• ২৫ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ed

খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া

টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে দেশকে গর্বিত করেছেন নীরজ চোপড়া। টোকিও থেকে দেশে ফেরার পর সংবর্ধনার জোয়ারে ভেসেই চলেছেন। বাড়ছে স্বীকৃতির তালিকাওয। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি, সবাই কুর্নিশ জানিয়েছেন। এবার আরও বড় সম্মান দিতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। নীরজের নামে একটি স্টেডিয়ামের নামকরণ করতে চলেছে।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?পুণেতে সাদার্ন কমান্ডের আর্মি স্পোর্টস ইন্সটিটিউটের নামকরণ করা হবে নীরজের নামে। আগামী ২৩ অগস্ট, সোমবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে আসবেন। সেনাবাহিনির প্রধান এমএম নরাবণে এবং সাদার্ন আর্মি কমান্ডারের লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেএস নৈনেরও হাজির থাকার কথা। নীরজ নিজেও হাজির থাকবেন।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরঅলিম্পিকের অ্যাথলেটিক্সে ভারতের হয়ে প্রথম সোনা জেতা নীরজ চোপড়া শুধু দেশ নয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীকেও গর্বিত করেছেন। তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত। রাজপুতানা রাইফেলসে সুবেদার পদে কাজ করেন। ২৩ বছরের অ্যাথলিটকে নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গর্বের শেষ নেই। তারই স্বীকৃতি স্বরূপ পুনের সেনা স্টেডিয়াম নীরজের নামে চিহ্নিত হতে চলেছে। এর আগে টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে দেশকে গর্বিত করা নীরজ চোপড়ার সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎ করেছিলেন সেনাপ্রধান নারাভানে। ২৩ বছরের অ্যাথলিটের পরিবার সদস্যের সঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন। এবার উন্নত পরিকাঠামোর আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়ামটি নীরজের নামে নামাঙ্কিত করে তাঁকে অনন্য সম্মান দিতে চলছে ভারতীয় সেনা। পুনের এই আর্মি স্টেডিয়ামটি ২০০৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল। স্টেডিয়ামে সিন্থেটিক ট্র্যাকের পাশাপাশি দর্শকদের বসার জায়গাও রয়েছে।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াটোকিও অলিম্পিকের পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্টের ফাইনালে ৮৭.৫৮ মিটার দূরত্ব বর্শা নিক্ষেপ সক্ষম হয়েছিলেন নীরজ চোপড়া। সোনা জিতে দেশের মুখ তিনি উজ্জ্বল করেছিলেন। টোকিও অলিম্পিকের ওই ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বেও প্রথম হয়েছিলেন নীরজ। ওই রাউন্ডে ৮৬.৬৫ দূরত্বে বর্শা ছুঁড়েছিলেন ভারতের গর্ব। ১৩ বছর পর অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জেতা অ্যাথলিটের পরবর্তী লক্ষ্য ৯০ মিটার দূরত্বে বর্শা নিক্ষেপ করা। বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপেও দেশের হয়ে সোনা জিততে চান নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরভারতের প্রথম অ্যাথলিট হিসেবে অলিম্পিকের অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতেছেন নীরজ চোপড়া। একই সঙ্গে ১২১ বছর বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া ইভেন্টের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে পদক জিততে সক্ষম হয়েছে ভারত। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জিতেছিলেন শুটার অভিনব বিন্দ্রা। নীরজের হাত ধরে ১৩ বছর পর ফের একই রকম সফলতার স্বাদ পেল দেশ।

আগস্ট ২১, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: বার্লার পাশে দাঁড়িয়ে সুর বদল দিলীপের

ঘুরপথে হলেও, জন বার্লার পাশে দাঁড়ালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আলাদা উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবি অন্যায্য নয় বলে বিতর্কে বাড়ালেন দিলীপ। এমনকী, পৃথক জঙ্গলমহল রাজ্যের দাবিকেও সমর্থনই জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। শনিবার জলপাইগুড়িতে দাঁড়িয়েই উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্যে করার দাবিতে নিজের সমর্থন জানালেন দিলীপ। সেটাও আবার এই দাবি তুলে বিতর্কে জড়ানো আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লার উপস্থিতিতে। বললেন, মানুষের কথা বললেই কি বিচ্ছিন্নতাবাদী বলতে হবে নাকি!আরও পড়ুনঃ মনোজ-সামান্থার সেরা পুরস্কারবার্লা উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য করার দাবি তোলার সময়েও দিলীপ তার বিরোধিতা করেননি। আবার এ ভাবে সমর্থনও জানাননি। তবে সেই দাবি ওঠার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল সরকারকেই দায়ি করেছেন তিনি। শনিবার দিলীপ বলেন, আজ যদি জঙ্গলমহল এবং উত্তরবঙ্গ আলাদা হতে চায় তার সমস্ত দায়িত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ৭৫ বছর ধরে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন হয়নি। কেন এখানকার মানুষকে চিকিৎসা, শিক্ষা, চাকরি, স্বাস্থ্য ইত্যাদির জন্য বাইরে যেতে হবে। কেন হাসপাতাল, ভাল, স্কুল নেই? কেন কল কারখানা, জীবিকার ব্যবস্থা নেই? জঙ্গলমহলেও সেই অবস্থা। মা, বোনেরা শালপাতা, কেন্দুপাতা নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। কেন তাঁদের চাকরির জন্য রাঁচি, ওডিশা, গুজরাতে যেতে হচ্ছে? এই দেশের স্বাধীনতা, উন্নয়নের লাভ পাওয়ার অধিকার নেই তাঁদের? তাই তাঁরা যদি এই দাবি তুলে থাকেন তা হলে সেটা নাজায়েজ নয়।শনিবার বিজেপি-র উত্তরবঙ্গে বার্লার শহিদ সম্মান যাত্রা কর্মসূচিতে যোগ দেন দিলীপ। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে দিলীপ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জন বার্লা এক জন জনপ্রতিনিধি। যাঁরা তাঁকে জিতিয়েছেন তাঁদের কথা শোনাটা তাঁর দায়িত্ব। তিনি তাই বলেছেন। সেই সঙ্গে পাহাড়ে আলাদা রাজ্যের দাবি প্রসঙ্গে দিলীপ মমতার নাম না করেও খোঁচা দেন। বলেন, উনি তো গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে জিইয়ে রেখে জিটিএ-তে সই করেছিলেন। তখন প্রশ্ন ওঠেনি? যখন লোকের আওয়াজকে আমরা তুলে ধরেছি, তখন আমরা বিচ্ছিন্নতাবাদী হয়ে গেলাম?

আগস্ট ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aryana Sayeed : তালিবানদের ভয়, দেশ ছাড়লেন পপ তারকা

আফগানিস্তান তালিবানদের ক্ষমতায় আসার পর দেশে আলোড়ন পরে গেছে। তালিবানদের ভয়ে অনেকেই দেশ ছেড়ে বিদেশে চলে যাচ্ছেন। দেশজুড়ে এখন টালমাটাল পরিস্থিতি। তালিবানরা ঘোষণা করেছে, শরিয়া অনুযায়ী দেশ চলবে। সকলকেই মানতে হবে। এই পরিস্থিতিতে জঙ্গিদের শাসনমুক্ত হতে চেয়ে দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করা আফগানদের দলেই নাম লেখালেন আফগান পপ তারকা আরিয়ানা সঈদ। আফগানিস্তানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পপ সঙ্গীত গেয়ে বেড়াতেন আরিয়ানা। কখনওই পোশাক নিয়ে গোঁড়ামি দেখা যায়নি তাঁর। বরং খোলামেলা সাহসী পোশাকেই বারবার তাঁকে মঞ্চ মাতাতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু তালিবান শাসনে আর সেসব করা যাবে না। তালিবান জানিয়েছেন বোরখা আফগানিস্তানে বাধ্যতামূলক হলেও মেয়েদের হিজাব পরতেই হবে। এই পরিস্থিতিতে নিজের জীবনের ঝুঁকি ভালই আন্দাজ করেছিলেন আরিয়ানা। তাই তড়িঘড়ি আমেরিকার উদ্ধারকারী বিমানে দেশ ছেড়েছেন তিনি। নেটমাধ্যমে আরিয়ানার অনুরাগী মহল তাঁকে যথেষ্ট চিন্তিত ছিল। তাঁদের সকলকে আশ্বস্ত করেছেন পপ তারকা। ছবি পোস্ট করে জানিয়েছেন তিনি সুরক্ষিত আছেন। আফগানিস্তানের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে মাইক হাতে দেখা যেত আরিয়ানা সঈদকে। খোলা মঞ্চে ও গান গাইতেন তিনি। কখনও বোরখা বা হিজাব পরেননি। সুইজারল্যান্ডে জীবনের অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন আরিয়ানা। তাই পোশাক নিয়ে গোঁড়ামি কখনও তাঁর মনে বাসা বাঁধতে পারেনি। আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর তালিবান আগ্রাসন দানা বাঁধতে শুরু করে। বিপদ বুঝে তাই দেশ ছেড়ে যান আরিয়ানা।

আগস্ট ২১, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: সাধারণ মানুষই রুখে দিল তালিবানি-তাণ্ডব, নিকেশ ১০০ তালিবানি

অত্যাচার সহ্য করতে করতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল। এবার ঘুরে দাঁড়ানো পালা। এ বার মাথা নত করে নয়, বরং তালিবানের চোখে চোখ রেখেই কথা বলছে বহু আফগানবাসী। খইর মুহাম্মদ আন্দারাবি গোষ্ঠীর অধীনে একদল সাধারণ মানুষই তালিবানদের হাত থেকে মুক্ত করল আফগানিস্তানের বাঘলান প্রদেশের পোল-ই-হেসার, দেহ সালাহ ও বানু জেলা।সূত্রের খবর, জেলাগুলি পুনর্গঠন করা ঘিরে ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০০ জন তালিবানি নিহত হয়েছে বলে খবর। ওই গোষ্ঠীর তরফে জানানো হয়েছে, মাত্র তিনটি জেলা দখল করেই তারা থেমে থাকবেন না। ধীরে ধীরে বাকি জেলাগুলি দখলের জন্যও তারা অগ্রসর হবেন। তালিবানের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, সকলকে ক্ষমা করে দেওয়ার যে কথা বলছে তালিবান, তা মোটেও অনুসরণ করছে না তারা।আরও পড়ুনঃ সনিয়ার ডাকা বিরোধী-বৈঠকে মমতার বার্তাশুক্রবারই কাবুলের উত্তরে পঞ্জশির উপত্যকার কাছেই অবস্থিত পোল-ই-হেসার জেলার দখল নেয় সাধারণ মানুষ। তালিবানদের পতাকা সরিয়ে আফগানিস্তানের পতাকা লাগানো হয় আবার। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও। এছাড়াও দেহ সালাহ ও বানু জেলাও তালিবানদের হাত থেকে কেড়ে দখল নেয় ওই গোষ্ঠী। তবে বিনা যুদ্ধে পিছু হটেনি তালিবানরা। দীর্ঘক্ষণ সংঘর্ষ চলার পরই ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের সঙ্গে না পেরে এলাকা ছেড়ে পালায় তালিবানিরা। সংঘর্ষে নিহত কমপক্ষে শতাধিক তালিবানি।উল্লেখ্য, পঞ্জশির উপত্যকাই হল আফগানিস্তানের একমাত্র জায়গা, যেখানে এখনও দখল নিতে পারেনি তালিবানরা। সূত্রের দাবি, ঘানির পালিয়ে যাওয়ার পর আফগানিস্তানের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ এই অঞ্চলেই লুকিয়ে রয়েছেন এবং সাধারণ মানুষদের উৎসাহিত করছেন তালিবানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে।

আগস্ট ২১, ২০২১
নিবন্ধ

Afghanistan: আদিমতার উল্লাস-মধ্যযুগীয় বর্বরতা-অস্ত্রের ঝনঝনানি, চুপ! সভ্যতা মুখে কুলুপ এঁটেছে

আফগানিস্থানে তালিবানদের আধিপত্য কায়েম হয়েছে আবার। ফের আদিমতার পদচিহ্নের সূত্রপাত। ১৯৯৪ সাল থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আফগানিস্থানে যে তালিবানি শাসন কায়েম ছিল তা পুনরায় ফিরে এলো। এই দেশের বেশির ভাগ অংশই এখন তালিবানিদের দখলে। শরিয়ত আইন স্থাপন এবং ইসলামিক রাষ্ট্র সামরিক শক্তির আশ্রয়ে গঠন করাই তালিবানদের লক্ষ্য। হঠাৎ করে আবার কেন তালিবানি শাসন বিস্তার? এই প্রশ্নের সম্মুখীন গোটা বিশ্ব, এই উত্থানের পেছনে কাদের মদত রয়েছে - এই প্রশ্ন জাগছে মানুষের মনে। মধ্যযুগীয় বর্বরতা, গণতন্ত্রের হত্যা, সামরিক বাহিনীর কড়া নজরদারি, যেখানে সেখানে মানুষের ন্যুনতম আধিকারে হস্তক্ষেপ, স্বাধীনতা খর্ব করাই হচ্ছে তালিবানদের প্রধান উদ্দেশ্য। কুড়ি বছর পর ফের আফগানিস্থানে তালিবানি শাসন কায়েম আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটাচ্ছে - দাবী বিশেষজ্ঞদের।আরও পড়ুনঃ ফাঁকা পড়ে থাকা ভারতীয় দূতাবাসে কী খুঁজছে তালিবান?বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, আফগানিস্থানের সাধারণ মানুষ দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে, মহিলারা ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছেন, স্কুল কলেজ সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো সব বন্ধ। যদিও তালিবানদের মুখপাত্র ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, আফগানিস্থানে সমস্ত অফিসের কার্যকলাপ স্বাভাবিক নিয়মে শুরু করার কথা। এছাড়াও তিনি আরও জানান, নারীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত রয়েছে এবং নারীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাওয়া নিয়ে তাঁদের কোনও বিরোধ নেই। কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন কথা বলছে। আফগানিস্থান থেকে মহিলারা সোশাল মিডিয়াতে জানিয়েছেন, তাঁরা নিরাপত্তা নিয়ে ভীষণ ভাবে ভীত, সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছেন। সরকারি টেলিভিশনের মহিলা অ্যাঙ্করকে ছাটাই করেছে কাবুল দখল করেই। হাত পিছমোড়া করে বেঁধে এক মহিলার কপালে গুলি করা হচ্ছে, সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।এরপরও কি তালিবানদের ওপরে কোনও ভরসা করা যায়? নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফা তিনিও উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেছেন নারী এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে।আরও পড়ুনঃ তালিবানি আতঙ্কের মাঝেই কেঁপে উঠল আফগানিস্তানমার্কিন সামরিক বাহিনী আফগানদের মাটি ছাড়ার পরই তালিবান শক্তি আফগানিস্থান দখল করেছে। এই ঘটনায় হতবাক বিশেষজ্ঞরা। এখানেই বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এরইমধ্যে আমেরিকার সংবাদ মাধ্যমেও প্রশ্ন উঠেছে সে দেশের প্রশাসনের কাছে কি আগাম খবর ছিল? একদল আমেরিকান সরকারি কর্মী এমন আভাসের কথাও নাকি জানিয়েছিলেন সে দেশের প্রশাসনকে। আমেরিকান সৈন্য আফগানিস্তানের মাটি ছাড়তেই তালিবানরা প্রবল শক্তিতে দখল নিতে শুরু করে। অস্ত্রের ঝনঝনানি শব্দ যে অনেক দিন বিশ্ববাসী শোনেনি। অস্ত্র ব্যবসাও তলানিতে। অর্থাৎ যুদ্ধ বা গৃহযুদ্ধের দামামা শুরু!আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফঅন্যদিকে, পাকিস্তান, চীন এবং মধ্য প্রাচ্য-এর দেশগুলো তালিবানদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। এমনটাই দেখা গিয়েছে। কমিউনিস্টরাও সমর্থন করছে ধর্মান্ধদের! রাজনীতির স্বার্থে সবই সম্ভব। তানিবানদের আফগানিস্থানে প্রথম সরকার গঠনের পরবর্তী ঘটনার ইতিহাস সারা বিশ্ব আজও ভুলতে পারেনি। সেই স্মৃতির আতঙ্ক ফের মনে করিয়ে দিচ্ছে তালিবানরা। একবিংশ শতাব্দীতেও গণতন্ত্র বাদ দিয়ে ধর্মীয় উন্মাদনায় বন্দুকের নল যদি ক্ষমতার উৎস হয় তা ভয়াবহ হতে বাধ্য। ফের হত্যালীলা, অত্যাচার শুরু করে দিয়েছে। ভারতীয় দূতাবাসের অফিসগুলোতে তন্ন তন্ন করে তল্লাশি চালিয়েছে তারা। এই সভ্যতার যুগে মানুষ উড়োজাহাজের চাকায় ও ছাদে চেপে বসেছে। মাঝ আকাশ থেকে ছিটকে পড়ে মৃত্যু- আতঙ্কের ভয়াবহতা এতেই স্পষ্ট। আফগান নারীরা সন্তানদের প্রাণ বাঁচাতে এয়ারপোর্টে আমেরিকান সৈন্যদের হাতে তুলে দিয়েছে। এভাবেই এগোচ্ছে বিশ্বের সভ্যতা! রাস্ট্রসংঘ, উন্নয়নশীল দেশগুলো টিভির পর্দায় বর্বরতা দেখছে। কী কারণে রাষ্ট্রপুঞ্জ গঠন করা হয় তা-ও এখন প্রশ্নের মুখে। তালিবানদের বর্বরতা কোনও দেশের অভ্যন্তরীন বিষয় বলে এড়িয়ে যাওয়া যায় কি? এদেশের বিদ্বজনেরাও কিম্তু চোখে ঠুলি লাগিয়েছেন। তাঁদের মুখেও কিম্তু লিউকেপ্লাস্টার লাগিয়ে নিয়েছেন। কানে গুঁজেছেন তুলো। এসব বিষয় নিয়ে আলেচনা নৈব নব চ।আরও পড়ুনঃ তালিবানি অন্ধকারের মধ্যেই কী আশার আলো? মহিলা সঞ্চালককে সাক্ষাৎকার তালিবান নেতারজানা যাচ্ছে, আফগানিস্তানের পঞ্জশিরে এখনও তালিবানরা প্রবেশ করতে পারেনি। নর্দার্ন অ্যালায়েন্স প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। দেখা যাচ্ছে আফগান মহিলারাও হাতে অস্ত্র তুলে নিচ্ছে। এবার দখলদারির শুরুতে প্রতিরোধ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আগের তালিবান জমানায় একাধিক শিল্প-সংস্কৃতি-ঐতিহ্য ধ্বংস করেছে তালিবান গোষ্ঠী। এবারও যে কী করবে তা শীঘ্রই প্রত্যক্ষ করা যাবে।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমাবন্দরে প্রাণ বাঁচানোর লড়াইয়ে ম্লান একরত্তির অকাতর কান্নাএকবিংশ শতাব্দীতে এসেও মধ্যযুগীয় বর্বরতার শিকার হচ্ছে মানুষ - কেনও? সেই প্রশ্নই ঘুরে-ফিরে আসে। বিশ্বায়ন তথা আধুনিকতার যুগে এই বর্বরতার ছবি পুনরায় ঘটবে। অন্যদিকে বাকি বিশ্বের মানুষ তামাসা দেখবে? এটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।ডঃ অপর্ণা দেবনাথ

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌fganistan Footballer: বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলারের

দেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। বাঁচার মরিয়া প্রচেষ্টা বিফলে গেল। এক নিমেষে শেষ তরতাজা প্রান। স্বপ্নের উড়ান থেমে গেল তালিবান আতঙ্কে। বিমানের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেলেন আফগানিস্তানের তরুণ ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।তালিবানরা কাবুলের দখল নেওয়ার পর গত সোমবার থেকে দেশ ছাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন আফগানরা। কাবুলের বিমানবন্দর থেকে উড়ছে বিমান। বিমানের চাকাসহ বিভিন্ন জায়গা আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টায় বহু মানুষ। যারা সৌভাগ্যক্রমে ঠেলাঠেলি করে বিমানে উঠতে পেরেছেন তাঁরা বেঁচে গেছেন। কিন্তু বহু হতভাগ্য বিমানের ডানা, চাকাসহ নানা জায়গায় মরিয়া হয়ে উঠে পড়েছিলেন। বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু হচ্ছে দুই হতভাগ্যের। তাঁদেরই একজন ছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিমার্কিন বিমানবাহিনীর বোয়িং সি১৭ বিমান থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন জাকি। আফগানিস্তানের দখল তালিবানরা নেওয়ার পর জাকিও অনেক দেশবাসীর মতোই পালিয়ে কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। মরিয়া হয়ে প্রাণ বাঁচাতে মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে কোনওভাবে উঠেছিলেন বিমানের বাইরের কোনও অংশে। ওই বিমানটির চাকা ধরে কেউ কেউ বসেছিলেন। কেউ বসেছিলেন উড়ানের ডানার ওপর। প্রাণে বাঁচতে এতটাই মরিয়া হয়ে দেশ ছাড়তে উদ্যত হয়েছিলেন। তাঁদেরই একজন ছিলেন জাকি। বিমানের চাকায় তাঁর দেহাংশ পাওয়া গেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশওই বিমানের ভিতরে উঠতে পেরেছিলেন ৬৪০ জন। বিমানে যা যাত্রী ধরে তার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। যদিও আফগানিস্তানের জাতীয় যুব দলের ফুটবলার ১৯ বছরের জাকির বিমানের ভিতরে প্রবেশের সৌভাগ্য হয়নি। তাই বিমান থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল তাঁর। একের পর এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। একটিতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষ বিমানবন্দরের গেট ও ঘেরা অংশের বাইরে দাঁড়িয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য আকুতি করছেন। আর্তনাদ করে তাঁরা বলছেন, তালিবানরা আসছে। আমাদের বাঁচান।আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফমার্কিন বিমানবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, যে মিলিটারি কার্গো বিমানটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, সেটি কাতার বিমানবন্দরে পৌঁছয় যাত্রীদের নিয়ে। ওই বিমান থেকে পড়ে কত সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারিয়ছেন এবং তাঁদের পরিচয় সম্পর্কে এখনও পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিমানের চাকাতে অনেকের দেহাংশ মিলেছে বলে ডিপার্টমেন্ট অব দ্য এয়ার ফোর্স অব স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশনসের তরফে জানানো হয়েছে। বিমানটি কাবুল বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল আফগান ও মার্কিনদের দ্রুত আফগানিস্তান থেকে সরানোর জন্য। কিন্তু সেই সরঞ্জামগুলি নামানোর আগেই কয়েক হাজার মানুষ বিমানটিকে ঘিরে ফেলেন। এরপরই অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করে দ্রুত বিমানটি ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল যে দূতাবাসের আধিকারিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনীকে গুলি চালাতে হয়, যাতে জনা পাঁচেক মানুষ প্রাণ হারান।

আগস্ট ২০, ২০২১
টুকিটাকি

Amla: ত্বকের যত্নে ব্যবহার করুন আমলকির রস

আমলকির কিন্তু অনেক গুণ। শুধু শরীর-স্বাস্থ্য ভাল রাখাই নয়, ত্বক এবং চুলের পরিচর্যাতেও ব্যবহার করা হয় আমলকি। বিশেষ করে ত্বকের যত্নে দারুণ ভাবে কাজ করে আমলকি। তবে শুধু আমলকি দিলে হবে না। বরং ঘরোয়া পদ্ধতিতে রান্নাঘরের টুকটাক জিনিসপত্র দিয়ে যে ফেসপ্যাক বা স্ক্রাব তৈরি করেন, তার সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। ব্যাস, তাহলে ত্বকের বেশিরভাগ সমস্যার মুশকিল আসান হয়ে যাবে নিমেষে।আমলকির সঙ্গে কী কী মিশিয়ে ফেসপ্যাক তৈরি করা সম্ভব, জেনে নিন:আমলকির রস এবং পেঁপে- আমলকি এবং পেঁপে, দুটোই ত্বকের পিগমেন্টেশন অর্থাৎ কালচে দাগ ছোপ দূর করতে সাহায্য করে। তাই আমলকির রসের সঙ্গে ম্যাশড পাপায়া বা পেঁপে মিশিয়ে তৈরি করুন ফেসপ্যাক। সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন এই মিশ্রণ। মিনিট ১৫ রাখার পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। মুখে এই প্যাক লাগানোর সময় হাতের বদলে নরম কটন বল বা তুলো ব্যবহার করতে পারেন। সপ্তাহে অন্তত তিনদিন এই ফেসপ্যাক লাগান। দুসপ্তাহের মধ্যেই ত্বকের জেল্লা ফিরবে। ফল পাবেন হাতেনাতে। আমলকি, টকদই এবং মধু- মুখের ট্যান দূর করতেও সাহায্য করে আমলকি। তাই টকদই, মধু আর আমলকির রস মিশিয়ে তৈরি করুন ঘরোয়া ফেসপ্যাক। মুখের পাশাপাশি গলা এবং ঘাড়ের অংশেও এই প্যাক লাগাতে পারেন। কারণ মুখের সঙ্গে সঙ্গে গলা এবং ঘাড়ের অংশেও মারাত্মক ভাবে ট্যান পড়ে। এই ফেসপ্যাক লাগিয়ে অন্তত ২০ মিনিট রাখুন। একটু শুকিয়ে গেলে পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখ ধুয়ে নিন। তারপর নরম তোয়ালে দিয়ে আলতো হাতে মুখ মুছে জল শুকিয়ে নিন।আমলকি, চিনি আর গোলাপ জল- স্কিন এক্সফোলিয়েশন অর্থাৎ ত্বকের মরা কোষ ঝরিয়ে জেল্লা ফেরানোর ক্ষেত্রে আমলকির জুড়ি মেলা ভার। এই স্কিন এক্সফোলিয়েশনের জন্য চিনি এবং গোলাপ জলের সঙ্গে মিশিয়ে নিন আমলকির রস। এক্ষেত্রে গুঁড়ো চিনি ব্যবহাত করতে পারলে ভাল। আর এক চামচ গোলাপ জল দিলেই যথেষ্ট। তুলোয় ভিজিয়ে এই মিশ্রণ সারা মুখে লাগিয়ে নিন। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে স্ক্রাব করুন। মিনিট ১৫ ম্যাসাজের পর পরিষ্কার ঠাণ্ডা জলে মুখে ধুয়ে নিন। ধৈর্য ধরে কয়েকদিন এই ফেসপ্যাক ব্যবহার করলে উপকার পাবেন।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Kolkata Premier League : কলকাতা লিগে দুর্দান্ত শুরু মহমেডানের, নায়ক সার্বিয়ান নিকোলা

গতবছর কাছাকাছি এসেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ মুহূর্তে কলকাতা লিগ হাতছাড়া হয়েছিল। আই লিগেও প্রত্যাশিত পারফরমেন্স হয়নি। এবছর সাফল্য পেতে মরিয়া মহমেডান। মরশুমের শুরুতেই হাই প্রোফাইল বিদেশি কোচ নিয়োগ, ভাল মানের বিদেশি দলে নিয়ে চমক দিয়েছিলেন সাদাকালো কর্তারা। তার সুফল মিলল মরশুমের প্রথম ম্যাচেই। দুর্দান্ত জয় দিয়ে কলকাতা লিগ অভিযান শুরু করল মহমেডান স্পোর্টিং। বুধবার কল্যাণী স্টেডিয়ামে ৩০ গোলে হারাল সাদার্ন সমিতিকে।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?দলটাকে দারুণভাবে তৈরি করেছেন কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রাধান্য ছিল সাদাকালো শিবিরের। গোটা ম্যাচে মাঝমাঠে রাজত্ব করে গেলেন মহমেডানের সার্বিয়ান মিডফিল্ডার নিকোলা স্টোজানোভিচ। শুধু গোল করলেন না, গোল করিয়ে ম্যাচের নায়ক তিনি। দীর্ঘদিন পর একজন ভালমানের বিদেশি ফুটবলার নিয়েছেন মহমেডান কর্তারা। নিকোলা স্টোজানোভিচকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন সাদাকালো সর্মথকরা।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজম্যাচের শুরু থেকেই সাদার্ন সমিতির রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল মহমেডান। ১৫ মিনিটে এগিয়েও যায়। ১৮ গজ বক্সের ওপর থেকে দুরন্ত শটে গোল করে মহমেডানকে এগিয়ে দেন নিকোলা স্টোজানোভিচ। এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় মহমেডান। আক্রমণের জন্য বাঁ প্রান্তকেই বেছে নিয়েছিলেন সাদাকালো ফুটবলাররা। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারত। মাঝমাঠে ডানপ্রান্ত থেকে মিলন সিংয়ের লম্বা বাড়ানো বলে স্টেফান ইলিচের শট সার্দান ডিফেন্সে প্রতিহত হয়। ম্যাচের ৪০ মিনিটে সাদার্নের ৬ গজ বক্সের ওপর এসে কোনাকুনি দুরন্ত শটে গোল করে মহামেডানকে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন শেখ ফৈয়াজ।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপদ্বিতীয়ার্ধেও আধিপত্য ছিল মহমেডানের। একাধিক গোলের সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি ফৈয়াজরা। ম্যাচের ৬৮ মিনিটে বক্সের ওপর থেকে নিকোলার দুরন্ত শট সাদার্ন গোলকিপার অর্ণব দাস শর্মা দক্ষতার সঙ্গে প্রতিহত করে। ৮৩ মিনিটে নিকোলার অসাধারণ থ্রু পাশ থেকে সাদাকালো শিবিরের হয়ে তৃতীয় গোল আজহারউদ্দিন মল্লিকের। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে পেনাল্টি পেয়েছিল সাদার্ন। কিন্তু সাদার্নের মিনহাও কিলঙের পেনাল্টি রুখে দেন মহমেডান গোলরক্ষক জোথানমাওইয়া। ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন নিকোলা স্টোজানোভিচ। প্রথম ম্যাচে দলের খেলায় খুশি মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ।

আগস্ট ১৮, ২০২১
দেশ

NDA: মহিলাদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টের

সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির প্রবেশিকা পরীক্ষায় মহিলারাও বসতে পারবেন। বুধবার একটি জনস্বার্থ মামলায় অন্তবর্তী রায় দিয়ে জানাল সুপ্রিম কোর্ট। পরীক্ষায় মহিলাদের বসতে না দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় সেনাকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে শীর্ষ আদালত। বিষয়টি লিঙ্গবৈষম্যের সামিল বলেও ব্যাখ্যা করেছে ওই বেঞ্চ।আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির প্রবেশিকা পরীক্ষা হওয়ার কথা। ওই পরীক্ষায় মহিলাদের বসতে দেওয়া হচ্ছে না, এই অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়েছিলেন দিল্লির আইনজীবী কুশ কালরা। তিনি জানিয়েছিলেন, শুধু মাত্র লিঙ্গের কারণে মহিলাদের পরীক্ষায় বসতে না-দেওয়ার সিদ্ধান্তে আদতে লঙ্ঘিত হয়েছে ভারতীয় সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪, ১৫, ১৬ এবং ১৯। বুধবারের শুনানিতে আদালতে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, ভারতীয় সেনায় মহিলাদের সমান সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় কোনও রকম মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হয় না।

আগস্ট ১৮, ২০২১
বিদেশ

Taliban: তালিবানি অন্ধকারের মধ্যেই কী আশার আলো? মহিলা সঞ্চালককে সাক্ষাৎকার তালিবান নেতার

তালিবানি আতঙ্কের পরিবেশে অনেকটা উলটপুরাণই বটে। একটি আফগান সংবাদমাধ্যমের মহিলা সঞ্চালক বেহেস্তা আরঘান্দকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তালিবান মিডিয়া সেলের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক মাওলাই আবদুল্লা হেমাদ। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এই ছবিটি। তাহলে কী সত্যিই বদল এসেছে তালিবানি রক্ষণশীল ধারণায়? প্রশ্ন উঠছে। আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজ কাবুলের দখল নিয়েছে তালিবানরা। গোটা আফগানিস্তানের তাদের দখলে আসা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা। গোটা বিশ্ব যখন আগের অন্ধকার যুগ ফিরে আসার আতঙ্কে বুঁদ। শরিয়ত আইনের কঠোর শৃঙ্খলে বাঁধা পড়ার আশঙ্কায় যখন আতঙ্কে মহিলারা, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে এই ছবিটি। আফগানিস্তানে তালিবান রাজ কায়েম হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মহিলাদের নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা পৃথিবী। কারণ, শরিয়ত আইন মেনে চলা তালিবানরা বরাবরই মহিলাদের কঠোর নিয়মের মধ্যে বেঁধে রাখতে পছন্দ করে। মহিলাদের পড়াশোনার অধিকার, বাইরে কাজের অধিকার, পছন্দ মতো পোশাক পরার অধিকারকে মান্যতা দেয় না তারা। অন্তত অতীত তাই বলছে। কিন্তু এবার আফগানিস্তান নিজেদের কবলে নিয়ে নেওয়ার পর থেকেই মহিলাদের শিক্ষা, চাকরির জন্য আশ্বাসবানী শোনা যাচ্ছে তালিবানদের তরফে। যদিও তাতে ভরসা করতে সাহস দেখাচ্ছেন না কেউই। নারীদের প্রতি তালিবানদের ভূমিকা ঠিক কী হবে, তা নিয়ে ধন্দে পড়ে গিয়েছে আন্তর্জাতিকমহল। এরইমধ্যে মহিলা সঞ্চালককে তালিবানি মিডিয়া সেলের আধিকারিকের দেওয়া সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে বিশ্বকে অন্য বার্তা দেওয়া হচ্ছে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল। কিন্তু ভবিষ্যতই বলবে তালিবানিযুগে মহিলা স্বাধীনতা ঠিক কতটা উড়ান পায়।

আগস্ট ১৮, ২০২১
রাজ্য

Poison: মুখে বিষ ঢেলে সৎ মাকে খুনের দায়ে গ্রেপ্তার ছেলে ও বৌমা

মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে সৎ মাকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল ছেলে ও বৌমা। মাতৃ হত্যার এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার কালাড়াঘাট গ্রামে। পেশায় আশা কর্মী মা মণিকা বোস (৪৫)কে খুনের অভিযোগে ধৃতরা হল ছেলে সুভাষ বোস ওরফে বাবাই ও বৌমা আল্পনা বোস। মৃত ও ধৃত সকলেরই বাড়ি কালাড়াঘাট গ্রামে। মঙ্গলবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে মৃতার দেহের ময়না তদন্ত হয়। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন মৃতার বাবা কাশিনাথ নন্দী ও তাঁর পরিজনরা।আরও পড়ুনঃ ১০০ পুরসভায় বড়সড় রদবদলমৃতা আশা কর্মী মণিকা বোসের বাপের বাড়ি জামালপুর থানা সন্নিকটে হাওয়াখানা পাড় এলাকায়। মণিকাদেবীর বাবা কাশীনাথ বাবু এদিন জানান, কালাড়াঘাট নিবাসী দিলীপ বোসের স্ত্রী পুত্রসন্তান সুভাষকে জন্ম দেওয়ার কয়েক বছর বাদ মারা যান। এরপর সংসার সামলানো ও নাবালক সন্তান সুভাষকে প্রতিপালনের জন্য ব্যবসায়ী দিলীপ বোস পুনর্বিবাহের মনস্থির করেন। বছর ১৬ আগে তাঁর মেয়ে মণিকার সঙ্গে বিয়ে হয় দিলীপ বোসের। মণিকা নিজে নিঃসন্তান থেকে গিয়ে সুভাষকে পুত্র স্নেহে বড় করে তেলেন। বছর ১০-১১ আগে দিলীপ ঘোষ মারা যান। তারপরেও সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। সংসারে অশান্তি তৈরি হয় সুভার তাঁর সৎ মা মণিকা দেবীর মতামতকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে নিছের ইচ্ছায় ছয় মাস আগে বর্ধমানের বড়শুলের তরুণী আল্পনাকে বিয়ে করার পর থেকে। এই বিয়ে মেনে নিতে না পেরে মণীকাদেবী কালাড়াঘাটের একই বাড়িতে আলাদা থাকছিলেন।আরও পড়ুনঃ সুপার ড্যান্স শো তে ফিরলেন শিল্পাকাশীনাথ বাবু বলেন, সোমবার বিকালে সুভাষ তাঁকে ফোন করে জানায়, মা (মণীকা) কেমন করছে। এমনটা শুনেই তিনি মেয়ের বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন বাড়ির মেঝেতে মণিকা ছটফট করছে। মেয়ে মণিকার শরীরে আঘাতের দাগও দেখতে পান। কাশীনাথবাবু জানান, শারীরিক ওই কষ্টের মধ্যেই মেয়ে মণিকা তাঁকে জানায় মারধোরের পর তাঁর মুখে বিষ জাতীয় কিছু ঢেলে দিয়েছে ছেলে সুভাষ ও তাঁর বৌ আল্পনা। এমনটা শোনার পরেই পরিবারের লোকজন মণিকাদেবীকে দ্রুত জামালপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মণিকাদেবীকে মৃত বলে জানান।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরএই ঘটনা সবিস্তার উল্লেখ করে সোমবার রাতেই কাশীনাথ নন্দী জামালপুর থানায় সুভাষ ও তাঁর স্ত্রী আল্পনার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খা জানিয়েছেন, দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে সুভাস বোস ও তাঁর স্ত্রী আল্পনার বিরুদ্ধে খুনের মামালা রুজু হয়েছে। এদিন তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃত দুজনকেই বুধবার পেশ করা হবে বর্ধমান আদালতে।

আগস্ট ১৭, ২০২১
কলকাতা

Arrest: গ্রেপ্তার শান্তনু ঠাকুর

গ্রেপ্তার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। রাজ্যে আজ শহিদ সম্মান যাত্রার প্রথম দিন। সকালেই উত্তরবঙ্গে বিধায়ক-সহ ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের পর এ বার দক্ষিণে। এবার বিরাটিতেও বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বচসা পুলিশের। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ানোর পর গ্রেপ্তার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে। বিজেপির বিশেষ কর্মসূচি শহিদ সম্মান যাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে। শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার ও বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এয়ারপোর্ট থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে তাঁদের।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারগতকালই কলকাতায় বিজেপির কর্মসূচি থেকে আটক করা হয় দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীদের। আর আজ রাজ্যে রয়েছে বিজেপির আরও এক কর্মসূচি। সকালে শহিদ সম্মান যাত্রার সেই কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই তৎপর হল পুলিশ। শিলিগুড়িতে বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ-সহ ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ দিন সকালে জেলা বিজেপির কার্যালয় থেকে শহিদ সম্মান যাত্রা শুরু হওয়ার কথা ছিল। দলীয় কার্যালয়ের দিকে যাওয়ার সময় বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শিলিগুড়ির হাসমি চক।বিস্তারিত আসছে...

আগস্ট ১৭, ২০২১
রাজ্য

Laxmir Bhandar: শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকার

সামাজিক দূরত্ব চুলোয় যাক, পেতেই হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। সোমবার থেকে শুরু হয়েছে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী-সহ রাজ্য সরকারের অন্যান্য সুযোগ সুবিধের সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে নতুন প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। আর সেই প্রকল্পের জন্য ঝাঁপাচ্ছেন মহিলারা। করোনা বিধি শিকেয় তুলে বহু মানুষ ভিড় করতে শুরু করেছেন বিভিন্ন জেলার শিবিরগুলোতে। আর সেই ভিড় সামলাতে নাজেহাল অবস্থা প্রশাসনের। এত পরিমাণ ভিড়ের ফলে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে সোমবার সকাল থেকেই দেখতে পাওয়া যায় উপচে পড়া ভিড়। অধিকাংশ মানুষের মুখে দেখা মেলেনি মাস্কের। দুয়ারে সরকারে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বর্ধমান টাউনহল। অন্যদিকে, বীরভূমের মুরারইয়ের ১ নম্বর পঞ্চায়েতেও ছবিটাও এক। জানা গিয়েছে, এদিন ফর্ম বিলি শুরু হতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় সেখানে। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হন কমপক্ষে ৭ জন। বহু মানুষের মোবাইল খোয়া দিয়েছে। শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। তড়িঘড়ি আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।আরও পড়ুনঃ আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে রাষ্ট্রসঙ্ঘএকদিকে অত্যাধিক গরম অন্যদিকে মারাত্মক ভিড়ে বেশ কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন৷ কাউন্টারের সামনে রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। ভিড় এড়িয়ে আগেভাগে সরকারি প্রকল্পের ফর্ম সংগ্রহে তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়৷ প্রশাসনের তরফে শান্ত থাকতে অনুরোধ করা হয় প্রত্যেককে৷ কিন্তু লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম হাতে পেতে এতটাই মরিয়া হয়ে ওঠে মানুষ, যে সেদিকে কোনও খেয়ালই ছিল না তাদের। চলে তুমুল ধস্তাধস্তি। এ বিষয়ে মুরারই ১ নম্বরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ জানান, আমরা সবাইকে ভাগে ভাগে আসতে বলেছিলাম, কিন্তু একইদিনে সবাই চলে আসায় বিপত্তি। পঞ্চায়েত প্রধান রজনী পাখিরা বলেন, গ্রামবাসীদের সচেতন করতে মাইকিংও করেছি। মানুষ বোঝেনি। ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই পরিস্থিতি। অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। বর্ধমান থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর, সব জায়গার ছবিটাই কার্যত এক। ফর্ম নিতে গিয়ে ভিড়ের চাপে নাজেহাল মানুষ।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Tripura: ত্রিপুরার রাজপথে ফুটবল খেললেন প্রসূন-শান্তনুরা

খেলা হবে দিবসে ত্রিপুরায় বল পায়ে নেমে পড়ল তৃণমূল। ফুটবল খেলতে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলার তথা তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। রাজনীতির ময়দানে গত কয়েক বছর ধরেই তিনি গোল করছেন। এবার তারই সূত্র ধরে বাংলার পড়শি রাজ্য ত্রিপুরার মাটিতে ফুটবল পায়ে নেমে পড়লেন ফুটবলার-সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাংসদ শান্তনু সেন, অর্পিতা ঘোষরাও। আরও পড়ুনঃ আজ দেশজুড়ে খেলা হবে দিবস পালনপশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো রাজ্যেও খেলা হবে দিবস পালন করছে তৃণমূল। তবে, গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশে অনুমতি মেলেনি। কিন্তু ত্রিপুরাকে এবার রাজনৈতিকভাবে পাখির চোখ করেছে এ রাজ্যের শাসক দল। সেই মোতাবেক আগরতলার ময়দানে ফুটবল পায়ে নেমে পড়তে দেখা গেল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়, সাংসদ আবু তাহের ও সাংসদ অর্পিতা ঘোষকে। এদিন সকালে বনমালীপুর থেকে আস্তাবল ময়দান প্রায় ৩ কিমি রাস্তা মিছিল করেন তৃণমূল সাংসদ ও কর্মীরা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে খেলা হবে দিবসের স্লোগান দিতে থাকেন৷ রাজপথেই ড্রিবল করতে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগরতলার রাস্তায় এমন ছবি বিগত ৩-৪ বছরে হয়নি বলেই মত তৃণমূল নেতাদের।তৃণমূলের দাবি, ত্রিপুরার একাধিক জায়গায় তাদের তরফে খেলা হবে দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু বহু জায়গায় তাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন সকালেই খেলা হবে জার্সি পরে আগরতলার রাস্তায় নেমে পড়েন ত্রিপুরায় হাজির তৃণমূল সাংসদরা। খেলা হবে ও জিতবে ত্রিপুরা লেখা জার্সি পড়েই মাঠে নামেন তৃণমূল কর্মীরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: কাবুল দখল নিতেই দেশ ছেড়ে পালালেন প্রেসিডেন্ট ঘানি

অবশেষে কাবুল দখলে নিয়ে নিয়েছে তালিবান। চারিদিক থেকে কাবুলে প্রবেশ করছে তালিবানরা । কথা চলছিল শান্তিপূর্ণভাবেই আফগান প্রশাসন তালিবানের হাতে ক্ষমতা তুলে দেবে। এরইমধ্যে আত্মসমর্পণ এড়াতে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন সপরিবার প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। একটি সংবাদ মাধ্যমের তরফে জানানো হয়েছে, আফগানিস্তান প্রশাসন ও তালিবানদের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা চললেও সরকার পতনের পরই পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন আসরাফ ঘানি।সূত্রের দাবি, প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলি আহমেদ জালালির হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছেন, যদিও সরকারি সূত্রে এই খবরে সিলমোহর দেওয়া হয়নি। এ দিকে, পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ রশিদ স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন যে আফগান প্রশাসনের দখলে থাকা শেষ পোস্ট তোরখাম সীমান্তও দখল করে নিয়েছে তালিবানিরা।আরও পড়ুনঃ দেশবাসীর জন্য স্বাধীনতার গান লিখলেন মুখ্যমন্ত্রীএ দিন দুপুরেই তালিবানদের তরফে জানানো হয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতার হস্তান্তর চায়। কাউকে শহর ছেড়ে যেতে হবে না। তালিবান বাহিনীকেও শহরের বাইরে অপেক্ষা করতে বলা হয়েছে। যদিও তাদের এই আশ্বাসের উপর বিশ্বাস কেউ রাখতে পারছে না। তবে দেশের সমস্ত সীমান্তই তালিবানের দখলে চলে যাওয়ায় একমাত্র কাবুল বিমানবন্দরই পালাবার শেষ রাস্তা।স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন কাবুলজুড়েই বিভিন্ন অংশে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে কেউ উত্তপ্ত পরিস্থিতির অসৎ ব্যবহার না করে। পুলিশকে প্রয়োজনে গুলি চালানোর অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ন্যাটোর তরফেও জানানো হয়েছে আফগানিস্তানের সঙ্গে গোটা বিশ্বের সংযোগ বজায় রাখতে কাবুল বিমানবন্দরকে সচল রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আপাতত কাবুলে কিছু মার্কিন কূটনীতিবিদও থাকবেন বলে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ খেলা হবে দিবসে গোল দিলীপেরতবে আফগান প্রশাসনের পতনের ঘটনাটিকে নিশ্চিত করেই ভারপ্রাপ্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল সাত্তার মিরজাকাওয়াল টুইটে বলেছেন, কাবুলে কোনও আক্রমণ হবে না। শান্তিপূর্ণভাবেই ক্ষমতা হস্তান্তরের আলেচনা চলছে। এ দিকে, তালিবান প্রধান মোল্লাহ আবদুল ঘানি বারাদার ইতিমধ্যেই দোহা থেকে কাবুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন বলে তালিবান সূত্রে খবর।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজ্য

Mamata Independence Song: দেশবাসীর জন্য স্বাধীনতার গান লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী

ফের কলম ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দেশপ্রেমের গান লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর লেখা সেই গানের একটি ভিডিও নেটমাধ্যমে প্রকাশও করলেন নিজেই। শনিবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গানটির লি্ংক শেয়ার করেন মুখ্যমন্ত্রী। ফেসবুকে মমতা লিখেছেন, ভারতবর্ষের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসে দেশ মাতৃকাকে আমার প্রণাম জানাই। আজকের এই শুভদিনে আমার রচনা ও ভাবনায় একটি গান রইল সবার জন্য।গানটি হল নিম্নরূপ: এই ধরণীর মাটির বাঁধন/ বাঁধুক জোরে মোদের/ সোনার চেয়েও যে খাঁটি/ দেশটা সবার নিজের... গানটির শুরু এ ভাবেই। গানের প্রথম চার লাইন নিজের পোস্টের সঙ্গে জুড়েও দিয়েছেন মমতা। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ইন্দ্রনীল সেন, মনোময় ভট্টাচার্য, তৃষা পারুই এবং দেবজ্যোতি বসু।আজ স্বাধীনতার ৭৫ বছর উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রীর এই উপহার সকল রাজ্যবাসী তথা দেশবাসীর জন্য।

আগস্ট ১৫, ২০২১
রাজ্য

Bomb: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার বর্ধমানে

স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে বর্ধমানের শিবপুর দিঘীরপাড় এলাকা থেকে উদ্ধার হল প্লাস্টিকের জারিকেন ভর্তি তাজা বোমা। যা জানতে পারার পরেই বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থল ঘিরে রেখে খবর দেয় বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে। শনিবার বিকালে দুর্গাপুর থেকে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছায়। তাঁরা জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার করে ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে নিস্ক্রিয় করে। এই ঘটনায় ব্যপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে শিবপুর দীঘিরপাড় এলাকার বাসিন্দা মহলে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সিএবি সচিব স্নেহাশিস গাঙ্গুলিবর্ধমানের বেলকাস পঞ্চায়েতের সদস্য তানবীর আলি বলেন, শীবপুর দীঘিরপাড় সংলগ্ন পাওয়ার হাউসের পিছনে জঙ্গলের পড়েছিল জারিকেনটি। এলাকায় বাসিন্দারা সেটি দেখতে পেয়ে বর্ধমান থানায় খবর দেয়। সেই খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ওই জায়গাটি ঘিরে রাখে।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?এদিন বিকালে সিআইডির বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড ঘটনাস্থলে পৌছে জারিকেনে থাকা বোমাগুলি উদ্ধার করার পর নিস্ক্রিয় করে। বর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, প্লাস্টিকের জার থেকে মোট ৬ টি তাজা বোমা উদ্ধার করে সিআইডি বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড। সেগুলি নিস্ক্রিয় করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ক্রিকেটের মক্কাতে কলুষিত ক্রিকেটরাত পোহালেই দেশ জুড়ে পালিত হবে ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবস। তার প্রাক্কালে জারিকেন ভর্তি বোমা উদ্ধার ঘিয়ে বর্ধমানে শাসক বিরোধী তর্জা তুঙ্গে উঠেছে। বিরোধীদের অভিযোগ, বিধানসভা নির্বাচনের আগে শহর বর্ধমানের সুভাষপল্লীতে বল ভেবে বোমা নিয়ে খেলতে গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ায় এক শিশুর মৃত্যু হয়। এতবড় ঘটনার পরেও বর্ধমানে বোমা উদ্ধারে ঘটনায় বিরাম পড়েনি। জেলা বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন বলেন, শাসকদলের দৌলতে সব জায়গাতেই বোমা উদ্ধার হয়েই চলেছে। যদিও পল্টা জবাবে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, তৃণমূল বোমা-গুলি নিয়ে রাজনীতি করে না। পুলিশ তদন্ত শুরু করছে। তদন্তেই পরিস্কার হবে যাবে কারা বোমা রেখেছিল।

আগস্ট ১৪, ২০২১
রাজ্য

Bank: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার দম্পতি

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের গ্রাহকদের জমা করা টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন দম্পতি। ধৃতদের নাম সুখেন মাজি ও কৃষ্ণা দাস। ধৃতদের মধ্যে সুখেনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার দেয়াসিন গ্রামের। অপর ধৃত কৃষ্ণার বাড়ি কাটোয়া থানার মুস্থুলি গ্রামে। কাটোয়া থানার পুলিশ শনিবার ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি ভাড়াবাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে।সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক সুখেন মাজির ৭ দিনের পুলিশি হেপাজত ও কৃষ্ণাকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?পুলিশ জানিয়েছে, কাটোয়ার গরাগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রয়েছে রাস্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কের অধীন একটি গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্র। সেটি চালাতেন সুখেন মাজি ও তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণাদেবী। সাধারন গ্রাহকদের পাশাপাশি স্থানীয় গরাগাছা, খেদাপাড়া,পলতাগাছা প্রভৃতি গ্রামের একাধিক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যারা সুখেন মাজির ওই গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রে আর্থিক লেনদেন করতেন। সম্প্রতি গোষ্ঠীর মহিলারা জানতে পারেন তাঁরা ব্যাঙ্ক ঋণের যে কিস্তি জমা করেছিলেন তা আদপে ব্যাঙ্কে জমা হয়নি। কয়েক লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে ওই গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই গোষ্ঠীর শতাধিক মহিলা ও বেশ কিছু গ্রাহক ব্যাঙ্কের শাখায় এসে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। তারই মধ্যে সুখেন মাজি এলাকা ছাড়া হয়ে যান। শেষে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সুখেন মাঝি ও তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণা দাসকে বারাসত থেকে গ্রেফতার করে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

Independence Security: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঢেকেছে শহর

রবিবার স্বাধীনতা দিবস। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে কলকাতাকে। নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, কলকাতার নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবেন প্রায় চার হাজার পুলিশকর্মী। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেড রোডে নিরাপত্তা আটোসাঁটো করা হয়েছে। রেড রোডে তিনটি ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করেছে কলকাতা পুলিশ। সেখান থেকেই নজর রাখা হবে। রবিবার রাস্তায় থাকবেন ১১ জন ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিক। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকির দায়িত্বে থাকছেন অতিরিক্ত নগরপাল দময়ন্তী সেন।লালবাজার সূত্রে খবর, রেড রোড এবং গোটা কলকাতার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ২৩টি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে। প্রত্যেকটি গাড়ি পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রায় ৫০০টি অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে রেড রোড ও আশেপাশের এলাকায়। এছাড়াও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ। কলকাতার বিভিন্ন হোটেল ও গেষ্ট হাউসে তল্লাশি চলছে। কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় টহল দেবে পর্যাপ্ত পরিমান হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড। করোনা অতিমারির মধ্যেই এবার স্বাধীনতা দিবস পালন করা হবে। তাই বাড়তি সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। কোভিডবিধি মেনে এবার রেড রোডে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ থাকছে। তবে রাজ্যের মন্ত্রীরা সহ আমন্ত্রিত অতিথিরা থাকবেন অনুষ্ঠানে। দুরত্ববিধি মেনেই তাঁদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার অবশ্য ট্যাবলো ফিরছে কুচকাওয়াজে। মোট ৪০ মিনিটের একটি অনুষ্ঠান করা হবে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গি কোভিড বিধি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে অনাড়ম্বরভাবেই দেশের ৭৫-তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। অতিমারির আবহে গত বছরেও স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল সাদামাটা। এবারও দর্শকহীন রেড রোডে মাত্র শ খানেক অতিথির উপস্থিতিতে মিনিট ৪০-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। যদিও স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তির বিশেষ গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে শোভাযাত্রায় ট্যাবলোর সংখ্যা কিছু বাড়ছে। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষকবন্ধু, জল স্বপ্ন, খেলা দিবস- এর মতো নতুন প্রকল্পগুলি মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে ৯ থেকে ১০টি ট্যাবলো। এছাড়া তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং একতাই সম্প্রীতির ওপর ট্যাবলো বানানো হচ্ছে। কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের তরফে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফের ওপরে থাকছে বিশেষ ট্যাবলো। এবারেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করছে না। গান শোনাবে লোকপ্রসার শিল্পের বাউলের দল। পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এর পরে পুলিশ মেডেল প্রদান করবেন তিনি।কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের সুসজ্জিত টুকরি অংশ নেবে মার্চপাস্টে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

Metro: সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচি

আগামী সোমবার থেকে রাতের দিকে আরও এক ঘণ্টা বাড়ানো হল মেট্রো পরিষেবা। বৃহস্পতিবারই ৩১ অগস্ট পর্যন্ত কোভিডবিধি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। সেই সঙ্গে বিধিনিষেধও আরও কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। আর তার পরই এই সিদ্ধান্ত নিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ।আরও পড়ুনঃ ফিল্মি কায়দায় দরজা ভেঙে বিজেপি নেতাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশমেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, আগামী সোমবার থেকে রাত আটটার পরিবর্তে শেষ মেট্রো ছাড়়বে রাত নটায়। এছাড়াও জানানো হয়েছে, সোমবার থেকে বাড়ছে মেট্রো রেলের সংখ্যা। সোম থেকে শুক্র সকাল এবং সন্ধের ব্যস্ত সময়ে ৫ মিনিট অন্তর চলবে মেট্রো। ওই পাঁচ দিন আপ ও ডাউন মিলিয়ে ২৪০টি করে ট্রেন চলবে দিনে। এতদিন চলছিল ২২৮টি ট্রেন। এর মধ্যে ১৬১টি ট্রেন চলবে কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে। শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা এবং বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে সন্ধে সওয়া ৭টা পর্যন্ত বিশেষ মেট্রো পরিষেবা চালু থাকবে কবি সুভাষ এবং দক্ষিণেশ্বরের মধ্যে। রবিবার কোনও মেট্রো চলবে না।

আগস্ট ১৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • ...
  • 81
  • 82
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal