• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ed

বিদেশ

Earthquake: সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশ

সূর্যের আলো তখনও ঠিক করে ফোটেনি, এমন সময়ই কেঁপে উঠল বাড়িঘর। একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়তে শুরু করল তাসের ঘরের মতো। দক্ষিণ পশ্চিম চিন-র সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পর জেরে জারি করা হয়েছে সতর্কতা। বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ এই ভূমিকম্প হয়, বিপর্যয়ের জেরে কমপক্ষে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন।আরও পড়ুনঃ শিশুদের অজানা জ্বরে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, আক্রান্ত ৫০০-র বেশিমার্কিন ভূতত্ত্ব বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৪। যদিও চিনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টারের দাবি, ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৬.০। মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার নীচেই ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল, সেই কারণে খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সিচুয়ান প্রদেশের ভূমিকম্প দপ্তরের ডেপুটি চিফ দু বিন বলেন, এই অঞ্চলে ফের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে আফটার শকের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। মনে করা হচ্ছে, আগামী কিছু সময় ধরেই এই অঞ্চলে আফটার শক অনুভব হতে পারে। এরজন্য বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যেসমস্ত বাড়ি অনেক পুরনো ও কাঠামোও ওত শক্তিশালী নয়, সেই বাড়িগুলির বাসিন্দাদের আপাতত অনত্র থাকতেই বলা হয়েছে। সিচুয়ান সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, একাধিক বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৬২ হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। আফটার শকের আশঙ্কা থাকায় কর্মীদের সুরক্ষার কথা ভেবে আপাতত লাইন সারাইয়ের কাজও শুরু করা যাবে না।ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ভূমিকম্পের একাধিক ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে ঘরের ভিতরে টিভি, ফ্রিজ কাঁপছে, ছাদে লাগানো নানা অন্দরসজ্জা মাটিতে ভেঙে পড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

Taltola: বন্ধ বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতেই এলাকায় চাঞ্চল্য

বন্ধ বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির পচাগলা দেহ। বুধবার রাতে এই ঘটনাকে ঘিরে তালতলা থানা এলাকার ডক্টর লেনে চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইঙ্গিত ছাড়াই আচমকা পদ ছাড়লেন তৃণমূল সাংসদজানা গিয়েছে, মৃতের নাম আশিস ফিলিপ গোমস, বয়স ৫১। ইন্টিরিয়র ডেকরেশনের কাজ করতেন তিনি। ডক্টর লেনের ওই বাড়িতে একাই থাকতেন। পরিবার অন্যান্যরা কাছেরই অন্য একটা বাড়িতে থাকতেন। বুধবার সন্ধ্যায় হঠাৎই আশিসবাবুর বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে থাকে। বাড়ির সামনে দিয়ে হাঁটাচলা করা দায় হয়ে যায়। এই অবস্থায় বাড়ি বন্ধ দেখে, তালতলা থানায় খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে বাড়ির ভিকরে ঢুকে দেখেন মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন আশিস ফিলিপ গোমস। দেহে পচন ধরেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, নিহত ব্যক্তিকে রবিবার শেষবার দেখা গিয়েছিল। মৃতের পরিজনদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃতের শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই। অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আশিস ফিলিপ গোমস ডক্টরস লেনের বাড়িতে একাই থাকতেন। তাঁর পরিবার অন্যত্র থাকত। বাড়ির সব কাজই একাই করতেন। সে অর্থে পরিচারিকা কেউ ছিলেন না। বাড়িতে বেশিরভাগ সময়ই থাকতেন না তিনি। কাজের সূত্রে বাইরে বাইরেই থাকতেন। শেষ দুতিন তাঁদের দেখতে না পেয়ে প্রতিবেশীরা মনে করেছিলেন হয়তো কাজেই বাইরে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার থেকেই একটা পচা গন্ধ নাকে আসছিল তাঁদের। বুধবার তা আরও প্রকট হয়। গন্ধের উত্স খুঁজতে গিয়ে প্রতিবেশীরা দেখেন, আশিসের বাড়ির ভিতর থেকেই গন্ধটা ভেসে আসছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Covid Guideline: রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল করোনা বিধিনিষেধ

রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল কোভিড বিধিনিষেধ। নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে বলবৎ থাকছে কোভিড বিধি-নিষেধ। এই পর্বেও চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন।এই পর্বেও রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ জারি রাখতে চাইছে নবান্ন। অর্থাৎ রাত্রি ১১টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত আপৎকালীন পরিষেবা ছাড়া কোনও গাড়ি চলবে না। অন্য সময়ে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। বেসরকারি ক্ষেত্রে বা ছোট বড় কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রে কর্মচারীদের অফিসে আনার ক্ষেত্রে কোভিডবিধি মানতেই হবে। অফিস চালাতে হলে কর্মচারীদের টিকারদুটি ডোজ থাকা বাধ্যতামূলক। এই পর্বে মাস্ক ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আগের মতোই বাধ্যতামূলক। মনে করা হচ্ছে পুজোর মরশুমে ভিড়ের চাপে করোনার প্রত্যাঘাত রুখতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে নবান্ন। বিধিভঙ্গের অভিযোগে মহামারি আইন ২০০৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Child Fever: শিশুদের অজানা জ্বরে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, আক্রান্ত ৫০০-র বেশি

অজানা জ্বরের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে উত্তরবঙ্গে। ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যুর খবর এসেছিল আগেই। এখনও পর্যন্ত এই অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিন শিশুর। গুরুতর অসুস্থ শিশুর সংখ্যা সব মিলিয়ে ৫০-এর পঞ্চাশের কাছাকাছি। সরকারি নথি অনুযায়ী ৫০০-র বেশি শিশু অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। আর এই ঘটনা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে ধরেছে। বিশেষত শিশু চিকিৎসার পরিকাঠামোর বেহাল চেহারাটা ক্রমশ সামনে আসছে। আর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে আতঙ্কও। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে আরও একটি বড় দুর্নীতির আশঙ্কায় শুভেন্দুকরোনার তৃতীয় ঢেউ সামলাতে এবং শিশুদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ভবন ঘোষণা করেছিল যে গোটা রাজ্যে প্রস্তুতি চলছে। বাড়ানো হচ্ছে বেড। আইসিইউ, পিকু, নিকু সহ পেডিয়াট্রিক এক্সপার্টদের নিয়ে তৈরি হয়েছে টিম। তৃতীয় ঢেউ কবে আসবে জানা নেই। তবে জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহার সংলগ্ন এলাকায় শিশুদের এই আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাতেই বেআব্রু হয়ে পড়েছে সরকারি সেই ব্যবস্থা। হাসপাতালে গাদাগাদি করে রয়েছে শিশু এবং তাদের অভিভাবকেরা। ভর্তির জায়গা নেই। এমনই অবস্থা একাধিক জেলা ও মহকুমা হাসপাতাল কিংবা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। মূলত শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের বিভিন্ন অঞ্চলে এই জ্বরের প্রকোপে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল বা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই জ্বরে আক্রান্ত শিশুরা ভিড় করছে। কোথাও প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, কোথাও বা ভর্তি করে নেওয়া হচ্ছে। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ, জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল, বানারহাট, ধুপগুড়ি , মালবাজার, মেখলিগঞ্জ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ছোট-বড় হাসপাতালে এই মুহূর্তে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ভিড়। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর গত ১২ থেকে ১৪ দিন ধরে এই অজানা জ্বরের প্রকোপ বেড়ে চলেছে জেলাজুড়ে। উত্তরবঙ্গের চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, সঠিকভাবে সেই তথ্য জানানো হয়নি স্বাস্থ্য ভবনকে। তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। জ্বর, পেটে যন্ত্রণা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বহু শিশু। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে এই অজানা জ্বর। অথচ ১০-১২ দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করে সঠিক কারণ জানা গেল না। কেন জ্বরের কারণ জানতে এত বেশি সময় লাগছে? সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক বিশেষজ্ঞ।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Old Man Died: ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজন

ক্ষিপ্ত ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ গোপালক। মৃতের নাম রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস (৬৪)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার মোস্তাপুর গ্রামে।সোমবার সন্ধ্যায় রবীন্দ্রনাথ বাবু যখন তাঁর পোষা গাইগরুটিকে গোয়াল ঘরে ঢোকাচ্ছিলেন তখনই ষাঁড়টি তেড়ে এসে তাঁকে গুঁতোয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গোপালক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন নিয়ে যান কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।আরও পড়ুনঃ রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণে বাঁচলেও মুখের একপাটি দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিকএই ঘটনা জানার পর থেকে ষাঁড়ের আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন মোস্তাপুর গ্রামের বাসিন্দারা। বরাত জেরে প্রাণে বেঁচে গেলেও ষাঁড়ের গুঁতোয় গত শনিবার মুখের অর্ধেক দাঁত খোয়ান লক্ষণ রাজপুত নামে কালনার এক শ্রমিক। এই ঘটনার পর তিনদিন কাটতে না কাটতেই ষাঁড়ের গুঁতোয় কাটোয়ায় প্রাণ হারালেন বৃদ্ধ। মৃত রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের স্ত্রী সরস্বতীদেবী এদিন জানিয়েছেন, তাঁর একমাত্র ছেলে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করে। তাঁরা স্বামী ও স্ত্রী মিলে জনমজুরির পাশাপাশি গোপালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্বামীর এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবারে দুঃখের দিন ফিরে আসবে বলে সরস্বতীদেবী এদিন জানান। জানা গিয়েছে, বছর পাঁচেক আগে হঠাৎ করেই এলাকায় আবির্ভাব ঘটে কালচে খয়েরি রঙের হোমড়াচোমড়া ষাঁড়টির। স্থানীয় দুতিনটে গ্রামে নিজের মন মর্জি মত ষাঁড়টি ঘুরে বেড়াতো। সম্প্রতি ষাঁড়টি উগ্র সভাবের হয়ে ওঠে। তার হামলায় ইতিমধ্যেই এলাকার অনেকে আহতও হয়েছে। গ্রামবাসীরা ষাঁড়টির ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। ষাঁড়টির গুঁতোয় এলাকার বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস মারা যাওয়ার পর স্থানীয় মানুষজন ষাঁড়টিকে এখন এলাকা ছাড়া করার জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Terrorists: উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গি

নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়ে জঙ্গিদমনে বড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে ৬ জঙ্গিকে হাতেহাতে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল। সূত্রের খবর, গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জনের মধ্যে দুজন সদ্যই পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আসন্ন উৎসবের মরশুমে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল এই জঙ্গিদের।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেনানা গোয়েন্দা সংস্থা মারফৎ খবর পেয়ে দিল্লি, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশজুড়ে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশের বিশেষ সেল। গ্রেপ্তারির পর ওই সেলের বরিষ্ঠ আধিকারিক নীরজ ঠাকুর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ৬ জনের মধ্যে একজন সকাল বেলা তল্লাশি অভিযানে মহারাষ্ট্রের একজন জঙ্গি রাজস্থানের কোটা থেকে গ্রেপ্তার হয়। তিনজন উত্তর প্রদেশ এটিএসের সাহায্যে সেই রাজ্যে গ্রেপ্তার হয়। বাকি দুজন ধরা পড়ে রাজধানী দিল্লিতেই। তবে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যা ল সেলের বিশেষ কমিশনার অন্য একটি তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন যা অধিক পরিমাণ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি জানান, ধৃতরা জানিয়েছে যে তাদের সঙ্গে আরও ১৪-১৫ এমন ছিল যারা বাংলা ভাষায় কথা বলত। তারাও একই ধরনের প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিয়েছিল। জঙ্গিরা ভারতে ঘাপটি মেরে বসে থাকলেও তাদের পরিচালনা সীমান্তের ওপার থেকেই করা হত বলে জানিয়েছেন পুলিশকর্তা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের কাছে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। আসন্ন উৎসবের মরসুমকেই তারা নিশানা করেছিল জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup : ডুরান্ডের তৃতীয় ম্যাচেই ছন্দহীন মহমেডান, হেরে গ্রুপে দ্বিতীয়

প্রথম দুই ম্যাচে দুরন্ত ফুটবল। তৃতীয় ম্যাচেই ছন্দপতন। ডুরান্ড কাপের গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে তাল কাটল সাদাকালো ব্রিগেডের। এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের কাছে ২০ ব্যবধানে হেরে গ্রুপ শীর্ষে থাকার স্বপ্ন অধরা থেকে গেল মহমেডান স্পোর্টিংয়ে কাছে। টানা ৩ ম্যাচ জিতে গ্রুপ শীর্ষে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছল এফসি বেঙ্গালুরু। গ্রুপের দ্বিতীয় হয়ে শেষ আটে মহমেডান।আরও পড়ুনঃ ঘোষিত হল সূচি, আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানএসসি ইস্টবেঙ্গল প্রথম ডার্বি ২৭ নভেম্বরদুটি দলই আগেই ডুরান্ড কাপের পৌঁছে গিয়েছিল। গ্রুপ লিগের এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড এবং মহমেডান স্পোর্টিংয়ের গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। এই নিয়মরক্ষার ম্যাচে প্রথম একাদশের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে বিশ্রাম দিয়েছিল মহমেডান স্পোটিং কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তাই নিজেদের সেরা ছন্দে দেখা যায়নি সাদাকালো ব্রিগেডকে। তার ওপর বৃষ্টির মধ্যে খেলা। ভেজা মাঠও মহমেডান ফুটবলারদের কাছে ভাল ফুটবল খেলাটা অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নাভেজা মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই নিজেদের সেরা খেলা খেলতে পারেনি। দুই দলই প্রতি আক্রমণ ভিত্তিক খেলার দিকে নজর দিয়েছিল। বিপক্ষ বক্স পর্যন্ত উঠে এলেও কোনও দলই গোল করতে পারেনি। গোল করার মতো দুএকটা পরিস্থিতি তৈরি হলেও স্ট্রাইকাররা তিন কাঠি ভেদ করতে ব্যর্থ হন। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোল শূন্য।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাদ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য খেলায় কিছুটা প্রাণ ফেরে। দুই দলই আক্রমণে উঠে আসার চেষ্টা করে। তবে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের তুলনায় এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের খেলার মধ্যে ঝাঁঝ বেশি ছিল। আক্রমণে চাপ বাড়িয়ে ম্যাচের ৬৩ মিনিটে কর্ণার আদায় করে নেয় এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। রোনাল্ডোর কর্ণার থেকে হেডে গোল করে বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দেন জেমস সিং। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মহমেডান স্পোর্টিং। আজহারউদ্দিন মল্লিককে মাঠে নামান সাদাকালো কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ৭৭ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন আজহারউদ্দিন। তাঁর দুরন্ত শট অসাধারণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচান বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড গোলকিপার।আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বম্যাচের ইনজুরি সময়ে নাটক জমে ওঠে। মহমেডানের একটি পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি। এরপরই পেনাল্টি পায় এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান লুকা। ৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে নক আউটে বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মহমেডান স্পোর্টিং। ডুরান্ডের অন্য গ্রুপ লিগে মোহনবাগান মাঠে খেলা ছিল ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স এবং সি আর পি এফের মধ্যে। প্রবল বৃষ্টির জন্য খেলাটি পরিত্যক্ত হয়েছে। দুই দলকেই ১ পয়েন্ট করে দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
টুকিটাকি

Skin Burning Home remedy: ঘরোয়া ফেসপ্যাকে মিরাক্যাল

কোনও কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে গিয়ে ত্বকের মধ্যে যে দাগ সৃষ্টি হয়, তা শুধু ত্বকেই নয়, মানসিকভাবেও সেই দাগ থেকে যায়। আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকের ক্ষতবিক্ষত দিকগুলি যতটা পারা যায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অনেকে দাগ মেটাতে প্লাস্টিক বা কসমেটিক সার্জারি করান। কিন্তু জানেন কী, প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায়েও কালো দাগ, ব্রণের ক্ষত দাগ, পক্সের কালো দাগ, গর্ত এইগুলি খুব সহজে নির্মূল করা যায়।সবজির খোসা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাকদাগের চিকিৎসার জন্য লেজার থেরাপি, মাইক্রো ডার্মাব্রেসন, কেমিক্যাল পিলিং, আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড এগুলি করাই যায়। তবে ভেজ পিল ট্রিটমেন্ট নামে একটি বায়ো পিলিং পদ্ধতি রয়েছে। যা খুব সহজে পোড়া দাগ ও আঘাতপ্রাপ্ত দাগ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এগুলি ক্লিনিকে না গিয়ে বাড়তেও করতে পারেন। তবে যদি অনেক দাগ থাকে তাকলে অবশ্যই ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার বেশ কয়েকটি সেশনের দরকার হতে পারে। তবে ব্রণের কারণ গর্ত, কালো দাগ, বসন্তের জেরে ছোট-বড় গর্ত হঠাতে এই ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্য নিতে পারেন।বাড়িতে তৈরি ফেসিয়াল স্ক্রাবচালের গুঁড়ো, দই ও এক চিমটে হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে ছোট ছোট বৃত্তাকারে মাসাজ করে ত্বকের উপর আলতো করে ঘষুন। ব্রণের চিহ্ণ বা গর্তগুলিতে বিশেষ করে ঘষুন। পাঁচ মিনিটের জন্য রেখে তারপর প্রচুর পরিমাণে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।ফেসপ্যাকসপ্তাহে এক থেকে দুবার ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ৩ চা চামচ ওটস ও এক চা চামচ দই, মধু মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার ঠোঁট, চোখের চারপাশের এলাকা ছাড়া মুখের সর্বত্র লাগান। আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। শুকনো কমলালেবুর খোসা, ও লেবুর রস, গ্রাউন্ড আমন্ড মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। ডিমের সাদা অংশে এই প্যাকে সঙ্গে যোগ করে মুখের ত্বকের লাগিয় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্কতা দূর করার জন্য ২ চা চামচ দই নিন, তাতে এক চিমচে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে প্রতিদি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বককে শুধু নরমই করে না। কালো দাগ হালকা করতেও সাহায্য করে। পাকা পেঁপের গুড়োর সঙ্গে শসা কুচি, টমেটোর পাল্প ও কমলালেবুর খোসার পাউডার মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। মুখের ত্বকে প্রতিদিন লাগান ও আধঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বকের উপর ব্রণের দাগ হালকা করতে সক্ষম। তাই দাগের উপর মধু লাগান। বিশেষ করে রাতে শোওয়ার আগে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া অ্যাসপিরিন ট্যাবলেচের গুঁড়ো মিশিয়ে মধুর মধ্যে কয়েক ফোঁটা জল যোগ করুন।প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান ও ১০-১৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। নিয়ম অনুসারে ধৈর্য ধরে এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করলেই পেয়ে যেতে পারেন নরম, দাগহীন পেলব ত্বক। যা সকলের নজর কাড়বেই।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
নিবন্ধ

Mysterious Palace :রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্ব

বীরভূমের এক প্রত্যন্ত গ্রামে উজানের মামার বাড়ি। ওনারা ওখানকার জমিদার ছিলেন। আজও তার প্রতীক হিসাবে বিশাল রাজবাড়ি দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্য বহণ করে। যদিও উজানের বড়ো মামা-মামি ছাড়া কেউই আজ ওখানে থাকেনা। অন্যান্য তিন মামা বিদেশে থাকেন। যদিও পারিবারিক দুর্গা পুজোয় বছরে একবার আসেন। উজানের মা ঐ বাড়ির একমাত্র মেয়ে। তাই উজানের আদরও খুব মামার বাড়িতে।এবার তাই ১২ ক্লাস বোর্ড এক্সামএর পরে উজানের বন্ধুরা যখন বলে সবাই মিলে কোথাও বেড়াতে যাবে আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে, তখন উজান ওর মামার বাড়ি যাবার প্রস্তাব দেয়। ওর এই বন্ধুরা অনেকদিন ধরেই ওর মামার বাড়ি দেখ্তে চেয়েছিল।রাশি, হিয়া, দিয়া, অত্রি আর উজান সেই নার্সারি থেকে আজ পর্যন্ত একসঙ্গে পড়ছে। এবার যে যার মতো আলাদা হয়ে যাবে। তাই তার আগে ওরা শুধু নিজেরা কোথাও যেতে চায়। উজানের মামার বাড়ি যাবার কথায় কারো বাড়ি থেকেই কোনো আপত্তি হয়নি।ওরাও খুব excited এই প্রথম শুধুমাত্র বন্ধুরা মিলে কোথাও বেড়াতে যাবে। ওদের মধ্যে হিয়া দিয়া যমজ বোন, হিয়াটা খুব চঞ্চল দিয়া একটু শান্ত; আর রাশি মেয়েটা একটু যেন বেশিই চুপচাপ। যদিও তাতে ওদের বন্ধুত্বের কোনো অসুবিধা নেই। রাশির একটা ব্যাপার ওরা ছোট থেকেই দেখে আসছে যে ও মাঝে মাঝেই কেমন উদাস হয়ে যায়। ছোটোবেলায় তার কারণ অবশ্য একটা বলতো,এখন বড়ো হয়ে গেছে এখন আর কিছু বলেনা কিন্তু সেই উদাস হয়ে যাওয়া আজও আছে। ওরা সবাই সবাইকে খুব ভালো করে জানে। তাই রাশিকে কোনো রকম বিরক্ত করেনা। যাইহোক সবাই খুব খুশি বেড়াতে যাওয়া নিয়ে। সারা দিন ফোনে শুধু প্ল্যান হয়ে যাচ্ছে কি করবে না করবে, কে কি পোশাক নেবে, কতো দিন থাকবে, আশেপাশে কোথায় কি আছে দেখবে এইসব করে যাচ্ছে সারাদিন।এইসব করতে করতে যাবার দিন চলে এলো। সবাই মিলে বিশ্বভারতী এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরায় উঠে বসল। সবাই খুব হৈচৈ করে আনন্দ করতে লাগল যেন মুক্ত বিহঙ্গ। ট্রেন ছেড়ে দিলে ওদের আনন্দ যেন আর ধরে না। সে কি উত্তেজনা সবার কিন্তু রাশি যেন একটু বেশি চুপচাপ। কি হয়েছে জানতে চাইলে বলবে না ওরা জানে তাই ওকে বিরক্ত করে না। রাশি জানালা দিয়ে দেখ্তে দেখ্তে চলে। আর ওরা চড়ুই পাখির মত কিচির মিচির করতে থাকে। কু ঝিকঝিক ট্রেন চলতে থাকে।ট্রেন অবশেষে যখন পৌঁছল তখন বেশ খানিকটা রাত হয়েছে। স্টেশনের বাইরে ওদের জন্য গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। ওরা মামার বাড়ির গাড়িতে মালপত্র উঠিয়ে বসল। রাত হয়ে যাওয়ার কারণে কিছুই বুঝতে পারলো না ওরা পথের সম্বন্ধে। মামার বাড়ি যেহেতু গ্রামে তাই খুব তাড়াতাড়ি চুপচাপ হয়ে যায়।তবুও শুক্লপক্ষের রাত বলে চারিদিকে রূপোলি জ্যোত্স্নায় ভেসে যাচ্ছে। ওদের খুব ভালো লাগছে, কারণ কলকাতায় এই ব্যাপারটা ওরা অনুভব করতেই পারে না। রাশির মন যেন উচাটন হয়ে যায়; ও বলে কি সুন্দর লাগছে দেখেছিস চল আমরা কিছুটা হেঁটে যাই ,কি উজান চিনতে পারবি না পথ।ওদের সবাই হৈ হৈ করে বলে উঠলো চল চল চল সবাই মিলে হেঁটেই যাবো। অগত্যা উজান রাজী হয়। সবাই গাড়ি থেকে নেমে হাঁটতে থাকে; যদিও রাস্তা অল্পই বাকি ছিল। তবুও ওরা বেশ উপভোগ করতে লাগল। সব থেকে বেশি যেন রাশি আনন্দিত হলো। সবাই রাশির এই স্বভাবের সঙ্গে পরিচিত তাই ওরা অবাক হলো না।মামার বাড়ির সামনে এসে যেন রা। ওদের পৌঁছোনোর আওয়াজ পেয়ে মামা-মামি আর বোন দিশা বেরিয়ে এলো। দিশা তো হৈ হৈ করে উঠলো। কিন্তু মামা-মামি যেন রাশিকে দেখে একটু চমকে গেলো সেটা উজানের চোখে পড়ল। কিন্তু ও কাউকে কিছু বললো না। ওদের ভিতরে নিয়ে গেলো, তারপর পরিচয় পর্ব সারার পর মামি বললো ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে চলে আয় খেয়ে নিবি।সবাই মামির কথামতো ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হতে লাগল একে একে। রাশি, তিয়া আর রায়া একটা ঘরে আর উজান আর অত্রি একটা ঘরে থাকবে এরকম ব্যবস্থা হলো। রায়া তো খুব এক্সাইটেড; তিয়াও তাই। শুধু রাশি যেন একটু বেশিই চুপচাপ হয়ে গেছে বাড়িতে ঢোকার পর। সবাই সেটা বুঝেছে কিন্তু কেউ কিছু বলেনি। আসলে রাশি তো ঐরকম তাই। তিয়া আর রায়া দুজনে যখন এতো বড়ো রাজবাড়ির অতিথি হয়ে থাকার কথা নিয়ে আলোচনা করছে তখন হটাত রাশি বলে উঠলো আপন মনে আমি সব চিনি, আমার মনে হচ্ছে এসেছি এখানে, কিন্তু কবে? তিয়া আর রায়া অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে ওর দিকে।ক্রমশ....লেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাত

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Rice Mill: রাইসমিলের যন্ত্রাংশ চুরিতে জড়িত ১৬ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

রাতের অন্ধকারে বন্ধ থাকা রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির কারার সময়ে পুলিশি অভিযানে ধরা পড়লো ১৬ জন দুষ্কৃতী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত পলশা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে ওই দুষ্কৃতীদের ধরে। ধৃতরা বর্ধমান ও দেওয়ানদিঘী থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, মিল থেকে চুরি করা দামি যন্ত্রাংশ ভর্তি একটি লরিও তাঁরা বাজেয়াপ্ত করেছেন। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে হেপাজতে নেওয়া হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির পলশা এলাকার আদ্যামা নামের রাইসমিলটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই মিলের দামি যন্ত্রাংশ চুরির জন্য শুক্রবার রাতে ১৫-২০ জনের দুষ্কৃতী দল মিলের ভিতরে ঢোকে। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় মেমারি থানার ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ওসি বলেন, বন্ধ থাকা রাইসমিলে দুষ্কৃতী দলের হানা দেওয়ার খবর পেয়েই মেমারি থানার পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌছে যায়। পুলিশ দেখে কয়েকজন দুষ্কৃতী পালাতে সক্ষম হলেও কয়েকজন ধরে পড়ে যায়। তারপর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ওই এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে মোট ১৬ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিলের যেসব যন্ত্রাংশ চুরি করে দুষ্কৃতীরা একটি লরিতে লোড করেছিল সেই লরিটিও বাজোয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছে। দুষ্কৃতী দলে আরও কারা যুক্ত রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
দেশ

Abhishek-ED: অভিষেককে তৃতীয়বার তলব ইডি-র

কয়লা পাচার-কাণ্ডে ফের দিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দপ্তরে তলব করা হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ইডি-র একটি সূত্র জানাচ্ছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর হাজিরা দেওয়ার জন্য তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে তৃতীয়বার তলব করা হল অভিষেককে। গত সোমবার দিল্লির ইডি দপ্তরে প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল অভিষেককে। এর ৪৮ ঘণ্টা পরেই তাঁকে নোটিস পাঠিয়ে ফের শুক্রবার দিল্লিতে হাজির হতে বলে ইডি। কিন্তু ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ জানিয়ে ইডি-কে দেন, তিনি হাজির থাকতে পারবেন না। এর পর শনিবার আবার তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের অভিষেককে ইডি-র নোটিস পাঠানোর ঘটনা নিয়ে বুধবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। বুধবার ভবানীপুরে তৃণমূলের কর্মিসভায় নরেন্দ্র মোদি সরকার এবং বিজেপি-কে নিশানা করে তিনি বলেন, দুদিনও হয়নি অভিষেককে ডেকে ৯ ঘণ্টা জেরা করল। আবার ডেকে পাঠিয়েছে। রাজনীতিতে পেরে উঠছে না, তাই ৯ ঘণ্টা জেরা করার পর আবার ডাকল অভিষেককে। এরমধ্যেই ফের একবার ইডি তলব করল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
দেশ

Mumbai Nirvaya: দগদগে ক্ষত নিয়ে ৩৩ ঘণ্টার লড়াই থামল মুম্বইয়ের 'নির্ভয়া'র

ধর্ষণ ও নারকীয় অত্যাচারের ঘটনা ফের একবার মনে করাল দিল্লির নির্ভয়া-কাণ্ডের। ৩৩ ঘণ্টার লড়াই শেষ করে মৃত্যু হল মুম্বইয়ের নির্ভয়ার। শনিবার সকালে হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। টেম্পোর মধ্যে ধর্ষণ করা হয় বছর ৩২-এর ওই মহিলাকে। যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে নৃশংস অত্যাচারও করা হয় তাঁর ওপর। পুলিশ নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছিল। চিকিৎসকরাও তড়িঘড়ি তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। কিন্তু শরীরে ক্ষত এত বেশি ছিল আর যে ভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল, তাতে শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসা চলাকালীনই ঘাটকোপারের রাজাওয়াড়ি হাসপাতালে শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর। টুইট করে এমনই জানিয়েছে মুম্বই পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দাদার বায়োপিক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মহারাজের দরবারের প্রেসিডেন্টমহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ পাটিল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যের আরও এক মন্ত্রী নবাব মালিক বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব এই ঘটনার চার্জশিট তৈরি করা হবে। এবং ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে তুলে অভিযুক্তের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। মুম্বইয়ের রাজওয়াড়ি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করেছিল পুলিশ। চিকিৎসা শুরু হলেও ক্রমশ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। ভেন্টিলেটরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। একটা সার্জারিও করা হয়েছে তাঁর শরীরে। কিন্তু চিকিৎসকেরা নজর রাখছিলেন নির্যাতিতা মহিলার শরীর চিকিৎসায় কী ভাবে সাড়া দেয়। ক্রমেই খারাপ হতে শুরু করে শারীরিক অবস্থা। সারা শরীরে ক্ষত থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।শুক্রবার ভোররাতে মুম্বইয়ের সাকিনাকা এলাকার একটি ফাঁকা টেম্পো থেকে উদ্ধার হয় রক্তাক্ত, অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মহিলাকে। ধর্ষণের মূল অভিযুক্ত মোহন চৌহানকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, খুনের চেষ্টার মামলা রুজু হয়েছে। একটি সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশের হাতে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ধর্ষণের আগে মহিলাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করছেন মোহন। তার পর তাঁকে ধর্ষণ করে যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেন। বার বার সেই রড দিয়ে মহিলার যৌনাঙ্গে আঘাত করতেও দেখা গিয়েছে মোহনকে। এর পরই মহিলাকে পাশে দাঁড়ানো একটি ফাঁকা টেম্পোতে তোলেন। সেখানে গুরুতর জখম অবস্থায় ফেলে রেখে চম্পট দেন তিনি। রাত তখন আড়াইটে, তিনটে। ঘটনার মিনিট পনেরো বাদে ওই রাস্তা দিয়েই এক ব্যক্তি যাচ্ছিলেন। তখনই তিনি মহিলাকে দেখতে পান। টেম্পো থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল রাস্তায়। অচৈতন্য অবস্থায় মহিলাকে দেখতে পেয়েই পুলিশ কন্ট্রোলরুমে ফোন করেন তিনি। পুলিশ এসে স্ংকটজনক অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
বিদেশ

Taliban: পঞ্জশীর দখল নিচ্ছে তালিবান? নৃশংসভাবে খুন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির ভাই

আফগানিস্তানের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি আমরুল্লাহ সালেহর ভাই রোহুউল্লাহ সালেহকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে তালিবানরা। সূত্র জানিয়েছে, পঞ্জশীরে তালিবানের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়। শুক্রবার পঞ্জশীর উপত্যকায় তাঁর দেহ তালিবানরাই উদ্ধার করেছে বলে খবর। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে দাবি, প্রথমে রোহুউল্লাহর উপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এরপর নৃশংসভাবে মেরে ফেলা হয় তাঁকে।আরও পড়ুনঃ সিআরপিএফকে উড়িয়ে ডুরান্ডের নক আউটে মহমেডানপঞ্জশীরে সম্পূর্ণ দখল নেওয়ার দাবিতে অবশ্য এখনও অনড় রয়েছে তালিবান। তবে বারবারই নর্দান অ্যালায়েন্সের প্রতিরোধ বাহিনী তালিবদের সেই দাবি অস্বীকার করে এসেছে। ফলে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এখনও অব্যাহত রয়েছে পঞ্জশীরে। আপাতত সেই ভুখণ্ডেই আশ্রয় নিয়েছেন আফগানিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আমরুল্লাহ সালেহ। তবে এরই মধ্যে খবর এসেছে, আফগান বিরোধী প্রতিবাদী ফৌজের প্রধান আহমেহ মাসুদ নাকি আমরুল্লাহ সালেহর সঙ্গে তাজিকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছেন। তালিবান পঞ্জশীরে দখল নেওয়ার পর থেকে এমনই খবর রটে গিয়ে আফগানিস্তানে। তবে তাজিকিস্তানের পক্ষ থেকে এমন খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি।জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে সালেহ ও তালিবান যোদ্ধাদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। তালিবানের দাবি, তারা আমরুল্লা সালেহর গোপন ডেরার লাইব্রেরি পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। সেখানেই লড়াইয়ে নিহত হয়েছেন রুহুল্লা সালেহ। আহমেদ মাসুদের একটি অস্ত্রাগারও দখল করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জেহাদিরা। বলে রাখা ভাল, প্রায় মাসখানেকের লড়াইয়ের পর গত সোমবার বা ৬ সেপ্টেম্বর পঞ্জশির দখল করার কথা ঘোষণা করে তালিবান। শুধু তাই নয়, তালিবানের দাবি, পঞ্জশিরে প্রতিরোধ বাহিনীর অন্যতম নেতা আহমেদ মাসুদের বাড়িরও দখল নিয়েছে তারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও ভাইরাল হয়েছে। তালিবানের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ দাবি করে, আফগানিস্তানের শেষ প্রদেশ হিসাবে পঞ্জশির এখন আমাদের দখলে। গোটা আফগানিস্তানেরই দখল নিয়েছে তালিবান।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Durand Cup : সিআরপিএফ–কে উড়িয়ে ডুরান্ডের নক আউটে মহমেডান

কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের তুলনায় ডুরান্ড কাপকে হয়তো বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন মহমেডান স্পোর্টিং কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। না হলে ডুরান্ড কাপে এইরকম দুরন্ত ফুটবল কেন উপহার দেবে সাদাকালো ব্রিগেড? একদিন আগেই কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে ইউনাইটেড স্পোর্টসের কাছে আটকে গিয়েছিল মহমেডান। শুক্রবার সেই দলই ডুরান্ড কাপে সিআরপিএফকে উড়িয়ে দিল ৫১ ব্যবধানে? মাত্র ১ দিনের ব্যবধানে এইরকম ভোল বদল! ডুরান্ড কাপের গ্রুপ লিগে পরপর ২ ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল মহমেডান। মহমেডানের হয়ে ২টি করে গোল করেন আজহারউদ্দিন ও মার্কাস। একটি গোল ব্রেন্ডনের।শুক্রবার বেলা ৩টেয় কল্যানী স্টেডিয়ামে ম্যাচ ছিল মহমেডান ও সিআরপিএফএর। প্রচন্ড গরমের মধ্যেও নিজেদের দারুণভাবে মেলে ধরেন মহমেডান ফুটবলাররা। ম্যাচের ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় সাদাকালো ব্রিগেড। সিআরপিএফএর বক্সের বাঁদিকে ঢুকে মাইনাস করেন ফৈজল। বল জালে পাঠাতে ভুল করেননি আজহারউদ্দিন মল্লিক। এরপরই ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় মহমেডান। সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সিআরপিএফ। বেশ চাপে পড়ে যায় মহমেডান রক্ষণ। মনে হচ্ছিল যে কোনও সময় সমতা ফেরাতে পারে সিআরপিএফ। কিন্তু অনভিজ্ঞতার জন্য গোল তুলে নিতে পারেনি।বিরতিতে কোচ আন্দ্রে চেরনিশভের পেপ টক বদলে দেয় মহমেডানকে। অনেক সতর্কভাবে শুরু করে সাদাকালো ব্রিগেড। সিআরপিএফের আক্রমণ সামলে প্রতি আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে। এইরকম প্রতি আক্রমণ থেকেই ৬৪ মিনিটে ফৈজলের পাস থেকে মার্কাস জোসেফ মহমেডানের হয়ে ব্যবধাআন বাড়ান। ২ মিনিট পর আবার গোল মার্কাস যোশেফের। আজহারউদ্দিনের মাটি ঘেঁসা পাস থেকে ৩০ করেন। ৮৬ মিনিটে ৪০ করেন আজহারউদ্দিন মল্লিক। মিনিট তিনেক পর জটলার মধ্যে বল পেয়ে সিআরপিএফের হয়ে ব্যবধান কমান দর্শপ্রীত। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে মহমেডানের হয়ে ৫১ করেন ব্রেন্ডন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন আজহারউদ্দিন। দলের খেলায় খুশি মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ার্ধে ছেলেরা দুর্দান্ত খেলেছে। এই খেলা ধরে রাখতে পারলে সেমিফাইনালে যেতে সমস্যা হবে না।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজনীতি

Tripura TMC: ত্রিপুরায় শক্তি দেখাতে তৃণমূলের পদযাত্রা

আবার ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত দুমাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার। লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছোড়া। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, বুধবার দুপুর ২টোয় আগরতলায় পদযাত্রার ডাক দিয়েছেন। এর ফলে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়বে।এই পরিস্থিতিতে আগরতলায় ফের পদযাত্রার পরিকল্পনা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সঙ্গে থাকতে পারেন দলের একাধিক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়কও। এদিন কুণাল ঘোষ টুইট করে এই পদযাত্রার কথা ঘোষণা করেন। 15 সেপ্টেম্বর ত্রিপুরার আগরতলায় পদযাত্রা করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির সন্ত্রাস, অপশাসন, জনবিরোধী নীতি, কথা না রাখার প্রতিবাদে এবং ত্রিপুরার প্রকৃত উন্নয়নের অভিযানকে সামনে রেখে কোভিড সতর্কতা রক্ষা করে এই পদযাত্রা করবেন তিনি। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) September 10, 2021কদিন আগেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। তাঁকে সামনে রেখেই ত্রিপুরা জয়ের পরিকল্পনা সাজাচ্ছে তৃণমূল। সুস্মিতা নিজে সময় দিচ্ছেন ত্রিপুরায়। এরই মধ্যে ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক। সূত্রের খবর, অভিষেকের এ বারের আগরতলা সফরে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন এক বিজেপি বিধায়ক। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। দলের ছাত্র শাখার প্রতিষ্ঠা দিবসে অভিষেক বলেছিলেন, দেড় বছরের মধ্যে ত্রিপুরা জয় করবে তৃণমূল। বুধবারের পদযাত্রা সেই লক্ষ্যে ত্রিপুরায় তৃণমূলকে কতটা এগিয়ে দিতে পারে, সে দিকেই নজর থাকবে আগামী দিনে।আরও পড়ুনঃ আবার করোনার হানা ভারতীয় শিবিরে, পঞ্চম টেস্ট নিয়ে অনিশ্চয়তাতৃণমূল সূত্রে খবর, ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টোয় ত্রিপুরায় পদযাত্রা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ওই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারেন এরাজ্যের তৃণমূলের বহু শীর্ষ নেতা। ২০২৩-এর বিধানসভা ভোটকে টার্গেট করে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক জমি শক্ত করছে তৃণমূল। সেখানে ২১ জুলাই, খেলা হবে দিবস, রাখিবন্ধন উৎসব পালন করেছে রাজ্যের শাসক দল। ত্রিপুরায় দলীয় কার্য়ালয় তৈরি করতেও উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল। উল্লেখ্য, গত কয়েকমাস ধরে শাসক-বিরোধী তরজায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে ত্রিপুরায়। বিরোধী তৃণমূল ও সিপিএমের অভিযোগ, বেছে বেছে তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে। আগুন লাগানো হচ্ছে পার্টি অফিসে। এর আগে ত্রিপুরায় অভিষেকের গাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছিল। যার পর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেকের জীবন বিপন্ন, ছায়ার মতো ওকে অনুসরণ করছে শাহের গুন্ডারা। তৃণমূলের ছাত্রনেতারও ত্রিপুরায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এরই মাঝে দলের শক্তির ঝাঁঝ বোঝাতে এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজ্য

Suicide: খেতমজুর মা দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দিতে না পারায় আত্মঘাতী ছাত্র

খেতমজুর মা দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দিতে না পারার অভিমানে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে আত্মঘাতী হল ছেলে। মৃতের নাম রূপায়ন দাস(১১)। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী থানার কালেখাঁতলা পঞ্চায়েতের মুরাগাছা গ্রামে।বৃহস্পতিবার কালনা মহকুমা হাসপাতাল মর্গে মৃত ছাত্রের দেহের ময়নাতদন্ত হয়। পূর্বস্থলী থানার পুলিশ ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়ে, মুরগাছা গ্রামের ছাত্র রূপায়ন দাস স্থানীয় বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেনীতে পড়তো। সে বৃহস্পতিবার তাঁর মা বিহান দাসের কাছে দামি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন কিনে দেওয়ার জন্য আবদার করে। অত দামি মোবাইল ফোন কিনে দিতে পারবে না বলে খেতমজুর মা বিহানদেবী তাঁর ছেলেকে জানিয়ে দেন। এরপরেই মায়ের উপর অভিমান করে ছেলে রূপায়ন দাস ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়েঝুলে পড়ে। রুপায়ন দীর্ঘ সময় ঘর থেকে বের না হওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। দরজা ঠেলে ঘরে ঢুকে পরিবারের লোকজন রূপায়নের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায়। ছাত্রের এমন অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে ।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kolkata Football League : কলকাতা লিগের তৃতীয় ম্যাচেই আটকে গেল মহমেডান

জয় দিয়ে দারুণ ভাবে এবছর মরশুম শুরু করেছিল মহমেডান স্পোর্টিং। কলকাতা লিগে পরপর দুটি ম্যাচে জয়। আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। ডুরান্ড কাপেও সেই আত্মবিশ্বাসের রেশ বজায় ছিল। যুবভারতীতে উদ্বোধনী ম্যাচে ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সকে ৪১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল সাদাকালো ব্রিগেড। কিন্তু ৭২ ঘন্টার মধ্যেই উল্টোপূরান। কলকাতা লিগে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে আটকে গেল মহমেডান স্পোর্টিং। বুধবার ইউনাইটেড স্পোর্টসের সঙ্গে মহমেডানের খেলা শেষ হল ২২ গোলে। মহমেডানের হয়ে গোল করেন মার্কাস জোসেফ এবং জসকরণপ্রীত সিং। ইউনাইটেডের গোলদাতা সুব্রত মুর্মু এবং জগন্নাথ ওঁরাও। দুদিন পরেই ডুরান্ডের ম্যাচ। টানা খেলার ক্লান্তি এড়াতে প্রথম একাদশের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে প্রথম একাদশে রাখেননি সাদাকালো কোচ। তাসত্ত্বেও ইউনাইটেড স্পোর্টসের বিরুদ্ধে এদিন ভালোই শুরু করেছিল মহমেডান। ম্যাচের ৭ মিনিটে এগিয়েও যায়। পেনাল্টি বক্সের বাঁদিক থেকে জোরালো শট নিয়েছিলেন জসকরণপ্রীত সিং। ইউনাইটেড স্পোর্টস গোলকিপার কোনও রকমে বল বাঁচান। ফিরতি বল জালে পাঠিয়ে মহমেডানকে এগিয়ে দেন মার্কাস জোসেফ। এই লিড অবশ্য বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি মহমেডান। ১৭ মিনিটেই সমতা ফেরান ইউনাইটেড স্পোর্টসের সুব্রত মুর্মু। সেন্টার সার্কেলের সামনে থেকে বল ধরে এগিয়ে গিয়ে মহমেডানের দুজন ফুটবলারকে চোখের নিমেষে ইনসাইড এবং আউটসাইড ডজে মাটিতে ফেলে দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠান সুব্রত। পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনির প্রত্যন্ত গ্রাম তিলাকুলার দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছেন সুব্রত মুর্মু। ২০১৮ সালে ইউনাইটেড স্পোর্টস প্রতিভা অন্বেষণের সুফল এই তরুণ ফুটবলার। কলকাতা ফুটবল লিগে মহমেডানের বিরুদ্ধেই এদিন প্রথম মাঠে নেমেছিলেন। আর অভিষেক ম্যাচেই দুরন্ত গোল। সুব্রতর গোল নজর কেড়েছে মাঠে যারা উপস্থিত ছিলেন সকলেরই। স্বয়ং মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভও প্রশংসা করেছেন সুব্রতর গোলের। ম্যাচের ২৯ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় মহমেডান। ইউনাইটেড স্পোর্টসের বক্সের বাঁদিক থেকে সেন্টার করেন মাকার্স জোশেফ। সেই সেন্টারে হেড করে মহমেডানকে আবার এগিয়ে দেন জসকরণপ্রীত সিং। ৪৪ মিনিটে ইউনাইটেডের হয়ে সমতা ফেরান জগন্নাথ ওঁরাও। প্রহ্লাদ রায়ের পাস থেকে গোল করেন তিনি। জয়ের লক্ষ্যে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আজহারউদ্দিন, ফৈয়াজদের নামান মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। গোলের সুযোগ তৈরি হলেও তিন কাঠি খুঁজে পাননি আজহার, মার্কাসরা। ম্যাচ শেষে মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ বলেন, একদিন পরেই ডুরান্ডের ম্যাচ। তাই প্রথম একাদশের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে বিশ্রাম দিয়েছিলাম। ফুটবলাররা চেষ্টা করেছে। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করার সুযোগও পেয়েছিলাম। কাজে লাগাতে পারিনি।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Samadarshi Dutta : ওয়েব সিরিজে পরিচালক হিসাবে ডেবিউ করছেন সমদর্শী

ক্লিকের নতুন ওয়েব সিরিজ গাঙ্গুলিস ওয়েড গুহস। এই ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে অভিষেক করছেন সমদর্শী দত্ত। এছাড়া অভিনয় করতেও দেখা যাবে তাকে। উল্লেখযোগ্য কলাকুশলীদের মধ্যে মধুরার চরিত্রে রয়েছে অমৃতা চট্টোপাধ্যায়, প্রণয়ের চরিত্রে সমদর্শী দত্ত, অন্তরীক্ষের চরিত্রে সৌম্য ব্যানার্জি, পল্লবের চরিত্রে রানা বাসুঠাকুর, সুবিমলের চরিত্রে শুভ্রজিৎ দত্ত সহ আরো অনেকে রয়েছে। সঙ্গীত পরিচালক শ্রাবণ ভট্টাচার্য। সঙ্গীতশিল্পী উজ্জয়িনী মুখার্জি, অমৃতা সিং, সৌম্য মুর্শিদাবাদি এবং শ্রাবণ ভট্টাচার্য। জমজমাট বিয়েবাড়ির আসর সাজানো ৭টি পর্বের এই ওয়েব সিরিজটি ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লিকে দেখানো হবে।আরও পড়ুনঃ ২৯ এ পা পায়েলেরনীলমনি মিত্র লেনের একান্নবর্তী গাঙ্গুলি পরিবারের থেকে বালিগঞ্জের গুহ পরিবার অনেকটাই আলাদা। গুহরা শিল্পচর্চা নিয়ে থাকে, প্রায় সকলেই কিছু না কিছু জানে, কেউ রবীন্দ্র সঙ্গীত, কেউ বা কত্থক আর সান্ধ্য আসর জমায় টলি ক্লাবে, সুরা আর চিজে ডুব দিয়ে। আর অন্যদিকে উত্তর কলকাতার বনেদি গাঙ্গুলি পরিবার, যারা কিনা এখনো পুরনো আসবাব আর কোচবিহার রাজ পরিবারের সাথে কোনো এক সম্পর্ক নিয়ে গর্ব বোধ করেন। নামকরা উকিল, ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে একান্নবর্তী পরিবার গাঙ্গুলিরা। এই দুটো পরিবারের মধ্যে ততটাই পার্থক্য, যতটা হওয়া সম্ভব। কিন্তু তবুও তারা এক জায়গায় জড়ো হয়েছে একটাই কারণে, কারণ তাদের বাড়ির দুই ছেলে-মেয়ে বেশ কিছুদিনের ফুরফুরে কলেজ প্রেমকে বিবাহের রূপ দিতে চেয়েছে।আরও পড়ুনঃ নিজের দেশেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিমণিগাঙ্গুলি আর গুহরা পরস্পরকে ঠিক কতটা অপছন্দ করে সেটা এই বিয়েবাড়ি থেকে ঢের বোঝা যায়। চাপা উত্তেজনা, হাস্যকর সমস্যা, সন্দেহ, গোপনীয়তা, হঠাৎ করে হয়ে যাওয়া রোমান্টিক রিইউনিয়ন, বা পুরোনো, নতুন সম্পর্কের মাঝেও পাকা দেখা থেকে শুরু করে, আইবুড়োভাত হয়ে রিসেপশন, বিয়ের নানান আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে করতে শেষে দুই পরিবারের মিল হয় এই গল্পে।ছবি - প্রকাশ পাইন

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: আফগানিস্তানে ঘোষিত হল তালিবান সরকার

দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে ঘোষিত হল আফগানিস্তানের তালিবান সরকার। মঙ্গলবার রাতে প্রথম দফার মন্ত্রিসভা ঘোষণা করেন সংগঠনের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ। মহম্মদ হাসান আখুন্দ হলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী। আব্দুল গনি বরাদর হলেন তাঁর ডেপুটি।আফগানিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার সামলাবে আমির খান মুত্তাকি আর তাঁর ডেপুটি আব্বাস স্তানিকজাই।। সরাজউদ্দিন হাক্কানি সে দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী। উল্লেখ্য, হাক্কানি নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠাতার ছেলে সরাজউদ্দিন হাক্কানি। আর সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে কাজ সামলাবেন মোল্লা ইয়াকুব। রীতিমতো সাংবাদিক বৈঠক করে এই নাম ঘোষণা করেছে তালিবান।আরও পড়ুনঃ পুজোয় ঠাকুর দেখতে পারবেন? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রীদায়িত্বপ্রাপ্ত বিদেশ মন্ত্রী হলেন আমির খান মুত্তাকি। দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মোল্লা হেদিয়াততুল্লা বাদরিকে। দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষা মন্ত্রী করা হয়েছে শেখ মওলায়ি নুরুল্লাকে। সংস্কৃতি মন্ত্রী করা হয়েছে মোল্লা খাইরুল্লা খেরখানকে। সূত্রের খবর অনুসারে,মঙ্গলবার রাতে কাবুলে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ। তিনি ঘোষণা করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হল মোল্লা ওমর। তিনি আরও বলেন, ইসলামিক এমিরেট সিদ্ধান্ত নিয়েছে আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা দিয়ে সরকারের কাজ করবে। মুজাহিদ মোট ৩৩ সদস্যের মন্ত্রিসভার নাম ঘোষণা করেন সাংবাদিক বৈঠকে। বাকি মন্ত্রীদের নাম আগামী বৈঠকের পরই ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।অন্য তালিব নেতাদের তুলনায় কম পরিচিত মুখ হলেও আখুন্দের নাম রয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের জঙ্গি-তালিকায়। বিশেষ সূত্র উদ্ধৃত করে একটি পাক দৈনিকের দাবি, নয়া সরকারের প্রধান হিসেবে আখুন্দের নাম প্রস্তাব করেন তালিবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লা আখুন্দজ়াদা স্বয়ং। হিবাতুল্লাকে ইরানের কায়দায় দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার পদে বসিয়ে তাঁর অধীনে প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে তালিবান সরকার গড়বে বলে শোনা যাচ্ছিল। তাঁর ভূমিকা নিয়ে আজ কোনও ঘোষণা করেনি তালিবান। তবে হিবাতুল্লা এক বিবৃতিতে বলেছেন, দেশবাসীকে আশ্বস্ত করছি, এঁরা দেশে শরিয়া আইন এবং ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করতে কঠোর পরিশ্রম করবেন। দীর্ঘমেয়াদি শান্তি, শ্রীবৃদ্ধি এবং উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন তাঁরা। কেউ যেন দেশ ছাড়ার চেষ্টা না করেন। ইসলামি আমিরশাহিতে কাউকে নিয়েই কোনও সমস্যা নেই।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 54
  • 55
  • 56
  • 57
  • 58
  • 59
  • 60
  • ...
  • 91
  • 92
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal