• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

‌ফুটবলারদের ওপর ভরসা নেই রিভেরার?‌ জয়ের জন্য ভাগ্যের দিকে তাকিয়ে লালহলুদ কোচ‌

আইএসএলের প্রথম পর্বের ম্যাচে গতবছরের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসিকে আটকে দিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম পর্বে দুর্দান্ত ছন্দে থাকলেও ধারাবাহিকতা হারিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। ছন্দ হারানো মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কি অঘটন ঘটাতে পারবে এসসি ইস্টবেঙ্গল? খুব একটা আশাবাদী নন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তবে তিনি মনে করছেন, ভাগ্যের সহায়তা থাকলে তাঁর দল ড্র করতে পারে কিংবা জিততেও পারে। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মারিও রিভেরা বলেন, প্রথম পর্বে মুম্বই সিটি এফসি দারুণ ছন্দে ছিল। তা সত্ত্বেও ওদের সঙ্গে আমরা ড্র করেছিলাম। সেবার আমরা ভাগ্যের সহয়তা পেয়েছিলাম। এবারও যদি আমরা ভাগ্যের সহায়তা পাই, তাহলে ড্র করতে পারি কিংবা জিততেও পারি। অর্থাৎ ফুটবলারদের ওপর বিন্দুমাত্র ভরসা নেই লালহলুদ কোচের। রিভেরা আরও বলেন, আমরা যদি ড্রয়ের জন্য খেলি, তাহলে ড্র করা সম্ভব হবে না। ড্রয়ের জন্য খেলাটা যথেষ্ট কঠিন। তাই আমরা জেতার জন্যই মাঠে নামব। তার জন্য আমাদের ঝুঁকি নিতেই হবে। ভাগ্য যদি সহায় হয় তাহলে এই ম্যাচে সফল হতে পারি। সেমিফাইনালের জায়গা নিশ্চিত করতে মুম্বই সিটি এফসিকে জিততেই হবে। চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে ডেস বাকিংহামের দলকে। সেই সুযোগটাই নিতে চায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। মারিও রিভেরা বলেন, প্লে অফে যাওয়ার জন্য মুম্বই সিটি এফসির কাছে ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওদের সামনে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই। তাই চাপ নিয়ে মাঠে নামবে। কিন্তু আমরা যে অলআউট খেলব, সে সুযোগ নেই। ম্যাচটা আমাদের কাছে মোটেই সহজ হবে না। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একেবারেই স্বস্তিতে নেই এসসি ইস্টবেঙ্গল। চোটের জন্য মার্সেলো রিবেরা ও অমরজিৎ সিং খেলতে পারবেন না। কার্ড সমস্যায় নেই হীরা মণ্ডলও। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে তিনিই লালহলুদের প্রাণ ভোমরা। নওচা সিংকেও পাবেন না লালহলুদ কোচ। কারণ তিনি মুম্বই সিটি এফসি থেকে লোনে এসসি ইস্টবেঙ্গলে এসেছে। চুক্তির সময় শর্ত ছিল তিনি মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে খেলতে পারবেন না। আদিল খানও খেলতে পারবেন না। ফলে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সমস্যায় জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপালকে সমর্থন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা চলে ক্লাবের জেনারেল মিটিংয়ের মতোন

বাংলার ইতিহাসে যা কোনওদিন হয়নি সেটাই এবার করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সাংবিধানিক পদাধিকার প্রয়োগ করে তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে স্থগিত করে দিয়েছেন এই রাজ্যের বিধানসভার অধিবেশন। এর আগে এতবড় সিদ্ধান্ত বাংলার কোনও রাজ্যপাল নেননি। শাসক দলের মন্ত্রী ও বিধায়করা প্রতিবাদে সোচ্চার হলেও রাজ্যপাল এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় যথেষ্টই খুশি। আর এটা যে নিছক কথার কথা নয় তা রবিবার বর্ধমানে এসে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রের মন্ত্রী সুভাষ সরকার। যা নিয়ে ক্ষোভ চেপে রাখেন নি তৃণমূল নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকার এদিন রাজ্যপালের পক্ষ নিয়ে বলেন, বিধানসভার অধিবেশন বন্ধ রাখা নিয়ে রাজ্যপাল যা করেছেন সেটা সংবিধান মোতাবেকই করেছেন। একই সঙ্গে সুভাষ সরকার অভিযোগ করেন, বিধানসভার অধিবেশনের যে পদ্ধতি রয়েছে সেই রকম ভাবে অধিবেশন আজকাল এই রাজ্যে হয় না। একটা ক্লাবের জেনারেল মিটিং যেমন হয় সেই রকম ভাবে বিধানসভা চলে। এটাতো কাম্য নয়। বিধানসভায় প্রশ্ন, উত্তর এইসবের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এর কোনটাই হয় না।এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অলোক মাঝি বলেন, রাজ্যপাল যা কিছু করছেন তার সবটাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়েই করছেন। বিধানসভা ভোটে বিজেপির পরাজয়ে হয়তো রাজ্যপালও দুঃখ পেয়েছেন।তাই রাজ্যপাল গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মানুষের ভোটে নির্বাচিত রাজ্য সরকার কে যতটা সম্ভব বিপাকে ফেলে বিজেপি নেতাদের খুশি করতে চাইছেন। তবে এইসব করে উনি বিজেপির নেতা মন্ত্রীদের সাময়িক খুশি করে পারলেও দীর্ঘস্থায়ী ভাবে পারবেন না। আগামী দিনে বংলার মানুষ এইসব ষড়যন্ত্রের জবাবও বিজেপিকে দিয়ে দেবে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবেও ফিরে আসা যায়!‌ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, জয় দিয়ে রনজি অভিযান শুরু বাংলার

এভাবেও ফিরে আসা যায়! রনজি ট্রফিতে প্রত্যাবর্তনের সেরা উদাহরণ হতে পারে বাংলা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে বরোদার বিরুদ্ধে যেভাবে ৪ উইকেটে জয় তুলে নিল, এককথায় অবিশ্বাস্য। বাংলার জয়ের নায়ক শাহবাজ আমেদ ও অভিষেক পোড়েল। টসে জিতে বরোদাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। প্রথম ইনিংসে ১৮১ রান তোলে বরোদা। জবাবে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার প্রথম ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে বরোদা তোলে ২৫৫। জয়ের জন্য বাংলার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৪৯। বাংলার সামনে লক্ষ্যটা খুব একটা সহজ ছিল না। চতুর্থ ইনিংসে সাড়ে তিনশো রান তাড়া করা যে কোনও দলের কাছেই কঠিন। সেই কঠিন কাজটাই সহজ করে দিলেন বাংলার দুই ব্যাটার শাহবাজ আমেদ ও অভিষেক পোড়েল।জয়ের জন্য ৩৪৯ রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ২ উইকেটে ১৪৬। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ৭৯ রানে ও অনুষ্টুপ মজুমদার ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন শুরুতেই ফিরে যান অভিমন্যু। আগের দিনের সঙ্গে কোনও রান যোগ করতে পারেননি। অনুষ্টুপ মজুমদারও (৩৩) দলকে বেশিক্ষণ টানতে পারেননি। সুদীপ চ্যাটার্জিও (১৮) ব্যর্থ। মনোজ তেওয়ারি (৩৭) কিছুক্ষণ দলকে টানার চেষ্টা করেন। একসময় ২৪২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। এরপরই মঞ্চে আবির্ভূত হন অভিষেক পোড়েল। প্রথম ইনিংসে বড় রান করতে না পারলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রুখে দাঁড়ালেন। শাহবাজ আমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অভিষেক পোড়েল। রনজি অভিষেকেই যেভাবে চাপ সামলালেন, এককথায় অনবদ্য। শাহবাজ ও অভিষেকের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ১০৮ রান। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ৩৫০ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। শাহবাজ আমেদ ৭১ ও অভিষেক পোড়েল ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

বাংলা রঞ্জি ও কেকেআর দলে বাঙ্গালি খেলানোর দাবীতে গ্রেপ্তার ও লকআপে বাংলা পক্ষ সদস্য-র হাত ভেঙ্গে দেওয়া হয়

রঞ্জি ট্রফির ম্যাচে অভাবনীয় ভাবে বরোদাকে পরাজিত করেছে বাংলা ঠিক সেই দিনই ইডেনের সামনে অহিংস প্রতিবাদে অংশগ্রহন করার উদ্দশ্যে যাত্রা শুরু করে বাংলা পক্ষ। তাঁরা ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি নিয়ে ইডেনে সামনে জমায়েত করেছিল। তাঁদের আজকের প্রতিপাদের মূল দাবি, বাংলা যে কোনও শ্রেনির ক্রিকেট সহ রঞ্জি দল ও বিনদনমূলক ক্রিকেট প্রতিযোগিতা আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে বাঙালি খেলোয়াড়রা বঞ্চিত কেন? ঠিক দাবি নিয়ে বাংলা পক্ষর নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচী রবিবার দুপুর তিনটে থেকে ইডেনের সামনে শুরু হয়।এই প্রতিবাদ কর্মসুচী তে অংশগ্রহণ করেন বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, বাংলা ক্রীড়া পক্ষর প্রধান জয়দীপ দে, অপর শীর্ষ পরিষদ সদস্য সোয়েব আমিন সহ অন্যান্যরা। তাঁরা দাবি তোলেন বাঙ্গালি বলেই কি ঋদ্ধিমান সাহা উপেক্ষিত? শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি অভিযোগ করেন। তাঁদের এই নীরব প্রতিবাদের উদ্দশ্যে প্রেস ক্লাব থেকে যাত্রা শুরু হতেই কলকাতা পুলিস তাঁদের প্রিজন ভ্যানে তুলে লালবাজার সেন্ট্রাল লক আপে নিয়ে আসে।তাঁদের কৌশিক মাইতি জানান গ্রেফতারের করেও বাংলা পক্ষকে থামান জাবেনা। তাঁরা এই প্রতিবাদ কর্মসুচী থেকে সরে আসছেন না। তাঁরা জানান বাঙালি খেলোয়াড়দের স্বার্থে বাংলা পক্ষ লড়ছে, লড়বে। কৌশিক মাইতি আরও জানান, এটাই প্রথম নয়, ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি নিয়ে এর আগেও বাংলা পক্ষ ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অফ বেঙ্গল (সিএবি) সদর দফতরে স্মারকলিপি দিয়ে এসেছেন। শুধুমাত্র রঞ্জি ট্রফি নই, তাঁদের দাবি ঘরোয়া ক্লাব খেলা গুলোতেও ভূমিপুত্র সংরক্ষণের দাবি তুলেছিল বাংলা পক্ষ। এবং বাংলা ক্রিকেটের সদর দপ্তর ইডেন গার্ডেন্সের সামনে গিয়ে রীতিমত বিক্ষোভ দেখিয়ে এসেছিল তাঁদের সদস্যরা।কৌশিক মাইতি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রধান শহর কলকাতার নাম ভাঙিয়ে দল করেছে মুম্বাইয়ের চিত্রতারকা শাহরুখ খান, সেই দলে বর্তমানে একজনও বাঙ্গালি ক্রিকেটার নেই। তিনি আরও বলেন, বর্তমান বাংলা রঞ্জি দলে প্রায় ৭ থেকে ৮ জন ভিন রাজ্যের ক্রিকেটার। আমাদের জেলার ক্রিকেটারদের বঞ্চিত করে বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা খেলোয়াড় দের সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে আমাদের বাংলার ছেলেরা সেইভাবে অন্য রাজ্যে সুযোগ পাচ্ছে না শুধুমাত্র বাঙ্গালি বলে। কৌশিক মাইতি জানান, বাংলা পক্ষের এর আগের আন্দোলনের প্রভাবে সিএবির বয়স ভিত্তিক খেলায় প্রচুর ভুয়ো আধার কার্ড ও জন্মপঞ্জী ধরা পড়েছে।তাঁরা জানাই কলকাতা পুলিশ যাদের আটক করেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদের সদস্য কৌশিক মাইতি, সোহাইব আমিন, হাওড়া বাংলা পক্ষ সম্পাদক জয়দীপ দে, উত্তর 24 পরগানা গ্রামীণ বাংলা পক্ষ সম্পাদক দেবাশিস মজুমদার, কাকলি মজুমদার, অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সিটিজেন অরুণ সেন এবং অন্যান্য সদস্য যথা, অভিজিৎ কুন্ডু, অভিজিত বার, সুমিত বকুলী ছাড়াও আরও অনেকে। তাঁরা আরও জানাই দেবাশীষ মজুমদারকে নির্দয়ভাবে মারধর করা হয় এবং লকআপে বহিরাগত অপরাধীরা তাঁর হাত ভেঙে দেয়। বাংলা পক্ষ সদস্যদের পরে ব্যক্তিগত জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়।বাংলা পক্ষ দাবি তোলে কেকেআর যদি বাঙ্গালি ক্রিকেটার দলে না নেই তাঁরা যেনও তাঁদের দল থেকে কলকাতা নামটা মুছে দেয়, আর শাহরুখ খান কে বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডার থেকে সড়িয়ে দেওয়া হয়। তাঁরা জানিয়েছে এই আন্দোলন থেকে সরছে না যতদিন না তাঁদের দাবি না মেনে নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যাট হাতে মন্ত্রীমশাইয়ের অবদান শূন্য, চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার

দীর্ঘদিন ক্রিকেটের মধ্যে না থাকার ফল যে কী হতে পারে, বাংলাবরোদা রনজি ম্যাচে তারই প্রমান পাওয়া গেল। বরোদার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার। ৫ জন ব্যাটারের নামের পাশে শূন্য। তালিকায় রয়েছেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মনোজ তেওয়ারি। বরোদার ১৮১ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে বাংলা গুটিয়ে গেল মাত্র ৮৮ রানে। জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে বরোদার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৪। সব মিলিয়ে ২৩৭ রানে এগিয়ে বরোদা। কটকে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে বৃহস্পতিবার বরোদাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। বাইশ গজে ঘাসের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে মাত্র ১৮১ রানে গুটিয়ে যায় বরোদা। ইশান পোড়েল ৪০ রানে ৪ উইকেট নেন। মুকেশ কুমার ৩৩ রানে ৩টি ও আকাশ দীপ ৬৩ রানে ২ উইকেট নেন। প্রথম দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ১৩ ওভারে ২৪/১। দ্বিতীয় দিনের শুরু থেকেই ধস নামে বাংলার ইনিংসে। দিনের তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান সুদীপ চ্যাটার্জি (১১)। পরের ওভারেই ১ বলের ব্যাবধানে অনুষ্টুপ মজুমদার (০) ও মনোজ তেওয়ারিকে (০) তুলে নেন অতীত শেঠ। ওপেন করতে নামা সুদীপ ঘরামিও (২১) দলকে বেশিক্ষণ টানতে পারেননি। এরপর সাময়িকভাবে কিছুটা রুখে দাঁড়ান রনজিতে অভিষেককারী অভিষেক পোড়েল ও শাহবাজ আমেদ। অভিষেক (২১) ফিরতেই ধস বাংলার ইনিংসে। পরপর ফিরে যান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (৯), আকাশ দীপ (০), মুকেশ কুমার (০), শাহবাজ আমেদ (২১)। শেষ পর্যন্ত ৩৪.৩ ওভারে ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। বরোদার হয়ে অতীত শেঠ ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেন। লুকমান মেরিওয়ালা ১৫ রানে নেন ৩ উইকেট। ৯৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে বরোদা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪১। জ্যোৎস্নিল সিংকে (১২) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ইশান পোড়েল। অন্য ওপেনার কেদার দেবধরকে (৪১) ফেরান শাহবাজ আমেদ। ক্রূণাল পান্ডিয়াকে (১০) তুলে নেন আকাশ দীপ। দিনের শেষে বরোদার সংগ্রহ ১৪৪/৫।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাহাড় থেকে বাইচুংকে নিয়ে এসে লালহলুদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্তই

কতটা ইস্টবেঙ্গল অন্তঃপ্রাণ ছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত? মোহনবাগানের জার্সি গায়ে প্রথম বড় ক্লাবে খেললেও তাঁর লালহলুদ প্রীতি নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। বাইচুং ভুটিয়াকে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে। ১৯৭৪ সালে সবুজমেরুণ জার্সি ছেড়ে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত টানা ৬ বছর তিনি লালহলুদ জার্সি গায়ে কাটিয়েছিলেন। শত প্রলোভন সত্ত্বেও তিনি সবুজমেরুণ জার্সি তুলে নেননি। জীবনের সেরা সময়টা লালহলুদ জার্সি গায়েই কাটিয়েছেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে ইস্টবেঙ্গলে কাটানোর পর তুলে নেন সাদাকালো জার্সি। ১৯৮০ সালে মহমেডানে যোগ দেওয়ার পেছনে অন্য কারণ ছিল। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত টানা ৫ বছর লিগ জেতার পর ১৯৭৯ মরশুমে ভাল পারফরমেন্স হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ইস্টবেঙ্গ শোনা যায়, ঘরের ছেলেদের নাকি শিক্ষা দিতে বেশ কয়েকজন বাইরের ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি করেন লালহলুদ কর্তারা। এতেই চটে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ৮ জন ফুটবলার মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল ছাড়বেন। যোগ দেবেন মহমেডানে। সেই দলে ভাস্কর গাঙ্গুলি থেকে শুরু করে প্রশান্ত চক্রবর্তী, শ্যামল ঘোষরাও ছিলেন। মোহনবাগান থেকে একজন ফুটবলারকে নিজেদের জোটে নিয়েছিলেন সুরজিৎ। একবছর মহমেডানে কাটিয়ে ১৯৮১ সালে আবার যোগ দেন মোহনবাগানে। ফুটবল জীবনের শেষ সময়টা সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন।ফুটবল ছাড়ার পরও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিল সুরজিৎ সেনগুপ্তর। সুখদুঃখে সবসময় লালহলুদের পাশে ছিলেন। পাহাড় থেকে বাইচুং ভুটিয়াকে নিয়ে এসে তুলে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলেরই হাতে। স্টেট ব্যাঙ্কে চাকরি করতেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। পাহাড় থেকে ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার একটা প্রকল্প ছিল স্টেট ব্যাঙ্কের। সুরজিৎ সেনগুপ্তর সঙ্গে ফুটবলার বাছাইয়ের দায়িত্ব ছিল ভাস্কর গাঙ্গুলির। সিকিমে একটা স্টেট ব্যাঙ্কের ক্যাম্প হয়েছিল। ক্যাম্পে বাইচুংয়ের খেলা নজরে পড়েছিল সুরজিৎ সেনগুপ্ত ও ভাস্কর গাঙ্গুলির। দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হাতে তুলে দিতে হবে বাইচুংকে। সেই কথামতো কাজ। সিকিম থেকে ফিরে এসে লালহলুদ কর্তাদের বাইচুংয়ের কথা বলেছিলেন সুরজিৎ। একপ্রকার জোর করেই লালহলুদ কর্তাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। বাকিটা ইতিহাস।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌প্রয়াত সুরজিৎ সেনগুপ্ত, বিখ্যাত গোলের সঙ্গে তিনিও ফুটবলপ্রমীদের হৃদয়ে থাকবেন

মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা ৫৪ মিনিটে তিনি মারা যান। সুরজিৎ সেনগুপ্তর প্রয়াণে ক্রীড়ামহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩ জানুয়ারি পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি হন। মাঝে মাঝে চিকিৎসায় সারা দিচ্ছিলেন। পরের দিকে শারীরিক অবস্থার খুবই অবনতি হয়। ২৯ জানুয়ারি থেকে তাঁকে ভেন্টিলেশনে বিশেষ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। কয়েকদিন আগে থেকেই শারীরিক অবস্থার বেশ অবনতি হয়। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রয়াত হন এই প্রাক্তন ফুটবলার।১৯৫১ সালের ৩০ আগস্ট জন্ম সুরজিৎ সেনগুপ্তর। মফঃস্বল থেকে উঠে এসে কলকাতা ময়দানে পদার্পন করেন। কলকাতা ময়দানে প্রথম খিদিরপুর ক্লাবে ফুটবলজীবন শুরু করেন। খিদিরপুরের হয়ে কলকাতা লিগে যথেষ্ট নজর কাড়েন। মোহনবাগান কর্তাদের নজরে পড়ে যান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭২ সালে খিদিরপুর থেকে মোহনবাগানে সই করেন। দুমরশুম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপানোর পর ১৯৭৪ সালে যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। টানা ৬ বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে দাপটের সঙ্গে খেলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৮ সালে ইস্টবেঙ্গলের লিগজয়ী দলের অধিনায়ক ছিলেন তিনি। পরের বছর তাঁর জায়গায় লালহলুদের অধিনায়ক করা হয় শ্যামল ঘোষকে। সেবছরও ইস্টবেঙ্গল লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়।১৯৭৯ মরশুম শেষে লালহলুদ কর্তারা বাঙালী ফুটবলারদের কোনঠাসা করার জন্য বাইরের কয়েকজন ফুটবলারদের সই করান। কর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ৮ জন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারকে নিয়ে ১৯৮০ সালে তিনি মহমেডানে যোগ দেন। মোহনবাগান থেকে নিয়ে যান একজন ফুটবলারকে। ১ বছর সাদাকালো জার্সি গায়ে কাটানোর পর ১৯৮১ সালে মোহনবাগানে যোগ দেন। ফুটবলজীবনের শেষ ৩ বছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই কাটিয়েছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত।১৯৭৩ সালে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পরেই ভারতীয় দলে সুযোগ পান সুরজিৎ সেনগুপ্ত। বিভিন্ন সময়ে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে খেলেন। ১৯৭৪ ও ১৯৭৮ এশিয়ান গেমসে তিনি ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া ১৯৭৪ সালে মারডেকা কাপ, ১৯৭৭ সালে প্রেসিডেন্টস কাপেও তিনি ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছিলেন। বাংলার হয়ে দীর্ঘদিন সন্তোষ ট্রফিতে খেলেন। ১৯৭৬ সালে বাংলার অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছিলেন সুরজিৎ সেনগুপ্ত। ১৯৭৯ সালে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সংযুক্ত দলের বিরুদ্ধে কর্ণার থেকে তাঁর বাঁক খাওয়ানো শটে গোল আজও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছে। পরলোকে চলে গেলেও তিনিও ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয়ে থাকবেন।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

আজ গীতশ্রীর শেষকৃত্য, উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরছেন মুখ্যমন্ত্রী

সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণের খবর পেয়ে উত্তরবঙ্গ সফর মাঝপথে ছেড়েই কলকাতায় ফিরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার কোচবিহারে ছিলেন তিনি। সেখানেই গীতশ্রীর মৃত্যুর খবর পৌঁছয় তাঁর কাছে। সেখান থেকে কলকাতায় প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে নিজের সফরসূচিতে কাঁটছাট করেন মমতা। জানিয়ে দেন, বুধবার সরকারি তত্ত্বাবধানেই হবে সন্ধ্যার শেষকৃত্য।কলকাতা পুলিশ ইতিমধ্যেই যাবতীয় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। মমতা বলেন, কোচবিহারে আমার সভা রয়েছে। কিন্তু সন্ধ্যাদির মৃত্যু খবর পেয়ে মন খারাপ হয়ে গেল। তাই বুধবার দ্রুত কাজ সেরে আমি কলকাতায় ফিরে আসছি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার সর্ব্বোচ্চ সম্মান দিয়ে সন্ধ্যার শেষকৃত্য করবে। আজ বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রবীন্দ্রসদনে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধা নিবেদন করা যাবে। বিকেলে দক্ষিণ কলকাতার ক্যাওড়াতলা মহাশ্মশানে রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে পূর্ণ মর্যাদায় তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।মঙ্গলবার কোচবিহারে অনন্ত মহারাজের একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা মুখ্যমন্ত্রী। তারপর উত্তরবঙ্গের শিল্পপতিদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠক কর্মসূচি রয়েছে। সেই কর্মসূচি দ্রুত শেষ করে কলকাতায় ফিরে আসবেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার হার, লজ্জা আরও বাড়ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের

এসসি ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর ফিটনেস সমস্যার জন্য দীর্ঘদিন মাঠের বাইরে বসেই ছিলেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ফ্রান সোতাকে প্রথম একাদশে জায়গা দিয়েছিলেন মারিও রিভেরা। দিনেন সহজতম সুযোগ নষ্ট করে দলকে পরাজয়ের দিকে ঠেলে দিলেন ফ্রান সোতা। কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে ১০ গোলে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আবার টানা দ্বিতীয় হার লালহলুদের। ম্যাচের আগের দিন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মারিও রিভেরা বলেছিলেন, তাঁর দলের বিরুদ্ধে যে কোনও দল খেলতে ভয় পাবে। কথাটা খুব একটা ভুল বলেননি। লিগ টেবিলে চার নম্বরে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সকে জয় পেতে রীতিমতো ঘাম ঝড়াতে হল। আর ফ্রান সোতা যদি দিনের সহজতম সুযোগ নষ্ট না করতেন, তাহলে তো জয়ই পেত না কেরালা ব্লাস্টার্স। চোট সমস্যার জন্য কেরালা ব্লাস্টার্সের প্রথম একাদশের কয়েকজন ফুটবলার ছিলেন না। ড্যারেন সিডোয়েল ও গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় এসসি ইস্টবেঙ্গলও সমস্যায় পড়ে। প্রথম একাদশে এদিন বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। ফ্রান সোতা, জয়নার লরেন্সো, মহম্মদ রফিক, শঙ্কর দাস, রাহুল পাসোয়ানদের নিয়ে প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন। প্রথমার্ধে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে সমানে সমানে লড়াই করেন লালহলুদ ফুটবলাররা। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিট পর্যন্ত এসসি ইস্টবেঙ্গল সেভাবে ছন্দে ছিল না। এরপর আস্তে আস্তে খেলাটা ধরে নেয়। দারুণ ফুটবল উপহার দেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। বেশ কয়েকবার গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। তাঁর সেন্টার থেকে লালহলুদ জার্সি গায়ে অভিষেককারী রাহুল পাসোয়ান গোল করতে পারলে ছবিটা বদলে যেত। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে কেরালা ব্লাস্টার্স। ৪৯ মিনিটে কর্ণার থেকে হেডে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন এনেস সিপোভিচ। পিছিয়ে পড়েও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। পেরোসেভিচের নেতৃত্বে আবার ম্যাচে ফিরে আসে। ৮২ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ফ্রান সাতো। সামনে শুধু গোলকিপারকে পেয়েও বাইরে মারেন। গোল করতে পারলে অন্তত ড্র করে মাঠ ছাড়তে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

যত জিতব তত নম্র হতে হবে, বললেন মমতা

তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সফরে যাওয়ার আগে চার পুরসভায় তৃণমূলের বিপুল জয়কে জনগণকে উৎসর্গ করলেন দলের সভানেত্রী।বিমানে ওঠার আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই জয়ের জন্য আমরা মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। যত জিতব তত আমাদের নম্র হতে হবে। আগামী দিনে আমার লক্ষ্য শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান। আমাদের সমস্ত সামাজিক প্রকল্প যাতে সুষ্ঠু ভাবে চলে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু হবে। বিধাননগর, শিলিগুড়ি, চন্দননগর, আসানসোল, কলকাতা পুরসভায় জিতেছি। আগামী দিনে আরও কয়েকটি পুরসভা নির্বাচন আছে।তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের পরিষেবা, বাংলার সবুজায়ন, শিল্প সমৃদ্ধ করা, মায়ের সম্মান, ছাত্র যুবদের সম্মান, শ্রমিক কৃষকের ভালবাসা, সর্বধর্ম সমন্বয়ের মধ্যে দিয়ে সংস্কৃতি সম্প্রীতির মধ্যে দিয়ে আমরা করে চলেছি এবং করে যাব। আরও বেশি করে মানুষের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আগামিদিন আমার ডেস্টিনেশন ইন্ডাস্ট্রি। কাজের সুযোগ বাড়ানো।একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দেন, জনগনের পরিষেবা পুরনিগম, পুরসভা দেবে। সরকারের অনেক কাজ। মঙ্গলবার থেকে আবার দুয়ারে সরকার শুরু হচ্ছে। আমাদের সমস্ত সরকারি প্রকল্প যেন ঠিকমতো চলে তা সবাইকে দেখতে হবে। কোভিড কমে গেলেও সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। এই জয় মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি। আজ শিলিগুড়ি যাচ্ছি। কোচবিহারে অনুষ্ঠান আছে। ট্রাইবাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের মিটিংও আছে। আজ পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন। ওখানে পৌঁছে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করব।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

৩ দিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনদিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে সোমবার বিকেলে তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন। রাতে শিলিগুড়িতে থাকবেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার কোচবিহার যাবেন। সেখানে সার্কিট হাইসে থাকবেন তিনি। বুধবার গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।অনন্ত মহারাজের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বলে জানা গিয়েছে। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের বানেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় বীর চিলা রায়ের ৫১২তম জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা। এরপর কোচবিহার শহর সংলগ্ন শিবযজ্ঞ মন্দিরে তাঁর যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌যে কোনও দলই এখন আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে ভয় পাবে’‌, কেন একথা বললেন লালহলুদ কোচ রিভেরা?‌

প্লে অফের আশা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। সেমিফাইনালের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। বাকি ৩ ম্যাচ লালহলুদের কাছে শুধুই সম্মানরক্ষার লড়াই। মারিও রিভেরার দলের সামনে হারানোর কিছু নেই। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের বিরুদ্ধে খেলতে যে কোনও দলই যে ভয় পাবে, একথা মনে করিয়ে দিয়েছেন লালহলুদ কোচ। রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালার কাছে ম্যাচটা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সেমিফাইনালের দৌড়ে ভালভাবে টিকে থাকার জন্য এই ম্যাচটা জিততেই হবে কেরালা ব্লাস্টার্সকে। হারলেই পিছিয়ে পড়তে হবে। কেরালার কাছে ম্যাচটা সহজ হবে না। সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে মারিও রিভেরার মুখে। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, আমার দল আগের থেকে অনেক ভাল ছন্দে রয়েছে। আমাদের এখন হারানো বেশ কঠিন। কোনও দলই এখন আর আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে খুশি হবে না। যে কোনও দলই আমাদের এখন ভয় পাবে। দল নিয়ে খুব একটা চিন্তায় নেই লালহলুদ কোচ। জ্যাকিচাঁদ সিং, ফ্রান সোতারা খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে থাকতে পারেন সোতা। না হলে পরিবর্ত হিসেবে নামবেন। কয়েকজন ফুটবলারের হালকা চোট থাকলেও তাঁদের মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা নেই বলে জানিয়েছেন মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, ফ্রান সোতা পুরোপুরি ফিট। কেরালার বিরুদ্ধে ওকে মাঠে নামানোর কথা ভাবছি। জ্যাকিচাঁদও অনুশীলন করছে। ওকেও স্কোয়াডে রাখব। কয়েকজন একটু মানসিক চাপে ভুগছে। দুএকজন ছাড়া বাকিরা মাঠে নামার জন্য তৈরি। এই মুহূর্তে ১৪ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্স। চতুর্থ স্থানে রয়েছে বেঙ্গালুরু এসি। ১৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্টও ২৩ পয়েন্ট। ১৪ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হারালে তৃতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ কেরালা ব্লাস্টার্সের সামনে। তাই বিপক্ষ যে জয়ের জন্য মরিয়া হবে, সেকথা মাথায় রাখছেন মারিও রিভেরা। কেরালাকে যথেষ্ট গুরুত্বও দিচ্ছেন। লালহলুদ কোচ বলেন, কেরালার সব বিভাগেই ভাল ভাল ফুটবলার আছে। দলে যথেষ্ট ভারসাম্য রয়েছে। গুরুত্ব তো দিতেই হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
নিবন্ধ

মরীচিকা (The Mirage)

নীল আকাশের বুকে পেঁজা তুলোর মতভেসে যাওয়া মেঘের পিছু-পিছু,ছুটে চলে অভিমানী মন, দূরে, বহু দূরে;যেথা শিশিরে ভেজা জোনাকির আলোআর কদমের ঘ্রাণে মেশা মিষ্টি বাতাসগড়েছে শান্তির উপনিবেশ।মধ্যাহ্নের প্রচন্ড দাবদাহে, ঝলসে যাওয়ামৃতপ্রায় মন খুঁজে পায় শিউলির শীতল পরশ।ক্ষয়িষ্ণু আয়ুর প্রহর গুনতে গুনতেআসে বসন্তের শিহরণ।তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে কামনার হাতছানি আততায়ীর মতো।আকণ্ঠ নীলিমা পান করে, জ্যোৎস্না প্লাবিতছায়াপথ ধরে এগিয়ে যাই,কোন অনামি নক্ষত্রের কক্ষপথের দিকে।অস্তিত্ব রক্ষার প্রবল সংগ্রামের মাঝেক্ষণিকের অজ্ঞাতবাস। ক্ষীণ হয়ে আসেধমনীতে প্রবাহিত রক্তের দাপাদাপি।প্রাণভরে নিই গভীর প্রশ্বাস।তবু অবচেতন মনের কোণেউঁকি মারে ভয়।এই বুঝি ভোর হয়।পূবের আকাশে রক্তের ছিটে।অচিরেই সরে যাবে কুয়াশার চাদর।অন্ধকারের অজ্ঞাত আশ্রয় থেকে বেরিয়েআমাকে সম্মুখীন হতে হবে জ্বলন্ত সুর্যের।দারিদ্র্যের লেলিহান শিখায় দগ্ধ হবেবিবেক, মনুষত্ব আর বিশ্বাসের।প্রবঞ্চকের শানিত তরবারি নির্মমআঘাত হানবে আমার বুকে।অনৈতিকতার নির্লজ্জ চাবুক নেমে আসবেশরীরে, মনে, প্রতি রোমকূপে-রোমকূপে।প্রত্যেকদিনের যুদ্ধে জয়ী তুমিই হবে,হে দারিদ্র্য, তুমিই জয়ী নিয়তির অমোঘ বিধানে।আমি নিরস্ত্র অসহায়।অপুষ্টিতে ভোগা, ঘামে ভেজা আমার ক্লান্ত শরীরহয়ে আসবে অবসন্ন।রুধিরস্নাত শরীরের রঙ মিশে যাবেসূর্যাস্তের বর্ণচ্ছটায়।তবু আমি হাঁটব।প্রেমহীন, স্থবির সমাজের চোখে চোখ রেখে,জীবনপথের অতিভূজ ধরে,এক বুক স্বপ্ন নিয়ে হেঁটে যাবমরীচিকার পানে নবজীবনের সন্ধানে।কবিঃ দীপক কুমার মণ্ডল

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

২৯ বছর বয়সেই ফুটবলকে বিদায় লালহলুদ জার্সি গায়ে ৫ বছর কাটানো লালরিনডিকা রালতে

১৩ বছরের পেশাদার ফুটবলজীবন। তারমধ্যে ৫ বছরই কাটিয়েছেন লালহলু্দ জার্সি গায়ে। একসময়ের লালহলুদের নয়নের মনি লালরিনডিকা রালতে মাত্র ২৯ বছর বয়সেই বুটজোড়া তুলে রাখলেন। শনিবারই পেশাদার ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন।দারুণ সাড়া জাগিয়েছিলেন মিজোরামের এই মিডফিল্ডার। পেশাদার ফুটবল জীবন শুরু করেছিলেন চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে। তারপর যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। আই লিগে তাঁর দুর্দান্ত ফুটবল সুযোগ করে দেয় আইএসএলে খেলার। মুম্বই সিটি এফসি, নর্থইস্ট ইউনাইটেড, অ্যাটলেটিকো কলকাতা ফুটবল ক্লাবের হয়ে খেলেছিলেন। ২০১৬ সালে অ্যাটলেটিকো কলকাতা আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। সেই চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন লালরিনডিকা রালতে। অ্যাটলেটিকো কলকাতাকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন এই মিজো মিডফিল্ডার। ২টি গোল করেছিলেন। আর তাঁর পাস থেকে এসেছিল ৫টি গোল। মুম্বই সিটি এফসি, নর্থইস্ট ইউনাইটেড ও অ্যাটলেটিকো কলকাতার জার্সি গায়ে আইএসএলে মোট ৩৯টি ম্যাচ খেলেছেন লালরিনডিকা রালতে।কেন হঠাৎ থেকে ফুটবল থেকে অবসর নিলেন এই মিজো মিডফিল্ডার? দায়ী করছেন করোনা পরিস্থিতিকে। নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লালরিনডিকা রালতে লিখেছেন, প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলাম, যতটা দীর্ঘসময় ধরে খেলতে পারি খেলব। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য ফুটবলাররা বায়ো বাবলের মধ্যে থেকে খেলতে বাধ্য হচ্ছে। মাঠে দর্শকও থাকছে না। আগের মতো পরিবেশ নেই। এইরকম পরিস্থিতিতে খেলে নিজেকে অনুপ্রানিত করতে পারছি না। আমার কোচও আমাকে খেলা চালিয়ে যেতে বলেছিল। কিন্তু আমি পরিস্থিতির জন্য ফুটবল থেকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছি।রালতে আরও বলেছেন, আমার বাবা দুবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আমার ছোট ছোট দুটি সন্তান রয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলেই অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে রালতে লিখেছেন, আমার হৃদয় ও আত্মা ফুটবলে নিয়োজিত করেছিলাম। ফুটবলই আমাকে পরিচিতি দিয়েছে। পেশাদার ফুটবলার হিসেবে চ্যাপ্টার শেষ করলাম। এবার নতুন আর একটা জীবন শুরু করব। বছরের পর বছর ধরে যারা আমার পাশে থেকেছে, তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।১৩ বছরের পেশাদার ফুটবলজীবনে লালহলুদ জার্সি গায়েই অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন লালরিনডিকা রালতে। পাঁচপাঁচটি বছর খেলেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হয়ে। তবে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেছিলেন চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে। আইএসএল ঘুরে ২০১৮তে দ্বিতীয় দফায় সই করেন। দুই মরশুম লালহলুদ জার্সি গায়ে কাটিয়ে ২০২১ সালে রিয়েল কাশ্মীরে যোগ দেন রালতে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স ২০-২১ দেবশ্রীতা

জীবন যুদ্ধে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে নিজেকে তৈরি করেছিলেন । তিনিই প্রথম বাঙালি যিনি বিশ্বের দরবারে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া র হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০২০-২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স এর শিরোপা ওঠে তার মাথায়। মডেলিং এবং ফ্যাশন জগতে তার নাম প্রথম সারিতে। তিনি হলেন দেবাশ্রীতা মুখার্জি। তার জন্ম ও বড়ো হয়ে ওঠা কলকাতায়। আইন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক তার পর বিদেশে ম্যানেজমেন্ট। বর্তমানে বিবাহের পর তিনি অস্ট্রেলিয়া বাসি। তার ১০ বছরের মেয়ে রয়েছে। এক সংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া কে একযোগে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে খুব খুশি। গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে এখনও অনেকের মনে অনেক ভীতি রয়েছে। কিন্তু নিজের লক্ষ্যে যদি স্থির থাকা যায় তাহলে কোনো সমস্যা হয় না। স্বামীর থেকে পাওয়া সহযোগিতার কথাও উল্লেখ্য করেন দেবশ্রী। এছাড়া তার ঝুলিতে রয়েছে মিসেস ইউনিভার্স অস্ট্রেলিয়ার ফার্স্ট রানারআপ , মিসেস কার্ভস অ্যান্ড কার্ল ইন্টারন্যাশনাল ২০২১। মিসেস সিক্রেট অস্ট্রেলিয়া পুরস্কার রয়েছে তার কাছে। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড র ব্র্যান্ড এম্বাসেডর তিনি। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড এডভোকেসি অ্যাওয়ার্ড ২০২১ পেয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত তার মা রুবি মুখার্জি বলেন, প্রাথমিক ক্ষেত্রে গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে আমি একটু সংকোচ বোধ করি। কিন্তু বর্তমানে মেয়ের সাফল্য সেই দ্বিধা কে সম্পূর্ণ দূর করে দিয়েছে। আগামী প্রজন্মের কাছে আমি বলতে চাই যারা এই গ্ল্যামার ওয়ালড নিয়ে নিজের জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় তারা অবশ্যই পারিবারিক সম্মতিতে এগিয়ে যেতে পারবে। উপস্থিত ডেভিনা সেনগুপ্ত দেবাশ্রীতার ১০ বছরের কন্যাও তার মায়ের সাফল্যে উচ্ছসিত। এই সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবা অসিত মুখার্জি, কে কে চ্যাটার্জী, সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট তেজাস গান্ধী, তুষার ঢালীওয়ালা, সৌমী দত্ত প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেঙ্গালুরুর হাসপাতালে কেন ভর্তি হলেন সৌরভ গাঙ্গুলি?‌

তাহলে কি আবার অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট শুক্রবার বেঙ্গালুরুর নারায়না হেলথ সিটি হাসপাতালে যেতেই জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। সৌরভপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র উৎকন্ঠা শুরু হয়ে যায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ লোকজনের কাছে একের পর এক ফোন আসতে থাকে। অবশেষে ঘনিষ্ঠমহল থেকে সকলকে আশ্বস্ত করা হয়েছে সৌরভ গাঙ্গুলির কিছুই হয়নি। ডাঃ দেবী শেঠির কাছে হৃদযন্ত্রের পরীক্ষানিরীক্ষা করাতে তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। শনিবার ও রবিবার বেঙ্গালুরুতে হবে ২০২২ আইপিএলের মেগা নিলাম। সেই মেগা নিলামে হাজির থাকতে বেঙ্গালুরু গিয়েছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। বেঙ্গালুরু পৌঁছনোর পর তিনি চলে যান ডাঃ দেবী শেঠির কাছে। এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুতেই রয়েছেন ডাঃ দেবী শেঠি। তাই সেখানেই হার্টের পরীক্ষার জন্য হাজির হন সৌরভ। চেকআপের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন। গতবছর সৌরভের হৃদযন্ত্রে সমস্যা ধরা পড়েছিল। দুদুবার অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টিও করতে হয়েছে। এখন বেশ ভালোই রয়েছেন সৌরভ। হৃদযন্ত্রে কোনও সমস্যাও নেই। এবছর শুরুতে করোনাতেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। আইপিএলের মেগা নিলামে প্রথম দিন ভাগ্য পরীক্ষা হবে ১৬১ জন ক্রিকেটারের। প্রথম দিন যে সব ক্রিকেটার অবিক্রিত থাকবেন দ্বিতীয় দিনেও আবার তাঁদের নিলামে তোলা হবে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ট্রেন্ট বোল্ট, প্যাট কামিন্স, কুইন্টন ডিকক, শিখর ধাওয়ান, ফাফ ডুপ্লেসি, শ্রেয়স আয়ার, কাগিসো রাবাডা, মহম্মদ সামি, ডেভিড ওয়ার্নারের মতো ১০ জন মার্কি ক্রিকেটারদের প্রথমে নিলামে তোলা হবে। প্রথম দিনের নিলামে ৬২টি সেট থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার বিপাকে এসসি ইস্টবেঙ্গল, পড়তে চলেছে ফেডারেশনের শাস্তির মুখে

চলতি আইএসএলে খুব খারাপ জায়গায় রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৬ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে আপাতত দশম স্থানে। মাঠের মধ্যে তো সমস্যায় রয়েছেই, এবার সমস্যা মাঠের বাইরেও। ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কড়া শাস্তির মুখে পড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৭ ফুটবলারের বকেয়া টাকা না মেটালে আগামী তিনটি ট্র্যান্সফার উইন্ডোতে কোনও ফুটবলারকে সই করাতে পারবে না লালহলুদ।অতীতেও ফুটবলারদের বকেয়া না মেটানোর অভিয়োগ রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের। টাকা না মেটানোয় বেশ কয়েকজন বিদেশি ফুটবলার ফিফার দ্বারস্থ হয়েছিলেন। লালহলুদের ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছিল। ফুটবলার সই করানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পরে ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে সে যাত্রায় শাস্তির হাত থেকে বেঁচেছিল। আবার সেই শাস্তির খাঁড়া নেমে আসতে চলেছে। তবে এবার ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির পক্ষ থেকে।কেভিন লোবো, কিগান পেরেরা, গিরিক খোসলা, ইউজেংসন লিংডো, অনিল চৌহান, সিকে বিনিথ, রিনো অ্যান্টো, এই ৭ ফুটবলারকে ২০২০ সালে সই করিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ওই বছর সেপ্টেম্বরে লালহলুদের দায়িত্ব নেয় শ্রী সিমেন্ট। নতুন টিম ম্যানেজমেন্ট এই ৭ ফুটবলারকে দলে রাখেনি। এমনকি চুক্তির পুরো অর্থও দেয়নি। বকেয়া অর্থের জন্য এই ৭ ফুটবলার ফুটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির কাছে আবেদন জানায়। বুধবার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি চিঠি পাঠিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে জানিয়েছে, ৪৫ দিনের মধ্যে ফুটবলারদের বকেয়া অর্থ মেটাতে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বকেয়া অর্থ না মেটালে ট্র্যান্সফার ব্যানের মুখে পড়তে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ৭ ফুটবলারের মোট বকেয়ার পরিমান ১ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে সবথেকে বেশি বকেয়া কেভিন লোবোর। তিনি পাবেন ৪১ লক্ষ টাকা। রিনো অ্যান্টো পাবেন ২৬ লক্ষ, সিকে বিনিথ ও লিংডোর বকেয়া ২১ লক্ষ টাকা করে। কিগান পেরেরার বকেয়া ১৬.৮০ লক্ষ, অনিল চৌহানের ১০.২৮ লক্ষ, গিরিক খোসলার বকেয়া ৬.৩০ লক্ষ। ফেডারেশনের চিঠি পাওয়ার পরপরই পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। চিঠিতে শাস্তি পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছে। তবে অ্যাপিল কমিটির কাছে এখনও আবেদন করেনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গলের আসল ‘‌হীরে’‌ তুলে নেওয়ার জন্য মরিয়া এটিকে মোহনবাগান

চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ক্লাব কর্তা ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে মরশুম শুরুর আগেই টানাপোড়েন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত জট কাটে। শেষ মুহূর্তে দল গড়তে নেমে ভালমানের ফুটবলার পাননি এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। যে কজন স্বদেশি ফুটবলারকে সই করিয়েছিলেন, তার মধ্যে এখনও পর্যন্ত উজ্জ্বল হীরা মণ্ডল। চলতি আইএসএলে হীরাই লালহলুদের আসল হীরে। ইতিমধ্যেই সামনের মরশুমের জন্য তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে টানাটানি। ২০১৫ সালে পোর্ট ট্রাস্টের হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেন হীরা মণ্ডল। তারপর রোনবো এসসি, টালিগঞ্জ, পিয়ারলেস হয়ে ২০১৮১৯ মরশুমে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। লালহলুদ জার্সি গায়ে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। পরের মরশুমে যোগ দেন মহমেডান স্পোর্টিংয়ে। ২০২০২১ মরশুমে সাদাকালো জার্সি গায়ে আই লিগে নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন হীরা মণ্ডল। ১৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন আই লিগে। লেফট ব্যাকে খেললেও দুর্দান্ত ওভারল্যাপে উঠতে পারেন। আই লিগে সাদাকালো জার্সি গায়ে দুটি গোলও করেছিলেন। এই মরশুমে আইএসএল শুরুর আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা সই করায় হীরাকে। চলতি আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ১৬টি ম্যাচ খেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এরমধ্যে ২ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি হীরা মণ্ডল। বাকি ১৪টি ম্যাচেই তিনি খেলেছেন। আদতে লেফট ব্যাক হলেও দলের প্রয়োজনে কখনও সেন্ট্রাল ডিফেন্সে, কখনও আবার রাইট ব্যাকে খেলতে হয়েছে। সব জায়গাতেই নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন। চলতি আইএসএলে ভুল যে করেননি, এমন নয়। দুদুটি ম্যাচে আত্মঘাতী গোল করে ফেলেছিলেন হীরা। তবে বাকি ম্যাচে তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্স ভুলত্রুটি ঢেকে দিয়েছে। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচে একটা দুর্দান্ত গোললাইন সেভ করে রীতিমতো প্রশংসা কুড়িয়েছেন। চলতি আইএসএলে এসসি ইস্টেঙ্গলের স্বদেশী ফুটবলারদের রেটিংয়ে তিনি রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর রেটিং ৬.০৭। স্বদেশি ফুটবলারদের মধ্যে সবথেকে বেশি রেটিং নওরেম মহেশ সিংয়ের। তাঁর রেটিং ৬.১১। আইএসএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা এসসি ইস্টবেঙ্গলের হীরে তুলে নেওয়ার জন্য মরিয়া এটিকে মোহনবাগান। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই হীরা মণ্ডলকে প্রস্তাব দিয়েছেন সবুজমেরুণ কর্তারা। সূত্রের খবর, এটিকে মোহনবাগান ছাড়াও আরও কয়েকটি ক্লাব হীরাকে পেতে চায়। এই তালিকায় রয়েছে মুম্বই সিটি এফসি, হায়দরাবাদ এফসির মতো ক্লাবগুলি। তবে এখনই সামনের মরশুম নিয়ে ভাবতে চাননা হীরা। লালহলুদ জার্সি গায়ে আপাতত ভালভাবে মরশুম শেষ করাই লক্ষ্য।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অনেক অপমান সহ্য করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলে, বাতিল চিমাই ফুল ফোটাচ্ছেন

তাঁকে মাঠে দেখলেই লালহলুদ সমর্থকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন। আবার ড্যানিয়েল চিমা চুকুয়ামা কেন। ওন্য কোনও ফুটবলার ছিল না। লালহলুদ জার্সি গায়ে চূড়ান্ত ব্যর্থ। গোলের সামনে বল পেলেও তিন কাঠিতে পাঠাতে পারতেন না। অনেকেই বলাবলি করতেন চিমা নামের কলঙ্ক। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই বাতিল চিমাই ফুল ফোটাচ্ছেন জামশেদপুর এফসির জার্সি গায়ে।উইলিস প্লাজাকে মনে আছে? লালহলুদ জার্সি গায়ে আই লিগে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচেই চমকে দিয়েছিলেন। তাঁর টাচ সকলের মন কেড়েছিল। দুএকটা ম্যাচ যেতে না যেতেই প্লাজাকে নিয়ে মোহভঙ্গ হয়েছিল। পরের মরশুমে প্লাজাকে দলে রাখেননি লালহলুদ কর্তারা। অথচ সেই প্লাজাই আই লিগে চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে পরে ফুট ফুটিয়েছিলেন। সেই অবস্থা ড্যানিয়েল চিমা চুকুয়ামারও।লালহলুদ জার্সি গায়ে এই মরশুমে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতার পর কর্তারা চিমাকে রিলিজ দেন। হতাশায় ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিমা। দেশে রওনা আগের মুহূর্তে জামশেদপুর এফসিতে খেলার প্রস্তাব পান। জামশেদপুর এফসির প্রস্তাব পাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবেননি চিমা। দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বদলে জামশেদপুরে সই করেন। চিমার জামশেদপুরের জার্সি বেছে নেওয়ার পেছনে লালহলুদে ব্যর্থতা। চিমা চেয়েছিলেন, নিজেকে প্রমাণ করতে। তাই ভারতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিয়েছেন। তিনি যে খারাপ ফুটবলার নন, এটাই প্রমাণ করার সবচেয়ে বেশি তাগিদ ছিল। নরওয়ের প্রথম ডিভিশন ক্লাব মোল্ড এফ কেতে চুটিয়ে খেলেছেন চিমা। ক্লাবকে চ্যাম্পিয়নও করেছিলেন। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মোল্ডের কোচ ছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বর্তমান কোচ গানার সোলসজায়ের। তাঁর কোচিংয়ে খেলেছেন চিমা। ২০১৩ সালে মোল্ডের জার্সি গায়ে প্রথম ডিভিশনে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন চিমা। করেছিলেন ১৩ গোল। কেন লালহলুদ জার্সি গায়ে সাফল্য পাননি? তার ব্যাখাও দিয়েছেন চিমা। তিনি বলেন, যখন আমি ভারতে আসি, কোনও সমস্যা ছিল না। সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। ক্লাবের খারাপ পারফরমেন্স আমার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। নানারকম নেগেটিভ কথা বলা হত, আমাকে নিয়ে ট্রোল করা হত, এমনকি অপমানও সহ্য করতে হয়েছে। খারাপ সময়ে পরিবারকে পাশে পেয়েছিলেন চিমা। তিনি বলেন, দুঃসময়ে পরিবার আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। মানসিকভাবে আমাকে উজ্জীবিত করেছিল। না হলে এভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারতাম না। জামশেদপুর এফসি যে তাঁকে দলে নেবে, ভাবতেই পারেননি চিমা। তাঁর কথায়, জামশেদপুর এফসির মতো লিগ টেবলের ওপরের দিকে থাকা দল আমাকে নেবে, ভাবতেই পারিনি। ওদের প্রস্তাব পেয়ে আমি দারুণ খুশি হয়েছিলাম। আমার মধ্যে নিশ্চয় ওরা কিছু দেখেছিল, না হলে প্রস্তাব দিত না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেই দলকে জিতিয়েছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহাবিপর্যয় লালহলুদের, সম্মানটুকুও হয়তো বাঁচবে না এসসি ইস্টবেঙ্গলের

এই এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যত কী? ফুটবলাররা তো দূরের কথা, কর্তারাও জানেন না। হারতে হারতে একেবারে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই কবেই শেষ। সম্মানটুকুও হয়তো বাঁচবে না। ওড়িশা এফসি-র কাছে আবার হার। তবে প্রথম পর্বের মতো ৬ গোল হজম করতে হয়নি। এটাই যা রক্ষা। তবে ২-১ ব্যবধানে হেরে প্লে-অফের লড়াইয়ে ধুকতে থাকা ওড়িশা এফসি-কে নতুন করে অক্সিজেন জোগান দিল লাল-হলুদ। এই নিয়ে ১৬ ম্যাচের মধ্যে আটটিতে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল।ঢিমেতালে ম্যাচ শুরু করেছিল দুদল। আস্তে আস্তে ম্যাচের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ওড়িশা। ২৩ মিনিটে এগিয়ে যায়। জাভি হার্নান্দেজ একের পর এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের ধার থেকে ফার পোস্টে পাস বাড়ান অরক্ষিত জোনাথাস ক্রিস্টিয়ানের লক্ষ্য করে। ছোট্ট টোকায় বল গোলে পাঠান জোনাথাস। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ দায় ডিফেন্সের। কোনও ডিফেন্ডারই নিজেদের পজিশনে ছিলেন না। প্রথমার্ধে কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছলেও সমতা ফেরাতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছবি বজায় ছিল। প্রথমার্ধের প্রথম দশ মিনিট ছাড়া পুরোটাই খেলল ওড়িশা এফসি। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনছিলেন জাভি-আইজ্যাকরা। প্রতি আক্রমণে এসে বিশ্বমানের গোল করে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরায় অ্যান্তোনিও পেরোসেভিচ। ফ্রাঞ্জো পর্চের লব করে দেওয়া বল ধরে বাম পায়ের দুরন্ত প্লেসিং-এ দলকে সমতায় ফেরান পেরোসেভিচ। পেরোসেভিচের গোলের কিছু আগে ড্যারেন সিডোলের প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে নেওয়া দুরন্ত ফ্রি-কিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ঠ হয়।পেরোসেভিচের গোলের মর্যাদা দিতে পারেনি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ। ৭৫ মিনিটে পাঁচ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জাভি হার্নান্ডেজের উদ্দেশ্যে বল বাড়ান জোনাথাস। সতীর্থের দেওয়া শট থেকে গোল করতে ভুল করেননি স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। যদিও বলটি জালে জড়ানোর আগে লাল-হলুদের এক ফুটবলারের পায়ের চেটোয় লেগে দিক পরিবর্তন করে। এই ম্যাচে হেরে ১৬ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের দশ নম্বরে থাকল এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • ...
  • 60
  • 61
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal