• ২২ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ০৬ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UN

খেলার দুনিয়া

ডেথ ওভার বোলিংয়ে বুমরাদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন এই তরুণ জোরে বোলার

ডেথ ওভার বোলিংয়ে দারুণ সুনাম আছে যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। কিন্তু চলতি আইপিএলে তাঁদেরও পেছনে ফেলে দিয়েছেন এক অখ্যাত তরুণ জোরে বোলার। অথচ একসময় পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলেই সুযোগ পাচ্ছিলেন না। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন দেশ ছেড়ে কানাডায় চলে যেতে। সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করে নিজের কেরিয়ার তৈরি করতে। রাজি হননি তরুণ অর্শদীপ। বাবার পরামর্শ অগ্রাহ্য করে ভারতীয় ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথে।ছোট থেকেই ক্রিকেটই ছিল ধ্যানজ্ঞান। বাবা ছেয়েছিলেন ছেলে হকি খেলোয়াড় হোক। কিন্তু অর্শদীপের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ দেখে বাবা আর জোরাজুরি করেননি। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে ভাল খেলেও পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। ২০০৭ সাল। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন কানাডার ব্র্যাম্পটনে দিদির কাছে চলে যেতে। রাজি হননি অর্শদীপ। বাবার কাছে একবছর সময় চেয়ে নেন। এক বছরের মধ্যে পাঞ্জাবের অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অর্শদীপ সিংকে। সুযোগ এসে যায় অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলেও। ২০১৮ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপেও দলে ছিলেন। কিন্তু সেভাবে খেলার সুযোগ পাননি। তাংকে বসিয়ে খেলানো হয়েছিল ঈশান পোড়েল, কমলেশ নাগরকোটিদের। আইপিএলে তাঁরাই এখন ডাগ আউটে বসে। আর বাইশ গজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অর্শদীপ সিং।২০১৯ সাল থেকেই পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়ে খেলছেন এই তরুণ জোরে বোলার। ওই বছর খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র ৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন। উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ৩টি। পরের বছর ৮ ম্যাচে ৯ উইকেট। তবে গত বছর আইপিএলে রীতিমতো নজর কাড়েন ১২ ম্যাচে তুলে নেন ১৮ উইকেট। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে অর্শদীপকে ধরে রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিচ্ছেন।চলতি আইপিএলে ডেথ ওভারের বোলিংয়ে কৃপনতার দিক দিয়ে তারকা বোলারদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন অর্শদীপ সিং। সোমবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ পর্যন্ত ডেথ ওভারে তাঁর ইকনমি ৫.৬৬। অর্শদীপ ডেথ ওভারের বোলিংয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছেন সুনীল নারাইন, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। ডেথ ওভারে সুনীল নারাইনের ইকনমি ৬.০০। অন্যদিকে ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ যশপ্রীত বুমরার ইকনমি ৮.১৬। মহম্মদ সামির ৮.৪০, ভুবনেশ্বর কুমারের ৮.৫০। শেষ ৪ ওভারে ৩০ বল করার পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে অর্শদীপ সিংই সেরা।সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ডেথ ওভারে তাঁরই বোলিংই পাঞ্জাব কিংসের জয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল। চেন্নাই ইনিংসের ১৭তম ওভারে অর্শদীপের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর ওই ওভারে তাঁর ওই ওভারে মাত্র ৭ রান তুলতে সক্ষম হয় চেন্নাই। ১৯ তম ওভারেও ৭ রান দেন অর্শদীপ। অর্থাৎ ২ ওভারে মাত্র ১৪ রান। এতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের। মহেন্দ্র সিং ধোনি, রবীন্দ্র জাদেজার মতো ফিনিশাররাও জ্বলে উঠতে পারেননি অর্শদীপের বোলিংয়ের সামনে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আসছে ওয়েব সিরিজ 'লার্জ পেগ'

মুক্তি পেল অংশুমান ব্যানার্জী পরিচালিত এবং ওসেনিক মিডিয়া সল্যুশন, কলাবতী প্রোডাকশন, এবং কোয়ান্টাম অ্যান্ড শেডস প্রযোজিত আসন্ন ওয়েব সিরিজ লার্জ পেগ-এর ট্রেলার। এই ওয়েব সিরিজের ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলী থেকে পরিচালক সকলেই। এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীতমা দে, পায়েল রায়, সারা এম. নাথ সহ আরো অনেক নতুন এবং পরিচিত মুখদের। এই ওয়েব সিরিজের কাহিনী এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন সৈকত ঘোষ ও প্রত্যূষা সরকার। সংগীত নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছেন সমীক কুন্ডু এবং চিত্রগ্রহণে রয়েছেন শান্তনু ব্যানার্জী। লার্জ পেগ ওয়েব সিরিজটি একটি সাইকোলজিকাল থ্রিলার। এই ওয়েব ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে ধরা পড়েছে একজন লেখকের জীবনে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনা; তার জীবনে একাধিক নারীর আনাগোনা, এবং তাঁদের প্রভাবে তৈরী হওয়া রহস্য― এই নিয়েই এই ওয়েব ধারাবাহিকটির মূল উপজীব্য। ওয়েবটি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে চলেছে নামকরা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
রাজ্য

টানা শিলা বৃষ্টি জঙ্গিপুরে, গরমে স্বস্তি কিন্তু কপালে চিন্তার ভাঁজ আম-লিচু চাষিদের

দক্ষিণবঙ্গ বৃষ্টির জন্য হা-পিত্যেস করে বসে আছে। শুক্রবার সকালে আকাশের মুখভাড়ে আশার আলো দেখা যাচ্ছিল। সকালের পরই প্রচন্ড দাবদাহে বাড়ির বাইরে বের হওয়াই দায় হয়ে পড়ে। এদিকে শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের ওসমানপুরে লাগতার শিলা বৃষ্টি পড়ছে। অঝোর ধারায় বৃষ্টি চলছে সেখানে।এদিনের শিলাবৃষ্টিতে আম, লিচুর প্রভুত ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে গাছ থেকে অসংখ্য ছোট আম পড়ে গিয়েছে। ক্ষতি হয়েছে লিচুর। গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও গরমে হাঁসফাস অবস্থা দক্ষিণবঙ্গে। পুকুর-ডোবা প্রায় শুকিয়ে গিয়েছে। এক ফোটা বৃষ্টির আশায় দিন গুনছে বাংলার আমআদমি।পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতে বর্ধমান থেকে জঙ্গীপুর থেকে ড্যান্স কোরিওগ্রাফার তপন বাউড়ি বলেন, প্রবল বৃষ্টিতে গরম থেকে স্বস্তি মিলেছে। কিন্তু আম, লিচুর সর্বনাশ হয়ে গেল। টানা শিলাবৃষ্টির ফলে চাষিরা ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পুনে থেকে কেন সরানো হল দিল্লি ক্যাপিটালস ও রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচ?‌

২২ এপ্রিল রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচ পুনে থেকে সরিয়ে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হল। দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে একের পর এক ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবারই বোর্ডের পক্ষ থেকে এখবর জানানো হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ একটি প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গোটা দিল্লি ক্যাপিটালস দলে আজ দুই রাউন্ড কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে। করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। তাই দিল্লি ক্যাপিটালস এবং পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ নং নির্ধারিত সূচি অনুসারে মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ২২ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালস ও রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল। ওই ম্যাচ সরিয়ে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্টের আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর ভেনু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ম্যাচ শুরুর কয়েকঘন্টা আগে জানা যায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্ট। তাঁর আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মিচেল মার্শের পর টিম সেইফার্ট হলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের দ্বিতীয় ক্রিকেটার যিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আগের দিন মিচের মার্শের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট প্রথমে নেগেটিভ এসেছিল। পরে আরটিপিসিআর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আগেই দলের ফিজিও প্যাট্রিক ফারহার্ট করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। একজন ম্যাসিওরও করোনায় আক্রান্ত। টিম সেইফার্টকে নিয়ে দিল্লি শিবিরে করোনায় আক্রান্ত সদস্যর মোট সংখ্যা ৬। দিল্লি ক্যাপিটালসে একের পর এক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আইপিএলের জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠেছে। এক কঠোর জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দিল্লি ক্যাপিটালসের ৬ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে সকলেই অবাক। গত মরশুমে একের পর এক ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মাঝপথে আইপিএল বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। পরে ভারত থেকে সরিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে এএফসি কাপের মূলপর্বে সবুজমেরুন

আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এএফসি কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের ঢাকা আবহনীকে ৩-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ৬ মিনিটে বাদিক থেকে জনি কাউকোর বাড়ানো ক্রস থেকে এটিকে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৭ মিনিট পর সমতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ এসেছিল আবহনীর সামনে। কিন্তু জালে বল রাখতে পারেননি ড্যানিয়েল কলিন্ড্রেস।প্রথম গোল খাওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ঢাকা আবাহনী। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগানের কাউকো-লিস্টনরা। তবে আবাহনীর রক্ষণের তৎপরতায় গোল মুখ খুলতে পারেনি সবুজমেরুন। ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় প্রবীর দাসের সেন্টার থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো। তাঁর শট বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দেওয়া সবুজমেরুন ২৯ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের গোলে ব্যবধান বাড়ায়। প্রবীর দাসের সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল তুলে আনতে কোনও ভুল করেননি ডেভিড উইলিয়ামস। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পুর্ণ করতে পারতেন এই অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে তিনি আবহনী গোলরক্ষকের গায়ে মারেন।দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান হঠাৎই খেলা থেকে হারিয়ে যায়। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেয় আবহনী। ঢাকা আবহনী একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। পর পর সুযোগ তৈরি করেও সবুজমেরুনের বক্সের মধ্যে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলছিল ঢাকার দল। প্রায় দুটি ক্ষেত্রে নিশ্চিত গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আবহনী। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনার সুফল পায় ৬১ মিনিটে। রাকিব হোসেনের ডান পায়ের ফ্লিক ধরে বিশ্বমানের গোল করে যান কোস্টা রিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। ম্যাচের ৭০ মিনিটের পর আবার ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে এটিকে মোহনবাগান। আবহনীর মরিয়া লড়াই রুখে ফের আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরে আসে সবুজমেরুন। এই সময়ে দুটি সহজ সুযোগ মিসও করে বাগান জনতার প্রিয় ক্লাবটি। গোল নষ্টের মহরার মধ্যে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে ঢাকা আবহনীর কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ডেভিড উইলিয়ামস।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবাহনীর বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কী বলছেন জুয়ান ফেরান্দো?‌

এএফসি কাপের মূলপর্বে ওঠার প্লে অফের লড়াইয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশের ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। পরের রাউন্ডে পৌঁছতে গেলে আবাহনীর বিরুদ্ধে জিততেই হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ধারেভারে এগিয়ে থাকলেও নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মানতে নারাজ সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ঘরের মাঠে খেলা হলেও বরং ওপার বাংলার দলকে যথেষ্ট সমীহের চোখে দেখছেন তিনি। তবে জেতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জুয়ান ফেরান্দো। এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে উড়িয়ে দিয়েছে ৫০ ব্যবধানে। সেই ম্যাচ এখন অতীত জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে নতুন করে শুরু করতে চান। ওপার বাংলার দলের খেলার ভিডিও দেখেছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোল তুলে নেওয়া। চোটের জন্য রক্ষণে সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকে এই ম্যাচেও পাবেন না জুয়ান ফেরান্দো। রয় কৃষ্ণাও নেই। তা সত্ত্বেও চিন্তিত নন সবুজমেরুণ কোচ। আসলে ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে তাঁর দলের ফুটবলারদের খেলা ভরসা জোগাচ্ছে জুয়ান ফেরান্দো। ঢাকা আবাহনী কিন্তু একেবারেই অবহেলা করার মতো দল নয়। রাফায়েল অগাস্তোর মতো আইএসএল খেলা ফুটবলার রয়েছে ওপার বাংলার দলে। এছাড়াও রয়েছেন কোস্টারিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। আর এক বিদেশি হুসেনিও যথেষ্ট ভাল। তাঁদের দিকে আলাদা নজর দিতে চান ফেরান্দো। তবে ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল মাথায় রাখছেন না। ফেরান্দো বলেন, আগের ম্যাচে পাঁচ গোলে জিতেছি ঠিকই। তবে প্রতিপক্ষ যে হেতু নতুন তাই আগের ম্যাচের পারফরমেন্স তেমন কাজে আসবে না। আমরা এক সপ্তাহ বিশ্রাম পেয়েছি, যে হেতু ওরা আগের ম্যাচে ওয়াক ওভার পেয়েছে তাই আমাদের থেকে বেশি বিশ্রাম পেয়েছে। তবে এসব নিয়ে ভাবছি না। ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে এটিকে মোহনবাগান অধিনায়ক প্রীতম কোটাল বলেন, এটা আমাদের কাছে ফাইনাল ম্যাচ। গ্যালারিতে আমাদের সমর্থক ভর্তি থাকবে। ফলে আমরা ওদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে থেকে মাঠে নামব। তবে ম্যাচটা ততটাও সহজ হবে না।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সুনীল নারাইন যেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের সুব্রত ভট্টাচার্য

কলকাতা ময়দানে ফুটবলে একটা সময় প্রায়ই শোনা যেত ঘরের ছেলে। সুব্রত ভট্টাচার্য, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, সত্যাজিৎ চ্যাটার্জি থেকে কৃশানু দে, বিকাশ পাঁজিদের নামের সঙ্গে ঘরের ছেলের তকমা সেঁটে গিয়েছিল। কিন্তু ক্রিকেটে? ক্রিকেটে আবার ঘরের ছেলে হয় নাকি? নিলামে কোন ক্রিকেটারকে কোন দল নেবে, কেউ বলতে পারবে না। তবে একটানা খেলতে খেলতে অনেকেই ঘরের ছেলে হয়ে গেছেন। যেমন চেন্নাই সুপার কিংসে মহেন্দ্র সিং ধোনি, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে বিরাট কোহলি। তেমনই কলকাতা নাইট রাইডার্সে যেন ঘরের ছেলে হয়ে গেছেন সুনীল নারাইন। এক দশক ধরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে খেলছেন এই ক্যারিবিয়ান তারকা। অন্য কোনও দলে যাওয়ার পরিকল্পনাও নেই। নাইট রাইডার্সে খেলেই আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সুনীল নারাইনের। সোমবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে ১৫০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলে ফেললেন সুনীল নারাইন। একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরে তিনি গর্বিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নারাইনের হাতে ১৫০ লেখা জার্সি তুলে দেন দলের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। ২০১২ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সে যোগ দেন সুনীল নারাইন। টানা ১০ বছর একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন। আইপিএলে খুব কম বিদেশিই রয়েছেন যারা দীর্ঘদিন একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে এতদিন খেলতে পেরে আপ্লুত সুনীল নারাইন। ১৫০ ম্যাচের মাইলস্টোনে পৌঁছে এই ক্যারিবিয়ান তারকা বলেন, যতদিন আইপিএল খেলব, কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়েই খেলতে চাই। আমি দলের সিইও ভেঙ্কি মাইসোরকে সবসময় বলে এসেছি, আমাকে নিশ্চয় আর অন্য কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলতে হবে না। নাইট রাইডার্স থেকেই শুরু করেছি, এখানেই শেষ করব। বিদেশি ক্রিকেটাররা একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে বেশিদিন খেলার সুযোগ পায় না। সেই দিক দিয়ে আমি সৌভাগ্যবান। কলকাতা নাইট নাইট রাইডার্সে কাটানো সময়গুলো আমার কাছে খুবই মহামূল্যবান। নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচের আগে ১৪৭ উইকেন নেন সুনীল নারাইন। সোমবার রাজস্থানের বিরুদ্ধে তাঁর হাত ধরেই ব্রেক থ্রু আসে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ১০ বছর জীবনে তাঁকে সমস্যাতেও পড়তে হয়েছে। ২০২০ সালে তাংর বিরুদ্ধে চাকিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। পরে নিজের বোলিং অ্যাকশন বদল করতে বাধ্য হন। শুধু বল হাতেই নয়, ব্যাট হাতেও দলকে ভরসা দিয়েছেন সুনীল নারাইন। দলকে দুবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। বহু বিপদে দলকে উদ্ধার করেছেন। ঠিক যেন মোহনবাগানের সুব্রত ভট্টাচার্য।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

UNLOCK 🔓 7 এর ট্রিজার লঞ্চ হল

সাত বন্ধুর পাহাড়ে এক গ্রামে ঘুরতে যাওয়ার গল্প নিয়েই নির্মিত এই UNLOCK 🔓 7। ওখানে পৌঁছানোর পরে তারা বুঝতে পারে লকডাউন এর সময় ওখানকার বসবাসকারী মানুষরা কিভাবে কত সমস্যার মধ্যে দিন কাটায়। সব শুনে বা দেখে তারা হতবাক হয়ে যায়। ওই সময়কার এক ঘটনা শুনে বিশমিত হয়ে পড়ে। সেই রহস্যের সমাধান করতে পারবে নাকি তারই উত্তর দেবে গ্যালাক্সি এন্টারটেইনমেন্টের UNLOCK🔓 7। পুরো ছবিটার শুটিং হয়েছে শিলিগুড়ি লোলেগাঁও কালিম্পং জুড়ে। এই ছবিটির প্রযোজক নাসিম আহমেদ খান, ছবিটির পরিচালক এবং গল্প ঋকের লেখা।ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রাজেশ শর্মা, ঋক, কমল, সানা, চিত্রালী, সৃজা, রিতিশা, রাত্রি, রাজশ্রী, অরুণ এবং নেপালি অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। এই ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন রঙ্গন এবং অর্ণব বসাক, ক্যামেরার দায়িত্বpp সামলেছেন আশিস হালদার।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
রাজনীতি

আসানসোলে সবুজ ঝড়ে উড়ল গেরুয়া শিবির, বালিগঞ্জে জয়েও আতঙ্কে তৃণমূল

রাজ্য়ের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আসানসোলে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে পরপর দুবারে জয় পাওয়া বিজেপিকে। প্রায় ২ লক্ষের ওপর ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে পরাজিত করেছেন তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। অন্যদিকে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় জয় পেয়েছেন ২০ হাজারের ওপর ভোটের ব্যবধানে। এখানে এবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। কিন্তু এই কেন্দ্রে যে ভাবে তৃণমূলের ভোট কমেছে তাতে ঘাসফুল নেতৃত্বের যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৪ ও ২০১৯-এ জয় পেয়েছিল বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় প্রায় ১,৯৭,৬৩৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে পরাজিত করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পর আসানসোল কেন্দ্রে জয় পায়নি। এই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। শত্রুঘ্ন সিনহা ভোট পেয়েছেন ৬,৪৬,৬৬১ ভোট পেয়েছেন শত্রুঘ্ন। প্রায় ৫৬ শতাংশ ভোট। অগ্নিমিত্রা পাল ভোট পেয়েছেন ৩,৫০,০১৫। শতাংশের হিসাবে ৩০%। বিজেপির প্রায় ২২ শতাংশ ভোট কমেছে গতবাবের তুলনায়।এদিকে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপিকে সরিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় ২০হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে। বাবুল পেয়েছেন ৫০,৯৯৬ ভোট। সায়রার প্রাপ্ত ভোট ৩০,৯৪০ ভোট। বিজেপি গতবারে তুলনায় ৭ শতাংশ কম ভোট পেয়েছে। বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষ পেয়েছেন ১৩,১৭৪ ভোট। তবে এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট প্রাপ্তি কমেছে তৃণমূলের। রাজনৈতিক মহলের মতে, গতবারের থেকে প্রায় ২০ শতাংশ ভোট কমায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঘাসফুল শিবিরের।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অভিমান, না ক্ষোভ?‌ ‌মোহনবাগান ক্লাবের বারপুজোয় কেন এলেন না সৃঞ্জয় বসু?‌

ভবানীপুর ক্লাব থেকে মোহনবাগান ক্লাবের দূরত্ব কত হবে? বড়জোর ৫০০ মিটার। গাড়িতে কতটুকু সময় লাগতে পারে? ১ মিনিটের বেশি লাগার কথা নয়। জ্যাম থাকলে অন্য কথা। ওই রাস্তাটুকুতে জ্যাম থাকার কথা নয়। তাও আবার পয়লা বৈশাখের সকালে। ময়দানের বারপুজোর দিন এই রাস্তাটুকুও অতিক্রম করার সময় পেলেন না মোহনবাগানের প্রাক্তন সচিব সৃঞ্জয় বসু! এবার তাহলে মেনে নিতেই হবে, মোহনবাগান ক্লাবে সত্যি সত্যিই বসু পরিবারের অধ্যায় শেষ। বরাবরই যিনি শত ব্যস্ততার মাঝেও মোহনবাগান ক্লাবের বারপুজোয় হাজির থেকেছেন, তিনিই কিনা এবার অনুপস্থিত! সত্যিই নববর্ষের প্রথম দিন ব্যতিক্রমী হয়ে থাকল মোহনবাগান। দুবছর পর ময়দানে আবার বারপুজো। ক্লাবের বারপুজো উপলক্ষ্যে হাজির হয়েছিলেন সদস্যসমর্থকরা। ক্লাব কর্তাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। হাজির ছিলেন ক্লাবের সহসভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়, আর এক সহসভাপতি কুণাল ঘোষ। সচিব দেবাশিস দত্ত তো ছিলেনই, এছাড়াও হাজির ছিলেন সহসচিব সত্যজিৎ চ্যাটার্জি, ফুটবল সচিব স্বপন ব্যানার্জি প্রমুখ। তবে সবথেকে চমক ছিল রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও সাংসদ তথা প্রাক্তন ফুটবলার প্রসূন ব্যানার্জির উপস্থিতি। এছাড়াও হাজির ছিলেন দেবজিৎ ঘোষ, শঙ্করলাল চক্রবর্তী, প্রশান্ত ব্যানার্জির মতো প্রাক্তন ফুটবলাররা। তবে অবাক হওয়ার বিষয়, বসু পরিবারের কোনও সদস্য হাজির না থাকা। প্রাতকন সভাপতি স্বপনসাধন বসু (টুটু বসু) বরাবরই বারপুজোতে হাজির থাকতেন। এছাড়াও আসতেন প্রাক্তন সচিব সৃঞ্জয় বসু। এবার বসু পরিবারের কেউই আসেননি। টুটু বসু অসুস্থ। কিন্তু সৃঞ্জয় বসু? তিনি তো দিব্যি সুস্থ। সারাদিন ভবানীপুর ক্লাবের বারপুজোয় কাটালেন। অথচ ৫০০ মিটার দূরত্বে মোহনবাগান ক্লাবে পা মারালেন না। ক্লাবে না এলেও নতুন সচিব ও ক্লাবকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি সৃঞ্জয় বসু। এদিন, দলের ফুটবলারদের নিয়ে মোহনবাগান ক্লাবের বারপুজোয় হাজির ছিলেন সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুর্দান্ত জয়ের পরেও জরিমানা এটিকে মোহনবাগানের!‌ সমর্থকদের জন্য কী দশা

দীর্ঘদিন পর ঘরের মাঠে প্রিয় দলের খেলা দেখার সুযোগ পেয়ে আবেগে ভাসছিলেন এটিকে মোহনবাগানের সমর্থকরা। কিন্তু তাঁদের এই আবেগর মূল্য ক্লাবকে যে দিতে হবে, হয়তো স্বপ্নেও ভাবেননি সমর্থকরা। মঙ্গলবার এএফসি কাপে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়েও স্বস্তিতে নেই এটিকে মোহনবাগান। মোটা অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়তে হচ্ছে সবুজমেরুণ শিবিরকে। এএফসির নিয়ম অনুযায়ী এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন আয়োজিত কোনও প্রতিযোগিতায় ব্যানার, ফেস্টুন, টিফো নিয়ে মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন না সমর্থকরা। যদি নিরাপত্তারক্ষীদের দৃষ্টি এড়িয়ে কোনও সমর্থক গ্যালারিতে ব্যানারফেস্টুন নিয়ে যায়, তাহলে হোম টিমকে শাস্তির কবলে পড়তে হবে। মাঠে কোনও দর্শক ঢুকে পড়লেও শাস্তির কবলে পড়তে হবে সংশ্লিষ্ট দলকে। কারণ মাঠে দর্শক ঢুকে পড়লে ফুটবলারদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। মঙ্গলবার ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে দলের দুর্দান্ত জয়ের পর নিজেদের ধরে রাখতে পারেননি দুই সমর্থক। তাঁরা মাঠে ঢুকে পড়ে ফুটবলারদের জড়িয়ে ধরেন। করোনা আবহে এমনিতেই ফুটবলারদের নিরাপদ দূরত্বে রাখা হচ্ছে। এইভাবে মাঠে দর্শক ঢুকে পড়ার বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি এএফসি। ব্যাপারটাকে নিরাপত্তার গাফিলতি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এখানেই শেষ নয়, আরও নিয়ম ভেঙেছেন সবুজমেরুণ সমর্থকরা। বেশ কয়েকজন দর্শক হাতে নানারকম ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে গ্যালারিতে হাজির হয়েছিলেন। যুবভারতীর গ্যালারিকে তাঁরা বেছে নিয়েছিলেন প্রতিবাদের মঞ্চ হিসেবে, যা এএফসির নিয়ম বিরুদ্ধ। সমর্থকরা যেসব ব্যানার নিয়ে মাঠে হাজির ছিলেন, তার কোনওটাতে লেখা ছিল, আমাদের মোহনবাগান ক্লাব ফিরিয়ে দাও। মূলত এটিকের সঙ্গে সংযুক্তির প্রতিবাদেই এই ব্যানার। হোম টিম হিসেবে নিয়ম ভাঙার জন্য এটিকে মোহনবাগানের ১০ হাজার ডলার জরিমানা করছে এএফসি। ভারতীয় মুদ্রায় এই অর্থের পরিমান ৭ লক্ষ ৬১ হাজার টাকা।এটিকে মোহনবাগানের পক্ষ থেকে অবশ্য পুরো ঘটনার দায় চাপানো হয়েছে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ওপর। কর্তাদের দাবি, স্টেডিয়ামের নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল পুলিশের ওপর। কোন দর্শক, কী নিয়ে ঢুকছে, তাদের দেখা কর্তব্য, ক্লাবের নয়। পুরো স্টেডিয়ামে দর্শক প্রবেশের অনুমতি থাকলেও ৩৩ হাজার টিকিট বিক্রির জন্য ছাপা হয়েছিল। মাঠে এসেছিলেন ২৩৭২৭ জন দর্শক।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রী-হীন ইস্টবেঙ্গল, স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেল

অবশেষে শ্রী সিমেন্টের কাছ থেকে স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেল ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবারই সরকারিভাবে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে ফিরিয়ে দিলেন শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। একই সঙ্গে চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেল দুই পক্ষের মধ্যে। যদিও লালহলুদের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। বুধবার বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে সরকারিভাবে ক্লাবের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে। কোয়েস সরে যাওয়ার পর ২ বছর আগে ইস্টবেঙ্গলের লগ্নিকারী সংস্থা হয়ে এসেছিল শ্রী সিমেন্ট। তাদের হাতে ফুটবল দলে সত্ব ছেড়ে দেন। এই নিয়ে একটা খসড়া চুক্তি হয়েছিল দুই পক্ষের মধ্যে। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। শ্রী সিমেন্ট ক্লাবের নানা বিষয়ে শর্ত আরোপ করেছিল। এর মধ্যে ক্লাব তাঁবুতে সদস্যসমর্থকদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞাও ছিল। চুক্তিকে এমন কয়েকটা শর্ত ছিল, যাতে ক্লাবের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা খর্ব করা হয়। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি হননি।এই অবস্থায় গত মরশুমের শুরুতে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা জানিয়ে দেন, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা দল গঠন করবেন না। অনেক টালবাহনার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করতে রাজি হয়। শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে আইএসএলে খেলতে নামে। পরে জানিয়ে দেয়, এই মরশুমে তারা আর ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে নতুন করে লগ্নি করবে না। এবং স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেবে। সেইমতো মঙ্গলবার চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেল। শ্রী সিমেন্ট যে আর থাকবে না, লালহলুদ কর্তারাও জানতেন। তাই তাঁরা নতুন লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে নেমেছেন। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে অনেকদূর কথাবার্তা এগিয়েছে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। লালহলুদের শীর্ষ কর্তারাও দুদুবার বাংলাদেশ ঘুরে এসেছেন। এই মাসে আরও একবার যাওয়ার কথা। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ায় এখন আর নতুন লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করতে সমস্যা নেই। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন লালহলুদ সদস্যসমর্থকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত মনবীর–কাউকো, এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে এ কী হাল ব্লু স্টারের!‌

দীর্ঘদিন ঘরের মাঠে দর্শকদের সামনে খেলার সুযোগ পায়নি এটিকে মোহনবাগান। দু বছর পর যুবভারতীতে প্রিয় দর্শকদের সামনে ম্যাচ। ঝলসে উঠল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। শ্রীলঙ্কার লিগ চ্যাম্পিয়ন দলকে ৫০ ব্যবধানে উড়িয়ে দুর্দান্তভাবে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল জুয়ান ফেরান্দোর দল। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে দুটি করে গোল করেন জনি কাউকো ও মনবীর সিং। একটি গোল ডেভিড উইলিয়ামসের। এদিন প্রিয় দলের খেলা দেখতে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে প্রায় ২৫ হাজার দর্শক হাজির ছিলেন। প্রিয় ফুটবলারদের উৎসাহ দিতে ব্যানার, ফেস্টুন, টিফো নিয়ে মাঠে এসেছিলেন সবুজমেরুণ সমর্থকরা। ফুটবলাররা সমর্থকদের হতাশ করেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন জুয়ান ফেরান্দোর ফুটবলাররা। তারই ফসল ৫ গোল। যতই নেপালে মাচিন্দা এফসিকে হারিয়ে প্লে অফের দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠে আসুক শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টার, ধারেভারে তারা এটিকে মোহনবাগানের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে। তার প্রমাণ এদিন মাঠেই পাওয়া গেল। মনবীর সিং, হুগো বোমাসদের আক্রমণের চাপে শুরু থেকেই দিশেহারা ছিলেন ব্লু স্টারের ফুটবলাররা। ৫ মিনিটেই গোল করার সুযোগ এসে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। মনবীরের সেন্টার সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি ডেভিড উইলিয়ামস। ব্লু স্টার রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন মনবীররা। তারই ফলশ্রুতিতে ২৪ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। মনবীর সিংয়ের কাছ থেকে বল পেয়ে বক্সের মধ্যে থেকে ডানপায়ের কোনাকুনি গড়ানো শটে গোল করেন জনি কাউকো। ২৯ মিনিটে প্রবীর দাসের পাস থেকে গড়ানো শটে ব্যবধান বাড়ান মনবীর সিং।৩৩ মিনিটে ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল করেন ব্লু স্টারের প্রিন্স বোয়াডু। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন জনি কাউকো। দ্বিতীয়ার্ধেও এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণের ধারা অব্যাহত ছিল। একের পর এক সুযোগও তৈরি হয়। কিন্তু গোল করতে পারছিলেন না উইলিয়ামস, কিয়ান নাসিরি, মনবীররা। অবশেষে ৭৭ মিনিটে মনবীরের পাস থেকে ৪০ করেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৮৯ মিনিটে দলের হয়ে পঞ্চম গোল করেন মনবীর সিং।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে বড় ধাক্কা এটিকে মোহনবাগানের

মঙ্গলবার এএফসি কাপে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। আইএসএলের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে সমস্যায় সবুজমেরুণ শিবিরে। এএফসি কাপের গ্রুপ পর্যায়ের লড়াইয়ে পাচ্ছে না দলের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণাকে। চোটের জন্য খেলতে পারছেন না দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকে। দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারকে না পেলেও চিন্তিত নন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ফিজিতে রয় কৃষ্ণার এক ঘনিষ্ট আত্মীয় মারা গেছেন। সেইজন্য তিনি ফিজিতে ফিরতে যান। সোমবার দেশে ফেরার ব্যবস্থা করতে ফিজির দুতাবাসে যান। মোটামুটি পরিস্কার, বড় কোনও অঘটন না ঘটলে এএফসি ম্যাচ না খেলেই দেশে ফিরে যাবেন রয় কৃষ্ণা। তাঁর না থাকাটা যে বড় ধাক্কা সেকথা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে এইরকম পরিস্থিতি মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট দক্ষ এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আইএসএলেও বেশ কয়েকটা ম্যাচে রয় কৃষ্ণাকে পাননি। তাসত্ত্বেও কিন্তু হাহুতাশ করেননি। বরং বিকল্প ফুটবলারদের দিয়ে ম্যাচ উতরে গেছেন। এএফসি কাপেও রয় কৃষ্ণার বিকল্প ফুটবলার জুয়ান ফেরান্দোর হাতে রয়েছে। এশিয়া কোটা নিয়ে মোট ৪ জন বিদেশি ফুটবলারকে খেলাতে পারবেন বাগান কোচ। রয় কৃষ্ণা চলে গেলে তাঁকে সমস্যায় পড়তে হবে না। বরং কোন চার বিদেশিকে খেলাবেন, তা নিয়ে চিন্তামুক্ত হবে। সেক্ষেত্রে ফেরান্দো হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসকে আক্রমণভাগে রেখে দল সাজাতে পারবেন। মাঝমাঠে জনি কাউকো, রক্ষণে তিরি। কার্ল ম্যাকহিউ এখনও দলের সঙ্গে যোগ দেননি। ফলে ৪ বিদেশিই এই মুহূর্তে জুয়ান ফেরান্দোর হাতে রয়েছে। সন্দেশ ঝিঙ্ঘান না থাকায় তিরির সঙ্গে রক্ষণে প্রীতম কোটালকে খেলাবেন। রয় কৃষ্ণা ও সন্দেশ না থাকলেও ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চিন্তিত নন জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, সন্দেশ দেশের হয়ে খেলার সময় থেকেই হাঁটুর চোটে ভুগছে। রয় কৃষ্ণাও থাকবে কিনা জানি না। তবে আমার হাতে বিকল্প রয়েছে। আশা করছি সমস্যা হূবে না। শ্রীলঙ্কার দলটি ততটা শক্তিশালী নয়। তাসত্ত্বেও বিপক্ষকে হালকাভাবে নিচ্ছেন না জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, ব্লু স্টার শ্রীলঙ্কার লিগ চ্যাম্পিয়ন দল। প্লে অফ ম্যাচে নেপালের মাচিন্দ্রার মতো দলকে হারিয়ে মূলপর্বে উঠে এসেছে। ফলে বিপক্ষকে মোটেই হালকাভাবে নেওয়া যাবে না। একই কথা শোনা গেছে জনি কাউকোর মুখে।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত!‌ ভারতীয় ক্রিকেট দলের এই ওপেনার কে নিয়ে মিমের বন্যা

তুই এই ছেলেকে পছন্দ করেছিস? যে কিনা ব্যাট করতে পারে না। প্রথম বলেই শূন্য রানে বোল্ড হয়? মুম্বই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে বসে রবিবার রাতে মেয়ে আথিয়াকে এই কথা গুলো কি আদৌও বলেছিলেন সুনীল শেট্টি? যদি বলে থাকেন অবাক হওয়ার কিছু নেই। রবিবার হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল।সুনীল শেট্টির মেয়ে আথিয়া লোকশ রাহুলের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, একথা আর কারও অজানা নেই। রবিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রাজস্থান রয়্যালস লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচ ছিল। লোকেশ রাহুল আবার লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক। বাবা সুনীল শেট্টিকে নিয়ে স্টেডিয়ামে এসেছিলেন আথিয়া। বয়ফ্রেন্ডের খেলা দেখাতে। আর হবু শ্বশুরের সামনে বেইজ্জত লোকেশ রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই ছিটকে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়কের স্টাম্প। ট্রেন্ট বোল্টের প্রথম বলেই লোকেশ রাহুলের স্টাম্প ছিটকে যেতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মিম ছড়িয়ে পড়ে মিম। নেটিজেনদের অনেকেই মজা করে বলতে শুরু করেন, প্রথম বলে আউট হওয়ার আর দিন পেলেন না লোকেশ রাহুল! বাবাকে নিয়ে খেলা দেখতে এসেছেন গালফ্রেন্ড। আর সেদিনই কিনা বেইজ্জত হল! সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা শুরু হয়। এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া ও সুনীল শেট্টি, মেয়েবাবা মিলে রাহুলকে দেখতে এলেন। আর ভাই, শূন্য রানেই আউট হয়ে গেলেন। অন্য এক নেটিজেন লেখেন, আথিয়া শেট্টির সামনে মানসম্মান ডুবিয়ে দিলেন লোকেস রাহুল। শ্বশুর সুনীল শেট্টি নতুন জামাই খুঁজতে বেরিয়ে গিয়েছেন। আর একজন সুনীল ও আথিয়ার ছবি পোস্ট করে লেখেন, আথিয়াকে সুুনীল বলছেন, এই তোমার বয়ফ্রেন্ড? রবিবার মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে লখনউ সুপার জায়েন্টসের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস। সেই রান তাড়া করতে নামেন রাহুল এবং কুইন্টন ডিকক। কিন্তু লখনউয়ের ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান রাহুল। ট্রেন্ট বোল্টের দক্ষতার কাছে হার মানেন। অফস্টাম্পের বাইরে পড়া বল শেষমুহূর্তে বল সুইং করে লোকেশ রাহুলের ব্যাট এবং প্যাডের মধ্যে দিয়ে স্টাম্পে আছড়ে পড়ে।

এপ্রিল ১১, ২০২২
রাজ্য

কুণালের পাল্টা দিলেন ফিরহাদ, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পাশে থাকার বার্তা

রাজ্যের নানা ক্ষেত্রে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই তদন্ত চলছে। বগটুইয়ের দুটি ঘটনা, ঝালদার কংগ্রেস কাউন্সিলর খুনের পাশাপাশি এসএসসি নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও তদন্ত করছে সিবিআই। শুক্রবার তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষ এসএসসি নিয়ে সিবিআইয়ের তদন্ত প্রসঙ্গে বলেছেন, যা বলার পার্থদা বলবেন। তিনি সে সময় শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। তাঁর মন্তব্যে এই শোরগোল পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। এ ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কুণালের বক্তব্যের সঙ্গে সহমত নয় বলে শনিবার স্পষ্ট জানিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম।কী বলেছেন ফিরহাদ হাকিম? তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও মন্ত্রী-নেতা অন্যায় করেনি? অন্যায় করবে না{ অন্যায় হয় না{ প্রসিডিওর মিসটেক হয় কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ। পার্থদার ক্যাবিনেটে আমিও মন্ত্রী। যদি কোনও জায়গায় হয়, তাহলে যতটা দায়িত্ব পার্থদার ততটা দায়িত্ব আমারও। সুতরাং একটা কালেক্টিভ পরিবার। ওটা আমরা কারও কাছে কারও দায় ঠেলতে পারি না। আমি আমার মন্তব্য বললাম।কোনও আড়াআড়ি ভাঙার ব্যাপার না। ক্যাবিনেটের মেম্বার কুণাল নয়। আমরা যৌথ দায়িত্ব পালন করি। সেই দায়িত্ব ক্যাবিনেটের, এটা পার্থদার ব্যাপার নয়। এতবড় ক্যাবিনেট চলে কোথায় কী হচ্ছে সেটা একজন মন্ত্রীর পক্ষে জানা সম্ভব? আমি কর্পোরেশনে থাকি কোথায় অ্যাসেসমেন্টে ঘুস নিলে আমার পক্ষে জানা সম্ভব? কোথাও ট্রেড লাইসেন্সে বেনিয়ম হচ্ছে সেটা আমার পক্ষে জানা সম্ভব? পার্থদার সঙ্গে কী সম্পর্ক আছে। হয় ডিপার্টমেন্টাল এনকোয়ারি হবে। যে এনকোয়ারি হচ্ছে তা হবে।এর আগে অনুব্রত মন্ডল প্রসঙ্গেও কুণাল কটাক্ষ করেছিলেন। সেদিন তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, সিবিআই বা কোনও কেন্দ্রীয় সংস্থা তলব করলে প্রয়োজনে ৫ মিনিট আগে গিয়েছি। অনুব্রত প্রসঙ্গে তাঁর চিকিৎসক বা আইনজীবী বলবেন বলে তিনি থেমে যাননি। শুক্রবার বলেছেন, ব্রাত্য এখন শিক্ষামন্ত্রী। তখন শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি যা বলার বলতে পারবেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বা মুখপাত্র মানে তিনি দলের কথাই বলছেন এটাই স্বাভাবিক। অর্থাৎ পার্টি লাইন বলাই তাঁর দায়-দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তাহলে পরিস্থিতি কী দাঁড়াতে তা পরখ করে নিতেই এমন মন্তব্য করেছেন দলের মুখপাত্র?

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঠিক হয়ে গেল এএফসি কাপে এটিকে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ, কারা?‌ জানতে পড়ুন

এএফসি কাপের প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে ঠিক হয়ে গেছে এটিকে মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ। ১২ এপ্রিল যুবভারতীতে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে খেলতে হবে সবুজমেরুণ ব্রিগেডকে। প্লে অফ ম্যাচে নেপালের মাচিন্দ্রা এফসিকে হারিয়ে প্রাথমিক পর্বে উঠে এসেছে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টার। গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষকে মেপে নিতে ব্লু স্টার ও মাচিন্দ্রা এফসি ম্যাচ দেখেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। খেলা দেখে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে যথেষ্ট শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মনে হয়েছে তাঁর। বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। ব্লু স্টারের খেলা দেখে সবুজমেরুণ কোচের বিশ্লেষণ, শ্রীলঙ্কার এই দলের পাসিং ফুটবল যথেষ্ট ভাল। মাঝমাঠে পাস খেলতে খেলতে হঠাৎ আক্রমণে উঠে আসে গতি বাড়িয়ে। ম্যাচের কোনও সময়েই হালকাভাব দেখানো চলবে না। ওদের ছোট করে দেখলে ডুবতে হবে। তাই আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।এটিকে মোহনবাগানের ভিডিও অ্যানালিস্ট ব্লু স্টার ও মাচিন্দা এফসির গোটা ম্যাচ ভিডিও রেকর্ডিং করেছেন। দলের ফুটবলারদের ওই ম্যাচের ভিডিও দেখাবেন জুয়ান ফেরান্দো। বিপক্ষ দলের কোথায় দুর্বলতা, কোন জায়গায় শক্তিশালী সেগুলো ফুটবলারদের সামনে তুলে ধরবেন। বিপক্ষের শক্তি ও দুর্বলতা অনুযায়ী ম্যাচের পরিকল্পনা করবেন। এএফসির ম্যাচে এই প্রথম দল নিয়ে মাঠে নামবেন না জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কোচিংয়ে এফসি গোয়া একবার এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলেছিল। যদিও তেমন আশানূরূপ ফল করতে পারেনি। এটিকে মোহনবাগানকে সাফল্য এনে দিতে চান। তবে এখনই পরের পর্ব নিয়ে ভাবছেন না সবুজমেরুণ কোচ। তাঁর লক্ষ্য একেকটা ম্যাচ ধরে এগোনো। এদিকে, যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে পুরোদমে প্রস্তুতি চলছে এটিকে মোহনবাগানের। রয় কৃষ্ণাসহ সব বিদেশি যোগ দিয়েছেন। লিস্টন কোলাসো ছাড়া সব ভারতীয় ফুটবলারও অনুশীলন করছেন। লিস্টনের নাকে অপারেশন হয়েছে। কয়েকদিন পরেই তিনি অনুশীলনে যোগ দেবেন। পরে যোগ দিলেও তাঁর খেলতে কোনও অসুবিধা হবে না বলে জানিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর সিবিআইয়ে গরহাজিরা, 'খোঁচা' খোদ তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণালের

গরুপাচার কান্ডে এবারও সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ এড়ালেন অনুব্রত মন্ডল। এবার বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি ভর্তি হয়েছেন এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ণ ওয়ার্ডে। তাঁর আইনজীবীরা সিবিআইকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন অনুব্রত অসুস্থ তাই আসতে পারছেন না। এদিকে অনুব্রতর সিবিআই হাজিরা নিয়ে খোঁচা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি কখনও জেরা এড়িয়ে যাননি বলে স্পষ্ট দাবি করেছেন।অনুব্রতর সিবিআইতে হাজির না হওয়া প্রসঙ্গে কুণাল বলেন, ওনার শরীর অসুস্থ বা কেন সিবিআইতে যাননি তা তাঁর আইনজীবীরা বলতে পারবেন। তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না। তবে আমি বলতে পারি, সিবিআই, ইডি, এসএফআইও, থানা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য যখনই ডেকেছে গিয়েছি। বরং নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট আগে হাজির হয়েছি। কারণ আমি কোনও অন্য়ায় করিনি। আমাদের দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইডি দফতরে হাজির হচ্ছেন। মাথা উঁচু করে বেরিয়ে আসছেন।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সরাসরি কিছু না বললেও অনেক কিছুই স্পষ্ট করে দিয়েছেন বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, অনুব্রত প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি শুধু ওই বিষয়টা বলেই থেমে যেতে পারতেন। সেখানে কুণাল পাঁচ মিনিট আগে হাজির হওয়ার কথা, নিজে অন্যায় না করার কথা ঘোষণা করেছেন, পাশাপাশি অভিষেকের মাথা উঁচু করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অফিস থেকে বেরিয়ে আসার কথা বলেছেন দলের সাধারণ সম্পাদক। কেন অনুব্রতর সিবিআই-হাজিরা নিয়ে নিজের ও অভিষেকের প্রসঙ্গ টানলেন কুণাল ঘোষ, তা নিয়েই জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

ঝালদায় বুধবার ১২ ঘন্টার বনধের ডাক কংগ্রেসের, গন্ডগোলের মাঝে পুরবোর্ড গঠন তৃণমূলের

কংগ্রেস নেতা তপন কান্দু খুন, সিবিআই তদন্ত শুরু, কংগ্রেসের বিক্ষোভে উত্তাল ঝালদা। এরইমধ্যে মঙ্গলবার এক নির্দল কাউন্সিলরের সমর্থনে ঝালদা পুরসভায় বোর্ড গঠন করল তৃণমূল কংগ্রেস। ঝালদার পুরপ্রধান হলেন সুরেশ আগরওয়াল ও উপপুরপ্রধান পদে এলেন সুদীপ কর্মকার। এদিকে এদিন কংগ্রেসের চার কাউন্সিলরও শপথ নেন। পুলিশি হেনস্থার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘন্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস।এদিন ঝালদা শহরে মিছিল করে কংগ্রেস। কংগ্রেসের মিছিল আটকে দেয় পুলিশ। ধস্তাধস্তি চলে কংগ্রেস কর্মী ও পুলিশের মধ্যে। ঝালদা পুরসভার বাইরে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে কংগ্রেস। পুরসভার ভিতরেও তান্ডব চলতে থাকে। তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দুর ওপর পুলিশি হেনস্তার প্রতিবাদে বুধবার ১২ ঘণ্টার ঝালদা বনধের ডাক দিয়েছে কংগ্রেস। এদিকে কংগ্রেস কাউন্সিলর তপন কান্দুর তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। নিহতের স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু সিবিআই তদন্ত শুরু করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। খুনের ঘটনার মূল চক্রান্তকারী রূপে অভিযোগ উঠেছে ঝালদা থানার আইসি সঞ্জীব ঘোষের বিরুদ্ধে। যদিও জেলা পুলিশ সুপার আইসিকে ক্লিন চিট দিয়েছেন। তবে পূর্ণিমা নিজের অবস্থানে অনড়। তাঁর অভিযোগ, তপন কান্দু খুনের ঘটনায় ওই আইসি যুক্ত রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভেঙে গেল রহস্য মেয়ের হৃদয়, ছবি ভাইরাল, কে সেই রহস্যময়ী?‌

সোমবার আইপিএলে লখনউ সুপার জায়ান্টস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচ চলছিল। ক্রমশ পরাজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ডাগ আউটে বাড়ছিল হতাশা। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দল যখন নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে, তখন টিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ছিল এক মহিলার করুণ মুখ। এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ ভাইরাল হয়েছে।কে এই মহিলা? সানরাইজার্স হায়দরাবাদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই বা কী? এই নিয়ে সকলের দারুণ কৌতুহল। এই মহিলা কিন্তু যে সে মহিলা নন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অন্যতম মালিক কাব্য মারান। সান গ্রুপের কর্ণধার কালানিধি মারানের মেয়ে, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দয়ানিধি মারানের ভাতিজি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অন্যতম মালিক। দলের সিইও। কাব্য মারান নিজে সান মিউজিকের সঙ্গে যুক্ত। ২০১৮ সালের আইপিএলে তাঁকে প্রথম ক্রিকেট মাঠে দেখা যায়। নিজের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে চিয়ার করার সময় তাঁকে প্রথম টিভিতে দেখা যায়। চেন্নাই থেকে এমবিএ শেষ করার পর কাব্য মারান তাঁর বাবা কালানিধি মারানের ব্যবসায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ক্রিকেটকে দারুণ ভালোবাসেন কাব্য। এছাড়া তিনি দলের সিইওর দায়িত্বও পালন করেন।Bechari bacchi ko engineering churwa kar ipl team ke peeche phasa diya 😢. #FamilyPressure #SRHvsLSG #TATAIPL pic.twitter.com/1hWMWVCzxk Shivansh𓃵 ( KEI STAN 𓃵❤️) (@sher_singh_18) April 4, 2022গতবছর আইপিএলে একেবারেই ভাল ফল করতে পারেনি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। এবছরও শুরুটা যথেষ্ট হতাশাজনক। দুটি ম্যাচে এখনও জয় পায়নি এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। সোমবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচ ছিল লখনউও সুপার জায়ান্টেস সঙ্গে। হায়দরাবাদের পরাজয়ের পর দলের সমর্থকরা দারুণ হতাশ। দলের অন্যতম মালিকের একটা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হতাশায় একটা মেয়ের মুখের করুণ অবস্থা।সোমবার লখনউও সুপার জায়ান্টের সঙ্গে দারুণ লড়াই করেছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। একটা সময় মনে হচ্ছিল জিতেও যেতে পারে। কিন্তু ম্যাচের শেষদিকে মোড় ঘুরে যায়। শেষ ওভারে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে লখনউও সুপার জায়ন্টসকে ১২ রানে ম্যাচ জেতান ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডার জেসন হোল্ডার। এই পরাজয়ের পর কাব্য মারানের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ ভাইরাল হচ্ছে।কাব্য যখনই মাঠে থাকেন, টিভি ক্যামেরা তাঁর দিকে তাক করে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও লখনউ সুপার জায়ান্টস ম্যাচেও তেমনই ঘটেছিল। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে দল যখন নিশ্চিত পরাজয়ের মুখে, তখন টিভি ক্যামেরায় কাব্যর করুণ মুখ ধরা পড়েছিল। কাব্যর এই করুণ মুখ দেখে তাঁর ভক্তরাও হতাশ হয়ে পড়েছিল। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দল যতক্ষণ লড়াইয়ে ছিল, তাঁকে খুশি দেখাচ্ছিল। কিন্তু দল যতই পরাজয়ের কাছাকাছি আসে, তাঁর মুখও করুণ হতে শুরু করে। কাব্যের করুণ মুখ মোটেও পছন্দ হয়নি ভক্তদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাব্যের এক ভক্ত লিখেছেন, তিনি অবশ্যই আরও ভালোর যোগ্য। কেন উইলিয়ামসন, আব্দুল সামাদ, অভিষেক শর্মা, উমরান মালিক, নিকোলাস পুরান, রাহুল ত্রিপাঠি, এইডেন মার্করাম, দয়া করে কাব্যকে খুশি করুন।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ...
  • 59
  • 60
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

হার নয়, নতুন লড়াই! “আমি এখন মুক্ত পাখি”—দেশ জয়ের ইঙ্গিত দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভোটের আগে তিনি বলেছিলেন, বাংলা জিতে দিল্লির দিকে এগোবেন। কিন্তু ফল তাঁর বিপক্ষে গেলেও লক্ষ্য থেকে সরে আসছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরাজয়ের পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠকেই তিনি নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দিলেন। তাঁর সাফ কথা, আমি এখন মুক্ত পাখি। কোনও পদে নেই। সাধারণ কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব।ফল ঘোষণার আগেই বিরোধী শিবিরের একাধিক নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। তিনি জানান, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, হেমন্ত সোরেন এবং তেজস্বী যাদব-এর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আসতে চাইলেও তিনি পরের দিনের জন্য সময় দিতে বলেন।মমতার দাবি, ইন্ডিয়া জোটের নেতারা তাঁর পাশে আছেন। তিনি বলেন, আমি ছোট কর্মীর মতো কাজ করব। ইন্ডিয়া জোটকে আরও শক্তিশালী করব। এই জোট খুব শক্তিশালী হবে।ভোট প্রক্রিয়া নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর দাবি, বাংলাতেও গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি নির্বাচন ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, ভোট গণনার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে বাইরে থেকে।এই বিষয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী-ও তৃণমূলের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, বাংলা এবং অসমে ভোটে অনিয়ম হয়েছে এবং এটি বৃহত্তর চক্রান্তের অংশ। এমনকি কংগ্রেসের কিছু নেতাকে সতর্কও করেছেন তিনি, যাতে এই পরিস্থিতি নিয়ে ভুল বার্তা না যায়।এতে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে। কংগ্রেস ও তৃণমূল কি আরও কাছাকাছি আসতে চলেছে? ভবিষ্যতে কি কোনও বড় জোট গড়ে উঠতে পারে? এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি মমতা। তিনি শুধু বলেন, এই ধরনের কৌশল নিয়ে এখনই কিছু বলব না।পরাজয়ের পরেও তাঁর এই অবস্থান স্পষ্ট করে দিচ্ছে, আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় ভূমিকা নিতে চান তিনি।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

চাঞ্চল্যকর বিস্ফোরণ! “রাজভবনে কেন যাব?”—ইস্তফা নয়, চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), তিনি রাজভবনে যাবেন না। তাঁর সাফ কথা, আমি কেন রাজভবনে যাব? যদি শপথ নিতে যেতাম, তাহলে যেতাম। ওরা দখল করেছে ভেবে আমি পদত্যাগ করতে যাবএটা ভুল। আমরা ভোট হারিনি, তাই ইস্তফা দেওয়ার প্রশ্নই নেই।কংগ্রেসের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনও জোট হবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি কৌশলী উত্তর দেন। জানান, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলবেন না।ভোটের ফল ঘোষণার পর একাধিক গুরুতর অভিযোগও তুলেছেন মমতা। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন জায়গায় তাঁর দলের কর্মীদের উপর হামলা হয়েছে। বেলেঘাটায় খুনের ঘটনা, মহিলাদের ধর্ষণের হুমকিএমন অভিযোগও করেন তিনি। তাঁর কথায়, এতে বিশ্বের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে যে নির্বাচন গণতান্ত্রিক ভাবে হয়নি।তিনি আরও বলেন, মা-মাটি-মানুষকে ধন্যবাদ। ওঁরা ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু আমরা সেই ভোট রক্ষা করতে পারিনি। একই সঙ্গে প্রশ্ন তোলেন, দেশে কি একটাই দল থাকবে?কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকাও তীব্রভাবে আক্রমণ করেন তিনি। অভিযোগ করেন, তারা গুণ্ডার মতো আচরণ করেছে। তাঁর দাবি, এভাবে অত্যাচার চলতে থাকলে খুব তাড়াতাড়ি সত্য সামনে চলে আসবে।মমতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তাঁর দলের উপর যদি অত্যাচার করা হয়, তবে তার জবাব মিলবে। তিনি অভিযোগ করেন, জোর করে ভোট দখল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তিনি দশ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। সেই কমিটি বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করবে।তিনি আরও দাবি করেন, ভোট গণনার সময় তাঁর এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তাঁকেও শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, আমাকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয়েছে। একজন মহিলা হিসেবে যে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অত্যন্ত অপমানজনক।মমতা অভিযোগ করেন, সংবাদমাধ্যমের একাংশ আগেই দেখাতে শুরু করেছিল যে তিনি পিছিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা জিতলে বলেছিলাম বদল চাই, বদলা নয়। কিন্তু এখন তিন দিন ধরে অত্যাচার চলছে।তাঁর অভিযোগ, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের উপরও হামলা হয়েছে। ভাঙর থেকে বারাসত, কলকাতা থেকে জঙ্গলমহলসব জায়গাতেই অশান্তির অভিযোগ তোলেন তিনি।নিজের অবস্থান নিয়ে মমতা বলেন, আমি এখন পদে নেই, আমি স্বাধীন। আমি কখনও বেতন নিইনি, সারা জীবন মানুষের জন্য কাজ করেছি।তিনি আরও দাবি করেন, এমন নির্বাচন তিনি আগে কখনও দেখেননি। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, উদ্ধব ঠাকরে, হেমন্ত সোরেন-সহ বিরোধী জোটের নেতাদের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে বলে জানান।সবচেয়ে বড় অভিযোগ হিসাবে তিনি বলেন, প্রায় একশো আসন জোর করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, লড়াই হয়েছে শুধু একটি দলের বিরুদ্ধে নয়, নির্বাচন ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।ভোটের ফলের পর রাজ্যের রাজনৈতিক ছবি আমূল বদলে গিয়েছে। একাধিক মন্ত্রী পরাজিত হয়েছেন, কিছু এলাকায় দল টিকে থাকলেও কয়েকটি জেলায় একেবারে শূন্য হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে এই পরিস্থিতিতেও পরাজয় মানতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ফল ঘোষণার পরই চমক! রাজভবনে যাচ্ছেন না মমতা, বললেন “আমরা হারিনি”

সোমবার ভোটের ফল স্পষ্ট হতেই বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দাবি উঠতে থাকে যে এবার রাজ্যের ক্ষমতা গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। জল্পনা ছিল, বিকেলের মধ্যেই লোকভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু রাত গড়ালেও তিনি সেখানে যাননি।মঙ্গলবার কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি পরাজয় মানছেন না। তাঁর কথায়, আমরা হারিনি। তাই লোকভবনে যাওয়ার প্রশ্ন নেই। আমাদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে। যদি শপথ নিতে হত, তাহলে যেতাম।২০১১ সালে যেমন ৩৪ বছরের বামশাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন মমতা, তখন ফলাফল স্পষ্ট হতেই তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাজ্যপালের কাছে ইস্তফা দিয়েছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, ২০২৬ সালেও একই ছবি দেখা যাবে। কিন্তু সেই প্রত্যাশা ভেঙে দিয়ে এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন অবস্থান নিলেন মমতা।নিয়ম অনুযায়ী রাজ্যপাল আর এন রবি তাঁকে ইস্তফা দিতে বলতে পারেন। তবে মমতা জানিয়েছেন, সেই নির্দেশ এলেও তিনি ইস্তফা দেবেন না। অর্থাৎ ফলাফলকে তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে রাজি নন।এই অবস্থানে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিজেপি। দলের মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বলেন, এই আচরণ ভারতের সংবিধানের পরিপন্থী।এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ভোটের ফল নিয়ে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মমতা। তিনি বলেন, সকাল থেকেই সংবাদমাধ্যমে বিজেপির জয়ের খবর দেখানো হচ্ছিল। কয়েক রাউন্ড গণনার পর থেকেই তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা শুরু হয় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মারধর করা হয়েছে, মহিলাদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি, এমনকি গুরুত্বপূর্ণ নথিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।মমতা আরও বলেন, তাঁকেও অপমানের মুখে পড়তে হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে ধাক্কা মেরে বের করে দেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়। তাঁর কথায়, একজন মহিলা এবং একজন মানুষ হিসেবে যে অপমান করা হয়েছে, তাতে বোঝা যায় কর্মীদের সঙ্গে কী করা হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

নবান্নে নজিরবিহীন দৃশ্য! কর্মীদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’—গেরুয়া আবিরে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ল প্রশাসন

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির জয়ের পর নবান্নে দেখা গেল এক বিরল ছবি। ফল প্রকাশের পরই নবান্নের ভিতরে সরকারি কর্মচারীদের একাংশের মুখে শোনা গেল জয় শ্রীরাম স্লোগান। বিভিন্ন তলা থেকে কর্মীদের বাইরে বেরিয়ে এসে স্লোগান দিতে দেখা যায়। গেরুয়া আবিরে একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানোর ছবিও সামনে আসে।চোখে পড়ার মতো বিষয়, মহিলা ও পুরুষউভয় কর্মীদেরই এই উচ্ছ্বাসে অংশ নিতে দেখা যায়। নবান্নের বিভিন্ন তলায় একই ছবি ধরা পড়ে। কর্মীদের দাবি, এতদিন তারা ভয়ের মধ্যে কাজ করতেন, এখন সেই ভয় কাটিয়ে উঠেছেন। তাঁদের কথায়, এখন আমরা মুক্ত।অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তেও জয় উদ্যাপনে মেতে উঠেছেন ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মী ও সমর্থকরা। বিশেষ করে বিধাননগরের গণনাকেন্দ্রের বাইরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গিয়েছে।এই নির্বাচনে প্রায় ১৫ বছর পর বাংলায় বড় রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলাফল অনুযায়ী, তারা ২০৭টি আসনে জয় পেয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন।উত্তর থেকে দক্ষিণরাজ্যের প্রায় সর্বত্রই গেরুয়া শিবিরের সাফল্য চোখে পড়েছে। তৃণমূলের একাধিক শক্ত ঘাঁটিতেও এবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তারা।নবান্নের আশপাশেও গেরুয়া পতাকা উড়তে দেখা গিয়েছে। ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই পরিবর্তনের আবহ স্পষ্ট হয়েছে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্রেও।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় ঘোষণা! বাংলায় সরকার গঠনের আগে বড় দায়িত্বে অমিত শাহ—মুখ্যমন্ত্রী কে হচ্ছেন?

বাংলার ভোটে বহু প্রতীক্ষিত জয়ের পর এখন সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। গেরুয়া ঝড়ে কার্যত বিপর্যস্ত হয়েছে তৃণমূল শিবির। এই পরিস্থিতির মধ্যেই দলের কেন্দ্রীয় সংসদীয় বোর্ড পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অমিত শাহ-কে।দল সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলায় পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের পুরো প্রক্রিয়া তিনি তদারকি করবেন। তাঁর সঙ্গে সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি-কে। এই দুই নেতার উপরই এখন বড় দায়িত্ব, কারণ তাঁদের তত্ত্বাবধানেই ঠিক হবে বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন।মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার নিয়ে ইতিমধ্যেই জল্পনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের শীর্ষ নেতৃত্বের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, শেষ পর্যন্ত কাকে বেছে নেয় পদ্ম শিবিরের নেতৃত্ব।অন্যদিকে অসমেও একইভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে দল। সেখানে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক করা হয়েছে জেপি নাড্ডা-কে। সহ-পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী নবাব সিং সাইনি। দল ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে।উল্লেখ্য, বুথ ফেরত সমীক্ষার ইঙ্গিতকেই সত্যি করে বাংলায় বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। দুইশোর বেশি আসন পেয়েছে তারা। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস শতকের গণ্ডিও পার করতে পারেনি।ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি পেয়েছে ২০৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৮০টি আসন। কংগ্রেস পেয়েছে ২টি আসন। হুমায়ুনের আম জনতা উন্নয়ন পার্টিও পেয়েছে ২টি আসন। এছাড়া সিপিএম এবং আইএসএফ পেয়েছে ১টি করে আসন।তবে এই ফলাফল নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। তাদের অভিযোগ, ভোট প্রক্রিয়ায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও রেকর্ড সংখ্যক ভোটদানের সাক্ষী থেকেছে গোটা রাজ্য, যা দেশের নজর কেড়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! মমতার বাড়ির সামনে থেকে সরল কড়া নিরাপত্তা, কী ঘটছে ভিতরে?

এখনও ইস্তফা দেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর নামের পাশে প্রাক্তন শব্দটি যুক্ত হওয়া এখন সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে দুই শতাধিক আসন পেয়ে জয়ী হয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। এমনকি তাঁর নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও প্রায় পনেরো হাজার ভোটে পরাজিত হয়েছেন তিনি (Mamata Banerjee)।এই পরিস্থিতিতে তাঁর পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। এরই মধ্যে সামনে এল আরও এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ছবি। তাঁর বাড়ির সামনে থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই সরিয়ে নেওয়া হয়েছে (Mamata Banerjee)।দীর্ঘদিন ধরেই কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতেই থাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই বাড়িতেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ পথচলা। সময়ের সঙ্গে বাড়ির আশপাশের পরিবেশ বদলালেও তাঁর বাড়ির গঠন খুব একটা বদলায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ওই এলাকার নিরাপত্তা অনেকটাই বাড়ানো হয়েছিল।বিশেষ করে ২০১৬ সালের পর তাঁর বাড়ির সামনে শক্ত নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। বাড়ির সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বাইরের কেউ ওই এলাকায় ঢুকতে গেলে গার্ডরেল পেরোতে হত এবং কারণ জানাতে হত। এমনকি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও নিজেদের পরিচয় জানিয়ে ঢুকতে হত (Mamata Banerjee)।এখন সেই গার্ডরেল সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে আর আগের মতো বাধা থাকছে না। তবে গলির মুখে পুলিশি নজরদারি এখনও বজায় রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতে একাধিকবার তাঁর বাড়ির নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকবার সন্দেহভাজন ব্যক্তির ঢুকে পড়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। এমনকি অস্ত্র নিয়ে ঢোকার অভিযোগও উঠেছিল। বিভিন্ন সময়ে এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়েছে।কয়েক মাস আগেও অভিযোগ উঠেছিল, কিছু অচেনা ব্যক্তি তাঁর বাড়ির আশপাশে সিসিটিভি ক্যামেরার মুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এই ঘটনাগুলি সামনে আসার পরই নিরাপত্তা আরও কড়া করা হয়েছিল।তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর সেই নিরাপত্তা বলয়ে শিথিলতা আসায় নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

মে ০৫, ২০২৬
কলকাতা

হার মানলেন না মমতা! পরাজয়ের পরেই বড় ঘোষণা, কালই সাংবাদিক বৈঠক

বিধানসভা নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। হেরে গিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল মঙ্গলবার কালীঘাটের বাসভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছেন তিনি। বিকেল চারটেয় এই বৈঠক হবে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও।প্রায় পনেরো বছর রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার পর এই প্রথমবার বড় পরাজয়ের মুখে পড়ল তৃণমূল। অন্যদিকে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রায় পনেরো হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু এই কেন্দ্রই নয়, রাজ্যের একাধিক জায়গায় তৃণমূল পরাজিত হয়েছে। মুর্শিদাবাদ, কলকাতা এবং পূর্ব বর্ধমানের মতো এলাকাতেও বিজেপি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।এর মধ্যেই সোমবার বিকেলে গণনাকেন্দ্রে গিয়ে উত্তেজনার মুখে পড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে দলের এজেন্টকে বের করে দেওয়ার খবর পেয়ে তিনি হঠাৎই সেখানে পৌঁছে যান। কয়েক ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে তিনি গুরুতর অভিযোগ করেন। তাঁর দাবি, তাঁকে মারধর করা হয়েছে এবং জোর করে হারানো হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রায় একশোটি আসনে ভোট লুঠ হয়েছে।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। মমতার এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের সহায়তায় ভোটে কারচুপি হয়েছে এবং বহু আসন ছিনতাই করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আগামীকালের সাংবাদিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ০৪, ২০২৬
কলকাতা

মমতার দুর্গেই ভাঙল ঘাঁটি! ভবানীপুরে বিশাল ব্যবধানে শুভেন্দুর জয়

দীর্ঘদিন ধরে ভবানীপুরে লড়াই করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এবারের নির্বাচনে সেই কেন্দ্রেই বড় ধাক্কা খেলেন তিনি। কুড়ি রাউন্ড গণনা শেষে প্রায় ১৫ হাজার ১১৪ ভোটে তাঁকে পরাজিত করলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। এর ফলে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও জয়ী হলেন শুভেন্দু।ভবানীপুরে ভোটগণনা ঘিরে দিনভর উত্তেজনা ছিল। গণনার মাঝপথে নিজেই কেন্দ্রে পৌঁছে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, ভোট গণনায় কারচুপি হচ্ছে। যদিও সেই অভিযোগের মধ্যেই গণনা চলতে থাকে। রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্পষ্ট হয়ে যায় ফলাফল। দেখা যায়, ২০ রাউন্ড শেষে শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৬৩ ভোট, আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫৮ হাজার ৩৪৯ ভোট।নির্বাচনের আগেই শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তিনি ধীরে ধীরে ব্যবধান বাড়িয়ে শেষ পর্যন্ত জিতবেন। তাঁর সেই পূর্বাভাসই যেন মিলল বাস্তবে। শুরুতে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও পরের রাউন্ডগুলোতে ব্যবধান কমিয়ে শেষে এগিয়ে যান তিনি এবং জয় নিশ্চিত করেন।জয়ী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁকে জোর করে হারানো হয়েছে এবং ভোট লুঠ করা হয়েছে। তিনি জানান, এই লড়াই এখানেই শেষ নয়, তিনি আবার ফিরে আসবেন।শুধু ভবানীপুর নয়, নন্দীগ্রামেও জয় পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূলের অবস্থানও এই নির্বাচনে দুর্বল হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের মত।

মে ০৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal