• ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ed

কলকাতা

Fake Officer: ফের শহরে গ্রেপ্তার ভুয়ো অফিসার

দেবাঞ্জন-কাণ্ডের পর শহরে একের পরেক ভুয়ো অফিসারের খোজ পাওয়া যাচ্ছে। ফের শহরে ভুয়ো এক সরকারি অফিসার গ্রেপ্তার। নীল বাতির গাড়ি নিয়ে জালিয়াতিরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এই অভিযুক্তকে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। জানা গিয়েছে ধৃতের নাম সনাতন রায়চৌধুরী। জানা গিয়েছে, সনাতন নিজেকে স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল অফ ওয়েস্ট বেঙ্গলের আধিকারিক পরিচয় দিতেন। নীল বাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘুরতেন। দেবাঞ্জন কাণ্ডের পর থেকেই শহরের নীল বাতি লাগানো গাড়ির ওপর নজরদারি বেড়েছে পুলিশের। রাস্তায় চলছে চেকিংও। নীল বাতি লাগানো গাড়ি দেখলে, তা থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরকম ভাবেই সনাতনের গাড়ি থামানো হয়। সনাতন এই নীল বাতি লাগানো গাড়ি নিয়ে ঘুরে কী কী সুবিধা ভোগ করেছেন, আদৌ দেবাঞ্জনের মতো প্রতারণা চক্রের সঙ্গে জড়িত কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ আত্মঘাতী কিশোরী ক্যারাটে খেলোয়াড়, গ্রেপ্তার ১প্রশ্ন করা হলে তিনি নিজেকে উচ্চ পদস্থ সরকারি আধিকারিকের পরিচয় দেন। কিন্তু যথাযথ কাগজপত্র দেখাতে পারেন না। চাপ বাড়াতেই ঘাবড়ে যান তিনি। কথায় একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ। গত সপ্তাহেই, সেন্ট্রাল ভিজিলেন্স কমিশনার সেজে গাড়িতে নীলবাতি লাগিয়ে ঘোরার অভিযোগ এক যুবককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বেনিয়াপুকুর থেকে মহম্মদ সাদিক নামে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরচেকিংয়ের সময়ে গত মঙ্গলবার বেনিয়াপুকুর থানার নিউ পার্কস্ট্রিট এলাকায় এ ধরনের একটি লাল বাতি লাগানো গাড়ি দাঁড় করান পুলিশ কর্তারা। তাতে নীল বাতি লাগানো ছিল আর সামনে ভিআইপি পার্কিং লেখা ছিল।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেপ্রসঙ্গত দেবাঞ্জন কাণ্ড প্রকাশ্যে আসার পরই শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এরকম ভুয়ো সরকারি আধিকারিকদের গ্রেপ্তার করছে পুলিশ। দেবাঞ্জন কাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, নির্বাচনের সময় ভুয়ো গাড়ি, বাতি ব্যবহার করে ভোট প্রভাবিত করা হয়েছে। দেবাঞ্জনের মত আরও অনেকেই তাতে যুক্ত ছিলেন। সঠিক তদন্ত না হলে প্রয়োজনে আদালতে যাওয়া হবে।

জুলাই ০৬, ২০২১
রাজ্য

বর্ধমানে লাইনচ্যুত আপ হাওড়া-রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের বগি, অল্পে রক্ষা

বর্ধমান স্টেশনে ঢোকার মুখে লাইনচ্যুত হল আপ হাওড়া- রাধিকাপুর ০৩০৫৩ স্পেশাল এক্সপ্রেস। সোমবার সকাল ১০ টা ৪০ মিনিট নাগাদ ট্রেনটি আপ লইন ধরে বর্ধমান স্টেশনের ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ঢোকার মুখে প্রথম বগিটি লাইনচ্যুত হয়। ওই বগিটি গার্ড ও লাগেজের জন্য সংরক্ষিত ছিল। বর্ধমান স্টেশনে ঢোকার মুখে যেহেতু ট্রেনটির গতি কম ছিল তাই বগি লাইনচ্যুত হলেও বড়সড় কোন বিপত্তি ঘটেনি বলে স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। বর্ধমান স্টেশন ম্যানেজার সঞ্জয় অধিকারী জানিয়েছেন, ট্রেনটির গতি কম থাকায় বড় কোনও বপত্তি ঘটেনি। ঘটনার পরেই রেলের কর্মীরা বগিটি লাইন থেকে তোলার কাজ শুরু করে দেন । বেলা ১১ টা ৪০ মিনিটের মধ্যে বগিটি লাইন থেকে তোলার কাজ সম্পূর্ণ করা হয় । তার পর ট্রেনটি ফের গন্তব্যে রওনা দেয়। এই সময়টুকুতে ডাউন কর্ড লাইন ও ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্ম দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে হয়। বাকি সব লাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল বলে স্টেশন ম্যানেজার জানিয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

BJP MLA: সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক

রাজ্যে ফের আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক। রবিবার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিফায়ক দিবাকর ঘরামি। জানি গিয়েছে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা দিবাকরবাবুর গাড়ির উপর লাঠি নিয়ে হামলা করে। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় রক্ষা পান বিজেপি বিধায়ক। যদিও দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন বিজেপি কর্মী। জখম সকলকেই সোনামুখী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। যথারিতি এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধেবেলা মানিকবাজারের কাষ্ঠসাঙা গ্রামের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সোনামুখীর (Sonamukhi) বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। তিনি সেখানে কথাবার্তা বলার পর ফেরার পথে মানিকবাজারের কাছে দুষ্কৃতী হামলার মুখে পড়েন।চলে গো ব্যাক স্লোগান।দুপক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে অনেকের মাথা ফেটে যায়, কেউ বা হাতে-পায়ে চোট পেয়েছেন। ঘটনার পরও রাতভর সেখানে উত্তেজনা জারি ছিল। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের খবর মিলেছে একাধিকবার। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূলের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, সবটাই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ঘটনার কথা টুইট করে তীব্র নিন্দা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একজন বিধায়কও অবিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর জঙ্গলরাজে নিরাপদ নন।Sonamukhi MLA Dibakar Gharami attacked by TMC goons today at Manikbajar Panchayat area.7 BJP party members accompanying him were seriously injured alongside others had to be referred to Bankura Medical College.An MLA is not even safe in the Non-MLA CMs jungle raj. Horrific pic.twitter.com/Q8UpJqVeTP Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 4, 2021উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে একের পর এক বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ার, ঘরছাড়া হওয়ার খবর আসছে রাজ্যজুড়ে। এই নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে দরবারও করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে এসেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। হামলার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদেরও। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার আক্রান্ত হলেন বিজেপি বিধায়ক।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

TMC: তৃণমূল কার্যালয়ে কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি, জল্পনা গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের

শনিবার রাতে আচমকাই তৃণমূলের (TMC) কার্যালয়ে ঢুকে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা। কয়েক রাউন্ড গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বেলঘরিয়া সংলগ্ন এলাকায়। জানা গিয়েছে, ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন এক তৃণমূল কর্মী। বর্তমানে তিনি এক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরশনিবার রাত ১০ টা নাগাদ কামারহাটি বিধানসভা এলাকার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বিভার মোড়ে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসেছিলেন কর্মীরা। এমন সময় হঠাৎই ৭ থেকে ৮ টি বাইক এসে জড়ো হয় কার্যালয়ের সামনে। অভিযোগ, বাইক থেকে নেমে দুষ্কৃতীরা ঢুকে পড়েন কার্যালয়ে। তারপরেই কর্মীদের লক্ষ করে গুলি করতে শুরু করেন। মারতে থাকেন তৃণমূল কর্মীদেরও। আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রহঠাৎই এমন ঘটনায় হকচকিয়ে গিয়েছেন এলাকার বাসিন্দরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাইকে চেপে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। গুলির শব্দে ও চিৎকার চেঁচামেচি শুনে বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা। খবর পেয়েই রাতারাতি ঘটনাস্থলে পৌঁছন কামারহাটি বিধানসভার বিধায়ক মদন মিত্র। বেলঘরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। জানা গিয়েছে, তৃণমূল কর্মী মানস বর্ধনের গায়ে গুলি লাগে। সকাল গড়িয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিস।আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহতৃণমূল কর্মীদের পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, এই ঘটনা কোনও গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে হয়নি। তবে স্থানীয় বিধায়ক মদন মিত্র বিজেপির দিকেই আঙুল তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি বুঝতে পেরেছে উত্তর ২৪ পরগনা থেকে তারা শেষ হয়ে গিয়েছে। আমাদের পার্টির মধ্যে কত গুলো দালাল তৈরি করছে বিজেপি। সেই দালালগুলোকে দিয়ে পয়সা খাইয়ে এ কাজ করাচ্ছে। কিছু ২ পয়সার মদ্যপ ক্রিমিনালরা ঢোকাচ্ছে এলাকায়। রোজ রাতে মস্তান ঢুকছে। আমরা পাড়ার মোড়ে মোড়ে নাইট গার্ড দেব। দেখি কে ঢোকে এবার।আরও পড়ুনঃ সাইক্লোন আতঙ্কে বাংলা, সাইটোকাইন ঝড় কাড়ছে মানুষের প্রাণঅন্যদিকে, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কথায়, মদন মিত্রের লোকই এমনটা করেছে। কারণ ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে সব জায়গায় গন্ডগোল শুরু হয়ে গিয়েছে। গুলি-গোলা নিজেদের মধ্যেই চলছে। ওটাই তৃণমূলের কালচার। বিজেপি ওই কালচারে বিশ্বাস করে না।

জুলাই ০৪, ২০২১
রাজনীতি

Kesh Family: তৃণমূলের প্রতি বিতশ্রদ্ধ আউশগ্রামের কেশ পরিবারের সদস্য ভাঙলেন শহিদবেদী

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়বাম আমলে কেশবাড়ি গণহত্যার স্মরণে তৈরি হওয়া শহিদবেদী ভেঙে দিলেন শহিদ পরিবারেরই সদস্য অনন্ত কেশ। শুক্রবার কেশবাড়ি গণহত্যার দিনে এমন ঘটনা চাক্ষুষ করে কার্যতই হতবাক হয়ে যান পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বেলারি গ্রামের বাসিন্দারা । শহীদবেদী ভেঙে দিয়ে এদিন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই অনন্ত কেশ অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। তা নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলেও তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েতে টেন্ডার ডাকায় কাটমানি ইস্যুতে উত্তপ্ত গলসিআউশগ্রামের বেলারি গ্রামের কেশ পরিবারের সদস্য কমলাকান্ত কেশ কংগ্রেস নেতা ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,১৯৮৫ সালের ২ জুলাই সিপিএমের দুস্কৃতিরা তৎকালীন কংগ্রেস নেতা কমলাকান্ত কেশের বাড়ি ঘেরাও করে। অভিযোগ সিপিএমের ওই দুস্কৃতীরা অনন্তবাবুর বাবা কমলাকান্ত কেশ এবং তাঁর দুই দাদা অশোক ও অসীম কেশকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। সেদিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিলেন বাড়ির ছোট ছেলে অনন্ত কেশ। এই গণহত্যার স্মরণে পরবর্তীকালে বেলারি গ্রামে বিল্বগ্রাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ের সামনে তৈরি হয় একটি শহিদবেদী। তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর থেকে সেখানে প্রতি বছর ২ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শহীদস্মরণ আনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত।নসেই শহিদবেদীই এদিন অনন্ত কেশ শাবল দিয়ে ভেঙে দেন।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশশহিদবেদী ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে অনন্ত কেশ জানা, তাঁদের পাড়ায় সরকারি জায়গার ওপর থাকা নিকাশিনালাগুলি অবরোধ করে ঘর করেছে কয়েকজন। তার কারণে নালা সংস্কার করা যাচ্ছে না। অথচ এলাকার তৃণমূল নেতাদের মদতে জোর করে তাঁদের জায়গার ওপর দিয়ে নালা কেটে জলনিকাশি করা হচ্ছে। অনন্ত বাবু জানান, এইসব নিয়ে তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন বলে তাঁকে মারধরের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশকে জানিয়েও তিনি সুবিচার পাননি। অনন্ত কেশ আরও বলেন, বর্তমান শাসকদল একসময়ে তাঁদের অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু কোন প্রতিশ্রুতিই রাখেনি।তাহলে শুধু লোক দেখানো শহিদস্মরণ করেই বা কি লাভ , আর কেশ পরিবারের নিহতদের নামে শহিদবেদী করে রেখেই বা কি লাভ । তাই বিতশ্রদ্ধ হয়ে শহীদবেদী ভেঙে দিয়েছেন বলে অনন্ত কেশ এদিন মন্তব্য করেন । আরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাতঅনন্ত কেশের তোলা অভিযোগ প্রসঙ্গে বিল্লগ্রাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ফাল্গুনী গোস্বামী বলেন, এদিনের এই ঘটনার নিন্দা করছি। দলের পক্ষ থেকে অনন্ত কেশকে পঞ্চায়েত সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। দল কেশ পরিবারের সদস্যদের যথার্থ সম্মান দিয়েছে। অনন্ত কেশ মিথ্যা অভিযোগ করছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন। দেবু টুডু বলেন , প্রকৃত কি কারণে কেশ পরিবারের ওই সদস্য বিতশ্রদ্ধ তা জানি না । তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেস পরিবারকে সম্মান দিয়ে চলেছেন ।

জুলাই ০২, ২০২১
রাজ্য

প্যারোলে মুক্ত বন্দির অস্বাভাবিক মৃত্যু

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হল প্রেসিডেন্সি জেল থেকে অস্থায়ীভাবে ছাড়া পাওয়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক অপরাধীর। মৃতর নাম রতন শিকদার (৭২)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার আবুজহাটি ২ পঞ্চায়েতের উদয়পুর বাদলাগরিয়া গ্রামে । রতন শিকদারকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনা হয় । সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।একজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার মৃতর সুরতহাল (ইনকোয়েস্ট ) সম্পূর্ণ করার পর মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর নির্দেশ দেন । আরও পড়ুনঃ বালিতে আটক সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়িমৃত ব্যক্তির ছেলে রঞ্জন শিকদার এদিন জানিয়েছেন, একটি খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাঁর বাবা রতন শিকদারের যাবজ্জীবন সাজা হয়। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি আলিপুরের প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি ছিলেন । কোভিড অতিমারির কারণে চলতি বছরের ১৭ মে তিনি অস্থায়ীভাবে (প্যারোলে )জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে আসেন । আগামী ১৮ জুলাই রতন শিকদারের ফের প্রেসিডেন্সি জেলে ফিরে যাওয়ায় কথা ছিল । রঞ্জন শিকদার দাবি করেন, তাঁর বাবা টিবি রোগের পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের রোগেও ভুগছিলেন । টিবি রোগের চিকিৎসার জন্যে রতন শিকদারকে কিছুদিন আগে জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু জেল কর্তৃপক্ষ রেফার করেনি এই অজুহাত দেখিয়ে জামালপুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর বাবার চিকিৎসা করতে চায়নি । রঞ্জন বলেন, প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠালে গত শুক্রবার তিনি তাঁর বাবাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যান ।কিন্তু বুধবার থেকে রতন শিকদারের অসুস্থতা বাড়ে । এদিন বাড়িতে বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থাতেই সংজ্ঞা হারায় রতন। জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রতন শিকদারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, রতন শিকদার প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি ছিলেন । প্যারোলে ছাড়া পেয়ে কিছুদিন আগে তিনি বাদলাগরিয়া গ্রামে নিজের বাড়িতে এসেছিলেন। বিডিও বলেন , মহকুমা শাসকের নির্দেশ মত একজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে তিনি মৃত ব্যক্তির দেহের সুরতহাল (ইনকোয়েস্ট )করেন । ইনকোয়েস্ট করার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্যে মৃত ব্যক্তির দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর জন্যে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২১
নিবন্ধ

A New Beginning: নতুন প্রভাত

রাখী রায়আকাশের হাজার তারার মাঝে জানি না কোথায় তুমি মা?? আজ মা-কে খুব মনে পড়ছে, কথা বলতে ইচ্ছা করছে মায়ের সঙ্গে----তাই পায়ে পায়ে টেবিলে রাখা মায়ের ছবির সামনে এসে বসল সংকল্প---আচ্ছা মা আমার সঙ্গে কেন এমন হয় বলতে পারো? বাবার অবহেলা তোমাকে যখন একটু একটু করে হতাশার গিরিখাতে ঠেলে দিচ্ছিল তখন তো আমি কত ছোট ছিলাম, তবুও চেষ্টা করতাম তোমাকে ভালো রাখার। কিন্তু না আমি পারিনি তোমাকে রক্ষা করতে।। আমাকে এই বিশাল পৃথিবীর বুকে একা রেখে তুমি অজানার জগতে হারিয়ে গেলে। দাশুদা আর উমা পিসি না থাকলে আমার যে কি হত কে জানে! তুমি অ্যাসাইলাম থেকে আর ফিরে এলে না। এলে তো স্বর্গরথে চেপে। আমি সব ভুলে পড়াশোনায় ডুবে গেলাম। শপথ করলাম হতাশায় মানুষকে হারিয়ে যেতে দেব না। না বাবা আমার অর্থনৈতিক কষ্ট রাখেনি। কিন্তু পিতৃ স্নেহ কী জানতে পারিনি। আবার দেখো কলেজ জীবনের প্রথম প্রেম চেতনাকে হারালাম ওর বাবার অহংকার আর একগুঁয়েমির কাছে। সেদিন চেতনাও বিদেশে যাওয়ার লোভটা সামলাতে পারেনি। আমার ভালোবাসাকে উপেক্ষা করে চলে গেল। আজ যখন আমি নিজেকে নিজের মত করে বুঝিয়ে কাজে ডুবতে চাইছি হঠাৎ আবার বিড়ম্বনা। কেন বলতে পারো বারবার আমার সঙ্গে এমন হয়? কেন রে কী হয়েছে সোনা? মা তুমি এসেছ?হ্যাঁ রে এসেছি আমি। এতদিন কেন আসোনি মা? তুইতো এমনি করে আমাকে ডাকিসনি বাবুকি হয়েছে তোর? এত অস্থির কেন তুই? আজ চেম্বারে বসে আছি, তখন আর পেশেন্ট নেই ----আচ্ছা মা তুমি জানো আমি কি কাজ করি? হ্যাঁ রে হ্যাঁ সব জানি। আমাকে ওইভাবে হারিয়ে তুই মানুষের মনের ক্ষতগুলো সাড়াবার শপথ নিয়েছিস। একদম ঠিক বলেছেন মা। মানুষের মনের চোরাকুঠুরিতে অনেক এমন কথা থাকে যা মানুষ কাউকে বলতেও পারে না আবার সহ্য করতেওপারে না, তখন হতাশা গ্রাস করে। আমার কাজ সেইসব না বলা কথা মনে গভীর থেকে টেনে বের করে নিয়ে আসা।একজন হতাশাগ্রস্ত মানুষ যখন আবার স্বাভাবিক হয়ে যায় তখন খুব ভালো লাগে মা।এভাবেই তুই এগিয়ে যা বাবা। মানুষের পাশে যেন থাকিস বাবা। এখন বল দেখি তোর কী হয়েছে?হ্যাঁ বলি--- আজ যখন প্রায় চেম্বার খালি আমি একটু রেস্ট করছি তখন হঠাৎ একজন তার মেয়েকে নিয়ে হাজির হয়। প্রথমে একটু বিরক্ত হলেও ভেতরে আসতে বলি। আমি তো অবাক ভদ্রলোককে দেখে। কেন? কে ছিল? চেতনাকে নিয়ে ওর বাবা। আমি যাকে ভালোবেসে ছিলাম সেই চেতনা। প্রানবন্ত, উচ্ছ্বল মেয়ে। রবীন্দ্র সঙ্গীত যার প্রান। সেই চেতনা আজ চুপচাপ হতাশায় ডুবে গেছে। ওর বাবা আজ আমার কাছে ক্ষমা চাইছে। কিন্তু মা আমার মনে তো কোনো ক্ষোভ নেই। আজ আমি বুঝতে পারছি না কি করব? আজকের চেতনার সঙ্গে কলেজের চেতনার কোন মিল নেই। প্রানবন্ত মেয়েটি, আজ নিষ্প্রাণ হয়ে গেছে। যার রূপ ছিল জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন তার চেহারা আজ শীর্ণকায়। আজ ওকে দেখে আমার একটা কথাই বারবার মনে হচ্ছে যে বাবা মায়েরা মেয়েদের বিয়ে ছাড়া আর কিছু কেন ভাবতে পারে না কি জানি? চেতনার বাবার অহংকার মেয়েটার সর্বনাশ করে দিল। বনেদি বাড়ির মেয়ে বলে সেরকম বন্ধু ছিল না। আমাদের কথা জানতে পেরে খুব তাড়াতাড়ি ওর বিয়ে দিয়ে দেয়। আমি তখন পর্যন্ত নিজের পসার জমাতে পারিনি। আর চেতনা বোধহয় বিদেশে থাকার লোভ সামলাতে পারেনি। যদিও ভালোবাসার কথা আমি ওকে কোনো দিন মুখে বলিনি জানো মা। ও আমার চোখে কি দেখেছিল জানি না। ও কার্ড দিয়ে চলে গেছিল আর যোগাযোগ হয়নি। আজ ওর বাবার কাছে যা শুনলাম তা খুব বেদনা দায়ক। বিয়ের পর ও বরের সঙ্গে নিউজিল্যান্ড চলে যায়। সেখানে প্রথম কয়েক মাস বেশ ছিল। তারপর শুরু হয় ওর বরের অবহেলা, মানসিক অত্যাচার। যে গান ছিল ওর প্রান সে গান বন্ধ করে দেয়। প্রথম দিকে বছরে একবার করে আসত দেশে। কিন্তু কাউকে কিছু বলতে পারেনি। ওকে একা কোথাও থাকতে দিত না। না বাপের বাড়ি না শ্বশুর বাড়ি। নিজের আলাদা ফ্ল্যাট ছিল সেইখানে থাকত। চেতনাকে ঘরে রেখে সারাদিন নিজের বন্ধু বান্ধবীদের সাথে ঘুরে বেড়াত। ছোটবোনকে একটু একটু বলেছিল। কিন্তু ওর মা বাবা গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি। আর শ্বশুর বাড়ির লোকজন ওকেই খারাপ ভাবত। এইভাবে মেয়েটার মনটা শেষ করে দেয়। ওর বাবা বললেন, ও একটা বাচ্চা চেয়েছিল তখন শুরু করে শারীরিক অত্যাচার। কোনো রকমে বোনকে একটু জানাতে পেরেছিল। এরপর ও যখন অসুস্থ হয়ে যায় তখন ওর বর ওর বাবাকে ফোন করে নিয়ে আসতে বলে। কয়েক মাস আগে ওর বাবা ওকে নিয়ে আসে। কিন্তু ততদিনে যা ক্ষতি হওয়ার হয়ে গেছে। আমাদের এক বন্ধুর কাছ থেকে আমার ঠিকানা নিয়ে আমার কাছে এসেছে। মা আমি পারবো তো চেতনার পুরোনো সব খুশি, আনন্দ ফিরিয়ে দিতে? তোকে যে পারতেই হবে বাবা, নাহলে যে ভালোবাসা হেরে যাবে। তোর স্নেহ দিয়ে ভালোবাসা দিয়ে নতুন বছরে তুই চেতনার নতুন জীবন দিবি। ওর বাবার কাছ থেকে ওকে চেয়ে নিবি। সারা জীবন ওকে ভালো রাখার অঙ্গীকার করবি নতুন বছরের নতুন প্রভাতে। ঠিক আছে মা। তুমি আমার সঙ্গে থাকলে আমি সব পারব। তুমি থাকবে তো মা? ও খোকা বাবু তুমি এখানেই ঘুমিয়ে পড়েছ? ওঠো অনেক বেলা হয়ে গেছে। কাজ-কম্ম নেই? কারা এয়েছে দেখো! নববর্ষের নতুন সকাল নতুন ভাবে শুরু হলো সংকল্পের।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

Assembly: বড় খবর: বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজই। তার আগে এমন যে কিছু একটা ঘটবে তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই। ঘটলও ঠিক তাই। মাত্র সাত মিনিটে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। আর এমন নজিরবিহীন ঘটনার পিছনে রয়েছে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোল। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রাজ্যপাল বললে বিজেপি বিধায়করা হইচই করতে পারেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর ছিল। কিন্তু, রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত কোনও কিছু না থাকার কারণেই বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে থমকে যায় রাজ্যপালের ভাষণ। প্রথমে স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফের শুরু হয় ভাষণ। কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চলেনি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ভাষণ শুরু করতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পোস্টার নিয়ে আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিধায়করা। উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা অধিবেশনে এরকম বিরোধী হট্টগোলের অনেক নজির রয়েছে। কিন্তু রাজ্যপালের এরকম ভাষণ না দিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা পরিষদীয় ইতিহাসে প্রথম। আশ্চর্যজনকভাবে এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের পালটা কোনও ঝামেলা করতে দেখা যায়নি সরকারপক্ষের কাউকেই।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

Transport: যানযন্ত্রনা অব্যাহত শহরে, অমিল বেসরকারি বাস

প্রায় দেড় মাস পর বৃহস্পতিবার রাজ্যে ফের বাস চলাচল শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে পথে নেমেছে অটো রিক্সা।তবে প্রথম দিনই শহরে গণপরিবহণের যে ছবি ধরা পড়েছে তাতে হতাশ নিত্যযাত্রীরা। সকাল থেকে সরকারি বাস চোখে পড়লেও রাস্তায় বেসরকারি বাস ছিল না বললেই চলে। জ্বালানি খরচ অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় সরকার ভাড়া ভাড়ানোর ছাড়পত্র না দিলে পুরনো ভাড়ায় বাস চালাতে নারাজ অধিকাংশ বাস মালিক।সেই মত আজ রাস্তায় বেসরকারি বাস ছিল হাতে গোনা। সামান্য সংখ্যক যে সব রুটের বাস পথে নেমেছে তাতে বিধি মেনে ৫০ শতাংশ যাত্রী তোলা তো দূরস্থান চোখে পড়েছে বাদুর ঝোলা ভিড়। বিভিন্ন রুটের অটোর বিরুদ্ধেও দ্বিগুণ তিনগুণ ভাড়া চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।ভাড়া বাড়িয়েছে ওলা উবরের মতো অ্যাপ ক্যাব। ফলে গণপরিবহণ চালু হলেও মানুষের দুর্ভোগ মেটেনি। এরই মধ্যে আশার আলো দেখিয়ে একাংশের বাস মালিকের আশ্বাস, দীর্ঘদিন বসে থেকে বিকল হয়ে যাওয়া গাড়ি সারিয়ে শীঘ্রই পথে নামানো হবে। ফলে দু-একদিনের মধ্যে রাস্তায় বাসের সংখ্যা কিছুটা হলেও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পর্যটক টানতে শান্তিনিকেতনের পথে রাজ্যের উদ্যোগে ইকো ট্যুরিজমবাস শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের দাবি, এক মাত্র ১৯৭৫ সালে ১০ পয়সা ভাড়া থেকে ২০ পয়সা ভাড়া হয়েছিলো, তারপর দ্বিগুণ ভাড়া এই রাজ্যে কোনও দিন হয়নি। বাস শ্রমিকদের দাবি, বাজারের সঙ্গে সমতা রেখে এবং অন্য রাজ্যের সাথে সমতা রেখে ভাড়া বৃদ্ধি করা হোক। ১৯৯০ সাল হতে এই রাজ্যে যতবার ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কমিটি গঠন হয়েছে তার কোনও রিপোর্ট নেই। এমনকী, এক সময় প্রবুদ্ধনাথ রায়ের রিপোর্ট মানা হয়নি।বাস শ্রমিকদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী অনেক মানবিক। ওঁর কাছে আমাদের আবেদন বিজ্ঞানভিত্তিক ভাড়া বৃদ্ধি করতে হবে। কোভিডের জন্য যে বিশাল লোকসানের বোঝা বাসমালিকদের উপর চেপেছে , তার থেকে রেহাই পেতে হলে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে সহানুভূতির হাত বাড়াতে হবে। ইতিমধ্যেই অনেক বাসমালিক হারিয়ে গিয়েছেন। বেসরকারি পরিবহণ কার্যত কোমায় চলে গিয়েছে।

জুলাই ০১, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar-Bratya meet: সংঘাত আবহেই বাজেট অধিবেশনের আগে রাজ্যপালের সঙ্গে ব্রাত্য সাক্ষাতে জল্পনা

রাজ্যপালের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাতের আবহেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সাক্ষাৎপর্বের শেষেই সে কথা ৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও-সহ টুইট করেন রাজ্যপাল। লেখেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্যব্রত বসু সঙ্গে এক ঘণ্টার দীর্ঘ আলোচনা হল। শুক্রবার বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনের আগে এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে, এদিনই রাজ্যপালের সঙ্গে দেবাঞ্জন দেবের যোগসূত্র খুঁজে বের করে একটি ছবি প্রকাশ করেছে তৃণমূল। এমন আবহে বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের আগে তৃণমূলের প্রতিনিধি হিসেবে ব্রাত্য বসুর এই সাক্ষাৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। এর পিছনে অন্য কোনও সমীকরণ রয়েছে কি না, তা নিয়েও জল্পনা রাজনৈতিক মহলে। আরও পড়ুনঃ বিরোধী বিধান-র জ্যোতি স্নেহপ্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের অগস্টে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্বে নেওয়ার পর থেকেই নানা ইস্যুতে তীব্র দ্বন্দ্ব হয়েছে রাজভবন-নবান্নের। তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরেও সেই দ্বন্দ্ব আরও বেড়ে গিয়েছে। সম্প্রতি আবার বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও সংঘাত বেঁধেছে রাজ্যপালের। বৃহস্পতিবার আবার সংবাদ মাধ্যমকে একটি ছবি দেখিয়ে তৃণমূল নেতা সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, ভুয়ো টিকা-কাণ্ডের প্রতারক দেবাঞ্জনের ঠিক পিছনে দাঁড়িয়ে রয়েছে এক নিরাপত্তা রক্ষী। তাঁর নাম অরবিন্দ বৈদ্য। সে-ও ভুয়ো কিনা বলতে পারব না। তিনি আরও বলেন, এটা চিনতে পারেন কিনা দেখুন তো! ওই নিরাপত্তারক্ষী কাদের পিছনে দাঁড়িয়ে আছেন? মাননীয় রাজ্যপাল ও তাঁর আত্মীয়দের সঙ্গে হাসি মুখে দাঁড়িয়ে আছেন দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা রক্ষী।Had an hour long useful interaction with Shri Bratyabrata Basu Roy Chowdhury, Minister in Charge Education @MamataOfficial and traversed several issues connected to state of affairs of State Universities. pic.twitter.com/hvPpvEPX7R Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) July 1, 2021এমন পরিস্থিতিতে আবার শুক্রবার রাজ্যপাল বিধানসভায় যাবেন। তাই রাজ্য রাজনীতির কারবারিদের মতে, শিক্ষামন্ত্রীকে পাঠিয়ে বক্তৃতার আগেই কিছুটা হলেও রাজ্যপালের সঙ্গে সরকারপক্ষের সম্পর্ক সৌহার্দ্যপূর্ণ করার চেষ্টা করা হয়েছে। যদিও, সাংবিধানিকভাবে রাজ্যপাল রাজ্যের সমস্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। আর রাজ্যপাল নিজের টুইটে বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত বিষয়েই শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার কথা বলেছেন। তা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার ও রাজভবনের দূরত্ব কমানোর প্রয়াসের কথাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনীতিক বিশেষজ্ঞরা।

জুলাই ০১, ২০২১
রাজ্য

Burn Dead Body: আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশ

অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার নগ্ন, আধপোড়া মৃতদেহকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল বর্ধমানের কাঞ্চননগরে। বর্ধমান পৌরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাঞ্চননগরের মালিপাড়া কদমতলা এলাকায় মাঠের মধ্যে এই মহিলার মৃতদেহ পরে থাকতে দেখা যায়। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় মানুষজনের নজরে আসে এই মৃতদেহ। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে বর্ধমান থানার পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিদামোদরের পাশে মাঠের ধারে পড়েছিল দেহটি। মৃতদেহ মহিলার অনুমান করা গেলেও এমনভাবে পুড়েছে যে শনাক্ত করাই মুশকিল। পুলিশের অনুমান, প্রমান লোপাটের জন্য এমন কাজ করা হতে পারে। এলাকাবাসীদের অনুমান বাইরে থেকে খুন করে নিয়ে এসে এখানে মৃতদেহ ফেলে পালিয়েছে দুস্কৃতিরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন স্থানীয় বাসিন্দা দেবাশিস ঘোষ বলেন, খবর পেলাম এখানে এক মহিলার মৃতদেহ পড়ে রয়েছে। দেহের ৭৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছে। এসে দেখলাম গলায় একটা ফাঁস রয়েছে। নগ্ন দেহ। স্থানীয় বলে মনে হচ্ছে না। এখানে এমন ঘটনা কখনও ঘটেনি। এই মাঠে রাতে ছেলেমেয়েরা আড্ডা দেয়। সম্ভবত এখানে দেহটি ফেলে দিয়ে গিয়েছে। কারণ, এখানে কেউ কোনও চিৎচার চেঁচামেচি বা আওয়াজ পায়নি।

জুলাই ০১, ২০২১
কলকাতা

Bus Accident: রেড রোডে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় মৃত ১, জখম ২০

রেড রোডে ফোর্ট উইলিয়ামের রাস্তায় মর্মান্তিক মিনিবাস দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় প্রাণ গিয়েছে এক বাইক আরোহীর। জখম হয়েছেন আরও ২০ জন। জানা গিয়েছে, প্রথমে একটি বাইক আরোহীকে ধাক্কা মারে মিনিবাসটি। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফোর্ট উইলিয়ামের দক্ষিণ গেটের পাশের পাঁচিলে গিয়ে ধাক্কা মারে বাসটি। আরও পড়ুনঃ দেশে কোভিডে দৈনিক মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার, বাড়ল দৈনিক সংক্রমণও জানা গিয়েছে, মেটিয়াবুরুজের দিক থেকে হাওড়ার দিকে যাচ্ছিল বাসটি। ফোর্ট উইলিয়ামের সামনে যেখানে রেড রোড বন্ধ, সেখানে আইল্যান্ড দিয়ে পার্ক স্ট্রিটের দিকে ঘুরতে গিয়ে হটাৎ ব্রেক ফেল করে। ডিভাইডারে গিয়ে ধাক্কা মারে মিনিবাসটি। সঙ্গে বাইক আরোহীকেও ধাক্কা মারে। বাইক আরোহী বাসের তলায় ঢুকে যায়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি ওই বাইক আরোহীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বাসে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী ছিলেন। বেশির ভাগই আহত। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। সকলকেই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কলকাতা পুলিশের কমিশনার সৌমেন মিত্র। তিনিই জানান, ওই বাইক আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

জুলাই ০১, ২০২১
রাজ্য

Student's Credit Card: স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা মুখ্যমন্ত্রীর

সহজ শর্তে ঋণের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিতে রাজ্য সরকারের বহুল প্রচারিত স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা হল । বুধবার নবান্নে এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি ওই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। সর্বোচ্চ ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ছাত্র-ছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষা এবং বৃত্তিমূলক শিক্ষার জন্য এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণের সুবিধা পাবেন।স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কি ধরনের সুবিধা ও কোন শর্তে ঋণ পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীরা দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে৷ এর জন্য কোনও জামিন লাগবে না৷ রাজ্য সরকারই ঋণের জামিনদার থাকবে।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডে রাজ্যের রিপোর্ট তলবমুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দশম শ্রেণির বোর্ড পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়ার পরই এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবে৷ এর পর স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ডিপ্লোমা, গবেষণার জন্য এই ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ পাওয়া যাবে৷ এমনকী, বিভিন্ন সরকারি- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে আইএএস, আইপিএস, ডব্লিউবিসিএস -এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন যাঁরা, তাঁরাও এই ঋণ নিতে পারবেন৷ তিনি বলেন, রাজ্যে বসবাসকারী যে কোনও ভারতীয় ছাত্রছাত্রী এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন৷ রাজ্য, রাজ্যের বাইরে এমন কি বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্যও এই ঋণ কাজে লাগানো যাবে৷সংশ্লিষ্ট উচ্চশিক্ষার কোর্স ফি, টিউশন ফি, হোস্টেল ফি ইত্যাদি ছাড়াও কম্পিউটার- ল্যাপটপ-এর মত শিক্ষা সরঞ্জাম কেনার জন্য এই প্রকল্পের আওতায় ঋণ পাওয়া যাবে । মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে অনেকেই উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন না।তাদেরকে সুযোগ করে দিতেই আবেদন জানানোর বয়স ৪০ বছর পর্যন্ত করা হয়েছে। ঋণ শোধ করার জন্য যাতে আবেদনকারীরা পর্যাপ্ত সময় পান সেদিকে তাকিয়ে ওই সময় সীমা ১৫ বছর পর্যন্ত রাখা হয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোনও আবেদনকারী চাইলে একবারেই ১০ লক্ষ টাকা ঋণ পাবেন৷ আবার চাইলে ধাপে ধাপে প্রয়োজন অনুযায়ী সর্বোচ্চ দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া যাবে৷মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শিক্ষা দপ্তরের ওয়েবসাইটে অনলাইনে এই স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের আবেদন করা যাবে৷ সাধারণ ব্যাংক ছাড়াও কো অপারেটিভ ব্যাংকের মাধ্যমে এই ঋণ পাওয়া যাবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাবা মায়েদের আর কোনও চিন্তা থাকবে না, বাচ্চাদের মন খারাপ করে ঘুরে বেড়াতে হবে না৷ ঋণ পাওয়ার জন্য জুতোর শুকতলা খুইয়ে যাবে না৷ ছাত্রছাত্রীদের বলব টাকা পয়সার কথা না ভেবে মন দিয়ে পড়াশোনা করো৷ বাবা মায়েদেরও বলব চিন্তা করবেন না৷ আপনাদের স্বপ্নপূরণ হবেই৷ তবে ভ্যাকসিন কাণ্ডের উদাহরণ দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষাসচিব-সহ সরকারি আধিকারিক এবং ব্যাংকগুলিকেও সতর্ক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি বলেন, এই ক্রেডিট কার্ডের নামে যাতে কোনওরকম প্রতারণা না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে৷ ছাত্রছাত্রী এবং অভিভাবকদেরও সতর্ক করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কোনও জালিয়াতের খপ্পরে পড়বেন না।বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করে দিলীপের দাবি, বাংলার মানুষকে ভুগতে হবে এই প্রকল্পের জন্য। তিনি আরও বলেন, ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ড থেকে নজর ঘোরাতেই এমনটা করা হল।

জুন ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic: দীপা'র দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতি

এই মুহূর্তে ভারতের ক্রীড়া আকাশে উজ্জ্বলতম জ্যোতিষ্ক। দ্বিতীয় ভারতীয় জিমন্যাস্ট হিসাবে প্রণতি নায়েক টোকিও অলিম্পিকে যাচ্ছেন। অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারী প্রথম ভারতীয় জিমন্যাস্ট হলেন দীপা কর্মকার। ছোটবেলায় মাসীর বাড়িতে বেড়ে ওঠা প্রনতি তিন বোনের মধ্যে মধ্যমা। বাবা শ্রীমন্ত দূরপাল্লার বেসরকারি বাসের চালক। মাঝে মাঝেই অনেক দূরে বাস নিয়ে যেতে হত তাঁকে। মেয়েদের পড়াশোনার জন্য পিংলাতে তাঁদের মাসীর বাড়িতে দিয়ে আসেন।আরও পড়ুনঃ ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনচরম আর্থিক অনটনের মধ্যে কেটেছে প্রণতির শৈশব। দুবেলা দু-মুঠো অন্ন যোগান দেওয়া যেখানে দূরহ কাজ, সেখানে জিমন্যাস্টিক বিলাসিতা মাত্র। চাম্পিয়ানরা সর্বদা কঠিন পরিস্থিতিতেই জেগে ওঠেন। তাঁরা স্থান কাল পাত্রের উর্দ্ধে। মহঃ আলি, মারাদোনা, পেলে, বেন জনসন, টাইসন...... উদাহরণ দিয়ে শেষ করা যাবে না সেই সমস্ত তারকাদের নাম। তিন বোনের মধ্যমা প্রণতির চোখে ছিলো অন্য স্বপ্ন। মাটির কুঁড়ে ঘরে বড় হয়ে ওঠা প্রণতির লক্ষ্য ছিল অনেক দূরে নিবদ্ধ। খুব ছোটোতে পিংলা গ্রামেই তাঁর জিমন্যাস্টিকে হাতেখড়ি। সেখানকার এক প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক শুভাশিষ চক্রবর্তীর হাত ধরেই তাঁর যাত্রা শুরু। জিমন্যাস্টিককে যোগাসন ভেবে অনুশীলন করতে করতে কখন যে তিনি জিমন্যাস্ট হয়ে গেছেন বুঝতেই পারেননি প্রণতি। মেদিনীপুর জেলা চাম্পিয়ান হওয়ার পর রাজ্য স্তরে প্রতিযোগিতার জন্য কলকাতায় আসেন। আরও আধুনিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন ছিল নিজেকে পরবর্তি স্তরে উন্নিত করার জন্য। তাই মাত্র আট বছর বয়সে তাঁর বাবা তাঁকে সাই-এ (Sports Authority of India) নিয়ে আসেন। প্রাথমিক বাছাইপর্বে সাইয়ের নির্বাচকেরা তাঁকে বাতিল করে দেন। কিন্তু ওখানকার এক কর্মী দিলীপ বিশ্বাস রত্ন চিনতে ভুল করেননি। তিনি প্রনতিকে নিয়ে সরাসরি সাই-র ডাইরেক্টরের কছে হাজির হন। ডাইরেক্টর সুস্মিতা-ই কোচ মিনারা বেগমের কাছে পাঠান জিমন্যাস্টিক শিক্ষা লাভ করতে।আরও পড়ুনঃ জর্জ ফ্লয়েড হত্যায় অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর সাড়ে ২২ বছরের জেলশুরু হয় তাঁর স্বপ্নের ঘষামাজা। কোনও হস্টেল না পেয়ে স্টেডিয়াম সংলগ্ন এক পরিচিতের বাড়ি ভাড়া নিয়ে প্রবল আর্থিক অনটনের মধ্যে চলতে থাকে অনুশীলন। চাম্পিয়ানদের পথ কোনও দিনই সুগম হয় না। কঠিন অনুশীলন শেষে ভাড়া বাড়ি ফিরে ঘর মোছা, বাসন মাজা সহ অনেক কাজই তাঁকে করতে হত। মেয়ের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে তাঁর মা তাঁকে নিয়ে পিংলা ফিরে যাওয়া মনস্থির করেন। বেঁকে বসেন কোচ মিনারা বেগম। তাঁর বাড়ি হয়ে ওঠে প্রণতির পরবর্তী কয়েক বছরের ঠিকানা। জাতীয় মিটে সোনা পাওয়ার পর প্রণতি হস্টেল পান। মাথা গোঁজার জায়গা পেয়ে জিমন্যাস্টে পুরোমাত্রায় মনোনিবেশ করেন।তিনি বলেন মিনারা ম্যাডাম-ই আমাকে আমার বাবা-মায়ের কাছে না থাকার যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিয়েছিলেন। দিনে ছয় ঘন্টা অনুশীলন করতে হত ম্যাডামের কাছে। সকালে তিন ঘণ্টা ও বিকেলে তিন ঘণ্টা। প্রথমবার জাতীয় মিটে নেমে সোনা জেতার পর আমি হস্টেল পেয়ে যাই। প্রায় ১৯ বছর হস্টেলে আছি। প্রথম দিকে বাবা-মায়ের জন্য খুবই কষ্ট হতো। এখন জিমন্যাস্টিকই আমার ধ্যান-জ্ঞান। যখনই কোনও দুঃখ-কষ্ট পাই তখনই আরও অনুশীলনের জেদ বেড়ে যায়। সমস্ত মন খারাপ, রাগ, অভিমানকে জিমন্যাস্টিকে আরও ভাল পারফরম্যান্সে রূপান্তরিত করার চেষ্টা করে যাই। তিনি জানান, কোচ মিনারা তাঁকে ছোট বেলায় শিখিয়েছিলেন, লক্ষ্য সবসময় উঁচু রাখতে। কখনও কেউ লক্ষ্য জিজ্ঞেস করলে অলিম্পিক খেলার কথা বলতে বলেছিলেন। বার বার সে কথা বলতে বলতে ওটাই তাঁর ধ্যান জ্ঞ্যান হয়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভোটপ্রচারে আসা নাড্ডার হেলিকপ্টার দেখতে যাওয়ার অপরাধে জরিমানাসাই থেকে মিনারা অবসর নিয়েছেন। বর্তমানে সাইয়ের জিমন্যাস্টিক কোচ লক্ষণ শর্মা। তাঁর কাছে অন্যশীলন করেন প্রণতি। জিমন্যাস্টিক্সে সাফল্যের সুবাদে ভারতীয় রেলে চাকরি পেয়েছেন। পিংলায় নিজেদের বাড়ি ছিল না, মাসির বাড়িতে থাকতেন। চাকরির পয়সা জমিয়ে মেদিনীপুরে জমি কিনে বাড়ি বানিয়েছেন। ২০১৯ তে এশীয় আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্সে ব্রোঞ্জ পান প্রণতি। সেখানে আশানুরূপ ফল না হওয়ায় তখন অলিম্পিকের টিকিট পাননি। করোনা আতিমারির জন্য মে মাসের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ বাতিল হওয়ায় এশিয়া কোটায় সুযোগ পেয়ে যান। তবে তাঁকে চিন্তায় রাখছে সঠিক প্রস্তুতির অভাব। লকডাউনে সেভাবে অনুশীলন করতে না পারায় খুবই চিন্তিত প্রণতি। তিনি বলছেন, লকডাউনে প্রায় একমাস বসে ছিলাম। ফিটনেসের ঘাটতি হচ্ছিল। ২ মাস ট্রেনিংয়ের সুযোগ পেয়েছি। আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করছি। অতিরিক্ত চেষ্টা করতে গিয়ে চোট লেগে গেলে সমস্যায় পড়ে যাব। সামনে ২০২২ সালের কমনওয়েলথ ও এশিয়ান গেমস আছে। সেটাও মাথায় রাখতে হচ্ছে। দীর্ঘদিন প্র্যাক্টিস করতে পারিনি। ছন্দে আসতে কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ মাস সময় লাগবে। সেখানে দুমাসে কতটা উচ্চতায় নিজেকে নিয়ে যেতে পারব সেটা দেখার।আরও পড়ুনঃ মনের ঘরের স্বজনচোট আঘাত জিমন্যাস্টিকদের নিত্য সঙ্গী। বহু জিমন্যাস্টের কেরিয়ার অকালেই শেষ হয়ে গিয়েছে আঘাতের কারণে। প্রণতি-র প্রাক্তন কোচ মিনারা এখনও সময় পেলেই তাঁকে ফোন করে নানা বিষয়ে সাবধান করেন। চোট বাচিয়ে অনুশীলন করার কথা বার বার স্মরণ করিয়ে দেন। অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জনের পর সকলের আগে ফোনে শুভেচ্ছা জানায় দীপা কর্মকার। তিনিও প্রণতিকে বলেন নিজেকে বাঁচিয়ে প্র্যাক্টিস করিস। এই মুহূর্তে যেন কোনও চোট আঘাত না লাগে। দীপা কর্মকার, অরুণা রেড্ডির পর প্রণতি-ই তৃতীয় ভারতীয় মহিলা যাঁর আন্তর্জাতিক মিটে পদক আছে। অভিজ্ঞ দীপা মিউজিক নিয়েও তাঁর উত্তরসুরীকে সতর্ক করে দেন। প্রসঙ্গত, মিউজিক ফ্লোর জিমনাস্টিকের খুব গুরুত্ত্বপূর্ণ অঙ্গ। মিউজিকটির সুরকার, প্রযোজক, গায়ক সব কিছুই পুঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য জমা দিতে হয়। উল্লেখ্য, রিও অলিম্পিকে দীপা মিউজিক নিয়ে সমস্যায় পড়েন। সেকারণেই তিনি প্রণতিকে আগে থাকতেই সাবধান করে দেন। দীপা কর্মকারের ট্রাম্প কার্ড ছিল ছিল প্রোদুনোভা ভল্ট। তবে প্রণতি প্রচলিত ফ্রন্ট ও ব্যাক ৩৬০ ডিগ্রি ভল্ট করেন।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন প্রণতি জানান, বাবার অর্থনৈতিক অনটন ও সংসার চালাতে জেরবার অবস্থা দেখে ক্রমশ মনের ভিতরে একটা জেদ তৈরি হচ্ছিল। যখন অনুশীলণের অবসরে অন্যরা ডায়েট খাবার খাচ্ছে, তখন আমার জন্য মুড়ি। ক্ষিদের জ্বালা থেকে তৈরি হয়েছে নাছোড়বন্দা জেদ। তিনি জানতেন জবাব দেওয়ার একটাই জায়গা পারফরম্যান্স, পারফরম্যান্স-ই শেষ কথা বলে। তিনি নিজের কাছেই শপথ নেন, জিমন্যাস্টিকের মঞ্চে সে নিজেকে প্রমাণ করবেই। তিনি বলেন আমি উপলব্ধি করেছিলাম, জিমন্যাস্টিক ছাড়া সামনে আর কোনও রাস্তা খোলা নেই। এতেই নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। সফল আমাকে হতেই হবে। আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের উপর হামলা, রণক্ষেত্র যাদবপুরপ্রণতির স্বপ্ন সফল হওয়ার চৌকাঠে দাঁড়িয়ে। দীপা কর্মকারের পর তিনি দ্বিতীয় ভারতীয় জিমন্যাস্ট হিসাবে অলিম্পিকে যোগ্যাতা অর্জন করেছেন। বাংলার প্রথম। টোকিওতে সাফল্যের মন্ত্র নিয়ে লক্ষণ শর্মার তত্বাবধানে কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন সল্টলেকের সাই কমপ্লেক্সে।আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনমাটির কুঁড়ে ঘর সঙ্গে অভাবের প্রতিবন্ধকতা সেখান থেকে অলিম্পিকের জিমন্যাস্ট ফ্লোর। ওই আর্থসামাজিক পরিবেশে থাকা কোনও মানুষের কাছে এটা কল্পনা করা আকাশকুসুম স্বপ্নেরই নামান্তর। হাল ছাড়েননি প্রণতি। কয়েকদিন আগে করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ় সম্পূর্ণ হয়েছে প্রণতির। জৈব সুরক্ষা বলয়ের ভিতরেই রয়েছেন। সময় পেলে ঘরের মধ্যেই টিভিতে সিনেমা দেখেন, গান শোনেন আর মেডিটেশন করে মনের জোর বাড়াচ্ছেন। তিনি বলেন, অলিম্পিক্সে নিজের সেরাটা দেব। তারপর ফলাফল যা হওয়ার হবে।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

জুন ৩০, ২০২১
রাজ্য

TET Exam: উচ্চ প্রাথমিকের নিয়োগে স্থগিতাদেশ

আইনি জটে ফের আটকে গেল উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে একাধিক মামলা জমা পড়েছে আদালতে। তার ভিত্তিতে আপাতত উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এক দিন আগেই যদিও প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ পুজোর আগে নিয়োগপ্রক্রিয়া সেরে ফেলা হবে বলে জানিয়েছিল। কিন্তু আদালতের নির্দেশে এদিন ১৪ হাজার ৩৩৯ পদে নিয়োগ আটকে গেল। আগামী ৯ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হতে চলেছে।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনার বলি ৭৯৮ জন চিকিৎসকমঙ্গলবারই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ওয়েবসাইটে ইন্টারভিউয়ের তালিকা প্রকাশ হয়েছিল। কিন্তু মামলাকারীদের অভিযোগ, ইন্টিরভিউয়ের তালিকা তৈরিতে বেনিয়ম হয়েছে। ন্যূনতম কত নম্বর পেলে ইন্টারভিউয়ে ডাক, তার কোনও উল্লেখই নেই সাইটে। মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী নিয়োগ করা হচ্ছে না। বেশি নম্বর পেয়েও অনেকে ইন্টারভিউয়ে ডাক পাচ্ছেন না। তাতেই নিয়োগে স্থগিতাদেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এ নিয়ে বুধবার বিকেলেই জরুরি বৈঠকে বসছে স্কুল সার্ভস কমিশন (এসএসসি)। সেখানেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা হবে।

জুন ৩০, ২০২১
দেশ

Delhi Blast: দিল্লিতে বিস্ফোরণে মৃত ৪, জখম ১

বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর শাহাদরার ফর্স বাজার এলাকার একটি বাড়িতে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে যে একটি রান্না গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন লেগে এই বিপর্যয় ঘটে। গ্যাস সিলিন্ডারে আগুন ধরার পর প্রচণ্ড শব্দে সেটি ফেটে যায়। ফলে বাড়িটিতে আগুন ধরে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের নয়টি ইঞ্জিন। দমকল বিভাগের কর্তা অতুল গর্গ জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের ফলে বাড়িতে আগুন ধরে যায়। ফলে দগ্ধ হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় চারজনের। গুরুতর আহত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটল, তা বিশদে জানতে তদন্ত শুরু করেছে দমকল বিভাগ। সম্প্রতি দিল্লিতে একের এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবারের রাতে বিস্ফোরণের পর এলাকার মানুষের মধ্যে অজানা কারণে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। বিস্ফোরণটি কী কারণে তা প্রথমে জানতে না পেরে এলাকাবর বাসিন্দারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু ওই বাড়িতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ ঘটল কি করে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

জুন ৩০, ২০২১
দেশ

Corona Death: দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনার বলি ৭৯৮ জন চিকিৎসক

প্রথম ঢেউয়ের থেকেও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে করোনা দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথমবারের থেকেও বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে করোনার নতুন মিউটেন্ট সেন্ট (Corona Virus)। সরকারি পরিসংখ্যান আপাতত সেই প্রমাণই দিচ্ছে। ভারতীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৭৯৮ জন চিকিৎসক (Doctors)। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।আরও পড়ুনঃ বিধানসভা ভোটের হারের কারণ খু্ঁজতেই মরিয়া শুভেন্দুদেশে করোনা আছড়ে পড়ার পর ঝুঁকি নিয়েই দিনের পর দিন মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের ধারা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকদের দায়িত্ব বেড়েছে আরও কয়েকগুণ। গত মার্চের পর থেকে লাফিয়ে বেড়েছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। আর সেই রোগীদের জীবনদান করতে গিয়েই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন বহু চিকিৎসক। ভারতীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Medical Association) পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রাণ গিয়েছে ৭৯৮জন চিকিৎসকের। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দিল্লির চিকিৎসকরা। রাজধানীতে মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে মোট ১২৮ জন ডাক্তারের। তালিকায় এরপরই রয়েছে বিহার। চলতি বছর রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১১৫ জন চিকিৎসকের। উত্তরপ্রদেশে ৭৯ জন চিকিৎসক করোনার বলি হয়েছেন। কেরল এবং মহারাষ্ট্রে আবার নতুন করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট।যার সংক্রমণের ভয়াবহতা অনেক বেশি মারাত্মক। এই দুই রাজ্যে চিকিৎসকদের মৃত্যুর সংখ্যা যথাক্রমে ২৪ ও ২৩। যদিও তুলনামূলকভাবে চিকিৎসক মৃত্যুর হার অনেক কম পুদুচেরিতে।এর আগে ২৫ জুন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA) জানিয়েছিল, ৭৭৬ জন ডাক্তার করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বলি হয়েছেন। যেখানে তালিকার শীর্ষে ছিল বিহার। দ্বিতীয় স্থানে ছিল দিল্লি। তবে মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাকি রাজ্যগুলিকে পিছনে ফেলে দিল্লিই শীর্ষে উঠে এসেছে।Indian Medical Association says 798 doctors died during second wave of COVID-19 across the country; maximum 128 doctors lost their lives in Delhi, followed by Bihar at 115 pic.twitter.com/mOBgRtQJp0 ANI (@ANI) June 29, 2021 ১ জুলাই দেশজুড়ে পালিত হবে চিকিৎসক দিবস। ঠিক তার আগে আইএমএ-র এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সাধারণ দেশবাসী-সহ চিকিৎসকমহলেও।

জুন ৩০, ২০২১
কলকাতা

Jadavpur: কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের উপর হামলা, রণক্ষেত্র যাদবপুর

ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুললেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যেরা। পাল্টা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ করল তৃণমূল। দুপক্ষের এই সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল যাদবপুর। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশনমঙ্গলবার যাদবপুরের নীলসঙ্ঘ এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার পর্যবেক্ষণ করতে যায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি দল। তাদের সঙ্গে ঘরছাড়াদের একাংশও ছিলেন। কমিশনের রিপোর্টে উঠে আসে ওই এলাকায় ৩০টির বেশি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন কমিশনের অধিকারিকরা। এ নিয়ে নীলসঙ্ঘ এলাকায় কেন্দ্রীয় সদস্যদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় কিছু বাসিন্দা। তাঁরা তৃণমূলের কর্মী বলেই দাবি বিজেপি-র। দুপুর ৩টে নাগাদ দুপক্ষের মধ্যে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের দাবি, ওই দুষ্কৃতীরা তাঁদের উপর আক্রমণ করেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় তাঁরা রেহাই পান। আবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিনা কারণে কমিশনের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকার মহিলাদের উপর আক্রমণ চালিয়েছে। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। যাঁর মধ্যে ৫ জন মহিলা রয়েছেন। আহতরা এখন বাঘাযতীন রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কমিশনের এক সদস্যের অভিযোগ, হাইকোর্টেট নির্দেশেই তাঁরা ঘটনাস্থলে আসেন। কিন্তু স্থানীয় পুলিশের সামনেই তাঁদে্র উপর হামলা চালানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের কী অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়। A Court directed investigation being conducted by the National Human Rights Commission (NHRC) team, was attacked at Jadavpur. Democracy is going to the ruins in Bengal.The State apparatus is hell bound on establishing dictatorship in WB. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) June 29, 2021এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপি-র মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাদবপুরে তদন্ত করতে গিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আক্রান্ত হয়েছেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে ওই এলাকায় ৪০টির বেশি বাড়ির ভাঙার যে অভিযোগ করা হয়েছিল তা সত্য। এবং আমরাও গুণ্ডাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলাম। টুইট করে ঘটনার নিন্দা করেছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। আজ যাদবপুরে ভোট পরবর্তী হিংসার পর্যবেক্ষণ করতে এসে যে ভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দলের ওপর হামলা হলো, তার তীব্র নিন্দা জানাই। যারা মানবাধিকার নিয়ে বিচার করেন, আজ তারাই নিগৃহীত। এ কোন বাংলায় বসবাস করছি? এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কঠিনতম পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। Locket Chatterjee (@me_locket) June 29, 2021

জুন ২৯, ২০২১
রাজ্য

নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন

হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে ভোটপরবর্তী হিংসায় অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলতে সোমবার বর্ধমান সার্কিট হাউসে আসেন মহিলা কমিশনের সদস্য রাজুলবেন এল দেশাই ও তাঁর টিম ।পূর্ব বর্ধমান জেলা ছাড়াও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও নদিয়া থেকেও নির্যাতিতরা বর্ধমান সার্কিট হাউসে এদিন হাজির হয়েছিলেন। সকাল ৯ টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত তিনি মোট ১৭২ জনের সঙ্গে কথা বলেন । অত্যাচারিতদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের অভিযোগ, ফোন নম্বর, ঠিকানা কমিশনের সদস্যরা নথিবদ্ধ করেন। আরও পড়ুনঃ দত্ত কুলোদ্ভব কবি শ্রীমধুসূদনএদিকে অভিযোগ নথিভুক্তকরণ চলার মাঝেই কয়েকজন অত্যাচারিতা কমিশনের কাছে অভিযোগ করেন, জাতীয় মহিলা কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে চাওয়ায় তাঁদের নানারকমভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছ পুলিশের তরফে। এমন অভিযোগ পাওয়ার পরই সার্কিট হাউসের ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে পুলিশ কর্তাদের সামনে হাজির হন রাজুলবেন এল দেশাই । স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমার তো মনে হচ্ছে কোনও না কোনওভাবে তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। আপনারা শুধু নজরদারি করুন। এই বিষয়ে পুলিশ সুপার কামনাশীস সেনের যদিও দাবি, পুলিশ কাউকে আটকায়নি। তবে কোভিড-বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে । মহিলা কমিশনের সদস্য রাজুলবেন এল দেশাই আরও বলেন, অত্যাচারিতদের বক্তব্য শোনা হচ্ছে। এটা গোপন ব্যাপার। হাইকোর্টে এর রিপোর্ট জমা করতে হবে।

জুন ২৯, ২০২১
টুকিটাকি

Eyelashes : ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিন

মাস্কারা দিয়ে দিয়ে আর ভাল লাগছে না। চোখের পাতাও ঝরে যাচ্ছে। ঘরোয়া পদ্ধতিতে কীভাবে বড় করবেন আইল্যাশ? জেনে নিন।ছোটবেলা থেকেই লম্বা আই ল্যাশের শখ অনেকেরই। এটাও ঠিক সুন্দর চোখের সঙ্গে বড় বড় আই ল্যাশ অনেকের জন্মগত। কিন্তু তার মানে এটা নয় যে আপনার কোনওদিন লম্বা এই ল্যাশ হতে পারে না। অনেকেই আছেন যারা নকল চোখের পাতা লাগান। কিন্তু তা অনেক সময় অস্বস্তির কারণ হয়। কিন্তু না, এবার আর নকল নয় ইচ্ছে হলে পেয়ে যেতে পারেন সুন্দর ন্যাচারাল আই ল্যাশ। কীভাবে? রইল কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি।গ্রিন টিরোগা হওয়ার জন্য আমরা সাধারণত গ্রিন টি খেয়ে থাকি। কিন্তু জা্নেন কী গ্রিন টি এমনকী চোখের পাতা বড় করতেও সাহায্য করে। রোজকার যেমন চা বানান, সেই চা থেকে এক চা চামচ চা নিয়ে ঠান্ডা করে চোখের পাতায় লাগান তুলো দিয়ে। এটা দু থেকে তিন বার করুন তাহলেই পাবেন অসাধারণ ফল।অলিভ অয়েলচুলের গ্রোথের জন্য অলিভ দারুণ ওষুধ। অনেকেই চুলের গ্রোথের জন্য অলিভ ওয়েল ব্যবহার করেন। হাতে অল্প পরিমাণ তেল নিন আর ধীরে ধীরে চোখের উপর মাসাজ করুন । পরের দিন সকালে উঠে হালকা গরম জলে চোখ ধুয়ে নিন।ক্যাস্টর অয়েলপ্রতিদিন কাজল আর মাস্কারা দিয়ে দিয়ে চোখের অবস্থা খারাপ। অনেক সময় চোখের পাতাও পরে যায়। যদি তুলো দিয়ে হালকা করে ক্যাস্টর অয়েল দেওয়া যায় তাহলে বেশ কয়েকদিন দেওয়ার পর তার প্রভাব দেখা যাবে। চোখ থাকবে সুস্থ, চোখের উপর থেকে সরে যাবে ক্লান্তি ছাপ। উপরন্তু বাড়বে চোখের পাতাও।

জুন ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 62
  • 63
  • 64
  • 65
  • 66
  • 67
  • 68
  • ...
  • 88
  • 89
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

পাইলটের শরীরে নিষিদ্ধ মাদক? ৩০০ ফুট নীচে নেমে যাওয়া বিমানের ঘটনায় তদন্তে বড় তথ্য

ফুকেত থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে আচমকা প্রায় ৩০০ ফুট উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনায় তদন্তে নয়া মোড়। বিমানের পাইলটদের পরীক্ষার ফল নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সরকারি সূত্র এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিমানের প্রধান পাইলটের নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষায় গাঁজার উপস্থিতি পাওয়া গিয়েছে। তবে ওই পরীক্ষার ফল এবং বিমানের উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগ এখনও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করেননি।৪ অগস্ট ফুকেত থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল বিমানটি। মাঝ আকাশে আচমকাই বিমানের উচ্চতা প্রায় ৩০০ ফুট কমে যায়। ঘটনায় যাত্রী ও কেবিনকর্মীদের কয়েক জন আহত হন। বিমানটি শেষ পর্যন্ত নিরাপদে দিল্লিতে অবতরণ করে।ঘটনার পর দুই পাইলটেরই বাধ্যতামূলক মাদক পরীক্ষা করা হয়। প্রধান পাইলটের প্রথম পরীক্ষার ফল নেতিবাচক ছিল না। সেই কারণে নমুনা নিশ্চিতকরণমূলক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরের পরীক্ষাতেও গাঁজার উপস্থিতি পাওয়ার দাবি সামনে এসেছে। দুই পাইলটকেই তদন্ত চলাকালীন উড়ান থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এর পাশাপাশি বিমানের যান্ত্রিক অবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উড়ানের সময় একাধিক সতর্কবার্তা দেখা গিয়েছিল বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। হাইড্রলিক ব্যবস্থা, উড়ান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং স্বয়ংক্রিয় উড়ান ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যার কথাও তদন্তে উঠে এসেছে। ফলে শুধু পাইলটের ভূমিকা নয়, বিমানের প্রযুক্তিগত বিষয়ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।প্রধান পাইলট তদন্তকারীদের কাছে দাবি করেছেন, ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। তাঁর বক্তব্য, সেই ওষুধের কারণেই পরীক্ষায় এমন ফল আসতে পারে। এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। বিমানে তাঁর আচরণ নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেবিনকর্মীরা তাঁর আচরণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।ঘটনার গুরুত্ব বুঝে বিমান সংস্থার নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। বিমান সংস্থাকে পরিচালনাগত নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার কথাও জানানো হয়েছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে যে বা যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।তবে বিমানের আচমকা উচ্চতা কমে যাওয়ার প্রকৃত কারণ এখনও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি। পাইলটের পরীক্ষার ফল, বিমানের প্রযুক্তিগত সমস্যা, উড়ানের তথ্য এবং ককপিটে ঠিক কী ঘটেছিলসব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও একটি কারণকে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করা ঠিক হবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এনআরএসে নয়, অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্ত! নার্সের মৃত্যু ঘিরে বড় সিদ্ধান্ত, কী জানাল স্বাস্থ্যদপ্তর?

এনআরএস হাসপাতালের শৌচালয় থেকে নার্সের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড়। মৃত নার্সের স্বামী ও পরিবারের দাবি মেনে এনআরএস হাসপাতালে ময়নাতদন্ত হবে না। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মৃতার স্বামী রাহুল দাস এবং পরিবারের পক্ষ থেকে অন্য হাসপাতালে ময়নাতদন্তের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই আবেদন মেনে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধানের নেতৃত্বে ময়নাতদন্ত হবে।নার্সের কীভাবে মৃত্যু হল, তা নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে চাইছে না স্বাস্থ্যদপ্তর। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ নিয়ে কোনও অনুমান করা ঠিক হবে না। তাঁর কথায়, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অনুমানের জায়গা নেই। রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।ঘটনার তদন্তে আলাদা অভ্যন্তরীণ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এনআরএস হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্যদপ্তরের উদ্যোগে তৈরি এই কমিটিতে হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান, এমএসভিপি, নার্সিং সুপারিনটেনডেন্ট, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের প্রতিনিধি-সহ একাধিক বিভাগের প্রধানদের রাখা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।বুধবার রাতে এনআরএস হাসপাতালের স্ত্রী রোগ বিভাগের এইচডিইউতে কর্মরত ওই নার্সের দেহ বিভাগেরই শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, রাত আটটা নাগাদ তিনি কাজে যোগ দিয়েছিলেন। রাত নটা নাগাদ এক রোগীকে পরিষেবা দেওয়ার পর শৌচালয়ে যান। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও তিনি ফিরে না আসায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়।এক জন জুনিয়র চিকিৎসক তাঁর খোঁজ শুরু করেন। শৌচালয়ের সামনে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে গ্রুপ ডি কর্মীদের ডেকে দরজা ভাঙা হয়। ভিতর থেকে নার্সকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। চিকিৎসকরা তাঁকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি।এরপর থেকেই নার্সের মৃত্যু ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, শৌচালয়ের ভিতরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং মৃত্যুর আগে তাঁর শারীরিক বা মানসিক অবস্থার কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শৌচালয় থেকে কিছু জিনিস উদ্ধার হয়েছে। সেগুলিও তদন্তের আওতায় থাকবে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্ট সামনে এলেই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যাবে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে বিস্ফোরক তথ্য! লালকেল্লা ঘিরে কেন বাড়ল নিরাপত্তা?

স্বাধীনতা দিবসের আগে রাষ্ট্রপুঞ্জের একটি বিশেষ রিপোর্ট ঘিরে নতুন করে সতর্ক হয়েছে দিল্লি। ১৫ অগস্ট লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের আগে ওই রিপোর্টে আল কায়দার ভারতীয় উপমহাদেশে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা নিয়ে একাধিক তথ্য উঠে এসেছে। রিপোর্ট সামনে আসার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তৎপরতাও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে।রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশে গোপন ঘাঁটি তৈরি করার চেষ্টা চালাচ্ছে আল কায়দার একটি শাখা। ভারতীয় উপমহাদেশে এই সংগঠনের কার্যকলাপ নিয়ে রিপোর্টে সতর্ক করা হয়েছে। সংগঠনটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে আল কায়দা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট হিসেবে।রিপোর্ট অনুযায়ী, বড় কোনও সংগঠিত ইউনিট হিসেবে কাজ না করে ছোট ছোট বিচ্ছিন্ন দলের মাধ্যমে নিজেদের কার্যকলাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে এই গোষ্ঠী। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ তৈরি, অর্থ সংগ্রহের ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলেও রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।বাংলাদেশে সংগঠনটির সম্ভাব্য তৎপরতা নিয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা হতে পারে কি না, তা নিয়েও নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। রিপোর্টে সংগঠনটির সঙ্গে পাকিস্তানভিত্তিক একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগাযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।গত বছর নভেম্বর মাসে লালকেল্লার বাইরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনায় অন্তত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই হামলার সঙ্গে আল কায়দার যোগ থাকার তথ্যও রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে কেন্দ্র করে এমনিতেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। তার উপর রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে আল কায়দার নতুন করে সক্রিয় হওয়ার তথ্য সামনে আসায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলির নজরদারি আরও বাড়তে পারে।রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ছোট ছোট গোষ্ঠীর মাধ্যমে কাজ করায় সংগঠনটির প্রকৃত পরিধি চিহ্নিত করা কঠিন। অর্থ সংগ্রহ এবং বিভিন্ন ধরনের পরিকাঠামোগত সহযোগিতার মাধ্যমে ধীরে ধীরে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।স্বাধীনতা দিবসের আগে এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসায় বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। লালকেল্লায় প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং ভারতীয় ভূখণ্ডে সম্ভাব্য জঙ্গি তৎপরতার বিষয়ে এখন নিরাপত্তা সংস্থাগুলি কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

আর জি করের ফাইল খুলতেই প্রথম গ্রেপ্তার! ওড়িশা থেকে পুলিশের জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলার পরই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার এবং পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর জি কর কাণ্ডের পর নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।এই ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি দেহ সৎকারের খরচও পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।এই ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের পাশাপাশি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছিল। গত সোমবার খড়দা থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।তদন্তের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত অথবা শুক্রবার সকালে তাঁকে রাজ্যে নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এর আগে ৯ অগস্ট আর জি কর কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়। পরিবারের সই ছাড়া কীভাবে দেহ সৎকার করা হয়েছিল এবং ওই প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।নির্মল ঘোষের পরিবারের বিরুদ্ধেও এর আগে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুলাই তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নির্মল ঘোষের নাম লটারিকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারির পর আর জি কর মামলার তদন্তে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভয়ার দেহ সৎকারের ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন এবং পুলিশের তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

স্বপ্ন ছিল পাক আর্মিতে যোগ দেওয়ার! আইএসআইএয়ের এজেন্ট হয়ে কত বার ভারতে এসেছিল পাক জঙ্গি

বেঙ্গল এসটিএফের হাতে গ্রেফতার রানা রউফ ওরফে ওয়াহাব আলমকে জেরা করে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানা মোট পাঁচ বার ভারতে এসেছিল। প্রতিবারই কলকাতায় এসে তিলজলায় ইজাজের বাড়িতে থাকত বলে জানা গিয়েছে। ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তার কলকাতায় আসার তথ্য পেয়েছেন তদন্তকারীরা।এসটিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভারতে আসার পর ভুয়ো পরিচয়ে একাধিক সরকারি নথি তৈরি করেছিল রানা। ইজাজের বাবা যুবের আলমকে নিজের বাবা বলে পরিচয় দিয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ। পরে সেই পরিচয়ের ভিত্তিতেই প্যান কার্ড এবং আধার কার্ডও তৈরি করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি।জেরায় রানা জানিয়েছে, ছোটবেলা থেকেই পাকিস্তান সেনায় চাকরি করার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু শারীরিক সমস্যার কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। এরপর পাকিস্তান সেনা এবং আইএসআইয়ের সঙ্গে তার যোগাযোগ তৈরি হয় বলে তদন্তকারীদের দাবি। সেই যোগাযোগের সূত্রেই সে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে যুক্ত হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছেন, পাকিস্তানের পঞ্জাব প্রদেশে ক্যারাটের প্রশিক্ষণ নিয়েছিল রানা। পাশাপাশি কাঠমান্ডুতেও তার ব্যবসা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই একটি মসজিদে ইজাজের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে সেই পরিচয় বন্ধুত্বে গড়ায়। অভিযোগ, ইজাজের সাহায্যেই কাঠমান্ডু থেকে ভারতে ঢুকত রানা।প্রথম বার কলকাতায় আসার সময় রানার কাছে কোনও ভারতীয় পরিচয়পত্র ছিল না বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, বিহারের রক্সৌল সীমান্ত দিয়ে চোরাপথে ভারতে প্রবেশ করত সে। পাঁচ বার ভারতে আসার সময়ই একই পথ ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রতিবার কাঠমান্ডু থেকে ইজাজই তাকে ভারতে নিয়ে আসত বলে জানা গিয়েছে।সম্প্রতি ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় রানাকে ডেকেছিলেন বুথ স্তরের আধিকারিক। কিন্তু সে হাজির না হওয়ায় ভোটার তালিকা থেকে তার নাম বাদ যায় বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। ইজাজ রানার পাকিস্তানি পরিচয় সম্পর্কে জানত কি না, তা-ও তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। অভিযোগ, পরিচয় জানার পরেও ইজাজ তাকে নিজের বাড়িতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল।রানার গতিবিধি নিয়েও তদন্তকারীদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এসেছে। ফোর্ট উইলিয়াম ছাড়াও ব্যারাকপুর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সে ঘোরাফেরা করেছিল বলে জানা গিয়েছে। ওই সব জায়গার ছবি ও ভিডিয়ো তুলে সেগুলি বিদেশে থাকা সন্দেহভাজন যোগাযোগের কাছে পাঠানো হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ভুয়ো পরিচয়ে ভোটার কার্ড তৈরি করার পর একাধিক সিম কার্ড সংগ্রহ করেছিল রানা বলেও অভিযোগ। ওই সিম ব্যবহার করেই সে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ রাখত বলে তদন্তকারীদের দাবি। তার যোগাযোগের জাল কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়েছিল, তা জানতে ফোন ও অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, গ্রেফতারের আগে বাংলাদেশের পথে পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল রানার। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে সেখান থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার ছক ছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই এসটিএফের হাতে গ্রেফতার হয় সে। এখন রানা ও তার সহযোগীদের মাধ্যমে আর কারা এই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal