লোগান উঠেছিল খেলা হবে। নির্বাচন তা কোনো রাজ্যের হোক অথবা দেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সংসদীয় গণতন্ত্রের নির্বাচনে অতি বিশেষ স্থান রয়েছে। সেখানে এই ধরণের স্লোগান অনেকের কাছে Infantile Disorder বলে মনে হয়েছিল। আবার অনেকের কাছে দবশ রহস্যগন্ধী মজাদার ঠেকেছিল। এবার লোকসভা নির্বাচনের প্রচার কালে কিছু কিছু ঘটনা ও দ্রুত পট পরিবর্তন দেখে মনে হচ্ছে সত্যি ই যেন দেশ জুড়ে খেলা হচ্ছে। আর সেই খেলার পিছনে ধুরন্ধর কোচের মস্তিস্কের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই খেলায় ফুটবলের ভাষায় বললে Movement আর দাবার ভাষায় বললে চাল দুটোতেই শাসক দল আক্রমনাত্মক Strategy বেছে নিয়েছে। আর শাসক দলের এই চলন নিয়ে অন্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন উঠছে। যা ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পথ চলার উপরে প্রভাব ফেলতে পারে।বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের দলবদল INDIA জোটকে ধাক্কা দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সাড়া না দেওয়ায় এই জোট দেশের পূর্ব প্রান্তে অস্তিত্বহীন। পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যে কংগ্রেসের ক্রমাগত রক্তক্ষরণ। এই সব মিলিয়ে বিরোধী জোটকে ছন্নছাড়া দেখাচ্ছিল। অন্য দিকে শাসকদলকে অপ্রতিরোধ্য বলে মনে হচ্ছিল। এই অবস্থায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়ালের গ্ৰেপ্তারি বিরোধী দলগুলির পালে জোরালো হাওয়া এনে দিয়েছে। এক দশক ধরে দিল্লির দুই যুযুধান রাজনৈতিক দল কে এক মঞ্চে এনেছে। শুধু তাই নয় গত ৩১ মার্চ দিল্লির রামলীলা ময়দানে India Gate -র জনসভা থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও ছড়িয়েছে। এর আগে দিল্লির যন্তরমন্তরে এবং মুম্বাইয়ে INDIA মঞ্চের জনসভা হয়েছে। কিন্তু দেশের সব প্রান্ত থেকে শীর্ষ বিরোধী নেতাদের মঞ্চে উপস্থিতি রামলীলা ময়দানে জনসভার ধার এবং ভার দুইই বাড়িয়েছে। সবকিছু কে ছাপিয়ে এই জনসভা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে তার বার্তায়। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বার্তা দেশের গণতান্ত্রিক নির্বাচনের চেহারা ভবিষ্যতে কেমন হবে সেই ভাবনা কে উস্কে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ টাকা দাও, ভোট নাও, প্রচারে বেরিয়ে শুনতে হল শতাব্দী রায়কেINDIA -র মঞ্চ থেকে যে পাঁচটি মূল দাবি তুলে ধরা হয়েছে তার প্রথম দুটি জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে । ১৯৫২ সাল থেকেই নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দল গুলি একে অপরের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়ে আসছে। কিন্তু এই দুটি দাবি মামুলি অভিযোগের গন্ডই ছাড়িয়ে এক বৃহত্তর পরিসরে প্রবেশ করেছে। দেশের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় একশো চল্লিশ কোটি। এবার লোকসভা নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ৯৮ কোটি। তারমধ্যে ৭০-৭৫ কোটি মানুষ ভোট দেবেন। ফলে দেশের প্রথম নির্বাচন থেকে নির্বাচন কমিশন যে কাজ করে আসছে তার ক্রমশ আড়ে বহরে বাড়ছে। এই কাজ শুধু নির্বাচন করিয়ে দেওয়া নয়, নির্বাচন যেন অবাধ শান্তিপূর্ণ এবং সুষ্টুভাবে সম্পন্ন হয় তা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের কর্তব্য। এই কাজ করার ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিষয়টি হলো যে দলগুলি নির্বাচনে লড়বে তারা যেন সমান জমিতে দাঁড়িয়ে লড়তে পারে। অর্থাৎ শক্তিশালী দল আর দুর্বল দলের লড়াইয়ের জমি যেন সমান থাকে। আর জমি সমান রাখতেই আদর্শ নির্বাচনী বিধি জারি করে কমিশন। এই বিধির মূল নিশানায় থাকে শাসকদল। কারন দাপট আর প্রশাসনিক প্রভাবে শাসক দল-ই এগিয়ে থাকে। এই কারণে ই INDIA মঞ্চের প্রথম দুটি দাবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দাবিটি হল লোকসভা ভোটের ময়দানে সবাইকে সমান ভাবে লড়তে পারার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। দ্বিতীয় দাবিটি হল ভোটের মুখে যেভাবে বিরোধী দলের নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্তকারি সংস্থা গুলির ব্যবস্থা নিচ্ছে তা বন্ধ করুক নির্বাচন কমিশন।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন বিচারপতিকে ক্রমাগত নিশানা করে চলেছেন মমতাঅবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে বাধা সৃষ্টি কারি নানান কৌশল ও প্রকরণের তালিকা এদেশে দীর্ঘ এবং অনেক পুরনো। এই পথ ধরেই হিংসা, ভয় দেখানো, এবং ভোট লুঠের মতো অগণতান্ত্রিক আচরণ যে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে রয়ে গিয়েছে তা নাগরিকরা বিলক্ষণ জানেন। এর পাশাপাশি রয়েছে নির্বাচনী ফলকে প্রভাবিত করার বিভিন্ন কৌশল। আর এই সমস্ত প্রক্রিয়ার মূল চালিকাশক্তি যে শাসকদল তা ও সবাই জানে। কারণ ক্ষমতা ছাড়া পেশীশক্তি বা অর্থবলের দাপট দেখানো যায় না। এই কারণেই শাসকদলকে ভোটের সময় নির্বাচন বিধির ঘেরাটোপের মধ্যে না রাখতে পারলে বিরোধী দলগুলি কে অসমান জমিতে দাঁড়িয়ে লড়তে হয়। অবশ্য সীমাবদ্ধ অঞ্চলে যেখানে তাদের ক্ষমতা থাকে সেখানে বিরোধী রাও এক ই পথে হাঁটে। তবে বিরোধীদের অভিযোগ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য বর্তমান শাসক দল রাষ্ট্রক্ষমতা কে যে ভাবে ব্যবহার করছে তা বিপজ্জনক।আরও পড়ুনঃ সুকান্ত, শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ মমতার, পাল্টা দিলেন বঙ্গ বিজেপি সভাপতিএই প্রেক্ষাপটে রাজধানীর রামলীলা ময়দান থেকে কমিশনের কাছে বিরোধীরা যে দাবি তুলেছেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিরোধীদের অভিযোগ নির্বাচনে শাসকদলের রাষ্ট্রক্ষমতার ব্যবহার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে বিপন্ন করে তোলে। রাষ্ট্রক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ভোটের মুখে প্রধান বিরোধী দল গুলির শীর্ষ নেতৃত্বকে দুর্বল করতে পারলে জেতার পথে অর্ধেক রাস্তা এগিয়ে থাকা যায়। শুধু তদন্ত কারি সংস্থা দিয়ে বিরোধী নেতাদের গ্ৰেপ্তার নয় তার সঙ্গে আয়কর দপ্তরের ও অতি সক্রিয়তা সবার নজর কেড়েছে। কংগ্রেসের আর্থিক সংস্থান বন্ধ করে নির্বাচনী ব্যয় কে কঠিন করে তুলতেই এই সক্রিয়তা কিনা তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে। বিশ্বের মধ্যে ভারত বৃহত্তর গনতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এই বিশাল জনসংখ্যার দেশে নির্দিষ্ট সময় নিয়মিত ভোট দানের প্রক্রিয়া গনতান্ত্রিক পথে সম্পন্ন হওয়ার কারণেই এই সম্মান পাওয়া গিয়েছে। এর জন্য স্বশাষিত সংস্থা নির্বাচন কমিশন অবশ্যই কৃতিত্ব দাবি করতে পারে। তাই বিরোধীদের দুটি দাবির মুখে দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ করবে তার উপর দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভবিষ্যত কাঠামো অনেক টাই নির্ভর করছে ।

এপ্রিল ০৭, ২০২৪
বিদেশ

মোদি-র উদ্যোগে ভারত ভুটান মৈত্রী সম্পর্কে নতুন পালক

১৯৪৭ এ ভারত যখন স্বাধীন হয়, ভুটানই প্রথম দেশ যে ভারতকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর ভারত ও ভুটানের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বাতাবরণ তৈরী হয়। ১৯৪৯ এ ৮ ই আগস্ট প্রথম ভারত ও ভুটানের মধ্যে বন্ধুত্বের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যার ভিত্তি ছিল মুক্ত বাণিজ্য ও প্রত্যপর্ণ প্রটোকলের প্রতিষ্ঠা। ভুটান ২০০৭ এ বন্ধুত্ব চুক্তির অধীনে ভারতের কৌশলগত চাহিদা সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন হয় এবং ভারত ও ভুটান তাদের পারস্পরিক কৌশলগত স্বার্থকে সর্বাধিক বা শক্তিশালী করতে সক্ষম হওয়ার জন্য উচ্চ পর্যায়ে পরামর্শ করে। বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্কের দিক থেকে ভুটানকে ভারতের সাহায্য সবথেকে বেশি সুবিধাভোগী করে তুলেছে। লোকসভা ভোটের (২০২৪) আগে গত ২২শে মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুদিনের জন্য রাষ্ট্রীয় সফরে ভুটানে যান তার দ্বিতীয় দফার মেয়াদে এটি ছিল শেষ বিদেশ সফর।ভারত এবং ভুটানের মধ্যে নিয়মিত উচ্চ-পর্যায়ে বিনিময়ের যে ঐতিহ্য রয়েছে তারই ধারা রক্ষার্থে এই সফর করা হচ্ছে এবং প্রতিবেশী প্রথম নীতিতে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে অনুমান করছেন ভারতীয় নাগরিকের একাংশ। শুক্রবার থিম্পুতে এক অনুষ্ঠানে ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগেল ওয়াংচুক ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিকত্ব সন্মান অর্ডার অফ ড্রুক গ্যালপো তে সম্মানিত করেন। তিনিই প্রথম কোনো বিদেশী রাষ্ট্রনেতা,যাকে এই সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করে ভুটান। এই সম্মান পাওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, একজন ভারতীয় হিসেবে আজ আমার জীবনের একটি বড় দিন।আপনি আমাকে ভুটানের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করেছেন। এই সম্মান আমার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটা ভারত ও ১৪০ কোটি ভারতীয়ের সম্মান।এই পুরস্কারটি 2021 সালের ডিসেম্বরে ভুটানের জাতীয় দিবসের সময় প্রথম ঘোষণা করা হয়েছিল।A big thank you to my brother, PM @narendramodi Ji, for visiting us. Neither his busy schedule nor inclement weather could prevent him from fulfilling his promise to visit us. This must be the #ModiKaGuarantee phenomenon! pic.twitter.com/mXkD5a4MUU Tshering Tobgay (@tsheringtobgay) March 23, 2024অনেকেই মনে করেছেন ভুটানের সাথে ভারতের এই সখ্যের ছবি নিঃসন্দেহে অস্বস্থিতে ফেলবে চীনকে যারা ভুটানের সাথে সীমান্ত চুক্তির জন্য তৎপর হয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের খবর পাওয়া যায় মালদ্বীপের পর এবার ভুটানের নির্বাচনেও চীনের উপস্থিতি থাকবে এবং তাদের লক্ষ্য থাকবে ভারতের মিত্র দেশগুলিকে পরাজিত করা। কিন্তু ভুটানের জাতীয় আইনসভা ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির নির্বাচনে ভারতবন্ধু বলে খ্যাত শেরিং তোবগের দোল পিডিপিই জিতে এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে ভুটানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মান্যবর শেরিং তোবগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বড়ভাই বলে সম্মোধন করেন। হিমালয়ের দেশে আসার কয়েক ঘণ্টা পর, প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে তিনি ভুটানের জনগণের কাছে কৃতজ্ঞ, তাঁর মতে তাদের সুন্দর দেশে স্মরণীয় স্বাগত করার জন্য এবং মোদী জানান তিনি আশা, যে ভারত-ভুটান বন্ধুত্ব এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফর দেশের নেবারহুড ফার্স্ট নীতির অংশ হিসাবে ভুটানের সাথে ভারতের অনন্য এবং স্থায়ী সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে চায়।

মার্চ ২৪, ২০২৪
দেশ

রঙের উৎসবে স্পেশাল ট্রেন পূর্ব রেলওয়ের, হোলি উদযাপনের সুবর্ণ সুযোগ

রঙের উৎসব হোলি, যা সমগ্র ভারতে উৎসাহের সঙ্গে পালিত হয় এবং ঐক্য ও আনন্দের মুহুর্তগুলিকে ধারণ করে। সম্প্রদায়গুলিকে একত্রিত করার ঐতিহ্যকে বজায় রেখে, পূর্ব রেলওয়ে তাদের হোলি স্পেশাল ট্রেন পরিষেবা চালু রাখার ঘোষণা করেছে। এই উৎসবের মরসুমে জনপ্রিয় গন্তব্যস্থলে ভ্রমণরত যাত্রীদের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি এই আনন্দময় উৎসব উপলক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার প্রয়োজনে বাড়ি ফিরতে ইচ্ছুক জনগণের চাহিদাও পূরণ করবে এই ট্রেনগুলি।এবারের হোলির উৎসবে পূর্ব রেল ২২টি হোলি স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করার কথা গর্বের সঙ্গে ঘোষণা করেছে, যার মধ্যে ৬টি ওয়ান ওয়ে স্পেশাল ট্রেন রয়েছে। এই ট্রেনগুলি রাক্সৌল, ইন্দোর, বেনারস, জাগী রোড, আনন্দ বিহার, উধনা, নতুন দিল্লি, নিউ জলপাইগুড়ি, ওয়ালসাড, গোরক্ষপুর, পুরী, বারমের, খতিপুরা, চণ্ডীগড়, পাটনা, দিল্লি ও গয়া সহ বিভিন্ন গন্তব্যস্থানকে একসূত্রে বাঁধবে। যাত্রীদের সুবিধাজনক ও আরামদায়ক ভ্রমণের বিকল্প উপলব্ধ করার লক্ষ্যে হাওড়া, শিয়ালদহ, কলকাতা, আসানসোল, ভাগলপুর ও মালদহ সহ প্রধান স্টেশন থেকে এই বিশেষ পরিষেবাগুলি পরিচালনা করা হবে।যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে পূর্ব রেল হোলি উৎসবে উপলক্ষ্যে এই স্পেশাল ট্রেনগুলি পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৫৩৬৫২ টি অতিরিক্ত বার্থের ব্যবস্থা করে পূর্ব রেল নিয়মিত পরিষেবার চাপ কমিয়ে যাত্রীদের জন্য একটি সুগম ও আরামদায়ক ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে।প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য যে আগের বছরের তুলনায় পূর্ব রেল আরও ১৯টি অতিরিক্ত হোলি স্পেশাল ট্রেন চালিয়ে তাদের পরিষেবাযর মান উন্নত করেছে। এটি যাত্রী চাহিদার প্রতি সাড়া দেওয়ার পাশাপাশি এই উৎসব উপলক্ষ্যে এক সুখময় ও আনন্দদায়ক উদযাপন নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে পূর্ব রেলওয়ের অঙ্গীকারেরই পুনর্ব্যক্তি।ভারতের অন্যতম শীর্ষ রেলওয়ে নেটওয়ার্ক হিসাবে, পূর্ব রেল যাত্রী সন্তুষ্টি বৃদ্ধি এবং সমগ্র যাত্রাপথে নিরাপত্তা ও আরামদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সবদাই অঙ্গীকারবদ্ধ।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শ্রী কৌশিক মিত্র বলেছেন, হোলি স্পেশাল ট্রেনগুলির নিরবচ্ছিন্ন পরিচালনার মাধ্যমে, পূর্ব রেল, হাজার হাজার যাত্রীদের জন্য স্মরণীয় অভিজ্ঞতা এবং সাংস্কৃতিক উৎসবের সুযোগ ও সৃজনের ভূমিকায় নিজেকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করবে।

মার্চ ২৩, ২০২৪
দেশ

পতঞ্জলির বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন বন্ধ না হলে মোটা টাকা জরিমানা, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

অসুখ সারানোর বিভ্রান্তিকর ও ভুয়ো বিজ্ঞাপনের কারণে পতঞ্জলির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। গত বছর ২১সে নভেম্বর সুপ্রিমকোর্টের বেঞ্চ, অবিলম্বে পতঞ্জলির এই মিথ্যা বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ সংস্থাটি অমান্য করে চলেছে বলে অভিযোগ ওঠে, ফলে এই বিষয় নিয়ে পতঞ্জলির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ উঠেছে। গত ১৯ সে মার্চ মঙ্গলবার ভুয়ো বিজ্ঞাপন নিয়ে আদালত অবমাননার অভিযোগে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের প্রতিষ্ঠাতা যোগগুরু বাবা রামদেব ও সংস্থার পরিচালক অধিকর্তা আচার্য বালাকৃষ্ণকে তলব করে সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিমকোর্টে বিচারপতি হিমা কোহলি ও বিচারপতি আসানউদ্দিন অমানুল্লার বেঞ্চে এই মামলাটি ওঠে। এই মামলায় পতঞ্জলি সংস্থার পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুকুল রোহিতেগি এবং বিপক্ষে ছিলেন ইন্ডিয়ান মেডিকেল এসোসিয়েশনের আইনজীবী পি এস পাটোয়ালিয়া। শুনানি চলাকালীন বিচারপতি হিমা কোহলি জানতে চান, সুপ্রিম কোর্টের নোটিস অবমাননার কারণ। আইনজীবী রোহিতেগি জানান, জবাব দেওয়া হয়নি। প্রতুত্তরে বিচারপতি কোহলি জানান, আমরা এই বিষয়টিকে খুবই গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। আপনারা জবাব দেননি, ফলে নির্দেশ ও পরিণতির বিষয়টি সামনে আসে এরপরই যোগগুরু বাবা রামদেবকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল আসোসিয়েশনের অভিযোগ, পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ অ্যালোপ্যাথি ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে পাশাপাশি রোগ নিরাময়েরও ভুল দাবি করে চলেছেন। সেই সব বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে ও সংস্থার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেয়ার জন্য সুপ্রিমকোর্টের কাছে আবেদন করেছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল আসোসিয়েশন। নভেম্বর মাসে এই মামলার শুনানির সময় বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন ও চিকিৎসা ব্যাবস্থার অপপ্রচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য পতঞ্জলি সংস্থাকে ভৎসনা করেছিল সুপ্রিমকোর্ট। বিচারপতি আমানুল্লা জানান, ভবিষ্যতে এই প্রচার চালানো হলে ১ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে বলে সতর্ক বার্তা দেন। জরিমানার বিষয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করে রামদেব জানিয়েছেন, কিছু চিকিৎসক উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তার সংস্থা পতঞ্জলিকে কালিমালিপ্ত করতে চাইছেন। শুধু পতঞ্জলিই নয়, আয়ুর্বেদের বিভিন্ন চিকিৎসা পদ্ধতির বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হচ্ছে। এক সাংবাদ মাধ্যমে রামদেব বলেছেন, যদি আমরা মিথ্যাবাদী হই, তবে ১০০০ কোটি টাকা জরিমানা করুন। আমরা মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতেও প্রস্তুত।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজ্য

ফের বদল রাজ্য পুলিশের ডিজি, নতুন পদে সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে নিয়োগ কমিশনের

ইতিমধ্যে রাজ্য পুলিশের ডিজির পদ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন আইপিএস রাজীব কুমারকে অপসারণ করেছিল। নির্বাচনী সব প্রক্রিয়া থেকে তাঁকে বাইরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর রাজ্যের ডিজি কে হবেন তা নির্ণয়ে নবান্নের কাছে তিনটি নাম চেয়েছিল কমিশন। সেই তালিকা থেকে রাজ্যে কর্মরত সবচেয়ে অভিজ্ঞ আইপিএস বিবেক সহায়কে ডিজির চেয়েরে বসার সিলমোহর দেয় কমিশন। ওইদিনই দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন বিবেক সহায়। কিন্তু ২৪ ঘন্টা না কাটতেই ফের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি পরিবর্তন করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বিবেক সহায়ের বদলে নবান্নের তরফে কমিশনের কাছে পাঠানো তালিকায় নাম থাকা আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি-র দায়িত্ব দেওয়া হল। আজ, অর্থাৎ মঙ্গলবার বিকেল ৫টর মধ্যেই ডিজি-র দায়িত্বভার গ্রহণ করতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।রাজীব কুমারের উত্তরসূরি হিসাবে আইপিএস বিবেক সহায়ের সঙ্গে আরও দুই সিনিয়র আইপিএস অফিসার সঞ্জয় মুখোপাধ্যায় এবং রাজেশ কুমারের নাম নবান্ন কমিশনে পাঠিয়েছিল। তার মধ্যে থেকেই এ দিন ১৯৮৯ সালের আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে ডিজি নিয়োগ করল কমিশন।কেন ২৪ ঘন্টার আগেই ডিজি-র পদ থেকে আইপিএস বিবেক সহায়কে সরাল কমিশন? সূত্রের খবর, আইপিএস বিবেক সহায়কে সিনিয়ারিটির ভিত্তিতে রাজ্য পুলিশের সর্বোচ্চ পদে বসানো হয়েছিল। কিন্তু লোকসভা ভোট চলাকালীনই আগামী মে মাসে তাঁর অবসর। তখনও সাত দফা নির্বাচনের শেষ দফা ভোট (১ জুন) বাকি থাকবে। ফলে আইন-শৃঙ্খলার অসুবিধা হতে পারে। কমিশনের যুক্তি, ভোট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন ডিজিপি দায়িত্বে থাকলে কাজের সুবিধা হয়। তাই আইপিএস সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কেই রাজ্যের ডিজি-র চেয়ারে বসানো হল।অপসারণের দিন রাতেই আইপিএস রাজীব কুমাকে রাজ্যের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব পদে নিয়োগ করেছে রাজ্য প্রশাসন।

মার্চ ১৯, ২০২৪
দেশ

ভোটের অর্ধেক আকাশ

যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। সৈন্য সজ্জ্বার প্রস্তুতি প্রায় শেষ। ভোটের দিন ঘোষণা হয়ে গেলে বুহ্য রচনা হবে। তবে এ তো আর কামান,বন্দুক নিয়ে যুদ্ধ নয়। ভোট যুদ্ধের একটি বড় অংশ জুড়ে থাকে বাকযুদ্ধ। সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক দল গুলির মধ্যে একে অপরের আক্রমণের অস্ত্র কখনও জাতিগননা, কখনও প্রতিশ্রুতির নামে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ। ভোটের ময়দানে একে অপরের যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী সেখানে তো এমনটা হওয়াই দস্তুর। একের সঙ্গে অপরের সব ইস্যুতেই দ্বৈরথ। মিল খুঁজে না পাওয়াটাই স্বাভাবিক।তবে অমিলের এই রাজত্বে অসাধ্য সাধন করেছেন দেশের মহিলারা। মহাভারতে কৃষ্ণের আর্শীবাদ পেতে জান লড়িয়ে দিয়েছিল কৌরব পান্ডব দুপক্ষই। তেমনই সাম্প্রতিক পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন থেকে দরজার দাঁড়িয়ে থাকা লোকসভা নির্বাচনেও সবদলের নজরেই রয়েছে মহিলা ভোট। সম্মান, লিঙ্গসাম্য, শিক্ষার হার, কাজের সুযোগ সব কিছুতে পিছিয়ে থাকলেও ভোটার সংখ্যায় যে তারা বেড়েছেন। অতএব, এই রত্ন ভান্ডারে নজর তো থাকবেই। নারী উন্নয়নে কে কতটা আন্তরিকতা বোঝানোর উদগ্ৰ প্রতিযোগিতা চলছে। তাঁর সঙ্গে চলছে নানা গালভারি প্রকল্পের নামে হাতে কিছু অর্থ পৌঁছে দেওয়ার প্রতিযোগিতা।যে মুল সমস্যাগুলির নিচে চাপা পড়ে রয়েছে সেগুলি সমাধান কোনো দিশা নেই। গত কয়েক দশকে labour force participation সূচকে মহিলাদের সংখ্যা ক্রমশই কমছে। বর্তমানে দেশের কাছের বাজারে ৯০ শতাংশ-ই যুক্ত অসংগঠিত ক্ষেত্রে। এই ক্ষেত্রের উৎপাদন শিল্প এবং পরিসেবা প্রদান সংস্থায় কাঠামোগত কারণে মেয়েদের কাজের সুযোগ অত্যন্ত কম। এই পরিস্থিতিতে বহু ক্ষেত্রেই সমস্যা আরও বাড়িয়েছে লিঙ্গ বৈষম্য এবং জাতপাতের ছুৎমার্গ। এর ফলে কাজের বাজারে মহিলাদের স্থান ক্রমশ তলানিতে পৌঁছেছে। এই বিষয়গুলি নিয়ে বহুদিন ধরেই বহু চর্চা এবং গবেষণা চলছে। সম্প্রতি ইকনমিক অ্যান্ড পলিটিক্যাল উইকলিতে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাপত্রটির বিষয়টি হলো জাতপাতের নিরিখে গ্ৰামীন অসংগঠিত ক্ষেত্রে মহিলাদের উপস্থিতি কতোটা।আশয় কদম এবং কিংশুক সরকার এই দুই গবেষকের সমীক্ষায় এই বিষয়টি ছাড়াও দেখা গিয়েছে সমাজের প্রান্তিক অবস্থানের মহিলারা এই কারণে labour pyramid-র একেবারে নিচে থেকে যাচ্ছেন। ফলে তাদের সামাজিক উত্তরন ঘটছে না। দুই গবেষক বিহার, উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান, হরিয়ানা ও মহারাষ্ট্রের তহশিল স্তরে ২০১১ সালের socio economic and cast census য়ের তথ্যের ভিত্তিতে এই সমীক্ষা করেছেন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে লিঙ্গ বৈষম্যের কারণে মহিলারা কাজের বাজারে বহু বাধার মুখে পড়েন। দেশে প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় মেয়েরা ঘরকন্না করবে, সংসারের অন্য সদস্যদের দেখাশোনা করবে এটাই আশা করা হয়। এই সামাজিক বাধা কাটিয়ে যদি বা কোনো মহিলা কাজের বাজারে পৌঁছন সেখানে তাঁকে আইনি বাধা এবং বেতন বৈষম্যের মুখে পড়তে হয়।যেমন অনেক সংস্থাতে রাতের শিফটে মহিলা কর্মীদের কাজ করানোয় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে অসংগঠিত কাজের বাজারে labour force participation য়ের নিরিখে নিম্নবর্গের মহিলাদের উপস্থিতি বেশি। গবেষকরা দেখিয়েছেন কাজের মজুরি কম এবং সামাজিক অবস্থানের পরিবর্তন না হলেও বেশি সংখ্যায় মহিলারা কাজে যুক্ত হওয়ার পিছনে অন্য কারন রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ঐতিহাসিক ভাবেই দেখা গিয়েছে গৃহ পরিচর্যার এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ নিম্নবর্গের মহিলা ও পুরুষরাই করবেন বলে সমাজে স্বীকৃত। ফলে পুরুষরা শারীরিক পরিশ্রমের কাজে যুক্ত হন আর মহিলারা ঊচ্চবর্ণের বাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজ করতে বাধ্য হন। তবে, গবেষণায় দেখানো হয়েছে জাতপাতের তারতম্য মহিলাদের ক্ষেত্রে অনেক বেশি তীক্ষ্ণ। কাজের বাজারে এই তারতম্য অত্যন্ত প্রকট। এই কারণে ঊচ্চবর্ণের মহিলাদের তুলনায় কাজের বাজারে নিম্নবর্গের মহিলাদের উপস্থিতির হার অনেক বেশি। এর কারণ শিক্ষার মান অনুযায়ী কারা কি ধরনের কাজ পাবেন তার ঠিক হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে শিক্ষায় নিম্নবর্গের মহিলারা অনেকটাই পিছিয়ে থাকেন। এই কারণে অসংগঠিত ক্ষেত্রে নিচুতলার কাজ ছাড়া অন্য কোনো কাজ পান না। প্রবল চেষ্টায় নিম্নবর্গের কোনো মহিলা যদি স্কুলের গন্ডি টপকাতে পারেন তাহলে সরকারি সংগঠিত ক্ষেত্রে সংরক্ষণ নীতিতে তাঁরা কিছুটা কাজের সুযোগ পান।এই প্রসঙ্গে গবেষণার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল অসংগঠিত এবং সংগঠিত এই দুই ক্ষেত্রে labour force য়ে মহিলাদের সংখ্যা বাড়লে কাজের বাজার এবং সমাজের নানা স্তরে উন্নয়ন সূচক বাড়ে । পাশাপাশি দেখা গিয়েছে আর্থিক সক্ষমতা থাকলে পরিবার পরিচালনার ক্ষেত্রে মহিলাদের মতামতের গুরুত্ব বাড়ে। এক ই সঙ্গে গবেষকরা দেখিয়েছেন মহিলাদের শিক্ষা এবং কাজের সুযোগ বাড়লে বাল্য বিবাহ এবং অল্প বয়সে সন্তান ধারণের সংখ্যা ও কমে। গবেষকরা তো তাদের কাছ করে চলেছেন। সমাজের নানা দিকের বহু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাঁরা আলো ফেলছেন।তবে সেই বিষয় গুলি ভোট শিকারী এবং নীতি নির্ধারকদের চোখে পড়লে হয়।

মার্চ ১৪, ২০২৪
দেশ

সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে সেনাবাহিনীতে বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে সোচ্চার বাংলা পক্ষ

ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতি সহ নানাবিধ বৈশিষ্টের ওপর ভর করে নানা রেজিমেন্টে ভাগ করা হয়েছে। সেখানে যেমন মাদ্রাজ রেজিমেন্ট আছে তেমনই বিহার রেজিমেন্ট, রেজপুতানা রেজিমেন্ট, গোর্খা রেজিমেন্ট (রাইফেলস), রাজপুত রেজিমেন্ট সহ একাধিক রেজিমেন্ট আছে। বাংলা ভাষা ও বাঙালীর অধিকার রক্ষাকারি একমাত্র সংস্থা বাংলা পক্ষের দাবী বাংলা রেজিমেন্ট। বাংলা পক্ষ জানায়, বাঙালির রক্তে স্বাধীন হয় ভারতবর্ষ, আন্দামানের সেলুলার জেলের প্রত্যেকটা ইঁটে বাঙালি বিপ্লবীদের রক্ত লেগে আছে। পরাধীন ভারতবর্ষকে স্বাধীন করতে বাঙালি বীর সুভাষচন্দ্র বসু ও রাসবিহারী বসু তৈরি করেছিলেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। কিন্তু দুঃখের কথা ভারতীয় সেনায় কোনো বাঙালি রেজিমেন্ট নেই। সুভাষ চন্দ্র বসুর মাতৃভাষা বাংলা ভাষায় সেনাবাহিনীর চাকরির পরীক্ষা দেওয়া যায় না।রাত পোহালেই ভারতবর্ষের ৭৫তম সাধারনতন্ত্র দিবস। তার প্রাক্কলে ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট ও সেনায় চাকরি পাওয়ার পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার দাবিতে সোচ্চার হল বাংলা পক্ষ। ভারতের বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ এই দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই সরব। বুধবার সংগঠনের ডাকে এক্স হ্যাণ্ডেল (সাবেক টুইটারে) তারা এর প্রচার করে। তার হ্যাশট্যাগ #BengaliRegimentInIndianArmy বাংলা পক্ষের আবেদন, বাংলা থেকে নির্বাচিত ৪২ জন সাংসদ যাতে সংসদে বাঙালি রেজিমেন্টের দাবিতে সরব হয় তা জানিয়ে সাংসদদের চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ও একটি চিঠি তাঁরা দিয়েছে।বাংলা পক্ষ সংগঠনের পক্ষে তাঁদের অন্যতম শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্টের দাবি লোকসভায় উত্থাপন করার অনুরোধ জানিয়ে বাংলার সকল সাংসদকেই চিঠি দিয়েছে বাংলা পক্ষ। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। বাংলা পক্ষর সাধারন সম্পাদক ডঃ গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ভারতের স্বাধীনতার জন্য সবথেকে বেশী রক্ত দিয়েছে বাঙালি, ইন্ডিয়ান ন্যাশানাল আর্মি (Indian National Army) বা আজাদ হিন্দ ফৌজ তৈরী করেছিলেন এক বাঙালি অথচ আজ স্বাধীন ভারতের সেনা বাঙালির কোন রেজিমেন্ট নেই, যেখানে বিহার, পাঞ্জাব, গাড়োয়াল, মারাঠা, গোর্খা রেজিমেন্ট আছে। এটা অত্যন্ত লজ্জাজনক। সুভাষ চন্দ্র বসুকে নিয়ে রাজনীতি করা হয় কিন্তু তাঁর মাতৃভাষায় সেনায় ভর্তি পরীক্ষা হয় না। বাংলা পক্ষ চায় নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা জানাতে বাংলা ভাষায় সেনার পরীক্ষা ও বাঙালি রেজিমেন্ট গঠন করুক যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার। আগামীদিনে সেনার চাকরির স্বপ্ন দেখা বাঙালি যুবকদের স্বার্থে এই দুই দাবিতে আন্দোলন তীব্রতর করা হবে বলে জানানো হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

মমতার নিশানায় সিপিএম, বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোট কি বড় সমস্যায়?

মোদীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন, কিন্তু একইসঙ্গে পার্কসার্কাসের সভায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মুখে চরম আক্ষেপের সুর। তৃণমূল বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের অন্যতম শরিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই জোটের অন্যতম শীর্ষ নেত্রী। সেই মমতার মুখেই ভয়ঙ্কার অভিযোগ শোনা গেল ইন্ডিয়া জোটের আরেক শরিকের বিরুদ্ধে! ফলে প্রশ্নের মুখে বিরোধী জোটের ভবিষ্যৎ। তৃণমূল নেত্রী বুঝিয়ে দিলেন, বিজেপি তাঁর মূল শত্রু হলেও পুরনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দৃষ্ঠিভঙ্গি লঘু করতে নারাজ তিনি।সংহতি যাত্রা শেষে সোমবার গেরুয়া শিবিরকে তুলোধনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই প্রসঙ্গেই টেনে আনেন বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের কথা। যা বলতেই গিয়েই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদের সঙ্গে আমরা জীবনের ৩৪ বছর ধরে লড়াই করেছি, তাদের কোনও পরামর্শ আমরা শুনব না। আমাদের অনেক অসম্মান করা হয়। কিন্তু তাও, আমরা বলেছিলাম, যে আঞ্চলিক দল যেখানে শক্তিশালী, সেই জায়গাটা তাঁদের উপর ছেড়ে দেওয়া হোক।সেই সঙ্গেই নাম না করে কংগ্রেসের উদ্দেশে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, ৩০০ আসনে আপনারা এককভাবে লড়ুন, আমরা সাহায্য করে দেব। আমরা তোমাদের কোনও আসনে লড়ব না। এরপরই তুলে ধরেন নিজের আক্ষেপের কথা। মমতার কথায়, ইন্ডিয়ার নাম আমরা দিয়েছি। কিন্তু আমাদের এটা বলতে খুব দুঃখ হচ্ছে, আমরা যখন বৈঠকে যাই, দেখি সিপিএম বৈঠককে কন্ট্রোল করে। ওরা বলছে, যা মর্জি করব।ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কতা, একটা কথা মাথায় রাখুন, বিজেপিকে সাহায্য করবেন না। আল্লা কসম আপনারা ক্ষমা করবেন না, আমিও করব না।নাম না করলে এদিন রাহুল গান্ধীকেও একহাত নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, আমাদের সাহস আছে। আজ তো আমরা মিছিল করলাম। সাহস দেখলাম। এতগুলো রাজনৈতিক দল আছে। কে কী সাহস দেখাল? আমরা তো মন্দির, মসজিদ, গির্জা, গুরুদ্বার সব ধর্মীয় স্থানে গিয়েছি। একটা মন্দির ভিজিট করলেই হয়ে য়ায় নাকি? উল্লেখ্য, ভারতজোড়ে ন্যায় যাত্রার সময় সোমবার অসমের বাতদ্রব থান নামে একটি মন্দিরে যান রাহুল গান্ধী। তবে পুলিশ রাহুলকে আটকে দেয় বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মতো দুপুর ৩টে পর্যন্ত কারোর মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি নেই। এরপরই মন্দিরের বাইরে রাহুল সহ কংগ্রেস নেতৃত্ব ধর্নায় বসে পড়েন।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৪
রাজনীতি

মমতাকে বড় চ্যালেঞ্জ অধীর চৌধুরীর, ইন্ডিয়া জোটে কি অশনি সংকেত?

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বিবাদে কি অশনি সংকেত? তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়া বা আসন রফার বিরোধিতা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলে নেত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতার।২০১৯ লোকসভা ভোটে বাংলায় বহরমপুর ও মালদা দক্ষিণ আসনটি হাত শিবিরের দখলে গিয়েছিল। তৃণমূলের প্রস্তাব ওই দুই আসনই শুধু কংগ্রেসকে ছাড়া হবে। মমতা এবং কংগ্রেস হাই কমান্ডের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা জানিয়ে তৃণমূলের প্রস্তাব বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যেই বলেছেন অধীর। রাজ্যের শাসক শিবিরের এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয় পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস নেতৃত্ব। অধীর চৌধুরীর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, কংগ্রেসকে দুটো আসন (লোকসভা) দেব। কোন দুটো আসন (আসন) দেবেন? ওঁকে ও বিজেপিকে হারিয়েই তো ওই দুটো আসন নিয়েছি আমরা। ওরা আমাদের কি উপকার করছে? কে তাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বিশ্বাস করবে? আমাদের নিজেদের ক্ষমতায় আরও অনেক আসনে আমরা লড়তে পারি।অধীর চৌধুরী বলেছেন, কংগ্রেসকে জেতাতে মমতার দরকার নেই। কংগ্রেস নিজের দমে লড়তে পারে এবং এর থেকে (দুটো) বেশি আসন জিততে সক্ষম। আমরা দেখাবো। আমাদের এই দুটো আসনে মমতার দয়ার দরকার নেই।বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরারে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন অধীর চৌধুরী। বলেছেন, আসুন, আপনি নিজে আসুন। আপনি প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে বলছেন মোদীর বিরুদ্ধে লড়তে। আমি আপনাকে বলছি, আপনি আসুন এখানে আমার বিরুদ্ধে লড়তে। যে কোনও মামুকে এখানে পাঠিয়ে দাও। যদি হারাতে পারে, রাজনীতি ছেড়ে দেব। কত তাগদ আছে দেখছি আপনার। মালদায় চলুন দেখছি। আপনার দয়ায় আমরা এ সব আসন জিতিনি। কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতার দাবি, মমতা জোটে থাকতে পারবেন না, কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অপছন্দ করেন এমন কিছু তিনি কখনই করবেন না।বহরমপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) রাজ্যে জোটের সম্ভাবনা নষ্ট করছেন। তিনি যা বলেছেন তা শুনলে বোঝা যাবে তিনি জোট চাননি। তাঁর দল বলছে যে তারা জাতীয়ভাবে জোটে আগ্রহী, কিন্তু বাংলায় নয়। এটা স্পষ্ট যে মুখ্যমন্ত্রী এখানে জোট চান না।তৃণমূলের তরফে দেওয়া দুটি আসনের প্রস্তাব উড়িয়ে অধীর চৌধুরী। বহরমপুর, মালদা উত্তর ছাড়াও প্রদেশ কংগ্রেসের নজরে রয়েছে রায়গঞ্জ, পুরুলিয়া, দার্জিলিং, বসিরহাট সহ আরও বেশ কয়েকটি বাংলার লোকসভা আসন।অধীরের চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, অধীর চৌধুরী কেন এত দিন দক্ষিণ কলকাতায় এসে দাঁড়াননি? সুতরাং এ সব কথা অর্থহীন। আর ২০২১ সালে তৃণমূল আলাদা লড়ে সরকার গড়েছে। সিপিএমের সঙ্গে জোট করে অধীর পেয়েছিলেন শূন্য।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

৪৮ ঘণ্টা আগে ভোট, তার আগেই কুপিয়ে হত্যা হিন্দু ব্যবসায়ীকে

ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে ফের নৃশংস হত্যার অভিযোগ। ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম সুষেন চন্দ্র সরকার, বয়স ৬২ বছর। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুষেন চন্দ্র সরকার পেশায় চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে তিনি নিজের দোকানেই ছিলেন। সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী দোকানে ঢুকে তাঁর সঙ্গে বচসা শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুষেনবাবুকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি দোকানের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই দেশজুড়ে অশান্তির ছবি সামনে আসতে শুরু করে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনুস দায়িত্ব নিলেও কট্টরপন্থীদের দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ। এর আগেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রনেতা ওসমান হাদি খুনের পর সংবাদমাধ্যমের অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটেও চালানো হয় হামলা। এরপর সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপু দাসকে গণপিটুনির পর হত্যা করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।এই পরিস্থিতিতে ভোটের ঠিক আগে ফের এক হিন্দু ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ভোটমুখী বাংলাদেশে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

কৃষি চুক্তির আড়ালে বড় বিপদ? লোকসভায় সতর্কবার্তা অভিষেকের

মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক কেউই স্বস্তি পাননি। বরং প্রত্যেকেই আরও বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি আমেরিকা ও ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন।অভিষেক বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভারতের কৃষকরা। তাঁর দাবি, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির পর ভারতীয় কৃষকরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মার্কিন কৃষি সচিবের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন।অভিষেক জানান, বাণিজ্য চুক্তির পর মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রলিনস এক্স মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার কৃষকরা আরও বেশি পণ্য ভারতে রফতানি করতে পারবেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি অর্থ ঢুকবে এবং ভারতের সঙ্গে কৃষি-বাণিজ্যের ঘাটতি কমবে।এই মন্তব্যের পরেও ভারত সরকার কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাল না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিদিন কৃষকদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে লাভবান হচ্ছেন সে দেশের কৃষকরা, আর ভারতীয় কৃষকরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।অভিষেকের প্রশ্ন, মার্কিন কৃষি সচিব প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করার পরেও ভারত সরকার কেন সেই বক্তব্য খারিজ করল না? কেন কোনও জবাব দেওয়া হল না? সংসদে এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের নীরবতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

৮৫ মিনিটের বাজেটে একবারও বাংলার নাম নয়! সংসদে বিস্ফোরক অভিষেক

লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় একবারও বাংলার নাম উচ্চারণ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এত দীর্ঘ বক্তব্যেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার ছবিটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।অভিষেকের দাবি, কেন্দ্র যে ফ্রেট করিডরের কথা বাজেটে ঘোষণা করেছে, সেই প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও বাংলাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই সরকার সমতায় নয়, পক্ষপাতেই বিশ্বাস করে।এদিন অভিষেক বলেন, অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। অথচ বাংলা বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত। মনরেগায় নতুন কাজ বন্ধ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সব ক্ষেত্রেই বাংলাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পানীয় জলের মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও রাজ্যকে দরাদরি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপ-এর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনবার কর দিতে হচ্ছে। প্রথমে বেতন থেকে আয়কর কাটা হয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি বিস্কুট, স্কুলের খাতা, হাসপাতালের বিল, এমনকি সাবানেও কর দিতে হয়। তৃতীয় কর হল মূল্যবৃদ্ধি, যা অনুমতি ছাড়াই বাড়ে। অভিষেকের কথায়, এটিই হল নীরব কর।মধ্যবিত্তদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, মাসের মাঝপথেই অনেকের বেতন শেষ হয়ে যায়। একটি গাড়ি কিনলেও তিনবার কর দিতে হয় আয়কর, রোড ট্যাক্স এবং টোল ট্যাক্স।এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা ইস্যুতেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, জয় বাংলা বলা বা সোনার বাংলা গান গাইলেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া হচ্ছে। সেনাকর্মী, নোবেলজয়ী কিংবা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক কোটি মানুষকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে।সবশেষে অভিষেক বলেন, কেন্দ্র যদি তহবিল বন্ধ করতে চায়, তা করতেই পারে। কিন্তু বাংলার মেরুদণ্ড কখনও ভাঙবে না। সব কিছু কেড়ে নেওয়া গেলেও মানুষের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় না। মানুষ জেগে উঠলে শেষ কথা বাংলাই বলবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই ১৫০০ টাকা! যুবসাথীতে বড় চমক মমতার

আগস্টের অপেক্ষা আর নয়। এপ্রিল থেকেই চালু হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্প। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই রাজ্যের বেকার যুবক ও যুবতীরা প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন।কয়েক দিন আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় শিক্ষিত বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অগস্ট মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই প্রকল্পটি কার্যকর করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক ও যুবতীরা, যাঁরা মাধ্যমিক পাশ করার পর এখনও বেকার। কেউ যদি স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন, তাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনও বাধা নেই। তবে স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যদি কেউ নিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে যুবসাথীর টাকা মিলবে না।প্রাথমিকভাবে টানা পাঁচ বছর প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাঁচ বছর পরেও কেউ যদি বেকার থাকেন, সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আদলে বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে সেখানেই আবেদন করা যাবে এবং সঙ্গে সঙ্গে আবেদনপত্রের রসিদও দেওয়া হবে।যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানিয়ে শীঘ্রই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনে ৩৯ বার কাঁপল সিকিম! বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় সতর্কবার্তা

ভূমিকম্পের পরে আফটারশকের কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু টানা চার দিন ধরে একের পর এক কম্পনের ঘটনা খুব একটা শোনা যায় না। পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে ঠিক এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা কম্পনে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।জানা গিয়েছে, এই চার দিনে মোট ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। মাত্রা খুব বেশি না হলেও বারবার কম্পন হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। তার প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়। এরপর মাত্র ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিটের মধ্যে পরপর ১২টি ভূমিকম্প হয়। মঙ্গলবার সকালেও নামচি ও মঙ্গন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারাবাহিক কম্পন ফোর শক হতে পারে। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এ ধরনের কম্পন দেখা যায়। তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরও নিরাপদ জায়গা খুঁজে রাখার কথা জানিয়েছে বাসিন্দাদের।এই ধারাবাহিক কম্পনের পিছনে পাহাড়ে অতিরিক্ত নির্মাণ, জলাধার তৈরির কাজ, বা রেলপথ নির্মাণের সময় ডিনামাইট ফাটানোর মতো কার্যকলাপ কোনও ভূমিকা রাখছে কি না, তা নিয়েও খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।সিকিম পশ্চিমবঙ্গের খুব কাছেই অবস্থিত। সারা বছরই সেখানে বহু বাঙালি পর্যটক যান। তাই সিকিমে বড় কোনও ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে HIV আতঙ্ক! এক শহরেই আক্রান্ত ৩০ যুবক, চাঞ্চল্য স্বাস্থ্য দফতরে

বর্ধমান জেলায় HIV আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তার মধ্যে একটি বড় অংশই বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দফতর। সোমবার দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরে অন্তত ৩০ জন যুবক HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।জনস্বাস্থ্য দফতরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় জানিয়েছেন, জেলায় বর্তমানে প্রায় ৯০ জন HIV আক্রান্ত রয়েছেন। তার মধ্যে বর্ধমান শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জন। এঁরা সকলেই যুবক, উচ্চশিক্ষিত এবং অভিজাত পরিবারের বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণের কারণেই সংক্রমণ বেড়েছে।বিশ্বনাথবাবুর কথায়, সাধারণত যৌনপল্লি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত সচেতনতা অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এ বছর একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, সমকামী সম্পর্কের মাধ্যমেও এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক যুবক দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর একাধিক পরীক্ষা করান। সেই পরীক্ষার মধ্যেই ছিল HIV টেস্ট। তখনই ধরা পড়ে তিনি সংক্রমিত। পরে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের আরও কয়েকজন যুবকের পরীক্ষা করা হলে পরপর অনেকেই HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হন। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও বড় যৌনচক্র থাকতে পারে বলেও মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতর প্রস্তুত বলে দাবি করা হয়েছে। আক্রান্তদের পরিচয় গোপন রেখে চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা বাড়ানোর কাজও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, HIV সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিরাপদ যৌন আচরণ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal