• ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Home

রাজ্য

স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে নজিরবিহীন জালিয়াতি বর্ধমানে, গ্রেফতার জালিয়াত শাশুড়ি ও জামাই

সাধারণ মানুষ নিখরচায় যাতে চিকিৎসা পরিষেবা পান তার জন্য স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনা ঘটলো পূর্ব বর্ধমানে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা পরিবারের কারও অসুস্থ হয়ে পড়া বা অস্ত্রপচারের ঘটনা না ঘটলেও তাঁদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে মোটা টাকা।এমনই জালিয়াতি চক্রের পাণ্ডা সালেহার বিবি ও তাঁর সহযোগী মুন্সি নূর আলমকে সোমবার গ্রেফতার করেছে কাটোয়া থানার পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে নিয়েই পুলিশ এদিন বিকালে শহর বর্ধমানের খোসবাগানের একটি বেসরকারী নার্সিংহোমে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিতে সেখান থেকেই উদ্ধার হয় বেশ কিছু উপভোক্তার নামে থাকা স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড। এই ঘটনা জেলা প্রশাসনিক মহলেও শোরগোল ফেলে দিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত সালেহার বিবির বাড়ি কাটোয়া ১ ব্লকের আলমপুর পঞ্চায়েতের গাঁফুলিয়া গ্রামে। আপর ধৃত মুন্সি নূর আলম সম্পর্কে সালেহারের জামাই। পুলিশ বর্ধমানের ওই নার্সিংহোম থেকে নূর আলমকে এদিন গ্রেফতার করে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীন) ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, গাঁফুলিয়া গ্রামের বেশ কিছু গরিব পরিবারের মহিলার কাছ থেকে তাঁদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড সালেহার নিজের কাছে নিয়ে রাখেন। পরে সালেহার ও তাঁর সহযোগী মিলে জালিয়াতি করে ওইসব মহিলাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে অনুদানের মোটা টাকা তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। পুলিশ তদন্তে নামার পর অভিযোগের সত্যতা ধরা পড়লে সালেহার বিবিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার করা হয় এই জালিয়াতি কাণ্ডে জড়িত সালেহারের জামাইকেও। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, এটা বড় কেলেঙ্কারির ঘটনা। এর তথ্য প্রমাণ আসার পর ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড়া হবে না।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঁফুলিয়া গ্রামে থাকা সালেহার বিবির বাড়ি এদিন ঘেরাও করেন এলাকার বেশ কিছু বাসিন্দা । তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে ওঠে। খবর পেয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। সেখানে থাকা বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে জানায়,গত দেড়মাস ধরে সালেহার বিবি এলাকার মহিলা ও পুরুষের বলে চলেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তাঁকে জমা দিয়ে বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে গিয়ে চেকআপ করালেই মিলবে ১০ হাজার টাকা। ১০ হাজার টাকার লোভে পড়ে গাঁফুলিয়ার বেশকিছু মহিলা তাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড সালেহারকে জমা দেন। মেনকা বিবি নামে এক গ্রামবাসী বলেন, সালেহার বিবি বলেছিলেন তাঁর জামাই বর্ধমানের খোসবাগানের একটি নার্সিংহোমে কাজ করে। সেখানে একবার গেলেই হবে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে ১২ হাজার উঠবে। তা থেকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে যাঁর নামে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তাঁকে।এই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধেই অভিযোগসালেহারের কথা মতো মেনকা বিবি সপ্তাহ দুয়েক আগে বর্ধমানের ওই নার্সিংহোমে যান। পরে মেনকা বিবি জানতে পারেন তার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে ৬১,৬০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে রিজিয়া বিবি নামে এলাকার অপর মহিলা জানতে পারেন তাঁর স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে ৭৫,৬০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি মেনকা বিবি ও রিজিয়া স্থানীয় পঞ্চায়েতে গিয়ে জানান। পঞ্চায়েতের এক কর্মী ওই দুই মহিলার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা করে তিনিও নিশ্চিত হন সত্যি সত্যি ওই মহিলাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে মোটা অঙ্কের সরকারি অনুদানের টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত কর্মী এমনটা জানিয়ে দেওয়ার পর এদিন এলাকার লোকজন টাকা ফেরতের দাবিতে সালেহার বিবির বাড়িতে চড়াও হন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ১০ হাজার টাকার টোপ দিয়ে সালেহার বিবি ও তাঁর জামাই নূর আলম ৩৫ - ৪০ জনের কাছ থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা জালিয়াতি করেছে।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, আমরাও প্রশাসনিক ভাবে এই ঘটনা বিষয়ে তদন্ত করবো। অন্যদিকে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ) প্রণব রায় বলেন ,ঘটনার কথা শুনেছি। এই বিষয়ে সবিস্তার খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় ইন্ট্রিগুই হোম এর উদ্বোধন করলেন লোপামুদ্রা

বাঙালিরা একটু ঘুমকাতুরে হয়। সারাদিনের ক্লান্তির পর বা দুপুরে ছুটি থাকলে ঘুমানোর সময় পেলে আমরা সেটা হাতছাড়া করি না। সেরকমই আমাদের ঘুমটা যাতে ভালো হয় তার জন্য দারুণ ভাবনা নিয়ে এসেছে ইন্ট্রিগুই হোম। হোম ইস হোয়ার দ্য হার্ট ইস। এই ইন্ট্রিগুই হোম নিয়ে এল বিভিন্ন কালেকশনের বিছানার সামগ্রী। যেটা মানুষকে আরো বেশি আরাম দেবে। ইন্ট্রিগুই হোম ২৫ বছর ধরে তাদের ব্যবসা চালাচ্ছে। তাদের নতুন ভাবনায় অ্যাট্রাক্টিভ কুশনস থেকে শুরু করে আরো অনেক চমক রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন কর্ণধার বিপুল দুগার। বিশেষ দিনে উপস্থিত ছিলেন ফ্যাশন জগতের পরিচিত নাম লোপামুদ্রা মণ্ডল। তিনি জানালেন, কলকাতায় ইন্ট্রিগুই হোমের ব্র্যান্ড লঞ্চ করতে পেরে আমার সত্যিই খুব ভালো লাগছে। যারা ভালো মানের বিছানার চাদর থেকে পর্দা ইত্যাদির খোঁজ করছেন তাদের জন্য ইন্ট্রিগুই হোম আদর্শ। মন পছন্দ লাক্সারি ব্র্যান্ডের খোঁজ করলে ইন্ট্রিগুই সকলের ভরসা।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
দেশ

বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ মোদি, অমিত শাহ, বিষণ্ণ রাষ্ট্রপতি

ভারতীয় সঙ্গীত জগতের নক্ষত্র-পতনে শোকস্তব্ধ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিংবদন্তী গায়ক ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, পরিবেষ্টিত ছিল বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে।বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। টুইটারে নিজের মনের ভাব ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর সঙ্গীত ছিল পরিবেষ্টিত, সুন্দরভাবে বিভিন্ন আবেগ প্রকাশ করে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম তাঁর গানে মুগ্ধ হবে। তাঁর প্রাণবন্ত স্বভাব সবাই মিস করবেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত, পরিবার ও ভক্তদের প্রতি সমবেদনা। ওম শান্তি।Shri Bappi Lahiri Jis music was all encompassing, beautifully expressing diverse emotions. People across generations could relate to his works. His lively nature will be missed by everyone. Saddened by his demise. Condolences to his family and admirers. Om Shanti. pic.twitter.com/fLjjrTZ8Jq Narendra Modi (@narendramodi) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী ও সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। বুধবার সকালে বাপ্পি লাহিড়ীর মৃত্যুর দুঃসংবাদ শুনেই শোকে ভেঙে পড়েছেন রাষ্ট্রপতি। শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, শুধু দেশ নয় বিশ্বেও বাপ্পি লাহিড়ীর গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে।বুধবার সকালে শোকপ্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ী ছিলেন একজন অতুলনীয় গায়ক ও সুরকার। তাঁর গান শুধু ভারতে নয়, বিদেশেও জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাঁর স্মরণীয় গান শ্রোতাদের আনন্দ দিয়ে যাবে বহুদিন। তাঁর পরিবার ও অনুরাগীদের প্রতি সমবেদনা।Shri Bappi Lahiri was a matchless singer-composer. His songs found popularity not only in India but abroad. His diverse range included youthful as well as soulful melodies. His memorable songs will continue to delight listeners for long time. Condolences to his family and fans. President of India (@rashtrapatibhvn) February 16, 2022কিংবদন্তী সঙ্গীতশিল্পী বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হল ভারতীয় সঙ্গীত জগতে। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মিউজিকের দশা আর দিশা দুটোই বদলে গিয়েছিলেন এই বাঙালি সঙ্গীত শিল্পী বাপ্পি। ডিস্কো সঙ্গীতের অবিসাংবাদিত রাজা তিনি। বাপ্পি লাহিড়ী প্রয়াত হয়েছেন মঙ্গলবার মধ্যরাতে।Pained to learn about the passing away of legendary singer and composer, Bappi Lahiri Ji. His demise leaves a big void in the world of Indian music. Bappi Da will be remembered for his versatile singing and lively nature. My condolences to his family and admirers. Om Shanti. Amit Shah (@AmitShah) February 16, 2022বাপ্পি লাহিড়ীর প্রয়াণের দুঃসংবাদ শোনার পরই শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সকালে টুইট করে শোকবার্তায় অমিত শাহ জানিয়েছেন, কিংবদন্তী গায়ক এবং সুরকার বাপি লাহিড়ীর মৃত্যু সংবাদে আমি শোকাহত। তাঁর মৃত্যু ভারতীয় সঙ্গীত জগতে এক বিরাট শূন্যতার সৃষ্টি করেছে। বাপি দা তাঁর বহুমুখী গানের প্রতিভা এবং প্রাণবন্ত প্রকৃতির জন্য চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাঁর পরিবার ও ভক্তদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। ওম শান্তি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

সাধারণতন্ত্রদিবস উপলক্ষে বিএসএফ এর ভিডিও বিভ্রান্তি

সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বিএসএফ (BSF) এর ভিডিও বার্তা নিয়ে তোলপাড় বাংলা। বিএসএফ-র সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অফিসিয়াল ভিডিওতে নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) বলে একটি রাজ্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সম্প্রতি সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাংলা ভাষা রক্ষা-র দাবিতে জোরালো আন্দোলন চলছে। সেই আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন বাংলাপক্ষ বিএসএফ-র ভিডিও নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলে, তাহলে বিএসএফ কি বাংলা ভাগ করতে চায়? তাঁরা বলেন, সে ভিডিওতে নানা ভাষা ব্যবহৃত হলেও কেউ বাংলা ভাষায় কথা বলেনি। অথচ বাংলার বর্ডার বিএসএফের সবচেয়ে বড় এলাকা। সেই কারণে বাংলা পক্ষ-র তরফ থেকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহকে চিঠি দিয়েছে বলে কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান। এবং তাঁরা এবিষয়ে সামাজিক মাধ্যম টুইটার-এ প্রচার-ও চালাচ্ছেন হ্যাসট্যাগ- #AntiBengalBSFvideoতাদের সমবেত প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠতে বাধ্য হল বিএসএফ, চাপে পড়ে বিএসএফ কতৃপক্খ পুনরায় বাংলা সহ নতুন তিনটে ভাষায় সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানালো। এবং শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্য আলাদা আরও একটা ভিডিও বের করেছে। এটা তাঁদের নৈতিক জয় বলে মনে করছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি আরও জানান সেই ভিডিও-তে রাজ্যের নাম নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) মুছে দিয়ে, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ-ই (West Bengal) লিখেছে বিএসএফ। তিনি বলেন বিএসএফ চরম প্রতিবাদের সন্মুখে পিছু হঠে ভুল স্বীকার করে নিয়েছে, কারণ বাঙালি জেগে গিয়েছে। বাংলা পক্ষ দাবী তোলে, বিএসএফ কেন বারবার বাংলা ও বাঙালি ইস্যুতে বিতর্কে জড়াচ্ছে? এই ভিডিও বানানোর দায়িত্বে কে ছিল? তাঁকে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করা হোক। শুধু মাত্র বহুল শুধরে নিলেই শেষ হ্যনা। এর পিছনে কোনও চক্রান্ত আছে কিনা তা খূজে বার করা হোক। বাংলা ভাগের গুরুতর বিষয়কে ইন্ধন দেওয়া বাঙালি কখনই ভালো ভাবে নেবে না। ভবিষ্যতে এমন হলে সমস্ত বাঙালি রাস্তায় নেমে লড়াই করবে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

বাড়িতে বসেই এবার পাওয়া যাবে জন্ম-মৃত্যুর সংশাপত্র

কলকাতা পুরসভা থেকে জন্ম আর মৃত্যুর শংসাপত্র পাওয়ার পদ্ধতি আরও সহজ হচ্ছে। এখন থেকে বাড়িতে বসেই যেমন আবেদন করা যাবে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রের, তেমনই বাড়িতেই পৌঁছে যাবে ওই শংসাপত্র। খুব শিগগিরই এমন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে কলকাতা পুরসভায়। শনিবার এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম। শুধু তাই নয়, পুরসভার সমস্ত কাজকে সম্পূর্ণ পেপারলেস করারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্রের জন্য সাধারণ মানুষকে যাতে হয়রানি পোহাতে না হয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে না হয়, তার জন্য গত বছর থেকেই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করেছিল কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ। বাড়িতে বসেই অনলাইনে ওই শংসাপত্রের জন্য আবেদন জানানো যায়। সেই সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানা যায় কোন নির্দিষ্ট দিনে কোন সময়ে শংসাপত্র নিতে আসতে হবে। এতে অনেকটাই কমেছে হয়রানি। তবে শংসাপত্র নেওয়ার জন্য আসা সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই এবার অন্য পথে হাঁটা হচ্ছে।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম জানান, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কলকাতা পুরসভার সমস্ত কাজই অনলাইনে হবে। কাগজের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পুরসভার কাজকর্ম পেপারলেস করার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৪২ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। কীভাবে পুরসভাকে সম্পূর্ণ কাগজমুক্ত করা যায়, তার জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও কথা বলবেন।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হাওড়া স্টেশনে রাত কাটানো থেকে নিজের বাড়ি, স্বপ্নপূরণ কাটোয়ার অভিনেত্রী মেয়ের

স্বপ্ন দেখতে আমরা সকলেই ভালোবাসি। স্বপ্নই আমাদের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনে ভালো কিছু করার রসদ জোগায়। সাধারণ মানুষদের মতো অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও জীবনে অনেক স্বপ্ন দেখেন। সেরকমই অভিনেত্রী মৌলী দত্ত কাটোয়া থেকে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে কলকাতায় অভিনয় করতে আসেন। তার জন্য দিনের পর দিন হাওড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে রাত কাটিয়েছেন হাসিমুখে শুধুমাত্র তাঁর স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।এরপর বেশ কয়েকবছর স্ট্রাগেল করার পর বর্তমানে অপরাজিতা অপু ধারাবাহিকে বর্ষার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। এত ভালো অভিনয় করার পরেও তার একটা আক্ষেপ ছিল। কলকাতায় নিজের একটা বাড়ি হবে। অবশেষে তাঁর সেই স্বপ্নপূরণ হল। একসময় বালিশ দিয়ে ঘর বানাতে বানাতে নিজের বাড়ি হবে সেইসব চিন্তা মনে রামধনুর মতো স্বপ্নে রঙিনভাবে ছুঁয়ে যেত। কিন্তু এখন থেকে মৌলী নিজের বাড়িতেই আনন্দে ঘুমাতে পারবে। বালিশ দিয়ে ঘর বানানোর কথা ভাবতে হবে না।মৌলীর স্বপ্নপূরণমৌলী তার এই আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, স্বপ্নপূরণ ২০২২, গৃহপ্রবেশ ১৭/১/২২। বালিশ দিয়ে যখন থেকে ঘর বানাতাম তখন থেকেই ভাবতাম যে আমার একটা নিজের বাড়ি হবে আজ সেই স্বপ্নপূরণের দিন.. কর্মসূত্রে যখন কোলকাতায় আসি তখন কোলকাতা শহরে থাকার জায়গা ছিল না বলে বহুদিন হাওড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে থেকেছি আজ আমার সেই কষ্টটা স্বার্থক . বাবা মা পাশে না থাকলে এই সবকিছু সম্ভবই হতনা .. আর যারা আমার পাশে ছিল তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ যাদের পাশে পাইনি তাদেরও ধন্যবাদ কারণ তারা না থাকলে এইদিন দেখা হতোনা.সবার আর্শীবাদ কাম্যসত্যি তো স্বপ্ন তো এটাই হয়।একসময় যে হাওড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে হাসিমুখে রাত কাটিয়েছে তার নিজের বাড়ি হয়েছে। আর সেই বাড়িতেই আরও বড় স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে মৌলী। জনতার কথা টিমের পক্ষ থেকে মৌলীর জন্য রইল অনেক আশীর্বাদ।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
দেশ

DDMA Guidelines: দিল্লিতে বন্ধ সব বেসরকারি অফিস, জারি ওয়ার্ক ফ্রম হোম-এর নয়া নির্দেশিকা

প্রতিদিন রাজধানীতে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে সামগ্রিক লকডাউনের পথে না গিয়েও ক্রমশ কড়াকড়ির পথে হাঁটছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার। ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে দিল্লির করোনা পরিস্থিতি। এই পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধে আরও কিছুটা লাগাম টানল দিল্লি ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি বা ডিডিএমএ। মঙ্গলবার একটি নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করেছে ডিডিএমএ। সেখানে বলা হয়েছে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত যে সমস্ত অফিস রয়েছে, সেগুলি বাদ দিয়ে আপাতত সমস্ত বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। একই সঙ্গে রেস্তোরাঁ, বার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।Delhi Disaster Management Authority (DDMA) issues order regarding weekend curfew which is to be in force from 10 PM on Friday to 5 AM on Monday pic.twitter.com/7xXWbXXW4g ANI (@ANI) January 4, 2022ওমিক্রন-সংক্রমণ মোকাবিলায় সোমবারই বন্ধ হয়েছিল দিল্লির রেস্তরাঁ, হোটেলে বসে খাওয়াদাওয়া। বলা হয়েছিল, খাবার কিনে তা বাড়িতে নিয়ে গিয়ে খেতে হবে। চালু থাকবে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা। এতদিন ৫০ শতাংশ উপস্থিতি নিয়ে চালু ছিল সরকারি ও বেসরকারি অফিস। এ বার সেই নিয়মে বদল আনল ডিডিএমএ। নয়া নির্দেশিকায় সমস্ত বেসরকারি অফিস বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ওই সমস্ত অফিসের ১০০ শতাংশ কর্মী বাড়ি থেকে কাজ করবেন। প্রত্যাশিত ভাবেই জরুরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলিকে এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কেপ টাউন টেস্টের আগে ঋষভকে কেন সতর্ক করলেন কোহলি?রাজধানী দিল্লিতে সোমবার ১৯ হাজারের বেশি নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। যা রবিবারের (২২,৭৫১) তুলনায় খানিকটা কম হলেও সামগ্রিক বিচারে প্রচুর। সোমবার রাজধানীতে সংক্রমণের হার ছিল ২৫ শতাংশ। যা গত ৫ মে-র পর সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় দিল্লিতে ১৭ জন করোনা রোগীর মৃত্যু নথিভুক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কোনও ঝুঁকি নিতে চায়নি দিল্লি সরকার।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
কলকাতা

Kolkata Police: ঘরে বসেই অভিযোগ দায়ের করা যাবে থানায়, অভিনব পন্থা কলকাতা পুলিশের

ওমিক্রনের ধাক্কায় বেসামাল সাধারণ মানুষ থেকে ক্রেতা বিক্রেতা। প্রতিদিনই নতুন নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হচ্ছে। সারা দেশ-ই এর আতঙ্কে প্রহর গুনছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, ভয়ঙ্কর ছোঁয়াচে করোনার নয়া রূপ ওমিক্রনের কারনেই সংক্রমণের এত বাড়বাড়ন্ত।এর করাল গ্রাস থেকে কেউ পার পাচ্ছেন না। সে কবি, সাহিত্যিক, নায়ক-নায়িকা, সরকারি কর্মী, চিকিৎসক থেকে শুরু করে পুলিস। একের পর এক থানা করোনার থাবায় ধরাশায়ী। দিনে দিনে থানার লোকবল কমতে থাকায় কলকাতা পুলিস এক অভিনব পন্থার কথা তাদের সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা করলো। এখন থেকে কোনও অভিযোগ করার জন্য সশরীরে থানায় হাজির হতে হবে না।প্রতিটি থানার জন্য একটি নির্দিষ্ট নম্বর-এ ডায়াল করে পুলিস আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলা যাবে। এই বিশেষ নম্বরে ভিডিও কল করেও অভিযোগ জানানো যাবে। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমের অভিযোগের সপেক্ষে নথি পাঠানো যাবে নির্দিষ্ট থানায়।রাজ্য পুলিস ও কলকাতা পুলিসের উচ্চপদস্ত আধিকারিকসহ সিভিক ভলেন্টিয়ার অবধি করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এক উচ্চ পদস্ত আধিকারিক-এর কথায়, অতিমারির জন্য তো ল-আন্ড-অর্ডার থেমে থাকতে পারে না। তাই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প পথ বেছে নিতে হচ্ছে। এখন থেকে আর থানায় সশরীরে না এলেও, অভিযোগ জানানো যাবে। ডিপার্টমেন্ট থেকে সামাজিক মাধ্যমে সবিস্তারে কোন থানায় কোন নম্বরে ফোন করতে হবে, সমস্ত থানার এই সমস্ত নম্বর তালিকায় দেওয়া আছে।কলকাতা মহানগরে যে ভাবে হু-হু করে করোনা সংক্রমণ বেড়ে চলেছে, তখন সাধারণ মানুষের অনেকেই প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী বলে সাধুবাদ জানিয়েছেন । এতে যেমন অহেতুক সংক্রমণ শঙ্কা থেকে বাঁচবেন পুলিশকর্মীরা, ঠিক তেমনই সংক্রামণের প্রকোপ থেকে নিরাপদ থাকতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Corona-CBI: করোনার থাবা এবার সিবিআই-ইডি অফিসেও

এবার করোনার থাবা সিবিআই-ইডি অফিসেও। কোভিডের কারণে ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করল কলকাতা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখনও পর্যন্ত ইডি দপ্তরের কেউ আক্রান্ত হননি। তবে আগাম সুরক্ষার কথা ভেবে এই ব্যবস্থা চালু করল ইডি। পাশাপাশি চালু করা হয়েছে ৫০ শতাংশ হাজিরাও। অন্যদিকে, সিবিআই কলকাতা শাখায় ১৩ জন কোভিড আক্রান্ত। সিবিআই-ও ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ভাবনায় রয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, নিজাম প্যালেস ও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স মিলিয়ে ১৩ জন অফিসার করোনা আক্রান্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সিবিআইয়ের ব্যাংক জালিয়াতি, চিটফান্ড তদন্ত ও দুর্নীতিদমন শাখার অফিসাররা। এই পরিস্থিতিতে ৪০ শতাংশ কর্মী নিয়ে চলবে কাজ। বাকিরা থাকবেন কোয়ারেন্টিনে। সিবিআই-এর দুটি দপ্তরেই স্যানিটাইজেশন করা হবে বলে খবর।ক্রমেই জাল ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। পরিসংখ্যান বলছে, একধাক্কায় প্রায় ৩ হাজার বৃদ্ধি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৯ হাজার ৭৩। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬ জন করোনা রোগীর। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
দেশ

New Guidelines: স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নয়া নির্দেশিকায় নিভৃতবাসের মেয়াদ কমে ৭ দিন, আর কী কী রয়েছে নির্দেশিকায় জেনে নিন

করোনার মৃদু উপসর্গ রয়েছে যাঁদের, তাঁদের বন্দিদশাও কাটতে পারে দ্রুত। বুধবার একটি নির্দেশিকায় নিভৃতবাসের নতুন নিয়ম জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাতে বলা হয়েছে, বাড়িতে চিকিৎসাধীন করোনা রোগীরা সাত দিন পর নিভৃতবাস শেষ করতে পারেন। তবে শর্তসাপেক্ষে।দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির নতুন পর্বে মৃদু উপসর্গের রোগীর সংখ্যাই বেশি বলে জানিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। তাঁদেরকে বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। বুধবার স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাল, একজন করোনা আক্রান্তের যদি পর পর তিনদিন জ্বর না আসে তবে রিপোর্ট পজিটিভ হওয়ার সাত দিন পর তাঁরা নিভৃতবাস থেকে বের হতে পারেন।এর আগে নিভৃতবাস থেকে বেরনোর আগেও কোভিড পরীক্ষা করিয়ে নেগেটিভ রিপোর্ট নেওয়ার নিয়ম ছিল। এ ক্ষেত্রে নতুন করে পরীক্ষা করানোরও দরকার নেই বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তবে নিভৃতবাস শেষ হলেও রোগীকে সব সময় মাস্ক পরে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।তবে এই নিয়ম শুধুমাত্র মৃদু উপসর্গের রোগী যাঁরা বাড়িতে চিকিৎসাধীন ছিলেন, তাঁদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বিশ্বের একাধিক দেশেই সম্প্রতি আইসোলেশনের মেয়াদ কমানো হয়েছে। বিশেষত, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে যেহেতু আক্রান্তদের মধ্যে খুব ভয়ঙ্কর উপসর্গ দেখা যাচ্ছে না, তাই এই আইসোলেশনের মেয়াদ কমানোর কথা বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।বুধবার গাইডলাইন প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। সেখানে বলা হয়েছে, করোনা পরীক্ষা হওয়ার দিন থেকে শুরু করে অন্তত ৭ দিনের আইসোলেশনে থাকতে হবে আক্রান্তকে। যদি শেষ তিন দিন কোনও জ্বর না আসে, সে ক্ষেত্রে ৭ দিনেই আইসোলেশন শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ শেষ তিন দিনে জ্বর এলে আইসোলেশন জারি থাকবে। সেই সঙ্গে এও বলা হয়েছে, আইসোলেশন শেষ হওয়ার পর করোনা পরীক্ষা করার কোনও প্রয়োজন নেই।করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এলে, হোম আইসোলেশনে থাকতে হবে। মাস্ক পরে থাকতে হবে, নিজের স্বাস্থ্যের ওপর নজর রাখতে হবে। তবে উপসর্গ না দেখা দিলে করোনা পরীক্ষা করার কোনও প্রয়োজন নেই বলে জানানো হয়েছে গাইডলাইনে।আমেরিকার সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসি-গাইডলাইনে বলা হয়েছে, যদি কেউ করোনা আক্রান্ত হন সে ক্ষেত্রে ৫ দিন বাড়িতে থাকতে হবে। ৫ দিন পর যদি কোনও উপসর্গ না দেখা যায়, তাহলে বাড়ি থেকে বেরতে পারেন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় জ্বর না এলে ধরে নিতে হবে কোনও উপসর্গ নেই। তবে পরের পাঁচদিন মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।যদি কেউ কোনও করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে আসেন, তাহলে বুস্টার ডোজ নেওয়া থাকলে ১০ দিন মাস্ক পরতে হবে বাধ্যতামূলকভাবে ও পাঁচদিন পর করোনা পরীক্ষা করাতে হবে। আর যদি ভ্যাকসিনের সাধারণ ডোজ নেওয়া থাকে বা, ভ্যাকসিন না নেওয়া থাকে, তাহলে পাঁচ দিন বাড়ি থেকে বেরনো যাবে না। পরের পাঁচ দিন বাড়ি থেকে বেরলেও মাস্ক পরে থাকতে হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

Safe Home: কলকাতা কাবু কোভিডে, ফের খুলছে সেফ হোম

কলকাতা ফের কাবু কোভিডে। ক্রমেই জাল ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। পরিসংখ্যান বলছে, একধাক্কায় প্রায় ৩ হাজার বৃদ্ধি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৯ হাজার ৭৩। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬ জন করোনা রোগীর। কলকাতার সঙ্গে সংক্রমণে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বীরভূম, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা।যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে ফের খোলা হচ্ছে সেফ হোমগুলি। তিনটি সেফ হোমের শয্যা সংখ্যা ৩৫০। কলকাতার তিনটি সেফ হোম। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হল বাইপাস সংলগ্ন সেফ হোম। এখানে রয়েছে ২০০ টি শয্যা। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দুই কর্তা ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি পরিদর্শন করেছেন। বেডগুলির পরিকাঠামো, কাজের গুণগত মান, পরিচ্ছন্নতা-সব খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। পরিদর্শনে গিয়েছেন রাজ্য দপ্তরের এক জন হেলথ অফিসারও।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত শ্রীজাত আরেকটি সেফ হোম হয়েছে কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে। এই সেফ হোমটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ আবার বৃদ্ধি পাওয়ায়, তা খোলা হয়েছে। সেগুলিকে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুর প্রশাসন। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে ১০০ টি শয্যা রয়েছে। ইতিমধ্যেই তা পরিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্যভবনের তরফে চিকিৎসক ও নার্সরা এই সেফ হোমের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। কলকাতার তৃতীয় সেফ হোমটি রয়েছে উত্তর কলকাতায়। সেখানে ৫০টি শয্যা রয়েছে।তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ওমিক্রনের ক্ষেত্রে উপসর্গ অনেক হালকা। চিকিৎসক বলছেন, ভাগ্য ভালো আক্রান্তদের বেশিরভাগই ৫-৭ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। হয়তো হোম আইসোলেশনের যে লম্বা ১৭ দিনের পিরিয়ড, সেটাকেও কমিয়ে আনা হবে। যদি সেটা কমিয়ে আনা হয়, তাহলে ওয়ার্ক টার্নওভার বা অর্থনীতির ক্ষেত্রে অনেকটা উপকারী হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

Governor: বিএসএফ-রাজ্য পুলিশ সমন্বয়ে পদক্ষেপের নির্দেশ রাজ্যপালের

রাজ্যপাল জগদীপ ধানখড়ের ডাকে সাড়া দিয়ে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং স্বরাষ্ট্র সচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিকা শনিবার বিকালে রাজভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। রাজ্যপাল নিজেই টুইট করে জানিয়েছেন সেকথা । কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাম্প্রতিক নির্দেশিকার প্রেক্ষিতে বিএসএফ ও রাজ্য পুলিশের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় সাধন নিয়ে তাঁদের আলোচনা হয়েছে বলে টুইট করে জানান রাজ্যপাল।প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাঁদের এই বৈঠক চলে।সম্প্রতি বিএসএফ এর এক্তিয়ার বৃদ্ধি নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নয়া বিজ্ঞপ্তির পর তা নিয়ে আপত্তি জানান পশ্চিমবঙ্গ ও পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি দেন প্রধানমন্ত্রীকে। সম্প্রতি দুই দিনাজপুরের প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এ নিয়ে মন্তব্য করেন।তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপাল এদিন মুখ্য ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন,বিএসএফ-এর সঙ্গে রাজ্য পুলিশের সমন্বয়ের লক্ষ্যে পদক্ষেপ করুন।কলকাতার পুরভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে আচার্য হিসাবে তাঁর সুপারিশ কতটা কার্যকর হয়েছে প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্তার কাছে তাও জানতে চান রাজ্যপাল।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

HS Exam: নিজেদের স্কুলেই অনলাইনে পরীক্ষা দেবেন উচ্চমাধ্যমিক পড়ুয়ারা

২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিজেদের স্কুলেই দিতে পারবেন পড়ুয়ারা। শুক্রবার এমনটাই জানিয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। অফলাইনে ক্লাস শুরু হলেও পরীক্ষা অনলাইনেই হোক। এই মর্মে রাজ্যে সমস্ত কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের চিঠি দিয়ে এই পরামর্শই দিয়েছে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। আর অনলাইনে পরীক্ষা হলেও নিজেদের হোম সেন্টারে পরীক্ষা দিতে পারবেন পরীক্ষার্থীরা।গত ১৬ নভেম্বর থেকে রাজ্য জুড়ে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খুলে গিয়েছে। কিন্তু শিক্ষাবর্ষের অধিকাংশ ক্লাসই যে হেতু অনলাইনে হয়েছে, তা মাথায় রেখে আসন্ন সিমেস্টার পরীক্ষাগুলি অনলাইনেই নেওয়া হোক। চিঠিতে এই পরামর্শই দিয়েছে শিক্ষা দপ্তর। এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ওই চিঠিতে।পরীক্ষা অনলাইনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই নিয়ে ফেলেছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের বৈঠক ছিল বুধবার। ওই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সামনের স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের বিজোড় সিমেস্টারের পরীক্ষা অনলাইনেই নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Home Secretary: আজ রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় কুমার ভাল্লা শুক্রবার একদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন। সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি সরাসরি বিধাননগরে হিডকো ভবনে যাবেন। সেখানে রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদি, স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিকা, ডিজি মনোজ মালব্য ছাড়াও উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিক ও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। বৈঠকে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের পরিকাঠামো ও সুরক্ষা ছাড়াও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর এলাকা বৃদ্ধি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সন্ধ্যাতেই তার দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা। নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজরদারির সীমানা বৃদ্ধি, সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলির সুরক্ষা এবং স্থলবন্দর নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ইতিমধ্যেই এই বৈঠকের প্রস্তুতির জন্য রাজ্যের জেলাশাসকদের জন্য পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নজরদারি টাওয়ার বসানোর জন্য বিএসএফ জমি চেয়েছে। সেই বিষয়টি কী অবস্থায় রয়েছে, তা নিয়েও জেলাশাসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যসচিব। সীমান্তবর্তী জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন অজয় ভাল্লা।

নভেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

Trekkers: ফিরল ৫ বাঙালি পর্বতারোহীর দেহ

আজ বাড়ি ফিরল উত্তরাখণ্ডের বিপর্যয়ে মৃত ৫ পর্বতারোহীর কফিনবন্দি নিথর দেহ। শোকে স্তব্ধ পাঁচ পাহাড়িয়ার পরিবার। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ২০ এবং ৭টা ২০ নাগাদ দিল্লি থেকে দেহ নিয়ে রওনা দেয় বিমানে। এদিকে, কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস। সুজিত বসু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এসেছি। আজ ৫ জনের মৃতদেহ এখান থেকে পৌঁছে দেওয়া হবে তাঁদের পরিবারের কাছে। খুবই দুঃখজনক ঘটনা।গত ১০ অক্টোবর উত্তরাখণ্ডের খারকিয়া থেকে বাগেশ্বর ,জাটুলি, দেবীকুণ্ড, নাগকুণ্ড হয়েকানাকাটা পাসে ট্রেকিংয়ে গিয়েছিলেন সাগর দাসেরা। কিন্তু প্রবল বৃষ্টি ও তুষার ঝড়ের কবলে পড়ে আটকে যান সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছে। এতদিন আবহাওয়া খারাপ থাকার বারবার ব্যাহত হচ্ছিল তাদের উদ্ধারকাজ। পরে সেই সুন্দরডুঙ্গা হিমবাহের কাছেই পাওয়া যায় পাঁচ ট্রেকার নিথর দেহ। মৃত ট্রেকারদের তালিকায় রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
কলকাতা

Uttrakhand: ৬ বন্ধুকে আজীবনের মত বিদায় দিয়ে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন

ফেরা হল না বাকি বন্ধুদের। দুঃস্বপ্ন কাটিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরলেন বিষ্ণুপুরের মিঠুন দারি । গতকাল উত্তরাখণ্ড থেকে দিল্লি হয়ে কলকাতায় ফেরেন তিনি। উত্তরকাশিতে যাওয়া সাত বাঙালির মধ্যে একমাত্র জীবিত তিনি। আহত অবস্থায় উত্তরাখণ্ডের জেলা হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মিঠুন। গত ১১ই অক্টোবর কলকাতা থেকে উত্তর কাশিতে ট্রেকিং করতে যান সাতজন বাঙালি। এরপর সোমবার সকালে চার অভিযাত্রীর দেহ ফেরে কলকাতায়। ঘটনার বিষয়ে যদিও মিঠুন বেশি কিছু সংবাদমাধ্যমকে জানাতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রয়েছেন। তবে ভুলতে পারছেন না সেখানকার ভয়াবহ স্মৃতি।গত ২২ অক্টোবর প্রথম পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর কন্ট্রোল রুম থেকে বাংলার পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন,সাধন বসাক, তিনি ঠাকুরপুকুর জায়গীর রোডের বাসিন্দা। এছাড়াও বিকাশ মাকাল, সৌরভ দাস, সাবিয়ান দাসের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের পরিচয় জানা গিয়েছে।১১ জন পর্বতারোহীর মধ্যে দুজনকে জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছিল আগেই। অর্থাৎ বাকি ৯ জনের মধ্যে ৫ জনের দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, এই দলটি ট্রেকিং-এ গিয়েছিল। সেখানে গিয়েই বিপত্তি ঘটে। ওই দলের মধ্যে ছিলেন ৭ জন বাঙালি। সেই ৭ জনের মধ্যে স্বশরীরে বাড়ি ফিরলেন মিঠুন।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
টুকিটাকি

Garlic: বহু সংকটের সহজ সমাধান রসুন

বহুগুণা রসুন। মাছ, মাংস, তরিতরকারি যা-ই রাঁধুন না কেন, রসুন লাগবে! হেঁশেলের নিত্য প্রয়োজনীয় এই উপাদান সাধারণত রান্নার স্বাদ বাড়াতে মশলা হিসাবেই ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এর বাইরেও রসুন যে নানা কাজে লাগতে পারে, তা জানেন কি? রসুনের এই রকমই অজানা কয়েকটি ভূমিকার কথাই রইল এখানে।১) হজমের সমস্যা:হজমের সমস্যায় ভোগেন? ওষুধ না খেয়ে ভরসা রাখুন রসুনে। ১ কোয়া রসুন থেঁতো করে নিন। এ বার সেটি একটি চামচে রেখে উপরে আধ চা চামচ মধু ছড়িয়ে রোজ সকালে খালি পেটে খান। উপকার পাবেনই।২) ব্রণর সমস্যা: মুখে ব্রণর সমস্যায় জেরবার? তাতেও মুশকিল আসান হতে পারে এক টুকরো রসুন। রসুনের প্রদাহ নিরোধক উপাদান ব্রণর ব্যথা সারায়। এমনকী, ত্বকের ছিদ্রে থাকা ব্যাক্টিরিয়াও তাড়ায়। তাই ব্রণ সারাতে এক কোয়া রসুন কেটে নিয়ে ব্রণর জায়গায় ঘষুন।৩) খুশকি তাড়াতে:মাথার ত্বকে খুশকি হয়েছে? খুশকি তাড়িয়ে চুলের চিটচিটে ভাব দূর করবে রসুনই। কয়েক কোয়া রসুন থেঁতো করে তার সঙ্গে একটু মধু ভাল করে মিশিয়ে নিন। এ বার মিশ্রণটি মাথার ত্বকে লাগিয়ে হাল্কা মালিশ করে ১৫ মিনিট রাখুন। তার পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন।৪) মশা তাড়াতে:মশা মারতে কামান দাগতে হবে না। ঘরে চাই সামান্য রসুন। রসুনের ৬-৮টি কোয়া ভাল করে থেঁতো করে সামান্য জল দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। হাল্কা আঁচে মিশ্রণটি রাখুন। ঠান্ডা করে ছেঁকে স্প্রে বোতলে ভরে নিন। ঘরের যে যে জায়গায় মশার উৎপাত বেশি, সেখানে স্প্রে করুন এই মিশ্রণ।৫) ব্যথা নিরাময়ে:হাতে কাঠ বা কাচের কুচি ঢুকে গিয়েছে? খুব ছোট এই জিনিসেও কিন্তু প্রবল ব্যথা হয়। এটি বার করা বেশ শক্ত। তবে ঘরোয়া উপায়েই রয়েছে সমাধান। কাচ বা কাঠের কুচি ঢুকে যাওয়া জায়গাটির উপর আধখানা রসুন দিয়ে ভাল করে ব্যান্ডেজ করে নিন। কিছুক্ষণ পর নিজে থেকেই বেরিয়ে আসবে কাচের কুচি।

অক্টোবর ০৪, ২০২১
বিবিধ

Maggi Cutlet: বৃষ্টির সন্ধে উপভোগ করুন সুস্বাদু ম্যাগি কাটলেটের সঙ্গে

জনতার রান্নাঘরবাইরে নিম্নচাপের ভ্রুকুটিতে চলছে অঝোর ধারা। সামনেই পুজো, কিন্তু একে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের ভয়, তারওপর দোসর বৃষ্টি। এমন অবস্থায় বৃষ্টিমুখর দিন আর ৫ দিনের থেকে সত্যিই আলাদা। সারা দিনে কাজের চাপে সময় চলে গেলেও, সন্ধের পরে সময়টা যেন আর কাটতেই চায় না। মন ভালো করতে অনেকেই রান্না ঘরে চলে গিয়ে টুকটাক কিছু মুখরোচক বানিয়ে ফেলেন। এরকম বৃষ্টির দিনে তেমনই চটজলদি এবং জিভে জল আনা স্ন্যাক্স রেসিপি উপহার রইল আপনার জন্য। বাড়িতে থাকা সাধারণ উপকরণ দিয়ে আজই বানিয়ে ফেলুন আর পরিবারের সকলের সঙ্গে জমিয়ে খান। এই বৃষ্টিমুখর দিনের জন্য তো ম্যাগির কাটলেট দারুণ অনুভূতি দিতে পারে। এক কাপ গরম চা বা কফির সঙ্গে খেতে পারেন এই কাটলেট। এটি একটি মুখে জল আনা ফিউশন রেসিপি। যদি আপনি বাড়িতে এটা করেন, তাহলে বাড়ির সবার কাছেই যথেষ্ট প্রশংসা পেতে চলেছেন। রান্না করা ম্যাগি নুডলস, কর্ণ ফ্লাওয়ার, ম্যাগি মশলা এবং আপনার পছন্দের সবজি ব্যবহার করে তৈরি এই সুস্বাদু স্ন্যাক্সের রেসিপি থেকে নিজেকে আটকে রাখা খুব কঠিন।আপনার প্রিয়জনকে পুদিনা চাটনি বা টমেটো কেচাপের সঙ্গে এই কাটলেটের রেসিপিটি পরিবেশন করুন।উপকরণ: (৬ জনের পরিবেশনের ক্ষেত্রে)1. ১৫০ গ্রাম ম্যাগি নুডলস2. ১/২ কাপ গাজর3. ৫ টেবিল চামচ কর্ন ফ্লাওয়ার4. ১/২ কাপ বাঁধাকপি5. ১ টেবিল চামচ ম্যাগি মশলা6. দেড় কাপ কাপ পরিশোধিত তেল7. প্রয়োজন মতো নুন8. ২ চা চামচ চিলি ফ্লেক্স9. ২ কাপ জলপদ্ধতি:A. এই স্ন্যাক রেসিপি তৈরি করতে, মাঝারি আঁচে একটি প্যান রাখুন এবং তাতে জল যোগ করুন। একবার জল ফুটতে শুরু করলে ম্যাগি নুডলস এবং এর সঙ্গে ম্যাগি মশলা যোগ করুন। ভাল ভাবে মিশিয়ে ৬ থেকে ৮ মিনিট রান্না করুন। হয়ে গেলে গ্যাস বন্ধ করুন এবং রান্না করা ম্যাগি একটি বাটিতে রেখে দিন। ম্যাগিটিকে ঠান্ডা হতে দিন।B. ঠাণ্ডা হয়ে গেলে রান্না করা ম্যাগিতে ভাজা বাঁধাকপি এবং গাজর, কর্ন ফ্লাওয়ার, নুন আর চিলি ফ্লেক্স যোগ করুন। এবার আপনার হাতে করেই সমস্ত উপাদানকে ভাল ভাবে মিশিয়ে নিন এবং সমান অংশে ভাগ করুন। পিঁয়াজির মতো গঠনে ভাগ করে নিন।C. এরপরে, একটি নন-স্টিক প্যান মাঝারি আঁচে রাখুন এবং এতে তেল যোগ করুন। একবার তেল যথেষ্ট গরম হয়ে গেলে, ঐ ম্যাগির ভাগগুলিকে প্যানে এক এক করে রাখুন এবং উভয় দিক থেকে সোনালি বাদামী হওয়া পর্যন্ত কম আঁচে ভাজুন। ভাজা হয়ে গেলে, অতিরিক্ত তেল বের করে নেওয়ার জন্য রান্নাঘরের তোয়ালেতে এই কাটলেটগুলি রাখুন।D. ভেজিটেবল ম্যাগি কাটলেটগুলি তৈরি হয়ে গেলে টমেটো কেচাপ বা পুদিনার চাটনি দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
টুকিটাকি

Face Cream: হোম মেড ফেস ক্রিম দিয়ে শুষ্ক ত্বকে ফিরিয়ে আনুন পুরনো ঔজ্জ্বল্য

সামনেই পুজো। সারা বছর নিজের দিকে তেমন তাকানোর সময় না হলেও, পুজোর কটা দিন নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দেখতে বেশ ভালোই লাগে। এই সময় আবহাওয়াটাই কেমন যেন মন ভালো থাকে। তাই নিজেকে একটু সাজিয়ে নিতে পারলে, মনটাও ভালোই হয়ে যায়। এমনিতে করোনা আবহে ঘরে থেকে থেকে একেঘেয়েমির আস্তরণ পড়ে গিয়েছে অনেকের মনে। এক ঝটকায় সেই আস্তরণ সরিয়ে ফেলতে ঘরে বসেই নিজের ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলুন। বহু বছর ধরে অ্যান্টি -অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ভিটামিন-ই ত্বকের পরিচর্চার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। মার্কিন দেশের ন্যাশানাল লাইব্রেরি অফ কংগ্রেসের একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভিটামিন ই-এর সাময়িক ব্যবহারে সূর্যের ইউভি বিকিরণের কারণে ত্বকের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে। অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষার পাশাপাশি ভিটামিন ই-তে রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেশন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের বৈশিষ্ট্য। যা ত্বককে মসৃণ, উজ্জ্বল ও টোনড করতে সাহায্য করে। ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য ভিটামিন ই হল সেরা উপাদান। তবে বাজার চলতি কোনও প্রোডাক্ট ব্যবহারের আগে, বাড়িতে তৈরি ভিটামিন ই সমৃদ্ধ ফেস ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন ই ক্যাপসুল বাজারে সহসলোভ্য। তাই এই উপকরণ নিয়ে কিছুটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেই পারেন।মসৃণ ত্বকের জন্য অ্যালোভেরা ও ভিটামিন ই মাস্কতাজা অ্যালোভেরা জেল ও ভিটামিন ই ক্যাপসুল থেকে তেল বের করে একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার ফেস ক্রিম বা মাস্কটি মুখের ত্বকে লাগিয়ে আধ ঘণ্টা পর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। উভয় উপকরণের মধ্যেই রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কালো দাগ দূর করে মসৃণ ও লাবণ্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।উজ্জ্বল ত্বকের জন্য পেঁপে ও ভিটামিন ই মাস্ক২ টেবিলস্পুন পেঁপের পাল্প, এক টেবিলস্পুন গোলাপ জল ও ১৫-২০ ফোঁটা ভিটামিন ই তেল- একসঙ্গে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। মুখের সর্বত্র লাগিয়ে যতক্ষণ না শুকিয়ে যাচ্ছে, ততক্ষণ অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপে ও ভিটামিন ই-এর মিশ্রণ ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করতে সাহায্য করে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই ফেস মাস্ক দারুণ উপকারী। পেঁপেতে রয়েছে পেপেইন এনজাইম বা ত্বকের মৃত কোষ ও ট্যান দূর করতে এই ফেস মাস্ক বেশ কার্যকরী। এই দুই উপাদান ত্বককে হাইড্রেট করতে সাহায্য করে।গ্রিন টি, মধু ও ভিটামিন ই মাস্কমুখের মধ্যে অকাল বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে একটি বাটিতে এক কাপ গ্রিন টি, ২-৩ টেবিলস্পুন চালের গুঁড়ো, ১ টেবিলস্পুন মধু, ২টি ভিটামিন ই ক্যাপসুল। প্রথমে গ্রিন টি বানিয়ে তা ঠান্ডা করতে দিন। তারপর গ্রিন টিয়ের সঙ্গে চালের গুঁড়ো, মধু ও ভিটামিন ই ক্যাপসুলের তেল মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। মুখের ত্বকের উপর সমানভাবে পেস্টটি ব্যবহার করুন। গ্রিন টি অকাল বার্ধক্যের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে সাহায্যে করে।এই কয়েকটি সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি মাস্কই আপনার ত্বকে ফিরিয়ে আসতে পারে সেই পুরনো জৌলুস। তাই পুজোর কটা দিন নিজেকে সাজিয়ে নিতে পারেন ঘরোয়া এই মাস্কগুলো দিয়ে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
রাজ্য

Arjun-NIA: অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-র

ভাটপাড়ায় বোমাবাজির ঘটনায় তদন্ত ভার নিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ । ৮ সেপ্টেম্বর বোমাবাজি হয় ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে। সেই ঘটনার তদন্ত ভার এনআইএকে দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখযোগ্যভাবে, কোনও ঘটনার তদন্তভার সাধারণত তখনই এনআইএ-এর হাতে ন্যস্ত করা হয়, যখন সেখানে সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগ থাকে। প্রশ্ন উঠছে, ভাটপাড়ার এই ঘটনায় কি তবে সেদিকেই ইঙ্গিত করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।গত বুধবার সকালে সিআইএসএফের পাহারার মধ্যে থাকা সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় সাংসদের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাইক থেকে পরপর ২-৩ টি বোমা ছোড়া হয় অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বলে অভিযোগ। সিআইএসএফ জওয়ানদের সামনেই বোমা মেরে পালিয়ে যান যুবকরা। এই ঘটনায় অর্জুন সিং বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করবেন। এনআইএ ঘটনার তদন্ত করুক তিনি চান।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নাসাংসদ অর্জুন সিং ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তারই মধ্যেও কী ভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপরই গত শুক্রবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে যান। তিনি সেখানে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, একজন সাংসদের বাড়িতে যে ভাবে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত লজ্জার। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের জেরেই এই বোমাবাজির ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী তো কোনও পদক্ষেপ করছেন না। জাতীয় সংস্থার গোয়েন্দারা দায়িত্ব নিলে সেখানে আর আলাদা করে বলার কিছু থাকবে না। এরই মধ্যে সোমবার জানা গেল, ভাটপাড়ার বোমাবাজিকাণ্ডের তদন্ত ভার এনআইএ-এর হাতেই তুলে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।যদিও সূত্রের খবর, যে নির্দেশনামা এনআইএ-এর হাতে পৌঁছেছে, সেখানে অর্জুন সিংয়ের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, পবন সিংয়ের দপ্তরের সামনে বোমাবাজির ঘটনার তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। অর্থাৎ অর্জুন-পুত্র পবন সিংয়ের দপ্তর মানেই তা বিজেপি সাংসদের বাড়ির এলাকাই।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় আজও ধূপ-ধুনোয় সেজে ওঠে ‘স্টিম সাহেব’, জলপাইগুড়ির বুকে ব্রিটিশ আমলের জীবন্ত স্মৃতি

জলপাইগুড়ি শহরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়ার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী নাম, স্টিম সাহেব। ব্রিটিশ আমলের কয়লা চালিত এই স্টিম রোলারকে ঘিরে এখনও আবেগ রয়েছে বহু মানুষের। প্রতি বছর বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে জলপাইগুড়ি পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরে পরম যত্নে পুজো করা হয় ঐতিহাসিক এই যন্ত্রটিকে।স্বাধীনতার বহু আগে সুদূর লন্ডন থেকে জলপাইগুড়িতে আনা হয়েছিল কয়লা চালিত এই স্টিম রোলার। ব্রিটিশ সাহেবদের হাত ধরে শহরে আসার কারণেই স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে এর নাম হয়ে যায় স্টিম সাহেব। একসময় জলপাইগুড়ি থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর পর্যন্ত রাস্তা তৈরি ও মেরামতির কাজে নিয়মিত ব্যবহার করা হত এই রোলার।সেই সময়ের যান্ত্রিক প্রযুক্তির অন্যতম নিদর্শন ছিল এটি। রোলারের বয়লারে কয়লা দেওয়া থেকে শুরু করে স্টিয়ারিং ঘোরানোপুরো ব্যবস্থাটিই ছিল যান্ত্রিক পদ্ধতিনির্ভর। দেশভাগের পরেও দীর্ঘদিন নিজের দায়িত্ব পালন করেছে স্টিম সাহেব। তবে সময়ের সঙ্গে ডিজেল চালিত রোলারের ব্যবহার বাড়ায় ধীরে ধীরে গুরুত্ব কমতে থাকে এই পুরনো যন্ত্রটির। একসময় পূর্ত দপ্তরের এক কোণে অবহেলায় পড়ে ছিল এটি।১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় রোলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেটিকে উদ্ধার করে মেরামত করা হয়। সরকারি উদ্যোগে এরপর পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরেই স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় ঐতিহাসিক এই স্টিম রোলারকে। জানা যায়, কয়েক বছর আগে যে লন্ডন-ভিত্তিক সংস্থা এটি তৈরি করেছিল, তাদের পক্ষ থেকে রোলারটি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে রাজ্য সরকারের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।তাই আজও জলপাইগুড়ির মাটিতেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে স্টিম সাহেব। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন বর্তমান কর্মীদের পাশাপাশি বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীও নস্টালজিয়ার টানে ছুটে আসেন পূর্ত দপ্তরে।অবসরপ্রাপ্ত কর্মী পার্থপ্রতিম সেনের কথায়, স্টিম সাহেব এখনও তাঁদের কাছে এক জীবন্ত নস্টালজিয়া। বর্তমান কর্মী গৌতম দীক্ষিত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মী মধু সরকারও মনে করেন, এই ঐতিহ্য ও পরম্পরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও একইভাবে টিকে থাকুক। তাঁদের কাছে স্টিম সাহেব শুধু একটি পুরনো যন্ত্র নয়, বরং জলপাইগুড়ির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘ঝরা পাতা তৃণমূলে নয়’, কংগ্রেসের ‘বটগাছের’ ছায়ায় আসার ডাক অধীরের

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে ভোটে নামতে হয়েছে। মমতা শিবিরের জন্য ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জন্য খাম প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জোড়াফুল প্রতীক ও দলের পুরনো নামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রক্রিয়াধীন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানান। রেজিনগর নিয়ে অবশ্য মমতার শিবিরের অবস্থান তখনও স্পষ্ট ছিল না।নন্দীগ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে তৃণমূল বা তৃণমূলের অন্য কোনও শিবিরের পরিবর্তে কংগ্রেসের পাশে আসা উচিত বিরোধীদের।অধীর বলেন, কংগ্রেস একটি বটগাছের মতো এবং তৃণমূল সেই বটগাছের ঝরা পাতা। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করতে চান, তাঁদের কংগ্রেসের ছায়ায় আসা উচিত। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিজেপি-বিরোধী ভোটার ও রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে কংগ্রেসের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।তৃণমূলের নতুন প্রতীক নিয়েও কটাক্ষ করেন অধীর। তাঁর কথায়, মমতার শিবির ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক পেয়েছে এবং অন্য শিবির পেয়েছে খাম। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনাকেও তিনি তৃণমূলের জন্য রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে তুলে ধরেন। রেজিনগর নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।তবে সঞ্চিতা প্রধান দে কেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন, সেই বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কারণ জানানো হয়নি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে ওই সাক্ষাৎ এবং তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের মধ্যে কোনও নির্দিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা হয়নি।এর পর নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয়। মমতা জানিয়েছেন, উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন করে বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করাই তাঁদের উদ্দেশ্য।নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও সরব হয়েছেন অধীর। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করেন এবং কমিশনকে বিজেপির প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেন। তবে এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী নিজেদের বৈধ প্রতিনিধি দাবি করায় উপনির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহার, তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং মমতা শিবিরের কংগ্রেসকে সমর্থনএই তিনটি ঘটনা ঘিরে উপনির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। রেজিনগরেও শেষ পর্যন্ত কী ছবি দেখা যাবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
কলকাতা

খাম নিয়ে নতুন সংঘাত, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে আইনি পথে আইএসএফ? কী বললেন নওশাদ

ঘাসফুল আপাতত বাইরে। নতুন নাম গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, আর প্রতীক খাম। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই নতুন বিতর্কে জড়াল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। কারণ, খাম প্রতীকটি আগে থেকেই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই ভোটে লড়ার দাবি করেছে আইএসএফ। এবার সেই প্রতীকই ঋতব্রত শিবিরকে দেওয়া হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের দুই শিবিরের জন্য নতুন নাম ও প্রতীক ঘোষণা করে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের প্রতীক হিসেবে দেওয়া হয়েছে খাম। অন্য দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির পেয়েছে আলাদা নাম ও প্রতীক। পুরনো তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ব্যবহার করা যাবে না।কিন্তু ঋতব্রত শিবিরের নতুন প্রতীক সামনে আসার পরেই আপত্তি তোলে আইএসএফ। নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, ২০২১ সাল থেকেই তাঁদের দল খাম প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচনে লড়ছে। চলতি বছরেও ওই প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, সেই পরিস্থিতিতে একই প্রতীক অন্য একটি দলকে কী ভাবে দেওয়া হল?শুক্রবার ফুরফুরা শরিফে দলের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নওশাদ। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য গত ১০ মার্চ আইএসএফের খাম প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই দলটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাই ঋতব্রত শিবিরকে একই প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।নওশাদ জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, আইএসএফকে দুর্বল করার চেষ্টা হতে পারে। তবে এই অভিযোগ নওশাদ সিদ্দিকীর রাজনৈতিক বক্তব্য; নির্বাচন কমিশনের তরফে এমন কোনও ষড়যন্ত্রের কথা জানানো হয়নি।অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবির অবশ্য নতুন প্রতীক নিয়ে সন্তুষ্ট। নন্দীগ্রামের ওই শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক জানিয়েছেন, তাঁরা খাম প্রতীক পেয়েছেন এবং সেই প্রতীক নিয়েই প্রচারে নামবেন। ফলে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মূল প্রশ্ন, আইএসএফের দাবি নির্বাচন কমিশন কী ভাবে বিবেচনা করবে এবং নন্দীগ্রামের ভোটে শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থী কোন প্রতীকে লড়বেন। ঋতব্রত শিবিরকে খাম প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে কমিশন। এখন নওশাদ সিদ্দিকীর আপত্তির পর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতের ভবিষ্যৎ কী? দলবদলের জল্পনার মধ্যেই মিলল তাঁর নিজের বার্তা

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটমহলে নানা জল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে ঘিরে দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, রোহিত কি ফের মুম্বইয়ের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে পারেন? পাশাপাশি তাঁর অন্য কোনও আইপিএল দলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। সেই আলোচনাতেই নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটিং কোচ এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ অভিষেক নায়ার।তবে এই জল্পনার সূত্রপাত কোনও ক্রিকেট ম্যাচে নয়, রোহিত শর্মার নতুন একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা সেই অনুষ্ঠানের টিজারে রোহিত এবং অভিষেক নায়ারের কথোপকথনের একটি অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে রোহিতের পোশাকের রং নিয়েই মজার ছলে শুরু হয় দলবদলের প্রসঙ্গ।টিজারে দেখা যায়, রোহিতের পরনে হলুদ পোশাক। সেই রং দেখে অভিষেক নায়ার মজা করে চেন্নাইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানতে চান, রোহিত কি তবে দল বদলানোর কথা ভাবছেন? কারণ হলুদ রং চেন্নাইয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রশ্ন শুনে রোহিতও মজার ছলে পাল্টা জবাব দেন। তিনি বলেন, তাঁর পোশাকের রং সরষের মতো হলুদ।এর পরেই কথোপকথনে উঠে আসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রসঙ্গ। অভিষেক নায়ার বলেন, সোনালি এবং হলুদ রঙের সঙ্গে কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজিরও যোগ রয়েছে। ফলে রোহিত কি এবার কলকাতার দলে যোগ দেবেন, সেই ইঙ্গিতও মজার ছলে দেওয়া হয়।অভিষেকের প্রশ্নের মধ্যেই দর্শকদের একাংশ মুম্বইয়ের নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। সেই সময় রোহিত মৃদু হেসে বলেন, চিরকাল। তাঁর এই এক শব্দের উত্তর থেকেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুম্বইয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই বক্তব্যকে দলবদলের জল্পনার প্রেক্ষিতে দেখছেন। তবে টিজারের এই কথোপকথন থেকে রোহিতের আইপিএল ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিতের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। তাঁর নেতৃত্বে দলটি আইপিএলে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবেও রোহিতের সাফল্য রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে এবং এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে।এ বার ক্রিকেটের মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশনের পর্দাতেও নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে রোহিতকে। তাঁর নতুন অনুষ্ঠানের প্রথম টিজার প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। টিজারে অভিষেক নায়ারের সঙ্গে রোহিতের কথোপকথনও সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।রোহিত সত্যিই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়বেন কি না, কিংবা অন্য কোনও আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা নেই। তবে নতুন অনুষ্ঠানের টিজারে মুম্বই নিয়ে রোহিতের চিরকাল মন্তব্য দলবদলের জল্পনার মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে। এখন দেখার, টেলিভিশনের মঞ্চে রোহিতের এই নতুন ইনিংস দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

সারা ঘরে বেলুন দিয়ে সাজানো, ফ্রিজে মেয়ের দেহ, পাশে চকলেট! ঘরে উদ্ধার বাবার ঝুলন্ত দেহ

গুজরাটের আমরেলি জেলায় এক পাঁচ বছরের শিশুকন্যার মৃত্যু এবং তার বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ৪০ বছরের কিশোর ধনক তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে হিংমাশীকে হত্যা করার পর নিজে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘরের ভিতর থেকে তিনটি চিরকুট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি মেয়েকে কেন হত্যা করেছিলেন, তারও ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনাটি আমরেলি জেলার সাভরকুণ্ডলা এলাকার হাদিদা গ্রামের। কিশোর ধনক নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী মঞ্জুবেন বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরে স্বামীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফোন বন্ধ থাকায় তিনি তাঁর ভাইকে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই কিশোরের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়।এর পর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ ফ্রিজের ভিতর হিংমাশীর দেহ উদ্ধার করে। পুলিশের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করার পর তার দেহ ফ্রিজে রাখা হয়েছিল। ঘটনার পর দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কী ভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর আরও স্পষ্ট হবে।ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি তদন্তকারীদের আরও ভাবিয়ে তুলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরটি বেলুন ও মোমবাতি দিয়ে সাজানো ছিল। শিশুটির জন্য চকোলেটও রাখা হয়েছিল। এমনকি ফ্রিজের উপরে শুভ জন্মদিন হিংমাশী লেখা একটি কাগজ পাওয়া যায়। অথচ সেদিন হিংমাশীর জন্মদিন ছিল না। শিশুটিকে সাদা পোশাক পরানো হয়েছিল এবং মাথায় ওড়নাও দেওয়া ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফ্রিজের ভিতর কুশন রাখা ছিল বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ঘরে পুজোর আয়োজনও করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই সমস্ত বিষয় দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, মেয়ের জন্য শেষবারের মতো জন্মদিন পালনের মতো একটি আয়োজন করেছিলেন কিশোর। তবে কেন এমন আয়োজন করা হয়েছিল, কেনই বা মেয়েটিকে হত্যা করা হল, তা এখনও তদন্তের বিষয়। পুলিশের তরফে ঘটনাটির প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি চিরকুট তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চিরকুটে কিশোর তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে নির্মাণকাজে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে সেখানে লেখা ছিল। তাঁর দাবি ছিল, ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছ থেকে প্রায় সাত লক্ষ টাকার বেশি পাওনা ছিল। কিন্তু সেই টাকা না পাওয়ায় তিনি আর্থিক সমস্যায় পড়েছিলেন।অন্য একটি চিরকুটে মেয়েকে হত্যা করার কারণ হিসেবে কিশোর এমন কথা লিখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর মৃত্যুর পরে মেয়েকে যেন কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়, সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর একটি চিরকুটে নিজের কাজের জন্য ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে চিরকুটে লেখা কথাগুলি তদন্তের অংশ হিসেবেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরের স্ত্রী কয়েক দিন আগে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে পৌঁছন। সেখান থেকেই প্রথমে কিশোরের দেহ এবং পরে ফ্রিজের ভিতর শিশুকন্যার দেহের সন্ধান মেলে। ঘটনার পর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আর্থিক সমস্যাই এই ঘটনার মূল কারণ কি না, শিশুকন্যাকে হত্যার আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং ঘরটি কেন জন্মদিনের মতো করে সাজানো হয়েছিলএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, চিরকুট এবং পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য মিলিয়ে গোটা ঘটনার ছবি স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মমতা পাশে দাঁড়াতেই বড় ধাক্কা! পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হলেন মিলন। শুক্রবার তাঁকে একটি পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি খুনের মামলায় তিনি অভিযুক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বড় রাজনৈতিক ঘোষণাকে ঘিরে। তাঁর দলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা জানান, নন্দীগ্রামে তাঁর দল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। দেশের কথা এবং বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মমতার সেই ঘোষণার পরেই মিলন প্রধানের গ্রেফতারির খবর সামনে আসে। শুক্রবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এবং সেই মামলায় পরোয়ানাও জারি হয়েছিল। ফলে গ্রেফতারির সঙ্গে পুরনো মামলার যোগ রয়েছে বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে।কংগ্রেস অবশ্য এই গ্রেফতারিকে স্বাভাবিক ভাবে দেখছে না। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করার অর্থ বিজেপি কংগ্রেস প্রার্থীকে ভয় পাচ্ছে। তবে এটি অধীর চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; বিজেপির তরফে এমন অভিযোগের সমর্থনে কোনও বক্তব্য এই ঘটনায় সামনে আসেনি।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের ঠিক আগে মিলন প্রধান সকাল থেকেই প্রচারে ছিলেন। তার পর তাঁকে হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়। কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্থানীয় থানাগুলির কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভঙ্কর জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনের কাছেও লিখিত ভাবে জানতে চাওয়া হবে, কেন প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হল এবং বর্তমানে তিনি কোথায় রয়েছেন। কংগ্রেসের বক্তব্য, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়টি কমিশনের নজরেও থাকা উচিত।অন্য দিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্র এই গ্রেফতারিকে প্রশাসনের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ প্রার্থী হলেই তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না, এমন কোনও নিয়ম নেই। প্রশাসনের কাছে প্রয়োজন মনে হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার অধিকার রয়েছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি নন্দীগ্রামে মমতার কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েও মন্তব্য করেন।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত, অন্য দিকে সেই কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের পুরনো মামলায় গ্রেফতারিদুই ঘটনাই একই দিনে সামনে এসেছে। ফলে গ্রেফতারির সময় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠলেও, পুলিশ জানিয়েছে পুরনো মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে বিধানসভা উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের গ্রেফতারির ঘটনায় কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের পর এই ঘটনায় নন্দীগ্রামের ভোটের রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব পড়ে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

পুজোর আগে সিকিমে বড় বিপদ! পাহাড় থেকে নামছে কাদা-পাথরের স্রোত, বন্ধ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

একটানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসের খবর মিলছে। কোথাও জাতীয় সড়ক বন্ধ, কোথাও হাইওয়ে অবরুদ্ধ। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকেরাও। পুজোর মরসুম সামনে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মহলেও।উত্তর সিকিমে বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। শুক্রবার ভোরে সিকিম-শিলিগুড়ি যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বারডাংয়ের ২০ মাইল এলাকায় ধস নামে। রাস্তার উপর দিয়ে কাদা ও পাথরের স্রোত নামায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রী থেকে পর্যটক, সকলেই সমস্যায় পড়েন।গ্যাংটক জেলাতেও একাধিক জায়গায় ভূমিধস ও কাদাধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। ধসের কারণে বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও বাড়ি ও গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার কবি-টিংদা কেন্দ্রের বিধায়ক শেরিং টি ভুটিয়ার নেতৃত্বে একটি যৌথ দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে।বোজোগহারি সংলগ্ন লুয়িং-রাঙ্কা সড়ক, লোয়ার বোজোগহারি, লিংডিং, হাইকোর্ট রোড, টিএনএ গেট, ভিআইপি কলোনি, আপার জেড-বোজোগহারি, পাংথাং-লিংডক সড়ক, পামরো গাঁও, লিং পারবিং, আপার ও মিডল লুয়িং, ফেনজং, রাঙ্কা, রকডং তিনটেক, দারাগাঁও, আপার বুরতুক, সিচে এবং আরিথাং-সহ একাধিক এলাকায় ধসের প্রভাব পড়েছে।বহু জায়গায় এখনও রাস্তা পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কিছু বহুতলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। সিচের নিকাশি জল পরিশোধন কেন্দ্র এবং এনচে স্কুলের বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছেও ধ্বংসস্তূপ জমে রয়েছে। ফলে ওই এলাকাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।উত্তর সিকিমেও ব্যাপক ধসের খবর এসেছে। ফেনসং, কবি এবং লিংচুম-টিংদা এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা ফের চালু করার কাজ চলছে। ধসপ্রবণ এলাকায় বৃষ্টির জল যাতে মাটির গভীরে ঢুকে পরিস্থিতি আরও খারাপ না করে, সে জন্য ত্রিপল বিছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ধসপ্রবণ এলাকা দিয়ে যাতায়াত না করার জন্য বলা হয়েছে। বিশেষ করে রাতে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ৩২ মাইলের কাছে রাডাং এলাকাতেও ধসের কারণে রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার খবর মিলেছে।পূর্ব সিকিমের দুগা এলাকাতেও রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাত্রীরা নিজেরাই রাস্তা পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন। এই পথটি গ্যাংটকের সঙ্গে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রাস্তা। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের সমস্যাও বেড়েছে।শুধু সিকিম নয়, নেপালেও ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। জামিরেঘাটে ভূমিধসের কারণে পৃথ্বী হাইওয়ে অবরুদ্ধ হয়েছে। রাস্তার উপরের দিক থেকে বড় ধস নেমে কাঠমান্ডুগামী দুই দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ধাদিংয়ের ট্রাফিক পুলিশ প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, ধসের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগতে পারে। কৃষ্ণভির এলাকাতেও ধসের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।ভুটানেও কয়েকটি পাহাড়ি রাস্তায় বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। দোচুলা-ওয়াংদুয়ে সড়কের পেনজালুম দ্রুবচু এলাকায় একমুখী যান চলাচল শুরু হলেও পর্যটকদের সতর্ক হয়ে যাতায়াতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পানবাং-মাথাংগুড়ি সংযোগ সড়কের কিছু অংশও অবরুদ্ধ হয়েছে।সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পথে ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় পুজোর আগে পর্যটন শিল্প নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সময় পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। ফলে আগামী দিনে বৃষ্টি ও ধসের পরিস্থিতি কীভাবে বদলায়, তার দিকে নজর রাখছেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে’, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে সরব শুভঙ্কর সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ফুল-ঘাস ফ্রিজ করে দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করলেন, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে টালবাহানা করে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও সংরক্ষিত ফুল-ঘাস প্রতীক আপাতত ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুটি গোষ্ঠী নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে দাবি করছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক নাম ও প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।এই পরিস্থিতিতে শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বিতর্কের সমাধান করা। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর, স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ থাকে।কংগ্রেস সভাপতির মতে, ভারতের সংবিধানে প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রই দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর অন্যতম ভিত্তি। তাঁর কথায়, এই বহুদলীয় ব্যবস্থাই ভারতের বহুত্ববাদের প্রতিফলন। কংগ্রেস বরাবরই এই বহুত্ববাদে বিশ্বাসী।শুভঙ্কর সরকার মহারাষ্ট্রে শিবসেনার দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তাঁর অভিযোগ, একই ধরনের পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গেও তৈরি করা হচ্ছে।তবে তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জায়গাটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, মতাদর্শগত লড়াই থাকবেসংসদীয় গণতন্ত্রে এটাই কাম্য। কাউকে পরাজিত করতে হলে আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই করব। কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে হলে, সেটা বাংলার মানুষ তাঁদের ভোটের রায়ের মাধ্যমে করবেন।এরপরই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন তিনি। শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, আজ আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে। তারা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার খেলায় নেমেছে। এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।একইসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূলের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই চলেছে এবং চলবে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলা, দলীয় কার্যালয় দখল এবং রাজ্যে অপশাসনের অভিযোগও তোলেন তিনি।তবে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী পরিচয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কংগ্রেস মেনে নেবে না বলেই জানিয়েছেন শুভঙ্কর সরকার।শেষে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, নির্বাচন কমিশনের এই দলদাসসুলভ আচরণ গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করছে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal