• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : পেলেকে স্পর্শ সুনীলের, ফাইনালের স্বপ্ন ভারতের

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর জুটি ম্যাচে ড্র করে দারুণ চাপে পড়ে গিয়েছিল ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখতে গেলে নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না ভারতীয় দলের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠল ইগর স্টিম্যাকের দল। নেপালকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল। মরণবাঁচন ম্যাচে দেশের মান বাঁচালেন সুনীল ছেত্রি। পাশাপাশি এদিন গোল করে কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে স্পর্শ করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ভারতের কাছে যেমন এদিন ছিল মরণবাঁচন ম্যাচ, তেমনই সুনীল ছেত্রির কাছে ছিল পেলেকে ছোঁয়ার ম্যাচ। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে পেলে ৭৭ গোল করেছেন। নেপালের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে দেশের জার্সি গায়ে সুনীলের গোল সংখ্যা ছিল ৭৬। ম্যাচের ৮২ মিনিটে নেপালের জালে বল ঢুকিয়ে পেলের পাশে জায়গাআ করে নিলেন সুনীল ছেত্রি। নেপালের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিলেন ইগর স্টিম্যাক। তা সত্ত্বেও ভারতের খেলায় খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। প্রথমার্ধে ভারতকে তেমন ছন্দে দেখা যায়নি। বলার মতো একটা মাত্রই সুযোগ পেয়েছিল ইগর স্টিম্যাকের দল। ৩৪ মিনিটে প্রীতম কোটালের কাছ থেকে নেপাল পেনাল্টি বক্সে বল পেয়ে মাইনাস করেন সুরেশ। সুরেশ যখন মাইনাস করেন, সুনীলের সামনে কেউ ছিলেন না। ফাঁকা গোলে বল ঠেলতে ব্যর্থ হন সুনীল। প্রথমার্ধে কোনও দলই আর গোল করার সুযোগ পাননি। দ্বিতীয়ার্ধেও সেই ছন্নছাড়া ফুটবল। নেপালের লক্ষ্য ছিল ভারতকে কোনও রকমে আটকে দিয়ে ১ পয়েন্ট নিশ্চিত করা। তাহলেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে যাবে। তাই রক্ষণের দিকে বেশি নজর দিয়েছিল। নেপালের রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না সুনীলরা। তার মাঝেই ৫৭ মিনিটে ব্রেন্ডনের কর্ণারে সুবিধাজনক জায়গা থেকে নেপাল গোলকিপারের হাতে হেড করেন মনবীর সিং। ৭৭ মিনিটে আবার গোল করার সুযোগ পেয়েছিল ভারত। ব্রেন্ডনের ফ্রিকিক বক্সের মধ্যে হেড করার চেষ্টা করেন সুনীল ছেত্রি। বল তাঁর মাথার পেছন দিকে লেগে যায় শুভাশিস বোসের কাছে। তাঁর হেড আটকে দেন নেপাল গোলকিপার কিরণ কুমার।শেষদিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৮০ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন সুনীল ছেত্রি। বেশ কয়েকটা সুযোগ নষ্ট করার পর অবশেষে ৮২ মিনিটে লক্ষ্যভেদ ভারতীয় দলের অধিনায়কের। বাঁদিক থেকে ব্রেন্ডনের সেন্টার ফারুখ চৌধুরি হেডে নামিয়ে দিলে বাঁপায়ের সাইড ভলিতে বল জালে জড়িয়ে দেন সুনীল। একই সঙ্গে ভারতের ফাইনালের স্বপ্নও জেগে রইল। ৩ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট ৫। শেষ ম্যাচ খেলবে ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মালদ্বীপের সঙ্গে। জিতলেই ফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত। প্রতিযোগিতায় দেশকে টিকিয়ে রাখতে পেরে খুশি সুনীল ছেত্রি। ম্যাচের পর তিনি বলেন, গোলের সামনে আমরা বারবার ব্যর্থ হয়েছি। ফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখতে পেরে ভাল লাগছে।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SAFF Championship : নেপালের বিরুদ্ধে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে মরণবাঁচন ম্যাচে নামছেন সুনীলরা

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ খেলতে নেমেছে ভারতীয় ফুটবল দল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে প্রতিযোগিতার অন্য দলগুলির তুলনায় এগিয়ে থাকলেও প্রথম দুটি ম্যাচে সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স অনুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরপর ড্র করে অস্তিত্ব সংকটে ভারত। ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে রবিবার নেপালের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ইগর স্টিম্যাকের দলের সামনে। বলতে গেলে একপ্রকার ডু অর ডাই ম্যাচ।দু ম্যাচে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে নেপাল। গ্রুপ শীর্ষে থাকা দলের বিরুদ্ধে লড়াই যে সহজ হবে না, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়। মাস খানেক আগে এই নেপালের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। একটা ড্র, আর একটা ম্যাচে জিতেছিল ভারত। প্রীতি ম্যাচ আর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচের মধ্যে আকাশপাতাল পার্থক্য। ফলে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভারতের কাছে লড়াইটা যে যথেষ্ট কঠিন হবে, সেকথা নিশ্চিতভাবে বলা যায়।ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক অবশ্য মনে করছেন, নেপালের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচে তাঁর দল যে ফুটবল উপহার দিয়েছিল, তা তুলে ধরতে পারলে জেতা সমস্যা হবে না। নেপালকে হারিয়ে ফাইনালের লড়াইয়ে থাকার ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। মরণবাঁচন ম্যাচে খেলতে নামার আগে স্টিম্যাক বলেন, নেপালের বিরুদ্ধে জিতলে আমরা ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে থাকব। সেপ্টেম্বরে ওদের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিলাম। একে অপরের সম্পর্কে ধারণা আছে। তবে বিপক্ষের ওপর বেশি ফোকাস করতে চাই না। জিততে গেলে আমাদের নিজেদের খেলায় উন্নতি করতে হবে। আগের দুটি ম্যাচের মতো ভুল করলে চলবে না। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। সুনীল ছেত্রি আটকে গেলেই গোল পেতে সমস্যা হচ্ছে ভারতের। প্রথম ম্যাচে মনবীর সিং নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রিস্টন কোলাসোও ব্যর্থ। বাকিরাও পজিটিভ সুযোগ নষ্ট করছেন। এই অবস্থায় সেই অভিজ্ঞ সুনীল ছেত্রির দিকেই তাকিয়ে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। নেপালের বিরুদ্ধে আবার প্রথম একাদশে পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। মনবীরকে প্রথম একাদশে ফেরাতে পারেন। প্রথম একাদশে ফিরতে পারেন ব্রেন্ডন ফার্নান্ডেজ ও প্রীতম কোটাল। প্রথম দুটি ম্যাচে ড্র করে অনেকটাই ভেঙে পড়ছিল গোটা ভারতীয় শিবির। কোচ ইগর স্টিম্যাক দলকে নতুন করে উদ্দীপ্ত করেছেন। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রিও দলকে উদ্বুদ্ধ করার দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন। তিনিও তাকিয়ে পেলের রেকর্ড স্পর্শ করার দিকে।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia Coach : ভারতীয় কোচের দায়িত্ব আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে?‌

ভারতীয় হেড কোচের দায়িত্ব কি আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে যাবে? তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভারতের কোচের পদে ঘোরাফেরা করা টম মুডির নাম আবার ভেসে উঠেছে। গ্রেগ চ্যাপেলের পর আবার এক অস্ট্রেলিয়ানের হাতে ভারতীয় ক্রিকেটারদের দায়িত্ব অর্পিত হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। টি২০ বিশ্বকাপের পরই দায়িত্ব শেষ হচ্ছে হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর। তাঁর পাশাপাশি অন্য কোচিং স্টাফদেরও মেয়াদ শেষ হবে। পুরো কোচিং স্টাফ খোলনলচে বদলে ফেলতে চায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর মধ্যে কে ভারতীয় দলের কোচ হবেন তা নিয়ে জোর কল্পনা। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি চেয়েছিলেন অনিল কুম্বলেকে হেড কোচ করতে। কিন্তু বোর্ডের অনেক কর্তারই আপত্তি কুম্বলেকে নিয়ে। কারণ এর আগে তিনি যখন কোচের দায়িত্বে ছিলেন, অধিনায়ক বিরাট কোহলির সঙ্গে সম্পর্ক বেশ খারাপ হয়েছিল কুম্বলের। সেই দলের অনেক ক্রিকেটারই এখন দলে রয়েছেন। তাই কুম্বলেকে আবার কোচ হিসেবে চাইছেন না বাকি বোর্ড কর্তারা। তাছাড়া কুম্বলের বিরুদ্ধে যাচ্ছে আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের ব্যর্থতা। ভারতীয় দলের পাশাপাশি পাঞ্জাব কিংসের কোচ হিসেবেও তেমন কোনও ভাল রেকর্ড নেই কুম্বলের। তিনিও নাকি এখন আর কোচ হতে চাইছেন না। ভিভিএস লক্ষ্মণকেও হেড কোচের পদে বসানোয় সায় নেই অনেক বোর্ড কর্তার। রাহুল দ্রাবিড় এই মুহূর্তে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির দায়িত্ব ছেড়ে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব নিতে রাজি নন। ফলে হেড কোচের জন্য বিদেশিদের দিকেই ঝুঁকছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বীরেন্দ্র শেহবাগ অবশ্য ভারতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী। কিন্তু তাঁর হেড কোচ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। সহকারীর দায়িত্ব পেতে পারেন। মহম্মদ কাইফকে ফিল্ডিং কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে হে়ড কোচের দৌড়ে ভেসে বেড়াচ্ছে টম মুডির। ২০০৫ সালে যখন গ্রেগ চ্যাপেলকে কোচ করা হ্য তখনও টম মুডির নাম উঠেছিল। ২০১৭ ও ২০১৯ সালে তিনি কোচ হতে আগ্রহী ছিলেন। মুডি এখনও চাইছেন ভারতীয় দলের কোচ হতে। তাঁর কোচিংয়ে ২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কা ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছিল।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Ishan Kishan-Virat Kohli : টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ঈশানকে কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিরাট কোহলি?‌

আইপিএলে প্লে অফের জন্য এবছর ঈশান কিষান ও সূর্যকুমার যাদবের ব্যাটের দিকে তাকিয়ে ছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু নিজেদের সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই দুই ব্যাটসম্যানকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। স্বয়ং সুনীল গাভাসকার পর্যন্ত ঈশান কিষান ও সূ্র্যকুমার যাদবের তাগিদ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। গাভাসকারের মনে হয়েছিল, ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পেয়ে যাওয়ায় আইপিএলে সেভাবে তাগিদ দেখাচ্ছেন না এই দুই ব্যাটসম্যান। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে ছবিটা বদলে গেছে। ফর্মে ফিরেছেন ঈশান কিষান ও সূর্যকুমার যাদব। ঈশানকে তো টি২০ বিশ্বকাপে ওপেন করানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়ে ফেলেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বেশ কয়েকটা ম্যাচে রান না পেলেও আইপিএলের গ্রুপ লিগের শেষ দুই ম্যাচে পরপর দুটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন ঈশান কিষান। তার মধ্যে ওপেন করতে নেমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৩২ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস সকলের নজর কেড়েছে। ম্যাচের পর ঈশান বলেন, আমি ওপেন করতে ভালবাসি। কিন্তু দলের কম্বিনেশনের জন্য আইপিএলের সব ম্যাচে ওপেন করার সুযোগ পাইনি। শেষ দুই ম্যাচে ওপেন করতে নেমে নিজেকে মেলে ধরতে পেরেছি। বিরাট ভাই আমাকে বলেছে, টি২০ বিশ্বকাপে আমাকে ওপেনে সুযোগ দিতে পারে। পাশাপাশি আরও বলেছে, বড় পর্যায়ে সব পরিস্থির জন্য তৈরি থাকতে হয়।বিরাট কোহলি প্রতিশ্রুতি দিলেও টি২০ বিশ্বকাপে ঈশান কিষান ওপেন করার কতটা সুযোগ পাবেন, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। কারণ নিয়মিত ওপেনার হিসেবে রোহিত শর্মা রয়েছেন। লোকেশ রাহুলও দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। বিরাট কোহলিও অনেক আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, প্রয়োজনে টি২০ বিশ্বকাপে তিনি ওপেন করতে পারেন। ফলে ঈশানের পক্ষে ওপেনিংয়ে সুযোগ পাওয়া কঠিন। এদিকে, টি২০ বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ফেরার জন্য খুশি ঈশান কিষান। তিনি বলেন, বিশ্বকাপ শুরুর আগে আমি রানে ফিরেছি। এটা আমার কাছে যেমন ভাল ব্যাপার, তেমনি দলের কাছেও দারুণ খবর।

অক্টোবর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India T20 WC : ১৩ অক্টোবর ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি উদ্বোধন, থাকছে চমক

টি২০ বিশ্বকাপ দলে পরিবর্তনের শেষদিন ১০ অক্টোবর। তারপরে আর কোনও বদল করা যাবে না। দল নিয়ে পর্যালোচনা করতে শনিবার অর্থাৎ ৯ অক্টোবর বৈঠকে বসছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। এই বৈঠকে জাতীয় নির্বাচকরা ছাড়াও অংশ নেবেন হেড কোচ রবি শাস্ত্রী, অধিনায়ক বিরাট কোহলি ও সহ অধিনায়ক রোহিত শর্মা। মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিরও মতামত নেওয়া হবে। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে দেখা যায়নি সূর্যকুমার যাদব, ঈশান কিষাণ, রাহুল চাহারদের। হার্দিক পান্ডিয়া পুরো ফিট নন। বরুণ চক্রবর্তীর হাঁটুর চোট নিয়েও সংশয় রয়েছে। এই অবস্থায় দলে পরিবর্তন করা যায় কিনা কিংবা পরিবর্তন করলে তা যুক্তিযুক্ত হবে কিনা তা নিয়ে নির্বাচক, হেড কোচ ও অধিনায়কের সঙ্গে বৈঠক করবেন বোর্ড কর্তারা। যদিও বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি সম্প্রতি বলেছেন, ফর্মের কারণে কোনও ক্রিকেটারকে বদল করা হবে না। কিন্তু সূত্রের খবর, দলে দুএকটা পরিবর্তন হতে পারে। ঈশান কিষানের জায়গায় শ্রেয়স আয়ারকে দলে নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অলরাউন্ডার হিসেবে ভাবা হতে পারে শার্দুল ঠাকুর বা দীপক চাহারকে। রাহুল চাহারের জায়গায় যুজবেন্দ্র চাহালের সামনে খুলে যেতে পারে বিশ্বকাপের দরজা। সবকিছুই নির্ভর করছে কোচ ও অধিনায়কের মতামতের ওপর। ঈশান কিষাণ আগের ম্যাচে ঝোড়ো হাফ সেঞ্চুরি করে ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দিয়েছেন। আইপিএলে শ্রেয়স আয়ারের দুরন্ত ফর্ম সত্ত্বেও তাঁর বিশ্বকাপের দলে না থাকা নিয়ে বিভিন্ন মহলে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। যুজবেন্দ্র চাহালও বিশ্বকাপের দলে নেই। কিন্তু যিনি আছেন সেই রাহুল চাহার সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে নজর কাড়তে ব্যর্থ। বরুণ চক্রবর্তীরও চোট রয়েছে। এদিকে, ১৩ অক্টোবর ভারতীয় দলের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি উন্মোচন হবে। ভারতীয় দলের অফিসিয়াল কিট স্পনসর এমপিএল স্পোর্টসের সঙ্গে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চুক্তি বোর্ডের। তারাই বিশ্বকাপের জন্য জার্সি তৈরি করেছে। এই জার্সিতে চমক থাকছে। ভারত যে এখন নেভি ব্লু রংয়ের রেট্রো জার্সি পরে খেলছে, যাতে নীল, সবুজ, সাদা, লাল স্ট্রাইপ রয়েছে, টি ২০ বিশ্বকাপের জার্সিট তেমন হবে না। ১৮ অক্টোবর নতুন জার্সি পরে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারত। গত নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে ভারত সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ১৯৯২ সালের জার্সির মতো রেট্রো জার্সি পরছে। ভারতের টি২০ বিশ্বকাপের জার্সি ভারতের ক্রিকেটপ্রেমীরা কিনতে পারবেন। ফ্যান জার্সি, প্লেয়ার এডিশন জার্সি ও বিরাট কোহলির সই করা ১৮ নম্বর জার্সি ফ্যানেরা কিনতে পারবেন। দাম শুরু ১৭৯৯ টাকা থেকে।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hardik Pandya : টি২০ বিশ্বকাপে হার্দিকের জায়গায় শার্দূল?‌

টি২০ বিশ্বকাপের দল নির্বাচনের সময় হার্দিক পান্ডিয়াকে দলে দেখে অনেকেই ভ্রু কুঁচকেছিলেন। যে ক্রিকেটার পুরো ফিট নন কেন তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। নির্বাচকদের যুক্তি ছিল, বিশ্বকাপের আগেই পুরো ফিট হয়ে যাবেন হার্দিক। কিন্তু আইপিএল চলাকালীনই ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডারকে নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে। ফিটনেস সমস্যার জন্য টি২০ বিশ্বকাপ দল থেকে ছিটকে যেতে পারেন হার্দিক। তাঁর পরিবর্তে শার্দূল ঠাকুর দলে ঢুকতে পারেন। রবিবারের মধ্যেই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। মাসখানেক আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে একদিনের ও টি২০ সিরিজে দলে ছিলেন হার্দিক। কিন্তু শ্রীলঙ্কা সিরিজে তাঁকে সেভাবে বোলিং করতে দেখা যায়নি। ভারতীয় দলের নির্বাচকরা আশা করেছিলেন, আইপিএলে বল হাতে দেখা যাবে হার্দিককে। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ব্যাট হাতে নামলেও একটা ম্যাচেও বল করেননি এই অলরাউন্ডার। তাঁকে নিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স কোচ মাহেলা জয়বর্ধনেও জানিয়েছিলেন হার্দিক পন্ডিয়ার ফিটনেস নিয়ে সমস্যা রয়েছে। ওয়ার্কলোডের কথা ভেবেই তাঁকে দিয়ে বোলিং করানো হচ্ছে না। এমনকি আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দুটি ম্যাচে প্রথম একাদশেও সুযোগ পাননি এই অলরাউন্ডার। তার পর থেকেই হার্দিকের ফিটনেস নিয়ে জোরালো প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। টি২০ বিশ্বকাপে পুরো কোটা বল করতে পারবেন ধরে নিয়েই হার্দিককে দলে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। কিন্তু এখন অন্য পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। আধা ফিট ক্রিকেটারকে দলের সঙ্গে রাখতে নারাজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাঁর বিকল্প হিসেবে শার্দূল ঠাকুরকে টি২০ বিশ্বকাপে পাঠানোর চিন্তাভাবনা শুরু হয়েছে। যদি কোনও দল ক্রিকেটার পরিবর্তন করতে চায়, তাহলে ১০ অক্টোবরের মধ্যে আইসিসিকে জানাতে হবে। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে ভারতীয় টি২০ বিশ্বকাপ দলে রয়েছেন শার্দূল ঠাকুর, দীপক চাহার ও শ্রেয়স আয়ার। এই তিন জনের মধ্যে শার্দূলকে হার্দিকের পরিবর্ত হিসেবে নেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। যদিও সবকিছু নির্ভর করছে নির্বাচকদের ওপর। শুক্রবার আইপিএলের গ্রুপ লিগে সানরাইজার্স হায়দরবাদের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এই ম্যাচে হার্দিকের ফিটনেসের ওপর নজর রাখবেন নির্বাচকরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, হার্দিক বোলিং করতে না পারলে তাঁর জায়গায় পুরো ফিট ক্রিকেটারকে নেওয়া উচিত। ব্যাটিংয়ের দিক দিয়ে শার্দূল ঠাকুর এগিয়ে থাকায় তাঁর সম্ভাবনা বেশি।

অক্টোবর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

S‌AAF Championship : শ্রীলঙ্কার কাছে আটকে গিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে সঙ্কটে ভারত

বাংলাদেশ তবু একটু শক্তিশালী প্রতিপক্ষ ছিল। কিন্তু শ্রীলঙ্কা? বাংলাদেশের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের থেকে ৯৮ ধাপ পিছিয়ে। এইরকম দলের কাছেও আটকে যেতে হল ভারতকে! শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ম্যাচ গোলশূন্য ড্র করে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন থেকে অনেকটাই দুরে সরে গেলেন সুনীল ছেত্রিরা। ফাইনালে যেতে গেলে লিগের বাকি দুটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, অন্য ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের পারফরমেন্সে একেবারেই সন্তুষ্ট হতে পারেননি ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। তাই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন করেন। ফুটবলারদের পজিশনও বদল করে দেন। আগের ম্যাচে রক্ষণে দলকে একেবারেই নির্ভরতা দিতে পারেননি প্রীতম কোটাল। তাই এদিন রক্ষণ আমূল বদলে দেন। শুভাশিস বসুকে ডিফেন্সে নামিয়ে নিয়ে আসেন ইগর স্টিম্যাক। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে প্রীতম কোটালের পরিবর্তে সুরেশ সিংকে নামিয়ে রাহুল বেকেকে তাঁর সঙ্গে জুড়ে দেন। মাঝমাঠে ব্রেন্ডন, আক্রমণভাগে মনদীপ সিংদের প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি।একগুচ্ছ পরিবর্তন করেও হাল ফেরেনি ভারতের। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সুনীল ছেত্রিদের যে দাপট ছিল, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে সেই দাপট দেখা যায়নি। তার মাঝেই ম্যাচের ১৪ মিনিটে মন্দার রাওয়ের ক্রস থেকে গোল করার মতো সুযোগ এসে গিয়েছিল সুনীল ছেত্রির সামনে। শ্রীলঙ্কার গোলকিপার সুজন পেরেরা সুনীলের সেই প্রয়াস রুখে দেন। ২২ মিনিটে ডানদিক থেকে ভেসে আসা বলে অরক্ষিত অবস্থায় থেকেও হেডে বল জালে পাঠাতে ব্যর্থ লিস্টন কোলাসো। এটাই ছিল প্রথমার্ধের সবথেকে সহজ সুযোগ। এই দুটি সুযোগ ছাড়া প্রথমার্ধে বলার মতো আর কোনও সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ভারত। মাঝমাঠ থেকে সেভাবে বল সরবরাহ না হওয়ায় সুনীল ছেত্রিও জ্বলে উঠতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য কিছুটা খেলায় ফেরে ভারত। রিস্টন কোলাসো, উদান্ত সিং, অনিরুদ্ধ থাপারা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন। ৬০ মিনিটে গোল করার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। রিস্টন কোলাসোর পাস ৬ গজ বক্সের মধ্যে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন অনিরুদ্ধ থাপা। দ্বিতীয়ার্ধে রিস্টন কোলাসোর জায়গায় আব্দুল সামাদ ও অনিরুদ্ধ থাপার পরিবর্তে ফারুখ চৌধুরিকে নামান ইগর স্টিম্যাক। ৭২ মিনিটে জটলার মধ্যে থেকে শ্রীলঙ্কার জালে বল পাঠান ফারুখ। কিন্তু শুভাশিস শ্রীলঙ্কার এক ফুটবলারকে ফাউল করায় সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। ৮৯ মিনিটে কর্ণার থেকে ভেসে আসা বল সুনীল ছেত্রি হেডে নামিয়ে দিলে গোলকিপারের সঙ্গে হাতমেলানো দুরত্ব থেকে অবিশ্বাস্যভাবে বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন শুভাশিস বসু। শেষ দিকে প্রবল চাপ রেখেও জয় আসেনি। পরপর দুম্যাচে আটকে গিয়ে গভীর সঙ্কটে পড়ে গেল ভারত।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chetri: শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ভারত, পেলের কৃতিত্বের সামনে সুনীল ছেত্রি

প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ড্র করায় বেশ বিপাকে ভারত। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠতে গেলে লিগের বাকি ম্যাচগুলোতে জিততে হবে ইগর স্টিম্যাকের দলকে। এই অবস্থায় বৃহস্পতিবার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নামছেন সুনীল ছেত্রিরা।আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে ১০ জনে পেয়েও হারাতে পারেনি ভারত। সুনীল ছেত্রিদের পারফরমেন্স নিয়ে চারিদিকে প্রশ্ন উঠেছে। বাংলাদেশের কাছে আটকে যাওয়াটা এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না কোচ থেকে ফুটবলাররা। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। আগের ম্যাচ ড্র করে মনোবলে আঘাত লাগছেও শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। আর আত্মবিশ্বাসের মূল কারণ বাংলাদেশের থেকে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল শ্রীলঙ্কা। শক্তির বিচারে ভারতীয় দলের তুলনায় শ্রীলঙ্কা অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তা সত্ত্বেও বিপক্ষ শিবিরকে একেবারেই হালকা ভাবে নিচ্ছে ভারতীয় শিবির। পচা শামুকে পা কাটতে পারে, এই আশঙ্কায় ভুগছে ভারতীয় শিবির। তবে আগের ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে গোটা দল নতুনভাবে ঝাঁপাতে চাইছে। ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাকও বাংলাদেশ ম্যাচের কথা এখনও মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে পারছে না। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে আমাদের ভুলের মাশুল দিতে হয়েছে। এবার আমাদের সামনে তাকাতে হবে। গ্রুপ লিগে এখনও তিনটে ম্যাচ বাকি। এই ম্যাচগুলিতে আমাদের আরও ভাল খেলতে হবে। বাকি ম্যাচগুলো জিতলে আমাদের ফাইনালে যেতে সমস্যা হবে না। ফুটবলারদের ধৈর্য ধরতে হবে।বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে বেশ কয়েকজন ফুটবলারের খেলায় হতাশ ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ম্যাচে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করতে চলেছেন তিনি। তবে প্রথম একাদশ খোলসা করেননি। এই ব্যাপারে তিনি বলেন, আমাদের হাতে এখনও অনেকটা সময় আছে। ম্যাচের আগে প্রথম একাদশ ঠিক করব। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে ফুটবলারদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। আমাদের বেশ কয়েকটা জায়গায় উন্নতি করতে হবে। রক্ষণ আরও মজবুত করতে হবে।স্টিম্যাক আরও বলেন, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে জয়ের জন্য যা কিছু করা সম্ভব, সবই করব। দল হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে সমীহ করতেই হবে। তবে একটা কথা বলব, দুই ম্যাচ খেলে ওরা ২ পয়েন্ট পেয়েছে ঠিকই। কিন্তু ওদের ১ পয়েন্টও পাওয়া উচিত ছিল না। এটাই ফুটবল। এদিকে, শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পেলের মাইলস্টোন ছোঁয়ার লক্ষ্যে নামছেন সুনীল ছেত্রি। আর ১ গোল করলেই তিনি দেশের হয়ে পেলের করা ৭৭ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করবেন।

অক্টোবর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Football: বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দলের পারফরমেন্সে বিরক্ত ইগর স্টিম্যাক

দারুণ শুরু করেও শেষরক্ষা হয়নি। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের কাছে আটকে যেতে হয়েছে ভারতকে। বাংলাদেশকে দ্বিতীয়ার্ধের প্রায় পুরো সময় ১০ জনকে নিয়ে খেলতে হয়েছে। তাসত্ত্বেও জয় না আসায় সুনীল ছেত্রিদের ওপর যথেষ্ট বিরক্ত ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দলের পারফরমেন্স প্রসঙ্গে ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক বলেন, নিজেদের ভুলের জন্যই আমরা বাংলাদেশকে হারাতে পারিনি। সবকিছুই আমাদের অনুকূলে ছিল। গোটা ম্যাচ আমরা নিরঙ্কুশ প্রাধান্য নিয়ে খেলেছি। প্রথমে গোল করে এগিয়েও গিয়েছিলাম। পাশাপাশি বিপক্ষের এক জন ফুটবলারের কম থাকার সুবিধাও আমাদের ছিল। তা সত্ত্বেও কোনও অজ্ঞাত কারণে আমরা ভুল পাস খেলা শুরু করি। অপ্রয়োজনীয় ভুল করতে থাকি। বিপক্ষকে যদি আত্মবিশ্বাস ফেরানোর সুযোগ করে দিই, তাহলে ম্যাচ জেতা কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের ক্ষেত্রে সেটাই হয়ে। ভুলের মাশুল দিয়ে ম্যাচ ড্র করে ফিরতে হয়েছে।বাংলাদেশের তুলনায় ভারতীয় দল অনেক বেশি অভিজ্ঞ। কিন্তু সুনীল ছেত্রিরা অভিজ্ঞতার মর্যাদা দিতে পারেননি বলে মনে করছেন ইগর স্টিম্যাক। ভারতীয় দলের এই কোচ বলেন, আমরা নিজেদের ভুলের মাশুল দিয়েছি। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারিনি। এই ভারতীয় দল যথেষ্ট অভিজ্ঞ। দলের ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু ফুটবলাররা অহেতুক নার্ভাস পড়ে গিয়েছিল। আমার কাছে এর কোনও ব্যাখ্যা নেই। গ্রুপ লিগে এখনও তিনটি ম্যাচ বাকি রয়েছে ভারতীয় দলের। ফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে যেভাবেই হোক বাকি ম্যাচগুলিতে জিততে হবে ইগর স্টিম্যাকের দলকে। ৭ অক্টোবর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে আবার খেলতে নামবেন সুনীল ছেত্রিরা। বাংলাদেশ ম্যাচের ভুল শুধরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে চান স্টিম্যাক। তিনি বলেছেন, এখন আমরা পরের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে রয়েছি। গ্রুপ লিগে এখনও আমাদের তিনটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। বাকি ম্যাচগুলিতে ভাল খেলতেই হবে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৭৫ মিনিটের বেশি সময় দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছিল। বেশ আগ্রাসী ফুটবল খেলেছিল। বারবার বিপজ্জনক জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ ১৫ মিনিটের খেলা আন্তর্জাতিক মানের ছিল না। অনেক ভুল করেছিলাম। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে পরের ম্যাচে সেই ভুলগুলো করা চলবে না। জিততে গেলে ৯০ মিনিট সেরাটা দিতে হবে। পরের ম্যাচে পেলের ৭৭ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করার সুযোগ সুনীল ছেত্রির সামনে। জয়ের জন্য দলের এই অভিজ্ঞ স্ট্রাইকারের দিকে তাকিয়ে ইগর স্টিম্যাক।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hardik Pandya : বিশ্বকাপে আদৌও বল করতে পারবেন?‌ হার্দিককে নিয়ে প্রশ্ন

আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে অলরাউন্ডার হিসেবে হার্দিক পান্ডিয়ার ওপর ভরসা করেছেন নির্বাচকরা। অথচ তাঁকে নিয়ে ইতিমধ্যেই উঠে গেছে প্রশ্ন। টি২০ বিশ্বকাপে আদৌও কি বল করতে পারবেন এই ভারতীয় অলরাউন্ডার?পিঠে চোটের জন্য আইপিএলে পরপর দুটি মরশুমে বোলিং করতে দেখা যায়নি হার্দিক পান্ডিয়াকে। দেশের হয়ে সাম্প্রতিককালে যে কটা ম্যাচ খেলেছেন, হাতো গোনা কয়েক ওভার বোলিং করেছেন। আইপিএলে নামার আগে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েও উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্স করতে পারেননি হার্দিক। ব্যাটে রান ছিল না। বল হাতেও হতাশই করেছেন তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ও একটি টি২০-তে। কোনওটিতেই কোটার পুরো ওভার তিনি বল করেননি। ব্যাট হাতেও ফর্ম বলার মতো নয়। তবুও তাঁকে অলরাউন্ডার হিসেবে পুরো ফিট বলে দাবি করে বিশ্বকাপের দলে রেখেছেন নির্বাচকরা। চলতি আইপিএলে তাঁকে বল হাতে না দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন, বোলার হার্দিককে এখনই ব্যবহার করা যাবে না। হার্দিকের ওয়ার্কলোডের কথা ভেবেই নাকি এই সিদ্ধান্ত। ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডার আইপিএলের ম্যাচে বোলিং করতে না পারলেও অবশ্য নেটে বোলিং করছেন। হার্দিক নিজেও বলেছেন, খুব শীঘ্রই ম্যাচে বোলিং করবেন। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে তিনি ব্যাটসম্যান না অলরাউন্ডার কোন ভূমিকায় থাকবেন তা স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই অলরাউন্ডার হিসেবে হার্দিককে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন শার্দুল ঠাকুর ও দীপক চাহার। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ভেঙ্কটেশ আয়ারও সুযোগ পেয়ে নিজেকে মেলে ধরেছেন। রাজস্থান রয়্যালসের শিবম দুবেও অলরাউন্ডার হিসেবে বিশেষজ্ঞদের প্রশংসা আদায় করে নিয়েছেন। টি২০ বিশ্বকাপের দলে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত পরিবর্তন করা যাবে। কিন্তু ভারতীয় বোর্ড সূত্রের খবর, হার্দিককে টি২০ বিশ্বকাপের দল থেকে বাদ দেওয়া হবে না। কারণ এখনই দীপক চাহার, শার্দুল ঠাকুর, ভেঙ্কটেশ আয়ারদের ওপর ভরসা করতে পারছেন না নির্বাচকরা। নির্বাচকরা চাইছেন, ব্যাটসম্যান হিসেবেই দলে থাকুন হার্দিক। প্রয়োজন হলে তাঁকে দিয়ে ২৩ ওভার বল করানো যেতে পারে। আগামী বছর টি২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে নতুন অধিনায়কের সঙ্গে অনেক নতুন মুখ দেখা যেতে পারে।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Chhetri : পেলেকে স্পর্শ করতে সুনীল ছেত্রির চাই আর ১ গোল

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অভিযানে নামার আগে বাংলাদেশকে নিয়ে একটু বেশিই সতর্ক ছিলেন ভারতীয় দলের হেড কোচ ইগর স্টিম্যাক। সুনীল ছেত্রিও বলেছিলেন প্রতিটা ম্যাচেই লড়াই করে জিততে হবে। কথাটা ভুল বলেননি সুনীল। আর স্টিম্যাকের সতর্কতাও একেবারে অমূলক ছিল না। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম ম্যাচে ১০ জনের বাংলাদেশের কাছে আটকে গেল ভারত। ম্যাচের ফল ১১। পেলের রেকর্ড স্পর্শ করতে সুনীল ছেত্রির প্রয়োজন আর ১ গোল। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই আক্রমণে ঝড় তুলেছিল ভারত। বিপক্ষের বক্সে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন সুনীল ছেত্রি, উদান্ত সিং, রিস্টন কোলাসোরা। অন্যদিকে, প্রতি আক্রমণের রাস্তা বেছে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের কোচ অস্কার ব্রুজোঁ। ম্যাচের ২৬ মিনিটে এগিয়ে যায় ভারত। ডানদিক থেকে প্রীতম কোটাল বল বাড়ান উদান্ত সিংকে। বল নিয়ে বাংলাদেশ বক্সে ঢুকে গোল লাইনের কাছ থেকে মাইনাস করেন উদান্ত। ডান পায়ের জোরালো শটে বল জালে পাঠান সুনীল ছেত্রি। এদিন দেশের হয়ে ৭৬টি আন্তর্জাতিক গোল করে ফেললেন সুনীল ছেত্রি। আর ১ গোল করলেই স্পর্শ করবেন কিংবদন্তি ফুটবলার পেলেকে। ব্রাজিলের জার্সি গায়ে ৭৭ গোল করেছেন পেলে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলের সঙ্গে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ১৪টি গোল করে ফেললেন সুনীল। সুনীলের গোলের পরের মিনিটেই সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল বাংলাদেশের সামনে। কাজে লাগাতে পারেনি।এদিনই পেলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারতেন সুনীল ছেত্রি। ৩৮ মিনিটে তাঁর বাঁপায়ের দুরন্ত শট ততোধিক দক্ষতার সঙ্গে বঁাদিকে উড়ে গিয়ে কর্ণারের বিনিময়ে বাঁচান বাংলাদেশ গোলকিপার আনিসুর রহমান। কর্ণার থেকে ক্লিয়ার হওয়া বল পেয়ে দ্রুত গতিতে প্রতি আক্রমণে উঠে আসে বাংলাদেশ। ভারতের বক্সের মধ্যে বল পেয়ে শট নেন বিপ্লো আহমেদ। বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই শট বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন ভারতীয় দলের গোলকিপার গুরপ্রীত সিং সান্ধু। সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ৫১ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগও পেয়েছিল। ডানদিক থেকে উঠে গিয়ে বিপ্লো পাস বাড়ান সাহাবুদ্দিনকে। সাহাবুদ্ধিনের মাইনাস ৬ গজ বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় পেয়েও বল জালে রাখতে পারেননি রাকিব। ৩ মিনিট পরেই বড় ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। বিশ্বনাথ লালকার্ড দেখায় ১০ জন হয়ে পড়ে। বল নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন রিস্টন কোলাসো। সামনে কেউ ছিলেন না। রিস্টনকে পেছন থেকে টেনে ফেলে দেন বাংলাদেশের ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে লালকার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বার করে দেন রেফারি। আক্রমণ প্রতি আক্রমণে দ্বিতীয়ার্ধে খেলা দারুণ জমে উঠেছিল। ১০ জন হয়ে যাওয়ার পরেও বাংলাদেশ গুটিয়ে থাকেনি। বরং দ্রুতগতিতে বারবার প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ভারতীয় রক্ষণকে চাপে ফেলে দিচ্ছিল। তার মধ্যেই ৬০ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসে গিয়েছিল ভারতের সামনে। মনবীরের শট বাঁচান বাংলাদেশ গোলকিপার আনিসুর। ফিরতি বলে গোল লক্ষ্য করে শট নেন উদান্ত সিং। আবার বাঁচান আনিসুর। অবশেষে ৭৪ মিনিটে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ। কর্ণার থেকে হেডে গোল করেন অরক্ষিত ইয়াসিন আরাফত।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাফ অভিযানে নামার আগে সতর্ক সুনীলরা

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের আধিপত্য প্রশ্নাতীত। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির এই প্রতিযোগিতায় ১২ বারের মধ্যে ৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। আরও একবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যে সোমবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করছেন সুনীল ছেত্রিরা। চেনা প্রতিপক্ষ হলেও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সতর্ক ভারতীয় শিবির। কারণ যে কোনও প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ সবসময়ই কঠিন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান ভারতের অনুকূলে। প্রাক বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে যুবভারতীতে ঘরের মাঠে ম্যাচ ১১ ড্র হলেও দোহায় ফিরতি ম্যাচে ২০ ব্যবধানে জিতেছিলেন সুনীল ছেত্রিরা। ধারেভারে বাংলাদেশের থেকে কিছুটা হলেও এগিয়ে ভারত। তাসত্ত্বেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ভারতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ সবসময়ই কঠিন। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক কালে খেলেছি। প্রাক বিশ্বকাপের যোগ্যতাঅর্জন পর্বে যুবভারতীতে ঘরের মাঠে ড্র হলেও দোহায় ফিরতি ম্যাচে আমরা জিতেছিলাম। তা সত্ত্বেও ওদের হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। সব দলকেই গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ প্রত্যেক দলের মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।কিছুদিন আগেই বেঙ্গালুরু এফসি এবং এটিকে মোহনবাগন মালদ্বীপে এএফসি কাপের ম্যাচ খেলেছে। ওই প্রতিযোগিতায় খেলা যে ফুটবলাররা ভারতীয় দলে রয়েছেন, তাঁদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাইছেন কোচ স্টিমাক। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচে এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসির ফুটবলারদের প্রথম একাদশে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। ওরা ম্যাচের মধ্যেই রয়েছে। তাছাড়া মালদ্বীপের মাঠে কিছুদিন খেলে যাওয়ায় পরিবেশ সম্পর্কে যথেষ্ট ওয়াকিবহাল। শারীরিক ও মানসিকভাবেও ভাল জায়গায় রয়েছে। সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে চাই। অধিনায়ক সুনীল ছেত্রির গলাতেও বাংলাদেশকে সমীহ করার সুর। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অতীত পারফরমেন্সের কথা মাথায় রাখছেন না। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ খুবই শক্তিশালী। সাম্প্রতিককালে ওদের বিরুদ্ধে খেলেছি। দারুণ লড়াই হয়েছিল। অতীত মাথায় রাখতে চাই না। এটা নতুন লড়াই। প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে। তবে আমরাও পিছিয়ে নেই। জিততে গেলে সেরাটা দিতে হবে। শুধু সুনীল ছেত্রি নন, শেষ বার সাফ চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভারতীয় দলের গুরপ্রীত সিং, প্রীতম কোটালরা ওই দলে রয়েছেন। তঁারাও মনে করছেন, লড়াই সহজ হবে না। কারণ প্রতিটা দলই আগের থেকে অনেক বেশি উন্নতি করেছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে গেলে গভীর সঙ্কটে গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবারের আইপিএলে প্লে অফের ছাড়পত্র পাবে না গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স? আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছে রোহিত শর্মার দলের ওপর। শনিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে ৪ উইকেটে হেরে গভীর সঙ্কটে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটারদের ব্যর্থতাই ডুবিয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাট হাতে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি রোহিত শর্মা। এদিনও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। দ্বিতীয় ওভারেই আবেশ খানের বলে রাবাডার হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (৭)। কুইন্টন ডিকক (১৯) ও সূর্যকুমার যাদব (৩৩) সাময়িক প্রতিরোধ গড়ে তুললেও যথেষ্ট ছিল না। দুজনকেই তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। সৌরভ তেওয়ারি করেন ১৫। তিনিও অক্ষর প্যাটেলের শিকার। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মিডল অর্ডারে ভাঙন ধরান অক্ষর। ৪ ওভারে ২১ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। আবেশ খানও দুর্দান্ত বোলিং করেন। ১৫ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। এই দুই বোলারের দাপটে ২০ ওভারে ১২৯/৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।দিল্লির জয় অবশ্য সহজে আসেনি। জয়ের জন্য ১৩০ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়। ১৫ রান ওঠার ফাঁকেই ফিরে যান দুই ওপেনার শিখর ধাওয়ান (৮) ও পৃথ্বী শ (৬)। ৯ রান করে কুল্টারনাইলের বলে বোল্ড হন স্টিভ স্মিথ। এরপর দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (২২ বলে ২৬) ও শ্রেয়স আয়ার। অক্ষর প্যাটেল (৯), শিমরণ হেটমায়েররা (১৫) দ্রুত ফিরে গেলে চাপে পড়ে যায় দিল্লি। এরপর অবিচ্ছেদ্য জুটিতে দলের জয় নিশ্চিত করেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও শ্রেয়স আয়ার। শ্রেয়স আয়ার ৩৩ বলে ৩৩ এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২১ বলে ২০ রানে অপরাজিত থাকেন। ক্রুণাল পাণ্ডিয়ার শেষ ওভারের প্রথম বলে ছয় মেরে ম্যাচ জেতান অশ্বিন।শনিবার মুম্বইয়র বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। ১১ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রইল দিল্লি। নেট রান রেটে চেন্নাই সুপার কিংসের থেকে পিছিয়ে ঋষভরা পন্থরা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে রইল ষষ্ঠ স্থানে। প্লে অফে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ল রোহিতদের সামনে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Indian Coach: সৌরভ চাইলেও বাকি বোর্ড কর্তারা কুম্বলেকে কোচ হিসেবে চান না

টি২০ বিশ্বকাপের পরেই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তাঁর জায়গায় নতুন কোচ নেওয়ার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শাস্ত্রীর উত্তরসূরি হিসেবে অনিল কুম্বলেকে পছন্দ বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির। শোনা যাচ্ছে ভিভিএস লক্ষণের নাম। অনিল কুম্বলেকে সৌরভের পছন্দ হলেও বাকি বোর্ড কর্তারা কুম্বলেকে হেড কোচ হিসেবে চান না। কুম্বলেও নাকি বিরাট কোহলিদের কোচ হতে রাজি নন।রবি শাস্ত্রীর আগে অনিল কুম্বলের হাতেই ভারতীয় দলের দায়িত্ব ছিল। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি চেয়েছিলেন কুম্বলে জাতীয় দলের কোচিং চালিয়ে যান। কিন্তু ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর কুম্বলে কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। সৌরভ এবারেও চেয়েছিলেন শাস্ত্রীর পর আবার একবার জাতীয় দলের কোচিংয়ের ব্যাটন তুলে নিন তাঁর একদা সতীর্থ। তবে সৌরভ বাদে বোর্ডের অন্যান্য কর্তারা কুম্বলেকে ফেরাতে আগ্রহী নন। বোর্ডের এক কর্তা বলেছেন, সৌরভ বাদে বাকি বোর্ডের সদস্যরা যেমন কুম্বলেকে ফেরাতে চান না, তেমনই কুম্বলে নিজেও আর জাতীয় দলের কোচ হতে আগ্রহী নয়। বোর্ডের অন্য কর্তারা শাস্ত্রীর জায়গায় বিদেশি কোচ নিয়োগ করতে চায়। কুম্বলে জানে, কোহলিসহ জাতীয় দলে সেই পুরনো মুখদেরই কোচিং করাতে হবে। নতুন মুখ তেমন নেই। তাহলে আবার কেন ফিরবে? সবথেকে বড় কথা, সৌরভ কুম্বলের নাম সুপারিশ করলেও বোর্ডের বাকিরা এতে সম্মত হয়নি।সৌরভ ছাড়া বোর্ডের বাকি সদস্যরা কুম্বলেকে কোচ হিসেবে না চাওয়ার অন্যতম কারণ হল কুম্বলের ট্র্যাক রেকর্ড। অতীতে জাতীয় দলের কোচ হিসেবে সাফল্য পাননি। আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের দায়িত্বে রয়েছেন। একবারও নিজের ফ্র্যাঞ্চাইজিকে প্লে অফেও তুলতে পারেননি। তাই অন্য বোর্ড কর্তাদের তাঁকে নিয়ে আপত্তি রয়েছে। কুম্বলের সঙ্গেই সম্ভাব্য কোচ হিসেবে ভেসে উঠেছিল ভিভিএস লক্ষ্মণের নাম। তবে জানা গিয়েছে, লক্ষ্মণও কোচ হচ্ছেন না। তাই বিদেশি কোচের পথেই হাঁটতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শ্রীলঙ্কার মাহেলা জয়বর্ধনেকে বিরাট কোহলিদের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নাকি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তিনিও নাকি রাজি নন।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Gavaskar-Rohit: রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকার

টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিরাট কোহলি। তাঁর পরিবর্তে নির্বাচকরা কার হাতে দায়িত্ব তুলে দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার চান, এই টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলির পরিবর্তে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করা হোক। আগামী দুটি টি২০ বিশ্বকাপে রোহিতকে জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেখতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নেতৃত্ব দিয়ে দারুণ সফল রোহিত শর্মা। তিনি দলকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন। মোটামুটি এটা পরিস্কার, টি২০ বিশ্বকাপের পর কোহলির হাতেই দায়িত্ব উঠতে চলেছে। দু বছর পরপর টি২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা ছিল। করোনার জন্য ২০২২ পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব ভারতের। ২০২৩ সালে আবার ভারতে একদিনের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। গাভাসকার চান পরপর দুটি বিশ্বকাপেই রোহিত শর্মা নেতৃত্ব দিক।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন শিষ্যের কাছে মাথা নত পেপ গুয়ার্দিওলারগাভাসকার বলেছেন, দেশকে এশিয়া কাপ ও নিদাহাস ট্রফি দেওয়া রোহিত শর্মাই এই গুরু দায়িত্ব পালন করার যোগ্য দাবিদার। ওর হাতে এখনই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হোক। একটা বিশ্বকাপ হতে কয়েকমাস বাকি। পরের বিশ্বকাপের মধ্যে খুব বেশি সময় নেই। তাই এখনই ওর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত। যাতে দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে পারে। গাভাসকারের এই মন্তব্য অন্য ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই কোহলিকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে। রোহিতকে অধিনায়ক করার পাশাপাশি সহ অধিনায়ক হিসেবে নিজের পছন্দের কথাও জানিয়েছেন গাভাসকার। লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে একজনকে সহ অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান তিনি। গাভাসকারের কথায়, ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান দুই তারকা আইপিএলে যেভাবে নিজ নিজ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, মাঠে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বোলিং পরিবর্তন করছে, তা অসাধারণ। দিল্লি দলে প্রচুর তারকা। ঋষভ দারুন সামলাচ্ছে। বিরাট কোহলির পর রোহিত শর্মা ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হলে লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে যে কোনও একজনকে ওর ডেপুটি করে দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। দিল্লি ক্যাপিটালসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণ ঋষভ পন্থ। দুই ক্রিকেটারের উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তবে দুই ক্রিকেটারের মধ্যে বেশি দক্ষ কে, তা অবশ্য বলেননি ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

J‌hulan Goswami : ক্রিকেট জীবনে ৬০০ উইকেটের মাইলস্টোনে ঝুলন গোস্বামী

অনন্য নজির গড়লেন ঝুলন গোস্বামী। সব ধরণের ক্রিকেট মিলিয়ে ৬০০ উইকেটের মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। তাঁর দুরন্ত বোলিংয়ের সুবাদে সিরিজের তৃতীয় একদিনের ম্যাচ জিতে সম্মান কিছুটা রক্ষা করল ভারত। রবিবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তৃতীয় একদিনের ম্যাচে র্যাচেল হেইন্স ঝুলনের ক্রিকেট জীবনের ৬০০ তম শিকার। একই ওভারে তিনি আউট করেন মেগ ল্যানিংকে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী হেইন্স ও ল্যানিং ঝুলনের কেরিয়ারে যথাক্রমে ৬০০ ও ৬০১তম শিকার। ম্যাচের নবম ওভারের প্রথম ও পঞ্চম বলে যথাক্রমে ওপেনার র্যাচেল হেইন্স ও অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মেগ ল্যানিংকে প্যাভিলিয়নে ফেরান ঝুলন। শেষ ওভারে আউট করেন অ্যানাবেল সাদারল্যান্ডকে। অসি অধিনায়ককে শূন্য রানে আউট করে কেরিয়ারের ৬০১তম উইকেটটি ঝুলিতে পুরে ফেলেন ঝুলন। ঝাঁপিয়ে পড়ে অনবদ্য দক্ষতায় ল্যানিংয়ের ক্যাচ তালুবন্দি করেন উইকেটকিপার রিচা ঘোষ।ঝুলন গোস্বামীর দখলে রয়েছে ৩৩৭টি আন্তর্জাতিক উইকেটে। পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটে পেয়েছেন ২৬৫টি উইকেট। সবমিলিয়ে ৬০১টি উইকেট চাকদহ এক্সপ্রেসএর ঝুলিতে। ২০০২ সালে থেকে রবিবার পর্যন্ত ১৯২টি একদিনের আন্তর্জাতিকে ২৪০টি উইকেট নিয়েছেন। সেরা বোলিং ৩১ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট। গড় ২১.৫৯, ইকনমি ৩.৩১। মহিলাদের একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি উইকেট ঝুলনেরই। ১১টি টেস্টে তিনি ৪১টি উইকেট পেয়েছেন। টি২০তে ঝুলনের উইকেট ৬৮ ম্যাচে ৫৬। টেস্ট ও একদিনের ক্রিকেট খেললেও আন্তর্জাতিক টি ০ থেকে ২০১৮ সালেই অবসর নিয়েছেন ঝুলন। মহিলাদের ক্রিকেটে ঝুলনই একমাত্র বোলার যাঁর দখলে ২০০র বেশি ওয়ান ডে উইকেট রয়েছে।সিরিজের দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ঝুলন গোস্বামীর শেষ ওভারের বিতর্কিত নো বলের ফায়দা তুলে ম্যাচ জিতে সিরিজ পকেটে পুরে ফেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। রবিবার সিরিজের শেষ ম্যাচে ২ উইকেটে জিতে সম্মান বাঁচাল ভারত। প্রথমে ব্যাট করে ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ২৬৪ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। গার্ডনার করেন সর্বোচ্চ ৬৭। মুনি করে ৫২। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সেরা বোলিং করেন ঝুলন গোস্বামীই। ১০ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২টি মেডেনসহ ৩৭ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট পান ঝুলন। পুজা বাস্ত্রকার ৪৬ রানে নেন ৩ উইকেট। জয়ের জন্য ২৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভাল শুরু করে ভারত। ওপেনিং জুটিতে ১০ ওভারে ওঠে ৫৯। স্মৃতি মান্ধানা ২২ রান করে আউট হন। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ১০১ রান যোগ করেন শেফালি ভার্মা ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়া। শেফালি ৯১ বলে ৫৬ রান করে আউট হন। রিচা ঘোষ কোনও রান করতে পারেননি। ইয়াস্তিকা ৬৯ বলে ৬৪ রান করে আউট হন। ভারতকে জয়ের লক্ষ্যে এগিয়ে দেন দীপ্তি শর্মা (৩১) ও স্নেহা রানা (৩০)। ৪৯.৩ ওভারে ২৬৬/৮ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
বিদেশ

Modi US Visit: বিমানবন্দরে ভারতীয় আমেরিকানদের উষ্ণ অভ্যর্থনায় আপ্লুত মোদি

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ৩ দিনের আমেরিকা সফরে বৃহস্পতিবার পৌঁছেছেন ওয়াশিংটনে। জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রিউস-এ তাঁকে ঊষ্ণ অভ্যর্থনা জানান আমেরিকায় অবস্থিত ভারতীয়রা। প্রধানমন্ত্রী মোদি নিজের গাড়ি থেকে বেরিয়ে বিমানবন্দরে অপেক্ষারত ভারতীয়দের সঙ্গে কথা বলেন, হ্যান্ডশেক করেন। আরও পড়ুনঃ মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, কাঁদাজল থেকে উঠে আসছে পরিযায়ী শ্রমিকদের দেহদেশের বাইরেও তাঁর জনপ্রিয়তা কতটা, ফের একবার তা বুঝিয়ে দিল মার্কিন বিমানবন্দরের বাইরে জনতার ভিড়ই। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রতিনিধিরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওয়াশিংটনে বসবাসকারী ভারতীয়দের গোষ্ঠী। প্রধানমন্ত্রী মার্কিন মুলুকে পা দিতেই তারা গলা ফাটিয়ে চিৎকার ও হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর প্রতিবেশী দেশ বাদে এই প্রথম দূরের কোনও দেশে গেলেন প্রধানমন্ত্রী। এই সফরে তিনি কোয়াড অন্তর্ভুক্ত দেশগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। পাশাপাশি, জো বাইডেন-র সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনাতেও বসবেন প্রধানমন্ত্রী।Grateful to the Indian community in Washington DC for the warm welcome. Our diaspora is our strength. It is commendable how the Indian diaspora has distinguished itself across the world. pic.twitter.com/6cw2UR2uLH Narendra Modi (@narendramodi) September 22, 2021এ দিকে, প্রধানমন্ত্রী আমেরিকায় পা রাখতেই উচ্ছসিত ভারতীয়-আমেরিকানরা। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই তারা সরাসরি বিমানবন্দরেই হাজির হয়েছিলেন। ভারতীয়দের এই উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রীও। তিনি গাড়ি থেকে নেমেই উপস্থিত ভারতীয়দের সঙ্গে হাত মেলান এবং কথা বলেন। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের আধিকারিকরা। এছাড়াও আমেরিকায় ভারতীয় প্রতিনিধি তরণজিৎ সিং সান্ধু, ব্রিগেডিয়ার অনুপ সিংঘল, বায়ুসেনার কম্যান্ডার অঞ্জন ভদ্র ও নৌসেনার কম্যান্ডার নির্ভয়া বাপনা। আমেরিকায় অবস্থিত ভারতীয়রা উচ্ছসিত হলেও তারই মধ্যে একটা অংশ মোদির এই সফর সম্পর্কে খুব একটা আশান্বিত নন।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : কার জন্য কোহলির বর্ণময় ক্রিকেটজীবন এত দীর্ঘায়িত জানেন?‌

একসময় পিঠের চোটে কাবু হয়ে পড়েছিলেন। নীচু হয়ে ভার তোলার ক্ষমতাও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। প্রভাব পড়েছিল বর্ণময় ক্রিকেট জীবনে। ক্রিকেট জীবন হয়তো বেশি দীর্ঘায়িত হত না। সেখান থেকে ফিরে এসে বাইশ গজে আবার স্বমহিমায় বিরাট কোহলি। মারাত্মক চোটকে কাবু করে নিজেকে ফিটনেসের চূড়ান্ত শীর্ষে নিয়ে গেছেন। আর এরজন্য তিনি কৃতিত্ব দিয়েছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিং কোচ বাসু শঙ্করকে। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে বাসু শঙ্করের লেখা ১০০, ২০০, প্র্যাক্টিক্যাল অ্যাপ্লিকেশনস ইন স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং বই। এই বইয়ের প্রকাশ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিরাট কোহলি। লেখক বাসু শঙ্করকে পাশে নিয়ে নিজের যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন কোহলি। পাশাপাশি তিনি বাসু শঙ্করের পরামর্শে কীভাবে পিঠের চোট সারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন সে কথাও তুলে ধরেন। কোহলি বইটিতে লিখেছেন, ২০১৪ সালের শেষদিকে আমার পিঠের চোট কিছুতেই সারছিল না। প্রবল যন্ত্রণা ও অস্বস্তি অনুভব করতাম। প্রত্যেক দিন সকালে উঠে পিঠের অস্বস্তি কাটাতে ৪৫ মিনিট ধরে অনেক কিছু করতে হত। তারপরও দিনের যে কোনও সময় অস্বস্তি ফিরে আসত। ভার তুলতেও পারতাম না। এরপরই বাসু স্যারের সঙ্গে আমার আলাপ হয়। স্যারের পরামর্শেই এরপর ধীরে ধীরে ভার তুলতে সক্ষম হই। কোহলি আরও বলেন, প্রথমে আমিও দ্বিধায় ছিলাম। কিন্তু বাসু স্যার তাঁর কথায় বিশ্বাস রাখতে বলেন। তাঁর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অবশ্য আমার সংশয় ছিল না। ভার তোলা বা লিফটিং বাসু স্যরের কাছে শেখা শুরু করি। এর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে যখন অবগত হতে থাকি তখন অনুশীলনেও এর ইতিবাচক প্রভাব পেতে শুরু করি। স্ট্রেংথ ও কন্ডিশনিংয়ের বিষয়ে আমার জ্ঞানও আরও বাড়তে থাকে এবং এর গুরুত্ব অনুভব করি। বাসু স্যরই আমার বিচারে সেরা স্ট্রেংথ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ। আমার চাহিদা অনুযায়ী শারীরিক গঠন, পারফরম্যান্সকে উন্নত করতে কী কী করা উচিত তা একেবারে সঠিকভাবেই সুনিশ্চিত করেছেন বাসু শঙ্কর। বিরাট কোহলি নিজে উপকৃত হওয়াতেই বাসুও ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল অবধি ছিলেন ভারতীয় দলের সঙ্গে। ভারতীয় ক্রিকেট মহলে এ কথা সকলেই জানেন, বাসু শঙ্করের জন্যই বিরাটের ফিটনেস এতটা উন্নত হয়েছে। শুধু বিরাটের একার নয়, ভারতীয় দলের ফিটনেস লেভেল উন্নতিতেও তাঁরই অবদান।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Eden Cricket : নভেম্বরে ইডেনে ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

টি২০ বিশ্বকাপের পরপরই কলকাতার ইডেনে আবার ফিরছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ক্রিকেটের নন্দনকাননে টি২০ ম্যাচ খেলবে ভারত। পাশাপাশি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ পেল ইডেন। তিন মাসের ব্যবধানে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্স পেল জোড়া ম্যাচ।আজ ভারতের অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকে দেশের মাটিতে ভারত কবে কোথায় কার বিরুদ্ধে সিরিজ খেলবে তা চূড়ান্ত হয়েছে। নভেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি ২০ সিরিজের তৃতীয় তথা নির্ণায়ক ম্যাচ। ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজের শেষ তথা তৃতীয় ম্যাচটিই পেয়েছে কলকাতা।টি২০ বিশ্বকাপের পরেই ভারত সফরে আসবে নিউজিল্যান্ড। ১৭ নভেম্বর জয়পুরে প্রথম টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ দিয়ে সিরিজ শুরু। ১৯ নভেম্বর রাঁচিতে দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচ। তারপর কলকাতায় আসবে ভারত ও নিউজিল্যান্ড। ২১ নভেম্বর তৃতীয় টি২০ আন্তর্জাতিক হবে কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে।নিউজিল্যান্ড সিরিজে সম্ভবত বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের বিশ্রাম দেওয়া হতে পারে। কারণ, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলার পর ভারতীয় দল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে এবং দেশে ফিরেও ঠাসা ক্রীড়াসূচি রয়েছে। তাতে নিউজিল্যান্ড সিরিজে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা খেললে বেশি ওয়ার্কলোড পরে যাবে। তবে ভারতীয় দলের নতুন টি২০ অধিনায়ককেই যে ইডেন পাবে তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। কেন না, বিরাট কোহলি বিশ্বকাপের পর টি২০ নেতৃত্ব ছেড়ে দিচ্ছেন।তবে বিরাট কোহলিকে ইডেন দেখতে পারে ফেব্রুয়ারি মাসে। ভারত-নিউজিল্যান্ড টি২০ সিরিজ শেষেই শুরু হবে দুই টেস্টের সিরিজ। ২৫ নভেম্বর থেকে প্রথম টেস্টটি হবে কানপুরে। এই টেস্টটি লখনউয়ে হওয়া নিয়ে জল্পনা ছিল। ৩ ডিসেম্বর থেকে ভারত-নিউজিল্যান্ড দ্বিতীয় টেস্ট মুম্বইয়ে। এই টেস্ট খেলেই ভারত দক্ষিণ আফ্রিকা রওনা হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ফিরে এসে ফেব্রুয়ারি ও মার্চে প্রথমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও তারপর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সিরিজ খেলবে ভারত।ভারত এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচটি হবে ৬ ফেব্রুয়ারি আমেদাবাদে। ৯ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক জয়পুরে। ১২ ফেব্রুয়ারি ইডেনে ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ তৃতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক।১৫ ফেব্রুয়ারি কটকে দুই দেশ সিরিজের প্রথম টি২০ আন্তর্জাতিকটি খেলবে। শুক্রবার ১৮ ফেব্রুয়ারি বিশাখাপত্তনমে দ্বিতীয় টি ২০ আন্তর্জাতিক। সিরিজের শেষ টি ২০ ম্যাচটি হবে ত্রিবান্দ্রমে, ২০ ফেব্রুয়ারি।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে দুরন্ত জয় ধোনির দলের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ট্র্যাক রেকর্ড বজায় রাখল মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। দুবাইয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সিএসকে হারাল ২০ রানে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের পাশাপাশি উজ্জ্বল অলরাউন্ডার ডোয়েইন ব্র্যাভো।চারমাস পর নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্যে শুরু আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব। টস হওয়ার কিছুক্ষণ আগে জানা যায় চোটের জন্য খেলতে পারবেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পরিবর্তে দলকে নেতৃত্ব দেবেন কিয়েরণ পোলার্ড। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের টিম হার্ডলে পেপ টক দিচ্ছেন সূর্যকুমার যাদব। কিছুক্ষণ পরই টিম লিস্টে চোখ রাখতেই দেখা গেল প্রথম একাদশে নেই হার্দিক পান্ডিয়া। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসিকে (০) হারায় চেন্নাই। তাঁকে তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। পরের ওভারেই আবার ধাক্কা। এবার অ্যাডাম মিলনের শিকার মঈন আলি (০)। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পরপরই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন অম্বাতি রায়ুডু। প্রথম সাক্ষাতে এই তিনজনের ব্যাটিংয়েই বড় রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুর চোট বেশ গুরুতর। তৃতীয় ওভারে সুরেশ রায়নাকে (৪) তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুই কিউয়ি বোলারের দাপটে তখন দিশেহারা অবস্থা চেন্নাই সুপার কিংসের। ৩ ওভারে চেন্নাইয়ের রান দাঁড়ায় ৭/৩। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে মিলনেই ফেরান মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ৫ বলে ৩ রানের বেশি করতে পারেননি চেন্নাই অধিনায়ক। ৬ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৪।এরপর রুখে দঁাড়ান রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনে দলকে টেনে নিয়ে যান। ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রুতুরাজ। জুটিতে ওঠে ৮১। দলের ১০৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৬ (৩৩ বলে) রান করে আউট হন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দেন। ৫৮ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেন রুতুরাজ। তিনি ৯টি ৪ এবং ৪টি ৬ মারেন। ব্র্যাভো ৮ বলে ২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই দুজনের দাপটে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ২০ ওভারে ১৫৬/৬ রান তোলে চেন্নাই।রোহিত শর্মার অভাব অনুভব করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটসম্যান হিসেবে তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবেও। কখনও মনেই হয়নি এই ম্যাচ মুম্বই বের করতে পারবে। সূর্যকুমার যাদব ৭, ঈশান কিষাণ ১১ করেন। রোহিত না থাকায় আনমোলপ্রীত সিংয়ের অভিষেক হয়, তিনি ১৬-র বেশি করতে পারেননি। কিয়েরন পোলার্ড ও অ্যাডাম মিলনে দুজনেই ১৫-র বেশি এগোতে পারেননি। ব্র্যাভোর তিন উইকেটের পাশাপাশি ১৯ রানে ২ উইকেট নেন দীপক চাহার।ব্যাট হাতে ৮ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে ফারাক গড়েছিলেন ব্র্যাভো। বল হাতে তিনি চার ওভারে ২৫ রানের বিনিময়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। চোটের কারণে সিপিএলে কয়েকটি ম্যাচে বোলিং করেননি। কিন্তু চেন্নাইয়ের হয়ে শততম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রেখে নিজের পাররফরম্যান্সে খুশি ব্র্যাভো। জয়ের জন্য ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স করল ৮ উইকেটে ১৩৬। এবারের আইপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ঝাড়খণ্ডের সৌরভ তিওয়ারি সর্বাধিক ৪০ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৬/৮ তোলে মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

৪৮ ঘণ্টা আগে ভোট, তার আগেই কুপিয়ে হত্যা হিন্দু ব্যবসায়ীকে

ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে ফের নৃশংস হত্যার অভিযোগ। ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম সুষেন চন্দ্র সরকার, বয়স ৬২ বছর। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুষেন চন্দ্র সরকার পেশায় চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে তিনি নিজের দোকানেই ছিলেন। সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী দোকানে ঢুকে তাঁর সঙ্গে বচসা শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুষেনবাবুকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি দোকানের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই দেশজুড়ে অশান্তির ছবি সামনে আসতে শুরু করে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনুস দায়িত্ব নিলেও কট্টরপন্থীদের দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ। এর আগেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রনেতা ওসমান হাদি খুনের পর সংবাদমাধ্যমের অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটেও চালানো হয় হামলা। এরপর সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপু দাসকে গণপিটুনির পর হত্যা করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।এই পরিস্থিতিতে ভোটের ঠিক আগে ফের এক হিন্দু ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ভোটমুখী বাংলাদেশে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

কৃষি চুক্তির আড়ালে বড় বিপদ? লোকসভায় সতর্কবার্তা অভিষেকের

মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক কেউই স্বস্তি পাননি। বরং প্রত্যেকেই আরও বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি আমেরিকা ও ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন।অভিষেক বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভারতের কৃষকরা। তাঁর দাবি, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির পর ভারতীয় কৃষকরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মার্কিন কৃষি সচিবের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন।অভিষেক জানান, বাণিজ্য চুক্তির পর মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রলিনস এক্স মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার কৃষকরা আরও বেশি পণ্য ভারতে রফতানি করতে পারবেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি অর্থ ঢুকবে এবং ভারতের সঙ্গে কৃষি-বাণিজ্যের ঘাটতি কমবে।এই মন্তব্যের পরেও ভারত সরকার কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাল না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিদিন কৃষকদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে লাভবান হচ্ছেন সে দেশের কৃষকরা, আর ভারতীয় কৃষকরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।অভিষেকের প্রশ্ন, মার্কিন কৃষি সচিব প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করার পরেও ভারত সরকার কেন সেই বক্তব্য খারিজ করল না? কেন কোনও জবাব দেওয়া হল না? সংসদে এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের নীরবতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

৮৫ মিনিটের বাজেটে একবারও বাংলার নাম নয়! সংসদে বিস্ফোরক অভিষেক

লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় একবারও বাংলার নাম উচ্চারণ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এত দীর্ঘ বক্তব্যেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার ছবিটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।অভিষেকের দাবি, কেন্দ্র যে ফ্রেট করিডরের কথা বাজেটে ঘোষণা করেছে, সেই প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও বাংলাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই সরকার সমতায় নয়, পক্ষপাতেই বিশ্বাস করে।এদিন অভিষেক বলেন, অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। অথচ বাংলা বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত। মনরেগায় নতুন কাজ বন্ধ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সব ক্ষেত্রেই বাংলাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পানীয় জলের মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও রাজ্যকে দরাদরি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপ-এর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনবার কর দিতে হচ্ছে। প্রথমে বেতন থেকে আয়কর কাটা হয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি বিস্কুট, স্কুলের খাতা, হাসপাতালের বিল, এমনকি সাবানেও কর দিতে হয়। তৃতীয় কর হল মূল্যবৃদ্ধি, যা অনুমতি ছাড়াই বাড়ে। অভিষেকের কথায়, এটিই হল নীরব কর।মধ্যবিত্তদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, মাসের মাঝপথেই অনেকের বেতন শেষ হয়ে যায়। একটি গাড়ি কিনলেও তিনবার কর দিতে হয় আয়কর, রোড ট্যাক্স এবং টোল ট্যাক্স।এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা ইস্যুতেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, জয় বাংলা বলা বা সোনার বাংলা গান গাইলেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া হচ্ছে। সেনাকর্মী, নোবেলজয়ী কিংবা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক কোটি মানুষকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে।সবশেষে অভিষেক বলেন, কেন্দ্র যদি তহবিল বন্ধ করতে চায়, তা করতেই পারে। কিন্তু বাংলার মেরুদণ্ড কখনও ভাঙবে না। সব কিছু কেড়ে নেওয়া গেলেও মানুষের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় না। মানুষ জেগে উঠলে শেষ কথা বাংলাই বলবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই ১৫০০ টাকা! যুবসাথীতে বড় চমক মমতার

আগস্টের অপেক্ষা আর নয়। এপ্রিল থেকেই চালু হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্প। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই রাজ্যের বেকার যুবক ও যুবতীরা প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন।কয়েক দিন আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় শিক্ষিত বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অগস্ট মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই প্রকল্পটি কার্যকর করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক ও যুবতীরা, যাঁরা মাধ্যমিক পাশ করার পর এখনও বেকার। কেউ যদি স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন, তাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনও বাধা নেই। তবে স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যদি কেউ নিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে যুবসাথীর টাকা মিলবে না।প্রাথমিকভাবে টানা পাঁচ বছর প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাঁচ বছর পরেও কেউ যদি বেকার থাকেন, সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আদলে বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে সেখানেই আবেদন করা যাবে এবং সঙ্গে সঙ্গে আবেদনপত্রের রসিদও দেওয়া হবে।যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানিয়ে শীঘ্রই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনে ৩৯ বার কাঁপল সিকিম! বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় সতর্কবার্তা

ভূমিকম্পের পরে আফটারশকের কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু টানা চার দিন ধরে একের পর এক কম্পনের ঘটনা খুব একটা শোনা যায় না। পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে ঠিক এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা কম্পনে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।জানা গিয়েছে, এই চার দিনে মোট ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। মাত্রা খুব বেশি না হলেও বারবার কম্পন হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। তার প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়। এরপর মাত্র ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিটের মধ্যে পরপর ১২টি ভূমিকম্প হয়। মঙ্গলবার সকালেও নামচি ও মঙ্গন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারাবাহিক কম্পন ফোর শক হতে পারে। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এ ধরনের কম্পন দেখা যায়। তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরও নিরাপদ জায়গা খুঁজে রাখার কথা জানিয়েছে বাসিন্দাদের।এই ধারাবাহিক কম্পনের পিছনে পাহাড়ে অতিরিক্ত নির্মাণ, জলাধার তৈরির কাজ, বা রেলপথ নির্মাণের সময় ডিনামাইট ফাটানোর মতো কার্যকলাপ কোনও ভূমিকা রাখছে কি না, তা নিয়েও খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।সিকিম পশ্চিমবঙ্গের খুব কাছেই অবস্থিত। সারা বছরই সেখানে বহু বাঙালি পর্যটক যান। তাই সিকিমে বড় কোনও ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে HIV আতঙ্ক! এক শহরেই আক্রান্ত ৩০ যুবক, চাঞ্চল্য স্বাস্থ্য দফতরে

বর্ধমান জেলায় HIV আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তার মধ্যে একটি বড় অংশই বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দফতর। সোমবার দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরে অন্তত ৩০ জন যুবক HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।জনস্বাস্থ্য দফতরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় জানিয়েছেন, জেলায় বর্তমানে প্রায় ৯০ জন HIV আক্রান্ত রয়েছেন। তার মধ্যে বর্ধমান শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জন। এঁরা সকলেই যুবক, উচ্চশিক্ষিত এবং অভিজাত পরিবারের বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণের কারণেই সংক্রমণ বেড়েছে।বিশ্বনাথবাবুর কথায়, সাধারণত যৌনপল্লি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত সচেতনতা অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এ বছর একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, সমকামী সম্পর্কের মাধ্যমেও এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক যুবক দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর একাধিক পরীক্ষা করান। সেই পরীক্ষার মধ্যেই ছিল HIV টেস্ট। তখনই ধরা পড়ে তিনি সংক্রমিত। পরে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের আরও কয়েকজন যুবকের পরীক্ষা করা হলে পরপর অনেকেই HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হন। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও বড় যৌনচক্র থাকতে পারে বলেও মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতর প্রস্তুত বলে দাবি করা হয়েছে। আক্রান্তদের পরিচয় গোপন রেখে চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা বাড়ানোর কাজও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, HIV সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিরাপদ যৌন আচরণ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal