• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Home

বিদেশ

Taliban: কর্মরত মহিলাদের আপাতত বাড়িতে থাকার পরামর্শ তালিবানের

আফগানিস্তানে কর্মরত মহিলাদের আপাতত বাড়িতেই থাকতে বলল তালিবান। তালিবান মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, তাঁরা মেয়েদের চাকরি করার বিরোধী নন। তবে যত দিন না দেশ নিরাপদ হচ্ছে, তত দিন আফগান মহিলাদের বাড়ির বাইরে না বেরনোর পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। জাবিউল্লা অবশ্য আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, চাকুরিরতাদের এই বন্দিদশা স্থায়ী নয়। সেখানকার পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হযে এসেছে, শুধু কাবুল বিমানবন্দরে কিছু অস্থির পরিস্থিতি রয়েছে, যা শীঘ্রই মিটে যাবে। আরও পড়ুনঃ লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ভিখারি বললেন দিলীপ ঘোষ জাবিউল্লা বলেছেন, দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা না মেটা পর্যন্ত মহিলাদের বাড়িতে থাকার অনুরোধ করছি। যদিও তালিবানের এই পরামর্শের প্রসঙ্গ টেনে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিভাগের প্রধান মিশেল বাসেলেট জানিয়েছেন, তালিবরা দেশের ক্ষমতা দখলের পর দেশের মহিলাদের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করে সে দিকে বিশ্বের নজর রয়েছে।এর আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত তালিবানরা যখন আফগানিস্তানের শাসক ছিল, তখন গৃহবন্দি হয়েই থাকতে হয়েছিল আফগান মহিলাদের। চাকরি তো দূর, পুরুষ সঙ্গী ছাড়া বাড়ির বাইরে পা রাখার অধিকারও ছিল না। ক্ষমতা হস্তান্তরের পর তাই অতীতের মতোই তালিবানি ফতোয়ার ভয়ে দিন গুনছিলেন আফগান মহিলারা। বিশেষ নির্দেশিকায় তালিবান মুখপাত্র জানিয়েছেন, তালিবরা দেশের মহিলাদের চাকরি করার বিরোধী নয়। তবে এই নতুন উদারনীতির শর্ত আছে। জাবিউল্লা বলেছেন, চাকরি ক্ষেত্রে যদি ইসলামিক আইন লঙ্ঘন না করা হয়, তা হলে মেয়েদের চাকরিতে তাঁদের আপত্তি নেই। তবে আপাতত তাঁরা দেশের মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয়টিতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

আগস্ট ২৫, ২০২১
টুকিটাকি

Sun Tan: পদযুগলে ট্যান দূরীকরণের ঘরোয়া উপায় জানুন

গ্রীষ্মকালে আমাদের ত্বকের জন্য সবচেয়ে খারাপ সময় বলা যেতে পারে। এইসময় ট্যানিং হল সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলির মধ্যে অন্যতম। হাত-পা-পিঠে ট্যানিংয়ের সমস্যা নিয়ে অভিযোগ প্রায়শই দেখা যায়। কখনও কখনও ট্যানিংয়ের সঙ্গে সঙ্গে চুলকানি এবং জ্বালাভাব অনুভব করা যায়। গরমে রোদের তাপে হাত ও মুখে ট্যান পড়লে কীভাবে তা দূর করা যায়, তার ঘরোয়া টোটকা জানানোর আগ্রহ প্রকাশ করি। কিন্তু পায়েও যে ট্যানিং পড়ে কদাচিত দেখতে লাগে, তা এড়িয়ে যাওয়া হয় অনেক সময়ই। পা থেকে ট্যানিং অপসারণের জন্য কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করতে পারেন। আসুন জেনে নিই, পা থেকে ট্যান দূর করার ঘরোয়া প্রতিকারবেকিং সোডা এবং দই একটি পাত্রে এক চামচ বেকিং সোডা নিন এবং এতে একটি লেবুর রস ও তাজা দই মিশিয়ে নিন। ঘরে তৈরি স্ক্রাব তৈরির জন্য এই উপকরণগুলি একসঙ্গে মেশান। তারপর পেস্টটিকে পায়ে লাগান এবং এক্সফোলিয়েট করার জন্য হালকা মাসাজ করুন। ৪-৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। এটি ৮-১০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জলে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাক ট্রাই করে দেখুন।হলুদ ও বেসন একটি পাত্রে দুই চামচ বেসন নিন। এতে আধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো এবং এতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ গোলাপ জল যোগ করুন। মসৃণ পেস্ট তৈরি করতে সমস্ত উপাদান মিশিয়ে নিন। রোদে পুড়ে কালো হয়ে যাওয়া পায়ে পুরো পেস্টটা প্রয়োগ করুন। শুকনো হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এর পরে আঙুল ও পায়ের উপরের অংশে, যেখানে য়েখানে ট্যান পড়েছে, সেখানে হালকা বৃত্তাকার ভাবে পা মাসাজ করুন। ট্যান হালকা করার জন্য ত্বকের মৃতকোষগুলি নির্মূল হয়ে যায়। এবার পা থেকে পেস্টটি স্বাভাবিক ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার বা তিনবার ব্যবহার করুন।পেঁপে ও মধু আধ পাকা পেঁপে নিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিন। এক কাপ পাকা পেঁপের কিউব একটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে একটি পেস্ট তৈরি করুন। একটি বাটিতে পেঁপের পেস্টের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে নিন। দুটি পায়ে আলতোভাবে লাগান। ১০ মিনিটের জন্য বৃত্তাকার গতিতে মাসাজ করুন এবং তারপরে এটি ১৫-২০ মিনিটের জন্য রেখে দিন। এর পরে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ২-৩ দিন একবার করে এই প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।কাঁচা দুধ এবং চালের গুঁড়ো- একটি পাত্রে দুচামচ চালের গুঁড়ো নিন। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে কাঁচা দুধ যোগ করে একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট প্রস্তুত করুন। এবার পেস্টটি উভয় পায়ে প্রয়োগ করে বৃত্তাকার গতিতে হালকা হাতে মাসাজ করুন। এটি ত্বককে এক্সফোলিয়েট করতে এবং ধীরে ধীরে সূর্যের ট্যানটি মুছতে সহায়তা করে। কমপক্ষে ১৫-২০ মিনিটের জন্য ত্বকে রেখে দিন। ঠান্ডা জল দিয়ে পা ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে দুবার এই প্যাকটি ব্যবহার করলে হাতেনাতে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২২, ২০২১
টুকিটাকি

Amla: ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন আমলকির রস

আমলকির কিন্তু অনেক গুণ। শুধু শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখাই নয়, ত্বক এবং চুলের পরিচর্যাতেও ব্যবহার করা হয় আমলকি। বিশেষ করে ত্বকের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে আমলকি। তবে শুধু আমলকি দিলে হবে না। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতে রান্নাঘরের টুকটাক জিনিসপত্র দিয়ে যে ফেসপ্যাক বা স্ক্রাব তৈরি করেন, তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। ব্যাস, তাহলে ত্বকের বেশিরভাগ সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে যাবে নিমেষে।আমলকির সঙ্গে কী কী মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব, জেনে নিন:আমলকির রস এবং পেঁপে- আমলকি এবং পেঁপে, দুটোই ত্বকের পিগমেন্টেশন অর্থাৎ কালচে দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। তাই আমলকির রসের সঙ্গে ম্যাশড পাপায়া বা পেঁপে মিশিয়ে তৈরি করুন ফেসপ্যাক। সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন এই মিশ্রণ। মিনিট ১৫ রাখার পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। মুখে এই প্যাক লাগানোর সময় হাতের বদলে নরম কটন বল বা তুলো ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই ফেসপ্যাক লাগান। দুসপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে। ফল পাবেন হাতেনাতে। আমলকি, টকদই এবং মধু- মুখের ট্যান দূর করতেও সাহায্য করে আমলকি। তাই টকদই, মধু আর আমলকির রস মিশিয়ে তৈরি করুন ঘরোয়া ফেসপ্যাক। মুখের পাশাপাশি গলা এবং ঘাড়ের অংশেও এই প্যাক লাগাতে পারেন। কারণ মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা এবং ঘাড়ের অংশেও মারাত্মক ভাবে ট্যান পড়ে। এই ফেসপ্যাক লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট রাখুন। একটু শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো হাতে মুখ মুছে জল শুকিয়ে নিন।আমলকি, চিনি আর গোলাপ জল- স্কিন এক্সফোলিয়েশন অর্থাৎ ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে জেল্লা ফেরানোর ক্ষেত্রে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। এই স্কিন এক্সফোলিয়েশনের জন্য চিনি এবং গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। এক্ষেত্রে গুঁড়ো চিনি ব্যবহাত করতে পারলে ভাল। আর এক চামচ গোলাপ জল দিলেই যথেষ্ট। তুলোয় ভিজিয়ে এই মিশ্রণ সারা মুখে লাগিয়ে নিন। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে স্ক্রাব করুন। মিনিট ১৫ ম্যাসাজের পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখে ধুয়ে নিন। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২০, ২০২১
দেশ

Police Medal: কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসার

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বিশেষ সম্মান প্রদান করা হয়েছে বেঙ্গল পুলিশের চার অফিসারকে। ইউনিয়ন হোম মিনিস্টারস মেডেল ফর এক্সিলেন্স ইন ইনভেস্টিগেশন ২০২১ দেওয়া হয়েছে এসআই সুদীপ কুমার দাস, এসআই কৌশিকব্রত মজুমদার, এসআই সুমন সাধুখাঁ এবং এসআই জীতেন্দ্র প্রসাদ। সারা ভারতে মোট ১৫২ জন পুলিশ অফিসারকে এই বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ যোগীরাজ্যেও খেলা হবেঅপরাধমূলক কাজের তদন্তকে স্বীকৃতি দিতেই ২০১৮ সালে এই পুরস্কারের উদ্ধাবন করা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে। যে যে পুলিশ অফিসারেরা এই বিশেষ মেডেল পেয়েছেন তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪ জন অফিসার ছাড়াও রয়েছেন, সিবিআই-এর ১৫ জন, মধ্যপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র পুলিশের ১১ জন করে, উত্তরপ্রদেশের ১০ জন পুলিশ অফিসার, কেরল ও রাজস্থানের ৯ জন করে পুলিশ অফিসার, তামিলনাড়ু পুলিশের ৮ জন, বিহার পুলিশের ৭ জন, গুজরাত, কর্নাটক ও দিল্লি পুলিশের ৬ জন করে অফিসার রয়েছেন। এছাড়াও অন্যান্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ অফিসার রয়েছেন। বিশেষ মেডেল পাওয়ার তালিকায় ২৮ জন মহিলা পুলিশ অফিসার রয়েছেন বলেও এক প্রেস বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Tripura: ত্রিপুরায় অভিষেকের ওপর হামলা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযোগ মমতার

সুদীপ রাহা, জয়া দত্তকে এসএসকেএম হাসপাতালে সোমবার দেখতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের ওই দুই যুব নেতাকে সেখানে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি আছেন সুদীপ ও জয়া। ত্রিপুরায় আক্রান্ত হলেও ওই যুব নেতাদের ওই রাজ্যে কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়নি বলে তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ। এদিন তাঁদের চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন মমতা।আরও পড়ুনঃ মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেকহাসপাতালে মমতা বলেন, ত্রিপুরায় পাথর মারা হয়েছে, গুলি চালিয়েছে। যুব নেতাদের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। পুলিশের সামনে মেরেছে। ওরা মারল ওরাই আবার আমাদের কর্মীদের গ্রেফতার করল। সেখানে একটা দানবীয় দল সরকার চালাচ্ছে। ত্রিপুরায় আমাদের জখম কর্মীদের ৩৬ ঘন্টা চিকিৎসা হয়নি, তাঁদের জল পর্যন্ত দেওয়া হয়নি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্ররোচনায় এসব হয়েছে। না হলে এত সাহস কোথা থেকে পায় ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী। ওরা বাংলায় এসে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ত্রিপুরা তো পাশের রাজ্য। বিজেপি নিজের রাজ্যে সেবা দিতে পারে না।আরও পড়ুনঃ রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপেরত্রিপুরায় দলীয় কর্মী ও অভিষেকের ওপর হামলা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, অভিষেকের গাড়িতে হামলা হয়েছে। সবটাই পুলিশের সামনে হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া এত সাহস হয় না। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে তৃণমূল নেত্রী অভিযোগ করেছেন। মমতার দাবি, ত্রিপুরা যাওয়ার উড়ানে পাশের সিট রিজার্ভ করে গুন্ডাদের দিয়ে অভিষেকের ওপর নজর রাখা হচ্ছে।

আগস্ট ০৯, ২০২১
টুকিটাকি

Hibiscus: যত্নের অভাবে চুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন চুলে জবা ফুলের মিনিট মেড কামাল দেখুন

বর্ষাকালে চুল পড়ে বলে অনেকেই তা গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু অতিরিক্ত চুল পড়ায়, যত্নের অভাবে তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে? প্রাণহীন, শুষ্ক চুলের জেল্লা ফেরাতে ব্যবহার করতে পারেন জবা ফুলের প্যাক। জবা ফুল বাজারে সহজলভ্য আর এই হেয়ার প্যাক বানানোও সহজ, জেনে নিন বাড়িতেই কীভাবে বানাবেন জবা ফুলের প্যাক।খুশকি তাড়াতে, চুল সাদা হওয়া রুখতে, ঘন চুল বজায় রাখতে জবা ফুল উপকারি। জবা ফুলের হেয়ার প্যাক বানাতে প্রয়োজন ৮ থেকে ১০টি জবা ফুল। ফুলের সবুজ অংশটি ফেলে ভালো করে ধুয়ে নিন ফুল। এবার জবা ফুল ও ৪ টেবিল চামচ টক দই নিয়ে মিক্সারে গ্রাইন্ড করতে হবে। প্রয়োজনে খানিকটা জল মেশাতে পারেন। মেথি পেস্ট তৈরি করে একটি বাটিতে ঢেলে ১ টেবিল চামচ মধু দিয়ে তাতে মিক্সারে গ্রাইন্ড করা জবা ফুল ও টক দই একসঙ্গে মিশিয়ে নিলেই তৈরি এই প্যাক।আরও পড়ুনঃ চুল এবং ত্বকের পরিচর্যায় অব্যর্থ নারকেল তেল, জেনে নিন কী কী কাজে লাগেএ তো গেল চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থে জবা ফুলের ব্যবহার। ত্বকের জন্যও খুব উপকারি জবা ফূলের প্যাক। ত্বকের টক্সিন ও অতিরিক্ত তেল কমিয়ে ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে উপকারি জবা ফুলের প্যাক। জবার পাপড়ি পেস্ট করে তার সঙ্গে চালের গুঁড়ো ও জল মিশিয়ে মুখে মেখে নিন। ১৫-২০ মিনিট মাসাজ করুন ওই পেস্ট। তার পরে ধুয়ে নিলেই ফিরে পাবেন সুন্দর ত্বক।জবা ফুলের প্যাক বানানোর সময় লক্ষ রাখবেন যেন ফুল ও পাতা তাজা থাকে। প্রয়োজনে মেথির বদলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। চুলে খুশকি থাকলে হেয়ার প্যাকে লেবুর রস ব্যবহার করুন। টাটকা ফুল না পেলে সুপার জবা ফুলের পাউডারও পাওয়া যায়, সেগুলিও ব্যবহার করতে পারেন হেয়ার প্যাক তৈরিতে।আরও পড়ুনঃ গাজরের বহুবিধ গুনাগুণবাড়িতে জবা ফুলের গাছ থাকলে বাড়তেই বানিয়ে ফেলুন জবাপাতার হেয়ার প্যাক, এটি বানাতে মুঠোভর্তি জবা পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন। চাইলে কয়েকটি জবা ফুলও দিয়ে দিতে পারেন। মিহি পেস্ট তৈরি করার জন্য প্রয়োজনে সামান্য জল দিন। পাতার পেস্ট একটি বাটিতে নিন। আগের রাতে ভিজিয়ে রাখা মেথি গ্রাইন্ডারে পেস্ট করে নিন। এবার দুটি পেস্ট একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন চুলে। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন ব্যবহার করেই দেখুন না, পার্লারে না গিয়েও আপানারও ঈর্ষা জাগানো কেশরাশির সমাহার দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।

আগস্ট ০৮, ২০২১
টুকিটাকি

Healthy Skin: বর্ষায় ত্বক সুস্থ রাখতে প্রাকৃতিক রূপচর্চা

গ্রীষ্ম ও শীতকালেই শুধু নিয়ম মেনে ত্বকের পরিচর্চা করে থাকি আমরা। কিন্তু বাকি সময় অর্থাত্ বর্ষার দিনগুলিতে রূপচর্চার কথা অনেক পড়ে ভাবি। কিন্তু প্রাথমিকভাবে বর্ষাকালেই ত্বকের বিশেষ দেখভাল করার পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এই সময় ত্বকের উপর ফাঙ্গাল ইনফেকশন হওয়ার সুযোগ থাকে বেশি। আর্দ্রতার কারণে ত্বক ও চুলের দুয়েরই সমস্যা তৈরি হয়। তবে এই সমস্যা মেটানোর জন্য ঘরোয়ো উপায়ে কিছু ফেস প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ওটমিল ও দই- তিন টেবিলস্পুন ওটস, একটি ডিম নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার তাতে দুই টেবিলস্পুন দই ও এক চামচ মধু নিয়ে ভাল করে মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার পুরো প্যাকটি ঠান্ডা করতে বেশ কিছুক্ষণ ফ্রিজের মধ্যে রেখে দিন। পুরোপুরি ঠান্ডা হলে গোটা মুখ, গলা, ঘাড়ে ফেস প্যাকটি লাগিয়ে নিন। ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাবাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ওটসমিল ত্বকের উপর অতিরিক্ত তেল শুষে নিতে সাহায্য করে। ত্বকের পিএইচ লেভেল ব্যালান্স করতেও ওটসমিলের গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে দইয়ের মধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়ার সঙ্গে লড়াই করার অদম্য শক্তি, ফলে ত্বকের জেল্লা বাড়াতে ও কোমল রাখতে এই উপকারী ফেস প্যাকটি ব্যবহার করলে লাভবানই হবেন।বেসন ও রোজ ওয়াটার- এই ফেসপ্যাক অত্যন্ত প্রচলিত। একচিমটে হলুদ গুঁড়ো ও ১ চামচ বেসন মিশিয়ে তাতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস ও রোজ ওয়াটার দিয়ে ভাল করে একটি ফেস প্যাক বানান। গোটা মুখে, গলায় লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সধারণ গোলাপ জল ত্বকের সব পরিচর্চার সহঙ্গেই দারুণভাবে কাজে লাগে। অন্যদিকে বেসনের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, যা ত্বকের চুলকানি, ব্রণ হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। লেবুর রস ও হলুদ গুঁড়ো সুস্থ ত্বকের চাবিকাঠি। ত্বকের ছিদ্রগুলি পরিষ্কার রাখতে এই দুই উপাদানের বিকল্প নেই।স্যান্ডালউড ও হলুদ- ১ টেবিল চামচ স্যান্ডালউড পাউডার ও হআধ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার কয়েক ফোঁটা গোলাপ জল নিয়ে পুরু ফেস প্যাক বানান। প্যাকটি মুখে, গলায় ভাল ভাবে লাগিয়ে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। হলুদের কারণে ত্বকে ফর্সাভাব ও জেল্লা বৃদ্ধি পায়। স্যান্ডালউডের কারণে ত্বকের অতিরিক্ত তেল নির্গত হয়ে সুস্থ ত্বকের পরিচয় দেয়।লেবু ও মধু- একটি বোলে অর্ধেক লেবুর রস আর দু চা চামচ মধু নিয়ে একটি প্যাক বানান। গোটা মুখে ওই প্যাক লাগিয়ে না শুকিয়ে যাওয়া অবধি রেখে দিন। ১০ মিনিট অপেক্ষা করে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স স্বাভাবিক রাখতে মধুর এই প্যাক দারুণ উপকারী। যে কোনও ত্বকের জন্য এই ফেস প্যাক ব্যবহার করা যায়।

আগস্ট ০১, ২০২১
টুকিটাকি

Eyelashes : ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিন

মাস্কারা দিয়ে দিয়ে আর ভাল লাগছে না। চোখের পাতাও ঝরে যাচ্ছে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে বড় করবেন আইল্যাশ? জেনে নিন।ছোটবেলা থেকেই লম্বা আই ল্যাশের শখ অনেকেরই। এটাও ঠিক সুন্দর চোখের সঙ্গে বড় বড় আই ল্যাশ অনেকের জন্মগত। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে আপনার কোনওদিন লম্বা এই ল্যাশ হতে পারে না। অনেকেই আছেন যারা নকল চোখের পাতা লাগান। কিন্তু তা অনেক সময় অস্বস্তির কারণ হয়। কিন্তু না, এবার আর নকল নয় ইচ্ছে হলে পেয়ে যেতে পারেন সুন্দর ন্যাচারাল আই ল্যাশ। কীভাবে? রইল কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি।গ্রিন টিরোগা হওয়ার জন্য আমরা সাধারণত গ্রিন টি খেয়ে থাকি। কিন্তু জা্নেন কী গ্রিন টি এমনকী চোখের পাতা বড় করতেও সাহায্য করে। রোজকার যেমন চা বানান, সেই চা থেকে এক চা চামচ চা নিয়ে ঠান্ডা করে চোখের পাতায় লাগান তুলো দিয়ে। এটা দু থেকে তিন বার করুন তাহলেই পাবেন অসাধারণ ফল।অলিভ অয়েলচুলের গ্রোথের জন্য অলিভ দারুণ ওষুধ। অনেকেই চুলের গ্রোথের জন্য অলিভ ওয়েল ব্যবহার করেন। হাতে অল্প পরিমাণ তেল নিন আর ধীরে ধীরে চোখের উপর মাসাজ করুন । পরের দিন সকালে উঠে হালকা গরম জলে চোখ ধুয়ে নিন।ক্যাস্টর অয়েলপ্রতিদিন কাজল আর মাস্কারা দিয়ে দিয়ে চোখের অবস্থা খারাপ। অনেক সময় চোখের পাতাও পরে যায়। যদি তুলো দিয়ে হালকা করে ক্যাস্টর অয়েল দেওয়া যায় তাহলে বেশ কয়েকদিন দেওয়ার পর তার প্রভাব দেখা যাবে। চোখ থাকবে সুস্থ, চোখের উপর থেকে সরে যাবে ক্লান্তি ছাপ। উপরন্তু বাড়বে চোখের পাতাও।

জুন ২৯, ২০২১
টুকিটাকি

Grey Hair: সাদা চুল নিমেষে কালো করার প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায় কী কী, জানুন...

প্রবীণ বয়সে চুল পাকা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু কম বয়সে চুল পেকে যাওয়া চিন্তার বিষয়। আধুনিক জীবযাপনে স্ট্রেসের কারণে মানুষের অল্প বয়সেই চুলে পাক ধরার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। চুল সাদা হয়ে যাওয়ার পিছনে যে প্রধান কারণগুলি উঠে আসে, তা হলে কময় বয়সে চুল পাকার অন্যতম হল জিন বা বংশগত কারণ। এছাড়া অতিরিক্ত স্ট্রেস, অতিরিক্ত ধূমপান-মদ্যপান, হেরিডিটি, অ্যানিমিয়া, অপুষ্টির কারণে তাড়াতাড়ি চুল সাদা হয়ে যায়। প্রসঙ্গত শরীরের ভিটামিন বি ১২এর অভাব ঘটলে বা থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে চুল সাদা হয়ে যায়। দেখে নিন একঝলকেনারকেল তেল ও মেহেন্দি পাতানারকেল তেল ও হেনা সাদা চুল হঠাতে দারুণ উপকারী। হেনার বাদামি রঙ চুলের গোড়া পর্যন্ত পৌঁছে যায়। ৩-৪ চামচ নারকেল তেল গরম করুন। তাতে কয়েকটি মেহেন্দি পাতা দিয়ে ফোটান। যতক্ষণ না তেলের রঙ বাদামি হচ্ছে, ততক্ষণ ফোটাতে থাকুন। তেল ঠান্ডা হলে চুলোর গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত তেল লাগান। ৪০ মিনিট অপেক্ষা করুন।রোজকার নিয়মে এই উপকারী তেল ব্যবহার করলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যই সাদা চুল কালো হয়ে যায়।ক্যাস্টর তেল ও সরষের তেল১ চা চামচ ক্যাস্টর তেল ও ২ চা চামচ সরষের তেল মিশিয়ে কয়েক সেকেন্ডের জন্য গরম করুন। তেল ঠান্ডা হলে চুলের গোড়ায় ও স্ক্যাল্পে দিয়ে ১০ মিনিট ধরে ভাল করে মাসাজ করুন। অন্তত ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর স্যাম্পু ব্যবহার করে চুল ধয়ে ফেলতে পারেন। সপ্তাহে তিন বার এই ঘরোয়া পদ্ধতি মেনে চললে দ্রুত চুল কালো হয়ে যায়।নারকেল তেল ও আমলকীঘন কালো চুল পেতে একটি বোলে ২ চা চামচ আমলা পাউডার ও ৩ চা চামচ ফ্রোজেন নারকেল তেল মিশিয়ে গরম করতে দিন, তেল ঠান্ডা হলে চুলের গোড়ায় দিয়ে মাসাজ করুন। সারারাত মাথায় তেল মেখে রাখলে ফল পাওয়া যাবে দ্রুত। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে নিলে চকচকে, কালো কুচকুচে চুল পেতে পারেন।

জুন ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিজেপি ছেড়ে সদ্যই তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন সপুত্র মুকুল রায়ের (Mukul Roy)। ফের ঘাসফুল শিবিরে ফেরার পরই তাঁর নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করেছিল রাজ্য সরকার। তবে তার আগে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন খোদ মুকুল রায়। মুকুল রায়ের আর্জি মেনে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।Security of TMC leader Mukul Roy has been withdrawn by Ministry of Home Affairs (MHA), order has been issued: Govt Sources(File photo) pic.twitter.com/RcLInrbaLl ANI (@ANI) June 17, 2021সাড়ে তিন বছর পর ঘরে ফেরা। পুরনো দলে, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে ফের রাজনৈতিক ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়লেন তিনি। শুক্রবারই বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় সপুত্র ফিরেছেন তৃণমূলে (TMC)। তাঁদের উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে যোগদানের পর তিনি বললেন, বিজেপি থেকে বেরিয়ে খুব ভাল লাগছে। নতুন আঙিনায় এসেছি, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে দেখা হচ্ছে, কথা হচ্ছে। আর এটা ভেবে ভাল লাগছে, বাংলা আবার তার নিজের জায়গায় ফিরবে। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন মমতা। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরল বলেই জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দাবি জানান মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হল তাঁর। তবে তার আগেই তাঁকে জেড ক্যাটাগরি এবং শুভ্রাংশু রায়কে (Subhranshu Roy) ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেয় রাজ্য।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

Homeless: জঙ্গলে তাবু খাটিয়ে দিন কাটানো ঘরছাড়া বিজেপি নেতাদের পাশে নকশাল নেতৃত্ব

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় ঘরবাড়ি ছাড়া হয়ে জঙ্গলে তাঁবু খাটিয়ে দিন কাটানো বিজেপি কর্মী পরিবারগুলির পাশে দাঁড়াননি কোনও বিজেপি নেতা।মানবিকতার খাতিরে শেষ পর্যন্ত নকশাল নেতৃত্বই পাশে দাঁড়ালেন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের প্রেমগঞ্জ গ্রামের ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের পাশে।তাদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্য আউশগ্রাম ২ ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির কাছে চিঠি লিখে আবেদন জানালেন সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের বর্ধমান জেলা কমিটির সম্পাদক। এই ঘটনা বিজেপি নেতাদের মুখ যথেষ্টই পোড়াল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল । আউশগ্রাম ২ ব্লকের প্রত্যন্ত গ্রাম প্রেমগঞ্জ। এবারের বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর প্রেমগঞ্জ গ্রামে বিজয় মিছিল করে তৃণমূল । তার পরেই গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করে। ঘরছাড়া থাকা বিজেপি কর্মী কমল বাগদি ,বলরাম বাগদি প্রমুখরা বলেন , তৃণমূলের বিজয় মিছিলে থাকা লোকজন বেছে বেছে এলাকার বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের বাড়িতে চড়াও হয় । বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও মারধোর শুরু হয় । এরপর প্রাণভয়ে ওইদিন রাতেই তাঁরা প্রায় ২৫ - ৩০ টি বিজেপি সমর্থক পরিবার বাড়ি ছাড়েন। তার পর থেকে এক মাসের বেশি দিন হয়েগেল তারা প্রেমগঞ্জ থেকে বহু দূরে কাঁকশা লাগোয়া ভাতকুণ্ডা গ্রামের অদূরে জঙ্গলের ভিতরে দুটি তাঁবুতে বসবাস করছেন। সঙ্গে ১০টি ছোট বাচ্চাও রয়েছে। কমল বাগদি জানান, বাড়ি ফিরলে ফের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের হামলার মুখে পড়তে হতে পারে, এই ভয়ে তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারছেন না। আধপেটা খেয়ে তাঁবুতে অসহায়ভাবে দিন কাটিয়ে চললেও বিজেপি নেতারা কেউ পাশে দাঁড়াননি। ঘরছাড়ারাই জানান, এই অসময়ে তাঁদের কিছুটা হলেও সহযোগিতা করছে একমাত্র নকশাল সংগঠন।এই বিষয়ে সিপিআইএমএল(রেডস্টার) সংগঠনের জেলা সম্পাদক ফতেমা বেগম বলেন, ঘরছাড়া অসহায় পরিবারগুলি রাজনৈতিক হিংসার শিকার।তাঁরা খুব কষ্টে দিন কাটচ্ছে বলে মানবিকভাবেই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফতেমা বেগম জানান, ওই ঘর ছাড়াদের বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করার জন্যে তিনি চিঠি লিখেও আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির কাছে আবেদন জানিয়েছেন। আউশগ্রাম ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সৈয়দ হায়দর আলি বলেন,যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। ওদের গ্রামে ফিরতে কেউ নিষেধ করেনি।ওরা গ্রামে ফিরুক, কোন অসুবিধা নেই ।জেলা বিজেপির সম্পাদক শ্যামল রায় বলেন, ঘরছাড়াদের পাশে বিজেপি নেতারা দাঁড়ায়নি এই কথা সঠিক নয় । ওদের বিষয়ে প্রশাসনকে বলা হলেও কোন কাজ হয়নি। বাড়ি ফিরলেই তৃণমূলের লোকজন ফের আক্রমণ করবে এই ভয়ে ঘরছাড়ারা ঘরে ফিরতে পারছেন না।

জুন ১১, ২০২১
টুকিটাকি

দাঁত সাদা রাখবেন কীভাবে? জেনে নিন ঘরোয়া পদ্ধতি

হাসি হল মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুন্দর হাসির জন্য সুন্দর দাঁত আরও গুরুত্বপূর্ণ। হলুদ হয়ে যাচ্ছে দাঁত? তাই নিয়ে বেশ চিন্তিত ! কীভাবে সাদা রাখবেন দাঁত। জেনে নিন ঘরোয়া পদ্ধতিহাসি যে কোনও মানুষের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।আর দাঁত সুন্দর হলে হাসি আরও সুন্দর দেখায়। কিন্তু অনেক সময় এই হাসি ম্লান হয়ে যায় যদি দাঁতের কোনও সমস্যা দেখা দেয়। কিংবা দাঁতের রঙের পরিবর্তন ঘটে। আপনাদের জন্য রইল তেমনিই কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি, যাতে দাঁত দেখাবে মুক্তোর মত। হাসি হয়ে উঠবে আরও আকর্ষনীয়।বেকিং সোডাযে কোনও কিছু পরিষ্কারের জন্য বেকিং সোডা যে ম্যাজিকের মত কাজ করে তা অনেকেরই জানা। কিন্তু জানেন কী দাঁত ঝকঝকে রাখতেও বেকিং সোডা দারুন কাজে করে। জলের সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। আর সেই পেস্টটি ব্রাশে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ব্রাশ করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন।লেবুর খোসাপ্রাকৃতিকভাবেই লেবুতে আছে ব্লিচিং উপাদান। লেবুর খোসা খুব সহজেই দাঁত পরিস্কার রাখে। দাঁতে কিছুক্ষণ লেবুর খোসা ঘষে নিন তারপর ধুয়ে ফেলুন।নারকেল তেলহ্যাঁ একদম ঠিক পড়ছেন। মুখে কিছুক্ষণ রেখে দিন। এমনকি কয়েক ফোঁটা তেল ব্রাশে দিয়ে ভাল করে দাঁতে ঘষুন। তারপর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পাবেন চমৎকার ফল।

জুন ০৪, ২০২১
রাজ্য

ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রীম ক্ষতিপূরণ নিয়ে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ মমতার

ঘূর্ণিঝড়ের আগাম ক্ষতিপূরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ফের এরাজ্যের প্রতি বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন ঘূর্ণিঝড় যশের মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ডাকা বৈঠকে ওডিশা ও অন্ধ্রপ্রদেশের তুলনায় এ রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ওই বৈঠকের পরে নবান্নে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওডিশা এবং অন্ধ্রপ্রদেশকে ৬০০ কোটি করে বরাদ্দ করার কথা ঘোষণা করেছেন । সেখানে এ রাজ্যকে ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আয়তনের দিক থেকে বৃহৎ এই রাজ্যকে কম অর্থ বরাদ্দ করা অযৌক্তিক বলে মুখ্যমন্ত্রী মনে করেন। গতবছরের আম্ফান পর্বে কেন্দ্রীয় সহায়তা বাবদ প্রতিশ্রুত অর্থসাহায্য ও ঠিকমতো মেলেনি বলেও তিনি আজ অভিযোগ করেছেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার পর নবান্নে ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন মমতা। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আম্ফানের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই এবারের আসন্ন ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। গতবছর আম্ফানের সময় ১০ লক্ষ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়ে প্রাণহানি রোখা গিয়েছিল। এবারও একই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। এজন্য ৪ হাজার ত্রাণশিবির খুলে লোককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। অতিমারির আবহে ত্রাণ শিবির গুলিতে করোনা বিধি যাতে কঠোরভাবে মানা হয় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, নবান্ন এবং উপান্ন কাল থেকে ৪৮ ঘণ্টা সারাক্ষণ নজরদারি চলবে। উদ্ধারকার্য চালানোর জন্য দল তৈরি করা হয়েছে। তিনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে গোটা বিষয়টি তদারক করবেন। দক্ষিণবঙ্গে ঘূর্ণি ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন। একইসঙ্গে ব্লক ব্লকে সচেতনতা মূলক প্রচার এবং মৎস্যজীবীদের মধ্যে সমুদ্রের না যাওয়ার বিষয়ে নিরন্তর প্রচার চালানোর জন্য তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন।

মে ২৪, ২০২১
রাজ্য

সেফ হোম ও কমিউনিটি কিচেন খুললেন নুসরত

করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে বিপর্যস্ত গোটা দেশ। কার্যত লকডাউনের পথে হেঁটে রোগ মোকাবিলার পথে হেঁটেছে রাজ্য প্রশাসন। প্রায় প্রতিদিনই উঠছে হাসপাতালে বেড এবং অক্সিজেনের আকালের অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্তদের ভাল রাখার উদ্যোগ অভিনেত্রী তথা সাংসদ নুসরত জাহানের। ভ্যাবলা পলিটেকনিক কলেজে সেফ হোম এবং কমিউনিটি কিচেন খুললেন তিনি।বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদের এহেন উদ্যোগকে নেটদুনিয়ায় কুর্নিশ জানিয়েছেন অনেকেই। করোনা কালে এই সেফ হোম এবং কমিউনিটি কিচেন খোলার ভাবনা সত্যিই যথেষ্ট ভাল বলেই জানিয়েছেন নেটিজেনদের একাংশ। তবে অনেকেই আবার তাঁর এই কাজের সমালোচনাতেও মুখর। সাংসদ হিসাবে নুসরত সাধারণ মানুষের জন্য তেমন কিছু করে উঠতে পারেননি বলেই দাবি তাঁদের। তবে এই প্রথমবার নয়। এর আগেও একাধিকবার নেটদুনিয়ায় সমালোচনার শিকার হতে হয়েছে তাঁকে। মুসলমান পরিবারের সন্তান হয়ে শাঁখা, পলা পরা হোক কিংবা সাহসী পোশাকে ফটোশুট বারবার নেটিজেনদের তীর্যক মন্তব্যের শিকার হন বসিরহাটের সাংসদ। প্রতিবারের মতো এবারও সমালোচনায় কান দিতে নারাজ নুসরত। পরিবর্তে বসিরহাট বিধানসভার প্রতিটি কেন্দ্রে সেফ হোম তৈরির কথা ভাবছেন তিনি। স্থানীয় নেতৃত্ব এবং প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া এই কাজ করা সম্ভব হত না বলেও জানিয়েছেন নুসরত। বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে সকলকে কোভিডবিধি মেনে চলারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

মে ২৩, ২০২১
কলকাতা

ভোট পরবর্তী হিংসায় উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল, রিপোর্ট তলব কেন্দ্রের

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই ভোটপরবর্তী হিংসার আগুন জ্বলে উঠেছে বাংলায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিলেও কার্যত তা উপেক্ষা করে নগ্ন প্রতিশোধের রাস্তা বেছে নিয়েছেন তৃণমূলীরা। যাতে নতুন করে উদ্বেগ দানা বেঁধেছে সমস্ত মহলেই।সাম্প্রতিক ঘটনা প্রবাহে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। রাজ্য প্রশাসনকে হিংসা থামাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।রাজ্য সরকারের কাছে এনিয়ে রিপোর্ট তলব করেছে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার। রবিবার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে ২১৪ আসনে জিতে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।ফল ঘোষণার ২৪ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই রাজ্যে তাদের নেতা-কর্মী-সহ ৬ জন খুন হয়েছেন বলে দাবি করেছে বিজেপি।নন্দীগ্রাম থেকে শীতলকুচি, এমনকী খোদ কলকাতাতেও একের পর এক হিংসার ঘটনা সামনে এসেছে। বেলেঘাটা, শীতলকুচি-সহ বিভিন্ন জায়গায় ৬ জন খুন হয়েছেন বলে দাবি করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকাতেও ভাঙচুরের ঘটনা চলছে। দিলীপ ঘোষ বলেন, আইএসএফের একজনকেও বোমার আঘাতে মেরে ফেলা হয়েছে। শতাধিক বাড়ি, পার্টি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। প্রশাসনকে অনুরোধ করব, অবিলম্বে শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা করা হোক। শান্তিপূর্ণভাবে এই ইস্যুতে আন্দোলনে নামবে বিজেপি। কাল রাস্তায় নেমে ধর্না দিয়েও প্রয়োজনে প্রতিবাদ জানানো হবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে বিজেপি-র প্রতিনিধিদল বিকেলে রাজভবনেও যায়। রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, হাজার হাজার বাড়ি, পার্টি অফিস ভাঙচুরের খবর পাচ্ছি, ভিডিও দেখছি। বেলেঘাটায় আমাদের কর্মীকে মেরে ফেলার পাশাপাশি পোষ্যদেরও মারা হয়েছে। বিজেপির পাঁচ কর্মী ও আইএসএফের এক কর্মী রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বলি হয়েছেন। আমরা শক্তিশালী বিরোধী দলের দায়িত্বই পালন করতে চাই। তবে আমাদের পাশাপাশি অন্য দলের লোক, এমনকী সাধারণ মানুষও আক্রান্ত হচ্ছেন। এর প্রতিবিধান না হলে গণতান্ত্রিক উপায়ে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ হবে। রাজ্যপাল আমাদের কথা শুনেছেন।ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য রাজ্য স্বরাষ্ট্র দফতর, কলকাতা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই বিষয়ে জানিয়েছেন তিনি। নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে। সোমবার রাজ্যপাল একটি টুইট করেন।সেখানে বলেন, হিংসার কথা জানতে পেরেছি। এ ব্যাপারে আমি উদ্বিগ্ন। রাজ্যের বিভিন্ন অংশ থেকে গোলমালের খবর পাওয়া যাচ্ছে পার্টি অফিস, বাড়ি, দোকান ভাঙচুর করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি খুবই চিন্তাজনক। তিনি আরও লিখেছেন, এ সব থামাতে স্বরাষ্ট্র দপ্তর, রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশকে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলেছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছি। উল্লেখ্য দুপুরেই রাজভবনে পুলিশ কমিশন, ডিজিকে ডেকে পাঠান রাজ্যপাল।বিকেলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। তার কাছেও হিংসা থামাতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আর্জি জানান রাজ্যপাল।এদিকে ভোট পরবর্তী হিংসার খবর পেতে নবান্নের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ভোটের ফলাফল প্রকাশ হতেই বিরোধী দলের রাজনৈতিক দলের উপর কেন হামলা তা নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন পুনরায় রাজ্যবাসীর কাছে শান্তির আবেদন জানিয়েছেন।মমতা বলেন, নির্বাচনে হার-জিত রয়েছে। বিজেপি অনেক অত্যাচার করেছে। শান্ত থাকুন, পুলিশকে অভিযোগ করেছি। আইন সামলানোর দায়িত্ব পুলিশের। তৃণমূল কর্মীকে খুন করেছে বিজেপি। কোচবিহারে আক্রান্ত হয়েছে তৃণমূল।

মে ০৩, ২০২১
রাজ্য

দেশে ফিরতে না পেরে পেট্রাপোলে বিক্ষোভ বাংলাদেশি নাগরিকদের

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্ত। বন্ধ যাত্রী পারাপার। আর এর ফলে দিনভর পেট্রাপোল সীমান্তে আটকে পড়লেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। শেষপর্যন্ত দেশে ফিরতে না পেরে অবশেষে বিক্ষোভের পথ বেছে নিলেন মেডিক্যাল ভিসায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা ওই যাত্রীরা৷ সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত চলছে বাংলাদেশি নাগরিকদের এই বিক্ষোভ।করোনার সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে ভারত-বাংলাদেশ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। ২৬ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে যাত্রী পারাপার। সোমবার থেকে সেই নির্দেশ লাগু হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দুপারের যাত্রীরাই। ভারতে চিকিৎসা করতে এসে আটকে পড়েছেন কয়েকশো রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা৷ দেশে ফেরার জন্য সোমবার সকাল থেকে পেট্রাপোল বন্দরে এসেছিলেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। কিন্তু বর্ডার বন্ধ। তাঁরা দেশে ফিরতে পারলেন না। দিনভর অনেক অনুনয় বিনয় করেও কোনও ফল হয়নি। অবশেষে সন্ধের পর থেকে বাংলাদেশি যাত্রীরা পেট্রাপোল সীমান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেরই সোমবার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। খরচ চালানোর মতো টাকাও তাঁদের হাতে নেই। তাই তাঁরা দেশে ফেরার জন্য বিক্ষোভ শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজন রোগী ও স্কুলপড়ুয়া রয়েছেন বলে খবর।বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ভিসার মেয়াদ শেষ। হাতে প্রয়োজনীয় টাকাও নেই। দেশে ফিরতে না পারলে এপারে না খেয়ে মরতে হবে। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া থেকে চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন স্বপন কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বিপাকে পড়েছি আমরা। এভাবে না খেয়ে মৃত্যুর থেকে জোর করে বাংলাদেশে ঢুকতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরব। সংবাদমাধ্যমকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ক্যান্সার আক্রান্ত মহিলার করিমুন্নেসাI তিনি বলেন, টাকাও শেষ হয়েছে। দেশে ফিরতে পারছি না। এখন কি করব। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁদের দেশে ফেরানোর আবেদন জানালেন নড়াইলের স্কুলছাত্রী রিয়া মণ্ডল। তিনি ভারতে অপারেশন করতে এসেছিলেন। পেট্রাপোল সীমান্তে অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিক তরুণ বিশ্বাস জানান, বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই বর্ডারের গেট বন্ধ আছে। যাঁরা বাংলাদেশ হাইকমিশনার থেকে এনওসি আনছেন। কেবল তাঁরাই বাংলাদেশের ফিরতে পারবেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
টুকিটাকি

চুল ঝরছে? ত্বকে সমস্যা? বাড়িতে কর্পূর থাকলে একাধিক সমস্যার সমাধান

আমাদের দেশে প্রাচীন কাল থেকেই পুজো-পাঠে আর খাবারের সুগন্ধ বাড়াতে কর্পূরের ব্যবহার করা হয়। চোখ বন্ধ করেও শুধু মাত্র গন্ধেই কর্পূর চেনা যায়। তবে শুধু পুজো-পাঠ বা খাবারের সুগন্ধ বাড়াতেই নয়, বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রেও প্রাচীন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় যুগ যুগ ধরে কর্পূর ব্যবহার করা হয়। আজ জেনে নেওয়া যাক কর্পূরের কয়েকটি অজানা, আশ্চর্য ব্যবহার...১. কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের গন্ধে মশা ঘর ছেড়ে পালাবে।২. ঘরের দুর্গন্ধ কাটাতে কর্পূরের ট্যাবলেট ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। দেখবেন এটি রুম ফ্রেশনারের কাজ করবে।৩. সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে গেলে বা বুকে কফ জমে গেলে কর্পূরের সাহায্য নিতে পারেন। কর্পূরের গন্ধে বন্ধ নাক ছেড়ে যাবে। সরষের তেল বা নারিকেল তেলের সঙ্গে আন্দাজ মতো কর্পূর মিশিয়ে সামান্য গরম করে নিন। উষ্ণ অবস্থাতেই এই তেলের মিশ্রণটি বুকে, পিঠে ভাল করে মালিশ করতে পারলে দ্রুত আরাম পাওয়া যাবে।৪. অতিরিক্ত চুল ঝরা রোধ করতে আর খুশকির সমস্যা দূর করতে কর্পূর একেবারে অব্যর্থ একটি উপাদান। নিয়মিত মাথায় মাখার তেলের সঙ্গে কর্পূরের গুঁড়ো মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করতে পারলে চুল ঝরার পরিমাণ অনেকটাই কমে যাবে। চুলে শ্যাম্পু করার আগে এই তেলের মিশ্রণ মাথার তালুতে আর চুলের গোড়ায় মাখতে পারলে খুশকির সমস্যাও দ্রুত কমবে।৫. ব্রণ ও ব্রণর দাগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী! কয়েক ফোঁটা কর্পূর এসেনশিয়াল অয়েল বা কর্পূরের গুঁড়ো এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, নারকেল তেল বা আমন্ড তেলের সঙ্গে মিশিয়ে কয়েক দিন কেখে দিন। এ বার ওই তেল ব্রণ আক্রান্ত ত্বকে ভাল করে মালিশ করতে পারলে ব্রণর সমস্যা দ্রুত কমবে, সেই সঙ্গে ব্রণর দাগও ফিকে হয়ে যাবে।৬. ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যায় কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী। এক টুকরো ভোজ্য কর্পূর সামান্য জলের সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকের আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে, কিছু ক্ষণ পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের চুলকানি বা র্যাশের সমস্যা দ্রুত কমে যাবে। তবে খেয়াল রাখবেন, কখনওই কাটা বা ক্ষত স্থানে কর্পূর ব্যবহার করবেন না। কারণ কর্পূর রক্তের সঙ্গে মিশে গেলে শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে।৭. ছারপোকা তাড়াতে কর্পূর অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। ছারপোকার সমস্যা থেকে মুক্ত পেতে প্রথমে বিছানার চাদর ধুয়ে, তোষক, ম্যাট্রেস সব দীর্ঘ ক্ষণ রোদে দিন। এর পর একটি বড় কর্পূরের টুকরো কাপড়ে মুড়ে বিছানা ও ম্যাট্রেসের মাঝে রেখে দিন। কর্পূরের গন্ধে ছারপোকারা বিছানার ধারেকাছেও ঘেঁষবে না।৮. বাড়িতে পিঁপড়ের উপদ্রব বেড়েছে? তাহলে এই সমস্যা থেকে দ্রুত রেহাই পেতে বাজার চলতি ক্ষতিকর কীটনাশকের পরিবর্তে জলের সঙ্গে কর্পূর মিশিয়ে ঘরের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে দিন। কর্পূরের ঘন্ধে পিঁপড়ে ঘর ছেড়ে পালাবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
টুকিটাকি

গরমে ত্বকের ট্যান কাটাতে জেনে নিন কয়েকটি সহজ ঘরোয়া উপায়

পার্লারে গিয়ে অনেক টাকা খরচ করে কোনও বিউটি ট্রিটমেন্ট করাতে হবে না। এ বার ঘরে বসেই ত্বকের দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ট্যান দূর করতে পারবেন অনায়াসে। এমনই কয়েকটি উপাদানের খোঁজ দেওয়া হচ্ছে, যা নিয়মিত ব্যবহার করে আপনি পেতে পারেন নিখুঁত, উজ্জ্বল, ফর্সা ত্বক। ঘরোয়া উপায়ে কী ভাবে ত্বকের ট্যান দূর করবেন একনজরে দেখে নিনগাজর: শুষ্ক এবং ট্যান পড়া ত্বকে গাজর ভাল করে পেস্ট করে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর মোটামুটি শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এতে মুখের ট্যান দূর হবে এবং ত্বক আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে।লেবু: লেবু ত্বকের কালো দাগ ছোপ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান। তুলোর সঙ্গে লেবুর রস মাখিয়ে নিন, তারপর কালো দাগের উপর ৫ মিনিট ধরে ঘষুন। তারপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখটা ধুয়ে নিন। তবে মুখে বা শরীরের কোথাও লেবু মাখার পর সরাসরি সূর্যের আলোতে বেরনো যাবে না। পাকা পেঁপে: পাকা পেঁপে হল কালো দাগ বা ট্যান দূর করার ক্ষেত্রে একটি অন্যতম কার্যকরী ঘরোয়া উপাদান। পাকা এক টুকরো পেঁপে নিয়ে শরীরের কালচে বা ট্যান পড়া জায়গায় ভালো করে ঘষুন। আধা ঘণ্টার মতো রেখে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ বার এই মাস্ক ব্যবহার করা যেতে পারে। পেঁপেতে থাকা প্যাপিন মরা কোষ দূর করে ত্বকের রং উজ্জ্বল করে তুলতে সাহায্য করে। পেয়াঁজ: ত্বকের উপর বাড়তে থাকা বয়স জনিত কালচে ছোপ বা ট্যান দূর করতে পেয়াঁজের রস দারুণ কার্যকরী। এক টুকরো পেয়াঁজ নিয়ে শরীরের কালচে বা ট্যান পড়া জায়গায় ৫ মিনিট ধরে ঘষে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। দ্রুত ফল পেতে পেয়াঁজের রস প্রতিদিন ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যালোভেরা: কেবল ব্রন কমাতেই নয়, ত্বকের কালো দাগ-ছোপ দূর করতে, ট্যান কাটাতেও অ্যালোভেরা জুড়ি মেলা ভার। প্রথমে অ্যালোভেরা জেল বের করে নিন, তারপর শরীরের ট্যান পড়া অংশে আলতো হাতে মাখুন। একটু সময় নিয়ে এমন ভাবে ম্যাসাজ করবেন যাতে অ্যালোভেরা জেল ত্বক একদম শুষে নেয়। কয়েক ঘণ্টা পর জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন৷কলা ও লেবুর মাস্ক: পাকা কলা ও লেবু মিশিয়ে প্রথমে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্ট মুখে, গলায়, হাতে, পায়ে বা শরীরের যে কোনও অংশে ব্যবহার করা যেতে পারে। পেস্টটি শরীরের কালচে বা ট্যান পড়া জায়গায় ১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখার পর ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এই মাস্ক লাগালে ভাল ফল পাওয়া যেতে পারে

এপ্রিল ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনায় আক্রান্ত আলিয়া

মারণ করোনায় এবার আক্রান্ত হলেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আপাতত হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন অভিনেত্রী। বৃহস্পতিবার নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভক্তদের উদ্দেশে একথা জানিয়ে একটি পোস্টও করেন আলিয়া। তারপরই খবরটি প্রকাশ্যে আসে। প্রিয় অভিনেত্রীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় স্বভাবতই চিন্তায় তাঁর অনুরাগীরা।বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজের ইনস্টা স্টোরিতে আলিয়া লেখেন, সবাইকে জানাতে চাই আমার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমি ইতিমধ্যে নিজেকে আইসোলেশনে নিয়ে গিয়েছি। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছি। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে কোভিড সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম মেনে চলছি। আপনাদের প্রত্যেকের ভালবাসা এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। সবাই সাবধানে থাকবেন এবং খেয়াল রাখবেন। এর আগে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁর বয়ফ্রেন্ড তথা ব্রহ্মাস্ত্র সিনেমার সহ-অভিনেতা রণবীর কাপুর। তবে তিনি আপাতত সুস্থ। তাঁর রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে। কিন্তু এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন বান্ধবী আলিয়া।

এপ্রিল ০২, ২০২১
টুকিটাকি

চুলের সমস্যায় ঘরোয়া সমাধান

নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বেশির ভাগ মানুষই চুল পড়ার সমস্যায় জর্জরিত। কিছু ক্ষেত্রে চুল পড়ার বিষয়টা জিনগত হলেও নানা শারীরিক সমস্যা, মানসিক চাপও এর জন্য বহু ক্ষেত্রে দায়ী। তা ছাড়া কলকাতার পরিবেশে দূষণ, আর্দ্রতা, তার সঙ্গে ঘামের কারণেও ব্যাপক পরিমাণে চলু উঠে যায় অনেকের। দৈনিক ৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়ে যাওয়া স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু যদি রোজ তার থেকেও বেশি চুল পড়তে শুরু করে, তবে তা অবশ্যই চিন্তার বিষয়। তাই ঠিক সময়ে চুলের পরিচর্যার দিকে একটু বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। চুলের যত্ন নিতে গেলেই যে প্রচুর সময় ব্যয় করতে হবে কিংবা তা খরচ সাপেক্ষ হবে, তা কিন্তু নয়। কম খরচে, সামান্য কিছু ঘরোয়া জিনিসও হয়ে উঠতে পারে আপনার চুল পরিচর্যার উপকরণ। দেখে নিই কী সেই উপকরণগুলি?অ্যালো ভেরা: অ্যালো ভেরা যেমন ত্বকের জন্য ভাল, তেমনই চুলের জন্যও উপকারী। এটি চুল পড়া বন্ধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া মাথার ত্বকের চুলকানি ভাব দূর করে এবং এই ত্বকের স্বাভাবিক পিএইচ-এর মাত্রা সংরক্ষণে সাহায্য করে। আর খুসকি দূর করতেও এর জুড়ি মেলা ভার।কী ভাবে ব্যবহার করবেন?একটি বড় মাপের অ্যালো ভেরা পাতা নিয়ে তার ভিতরের শাঁস বের করে নিতে হবে। তার পর ওই শাঁস ভাল করে মাথার ত্বকে লাগিয়ে ৪৫ মিনিট রেখে দিন। এর পর ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন এটি ব্যবহার করুন।মেথি: চুল পড়া আটকাতে মেথি খুব ভাল কাজ করে। এর মধ্যে থাকা প্রোটিন এবং নিকোটিনিক অ্যাসিড চুলের গোড়া মজবুত করে চুল উজ্জ্বল এবং লম্বা করতে সাহায্য করে।কী ভাবে ব্যবহার করবেন?এক কাপ মেথি সারা রাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে তা বেটে একটা পেস্ট তৈরি করে নিন। এর পর ওই পেস্ট চুলে এবং মাথায় লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। পারলে একটা শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন। এর পর জলে ধুয়ে ফেলুন। শ্যাম্পু ব্যবহারের কোনও প্রয়োজন নেই। টানা ১ মাস সপ্তাহে ২ দিন করে এটি ব্যবহার করলে আপনি পেয়ে যাবেন উজ্জ্বল, ঘন, লম্বা চুল।চুলের যত্নে আমলকিআমলকী: আমলকীতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি, অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটারি উপাদান, যা চুল পড়া বন্ধ করতে দারুণ কাজ করে। মাথার ত্বক ভাল রাখতে এবং দ্রুত চুল বাড়াতে আমলকীর জুড়ি মেলা ভার।কী ভাবে ব্যবহার করবেন?এক কাপ নারকেল তেলের মধ্যে ৪ থেকে ৫টি শুকনো আমলকী নিয়ে তা ফুটিয়ে নিন। তেল কালো হয়ে যাওয়া অবধি ফোটাতে থাকুন। এর পর তা নামিয়ে নিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এ বার ওই তেল দিয়ে মাথায় মাসাজ করে ৩০ মিনিট মতো রেখে দিন। তার পর শ্যাম্পু এবং জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফল পেতে সপ্তাহে ২ বার এটি ব্যবহার করুন।

মার্চ ২৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ড্র করতেই বড় অপমান! ইরান দলকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ফিফায় অভিযোগের ঝড়

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেই বড় বিতর্কে জড়াল ইরান। মাঠে দুরন্ত লড়াইয়ের পর ম্যাচ ড্র করলেও মাঠের বাইরের ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানের ফুটবল মহল। অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ইরান ফুটবল দলকে আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ইরান। প্রথম ম্যাচে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে লড়াই করে মূল্যবান ফলও অর্জন করে তারা। কিন্তু ম্যাচের পরই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, শুধুমাত্র ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময়সীমার জন্যই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলারদের। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাদের আবার মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে।ইরানের পরবর্তী ম্যাচের আগে দলটি কয়েক দিন আগেই আমেরিকায় গিয়ে অনুশীলন ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। এতে দলের প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগেই সমস্ত প্রস্তুতির সূচি জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও নানা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে দলকে। বিশেষ করে দিনের বেলায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে অংশ নিতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াকে অন্যায্য বলেই মনে করছে ইরান। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব এই ঘটনার পিছনে থাকতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি বলেই মত অনেকের।এই বিতর্কের মাঝেই এখন ইরানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচ। মাঠের বাইরের চাপ সামলে ফুটবলাররা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আসরে খেলাধুলার চেয়ে রাজনীতি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও নতুন করে উঠতে শুরু করেছে। আর সেই কারণেই ইরানকে ঘিরে এই বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র ৮ মাসেই ভেসে গেল কোটি টাকার সেতু! কাটমানির অভিযোগে বিস্ফোরক শুভেন্দু

উত্তরবঙ্গের প্রবল বর্ষণে বড় ধাক্কা খেল দুধিয়া সেতু। মাত্র আট মাস আগে তৈরি হওয়া এই সেতু ভেসে যাওয়ায় শিলিগুড়ি ও মিরিকের সরাসরি যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন সেতু কীভাবে ভেসে গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুধিয়া সেতু নির্মাণে কোনও অনিয়ম বা কাটমানির অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব অস্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষকে স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে দেওয়া।মুখ্যমন্ত্রী জানান, টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় ছোট-বড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। দার্জিলিং, মিরিক এবং সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে। নবান্নের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে। সেচ দপ্তর ও জেলা প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।তিনি আরও জানান, বিপজ্জনক এলাকাগুলি থেকে প্রয়োজন হলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের যাতে কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রশাসন কাজ করছে।এদিকে আবহাওয়া দপ্তরও নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দুধিয়া সেতু ভেসে যাওয়ার ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত কম সময়ে নতুন নির্মিত সেতুর এমন পরিণতি কেন হল? প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন অপেক্ষা করছেন দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার।

জুন ১৯, ২০২৬
দেশ

গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টে অভিষেক! আদালতের নির্দেশে আপাতত বড় স্বস্তি

ত্রিপুরার একটি পুরনো মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কা এড়াতে ত্রিপুরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানির পর আদালত জানিয়েছে, আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে হাজিরা দিতে হবে না। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের আগস্ট মাসে। তৃণমূলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দলের কয়েকজন যুবনেতাকে ত্রিপুরায় আটকানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কয়েকজন নেতা আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র আকার নেয়।এরপর আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। পরে ধৃত নেতাদের আদালতে তোলা হলে সেখানকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তাঁরা। জামিন পাওয়ার পর ত্রিপুরার তৎকালীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল নেতারা।পুলিশের দাবি, ওই দিনের থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠায় খোয়াই আদালত। গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা এড়াতেই তিনি ত্রিপুরা হাই কোর্টের শরণাপন্ন হন।অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আইনি ইস্যুকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। সই জাল সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার তলবেও হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে ত্রিপুরার এই মামলায় আদালতের অন্তর্বর্তী স্বস্তি তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।তবে ২১ আগস্টের পরবর্তী শুনানিতে মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার্টার্ড বিমানে দিল্লি সফর! অভিষেককে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য কুণালের, তোলপাড় রাজনীতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে তিনি দিল্লি গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এই আবহেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে দিল্লি যান। সেই সফরকে কেন্দ্র করেই চার্টার্ড বিমানের ব্যবহার নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, অভিষেক চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। কিন্তু যদি দলের তহবিলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তা সমর্থন করেন না।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, যদি অন্য কারও ব্যবস্থায় বা সহযাত্রী হিসেবে তিনি চার্টার্ড বিমানে ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা। কিন্তু দলের অর্থ ব্যয় করে এমন যাত্রা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তৃণমূলকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিতর্ক চলছে। দলের একাংশের বিদ্রোহ, সাংসদ ও বিধায়কদের অবস্থান পরিবর্তন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে।এদিকে দলের তহবিল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। সেই পদক্ষেপকে সমর্থনও করেছেন দলের অন্য একাংশের নেতারা। ফলে তৃণমূলের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তিনি দলের সাংসদদের অবস্থান এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য রাজধানীতে গিয়েছেন।তবে চার্টার্ড বিমানে সফর সংক্রান্ত জল্পনা এবং কুণাল ঘোষের প্রকাশ্য মন্তব্য তৃণমূলের অন্দরের অস্বস্তিকেই আরও সামনে এনে দিয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এখন এই বিতর্কে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

শহিদ দিবসের আগেই বড় ধাক্কা! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিসে তোলপাড় রাজনীতি

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস কর্মসূচির আগে বড় আইনি চাপে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় রাস্তা আটকে সভা করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় নোটিস জারির নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, দুই হাজার আঠারো সালে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে কোনও সরকারি জায়গা বন্ধ করে সভা বা মিছিল করা যাবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর একুশে জুলাই ধর্মতলায় রাস্তা আটকে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। এই বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস জারির নির্দেশ দেয়। আগামী তিন জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, উনিশশো তিরানব্বই সালের একুশে জুলাই রাইটার্স বিল্ডিং অভিযান চলাকালীন পুলিশের গুলিতে তেরো জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দীর্ঘদিন ধরেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরও এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুই হাজার এগারো সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর শহিদ দিবসের সমাবেশ আরও বড় আকার নেয়। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর লক্ষাধিক সমর্থকের জমায়েত হয়। যদিও আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশের পরও একই জায়গায় সভা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এবার পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল এখন বিরোধী শিবিরে। একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরেও নানা মতভেদ এবং ভাঙনের জল্পনা চলছে। বিধানসভা এবং লোকসভা স্তরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার মধ্যেই একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই অবস্থায় আদালতের নোটিস জারির নির্দেশ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। একদিকে শহিদ দিবসের প্রস্তুতি, অন্যদিকে আইনি চাপ দুইয়ের মাঝেই তৃণমূল নেতৃত্বকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।এখন নজর আগামী তিন জুলাইয়ের শুনানির দিকে। আদালতে এই মামলার ভবিষ্যৎ কী মোড় নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal