• ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ১২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ed

রাজ্য

আরজি করের পোস্টমর্টেম রিপোর্টে চাঞ্চল্যকর তথ্য, শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন

প্রকাশ্যে এলো আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট। সেই রিপোর্টে শরীরে বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, গলা টিপে, নাক-মুখ চিপে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে।ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহতের শরীরে একাধিক ক্ষতচিহ্ন মিলেছে। নিহতের মাথা, গাল, ঠোঁট, নাক, ডান চোয়াল, চিবুক, গলা, বাঁ হাত, বাঁ কাঁধ, বাঁ হাঁটু, গোড়ালি এবং যৌনাঙ্গে ক্ষতচিহ্নের প্রমাণ মিলেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, নিহত চিকিৎসকের ফুসফুসে রক্ত জমাট (হেমারেজ) বেঁধেছিল এবং শুধু তাই নয়, শরীরের আরও বিভিন্ন অংশেও রক্ত জমাট বেঁধে ছিল। নিহত চিকিৎসকের যৌন হেনস্থার প্রমাণ মিলেছে ওই ময়নাতদন্তের রিপোর্টে। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, নির্যাতিতা চিকিৎসকের শরীরের বাইরে অংশে ১৬টি এবং শরীরের অভ্যন্তরে ৮টি আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে, আঘাতগুলো অ্যান্টি মর্টেম অর্থাৎ মৃত্যুর আগেই করা হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, এই মৃত্যুর ধরন হল খুন। তবে বারবার অভিযোগ উঠেছে, নির্যাতিতার হাড় ভেঙে গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সেই অভিযোগে তোলপাড় হয়েছিল। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্টে নির্যাতিতার শরীরে হাড় ভাঙার কোনও উল্লেখ পাওয়া যায়নি। গত ৯ অগাস্ট আরজি কর হাসপাতালে ওই পড়ুয়া চিকিৎসক খুন হন। তার পর থেকেই ন্যায় বিচার-এর দাবিতে তোলপাড় সারা রাজ্য। এরাজ্য তো বটেই ভিনরাজ্য এমনকী ভিনদেশ থেকেও নির্যাতিতার হত্যার ঘটনায় বিচারের দাবি উঠেছে। প্রথমে তরুণী চিকিৎসক খুনের মামলার তদন্ত করছিল কলকাতা পুলিশ। পরে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার হাতে পেয়েছে সিবিআই। তারই মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই মামলা হাতে নিয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৪
রাজ্য

রাতে মহিলা নিরাপত্তায় বিশেষ জোর রাজ্য সরকারের, চালু হচ্ছে বিশেষ অ্যাপ

আরজি কর কাণ্ডের পর অবশেষে টনক নড়ল রাজ্য সরকারের। মহিলা নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে সরকারের তরফে। বিশেষ এই কর্মসূচীর নাম দেওয়া হয়েছে রাত্তিরের সাথী। এর সঙ্গে মহিলাদের নাইট শিফটের সুরক্ষায় বিশেষ অ্যাপ চালু করার ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। রাতের সাথী নামে অ্যাপের মাধ্যমে মহিলাদের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে বলেই দাবি সরকারের। পাশাপাশি হাসপাতালগুলিকে সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আজকের এই বৈঠকে।আরজি কর কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিপ্তে আজই ভার্চুয়ালি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে এক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । বৈঠকে হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রাতের নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা আলাপন বন্দোপাধ্যায়।তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেন, রাতের নিরাপত্তার ওপর বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য প্রতিটি হাসপাতাল-মেডিক্যাক কলেজে মহিলাদের জন্য আলাদা রেস্ট রুম, টয়লেটের ব্যবস্থা করা হবে। মহিলা বান্ধব সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের ক্ষেত্রেও সরকারের তরফে বাড়তি নজর দেওয়া হবে। সেফ জোন, সিসিটিভি মনিটারিংয়ের মাধ্যমে চলবে ২৪ ঘন্টার বিশেষ নজরদারি চলবে। মোবাইল অ্যাপ রাতের সাথী সকল কর্মরত মহিলাদের ডাউলোড করতে হবে যেটা স্থানীয় থানার সঙ্গে যুক্ত থাকবে। বিশেষ প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমে হেল্প লাইনে ফোন করেও অভিযোগ জানাতে পারবেন মহিলারা।যৌন নির্যাতন রুখতে আরও কড়া রাজ্য সরকার। এই সংক্রান্ত অভিযোগের ক্ষেত্রে প্রতিটি হাসপাতাল-মেডিক্যাল কলেজে বিশেষ কমিটি গঠন করা বাধ্যতামূলক। যারা এখনও তা করেননি তাদের অবিলম্বে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও সরকারের জারি করা প্রোটোকল মেনে চলতে হবে।রাতে মহিলারা যাতে টিমের সঙ্গে কাজের সুযোগ পান তার জন্যও সরকারের তরফে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর সঙ্গে রাতের পুলিশি পেট্রলিং বাড়ানো প্রতি ফ্লোরে, পানীয় জলের সুব্যবস্থা থাকা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। প্রত্যেক হাসপাতাল-মেডিক্যাল কলেজগুলিকে কর্মীদের সচিত্র পরিচয় পত্র গলায় ঝুলিয়ে হাসপাতাল চত্ত্বরে প্রবেশের জন্য বলা হয়েছে। ১২ ঘন্টার বেশি কোন পরিস্থিতিতে মহিলা ডাক্তারদের ডিউটি যাতে না দেওয়া হয় তার জন্য হাসপাতালগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্ভব হলে মহিলাদের রাতের ডিউটি না দেওয়ায় জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগে সমানুপাতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।

আগস্ট ১৭, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর মেডিক্যালে ভাংচুর নিয়ে এবার তলব মীনাক্ষীসহ সিপিএমের ৭ ছাত্র-যুব নেতা

আরজি কর হাসপাতালে ভাংচুরের ঘটনায় এবার তলব করা হল ডিওয়াইএফআই নেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় সহ সাত জনকে। তলব করল লালবাজারের গুণ্ডা দমন শাখা। যে সাত জনকে তলব করা হয়েছে তাদের আজ ও আগামীকাল হাজিরার জন্য বলা হয়েছে।উল্লেখ্য আরজি কর হাসপাতালে ভাংচুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই মোট ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাংচুরের দিন আরজি করের মূল গেটের উল্টোদিকে একটি মঞ্চ পাতা হয়েছিল। ভাংচুরের ঘটনায় সময় সেখানে এসএফআই ও ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মী সমর্থকরা ছিল বলে দাবি লালবাজারের।জানা গিয়েছে, পুলিশ আধিকারিকরা বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মূলত জানতে চাওয়া হতে পারে, যারা তান্ডব চালিয়েছেন তাদের সঙ্গে DYFI-SFI-র কর্মী-সমর্থকরা কোনওভাবে জড়িত কিনা। পাশাপাশি জানতে চাওয়া হতে পারে যদি হামলাকারীদের সঙ্গে তাদের কোন যোজসাজশ না থাকে তাহলে কেন হাতে DYFI-র পতাকা নিয়ে তাদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছিল?আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক খুন কাণ্ডে উত্তাল সারা বাংলা। ইতিমধ্যেই মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা CBI। গতকাল টানা প্রশ্নবাণের পর আজ সকালে ফের তাঁকে ডেকে পাঠায় কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। শনিবার সকালে অ্যাপ ক্যাবে চেপে সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে পৌঁছোন সন্দীপ ঘোষ। এখনও চলছে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ।

আগস্ট ১৭, ২০২৪
রাজ্য

বাংলায় রাত দখল মহিলাদের, চিকিৎসক খুনের দোষীদের শাস্তি, নিরাপত্তা চাই-ই-চাই

রাতের দখল নিতে শুরু করল বাংলার নারীরা। মেয়েরা রাত দখল করো, ডাকে সারা দিয়েছে এই রাজ্যের নানা প্রান্তের লক্ষ লক্ষ মানুষ। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন মহিলরা। স্বাধীনতা দিবসের মধ্যরাতে রাত দখলে পথে নেমে মেয়েরা। রাজ্যে কয়কশো স্থানে চলছে প্রতিবাদ কর্মসূচি। আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে তোলপাড় সারা রাজ্য। এরই মধ্যে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে। ডাক্তারি পড়ুয়ারা প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। এবার রাস্তায় নেমেছে মেয়েরা। কলকাতার কলেজস্ট্রিট, অ্যাকাডেমি এও যাদবপুর এইটবি বাসস্ট্যান্ডে প্রথমে কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। তারপর ক্রমশ রাজ্যব্যাপী জনতা এই কর্মসূচিকে আপন করে নিয়েছে। রাতের দখল নিচ্ছে মহিলারা। ১৪ অগাস্ট রাজ্যে কন্যাশ্রী দিবস। এদিন আবার দেশের স্বাধীনতা দিবসের প্রাক মুহূর্ত। তারপরে বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীবার। এসব কারণেই যে এদিন মেয়েরা রাত দখলের ডাক দিয়েছে এমন নয়। কিন্তু এদিন রাস্তায় মহিলাদের ভিড় যে রাত দখলের ডাককে সফল করেছে তা নিয়ে সন্দেহ নেই। কলকাতা মহানগরী থেকে কোচবিহার, পথে নারীরা প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে। না এদিন কোনও রাজনৈতিক ব্যানার পথে নামেনি। সাধারণ মহিলারা মানুষই রাস্তায় নেমেছে নিরাপত্তার দাবিতে।

আগস্ট ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন মমতা, তুলনা টানলেন বাংলাদেশের সঙ্গে

আরজি কর কাণ্ডের লাগাতার আন্দোলন নিয়ে এবার বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা টেনে আনলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মমতার বক্তব্য, কেউ কেউ বাংলাদেশের শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের তুলনা টানতে শুরু করেছেন। একাধিক বিরোধী দলের নেতারা যখন বাংলাদেশের আদলে স্লোগান বানাতে শুরু করেছেন, একই ধরণের প্রচার যখন সংবাদমাধ্যমেও চলছে৷ বুধবার বেহালায় স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেওয়া বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অনেকে ভাবছেন, বাংলাদেশের মতো এখানেও সরকার ফেলে দেবে। আমি ক্ষমতার মায়া করি না।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাম জমানার একাধিক ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরজি করের ঘটনার প্রতিবাদ আন্দোলন নিয়ে বিজেপি, সিপিএম ও কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেন। মমতা বলেন, আরজি করের ঘটনা নিয়ে সিপিএম এবং বিজেপি রাজনীতি করছে। বাংলাদেশে একটা ঘটনা ঘটে গিয়েছে। অনেকে ভাবছেন, বাংলাদেশের ঘটনা টেনে এনে এখানেও ক্ষমতা দখল করবেন। কিন্তু মনে রাখবেন, আমি ক্ষমতার মায়া করি না। যত দিন বাঁচব, মানুষকে ন্যায়বিচার এনে দেব। এই ঘটনা জানার পরেও আমি পুলিশকে দিয়ে অনেক কাজ করিয়েছিলাম। কিন্তু ওঁরা হাইকোর্টে গেলেন। মঙ্গলবার হাইকোর্ট আরজি করের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁরা অধিকাংশই ছাত্রছাত্রী নন। রাজনৈতিক দল এটা পরিকল্পিত ভাবে করছে। ভাবছে মমতাকে ক্ষমতা থেকে সরাবে। ওরা জানে না, মমতার সরতে আসলে এক সেকেন্ড লাগে। ঠিক যে ভাবে আমি রেল থেকে সরে এসেছিলাম। অন্যায়ের কাছে আমি মাথা নত করি না, করব না। দরকার হলে মানুষের কাছে মাথা নত করব, কিন্তু কোনও রাজনৈতিক দলের কাছে নয়।সম্প্রতি, বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে সামিল হয়ে যায় আমজনতা। শেষমেশ অবতীর্ণ হয় তামাম হাসিনা বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর গদি ছাড়তে বাধ্য হন শেখ হাসিনা।

আগস্ট ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের খুনীদের গ্রেফতারের দাবিতে বৃহস্পতিবার রাজ্যজুড়ে চিকিৎসা ধর্মঘট

আরজি কর কাণ্ডে তথ্যপ্রমাণ লোপাটের প্রতিবাদে সারা বাংলায় চিকিৎসা ধর্মঘটের ডাক দিল জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টর্স। আগামিকাল সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের ওপিডি বন্ধ থাকবে। শুধু ইমার্জেন্সি বিভাগ খোলা থাকবে। এমনকী বক্তিগত চেম্বার বন্ধ রাখারও আবেদন জানিয়েছে এই সংগঠন। এদিন এনআরএস মেডিক্য়াল কলেজ প্রাঙ্গনে নাগরিক কনভেনশনের আয়োজন করেছিল চিকিৎসকদের এই সংগঠন। জয়েন্ট প্ল্যাটফর্ম অব ডক্টর্স সংগঠনের নেতা ড. মানস গুমটা বলেন, আমাদারে দাবি ধর্ষক ও হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। সিবিআই তদন্তের আগে আরজি করের চেষ্ট বিভাগে মেরামতের নামে প্রমান লোপাটের চেষ্টার প্রতিবাদ করছে আমাদের এই সংগঠন। সন্দীপ ঘোষসহ সমস্ত সন্দেহভাজনকে অবিলম্বে হেফাজতে নিয়ে দ্রুত তদন্ত করতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের সমস্ত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। আরজি করে নিহত তরুণী চিকিৎসকের খুনীদের গ্রেফতারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে এই হাসপাতালের জুনিয়র চিকিৎসকরা। পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালের চিকিৎসকরাও এই আন্দোলনে সামিল হয়েছে। এদিন বুদ্ধিজীবীদের একটি দল ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ও দোষীদের শাস্তির দাবি তুলে মিছিল করে আরজি করে মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতালে যায়। রাজনৈতিক দলগুলি চিকিৎসক হত্যার প্রতিবাদে পথে নেমেছে। এদিনই আবার কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলা পুলিশের হাত থেকে সিবিআইয়ের হাতে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করে চিকিৎসক খুনের মামলায় সিবিআই তদন্ত, আদালতের নির্দেশ পেয়েই টালা থানায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা

আদালত নির্দেশ দিতেই সিবিআই আধিকারিকরা টালা থানায় পৌঁছে যান। সেখানে আরজি করে চিকিৎসক খুনের নথি নিতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট আরজি কর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় কলকাতা হা। আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ উচ্চ আদালতের। পুলিশ এবং হাসপাতালের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত।আরজি কর সংক্রান্ত মামলার শুনানির প্রথম দিনেই চূড়ান্ত বিস্ময় প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমকে। তিন সপ্তাহ পর রাজ্য সরকারের রিপোর্ট তলব করেছেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের গাইডলাইন অনুযায়ী ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে CBI নির্দেশ দেওয়া যায়। যে ঘটনায় রাজ্যের ব্যর্থতা রয়েছে বলে মনে হচ্ছে সেক্ষেত্রে সিবিআই নির্দেশ দেওয়া যায়। হাসপাতালের সুপার কিংবা কেউ FIR দায়ের করলেন না, এটা তো বিস্ময়ের। অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ইস্তফার পরেও কেন সমান গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল? পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সন্দীপ ঘোষ কাজে যোগ দিতে পারবেন না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।আগামিকাল সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে CBI-কে কেস ডায়েরি হস্তান্তর করতে নির্দেশ প্রধান বিচারপতির। কলকাতা পুলিশের কেস ডায়েরিতে সন্তুষ্ট নয় হাইকোর্ট। আরজি করে তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যুতে প্রথমেই কেন অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হলো তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খোদ প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতির আরও পর্যবেক্ষণ, ওই হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকের দেহ ওই হাসপাতাল থেকেই উদ্ধার হয়েছে। যিনি হাসপাতালের দায়িত্বে ছিলেন তিনি কেন FIR করলেন না? এদিকে আজই টালা থানায় যান সিবিআই আধিকারিকরা। প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে থানা থেকে বেরিয়েছেন বলে খবর।

আগস্ট ১৩, ২০২৪
কলকাতা

আরজি করের নিহত ছাত্রীর বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী, সকালে পদত্যাগ অধ্যক্ষের, বিকেলে ন্যাশনাল মেডিক্যালের দায়িত্বে

আরজি করের নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাড়িতে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিহত চিকিৎসকের মা-বাবার সঙ্গে কথা বললেন তিনি। আগেই এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। অপরাধীর ফাঁসির শাস্তির আবেদন করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। এদিন চাপের কাছে হার মেনে আরজি কর হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদত্যাগ করেন। যদিও বিকেলেই তিনি ফের অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ পান ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের। এই পদত্যাগের নাটক নিয়ে চিকিৎসক মহলও সোচ্চার।সোমবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিহত চিকিৎসকের বাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বেলা পৌনে একটা নাগাদ নিহত ছাত্রীর বাড়িতে পৌঁছোন মুখ্যমন্ত্রী। নিহতের মা-বাবার সঙ্গে কথা হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনা নিয়ে বলেছিলেন, জুনিয়র ডাক্তারদের বিক্ষোভ সঙ্গত। হাসপাতালে সুরক্ষা ব্যবস্থায় গাফিলতি ছিল কিনা খতিয়ে দেখা হবে। যেই হোক তার বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে আমরাও শাস্তির আবেদন জানাব। রাজ্য সরকারের কোনও কিছু লুকানোর নেই। তাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য এই ধরনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার প্রয়োজন আছে। মহিলা চিকিৎসকের মৃত্যু নক্কারজনক। বলেছি কেসটাকে ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে নিয়ে যাওয়া যায় কিনা দেখতে। জুনিয়র ডাক্তাররা দায়িত্ববান। তারা কখনও রোগীকে চিকিৎসা থেকে বিরত করে না। ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে এনে ফাঁসির আবেদন করা হোক। এই অপরাধের কোনও ক্ষমা নেই। তবে জুনিয়র ডাক্তারদের বলব, রোগী পরিষেবা চালু করুন। এই ঘটনাটা ঘটেছে সেমিনার হলে। চারিদিকে সিসিটিভি আছে। যাকে ধরা হয়েছে তার ওখানে যাতায়াত ছিল। চাইলে অন্য এজেন্সি দিয়ে তদন্ত হোক। Cbi তদন্তে আপত্তি নেই।এদিকে, আরজি কর কাণ্ডে সোমবারই পদত্যাগ করেছেন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। সোমবার সকালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ জানিয়েছেন, কারও চাপের জন্য নয়, নিজের ইচ্ছাতেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। পদত্যাগের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে আমার পদত্যাগের বিষয়টিই কাম্য ছিল। গত কয়েকদিনে বিভিন্ন মাধ্যমে আমি যে কটুক্তি সহ্য করেছি, আমার পরিবার, সন্তানরা যা সহ্য করেছে তাতে বাবা হিসেবে আমি লজ্জিত। সেই কারণে আমি পদত্যাগ করলাম। তবে এদিন বিকেলেই তাঁর বদলির অর্ডার হয়েছে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে প্রিন্সিপ্যাল পদে। তবে তাঁর জয়েনিং নিয়ে ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে বিক্ষোভ হতে পারে বলে খবর।

আগস্ট ১২, ২০২৪
রাজ্য

রেশন দুর্নীতিতে অভিযুক্তের বিলাসবহুল হোটেল নিউদিঘায়! তদন্তে ইডি

রেশন দুর্নীতি মামলায় নয়া নয়া তথ্য উঠে আসছে চমকে দেওয়ার মতো। দুবাই যোগ আগেই জানা গিয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচারের তদন্ত করছে সিবিআই ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, এবার এই রেশন দুর্নীতিতে গ্রেফতার দেগঙ্গার তৃণমূল নেতার বিলাসবহুল হোটেলের খোঁজ মিলেছে পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘায়। তদন্ত করছে ইডি। রেশন দুর্নীতিতে জেলবন্দি রয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, ব্যবসায়ী বাকিবুর রহমান, শাহজাহান শেখ. বণগাঁর তৃণমূল নেতা শঙ্কর আঢ্য। ফের রেশন দুর্নীতি নিয়ে তেড়ে ফুঁড়ে উঠেছে ইডি। প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী ঘনিষ্ট রাকিবুল ইসলামের মামাতো ভাই এর হোটেলের সন্ধান মিলল দিঘায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে উত্তর ২৪পরগনার তৃণমূল নেতা আনিসুর রহমান বিদেশ ও তার দাদা আলিফ নুর রহমান মুকুল।সূত্রের খবর, আলিফ নুরের বিলাসবহুল হোটেল রয়েছে নিউ দিঘায়। এই হোটেলের উদ্বোধনে টলিউড অভিনেতা এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। এই হোটেল কাদের জানতে চাওয়া হলে সেখানকার কোনও কর্মী কথা বলতে চাননি। হোটেলের ম্যানেজার কাজে ব্যাস্ততা দেখিয়ে মুখ খোলেননি। অভিযুক্ত দুজনই ইডির হেফাজতে রয়েছে।

আগস্ট ০৩, ২০২৪
কলকাতা

কলকাতায় তিনতলা বাড়ি ভেঙে চাপা পড়ে মৃত্যু, কি দিয়ে বানিয়েছিল এই বাড়ি?

কলকাতায় বাড়ির ছাদ ভেঙে বিপর্যয়। এবার বাগুইআটিতে তিনতলা বাড়ির একাংশ ভেঙে পড়ে মৃত্যু হল ওই বাড়িরই বাসিন্দা এক কিশোরের। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জানা গিয়েছে, একেই বাড়ি তৈরির সঠিক দ্রব্যসামগ্রী ব্য়বহার করা হয়নি, নেওয়া হয়নি পুরসভার অনুমতি। তারওপর টানা বর্ষণ। যার ফলে এই দুর্ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েকদিন ধরে একটানা বৃষ্টি চলছে। বৃহস্পতিবার দিনভর বৃষ্টির পর রাতের দিকে বাগুইআটি অশ্বিনীনগরে আচমকা একটি তিনতলা বাড়ির ছাদের একাংশ ভেঙে পড়ে। ঘটনার সময় নীচের ঘরে ছিলেন ধ্রুবজ্যোতি মণ্ডল নামে ওই কিশোর। ছাদের চাঙর কিশোরের মাথার উপর ভেঙে পড়ে। বৃহস্পতিবার রাতে ৬ ঘন্টার চেষ্টার অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। দুর্ঘটনার পরে বিশাল সিমেন্টের চাঙরের নিচেই চাপা পড়ে ছিল ওই কিশোর। অভিযোগ, খবর পাওয়ার পর বহুক্ষণ পর এলাকায় বিপর্যয় মোকাবিলার দল পাঠায় প্রশাসন। উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা সেই বাড়ির ভিতরে ঢুকে সিমেন্টের চাঙর সরিয়ে উদ্ধার করে ওই কিশোরকে। কিন্তু কেন ভেঙে পড় তিনতলার ওই অংশ।স্থানীয়দের দাবি, এই বাড়িটির ছাদ ঢালাইতে লোহার রড দেওয়া হয়নি। বাঁশ বা কঞ্চি দিয়ে ঢালাই করা হয়েছিল। পাথরের বদলে ইঁটের টুকরোও দেখা গিয়েছে ভাঙা অংশে। এই বাড়িটি ভেঙে নতুন করে করার কথা ছিল। তার আগেই ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনা ঘটলো। স্থানীয়দের আরও বক্তব্য, মৃত কিশোরের বাবা নিষেধ করা হয়েছিল ওই ভাবে ঢালাই দিতে, তিনি তা শোনেননি। তারই পরিণতিতে প্রাণ গেল কিশোরের। অন্যদিকে, হাওড়ার সালকিয়ায় টানা বৃষ্টির জেরে জমা জলে তড়িদাহত হয়ে মৃত্যু চহয়েছে এক তরুণীর। বৃহস্পতিবার রাতে বোনকে সঙ্গে নিয়ে বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন সালকিয়ার তাঁতি পাড়ার বাসিন্দা পূরবী দাস। তাঁদের বাড়ির সামনেই জল জমে ছিল। জমা জলে কোনওভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন ওই তরুণী। বাবার সামনেই এই ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই তরুণীর বাড়ির সামনে একটি বিদ্যুতের খুঁটি রয়েছে। সেই খুঁটি থেকে কোনওভাবে একটি তার বেয়ে পড়েছিল রাস্তার জলে। তা থেকেই ওই তরুণী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ০২, ২০২৪
রাজ্য

ফের রাঙাপানিতে দুর্ঘটনার কবলে রেল, এখানেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা

সেই রাঙাপানিতে ফের রেল দুর্ঘটনা। মাস দেড়েক আগেই ফাঁসিদেওয়ার রাঙাপানিতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। বুধবার সেই জায়গাতেই আবারও রেল দুর্ঘটনা ঘটল। এবার লাইনচ্যুত হল মালগাড়ি।মঙ্গলবারই ঝাড়খণ্ডের চক্রধরপুর ডিভিশনের বারাবাম্বুতে মালগাড়ি লাইনচ্যুত হয়। সেই লাইনচ্যুত মালগাড়ির বগিতে পিছন থেকে ধাক্কা মারে হাওড়া-মুম্বই মেল। বেলাইন হয়ে ছিটকে পড়ে মুম্বই মেলের ১৮টি কামরা। দুর্ঘটনায় দুইজন যাত্রী নিহত হন, আহত হন শতাধিক। তার পরদিনই আবার লাইনচ্যুত হল মালগাড়ি। রেলের দুর্ঘটনা যেন লেগেই রয়েছে।বুধবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ রাঙাপানি স্টেশনের কাছেই দুর্ঘটনা হয়। গত ১৭ জুন, এই রাঙাপানিতেই মালগাড়ির সঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের সংঘর্ষে ১০ জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে মালগাড়ির চালকও ছিলেন। একই জায়গায় বারবার কেন দুর্ঘটনা, প্রশ্নের মুখে রেলের ভূমিকা।এদিকে এদিনের ট্রেন দুর্ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে লিখেছেন, আজ আরেকটি রেল দুর্ঘটনা, উত্তরবঙ্গের সেই একই, রাঙ্গাপানি এলাকায়, যেখানে মাত্র ছয় সপ্তাহ আগে সবচেয়ে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনার সাক্ষী থেকেছিলাম আমরা! যা ঘটছে তা নিয়ে আমরা খুব উদ্বিগ্ন!!এদিকে, ঝাড়খণ্ডের চক্রধরপুর ডিভিশনের বারাবাম্বুতে স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনাগ্রস্ত মুম্বই মেলের লাইনচ্যুত কামরাগুলি সরানোর কাজ চলছে। সরানো হচ্ছে বেলাইন হওয়া মালগাড়ির বগিও। আজ একটি লাইন দিয়ে ট্রেন চালানোর চেষ্টা চালাচ্ছে দক্ষিণ-পূর্ব রেল কর্তৃপক্ষ।মঙ্গলবার ভোরে দুর্ঘটনা কবলে মুম্বই-হাওড়া মেল। রেললাইনে পড়ে থাকা মালগাড়ির বগির সঙ্গে ধাক্কা লাগে এক্সপ্রেস ট্রেনের। ২ জনের মৃত্যু হয়। এখনও ৮ জন আহত যাত্রী চক্রধরপুরের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

জুলাই ৩১, ২০২৪
রাজ্য

বাজারে আকাশছোঁয়া সবজির মূল্য, শেষমেষ বৈঠক কড়া নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

আকাশছোঁয়া সবজির দাম নিয়ে এবার পুলিশকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন, ১০ দিনের মধ্যে সবজির দাম কমাতে হবে। এবং দাম কতটা কমল তা নিয়ে প্রতি সপ্তাহে রিপোর্ট জমা দিতে হবে তাঁর কাছে। একদিকে উত্তরবঙ্গ ভাসছে অন্যদিকে জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহেও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে সেই অর্থে বর্ষার এখনও দেখা মেলেনি। এদিকে বাজারে যেন আগুনের গোলা ছুটছে। লঙ্কা, বেগুন সবই ডবল সেঞ্চুরি ছুঁয়েছে। ঢ্যারশ, উচ্ছের মতো সবজিও বিক্রি হচ্ছে কেজি প্রতি ৯০ থেকে ১১০। ফসলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য ব্যবসায়ীদের একাংশ অনাবৃষ্টিকে দায়ী করছেন। তবে এদিনের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী পরিষ্কারভাষায় জানিয়ে দেন, কিছু মুনাফাখোরের জন্যই এই মূলবৃদ্ধি।কৃষি পণ্য-সহ নিত্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর দাম বৃদ্ধিতে এবারের সাত দফার লোকসভা ভোটকেও দায়ী করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তুলোধনা করেছেন একাংশের ব্যবসায়ীকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিন মাস ধরে ভোট চলেছে। তখন যে যত পেরেছে কামিয়েছে। ভোটের সময় সরকার কমিশনের আওতায় থাকে। কমিশনের তো এটা দেখা কাজ নয়। শুধু অফিসারদের বদলি করলেই কাজ হয়ে যায়? শাক-সবজির দাম বৃদ্ধি নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগের বছরের তুলনায় দাম কিছু জিনিসের বেড়ে গেছে। আলু, বেগুন, পেঁয়াজ, লঙ্কা, টমেটো, পটল সব কিছুর দাম বেড়েছে। বর্ষা এসে গেল, তাও কিছুতেই দাম কমছে না। সাধারণ মানুষ তো এখন বাজারে যেতেই ভয় পাচ্ছে।বড় ব্যবসায়ীদের একটা অংশ কোল্ড স্টোরেজে আলু আটকে রাখছেন। রাজ্যের হিমঘরগুলিতে আলু কেন পড়ে রয়েছে?পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী :মহারাষ্ট্রের নাসিকের পরিবর্তে স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে পেঁয়াজ কিনুন। সুফল বাংলায় ৮ টাকা কমে পেঁয়াজ মিলছে। পেঁয়াজ স্টোর করার চার হাজার পেঁয়াজ গোলা তৈরি করেছি। সেখান থেকে পেঁয়াজ নিচ্ছি। চাষিদের কাছ থেকে কিনলে দাম কমে যাবে। সুফল বাংলায় আমরা কম দামে দিচ্ছি বাজারের তুলনায়। ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম দামে পাওয়া যাবে। নাসিকের পেঁয়াজের উপর ভরসা না করে নিজস্ব সুখসাগরের মতো পেঁয়াজ চাষিদের থেকে কিনুন। পেঁয়াজের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। আগেরবার ছিল ৩৫ এবার তো ৫০। আগে এফসিআই থেকে চাল কিনতাম। এখন রেশনের চাল কৃষকদের থেকে কিনি।

জুলাই ১০, ২০২৪
রাজ্য

উত্তরপ্রদেশের হাতরস ফের শিরোনামে, এবার পদপিষ্টে ৫০ জনের মৃত্য়ুর আশঙ্কা

আবার খবরের শিরোনামে উত্তরপ্রদেশের হাথরস। চার বছর আগে এই হাথরসেই এক দলিত নাবালিকার গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল সারা দেশ দেশ। এবার যোগী রাজ্যের এই শহরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হল অন্তত ৫০ জনের। গোটা ঘটনায় প্রশ্নের মুখে উত্তরপ্রদেশের প্রশাসনের ভূমিকা।সূত্রে খবর, হাথরসের মুঘলগড়ি গ্রামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। এটাওয়ার পুলিশ সুপার রাজেশ কুমার সিং জানিয়েছেন, হতাহতদের স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। মৃতদের দেহ শনাক্তকরণের কাজ চলছে।জানা গিয়েছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষ হতেই চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। বিপুল সংখ্যক ভক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। হুড়োহুড়ির ফলে অনেকে মাটিতে পড়ে যান, তাতেই পদপিষ্টের ঘটনা ঘটে। নিহতের মধ্যে বহু মহিলা এবং বেশ কয়েকটি শিশুও রয়েছে। কীভাবে কেন এই ঘটনা ঘটল তা তদন্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। জানা গিয়েছে, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে শিবকথা চলছিল। তা শেষ হতেই হলের ছোট দরজা দিয়ে সবাই একসঙ্গে বেরনোর চেষ্টা করেন। তাতেই ঘটে বিপত্তি। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা। আহতদের মধ্যে অনেকেই আশঙ্কাজনক। তাঁদের চিকিৎসা চলছে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, পুরো ঘটনার বিবরণ জানানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে। ইতিমধ্যেই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জুলাই ০২, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির লোকসভার প্রার্থীই দল বিরোধী কাজে অভিযুক্ত! সাময়িক বরখাস্ত

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস তথা ববিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিজেপি। তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে দলের অভ্য়ন্তরেই। দল বিরোধী অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৭ দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে নির্দেশ দিয়েছে দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। রাজ্য় বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত ভাবে জানিয়েছেন কমিটির সুপারিশে ও রাজ্য সভাপতির নির্দেশ এই পত্র দিয়েছেন। আগামী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত দল অভিজিৎ দাসকে সাময়িক বরখাস্ত করার কথা বলা হয়েছে।মঙ্গলবার দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার কিছু জায়গায় অত্য়াচারিতদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিয় দল। মঙ্গলবার সকালে বারুইপুর যাওয়ার পথে আমতলা দলীয় কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিনিধি দল। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কথা বলতে দেখা যায়। বিক্ষোভকারীরা দাবি জানাতে থাকে, তাঁদের প্রার্থীর বাড়িতে বিজেপির ঘরছাড়ারা রয়েছে তাঁদের সঙ্গে দেখা করে কথা শুনতে হবে। যদিও তাঁরা সেখানে যাননি। বারুইপুর দলীয় কার্যালয়ে আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে চলে যান। অভিজিৎ দাসের বিরুদ্ধে বিজেপির শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি একাধিক অভিযোগ এনেছে। মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে না থাকা, ভোট পরবর্তী হামলায় আক্রান্তদের সেই বৈঠকে যেতে না দেওয়া, কর্মীদের দ্বারা কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ঘেরাও, অনৈতিক মন্তব্য়, বিজেপির ডায়মন্ড হারবার জেলা কার্যালয়ে বিশৃঙ্খলা- এই সব ঘটনার পিছনে অভিজিতের ইন্ধনের অভিযোগ উঠেছে বলে চিঠিতে লেখা হয়েছে। চিঠিতেবলা হয়েছে, আপনি দলের কার্যকর্তা সেই কথা মাথায় রেখে দলের শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির সুপারিশে ও দলের করাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের নির্দেশে ৭ দিনের মধ্যে দলবিরেোধী কার্যকলাপের কারণ দর্শাতে হবে। আপাতত সাময়িক বরখাস্ত করেছে দল। চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন শৃঙ্খলা রক্ষা কমিটির প্রমুখ প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

জুন ১৯, ২০২৪
রাজ্য

ক্ষণিকের ভুলে চোখের সামনেই দীঘার উত্তাল সমুদ্রে তলিয়ে গেল ছেলে

ফের দিঘার সমুদ্রে মর্মান্তিক ঘটনা। সমুদ্রে স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল এক স্কুল পড়ুয়া। ১৫ বছরের ওই কিশোরের নাম শুভজিৎ দে। উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামের বাসিন্দা শুভজিৎ মা ও ভাইয়ের সঙ্গে দিঘা বেড়াতে আসে। শুক্রবার সকালে সমুদ্রে স্নান করতে নেমে ঘটে বিপত্তি। উত্তাল ঢেউ সামলাতে পারেনি ওই কিশোর। তাঁর দেহের খোঁজে চলছে তল্লাশি।পুলিশ সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার শুভজিৎ এবং তার ভাই বিশ্বজিৎ মায়ের সঙ্গে দিঘা বেড়াতে যায়। শুক্রবার সকাল ১০টা নাগাদ ওল্ড দিঘার জগন্নাথ ঘাটে স্নান করতে যায় তারা। এদিকে সকাল থেকেই দিঘার সমুদ্র ছিল উত্তাল। স্নান করতে নেমে কিছুক্ষের মধ্যে বিপদ ঘনিয়ে আসে।

জুন ১৪, ২০২৪
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায় বিপাকে, পাটুলি, বিষ্ণুপুর, বোলপুরের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ইডির

নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে আরও বিপাকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তদন্তের সূত্রে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আরও অনেক সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কলকাতার পাটুলি, বোলপুর, বিষ্ণুপুর-সহ একাধিক জায়গা থেকে তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।ইডি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, যে সম্পত্তি তারা বাজেয়াপ্ত করেছে তা সরাসরি পার্থের নামে নয় তবে তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সি জানতে পেরেছে, এই সম্পত্তিগুলি পার্থরই। শুধুমাত্র বোলপুরেই অন্তত পাঁচটি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গিয়েছিল। যার বাজারমূল্য প্রায় কয়েক কোটি টাকা। জমি ছাড়াও একাধিক সংস্থার কাছ থেকে নগদ টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। এগুলি পার্থর বলেই মনে করা হচ্ছে। নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে এই সব জমি-সম্পত্তির যোগ রয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে শুরুতে পার্থর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের নামে বোলপুরে একটি বাড়ির সন্ধান পেয়েছিল ইডি। সেই বাড়ির নাম আবার অপা। পরে সেই বাড়ি পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। তবে এক্ষেত্রে ইডি সূত্রের খবর, কোনও সম্পত্তিই নিজের নামে রাখেননি পার্থ। সব নথিতেই তাঁর কোনও না কোনও ঘনিষ্ঠের নাম রয়েছে।নিয়োগ মামলার তদন্তে নেমে ২০২২ সালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সেই থেকে তিনি জেলবন্দি। সে সময়ে পার্থের বান্ধবী হিসাবে পরিচিত অর্পিতার ডায়মন্ড সিটির ফ্ল্যাট থেকে ২২ কোটির বেশি এবং বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট থেকে ২৭ কোটির বেশি টাকা উদ্ধার হয়। দুই ফ্ল্যাট থেকে বিদেশি মুদ্রা এবং সোনাও উদ্ধার করে ইডি। এই সমস্ত সম্পত্তি এবং সোনাদানা, ফ্ল্যাট-বাড়ি মিলিয়ে কম করে ৬০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। যা আদতে অর্পিতার নামে থাকা পার্থের সম্পত্তি বলেই দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার।এবার পাটুলি, বোলপুর, বিষ্ণুপুর থেকে যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তাতে বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির পরিমাণ ৬০ কোটি ছাড়িয়ে গেছে। এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় মোট ১৩৫ কোটি টাকার নগদ এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি।

জুন ১৪, ২০২৪
রাজ্য

অধিকারী গড় পূর্ব মেদিনীপুরে ফের জেলাশাসক পদে পূর্ণেন্দু

পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক বদল। ফেরানো হলো পূর্ণেন্দু কুমার মাজিকে। নির্বাচনের আগে এই জেলায় জয়শী দাশগুপ্তকে জেলাশাসক করে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী আচরণবিধি উঠে যেতেই জয়শীকে জেলাশাসকের পদ থেকে সরানোর বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছিল গতকাল। ঘোষণা প্ নতুন জেলাশাসকের নাম।লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হতেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, পূর্ব মেদিনীপুরে ভোট লুঠ করা হয়েছে। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, ওসি-আইসিদের নির্বাচন কমিশন সরিয়ে দিতেই বিজেপি ভোট লুঠ করেছে। নানা পন্থা অবলম্বন করে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূলকে।উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি ও তমলুক লোকসভা কেন্দ্র তৃণমূলের থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি। মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের এগরা ও ঘাটালের পাঁশকুড়া পশ্চিম বিধানসভা ক্ষেত্রেও লিড পেয়েছে বিজেপি। জেলার ১৬টির মধ্যে ১৫টি বিধানসভা এলাকায় এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে যে জেলাশাসকদের বিভিন্ন জেলায় আনা হয়েছিল তাঁদের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসককেই প্রথম সরানো হল। রাজনৈতিক দিক থেকেও তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। গত ২২ মার্চের বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক হিসেবে নিযুক্ত হন আইএএস জয়শী দাশগুপ্ত। তৎকালীন জেলাশাসক তনভীর আফজলকে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতরের বিশেষ সচিব করা হয়েছিল।পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় জেলাশাসকের দায়িত্ব সামলানো পূর্ণেন্দু কুমার মাজিকে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক করা হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচন ঘোষণার আগে তাঁকেও বীরভূমের জেলাশাসক করা হয়েছিল। বীরভূমের জেলাশাসক বিধানচন্দ্র রায় পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের দায়িত্বে আসেন।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরানো হয় পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককেও। ২২ মার্চ বিজ্ঞপ্তি করে জানানো হয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক হবেন আইএএস কে রাধিকা আইয়ার। তখন বিধানচন্দ্র রায়কে বিদ্যুৎ দফতরের বিশেষ সচিব পদে পাঠানো হয়েছিল।বীরভূমের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজিকে বদলি করা হয়েছিল রাজ্য মৎস্য উন্নয়ন নিগমের এমডি পদে। এবার তাঁকে পাঠানো হলো পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক করে, যে দায়িত্ব তিনি আগেও সামলেছেন।

জুন ১০, ২০২৪
বিদেশ

নিউ টাউনে খুন বাংলাদেশের এমপি আনোয়ার উল আজিম

গত ১২ তারিখ কলকাতায় আসে চিকিৎসার জন্য। এরপর সেখান থেকে নিউ টাউন এর একটি বিলাসবহুল আবাসনে ফ্ল্যাট ভাড়া নেন তারপর থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায়। বাড়ির লোক বারংবার ফোন করলেও যোগাযোগ করতে পারেনি। এরপরই বাংলাদেশ মেট্রোপলিটন গোয়েন্দা বিভাগে লিখিত অভিযোগ জানানো হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। এরপরই আনোয়ার উল আজিম দেহ উদ্ধার হয় নিউটাউনের বিলাসবহুল আবাসন থেকে।পুলিশ সূত্রে খবর, খুলনার ঝিনাইদহ এলাকার চার আসনের এমপি আনোয়ার উল আজিম। তিনি যখন নিউটাউনের বিলাসবহুল আবাসনে ওঠেন তার সঙ্গে ছিল একজন মহিলা সঙ্গী সহ বেশ কয়েকজন। তবে কারা খুন করল, কেনই বা খুন করল এখনো পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যে নিউটাউন থানার পুলিশ এবং বিধান নগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ ও এইচডিএফ আধিকারিকেরা তদন্তে নেমেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে আবাসনে সিসিটিভি ফুটেজ।

মে ২২, ২০২৪
রাজনীতি

শুভেন্দু গড়ে জনসভায় গড়হাজির, ঝাড়গ্রামের মঞ্চ থেকে মোদীর নিশানায় তৃণমূল

প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে ব্যাহত হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নির্বাচনী প্রচার কর্মসূচি। কাঁথি এবং তমলুকের সভা তাঁকে সারতে হল ঝাড়গ্রাম থেকেই। সোমবার ঝাড়গ্রামে ছিল মোদীর দ্বিতীয় জনসভা। আবহাওয়াজনিত কারণে, ঝাড়গ্রামের মঞ্চ থেকেই তিনি কাঁথি এবং তমলুকের প্রার্থীদের হয়ে ভাষণ দেন।এক সভা থেকে অন্য সভাস্থলে প্রধানমন্ত্রী কপ্টারে করে পৌঁছন। কিন্তু, তাঁর কপ্টার ছাড়ার অনুমতি রক্ষীরা দেননি। তার কারণ, পুরোপুরি আবহাওয়াজনিত দুর্যোগ। সোমবারই প্রধানমন্ত্রীর তমলুকে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সভায় উপস্থিত থাকার কথা ছিল। পাশাপাশি যাওয়ার কথা ছিল কাঁথির বিজেপি প্রার্থী সৌমেন্দু অধিকারীর হলদিয়ার সভায়। কিন্তু, সেখানে পৌঁছতে না পেরে ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থীর সভামঞ্চ থেকেই তিনি বাকি দুটি সভার কাজ সারেন। প্রধানমন্ত্রী যে দুটি সভায় স্বশরীরে থাকতে পারবেন না, তা বিজেপি কর্মীদের জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।ঝাড়গ্রামের সভাস্থল থেকে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে চরম আক্রমণ করেন। এর আগে রবিবার পুরুলিয়া, বিষ্ণুপুর এবং মেদিনীপুরে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার দেশে পঞ্চম দফা লোকসভা নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে বাংলায় সাতটি আসনে হয়েছে নির্বাচন। এমনিতে প্রতিটি নির্বাচনের দিন প্রধানমন্ত্রী সভা করেন। যে অঞ্চলে ভোট হবে, সেই জায়গার জন্য তিনি সভা করেন।প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচি বহু আগে থেকেই ঠিক থাকলেও আবহাওয়া দফতর সোমবার সকালেই জানিয়েছে, রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টি হবে। সঙ্গে বজ্রপাতেরও সম্ভাবনা আছে। ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ইতিমধ্যে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছেন রাজ্যের মানুষ। এবার খোদ প্রধানমন্ত্রীর সভাও প্রাকৃতিক দু্যোগের কারণে ব্যাহত হল। তবে, প্রধানমন্ত্রী সভাস্থলে পৌঁছতে না পারলেও দুর্যোগ উপেক্ষা করে বিজেপি কর্মীরা সভায় যোগ দিয়েছিলেন। স্থানীয় বিজেপি নেতৃবৃন্দের দায়িত্ব ছিল বুথকর্মীদের সভাস্থলে নিয়ে আসার। তাঁরা সেইমত দূর-দূরান্ত থেকে কর্মীদের ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করেই সভাস্থলে নিয়ে এসেছিলেন।

মে ২১, ২০২৪
শিক্ষা

উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম আলিপুরদুয়ারের অভীক, রাজ্যে মেয়েদের মধ্যে প্রথম হুগলির স্নেহা

প্রকাশিত হল উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট। এবার ১৫টা জেলা থেকে ৫৮ জন প্রথম দশে স্থান পেয়েছে। হুগলিতে ১৩ জন, বাঁকুড়াতে ৯ দক্ষিণ ২৪ পরগানায় ৭, কলকাতায় ৫, পূর্ব বর্ধমান ও পূর্ব মেদিনীপুরের ৪ জন করে আছেন প্রথম দশে। উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হয়েছেন আলিপুরদুয়ারের অভীক দাস। পেয়েছেন ৪৯৬ অর্থাৎ ৯৯.২ শতাংশ। দ্বিতীয় সৌম্যদীপ সাহা ৪৯৫ নরেন্দ্রপুর হাইস্কুলের ছাত্র। ৪৯৪ পেয়ে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছেন অভিষেক গুপ্ত। রামকৃষ্ণ মিশন হাইস্কুল, মালদার ছাত্র অভিষেক। চতুর্থ প্রতীচি ও স্নেহা ঘোষ হুগলি থেকে। নম্বর ৫৯৩। মেয়েদের মধ্যে প্রথম স্নেহা। এবার পঞ্চম হয়েছেন ৭ জন। তাঁরা ৪৯২ পেয়েছেন।

মে ০৮, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • ...
  • 85
  • 86
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশের ঘেরাটোপে হাফপ্যান্ট পরে ফলতার রাস্তায় জাহাঙ্গির, বাড়ি ও দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ

ফলতার রাজনীতিতে একসময় যাঁর দাপট ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু, সেই জাহাঙ্গির খান এখন পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যে। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই তাঁকে ফলতার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিশ। বৃহস্পতিবারের এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খানকে হাফপ্যান্ট পরিয়ে ফলতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও অতীতে অন্যান্য অভিযুক্তদের ক্ষেত্রে যেমন কোমরে দড়ি বেঁধে এলাকায় ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছিল, এ ক্ষেত্রে সেই ছবি দেখা যায়নি। তবুও পুলিশের সদস্যরা তাঁকে হাত ধরে নিয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে জনতার কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।তদন্তকারীরা প্রথমে জাহাঙ্গিরকে তাঁর বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে নথি ও অন্যান্য সম্ভাব্য প্রমাণের খোঁজে তল্লাশি চালানো হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়েও নিয়ে যাওয়া হয়। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, অভিযোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনার সূত্র খুঁজে বের করতেই এই পদক্ষেপ। একই সঙ্গে তাঁর উপস্থিতিতে ঘটনার পুনর্নির্মাণও করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।জাহাঙ্গিরের গ্রেফতারি নিজেই ছিল নাটকীয়। গত ৮ জুন নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে পাকড়াও করে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, তিনি সীমান্ত পেরিয়ে পালানোর চেষ্টা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর এসটিএফ অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে এবং পরে কলকাতায় নিয়ে আসে।ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের সময় থেকেই জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। ২১ মে অনুষ্ঠিত পুনর্নির্বাচনের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে তিনি হঠাৎ নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেছিলেন, এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ভোটের ব্যালট বা ইভিএমে তাঁর নাম ও দলীয় প্রতীক বহাল ছিল। শেষ পর্যন্ত তিনি ৭,৭৮৩টি ভোটও পান।নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশের তল্লাশি অভিযান, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এবং ঝুকেগা নেহি মন্তব্যসব মিলিয়ে জাহাঙ্গিরকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বেড়েছিল। তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের পর সেই বিতর্ক আরও নতুন মাত্রা পেয়েছে।এদিকে অভিযুক্তদের এলাকায় ঘোরানো নিয়ে রাজ্য জুড়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার প্রভাবও এই ঘটনায় পড়েছে। এর আগে একাধিক রাজনৈতিক নেতাকে গ্রেফতারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে জনসমক্ষে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করে রাজ্য সরকারের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, আইন অনুযায়ী পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারে, কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর সামাজিক সম্মানহানি করার অধিকার তাদের নেই।সেই প্রেক্ষাপটে জাহাঙ্গির খানকে নিয়ে পুলিশের এই পদক্ষেপ নতুন করে রাজনৈতিক ও আইনি বিতর্ক উসকে দিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ঘটনাপুনর্নির্মাণ নাকি জনসমক্ষে বার্তা দেওয়ার চেষ্টাতা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে ভবানীভবনে অভিষেক! সিআইডির সামনে কী বললেন তৃণমূল নেতা?

কলকাতা হাই কোর্টের কাছ থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও সিআইডির হাজিরা এড়াতে পারলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ভবানীভবনে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। নির্ধারিত সময়ের আগেই সিআইডি দফতরে পৌঁছে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।বিকেল সাড়ে চারটার কিছু আগে দিল্লি থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে নামেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে প্রথমে তিনি কালীঘাটে নিজের বাড়িতে যান। সেখানে অল্প সময় অবস্থান করার পর সোজা ভবানীভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিট নাগাদ সিআইডি দফতরে পৌঁছন তিনি।সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। তদন্তকারীরা যে প্রশ্ন করবেন, তার উত্তর তাঁকে নিজের হাতেই লিখে দিতে হতে পারে। পরে সেই বয়ানে স্বাক্ষরও করতে হতে পারে। তদন্তের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই পদ্ধতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীদের মতে, ভবিষ্যতে বয়ান নিয়ে কোনও বিতর্ক বা অভিযোগ এড়াতেই এই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে এই মামলার তদন্তে সিআইডি একটি বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণ করছে বলেই মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরাকে ঘিরে দিনভর ভবানীভবনে ছিল কড়া নিরাপত্তা। মূল প্রবেশদ্বার থেকে শুরু করে দফতরের চারপাশে মোতায়েন করা হয় বিপুল সংখ্যক পুলিশকর্মী। নিরাপত্তার স্বার্থে একাধিক স্তরে নজরদারি চালানো হয়।মূল গেটের পাশাপাশি অন্যান্য প্রবেশপথেও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন ছিল বিশেষ বাহিনী এবং অতিরিক্ত পুলিশ। ভবানীভবনের আশপাশে কোনও ধরনের জমায়েত যাতে না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রাখা হয়।এখন নজর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে। সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান থেকে নতুন কোনও তথ্য বা সূত্র সামনে আসে কি না, তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

একের পর এক মামলা, বাড়ছে চাপ! অভিষেককে ঘিরে সিআইডির বড় পদক্ষেপ

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্বস্তি আরও বাড়ল। ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার এবার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এতদিন এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর সাইবার থানার পুলিশ। তবে সম্প্রতি তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার সমস্ত নথি, তথ্যপ্রমাণ, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও এবং সংশ্লিষ্ট লিঙ্ক ইতিমধ্যেই সিআইডির তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। কেস ডায়েরিও হস্তান্তর করা হয়েছে। ফলে তদন্তে নতুন গতি আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এই বিতর্কের সূত্রপাত। সেই বক্তব্যকে ঘিরেই বিধাননগর সাইবার থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছিল এবং এখন সেই তদন্তভার নিয়েছে সিআইডি।অন্যদিকে, বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলাতেও চাপের মুখে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁকে ভবানীভবনে সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছে।বৃহস্পতিবার বিকেলে দিল্লি থেকে কলকাতায় ফেরেন অভিষেক। এর মধ্যেই একদিকে আদালতের নির্দেশ মেনে হাজিরার প্রস্তুতি, অন্যদিকে নতুন মামলায় সিআইডির সক্রিয়তা সব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে সিআইডি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি এবং কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর আগে তিনবার সিআইডির তলব এড়িয়ে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত তাঁকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিলেও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে কোনওভাবেই অসহযোগিতা করা যাবে না। ফলে আগামী কয়েক দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইনি পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হকার উচ্ছেদে বড় ব্রেক! হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত বন্ধ অভিযান

রেলের জমিতে বেআইনি দখলদার ও হকার উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে আপাতত স্বস্তি পেলেন হকাররা। যাদবপুরে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় কলকাতা হাই কোর্ট আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। ফলে ওই সময় পর্যন্ত হকার উচ্ছেদে কোনও পদক্ষেপ করা যাবে না বলে আদালত জানিয়েছে।গত কয়েক দিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন রেল স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় বেআইনি দখলদার এবং হকার উচ্ছেদের অভিযান চালাচ্ছিল রেল কর্তৃপক্ষ। শিয়ালদহ, হাওড়া, দমদম-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে রেল সুরক্ষা বাহিনী ও রেল পুলিশ যৌথভাবে অভিযান শুরু করে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয়।রবিবার গভীর রাতে যাদবপুরে রেলের জমিতে গড়ে ওঠা বিভিন্ন অবৈধ নির্মাণ এবং হকার উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে অশান্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এরপর ক্ষতিগ্রস্ত হকারদের একাংশ আদালতের দ্বারস্থ হন।বুধবার হকারদের পক্ষে আইনজীবী শামিম আহমেদ জরুরি ভিত্তিতে বিষয়টি আদালতের নজরে আনার আবেদন জানান। সেই আবেদন গ্রহণ করে বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য মামলা দায়েরের অনুমতি দেন এবং ১৭ জুন পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযানের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেন।আদালত আরও জানিয়েছে, হাওড়া, কোন্নগর, ডানকুনি-সহ বিভিন্ন এলাকায় হকার উচ্ছেদ সংক্রান্ত যে মামলাগুলি দায়ের হয়েছে, সেগুলির শুনানি একসঙ্গে করা হবে। এর ফলে রেলের জমিতে উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে রাজ্যজুড়ে চলা একাধিক মামলার নিষ্পত্তি একই প্রক্রিয়ায় হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।আগামী ১৭ জুন মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। সেই দিন আদালত কী নির্দেশ দেয়, এখন সেদিকেই নজর হকার, রেল কর্তৃপক্ষ এবং রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১১, ২০২৬
দেশ

নিখোঁজ নয়, মৃত্যু! ওমানের উপকূলে হামলায় প্রাণ গেল তিন ভারতীয় নাবিকের

ওমানের উপকূলে তেলের জাহাজে হামলার ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তিন ভারতীয় নাবিকের (Indian Sailors)। প্রথমে তাঁদের নিখোঁজ বলে মনে করা হলেও পরে তাঁদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল। এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহত নাবিকদের পরিবারে।জানা গিয়েছে, পালাউয়ের পতাকাবাহী একটি তেলের ট্যাঙ্কার ওমানের উপকূল দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার মুখে পড়ে। জাহাজটিতে মোট আটাশ জন নাবিক ছিলেন (Indian Sailors)। তাঁদের মধ্যে চব্বিশ জন ছিলেন ভারতীয়। এছাড়াও পাকিস্তান, ইউক্রেন এবং রাশিয়ার নাগরিকও ছিলেন জাহাজে।হামলার পর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। বেশিরভাগ নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও তিন ভারতীয় নাবিকের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে কেন্দ্রীয় জাহাজ মন্ত্রী জানান, নিখোঁজ তিন নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের দেহ ইতিমধ্যেই উদ্ধার করা হয়েছে (Indian Sailors)।নিহত নাবিকদের মধ্যে রয়েছেন ডেক ক্যাডেট আদিত্য শর্মা, ইঞ্জিন ফিটার শিবনন্দ চৌরাশিয়া এবং চিফ ইঞ্জিনিয়ার পি সুরেশ। তাঁদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকার নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে এবং সব ধরনের সহায়তা করা হবে (Indian Sailors)।সর্বানন্দ সোনওয়াল আরও জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া দেহগুলি দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে পরিবারের সদস্যরা শেষকৃত্যের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারেন।এই হামলার ঘটনায় ভারত সরকারের পক্ষ থেকে তীব্র উদ্বেগ এবং নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটল এবং এর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরেও আলোচনা শুরু হয়েছে।সমুদ্রপথে কর্মরত ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে এই ঘটনার পর। নিহত তিন নাবিকের মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ তাঁদের পরিবার, সহকর্মী এবং গোটা দেশ।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

জল্পনা সত্যি! রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছাড়লেন কোয়েল মল্লিক, নতুন চর্চা রাজনৈতিক মহলে

দিন কয়েক ধরেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনাই সত্যি করে রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (Koel Mallick)। বৃহস্পতিবার তাঁর ইস্তফার খবর সামনে আসতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।এর আগে একাধিক সাংসদ নিজেদের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই তালিকায় এবার যোগ হল কোয়েল মল্লিকের (Koel Mallick) নাম। তাঁর পদত্যাগের ফলে রাজ্যসভায় দলের সাংসদ সংখ্যা আরও কমে গেল বলে রাজনৈতিক সূত্রের দাবি।রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দলের অন্দরে নানা পরিবর্তন এবং মতভেদের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। লোকসভা, বিধানসভা এবং রাজ্যসভা সব ক্ষেত্রেই এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে (Koel Mallick)।রাজ্যসভার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। এখানে সরাসরি বড় ধরনের ভাঙনের বদলে একের পর এক সাংসদের পদত্যাগের ঘটনা সামনে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন সদস্য ইস্তফা দেওয়ার পর কোয়েল মল্লিকের সিদ্ধান্ত সেই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, চলতি বছরের শুরুতে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে কোয়েল মল্লিকের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে তিনি সাংসদ হিসেবে শপথও নেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, মানুষের সেবা এবং দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পাওয়া তাঁর কাছে বড় দায়িত্ব।তবে কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁর এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। যদিও ইস্তফার কারণ নিয়ে এখনও বিস্তারিত কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।কোয়েল মল্লিকের এই সিদ্ধান্তের পর আগামী দিনে রাজ্যসভার সমীকরণ কোন দিকে যায় এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তার কী প্রভাব পড়ে, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘ওর জন্য দলের সর্বনাশ’! নাম না করে অভিষেককে তীব্র আক্রমণ কল্যাণের

তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নেতা এবং প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বহু বছর ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আদালতে সওয়াল করেছেন তিনি। কিন্তু এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তাঁর একাধিক মন্তব্যে দলের অন্দরের অস্বস্তি প্রকাশ্যে এসেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) জানিয়েছেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিষয়ে তাঁকে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর দাবি, তিনি চেম্বারে বসে থাকার সময় অন্য এক আইনজীবীর মাধ্যমে জানতে পারেন যে একটি নতুন আবেদন দায়ের করা হয়েছে। অথচ বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। এই ঘটনায় তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এরপর আর মামলাটি লড়বেন না বলে সিদ্ধান্ত নেন।তিনি আরও দাবি করেন, পরে তাঁকে জানানো হয় যে মামলায় অন্য একজন আইনজীবী সওয়াল করবেন। এই পুরো প্রক্রিয়ায় তাঁকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা এবং দলের হয়ে লড়াই করার পরও তাঁর সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া কঠিন।রাজ্যের নানা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথম সারিতে দেখা গিয়েছে। বিরোধী আমল থেকে শুরু করে ক্ষমতায় থাকার সময়েও তৃণমূলের হয়ে একাধিক আলোচিত মামলায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। সেই কারণেই তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে কল্যাণ বলেন, দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আত্মসমালোচনা প্রয়োজন। তিনি অভিযোগ করেন, দলের ভিতরে কিছু সিদ্ধান্ত এবং আচরণই বর্তমান সংকটকে আরও গভীর করেছে।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর সমর্থন আগের মতোই রয়েছে। তবে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনি নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তাঁর মন্তব্যের পর তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, প্রবীণ এই নেতার বক্তব্য শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, দলের ভিতরের বৃহত্তর অসন্তোষেরও ইঙ্গিত হতে পারে। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বিস্ফোরক মন্তব্যের পর এখন নজর তৃণমূল নেতৃত্বের প্রতিক্রিয়ার দিকে। কারণ তাঁর বক্তব্য রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

জুন ১১, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে বড় ধাক্কা! আজই সিআইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ অভিষেককে

সই জাল মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৌশিক চন্দ নির্দেশ দেন, অভিষেককে এদিন সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই সিআইডির সদর দফতর ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে। একই সঙ্গে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে তাঁকে।উল্লেখ্য, এর আগে সিআইডির তিনটি তলব এড়িয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সেই প্রেক্ষিতে আদালত জানায়, তদন্ত প্রক্রিয়াকে আর বিলম্বিত করা যাবে না। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা প্রয়োজন মনে করলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে এবং তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নিতে পারবে।তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) জন্য সাময়িক স্বস্তির খবরও রয়েছে। আদালত তাঁকে আগামী ১৪ দিনের জন্য রক্ষাকবচ দিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। তবে সেই সুরক্ষার শর্ত হিসেবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুনানির সময় সিআইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এই মামলায় অভিযোগ সাধারণ কোনও সূত্র থেকে আসেনি। সংশ্লিষ্ট বিধায়করাই অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্তে ইতিমধ্যেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে বলেও আদালতে জানানো হয়। তাই এই পর্যায়ে কোনও বিশেষ সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয় বলে সওয়াল করেন তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী (Abhishek Banerjee)।অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল হাজিরা দিতে প্রস্তুত রয়েছেন। তবে তিনি বর্তমানে কলকাতার বাইরে থাকায় কিছুটা সময় চাওয়া হয়েছিল। আদালতে তাঁর আইনজীবী জানান, প্রয়োজন হলে পরদিনও হাজিরা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, তদন্তে সহযোগিতা করতে হলে আজই হাজিরা দিতে হবে।বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, যেহেতু অভিষেক নিজেই তদন্তে সহযোগিতার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, তাই তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে। সেই কারণেই একদিকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে তদন্তে সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়েছে।এদিকে এই মামলার আইনি লড়াই নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রথম দিকে মামলায় অভিষেকের পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে পরে তিনি সরে দাঁড়ান। এরপর বৃহস্পতিবার আদালতে অভিষেকের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য।হাইকোর্টের এই নির্দেশের পর এখন নজর ভবানীভবনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরা এবং তদন্তের পরবর্তী গতিপ্রকৃতির দিকে।

জুন ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal