• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৪ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

কলকাতা

যত জিতব তত নম্র হতে হবে, বললেন মমতা

তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সফরে যাওয়ার আগে চার পুরসভায় তৃণমূলের বিপুল জয়কে জনগণকে উৎসর্গ করলেন দলের সভানেত্রী।বিমানে ওঠার আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই জয়ের জন্য আমরা মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। যত জিতব তত আমাদের নম্র হতে হবে। আগামী দিনে আমার লক্ষ্য শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান। আমাদের সমস্ত সামাজিক প্রকল্প যাতে সুষ্ঠু ভাবে চলে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু হবে। বিধাননগর, শিলিগুড়ি, চন্দননগর, আসানসোল, কলকাতা পুরসভায় জিতেছি। আগামী দিনে আরও কয়েকটি পুরসভা নির্বাচন আছে।তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের পরিষেবা, বাংলার সবুজায়ন, শিল্প সমৃদ্ধ করা, মায়ের সম্মান, ছাত্র যুবদের সম্মান, শ্রমিক কৃষকের ভালবাসা, সর্বধর্ম সমন্বয়ের মধ্যে দিয়ে সংস্কৃতি সম্প্রীতির মধ্যে দিয়ে আমরা করে চলেছি এবং করে যাব। আরও বেশি করে মানুষের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আগামিদিন আমার ডেস্টিনেশন ইন্ডাস্ট্রি। কাজের সুযোগ বাড়ানো।একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দেন, জনগনের পরিষেবা পুরনিগম, পুরসভা দেবে। সরকারের অনেক কাজ। মঙ্গলবার থেকে আবার দুয়ারে সরকার শুরু হচ্ছে। আমাদের সমস্ত সরকারি প্রকল্প যেন ঠিকমতো চলে তা সবাইকে দেখতে হবে। কোভিড কমে গেলেও সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। এই জয় মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি। আজ শিলিগুড়ি যাচ্ছি। কোচবিহারে অনুষ্ঠান আছে। ট্রাইবাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের মিটিংও আছে। আজ পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন। ওখানে পৌঁছে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করব।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

৩ দিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনদিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে সোমবার বিকেলে তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন। রাতে শিলিগুড়িতে থাকবেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার কোচবিহার যাবেন। সেখানে সার্কিট হাইসে থাকবেন তিনি। বুধবার গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।অনন্ত মহারাজের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বলে জানা গিয়েছে। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের বানেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় বীর চিলা রায়ের ৫১২তম জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা। এরপর কোচবিহার শহর সংলগ্ন শিবযজ্ঞ মন্দিরে তাঁর যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‘‌যে কোনও দলই এখন আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে ভয় পাবে’‌, কেন একথা বললেন লালহলুদ কোচ রিভেরা?‌

প্লে অফের আশা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। সেমিফাইনালের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। বাকি ৩ ম্যাচ লালহলুদের কাছে শুধুই সম্মানরক্ষার লড়াই। মারিও রিভেরার দলের সামনে হারানোর কিছু নেই। এই পরিস্থিতিতে তাঁদের বিরুদ্ধে খেলতে যে কোনও দলই যে ভয় পাবে, একথা মনে করিয়ে দিয়েছেন লালহলুদ কোচ। রবিবার কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কেরালার কাছে ম্যাচটা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। সেমিফাইনালের দৌড়ে ভালভাবে টিকে থাকার জন্য এই ম্যাচটা জিততেই হবে কেরালা ব্লাস্টার্সকে। হারলেই পিছিয়ে পড়তে হবে। কেরালার কাছে ম্যাচটা সহজ হবে না। সেই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে মারিও রিভেরার মুখে। কেরালার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, আমার দল আগের থেকে অনেক ভাল ছন্দে রয়েছে। আমাদের এখন হারানো বেশ কঠিন। কোনও দলই এখন আর আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে খুশি হবে না। যে কোনও দলই আমাদের এখন ভয় পাবে। দল নিয়ে খুব একটা চিন্তায় নেই লালহলুদ কোচ। জ্যাকিচাঁদ সিং, ফ্রান সোতারা খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে থাকতে পারেন সোতা। না হলে পরিবর্ত হিসেবে নামবেন। কয়েকজন ফুটবলারের হালকা চোট থাকলেও তাঁদের মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা নেই বলে জানিয়েছেন মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, ফ্রান সোতা পুরোপুরি ফিট। কেরালার বিরুদ্ধে ওকে মাঠে নামানোর কথা ভাবছি। জ্যাকিচাঁদও অনুশীলন করছে। ওকেও স্কোয়াডে রাখব। কয়েকজন একটু মানসিক চাপে ভুগছে। দুএকজন ছাড়া বাকিরা মাঠে নামার জন্য তৈরি। এই মুহূর্তে ১৪ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্স। চতুর্থ স্থানে রয়েছে বেঙ্গালুরু এসি। ১৬ ম্যাচে তাদের পয়েন্টও ২৩ পয়েন্ট। ১৪ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট পেয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হারালে তৃতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ কেরালা ব্লাস্টার্সের সামনে। তাই বিপক্ষ যে জয়ের জন্য মরিয়া হবে, সেকথা মাথায় রাখছেন মারিও রিভেরা। কেরালাকে যথেষ্ট গুরুত্বও দিচ্ছেন। লালহলুদ কোচ বলেন, কেরালার সব বিভাগেই ভাল ভাল ফুটবলার আছে। দলে যথেষ্ট ভারসাম্য রয়েছে। গুরুত্ব তো দিতেই হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
নিবন্ধ

মরীচিকা (The Mirage)

নীল আকাশের বুকে পেঁজা তুলোর মতভেসে যাওয়া মেঘের পিছু-পিছু,ছুটে চলে অভিমানী মন, দূরে, বহু দূরে;যেথা শিশিরে ভেজা জোনাকির আলোআর কদমের ঘ্রাণে মেশা মিষ্টি বাতাসগড়েছে শান্তির উপনিবেশ।মধ্যাহ্নের প্রচন্ড দাবদাহে, ঝলসে যাওয়ামৃতপ্রায় মন খুঁজে পায় শিউলির শীতল পরশ।ক্ষয়িষ্ণু আয়ুর প্রহর গুনতে গুনতেআসে বসন্তের শিহরণ।তৃষ্ণার্ত হৃদয়ে কামনার হাতছানি আততায়ীর মতো।আকণ্ঠ নীলিমা পান করে, জ্যোৎস্না প্লাবিতছায়াপথ ধরে এগিয়ে যাই,কোন অনামি নক্ষত্রের কক্ষপথের দিকে।অস্তিত্ব রক্ষার প্রবল সংগ্রামের মাঝেক্ষণিকের অজ্ঞাতবাস। ক্ষীণ হয়ে আসেধমনীতে প্রবাহিত রক্তের দাপাদাপি।প্রাণভরে নিই গভীর প্রশ্বাস।তবু অবচেতন মনের কোণেউঁকি মারে ভয়।এই বুঝি ভোর হয়।পূবের আকাশে রক্তের ছিটে।অচিরেই সরে যাবে কুয়াশার চাদর।অন্ধকারের অজ্ঞাত আশ্রয় থেকে বেরিয়েআমাকে সম্মুখীন হতে হবে জ্বলন্ত সুর্যের।দারিদ্র্যের লেলিহান শিখায় দগ্ধ হবেবিবেক, মনুষত্ব আর বিশ্বাসের।প্রবঞ্চকের শানিত তরবারি নির্মমআঘাত হানবে আমার বুকে।অনৈতিকতার নির্লজ্জ চাবুক নেমে আসবেশরীরে, মনে, প্রতি রোমকূপে-রোমকূপে।প্রত্যেকদিনের যুদ্ধে জয়ী তুমিই হবে,হে দারিদ্র্য, তুমিই জয়ী নিয়তির অমোঘ বিধানে।আমি নিরস্ত্র অসহায়।অপুষ্টিতে ভোগা, ঘামে ভেজা আমার ক্লান্ত শরীরহয়ে আসবে অবসন্ন।রুধিরস্নাত শরীরের রঙ মিশে যাবেসূর্যাস্তের বর্ণচ্ছটায়।তবু আমি হাঁটব।প্রেমহীন, স্থবির সমাজের চোখে চোখ রেখে,জীবনপথের অতিভূজ ধরে,এক বুক স্বপ্ন নিয়ে হেঁটে যাবমরীচিকার পানে নবজীবনের সন্ধানে।কবিঃ দীপক কুমার মণ্ডল

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

২৯ বছর বয়সেই ফুটবলকে বিদায় লালহলুদ জার্সি গায়ে ৫ বছর কাটানো লালরিনডিকা রালতে

১৩ বছরের পেশাদার ফুটবলজীবন। তারমধ্যে ৫ বছরই কাটিয়েছেন লালহলু্দ জার্সি গায়ে। একসময়ের লালহলুদের নয়নের মনি লালরিনডিকা রালতে মাত্র ২৯ বছর বয়সেই বুটজোড়া তুলে রাখলেন। শনিবারই পেশাদার ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন।দারুণ সাড়া জাগিয়েছিলেন মিজোরামের এই মিডফিল্ডার। পেশাদার ফুটবল জীবন শুরু করেছিলেন চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে। তারপর যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। আই লিগে তাঁর দুর্দান্ত ফুটবল সুযোগ করে দেয় আইএসএলে খেলার। মুম্বই সিটি এফসি, নর্থইস্ট ইউনাইটেড, অ্যাটলেটিকো কলকাতা ফুটবল ক্লাবের হয়ে খেলেছিলেন। ২০১৬ সালে অ্যাটলেটিকো কলকাতা আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। সেই চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য ছিলেন লালরিনডিকা রালতে। অ্যাটলেটিকো কলকাতাকে আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন এই মিজো মিডফিল্ডার। ২টি গোল করেছিলেন। আর তাঁর পাস থেকে এসেছিল ৫টি গোল। মুম্বই সিটি এফসি, নর্থইস্ট ইউনাইটেড ও অ্যাটলেটিকো কলকাতার জার্সি গায়ে আইএসএলে মোট ৩৯টি ম্যাচ খেলেছেন লালরিনডিকা রালতে।কেন হঠাৎ থেকে ফুটবল থেকে অবসর নিলেন এই মিজো মিডফিল্ডার? দায়ী করছেন করোনা পরিস্থিতিকে। নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লালরিনডিকা রালতে লিখেছেন, প্রাথমিকভাবে ভেবেছিলাম, যতটা দীর্ঘসময় ধরে খেলতে পারি খেলব। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য ফুটবলাররা বায়ো বাবলের মধ্যে থেকে খেলতে বাধ্য হচ্ছে। মাঠে দর্শকও থাকছে না। আগের মতো পরিবেশ নেই। এইরকম পরিস্থিতিতে খেলে নিজেকে অনুপ্রানিত করতে পারছি না। আমার কোচও আমাকে খেলা চালিয়ে যেতে বলেছিল। কিন্তু আমি পরিস্থিতির জন্য ফুটবল থেকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছি।রালতে আরও বলেছেন, আমার বাবা দুবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আমার ছোট ছোট দুটি সন্তান রয়েছে। পরিবারের সঙ্গে কথা বলেই অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে রালতে লিখেছেন, আমার হৃদয় ও আত্মা ফুটবলে নিয়োজিত করেছিলাম। ফুটবলই আমাকে পরিচিতি দিয়েছে। পেশাদার ফুটবলার হিসেবে চ্যাপ্টার শেষ করলাম। এবার নতুন আর একটা জীবন শুরু করব। বছরের পর বছর ধরে যারা আমার পাশে থেকেছে, তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।১৩ বছরের পেশাদার ফুটবলজীবনে লালহলুদ জার্সি গায়েই অধিকাংশ সময় কাটিয়েছেন লালরিনডিকা রালতে। পাঁচপাঁচটি বছর খেলেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের হয়ে। তবে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেছিলেন চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে। আইএসএল ঘুরে ২০১৮তে দ্বিতীয় দফায় সই করেন। দুই মরশুম লালহলুদ জার্সি গায়ে কাটিয়ে ২০২১ সালে রিয়েল কাশ্মীরে যোগ দেন রালতে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স ২০-২১ দেবশ্রীতা

জীবন যুদ্ধে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে নিজেকে তৈরি করেছিলেন । তিনিই প্রথম বাঙালি যিনি বিশ্বের দরবারে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া র হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০২০-২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া মিসেস ইন্ডিয়া ইউনিভার্স এর শিরোপা ওঠে তার মাথায়। মডেলিং এবং ফ্যাশন জগতে তার নাম প্রথম সারিতে। তিনি হলেন দেবাশ্রীতা মুখার্জি। তার জন্ম ও বড়ো হয়ে ওঠা কলকাতায়। আইন নিয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক তার পর বিদেশে ম্যানেজমেন্ট। বর্তমানে বিবাহের পর তিনি অস্ট্রেলিয়া বাসি। তার ১০ বছরের মেয়ে রয়েছে। এক সংবাদিক সম্মেলনে তিনি জানান, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া কে একযোগে প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে খুব খুশি। গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে এখনও অনেকের মনে অনেক ভীতি রয়েছে। কিন্তু নিজের লক্ষ্যে যদি স্থির থাকা যায় তাহলে কোনো সমস্যা হয় না। স্বামীর থেকে পাওয়া সহযোগিতার কথাও উল্লেখ্য করেন দেবশ্রী। এছাড়া তার ঝুলিতে রয়েছে মিসেস ইউনিভার্স অস্ট্রেলিয়ার ফার্স্ট রানারআপ , মিসেস কার্ভস অ্যান্ড কার্ল ইন্টারন্যাশনাল ২০২১। মিসেস সিক্রেট অস্ট্রেলিয়া পুরস্কার রয়েছে তার কাছে। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড র ব্র্যান্ড এম্বাসেডর তিনি। ওয়ান্ডার অফ ওম্যানহুড এডভোকেসি অ্যাওয়ার্ড ২০২১ পেয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত তার মা রুবি মুখার্জি বলেন, প্রাথমিক ক্ষেত্রে গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ড নিয়ে আমি একটু সংকোচ বোধ করি। কিন্তু বর্তমানে মেয়ের সাফল্য সেই দ্বিধা কে সম্পূর্ণ দূর করে দিয়েছে। আগামী প্রজন্মের কাছে আমি বলতে চাই যারা এই গ্ল্যামার ওয়ালড নিয়ে নিজের জীবনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় তারা অবশ্যই পারিবারিক সম্মতিতে এগিয়ে যেতে পারবে। উপস্থিত ডেভিনা সেনগুপ্ত দেবাশ্রীতার ১০ বছরের কন্যাও তার মায়ের সাফল্যে উচ্ছসিত। এই সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবা অসিত মুখার্জি, কে কে চ্যাটার্জী, সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট তেজাস গান্ধী, তুষার ঢালীওয়ালা, সৌমী দত্ত প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেঙ্গালুরুর হাসপাতালে কেন ভর্তি হলেন সৌরভ গাঙ্গুলি?‌

তাহলে কি আবার অসুস্থ হয়ে পড়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট শুক্রবার বেঙ্গালুরুর নারায়না হেলথ সিটি হাসপাতালে যেতেই জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। সৌরভপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র উৎকন্ঠা শুরু হয়ে যায়। তাঁর ঘনিষ্ঠ লোকজনের কাছে একের পর এক ফোন আসতে থাকে। অবশেষে ঘনিষ্ঠমহল থেকে সকলকে আশ্বস্ত করা হয়েছে সৌরভ গাঙ্গুলির কিছুই হয়নি। ডাঃ দেবী শেঠির কাছে হৃদযন্ত্রের পরীক্ষানিরীক্ষা করাতে তিনি হাসপাতালে গিয়েছিলেন। শনিবার ও রবিবার বেঙ্গালুরুতে হবে ২০২২ আইপিএলের মেগা নিলাম। সেই মেগা নিলামে হাজির থাকতে বেঙ্গালুরু গিয়েছেন ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। বেঙ্গালুরু পৌঁছনোর পর তিনি চলে যান ডাঃ দেবী শেঠির কাছে। এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুতেই রয়েছেন ডাঃ দেবী শেঠি। তাই সেখানেই হার্টের পরীক্ষার জন্য হাজির হন সৌরভ। চেকআপের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হন। গতবছর সৌরভের হৃদযন্ত্রে সমস্যা ধরা পড়েছিল। দুদুবার অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টিও করতে হয়েছে। এখন বেশ ভালোই রয়েছেন সৌরভ। হৃদযন্ত্রে কোনও সমস্যাও নেই। এবছর শুরুতে করোনাতেও আক্রান্ত হয়েছিলেন। আইপিএলের মেগা নিলামে প্রথম দিন ভাগ্য পরীক্ষা হবে ১৬১ জন ক্রিকেটারের। প্রথম দিন যে সব ক্রিকেটার অবিক্রিত থাকবেন দ্বিতীয় দিনেও আবার তাঁদের নিলামে তোলা হবে। রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ট্রেন্ট বোল্ট, প্যাট কামিন্স, কুইন্টন ডিকক, শিখর ধাওয়ান, ফাফ ডুপ্লেসি, শ্রেয়স আয়ার, কাগিসো রাবাডা, মহম্মদ সামি, ডেভিড ওয়ার্নারের মতো ১০ জন মার্কি ক্রিকেটারদের প্রথমে নিলামে তোলা হবে। প্রথম দিনের নিলামে ৬২টি সেট থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার বিপাকে এসসি ইস্টবেঙ্গল, পড়তে চলেছে ফেডারেশনের শাস্তির মুখে

চলতি আইএসএলে খুব খারাপ জায়গায় রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৬ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে আপাতত দশম স্থানে। মাঠের মধ্যে তো সমস্যায় রয়েছেই, এবার সমস্যা মাঠের বাইরেও। ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের কড়া শাস্তির মুখে পড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ৭ ফুটবলারের বকেয়া টাকা না মেটালে আগামী তিনটি ট্র্যান্সফার উইন্ডোতে কোনও ফুটবলারকে সই করাতে পারবে না লালহলুদ।অতীতেও ফুটবলারদের বকেয়া না মেটানোর অভিয়োগ রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গলের। টাকা না মেটানোয় বেশ কয়েকজন বিদেশি ফুটবলার ফিফার দ্বারস্থ হয়েছিলেন। লালহলুদের ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে এসেছিল। ফুটবলার সই করানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। পরে ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মিটিয়ে সে যাত্রায় শাস্তির হাত থেকে বেঁচেছিল। আবার সেই শাস্তির খাঁড়া নেমে আসতে চলেছে। তবে এবার ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির পক্ষ থেকে।কেভিন লোবো, কিগান পেরেরা, গিরিক খোসলা, ইউজেংসন লিংডো, অনিল চৌহান, সিকে বিনিথ, রিনো অ্যান্টো, এই ৭ ফুটবলারকে ২০২০ সালে সই করিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ওই বছর সেপ্টেম্বরে লালহলুদের দায়িত্ব নেয় শ্রী সিমেন্ট। নতুন টিম ম্যানেজমেন্ট এই ৭ ফুটবলারকে দলে রাখেনি। এমনকি চুক্তির পুরো অর্থও দেয়নি। বকেয়া অর্থের জন্য এই ৭ ফুটবলার ফুটবল প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটির কাছে আবেদন জানায়। বুধবার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি চিঠি পাঠিয়ে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে জানিয়েছে, ৪৫ দিনের মধ্যে ফুটবলারদের বকেয়া অর্থ মেটাতে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বকেয়া অর্থ না মেটালে ট্র্যান্সফার ব্যানের মুখে পড়তে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ৭ ফুটবলারের মোট বকেয়ার পরিমান ১ কোটি ৪২ লক্ষ টাকা। এর মধ্যে সবথেকে বেশি বকেয়া কেভিন লোবোর। তিনি পাবেন ৪১ লক্ষ টাকা। রিনো অ্যান্টো পাবেন ২৬ লক্ষ, সিকে বিনিথ ও লিংডোর বকেয়া ২১ লক্ষ টাকা করে। কিগান পেরেরার বকেয়া ১৬.৮০ লক্ষ, অনিল চৌহানের ১০.২৮ লক্ষ, গিরিক খোসলার বকেয়া ৬.৩০ লক্ষ। ফেডারেশনের চিঠি পাওয়ার পরপরই পাল্টা চিঠি পাঠিয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। চিঠিতে শাস্তি পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়েছে। তবে অ্যাপিল কমিটির কাছে এখনও আবেদন করেনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গলের আসল ‘‌হীরে’‌ তুলে নেওয়ার জন্য মরিয়া এটিকে মোহনবাগান

চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ক্লাব কর্তা ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে মরশুম শুরুর আগেই টানাপোড়েন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত জট কাটে। শেষ মুহূর্তে দল গড়তে নেমে ভালমানের ফুটবলার পাননি এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। যে কজন স্বদেশি ফুটবলারকে সই করিয়েছিলেন, তার মধ্যে এখনও পর্যন্ত উজ্জ্বল হীরা মণ্ডল। চলতি আইএসএলে হীরাই লালহলুদের আসল হীরে। ইতিমধ্যেই সামনের মরশুমের জন্য তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে টানাটানি। ২০১৫ সালে পোর্ট ট্রাস্টের হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেন হীরা মণ্ডল। তারপর রোনবো এসসি, টালিগঞ্জ, পিয়ারলেস হয়ে ২০১৮১৯ মরশুমে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। লালহলুদ জার্সি গায়ে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। পরের মরশুমে যোগ দেন মহমেডান স্পোর্টিংয়ে। ২০২০২১ মরশুমে সাদাকালো জার্সি গায়ে আই লিগে নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন হীরা মণ্ডল। ১৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন আই লিগে। লেফট ব্যাকে খেললেও দুর্দান্ত ওভারল্যাপে উঠতে পারেন। আই লিগে সাদাকালো জার্সি গায়ে দুটি গোলও করেছিলেন। এই মরশুমে আইএসএল শুরুর আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা সই করায় হীরাকে। চলতি আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ১৬টি ম্যাচ খেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এরমধ্যে ২ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি হীরা মণ্ডল। বাকি ১৪টি ম্যাচেই তিনি খেলেছেন। আদতে লেফট ব্যাক হলেও দলের প্রয়োজনে কখনও সেন্ট্রাল ডিফেন্সে, কখনও আবার রাইট ব্যাকে খেলতে হয়েছে। সব জায়গাতেই নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন। চলতি আইএসএলে ভুল যে করেননি, এমন নয়। দুদুটি ম্যাচে আত্মঘাতী গোল করে ফেলেছিলেন হীরা। তবে বাকি ম্যাচে তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্স ভুলত্রুটি ঢেকে দিয়েছে। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচে একটা দুর্দান্ত গোললাইন সেভ করে রীতিমতো প্রশংসা কুড়িয়েছেন। চলতি আইএসএলে এসসি ইস্টেঙ্গলের স্বদেশী ফুটবলারদের রেটিংয়ে তিনি রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর রেটিং ৬.০৭। স্বদেশি ফুটবলারদের মধ্যে সবথেকে বেশি রেটিং নওরেম মহেশ সিংয়ের। তাঁর রেটিং ৬.১১। আইএসএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা এসসি ইস্টবেঙ্গলের হীরে তুলে নেওয়ার জন্য মরিয়া এটিকে মোহনবাগান। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই হীরা মণ্ডলকে প্রস্তাব দিয়েছেন সবুজমেরুণ কর্তারা। সূত্রের খবর, এটিকে মোহনবাগান ছাড়াও আরও কয়েকটি ক্লাব হীরাকে পেতে চায়। এই তালিকায় রয়েছে মুম্বই সিটি এফসি, হায়দরাবাদ এফসির মতো ক্লাবগুলি। তবে এখনই সামনের মরশুম নিয়ে ভাবতে চাননা হীরা। লালহলুদ জার্সি গায়ে আপাতত ভালভাবে মরশুম শেষ করাই লক্ষ্য।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অনেক অপমান সহ্য করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলে, বাতিল চিমাই ফুল ফোটাচ্ছেন

তাঁকে মাঠে দেখলেই লালহলুদ সমর্থকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়তেন। আবার ড্যানিয়েল চিমা চুকুয়ামা কেন। ওন্য কোনও ফুটবলার ছিল না। লালহলুদ জার্সি গায়ে চূড়ান্ত ব্যর্থ। গোলের সামনে বল পেলেও তিন কাঠিতে পাঠাতে পারতেন না। অনেকেই বলাবলি করতেন চিমা নামের কলঙ্ক। এসসি ইস্টবেঙ্গলের সেই বাতিল চিমাই ফুল ফোটাচ্ছেন জামশেদপুর এফসির জার্সি গায়ে।উইলিস প্লাজাকে মনে আছে? লালহলুদ জার্সি গায়ে আই লিগে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচেই চমকে দিয়েছিলেন। তাঁর টাচ সকলের মন কেড়েছিল। দুএকটা ম্যাচ যেতে না যেতেই প্লাজাকে নিয়ে মোহভঙ্গ হয়েছিল। পরের মরশুমে প্লাজাকে দলে রাখেননি লালহলুদ কর্তারা। অথচ সেই প্লাজাই আই লিগে চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে পরে ফুট ফুটিয়েছিলেন। সেই অবস্থা ড্যানিয়েল চিমা চুকুয়ামারও।লালহলুদ জার্সি গায়ে এই মরশুমে একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতার পর কর্তারা চিমাকে রিলিজ দেন। হতাশায় ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চিমা। দেশে রওনা আগের মুহূর্তে জামশেদপুর এফসিতে খেলার প্রস্তাব পান। জামশেদপুর এফসির প্রস্তাব পাওয়ার পর দ্বিতীয়বার ভাবেননি চিমা। দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত বদলে জামশেদপুরে সই করেন। চিমার জামশেদপুরের জার্সি বেছে নেওয়ার পেছনে লালহলুদে ব্যর্থতা। চিমা চেয়েছিলেন, নিজেকে প্রমাণ করতে। তাই ভারতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল ছিল না, প্রমাণ করে দিয়েছেন। তিনি যে খারাপ ফুটবলার নন, এটাই প্রমাণ করার সবচেয়ে বেশি তাগিদ ছিল। নরওয়ের প্রথম ডিভিশন ক্লাব মোল্ড এফ কেতে চুটিয়ে খেলেছেন চিমা। ক্লাবকে চ্যাম্পিয়নও করেছিলেন। ২০১১ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত মোল্ডের কোচ ছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বর্তমান কোচ গানার সোলসজায়ের। তাঁর কোচিংয়ে খেলেছেন চিমা। ২০১৩ সালে মোল্ডের জার্সি গায়ে প্রথম ডিভিশনে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন চিমা। করেছিলেন ১৩ গোল। কেন লালহলুদ জার্সি গায়ে সাফল্য পাননি? তার ব্যাখাও দিয়েছেন চিমা। তিনি বলেন, যখন আমি ভারতে আসি, কোনও সমস্যা ছিল না। সবকিছুই ঠিকঠাক চলছিল। ক্লাবের খারাপ পারফরমেন্স আমার ওপর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। নানারকম নেগেটিভ কথা বলা হত, আমাকে নিয়ে ট্রোল করা হত, এমনকি অপমানও সহ্য করতে হয়েছে। খারাপ সময়ে পরিবারকে পাশে পেয়েছিলেন চিমা। তিনি বলেন, দুঃসময়ে পরিবার আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল। মানসিকভাবে আমাকে উজ্জীবিত করেছিল। না হলে এভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারতাম না। জামশেদপুর এফসি যে তাঁকে দলে নেবে, ভাবতেই পারেননি চিমা। তাঁর কথায়, জামশেদপুর এফসির মতো লিগ টেবলের ওপরের দিকে থাকা দল আমাকে নেবে, ভাবতেই পারিনি। ওদের প্রস্তাব পেয়ে আমি দারুণ খুশি হয়েছিলাম। আমার মধ্যে নিশ্চয় ওরা কিছু দেখেছিল, না হলে প্রস্তাব দিত না। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নেমেই দলকে জিতিয়েছিলেন।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মহাবিপর্যয় লালহলুদের, সম্মানটুকুও হয়তো বাঁচবে না এসসি ইস্টবেঙ্গলের

এই এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যত কী? ফুটবলাররা তো দূরের কথা, কর্তারাও জানেন না। হারতে হারতে একেবারে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই কবেই শেষ। সম্মানটুকুও হয়তো বাঁচবে না। ওড়িশা এফসি-র কাছে আবার হার। তবে প্রথম পর্বের মতো ৬ গোল হজম করতে হয়নি। এটাই যা রক্ষা। তবে ২-১ ব্যবধানে হেরে প্লে-অফের লড়াইয়ে ধুকতে থাকা ওড়িশা এফসি-কে নতুন করে অক্সিজেন জোগান দিল লাল-হলুদ। এই নিয়ে ১৬ ম্যাচের মধ্যে আটটিতে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল।ঢিমেতালে ম্যাচ শুরু করেছিল দুদল। আস্তে আস্তে ম্যাচের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ওড়িশা। ২৩ মিনিটে এগিয়ে যায়। জাভি হার্নান্দেজ একের পর এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের ধার থেকে ফার পোস্টে পাস বাড়ান অরক্ষিত জোনাথাস ক্রিস্টিয়ানের লক্ষ্য করে। ছোট্ট টোকায় বল গোলে পাঠান জোনাথাস। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ দায় ডিফেন্সের। কোনও ডিফেন্ডারই নিজেদের পজিশনে ছিলেন না। প্রথমার্ধে কয়েকবার গোলের কাছাকাছি পৌঁছলেও সমতা ফেরাতে পারেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধেও একই ছবি বজায় ছিল। প্রথমার্ধের প্রথম দশ মিনিট ছাড়া পুরোটাই খেলল ওড়িশা এফসি। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনছিলেন জাভি-আইজ্যাকরা। প্রতি আক্রমণে এসে বিশ্বমানের গোল করে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে সমতায় ফেরায় অ্যান্তোনিও পেরোসেভিচ। ফ্রাঞ্জো পর্চের লব করে দেওয়া বল ধরে বাম পায়ের দুরন্ত প্লেসিং-এ দলকে সমতায় ফেরান পেরোসেভিচ। পেরোসেভিচের গোলের কিছু আগে ড্যারেন সিডোলের প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে নেওয়া দুরন্ত ফ্রি-কিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ঠ হয়।পেরোসেভিচের গোলের মর্যাদা দিতে পারেনি ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ। ৭৫ মিনিটে পাঁচ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জাভি হার্নান্ডেজের উদ্দেশ্যে বল বাড়ান জোনাথাস। সতীর্থের দেওয়া শট থেকে গোল করতে ভুল করেননি স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। যদিও বলটি জালে জড়ানোর আগে লাল-হলুদের এক ফুটবলারের পায়ের চেটোয় লেগে দিক পরিবর্তন করে। এই ম্যাচে হেরে ১৬ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবলের দশ নম্বরে থাকল এসসি ইস্টবেঙ্গল।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলা গানে নিষেধাজ্ঞা, বাংলা পক্ষের বিক্ষোভে পিছু হটল কলকাতার নামীদামী রেস্তোরাঁ

শহর কলকাতার রেস্তোঁরাতে বাংলা গান চালাতে অস্বীকার করার প্রতিবাদে মুখর সঙ্গীত জগত থেকে শুরে করে সাধারন মানুষজন। বাংলা পক্ষও এই ব্যবস্থার চরম প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সংস্থার মুখ্য পারিষদ কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান বাংলার রাজধানী বাঙালির রাজধানী কলকাতায় সেহগালের মালিকানাধীন ব্রডওয়ে রেস্তোঁরাতে বাংলা ভাষার গান প্রোহিবিটেড, নিষিদ্ধ। বাংলায় বহিরাগত যত বাড়বে তত কোনঠাসা হব আমরা আমাদের মাটিতে। আজ বাংলার রেস্তোরাঁয় বাংলা ভাষায় গান নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, একদিন তোমার মুখে তোমার ভাষার গান, শব্দ নিষিদ্ধ করবে।রবিবার সন্ধায় বাংলা পক্ষের সদস্যরা গণেশ চন্দ্র এভিনিউতে চাঁদনীচক মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ওই বার কাম রেস্তোঁরাতে প্রতিবাদে মুখর হয়ে ওঠে। তাঁদের অভিযোগ, ওই বারে বারাসত থেকে শ্রীকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর পরিবার নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ সারতে এসে টানা হিন্দী গান চলছে বলে একটা বাংলা গান শোনানোর অনুরোধ জানান। তাঁকে কতৃপক্ষ জানান এখানে বাংলা গান বাজানো নিষেধ আছে। মালিকের নির্দেশ ছাড়া তাঁরা এখানে বাংলা গান চালাতে পারবেন না।বাংলা পক্ষ তাঁদের প্রতিবাদ সভা থেকে আওয়াজ তোলেন ওই রেস্তোঁরাতে বাংলা গান নিষিদ্ধ হলে বাংলার বুকে ওই রেস্তোঁরাকেও নিষিদ্ধ করা হোক। এরপর তাঁরা ওই রেস্তোঁরাতে প্রবেশ করে দ্বীজেন্দ্রলাল রায়ের ধন ধান্য পুষ্পে ভরা গানটি সমবেত ভাবে গান এবং ওই রেস্তোঁরাতে উপস্থিত সকল বাঙালিকে অনুরোধ করেন গানটি তাঁদের সঙ্গে সমবেত ভাবে গাওয়ার জন্য। এর পর তাঁরা মুক্তির মন্দির সোপান তলে, আমি বাংলায় গান গাই- গেয়ে আরও জোরালো প্রতিবাদ তোলে বাংলা পক্ষ। বাংলাপক্ষ-র প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠে সেই রেস্তোঁরাতে বেজে ওঠে এই পথ যদি না শেষ হয়...... কৌশিক মাইতি আরও জানান, তাঁদের প্রতিবাদে পিছু হঠে রেস্তোঁরা মালিকপক্ষ ক্ষমা চেয়ে নেন। কতৃপক্ষ কথা দিয়েছে সেখানে বাংলা গান বাজবে। তিনি বলেন, বাঙালি এক হলে বাংলার শত্রুরা লেজ গুটিয়ে পালাবে। তিনি বলেন এই জয় প্রতিটা বাঙালি শিল্পী, প্রতিবাদী বাঙালির জয়। এভাবেই আমরা জিতব, বাঙালি জিতবে। প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, সোয়েব আমিন, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, বাংলা পক্ষর সামাজিক মাধ্যম সমন্বায়ক সায়ন মিত্র প্রমুখ।এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করে সঙ্গীত শিল্পী রাঘব চট্টোপাধ্যায় বলেন বাংলা ভাষা আমাদের নিজেদের ভাষা, আমাদের বাংলায় আমরা বাংলায় কথা বলি, বাংলায় গান গাই, আবশ্যই অনান্য ভাষা যেমন হিন্দী, ইংরাজি এবং উর্দুর প্রতি আমাদের সমান শ্রদ্ধা আছে, সব ভাষাকেই সম্মান করি। বিশেষ করে নিজের মাতৃ ভাষাকে তো অবশ্যই সম্মান করি। তাই বাংলায় বসবাসকারী সকলকে আমার অনুরোধ আপনারা বাংলা গান, কবিতা, সাহিত্য, নাটক ও সিনেমাকে শ্রদ্ধা করুন ভালোবাসুন এবং আমাদের বাংলাকে আরও অনেক দুর এগিয়ে নিয়ে চলুন। আরও এক সঙ্গীত শিল্পী ভুমী ব্যন্ডের সৌমিত্র রায় বলেন, আজ ওখানকার ঘটনা শুনলাম মনটা খারাপ হয়ে গেলো, আমি বিশ্বাস করি গানবাজনায় কোনও জাতি বা কোনও ভাষা থাকে না। যে ভাষায় হোক সেটা উপভোগ করি। আমরা বিদেশে মন্টেরিয় জ্যাজ ফেস্টিভ্যাল মত অনুষ্ঠানে বাংলা ভাষায় গান গেয়েছি, ইউনাইটেড নেশন মত যায়গায় ভুমী বাংলায় গান করেছে, যেখানে কোনও বাঙ্গালি ছিলো না। ব্রডওয়ের মত একটা যায়গায় একটা দুটো বাংলা গান গাইলে ক্ষতিটা কি হত?এই ঘটনার প্রতিবাদ কি ভাবে করব আমি জানি না। আমার প্রতিবাদের ভাষা হচ্ছে গানকে গানের মত থাকতে দাও। ওদের গাইতে দাও। বাংলায় থেকে বাংলায় কথা বলতে দাও। বলতে দাও নয়, আপনারাও বলুন।সঙ্গীত শিল্পী ইমন সেন বলেন, বাংলায় থেকে যদি বাংলা গান না নিশিদ্ধ করা হয়ে থাকে, তাহলে ওই রেস্তোরাঁ কেই বাংলায় নিশি করা হোক। আর যদি পাব খোলা রাখতে হয় তাহলে বাংলা গান চালাতে হবে। এই প্রতিবাদ কর্মসুচীর জন্য বাংলা পক্ষ কে ধন্যবাদ জানান। জয় হৃদয় বলে তাঁদের জয় কামনা করেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাকি ৫ ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের লক্ষ্য কী?‌ কঠিন কাজ করে চলেছেন রিভেরা

সোমবার আইএসএলে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদ শিবির এখন লক্ষ্যভ্রষ্ট। সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনা আগেই শেষ। আইএসএলের বাকি ম্যাচ সম্মান রক্ষার। সামনের মরশুমে তাঁদের কী হবে ফুটবলাররা নিজেরাও জানেন না। শুধু ভাল খেলে পরের মরশুমের জন্য নিজেদের জায়গা খোঁজা। এই পরিস্থিতিতে ফুটবলারদের মোটিভেট করা খুবই কঠিন। সেই কঠিন কাজটাই করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। যদিও রিভেরা মুখে বলছেন ফুটবলারদের উজ্জীবিত করার কিছু নেই। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামাগ আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ বলেন, ফুটবলাররা সবাই পেশাদার। জেতার জন্যই সব ম্যাচে মাঠে নামে। ভাল খেলে প্রমাণ করতে চায় ওরা কতটা যোগ্য। লিগ টেবিলে আমরা এই মুহূর্তে যে জায়গায় রয়েছি, সেখানে থাকার কথা নয়। জয়ের খিদে নিয়েই ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামবে ফুটবলাররা। ১৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে দশম স্থানে রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদের একধাপ এগিয়ে আসার পেছনে কৃতিত্ব অবশ্য তাদের নয়। নর্থইস্ট ইউনাইটেড হেরে একাদশ স্থানে নেমে গেছে। তাও আবার ১ ম্যাচ বেশি খেলেছে। বাকি ৫ ম্যাচ জিতলে লিগ টেবিলে মাঝামাঝি জায়গায় পৌঁছবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। সেসব কথা মাথায় রাখছেন না লালহলুদ কোচ রিভেরা। তিনি বলেন, লিগ টেবিলে কোথায় শেষ করব সেটা মাথায় রাখছি না। আপাতত আমাদের লক্ষ্য পরের ম্যাচ। একেকটা ম্যাচ ধরে এগোতে চাই। আপাতত লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট। মরশুম শেষ হলে দেখা যাবে কত নম্বরে রয়েছি। আগের ম্যাচে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে ১৫ মিনিটের মধ্যে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও পরে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। চেন্নাইন ম্যাচের পারফরমেন্স আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে লালহলুদ শিবিরের। রিভেরা বলেন, চেন্নাইন ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে দল দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ওই ম্যাচের পারফরমেন্স ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। ওডিশার বিরুদ্ধে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামব।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

৬ মে বড়পর্দায় আসছে মিমি চক্রবর্তীর 'মিনি'

আগামীকাল সরস্বতী পুজো। অর্থাৎ বাঙালিদের ভ্যালেন্টাইন্স ডে। এই বিশেষ দিনের আগে ভক্তদের খুশির খবর শোনালেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। স্মল টক আইডিয়াস, সম্পূর্ণা লাহিড়ী ও ও রাহুল ভাঞ্জার প্রযোজিত এবং মৈনাক ভৌমিকের পরিচালিত পূর্ণদৈর্ঘ্যর ছবি মিনি-র মুক্তির তারিখ ঘোষিত হল। এই ছবির ডাবিং ও পোস্ট প্রোডাকশনের কাজও শেষ হয়েছে। এই ছবি মুক্তি পেতে চলেছে এই বছর ৬ মে। মুখ্য চরিত্রে মিমি চক্রবর্তী ছাড়াও অভিনয় করছেন শিশুশিল্পী অয়ন্না চ্যাটার্জি। অয়ন্নার এটা প্রথম ছবি। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিঠু চক্রবর্তী, সপ্তর্ষি মৌলিক ও কমলিকা ব্যানার্জি। অয়ন্না ও তার পিসির গল্প মিনি তে তুলে ধরছেন পরিচালক। এই ছবির মধ্যে দিয়েই প্রযোজক হিসাবে আত্মপ্রকাশ হচ্ছে সম্পূর্ণা লাহিড়ীর।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
নিবন্ধ

স্মৃতিকণা (কবিতা)

স্মৃতির ধুলো উড়িয়ে খুঁজে পাওয়াকিছু মুহুর্ত, আজও সোনার চেয়ে দামী।কোথায় হারিয়ে গেল সেই সোনাঝড়াদিন, শুধু জানেন অন্তর্যামী।পৌষ সংক্রান্তির পিঠেপুলির রেশ কাটতেনা কাটতেই, মিশন দেবী সরস্বতী;চাঁদা তোলা, কবিতা মুখস্থ, নাটকের মহড়া,এতেই অর্ধেক প্রসন্ন হতেন দেবী বিদ্যাবতী।কুল না খেয়ে, উপোস থেকে,পুরুতের সঙ্গে, কজ্জল পুরিত, ব্যস;এরপর হোমের ফোঁটা কপালে ঘষে,ষোলোআনা দিয়ে হেটমুণ্ড, টেনশন শেষ।পুরুতের আঙুল ধরে অ লিখছে ছোট্ট বাবাই,মণ্ডপ সেজেছে শিউলির হাতের আলপনায়।আর পাঁচ বছরের ছোট্ট তিতলির বিড়ম্বনাষোলো ফুটের কাপড় সামলানোই মহা দায়।হলুদ গাঁদার ভীড়ে, অতি চুপিসারে,শীতের বিদায়ঘন্টা নিঃশব্দে চলেছে বেজে;একরাশ খোলাচুলে, বাসন্তী শাড়ীতে,স্মিতহাস্যে বসন্ত এসেছে সেজে।সেদিনের স্নিগ্ধ চাহনিতে, ঝাপসা হৃদয়পেয়েছিল অদম্য প্রাণের স্পন্দন;বেজেছিল বীণা, রেঙেছিল মন পলাশের সাথেএক অনন্য অনুভূতি আবিষ্ট করেছিল মন।মন আজও খুঁজে ফেরে ফেলে আসা দিন,ভাবে সেদিনের কথা, করে আঁখি বন্ধ,এক চিলতে মিঠে দখিণা বাতাসবয়ে নিয়ে আসে, ছেড়ে আসা স্কুলের গন্ধ।আজও অশোক-পলাশ মেশে গোধুলিতে,দিগন্তে গোলাপী আভা, তবু রাঙে না মন।চেতনার আকাশ ঢেকেছে উদাসী মেঘ,তাই শুধু মুঠো ফোনে বন্দী জীবন।কবিঃ দীপক কুমার মণ্ডল

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়নি, কেন এমন বললেন লালহলুদের প্রাক্তনরা?‌

একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে ওরা ঘাম ঝড়িয়েছেন। লালহলুদের ব্যর্থতায় আজও ওদের প্রাণ কাঁদে। চলতি আইএসএলে দুরবীন দিয়ে খুঁজতে হচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ১৫ ম্যাচে মাত্র ১টিতে জয়। লিগ টেবিলে একেবারে শেষে। প্রিয় ক্লাবের ব্যর্থতায় যেমন হতাশ সদস্যসমর্থকরা, তেমনই হতাশ একসময় লালহলুদ জার্সি গায়ে মাঠে দাপিয়ে বেড়ানো প্রাক্তন ফুটবলাররা। কীভাবে ক্লাবের মর্যাদা ফিরিয়ে নিয়ে আসা যায়, সেই ব্যাপারে উদ্যোগী লালহলুদেপ প্রাক্তনরা। প্রায় বছরখানেক আগে প্রাক্তন ফুটবলাররা মিলে ১১ জনের একটা কমিটি তৈরি করেছিলেন ক্লাবকে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। এই কমিটি ইস্টবেঙ্গল ক্লাব সচিব কল্যান মজুমদারকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠির উত্তর এখনও দেননি লালহলুদ সচিব। তাঁদের সেই চিঠির বক্তব্য বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন প্রাক্তন ফুটবলাররা। তাঁরা ক্লাবের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। সেই উদ্বেগের কথাও প্রাক্তন ফুটবলাররা তুলে ধরেন। লালহলুদের ঘরের ছেলে হিসেবে পরিচিত মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এদিন বলেন, ইস্টবেঙ্গল শুধু খেলার জন্য মাঠে নামে না, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য নামে। অতীতে আমরা সব টূর্ণামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছি, এমন নয়। দলের মধ্যে জেতার মানসিকতা দরকার। জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়তে হবে। এবছর শুধু অংশগ্রহনের মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়েছে। লালহলুদের এই ব্যর্থতার জন্য কোচকে দায়ী করতে রাজি নন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, একটা দলের ৭০৮০ শতাংশ সাফল্য নির্ভর করে ফুটবলারদের ওপর। এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে সেই মানের ফুটবলার নেই। বিদেশিদের মানও যথেষ্ট খারাপ। দল গঠন ঠিক হয়নি। পরে যারা ক্লাবে লগ্নি করবে, তাদের কাছে অনুরোধ যেন জেতার মানসিকতা নিয়ে দল গড়া হয়। পরের মরশুমে প্রাক্তনদের পরামর্শ নিয়ে দল গড়ার কথাও বলেছেন মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। প্রশান্ত ব্যানার্জি, বিকাশ পাঁজি, মেহতাব হোসেন, ভাস্কর গাঙ্গুলিদের মুখেও মনোরঞ্জনের কথার প্রতিধ্বনি। বিকাশ পাঁজি বলেন, ১০০ বছরের ইতিহাসে লালহলুদকে এইরকম খারাপ অবস্থার মধ্যে কখনও পড়তে হয়নি। জেতার মানসিকতা নিয়ে এবছর দল গড়া হয়নি। শ্রী সিমেন্ট ইস্টবেঙ্গলের সম্মান ধুলোয় মিশিয়েছে। প্রশান্ত ব্যানার্জি বলেন, এই খারাপ পারফরমেন্সের জন্য ক্লাবের সম্মান নষ্ট হচ্ছে। ক্লাব আমাদের দায়িত্ব দিক, সব বিষয়েই আমরা দায়িত্ব নেব। প্রাক্তন ফুটবলারদের আবেদন, ক্লাব নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী দল গড়ে প্রতিযোগিতায় খেলুক, সেটা যে প্রতিযোগিতাতেই হোক না কেন। আইএসএল খেলার দরকার নেই।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বেঙ্গালুরুতে কোহলির শততম টেস্ট খেলার ইচ্ছেপূরণে বাধা হতে চলেছে বোর্ড

প্রিয় মাঠ বেঙ্গালুরুর চিন্নস্বামী স্টেডিয়ামে কি জীবনের শততম টেস্ট খেলা হবে না বিরাট কোহলি? সেই সম্ভাবনাই ক্রমশ প্রবল হয়ে উঠছে। আর কোহলিকে বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে না দেওয়ার পেছনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভুমিকা বড় হয়ে দাঁড়াতে চলেছে। অর্থাৎ বোর্ড কর্তারা ইচ্ছে করেই হয়তো বেঙ্গালুরুতে কোহলির আটকে দিতে পারেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কোহলির সম্পর্ক একেবারেই ভাল নয়। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির গায়ে যেভাবে মিথ্যাবাদী তকমা সাঁটিয়ে দিয়েছেন, তা ভালভাবে নেননি অন্য বোর্ড কর্তারা। যার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে একদিনের ক্রিকেটের নেতৃত্ব থেকে কোহলিকে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে তিনটি টেস্টেই খেললে এতদিন শততম টেস্ট খেলা হয়ে যেত বিরাট কোহলির। কিন্তু জোহানেসবার্গে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন কোহলি। জোহানেসবার্গে খেললে সেটাই হত কোহলির ৯৯ তম টেস্ট। পরে কেপ টাউনে সিরিজের শেষ টেস্টে খেলেন। ফলে ৯৯তম টেস্ট দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেই খেলে ফেলেছেন। ভারতের পরবর্তী টেস্ট সিরিজ ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। দুটি টেস্ট হবে বেঙ্গালুরু ও মোহালিতে। বেঙ্গালুরুতেই প্রথম টেস্ট হওয়ার কথা। আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের হয়ে খেলেন কোহলি। সেই সুবাদে বেঙ্গালুরু তাঁর ঘরে মাঠ। বেঙ্গালুরুতে প্রচুর সমর্থকও রয়েছে কোহলির। সেসব কথা মাথায় রেখে কোহলি চেয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে শততম টেস্ট খেলতে। তাই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে পরিকল্পিতভাবে চোটের অজুহাতে দ্বিতীয় টেস্ট থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন। ভারত ও শ্রীলঙ্কা সিরিজে তিনটি টি ২০ ম্যাচও হবে। টেস্ট সিরিজ শেষ হলে তিনটি টি ২০ ম্যাচ হওয়ার কথা মোহালি, ধরমশালা ও লখনউতে। যদিও এই সূচি এখনও চূড়ান্ত হয়নি। দুটি টেস্ট বেঙ্গালুরু ও মোহালি। একটি টেস্ট দিনরাতের করার ব্যাপারে উদ্যোগী বোর্ড। কিন্তু মোহালিতে দিনরাতের টেস্ট আয়োজন করা সমস্যা। কারণ মোহালিতে সন্ধেবেলা খুব বেশি শিশির পড়ছে। তাই বেঙ্গালুরুতে গোলাপি বলের টেস্টের সম্ভাবনা বেশি। করোনার জন্য যাতায়াতের সুবিধার কথা মাথায় রেখে সূচিতে অদলবদল হতে পারে। বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, টি২০ সিরিজ শেষ করে তারপর টেস্ট সিরিজ হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রথম দুটি টি২০ ম্যাচ ধরমশালায় খেলার পর দুটি দল মোহালি আসবে। সেখানে ১টি টি২০ ও ১টি টেস্ট ম্যাচ হতে পারে। তারপর দ্বিতীয় টেস্ট হতে পারে বেঙ্গালুরুতে। সেক্ষেত্রে বেঙ্গালুরুতে দিনরাতের টেস্ট হলেও কোহলিকে দর্শকহীন মোহালিতে শততম টেস্ট খেলতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএলের সেরা ম্যাচ খেলে চেন্নাইনকে আটকে দিল এসসি ইস্টবেঙ্গল

অতীতে ডার্বিতে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর ইতিহাস লালহলুদের রয়েছে। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে শুরুতে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন এসসি ইস্টবেঙ্গলের। নামতের শেষ মুহূর্তের গোলে আইএসএলের সেরা ম্যাচ খেলে আটকে দিল চেন্নাইনকে। ম্যাচের ফল ২২।এসসি ইস্টবেঙ্গলের গোল খাওয়ার অভ্যাস কি যাবে না? আইএসএলের প্রথম ম্যাচ থেকেই প্রশ্নটা উঠেছিল। লালহলুদের ১৫ টা ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। গোল খাওয়ার অভ্যাস এখনও কাটিয়ে উঠতে পারল না। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ১৪ ম্যাচে ২৮ গোল হজম করেছিল। এদিন আরও ২ গোল।শুরুতে গোল খেলে যে কোনও দলের মনোবল ভেঙে পড়তে বাধ্য। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে সেটা অবশ্য হয়নি। ২ মিনিটেই প্রথম ধাক্কা খায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। জেরি লালরিনজুয়ালা বাঁদিক থেকে একটা সেন্টার করেছিলেন লালহলুদ বক্সে। সুহেল পাশা হেড করার জন্য লাফিয়েছিলেন। কিন্তু বলে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি। সেই বল হীরা মণ্ডলের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে জড়িয়ে যায়।চেন্নাইন এফসির দ্বিতীয় গোলের ক্ষেত্রেও সেই হীরা মণ্ডলের অবদান। ম্যাচের ১৪ মিনিটে তাঁর ভুল পাস ধরে নিনথোই মিতাই বাঁপায়ের দুরন্ত শটে চেন্নাইন এফসিকে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ১৪ মিনিটের মধ্যে ২ গোল হজম করেও হতদ্যোম হয়ে পড়েনি লালহলুদ শিবির। দারুণ লড়াই করছিল। ৪৪ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। নওরেম মহেশ সিংয়ের ব্যাক সেন্টার দারুণ জায়গায় পেয়েও বাইরে হেড করেন মার্সেলো রিবেইরো।ম্যাচে ফেরার জন্য দ্বিতীয়ার্ধে মরিয়া হয়ে ওঠে। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে চেন্নাইন এফসির রক্ষণকে চাপে ফেলে দেন পেরোসেভিচ, মার্সেলো, মহেশ সিংরা। ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি পেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। রেফারি এড়িয়ে যান। ৬১ মিনিটে ফ্রিকিক থেকে বিশ্বমানের গোল করে ব্যবধান কমান ড্যারেন সিডোয়েল। বাকি সময় চেন্নাইনকে চাপে রাখে এসসি ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ে সমতা ফেরায় লালহলুদ। কর্নার থেকে দুরন্ত হেডে গোল করেন নামতে। জয় নার হেড জালে জড়িয়ে যায়।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ক্রিকেটে বাংলার রবির উদয়, চোখে বিশ্ব জয়ের স্বপ্ন

তিন বছর আগে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৬ দলের ক্রিকেটারদের বয়স যাচাই প্রক্রিয়া চলছিল। হাড়ের পরীক্ষায় পাশ করতে পারেননি রবি কুমার। সেদিন হতাশায় ইডেন চত্বর ছেড়ে বাড়ি ফিরতে হয়েছিল। তবে ভেঙে পড়েননি। নতুন উদ্যমে আবার প্রস্তুতি শুরু করে দেন। অবশেষে বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। সেখান থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি বাংলার এই জোরে বোলারকে। একেবারে জাতীয় দল। অনূর্ধ্ব ১৯ এশিয়া কাপ খেলে বিশ্বকাপের আসরে।ওয়েস্ট ইন্ডিজে বিশ্বকাপের সুযোগ পেলেও প্রথম দিকে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। কোয়ার্টার ফাইনালে দুরন্ত বোলিং করে সকলের নজর কেড়েছেন রবি কুমার। তাঁর বিষাক্ত সুইংয়ে নাজেহাল হয়ে পড়েছিলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। অ্যান্টিগুয়ার পরিবেশও সুবিধা করে দিয়েছিল রবি কুমারকে। তাঁর সুইংয়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন স্বয়ং কার্লোস ব্রেথওয়েট। কমেন্ট্রি বক্সে বসে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছিলেন রবি কুমারকে।রবি কুমারের বাবা রাজেন্দ্র কুমার সিং আদতে উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা। সিআরপিএফে চাকরি করতেন। চাকরীসূ্ত্রে তিনি কলকাতাতেই থাকতেন। কলকাতাতেই রবির জন্ম। পরে আলিগড়ে চলে যান। সেখানেই প্রথাগত ক্রিকেটে হাতেখড়ি রবি কুমারের। সেখান থেকেই তাঁর ছোট বেলার কোচ অরবিন্দ ভদ্বরাজ রবিকে কলকাতায় পাঠান ক্লাব ক্রিকেট খেলতে। কলকাতায় এসে কাকাকাকীমার কাছে থাকতেন। হাওড়া ইউনিয়নের হয়ে কলকাতা দ্বিতীয় ডিভিশন খেলে নজরে পড়েন। এরপর বালিগঞ্জ ইউনাইটেডে যোগ দেন। সেখানে কোচ হিসেবে পেয়েছিলেন অমিতাভ রায়কে। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি রবি কুমারকে।সিএবির চ্যালেঞ্জার ট্রফিতে ভাল খেলে সুযোগ করে নেন বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলে। বাংলা দলে তাঁকে ঘষেমেজে তৈরি করে কোচ দেবাং গান্ধী ও বোলিং কোচ জয়ন্ত ঘোষ দস্তিদার। ছোট থেকেই হাতে সহজাত সুইং ছিল রবি কুমারের। কিন্তু হাতের পেশিতে খুব বেশি জোর ছিল না। অনূর্ধ্ব ১৯ বাংলা দলে রবি কুমারের পেশির শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর দেন দেবাং গান্ধী। তবে বোলিং ভঙ্গী বদলানোর চেষ্টা করেননি।অস্ট্রেলিয়ার মিচেল স্টার্কের ভক্ত রবি কুমার। বালিগঞ্জ ইউনাইটেডেই হোক কিংবা বাংলার অনূর্ধ্ব ১৯ দলের অনুশীলনে, নেটে অনেকটা সময় একা একা বোলিং করতেন। কলকাতায় যখন অফ সিজন। চলে যেতেন আলিগড়ে। সেখানে অনুশীলন করতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজের কাছে। মরশুম শুরু হলেই আবার কলকাতায় চলে আসতেন রবি কুমার। আলিগড়ে নেটে একটা উইকেট পুঁতে স্পট বোলিং প্র্যাকটিস করাতেন অরবিন্দ ভদ্বরাজ। এইভাবেই অনুশীলন করে লাইনলেংথে নিখুঁত হয়েছেন রবি কুমার। দেশকে সেমিফাইনালে তুলে রবির লক্ষ্য ফাইনাল। বিশ্বকাপ জিতে দেশে ফিরছেন, এখন এই স্বপ্নটাই দেখছেন বাংলার রবি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘুরে দাঁড়াতে পারবে লালহলুদ?‌ কী বলছেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লালহলুদ সমর্থকরা তাকিয়ে ছিলেন ডার্বির দিকে। যদি এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো যায়। স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে লালহলুদ সমর্থকদের কাছে। ডার্বিতে হেরে সম্মান তো গেছেই, ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নও শেষ এসসি ইস্টবেঙ্গলের। সোমিফাইনালের রাস্তা আগেই বন্ধ হয়েছে। এবার ওপরের দিকে ওঠার রাস্তাও ফিকে হয়ে গেছে ডার্বিতে হেরে। প্রাক্তন ফুটবলাররাও লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না।প্রাক্তন ফুটবলার শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বির আগেই বলছিলাম, এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন। যাই হোক অঘটন ঘটেনি। তবে একটা কথা বলতেই হবে, ডার্বিতে এই আইএসএলের সেরা খেলাটা খেলেছে লালহলুদ। তিনি আরও বলেন, ডার্বিতে কিন্তু জেতার মতো ফুটবল খেলেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ভাগ্য সহায় না হওয়ায় গোল পায়নি। শেষ লগ্নে এটিকে মোহনবাগান গোল করে দিয়ে চলে যায়। তবে একটা কথা বলব, ডার্বিতে ভাল খেললেও এই ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। হয়তো দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে, কিন্তু খুব বেশি ওপরে উঠতে পারবে না। দলকে জেতানোর মতো কোয়ালিটি ফুটবলার এই দলে নেই।এসসি ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না আর এক প্রাক্তন ফুটবলার সমরেশ চৌধুরিও। তিনি বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখে ভাল লেগেছে ঠিকই, কিন্তু ওপরের দিকে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বছর আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের সেরা খেলাটা ডার্বিতেই দেখেছি। কিন্তু গোল করতে না পারায় হারতে হয়েছে। প্রথমার্ধে পেরোসেভিচের গোলটা এবং দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের গোলটা হয়ে গেলে খেলার ফল অন্যরকম হয়ে যেত। কেন লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন না? সমরেশ চৌধুরির ব্যাখ্যা, ডাটাচচ্চড়ির মশলা দিয়ে কি আর ভাল বিরিয়ানি রাঁধা যায়? এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে তো দলকে জেতানোর মতো ফুটবলারই নেই। আমার মনে হয় না এই দল খুব বেশি ওপরের দিকে যেতে পারবে। বড় জোর দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে।আর এক প্রাক্তন ফুটবলার মেহতাব হোসেন বলছিলেন, ডার্বিতে হারলেও এসসি ইস্টবেঙ্গল কিন্তু খুব একটা খারাপ ফুটবল খেলেনি। এই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হয়তো সম্মানজনক জায়গায় যেতে পারবে। কিন্তু বেশি ওপরের দিকে উঠতে পারবে না।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • ...
  • 57
  • 58
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চেয়ার নিয়ে বিধানসভায় নাটক! মমতার আসনে বসতে রাজি নন ঋতব্রত, কেন?

বিধানসভায় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের আবহে বুধবার বিরোধী দলনেতার ঘর ঘিরে তৈরি হল এক অন্যরকম পরিস্থিতি। বিদ্রোহী বিধায়কদের সঙ্গে নিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে প্রবেশ করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার সচিবালয়ের অনুমতি পাওয়ার পর তাঁকে ঘরের দায়িত্বও বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে ঘরে ঢোকার পর একটি ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।ঘরে থাকা একটি চেয়ারে বসতে গেলে তাঁকে জানানো হয়, সেটি একসময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যবহৃত চেয়ার। সেই কথা শুনেই ওই আসনে বসতে অস্বীকার করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিতদের কাছে তিনি অন্য একটি চেয়ার আনার অনুরোধ জানান। পরে তাঁর জন্য বিকল্প আসনের ব্যবস্থা করা হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা সামনে আসছে। অনেকের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কারণেই তিনি ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাবুধবারের সাংবাদিক বৈঠকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে একাধিক মন্তব্য করেন ঋতব্রত। তিনি জানান, তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান এবং বর্তমান পরিষদীয় লড়াইয়ের লক্ষ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করা নয়। বরং দলের ভবিষ্যৎ পথচলায় তিনি চাইলে পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন বলেও ইঙ্গিত দেন।ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, বিধানসভায় যে নতুন পরিষদীয় গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, তার সঙ্গে কিছু নেতার মতপার্থক্য থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁদের সম্মান অটুট রয়েছে। তিনি আরও জানান, দলের ভবিষ্যৎ দিশা নিয়ে মমতার সঙ্গে আলোচনা করার ইচ্ছাও রয়েছে তাঁদের।উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। একাধিক বিধায়কের অবস্থান বদল এবং নতুন রাজনৈতিক সমীকরণকে কেন্দ্র করে শুরু হয় জোর জল্পনা। সেই আবহেই বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতাবুধবার সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁদের রাজনৈতিক যাত্রা এখন নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের মূল শিবিরের নেতারা দাবি করেছেন, দল এবং দলের নেতৃত্বের পাশে এখনও বিপুল সংখ্যক সমর্থক রয়েছেন।সব মিলিয়ে বিরোধী দলনেতার ঘরে একটি চেয়ারকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া ঘটনাই এখন রাজনৈতিক মহলের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সই জাল বিতর্কে চাপ বাড়ছে অভিষেকের! গ্রেফতারির আশঙ্কায় হাইকোর্টে ছুটলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে বিধানসভার তথাকথিত সই জাল কাণ্ড। এই ঘটনায় এবার সরাসরি আইনি চাপে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তদন্তের মুখে পড়ে গ্রেফতারির আশঙ্কায় তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং একই সঙ্গে সিআইডি-র তদন্ত প্রক্রিয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।বুধবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের করা আবেদনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যে নোটিশ পাঠানো হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়। বিচারপতি অপূর্ব সিংহ রায়ের বেঞ্চ তাঁর আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি শুনানির অনুমতি দিয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, আগামী শুক্রবার এই মামলার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হতে পারে।সমস্ত বিতর্কের সূত্রপাত বিধানসভায় তৃণমূলের সংসদীয় দলের একটি চিঠিকে ঘিরে। ওই চিঠিতে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেপুটি লিডার এবং ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। চিঠিটি বিধানসভার স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তা যাচাই করতে গিয়ে একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে।তদন্তে উঠে আসে, তালিকাভুক্ত ৭০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ১৪ জনের ক্ষেত্রে স্বাক্ষরের জায়গায় শুধুমাত্র বড় হাতের অক্ষরে নাম লেখা রয়েছে। আরও কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি বা উপস্থিতি ছাড়াই স্বাক্ষর দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।আরও পড়ুনঃ মূল উপড়ে তৃণ ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রতঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে রাজ্য সরকার তদন্তভার সিআইডি-র হাতে তুলে দেয়। তদন্ত শুরু হওয়ার পর গত শনিবার সিআইডি-র একটি বিশেষ দল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিশ দেয়। সেই নোটিশে নির্দিষ্ট দিনে ভবানী ভবনে হাজির হওয়ার নির্দেশ ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিনে হাজিরা না দিয়ে অভিষেক তদন্তকারী সংস্থার কাছে অতিরিক্ত সময় চান। এরপরই তিনি আইনি পথে এগিয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।এই মামলার রাজনৈতিক দিকটিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাই প্রথম এই জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ তুলে বিধানসভার স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরপরই দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ওই দুই বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকারাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক বা সাংগঠনিক বিতর্ক নয়; বরং এটি রাজ্যের শাসকদলের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার লড়াই এবং নেতৃত্বের প্রশ্নকেও সামনে এনে দিয়েছে। একদিকে তদন্তের জাল ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, অন্যদিকে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত আইনি লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছেন।এখন সকলের নজর আগামী শুক্রবারের হাইকোর্ট শুনানির দিকে। আদালত সিআইডি-র তদন্তে হস্তক্ষেপ করে কি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অন্তর্বর্তী সুরক্ষা পান কি না, এবং এই বিতর্কের রাজনৈতিক অভিঘাত কতদূর গড়ায়তা নিয়েই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজ্য

'হেভিওয়েট'-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের 'কাকা'

বর্ধমানের রাজনীতিতে একসময় যাঁর নাম উচ্চারণ করতেই বিরোধী শিবিরে চাপা উত্তেজনা তৈরি হতো, সেই খোকন দাসের বর্তমান পরিস্থিতি যেন একেবারেই ভিন্ন ছবি তুলে ধরছে। তোলাবাজি, হামলা, মারধর এবং প্রাণনাশের হুমকির মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর মঙ্গলবার বর্ধমান আদালতে তাঁকে এমন এক অবস্থায় দেখা গেল, যা রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে। জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে, পুলিশের কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হল বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে।একসময় বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় খোকন দাসের রাজনৈতিক প্রভাব ছিল যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তাঁকে তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালী মুখ হিসেবে ধরা হতো। তবে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে শুরু করে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে।গত ২৯ মে বর্ধমান থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো, মোটা অঙ্কের টাকা তোলা দাবি করা, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর ঘটনাতেও খোকন দাসের প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তিনি আত্মগোপন করেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি।তদন্তে নেমে বর্ধমান থানার পুলিশ উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে তাঁর অবস্থানের খোঁজ পায়। এরপর গত ৩১ মে সেখান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ট্রানজিট রিমান্ডে সোমবার রাতে তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়, যাতে অভিযোগগুলির বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত করা যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগটি ২০২৫ সালের ৮ জুনের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় একটি বাড়িতে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন। সেই সময় খোকন দাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি সেখানে গিয়ে হামলা চালায় এবং কয়েকজন কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।অভিযোগ আরও গুরুতর হয়ে ওঠে পরবর্তী ঘটনাকে ঘিরে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা চিকিৎসার জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেলে সেখানেও তাঁদের উপর পুনরায় হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। শুধু মারধরই নয়, ১০ লক্ষ টাকা তোলা দাবি এবং টাকা না দিলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ভয় দেখাতে আগ্নেয়াস্ত্রও প্রদর্শন করা হয়েছিল।এই সমস্ত অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে। তদন্তকারীদের মতে, অভিযোগগুলির গুরুত্ব বিচার করে ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অন্যদিকে, খোকন দাসের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। জেলা বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ এবং রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে আদালতে এখনও চূড়ান্ত রায় হয়নি এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান।মঙ্গলবার আদালতে তাঁকে পেশ করা ঘিরে যাতে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তার জন্য আদালত চত্বর ও বর্ধমান থানা এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। জেলা পুলিশের পাশাপাশি মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও। আদালত চত্বরে সাধারণ মানুষের কৌতূহল ছিল চোখে পড়ার মতো।সব মিলিয়ে, যে নেতা একসময় এলাকায় নিজের রাজনৈতিক প্রভাবের জন্য পরিচিত ছিলেন, আজ তাঁকেই জনরোষের আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে আদালতে যেতে হওয়ায় বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর সকলের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভা, সিআইডির পর এবার অভিষেকের বাড়িতে ইডি! নতুন করে চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। বাড়ির নির্মাণ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে শুরু করে বিভিন্ন তদন্তসব মিলিয়ে রাজনৈতিক মহলে তাঁকে নিয়ে জোর চর্চা চলছে। এর মধ্যেই বুধবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।সূত্রের খবর, বিকেল নাগাদ দুই ইডি আধিকারিক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। তাঁদের হাতে একটি সমন সংক্রান্ত নথি ছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, চলমান তদন্তের অংশ হিসেবেই এই নোটিস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্য একটি ঠিকানায় যান। পরে জানতে পারেন তিনি সেখানে থাকেন না। এরপর তাঁরা কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছন। সেখানে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় নথি পৌঁছে দেন বলে সূত্রের দাবি।তবে এই প্রথম নয়। এর আগেও একাধিকবার বিভিন্ন তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অতীতে তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক অনিয়ম এবং দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁদের নাম উঠে এসেছিল বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি।নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তেও অতীতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। সেই সময় তাঁর সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলি বিভিন্ন নথি ও তথ্য সংগ্রহ করে জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁরা আইন মেনেই সমস্ত তদন্তে সহযোগিতা করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।বুধবারের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী ধাপে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এবং সমনের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
রাজনীতি

'মূল' উপড়ে 'তৃণ' ভূপতিত! পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ বিদ্রোহীদের হাতে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন ঋতব্রত

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে বুধবারের দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠল। দীর্ঘ টানাপোড়েন, অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ এবং বিধানসভার সই-কাণ্ডকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর অবশেষে তৃণমূল কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী শিবিরের হাতে চলে গেল। বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁর জন্য নির্ধারিত কক্ষও খুলে দেওয়া হয়। স্পিকার রথীন্দ্র বসু আনুষ্ঠানিকভাবে সেই ঘরের চাবি তুলে দেন ঋতব্রতের হাতে।বিধানসভা চত্বরে দাঁড়িয়ে ঋতব্রত দাবি করেন, তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচিত ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে অন্তত ৬০ জন তাঁর নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। বর্তমানে ৫৮ জন বিধায়কের লিখিত সমর্থন তাঁদের হাতে রয়েছে বলেও তিনি জানান। আরও দুই বিধায়ক রাজ্যের বাইরে থাকলেও তাঁদের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই হিসেবে তৃণমূল পরিষদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যই এখন বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে রয়েছেন বলে তাঁর বক্তব্য।নতুন বিরোধী দলনেতা ঘোষণা করেন যে, বিধানসভায় মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আখরুজ্জামানকে। পাশাপাশি ডেপুটি লিডার হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জাভেদ আহমেদ খান, সাবিনা ইয়াসমিন, শিউলি সাহা এবং সন্দীপন সাহা। এই সংক্রান্ত সমস্ত নথি ও সমর্থনের চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।তবে রাজনৈতিক সংঘাতের মধ্যেও ঋতব্রত এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন। তিনি বলেন, তাঁদের লড়াই কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, বরং গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে। সেই কারণেই তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরিষদীয় দলের পরামর্শদাতা হওয়ার আহ্বান জানাবেন। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক দূরত্ব এখন অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।ঋতব্রতের বক্তব্যে উঠে আসে বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখাও। তিনি বলেন, সরকারের ভুলের সমালোচনা যেমন করা হবে, তেমনই জনস্বার্থে গৃহীত ইতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করা হবে। তাঁর কথায়, মানুষ আমাদের বিরোধী আসনে বসিয়েছে। সেই দায়িত্ব পালন করাই আমাদের কাজ। আমরা দায়িত্বশীল ও গঠনমূলক বিরোধী শক্তি হিসেবে কাজ করব।এই নাটকীয় পরিস্থিতির সূত্রপাত হয়েছিল বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের তরফে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার জন্য যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তা নিয়েই বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ ওঠে, সেই প্রস্তাবে একাধিক বিধায়কের স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। বিদ্রোহী শিবিরের অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি সামনে আসে এবং পরবর্তীতে হেয়ার স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের হয়। বর্তমানে ঘটনার তদন্ত করছে সিআইডি। তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যেই একাধিক বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেছে।ঘটনার রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়ে যায় কারণ, এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারের কাছে নতুন করে আবেদন জানিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত স্পিকার ঋতব্রত শিবিরের দাবি মেনে নেওয়ায় তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নতুন মাত্রা পেল।অন্যদিকে, যখন বিধানসভায় ঋতব্রত নতুন নেতৃত্বের ঘোষণা করছেন, ঠিক সেই সময় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ফলে রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের অন্দরে ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছে, তা আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও বড় প্রভাব ফেলতে পারে।পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, পরিষদীয় দলের নেতৃত্ব হারানো শুধু সাংগঠনিক ধাক্কাই নয়, বরং তৃণমূলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থানের ক্ষেত্রেও বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করল। এখন নজর থাকবে কালীঘাট শিবিরের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং বিদ্রোহী শিবিরের শক্তি কতটা স্থায়ীভাবে ধরে রাখা যায়, তার উপর।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের বাড়ি নিয়ে বড় নির্দেশ হাইকোর্টের! সাত দিনের মধ্যে দিতে হবে সব তথ্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি নিয়ে চলা বিতর্কে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সম্পত্তির কোন কোন অংশ নিয়ে আপত্তি রয়েছে এবং কোথায় নির্মাণ সংক্রান্ত সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে, সেই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুরনিগমকে।বুধবার বিচারপতি স্মিতা দাস দে নির্দেশ দেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে পুরনিগমকে এই সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য আদালতে জানাতে হবে। সম্পত্তির কোন অংশে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ রয়েছে, কতটা এলাকা সেই অভিযোগের আওতায় পড়ছে এবং কী ধরনের আপত্তি রয়েছে, তার পূর্ণ বিবরণ জমা দিতে হবে।আদালত আরও জানিয়েছে, পুরনিগমের রিপোর্ট জমা পড়ার পর সম্পত্তির মালিকপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে নিজেদের বক্তব্য জানাতে হবে। এরপর চার সপ্তাহ পর মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।জানা গিয়েছে, এই মামলায় শুধুমাত্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবন নয়, তাঁর মায়ের নামে থাকা কালীঘাটের একটি সম্পত্তিও আলোচনায় এসেছে। পুরনিগমের দাবি, ওই সম্পত্তির কিছু অংশে নির্মাণ সংক্রান্ত অনিয়ম থাকতে পারে। সেই কারণেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতে দাবি করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত। তাঁদের বক্তব্য, কোনও বেআইনি নির্মাণ হয়নি। তা সত্ত্বেও পুরনিগম নোটিস পাঠিয়েছে। সেই কারণেই নোটিস বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে আদালতে।আদালত স্পষ্ট করেছে, মামলার শুনানি চলাকালীন বেআইনি নির্মাণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবে পুরনিগম। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সমস্ত তথ্য ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য খতিয়ে দেখা হবে।এই নির্দেশের পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি সংক্রান্ত মামলাটি নতুন গুরুত্ব পেয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরনিগমের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে এবং আদালত পরবর্তী শুনানিতে কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! মেয়র পদ ছাড়লেন ফিরহাদ, কালীঘাটে কী হল ভিতরে ভিতরে?

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন দ্রুত বদলাচ্ছে, ঠিক সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম। বুধবার তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। পরে সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ করা হয়।দিনভর রাজনৈতিক ব্যস্ততার মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত সামনে আসে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার আগে তিনি নবান্নে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উপস্থিত ছিলেন। এরপর কালীঘাটে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছার কথা জানান।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কিছুদিন ধরেই মেয়র হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালনে নানা সমস্যার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত এবং পুরসভার বিভিন্ন কাজকর্ম পরিচালনা নিয়ে তাঁর অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল বলেও আলোচনা চলছিল রাজনৈতিক মহলে। সেই কারণেই তিনি একাধিকবার পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন বলে জানা যায়।মঙ্গলবারই কলকাতা পুরসভার এক গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীর ইস্তফার পর রাজনৈতিক জল্পনা আরও বেড়ে যায়। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমের একটি মন্তব্যও বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। তিনি বলেছিলেন, তাঁরা একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করেন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও একসঙ্গেই নেন। এরপর থেকেই তাঁর ইস্তফা নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়ে ওঠে।বুধবার শেষ পর্যন্ত কালীঘাটে গিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ইচ্ছা জানান তিনি। প্রথমে তাঁকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করা হলেও নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন ফিরহাদ। পরে তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করা হয় বলে দলীয় সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ হেভিওয়েট-র ওয়েট লস, ভাইপো-র মত হেলমেট পরে আদালতে বর্ধমানের কাকাতৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, মেয়র হিসেবে কাজ করতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার মুখে পড়ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। সেই কারণেই তিনি সম্মানের সঙ্গে পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দলীয় নেতৃত্বও তাঁর সিদ্ধান্তকে মর্যাদা দিয়েছে।ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের ফলে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব আপাতত পুর কমিশনারের হাতে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।এদিকে চলতি বছরের শেষের দিকে পুরভোট হওয়ার কথা রয়েছে। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে নির্বাচন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

জুন ০৩, ২০২৬
কলকাতা

‘মমতা আমাদের পরামর্শদাতা হোন’! বিধানসভা কাঁপানো মন্তব্য ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

দাবি করা একদল বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে বিধানসভায় উপস্থিত হন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে বিরোধী শিবিরের প্রতিনিধি হিসেবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন।সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁদের প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে দেখতে চান। তাঁর কথায়, মমতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং পরামর্শ তাঁদের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। তিনি জানান, গঠনমূলক বিরোধী রাজনীতি করতে গেলে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের পরামর্শ প্রয়োজন এবং সেই জায়গায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, বর্তমান বিধানসভার কার্যক্রমের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রত্যক্ষ সম্পর্ক নেই বলে তাঁদের মত। ঋতব্রতের দাবি, তৃণমূলের প্রতীকে নির্বাচিত বহু বিধায়কের সমর্থন তাঁদের সঙ্গে রয়েছে এবং সেই কারণেই তাঁরা নিজেদের প্রকৃত পরিষদীয় প্রতিনিধিত্বকারী গোষ্ঠী বলে মনে করছেন।সাংবাদিক বৈঠকে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক কৌশল নিয়েও কথা বলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, তাঁরা বিধানসভার ভিতরে গঠনমূলক বিরোধিতার পথেই হাঁটবেন। কোনও বিল বা প্রস্তাবের সঙ্গে মতভেদ থাকলে তাঁরা তার বিরুদ্ধে ভোট দেবেন, তবে শুধুমাত্র প্রতিবাদের জন্য সভা ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পথে হাঁটবেন না।ঋতব্রতের বক্তব্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে থেকেই বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করতে চান তাঁরা। মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় বিষয়ে সরকারের সমালোচনা যেমন করবেন, তেমনই ভালো উদ্যোগকে সমর্থনও জানাবেন।এই মন্তব্যের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শদাতা হিসেবে চাওয়ার বার্তা এবং বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। আগামী দিনে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal