• ৬ চৈত্র ১৪৩২, শুক্রবার ২০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UN

বিনোদুনিয়া

বিশেষ সম্মানে সম্মানিত পরিচালক অরূপ সেনগুপ্ত

ইতিমধ্যে অরূপ সেনগুপ্ত নামটি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ পরিচিত। বলিউড থেকে একাধিক স্বপ্ন নিয়ে অরূপ বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন। পরিচালনা করতে থাকেন চার এক্কে প্যাঁচ, এ.কে.Ray, Unethical-র মতো শর্টফিল্ম। এর আগেও বেশ কয়েকটি অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়েছে তার পরিচালিত শর্টফিল্ম আনএথিক্যাল। কিন্তু এবার তামিল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ মনোনীত হয় অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আরোহন প্রোডাকশন এর প্রযোজিত ছবি আনএথিক্যাল এবং জিতে নেন বেস্ট কনসেপ্টচুয়্যাল অ্যাওয়ার্ডস। অরূপ সেনগুপ্ত পরিচালিত আনএথিক্যাল-এ অভিনয় করেছেন তন্ময় ভট্টাচার্য, পৌলমী দাস, পূজা গাঙ্গুলি এবং সুপর্ণা চ্যাটার্জী। অরূপ সেনগুপ্তের হাত ধরে প্রথম বাংলা সিনেমার জগতে পা রাখতে চলেছে তন্ময়। এই ছবির অ্যাওয়ার্ড নিয়ে জনতার কথা কে অরূপ জানান, এই ছবিটা ২৭ মিনিটের। অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি অনুষ্ঠিত হয়েছে অনলাইনে। খুব ভালো লাগছে।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

'বর্জ্য ই সম্পদ', একবিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় হুমকি 'বর্জ্য' নিয়ে জোড় প্রচারাভিযান গুসকরা তে

মানব সভ্যতা উন্নয়নের সাথে সাথে মানবজাতির যত উপকার সাধন হয়েছে বিভিন্ন ধরনের সমস্যাও ততটাই প্রকট হয়ে উঠেছে। আজকের পৃথিবীতে অন্যতম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রকৃতিকে জীবের বসবাস যোগ্য রাখা। বিশ্বে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে বর্জ্যের পরিমাণও মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে চলেছে।বর্জ্য, বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বড়ো হুমকি (Threats)। বর্জ্য অপসারণ একটি বিশ্বব্যাপী ভয়ানক সমস্যা। উন্নত দেশগুলি এব্যাপারে অধিক সচেতন হলেও, অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশ গুলি এখনও সেভাবে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ। ভারতবর্ষে কিছু কিছু রাজ্য সফলভাবে এই কাজটি মোকাবিলা করলেও, অনেক রাজ্য এর পরিণতি অনুধাবন করতে পারেনি।বিভিন্ন ধরণের বর্জ্য বা আবর্জনা আছে, এবং সেগুলি ধ্বংশ করার প্রক্রিয়াও বৈচিত্র্যময়ঃ জ্বলন, দাফন, সঞ্চয় এবং আরও নানারকম ভাবে এটি ধ্বংস করা হয়। বর্জ্য নিষ্পত্তি করার পদ্ধতিটি নির্বাচন করতে গেলে অবশ্যই বর্জ্যটিকে সঠিকভাবে শ্রেণিবদ্ধ করতে হবে।এই কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় গুসকরা পৌরসভার সাথে কাজ শুরু করেছে রাজ্য নগর উন্নয়ন দপ্তরের নিয়োগ করা সংস্থা দিগম্বরপুর অঙ্গিকার। আধুনিক উপায়ে বর্জ্য অপসারণের সুবিধার জন্য প্রতিটি বাড়িতে নীল-সবুজ বালতি বিলি করেছে গুসকরা পৌরসভা। যাতে পচনশীল (সবুজ বালতি তে) এবং অপচনশীল আবর্জনা (নীল বালতি তে) আলাদা করে রাখেন নাগরিকরা। প্রতিটি পৌরসভার দুটি ওয়ার্ড কে মডেল করে এই কাজের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য সরকার। গুসকরা পৌরসভা তে ১০ ও ১১ নম্বর ওয়ার্ড মডেল ওয়ার্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু নাগরিকদের বড় অংশের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে যথেষ্ট।গুসকরা পৌরসভার প্রোজেক্ট কোয়ার্ডিনেটার অভিষেক দলুই,জনতার কথা কে জানান, আমারা পৌরসভার জনস্বাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের সাথে বাড়ি বাড়ি ঘুরে প্রচার চালাছি। কোভিড ভ্যাকসিন সেন্টার ও দুয়ারে সরকার প্রকল্প যেখানে একসাথে অনেক মানুষের সমাগম হয় সেখানে ও আমার ক্যাম্প করে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।পৌরসভার সাধারণ মানুষ যখন কোনো প্রকল্পের সুবিধার জন্য দুয়ারে সরকার -এ আসছেন আমার বর্জ্য পৃথকীকরণের সুফল তাদের কে বোঝাচ্ছি। বর্জ্য ই সম্পদ (Waste is Wealth) এবং কোন বর্জ্য কিভাবে কাজে লাগিয়ে শহর-কে পরিস্কার রাখা যায় তা ও জানানো হচ্ছে। একটি করে প্রচার পুস্তিকা তাদেরকে দেওয়া হচ্ছে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার জন্য। স্টেট আরবান ডেভলপমেন্ট এজেন্সি ১২৭টি পুরসভার দ্বায়িত্ব কয়েকটি সংস্থা কে দিয়েছেন। পুর্ব-বর্ধমান জেলায় গুসকরা তে দিগম্বরপুর অঙ্গিকার এই সচেতনতা অভিযান চালাচ্ছে। এছাড়াও কালনা, দাঁইহাট, কাটোয়া তেও একই সংস্থা প্রচারাভিযান চালাচ্ছে।

মার্চ ০৭, ২০২২
রাজ্য

এ এক মন ভালো করা কাহিনী, ক্যানসারকে দূরে সরিয়ে কঠিন লড়াই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সামিনার

শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি ক্যানসার। তা বলে জীবনযুদ্ধে হার মানতে চায়না ছাত্রী সামিনা খাতুন। তাঁর একটাই লক্ষ্য, মারণ ব্যাধির সব জ্বালা যন্ত্রণা সব সহ্য করে নিয়েও সাফল্যের সাফল্যের সঙ্গে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য মনের জেদকে সম্বল করেই কিশোরী সামিনা সোমবার বসতে চলেছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়। লেখাপড়া শেখার জন্য ছাত্রী সামিনার এমন জীবন সংগ্রামের সাথী হয়েছেন তাঁর বিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও। মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে সামিনার যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই ব্যাপারেও প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এই বছর পূর্ব বর্ধমান জেলায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ৫৫ হাজার ৪৪৯ জন। তার মধ্যে ছাত্র রয়েছে ২৪,১৩৮ জন । আর ছাত্রী রয়েছে ৩১,৩১৫ জন। এই পরিসংখ্যানই স্পষ্ট করে দিয়েছে এই বছর জেলায় ছাত্রদের থেকে ৭ হাজার বেশী ছাত্রী মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। সেই ছাত্রীদের মধ্যেই একজন জেলার জামালপুর ব্লকের রামনাথপুর গ্রাম নিবাসী ছাত্রী সামিনা খাতুন। রামনাথপুরের শেখ পাড়ার এক দরিদ্র পরিবারের মেয়ে সামিনা। ছোট্ট দুকুঠুরি ঘরে পরিবারের সকলে বসবাস করেন। সামিনার বাবা শেখ আলম খেতমজুরির কাজ করেন। মা নূরজাহান বেগম সাধারণ গৃহবধূ। সামিনার দিদি আসলিমা বিবাহিতা।ছোট বয়স থেকেই লেখাপড়া শেখার বিষয়ে সামিনার আগ্রহ তৈরি হয়। তাঁর বাবা তাঁকে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ সম্পূর্ণ করে সামিনা ভর্তি হয় স্থানীয় বনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ে। একের পর এক ক্লাসের পরীক্ষায় পাশ করে সামিনা অষ্টম শ্রেণীতে উত্তির্ণ হয়।এই পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সামিনার জীবনে ছন্দপতন ঘটে যায় এরপরেই। অষ্টম শ্রেণীতে পাঠরত কালেই ছাত্রী সামিনার শারীরিক অসুস্থতা শুরু হয়। তাঁর বাবা মা তাঁকে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করান।পরিবারের সকলে তখন মনে করেছিলেন জামালপুর হাসপাতালের ডাক্তারবাবুদের চিকিৎসাতেই সামিনা সুস্থ হয়ে উঠবে। কিন্তু তা হয় না। বিভিন্ন ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্টে ধরা পড়ে সামিনার শরীরে বাসা বেঁধেছে মারণ ব্যাধি। তারপর থেকে টানা দুবছর ধরে তাঁর ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে।এখন নিয়ম করে সামিনাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপি নিতে যেতে হয়। এর জন্য মাথার চুল সব উঠে যাওয়ায় সামিনা প্রথমে একটু মুষড়ে পড়েছিল ঠিকই। তবে এখন তা নিয়ে সামিনা আর মাথা ঘামাতে চায় না। এখন তাঁর একটাই স্বপ্ন সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া। সমিনা জানিয়েছে, তাঁর দুই কানের নিচে গলার অংশে ক্যানসার বাসা বেঁধেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। চিকিৎসা চলছে ঠিকই তবে এখনও খাওয়া দাওয়া সে ভালভাবে করতে পারে না। গলায় খুব ব্যাথা থাকায় ভাত গিলে খেতে পারে না। শুধু পাতলা সুজি কোন রকমে খেয়ে দিনের পরদিন তাঁকে পেট ভরাতে হচ্ছে। তবে কষ্ট যাই থাক লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে সে বিছানায় শুয়ে থেকে দিন কাটাতে চায় না।সামিনা জানায়, তাঁকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় সফল ভাবে উত্তীর্ণ হতে হবেই। তাই মারণ ব্যাধির সব জ্বালাযন্ত্রনা সহ্য করে নিয়ে সোমবার থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবার জন্য মনোনিবেশ করেছে বলে আত্মবিশ্বাসী সামিনা এদিন জানিয়েছে।ছাত্রী সামিনার বাবা শেখ আলম বলেন, আমি খেতমজুরির কাজ করে যে টুকু রোজগার করি তা দিয়েই পরিবারের সকলের দিন গুজরান হয়। দুবছর ধরে আমার ছোট মেয়ে সামিনার ক্যানসার রোগের চিকিৎসা চলছে। মেয়ে এতবড় কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও অর্থের অভাবে তাঁকে পুষ্টিকর খাবারদাবার কিছুই দিতে পারি না।মেয়ের স্কুলের শিক্ষক মহাশয়গণ ছাড়াও জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন, কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক, স্কুলের পরিচালন কমিটির সদস্য শেখ জিয়ারুল রহমান সহ আরও কয়েকজন শুভানু্ধ্যায়ী আর্থিক সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই কেমো থেরাপি ও রেডিয়েশন থেরাপির জন্য মেয়েকে নিয়মিত বর্ধমান হাপাতালে নিয়ে যাওয়া নিয়ে আসা ও ওষুধের খরচ জোগাড় করতে পারছি। আলম বাবু আরও বলেন, কঠিন রোগে আক্রান্ত হলেও তাঁর মেয়ে দমে যায়নি। সফল ভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করার জন্য সে এতদিন পুরোদমে পড়াশুনা চালিয়ে গিয়েছে । সামিনার মা নূরজাহান বেগম বলেন, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাপাতালেই তাঁর মেয়ের চিকিৎসা চলছে। কোন সহৃদয় মানুষ যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তবে মেয়েকে ভিন রাজ্যের বড় কোন হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যেতে পারেন।বনবিবিতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল রায় বলেন, সামিনা খাতুন আমাদের বিদ্যালয়ের এ- বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। দুবছর আগে ওর শরীরে ক্যানসার ধরা পড়ে। তারপর থেকে ধারাবাহিক ভাবে ওর চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে যতটা সম্ভব সামিনাকে সাহায্য করা হয়েছে। সামিনা মাধ্যমিক পরীক্ষায় স-সন্মানে যাতে উত্তীর্ণ হতে পারে তার জন্য বিদ্যালয়ের তরফে সমস্তরকম সহযোগিতা ওর জন্য থাকছে। শ্যামল বাবু এও বলেন, সামিনা আমাদের চোখে জীবন সংগ্রামের যোদ্ধা। জীবন যুদ্ধেও সামিনা যাতে জয়ী হতে পারে সেই লড়াইয়েও সামিনার পাশে রয়েছেন বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক শিক্ষিকারা। মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার কমিটির বৈঠকের সময়ে সামিনার অসুস্থতার বিষয়টি বিদ্যালয়ের তরফে লিখিত ভাবে জানিয়ে রাখা হয়েছে।পরিক্ষার দিনগুলিতেও সামিনাকে যাতে কোন অসুবিধায় পড়তে না হয় সেই বিষয়েও বিদ্যালয় নজর রাখবে বলে প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন। জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন,ব্লক প্রশাসনও মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ে অসুস্থ ছাত্রী সামিনার পাশে থাকবে। ওর যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন হবে তা নেওয়া হবে।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুটি লক্ষ্য নিয়ে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এটিকে মোহনবাগান। সেই দুটি লক্ষ্য কী?‌

দুটি লক্ষ্য নিয়ে সোমবার আইএসএলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এক, লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ উইনার্স শিল্ড জেতা। দুই, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ছাড়পত্র জোগাড় করা। আইএসএলে লিগ পর্যায়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিতলেই দুটি লক্ষ্য পূরণ হবে এটিকে মোহনবাগানের। সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো মনে করেন তাংর দলের ২৩ গোলের ব্যবধানে জেতার ক্ষমতা আছে।গত মরশুমে অল্পের জন্য লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। এমনকি গোটা আইএসএলে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েও রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট হয়েছিল আন্তোনীও হাবাসের দলকে। এই মরশুমে হাবাসের কোচিংয়ে প্রথম দিকে ছন্দে ছিল না সবুজমেরুণ ব্রিগেড। তাঁকে সরিয়ে জুয়ান ফেরান্দোকে দায়িত্ব দিতেই ঘুরে দাঁড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ফেরান্দোর সামনে এবার চ্যালেঞ্জ দলকে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ করে দেওয়া। সামনে মাত্র আর একটা ধাপ। জামশেদপুর এফসিকে ২ গোলের ব্যবধানে হারালেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে এটিকে মোহনবাগান। সবুজমেরুণ ব্রিগেডের সামনে লক্ষ্যটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। আগের ম্যাচে ওডিশা এফসিকে ৫১ ব্যবধানে উড়িয়েছে দিয়েছে, গোলের মধ্যে রয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের বাতিল ঘোড়া ড্যানিয়েল চিমা। ৮ ম্যাচে ৭ গোল করে রীতিমতো নজর কেড়েছেন জামশেদপুর এফসির জার্সিতে। লিগ শীর্ষে পৌঁছতে গেলে এইরকম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। যা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। প্রথম পর্বে এই জামশেদপুর এফসির কাছে ২১ ব্যবধানে হেরেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচের কথা মাথায় রাখছেন না বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানোর চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন। তাঁর বিশ্বাস, ফুটবলাররা পরিকল্পনামাফিক খেলতে পারলে জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানো সম্ভব। তিনি বলেন, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে গেলে প্রতি ম্যাচে তিন পয়েন্ট জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হয়। আমাদের ২০ বা ৩০ গোলে জিততে হবে, এটা একটা ভাল চ্যালেঞ্জ। এর আগে প্রায় সব ম্যাচেই আমরা এরকম লক্ষ্য নিয়েই নেমেছি। তাই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এখন প্রতি মিনিট ধরে ধরে খেলতে হবে। শেষ ম্যাচে লিগশিল্ড জেতার এটা একটা বড় সুযোগ। এর জন্য আমি কোনও চাপ অনুভব করছি না। বরং আমি খুশি যে এ রকম একটা সুযোগ আমি আবার পেয়েছি। আমার দল চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি। চোটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না হুগো বোমাস। শুরু থেকেই আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্ব রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংয়ের ওপর। পরিবর্ত হিসেবে নিয়ে আসবেন ডেভিড উইলিয়ামসকে। মাঝমাঠে বড় ভরসা জনি কাউকো। তাঁকে সাহায্য করবেন কার্ল ম্যাকহিউ ও দীপক টাংরি। রক্ষণ সামলাবেন প্রীতম, সন্দেশ, তিরি, শুভাশিস।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সাম্প্রতিক ফর্ম আশা জাগাচ্ছে রনজিতে, টানা তৃতীয় জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলা

বছর দুয়েক আগে তীরে এসে তরী ডুবেছিল বাংলার। রনজি ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। সৌরাষ্ট্রের কাছে কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল বাংলাকে। এবছর চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কিনা, সময়ই বলবে। তবে অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সাম্প্রতিক ফর্ম দেখে আশাবাদী হতেই পারেন বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা। বরোদা ও হায়দরাবাদকে প্রথম দুই ম্যাচে হারানোর পর চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধেও চালকের আসনে বাংলা। বাংলার ৪৩৭ রানের জবাবে চণ্ডীগড় প্রথম ইনিংসে শেষ ২০৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৮১ ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলা। জয়ের জন্য ৪১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে চণ্ডীগড় তুলেছে ১৪/২।প্রথম ইনিংসে ২৩১ রানে এগিয়ে যায় বাংলা। সুযোগ ছিল চণ্ডীগড়কে ফলোঅন করানোর। সেই রাস্তায় হাঁটেনি বাংলা। ব্যাটারদের প্র্যাকটিসের সুযোগ দিকেই আবার ব্যাট করতে নামে। প্রথম ইনিংসে চণ্ডীগড় যে বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারবে না, দ্বিতীয় দিনের শেষেই ছবিটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। ৬ উইকেটে ১৩৩ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল। অঙ্কিত কৌশিক ৩০ রানে ও গৌরব গম্ভীর ১১ রানে ক্রিজে ছিলেন। গৌরভ গম্ভীরকে (১৩) দিনের শুরুতেই তুলে নেন মুকেশ কুমার। দলের ২০৬ রানের মাথায় ঈশান পোড়েলের বলে অঙ্কিত কৌশিক আউট হন। তিনি করেন ৬৩। একই ওভারে শ্রেষ্ঠ নির্মোহিকে (০) তুলে নেন ঈশান। জশকরণদীপ সিংকে (৩১) তুলে নিয়ে চণ্ডীগড়কে ২০৬ রানে গুটিয়ে দেন শাহবাজ আমেদ। বাংলার হয়ে নীলকন্ঠ দাস ৩টি, মুকেশ কুমার, ঈশান পেড়েল ও সায়নশেখর মণ্ডল ২টি করে উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। নবম ওভারেই ফিরে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন। তিনি মাত্র ১৪ রান করে আউট হন। বাংলার রান তখন ১৮। আর এক ওপেনার সুদীপ ঘরামি (১৩), তিন নম্বরে নামা ঋত্বিক রায়চৌধুরীও (৬) ব্যর্থ। ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলা। মনোজ তেওয়ারিও(১৩) রান পাননি। অনুস্টুপ মজুমদার (৪৩) কিছুটা লড়াই করেন। ১২০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। অভিষেক পোড়েল (৩৮) ও শাহবাজ আমেদ (৩২) কিছুটা লড়াই করেন। ৮ উইকেটে ১৮১ তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলা। জয়ের জন্য ৪১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চণ্ডীগড়ও শুরুতে ধাক্কা খায়। সপ্তম ওভারে আর্সলান খানকে (৪) তুলে নেন মুকেশ কুমার। আর এক ওপেনার হারনুর সিংকে (১০) ফেরান ঈশান পোড়েল। দিনের শেষে চন্ডীগড় ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৪। শেষদিনে জয়ের জন্য বাংলার প্রয়োজন ৮ উইকেট।

মার্চ ০৫, ২০২২
বিদেশ

পোলান্ড সীমান্তের কাছে গুলিবিদ্ধ ভারতীয় পড়ুয়া, ভর্তি হাসপাতালে

কিভ থেকে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হলেন ভারতীয় পড়ুয়া। কিভ থেকে পোলান্ড সীমান্তের দিকে আসার পথে এই পড়ুয়া গুলিবিদ্ধ হন। তাঁকে মাঝ পথ থেকে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়ে কিভের একটা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। অসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী ভিকে সিং বিষয়টি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, কিভের একজন ছাত্র গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং তাকে অবিলম্বে কিভের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে ওই ছাত্রের পরিচয় এখনও প্রকাশ্যে আনা হয়নি।এর আগেও রুশ হামলার মুখে পড়ে প্রাণ হারান কর্নাটকের বাসিন্দা এক মেডিক্যাল পড়ুয়া। মঙ্গলবার খারকিভে বোমা বিস্ফোরণের ফলে এই ভারতীয় পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। এই পড়ুয়া উত্তর কর্নাটকের বাসিন্দা। মৃত পড়ুয়ার নাম নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধর। নবীন মেডিক্যাল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে দোকানের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন নবীন। সেই মুহূর্তেই ওই জায়গায় আছড়ে পড়ে রুশ বোমা। এর ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ইউক্রেনে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনতে ১৯টি বিমান চালাচ্ছে বায়ুসেনা এবং দেশের বিমান সংস্থাগুলি। বৃহস্পতিবার থেকেই উদ্ধারকাজে নেমেছে এই বিমানগুলি। এদিকে যুদ্ধ কবলিত ভিন্ দেশ থেকে ঘরে ফেরার চেষ্টা। কিন্তু সীমান্ত পেরোনোর আগেই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে সর্বস্ব লুট। কনকনে শীতে গরম জামা-জুতো লুট করতেও কার্পণ্য করেনি লুটেরা। এমন অবস্থায় এক ইউক্রেনীয় পরিবারে তিন রাতের আশ্রয় মেলে। অবশেষে প্রবাসী বাঙালির সাহায্যে পোল্যান্ডের অ্যাম্বুল্যান্সে চড়ে সীমান্ত পার। জীবনের এমনই ঘটনাবহুল কয়েকটি দিন কাটিয়ে আজ, শুক্রবার পোল্যান্ড থেকে উড়ানে ফিরছেন অসমের গুয়াহাটির বাসিন্দা এক যুবক। ঘটনার আকস্মিকতায় বিধ্বস্ত যুবক পিছনের কটা দিন মনে করতেই বার বার আতঙ্কিত এবং উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল এটিকে মোহনবাগান, এবার লড়াই শীর্ষস্থানের

লিগশিল্ড শেষ পর্যন্ত কি স্পর্শ করতে পারবে এটিকে মোহনবাগান? যে দল লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকে, তারাই লিগশিল্ড পায়। কেরালা ব্লাস্টার্স ও ওডিশা এফসির কাছে আটকে যাওয়ার পর আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল। অঙ্কটা বদলে দিয়েছিল হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে জামশেদপুর এফসির জয়। লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে জিততেই হত এটিকে মোহনবাগানকে। চেন্নাইনকে ১০ ব্যবধানে হারিয়ে জামশেদপুর এফসির ওপর চাপ বাড়াল সবুজমেরুণ শিবির। একই সঙ্গে তৃতীয় দল হিসেবে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করল জুয়ান ফেরান্দোর দল। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল এটিকে মোহনবাগান। প্রথম একাদশে রেখেছিলেন রয় কৃষ্ণাকে। মনবীরকে সেন্টার ফরোয়ার্ড করে দিয়ে রয় কৃষ্ণাকে উইংয়ে এনেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। অনভ্যস্ত পজিশনে খেলেও প্রথমার্ধে দুদুটি সুযোগ পেয়েছিলেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। ২ মিনিটে জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের ডানদিক থেকে শট নিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। তাঁর সেই শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। মনে হচ্ছিল, দিনটা বুঝি এটিকে মোহনবাগানের নয়। কিন্ত ভুল ভাঙতে দেরি হয়নি। এরপর আধিপত্য বজায় রেখে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। তবে গোল আসছিল না। শুরুতেই জ্বলে ওঠা ছাড়া রয় কৃষ্ণাও সুবিধা করতে পারছিলেন না। তবে বিরতির ঠিক আগের মুহূর্তে আবার জ্বলে ওঠেন রয় কৃষ্ণা। এবারও সেই জনি কাউকোরয় কৃষ্ণা যুগলবন্দী। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে ডানদিক থেকে বল ধরে এগিয়ে যান জনি কাউকো। বক্সের বাইরে থেকে দুরন্ত পাস বাড়ান রয় কৃষ্ণার উদ্দেশ্যে। ডানপায়ের কোনাকুনি শটে গোল করেন রয় কৃষ্ণা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই চাপ বাড়ায় চেন্নাইন এফসি। এইসময় এটিকে মোহনবাগান রক্ষণকে বেশ নড়বড়ে মনে হচ্ছিল। ৬৩ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল চেন্নাইন এফসি। রেগান সিংয়ের শট পোস্টে লেগে ফেরে। এদিন লিস্টন কোলাসো নিজের সেরা ছন্দে ছিলেন না। ৬৯ মিনিটে তাঁকে তুলে নিয়ে প্রবীর দাসকে নামান জুয়ান ফেরান্দো। একই সঙ্গে তুলে নেন জনি কাউকোকে। দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময় কোনও দলই গোল করার মতো তেমন সহজ সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ১৯ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে পৌঁছল এটিকে মোহনবাগান। টপকে গেল হায়দরাবাদ এফসিকে। ১৯ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৩৫। ১৮ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির পয়েন্ট ৩৭। তারাই রয়েছে শীর্ষে। পরের ম্যাচে জামশেদপুর খেলবে ওডিশার বিরুদ্ধে। এটিকে মোহনবাগানকে শীর্ষে পৌঁছতে গেলে শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসিকে শেষ ম্যাচে হারাতেই হবে।

মার্চ ০৩, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের জয়জয়কারের মধ্যেও কাটোয়ায় রবির গড়ে কুপোকাত বীরভূমের কেষ্টর অনুগত প্রার্থী

বিধানসভা ভোটের পর পুর ভোটেও রাজ্য জুড়ে দাপট অব্যাহত রাখলো ঘাসফুল শিবির। যার ব্যতিক্রম ঘটেনি পূর্ব বর্ধমানেও। এই জেলার ছয়টি পুরসভাতেও নিরঙ্কুশ জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল। একমাত্র কালনা পুরসভায় বামেরা অস্তিত্ব জানান দিতে পেরেছে । তবে এতকিছুর মধ্যেও রবির গড় কাটোয়া পুরসভার ভোটে নজরকাড়া পরিজয় ঘটেছে বীরভূমের কেষ্ট মণ্ডলের অনুগামী তৃণমূল প্রার্থীর।যা নিয়েই এখন সরগরম কাটোয়ার রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা ভোটের ফলাফল বুধবার ঘোষনা হতেই রাজ্যজুড়ে বইতে শুরু করে সবুজ আবিরের ঝড়। হোলির আগেই এদিন সবুজ আবিরে মাখামাখি হয়ে অকাল হোলিতে মাতোয়ারা হয় বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া,দাঁইহাট,মেমারি ও গুসকরা পৌরসভা এলকার তৃণমূল কর্মীরা। বর্ধমান পুরসভায় বিরোধীরা খাতাই খুলতে পারেনি। এমনকি ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান পুরসভার যে যে ওয়ার্ডে বিজেপি ভাল ফল করেছিল সেই সব ওয়ার্ড সহ ৩৫ টি ওয়ার্ডেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীরা।একই ভাবে গুসকরা পুরসভার ১৬ টি ওয়ার্ড ও দাঁইহাটের ১৪ টি ওয়ার্ডে একচ্ছত্র আধিপত্য লাভ করেছে তৃণমূল।এই তিন পুরসভায় বিরোধীরা খাতা খুলতে না পারলেও মেমারির ঘাসফুলের খেতে অপ্রত্যাশিত ভাবেই হাত তুলে বসেছে কংগ্রেস ।কিন্তু কোনভাবেই অস্তিত্ব জানান দিতে না পেরে বিনয় কোঙারের গড়ে হারিয়েই গেল কাস্তে হাতুড়ি তারা। মেমারি পৌরসভায় মোট ওয়ার্ড ১৬ টি।এরমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ১৫ টি ওয়ার্ডে।শুধুমাত্র ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী মিঠু সরকার। ভোট প্রাপ্তির হিসাব অনুয়ায়ী মেমারিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বামেরা। কালনা পৌরসভায় ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭ টি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীরা।শুধুমাত্র কালনার ২ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী শর্মিষ্ঠা নাগ সাহা তাঁর প্রতিদ্বন্দি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তনুশ্রী বাগকে ১৮১ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন। ঘাসফুলের দখলে গিয়েছে কাটোয়া পুরসভা। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টপাধ্যায় ওরফে রবি ববুর গড় হিসাবেই পরিচিত কাটোয়া। এই পুরসভার ২০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫ টি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থীরা। ৪ টি ওয়ার্ডে কংগ্রেস প্রার্থী ও ১ টি ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। কাটোয়ায় পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীদের মধ্যে যাঁকে নিয়ে সব থেকে বেশী চর্চা হচ্ছে তিনি হলেন অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও ওরফে কেষ্টর অনুগত অরিন্দম বাবু কাটোয়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এদিন ফল বের হতেই দেখাযায় তিনি কংগ্রেস প্রার্থী রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ১১০ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। পরাজয়ের জন্য নিজের দলের লোকজনকেই দায়ী করেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,দলের চক্রান্তের জন্যই হেরেছি। অরিন্দমবাবু অভিযোগে বলেন,তৎকাল তৃণমূল কর্মীরা চক্রান্ত করে আমাকে হারিয়েছে। আমি সমস্ত ঘটনা রাজ্য নেতৃত্বকে জানাব। কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে তৃণমূলের প্রার্থীকে হারিয়ে জঘন্য রাজনীতি করেছে। কেষ্ট মণ্ডলের ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতা অরিন্দম বন্দ্যেপাধ্যায়ের এইসব অভিযোগ নিয়ে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি । তবে অরিন্দমের বক্তব্য নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে দেরি করেননি জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন ,যে প্রার্থী তাঁর নিজের দলের জেলা সভাপতিকে হরিদাস পাল,চোরের সর্দার বলে তাচ্ছিল করেন তাঁর এমন পরিণতি কথা আগে থেকেই ভেবে রেখে ছিলেন কটোয়াবাসী। সেই মতই কাটোয়ার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জিতেয়েছে।আমাকে কোন দল সাহায্য করেনি। কোটোয়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে হেবি ওয়েট তৃণমূল প্রার্থীর পরাজয়ের জেরে কাটোয়ার নতুন গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব মাথা চাড়া দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শীর্ষে থাকা জামশেদপুরের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমানোই লক্ষ্য জুয়ান ফেরান্দোর

১৮ ম্যাচে এই মুহূর্তে ৩৪ পয়েন্ট এটিকে মোহনবাগানের। আইএসএলের লিগ টেবিলে তিন নম্বরে রয়েছে সবুজমেরুন শিবির। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে জুয়ান ফেরান্দোর দল। জিতলে আরও একবার সেমিফাইনাল নিশ্চিত। একইসঙ্গে শীর্ষে থাকা জামশেদপুর এফসি-র সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধানও কমিয়ে ফেলতে পারবে এটিকে মোহনবাগান। সেই দিকেই তাকিয়ে বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। মঙ্গলবার হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে জামশেদপুর এফসি-র জয়ই চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। শীর্ষে ওঠার লড়াই অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে জিতলে জামশেদপুর এফসি-কে ধরে ফেলবে এটিকে মোহনবাগান। এক ম্যাচ বেশি খেলে পৌঁছবে দ্বিতীয় স্থানে। জামশেদপুর এফসি-র ম্যাচ বাকি ওড়িশা এফসি ও এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে। যদি ওড়িশার কাছে জামশেদপুর হারে, তাহলে এটিকে মোহনবাগান ও জামশেদপুর এফসি ম্যাচ হয়ে দাঁড়াবে লিগ শীর্ষে পৌঁছনোর লড়াই। আপাতত এসব অঙ্ক নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে চেন্নাইন এফসি ম্যাচে ৩ পয়েন্ট তোলার দিকে তাকিয়ে সবুজমেরুন কোচ জুয়ান ফেরান্দো। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দোকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে চেন্নাইন এফসি-র সাম্প্রতিক ফর্ম। ১৯ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে ৮ নম্বরে রয়েছে চেন্নাইন। দলের আত্মবিশ্বাসও তলানিতে। এই অবস্থায় জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য গোল পার্থক্য যথাসম্ভব বাড়িয়ে নেওয়া। যদিও চেন্নাইনকে যথেষ্ঠ গুরুত্ব দিচ্ছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওদের হারানোর কিছু নেই। মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে। কিন্তু আমাদের হারানোর অনেক কিছুই রয়েছে। ম্যাচ জেতার জন্য শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ফুটবল খেলতে হবে।গোলের জন্য লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংয়ের দিকে তাকিয়ে বাগান কোচ। আগের ম্যাচে লালকার্ড দেখায় রয় কৃষ্ণা খেলতে পারবেন না। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসরা ভাল ছন্দে নেই। তাই ফর্মে থাকা লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংই ভরসা বাগান কোচের। সদ্য চোট সরিয়ে উঠেছেন বোমাস ও উইলিয়ামস। তাঁদের শুরু থেকে খেলবেন কিনা, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলেননি জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওরা কী অবস্থায় রয়েছে, ম্যাচের আগে দেখে সিদ্ধান্ত নেব।

মার্চ ০২, ২০২২
রাজনীতি

বিপুল জয়ের পর দায়িত্ব আরও বাড়ল, টুইট করে নম্র হওয়ার বার্তা মমতার

বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল তৃতীয়বার ক্ষমতায় এলেও বিরোধী হিসেবে আসন সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছিল বিজেপির। তবে পরপর তিন পুর নির্বাচনে কার্যত নিরঙ্কুশ জয় এসেছে ঘাসফুল শিবিরেই। কলকাতা পুরনিগমে গুটিকয়েক ওয়ার্ড বাদ দিতে সবকটিই এসেছে তৃণমূলের হাতে। পরে রাজ্যের বাকি চার পুরনিগমের নির্বাচনেও সবকটিতে জয়ী হয় তৃণমূল। আর এবার ১০৮ পুরসভার নির্বাচনেও একই ট্রেন্ড। ১০০-র বেশি আসনে জয়ী তৃণমূল। থাকাই খুলতে পারল না বিজেপি। সেই ফল প্রকাশের পর টুইটে প্রতিক্রিয়া দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Let victory enhance our responsibility and dedication. Let triumph impart humility. Let us together work for peace, prosperity and development of the state.Jai Bangla!(2/2) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) March 2, 2022জয়ী যে হচ্ছেন, সে ব্যাপারে সারা রাজ্যের কারও কোনও সন্দেহ ছিল না। কৌতূহল ছিল, কী ভাবে জিতবেন। টুইট করে দলের জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানালেন তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অভিনন্দনের পাশাপাশিই জয়ী সৈনিকদের মমতার পরামর্শ এবং সতর্কবার্তা, এই জয় যেন আমাদের আরও দায়িত্ববান এবং নম্র হতে শেখায়। অর্থাৎ বিপুল জয়ের ফলে যেন দলের কর্মীরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে না ভোগেন। যেন তাঁরা ভুলে না যান, মানুষের জন্যই তাঁরা এই জায়গায় পৌঁছেছেন। নিজেদের দায়িত্ব পালনে যেন তাঁরা চ্যুত না হন।বুধবার দুপুর সওয়া ১টা নাগাদ যখন পুরসভা ভোটের গণনা থেকে সম্ভাব্য ফলাফল প্রায় নিশ্চিত, তখন পরপর দুটি টুইট করেন মমতা। প্রথমে মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ জানান পুরসভায় তৃণমূলকে বেছে নেওয়ার জন্য। তার পরে তিনি অভিনন্দন জানান পুরভোটে জয়ী দলীয় প্রার্থীদের। সেটা প্রত্যাশিতই ছিল।এর পরেই দ্বিতীয় টুইটে মমতা লেখেন, এই জয় যেন আমাদের দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি করে। মানুষের প্রতি আমাদের আনুগত্য বৃদ্ধি করে। জয় যেন আমাদের আরও নত হতে শেখায়। মমতা লেখেন, আসুন, আমরা একসঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে উন্নয়ন এবং সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করি। মমতা তাঁর অভিনন্দনজ্ঞাপক টুইট শেষ করেন জয় বাংলা লিখে।

মার্চ ০২, ২০২২
রাজ্য

গুরুংদের হটিয়ে পাহাড়ে উদয় হামরো পার্টির

পাহাড়ে এবার নতুন শক্তির জয়জয়কার। মাত্র মাস তিনেক আগে জন্ম নেওয়া হামরো পার্টির জয়জয়কার। মোট ৩২টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৮টিতে জয় পেয়ে পাহাড়ি পুরসভার দখল নিতে চলেছে অজয় এডওয়ার্ডের দল। ৩২টি ওয়ার্ডে লড়াই করে বিজেপি এবং তৃণমূলকে অনেকটা পিছনে ফেলে দিল নতুন এই দল। শুধু তাই নয়, পাহাড়ে তৈরি হল নতুন প্রশ্ন।পুরভোট হোক বা বিধানসভা বরাবরই গোটা রাজ্যের নজরে থাকে উত্তরবঙ্গের রাজনীতি। যেই সময় গোটা দক্ষিণবঙ্গে সবুজ ঝড় বইছিল সেই সময় পাহাড়ের রাজনীতি বলেছে অন্য কথা। বরাবরই সেখানে একপেশে দাপট ছিল বিজেপির। তবে পুরভোটের ফল বলে দিল অন্য গল্প। দার্জিলিং পুরসভা গঠন করল হামরো। বিগত কয়েক বছরের লোকসভা ভোটের ফলাফল দেখলে বোধগম্য হয় যে পাহাড়ে বিজেপির জোর কতখানি। কখনও যশবন্ত সিনহা, কখনও আলুওয়ালিয়া, কখনও বা রাজু বিস্তা! পদ্মের মধ্যে ঘাসফুল কিন্তু দাঁত ফোটাতে সফল হয়নি। গতবছর বিধানসভা ভোটের সময় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন। ভোটের সময় দিয়েছিলেন প্রচুর প্রতিশ্রুতিও। কিন্তু দার্জিলিংয়ের মানুষ দুহাত ভরে আশীর্বাদ করেননি তৃণমূলকে। প্রবল আশা সত্ত্বেও সেখানে জিততে পারেনি মমতার দল।We proudly present to you our powerful and inspiring team of candidates for the 2022 Municipality Elections.#votefordarjeeling pic.twitter.com/AX2EqHRRYk Hamro Party (@HamroParty) February 9, 2022২০২১ সালের ২৫ নভেম্বর। জন্ম হয় হামরো পার্টির। পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন সংযোজন নিয়ে আসে বিখ্যাত গ্লেনারিস রেস্তরাঁর কর্তা অজয়। ফল ঘোষণার ঠিক ৯২ দিন আগে মিরিকে জন্ম নেওয়া দল যে এমন সাফল্য দেখাবে, তা হয়তো ভাবতেও পারেনি শৈলশহর। হামরো প্রধান অজয় শৈলশহরে অবশ্য পরিচিত মুখ। অজয় গ্লেনারিজ রেস্তোরাঁর কর্তা হিসেবে যথেষ্ট পরিচিত। রাজনীতি করতেন। এক সময় জিএনএলএফ-এর দার্জিলিং শাখার সভাপতিও ছিলেন। জানা যায়, মন ঘিসিংএর সঙ্গে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় অজয় দল ছেড়ে দেন। তারপরে গত নভেম্বরে নিজের দল ঘোষণা। আর মার্চে পুরসভা দখল।

মার্চ ০২, ২০২২
রাজ্য

সবুজ ঝড়ে উড়ে গেল অধিকারীগড়

ফের সবুজঝড়ে বিপর্যস্ত বিরোধিরা। আর সেই ঝড়েই অধিকারীগড় বলে পরিচিত কাঁথি পুরসভার নিয়ন্ত্রণ হারালেন কার্যত হারালেন শিশির অধিকারী এবং তাঁর পরিবার। ফলাফল যে দিকে চলেছে, তাতে কাঁথিতে বোর্ড গড়ছে শাসক তৃণমূল। সম্ভাব্য পুরপ্রধান সুপ্রকাশ গিরি। যিনি ঘটনাচক্রে, জেলার রাজনীতিতে অধিকারী পরিবারের বিরোধী শিবিরের নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরির পুত্র। কাঁথির ফলাফল নিয়ে অবশ্য এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি শুভেন্দু বা বিজেপি-র তরফে।কাঁথি পুরসভায় মোট আসন ২১টি। তার মধ্যে ১৭টিই জিতেছে তৃণমূল। তিনটি গিয়েছে বিজেপি-র ঝুলিতে। কাঁথি উত্তরের দলীয় বিধায়ক সুমিতা সিংহকে পুরভোটে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। তিনি তৃণমূলের কাছে হেরেছেন ৭৭ ভোটে। অবশ্য কাঁথি দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অরূপ দাস ১৭৮ ভোটে জিতেছেন। জিতেছেন তাঁর আরও দুই সতীর্থও। একটি আসন পেয়েছেন নির্দল প্রার্থী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দল বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে কাঁথির মানুষের আনুগত্য-ও বদলে যাবে, এমন একটা ধারণা করেছিল অধিকারী পরিবার। কিন্তু ভোটের ফলাফল তো তেমন বলছেই না, উল্টে দেখা যাচ্ছে, পুরভোটে হেরেছেন কাঁথি উত্তরের বিজেপি বিধায়কও! বিষয়টি শুভেন্দুর পক্ষে আদৌ সুবিধার নয়। যেমন বিষয়টি বিড়ম্বনা বাড়াতে চলেছে প্রবীণ রাজনীতিক শিশিরের পক্ষেও।

মার্চ ০২, ২০২২
রাজ্য

ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় চলছে ১০৭ পুরসভার ভোটগণনা

ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কাল ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের ১০৭ টি পুরসভার ভোট গণনা হবে। আগেই জানানো হয়েছে যে দিনহাটা পুরসভার ১৬ টি আসনের ১৬ টিই তৃণমূল কংগ্রেস দখল করায় ভোট হয়নি। এই ১০৭ টি পুরসভার ভোট গণনা হচ্ছে ১০৭ টি কেন্দ্রে। প্রত্যেক কেন্দ্রের দুশো মিটারের মধ্যে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা। গণনা কেন্দ্রের বাইরে প্রথম স্তরে থাকবে লাঠিধারী পুলিশের সঙ্গে রাজ্য পুলিশের কমব্যাট ফোর্স। দ্বিতীয় স্থানে প্রবেশ করতে গেলে সঙ্গে কাগজ ও কলম ছাড়া সঙ্গে কিছু রাখা যাবে না। এই দ্বিতীয় স্তর এই থাকছে সংবাদমাধ্যমের জন্য পৃথক ব্যবস্থা। তৃতীয় বলয়ে রয়েছে স্ট্রং রুম।এর পাশেই তৈরি করা হয়েছে মূল গণনা কেন্দ্র। এখানেই রয়েছে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী যা ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে। গণনা কেন্দ্রের ভিতরে একমাত্র রিটার্নিং অফিসার মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। গণনা শুরু হয়েছে সকাল আটটা থেকে। প্রথমেই গণনা হবে ভোটের কাজে নিযুক্ত ভোট কর্মীদের। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস জানিয়েছেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজয় মিছিল করা যাবে। কিন্তু কোনওরকম অশান্তি বা গন্ডগোলের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না। রিটার্নিং অফিসার ও পর্যবেক্ষক ছাড়া কেউই গণনা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। গণনাকর্মী ছাড়া পোলিং এজেন্ট, প্রার্থী ও তাঁর সঙ্গে একজন এজেন্ট প্রবেশ করতে পারবে সেখানে। তবে সমস্ত বিধিনিষেধ মেনেই প্রবেশ করতে হবে তাঁদের। ত্রিস্তরীয় সুরক্ষা ব্যবস্থায় প্রথম ধাপে রয়েছে রাজ্য পুলিশের সশস্ত্র বাহিনী ও র্যাফ।দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপেও রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত পুলিশ। তৃতীয় ধাপে সশস্ত্র পুলিশের সঙ্গে ইএফআর জাওয়ানদেরকেও রাখা হবে। প্রথমে গণনা হবে নির্বাচন কর্মীদের ভোটের। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দিনহাটা পুরসভা তৃণমূলের দখলে আসায় রবিবার ভোট হয়েছিল ১০৭টি পুরসভার। রবিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ৭৬.৫১ শতাংশ। কমিশন সূত্রে খবর, সমস্ত বুথে ভোট শেষের পরে তা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৭৮.০৩ শতাংশে। মোট ভোট পড়েছে ৭১ লক্ষ ৮৮ হাজার ৫৬৮। সর্বাধিক ভোট নেওয়া হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। ৮৬.১৫ শতাংশ। বীরভূম, হাওড়া, মালদহ, পূর্ব বর্ধমান ও উত্তর দিনাজপুর-সহ মোট দশটি জেলায় ৮০ শতাংশের উপর ভোট পড়েছে। বাঁকুড়া, কোচবিহার, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা-সহ আট জেলায় ৭০ শতাংশের উপর ভোট পড়েছে। সোমবার কমিশনের কাছে আরও ৪০০টি অভিযোগ জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে কমিশনে অভিযোগ জমা পড়েছে ১৪০০টি।

মার্চ ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌আশার আলো লালহলুদে, নতুন স্পনসরের সঙ্গে চলতি সপ্তাহেই চুক্তি হতে চলেছে

এসসি ইস্টবেঙ্গলকে এই রকম করুণ অবস্থায় কি পড়তে হয়েছে? ১৯২৮ সালে একবার চরম লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছিল লালহলুদকে। সেবছর কলকাতা ফুটবল লিগে প্রথম ডিভিশন থেকে দ্বিতীয় ডিভিশনে নেমে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। আইএসএলে অবনমন থাকলে আবার সেই রকম চরম লজ্জার মুখে পড়তে হত। এ যাত্রায় বেঁচে গেছে লালহলুদ। তবে লাস্ট বয় হওয়ার লজ্জাও কোনও অংশে কম নয়। লিগের শেষ ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জিতলেও দশম স্থানে পৌঁছতে পারবে না। কারণ পয়েন্টের বিচারে নর্থইস্ট ইউনাইটেডের সঙ্গে একই বিন্দুতে অবস্থান করলেও প্রথম সাক্ষাৎকারে নর্থইস্টের কাছে পরাজয় এসসি ইস্টবেঙ্গলকে পিছিয়ে দিয়েছে। এরই মাঝে সুখবর লালহলুদ সমর্থকদের কাছে। সামনের মরশুমের জন্য স্পনসর পেতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। বাংলাদেশের বসুন্ধরাকে সামনের মরশুমের জন্য স্পনসর হিসেবে হয়তো দেখা যাবে। কয়েকদিন আগেই বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভিকে কলকাতায় ডেকে এনে ক্লাব তাঁবুতে জমকালো সংবর্ধনা দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ক্লাবের আজীবন সদস্যপদও তুলে দেওয়া হয়েছে। তখন থেকেই একটা বিষয় পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল যে, বসুন্ধরা গ্রুপকে স্পনসর হিসেবে পেতে চান তাঁরা। কলকাতাতেই স্পনসরশিপের ব্যাপারে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে দুই পক্ষের। দ্রুত চুক্তি সারতে আগ্রহী দুপক্ষই। তাই লালহলুদ কর্তাদের ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়েছেন শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র লিমিটেডের কর্তারা। লালহলুদ কর্তারা এবার বাংলাদেশ যাচ্ছেন। হঠাৎ কেন ইস্টবেঙ্গলের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠল বসুন্ধরা গ্রুপ? ইস্টবেঙ্গলের বর্তমান স্পনসর শ্রী সিমেন্ট সামনের মরশুমে যে আর থাকবে না, এটা দিনের আলোর মতো পরিস্কার। এই অবস্থায় নতুন লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁরা যোগাযোগ করেন বসুন্ধরা গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে। বসুন্ধরাও এমন একটা ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়, যাদের এশিয়ান লেভেলে পরিচিতি আছে। বসুন্ধরা গ্রুপ চায় ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের পরিচিতি আরও বাড়াতে। বাংলাদেশে তিনটি বড় ক্লাবকে স্পনসর করছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এবার বিদেশের মাটিতে পা রাখতে চায়। বিনিয়োগের ব্যাপারে বসুন্ধরা গ্রুপের ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের একাধিকবার কথা হয়েছে। এখন শুধু সংযুক্ত হওয়ার পালা। চলতি সপ্তাহেই ইস্টবেঙ্গলের এক শীর্ষ কর্তা আইনজীবী নিয়ে বাংলাদেশ যাবেন।

মার্চ ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছতে পারবে এটিকে মোহনবাগান?‌ কী বলছেন জুয়ান ফেরান্দো

আইএসএলের লিগ টেবিলে শীর্ষস্থানে কি শেষ করতে পারবে এটিকে মোহনবাগান? কাজটা কঠিন হলেও আত্মবিশ্বাসী সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।কেরালা ব্লাস্টার্স ও ওডিশা এফসির কাছে পরপর দুম্যাচ ড্র করে কিছুটা হলেও চাপে পড়ে গিয়েছিল সবুজমেরুণ শিবির। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয় শুধু চাপই কাটায়নি, লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াইয়েও সামিল করেছে এটিকে মোহনবাগানকে। যদি বেঙ্গালুরুর কাছে হারত, তাহলে প্লে অফে ওঠাও কঠিন হয়ে যেত। দলের ফুটবলাররা যেভাবে লড়াই করেছেন, তাতে খুশি জুয়ান ফেরান্দো। সবুজমেরুণ কোচ বলেন, আমাদের কাছে সময়টা সত্যিই খুব কঠিন যাচ্ছে। কোভিড, কোয়ারান্টাইন, যথেষ্ট অনুশীলনের অভাব নিয়ে আগেও অনেকবার বলেছি। সব ক্লাবেরই একই পরিস্থিতি। তবে আমি খুশি। কারণ, কঠিন সময়ে দলের প্রত্যেকেই নিজের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছে। ছেলেদের মানসিকতা, চারিত্রিক দৃঢ়তার প্রশংসা করতে হবে। আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আরও কঠিন। কারণ, আমি দলের সঙ্গে ডিসেম্বরে যোগ দেওয়ায় ক্লাবের প্রাক মরশুম প্রস্তুতিতে ছিলাম না।দুম্যাচ পর দল জয়ে ফিরেছে। সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত। আপাতত চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে পরের ম্যাচ নিয়েই ভাবছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট তুলে নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষস্থানের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এটিকে মোহনবাগান কোচ বলেন, মনে হচ্ছে পরীক্ষা দিতে বসেছি। পরের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মাত্র দুদিন হাতে আছে। চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে পরের ম্যাচ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ৩ পয়েন্ট পেতেই হবে। না হলে শীর্ষস্থানের লড়াই থেকে ছিটকে যাব।লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছনোর ব্যাপারে আশাবাদী এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দো বলেন, আশা করছি লক্ষ্যে পৌঁছতে পারব। তবে ওডিশা ম্যাচের পরে আমাদের হাতে আর কিছু নেই। যেটা আমাদের হাতে আছে, তা হল চেন্নাইন ও জামশেদপুরকে হারানোর চেষ্টা করা। কারণ, এই দুই ম্যাচে আমাদের শক্তিক্ষয় হতে পারে। তার পরে মুম্বই-হায়দরাবাদ, হায়দরাবাদ-জামশেদপুর ম্যাচগুলোর ওপরও নির্ভর করবে আমাদের ভবিষ্যৎ। দেখা যাক কী হয়। আশা করব পরিস্থিতি আমাদের পক্ষেই থাকবে। লিগ টেবলের শীর্ষে ওঠার কথা ভাবার চেয়ে এখন পরের দুই ম্যাচ থেকে ৬ পয়েন্ট অর্জনের কথা বেশি ভাবাই ভাল। তার পরে দেখা যাবে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বাংলা বনধে অশান্তি জেলায় জেলায় , কঠোর নবান্নও

পুরভোটে অশান্তিকে কেন্দ্র করে আজ রাজ্যজুড়ে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।এই পুরভোট বাতিল করে ফের ভোট করার দাবিও তুলেছে তারা। সকাল হতেই জেলায় জেলায় অবরোধ শুরু করেছেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। যদিও কলকাতায় বনধের প্রভাব সকালের দিকে তেমন একটা চোখে পড়েনি। আবার কোথাও কোথাও বনধের বিরোধিতা করতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল কর্মীরা।এদিকে কাল বনধ ঘোষণার পরই রাজ্য প্রশাসন অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়ে দিয়েছে, জনজীবন সচল রাখার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে। কোথাও জোর করে বন্ধ করা বা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা হলে পুলিশ-প্রশাসন কড়া হাতে তার মোকাবিলা করবে বলেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসও আজ শান্তিপূর্ণভাবে বন্ধ বিরোধিতার কথা জানিয়েছে।সোমবার সকাল হতেই হুগলি স্টেশনে রেল অবরোধ করছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ডাউন বর্ধমান লোকাল আটকে থাকে হুগলি স্টেশনে। ভোগান্তিতে পড়েন নিত্যযাত্রীরা।বিজেপির ডাকা বনধে এখন পর্যন্ত আলিপুরদুয়ারে কোনও প্রভাব নেই।উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহনের বাস চলছে। রাস্তায় যানবাহনও চলছে। রাস্তায় দেখা মেলেনি কোন বিজেপি বনধ সমর্থনকারীকে।বনধে কোনও প্রভাব পড়েনি পূর্ব বর্ধমানে। সকাল থেকে সবই স্বাভাবিকভাবেই চলছে। পথে নেমেছে সরকারি বাসের পাশাপাশি বেসরকারি বাস। যান চলাচল একেবারে স্বাভাবিক। মানুষজনও রাস্তায় নেমেছে। তবে বেলা বাড়লে পরিস্থিতি বদলাতে পারে।শিলিগুড়িতেও একই ছবি। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের জন্য পুলিশের ধস্তাধস্তি। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।সোমবার সকাল সকাল বালুরঘাট সরকারি বাস স্ট্যান্ডের সামনে বিজেপি কর্মীসমর্থকদের পিকেটিং বনধ সফলের জন্য। রাস্তায় বসে বাস আটকানোর চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। পুলিশ তুলতে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয়। বিজেপি কর্মীদের চ্যাঙদোলা করে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ।এদিন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় বেশ কয়েকটি কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

এ এক ভিন্ন ছবি, বুথ চত্ত্বরে ভোট উৎসবে মাতলেন শাসক-বিরোধী দলের তিন প্রার্থী

পুর ভোটে ভোট লুট হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে রবিবার সারাটি দিন সোচ্চার থাকে বিরোধীরা। কিন্তু তারাই মধ্যে এদিন সম্পূর্ন উল্টোচিত্র দেখা যায় পূর্ব বর্ধমানের কালনা পৌসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে। এখানকার কালনা হিন্দু গার্লস হাই স্কুলের বুথ চত্ত্বরের বেঞ্চে এক সঙ্গে বসে হাসি ঠাট্টা করে খোশ মেজাজেই দিনটা কাটালেন তৃণমূল, বিজেপি ও সিপিএম প্রার্থীরা। যা দেখে শাসক ও বিরোধী সব দলের ভোটাররা ভিমড়ি খেয়ে যাবার মতন অবস্থা। কিন্তু তিন তৃণমূল প্রার্থী তনুশ্রী বাগ, সিপিএম প্রার্থী শর্মিষ্ঠা বাগ ও বিজেপি প্রার্থী মামনি ঘোষ সেইসবকে কোন গুরুত্বই দিলেন না।বরং এক সুরেই তিন প্রার্থী জানিয়ে দিলেন, কোথায় কি হচ্ছে জানি না। তবে তাঁদের এলাকার ভোটাররা ভোট দিয়ে যাকে খুশি জেতাবেন। সেটাই তাঁরা মাথা পেতে নেবেন।পুরভোটে কালনা পুরসভার একাধিক বুথে ভোট লুট হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয় সিপিএম ও বিজেপি দলের প্রার্থী ও এজেন্টরা । কিন্তু তারই মধ্যে ব্যতিক্রম থাকে কালনা পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড। এই ওয়ার্ডের হিন্দু গার্লস হাই স্কুলের বুথে বসে আড্ডার মাঝেই তৃণমূল, সিপিএম ও বিজেপি দলের প্রার্থীরা ভোটারদের সুবিধা-অসুবিধার বিষয়টি দেখলেন। একই সঙ্গে ভোটসংক্রান্ত নিজেদের নানা কাজ ও যাঁকে ফোন করার তাও করলেন। পাশাপাশি ওয়ার্ডে যখন শাসক-বিরোধীদের মধ্যে প্রতিনিয়ত হাতাহাতি মারামারির উপক্রম তখন তৃণমূলের তনুশ্রী,সিপিএমের শর্মিষ্ঠা ও বিজেপির মামনি এক বঞ্চে একসঙ্গে বসে টিফিন সেরে চা খেয়ে রীতিমতো জমাটি আড্ডাও দিলেন। এনারই যেন বুঝিয়ে দিতে চাইলেন ভোট আসলে গণতন্ত্রের উৎসব।তৃণমূল প্রার্থী তনুশ্রী বাগ বলেন, ভোট উৎসবে খুব ভালোভাবেই ভোট হচ্ছে। আমরা তিন প্রার্থী একসঙ্গে ভোট উৎসব এনজয় করছি। বিজেপির প্রার্থী মামনি ঘোষ দাস বলেন, সকাল থেকে চা,টিফিন সবই আমরা একসঙ্গে খেয়েছি। কোন বিরোধ নয়। নিজেদের মতন করেই আমরা একসঙ্গে ভোট করছি। কোন অসুবিধা হয়নি। সিপিএমের প্রার্থী শর্মিষ্ঠা নাগ সাহা বলেন, মানুষ যাকে ভালোবাসবে তাঁকেই বেছে নেবে। আমারা সেটাই চেয়েছি। ভোটাররা যে রায় দেবেন সেটা আমরা মাথা পেতে মেনে নেব। ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়াটাই হওয়াটাই বড় কথা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বেঙ্গালুরু'কে হারিয়ে লিগের শীর্ষস্থানের লড়াই জমিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান

এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচ দুদলের কাছেই ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে এটিকে মোহনবাগানকে জিততেই হত। অন্যদিকে, প্লে অফের লড়াইয়ের জন্য জেতাটা জরুরি ছিল বেঙ্গালুরু এফসির কাছে। আক্রমণাত্মক ফুটবলের স্ট্র্যাটেজি নিয়েও শেষরক্ষা হয়নি বেঙ্গালুরু এফসির। বাজিমাত করে গেল জুয়ান ফেরান্দোর দল। রবিবার বেঙ্গালুরু এফসিকে ২০ ব্যবধানে হারিয়ে শীর্ষে ওঠার লড়াই আরও জমিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান। ১৮ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ শীর্ষে যাওয়ার দৌড়ে থাকল সবুজমেরুণ শিবির।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির কাছে আটকে গিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার রাস্তায় কাঁটা বিছিয়ে ফেলেছিল এটিকে মোহনবাগান। রবিবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল। সবুজমেরুণের জয়ের নায়ক লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিং। আইএসএলে বিদেশিদের ভিড়ে দারুণ উজ্জ্বল এই দুই ভারতীয়। ডিফেন্সে এদিন প্রাচীর হয়ে দাঁড়ালেন সন্দেশ ঝিঙ্ঘান ও তিরি। এটিকে মোহনবাগানের এই দুই ডিফেন্ডার এদিন কোনও সুযোগ দেননি সুনীল ছেত্রি, ক্লেইটন সিলভা ও ইবারাদের।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে সেভাবে উইং দিয়ে আক্রমণ শানাতে পারেননি লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরা। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে লিস্টন কোলাসো ছন্দে ফিরতেই চেনা বাগান। প্রথমার্ধে বারবার বেঙ্গালুরুর বক্সে পৌঁছে গেলেও গোলমুখ খুলতে পারছিলেন না লিস্টন কোলাসো, মনবীর সিংরা। অবশেষে প্রথমার্ধের একেবারে শেষলগ্নে ডেডলক ভাঙেন লিস্টন কোলাসো। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে বক্সের ঠিক বাইরে লিস্টনকে একসঙ্গে মিলে ফাউল করেন ব্রুনো সিলভা ও অজয় ছেত্রি। রেফারি ফ্রিকিকের নির্দেশ দেন। বাঁক খাওয়ানো দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। এই নিয়ে আইএসএলে ৮টি গোল করে ফেললেন এই ভারতীয় উইঙ্গার।এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচদ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধারা অব্যাহত থাকে এটিকে মোহনবাগানের। ৫৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পারত সবুজমেরুণের। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনননি ইবারা, সুনীলরা। ৮৫ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে গড়ানো শটে গোল করে এটিকে মোহনবাগানের জয় নিশ্চিত করেন মনবীর সিং। প্লে অফের স্বপ্নের সলিলসমাধি ঘটে বেঙ্গালুরুর।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও লুঠের পুরভোটের অভিযোগ তুললেন বিরোধীরা

পুর ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে দলীয় মুখপত্রে বার্তা দিয়েছিল রাজ্যের শাসক দল। কিন্তু বাস্তবে রবিবার পূর্ব বর্ধমান সহ রাজ্যের বিভিন্ন পুর এলাকায় ঠিক তার উল্টোটাই ঘটলো। বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট দেওয়া, বিরোধী দলের এজেন্টের উপরে হামলা সবেতেই অভিযোগের আঙুল উঠলো শাসক দলের দিকে। এমন পুর ভোট দেখে তিতি-বিরক্ত ভোটাররাও। রাজ্যের যে ১০৮ টি পুরসভার নির্বাচন এদিন ভোট হয় তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, মেমারি ও গুসকরা পুরসভাও ছিল। এদিন ভোট শুরুর ঘন্টা খানেকের মধ্যেই গোলযোগ অশান্তি শুরু হয়ে যায় গুসকরা পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে। গুসকরার শান্তিপুর পূর্ব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তিনটি বুধে ব্যাপক গণ্ডগোল বেঁধে যায়। বহিরাগতরা বুধে ঢুকে তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে স্বোচ্চার হয় সিপিএমের প্রার্থী ও এজেন্টরা। একই অভিযোগ তুলে স্বোচ্চার হন এলাকার ভোটাররাও। পুলিশের বিরুদ্ধে নিস্কৃয়তার অভিযোগ তুলে তাঁরা সবাই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুরু হয়ে যায় পুলিশকে লক্ষ করে ইট ছোড়া। ইটের আঘাতে চোট পান গুসকরা ফাঁড়ির আই সি অরুণ সোম সহ ৪ পুলিশ কর্মী। এর পরেই পুলিশ লাঠি চার্জ করে ও লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়। এমন গোলযোগ অশান্তির জন্য প্রায় আধ ঘন্টা ভোট গ্রহন থমকে থাকে সংশ্লিষ্ট বুথে। গুসকরা পুরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দি সিপিএম, বিজেপি উভয় বিরোধী দলের প্রার্থী ও এজেন্ট দের অভিযোগ, বেলা বাড়তেই গুসকরা পুরসভার ১৬ টি ওয়ার্ডের সব বুথেরই দখল নিয়ে নেয় শাসক দলের বহিরাগত দুস্কৃতিরা। ওই দুস্কৃতিরা বিরোধী দলের প্রার্থী, এজেন্ট ও ভোটারদের বুথ থেকে বাইরে বের করে দিয়ে অবাধে ছাপ্পা দিয়ে গেছে। এমনই অভিযোগ এদিন করেছেন জেলা সিপিএম নেতা আলমগীর মণ্ডল ও গুসকরার বিজেপি নেতা পতিতপাবন হালদার।পৌরসভা নির্বাচনএকই ভাবে এদিন কালনা পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডেও গোলযোগ অশান্তির ঘটনা ঘটে। কালনা পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের অম্বিকা মহিষমর্দিনী প্রাথমিক স্কুলের বুথের দরজা বন্ধ করে পুলিসের সামনেই তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা ভোট দেবার অভিযোগ ওঠে। সাংবাদিকদের ক্যামেরাতেও ধরা পড়ে ছাপ্পা ভোট দেবার ছবি। তা বুঝতে পেরেই মুখ ঢেকে বুথ থেকে ছুটে পালায় ওই ভুয়ো ভোটার। ছাপ্পা চলাকালীন ওই বুথে ভোট দিতে গিয়ে নিগৃহীত হয়ে এক ছাত্র বুথ চত্ত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। যদিও এইসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমী কারফা। কালনা পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী শুভদেব হাজরা অভিযোগ করেছেন, কালনার শশীবালা স্কুলের বুথ ভোট শুরুর আগেই তৃণমূল কর্মীরা মারধোর করে তাঁকে বুথ থেকে বের করে দেয় যদিও তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী এই অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। কালনা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও ব্যাপক অশান্তি ছড়ায়। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাধীক বুথে ছাপ্পা ভোট দেওয়া নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সিপিএম প্রার্থী পিয়ালী মুখোপাধ্যায় সহ বাম নেতা কর্মীরা। পিয়ালীদেবী বলেন, ভোটের একদিন আগেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা তাঁকে ব্যাপক মারধোর করে, মাথা ফাটিয়ে দেয়। আর এদিন ভোট শুরুর প্রথম থেকেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা বুথে বুথে ঢুকে ভোট লুঠ শুরু করে দেয়। বাইক বাহিনী হঠাৎ কালনার মহিষমর্দিনী গার্লস স্কুলের বুথে ঢুকে ইভিএম ভেঙে দেয় বলে সিপিএমের অভিযোগ। বাইক বাহিনী সিপিএম প্রার্থী ও কর্মীদের মারধোরও করেছে বলে অভিযোগ। এইসবের জন্য ওই বুথে ভোট বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছালে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। ভোট লুঠের জন্য পুলিশকে দায়ী করে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সিপিএম প্রার্থী ও কর্মীরা। তাঁরা কালনার নিভূজি মোড়ে সড়কপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেয়। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বাম কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। পরে পুলিশ জোর-পূর্বক অবরোধ তুলে দেয়। মেমারি পুরসভার ভোটে তেমন কোন বড়সড় গোলযোগ আশান্তির অভিযোগ বিরোধীরা তোলেন না। তবে এদিন দুপুর ৩টে নাগাদ বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটে মেমারির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতানপুরের ২১০ ও ২১২ নম্বর বুথে। বহিরাগতরা বুথ জ্যাম করে ছাপ্পা ভোট দিতে গেলে বিরোধী দলের প্রার্থী, এজেন্ট ও ভোটাররা একজোট হয়ে তা রুখে দেয়। তা নিয়ে স্কুল চত্ত্বর উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পৌরসভা নির্বাচনবর্ধমান পৌরসভার ভোটেও নির্বাচনের নামে ব্যাপক ভোটলুঠ ও বুথে বহিরাগতদের দাপাদাপির অভিযোগ উঠেছে। পুর-নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এনে বিকালে বর্ধমান সদর মহকুমাশাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে দেন বিজেপি নেতা, কর্মী ও সমর্থকেরা। প্রার্থীরা প্লাকার্ড হাতে সেখান মাটিতে বসে পড়েন। তার আগে পুলিশের সাথেও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বচসাও হয়। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায় তার জন্য মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে বিরাট পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। একই ভাবে ভোটগ্রহণের শেষে বর্ধমানের কার্জন গেটের সামনেও উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন সন্ধ্যায় কার্জন গেটের সামনে বিক্ষোভে সামিল হয় বাম, বাম ছাত্র-যুব ও অন্যান্য গণসংগঠনের প্রতিনিধরা। তাঁরা অভিযোগ করেন, পুরভোটে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য ভোট লুঠ করা হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে বামেরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কুশপুতুল পোড়ায়। বিক্ষোভের শেষে দলের নেতা অমল হালদার বলেন, জেলার ৬ টি পুরসভার ভোটেই নিরব সন্ত্রাস ও ভোট লুঠ চলেছে। গোটা রাজ্যেই ভোটলুঠ হয়ে হয়েছে। মানুষকে ভোটদানে বাধা দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তারা পথে নেমেছেন। এই কর্মসূচি চলাকালীন কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাম সমর্থক সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কটু মন্তব্য করলে উত্তেজনা চরমে ওঠে। পরে অবশ্য উচ্চ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে উত্তেজনা প্রশমিত হয়। তৃণমূলের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,যেমন সিপিএম তেমনই বিজেপি। সংগঠন নেই জনসমর্থনও নেই। শুধু অভিযোগ তুলেই বিরোধীরা পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার কৌশল নিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে মারপিট, অশান্তি, ছাপ্পা, বুথ দখলের মাঝেই শেষ হল পুরভোট

বিক্ষিপ্ত অশান্তির আবহেই শেষ হল রাজ্যের ১০৮ পুরসভার নির্বাচন। কোথাও বুথ জ্যাম তো কোথাও পুলিশের সামনেই দেদার ছাপ্পাভোটের অভিযোগ। কোথাও ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে কেঁদে ভাসালেন প্রার্থী। কোথাও আবার বুথের বাইরে প্রার্থীকে ফেলে মার অন্য প্রার্থীর। মারধরের হাত থেকে বাদ যাননি প্রার্থীর বাবাও।বিকেল পাঁচটা এমনই ছিল রাজ্যের ভোট চিত্রের টুকরো টুকরো কোলাজ। যা নিয়ে বিরোধীদের তুমুল সমালোচনার সামনে পড়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।আঁটোসাঁটো পুলিশি বন্দোবস্ত সত্বেও অশান্তি এড়াতে না পারায় ঘরে বাইরে সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে তাদের।পুরভোটে অশান্তির অভিযোগে সোমবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বনধ ডেকেছে বিজেপি। এদিকে ভোটে অশান্তির জেরে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসকে সোমবার রাজভবনে তলব করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সূত্রের খবর, কেন কলকাতা হাইকোর্টে প্রতিশ্রুতি দেওয়া সত্বেও সুষ্ঠভাবে নির্বাচন করানো সম্ভব হলো না, সে বিষয়ে কৈফিয়ৎ তলব করার পাশাপাশি অশান্তি হওয়া পুরসভাতে পুনর্নির্বাচন নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন কী চিন্তাভাবনা করছে সে বিষয়েও রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্য জানতে চাইবেন।এদিন সকাল সাতটা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও সকাল থেকে আবহাওয়া ভালই ছিল। ফলে ভোট পর্বের শুরুটা হয় মসৃণ গতিতে। কিন্তু বেলা গড়াতেই তাল কাটতে শুরু করে।বিকেল ৫ টা পর্যন্ত সব মিলিয়ে গড়ে ভোট পড়েছে ৭৬.৫১ শতাংশ। এর মধ্যে সব থেকে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব মেদিনীপুরে, ৮৪.১৬ শতাংশ। রাজ্যের ১০৭ পুরসভার নির্বাচনে রাজ্যের দিকে-দিকে অশান্তির এক ছবি ধরা পড়েছে। দক্ষিণ দমদমে বাম প্রার্থীর পাশাপাশি মারধরের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বাবাকেও। তৃণমূলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ। যদিও অভিযোগ উড়িয়েছে শাসকদল।ভোটের আগেই বজবজ, সাঁইথিয়া, সিউড়ি-সহ বেশ কয়েকটি পুরসভা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দখল করেছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। পুরভোটে হট ফেভারিট হয়েই ময়দানে নেমেছিল তৃণমূল। তবুও এড়ানো গেল না অশান্তি। অধিকাংশ জায়গাতেই শাসকদলের কর্মীদের বিরুদ্ধেই ভোট-লুঠ, ছাপ্পাভোটের অভিযোগে সরব হলেন বিরোধীরা।রাজনৈতিক অশান্তিতে বারবার শিরোনামে উঠে এসেছে উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ার নাম। এবার ভোটেও তার অন্যথা হল না। এদিন তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পাভোটের অভিযোগ তুলে পথে নেমেছিলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। অর্জুনকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শেষমেশ পুলিশি ঘেরাটোপে এলাকা ছাড়েন বিজেপি নেতা। নিজের ওয়ার্ডে দলের প্রার্থী না থাকায় এবার আর ভোটই দেওয়া হয়নি দাপুটে এই রাজনীতিবিদের।সব মিলিয়ে ভোটের রবিবারে বাংলার দিকে দিকেঅশান্তির এক ছবি। একাধিক জায়গায় প্রতিবাদে পতে নেমেছে বিরোদীরা। হুগলি জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বিজেপি। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতেও ভোটে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে জেলাশাসকের দফতর ঘেরাও করেছে বামেরা। অন্যদিকে, প্রতিবাদ দেখাতে এদিন কলকাতাতেও লালবাজার অভিযানের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য বিজেপি। যদিও বিজেপিকে মিছিল শুরুই করতে দেয়নি পুলিশ। যা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তুমুল ধস্তাধস্তি হয়েছে বিজেপি নেতা-কর্মীদের।পুরভোটে অশান্তিতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শাসকদলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধীরা। পুলিশের মদতেই তৃণমূল কর্মীদের একটি অংশ ভোটে কার্যত সন্ত্রাস চালিয়েছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। যদিও বিরোধীদের অভিযোগে আমল দিতে চাননি রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে কুণাল বলেন, জমায়েত ব অন্য অভিযোগ এলেই পুলিশ হস্তক্ষেপ করেছে। ভিড় সরানো থেকে শুরু গ্রেপ্তার, সবই করেছে। নিরপেক্ষভাবেই ভোট হচ্ছে। ভোটের হার নিশ্চিত জেনেই বিরোধীরা তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন বলে দাবি এই তৃণমূল নেতার।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • 27
  • ...
  • 59
  • 60
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিজেপির দ্বিতীয় তালিকায় বড় চমক! কে কোথা থেকে লড়ছেন জানলে অবাক হবেন

দ্বিতীয় দফায় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। এর আগে প্রথম দফায় ১৪৪টি আসনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার আরও ১১১টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট ২৫৫টি আসনে প্রার্থী ঠিক করেছে দল। বাকি রয়েছে আরও ৩৯টি আসন।বুধবার প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব একাধিক বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই বৈঠক হয়। আগে শোনা যাচ্ছিল প্রায় ৪৫টি আসনে সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল এখনও ৩৯টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা বাকি।এই তালিকায় একাধিক চমক রয়েছে। হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে টিকিট দেওয়া হয়েছে, তবে খড়গপুর সদর থেকে নয়। সেখানে আগে থেকেই দিলীপ ঘোষের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল। ফলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল হিরণ আদৌ টিকিট পাবেন কি না। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে।এগরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে দিব্যেন্দু অধিকারীকে। মানিকতলা থেকে তাপস রায় এবং টালিগঞ্জ থেকে পাপিয়া অধিকারীকে প্রার্থী করা হয়েছে।লোকসভা নির্বাচনের পর আবারও বিধানসভা ভোটে সুযোগ পেলেন রেখা পাত্র। আগে বসিরহাট কেন্দ্র থেকে লড়লেও তিনি হেরে গিয়েছিলেন। এবার তাঁকে হিঙ্গলগঞ্জ কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে বিজেপি।সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জমে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নামছেন তিলোত্তমার মা? বিজেপির টিকিটে প্রার্থী হওয়ার জল্পনায় চাঞ্চল্য

তিলোত্তমার মাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, তিনি বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে লড়তে পারেন। দলের তরফে তাঁকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং তিনি তাতে সম্মতিও জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং তিলোত্তমার বাড়িতে যান। সেখানে তিনি প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে তিলোত্তমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন। সেই সাক্ষাতের পর থেকেই তিলোত্তমার মায়ের বিজেপিতে যোগ দেওয়া এবং প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। সূত্রের খবর, পানিহাটি কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে।তিলোত্তমার বাবা জানিয়েছেন, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপির উপরই তাঁদের ভরসা রয়েছে। তাঁর মতে, এই দলই ক্ষমতায় এসে পরিবর্তন আনতে পারে এবং রাজ্যে নারী সুরক্ষার পরিস্থিতি আরও উন্নত করা সম্ভব।অন্যদিকে তিলোত্তমার মা জানিয়েছেন, নিজের গভীর দুঃখ ও যন্ত্রণার মধ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি তাঁকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। তিনি নিজেই ফোন করে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, তাঁর মেয়ের ঘটনাকে কেউ যেন ভোটের স্বার্থে ব্যবহার না করে, সেই কারণেই তিনি নিজে সামনে আসতে চান।এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, তিলোত্তমার বিচার সবাই চান, কিন্তু নির্বাচনে দাঁড়ানো তার একমাত্র পথ নয়। তাঁর মতে, ভোটে জয় বা পরাজয়ের সঙ্গে বিচার পাওয়ার সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।সব মিলিয়ে তিলোত্তমার মায়ের সম্ভাব্য রাজনৈতিক পদক্ষেপ রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আঁচে কাঁপছে বাজার! এক ধাক্কায় ১৬০০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স

আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি ক্রমশই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ইরান এবং কাতারের গ্যাস ভাণ্ডারে হামলার ঘটনার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তার সরাসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ার বাজারে। বৃহস্পতিবার সকালে বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই বড়সড় ধস নামে।সকাল প্রায় ৯টা ১৬ মিনিট নাগাদ বোম্বে শেয়ার বাজারের প্রধান সূচক সেনসেক্স ১৬০০ পয়েন্টের বেশি পড়ে যায়। প্রায় ২ শতাংশের বেশি পতন হয়ে সূচক নেমে আসে ৭৫ হাজারের কিছু উপরে। অন্যদিকে নিফটিও প্রায় ৫০০ পয়েন্ট কমে যায়। বিভিন্ন বড় সংস্থার শেয়ারের দাম ২ থেকে ৪ শতাংশ পর্যন্ত নেমে যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পতনের প্রধান কারণ আন্তর্জাতিক অস্থিরতা। প্রথমে ইরানের সাউথ পারস গ্যাস ক্ষেত্রে হামলা হয়। পরে কাতারের রাস লাফান গ্যাস ভাণ্ডারে পাল্টা হামলার খবর সামনে আসে। এই ঘটনার ফলে বিশ্বজুড়ে গ্যাসের ঘাটতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।বাজার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের দাম দ্রুত বাড়তে থাকলে ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের অর্থনীতির উপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে। দীর্ঘ সময় ধরে তেলের দাম বেশি থাকলে দেশের বৃদ্ধি এবং সংস্থাগুলির আয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।এদিকে আমেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। একই সঙ্গে এ বছর খুব বেশি সুদের হার কমানো হবে না বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে। তার প্রভাব পড়েছে বিশ্বের বিভিন্ন শেয়ার বাজারে।সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার জেরে শেয়ার বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

প্রচারের শুরুতেই বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘ডেবরায় আসার কথা ছিল না’—বলেই বিতর্কে রাজীব

নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই অস্বস্তিতে পড়লেন ডেবরা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। বালিচকের দলীয় কার্যালয়ে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকেই তাঁর একটি মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক ছড়িয়েছে। সেখানে তিনি বলেন, তাঁর ডেবরায় আসার কথা ছিল না।এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, এতে তৃণমূলের অন্দরে দীর্ঘদিনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবার প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রার্থীর এমন মন্তব্যে সাধারণ কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।একটি ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, কর্মীদের সামনে রাজীব বলছেন, দল তাঁকে এই দায়িত্ব দিয়েছে। তবে এর আগে তাঁকে অন্য একটি জায়গার কথা বলা হয়েছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত বদলানো হয়। তাঁর কথায়, প্রথমে ডেবরায় আসার কথা ছিল না, অন্যত্র যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।এদিকে দলের তরফেও এই বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করা হয়নি। তৃণমূলের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অজিত মাইতি স্বীকার করেছেন, দলের মধ্যে কিছু মতভেদ রয়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, এটি বড় সমস্যা নয় এবং খুব দ্রুত সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে সমাধান করা হবে। তাঁর মতে, নির্বাচনে সবাই একসঙ্গে লড়াই করবে।উল্লেখ্য, এতদিন ডেবরার বিধায়ক ছিলেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক হুমায়ুন কবীর। এবার তাঁকে অন্য কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। ২০২১ সালে তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন এবং একটি আসনে প্রার্থীও হয়েছিলেন। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপিও আক্রমণ শানিয়েছে। দলের এক নেতা দাবি করেছেন, ডেবরার মানুষ স্থানীয় প্রার্থীই চান। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূলের মধ্যে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে, অনেকেই প্রার্থী হতে চাইছেন না। তাই বাইরে থেকে প্রার্থী আনতে হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটের শুরুতেই এই মন্তব্য ঘিরে ডেবরা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা বিমানবন্দরে সিনেমার মতো গ্রেফতার! কে এই বিদেশি ‘চর’ ম্যাথু?

কলকাতা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে মার্কিন নাগরিক ম্যাথু ভ্যানডাইককে। তিনি কলকাতা থেকে দুবাই যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তার আগে তিনি মায়ানমার ঘুরে এসেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চরবৃত্তি এবং জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগ উঠেছে।গত ১২ মার্চ কলকাতা বিমানবন্দরে তাঁকে আটক করা হয়। ওই দিন রাতে তিনি দুবাই যাওয়ার জন্য বিমানে উঠেছিলেন। সেখান থেকে তাঁর পোল্যান্ড যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। বিমান ছাড়ার কিছুক্ষণ আগেই তাঁকে নাটকীয়ভাবে নামিয়ে আনা হয়।বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্ত নিয়ম মেনে তিনি বিমানে উঠেছিলেন এবং তাঁর লাগেজও বিমানে তুলে দেওয়া হয়েছিল। রাত প্রায় একটা নাগাদ তিনি বিমানে বসে ছিলেন। সেই সময়ই গোপন সূত্রে খবর আসে যে তিনি একজন সন্দেহভাজন বিদেশি চর।তারপরই নিরাপত্তা বাহিনী এবং অভিবাসন দফতরের আধিকারিকরা বিমানে গিয়ে তাঁকে নামিয়ে নিয়ে আসেন। বিমানবন্দরের একটি ঘরে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পরে দিল্লি থেকে গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।১২ মার্চ রাত থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত তাঁকে কলকাতায় আটক রাখা হয়। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তে জানা গিয়েছে, তিনি প্রথমে দিল্লিতে আসেন, তারপর কলকাতা হয়ে মিজোরাম যান এবং সেখান থেকে মায়ানমারে প্রবেশ করেন। অভিযোগ, সেখানে তিনি বিদ্রোহীদের অস্ত্র এবং ড্রোন চালানোর প্রশিক্ষণ দিতেন।এছাড়াও জানা গিয়েছে, তিনি সিরিয়ার সংঘর্ষে যুক্ত ছিলেন এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ দিতেন। গেরিলা কৌশলেও তিনি দক্ষ বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার আশঙ্কা, এই ধরনের আধুনিক প্রযুক্তি যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে পৌঁছয়, তাহলে উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক চক্রের যোগ থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

একাধিক কোপ, বিকৃত মুখ! তৃণমূল কর্মীর নৃশংস খুনে তোলপাড় এলাকা

প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর থেকেই উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁ এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কর্মীদের বিক্ষোভের মাঝেই এবার এক তৃণমূল কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।মৃত যুবকের নাম মশিউর কাজি, বয়স ৩৮। তিনি হাড়োয়া বিধানসভার গাংনিয়া গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে রাস্তার ধারে ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছে।মিনাখাঁর সোনাপুকুর শঙ্করপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝুঝুরগাছা গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথম দেহটি দেখতে পান। রাস্তার ধারে পড়ে থাকা দেহে একাধিক জায়গায় ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় হাড়োয়া থানার পুলিশ। পরে দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।ভোটের আগে এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। মৃতের পরিবারের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। মৃতের ভাই জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর অভিযোগ, নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে এবং এর পিছনে রাজনৈতিক শত্রুতা থাকতে পারে। তিনি দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, দেহের অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে প্রথমে চেনা যায়নি। পরে অনেকক্ষণ দেখে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। তিনি আরও বলেন, মৃত যুবক তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। আগের দিন রাতে তিনি কাজের কথা বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফেরেননি। সকালে তাঁর দেহ উদ্ধারের খবর পাওয়া যায়।এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং খুনের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিমান ভাঙল? অসিতের বাড়িতে দেবাংশু, সামনে এল নাটকীয় মুহূর্ত

প্রার্থী না হওয়ায় নিজের অভিমান ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমনকি জানিয়েছিলেন, রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়াতে চান। কিন্তু সেই পরিস্থিতিতেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করলেন দেবাংশু। তারপর থেকেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর অসিত স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, তিনি আপাতত রাজনীতি থেকে বিশ্রাম নেবেন এবং প্রয়োজনে আবার আইন পেশায় ফিরবেন। অন্যদিকে দেবাংশু আগে থেকেই বলেছিলেন, অসিত তাঁর কাছে পিতৃসম। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে মতভেদ থাকতেই পারে, কিন্তু সম্পর্ক ভাঙার নয়। তিনি আশ্বাস দিয়েছিলেন, খুব শীঘ্রই দেখা করবেন।শেষ পর্যন্ত সেই সাক্ষাৎ হল বুধবার সন্ধ্যায়। প্রিয়নগরে অসিতের বাড়িতে পৌঁছে যান দেবাংশু। গিয়ে প্রথমেই প্রণাম করেন। অসিতও তাঁকে জড়িয়ে ধরেন। তারপর দুজনের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়।পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দুজনেই নিজেদের মতামত জানান। সেখানে সৌজন্যের একটি মুহূর্তও সামনে আসে। বড় চেয়ার ছেড়ে দেন দেবাংশু। অসিত তাঁকে বসতে বললেও তিনি তা মানেননি। শেষে অসিতের পাশেই একটি সাধারণ চেয়ারে বসেন তিনি। দেবাংশু জানান, অসিতের কাছ থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ নিয়েছেন এবং সেই পরামর্শ তাঁর নির্বাচনী লড়াইয়ে কাজে লাগবে। তিনি আরও বলেন, অসিত তাঁর পাশে থাকবেন বলেও জানিয়েছেন।তবে অসিতের বক্তব্যে এখনও অভিমানের সুর স্পষ্ট। তিনি বলেন, দলের কর্মীরা নিশ্চয়ই প্রার্থীকে জেতাতে কাজ করবেন এবং তিনি চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু দেবাংশুকে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই তিনি বলেন, দেবাংশুকে আলাদা করে পরিচয় করানোর প্রয়োজন নেই। তাঁর পিছনে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে। নিজের প্রসঙ্গে অসিত বলেন, তিনি তৃণমূলের একজন সামান্য কর্মী।এই মন্তব্যের পরই দেবাংশু তাঁর হাত ধরে বলেন, অসিত নিজেকে যতটা ছোট ভাবছেন, তিনি ততটা ছোট নন। তাঁর মতে, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যেমন রয়েছেন, তেমনই চুঁচুড়ায় অসিতও তাঁদের অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজন।এই ঘটনার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, অসিতের অভিমান কি সত্যিই কেটেছে, নাকি এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা।

মার্চ ১৯, ২০২৬
রাজ্য

রাতারাতি বড় নির্দেশ! বাংলার ১৫ পুলিশ অফিসারকে ভিনরাজ্যে পাঠানোয় চাঞ্চল্য

আবারও গভীর রাতে এল নতুন নির্দেশ। যাঁদের কিছুদিন আগেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল, সেই পুলিশ অফিসারদেরই এবার পাঠানো হচ্ছে ভিনরাজ্যে। বুধবার রাতেই এই নির্দেশ জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। মোট ১৫ জন পুলিশ অফিসারকে অন্য রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে।এবার তামিলনাড়ু ও কেরলে বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। সেই কারণে আগেই এ রাজ্যের কয়েকজন অফিসারকে সেখানে পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। ভোট ঘোষণার আগে যিনি রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব ছিলেন, সেই জগদীশ প্রসাদ মিনাকেও তামিলনাড়ুতে অবজারভার হিসেবে পাঠানো হয়েছে।এবার আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ পুলিশ আধিকারিককে ওই দায়িত্ব দেওয়া হল। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ কমিশনার মুরলীধর শর্মা এবং শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজাকেও তামিলনাড়ুতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার এবং আমনদীপ সিংকেও পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে মোট ১৫ জন অফিসারকে তামিলনাড়ু ও কেরলে পাঠানো হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন রাশিদ মুনির খান, সন্দীপ কারা, প্রিয়ব্রত রায়, প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠী, মুকেশ, মুরলীধর শর্মা, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, ধৃতিমান সরকার, সি সুধাকর, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, আমনদীপ সিং, আকাশ মাঘারিয়া, অলোক রাজোরিয়া এবং সৈয়দ ওয়াকার রাজা।এই অফিসারদের অনেককেই সম্প্রতি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি করা হয়েছিল। এবার তাঁদেরই আবার ভিনরাজ্যে পাঠানো হল। শুধু তাই নয়, পর্যবেক্ষক হিসেবে কাজ করার জন্য যে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন, সেই প্রশিক্ষণও এই ১৫ জনের অধিকাংশের নেই বলে জানা যাচ্ছে। ফলে এত তাড়াহুড়ো করে তাঁদের পাঠানো হল কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal