• ১১ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Director

বিনোদুনিয়া

Anirban Bhattacharya : অনির্বাণের প্রথম পূর্ণ দৈর্ঘ্য ছবি, থাকছে চমক

অনির্বাণ ভট্টাচার্য তাঁর অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছেন। তাঁর অভিনয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ বর্ষীয়ান অভিনেতা থেকে শুরু করে নেটিজেরাও। সেই অনির্বাণ ভট্টাচার্য মন্দার এর মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে নিজের জাত চিনিয়েছিলেন। এসভিএফের ব্যানারে নির্মিত এই ওয়েব সিরিজ দর্শকমহলে ভালোই সাড়া ফেলেছে। এবার নতুন বছরে আরো একটি সুখবর দিলেন অনির্বাণ।এসভিএফের ব্যানারে এবার একটি পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি নির্মাণ করছেন তিনি। বাদল সরকারের নাটক বল্লভপুরের রূপকথা অবলম্বনে এক নামেই বল্লভপুরের রূপকথা নিয়ে আসছেন অনির্বাণ। অনির্বাণ ও তাঁর বন্ধু প্রতীক দত্ত মিলে এই ছবির স্ক্রিপ্ট লিখেছেন।রাজবাড়ির দুই চরিত্র, রায় পরিবারের শেষ উত্তরাধিকারি ভূপতি রায় এবং তাঁর ভৃত্য মনোহরকে ঘিরে এই ছবির চিত্রনাট্য নির্মিত হয়েছে। প্রচণ্ড অর্থাভাবে ভুগছেন একসময় বল্লভপুরের রাজপাট সামলানো রায় পরিবারের এই বংশধর। অবশেষে বাড়ি বিক্রির প্রস্তাব আগে ভূপতি রায়ের কাছে, সেই সময় ক্রেতা, ভূপতি, ভৃত্য মনোহর আর ভূতে মিলে কী কী কাণ্ড কারখানা হয়, তা নিয়েই এগোবে ছবির গল্প।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Raj Chakraborty : চিকেন পক্স থেকে সেরে উঠছেন, এখন অনেকটাই সুস্থ রাজ

চিকেন পক্সে আক্রান্ত হয়েছিলেন টলিউডের পরিচালক ও ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তাড়েছিলেন। চলচ্চিত্র উৎসবের আগে রাজের এই শারীরিক অবস্থার জন্য তার ফ্যান থেকে শুরু করে অনেকেই চিন্তিত হয়ে পরেছিলেন। তবে তিনি এখন অনেকটাই ভালো আছেন। আনন্দবাজার অনলাইনকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।রাজ বলেছেন, ভালো আছি। শরীরে কোনও অসুবিধা নেই। একটু কাবু হয়ে পড়েছিলাম। জ্বরও এসেছিল। গুটিও বেরিয়েছিল। এখন সব কমে গিয়েছে। পরশু অর্থাৎ ৩০ ডিসেম্বর থেকে আগের মতোই কাজে বেরোতে পারব। কলকাতার বাড়িতেও ফিরব ওই দিনেই।চিকেন পক্স ছোঁয়াচে রোগ তাই রিস্ক নেননি রাজ। সোজা চলে গিয়েছিলেন হালিশহরের বাড়িতে। ছেলে ইউভান এবং শাশুড়ি লীলা চক্রবর্তীকে নিয়ে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় এখন কলকাতায় রয়েছেন বহুতলের ফ্ল্যাটেই। রাজকে দেখভাল করেছেন তাঁর সহকারীরাই।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিধায়কের দায়িত্ব পালনের যেমন একটা চাপ রয়েছে এর পাশাপাশি কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের চেয়ারপার্সনও তিনি। তাই ব্যস্ততা আরও বেশি। রাজের আগামী ছবি ধর্মযুদ্ধ মুক্তি পবে ২১ জানুয়ারি।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pavel : ওজন কমিয়ে অন্য এক পাভেল

কলকাতার পরিচালকদের মধ্যে বর্তমানে একটি পরিচিত নাম পাভেল। বাবার নাম গান্ধীজি, রসোগোল্লা ছবির পরিচালকের হাতে বর্তমানে অনেক প্রোজেক্ট। তাঁর আসন্ন দুটি ছবি মন খারাপ ও কলকাতা চলন্তিকা। এই দুটি ছবিতে শুধু পরিচালনাই নয়, এর পাশাপাশি অভিনয় করতেও দেখা যাবে তাঁকে। আর তার জন্য রোগাও হয়েছেন।কলকাতার চলন্তিকা করতে কোনও অসুবিধা হয়নি জানিয়েছেন পাভেল। তবে মন খারাপ এর জন্য প্রায় ২৭ কেজির মতো ওজন ঝরিয়েছেন পরিচালক। ফলে যারা পাভেল কে এতদিন ধরে চেনেন তারা অন্য পাভেলকে দেখতে পাবেন। পাভেল তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে কলকাতার এক সংবাদমাধ্যম কে জানিয়েছেন, কলকাতা চলন্তিকার ক্যারেক্টারটা মন খারাপ-এর থেকে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চরিত্রটা আমার খুব প্রিয় এবং পছন্দের। তার অন্যতম কারণ চরিত্রটি একজন কবির। যেহেতু আমি ছোটবেলা থেকে লিটল ম্যাগাজিনের সঙ্গে যুক্ত এবং কবিতা লিখি, তাই আমি আমার সেই পুরনো বইমেলার দিনগুলোয় ফিরে যেতে পেরেছিলাম। তবে মন খারাপ-এর রোলটা একটু আলাদা। চরিত্রটা নিয়ে আপাতত বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়। তবে চরিত্র আর আমার মধ্যে একটাই মিল রয়েছে। আমরা দুজনেই একটু রাগচটা।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

SHERDIL: নতুন ছবির শুটিং শুরু করলেন সৃজিত

বেগম জান, সাবাশ মিঠু র পর তৃতীয় বলিউড ছবির কাজে হাত দিলেন পরিচালক সৃজিত মুখার্জী। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গের জঙ্গলে শুরু হল সৃজিত মুখার্জীর নতুন হিন্দি ছবি শেরদিল এর শুটিং। সেখান থেকে ক্ল্যাপস্টিকের ছবি পোস্ট করলেন পরিচালক।এই ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা পঙ্কজ ত্রিপাঠী। ফলে দর্শকদের মধ্যে আলাদা একটা উত্তেজনা কাজ করছে। সৃজিতের থেকে আরো ভালো একটি প্রোজেক্ট পাওয়ার বিষয়ে আশাবাদী তারা।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯ এই এই ছবির কথা ঘোষণা করেন সৃজিত। ২০২০ তে করোনার জন্য সব পিছিয়ে যায়। সত্য ঘটনা অবলম্বনে এই ছবিটি। ২০১৬ সালে আসলে খবরের কাগজে নেপালের একটি ঘটনার কথা জানতে পারেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়। নেপাল সীমান্তে ৬০২ কিমি অঞ্চলজুড়ে একটি ব্র্যঘ্র প্রকল্প রয়েছে। যেখানে বাঘের সংখ্যা পঞ্চাশের বেশি। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, জঙ্গলের বাইরে বাঘের আক্রমণে কোনও এলাকাবাসীর মৃত্যু ঘটলে মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। আর সেই টাকা পাওয়ার আশাতেই নাকি বহু দুঃস্থ পরিবার তাঁদের বৃদ্ধ কিংবা অসহায় কোনও পরিবারের সদস্যকে জঙ্গলে ছেড়ে দিয়ে আসত খিদের জ্বালা মানবিকতার থেকেও বড় হয়ে ওঠে। সেইরকমই ঘটনা নিয়ে শেরদিল-এর গল্প সাজান সৃজিত।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aparna Sen : বাবার জন্মশতবার্ষিকীতে বিশেষ ভাবনা অপর্ণা সেনের

চলতি বছর চলচ্চিত্র সমালোচক, পরিচালক এবং সাংবাদিক চিদানন্দ দাশগুপ্তের জন্মশতবার্ষিকী। সেই উপলক্ষে আগামী নভেম্বরে নানা অনুষ্ঠান এবং বিশেষ পুরস্কারের আয়োজন করেছে চিদানন্দ দাশগুপ্ত মেমোরিয়াল ট্রাস্ট। আজ টুইট করে এই কথাটাই জানালেন তাঁর কন্যা অপর্ণা সেন। একাধিক টুইটে পরিচালক ও অভিনেত্রী লিখেছেন, চিদানন্দ দাশগুপ্ত মেমোরিয়াল ট্রাস্ট আগামী নভেম্বরে জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন করবে প্রয়াত পরিচালকের ছবি দেখিয়ে। থাকবে স্মারক বক্তৃতা। বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত তাঁর নানা লেখা নিয়ে আয়োজিত হবে প্রদর্শনী। ২০ এবং ২১ নভেম্বর দুদিন ধরে উদযাপনের পাশাপাশি দেওয়া হবে কিছু বিশেষ পুরস্কার। উদ্যাপনের আয়োজক অপর্ণা সেন, তাঁর পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ মহল।১৯২১ সালের ২০ নভেম্বর শিলংয়ে জন্মগ্রহণ করেন মন্মথনাথ-শান্তিলতা দাশগুপ্তের সন্তান চিদানন্দ। সাংবাদিকতা, চলচ্চিত্র সমালোচনার পাশাপাশি সিনেমা শিল্পের তাত্ত্বিক দিক নিয়ে একাধিক গ্রন্থ রচনা করে তিনি। ছবি পরিচালনার পাশাপাশি ১৯৪৭ সালে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ক্যালকাটা ফিল্ম সোসাইটি।তাঁর বাবার জন্মশতবার্ষিকী সম্বন্ধে অপর্ণা সেন আরও জানান, এ বছর বাবার জন্মশতবার্ষিকী। তাঁকে ঘিরে উদ্যাপনের আয়োজন করতে পেরে ভীষণই আনন্দিত। বাবা শুধুই সুপরিচিত সাংবাদিক, চলচ্চিত্র সমালোচক এবং পরিচালক ছিলেন না, ছবির ইতিহাস সম্বন্ধেও তাঁর গভীর জ্ঞান ছিল। ভারতীয় সিনেমা এবং পরিচালকদের সম্পর্কে অনেক মৌলিক বই লিখেছেন তিনি। বাবা-ই প্রথম চলচ্চিত্রকে পাঠ্য হিসাবে দেখেছিলেন। তাঁর কথায়, বাবা না থাকলে আমি কখনওই পরিচালক অপর্ণা সেন হতে পারতাম না!

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yuvaan : ১ বছরে পা ইউভানের

এই তো সেদিন পৃথিবীর আলো দেখল ইউভান। দেখতে দেখতে অনেকটাই বড় হয়ে গেল। ১ মাস দু মাস পেরিয়ে ১ বছরে পা দিল শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তীর পুত্রসন্তান। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন সময়ে ইউভানের সঙ্গে ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তী কে। ইউভানের দুষ্টু মিষ্টি ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ ভালোই আলোড়ন ফেলে। কখনও দেখা যায় ইউভান খেলছে, আবার কখনও মজার মুহূর্ত ধরা পড়ে। আদরের মামা জিত্ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার গান শোনার ভিডিও-তে মন ভরেছে নেটিজেনদের। ইউভানের ১ বছরের জন্মদিনে মা শুভশ্রী ভেসেছেন আবেগে। ছেলে কোলে ছবির সঙ্গে আবেগ মাখা পোস্ট করেছেন মা।শুভশ্রী লিখেছেন শুভ জন্মদিন জান। এই এক বছরে তুমি আমার মধ্যে এক মায়ের জন্ম দিয়েছ। তোমাকে প্রাণভরা ভালবাসা, আমার সোনা...সত্যিই তো এক বছরে এক নতুন পরিচয় তৈরি হয়েছে অভিনেত্রী শুভশ্রীর জীবনে। তিনি বাংলা ইন্ডাস্ট্রির নামি নায়িকা, রাজ চক্রবর্তীর ঘরণী, আর এখন তিনি ইউভানের মা। জীবনে পূর্ণতা পেয়েছেন তিনি।অন্যদিকে বাবা রাজ চক্রবর্তীও ছেলের জন্মদিনে লিখেছেন শুভেচ্ছা বার্তা। তিনি লিখেছেন যে, তুমি আমার গর্ব, আমার ভালবাসা, আমার পৃথিবী, আমার সবকিছু। প্রথম জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা। পুরীর সমুদ্র সৈকতে ইউভানের একটা মিষ্টি ছবি বেছে নিয়েছেন এই শুভেচ্ছা বার্তার জন্য।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Malay Ghatak : কয়লা পাচার-কাণ্ডে ইডির তলব আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে

এবার কয়লা পাচার কাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তলব করল রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে। সূত্রের খবর, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে মলয় ঘটককে। তিনি কয়লা শিল্পাঞ্চল আসানসোলের তৃণমূলের বিধায়ক। এই তলবকেও রাজনৈতিক প্রতিহংসা বলে মনে করছে তৃণমূল নেতৃত্ব।এর আগে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সস্ত্রীক তলব করেছে ইডি। যদিও অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা ইডির কাছে আবেদন জানিয়েছেন করোনা পরিস্থিতিতে তিনি দুই সন্তান নিয়ে দিল্লি যেতে পারছেন না। ইডি আধিকারিকদের তাঁর বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি। অভিষেক নিজে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগের লক্ষ্যে পানাগড়ে একাধিক বড় ঘোষণা মমতারএদিকে কয়লা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র এখনও অধরা। তিনি রাজ্য যুব তৃণমূল কংগ্রেসের পদেও ছিলেন। সূত্রের খবর, তিনি এখন দ্বীপ রাষ্ট্র ভানুয়াতিতে রয়েছেন। আদালতে তাঁর আইনজীবী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।কয়লা পাচার নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে তদন্ত করছে সিবিআই। পাশাপাশি তদন্ত করছে ইডি। কয়লাখনি অঞ্চলে দীর্ঘ দিন ধরে রাজনীতি করছেন মলয় ঘটক। তৃণমূল কংগ্রেসের টানা তিনবারের বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী। আসানসোল শিল্পাঞ্চলে মলয় ঘটকের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। সেক্ষেত্রে সেখানকার আর্থ সামাজিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মলয়বাবু অবগত বলে মনে করে ইডির আধিকারিকরা। সেকারণেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় ইডি।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kareena Kapoor : করিনা এবার প্রযোজক

জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করছেন বেবো অর্থাৎ অভিনেত্রী করিনা কাপুর। এতদিন অভিনয় করে দর্শকদের মাতিয়েছেন। এবার তাকে দেখা যাবে প্রযোজক হিসাবে। একতা কাপুর ও হংসল মেহতার সঙ্গে ছবি প্রযোজনার কাজ করবেন তিনি। জীবনের প্রথম প্রযোজনা? বেবো বলছেন, একতা কপূরকে পরিবার সূত্রে বহু বছর ধরে চিনি। এই ছবিতে প্রযোজনার সুযোগ পেয়ে সম্মানিত বোধ করছি। আর এই প্রথমবার প্রযোজক হিসাবে কাজ করব হংসলের সঙ্গে। আমি হংসল মেহতা পরিচালিত ছবির ভক্ত। এই কাজটায় অনেক কিছুই প্রথমবার হচ্ছে। কাজ শুরু করার জন্য অধীর অপেক্ষায় রয়েছি।আরও পড়ুনঃ দীপ্সিতার জন্মদিনে শুভেচ্ছা দাদান শোভনেরএর আগে তৈমুরের জন্মের পর ভীরে দি ওয়েডিং ছবির মাধ্যমে কামব্যাক করেছিলেন করিনা। এবার দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর নতুন ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে তাকে। একতা বলছেন, করিনা কপূর যথেষ্ট ক্ষমতাশালী একজন অভিনেত্রী। ভীরে দি ওয়েডিং-এর মত নায়িকাকেন্দ্রিক ছবির প্রধান চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন করিনা। এইবারেও করিনার সঙ্গে কাজ করার জন্য আমি ভীষণ উত্সাহী আর অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। গল্পটা শোনার পরেই আমার ভীষণ ভালো লাগে। দর্শকেরা আরও একটা দারুণ কাজের অপেক্ষায় থাকতেই পারেন। বাস্তব জীবন থেকে অনুপ্রাণিত এই ছবি। খুব তাড়াতাড়ি এই শুটিং শুরু হবে বলে জানা গেছে।

আগস্ট ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anik Dutta : বিশাল ভরদ্বাজের ওয়েবে অভিনয় করছেন না অনীক দত্ত

অনীক দত্ত একজন পরিচালক হিসাবে কতটা ভালো সেটা সকলেরই জানা। তাঁর নির্মিত ছবিগুলোই সেই কথা বলে। সেই অনীক দত্ত এবার ডাক পাচ্ছেন অভিনয়ের জন্য। কিন্তু তাঁকে সব প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। কারণ তাঁর আগামী ছবি অপরাজিতা-র শুটিং এ ব্যস্ত।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পেল বেল বটম-এর ট্রেলারমঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়াতে অনীক দত্ত জানিয়েছেন, ওই দিন বিশাল ভরদ্বাজ তাঁর আগামী ওয়েব সিরিজে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাঁকে। যথারীতি অনীক ফিরিয়ে দিয়েছেন সেই ডাক। তিনি আরও জানিয়েছেন, এই ঘটনা নতুন নয়। বহু বছর ধরেই বিভিন্ন পরিচালক তাঁকে এই প্রস্তাব দিয়েছেন। নিজের কাজের খাতিরে সেই প্রস্তাব সবিনয়ে প্রত্যাখ্যান করতে হয়েছে তাঁকে। বিশালের আগে আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত তাঁকে অভিনয়ের জন্য ডেকেছিলেন। অনীক তাঁর ডাকেও সাড়া দিতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ দেখুন নুসরতের জীবনের প্রকৃত ভালোবাসা কেএই প্রসঙ্গে পরিচালক আরও জানিয়েছেন, মঙ্গলবার তাঁর কাছে বলিউডের পরিচালকের কাস্টিং ডিরেক্টরের ফোন আসে। তিনি অভিনেত্রী মৌমিতা পণ্ডিতের নামও করেন। এই প্রসঙ্গে তিনি জানান, ২০১২-য় ভুবনেশ্বরে বিশালের সঙ্গে একটি আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন। পরে বিশালের সঙ্গে অনেকক্ষণ আড্ডাও দিয়েছিলেন তিনি। পাশাপাশি পরিচালকের আফসোস, এ জীবনে সম্ভবত তাঁর আর পরিচালক-অভিনেতা হওয়া হল না। কী ধরনের চরিত্রে অভিনয়ের ডাক পেয়েছিলেন অনীক? পরিচালক জানিয়েছেন, প্রস্তাবে রাজি হলে সিরিজে তাঁকে অবসরপ্রাপ্ত বাঙালি ব্রিগেডিয়ারের ভূমিকায় দেখা যেত

আগস্ট ০৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Covid : করোনায় আক্রান্ত ফারুকী ও শাওন

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বাংলাদেশের বিনোদন জগতের দুই তারকা। অভিনয়শিল্পী মেহের আফরোজ শাওন গতকাল শুক্রবার জানতে পেরেছেন, তিনি কোভিড১৯ পজিটিভ। আর পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী শনিবার সেই খবরটা দিলেন।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিতনিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ফারুকী লিখেছেন, সব রকম নিরাপত্তাব্যবস্থা কঠোরভাবে মানার পরও পজিটিভ আমি। দয়া করে সবাই নিজের যত্ন নিন এবং মনোবল মজবুত রাখুন। পাঁচ দিন আগে করোনার টিকার প্রথম ডোজ নেন পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অন্যদিকে শাওনের উপসর্গ বলতে গাব্যথা, দুর্বলতা, কাশি। তবে তিনি জানিয়েছেন তাঁর দুই সন্তান বাড়িতেই আছেন এবং সুস্থ আছেন।বাংলাদেশে ফারুকী ও শাওনের ভক্ত কম নয়। সকলেই এখন অপেক্ষা করছেন কত তাড়াতাড়ি তাদের দুজন প্রিয় মানুষ সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।

আগস্ট ০১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rohan : রোহনের নতুন ছবি বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে

এভাবেই গল্প হোক জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর পরিচালক রোহন সেন তার দ্বিতীয় ছবির নির্মাণে হাত দিলেন। যার নাম অপরাজিতা। বাবা-মেয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়েই এই অপরাজিতা-র গল্প। ছবিতে প্রধান ভূমিকায় রয়েছেন তুহিনা দাস। তার বাবার ভূমিকায় অভিনয় করবেন শান্তিলাল মুখার্জি। পরিবারের ঘনিষ্ঠ চিকিৎসকের চরিত্রে রয়েছেন রানা বসু ঠাকুর। ছবির প্রযোজক এবং অপরাজিতার দিদির চরিত্রে অভিনয় করছেন অমৃতা দে। পুরোদমে চলছে এই ফিচার ফিল্মের শুটিং।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারঅপরাজিতা-র গল্প প্রসঙ্গে জনতার কথা কে পরিচালক রোহন সেন জানালেন,অপরাজিতা একটা মেয়ের গল্প। মেয়েটির নাম অপরাজিতা। যেটা তুহিনা করছে। মেয়েটা একটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট মেয়ে। সে আর তার বাবা বাড়িতে থাকে। তার দিদি থাকে আমেরিকায়, বিয়ে হয়ে গেছে। তার সঙ্গে তার বাবার বিগত তিন বছর ধরে কোনও কথা নেই। মেয়েদের লাইফে বাবার বড় ভূমিকা থাকে। কিন্তু এতদিন ধরে তার বাবার সঙ্গে কথা হচ্ছে না তার পেছনে একটা স্ট্রং রিসন আছে। বাবার চরিত্রে শান্তিলাল দা রয়েছেন। গল্পটা যত এগোতে থাকে তাদের রিলেশনশিপ ততো কমপ্লেক্স হতে থাকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি হবে সেটা নিয়েই অপরাজিতার গল্প।পরিচালক জানালেন পুরো শুটিং কলকাতাতেই হচ্ছে। এই মাসেই শুটিং শেষ হবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Director : কলকাতার পরিচালক এখন বিজনেসম্যান!

সায়ন্তন সেন করোনা মানুষের জীবন অনেকটা বদলে দিয়েছে। অনেক মানুষ চাকরি হারিয়ে অন্য পেশা খুঁজতে বাধ্য হয়েছেন। তবে সবথেকে খারাপ অবস্থা শিল্পীদের। পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রী, থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত মানুষ, সঙ্গীতশিল্পী সকলের কাছেই করোনার যথেষ্ট প্রভাব দেখা গেছে। অনেককে নিজেদের মাসিক বেতনের সঙ্গে কম্প্রোমাইজ করতে হয়েছে। আবার অনেকের কাছে টাকা থাকলেও তাদের ক্রিয়েটিভিটতে কিছুটা হলেও ভাটা পড়েছে। তবে এর কিছু ভাল দিকও রয়েছে। অনেকেই তাদের প্যাশনের ওপর জোর দিয়েছেন এই করোনায় মনখারাপ দূর করতে। কেউ ভাল ছবি আঁকছেন, কেউ কবিতা লিখছেন, অনেকে আবার নিজেদের ইউটিউব ভ্লগ চ্যানেল খুলেছেন। এরকম আরও কত কী। এই করোনার মধ্যেই যেমন ব্যবসায় মনোনিবেশ করলেন কলকাতার পরিচালক সত্যজিত দাস। বেশ কিছু শর্ট ফিল্ম, ওয়েব সিরিজ ও ফিচার ফিল্মের পরিচালক সত্যজিত দাস নিজের ব্যস্ত সময়ের মধ্যে MEATY ABSOLUTELY PREMIEM QUALITY PRODUCT নামে একটি অনলাইন ডেলিভারি সার্ভিস চালু করলেন। বাড়িতে বসেই এক্সট্রা ডেলিভারি চার্জ দিয়েই অনলাইনে পাওয়া যাবে মাছ, মাংস, ডিম। তার এই নতুন উদ্যোগ নিয়ে জনতার কথা-কে সত্যজিত জনালেন,আমার বিজনেস স্টার্ট আপ টা করার ইচ্ছা হলো তার কারণ এই লকডাউন সময়টা আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। আমিও এই লকডাউনে অনেক কিছু হারিয়েছি। আর সেখান থেকে মনে হলো নতুন কিছু করার। তখন অনেক বিজনেসের মধ্যে অনলাইন ডেলিভারির মাধ্যম মাথায় আসে। সেটাকে আমি বেছে নিয়েছি। চিকেন , ফিশ, এগ। এই খাদ্যটি আমাদের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই সেটা যদি মানুষের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছে দিতে পারি এই কঠিন সময়ে। যখন বাজারে গিয়ে লাইন দিয়ে কেনার ভয় সবার মধ্যে আছে। তাই এই চিন্তা রেখেই আমার এই শুরু। তিনি আরও জানান,এই বিজনেস টা অনেকেই করছে। তবে আমার বিজনেস টা অনেক দিক থেকে ইউনিক হতে চলেছে। সেটার প্রমোশন বা কিভাবে আরো ডেভালপ করা যায় সেটা নিয়ে আমরা এগোচ্ছি। এই মুহূর্তে আমরা ডাইরেক্ট কাস্টমার দের সাথে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কথা বলছি ও ডেলিভারি নিচ্ছি যাতে তাদের সমস্যা বা কিভাবে আরো বেটার সার্ভিস দিতে পারি। সেটা সরাসরি করার সুযোগ রাখছি।

জুলাই ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

R. D. Burman: "ফিরে এলাম দূরে গিয়ে......" পঞ্চম

জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় অগণিত দর্শককুলের প্রানের পঞ্চম রাহুল দেব বর্মণ, আরডি বর্মণ হিসাবে অধীক পরিচিত। ষাট-এর দশক থেকে নব্বই-এর দশক সারা ভারত দাপিয়ে বেড়িয়েছিলেন তাঁর গানের ঝুলি নিয়ে। ওই সময় কালে তিনি বলিউড সঙ্গীত জগতে একছত্র অধিপতি ছিলেন। ভারতীয় ফিল্মি ও আধুনিক সঙ্গীতে পশ্চিমি মেলবন্ধন তাঁর হাত ধরেই শুরু। সাতের দশকে তাঁর সুরারোপিত গানগুলিতে যার ছাপ স্পষ্ট। এই ধারা আজকের সঙ্গীত প্রজন্মকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করেছে।১৯৩৯ এর ২৭শে জুন কলকাতায় তাঁর জন্ম হয়। তাঁর বাবা ছিলেন কিংবদন্তি সংগীত পরিচালক এসডি বর্মণ এবং তার মায়ের নাম মীরা। সঙ্গীত জগতে তিনি বহুল পরিচিত পঞ্চম নামে। হিন্দুস্থানি সঙ্গীতে যে সাতটি স্বর আছে পা হল পঞ্চম স্বর। কীভাবে এই পঞ্চম নামটি তাঁর নামের সঙ্গে একাত্ম হয়েছিলো সেটা নিয়ে কিছুটা মতবিরোধ রয়েছে। একটি সুত্রে জানা যায় যে শিশু রাহুলের কান্না শচীনকর্তাকে ভারতীয় সঙ্গীতের পঞ্চম নোটের কথা মনে করিয়ে দেয়। আর একটি সূত্রে জানা যায় যে একবার অশোক কুমার শচীনকর্তার সঙ্গে সাক্ষাত করতে গিয়ে দেখেন ছোট্টো রাহুল তীব্র স্বরে কাঁদছেন। রসিক মানুষ আশোককুমার রাহুলের সঙ্গে স্বরমিলিয়ে পা, পা, পা, পা বলতে থাকেন এবং সেই থেকেই অশোক কুমার তাঁর নাম রেখেছিলেন পঞ্চম। ডাক নাম যেভাবেই আসুক না কেন ছোট বেলা থেকে এই সুর ও স্বর তাঁকে সঙ্গীতের সমুদ্রেই এনে ফেলল।তাঁর গানবাজনা শিক্ষার শুরু খুব ছোটবেলা থেকেই। শচীন দেব বর্মনের বাড়ির সাঙ্গীতিক পরিবেশ ছোটো রাহুলের বাড়িতে বেড়ে ওঠার পিছনে বিশেষ প্রভাব রেখেছিল। শচীন দেব বর্মন গানের টানে সপরিবারে কলকাতা থেকে বোম্বে অধুনা মুম্বাই-য়ে চলে যান। সেখানেই রাহুল প্রবাদপ্রতিম আলী আকবর খানের কাছে সরোদ শিখতে শুরু করেছিলেন। সহজাত সঙ্গীত প্রতিভার করণে তিনি হারমোনিকা সহ বহু সুরের যন্ত্র ও তাল বাদ্য বাজাতে পারতেন। রাহুল মাত্র নয় বছর বয়সে একটি গানের সুর দেন। ১৯৫৬ তে হিন্দি ছবি ফান্টুস এ ব্যবহার করেছিলেন। কিশোর কুমারের কন্ঠে গানটি ছিলো আয়ে মেরি টোপি পালাত কে আ। তিনি তাঁর পেশাদার সঙ্গীত জীবন শুরু করেন ১৯৫৮তে। সহকারি সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে শোলোয়াঁ সাল (১৯৫৮), চলতি কা নাম গাড়ি (১৯৫৮) এবং কাগজ কা ফুল (১৯৫৭) সিনেমাতে তাঁর বাবাকে সহায়তা করতে শুরু করেন। ১৯৫৯ এ গুরু দত্তের রাজ সিনেমায় তিনি প্রথম সঙ্গীত পরিচালক হিসাবে কাজ শুরু করেন। তাঁর দূর্ভাগ্য এই সিনেমাটি মাঝ পথেই বন্ধ হয়ে যায়। সংগীত পরিচালক হিসাবে প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাটি ছিল মেহমুদের পরিচালিত ছোটে নবাব (১৯৬১)। সেই তাঁর যাত্রা শুরু যা ভারতের সঙ্গীত দর্শনে এক নতুন আঙ্গিকের পথ দেখায়।ষাটের দশকে আমরা অনেক পরিণত পঞ্চমকে পাই। তাঁর তারুণ্যে প্রানবন্ত পঞ্চম কখনও তিনি তাঁর বাবার সহকারী সংগীত পরিচালক হিসাবে কাজ করেছেন, কখনও তিনি নিজেই অভিনেতা, আবার নিজের সিনেমায় সুর দিচ্ছেন। বাবাকে বন্দিনী (১৯৬৩), গাইড (১৯৬৫5), জুয়েল থিফ (১৯৬৭) এর মতো একের পর এক হিট ছবিতে সহায়তা করেছিলেন। অন্যদিকে তিনি ভূত বাংলা (১৬৫) এবং প্যার কা মৌসম (১৯৬৭) এর মতো ছবিতে অভিনয়ও করেছিলেন। তাঁর সুরারোপিত প্রথম হিট ছবি তিসরি মঞ্জিল (১৯৬৬)। এই সিনেমাটি তাঁকে তাঁর কেরিয়ারের একটি বড় মাইলস্টোন। এই ছবিটিই তাঁকে বলিউডে প্রতিষ্ঠা দেয়। সমসাময়িকদের মতে, এই ছবিতেই তিনি শচীনকর্তার ছায়া থেকে বেড়িয়ে আসেন। এর পর আর তাঁকে পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। এর পর তিনি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠিত পরিচালকদের বড় বাজেটের চলচ্চিত্রের জন্য সংগীত পরিচালকের দায়িত্ব হাতে পান। সাতের দশক শুরুর আগেই রাহুল একটি ব্রান্ড-এ পরিণত হয়। এই সময় পাড়োসন (১৯৬৮), ওয়ারিস (১৯৬৯) এর মতো একের পর এক সফল ছবি তাঁকে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করে। সাতের দশক পঞ্চমএর দশক বললে কোনও রকম অত্যুক্তি হয় না। ওই দশকে তাঁর অমর সৃষ্টি অমর প্রেম (১৯৭১), হরে রামা হরে কৃষ্ণ (১৯৭১), সীতা অউর গীতা (১৯৭২) এবং শোলে-র (১৯৭৫) সুর তাঁকে সঙ্গীতপ্রেমীদের মনের মনিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।সাতের দশক যেমন তাঁকে হাত উজার করে দিয়েছে, তেমন ভাবেই কষ্টও দিয়েছে। তাঁর প্রথমা স্ত্রী রীতা প্যাটেলের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় ১৯৭১ এ। সবচেয়ে বড় আঘাত তিনি পান তাঁর বাবার প্রয়াণে। ১৯৭৫ এ শচীন দেব বর্মন পরলোকগমন করেন। তিনি শুধু পঞ্চম এর পিতা ছিলেন না, একাধারে বন্ধু, দিকপ্রদর্শক, সঙ্গীত গুরু। তাঁর বাবার মৃত্যু তাঁর কেরিয়ারের জন্য খুব খারাপ হতে পারত। কিন্তু তিনি লিজেন্ড, থেমে থাকেননি। দশকের পর দশক এক সে বরকর এক সফল ছবির সুরে মাতিয়ে দিয়েছেন আসমুদ্র হিমাচল। খাতা পেন দিয়ে লিখে শেষ করা যাবে সে সমস্ত সিনেমার নাম। তাঁর মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সিনেমা হাম কিসি সে কম নেহি (১৯৭৭), গোলমাল (১৯৭৯), কুদরত (১৯৮০) এবং বার্নিং ট্রেন (১৯৮০)। আটের দশক এক পরিণত পঞ্চমকে পেয়েছিল। ১৯৮০ সালে তিনি আশা ভোঁসলেকে বিয়ে করেছিলেন।তাঁর সুরারোপিত বেশ কিছু হিট গান নিয়ে বিতর্কেরও দানা বাধে। সমলোচকদের মতে পঞ্চমএর সুরে পাশ্চাত্য ভাবধারার প্রাধান্য খুব বেশী ছিল। তাঁরা উল্লেখ করেন বেশ কিছু হিন্দি সিনেমার গান সরাসরি সে সমস্ত গান থেকেই কপি করা হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ আও টুইস্ট করে (ভূত বাংলো - ১৯৬৫) Lets Twist Again by Chubby Checker থেকে নেওয়া, তেরা মুঝসে হে পহেলে কা নাতা কোই (আ গলে লাগ জা - ১৯৭৩) The Yellow Rose of Texas (Traditional Texas folksong) থেকে নেওয়া হয়েছে, বা তুমসে মিলকে (পারিন্দা - ১৯৮৯) When I Need You (Hammond Sager) এর থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সুর করা। তাঁর গানের সুরে বিদেশী ভাবধারার প্রাধান্য নিয়ে পঞ্চম বারবার উল্লেখ করেছেন মেলবন্ধনের কথা, সঙ্গীত কে কখনই সীমানা দিয়ে আটকে রাখা যায় না। সঙ্গীত হল সামাজের দর্পন। একটা সুরই একটা জাতি ও তাদের রীতিনীতিকে এক লহমায় চিনিয়ে দেয়। তাঁর সুরে যেমন ভারতীয় রাগরাগিণী-র প্রভাব আছে সাথে সাথে পাশ্চাত্য সঙ্গীতকেও তিনি তাঁর অনেক গানে ব্যবহার করেছেন। সঙ্গীতপ্রেমীদের মতে তিনিই ভারতে প্রথম মার্গসঙ্গীতের সাথে পাশ্চাত্য সঙ্গীতের যুগলবন্দী ঘটিয়ে এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তাঁর বহুমুখী গানের সুরে দিকভ্রষ্ট হয়ে তাঁর সমলোচকরা রণে ভঙ্গ দেন।আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ নিম্নমুখী হতে থাকে। তাঁর সিগনেচার সুর যেন আর মানুষকে টানছিল না। পঞ্চমের গানগুলি জনসাধারণের উপর প্রভাব ফেলতে ব্যর্থ হচ্ছিল। তাঁর পশ্চিমি ঘরানার গানগুলি বাপ্পি লাহিড়ি-র পশ্চিমা অনুপ্রাণিত ডিস্কোর কাছে হেরে যাচ্ছে। ১৯৮৮ সালে তিনি মাত্র ৪৯ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। অস্ত্রোপচারের পর সাময়িক ভাবে তিনি তাঁর সঙ্গীত থেকে বিরত থাকেন। নব্বইয়ের দশকে তিনি আবার বিধু বিনোদ চোপড়ার সিনেমা ১৯৪২ এ লাভ স্টোরি-তে সুরারোপ করেন। আবার ইতিহাস। ৫৪ বছর বয়সে পঞ্চম আরেকবার হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন। ১৯৯৪ এর ৪ঠা জানুয়ারী তিনি সুরালোক থেকে পরলোকে যাত্রা করেন। পঞ্চমের মৃত্যুই তাঁর সঙ্গীতসত্তাকে আরও জনপ্রিয় করে তোলে। যে মানুষগুলি নব্বইয়ের দশকে তাঁকে বাদের খাতায় ফেলে দিয়েছিল, তাঁর অবর্তমানে তাঁর সৃষ্টি নিয়েই তাদের মাতামাতি। স্রষ্টার মৃত্যু হয়, সৃষ্টি অমর। তাঁরই গানে ফিরে এলাম দূরে গিয়ে......।

জুন ২৭, ২০২১
কলকাতা

Film Director passes away: প্রয়াত পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত

প্রয়াত চিত্র পরিচালক বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার নিজের বাসভবনে মৃত্যু হয় তাঁর। অনেকদিন ধরেই তিনি কিডনির অসুখে ভুগছিলেন। চলছিল ডায়ালিসিস। কিডনির সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল ছিল বার্ধক্যজনিত সমস্যা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। তাহাদের কথা, উত্তরা ছবির জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি।বিশিষ্ট পরিচালকের মৃত্যুতে বিনোদুনিয়ায় শোকের ছায়া। পরিচালকের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Anguished by the demise of Shri Buddhadeb Dasgupta. His diverse works struck a chord with all sections of society. He was also an eminent thinker and poet. My thoughts are with his family and several admirers in this time of grief. Om Shanti. Narendra Modi (@narendramodi) June 10, 2021Saddened at the passing away of eminent filmmaker Buddhadeb Dasgupta. Through his works, he infused lyricism into the language of cinema. His death comes as a great loss for the film fraternity. Condolences to his family, colleagues and admirers Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 10, 2021বৃহস্পতিবারও তাঁর ডায়ালিসিস হওয়ার কথা ছিল। তবে তার আগে বুধবার রাতে কবি-পরিচালকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ঘরে ঘুমোচ্ছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী ঘুম থেকে ডাকতে যান। তবে কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে আঁতকে ওঠেন। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসককে ডেকে পাঠান। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত্যু সংবাদ জানা। ১৯৪৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পুরুলিয়ার আনাড়ায় জন্ম বুদ্ধদেব দাশগুপ্তর। নজন ভাইবোনের পরিবারে তৃতীয় সন্তান ছিলেন তিনি। তাঁর বাবা তারাকান্ত দাশগুপ্ত পেশায় চিকিৎসক ছিলেন। রেলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তাই একাধিক জায়গায় ঘুরে ফিরে বড় হয়েছেন কবি-পরিচালক। মাত্র ১২ বছর বয়সে কলকাতায় চলে আসেন। হাওড়ার দীনবন্ধু স্কুলে পঠনপাঠন শুরু হয় তাঁর। স্বাধীনতার পর তাঁর বাবার খড়গপুর এবং ঝাড়খণ্ডে বদলি হয়ে যায়। অর্থনীতি নিয়ে স্কটিশ চার্চ কলেজেও পড়াশোনা করেছেন বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ শ্যামসুন্দর কলেজে অধ্যাপনা করেছেন তিনি।ন।এরপর সিনেমা তৈরির ভাবনাচিন্তা শুরু করেন। কলকাতা ফিল্ম সোসাইটির সদস্যপদ গ্রহণ করেন তিনি। ১৯৬৮ সালে ১০ মিনিটের একটি তথ্যচিত্র তৈরির মধ্য দিয়ে পরিচালনায় হাতেখড়ি তাঁর। তারপর একে একে দূরত্ব, নিম অন্নপূর্ণা, গৃহযুদ্ধ, মন্দ মেয়ের উপাখ্যান, স্বপ্নের দিন, উড়োজাহাজ-এর মতো ছবি করেছেন তিনি। তাঁর বহু ছবি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছে। বাঘ বাহাদুর, চরাচর, লাল দরজা, কালপুরুষ-সহ একাধিক ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। তাহাদের কথা বাংলায় সেরা ফিচার ফিল্মের সম্মান পেয়েছিল। এই ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন তিনি। বিনোদুনিয়ার পাশাপাশি সাহিত্য জগতেও অবদান রয়েছে তাঁর। চলচ্চিত্র সির্মাতার মৃত্যুতে শোকে পরিজনেরা। বিনোদুনিয়াতেও নেমেছে শোকের ছায়া।

জুন ১০, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর

প্রয়াত হলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর রঞ্জিত সিনহা। শুক্রবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ দিল্লিতে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। সূত্রের খবর, করোনায় আক্রান্ত হয়েই মারা গিয়েছেন ১৯৭৪ ব্যাচের এই অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসার।একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বেশ কয়েকদিন ধরেই নাকি অসুস্থ ছিলেন রঞ্জিত সিনহা। এমনকী শরীরে কোভিডের উপসর্গও দেখা দিয়েছিল। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতেই করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল তাঁর। আর করোনা সংক্রান্ত জটিলতার কারণেই মৃত্যু হয়েছে রঞ্জিত সিনহার। যদিও পরিবারের তরফ থেকে এই ব্যাপারে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।রঞ্জিত সিনহা চাকরিজীবনে বহু গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ বা আইটিবিপি-র ডিজি, রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স বা আরপিএফের চিফ এবং সিবিআইয়ের পাটনা ও দিল্লি অফিসের অনেক উঁচু পদে দায়িত্বভার সামলেছেন। পরবর্তীতে সিবিআইয়ের ডিরেক্টরও হয়েছেন। ২০১২ সাল থেকে দুবছরের জন্য ওই দায়িত্ব সামলেছিলেন। যদিও ২০১৭ সালে কয়লা কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছিল রঞ্জিত সিনহার।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
কলকাতা

মোদী সরকারের সমালোচনা করলে দেশদ্রোহী হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবেনঃ অপর্ণা সেন

নাম না করে কেন্দ্রের মোদী সরকারের ফের সমালোচনা করলেন অভিনেত্রী তথা চিত্র পরিচালক অপর্ণা সেন। টুইটারে অভিনেত্রী লেখেন, দয়া করে দেশের কোনও ঘটনার প্রতিবাদ করবেন না। যদি করেন তাহলেই আপনি হয় দেশদ্রোহী আর নয়তো আর্বান-নকশাল হিসেবে চিহ্নিত হয়ে যাবেন। কিন্তু পাকিস্তানের সমর্থক হিসেবেও প্রতিপন্ন হতে পারেন। নয়তো বলা হতে পারে, আপনি টুকরে টুকরে গ্যাংয়ের প্রতিনিধি আর নাহলে একজন সন্ত্রাসবাদী বা খালিস্তানি। যে কোনও মুহূর্তে আপনা জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে। তাই সাবধান। আরও পড়ুন ঃ ভেন্টিলেশন থেকে বের করা হল বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নিজের টুইটের মধ্যে দিয়েই অপর্ণা সেন বোঝাতে চেয়েছেন, দেশে গণতন্ত্র ভুলুণ্ঠিত। কারণ এখানে সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই শাস্তি পেতে হবে। ঘটনার প্রতিবাদ করলে বিপদে পড়তে হবে। সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় বিজেপির তীব্র বিরোধী অভিনেত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর জরুরি অবস্থাটা ছিল গণতন্ত্রের এক কলঙ্কিত অধ্যায়। কিন্তু গত কয়েক বছরের পরিস্থিতি যেন আরও ভয়াবহ।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
বিনোদুনিয়া

অভিনেত্রীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগে আটক কাস্টিং ডিরেক্টর

​বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করার অভিযোগে এক কাস্টিং ডিরেক্টরকে আটক করল মুম্বই পুলিশ। অভিনেত্রীর বয়স ২৮ বছর। অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে চলতি বছরের জুলাই থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে একাধিকবার ওই কাস্টিং ডিরেক্টর তাঁকে ধর্ষণ করেছেন। তাঁর ভারসোভার ফ্ল্যাটে থাকতেও শুরু করেন কাস্টিং ডিরেক্টর। কিন্তু গত অক্টোবরে ওই অভিনেত্রী বিয়ের কথা বলতেই বেঁকে বসে ওই যুবক। এর মধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই তরুণী। অভিযোগ, তিনি ওই ডিরেক্টরকে তাঁর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর জানালেও সে কোনও আগ্রহ দেখায়নি। আরও পড়ুন ঃ বিয়ে করলেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য গর্ভপাতের জন্য হাসপাতালে যেতেও অস্বীকার করে সে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়া থেকে শুরু করে গর্ভপাত করানো অবধি সবটা তিনি একাই সামলেছেন বলে দাবি করেন পুলিশের কাছে। এর মধ্যেই ওই অভিনেত্রীর গর্ভপাত হয়ে যায়। এরপরেও ওই ব্যক্তি অভিনেত্রীকে বিয়ে করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন। এরপরেই তিনি গত ২৫ নভেম্বর ম্বইয়ের ভারসোভা থানায় ওই কাস্টিং ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন। তারপরই মুম্বই পুলিসের তরফে আটক করা হয় বছর ২৭-এর ওই কাস্টিং ডিরেক্টরকে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ফেলুদা ফেরত ছবির ট্রেলার

সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ফেলুদা ফেরত নিয়ে দর্শকদের মধ্যে প্রথম থেকেই উত্তেজনা তুঙ্গে। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুক্তি পেল ফেলুদা ফেরত-এর ট্রেলার। শনিবার মুক্তি পেল ফেলুদা ফেরত-এর ট্রেলার। ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে ছিলেন বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পুরনো ফেলুদা সব্যসাচী চক্রবর্তী। ছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দেখা গেল এই ছবির ফেলুদা টোটা রায় চৌধুরী, জটায়ু অনির্বাণ চক্রবর্তী। অতিথি হিসাবে ছিলেন সাহেব ভট্টাচার্য। আরও পড়ুন ঃ অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে অশ্লীল মেসেজ পাঠানোর অভিযোগ , ধৃত যুবক ছবির ট্রেলারে উঠে এল বনজঙ্গল, বাঘ, প্রাচীন মন্দির থেকে তোপসে, জটায়ু-সহ একাধিক স্থান এবং চরিত্র। তবে নজর কাড়লেন ফেলুদা রূপী টোটা রায় চৌধুরী। তাঁকে ওয়েব দুনিয়ার নয়া ফেলুদা হিসাবে মন্দ লাগল না। জানা গিয়েছে, ফেলুদা সিরিজের জনপ্রিয় দুই গল্প ছিন্নমস্তার অভিশাপ এবং যত কাণ্ড কাঠমান্ডুতে নিয়েই বানানো হচ্ছে এই সিরিজ।

নভেম্বর ২২, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল হাবজি গাবজির ট্রেলার

মুক্তি পেল রাজ চক্রবর্তীর নতুন ছবি হাবজি গাবজি-র ট্রেলার। শনিবার শিশু দিবসে এই ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। এই ছবিতে জুটি বেঁধেছে পরমব্রত-শুভশ্রী। বাচ্চা ছেলের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন স্যমন্তক দ্যুতি মৈত্র। জানা গিয়েছে, বড়দিনে উৎসবের মরসুমে মুক্তি পাবে হাবজি গাবজি। সত্য ঘটনা অবলম্বনে এই ছবি। ছবির বিষয় নেটমগ্ন শৈশব। শিশুদের জগতজুড়ে এখন স্মার্টফোন বা কম্পিউটার স্ক্রিন। তাঁদের জীবনে বাইরের মাঠ নেই, আকাশ নেই খেলা নেই। মোবাইল গেমে আটকে যাচ্ছে জীবন। এর পরিণতি কী হতে পারে তা নিয়েই গল্পের প্রেক্ষাপট। আরও পড়ুন ঃ অত্যন্ত সংকটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বাবা-মা আর দশ বছরের একটি বাচ্ছা। খুশির পরিবার। আর এই পরিবারেই নেমে আসে ঝড়। কেরিয়ার আর অ্যাম্বিশনের জেরে ছোট্ট ছেলের সঙ্গী হয়ে ওঠে মোবাইল গেম। ছেলে বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাল ফোনের চাহিদাও বাড়তে থাকে। বাবাও জন্মদিনে উপহার দেয়। এরপর নেটমগ্ন ছেলেকে আর ফিরিয়ে আনতে পারে না বাবা-মা। এরপর কী হয়? তা জানতে অবশ্যই দেখতে হবে রাজ-শুভশ্রী-পরমব্রতর হাবজি গাবজি। ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন পদ্মনাভ দাশগুপ্ত।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
বিনোদুনিয়া

বন্ধুর সঙ্গে বাগদান সেরে ফেললেন ইমন

জাতীয় পুরস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তীর বিয়ে নিয়ে অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। এবার সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার বাগদানপর্ব সেরেই ফেললেন এই স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী। পাত্র সংগীত পরিচালক নীলাঞ্জন ঘোষ। হাওড়ার লিলুয়ায় বাড়ি ইমন চক্রবর্তীর। মায়ের কাছেই প্রথম সংগীত শিক্ষা। তাঁর কাছ থেকেই শিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথের সুরকে ভালবাসতে। ধীরে ধীরে বাংলার সংগীত জগতে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন ইমন। আরও পড়ুনঃ আচ্ছন্নভাব থাকলেও শারীরিক উন্নতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ২০১৭ সালে পান জাতীয় স্বীকৃতি। অনুপম রায়ের সুরে তুমি যাকে ভালবাসো গানটির সুবাদে জাতীয় পুরস্কার পান ইমন। জানা গিয়েছে, বহুদিনের বন্ধু নীলাঞ্জনের সঙ্গে ডিসেম্বর থেকে প্রেম শুরু সংগীতশিল্পীর। দুজনে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সম্পর্ককে পরিণতি দিতে চান।

অক্টোবর ২০, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

রোজভ্যালির আমানতকারীদের টাকা কবে ফিরবে? হাই কোর্টের নির্দেশে সামনে এল নির্দিষ্ট সময়

রোজভ্যালি চিটফান্ড মামলায় আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাই কোর্ট। দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর কাজ চললেও তার গতি যথেষ্ট নয় বলে আদালতের পর্যবেক্ষণ। এবার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। একই সঙ্গে প্রতি মাসে কাজের অগ্রগতির হিসাব আদালতে জমা দিতে হবে।বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ এবং বিচারপতি সুদীপ দেবের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, রোজভ্যালির সম্পত্তি বিক্রি করে সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করাই সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির মূল দায়িত্ব। এর বাইরে কমিটির কোনও অতিরিক্ত আইনি ক্ষমতা নেই। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কমিটির তত্ত্বাবধানে থাকা সহযোগী সংস্থা তৃতীয় পক্ষের সঙ্গে হোটেল পরিচালনার যে চুক্তি করেছিল, তার অনুমোদনের ক্ষমতা কমিটির ছিল না। ফলে ওই ধরনের অনুমোদনহীন চুক্তিগুলিকে শুরু থেকেই বাতিল বলে ঘোষণা করেছে আদালত।আমানতকারীদের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, দীর্ঘ সময় ধরে কমিটির হাতে বিপুল সম্পত্তি থাকলেও সেই তুলনায় টাকা ফেরানোর কাজ খুব ধীর গতিতে হয়েছে। আদালতে যে তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, তাতে প্রায় ৬০০ কোটি টাকার সম্পত্তির কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে মাত্র ৫৫ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টন করা হয়েছে বলে দাবি। গত ১১ বছরে মাত্র ১০টি সম্পত্তির নিলাম এবং ৮০টি সম্পত্তির মূল্যায়ন সম্পূর্ণ হয়েছে বলেও আদালতে জানানো হয়।অন্যদিকে, রোজভ্যালি সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকে আমানতকারীদের টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত একাধিক দফায় এক লক্ষেরও বেশি দাবিদারকে টাকা দেওয়া হয়েছে এবং প্রায় ৩২ লক্ষ দাবি নথিভুক্ত হয়েছিল। ফলে আগের বছরগুলিতে কাজের গতি নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে শুরু হওয়া টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াটিও আদালতের নজরে রয়েছে।হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ নভেম্বরের মধ্যে অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা মুলতুবি থাকা দাবিগুলির ভিত্তিতে যোগ্য আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের ব্যবস্থা করতে হবে। আদালতের নির্দেশে ৩২ লক্ষ ৪৩ হাজার ২২০টি মুলতুবি দাবির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর ২০২৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বাকি সম্পত্তি বিক্রি এবং সেই অর্থ আমানতকারীদের মধ্যে বণ্টনের কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু সময়সীমা বেঁধে দিয়েই থামেনি আদালত। প্রতি মাসে সম্পদ নিষ্পত্তি কমিটিকে আদালতে কাজের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে হবে। অর্থাৎ কতগুলি সম্পত্তি বিক্রি হল, কত টাকা বণ্টন করা হল এবং কতগুলি দাবি এখনও বাকি রয়েছে, সেই সংক্রান্ত অগ্রগতির হিসাব আদালতের নজরে থাকবে।আদালত আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমার পরেও যদি কাজ বাকি থাকে, তা হলে অবশিষ্ট সম্পত্তি, অর্থ এবং অন্যান্য অসম্পূর্ণ বিষয় বিচারপতি এস পি তালুকদারের নেতৃত্বাধীন এক সদস্যের কমিটির হাতে তুলে দেওয়া হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হলে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ায় নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে।রোজভ্যালি মামলায় জালিয়াতির অভিযোগের তদন্ত এবং সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়ায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও যুক্ত রয়েছে। এবার বাজেয়াপ্ত না হওয়া বাকি সম্পত্তি চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইডিকে নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তে চিহ্নিত নতুন সম্পত্তির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।এ ছাড়া সিরিয়াস ফ্রড ইনভেস্টিগেশন অফিসকে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ফরেনসিক অডিট শেষ করে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। এর ফলে রোজভ্যালির সম্পত্তি, আর্থিক লেনদেন এবং টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়ায় আরও নজরদারি বাড়তে চলেছে।রোজভ্যালি মামলায় দীর্ঘদিন ধরে টাকা ফেরানোর অপেক্ষায় রয়েছেন বহু আমানতকারী। আদালতের এই নির্দেশে এবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়া শেষ করার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে সম্পত্তি বিক্রি, দাবির যাচাই এবং টাকা বণ্টনের কাজ কতটা দ্রুত এগোয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে সরাসরি এশিয়ান গেমস! বৃষ্টির মধ্যেই সোনা জিতে ইতিহাস নীরুর

এই কাহিনী শুনলে যে কারও মন ভালো হতে বাধ্য। লক্ষ্য যদি অবিচল থাকে তাহলে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতি আসুক না কেন, কেউ তাঁকে হারাতে পারবে না। এশিয়ান গেমসে সোনা জেতার মাত্র ১০ দিন আগেও তাঁর কেরিয়ার নিয়ে তৈরি হয়েছিল বড় অনিশ্চয়তা। হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ভারতীয় ট্র্যাপ শুটার নীরু ধান্ডা। সংক্রমণের কারণে শারীরিক অবস্থা এতটাই খারাপ হয়েছিল যে, জাপানের নাগোয়ায় এশিয়ান গেমসে আদৌ অংশ নিতে পারবেন কি না, তা নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই অসুস্থতাকেই পিছনে ফেলে মঙ্গলবার ইতিহাস গড়লেন ২৬ বছরের এই ভারতীয় শুটার।জাপানের গ্রামীণ টয়োটার উরেনোচো শুটিং রেঞ্জে প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই ট্র্যাপ শুটিংয়ের ফাইনালে ৩০টির মধ্যে ২৮টি লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। এর ফলে এশিয়ান গেমসের নতুন রেকর্ড গড়ে সোনা জেতেন তিনি। চিনের সুন ইউনং ২৬টি লক্ষ্যভেদ করে রুপো পান। এশিয়ান গেমসে এটিই ভারতের পঞ্চম সোনা। তবে নীরুর সাফল্যের গুরুত্ব শুধু পদকের হিসাবেই নয়। এশিয়ান গেমসের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও ভারতীয় মহিলা ট্র্যাপ শুটিংয়ে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। একইসঙ্গে ১৯৭৮ সালের পর এই ইভেন্টে কোনও ভারতীয় শুটারের ব্যক্তিগত সোনার অপেক্ষাও শেষ হল। ১৯৭৮ সালে রণধীর সিং ট্র্যাপ শুটিংয়ে সোনা জিতেছিলেন।এই সাফল্যের নেপথ্যে ছিল কঠিন এক প্রত্যাবর্তনের গল্প। নয়াদিল্লিতে জাতীয় শিবিরে প্রায় সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন করতে পারেননি নীরু। অসুস্থতার সময় টানা পাঁচ দিন খাবারও খাননি, শুধু জল খেয়ে ছিলেন। হাসপাতালেও তিন দিন কাটাতে হয় তাঁকে। এই কঠিন সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর কোচ অর্জুন পুরস্কারপ্রাপ্ত মনশের সিং। প্রতিদিন ফোন করে নীরুকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেন তিনি। নীরুর কথায়, কোচ তাঁকে বলতেন কয়েক দিন অনুশীলন না করলেও কিছু যায় আসে না, তিনি প্রতিভাবান এবং তারকা হয়েই থাকবেন। প্রাক্তন সাংসদ তথা ক্রীড়ামন্ত্রী যশোধরা রাজের কাছ থেকেও সমর্থনের বার্তা পেয়েছিলেন নীরু।ভারতের ট্র্যাপ শুটিং কোচ পিটার উইলসন জানান, হাসপাতালে থাকার মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই নীরু প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। সাড়ে তিন সপ্তাহ অনুশীলন না করেও জাপানে মাত্র দুদিন শুটিং করে ফাইনালে সাফল্য পেয়েছেন তিনি। নীরুর শুটিংয়ে আসার গল্পও বেশ চমকপ্রদ। ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে তাঁর খুড়তুতো ভাই লক্ষ্য শেওরান ট্র্যাপ শুটিংয়ে রুপো জেতার পর এই খেলায় আগ্রহী হন তিনি। পরে ভোপালের মধ্যপ্রদেশ স্টেট শুটিং অ্যাকাডেমিতে প্রশিক্ষণ শুরু করেন।গত বছর এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা এবং চলতি বছরের জুলাইয়ে ISSF বিশ্বকাপে ব্যক্তিগত ট্র্যাপ সোনা জেতার পর এবার এশিয়ান গেমসেও সাফল্য পেলেন নীরু। তার উপর মঙ্গলবার ছিল প্রবল বৃষ্টি। বৃষ্টির জল শুটারদের হাতে পড়ছিল, মনোযোগও নষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু নিজেকে বারবার প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে এনে লক্ষ্যভেদ করেন নীরু। হাসপাতালের বিছানা থেকে এশিয়ান গেমসের মঞ্চ, এই অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের শেষে তাঁর হাতেই উঠল ঐতিহাসিক সোনা।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জেএমবি-যোগের সন্দেহে মঙ্গলকোটের মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার এনআইএ-র, বাজেয়াপ্ত ডায়েরি ও মোবাইল

পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে মসজিদের ইমামকে গ্রেপ্তার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (JMB)-এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার সন্দেহেই পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদের ইমাম পিয়ার মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার ভোরে মঙ্গলকোট থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মসজিদে অভিযান চালায় এনআইএ। সেখান থেকেই তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পিয়ার মোহাম্মদের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার কুলুট গ্রামে। গত প্রায় তিন-চার বছর ধরে তিনি মঙ্গলকোটের পালিশ গ্রামের পূর্বপাড়ার মসজিদে ইমামের দায়িত্ব পালন করছিলেন। তদন্তকারীরা তাঁর পাসপোর্ট পরীক্ষা করে জানতে পেরেছেন, একাধিকবার বাংলাদেশে গিয়েছেন তিনি।এনআইএ সূত্রে খবর, মসজিদে ইমাম থাকার জন্য যে ঘরটি পিয়ার মোহামদ ব্যবহার করতেন, সেখান থেকে একটি ডায়েরি এবং মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই ডায়েরিতে বাংলাদেশের কয়েকজনের ফোন নম্বর পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই যোগাযোগগুলির সঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।চলতি বছরের জুন মাসে পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতকেন্দ্রিক কথিত সন্ত্রাসবাদী ষড়যন্ত্রের মামলায় ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করেছিল এনআইএ। সেই মামলার তদন্তের সূত্র ধরেই পিয়ার মোহাম্মদের নাম তদন্তকারীদের নজরে আসে বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তাবলিগ জামাতের কাজে বৈধভাবে প্রায় ৪০ দিন বাংলাদেশে ছিলেন পিয়ার মোহাম্মদ। তবে সেই সফরের সময়ে তিনি জেএমবির কোনও সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন কি না, কোনও বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন কি না, কিংবা বাংলাদেশের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে তাঁর আদৌ কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, এই সব বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পিয়ার মোহাম্মদের সঙ্গে আরও কারও যোগাযোগ ছিল কি না, তাঁর মাধ্যমে কোনও বৃহত্তর জঙ্গি নেটওয়ার্কের সন্ধান পাওয়া যায় কি না, সেই বিষয়েও তদন্ত চালাচ্ছে এনআইএ ও স্থানীয় পুলিশ।ইমামকে জঙ্গি-যোগের সন্দেহে গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই পালিশ গ্রামে চাঞ্চল্য দেখা দেয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পিয়ার মোহাম্মদকে তাঁরা বরাবরই শান্ত এবং সাধারণ স্বভাবের মানুষ হিসেবেই জানতেন। ফলে তাঁর গ্রেপ্তারের খবর তাঁদের বিস্মিত করেছে।এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ধৃত ইমামকে নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয় এনআইএ। তাঁকে কলকাতার ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।পিয়ার মোহাম্মদের আইনজীবী কাজি সাহাবাব জামান জানিয়েছেন, টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে বার্তালাপের অভিযোগে তাঁর মক্কেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাঁর মক্কেল নির্দোষ বলে দাবি করেছেন আইনজীবী।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

২৭০০ থেকে ২৭ হাজার! ক্যানসারের ওষুধে দশ গুণ দাম দেখে সুপ্রিম কোর্টে তোলপাড়

ক্যানসারের মতো গুরুতর রোগের চিকিৎসায় ওষুধের খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে সুপ্রিম কোর্ট। একটি ক্যানসারের ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা খুচরো বিক্রেতাকে যে দামে ওষুধ দিচ্ছে, তার তুলনায় সর্বোচ্চ খুচরো দামের ব্যবধান দশ গুণ পর্যন্ত হতে পারেএমন তথ্য শুনানিতে উঠে আসে। উদাহরণ হিসেবে আদালত জানতে পারে, ২৭০০ টাকায় খুচরো বিক্রেতার কাছে পৌঁছনো একটি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরো দাম ২৭ হাজার টাকা। এই বিপুল ব্যবধান নিয়ে কেন্দ্রের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত।বিচারপতি বিক্রম নাথ এবং বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চ ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ, জেনেরিক ওষুধের ব্যবহার এবং চিকিৎসা সরঞ্জামের দাম সংক্রান্ত মামলার শুনানি করছিল। সেখানেই ক্যানসারের ওষুধের দামে খুচরো বিক্রেতার জন্য নির্ধারিত দাম এবং রোগীর জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ খুচরো দামের মধ্যে এত বড় ফারাক নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আদালত জানতে চায়, ২৭০০ টাকায় যে ওষুধ বিক্রেতার কাছে যাচ্ছে, সেটির সর্বোচ্চ খুচরো দাম কেন ২৭ হাজার টাকা হবে।আদালতের প্রশ্ন ছিল, এই অতিরিক্ত টাকার বড় অংশ কোথায় যাচ্ছে এবং এর ফলে কারা লাভবান হচ্ছে। বিচারপতিরা এমন দামের ব্যবধানকে রোগীদের উপর গুরুতর আর্থিক চাপ হিসেবে দেখেছেন। বিশেষ করে ক্যানসারের মতো রোগে চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় ওষুধের দাম বেড়ে গেলে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে রোগী এবং পরিবারের উপর।শীর্ষ আদালত বেসরকারি হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখেছে। শুনানিতে এমন অভিযোগের প্রসঙ্গ ওঠে যে, কিছু কর্পোরেট হাসপাতাল রোগীদের নিজেদের ফার্মেসি থেকে ওষুধ কিনতে বাধ্য করে। বাইরে থেকে একই ওষুধ কিনে আনলে চিকিৎসা নিয়ে সমস্যার আশঙ্কাও রোগীদের সামনে থাকে বলে আদালতে বিষয়টি উঠে আসে।সরকারি স্বাস্থ্য প্রকল্পের আওতায় চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ওষুধের বাড়তি দাম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আদালত। কারণ কোনও সরকারি প্রকল্পে চিকিৎসা বা ওষুধের খরচ বেশি হলে শেষ পর্যন্ত সেই ব্যয়ের একটা অংশ সরকারি অর্থ থেকে মেটানো হয়। ফলে এর আর্থিক প্রভাব সাধারণ মানুষের উপরও পড়তে পারে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ করেছে।শুনানিতে ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় এবং অনত্যাবশ্যকীয়এই ভাগ করে আলাদা নিয়ম রাখার যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিচারপতিরা জানতে চান, সব ধরনের ওষুধের ক্ষেত্রেই কি নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশের সীমা বেঁধে দেওয়া যায় না। আদালতের তরফে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমার কথাও আলোচনায় আসে।কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকারের অবস্থান আদালতকে জানানো হবে। কেন্দ্র আরও সময় চেয়েছে বলেও সাম্প্রতিক শুনানির প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১২ অক্টোবর হওয়ার কথা।তবে ১৬ শতাংশ লভ্যাংশের সীমা এখনই কার্যকর কোনও নতুন নিয়ম নয়। এটি শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের উত্থাপিত একটি প্রস্তাব বা প্রশ্ন। কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ক্যানসারের ওষুধের দাম নিয়ে এই শুনানি তাই রোগীদের চিকিৎসার খরচ, ওষুধের মূল্যনিয়ন্ত্রণ এবং হাসপাতালের ওষুধ বিক্রির পদ্ধতিতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কেই সামনে এনেছে। এখন কেন্দ্রের বক্তব্য এবং পরবর্তী শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের অবস্থানের দিকে নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি! কাঠুয়ায় সিআইএসএফ শিবিরে ভয়াবহ ঘটনায় মৃত্যু ৪ জওয়ানের

জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়ায় সিআইএসএফের একটি শিবিরে ভয়াবহ গুলিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসার পর এক সহকর্মী কয়েকজন জওয়ানকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘটনায় চার সিআইএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সিআইএসএফ সূত্রে খবর, বিকেলে ডিউটি পরিবর্তনের সময় হেড কনস্টেবল অবধেশ সিংয়ের সঙ্গে কয়েকজন জওয়ানের বচসা হয়। প্রথমে বিষয়টি কথা কাটাকাটির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল বলে জানা গিয়েছে। পরে সেই বচসা বড় আকার নেয়।অভিযোগ, এক পর্যায়ে অবধেশ সিং নিজের রাইফেল তুলে সহকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালান। গুলিতে চার জওয়ান গুরুতর আহত হন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনেরই মৃত্যু হয়।নিহত জওয়ানদের মধ্যে রয়েছেন সহকারী কমান্ড্যান্ট অঙ্কিত কুমার পাণ্ডে, সাব-ইন্সপেক্টর লক্ষ্মণ সিং, কনস্টেবল সঞ্জীব কুমার এবং কনস্টেবল মহম্মদ রফিক।ঘটনার পর কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। কী কারণে ডিউটি পরিবর্তনের সময় বচসা শুরু হয়েছিল এবং কী পরিস্থিতিতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিআইএসএফ সদর দপ্তরের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি সিআইএসএফের মহাপরিচালক গোটা পরিস্থিতি এবং তদন্তের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করছেন।অভিযুক্ত জওয়ানকে গ্রেফতার করার পর তাঁর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। চার সহকর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় কাঠুয়া সিআইএসএফ শিবিরে এখন তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal