• ৪ চৈত্র ১৪৩২, বৃহস্পতি ১৯ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UP

রাজ্য

ফেব্রুয়ারিতেও শীতের দাপট! কলকাতা থেকে দার্জিলিং, পারদ নামছে হু হু করে

যাচ্ছি যাচ্ছি করেও যেন বিদায় নিচ্ছে না শীত। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের শেষেই আবার হিমেল হাওয়া ফিরছে বাংলায়। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব ধীরে ধীরে কমলেও তার ফাঁকেই শীতের অনুভূতি আবার কিছুটা বাড়ছে। কলকাতা সহ গোটা পশ্চিমবঙ্গে আপাতত তাপমাত্রা স্বাভাবিকের মধ্যেই রয়েছে। তবে সপ্তাহের শেষে পারদ আরও নামবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উইকেন্ডে কলকাতার তাপমাত্রা আবার ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে নামতে পারে। রাত ও ভোরের দিকে শীতের আমেজ আরও স্পষ্ট হবে। যদিও আকাশ পরিষ্কার থাকবে এবং বড় কোনও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।ঘন কুয়াশার সতর্কতা আপাতত জারি করা হয়নি। তবে জেলাগুলিতে সকালের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকতে পারে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আগামী কয়েক দিন কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূম জেলায় কুয়াশার দাপট তুলনামূলক বেশি হতে পারে। কলকাতা সহ অন্য জেলাগুলিতেও ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে।আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমানে উত্তর-পূর্ব ইরান ও আফগানিস্তান সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা রয়েছে। পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব অসম এবং দক্ষিণ-পূর্ব আরবসাগর সংলগ্ন এলাকায় ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এর প্রভাবেই রাজ্যের আবহাওয়ায় এই বদল। রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি আরও একটি নতুন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। তার প্রভাবে শীতের অনুভূতি আবার কিছুটা কমতে পারে।কলকাতায় ইতিমধ্যেই হালকা শীতের আমেজ ফিরেছে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.১ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা রয়েছে ৪২ থেকে ৮৯ শতাংশের মধ্যে। আগামী সাত দিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে।দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় উইকেন্ডের মধ্যে তাপমাত্রা দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে। উপকূলবর্তী এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে পারদ ১০ থেকে ১২ ডিগ্রির কাছাকাছি নামতে পারে।উত্তরবঙ্গে আপাতত ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা নেই। তবে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা থাকবে প্রায় সব জেলাতেই। আগামী চার-পাঁচ দিন উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রায় বড় কোনও পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় রবিবার পর্যন্ত তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। কালিম্পং সহ সমতলের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ থেকে ১২ ডিগ্রি এবং মালদহের মতো জেলাগুলিতে ১৩ থেকে ১৫ ডিগ্রির মধ্যে থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশ, রাজ্যকে দিতে হবে বকেয়া টাকা

ডিএ মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার স্পষ্ট নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। শুধু ডিএ নয়, এরিয়ারও টাকা দিতে হবে রাজ্যকে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্য সরকারকে এখনই ২৫ শতাংশ ডিএ দিতে হবে, এরিয়ার সহ। বাকি ৭৫ শতাংশ বকেয়া ডিএ আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে মেটাতে হবে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই রায়কে ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা।ডিএ-র দাবিতে টানা ১১০৬ দিন ধরে আন্দোলন চালাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। এদিন আদালতের রায় ঘোষণার পর কর্মচারীদের মুখে চওড়া হাসি দেখা যায়। সুপ্রিম কোর্ট এই মামলার তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠনের নির্দেশও দিয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ইন্দু মালহোত্রার নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়েছে। আগামী ১৫ মে-র মধ্যে ওই কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে হবে।আদালত জানিয়ে দিয়েছে, রোপা এবং এআইসিপিআই অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। তবে মহার্ঘ্য ভাতা মৌলিক অধিকার কি না, সেই বিষয়টি এই মুহূর্তে বিচার করেনি সুপ্রিম কোর্ট। কমিটি রাজ্য সরকারের আর্থিক পরিস্থিতিও খতিয়ে দেখবে। বছরে দুবার ডিএ দেওয়া সম্ভব কি না, সেই বিষয়েও মতামত দেবে তারা। পাশাপাশি রাজ্য সরকার ধাপে ধাপে বকেয়া মেটাচ্ছে কি না, সেটিও রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে।রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বলেন, এই রায় কর্মচারীদের বড় জয়। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ডিএ দিতেই হবে এবং সময়ের মধ্যেই বকেয়া মেটাতে হবে। একটি নজরদারি কমিটি গঠন করে দেওয়াও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।এদিকে ধর্মতলায় আন্দোলনরত এক কর্মচারী বলেন, বহু সংগঠন তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের পর এই রায় এসেছে। তাঁদের দাবি ছিল কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়া হোক। সেই দাবি নিয়ে মামলার গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত।উল্লেখ্য, এর আগেও ২০২৫ সালের মে মাসে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে পঞ্চম বেতন কমিশনের বকেয়া ডিএ-র ২৫ শতাংশ মেটানোর নির্দেশ দিয়েছিল। তখন ছসপ্তাহ সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের হিসাব অনুযায়ী, এই খাতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা তখনই দেওয়ার কথা ছিল। তবে রাজ্য সরকার সেই টাকা দিতে না পেরে আরও ছমাস সময় চেয়েছিল।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টানা ছ’বার ফাইনালে ভারত, রেকর্ড রান তাড়ায় আফগানিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বজয়ের দোরগোড়ায় ছোটরা

ভারতীয় ছোটদের ক্রিকেটে ধারাবাহিক সাফল্যের আরও এক উজ্জ্বল অধ্যায় যোগ হল বুধবার। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টানা ষষ্ঠ বার ফাইনালে উঠল ভারত। বিশ্বের আর কোনও দল ছোটদের বিশ্বকাপে এমন নজির গড়তে পারেনি। শুক্রবার ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।হারারের মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৪ উইকেটে ৩১০ রান তোলে তারা। ফয়জল শিনোজ়াদার ঝকঝকে ১১০ এবং উজ়াইরুল্লা নিয়াজ়াইয়ের অপরাজিত ১০১ রানের সুবাদে বড় স্কোর দাঁড় করায় আফগান শিবির। তবে সেই রান পাহাড়ও শেষ পর্যন্ত টপকানো গেল ভারতীয় ব্যাটারদের দাপটে।৩১১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন ভারতের দুই ওপেনার। বিশেষ করে নজর কাড়েন মাত্র ১৪ বছর বয়সি বৈভব সূর্যবংশী। ৩৩ বলে ৬৮ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ৯টি চার ও ৪টি ছক্কা মারেন তিনি। তাঁর ব্যাটেই ভারতের ইনিংস গতি পায়। বৈভব আউট হওয়ার পর দায়িত্ব সামলান অ্যারন জর্জ এবং অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে।দ্বিতীয় উইকেটে জর্জ-মাত্রের ১১৪ রানের জুটি কার্যত ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেয়। আগের ম্যাচে ব্যর্থ হলেও সেমিফাইনালে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেন দুজনেই। অধিনায়ক মাত্রে করেন ৫৯ বলে ৬২ রান। অন্যদিকে অ্যারন জর্জ খেলেন ম্যাচজয়ী শতরান১০৪ বলে ১১৫ রান, যার মধ্যে ছিল ১৫টি চার ও ২টি ছক্কা।ভারতীয় ব্যাটাররা আফগান স্পিন আক্রমণকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করে দেন। পাওয়ার প্লেতেই দ্রুত রান তুলে চাপ তৈরি করে দেয় ভারত। ৪১.১ ওভারে ৩ উইকেটে ৩১১ রান তুলে নেয় তারা। জর্জ আউট হওয়ার সময় জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল মাত্র ১১ রান। শেষ দিকে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন বিহান মলহোত্র (অপরাজিত ৩৯) ও বেদান্ত ত্রিবেদী।আফগানিস্তানের হয়ে ওমরজ়াই ২টি উইকেট নিলেও রানের গতি আটকাতে পারেননি। ভারতের এই জয় অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সফল রান তাড়া হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।উল্লেখযোগ্য বিষয়, বিসিসিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী কোনও ক্রিকেটার দুবার অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলতে পারে না। তবু প্রতিবার নতুন দল নিয়েই ধারাবাহিক ভাবে ফাইনালে পৌঁছে যাচ্ছে ভারত। ইতিমধ্যেই পাঁচ বার ছোটদের বিশ্বকাপ জিতেছে তারা। শুক্রবার ষষ্ঠ বারের জন্য ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামবে আয়ুষ মাত্রের দল।এক দিকে যখন ছোটরা বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তার আগের দিনই বড়রা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রক্ষার লড়াইয়ে নামবেন। ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য এ যেন স্বর্ণালী সময়ের আর এক প্রতিচ্ছবি।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্টে ইতিহাস! বিচারপতির সামনে নিজেই সওয়াল মুখ্যমন্ত্রীর

সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে বেলা ১টার কিছু পর শুরু হয় এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি। নজিরবিহীন ভাবে শুরু থেকেই শুনানিতে হাজির ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে তাঁর মামলার পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবীরাই। সেই সময় সামনের সারিতে বসেননি মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু শুনানি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি আসন বদলে একেবারে সামনের সারিতে এসে বসেন।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল। মামলাকারী কবি জয় গোস্বামীর পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান। আগের দিনের আদালতের নির্দেশ কী ছিল, তা পড়ে শোনানো হয়। শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রীর তরফে একটি নোট জমা দেওয়া হয়। বিচারপতিদের অনুরোধ করা হয়, সেই নোটটি দেখার জন্য। পাশাপাশি আবেদন জানানো হয়, লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির কারণে কেন এবং কোন ভিত্তিতে ভোটারদের ডাকা হচ্ছে, সেই তথ্য অনলাইনে প্রকাশ করা হোক।রাজ্যের তরফে আদালতকে জানানো হয়, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের জন্য এখনও ১১ দিন বাকি। ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শুনানি চলবে। কিন্তু এখনও প্রায় ৩২ লক্ষ মানুষের শুনানি বাকি রয়েছে। চার দিনের মধ্যে এই শুনানি শেষ করতে হলে প্রতিদিন প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষের শুনানি করতে হবে। রাজ্যের দাবি, সাধারণ মানুষ চার থেকে পাঁচ ঘণ্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন, যার ফলে চরম ভোগান্তি হচ্ছে।এই অবস্থার মধ্যেই সওয়াল করার চেষ্টা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কপিল সিব্বলের সওয়ালের মাঝেই তিনি নিজে বক্তব্য রাখতে চান। বিচারপতিরা তাঁকে কথা বলার সুযোগ দেন। সেই সুযোগ পেয়ে বিচারপতিদের ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। আবেগঘন কণ্ঠে তিনি বলেন, তাঁরা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। এই দৃশ্য দেখে গোটা দেশ কার্যত এক অভূতপূর্ব মুহূর্তের সাক্ষী থাকে।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে প্রশ্ন, আদালতে মমতার পক্ষে জোরালো সওয়াল

সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে বুধবার শুরু হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানি। নজিরবিহীন ভাবে এই শুনানিতে নিজে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও আপাতত মমতার মামলায় সওয়াল করছেন তাঁর আইনজীবীরাই।শুনানি শুরুর সময় প্রথমে সামনের সারিতে বসেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে কিছুক্ষণ পরেই তিনি নিজের আসন বদলে এজলাসের একেবারে সামনের সারিতে এসে বসেন। শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত রয়েছেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল। আদালতে মমতার পক্ষে সওয়াল করছেন আইনজীবী শ্যাম দেওয়ান।আইনজীবীরা আদালতে গত দিনের নির্দেশ পাঠ করে শোনান। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর তরফে একটি নোট জমা দেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়। সেই নোটটি বিচারপতিদের দেখার জন্য আবেদন জানান আইনজীবীরা। তাঁদের আর্জি, এই নোট অনলাইনে প্রকাশ করা হোক।আইনজীবীদের বক্তব্য, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে কেন এবং কোন যুক্তিতে ভোটারদের শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে, তা স্পষ্ট ভাবে প্রকাশ করা প্রয়োজন। এই তথ্য সামনে এলে সাধারণ মানুষের বিভ্রান্তি কমবে বলেই আদালতে জানানো হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

শুনানির আগেই সুপ্রিম কোর্টে নতুন মামলা মমতার! ভোটার তালিকা নিয়ে বড় দাবি

এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি বুধবার সুপ্রিম কোর্টে হওয়ার কথা। সেই শুনানিতে জনতার হয়ে নিজে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে শুনানির আগেই শীর্ষ আদালতে আরও একটি নতুন মামলা দায়ের করলেন তিনি। এই নতুন মামলায় মুখ্যমন্ত্রীর মূল আবেদন, অবিলম্বে ভোটারদের নাম বাতিল করার প্রক্রিয়া বন্ধ করা হোক।আবেদনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শুধুমাত্র নামের বানান সংক্রান্ত অসঙ্গতির জন্য বহু ভোটারকে অকারণে শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। এই ধরনের নোটিস অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হোক। তাঁর দাবি, এখনও প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের শুনানি বাকি রয়েছে এবং আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। এই অবস্থায় নামের বানান নিয়ে জটিলতা তৈরি হলে সাধারণ মানুষ অযথা হয়রানির শিকার হবেন বলেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানিয়েছেন, যেসব ভোটারের বিরুদ্ধে ফর্ম-৭ জমা পড়েছে, তাঁদের নাম অনলাইনে প্রকাশ করা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন যেন আধার কার্ডকে তথ্যপ্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে, সেই আবেদনও জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, যাঁরা ফর্ম-৭ জমা দিচ্ছেন, তাঁদের শুনানিতে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হোক।এছাড়া পশ্চিমবঙ্গ থেকে সমস্ত মাইক্রো অবজার্ভারকে প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেওয়ার আবেদনও জানানো হয়েছে মামলায়। মমতার বক্তব্য, রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামো থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত নজরদারির মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তোলা হচ্ছে।বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চে এই সব মামলার শুনানি হওয়ার কথা। তৃণমূল কংগ্রেসের দায়ের করা মামলার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের করা মামলাও একই দিনে শোনা হবে। কবি জয় গোস্বামীর করা মামলাও সেই তালিকায় রয়েছে।আগেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তিনি নিজে সুপ্রিম কোর্টে উপস্থিত থাকবেন এবং প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলবেন। সেই অনুযায়ী বুধবার সকাল ঠিক ১০টার কিছু পরে তিনি শীর্ষ আদালতে পৌঁছন। শুনানির আগেই তাঁর নতুন মামলার দায়ের হওয়া ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

কালো গাউনে সুপ্রিম কোর্টে মমতা? এসআইআর শুনানিতে নজির গড়ার সম্ভাবনা

এসআইআর ইস্যুতে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি এখন পৌঁছে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এই মামলায় প্রয়োজনে নিজে আদালতে দাঁড়িয়ে সওয়াল করবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে তিনি উপস্থিত থাকবেন, এমন ইঙ্গিত আগেই মিলেছিল। সূত্রের খবর, এদিন তাঁকে আইনজীবীর কালো গাউন পরেই দেখা যেতে পারে।এই সম্ভাবনার মাঝেই তৃণমূল কংগ্রেসের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি ঘিরে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নীল পাড় সাদা শাড়ি পরে এক মহিলা সুপ্রিম কোর্টের সিঁড়ি দিয়ে উঠছেন, গায়ে আইনজীবীর কালো গাউন। ছবির মাধ্যমে যে মুখ্যমন্ত্রীকেই বোঝানো হয়েছে, তা নিয়ে তৃণমূল শিবিরে কোনও সংশয় নেই। ছবির উপরে লেখা রয়েছে, শয়তানের উকিল বনাম জনতার উকিল।এসআইআর নিয়ে বাংলার মানুষকে অন্যায়ভাবে হেনস্তা করা হলে কাউকে ছাড়া হবে না বলে আগেই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে তাঁর সংঘাত ক্রমেই তীব্র হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সেই সংঘাত আরও প্রকাশ্যে এসেছে।বুধবার সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে এসআইআর সংক্রান্ত একাধিক মামলার শুনানি রয়েছে। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং দোলা সেনের দায়ের করা মামলাটি প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এক নম্বর কোর্টে শুনানির তালিকায় রয়েছে ২১ নম্বরে। একই বিষয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজে যে পিটিশন দায়ের করেছেন, তা রয়েছে ৩৭ নম্বরে। কবি জয় গোস্বামীর মামলাটি রয়েছে ৩৬ নম্বরে।আইন সংবাদ পরিবেশনকারী অনলাইন পোর্টাল বার অ্যান্ড বেঞ্চ জানিয়েছে, বুধবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে সুপ্রিম কোর্ট থেকে একটি গেট পাস ইস্যু করা হয়েছে। তিনি জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান এবং সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ছাড়পত্রও ইতিমধ্যেই মিলেছে। ফলে এদিন তাঁর উপস্থিতি কার্যত নিশ্চিত।তবে তিনি আদৌ নিজে সওয়াল করবেন কি না, তা নিয়ে আইনি মহলে কিছুটা সংশয় রয়েছে। কারণ, সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করতে হলে বার কাউন্সিলের সদস্য হওয়া এবং হাই কোর্টে অন্তত তিন বছরের প্র্যাকটিসের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগেশচন্দ্র ল কলেজ থেকে আইন পাশ করেছেন এবং আশির দশকে কিছুদিন আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসও করেছিলেন। কংগ্রেস নেতা পঙ্কজ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে তিনি নিম্ন আদালতে সওয়াল করেছিলেন বলেও জানা যায়।দীর্ঘদিন কোর্ট চত্বর থেকে দূরে থাকার পর আজ সত্যিই তাঁকে আইনজীবীর ভূমিকায় দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে এসআইআর মামলার শুনানিকে ঘিরে গোটা দেশের নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ইতিহাস গড়তে চলেছেন মমতা? এসআইআর মামলায় সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সওয়াল করার জল্পনা

এসআইআর মামলায় প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে নিজেই সওয়াল করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কয়েক দিন আগেই তিনি সে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। সেই সম্ভাবনাই কি বাস্তব হতে চলেছে বুধবার? মঙ্গলবার এই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। কারণ, বুধবার সুপ্রিম কোর্টে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতির জন্য সর্বোচ্চ আদালতের রেজিস্ট্রারের কাছে সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স চাওয়া হয়েছে।সুপ্রিম কোর্ট সূত্রে খবর, মামলার আবেদনকারী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেন। তবে তাঁর সঙ্গে কতজন নিরাপত্তারক্ষী থাকবেন, সেই বিষয়েও আলাদা করে অনুমতির আবেদন জানানো হয়েছে। এই সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স চাওয়াতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, তাহলে কি সত্যিই শীর্ষ আদালতে নিজে সওয়াল করবেন মুখ্যমন্ত্রী।নিয়ম অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টে কোনও নথিভুক্ত আইনজীবী অথবা মামলার আবেদনকারী নিজে সওয়াল করতে পারেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টের নথিভুক্ত আইনজীবী নন। তবে এসআইআর ইস্যুতে জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্যের সিইও দফতরের বিরুদ্ধে তিনি নিজেই শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। সেই কারণে আবেদনকারী হিসেবে তাঁর সওয়াল করার আইনি সুযোগ রয়েছে।ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বুধবার রাজ্যের এসআইআর মামলায় চাইলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে নিজেই বক্তব্য রাখতে পারেন। যদিও এই বিষয়ে এখনও তৃণমূল কংগ্রেস বা রাজ্য প্রশাসনের তরফে কোনও স্পষ্ট ঘোষণা করা হয়নি। তবু নিরাপত্তা সংক্রান্ত অনুমতির আবেদন জমা পড়ায় জল্পনা আরও বেড়েছে।এই মুহূর্তে দিল্লিতেই রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার তিনি নির্বাচন সদনে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রায় ঘণ্টাখানেকের বেশি সময় বৈঠক চলার পর বাইরে এসে মমতা অভিযোগ করেন, তাঁদের অপমান ও অসম্মান করা হয়েছে। সেই কারণেই বৈঠক বয়কট করে বেরিয়ে এসেছেন বলে জানান তিনি।এই আবহে বুধবার শীর্ষ আদালতে এসআইআর মামলায় আবেদনকারী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি কার্যত নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন দেখার, তিনি সত্যিই সুপ্রিম কোর্টে দাঁড়িয়ে নিজে সওয়াল করেন কি না।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
দেশ

১০ কোটির হাওয়ালা যোগ, কিন্তু নথি আনেননি মমতা—হলফনামায় কী বলা হল?

সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা জমা দিয়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের অভিযোগ খারিজ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হলফনামায় তিনি জানিয়েছেন, আইপ্যাকের অফিস থেকে তদন্ত সংক্রান্ত কোনও নথি তিনি নিয়ে যাননি। তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টির কাজের সঙ্গে যুক্ত কিছু নথি তিনি সঙ্গে করে এনেছিলেন। ইডির তদন্তে কোনও রকম বাধা দেওয়া হয়নি বলেও হলফনামায় স্পষ্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।কয়লা পাচার মামলার সূত্র ধরে ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছিল ইডি। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছন এবং একটি সবুজ রঙের ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসেন। এরপরই তদন্তে বাধা দেওয়া এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় ইডি।হলফনামায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কয়লা কাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন তিনি খুব অল্প সময়ের জন্যই তল্লাশি চলা জায়গায় ছিলেন। ইডির কোনও নথি তিনি সঙ্গে করে নিয়ে আসেননি। উল্টে তাঁর অভিযোগ, তদন্তের নামে তৃণমূল কংগ্রেসের গোপন রাজনৈতিক তথ্য হাতিয়ে নেওয়াই ছিল ইডির উদ্দেশ্য। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এই অভিযান আইনি ভাবে বৈধ ছিল না এবং যথাযথ সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি চালানো হয়েছে।হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভোটের আগে বিরোধী রাজ্যগুলিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার হানা এখন একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্নে পরিণত হয়েছে। এর আগেও মামলার শুনানিতে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী কপিল সিব্বল ও অভিষেক মনু সিংভি এই অভিযোগ আদালতে তুলে ধরেছিলেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, ইডির বাজেয়াপ্ত করা কোনও নথিই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঙ্গে করে নিয়ে যাননি। শুধুমাত্র দলের অভ্যন্তরীণ কাজের সঙ্গে যুক্ত সংবেদনশীল নথি এবং কিছু ইলেকট্রনিক সামগ্রী তিনি এনেছিলেন। পঞ্চনামাতেও ইডির বাজেয়াপ্ত নথি নিয়ে যাওয়ার কোনও উল্লেখ নেই বলেই দাবি করা হয়েছে।এদিকে ইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কয়লা কেলেঙ্কারিতে দেশের মোট ১০টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি পশ্চিমবঙ্গে এবং চারটি দিল্লিতে। ইডির দাবি অনুযায়ী, অনুপ মাজির কয়লা পাচার চক্রের মাধ্যমে চুরি হওয়া কয়লা বাঁকুড়া, বর্ধমান ও পুরুলিয়ার একাধিক সংস্থায় বিক্রি করা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই চুরি হওয়া কয়লার বড় অংশ বিক্রি হয়েছে শাকম্ভরী গ্রুপ অফ কোম্পানিজে।ইডির দাবি, এই মামলায় হাওয়ালা লেনদেনেরও যোগ মিলেছে। সেই সূত্র ধরেই উঠে আসে আইপ্যাকের নাম। ইডির বক্তব্য, আইপ্যাকের মধ্যস্থতায় হাওয়ালার মাধ্যমে প্রায় ১০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। অভিযুক্তদের বয়ানে প্রতীক জৈনের নাম উঠে আসায় তাঁর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালানো হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
ব্যবসা

বাজেটের পরই বাজিমাত! ইন্দো-মার্কিন চুক্তিতে সেনসেক্স ৮৫ হাজার, ডলার ভাঙল

সোমবার বাজেটের পরের দিন থেকেই চাঙ্গা হয়ে উঠল শেয়ার বাজার। একই সঙ্গে ডলারের তুলনায় শক্তিশালী হল ভারতীয় টাকা। সোমবার ডলারের দাম ৪৪ পয়সা কমে দাঁড়ায় ৯১.৪৯ টাকায়। তার পর গভীর রাতে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা হতেই টাকার দাম আরও বাড়ে। মঙ্গলবার ডলার আরও ১.০৯ টাকা পড়ে দাঁড়ায় ৯০.৪০ টাকায়, অর্থাৎ এক দিনে প্রায় ১.২ শতাংশ শক্তিশালী হয়েছে টাকা।শেয়ার বাজারেও দেখা গিয়েছে বড়সড় উত্থান। সোমবার সেনসেক্স ৮১,৬৬৬.৪৬ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ৩,৬০০ পয়েন্ট বেড়ে ৮৫,০০০ পয়েন্টের গণ্ডি পেরিয়েছে। একইভাবে নিফটিও বাজেটের পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সোমবার ২৫,০৮৮.৪০ পয়েন্টে বন্ধ হওয়ার পর মঙ্গলবার তা প্রায় ১,২০০ পয়েন্ট বেড়েছে।এই উত্থানের মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে দীর্ঘ টালবাহানার পর ভারত ও আমেরিকার মধ্যে চূড়ান্ত হওয়া বাণিজ্য চুক্তিকে। এই চুক্তির ফলে ভারতের উপর আমেরিকার শুল্ক কমে ১৮ শতাংশে নেমেছে। এই সিদ্ধান্তের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।তবে এই চুক্তির পেছনে কিছু শর্তও রয়েছে বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ভারত নাকি রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে। তার বদলে আমেরিকার কাছ থেকে বেশি করে তেল কিনবে ভারত। পাশাপাশি ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল কেনার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন তিনি। শুধু তাই নয়, আমেরিকা থেকে বিপুল অঙ্কের পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে ভারত। ট্রাম্পের দাবি, প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্য কিনবে দিল্লি।সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ট্রাম্প। সেই কথোপকথনের পর ট্রুথ সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে এই সব দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর বক্তব্য, এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকার বাণিজ্যিক স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করা হয়েছে।এই সব শর্ত সামনে আসতেই কংগ্রেস-সহ বিভিন্ন বিরোধী দল চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই চুক্তির প্রভাব শুধু কূটনীতি নয়, আগামী দিনে দেশের অর্থনীতি ও বাজারের গতিপথেও বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

এক ম্যাচেই ৪৫০০ কোটি! ভারত-পাক না খেললে কাঁপবে ক্রিকেটের অর্থনীতি

টি-২০ বিশ্বকাপে যদি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ম্যাচ না হয়, তাহলে গোটা ক্রিকেটবিশ্বকে বড়সড় আর্থিক ধাক্কা খেতে হতে পারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এই একটি ম্যাচ না হলে প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই বিপুল লাভ। সম্প্রচারকারী সংস্থা থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনদাতা, স্পনসর, টিকিট বিক্রিসব ক্ষেত্রেই এই ম্যাচ সবচেয়ে বেশি আয় এনে দেয়।এই কারণেই প্রতি মেগা টুর্নামেন্টে ভারত ও পাকিস্তানকে সাধারণত একই গ্রুপে রাখা হয়। কিন্তু আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে যদি দুই দল মুখোমুখি না হয়, তাহলে ক্রিকেটের ব্যবসায়িক দুনিয়ায় বড় ধাক্কা লাগবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ব্যবসার দিক থেকে ভারত-পাক ম্যাচের গুরুত্ব এতটাই বেশি যে, ভারত যদি অন্য কোনও দলের বিরুদ্ধে ফাইনালও খেলে, তাতেও এই পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয় না।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, একটি ভারত-পাক ম্যাচ থেকে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ব্যবসা হয়। ভারতীয় মুদ্রায় যার অঙ্ক প্রায় ৪৫০০ কোটি টাকা। আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান যদি মাঠে না নামে, তাহলে এই বিশাল অঙ্কের লোকসান হবে বলেই আশঙ্কা।পরিসংখ্যান বলছে, শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই এই ম্যাচে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা আয় হয়। ম্যাচ চলাকালীন মাত্র ১০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের দাম উঠতে পারে ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। সূত্রের খবর, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ বয়কট করতে পারেএই আশঙ্কা করেই সম্প্রচারকারী সংস্থা জিও হটস্টার আইসিসির কাছে বিশেষ ছাড় চেয়েছে। আইসিসি যদি সেই ছাড় দেয়, তাহলে তাদের লাভ কমবে। আর আইসিসির আয় কমলে তার প্রভাব পড়বে সদস্য দেশগুলির উপরও। আইসিসি থেকে পাওয়া অর্থ কমে যেতে পারে বিভিন্ন বোর্ডের।ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেললে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের অন্তত ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি হতে পারে বলে অনুমান। এর জেরে বোর্ডের একাধিক পরিকল্পনা ও কর্মসূচি থমকে যেতে পারে। একই সঙ্গে ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ভারতীয় বোর্ডও। ভারত-পাক ম্যাচ ঘিরে সাধারণত হোটেল ভাড়া, বিমান ভাড়া এবং পর্যটন সংক্রান্ত খরচ বেড়ে যায়। ম্যাচ না হলে এই ক্ষেত্রগুলিও আর্থিক ধাক্কা খাবে।এছাড়াও আইসিসি থেকে যে বিপুল অর্থ পাওয়ার কথা, তা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে পাকিস্তান বোর্ড। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এইভাবে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ালে পাকিস্তানের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভবিষ্যতে তাদের উপর ভরসা করে বড় কোনও সংস্থা বিনিয়োগ করবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
কলকাতা

‘বুদ্ধবাবুর কোলে ছিলেন, এখন মমতার’, নতুন সিপিকে কটাক্ষ বিজেপির

ভোটের মুখে রাজ্য পুলিশের শীর্ষ পদে রদবদল ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। কলকাতা পুলিশ কমিশনার পদে আইপিএস সুপ্রতিম সরকারের নিয়োগকে ঘিরে শাসক ও বিরোধীর মধ্যে দড়ি টানাটানি আরও বেড়েছে। বিজেপির দাবি, সন্দেশখালি কাণ্ড সামলানোর পুরস্কার হিসেবেই তাঁকে নগরপালের চেয়ারে বসানো হয়েছে। এই ভাষাতেই নতুন কমিশনারকে কটাক্ষ করেছে বিরোধী দল।বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার অভিযোগ করেন, সিঙ্গুরে কৃষক আন্দোলনের সময় সুপ্রতিম সরকার বামফ্রন্ট সরকারের ঘনিষ্ঠ অফিসার হিসেবে কৃষকদের উপর লাঠিচার্জ করেছিলেন। তাঁর কথায়, আগে তিনি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ ছিলেন, এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে নিজের ঘনিষ্ঠ করে নিয়েছেন। সিঙ্গুরকে মই হিসেবে ব্যবহার করে আজ তিনি তৃণমূলের কাছের লোক হয়ে উঠেছেন বলে কটাক্ষ করেন সুকান্ত।এদিকে নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক ও বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই নিয়োগ নিয়ে মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, এটি শুধু সন্দেশখালির পুরস্কার নয়। সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সিপিএমের চাপে আটকে পড়েছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি। সুপ্রতিম সরকারের অতীত সম্পর্কে প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার সোনালি গুহ আরও ভাল জানেন বলেও মন্তব্য করেন শুভেন্দু।তবে রাজ্য সরকার এই সব অভিযোগ মানতে নারাজ। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু স্পষ্ট করে বলেন, এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক বদলি। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। অন্যদিকে তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক বিজেপিকে পাল্টা আক্রমণ করে বলেন, এ ধরনের কথা বলাই বিজেপির সংস্কৃতি। উন্নাওয়ের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, যারা ধর্ষণে অভিযুক্তদের মালা দিয়ে বরণ করে, তাদের কাছ থেকে এমন বিকৃত মন্তব্যই স্বাভাবিক।উল্লেখ্য, এতদিন কলকাতা পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ বর্মা। তাঁকে সরিয়ে এবার রাজ্যের ডিরেক্টর অব সিকিউরিটির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নতুন নগরপাল হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইপিএস সুপ্রতিম সরকার, যিনি এতদিন রাজ্য পুলিশের এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) পদে কর্মরত ছিলেন। এবার শহরের আইনশৃঙ্খলার ভার তাঁর কাঁধে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
দেশ

ইউজিসির নতুন নিয়মে ব্রেক! ‘৭৫ বছর পরেও কি বিভাজনের পথে দেশ?’ প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

ইউজিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চালু করা নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশন-এ স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও কি দেশ আবার জাতিগত বিভাজনের পথে ফিরছে।সম্প্রতি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ইউজিসির নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশন কার্যকর করা হয়। কেন্দ্রের দাবি ছিল, এই নিয়মের উদ্দেশ্য হল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকলের জন্য সমান, নিরাপদ এবং সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করা। তবে নতুন বিধিতে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের সংজ্ঞা এমনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেখানে শুধুমাত্র তফসিলি জাতি, উপজাতি ও ওবিসি শ্রেণির বিরুদ্ধে হওয়া বৈষম্যকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে সাধারণ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই সংজ্ঞা প্রযোজ্য নয় বলে অভিযোগ ওঠে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি সুযোগ-সাম্য কেন্দ্র গঠন করার কথাও বলা হয়েছে। এই কেন্দ্রকে পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। এই বিধি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিশেষ করে সাধারণ শ্রেণিভুক্ত পড়ুয়াদের একাংশ এই নিয়মের বিরোধিতা করে সরব হন।এই বিতর্কের জেরেই বিষয়টি পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ ইউজিসির নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশনে স্থগিতাদেশ দেয়। আদালত জানায়, আপাতত ২০১২ সালে চালু থাকা ইউজিসির আগের ইক্যুইটি রেগুলেশনই কার্যকর থাকবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এত বছর ধরে জাতিহীন সমাজ গড়ার যে চেষ্টা হয়েছে, এই নতুন নিয়মে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।যদিও কেন্দ্রের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, এই বিধি কোনওভাবেই বিভাজনের জন্য নয়। বরং বৈষম্য দূর করাই এর মূল লক্ষ্য। নতুন প্রোমোশন অফ ইক্যুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন আইন, ২০২৬-এ ধর্ম, লিঙ্গ বা জাতির ভিত্তিতে সব ধরনের বৈষম্য রোধের কথাই বলা হয়েছে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৯-২০ সালে যেখানে ১৭৩টি অভিযোগ ছিল, সেখানে ২০২৩-২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৮। এই পরিস্থিতিতেই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে বৈষম্য রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

জানুয়ারিতেই শেষ শীত? বাংলার আবহাওয়ায় বড় বদল, সতর্কতা জারি উত্তরে

জানুয়ারির মাঝামাঝি থেকেই ধীরে ধীরে বিদায় নিচ্ছে শীত। দক্ষিণবঙ্গে শীতের আমেজ এখন অনেকটাই ফিকে। সকাল আর রাতে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও দিনের বেলায় ঠান্ডা প্রায় নেই বললেই চলে। রোদ উঠলেই উধাও হচ্ছে শীতের দাপট। তবে দক্ষিণবঙ্গে যখন এমন আবহাওয়া, ঠিক সেই সময় উত্তরবঙ্গে একেবারে উল্টো ছবি।উত্তর-পশ্চিম ভারতের জম্মু-কাশ্মীর ও সংলগ্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকতে পারে। এর পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশ থেকে উত্তর কর্ণাটক পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে একটি সক্রিয় অক্ষরেখা। উত্তর-পূর্ব বিহারের উপর অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই সমস্ত আবহাওয়াগত পরিবর্তনের প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাংলায়।দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সকালের দিকে হালকা কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা এবং তার পার্শ্ববর্তী এলাকাতেও সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। আজ কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে প্রায় ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। উপকূলবর্তী জেলা ও উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন এলাকাগুলিতে আগামী কয়েক দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা নামতে পারে ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। দিনের বেলায় শীতের প্রভাব কম থাকলেও সকাল ও সন্ধ্যায় ঠান্ডার অনুভূতি বজায় থাকবে।উত্তরবঙ্গে শীতের দাপট তুলনামূলকভাবে বেশি। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় আজ ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামীকালও দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে ঘন কুয়াশা থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলা এবং দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সকালে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে। তবে দিনের দিকে আকাশ থাকবে মূলত পরিষ্কার। রোদ উঠতেই ধীরে ধীরে কমবে শীতের আমেজ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
রাজ্য

দার্জিলিংয়ে বরফ-বৃষ্টি, কলকাতায় রোদ—দু’মুখো আবহাওয়ায় বাংলা

মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে রাজ্যের দুই প্রান্তে যেন দুই রকম আবহাওয়ার ছবি। এক দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত ও বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যাচ্ছে শীতের আমেজ। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে উত্তরের জেলাগুলিতে বড়সড় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।সিকিমে প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টির জেরে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে চলেছে দার্জিলিং ও আশপাশের পাহাড়ি এলাকায়। দার্জিলিংয়ের পাশাপাশি কালিম্পং, জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় এক বা দুই পশলা হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে এই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আপাতত উত্তরবঙ্গের কোথাও ঘন কুয়াশার সতর্কতা নেই। শনিবার সকাল পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যেতে পারে।আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার তেমন বড় পরিবর্তন হবে না বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। দার্জিলিংয়ের পার্বত্য এলাকায় রাতের তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। তবে জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ারের মতো নিচের দিকের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা তুলনামূলক ভাবে বেশি থাকবে।অন্য দিকে দক্ষিণবঙ্গে শীতের দাপট অনেকটাই কমে এসেছে। সকাল ও সন্ধ্যায় হালকা ঠান্ডা থাকলেও, রোদ উঠলেই শীতের আমেজ উধাও হয়ে যাচ্ছে। কলকাতায় এ দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১৫ থেকে ১৭ ডিগ্রির মধ্যে থাকলেও, পশ্চিমের জেলা যেমন পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় তা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির ঘরে রয়েছে।এক দিন আগে কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৬.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ৪৭ থেকে ৯১ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে, তবে ঘন কুয়াশার সম্ভাবনা নেই।হাওয়া অফিসের মতে, উত্তরে শীতের গতি কমে যাওয়ার পিছনে বড় কারণ পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। এই মুহূর্তে জম্মু ও কাশ্মীর সংলগ্ন এলাকায় একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা সক্রিয় রয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি, শুক্রবার নতুন করে আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা আছে। পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থানের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যার প্রভাবেও রাজ্যের আবহাওয়ায় এই বদল দেখা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর বিতর্কে বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন কবি জয় গোস্বামী

পদবি সংক্রান্ত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নিয়ে তৈরি হওয়া গোলযোগ এবার পৌঁছে গেল সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের এজলাসে মামলাটি দায়ের করেছেন কবি জয় গোস্বামী নিজেই। এত দিন এই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে সরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন খোদ কবি। ফলে এসআইআর ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বুদ্ধিজীবীদের একাংশ দাঁড়াচ্ছেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকায় জয় গোস্বামীর নাম রয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই তালিকায় রয়েছে তাঁর মেয়ের নামও। ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে বর্তমান তালিকার মিল না থাকায় লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কথা তুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। গত ২ জানুয়ারি তিনি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দিয়েছেন।এই বিষয়টি নিয়ে আগেই সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি মন্তব্য করেছিলেন, আজ যদি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বেঁচে থাকতেন, তাঁকেও হয়তো এসআইআরের লাইনে দাঁড় করানো হত।মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি কিছুটা বিরক্তি প্রকাশ করেন। তাঁর মন্তব্য, প্রতিদিন নতুন করে আবেদন জমা পড়ছে এবং তাতে গোটা প্রক্রিয়াটাকেই থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। শুনানিতে আইনজীবী জানান, বাংলায় পদবীর নানা রকম বানানের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যেমন মুখার্জি ও মুখোপাধ্যায়এই ধরনের পার্থক্যের জন্যই অসঙ্গতি দেখা দিচ্ছে। এমনকি আধার কার্ডও অনেক ক্ষেত্রে গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ।বাংলার এসআইআর সংক্রান্ত মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হলেও প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, আগামী ৩ ফেব্রুয়ারিই এই মামলার শুনানি হবে। অর্থাৎ আগেই যে দিন ধার্য ছিল, সেই দিনেই বিষয়টি শুনবে শীর্ষ আদালত।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
রাজ্য

আর কি শীত পড়বে না বাংলায়? বড় ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর

সরস্বতী পুজোর সময় সামান্য পারদ নামলেও, তার পর থেকেই ফের চড়তে শুরু করেছে তাপমাত্রা। আপাতত আর নতুন করে ঠান্ডা পড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শীতের আমেজ আরও ফিকে হচ্ছে। সকালে হালকা ঠান্ডা অনুভূত হলেও, বেলা বাড়তেই তা মিলিয়ে যাচ্ছে।ফেব্রুয়ারির আগেই কি তবে বিদায় নিচ্ছে শীত? আবহাওয়াবিদদের মতে, এর পিছনে একের পর এক পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম ভারতে জম্মু-কাশ্মীর এবং সংলগ্ন এলাকায় নতুন করে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে। পাশাপাশি, আগামী ৩০ জানুয়ারি আরও একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢোকার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ পঞ্জাবের উপর একটি সক্রিয় ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে, যার প্রভাব বিস্তৃত রয়েছে দক্ষিণ-পশ্চিম রাজস্থান পর্যন্ত।এদিকে দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই সকালে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে। যদিও ঘন কুয়াশার কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনায় কুয়াশার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। কলকাতা এবং আশপাশের জেলাগুলিতেও সকালবেলায় হালকা কুয়াশা থাকতে পারে।আজ কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৪ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী সোমবার পর্যন্ত কুয়াশার সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার সেখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রবিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বা আপেক্ষিক আর্দ্রতা রয়েছে ৩৯ থেকে ৯৩ শতাংশের মধ্যে।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
দেশ

২০২৬-এর প্রথম মন কি বাতেই বড় বার্তা, ভারতীয় পণ্যের মান নিয়ে কড়া নির্দেশ মোদীর

২০২৬ সালের প্রথম মন কি বাত-এ দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্যে উঠে এল ভারতের স্টার্টআপ শক্তি, উৎপাদন ক্ষেত্রে গুণমানের গুরুত্ব এবং তরুণ প্রজন্মের ভূমিকা। স্টার্টআপ ইন্ডিয়া উদ্যোগের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত আজ বিশ্বমানের স্টার্টআপ কেন্দ্র হয়ে উঠছে। তাঁর কথায়, ভারতীয় পণ্যের মান হতে হবে সর্বোচ্চ। শুধু চলছে ভাবনা নয়, জিরো ডিফেক্ট, জিরো ইফেক্ট মানসিকতা নিয়ে কাজ করার সময় এসেছে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মহাকাশ গবেষণা, গ্রিন হাইড্রোজেনের মতো ক্ষেত্রে দেশের তরুণরা নতুন নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ভারতের নাম উজ্জ্বল করছে। যুব সমাজের এই উদ্যম ও সৃজনশীলতাই আগামী দিনে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।জাতীয় ভোটার দিবসের কথাও উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে। নতুন ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেই দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।মন কি বাত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের সফল উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। উত্তরপ্রদেশে নদী পুনরুজ্জীবনের কাজ, অন্ধ্রপ্রদেশে জল সংরক্ষণের উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে ভারতীয় মিলেট বা শ্রীধান্যের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি মালয়েশিয়ায় বসবাসকারী ভারতীয় প্রবাসীদেরও প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিদেশের মাটিতেও তাঁরা ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন।ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট। এই সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কীভাবে দেশের উন্নয়নে বড় ভূমিকা নিতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানান তিনি। সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের প্রথম মন কি বাত অনুষ্ঠানে আত্মনির্ভর ভারত, প্রযুক্তি, গণতন্ত্র ও সংস্কৃতির বার্তাই তুলে ধরলেন প্রধানমন্ত্রী।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের পর এবার পাকিস্তানের নাটক, বিশ্বকাপ খেলবে কি না ঠিক করবে সরকার!

বাংলাদেশের পর এবার বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন নাটক শুরু করল পাকিস্তান। ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসা নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের অবস্থান ঘিরে জটিলতা আরও বাড়ছে। নিরাপত্তার অজুহাতে ভারতে খেলতে না আসার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়েছে আইসিসি। তাদের জায়গায় সুযোগ পেয়েছে স্কটল্যান্ড। আর সেই সিদ্ধান্তের রেশ কাটতে না কাটতেই, বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক দুসপ্তাহ আগে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।বাংলাদেশ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর তাদের পাশে দাঁড়ানোর ভান করে এবার সরব হলেন পিসিবি প্রধান মহসিন নকভি। হঠাৎ করেই তিনি জানালেন, ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে পাকিস্তান সরকার। অর্থাৎ বিশ্বকাপে খেলার বিষয়টি তিনি ঠেলে দিলেন প্রধানমন্ত্রীর কোর্টে।পাক বোর্ড প্রধানের কথায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বর্তমানে দেশের বাইরে রয়েছেন। তিনি দেশে ফিরলে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নকভি স্পষ্ট করে বলেন, সরকার অনুমতি না দিলে পাকিস্তান বিশ্বকাপে খেলতে নাও যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আইসিসি চাইলে অন্য কোনও দেশকে আমন্ত্রণ জানাতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এখানেই থামেননি নকভি। তিনি দাবি করেন, এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য পিসিবির কাছে একাধিক বিকল্প পরিকল্পনা রয়েছে। তাঁর কথায়, পিসিবির কাছে প্ল্যান এ, বি ও সি তৈরি আছে এবং প্রয়োজন হলে তা ব্যবহার করা হবে। আগেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সময় এমন পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক দিন আগে পাকিস্তানের এই অবস্থান ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। ক্রিকেটমহলের একাংশের মতে, বাংলাদেশের বাদ পড়ার পর তৈরি হওয়া পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে আইসিসির উপর চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয় এবং পাকিস্তান বিশ্বকাপে নামে কি না।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও মানলেন না ‘দাবাং’ বিডিও, এ বার কী করবে পুলিশ?

দাবাং বিডিও হিসেবেই এলাকায় পরিচিত প্রশান্ত বর্মণ। কিন্তু এ বার তাঁর বিরুদ্ধে আরও বড় অভিযোগ উঠল। সুপ্রিম কোর্টের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তিনি আত্মসমর্পণ করলেন না। শুক্রবারের মধ্যে বিধাননগর মহকুমা আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এ দিন আদালতে হাজির হননি প্রশান্ত বর্মণ। এর পরেই তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশ কী পদক্ষেপ করবে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।সল্টলেকের দত্তাবাদের বাসিন্দা স্বপন কামিল্যা নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় প্রশান্ত বর্মণের নাম জড়িয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর নিউটাউনের যাত্রাগাছির একটি খাল থেকে ওই স্বর্ণ ব্যবসায়ীর দেহ উদ্ধার হয়। এই খুনের ঘটনায় একাধিক অভিযুক্ত গ্রেফতার হলেও এখনও অধরা প্রশান্ত বর্মণ। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, তিনিই এই খুনের মূল অভিযুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে পরিবার।এই মামলায় বারাসত ও বিধাননগর মহকুমা আদালত থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন প্রশান্ত বর্মণ। সেই আগাম জামিনের বিরোধিতা করে বিধাননগর পুলিশ কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। হাইকোর্ট আগাম জামিন বাতিল করে ২২ ডিসেম্বরের নির্দেশে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে বলে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও আদালতে হাজির হননি প্রশান্ত। এর পর তাঁকে ফেরার ঘোষণা করে বিধাননগর আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।ফেরার অবস্থাতেই সুপ্রিম কোর্টে যান প্রশান্ত বর্মণ। গত ১৯ জানুয়ারি সেখানেও স্বস্তি পাননি তিনি। বিচারপতি রাজেশ বিন্দল ও বিচারপতি বিজয় বিষ্ণোইয়ের বেঞ্চ তাঁকে ২৩ জানুয়ারির মধ্যে স্থানীয় আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। জানানো হয়, যে আদালতে মামলা বিচারাধীন, সেখানেই তাঁকে আত্মসমর্পণ করতে হবে।এর মধ্যেই প্রশাসন রাজগঞ্জে নতুন বিডিও নিয়োগ করেছে। রাজগঞ্জের জয়েন্ট বিডিও সৌরভকান্তি মণ্ডলকে বিডিওর দায়িত্ব দেওয়া হয়। তা সত্ত্বেও ২৩ জানুয়ারি, আত্মসমর্পণের শেষ দিনেও আদালতে হাজির হননি প্রশান্ত বর্মণ। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এ বার পুলিশ কি কড়া পদক্ষেপ করবে? প্রশান্ত বর্মণই বা পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়েও চলছে জোর চর্চা।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

নির্বাচনের টিকিট পেতেই প্রাণভয়ের আশঙ্কা! বিস্ফোরক অভিযোগ প্রাক্তন আইপিএসের

একসময়ের দুঁদে পুলিশ কর্তা, এখন তৃণমূলের প্রার্থী। সেই হুমায়ুন কবীর এবার বিধানসভা নির্বাচনে লড়ছেন ডোমকল কেন্দ্র থেকে। কিন্তু টিকিট পাওয়ার পরই তিনি প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, জেলার একাধিক অপরাধ চক্রের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে তাঁকে এখন হুমকি দেওয়া হচ্ছে।মুর্শিদাবাদে পৌঁছে তিনি নিরাপত্তার জন্য জেলা পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন। তাঁর কথায়, পুলিশে চাকরি করার সময় তিনি একাধিক খুনের চক্র ভেঙেছিলেন। সেই সব অপরাধ চক্রের মাথারা এখনও সক্রিয় রয়েছে এবং তাঁকে লক্ষ্য করে হুমকি দিচ্ছে। এই কারণেই তাঁর জীবনের উপর ঝুঁকি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।হুমায়ুন কবীর দীর্ঘদিন মুর্শিদাবাদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কান্দিতে দায়িত্বে ছিলেন এবং পরে জেলা পুলিশ সুপার হিসেবেও কাজ করেছেন। ফলে এই জেলার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি ভালোভাবেই জানেন। কোথায় কোন অপরাধ চক্র সক্রিয়, কারা এর সঙ্গে জড়িত, সেই সব বিষয় তাঁর জানা।তিনি বলেন, দলের নেতৃত্ব তাঁকে এমন একটি জায়গায় প্রার্থী করেছে, যা তাঁর খুব পরিচিত। এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কর্মীদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছেন।ডোমকল এলাকা বরাবরই স্পর্শকাতর হিসেবে পরিচিত। অতীতে এই এলাকায় নির্বাচন ঘিরে হিংসার একাধিক অভিযোগ উঠেছে। আগের নির্বাচনে এখানেই সবচেয়ে বেশি হিংসার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা যায়। তবে তিনি দাবি করেন, যখন তিনি পুলিশ সুপার ছিলেন, তখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে ছিল।এই অবস্থায় এবার নির্বাচনের আগে তাঁর প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে ডোমকলের পরিস্থিতি নিয়ে এখন বাড়ছে নজর।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

একসঙ্গে দু’টি আসনে লড়াই! হুমায়ুন কবীরের বড় চমক

বিধানসভা নির্বাচনের আগে একের পর এক দল তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করছে। সেই তালিকায় এবার নাম যোগ করল হুমায়ুন কবীরের দল আম জনতা উন্নয়ন। প্রথম দফায় মোট একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই মুর্শিদাবাদ এবং মালদহ জেলার প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।সবচেয়ে বেশি চর্চা হচ্ছে হুমায়ুন কবীরের নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে। তিনি এবার ভরতপুর কেন্দ্র থেকে লড়বেন না। পরিবর্তে তিনি দুটি আসন থেকে ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একটি রেজিনগর এবং অন্যটি নওদা। এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে। অনেকেই জানতে চাইছেন, তিনি কাকে হারাতে চাইছেন, না কি নিজের জয়ের সম্ভাবনা বাড়াতেই এই কৌশল নিচ্ছেন।সাংবাদিক বৈঠকে হুমায়ুন কবীর জানান, তাঁদের দল একশো বিরাশি টি আসনে প্রার্থী দিচ্ছে। বাকি প্রার্থীদের তালিকা শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে। কিছু আসনে অন্য দলের সঙ্গে সমঝোতার কথাও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে প্রার্থী তালিকায় একাধিক নতুন নামও রয়েছে। বিভিন্ন জেলার একাধিক আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। কান্দি, বেলডাঙা, রতুয়া, মালতীপুর, বৈষ্ণবনগর, মানিকচক, সুজাপুর, ফরাক্কা, হরিহরপাড়া-সহ একাধিক কেন্দ্রে প্রার্থী দিয়েছে এই দল। ভরতপুরেও নতুন প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে নতুন এই দল কতটা প্রভাব ফেলতে পারবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে হুমায়ুন কবীরের দুটি আসনে লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

‘সময় নষ্টের চেষ্টা’! আইপ্যাক মামলায় সুপ্রিম কোর্টে তীব্র তর্কে জড়াল রাজ্য ও কেন্দ্র

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে আবারও সুপ্রিম কোর্টে সময় চাইল রাজ্য সরকার। বুধবার বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি এন ভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষ থেকে আইনজীবী কপিল সিব্বল আরও সময়ের আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁরা নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার জন্য কিছুটা সময় চান।এই আবেদনের বিরোধিতা করে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহেতা বলেন, এটি সময় নষ্ট করার চেষ্টা। তিনি অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এবং এতদিন পরেও সময় চাওয়া অস্বাভাবিক। বিচারপতিরাও মনে করিয়ে দেন, এর আগেই রাজ্যকে চার সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের আইনজীবীরা বলেন, তাঁরা এখনও সম্পূর্ণভাবে নিজেদের বক্তব্য জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি। তবে আদালত স্পষ্ট জানায়, বারবার সময় চাওয়া ঠিক নয়।এই মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে রাজ্য। রাজ্যের দাবি, এই সংস্থা সরাসরি এই ধরনের মামলা করতে পারে না। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, এই অধিকার শুধুমাত্র ব্যক্তি বা কোনও বৈধ সংস্থার থাকতে পারে। তাই এই মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।অন্যদিকে, আদালতে জমা দেওয়া হলফনামায় তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, তল্লাশির সময় সংঘর্ষ এড়াতেই তাদের কাজ থামাতে হয়েছিল। অভিযোগ করা হয়েছে, তল্লাশির সময় বাইরের লোকজন ঢুকে পড়ায় তদন্তে সমস্যা তৈরি হয়।বিচারপতি পর্যবেক্ষণে বলেন, কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এইভাবে তদন্ত চলাকালীন ঢুকে পড়া মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ভবিষ্যতে অন্যরাও একই কাজ করতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে আদালত রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছিল, ওই ঘটনার সমস্ত ভিডিও এবং প্রমাণ সংরক্ষণ করতে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্যও সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ফের সময় চাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত হয় কলকাতায় একটি সংস্থার কর্তার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি নিয়ে। সেই তল্লাশিকে ঘিরেই এই আইনি লড়াই শুরু হয়। কেন্দ্রের অভিযোগ, তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রাজ্যের দাবি, নির্বাচনের আগে সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতেই এই তল্লাশি চালানো হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির দিকে এখন নজর সবার।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় ঝাঁকুনি! একসঙ্গে ১১ জেলাশাসক বদলি, চাঞ্চল্য

ভোটের মুখে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের একাধিক জেলার জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের একযোগে বদলি করা হয়েছে। বুধবার সকালে প্রথমে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে বদলি করা হয়। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১১টি জেলার জেলাশাসক বদলের নির্দেশ জারি করে কমিশন।যে জেলাগুলিতে এই বদল করা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমান, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, দার্জিলিং এবং আলিপুরদুয়ার। এই সব জেলার জেলাশাসকেরা একই সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক হিসেবেও কাজ করছিলেন।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে বিভিন্ন জেলায় নতুন জেলাশাসক নিয়োগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কলকাতা পুরসভার কমিশনার এবং দক্ষিণ কলকাতার জেলা নির্বাচনী আধিকারিককেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের জায়গায় নতুন আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের দ্রুত কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁদের ভোট সংক্রান্ত কোনও কাজে যুক্ত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যতদিন না নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে।এই বড় রদবদলের মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকও ডাকা হয়েছে। সেখানে শীর্ষ পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।ভোটের আগে হঠাৎ এত বড় প্রশাসনিক পরিবর্তনে রাজনৈতিক মহলে জোর চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের প্রভাব নির্বাচনে কতটা পড়বে, তা নিয়ে এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় চাঞ্চল্য! বীরভূমে ট্রাক্টর ভরা বিস্ফোরক উদ্ধার

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই রাজ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। এর মধ্যেই বীরভূমে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নলহাটি থানার কাদাসির গ্রামে গ্রামবাসীরাই একটি সন্দেহজনক ট্রাক্টর আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ট্রাক্টর থেকে প্রায় দশ হাজার জিলেটিন স্টিক এবং তিনশো ষাটটি ডিটোনেটর উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, মঙ্গলবার রাতে গ্রামের রাস্তা দিয়ে একটি ট্রাক্টর যাচ্ছিল। সেটি দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। এরপর তাঁরা ট্রাক্টরটি আটকালে চালক পালিয়ে যায়। পরে দেখা যায়, ট্রাক্টরটি বিস্ফোরকে ভর্তি।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নলহাটি থানার পুলিশ ট্রাক্টর এবং বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করে। কে বা কারা এই বিস্ফোরক কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হোক এবং এর পিছনে কারা রয়েছে, তা দ্রুত সামনে আনা হোক।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

কল্যাণের পর এবার ছেলে! উত্তরপাড়ায় ভোটের লড়াইয়ে মীনাক্ষীর বিপরীতে কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে

বাবা একজন নামজাদা আইনজীবী এবং অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ। দীর্ঘদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রাজনীতির ময়দানে লড়াই করে আসছেন। এবার সেই পথেই পা রাখলেন তাঁর ছেলে শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরপাড়া বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তাঁকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।শীর্ষণ্য পেশায় একজন আইনজীবী। তিনি সরকারের পক্ষে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলা লড়েছেন। বিভিন্ন বড় আইনি লড়াইয়ে তিনি অংশ নিয়েছেন। কলেজে নির্বাচন বন্ধ হওয়া নিয়ে হওয়া মামলাতেও তিনি আদালতে লড়েছিলেন। এছাড়াও একশো দিনের কাজ এবং নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছেন।এবার সেই আইনজীবীই সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নেমেছেন। উত্তরপাড়ায় তাঁর প্রতিপক্ষ সিপিএমের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই এবার বেশ জমজমাট হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।শীর্ষণ্য জানিয়েছেন, রাজনীতির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নতুন নয়। বহু বছর আগে থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, ছাত্রজীবনে তিনি কলেজে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন এবং সেই সময় থেকেই রাজনীতির অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।তিনি আরও বলেন, ২০১১ সালের পর রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর তাঁর লড়াই মূলত আদালতকেন্দ্রিক হয়ে যায়। তবে এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে নামতে পেরে তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন।শীর্ষণ্য জানান, তাঁকে এই সুযোগ দেওয়ার জন্য তিনি দলের নেতৃত্বের কাছে কৃতজ্ঞ। এর আগে তিনি দলের অন্য প্রার্থীর হয়ে ভোট চেয়েছেন, কিন্তু এবার প্রথমবার নিজের জন্য মানুষের কাছে সমর্থন চাইবেন। উত্তরপাড়ার মানুষের আশীর্বাদই তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬
রাজ্য

শুক্রবার না শনিবার? অবশেষে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা নিয়ে বড় আপডেট

ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে গিয়েছে এবং রাজনৈতিক দলগুলি জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়েছে। কিন্তু রাজ্যের প্রায় ষাট লক্ষ ভোটার এখনও জানেন না, তাঁরা এবারের নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কি না। তাঁদের নাম এখনও বিবেচনাধীন তালিকায় ঝুলে রয়েছে।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, গত আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। এরপর দুই সপ্তাহের বেশি সময় কেটে গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা সেই সব নাম খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করছেন।এখনও পর্যন্ত প্রায় একুশ লক্ষ ভোটারের নামের নিষ্পত্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত জানিয়েছেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম সম্পূরক তালিকা প্রকাশ হতে পারে। তাঁর কথায়, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা খুব শীঘ্রই নিষ্পত্তি হওয়া নামগুলি কমিশনের হাতে তুলে দেবেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, শুক্রবার বা শনিবার এই তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।তবে বড় প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে বাকি প্রায় উনচল্লিশ লক্ষ ভোটারকে নিয়ে। ভোটের আগে এত অল্প সময়ের মধ্যে তাঁদের নামের নিষ্পত্তি করা সম্ভব কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। কারণ রাজ্যে এবার দুই দফায় ভোট হবে তেইশ ও উনত্রিশ এপ্রিল।এছাড়াও যাঁদের নাম বাদ পড়বে, তাঁদের ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। কিন্তু সেই প্রক্রিয়া কবে শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে, তা নিয়েও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি।এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, বিষয়টির দায় হাইকোর্টের উপর চাপানোর চেষ্টা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার উপর তাঁদের আস্থা থাকলেও কমিশন কীভাবে আদালতের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, তা স্পষ্ট নয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কবে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করবেন এবং সেই প্রক্রিয়ার জন্য কত সময় দেওয়া হবে, সে বিষয়েও কোনও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না বলেই দাবি তাঁর।এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে। ভোটের আগে এত বড় সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত থাকায় উদ্বেগও বাড়ছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

দুই বছরের মেয়েকে নিয়ে ২৩ তলা থেকে ঝাঁপ! গুরগাঁওয়ের ঘটনায় শিউরে উঠছে দেশবাসী

গুরগাঁওয়ে এক হৃদয়বিদারক ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, এক ব্যক্তি তাঁর দুই বছরের কন্যাকে নিয়ে বহুতলের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই ঘটনায় দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে।মৃত ব্যক্তির নাম রাহুল। তাঁর বয়স আটত্রিশ বছর। তিনি দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন এবং পরিবার নিয়ে গুরগাঁওয়ের একটি আবাসনে ভাড়া থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে একটি আবাসনের ভিতরে এই ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানিয়েছে, রাহুল তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে একটি ছোট স্কুল চালাতেন, যেখানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হতো। কিছুদিন ধরে তিনি শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন এবং চিকিৎসাও চলছিল।পুলিশের এক আধিকারিক জানান, প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে মানসিক অবসাদ থেকেই তিনি এই চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। যদিও ঘটনার সঠিক কারণ জানতে তদন্ত চলছে।জানা গিয়েছে, তিনি যে টাওয়ারে থাকতেন, সেখান থেকে নয়, অন্য একটি টাওয়ারের তেইশ তলা থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাস্থল থেকে কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি।দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় এবং পরে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে পড়েছেন। অনেকেই উচ্চ ভবনে বসবাসকারী পরিবারগুলির মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মার্চ ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal