• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UN

খেলার দুনিয়া

‌ডার্বিতে ৫–৬ গোলের লজ্জায় পড়তে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে? কী বললেন সমরেশ চৌধুরি‌

আইএসএলের প্রথম পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। শনিবার আবার দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল একেবারেই ভাল হয়নি দুই দলের কাছে। এটিকে মোহনবাগান আগের ম্যাচে আটকে গিয়েছিল ওডিশা এফসির কাছে। অন্যদিকে, হায়দরাবাদ এফসির কাছে বিধ্বস্ত হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। চলতি আইএসএলে ১৩ ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটা ম্যাচে জয় পেয়েছে লালহলুদ। ৬টি হার, ৬টি ড্র। তুলনামূলকভাবে অনেক ভাল জায়গায় এটিকে মোহনবাগান। ১০ ম্যাচে চারটিতে জয়, চারটি ড্র। হার দুটি ম্যাচে। ডার্বিতে লালহলুদের জয়ের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না লালহলুদ জার্সি গায়ে একসময় দাপিয়ে খেলা সমরেশ চৌধুরি।এসসি ইস্টবেঙ্গলের নাম শুনলেই রীতিমতো রেগে আগুন লালহলুদের এই ঘরের ছেলে। সমরেশ চৌধুরি বলছিলেন, এই এসসি ইস্টবেঙ্গল দল নিয়ে আলোচনা করতেই আমার ঘেন্না লাগছে। এটা কোনও দল হল? গোলকিপার থেকে শুরু করে স্ট্রাইকার, একটাও ভাল ফুটবলার আছে। আমার তো মনে হয় লালহলুদ জার্সি গায়ে দেওয়ার কোনও যোগ্যতাই এদেন নেই। কোন ফুটবলারকে নিয়ে আলোচনা করব? কাদের নিয়ে স্বপ্ন দেখবে সমর্থকরা?ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জয়ের কোনও সম্ভাবনাই দেখছেন না সমরেশ চৌধুরি। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গলের অনেক দল দেখেছি। এইরকম দুর্বল দল কখনও দেখিনি। দুর্বল দল নিয়েও অতীতে লালহলুদ ডার্বি জিতেছে। এবার জেতার কোনও সম্ভাবনাই দেখছি না। এমনকি ড্র করতে পারে, এমন আশাও নেই। আমার তো মনে হয় ৫৬ গোলের লজ্জায় না পড়তে হয়। আক্রমমভাগ থেকে শুরু করে রক্ষণ, সব পজিশনেই হতশ্রী অবস্থা। তাছাড়া এই দলে কজন ফুটবলার ডার্বির আবেগ বোঝে? ডার্বিতে এই এসসি ইস্টবেঙ্গল নিয়ে আতঙ্কে আছি।এটিকে মোহনবাগানকে ডার্বিতে যে আটকানো কঠিন, মেনে নিয়েছেন সমরেশ চৌধুরি। তিনি বলেন, ওডিশা এফসির কাছে এটিকে মোহনবাগান আটকে গেলেও ওরা ভাল ছন্দে রয়েছে। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো ফুটবলাররা রয়েছে। এদের আটকানোর মতো ডিফেন্ডার লালহলুদে নেই। তাছাড়া প্রথম পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে উড়ে গিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে মাঠে নামবে সবুজমেরুণ শিবির।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গাঁটছড়া বাঁধলেন মৌনী-সূরজ

শহর জুড়ে যেন প্রেমেরই মরশুম। অনুপম রায়ের এই গানের লাইনটা বর্তমান সময়ের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যাচ্ছে। তবে এখন প্রেমের মরশুমের পরিবর্তে বলা চলে শহর জুড়ে যেন বিয়ের মরশুম। টলিউড থেকে বলিউড অনেক তারকারই চার হাত এক হচ্ছে। সেই তালিকায় জুড়ল এবার বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায়ের নাম। পাত্র সূরজ নাম্বিয়ার। বরের পরিবারের নিয়ম মেনে মালয়ালী রীতিতে বিয়ে করলেন বাঙালি কন্যা। গোয়ায় সাতপাক ঘুরলেন দুজনে। সাদা চাদোয়া এবং সাদা ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল বিয়ের মণ্ডপ। লাল এবং সাদা শাড়িতে সেজেছেন মৌনী। দক্ষিণী রীতিতে বিয়ে হলেও বেনারসি পরেছেন কোচবিহারের মেয়ে। মাথায়, গলায়, হাতে সোনার গয়নায় উজ্জ্বল মৌনী। ঘিয়ে রঙা শেরওয়ানি এবং সাদা মুন্ডতে দেখা গেল সূরজকে। মালাবদল করার পরে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন নবদম্পতি। দুজনের হলদি আর মেহেন্দির অনুষ্ঠান হয়েছিল বুধবার। মালয়ালী মতে বিয়ে হলেও আজ সন্ধ্যের লগ্নে বাঙালি মতে বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে আগ্নেআস্ত্র সহ দু’জন গ্রেফতার

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের তৎপরতায় বানচাল হল দুস্কৃতীদের নাশকতার ছক। মঙ্গলবার সকালে যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে বিপুল আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করলো জেলার নাদনঘাট থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম কুতুবউদ্দিন মণ্ডল ও মনসুর মণ্ডল। তাদের মধ্যে কুতুবউদ্দিনের বাড়ি মুর্শিদাবাদের ডোমকলের শাহজাদা গ্রামে। অপর ধৃত মনসুর নাদনঘাটের গোকর্ণ গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে তিনটি রাইফেল, দুটি ওয়ানশটার, নগদ ১৫ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফেন উদ্ধার হয়েছে। নাদনঘাট থানার পুলিশ সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে এদিনই দুই ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। দুস্কৃতীরা কোথা থেকে, কি উদ্দেশ্যে এত আগ্নেআস্ত্র জোগাড় করে বাসে চাপিয়ে নিয়ে কোথায় যাচ্ছিল সেই বিষয়টি পুলিশ কর্তাদেরও ভাবিয়ে তুলেছে। এই তথ্য উদ্ধারের জন্য তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতদের পুলিশি হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের ৭ দিন পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে এখনও ব্যাংক ডাকাতির ঘটনায় দুষ্কৃতীরা অধরাই থেকে গিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে যে কোনও ধরণের নাশকতার ছক বানচাল করতে রাজ্য জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। একই কারণে জেলার নাদনঘাট থানার পুলিশও নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে নাকা চেকিং শুরু করে। যাত্রীবাহী বাসে আগ্নেআস্ত্র পাচার হবে এমন খবর গোপন সূত্র মাধ্যমে আগেভাগেই পুলিশের কাছে পৌছায়। এই খবর আসার পরেই কালনা মহকুমার বিভিন্ন থানা এলাকার মোড়ে মোড়ে এদিন সকাল থেকে নাকা চেকিং আরও জোরদার করে পুলিশ। নাদনঘাট থানার পুলিশও বিষয়টি নিয়ে সতর্ক ছিল। এদিন সকালে নাদনঘাট থানার পুলিশ হেমায়েতপুর মোড়ে বর্ধমানগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের পথ আটকে বাসের ভিতর তল্লাশি চালানো শুরু করে। তল্লাশিতে বাসে থাকা দুই দুস্কৃতির কাছ থেকে উদ্ধার হয় তিনটি রাইফেল, দুটি ওয়ান শটার সহ নগদ ১৫ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন। দুই দুস্কৃতীকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি আগ্নেআস্ত্র গুলি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ।এসডিপিও সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, তদন্তের প্রয়োজনে দুই দুস্কৃতিদের এদিন আদালতে পেশ করে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। দুস্কৃতিরা কোথা থেকে আগ্নেআস্ত্র নিয়ে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল সেই বিষয়টি জানতে ধৃতদের হেপাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ওডিশা এফসি–র বিরুদ্ধেই কেন ডার্বির মহড়া সেরে নিতে চান বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো?‌

কলকাতা ডার্বির উন্মাদনার কথা শুনেছেন। কখনও মাঠে বসে চাক্ষুস করার অভিজ্ঞতা হয়নি। রিজার্ভ বেঞ্চে বসার তো নয়ই। এটিকে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেওয়ায় এবার সে সুযোগ আসতে চলেছে জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের রিজার্ভ বেঞ্চে থাকবেন এই স্প্যানিশ কোচ। দীর্ঘদিনের বিরতি কাটিয়ে রবিবার ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ২৯ জানুয়ারি ডার্বিই পাখির চোখ করছেন জুয়ান ফেরান্দো। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে ডার্বির মহড়াও সেরে নিতে চান তিনি। ৫ জানুয়ারি হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। তারপর ১৮ দিনের বিরতি। বিরতি অবশ্য করোনার জন্য। এটিকে মোহনবাগানের বেশ কয়েকজন ফুটবলার একের পর এক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তাদের ম্যাচ স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছিল আইএসএলের আয়োজক কমিটি। ৮ জানুয়ারি ওডিশা এফসি ম্যাচের পর বেঙ্গালুরু এফসি এবং কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচও স্থগিত হয়ে যায়। সবুজমেরুণ শিবিরকে ১১ দিন কোয়ারেন্টিনে কাটাতে হয়। তারপর আবার অনুশীলনে নামার অনুমতি পায় এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা।হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ ২২ গোলে ড্র করেছিলে এটিকে মোহনবাগান। মাঠে ১৮ দিন ফুটবলাররা খেলার মধ্যে না থাকায় ছন্দ যে নষ্ট হবে সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দলকে ছন্দে ফেরানোটাই চ্যালেঞ্জ জুয়ান ফেরান্দোর। করোনার জন্য দীর্ঘদিন অনুশীলন হয়নি। ফুটবলারদের ফিটনেস নিয়ে কিছুটা হলেও চিন্তিত এটিকে মোহনবাগান কোচ। তবে জুয়ান ফেরান্দোর কাছে স্বস্তির খবর চোট সারিয়ে ম্যাকহিউয়ের ফিট হয়ে ওঠা। কার্ড সমস্যার জন্য হুগো বোমাস ওডিশা এফসি ম্যাচে খেলতে পারবেন না। তাঁর পরিবর্তে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে শুরু করবেন ডেভিড উইলিয়ামস। গোলকিপার অমরিন্দার সিংও খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। ওডিশা এফসি ম্যাচকেই ডার্বির রিহার্সাল হিসেবে দেখছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ডার্বির আগে এই ম্যাচ জিতে একদিকে যেমন লিগ টেবিলে ওপরের দিকে উঠতে চান, তেমনই ফুটবলারদের মনোবলও বাড়িয়ে নিতে চান।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হাসপাতালে ভর্তি বর্ষীয়ান অভিনেতা অরুণ বালি

বর্ষীয়ান অভিনেতা অরুণ বালি স্নায়ু-পেশির এক জটিল এবং বিরল অসুখ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। হে রাম, এয়ারলিফ্ট, থ্রি ইডিয়েটস, কেদারনাথ, পানিপথ-এর মতো ছবিতে অভিনয় করা ৮০ বছরের এই অভিনেতাকে মুম্বইয়ের হিরানন্দানি হাসপাতালে রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মাইয়াসথেনিয়া গ্রাভিস নামে এক অসুখে আক্রান্ত তিনি। এই অসুখে স্নায়ু এবং পেশির উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ কমে যায়। তাঁর কথা বলার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছিল, জড়িয়ে যাচ্ছিল গলার স্বর। সেখান থেকে অনেকের সন্দেহ হয়, কোনও সমস্যা হচ্ছে অভিনেতার। টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নূপুর অলঙ্কার জানিয়েছেন, কিছু দিন আগে টেলিফোনে অরুণের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে, অভিনেতার বাচনভঙ্গীতে অসংলগ্নতা লক্ষ্য করেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন অরুণের কাছের মানুষের সঙ্গেও। তাঁরাই এর পরে অরুণের চিকিৎসার বন্দোবস্ত করেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রবীণ অভিনেতার মেয়ে ইতিশ্রীর কাছ থেকে তিনি এই বিরল অসুখের বিষয়ে জানতে পেরেছেন। তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা কেমন, কত দিন লাগবে সুস্থ হতে, সেই বিষয়ে যদিও এখনও বিশেষ কিছু জানা যায়নি।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ফুটবলে ইন্দ্রপতন, চলে গেলেন সুভাষ ভৌমিক

ভারতীয় ফুটবলে ইন্দ্রপতন। মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার ও ময়দানের কিংবদন্তী কোচ সুভাষ ভৌমিক। বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। শনিবার ভোরে কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আশিয়ানজয়ী ইস্টবেঙ্গলের এই কোচ। সুভাষ ভৌমিকের মৃত্যুতে ভারতীয় ক্রীড়াজগতে নেমে এসেছে শোকের ছাড়া। দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন সুভাষ ভৌমিক। সুগার ও কিডনির অসুখে ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হত। প্রতিদিন বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডায়ালিসিস করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তার ওপর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় সমস্যা আরও বেড়ে যায়। শারিরীক অবস্থা এমন অবনতি হয়েছিল যে কিছুদিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। আরও ভাল চিকিৎসার জন্য শুক্রবার নব মহাকরণে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের দপ্তরে একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বৈঠকে ঠিক হয়েছিল উন্নত চিকিৎসার জন্য মেডিকা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে সুভাষ ভৌমিককে। কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়টিও খতিতে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে শনিবার ভোরে মারা যান তিনি।ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের জার্সি গায়ে কলকাতা ময়দানে একসময় দাপিয়ে খেলেছেন সকলের প্রিয় ভোম্বলদা। সবুজমেরুণের তুলনায় লালহলুদ জার্সিতেই বেশি সময় কাটিয়েছিলেন। রাজস্থান থেকে ১৯৬৯ সালে প্রথম লালহলুদ জার্সি গায়ে তুলে নিয়েছিলেন। পরের বছরই লালহলুদ জার্সি ছেড়ে যোগ দেন মোহনবাগানে। ৩ বছর মোহনবাগানে কাটিয়ে ১৯৭৩ সালে আবার ইস্টবেঙ্গলে ফিরে আসেন। ১৯৭৬ সালে আবার মোহনবাগানে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালে লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গল থেকেই ফুটবলকে বিদায় জানান। ভারতীয় দলের হয়েও দীর্ঘদিন দাপিয়ে খেলেছেন সুভাষ ভৌমিক। ১৯৭০ সালে এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন, মারডেকা, পেস্তা সুকানের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতেও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। দেশের জার্সি গায়ে দুদুটি হ্যাটট্রিকও করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তার মধ্যে মারডেকা কাপে ফিলিপাইন্সের বিরুদ্ধে একটা। ওই ম্যাচে ৫১ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। ১৯৬৯ সালে বাংলার সন্তোষ ট্রফি জয়ী দলের সদস্যও ছিলেন সুভাষ ভৌমিক। দীর্ঘ ৬ বছর পর সেবার সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলা। বাংলার জার্সি গায়ে মোট ৪ বার সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। ২ বার বাংলাকে নেতৃত্ব দিলেও রেলওয়েজের কাছে সেমিফাইনালে হারতে হয়েছিল। কোচ হিসেবেও দারুণ সাফল্য পেয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তবে লালহলুদকেই বেশি সাফল্য এনে দিয়েছিলেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০০ এবং ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের কোচ ছিলেন। ২০০২০৩ এবং ২০০৩০৪ মরশুমে তাঁর কোচিংয়েই জাতীয় লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ২০০৩ সালে লালহলুদকে আশিয়ান কাপে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। ২০০৬ সালে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরের বছর সালগাঁওকারে যোগ দেন। ২০০৮০৯ মরশুমে আবার ইস্টবেঙ্গলে ফিরে আসেন। ২ মরশুম লালহলুদে কাটিয়ে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেন। চার্চিল ব্রাদার্সের টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তাঁর কোচিংয়েই ২০১২১৩ মরশুমে আই লিগ জেতে চার্চিল।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
রাজ্য

পুরভোটের আগে ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন, কী সেই নির্দেশিকা আসুন জেনে নিন

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের চার পুরসভার ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ১৪ দফা নির্দেশিকা জারি করেছে। এই নির্দেশিকাগুলো হল নিম্নরূপ-১। ভোটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে নিয়মিত এরিয়া ডমিনেশন ও রুটমার্চ করতে বলা হয়েছে।২। নির্মীয়মাণ বাড়ি, কমিউনিটি হল, লজ, হোটেল, গেস্ট হাউস, স্টেডিয়ামে ১৭ ডিসেম্বর ২০২১, বিকেল পাঁচটা থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। যাতে কোনও সমাজবিরোধী আশ্রয় না নিতে পারে সে কারণেই এই ব্যবস্থা। তা ভোটগ্রহণ পর্যন্ত চালিয়ে যেতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।৩। সমস্ত সীমান্ত এলাকায় গাড়িতে নাকা চেকিং চলবে। প্রয়োজন হলে প্রশাসন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিচয় যাচাই করবে।৪। সমস্ত বেআইনি অস্ত্র ও মদ বাজেয়াপ্ত করতে হবে।৫। অতীতে ভোট হিংসা বা সাম্প্রদায়িক হিংসায় অভিযুক্ত কেউ যদি জামিনে বাইরে থাকেন এবং তাঁর কাছে যদি লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র থাকে তাহলে তা প্রশাসন নিজেদের হেপাজতে রাখবে।৬। ভোটের একদিন আগে এলাকার দাগী অপরাধীদের আটক করতে হবে।৭। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ ও কুইক রেসপন্স টিম সজাগ থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে।৮। ভোটের আগেরদিন পোলিং পার্টি পৌঁছনোর আগেই সেখানে পৌঁছে যেতে হবে সশস্ত্র পুলিশকে। বুথ প্রহরার দায়িত্বে থাকা সশস্ত্র পুলিশকে বুথ দখল, রিগিং রুখতে হবে।৯। যে মানুষ বুথে এসে ভোট দিতে চাইবেন তাঁরা যাতে নির্বিঘ্নে তা করতে পারেন তা প্রশাসনকে নিশ্চিত করতে হবে।১০। ভোটের দিন যদি কোনও প্রার্থী বা পার্টির লোকজন অনুমতিহীন গাড়ি নিয়ে ঘোরেন তাহলে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে।১১। বাইক মিছিল নিষিদ্ধ।১২। ভোটের দিন সমস্ত রাজনৈতিক দলের ক্যাম্পগুলিতে চলবে কড়া নজরদারি। সেখান থেকে যাতে ভোটারদের ভয় দেখানো বা তাঁদের উপর প্রভাব খাটানো না হয়।১৩। সমস্ত বুথে থাকবে সিসিটিভি।১৪। ভোটের দিন সমস্ত রাজনৈতিক দলের পোলিং এজেন্টদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে রাজ্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দিয়েছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

পুর ভোটের জন্য ১৫ হাজার ইভিএম দেবে নির্বাচন কমিশন

রাজ্যে পর্যাপ্ত ইভিএম নেই। তাই ১০৮ টি পুরসভায় এক দফায় ভোট করা সম্ভব নয়। আদালতে এমনটাই জানিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ইভিএম চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠিও লেখা হয়েছিল। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই এবার ইভিএম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। রাজ্যে পুরভোটের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে ১৫ হাজার ইভিএম পাঠানো হবে বলে জানা গিয়েছে।তবে সেই সব ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট থাকছে না। কলকাতা পুরভোটের সময় ভিভিপ্যাট ছাড়াই ভোট হয়েছিল। বাকি পুরসভার ভোটেও থাকছে না ভিভিপ্যাট। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি চার পুরনিগমের ভোট রয়েছে। সেখানে লাগছে ৩ হাজার ৪০০ ইভিএম। কিন্তু তারপরই রয়েছে বাকি ১০৮ পুরসভার ভোট।সেই ভোটের জন্য পর্যাপ্ত ইভিএম ছিল না। তাই জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কয়েকদিন আগে কেন্দ্রীয় কমিশন জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ইভিএম দেবে। সূত্রের খবর সেই ইভিএম আর কয়েকদিনের মধ্যেই রাজ্যে আসছে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজনীতি

মা ক্যান্টিন ও ক্লাবের অনুদানে কোটি টাকার নয়ছয়ের অভিযোগে রাজ্যপালের কাছে নালিশ শুভেন্দুর

রাজ্য রাজ্যপাল সংঘাত অব্যাহত। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতাইয়ে যেতে বাধা দেওয়া প্রসঙ্গে সকালেই রাজ্য সরকারকে এক হাত নিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এক সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট চেয়েছেন মুখ্যসচিবের থেকে। আর তারপর সন্ধ্যায় ফের রাজ্যপালের নিশানায় মমতার সরকার। এবারের অভিযোগ, রাজনৈতিক অভিসন্ধিতে স্পোর্টস ক্লাবগুলিকে অনুদান এবং মা ক্যান্টিনের মাধ্যমে সরকারি তহবিলের অপব্যবহার। যদিও এই অভিযোগ সরাসরি রাজ্যপালের নয়। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর এই অভিযোগকে টুইটারে তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল।LOP @SuvenduWB called on Guv Shri Jagdeep Dhankhar today demanded thorough probe in criminal diversion of public funds over thousand crores @MamataOfficial for political purposes by way of sports clubs donations and MAA Canteen. pic.twitter.com/KDCQLujSDI Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 19, 2022বুধবার বিকেলে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করতে রাজভবনে গিয়েছিলেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে শুভেন্দু ফের নালিশ জানিয়েছেন রাজ্যপালের কাছে। তাঁর অভিযোগ, প্রায় কয়েক হাজার কোটি টাকার আর্থিক নয়ছয় করেছে মমতার সরকার। সরকারি তহবিলের অন্যায়ভাবে অপব্যবহার করা হয়েছে বলে ধনখড়ের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন শুভেন্দু। সরকারি তহবিলের এই অপব্যবহারের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু রাজ্যপালের কাছে।এদিকে বুধবার সকালেও রাজ্য সরকারকে টুইট বাণে বিদ্ধ করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সকালের টুইটে রাজ্যের বক্তব্য ছিল, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নেতাই যেতে কেন বাধা দেওয়া হয়েছিল? এক সপ্তাহের মধ্যে তার রিপোর্ট রাজ্যপালের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিবকে।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

ক্ষমতায় এলে পুলিশ দিয়ে এনকাউন্টার করার হুমকি বিজেপি বিধায়কের

শাসকদলকে এনকাউন্টারের হুঁশিয়ারি দিলেন বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার। ক্ষমতায় এলে পুলিশ দিয়ে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের এনকাউন্টার করার হুমকি দিয়েছেন তিনি।গয়েশপুরে বিজেপি-র বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রামপদ দাসের উপর হামলার প্রতিবাদে বুধবার চাঁদপাড়ায় রাস্তা অবরোধ করেন গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা। সেখানেই স্বপন বলেন, গত কাল তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনীর লোকেরা জেলা সভাপতির উপর আক্রমণ চালিয়েছে। এটা খুবই নিন্দনীয়। সভাপতির গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর অত্যাচার করছে তৃণমূল। এর পর বিজেপি বিধায়কের হুমকি, তৃণমূল তালিবানি শাসনে বিশ্বাসী। ওই দলের হার্মাদদের বলে দিতে চাই, আমরা ক্ষমতায় এলে এই পুলিশ দিয়েই আপনাদের এনকাউন্টার করা হবে।এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে এমন কথা কীভাবে বললেন! আশ্চর্য হতে হয়। ওরা আসলে উত্তরপ্রদেশের পুলিশদের দেখে অভ্যস্থ। যখন-তখন এনকাউন্টার হয় ওখানে। সেই জন্য এসব বলে। এদিকে বিজেপির বিরুদ্ধে ভয়ের পরিবেশ তৈরির অভিযোগ তুলে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল চেয়ারম্যান শংকর দত্ত বলেন, বিজেপি একটি উচ্ছৃঙ্খল দল। ওদের বিষয়ে যত কম বলা যায়, ততই ভাল। ওরা ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছে৷ ওরা পালানোর পথ পাবে না, বাংলার মানুষ তৈরি আছে। স্বপন মজুমদার একজন জালিয়াত। ওর বিরুদ্ধে মামলা চলছে৷ বিধায়ক পদ খারিজ হবে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বরুণ ধাওয়ানের গাড়ির চালক প্রয়াত

প্রয়াত বলিউড অভিনেতা বরুণ ধাওয়ানের গাড়ির চালক মনোজ সাউ। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন তিনি। এই বিষয়ে জানা গেছে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুম্বইয়ের মেহবুব স্টুডিয়োয় একটি সংস্থার হয়ে বিজ্ঞাপনের শ্যুট করছিলেন বরুণ ধবন। কিন্তু সব ফেলে মাঝপথে কাজ বন্ধ করে লীলাবতী হাসপাতালে ছুটতে হয় তাঁকে। সেখানেই মারা যান তিনি। শোনা গেছে বরুণকে মেহেবুব স্টুডিওতে মনোজই নিয়ে যান। এরপরই তাঁর আচমকা বুকে ব্যথা হয়। হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। মনোজের মৃত্যুতে একদম ভেঙে পড়েছেন বরুণ ধাওয়ান। তাঁর পাশে রয়েছেন বাবা ডেভিড ধাওয়ান।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিভাবহীন হয়ে পড়ল হাঁদা, ভোঁদা, নন্টে, ফন্টেরা

প্রয়াত নারায়ণ দেবনাথ। হাঁদা ভোদা, বাঁটুল দি গ্রেট সহ একাধিক কমিকসের স্রষ্টা মঙ্গলবার সকাল সওয়া ১০টা নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার মিন্টো পার্কের কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রয়াত হন তিনি। হাসপাতাল সূত্র মারফৎ জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল থেকেই হৃদ্যযন্ত্রে সমস্যা হচ্ছিল প্রবীণ এই কার্টুন শিল্পীর। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। তাঁর রক্তচাপ ওঠানামা করছিল। সব ধরনের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু চিকিৎসায় সাড়া দেননি নারায়ণ দেবনাথ। কষ্ট হচ্ছিল শ্বাস নিতেও। এই সময় তাঁর বাড়ির লোকজনকে খবর দেওয়া হয় বলে জানানো হয় হাসপাতাল সূত্রে। বাংলার একমেবাদ্বিতীয়ম কার্টুনিস্ট নারায়ণ দেবনাথের অমর সৃষ্টি বাটুল দি গ্রেট, হাঁদা ভোঁদা, নন্টে ফন্টে, বাহাদুর বেড়াল প্রভৃতি কখনও পুরনো হবে না। এই কমিকস গুলো অনেকেরই ছোটবেলার স্মৃতি হয়ে রয়েছে। ২০১৩-য় তাঁকে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার এবং বঙ্গবিভূষণ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। ২০২১ সালে পান পদ্মশ্রী।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
দেশ

ধর্মীয় আবেগে পিছিয়েই গেল পঞ্জাবের নির্বাচন, ১৪ নয় ভোট হবে ২০ ফেব্রুযারি, ঘোষণা কমিশনের

পঞ্জাবের বিধানসভা ভোট পিছিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। ১৪ ফেব্রুয়ারির বদলে ২০ফেব্রুয়ারি সে রাজ্যে নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ১৬ ফেব্রুয়ারি গুরু রবিদাস জয়ন্তী থাকায় একাধিক রাজনৈতিক দল কমিশনের কাছে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানায়। এই দাবি নিয়ে রবিবার একটি বৈঠকও বসে কমিশন। সেই বৈঠকের পরই কমিশন এই দিন পরিবর্তনের কথা জানিয়েছে।এর আগে পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি কমিশনকে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেন জানান। বিজেপি, বিএসপি-র প্রতিনিধিরাও কমিশনের কাছে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানান। এই দাবি মেনে কমিশন পঞ্জাবের নির্বাচন ২০ ফেব্রুয়ারি করে দিয়েছে। সেখানে এক দফাতেই নির্বাচন সম্পন্ন হবে।আসলে আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি পাঞ্জাবের দলিত শিখদের ধর্মগুরু রবিদাসের জন্মজয়ন্তী। সেই উপলক্ষে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকেই বেনারসে তীর্থ করতে যাবেন প্রায় ২০ লক্ষ দলিত শিখ। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভোট হলে এই ভোটাররা তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁর অনুরোধ ছিল, ভোটের দিন অন্তত ৬ দিন পিছিয়ে দেওয়া হোক, যাতে এই ২০ লক্ষ ভোটার বেনারস থেকে ফিরে এসেও নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। একই আর্জি জানিয়েছিল বিজেপিও। তার পরই সোমবার ভোটের নতুন দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী নিজেও এই দলিত শিখ সম্প্রদায়ের নেতা। আগামী নির্বাচন জিতে পঞ্জাবে কংগ্রেসকে ফের ক্ষমতায় আসতে হলে রাজ্যের ৩২ শতাংশ দলিত ভোটারকে সংগঠিত করা জরুরি। কারণ, পঞ্জাবের হিন্দু ভোটারদের একটা বড় অংশের ভোট যাবে বিজেপি এবং অমরিন্দর সিংয়ের জোটের দিকে। আম আদমি পার্টিও সেখানে কিছুটা ভাগ বসাবে। উচ্চবর্ণের জাঠ শিখদের ভোটের একটা বড় অংশ যায় অকালি দলের খাতায়। সেখানেও কংগ্রেসের পাশাপাশি ভাগ বসাবে আম আদমি পার্টি। তাই ক্ষমতায় ফিরতে কংগ্রেসের মূল ভরসা এই ৩২ শতাংশ দলিত শিখদের ভোটই। আবার বিজেপিও চাইছে দলিত শিখদের ভোট নিজেদের দিকে টানতে। তাই স্থানীয় ধর্মীয় আবেগকে মান্যতা দিয়ে ভোট পিছনোর দাবি জানিয়েছিল দুই পক্ষই।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জানেন অল্লু অর্জুনের সম্পত্তির পরিমাণ? চমকে উঠবেন আপনি

দক্ষিণী সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় নাম অল্লু অর্জুন। পুষ্পা: দ্য রাইজ ছবিতে অভিনয় করার পর তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে সেই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ৩০ দিনের ছবিটির ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসা যার প্রমাণ। সেই অল্লু অর্জুনের সম্পত্তির পরিমাণ শুনলে অনেকেই অবাক হয়ে যাবেন। অল্লু অর্জুন একটি বাংলোতে থাকেন যার নাম দিয়েছেন ব্লেসিং অর্থাৎ আশীর্বাদ। আর এই বাংলোর মূল্য ১০০ কোটি টাকা। যেখানে অল্লু অর্জুন, তাঁর স্ত্রী এবং দুই সন্তান থাকেন। এখানেই শেষ নয়। তাঁর নিজের একটি ভ্যানিটি ভ্যান রয়েছে। যার মূল্য ৭ কোটি। ব্যক্তিগত বিমানও রয়েছে এই তারকা অভিনেতার। সেই বিমানে করে দেশ থেকে বিদেশ সর্বত্র তাঁর যাতায়াত হয়। ভারতের অন্যতম দামি গাড়িও অল্লু অর্জুনের। যার দাম, ১.২ কোটি টাকা। সেই গাড়ির রং সাদা। তা ছাড়া আর একটি কালো গাড়িও রয়েছে তাঁর কাছেই। যার দাম ১.৭৪ কোটি থেকে ৩.৮৮ কোটির মধ্যে। এত বড় সম্পত্তি দেখে অনেকেরই অবাক হয়ে যাওয়ার কথা।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
বিদেশ

সমুদ্রে ভয়ঙ্কর অগ্নুৎপাত, হাজার বছরে একবার ঘটে এমন বিস্ফোরণ!

প্রকৃতির রুদ্র রোষে কী এবার পড়তে চলেছে পৃথিবী? সাম্প্রতিক বেশ কিছু ঘটনা তেমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানিরা।শনিবার দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে জলের নীচেই একটি আগ্নেয়গিরি থেকে শুরু হয়েছে ভয়ানক অগ্নুৎপাত। হঠাৎ করে আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠায় এবং অগ্নুৎপাতের কারণে সুনামির ঢেউ তৈরি হতে শুরু করেছে। এই ঢেউগুলি টোঙ্গা ও জাপানের উত্তর অংশেই আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আমেরিকার পশ্চিম উপকূল অবধি সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।সমুদ্র গহ্বরের এক আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের দৃশ্য স্পষ্ট দেখা গেল মহাকাশ থেকেও। পরমাণু বিস্ফোরণের মতো ধোঁওয়ার বেলুনের সেই ছবি উপগ্রহের ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। যা দেখে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন এমন বিস্ফোরণ হাজার বছরে একবার ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল যে প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপে সুনামি আছড়ে পড়েছে। টোঙ্গা নামে ওই দ্বীপটিতে রিখটার স্কেলে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পও হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে দ্বীপের বহু বাসিন্দার। সংখ্যাটা কত? তা এখনও স্পষ্ট করে জানায়নি টোঙ্গা প্রশাসন।Satellite views of the Hunga Tonga-Hunga Haʻapai volcano eruption in 4K on Youtube: https://t.co/QHQTIpDsUx Wonder of Science (@wonderofscience) January 16, 2022গোটা দ্বীপটিই বিদ্যুৎ এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এই ঘটনায়। আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে ঢেকে যায় আকাশ। উপকূলবর্তী এলাকার একটি বড় অংশ জলের নীচে চলে যায়। আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে গোটা এলাকাই ধোঁওয়াচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। ফলে ইন্টারনেট, টেলিফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন দ্বীপটিতে আকাশপথে নজরদারিও চালানো যায়নি অনেকক্ষণ। প্রশান্ত মহাসাগরের উপর টোঙ্গা আসলে ১৬৯টি দ্বীপের সমষ্টি একটি দেশ। ওসিয়ানিয়ার অন্তর্ভুক্ত এই দ্বীপরাষ্ট্রের সবচেয়ে কাছের দেশ হল নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়া। নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জাসিন্ডা আর্ডার্ন জানিয়েছেন, তাঁরা টোঙ্গা প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। কিন্তু সফল হননি।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কেন বাতিল এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ?‌ স্থগিতের পথে আইএসএল

করোনার বাড়বাড়ন্ত দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে একের পর এক প্রভাব ফেলেই চলেছে। চলতি মাসের গোড়াতেই আই লিগ বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। রনজি ট্রফি স্থগিত রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। নক আউট পর্ব থেকে স্থগিত রাখা হয়েছে অনূর্ধ্ব ১৯ কোচবিহার ট্রফি। জৈব সুরক্ষা বলয় ভেদ করে করোনা হানা দিয়েছে আইএসএলেও। ইতিমধ্যেই আইএসএলের কয়েকটা ম্যাচ বাতিল হয়েছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, আই লিগের মতো সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যেতে পারে আইএসএলও। জৈব সুরক্ষা বলয় ভেদ করে আইএসএলের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে করোনা হানা দিয়েছে। ফুটবলার থেকে শুরু করে একাধিক সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। এক ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আগেই এটিকে মোহনবাগান ও ওডিশা এফসির ম্যাচ স্থগিত করে দিয়েছিল আইএসএলের আয়োজক কমিটি। এবার এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসির ম্যাচও স্থগিত হয়ে গেল। এটিকে মোহনবাগান শিবিরে করোনা হানা দেওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সবুজমেরুণের কোন ফুটবলার আবার নতুন করে করোনায় আক্রান্ত, তা অবশ্য জানানো হয়নি। তবে একটি বিশেষ সূত্র থেকে জানা গেছে, এটিকে মোহনবাগানের ৫ জন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। গত কয়েকদিন ধরে এটিকে মোহনবাগানকে অনুশীলনের অনুমতিও দেওয়া হয়নি। বেঙ্গালুরু এফসি যে হোটেলে রয়েছে, সেই হোটেলের এক কর্মীও করোনায় আক্রান্ত। ফলে সুনীল ছেত্রিরাও অনুশীলনে নামতে পারেননি। ম্যাচটা নিয়ে আগে থেকেই সংশয় ছিল। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় আইএসএলের আয়োজক কমিটি। শুধু এটিকে মোহনবাগানেরই নয়, আরও কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির কয়েকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। সূত্রের খবর এসসি ইস্টবেঙ্গলের একজন ফুটবলার ও একজন সাপোর্ট স্টাফের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কেরালা ব্লাস্টার্স শিবিরেও করোনা হানা দিয়েছে। তারাও ৩ দিন অনুশীলন করেনি। রবিবার দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর আইএসএল সাময়িক স্থগিত করে দেওয়া হতে পারে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

পিছিয়েই গেল রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোট! পুনরায় দিনক্ষণ ঘোষণা কমিশনের

অবশেষে পিছিয়ে গেল চার পুরনিগমের ভোটের দিন। শনিবারই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতকে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল। তা পিছিয়ে ১২ ফেব্রুয়ারি করা হল। শনিবার এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে কমিশন। তবে ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার যে বকেয়া ভোট তা হবে বলেই এখনও অবধি সিদ্ধান্ত রয়েছে। কারণ, এ নিয়ে এখনও রাজ্য নির্বাচন কমিশন এখনও কিছু বলেনি।আরও পড়ুনঃ চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্নকোভিড কাঁটায় তিন সপ্তাহ পুরনিগমের ভোট পিছিয়ে দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে। তবে এই ভোটে নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে হবে না বলেই জানিয়েছে কমিশন। আদালতের নির্দেশে, রাজনৈতিক দলের মতামত শুনে রাজ্যের সঙ্গে কথা বলে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের রায়কে সম্মান জানিয়েই তারা এই সিদ্ধান্ত নিল। ভোটের দিন পিছিয়ে গেলেও নতুন করে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার যেমন কোনও বিষয় নেই, একইভাবে কমিশন জানিয়েছে, এই সময় অবধি প্রচার চালাতে পারবে রাজনৈতিক দলগুলি। অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারির ৭২ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত ভোটের প্রচার চালানোয় কোনও বাধা নেই।আরও পড়ুনঃ ফের কলকাতায় বাড়ল মাইক্রো কনটেনমেন্টের সংখ্যানবান্নের তরফে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয় যে, কমিশন ভোট পিছিয়ে দিলে কোনও আপত্তি নেই সরকারের। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পরে ভোট পিছনোয় শিলমোহর দিল নির্বাচন কমিশন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্ন

পুরভোট পিছিয়ে দিতে সায় রাজ্যের। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে নবান্ন। আদালতের নির্দেশের পরই রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরই শনিবার চিঠি দেয় নবান্ন। চিঠিতে রাজ্য জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য। তবে ভোট পিছিয়ে দিলে আপত্তি নেই। শনিবার দুপুরেই কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ভোট পিছনোর ঘোষণা করবে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাআগামি ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল এবং চন্দনগর পুরসভার। কোভিড পরিস্থিতিতে এই পুরভোট নিয়ে আপত্তি তুলে অনেকেই আদালতে যান। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভোটের তারিখ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়। কোভিড আবহে জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। তবেআরও পড়ুনঃ অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রেখে ইন্সটাগ্রামে ফিরলেন রাজ কুন্দ্রাশুক্রবারই হাইকোর্টের রায় নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। তারই উত্তরে শনিবার রাজ্য ভোট পিছনোর পক্ষে সায় দেয়। চিঠিতে তারা জানায়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে রাজ্য। এখন কমিশন যদি কিছু দিনের জন্য ভোট পিছিয়ে দেয়, তাতে তাদের আপত্তি নেই। যদিও এর আগে আদালতে একাধিক বার ভোট পিছনোর বিরোধিতা করেছে নবান্ন। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পর, বিকেলের মধ্যেই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করতে পারে কমিশন। সূত্রের খবর, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট চাইছে নবান্ন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রেখে ইন্সটাগ্রামে ফিরলেন রাজ কুন্দ্রা

একটা সময় তিনি ইন্সটাগ্রামে অনেক বেশি অ্যাক্টিভ ছিলেন। স্ত্রী শিল্পা শেট্টির সঙ্গে বিভিন্ন মজার ভিডিও বানাতে দেখা যেত তাকে। কিন্তু পর্ণকাণ্ডে গ্রেফতার হওয়ার পর সোশ্যাল মিডিয়াতে তাকে আর দেখা যায়নি। এবার আবার ইন্সটাগ্রামে ফিরে এলেন শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। ইন্সটাগ্রামে ফিরে এলেও আগের সব পোস্ট তিনি ডিলিট করে দিয়েছেন। এবার থেকে এখন যে কেউ তার পোস্টও দেখতে পাবেন না। ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টটা তিনি প্রাইভেট করে রেখেছেন। অর্থাৎ তাকে যারা ইন্সটাগ্রামে ফলো করেন তারাই পোস্ট দেখতে পাবেন। নতুন কেউ যদি তাকে ফলো করেন তার অনুরোধ রাজ কুন্দ্রা গ্রহণ করলে তবেই রাজের ইন্সটাগ্রাম পোস্ট তিনি দেখতে পাবেন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সে ভারতীয় দলের প্রাক্তন বোলিং কোচ

একসময় ভারতীয় দলের বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। এবার কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের বোলিং কোচের দায়িত্বে দেখা যাবে ভরত অরুণকে। শুক্রবারই তাঁকে নতুন দায়িত্ব দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট।দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় দলের দায়িত্ব সামলেছেন ভরত অরুণ। গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের পরই তাঁর সঙ্গে ভারতীয় বোর্ডের চুক্তি শেষ হয়। ভরত অরুণের জায়গায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড দায়িত্ব দিয়েছেন পরশ মামরেকে। এই মুহূর্তে ভরত অরুণ ফাঁকাই ছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই ভরত অরুণকে বোলিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শোনা যাচ্ছিল আমেদাবাদ ফ্র্যাঞ্জাইজির বোলিং কোচের দায়িত্ব পেতে পারেন ভরত অরুণ। কিন্তু আশিস নেহরা আমেদাবাদের হেড কোচ নিযুক্ত হওয়ায় নতুন করে বোলিং কোচ রাখার সম্ভাবনা কম। তাই কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রস্তাব গ্রহন করলেন ভরত অরুণ।🚨 𝘼𝙉𝙉𝙊𝙐𝙉𝘾𝙀𝙈𝙀𝙉𝙏 🚨We are delighted to introduce you to our new bowling coach! Welcome to the Knight Riders family, Bharat Arun 💜💛#KKR #AmiKKR #IPL2022 #BharatArun pic.twitter.com/MpAXJMa67C KolkataKnightRiders (@KKRiders) January 14, 2022কোচ হিসেবে ভরত অরুণের অভিজ্ঞতা যথেষ্ট। একসময় তিনি বাংলা ও তামিলনাডুর রনজি দলের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১২ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের কোচ ছিলেন। দীর্ঘদিন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। দুদফায় ভারতীয় জাতীয় দলের বোলিং কোচ ছিলেন। আইপিএলেও কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলেছেন।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচেএইরকম হাই প্রোফাইল কোচকে দায়িত্ব দিতে পেরে খুশি কলকাতা নাইট রাইডার্সের সিইও ভেঙ্কি মাইসোর। এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ভরত অরুণের মতো দক্ষ বোলিং কোচ কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। ওর অভিজ্ঞতা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আরও সমৃদ্ধ করবে। অন্যদিকে, কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে খুশি ভরত অরুণও। তিনি বলেন, কেকেআরের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভাল লাগছে। দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • ...
  • 65
  • 66
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।বর্ধমান শহরের বি.আই.এম.এল.এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT) বলেন, এটি অত্যন্ত সাধু ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের বি.আই.এম.এল.এস কলেজে বর্তমানে পরীক্ষা চলায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বহু ছাত্রছাত্রী এই কনভেনশনে যোগ দিতে পারেনি। অন্য সময়ে এই আয়োজন হলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হত।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IAP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT) এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি ডাঃ শুভেন্দু জানা (PT)। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IAP-এর কনভেনর ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ আদিত্য পাল (PT), ডাঃ সুখদেব মুখার্জি (PT), ডাঃ অতনু রায় (PT), ডাঃ অনিন্দ্য দে (PT) - সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal