• ১০ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trophy

খেলার দুনিয়া

‌টানা ৩ ম্যাচ জিতেই রনজি নক আউটে বাংলা

বছর দুয়েক আগে রনজি ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি বাংলার। সৌরাষ্ট্রর কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। করোনার জন্য মাঝে একটা মরশুম রনজি হয়নি। তাতেও যে ছন্দ নষ্ট হয়নি বাংলা শিবিরের, এই মরশুমেই প্রমাণ। টানা তিন ম্যাচ জিতে রনজি নক আউটে পৌঁছে গেল বাংলা। বরোদা, হায়দরাবাদের পর তৃতীয় ম্যাচে চণ্ডীগড়কে হারাল ১৫২ রানে। প্রথম দুই ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে নক আউটে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছিল বাংলা। হায়দরাবাদ যদি শেষ ম্যাচে বরোদার বিরুদ্ধে ৭ পয়েন্টসহ জিতত এবং বাংলা যদি চণ্ডীগড়ের কাছে হারত, তাহলেই অভিমন্যু ঈশ্বরণদের লিগ পর্ব থেকেই ছিটকে যেতে হত। সেই সুযোগ দেয়নি বাংলা শিবির। টানা ৩ ম্যাচ জিতে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে নক আউটে। চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে বাংলা তুলেছিল ৪৩৭। জবাবে ২০৬ রানে শেষ হয়ে যায় চণ্ডীগড়ের প্রথম ইনিংস। বাংলা দ৮ উইকেটে ১৮১ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে। জয়ের জন্য ৪১৩ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায় চণ্ডীগড়ের সামনে। ২৬০ রানে শেষ হয়ে যায় চণ্ডীগড়ের দ্বিতীয় ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে চণ্ডীগড়ের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন জশকরণ সিং (৬০)। অমৃত লুবানা করেন ৫৭। অধিনায়ক মনন ভোরা ৪০। বাংলার হয়ে ঈশান পোড়েল ৩টি, মুকেশ কুমার, নীলকন্ঠ দাস দুটি করে, সায়নশেখর মণ্ডল, শাহবাজ আমেদ ও অনুষ্টুপ মজুমদার ১টি করে উইকেট নেন। ম্যাচের সেরা হন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। ম্যাচের পর বাংলার কোচ অরুণলাল বলেন, দুর্দান্ত জয় পেয়েছি। এই ম্যাচ না জিতলেও আমরা নক আউটে পৌঁছতাম। প্রতিটা ম্যাচেই ছেলেরা ভাল খেলেছে। বরোদার বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে ৮৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরও যেভাবে জয় পেয়েছিলাম তা ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাস বাকি ম্যাচ জিততে সাহায্য করেছে। ধারাবাহিকতা দেখাতে পেরেছি। এখনই নক আউট নিয়ে ভাবছি না। বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ বলেন, প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে গ্রুপ শীর্ষে থেকে পরের পর্বে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ার পরেও সকলে যে ভাবে জয়ের জন্য লড়াই করেছে সেটা অবিশ্বাস্য। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ম্যাচ জেতা নক আউট পর্বে আমাদের সাহায্য করবে।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সাম্প্রতিক ফর্ম আশা জাগাচ্ছে রনজিতে, টানা তৃতীয় জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলা

বছর দুয়েক আগে তীরে এসে তরী ডুবেছিল বাংলার। রনজি ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। সৌরাষ্ট্রের কাছে কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল বাংলাকে। এবছর চ্যাম্পিয়ন হতে পারবে কিনা, সময়ই বলবে। তবে অভিমন্যু ঈশ্বরণদের সাম্প্রতিক ফর্ম দেখে আশাবাদী হতেই পারেন বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীরা। বরোদা ও হায়দরাবাদকে প্রথম দুই ম্যাচে হারানোর পর চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধেও চালকের আসনে বাংলা। বাংলার ৪৩৭ রানের জবাবে চণ্ডীগড় প্রথম ইনিংসে শেষ ২০৬ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ৮ উইকেটে ১৮১ ইনিংস সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলা। জয়ের জন্য ৪১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে চণ্ডীগড় তুলেছে ১৪/২।প্রথম ইনিংসে ২৩১ রানে এগিয়ে যায় বাংলা। সুযোগ ছিল চণ্ডীগড়কে ফলোঅন করানোর। সেই রাস্তায় হাঁটেনি বাংলা। ব্যাটারদের প্র্যাকটিসের সুযোগ দিকেই আবার ব্যাট করতে নামে। প্রথম ইনিংসে চণ্ডীগড় যে বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারবে না, দ্বিতীয় দিনের শেষেই ছবিটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল। ৬ উইকেটে ১৩৩ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল। অঙ্কিত কৌশিক ৩০ রানে ও গৌরব গম্ভীর ১১ রানে ক্রিজে ছিলেন। গৌরভ গম্ভীরকে (১৩) দিনের শুরুতেই তুলে নেন মুকেশ কুমার। দলের ২০৬ রানের মাথায় ঈশান পোড়েলের বলে অঙ্কিত কৌশিক আউট হন। তিনি করেন ৬৩। একই ওভারে শ্রেষ্ঠ নির্মোহিকে (০) তুলে নেন ঈশান। জশকরণদীপ সিংকে (৩১) তুলে নিয়ে চণ্ডীগড়কে ২০৬ রানে গুটিয়ে দেন শাহবাজ আমেদ। বাংলার হয়ে নীলকন্ঠ দাস ৩টি, মুকেশ কুমার, ঈশান পেড়েল ও সায়নশেখর মণ্ডল ২টি করে উইকেট নেন। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। নবম ওভারেই ফিরে যান অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরন। তিনি মাত্র ১৪ রান করে আউট হন। বাংলার রান তখন ১৮। আর এক ওপেনার সুদীপ ঘরামি (১৩), তিন নম্বরে নামা ঋত্বিক রায়চৌধুরীও (৬) ব্যর্থ। ৩৯ রানে ৩ উইকেট হারায় বাংলা। মনোজ তেওয়ারিও(১৩) রান পাননি। অনুস্টুপ মজুমদার (৪৩) কিছুটা লড়াই করেন। ১২০ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। অভিষেক পোড়েল (৩৮) ও শাহবাজ আমেদ (৩২) কিছুটা লড়াই করেন। ৮ উইকেটে ১৮১ তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে বাংলা। জয়ের জন্য ৪১২ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চণ্ডীগড়ও শুরুতে ধাক্কা খায়। সপ্তম ওভারে আর্সলান খানকে (৪) তুলে নেন মুকেশ কুমার। আর এক ওপেনার হারনুর সিংকে (১০) ফেরান ঈশান পোড়েল। দিনের শেষে চন্ডীগড় ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৪। শেষদিনে জয়ের জন্য বাংলার প্রয়োজন ৮ উইকেট।

মার্চ ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেঞ্চুরি হাতছাড়া সায়নশেখরের, টানা ৩ ম্যাচ জয়ের পথে বাংলা

এবছর রনজি ট্রফিতে দুরন্ত ছন্দে বাংলা। প্রথম দুটি ম্যাচে বরোদা ও হায়দরাবাদকে হারানোর পর চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধেও জয়ের পথে অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। দ্বিতীয় দিনের শেষে চালকের আসনে বাংলা। বাংলার প্রথম ইনিংসে ৪৩৭ রানের জবাবে চণ্ডীগড় তুলেছে ৬ উইকেটে ১৩৩। এখনও পর্যন্ত ৩০৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে চণ্ডীগড়। প্রথম দিনের ৩২৯/৬ রান হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলা। আগের দিন মনোজ তেওয়ারি ৪২ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন মাত্র ১১ রান যোগ করে তিনি আউট হন। মনোজ যখন আউট হন, বাংলার রান ৩৫০/৭। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান সায়নশেখর মণ্ডল ও মুকেশ কুমার। জুটিতে ওঠে ৭২ রান। এই জুটিই বাংলাকে ৪০০ রানের গন্ডি পার করে দেন। ২৮ রান করে গুরিন্দার সিংয়ের বলে আউট হন মুকেশ কুমার। পরের বলেই ফেরেন ঈশান পোড়েল (০)। নীলকন্ঠ দাসও (১) বেশিক্ষণ ক্রিজে কাটাতে পারেননি। ফলে সঙ্গীর অভাবে সেঞ্চুরি অধরা থেকে যায় সায়নশেখর মণ্ডলের। ১৪২ বলে ৯৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৪৩৭ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলার ইনিংস। সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলেও আক্ষেপ নেই সায়নশেখরের। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি চণ্ডীগড়ের। পঞ্চম ওভারে মুকেশ কুমারের বলে বোল্ড হন অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ খেলে আসা হার্নুর সিং (১৫)। এরপর চণ্ডীগড়কে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক মনন ভোরা ও আর্সলান খান। দুজনে ৫০ রানের জুটি গড়ে তোলেন। ১ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারানো চণ্ডীগড় ১০৫ রানের মাথায় হারায় ষষ্ঠ উইকেট। ৯৭ রানে পড়েছিল চতুর্থ উইকেটটি। মনন ৩৫, অমৃত লাল লুবানা ১০, জসকরন সোহি শূন্য ও গুরিন্দর সিং ৪ রানে আউট হন। অঙ্কিত কৌশিক ৩০ ও গৌরব গম্ভীর ১১ রানে অপরাজিত রয়েছেন। নীলকণ্ঠ দাস ১৪ ওভারে ৪টি মেডেন-সহ ২৫ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট দখল করেন। সায়নশেখর মণ্ডল ১০ রান দিয়ে ২টি উইকেট পান। মুকেশ কুমার পেয়েছেন ১টি উইকেট।

মার্চ ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত অভিমন্যু ও অনুষ্টুপের ব্যাটে বড় রানের স্বপ্ন বাংলার

বিগত কয়েক মরশুম ধরে বাংলার মূল সমস্যা ছিল ব্যাটিং। বোলাররা জ্বলে উঠলেও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় সাফল্য আসেনি। এবছরও রনজির প্রথম দুটি ম্যাচে বরোদা ও হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দলকে জয় এনে দিয়েছিলেন বোলাররা। গ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচে চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন ব্যাটাররা। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও অনুষ্টুপ মজুমদারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সুবাদে বড় রানের পথে বাংলা। এই জুটির তৈরি ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে প্রথম দিনের শেষে বাংলার সংগ্রহ ৬ উইকেটে ৩২৯। আগের দুটি ম্যাচে ওপেনাররা নির্ভরতা দিতে পারেনি বাংলাকে। তৃতীয় ম্যাচেও ছবিটা বদলায়নি। টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলা। দিনের চতুর্থ বলে ফিরে যান ওপেনার সুদীপ ঘরামি। কোনও রান না করেই জগজিৎ সিংয়ের বলে তিনি বোল্ড হন। এরপর দলকে কিছুটা টানেন অভিমন্যু ও তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরি। উইকেটে থিতু হয়েও ব্যর্থ ঋত্ত্বিক। ১২ রান করে তিনি জসকরণ সিংয়ের বলে তিনি বোল্ড হন। ৪২ রানে ২ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর অভিমন্যুর সঙ্গে দলের হাল ধরেন অনুষ্টুপ মজুমদার। এই দুই ব্যাটারের দাপটে ব্যাকফুটে চলে যান চণ্ডীগড়ের বোলাররা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন অভিমন্যু। শেষ পর্যন্ত ১৭২ বলে ১১৪ রান করে জগজিৎ সিংয়ের বলে আউট হন। এর পরপরই আউট হন অনুষ্টুপ। তিনি যেভাবে ব্যাট করছিলেন, সেঞ্চুরি নিশ্চিত ছিল। গৌরব গম্ভীরের ভেতরে ঢুকে আসা বলে লাইন মিস করে এলবিডব্লু হন অনুষ্টুপ। ১৪৯ বলে ৯৫ রান করে আউট হন তিনি। অভিমন্যু ও অনুষ্টুপের জুটিতে ওঠে ১৯৩। অনুষ্টুপ ফিরে যাওয়ার পরপরই ধস নামে বাংলার ইনিংসে। আগের দুটি ম্যাচে নজরকাড়া অভিষেক পোড়েল (০) ও শাহবাজ আমেদ (৬) রান পাননি। দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। একসময় বাংলার স্কোর দাঁড়ায় ২৬৮/৬। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে নিয়ে যান মনোজ তেওয়ারি ও সায়নশেখর মণ্ডল। দুজনের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে উঠেছে ৬১। দিনের শেষে মনোজ ৪২ রানে ও সায়নশেখর ৩৩ রানে অপরাজিত রয়েছেন। চণ্ডীগড়ের হয়ে জগজিৎ সিং ৫৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।

মার্চ ০৩, ২০২২
রাজ্য

আবার ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার, জমে উঠেছে ম্যাচ

নাটকীয়ভাবে জমে উঠেছে বাংলা-হায়দরাবাদ রনজি ম্যাচ। চতুর্থ দিন জয়ের জন্য হায়দরাবাদের দরকার ২৩৫ রান। অন্যদিকে, বাংলার প্রয়োজন ৯ উইকেট। বেশ কয়েকবছর ধরে ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার রোগে পরিনত হয়েছে। এই মরশুমেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে কোনও ইনিংসেই আড়াইশো রানের গন্ডি টপকাতে পারল না বাংলা। প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ২৪২। দ্বিতীয় ইনিংসে গুটিয়ে গেল মাত্র ২০১ রানে। অনুস্টুপ মজুমদার ও শাহবাজ আমেদের জন্যই ২০০ রানের গন্ডি টপকাতে সমর্থ হয় বাংলা।দ্বিতীয় ইনিংসে হায়দরাবাদের ঘাড়ে বাংলা বড় রানের বোঝা চাপাতে পারত। কিন্তু আবার ব্যাটিং বিপর্যয়ের জন্য সম্ভব হলে না। আগের দিন দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম ওভারে আউট হয়েছিলেন সুদীপ ঘরামি। তৃতীয় দিন ১৫.৩ ওভারে দলের ৩৪ রানের মাথায় অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরনের উইকেট হারায় বাংলা। ২৪ রান করেন ঈশ্বরন। ৬৯ রানের মাথায় পড়ে তৃতীয় উইকেট। ১৭ রান করে আউট হন সায়নশেখর মণ্ডল। প্রাক্তন অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি আবার ব্যর্থ। মাত্র ১৭ বল ক্রিজে ছিলেন। ১০ রান করে তিনি রান আউট হন। ৮১ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় বাংলা। ঋত্বিক রায়চৌধুরি (৪১) মিডল অর্ডারে কিছুটা লড়াই করেন।১১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। এরপর রুখে দাঁড়ান অনুস্টুপ মজুমদার ও শাহবাজ আমেদ। জুটিতে ৬৫ রান তুলে দলের মান বাঁচান। ৪২ রান করে তনয় ত্যাগরাজনের বলে অনুস্টুপ আউট হন। পরপরই রান আউট হন অভিষেক পোড়েল (০)। বাংলার সপ্তম উইকেট পড়ে ১৮৩ রানে। সেখান থেকে ২০১ রানে অল আউট হয়ে যায় বাংলা। ৮৭ বলে শাহবাজ আহমেদ ৫১ রান করে ধারাবাহিকতার পরিচয় দেন। তনয় ত্যাগরাজন ও তিলক ভর্মা ৩টি করে উইকেট নেন। ২৩৯ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারের প্রথম বলেই মুকেশ কুমারের শিকার হন অধিনায়ক তন্ময় আগরওয়াল। দিনের শেষে হায়দরাবাদ ১ উইকেট হারিয়ে চার রান তুলেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে বেকায়দায় হায়দরাবাদ

বল হাতে জ্বলে উঠেছেন মুকেশ কুমার। যোগ্য সহায়তা ঈশান পোড়েল ও আকাশ দীপের। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম ইনিংসে এগিয়ে গেল বাংলা। বাংলার ২৪২ রানের জবাবে হায়দরাবাদের প্রথম ইনিংস ২০৫ রানে শেষ হয়। দ্বিতীয় দিনের শেষে বাংলা ১ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ১৬। এখনও পর্যন্ত বাংলা দু ইনিংস মিলিয়ে ৫৩ রানে এগিয়ে রয়েছে।আগের দিনের ২ উইকেটে ১৫ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে হায়দরাবাদ। মুকেশ কুমার, ঈশান পোড়েল ও আকাশ দীপের বিধ্বংসী বোলিংয়ের সামনে হায়দরাবাদের ব্যাটাররা বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। ২৮ রানের মাথায় মুকেশ কুমার তুলে নেন হিমালয় আগরওয়ালকে (১৬)। ৪০ রানের মাথায় চতুর্থ উইকেট হারায় হায়দরাবাদ। প্রতীক রেড্ডিকেও(৬) ফেরান মুকেশ। রাহুল বুদ্ধি ৪ রান করে আকাশ দীপের বলে কট বিহাইন্ড হন। হায়দরাবাদ পঞ্চম উইকেট হারায় ৪৫ রানে। ৬১ রানে পড়ে ষষ্ঠ উইকেট। অধিনায়ক তন্ময় আগরওয়াল ৮০ বলে ২৯ রান করে ঈশান পোড়েলের বলে মনোজ তিওয়ারির হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন। হায়দরাবাদের সপ্তম উইকেট পড়ে ৭০ রানে। মিকি জয়সোয়াল ২ রান করে সায়নশেখর মণ্ডলের বলে বোল্ড হন। ৭০ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে হায়দরাবাদ। মনে হচ্ছিল ১০০ রানও পার করতে পারবে না। এরপর রবি তেজা ও তন্ময় ত্যাগরাজন রুখে দাঁড়ান। অষ্টম উইকেট জুটিতে তাঁরা যোগ করেন জুটি ভাঙেন মনোজ তিওয়ারি। তুলে নেন তন্ময়কে। তিনি ১০৩ বলে ৫২ রান করে আউট হন। রবি তেজার লড়াকু ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে শেষ পর্যন্ত ৮০ ওভারে ২০৫ রানে শেষ হয় হায়দরাবাদের ইনিংস। ১৯৬ বলে ৮১ রানে অপরাজিত থাকেন রবি তেজা। মুকেশ কুমার ৪৯ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন। ঈশান পোড়েল, আকাশ দীপ, সায়নশেখর মণ্ডল, শাহবাজ আহমেদ ও মনোজ তিওয়ারি ১টি করে উইকেট নেন। ৩৭ রানে এগিয়ে থেকে খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলা। রক্ষণ রেড্ডির বলে শূন্য রানে আউট হন সুদীপ ঘরামি। দিনের শেষে বাংলা ৮ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১৬ রান তুলেছে। অভিমন্যু ঈশ্বরন ১০ ও ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরী ৩ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবেও ফিরে আসা যায়!‌ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, জয় দিয়ে রনজি অভিযান শুরু বাংলার

এভাবেও ফিরে আসা যায়! রনজি ট্রফিতে প্রত্যাবর্তনের সেরা উদাহরণ হতে পারে বাংলা। প্রথম ইনিংসে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে বরোদার বিরুদ্ধে যেভাবে ৪ উইকেটে জয় তুলে নিল, এককথায় অবিশ্বাস্য। বাংলার জয়ের নায়ক শাহবাজ আমেদ ও অভিষেক পোড়েল। টসে জিতে বরোদাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। প্রথম ইনিংসে ১৮১ রান তোলে বরোদা। জবাবে মাত্র ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার প্রথম ইনিংস। দ্বিতীয় ইনিংসে বরোদা তোলে ২৫৫। জয়ের জন্য বাংলার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৪৯। বাংলার সামনে লক্ষ্যটা খুব একটা সহজ ছিল না। চতুর্থ ইনিংসে সাড়ে তিনশো রান তাড়া করা যে কোনও দলের কাছেই কঠিন। সেই কঠিন কাজটাই সহজ করে দিলেন বাংলার দুই ব্যাটার শাহবাজ আমেদ ও অভিষেক পোড়েল।জয়ের জন্য ৩৪৯ রান তাড়া করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ২ উইকেটে ১৪৬। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ৭৯ রানে ও অনুষ্টুপ মজুমদার ২২ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন শুরুতেই ফিরে যান অভিমন্যু। আগের দিনের সঙ্গে কোনও রান যোগ করতে পারেননি। অনুষ্টুপ মজুমদারও (৩৩) দলকে বেশিক্ষণ টানতে পারেননি। সুদীপ চ্যাটার্জিও (১৮) ব্যর্থ। মনোজ তেওয়ারি (৩৭) কিছুক্ষণ দলকে টানার চেষ্টা করেন। একসময় ২৪২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় বাংলা। এরপরই মঞ্চে আবির্ভূত হন অভিষেক পোড়েল। প্রথম ইনিংসে বড় রান করতে না পারলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে রুখে দাঁড়ালেন। শাহবাজ আমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন অভিষেক পোড়েল। রনজি অভিষেকেই যেভাবে চাপ সামলালেন, এককথায় অনবদ্য। শাহবাজ ও অভিষেকের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ১০৮ রান। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ৩৫০ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। শাহবাজ আমেদ ৭১ ও অভিষেক পোড়েল ৫৩ রানে অপরাজিত থাকেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ব্যাট হাতে মন্ত্রীমশাইয়ের অবদান শূন্য, চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার

দীর্ঘদিন ক্রিকেটের মধ্যে না থাকার ফল যে কী হতে পারে, বাংলাবরোদা রনজি ম্যাচে তারই প্রমান পাওয়া গেল। বরোদার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলার। ৫ জন ব্যাটারের নামের পাশে শূন্য। তালিকায় রয়েছেন দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মনোজ তেওয়ারি। বরোদার ১৮১ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে বাংলা গুটিয়ে গেল মাত্র ৮৮ রানে। জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে বরোদার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৪৪। সব মিলিয়ে ২৩৭ রানে এগিয়ে বরোদা। কটকে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে টস জিতে বৃহস্পতিবার বরোদাকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন বাংলার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। বাইশ গজে ঘাসের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত। বাংলার জোরে বোলারদের দাপটে মাত্র ১৮১ রানে গুটিয়ে যায় বরোদা। ইশান পোড়েল ৪০ রানে ৪ উইকেট নেন। মুকেশ কুমার ৩৩ রানে ৩টি ও আকাশ দীপ ৬৩ রানে ২ উইকেট নেন। প্রথম দিনের শেষে বাংলার রান ছিল ১৩ ওভারে ২৪/১। দ্বিতীয় দিনের শুরু থেকেই ধস নামে বাংলার ইনিংসে। দিনের তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান সুদীপ চ্যাটার্জি (১১)। পরের ওভারেই ১ বলের ব্যাবধানে অনুষ্টুপ মজুমদার (০) ও মনোজ তেওয়ারিকে (০) তুলে নেন অতীত শেঠ। ওপেন করতে নামা সুদীপ ঘরামিও (২১) দলকে বেশিক্ষণ টানতে পারেননি। এরপর সাময়িকভাবে কিছুটা রুখে দাঁড়ান রনজিতে অভিষেককারী অভিষেক পোড়েল ও শাহবাজ আমেদ। অভিষেক (২১) ফিরতেই ধস বাংলার ইনিংসে। পরপর ফিরে যান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (৯), আকাশ দীপ (০), মুকেশ কুমার (০), শাহবাজ আমেদ (২১)। শেষ পর্যন্ত ৩৪.৩ ওভারে ৮৮ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। বরোদার হয়ে অতীত শেঠ ৪৪ রানে ৫ উইকেট নেন। লুকমান মেরিওয়ালা ১৫ রানে নেন ৩ উইকেট। ৯৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে বরোদা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৪১। জ্যোৎস্নিল সিংকে (১২) তুলে নিয়ে প্রথম ধাক্কা দেন ইশান পোড়েল। অন্য ওপেনার কেদার দেবধরকে (৪১) ফেরান শাহবাজ আমেদ। ক্রূণাল পান্ডিয়াকে (১০) তুলে নেন আকাশ দীপ। দিনের শেষে বরোদার সংগ্রহ ১৪৪/৫।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দু’‌বছর পর আবার রনজি, কী বলছেন লক্ষ্মী, সৌরাশিসরা?‌

যতই আইপিএল কিংবা অন্য ফর্ম্যাটের খেলা হোক না কেন, দেশের সেরা ঘরোয়া ক্রিকেট প্রতিযোগিতা যে রনজি ট্রফি, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। করোনার প্রকোপে দুমরশুম রনজি ট্রফি বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এই মরশুমে আবার রনজি ট্রফি আয়োজনের ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে। সচিব জয় শাহ জানিয়ে দিয়েছেন এ বছর দুটি পর্যায়ে রনজি ট্রফি আয়োজন করা হবে। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ঘরোয়া ক্রিকেটাররা। তেমনই বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা ও সৌরাশিস লাহিড়ীর মতো বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটাররা।বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা অনূর্ধ্ব ২৫ দলের কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লা বলছিলেন, রনজি ট্রফি দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের স্তম্ভ। দু বছর পর আবার রনজি ট্রফি হচ্ছে এর থেকে ভাল আর কিছু হতে পারে না। ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মহারাজদা ক্রিকেট প্রশাসনে আসার পর থেকেই সবসময় ক্রিকেটারদের স্বার্থের কথা গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। করোনা পরিস্থিতিতেও রনজি ট্রফি আয়োজনের কথা ভেবেছ, এটা দারুণ ব্যাপার। দীর্ঘদিন মাঠে নামতে না পেরে ক্রিকেটাররা হতাশ হয়ে পড়েছিল। মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিল। এই খবরে ওরা বাড়তি উদ্যম পাবে। রনজি ট্রফি না হওয়ায় ক্রিকেটাররা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। লক্ষ্মীর মতে ভারতীয় বোর্ডের পদক্ষেপে ক্রিকেটাররা উপকৃত হবেন।বাংলার আর এক প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা বাংলা সিনিয়র দলের সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ীও রনজি ট্রফি আয়োজনের খবরে দারুণ খুশি। সৌরাশিস বলছিলেন, যতই আইপিএল হোক না কেন, রনজি ট্রফি হল দেশের সেরা ক্রিকেট প্রতিযোগিতা। দেশের ক্রিকেটাররা এই প্রতিযোগিতা খেলেই উঠে আসে। রনজিতেই ক্রিকেটারদের আসল দক্ষতা বিচার হয়। দুবছর পর আবার সেই প্রতিযোগিতা ফিরছে এর থেকে ভাল কিছু আর হতে পারে না। দুবছর রনজি না হওয়ায় নতুন ক্রিকেটার উঠে আসছে না। সৌরাশিস আরও বলেন, ক্রিকেটাররা রনজি খেলার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিল। ওরা হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাতেই হবে। বোর্ড প্রেসিডিন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। ইতিমধ্যেই বাংলার রনজি ট্রফির প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌অবশেষে ট্রফির খরা কাটল পিভি সিন্ধুর, মুকুটে সৈয়দ মোদি খেতাব

ইন্ডিয়ান ওপেনের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল পিভি সিন্ধুকে। সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন। মালবিকা বাঁসোদকে হারিয়ে মহিলাদের সিঙ্গলসে চ্যাম্পিয়ন পিভি সিন্ধু। সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে দীর্ঘদিনের ট্রফি খরা কাটালেন ভারতের এই মহিলা ব্যাডমিন্টন তারকা।ইন্ডিয়ান ওপেনে সাইনা নেহালকে ছিটকে দিয়ে চমক দেখিয়েছিলেন মালবিকা বাঁসোদ। কিন্তু সৈয়দ মোদি আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় পিভি সিন্ধুর সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না মালবিকা। মাত্র ৩৫ মিনিটেই তাঁকে হারিয়ে খেতাব জিতে নিলেন পিভি সিন্ধু। ম্যাচের ফল ২১১৩, ২১১৬।ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল সিন্ধুর। প্রথম গেমে একসময় ১১১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। এরপর মালবিকা কিছুটা খেলায় ফিরলেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ২১১৩ ব্যবধানে প্রথম গেম জিতে নেন পিভি সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ান মালবিকা। তবে সিন্ধুর সামনে তা যথেষ্ট ছিল না। একসময় ১৩৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান সিন্ধু। ব্যবধান কমিয়ে ২০১৫ করে ফেলেন মালবিকা। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ২১১৬ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে যান সিন্ধু। মহিলাদের সিঙ্গলসে সিন্ধু চ্যাম্পিয়ন হলেও পুরুষদের সিঙ্গলসের ফাইনাল ঘিরে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল আর্নন্ড মার্কলে ও লুকাস ক্লেয়ারবাউটের। এদের মধ্যে একজন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যজন করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন। ফলে রবিবার ফাইনাল বাতিল করা হয়। এই পরিস্থিতিতে কাকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হবে, তা এখনও ঠিক হয়নি। পুরুষদের সিঙ্গলসের বিজয়ীর ব্যাপারে আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন সংস্থা পরে সিদ্ধান্ত নেবে। মিক্সড ডাবলসে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারতের ইশান ভাটনগর ও তানিশা ক্রাস্টোর জুটি। ফাইনালে এই জুটি ২১১৬, ২১১২ ব্যবধানে হারিয়েছে ভারতের টি হেমা নগেন্দ্র ও শ্রীবেদ্য জুটিকে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ranji Trophy : ‌রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড?‌ বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘ

করোনার বাড়বাড়ন্তে এবছরও স্থগিত হয়ে যাবে না তো রনজি ট্রফি? দেশের এই কুলীন প্রতিযোগিতা ঘিরে তৈরি হয়েছে আশঙ্কার বাতাবরণ। যেভাবে বিভিন্ন রাজ্যে করোনার প্রকোপ বাড়তে তাতে চিন্তার ভাঁজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের কপালে। চিন্তা আরও বাড়িয়েছে বাংলা রনজি দলের ৭ জন ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে।রনজির জন্য বেশ কয়েকদিন আগেই বাংলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠে অনুশীলন করছিল বাংলা শিবির। এর মাঝেই বাংলা দলের সব সদস্যের করোনা পরীক্ষা করা হয়। রবিবার রাতে রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে দেখা যায় ৬ জন ক্রিকেটার ও একজন সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। এই ৬ ক্রিকেটারের মধ্যে রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার, সুদীপ চ্যাটার্জি, কাজি জুনাইদ সইফি, গীত পুরি, প্রদীপ্ত প্রামানিক, সুজিত যাদব। এদের সঙ্গে সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ীর রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই জরুরি ভিত্তিতে রবিবার রাতেই বৈঠকে বসেন সিএবি কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আপাতত প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ক্রিকেট, জেলা ক্রিকেট স্থগিত রাখা হবে। পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে মঙ্গলবার অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকেই স্থানীয় ক্লাব ক্রিকেটের ভবিষ্যত ঠিক করা হবে।অনুষ্টুপ মজুমদার, সৌরাশিস লাহিড়ীদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলেও কারও কোনও উপসর্গ নেই। শনিবার সব ক্রিকেটারই প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। কারও সমস্যা দেখা যায়নি। কিন্তু আরটিপিসিআর(RTPCR) পরীক্ষার পর জানা যায় দলের ৭ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত। বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় চিন্তায় পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর আগে বিজয় হাজারে ট্রফি শুরুর আগে মুম্বই দলের কয়েকজন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের বাদ দিয়েই বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে গিয়েছিল বাংলা।রনজির ট্রফির প্রস্তুতির জন্য বাংলা দলের সঙ্গে প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলাতে আজই কলকাতায় আসার কথা ছিল মুম্বইয়ের। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা। প্রথমটা ৪৫ জানুয়ারি, দ্বিতীয়টা ৬৭ জানুয়ারি। কিন্তু বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় মুম্বই প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল করেছে। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে কিনা, তা এখনও মুম্বইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।এবছর রনজি শুরু হতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি। দেশে হু হু করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় আদৌও রনজি ট্রফি আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। কলকাতাতেও একটা গ্রুপের খেলা হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার বেশকিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় রনজি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত বোর্ড কর্তারাও।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Asian Champions Trophy Hockey : পাকিস্তানকে আবার হারাল ভারত, তবে ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল মনপ্রীতদের

টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ভারতীয় হকিকে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন মনপ্রীত সিংরা। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতীয় দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন হকিপ্রেমীরা। অন্যতম ফেবারিট হিসেবেও প্রতিযোগিতায় খেলতে নেমেছিলেন মনপ্রীতরা। কিন্তু সেমিফাইনালে জাপানের কাছে হেরে স্বপ্নপূরণ হয়নি। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামতে হয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। শেষপর্যন্ত পাকিস্তানকে ৪৩ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত।সেমিফাইনালে জাপানের কাছে ৫৩ ব্যবধানে হেরে মনোবল অনেকটাই ভেঙে পড়েছিল ভারতীয় দলের। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। তবে ব্রোঞ্জ জিততে ভারতীয় দলকে যথেষ্ট লড়াই করতে হল। সেমিফাইনালে হারের হতাশা ঝেড়ে ফেলে এদিন দারুণভাবে শুরু করেছিল ভারত। প্রথম মিনিটেই হরমনপ্রীত সিংয়ের গোলে এগিয়ে যায়। শুরুতেই গোল পেয়ে যাওয়ায় আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় ভারতীয় দলের। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে পাকিস্তান গোলমুখে। কিন্তু তিনকাঠির নীচে পাকিস্তান গোলকিপার আমজাদ আলি অপ্রতিরোধ্য হওয়ায় ব্যবধান বাড়াতে পারেনি ভারত। উল্টে প্রতি আক্রমনে উঠে এসে ১০ মিনিটে গোল করে পাকিস্তানকে সমতায় ফেরান আফ্রাজ। প্রথম কোয়ার্টারে ৫টি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে একটিও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আধিপত্য বজায় রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি মনদীপ সিংরা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ভারতের আক্রমনের চাপ ছিল ভারতের। খেলার গতির বিরুদ্ধে ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে পাকিস্তানকে এগিয়ে দেন আব্দুল রানা। এরপর মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৪৫ মিনিটে সমতা ফেরান সুমিত। তৃতীয় কোয়ার্টারে ম্যাচের ফল ছিল ২২। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে ভারতকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বরুণ কুমার। ৫৭ মিনিটে ললিত উপাধ্যায়ের পাস থেকে ৪২ করেন আকাশদীপ সিং। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের হয়ে ব্যবধান কমান আহমেদ নাদিম। শেষদিকে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। কিন্তু কাজের কাজ কিছু করতে পারেনি। এই নিয়ে প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানেরল বিরুদ্ধে দুবার জিতল ভারত।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Asian Champions Trophy Hockey : জাপানি ‘‌সুনামি’‌তে উড়ে গেল ভারত, ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণ মনপ্রীতদের

এ যেন গ্রুপ লিগের উল্টোপূরান। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ হকির গ্রুপ লিগের ম্যাচে জাপানকে হাফডজন গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। সেমিফাইনালে সেই জাপানেরই মুখোমুখি হয়েছিলেন মনপ্রীতরা। গ্রুপ লিগের ফলাফলে হয়তো একটু বেশিই আত্মতুষ্ট হয়ে পড়ছিল ভারতীয় শিবির। অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের খেসারত দিতে হল মনপ্রীতদের। জাপানের কাছে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন চূরমার হয়ে গেল টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ীদের। ভারতকে ৫২ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ লিগে হারের মধুর প্রতিশোধ নিল জাপান। একই সঙ্গে পৌঁছে গেল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকির ফাইনালে। গ্রুপ লিগে মনপ্রীতরা শুরু থেকেই ঝাঁপিয়ে পড়ে জাপানকে মাথা তুলে দাঁড়ানোর সুযোগ দেয়নি। সেমিফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে সেই একই স্ট্র্যাটেজি নিয়েছিল জাপান। শুরু থেকেই ভারতীয় রক্ষণে আক্রমণের ঝড় তোলে। ১ মিনিটের মধ্যেই পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। যা কাজে লাগিয়ে জাপানকে এগিয়ে দেন সোতা ইয়ামাদা। প্রথম মিনিটে গোল খাওয়ার ধাক্কা ভারত সামলে ওঠার আগেই ব্যবধান বাড়ায় জাপান। দ্বিতীয় মিনিটে আবার পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। যা থেকে গল করে আবার ব্যবধান বাড়ায় জাপান। শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ভারতের রক্ষণকে ব্যতিব্যস্ত করে দেয় জাপান। ম্যাচের প্রথম ৬ মিনিটের মধ্যে ৬টি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। প্রথম কোয়ার্টারে কোনও আক্রমণ গড়ে তোলার সুযোগ পায়নি ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে শুরুতেই প্রথম আক্রমণে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন মনপ্রীতরা। ১৬ মিনিটে ভারতের হয়ে ব্যবধান কমান দিলপ্রীত সিং।এরপর মনপ্রীত সিংদের খেলা দেখে মনে হচ্ছিল ম্যাচে ফিরতে পারে ভারত। জাপানি আক্রমণ সামলে মাঝে মাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে আসছিল। কিন্তু ভারতের ম্যাচে ফেরার স্বপ্নে আবার ধাক্কা দেয় জাপান। ২৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান কেনতা তানাকা। ম্যাচের প্রথমার্ধে ৩১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল জাপান। ৩৫ মিনিটে ভারতীয় রক্ষণের ভুলে ৪১ করে জাপান। ৪১ মিনিটে জাপানকে ৫১ গোলে এগিয়ে দেন গ্রিম। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ব্যবধান কমান হরমনপ্রীত সিং। ৫২ হওয়ার পর শেষদিকে মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। একের পর এক পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারছিলেন না হরমনপ্রীতরা। ৬০ মিনিটে হার্দিক সিং ৫৩ করেন।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India Hockey : ‌জাপানকে হাফডজন গোল, এশিয়ান হকিতে ভারতের দাপট চলছেই

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে আগেই সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল ভারতীয় হকি দল। আগের ম্যাচে পাকিস্তানকে হারানোর পর আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল মনদীপ সিংদের। লিগের শেষ ম্যাচে জাপানের বিরুদ্ধে ড্র করলেই শীর্ষস্থানে পৌঁছে যেত ভারত। কিন্তু মনপ্রীতদের লক্ষ্য ছিল জাপানকে হারিয়েই শীর্ষস্থান দখল করা। সেই লক্ষ্যে সফল ভারতীয় হকি দল। জাপানকে ৬০ ব্যবধানে উড়িয়ে এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়নশিপে লিগ টেবিলে শীর্ষস্থান দখল করল ভারত।প্রতিযোগিতায় মনপ্রীত সিংরা যে দুরন্ত ছন্দে রয়েছেন আগের দুটি ম্যাচেই প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান ম্যাচের মতো জাপানের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করেছিল ভারত। ৬ মিনিটের মধ্যেই দুদুটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে নেয়। যদিও কাজে লাগাতে পারেনি। জাপানও প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ৭ মিনিটে একটা পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে নেয়। তারাও কাজে লাগাতে পারেনি। অবশেষে ১০ মিনিটে তৃতীয় পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন হরমনপ্রীত সিং। ১৫ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন ললিত উপাধ্যায়। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। প্রথম কোয়ার্টারে খেলার ফল থাকে ১০।দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও ভারতের সেই আধিপত্য বজায় থাকে। জাপানও মাঝে মাঝে প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ভারতীয় রক্ষণে হানা দিচ্ছিল। কিন্তু ভারতীয় রক্ষণভাগের খেলোয়াড়দের দৃঢ়তায় গোল করতে পারেনি। ২৩ মিনিটে মনপ্রীত সিংয়ের পাস থেকে ২০ করেন দিলপ্রীত সিং। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা করে জাপান। কিন্তু মনপ্রীতরা কোনও সুযোগ দেননি। ৩৪ মিনিটে জারমানপ্রীত সিংয়ের গোলে ব্যবধান বাড়ায় ভারত।৩৬ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি জাপান। পরের মিনিটেই ভারতীয় গোলকিপার সুরজ কারকেরা একটি নিশ্চিত গোল বাঁচান। চতুর্থ কোয়ার্টারে আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে ভারত। ৪৬ মিনিটে ৪০ করেন সুমিত। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ব্যবধান বাড়ান হরমনপ্রীত সিং। ১ মিনিট পরেই শীলানন্দ লাকড়ার পাস থেকে ৬০ করেন সামশের সিং। ৪ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষে পৌঁছে যায় ভারত।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs Pakistan Hockey : পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় ভারতের, পৌঁছে গেল এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে

এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকিতে শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। লিগের প্রথম ম্যাচেই কোরিয়ার কাছে আটকে যেতে হয়েছিল অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ীদের। পরের ম্যাচে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিয়েছিল ৯০ ব্যবধানে। তৃতীয় ম্যাচেও দারুণ জয়। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৩১ ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হকির সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল ভারত। দীর্ঘদিন একে অপরের মুখোমুখি হয়নি দুই দল। শেষবার মুখোমুখি হয়েছিল ২০১৮ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ লিগে। ৩১ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। দুই দল ফাইনালে উঠলেও ম্যাচ ভেস্তে গিয়েছিল। তারপর আর দুই দল একে অপরের বিরুদ্ধে খেলেনি। দীর্ঘ ৩ বছর পর আবার সেই এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির লিগ পর্যায়ে মুখোমুখি হল ভারতপাকিস্তান। সেই ৩ বছর আগের ম্যাচের পুনরাবৃত্তি। ৩১ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ভারত।সাম্প্রতিক পারফরমেন্সের ভিত্তিতে এদিন ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ভারত। শুরু থেকেই পাকিস্তানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মনপ্রীতরা। ৭ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার কাজে লাগিয়ে ভারতকে এগিয়ে দেন হরমনপ্রীত সিং। প্রথম কোয়ার্টারে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল ভারতের সামনে। সুমিতের শট একবার পোস্টে লেগে ফিরে আসে। আর মনপ্রীত সিংয়ের প্রয়াস রুখে দেন পাকিস্তানের গোলকিপার। ২১ মিনিটে রাজকুমার পাল গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। ম্যাচের প্রথমার্ধে ১ গোলের ব্যবধানেই এগিয়েছিল ভারত।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেও সেই ভারতের আধিপত্য। ৪ মিনিটের মধ্যেই দু-দুটি সুযোগ পেয়েছিলেন মনপ্রীতরী। কিন্তু পাকিস্তানের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোল আসেনি। ৪২ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় ভারত। লাকড়া ৩ জন পাকিস্তান খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে বল সাজিয়ে দেন আকাশদীপ সিংকে। গোল করতে ভুল করেননি আকাশদীপ। মিনিট তিনেক পরেই ব্যবধান কমায় পাকিস্তান। জুনেইদ মঞ্জুর পাকিস্তানের হয়ে গোল করেন। তৃতীয় কোয়ার্টারে খেলার ফল থাকে ভারতের পক্ষে ২১।সমতা ফেরানোর জন্য চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। চতুর্থ কোয়ার্টারের শুরুতেই একটি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ৫১ মিনিটে সহজ সুযোগ পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন আকাশদীপ সিং। পরের মিনিটেই পেনাল্টি কর্ণার পায় পাকিস্তান। জুনেইদ মঞ্জুরের শট আটকে দেন ভারতের গোলকিপার। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে ৩১ করেন ভারতের ড্রাগফ্লিকার হরমনপ্রীত সিং। শেষদিকে দুই দলই একটি করে পেনাল্টি কর্ণার পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারিয়েও বিজয় হাজারে থেকে বিদায় বাংলার

আগের ম্যাচে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়ে লাইফ লাইন পেয়েছিল বাংলা। এমন একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে হারালে নক আউটের ছাড়পত্র মিলবে। অঙ্কও একটা ছিল। সেক্ষেত্রে বরোদার বিরুদ্ধে তামিলনাডুকে এবং পন্ডিচেরীর বিরুদ্ধে মুম্বইকে জিততে হবে। বাংলা জিতলেও বাকি দুটি অঙ্ক মিলল না। বরোদার কাছে তামিলনাডুর হার বিজয় হাজারে ট্রফির গ্রুপ লিগ থেকেই ছিটকে দিল বাংলাকে। কর্ণাটককে ৪ উইকেটে হারিয়েও শেষরক্ষা হল না। এলিট গ্রুপ বিতে ১২ পয়েন্টে শেষ করল তামিলনাডু, কর্ণাটক, বাংলা ও পন্ডিচেরী। যদি দুটি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করত, তাহলে মুখোমুখি ফলাফলের ভিত্তিতে ঠিক হত কোন দল নক আউটে যাবে। কিন্তু ৪টি দল ১২ পয়েন্টে শেষ করায় নেট রান রেট দেখা হয়েছে। নেট রান রেটে সবার ওপরে রয়েছে তামিলনাডু (+১.০৫২)। দ্বিতীয় স্থানে কর্ণাটক (+০.৭৮৯), তৃতীয় স্থানে বাংলা (-০.২৩৫), চতুর্থ স্থানে পন্ডিচেরী (-১.৩৬০)। ফলে এই গ্রুপ থেকে প্রথম ও দ্বিতীয় হয়ে তামিলনাডু ও কর্ণাটক নক আউটের টিকিট পেয়েছে।নক আউটে যাওয়ার জন্য বাংলা ও কর্ণাটকের কাছে এদিনের ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন কর্ণাটক অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডে। শুরুটা তেমন আহামরি হয়নি কর্ণাটকের। ১০.১ ওভারে ৩৫ রানের মধ্যেই ২ উইকেট হারায়। দশম ওভারে রবিকুমার সমর্থকে (১৭) তুলে নিয়ে কর্ণাটককে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশ দীপ। পরের ওভারেই কৃষ্ণমূর্তি সিদ্ধার্থকে (১) ফেরার ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। এরপর রোহন কদম ও অধিনায়ক মণীশ পাণ্ডের জুটি কর্ণাটককে টেনে নিয়ে যায়। ৫৫ বলে ৩৭ রান করে আউট হন রোহন কদম। তাঁকে ফেরান ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। দলে ১৬১ রানের মাথায় আউট হন মণীশ পাণ্ডে। ৮৫ বলে তিনি করেন ৯০। করুণ নায়ার ২৫ রান করেন। ২৯ বলে অপরাজিত ৩৭ রান করে প্রবীন দুবে কর্ণাটককে ২৫২/৮ রানে পৌঁছে দেন।ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল বাংলা। ৭ ওভারেই ৫০ রানে পৌঁছে যায়। এরপরই ধাক্কা। ফিরে যান রনজ্যোৎ সিং খাইরা (৭)। আগের ম্যাচে সেঞ্চুরি করা অনুষ্টুপ মজুমদার (৮) ব্যর্থ। ৪৮ বলে ৫৮ রান করে আউট হন অভিষেক দাস। এরপর বাংলাকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি ও ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ৫৬ বলে ৬৩ রান করে কারিয়াপ্পার বলে আউট হন সুদীপ। ৬২ বলে ৪৯ রান করেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ২৬ বলে ২২ রান করেন শুভঙ্কর বল। বাংলাকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শাহবাজ আমেদ (অপরাজিত ২৬) ও ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (অপরাজিত ১০)। ৪৮.৩ ওভারে ২৫৩/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা। জিতেও অবশ্য নক আউটের ছাড়পত্র এল না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy : ‌‌‌‌মুম্বইকে হারিয়ে বিজয় হাজারের নক আউটের লাইফ লাইন পেল বাংলা

বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট যতই তারুণ্যকে প্রাধান্য দিতে চায় না কেন, অভিজ্ঞতার যে বিকল্প নেই প্রমাণ হয়ে গেল। তামিলনাডুর বিরুদ্ধে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল বাংলাকে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে সেই অভিজ্ঞতার দ্বারস্থ হতে হল টিম ম্যানেজমেন্টকে। প্রথম একাদশে ফেরানো হল অনুষ্টুপ মজুমদারকে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিং বিজয় হাজারে ট্রফিতে লাইফ লাইন দিল বাংলাকে। ভিজেডি নিয়মে মুম্বইকে ৬৭ রানে হারিয়ে নক আউট পর্বে যাওয়ার সম্ভাবনা জিইয়ে রাখল বাংলা। শেষ ম্যাচে কর্ণাটককে বড় ব্যবধানে হারালে পরের রাউন্ডের টিকিট মিলতেও পারে সুদীপ চ্যাটার্জিদের। তবে অনেক অঙ্কের সামনে পড়তে হবে বাংলাকে।রবিবার বাংলামুম্বই ম্যাচ দুই দলের কাছেই ছিল ডু অর ডাই। যে দল হারবে, প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে যাবে। এই পরিস্থিতিতে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠায় মুম্বই। মরণবাঁচন ম্যাচে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছিল বাংলা। শ্রীবৎস গোস্বামীকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। তাঁর পরিবর্তে দলে আসেন শুভঙ্কর বল। কাইফ আমেদ, সুমন্ত গুপ্তর বদলে প্রথম একাদশে অনুষ্টুপ মজুমদার ও রনজোৎ সিং খৈরা। এতদিন তাঁকে বসিয়ে রেখে টিম ম্যানেজমেন্ট যে ভুল করেছিল, প্রমাণ করে দিলেন অনুষ্টুপ মজুমদার।শ্রীবৎসর পরিবর্তে এদিন অভিষেক দাসের সঙ্গে ওপেন করতে নেমেছিলেন সুদীপ চ্যাটার্জি। ব্যাটিং অর্ডার বদলেও ছন্দে ফিরতে পারলেন না বাংলার অধিনায়ক। ৫ রান করে মোহিত অবস্তির বলে বোল্ড হন সুদীপ। এরপর ব্যাট হাতে বাইশ গজে আবির্ভাব অনুষ্টুপ মজুমদারের। আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুজনেই। ১০ ওভারেই ৮০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। এরপর আবার ধাক্কা। ৩৬ বলে ৩৮ রান করে আউট হন অভিষেক। ব্যাটিং অর্ডারে এগিয়ে আসা ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (৪) ব্যর্থ। শাহবাজ আমেদকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান অনুষ্টুপ। ৫২ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন তিনি। ৩৫.৫ ওভারে ২০০ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। ১১০ বলে সেঞ্চুরি করেন অনুষ্টুপ। শেষ পর্যন্ত ১২২ বলে ১১০ রান করে আউট হন তিনি। শাহবাজের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ১২৯। এই জুটিই বাংলার বড় রানের ভিত গড়ে দেয়।অনুষ্টুপ আউট হওয়ার পর ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জিকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যান শাহবাজ। ৯৫ বলে ১০০ রান পূর্ণ করেন তিনি। মোহিত অবস্তিকে ৬ মেরে পরের বলেই আউট হন শাহবাজ (১০৬)। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩১৮ রান তোলে বাংলা। ২৭ বলে ৩৩ রান করেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি।জয়ের জন্য ৩১৯ রানের লক্ষ্য সহজ ছিল না মুম্বইয়ের সামনে। মুম্বইয়ের ব্যাটিংও তেমন শক্তিশালী নয়। একমাত্র ভরসা সূর্যকুমার যাদব। কিন্তু মুম্বই ব্যাটিংয়ের এই স্তম্ভ ভাল শুরু করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ৩৪ বলে ৪৯ রান করে তিনি প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে স্টাম্পড হন। তার আগেই আউট হন যশস্বী জয়সোয়াল (১৯) ও আকারশীট গোয়েল (৩৩)। আরমান জাফর করেন ৪৭। ৪১ ওভারে মুম্বই ৮ উইকেটে ২২৩ রান করার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভিজেডি নিয়মে ৬৭ রানে জেতে বাংলা। বাংলার হয়ে প্রদীপ্ত প্রামানিক ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌তামিলনাডুর কাছে বিধ্বস্ত, বিজয় হাজারেতে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় ব্যর্থতা। কোয়ার্টার ফাইনালে কর্ণাটকের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হযেছিল বাংলাকে। বিজয় হাজারে ট্রফিতে তো আরও খারাপ অবস্থা। গ্রুপ পর্যায়ের বাধা টপকানোই অসম্ভব হয়ে পড়েছে বাংলার কাছে। শনিবার তামিলনাডুর কাছে অস্তিত্ব সংকটে বাংলা। দীনেশ কার্তিকদের কাছে ১৪৬ রানে বিধ্বস্ত হলেন সুদীপ চ্যাটার্জিরা। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে সাফল্যের যে স্বপ্ন দেখেছিল বাংলার টিম ম্যানেজমেন্ট, এককথায় সেই স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে গেল। একদিন আগেই পুদুচেরির কাছে ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে হারের ধাক্কা বাংলা যে কাটিয়ে উঠতে পারেনি, তা পরিস্কার। তাছাড়া প্রথম দুটি ম্যাচে বাংলাকে তেমন কঠিন প্রতিপক্ষর সামনে পড়তে হয়নি। তামিলনাডুর মতো শক্ত প্রতিপক্ষর মুখে পড়ে বাংলার ক্রিকেটের অন্তঃসারশূন্যতা প্রকট হয়ে উঠল। বোঝা গেল বাংলার ক্রিকেট যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই রয়েছে।ত্রিবান্দমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে এদিন টসে জিতে তামিলনাডুকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। শুরুটা ভাল হয়নি তামিলনাডুর। বাংলার দুই জোরে বোলার মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে সেভাবে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠতে পারেননি তামিলনাডুর দুই ওপেনার সাই সুদর্শন ও অধিনায়ক নারায়ন জগদেশন। নবম ওভারের দ্বিতীয় বলে সুদর্শনকে (১২) বোল্ড করেন মুকেশ কুমার। পরের বলেই তুলে নেন ওয়াশিংটন সুন্দরকে (০)। পরপর দুবলে দুটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তামিলনাডু। ৫০ রান আসে ১৬ ওভারে। এক ওভার পরেই অধিনায়ক নারায়ন জগদেশনকে (৩১) তুলে নেন শাহবাজ আমেদ। এইসময় মনে হচ্ছিল তামিলনাডুর পক্ষে বড় রান তোলা কঠিন হয়ে যাবে। কিন্তু রুখে দাঁড়ান বাবা ইন্দ্রজিৎ ও দীনেশ কার্তিক। তাঁদের ১০৫ রানের জুটি চাপমুক্ত করে তামিলনাডুকে। ৭৩ বলে ৬৪ রান করে প্রদীপ্ত প্রামানিকের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন বাবা ইন্দ্রজিৎ। ইন্দ্রজিৎ আউট হলেও মনঃসংযোগ হারাননি দীনেশ কার্তিক। দলকে টেনে নিয়ে যান এই অভিজ্ঞ উইকেটকিপারব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৯৫ বলে ৮৭ রান করে আকাশ দীপের বলে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন কার্তিক। এরপর গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামের বাইশ গজে ঝড় তোলেন জগদীশন কৌশিক ও শাহরুখ খান। এই দুজনের ঝড়ে উড়ে যান মুকেশ কুমার, আকাশ দীপরা। শেষ ৭ ওভারে তামিলনাডু তোলে ৯৭ রান। ৩১ বলে ৫০ রান করেন কৌশিক। শাহরুখ ১২ বলে করেন ৩২। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৯৫ রান তোলে তামিলনাডু। মুকেশ কুমার ৭১ রানে ও আকাশ দীপ ৬৪ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে চাপে পড়ে যায় বাংলা। তার ওপর দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায়। রঘুপতি সিলাম্বরসনের বলে আউট হন শ্রীবৎস গোস্বামী (১)। অভিষেক দাস ও তিন নম্বরে নামা ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি বাংলাকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ১১.২ ওবারে আউট হন অভিষেক (৩০)। পরের ওভারেই ফেরেন ঋত্ত্বিক (১৬)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলা। সুদীপ চ্যাটার্জি (১৫), কাইফ আমেদ (১০), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি (১২), শাহবাজ আমেদরা (৫) ব্যর্থ। সুমন্ত গুপ্ত (২৫) ও প্রদীপ্ত প্রামানিক (২৮) কিছুটা লড়াই করেন। ৩৯.১ ওভারে ১৪৯ রাননে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। রঘুপতি সিলাম্বরসন ২৮ রানে ৪ উইকেট নেন। ৩ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পেয়ে গ্রুপ শীর্ষে তামিলনাডু। ৩ ম্যাচে কর্ণাটকের পয়েন্ট ৮, বাংলার ৪। বাংলাকে পরের দুটি ম্যাচে খেলতে হবে মুম্বই ও কর্ণাটকের বিরুদ্ধে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Hazare Trophy: ‌‌পুদুচেরীর বিরুদ্ধে সহজ ম্যাচে বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি

বিজয় হাজারে ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী বরোদার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয়। বাংলা শিবিরের আশা ছিল দ্বিতীয় ম্যাচে পুদুচেরীকে হারিয়ে লিগ টেবিলে এগিয়ে যাওয়া। স্বপ্নপূরণ হল না সুদীপ চ্যাটার্জির। বাংলার পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। বড় রান তুলেও জয় অধরা থেকে গেল। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ ও লুইস পদ্ধতিতে বাংলার পরাজয় ৮ রানে। বরোদার বিরুদ্ধে বাংলার ম্যাচ ছিল গ্রীনফিল্ড স্টেডিয়ামে। এদিন পুদুচেরী ম্যাচ ছিল মঙ্গলাপূরমে। উইকেট একেবারে অজানা। কেমন আচরণ করবে সে সম্পর্কে কোনও ধারণা ছিল না বাংলা শিবিরের কাছে। তাই টস জিতে ঝুঁকি নেননি বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন। প্রথম ম্যাচে রান পাওয়া অভিষেক দাস এদিন ব্যর্থ। মাত্র ৮ রান করে তিনি আউট হন। কাইফ আমেদও (০) এদিন রান পাননি। শ্রীবৎস গোস্বামী (৪৫) অবশ্য প্রথম ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ালেন। একের পর এক উইকেট পড়লেও তিনি একপ্রান্ত ধরে রেখেছিলেন। সুদীপ চ্যাটার্জি (২৭), ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরিরা (৩২) দ্রুত ফিরে যান। একসময় ১১৮ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বাংলা। সেখান থেকে শাহবাজ আমেদের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান সুমন্ত গুপ্ত (২২)। শেষদিকে ঝড় তোলেন শাহবাজ। ৮টি চার এবং ৪টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ৬০ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তাঁর দাপটে ৫০ ওভারে ২৬৪/৮ রানে পৌঁছে যায় বাংলা। বড় ইনিংস গড়লেও ভাগ্য এদিন বাংলার সহায় ছিল না। তৃতীয় ওভারেই পুদুচেরীর প্রথম উইকেট তুলে নেন মুকেশ কুমার। ফেরান অধিনায়ক দামোদরন রোহিতকে (০)। একাদশতম ওভারে অপর ওপেনার রামচন্দ্রন রঘুপতিকে (১৫) তুলে নেন শাহবাজ আআমেদ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান পবন দেশপান্ডে (অপরাজিত ৬২) ও পরশ ডোগরা (অপরাজিত ৪১)। ৩০ ওভার খেলা হওয়ার পর বৃষ্টি নামে। তখন পুদুচেরীর রান ছিল ২ উইকেটে ১৩২। পরে বৃষ্টি থামলেও মাঠ ভেজা থাকায় আর খেলা শুরু করা যায়নি। সেই সময় ডাকওয়ার্থ ও লুইস নিয়মে পুদুচেরীর সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০ ওভারে ১২৫। ৮ রানে ম্যাচ জিতে যায় পুদুচেরী।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Vijoy Bazare Trophy : ‌বরোদাকে ২৮ রানে হারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফি অভিযান শুরু করল বাংলা

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার ব্যর্থতা কাটিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে দারুণ শুরু করল বাংলা। প্রথম ম্যাচে বরোদাকে হারাল ২৮ রানে। বাংলার জয়ে মুখ্য ভুমিকা নিলেন বোলাররা। ত্রিবান্দ্রমের গ্রিনফিল্ড স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাকে ব্যাট করতে পাঠান বরোদা অধিনায়ক কেদার দেবধর। শুরুটা ভাল হয়নি বাংলার। প্রথম ওভারেই মেরিওয়ালার বলে লেগ বিফোর হন শ্রীবৎস গোস্বামী (০)। স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই শ্রীবৎস ফিরে যাওয়ায় সতর্কভাবে ব্যাট করতে থাকেন অন্য ওপেনার অভিষেক দাস ও তিন নম্বরে নামা অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। ১২.৫ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয় বাংলার। এরপর আবার ধাক্কা বাংলা শিবিরে। ১৫ নম্বর ওভারের শেষ বলে অতীত শেঠের বলে ভার্গব ভাটের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সুদীপ চ্যাটার্জি। ৪০ বলে তিনি করেন ১৪। এরপর বাংলাকে টেনে নিয়ে যান অভিষেক দাস ও কাইফ আমেদ। ৯০ বলে ৬২ রান রান করে ক্রূণাল পান্ডিয়ার বলে প্রত্যুষ কুমারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অভিষেক। বাংলার রান তখন ৩০.৫ ওভারে ১১৫। সুমন্ত গুপ্ত (১৬) বড় রান পাননি।মিডল অর্ডারে ঝড় তোলেন ঋত্ত্বিক রায় চৌধুরি। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে তিনি আউট হন। লোয়ার অর্ডারের ব্যর্থতায় বড় ইনিংস গড়তে পারেনি বাংলা। ৪৯.৪ ওভারে ২৩০ রানে গুটিয়ে যায় বাংলার ইনিংস। শাহবাজ আমেদ (৫), ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি (২), আকাশ দীপ (০), গীত পুরিরা (০) রান পাননি। বরোদার হয়ে অতীত শেঠ ৬২ রানে ৪টি ও লুকমান মেরিওয়ালা ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন। ক্রূণাল পান্ডিয়া ৩৪ রানে ২ উইকেট পান।জয়ের জন্য ২৩১ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে বরোদাও শুরুতে ধাক্কা খায়। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান শ্বাশত রাওয়াত (০)। আকাশ দীপের বলে তিনি উইকেটের পেছনে শ্রীবৎসর হাতে ক্যাচ দেন। এরপর কেদার দেবধর ও প্রত্যুষ কুমার বরোদাকে টেনে নিয়ে যান। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭৪। কেদারকে (৩৫) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি। ১ ওভার পরেই ফেরান প্রত্যুষকে (৩৮)। বিষ্ণু সোলাঙ্কি (১০) রান আউট হতেই রান তোলার গতি কমে যায় বরোদার। একসময় ১১৭ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল বরোদা। ক্রূণাল পান্ডিয়া ও কার্তিক কাকাদে দলকে ম্যাচে ফেরান। এই জুটি বরোদাকে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। কাকাদেকে (২৮) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মুকেশ কুমার। পরের ওভারেই ক্রূণাল পান্ডিয়াকে ফেরান (৩৯) শাহবাজ আমেদ। তখনই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় বরোদার। ৪৮.২ ওভারে ২০৩ রানে গুটিয়ে যায় বরোদার ইনিংস। বাংলার হয়ে আকাশ দীপ ৩৯ রানে ৩টি, মুকেশ কুমার ৪১ রানে ২টি, ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি ৩২ রানে ২টি ও শাহবাজ আমেদ ৪৮ রানে ২টি উইকেট নেন।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পিতৃতর্পণের সময় গঙ্গার পাড়ে বাজবে মহিষাসুরমর্দিনী, সাজবে ঘাট! বড় উদ্যোগের খবর

২০২৬ সালের দুর্গাপুজো ঘিরে কলকাতায় একের পর এক নতুন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এর পাশাপাশি মহালয়ার ভোরে কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতেও বিশেষ আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার বলে সূত্রের খবর।মহালয়ার ভোর মানেই বাঙালির কাছে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনা। সেই দীর্ঘদিনের আবেগ ও ঐতিহ্যকেই এবার গঙ্গার ঘাটে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কলকাতার পাঁচটি গঙ্গার ঘাটকে এই আয়োজনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাট। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার ভোরে এই ঘাটগুলিতে মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী বাজানো হতে পারে। মহালয়া ২০২৬ সালে ১০ অক্টোবর শনিবার।শুধু মহিষাসুরমর্দিনী বাজানোই নয়, ঘাটগুলিকে বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে ভোরের গঙ্গার পাড়ে তর্পণের সময় এক অন্য ধরনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। পিতৃতর্পণ করতে আসা মানুষের পাশাপাশি মহালয়ার আবহ উপভোগ করতে আসা মানুষের কাছেও এই আয়োজন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।এই পরিকল্পনার আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে পারে বিশাল আকারের রেডিয়োর প্রতিকৃতি। মহালয়ার ভোরে রেডিয়োয় মহিষাসুরমর্দিনী শোনার যে দীর্ঘদিনের বাঙালি ঐতিহ্য, সেই স্মৃতিকেই গঙ্গার ঘাটে তুলে ধরার ভাবনা রয়েছে। ঘাটের চত্বরে বড় রেডিয়োর আদল তৈরি করে তার মাধ্যমে পুরনো দিনের সেই আবহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।মহালয়ার সঙ্গে বাঙালির এই আবেগ বহু পুরনো। পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার এই দিনে ভোর থেকেই কলকাতার গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তর্পণ করতে মানুষের ভিড় হয়। তার সঙ্গে যদি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী এবং বিশেষ আলোকসজ্জা যুক্ত হয়, তা হলে ঘাটগুলির পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য সরকারের একাধিক বড় আয়োজনের পরিকল্পনার খবর ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে মহালয়া ২০২৬-এ কলকাতার গঙ্গার ঘাটে নতুন ধরনের আবহ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাটে শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা SFI নেতার! নেপথ্যে কারণ কী

জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজে ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রনেতা আচমকাই ক্লাসরুমে কেরোসিন ঢেলে নেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। পরে তিনি লাইটার বের করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করলে ক্লাসে থাকা অধ্যাপক তাঁকে থামিয়ে দেন।ওই ছাত্রের নাম অর্ণব সরকার বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে এসএফআইয়ের স্থানীয় কমিটির সম্পাদক হিসাবেও উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ইতিহাসের ক্লাস চলছিল। অর্ণব ব্যাগ থেকে কেরোসিনের বোতল বের করে নিজের গায়ে ঢেলে নেন। এরপর লাইটার জ্বালানোর আগেই অধ্যাপক তাঁর হাত থেকে সেটি নিয়ে নেন। পরে তাঁকে অধ্যক্ষের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশও কলেজে যায়।ঘটনার পর অর্ণব দাবি করেন, কলেজে তাঁকে নিয়মিত নিগ্রহ করা হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, এ বিষয়ে এন্টি র্যাগিং কমিটিতে জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ঘটনার দিন কলেজে ঢোকার মুখেও তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই তিনি এমন পদক্ষেপ করেছেন বলে জানান অর্ণব।অর্ণবের দাবি, তিনি কাউকে মারতে চাননি। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে তাঁর বক্তব্য। তাঁর আরও দাবি, বাড়ি থেকেই কেরোসিন নিয়ে কলেজে এসেছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষও তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, কলেজের ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন এবং পড়ুয়া কী ভাবে দাহ্য পদার্থ নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।অন্য দিকে, অর্ণবের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে এবিভিপি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য, অর্ণবকে কে বা কারা মারধর করেছে বলে অভিযোগ করা হলেও তিনি নির্দিষ্ট কারও নাম বলতে পারেননি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবিভিপি।এসএফআই অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেছে। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে-র দাবি, এবিভিপির বিরুদ্ধে ছাত্রদের মারধর এবং ক্যাম্পাসে ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কলেজের ভিতরে একটি নির্দিষ্ট অপরাধচক্র তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগও এখনও রাজনৈতিক পক্ষগুলির বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে এবং তা স্বাধীন ভাবে প্রমাণিত হয়নি।ঘটনার পর কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কী ভাবে একজন পড়ুয়া কেরোসিনের মতো দাহ্য পদার্থ নিয়ে কলেজে ঢুকলেন, সেটি এখন তদন্তের অন্যতম বিষয়। একই সঙ্গে অর্ণবের অভিযোগের সত্যতা, তাঁকে কোনও ভাবে নিগ্রহ করা হয়েছিল কি না এবং ঘটনার পিছনে ঠিক কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আনন্দচন্দ্র কলেজের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই এসএফআই ও এবিভিপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি করেছে। ছাত্রনেতার অভিযোগ এবং এবিভিপির পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে আসল ঘটনা কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! লেজেন্ডস লিগে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আয়োজকদের?

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণ। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এবারের প্রতিযোগিতায় মোট সাতটি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের দল অংশ নিচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি এবার প্রথম বার খেলছে বাংলাদেশ।ভারতের দলে রয়েছেন যুবরাজ সিংয়ের মতো প্রাক্তন তারকারা। পাকিস্তানের দলেও রয়েছেন শাহিদ আফ্রিদি। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানকে এবারের প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। বরং ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হওয়ার কথা।সবচেয়ে বেশি নজর অবশ্য ১০ অক্টোবরের ম্যাচে। ওই দিন দুবাইয়ে মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারত এবং পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের। আয়োজকদের সরকারি সূচিতে এই ম্যাচটি রাখা হয়েছে। ফলে পাকিস্তান অংশ নেবে না বা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল হয়েছেএমন তথ্য বর্তমান সরকারি সূচির সঙ্গে মিলছে না।এর আগে দ্বিতীয় সংস্করণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারতীয় কিংবদন্তিদের দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামেনি। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ওয়াকওভার পেয়ে পরের পর্বে পৌঁছেছিল। সেই ঘটনার প্রভাব এবারের প্রতিযোগিতাতেও পড়বে কি না, তা নিয়ে ক্রিকেটমহলে আলোচনা ছিল।তবে তৃতীয় সংস্করণের বর্তমান সূচিতে ভারত ও পাকিস্তানকে একই প্রতিযোগিতায় রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দুই দলের মধ্যে ম্যাচের দিনও নির্ধারিত হয়েছে। ফলে গতবারের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।এবারের প্রতিযোগিতার আরও একটি বড় আকর্ষণ বাংলাদেশের অভিষেক। বাংলাদেশের কিংবদন্তি দল প্রথম বার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। সেই দলের অন্যতম পরিচিত নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩ অক্টোবর প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণে মোট ২৪টি লিগ ম্যাচ হবে। শারজা এবং দুবাইয়ের মাঠে হবে ম্যাচগুলি। লিগ পর্বের পর ১৬ অক্টোবর সেমিফাইনাল এবং ১৮ অক্টোবর ফাইনাল হওয়ার কথা।ফলে পাকিস্তানকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার যে দাবি সামনে এসেছে, তা অন্তত বর্তমান সরকারি সূচি অনুযায়ী সঠিক নয়। বরং পাকিস্তান এবারের প্রতিযোগিতার অন্যতম অংশগ্রহণকারী দল এবং ১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচও সূচিতে রয়েছে। গতবারের বিতর্কের পর এবার সেই ম্যাচ সত্যিই মাঠে গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
দেশ

যৌনাঙ্গ কাটা, চারতলা থেকে ঝাঁপ! প্রেমানন্দের শিষ্যের রহস্যজনক মৃত্যুতে ক্রমেই বাড়ছে ধোঁয়াশা

বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধি ওরফে রসিক দুলারি শরণের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন প্রশ্ন। পঁচিশ বছরের দীপক উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের গুরু কৃপা কুঞ্জ আশ্রমের চারতলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে উপর থেকে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে কী পরিস্থিতিতে তিনি ছাদ থেকে পড়েছিলেন, তা এখনও তদন্তের বিষয়।দীপক মূলত মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দুবছর আগে তিনি বৃন্দাবনে আসেন। পরে প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নিয়ে রসিক দুলারি শরণ নাম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি বৃন্দাবনেই থাকতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।ঘটনার পর দীপকের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি গ্রাইন্ডার উদ্ধার করা হয়। সেটিতে রক্তের দাগ ছিল বলে পুলিশ ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীপকের শরীরে যৌনাঙ্গে কাটার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। গ্রাইন্ডারটি কী ভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং সেটিতে থাকা রক্ত কার, তা জানতে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।এই গ্রাইন্ডারই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠেছে। সেটি দিয়েই দীপকের শরীরে ওই আঘাত করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এই মুহূর্তে সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না। তদন্তকারীরা ফরেন্সিক রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন।দীপকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও সামনে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপর থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে গুরুতর আঘাতও হয়েছিল। ফলে মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বুঝতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ এবং ফরেন্সিক প্রমাণ মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দীপকের ঘর থেকে বেরিয়ে ছাদের দিকে যাওয়ার সময় এবং পরে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শেষ কয়েক মিনিটের গতিবিধি এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি নিজেই ওই কাজ করেছিলেন, নাকি অন্য কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পুলিশ দীপকের মোবাইল ফোন, ডায়েরি, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী পরীক্ষা করছে। আত্মহত্যার সম্ভাবনার পাশাপাশি অন্য কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের তরফে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলেও সংবাদমাধ্যমে এসেছে।ফলে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধির মৃত্যু আপাতত একাধিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে তদন্তকারীদের। চারতলা থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা সিসিটিভিতে ধরা পড়লেও তার আগে কী ঘটেছিল, ঘরে রক্তমাখা গ্রাইন্ডার কেন ছিল এবং শরীরে কাটার চিহ্নের সঙ্গে তার কোনও যোগ রয়েছে কি নাএসব প্রশ্নের উত্তর ফরেন্সিক পরীক্ষা ও তদন্ত শেষ হলেই স্পষ্ট হতে পারে। আপাতত ঘটনাটিকে ঘিরে কোনও একটি তত্ত্বকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ইন্টারভিউ থেকে প্যানেল, সব তালিকাতেই বদল! একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগে এসএসসির বড় সিদ্ধান্ত

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বড় পরিবর্তন করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে আগের মেধাতালিকা ও প্যানেল পুনর্গঠন করা হচ্ছে। কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই সংশোধিত শূন্যপদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট শূন্যপদ ১২ হাজার ৪৪৫টি।এর আগে একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। পরে রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণের কাঠামোয় পরিবর্তন আসে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়োগের মেধাতালিকা নতুন করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। সেই পরিবর্তনের ভিত্তিতেই একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদ এবং সংরক্ষণের হিসাব নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।ফলে আগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগের যে প্রক্রিয়া চলছিল, তাতে পরিবর্তন আসছে। নতুন করে সংশোধিত মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এরপর নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।তবে আগে যাঁরা ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের নতুন করে সেই ধাপগুলিতে অংশ নিতে হবে না। তাঁদের আগের লিখিত পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বর, ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানের নম্বরই নতুন মূল্যায়নে বিবেচনা করা হবে বলে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাঠামো থেকে জানা যাচ্ছে।নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নথিপত্র যাচাই করা হবে। সেই যাচাই পর্ব শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী ধাপে এগোবে কমিশন। সংশোধিত মেধাতালিকার ভিত্তিতেই পরবর্তী কাউন্সেলিং এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হবে।এই পরিবর্তনের ফলে আগের তালিকায় থাকা কিছু প্রার্থীর অবস্থান বদলাতে পারে। আবার নতুন সংরক্ষণ কাঠামোর কারণে এমন কিছু প্রার্থীও নতুন তালিকায় সুযোগ পেতে পারেন, যাঁরা আগের তালিকায় প্যানেল বা অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিলেন না। তবে ঠিক কতজন প্রার্থীর অবস্থান বদলাবে বা কতজন আগের তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, তা সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়ায় আগে প্রকাশিত তালিকা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তের মূল কারণই হল সংরক্ষণ বিধির পরিবর্তন। কমিশন জানিয়েছে, নতুন নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর ফলে আগের তালিকার পরিবর্তে সংশোধিত মেধাতালিকাই নিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একাদশ-দ্বাদশের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছিল। পরে সংরক্ষণ কাঠামোয় পরিবর্তনের কারণে পুরো মেধাতালিকা পুনর্গঠনের প্রয়োজন তৈরি হয়।এখন চাকরিপ্রার্থীদের নজর সংশোধিত চূড়ান্ত মেধাতালিকার দিকে। নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, কার অবস্থান কোথায় বদলাল এবং কারা শেষ পর্যন্ত নিয়োগের সুযোগ পেলেন। কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির উপরেই এখন নির্ভর করছে একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের পরবর্তী ধাপ।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
বিদেশ

ছয় সেকেন্ডেই গলে গেল গোটা পাহাড়! নেপালে ভয়াবহ দৃশ্য, নদীতে মিশে গেল পাহাড়ের অংশ

নেপালে ফের প্রকৃতির তাণ্ডব। প্রবল বৃষ্টি, পাহাড় ধস এবং বন্যায় একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত। মুস্তাং জেলার লেতে এলাকায় কালীগণ্ডকী নদীর দিকে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বিশাল পাহাড়ের অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে। সেই সময় স্থানীয়দের চিৎকারও শোনা যায়। ধসের জেরে নদীর গতিপথ কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।টানা বৃষ্টির জেরে নেপালের পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক নদীর জলস্তর বেড়েছে। মুস্তাং, মিয়াগদি, পার্বত এবং স্যাংজার মতো এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের খবর মিলেছে। পার্বত জেলার একটি বসতিতে কালীগণ্ডকী নদীর জল ঢুকে প্রায় ৮০টি বাড়ি ভেসে যাওয়ার খবরও সামনে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং উদ্ধারকাজেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধসে নেপালের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আরও ১৪ জন নিখোঁজ বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল একাধিক এলাকায় কাজ করছে। বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এর মধ্যেই মানাং জেলার হিমলুং হিমালেও ভয়াবহ তুষারধস নেমেছে। রবিবার ৭১২৬ মিটার উচ্চতার এই পর্বতের কাছে তুষারধসে পর্বতারোহী ও তাঁদের সহকারীদের একটি শিবির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে প্রায় ১৪ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে উদ্ধারকারীরা চারটি দেহ উদ্ধার করেন। আরও ১২ জন এখনও নিখোঁজ বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।এই নতুন বিপর্যয় এমন সময়ে ঘটল, যখন গত ২৬ অগস্টের ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বান থেকে এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নেপাল। সেই ঘটনায় দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বাড়িঘর, সেতু, রাস্তা এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী, সেই বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা এক হাজার চারশোরও বেশি এবং নিখোঁজের সংখ্যাও কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।২৬ অগস্টের বিপর্যয়ের পর থেকেই নেপালের একাধিক এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। কিন্তু নতুন করে প্রবল বৃষ্টি, বন্যা এবং পাহাড় ধস পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় দুর্গতদের কাছে দ্রুত পৌঁছনো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে।মুস্তাংয়ের পাহাড় ধসের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। চোখের সামনে পাহাড়ের বিশাল অংশ নদীতে তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। একই সময়ে মানাংয়ে তুষারধসের ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।নেপালে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ উদ্ধারকাজ এবং দুর্গত মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। প্রবল বৃষ্টি ও নতুন করে ধস নামার আশঙ্কায় পাহাড়ি এলাকাগুলিতে সতর্কতাও জারি রাখা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সোনার বাজারে ভূমিকম্প! এক ঝটকায় হুড়মুড়িয়ে কমল দাম, কলকাতায় আজ ২২ ক্যারেটের দাম জানলে চমকে যাবেন

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার মাঝে ভারতীয় বাজারে পতন লক্ষ্য করা গেল সোনার দামে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) প্রতি গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১৫,০১৭ টাকায়, যা গত ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় গ্রাম প্রতি ২৫১ টাকা কম। একইভাবে ২২ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামও কমেছে। ভারতে আজ সোনার দর (প্রতি গ্রাম ও ১০ গ্রাম)২৪ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৫,০১৭ টাকা (১০ গ্রামে ১,৫০,১৭০ টাকা)। ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় দর কমেছে ২৫১ টাকা।২২ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৩,৭৬৫ টাকা (১০ গ্রামে ১,৩৭,৬৫০ টাকা)। দর কমেছে ২৩০ টাকা।১৮ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১১,২৬৩ টাকা (১০ গ্রামে ১,১২,৬৩০ টাকা)। দর কমেছে ১৮৮ টাকা।প্রধান শহরগুলিতে আজ সোনার দর (প্রতি ১০ গ্রাম)কলকাতা, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও পুনে: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৩০ টাকা।দিল্লি: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,৩২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৮০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৭৮০ টাকা।চেন্নাই: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১৫,৩৫০ টাকা।আহমেদাবাদ ও বরোদা: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,২২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৭০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৮০ টাকা।কেন কমছে সোনার দাম?অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপই দেশীয় বাজারে সোনার দাম কমার প্রধান কারণ। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম Giottus.com-এর সিইও বিক্রম সুব্বুরাজ জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪,২২৪ ডলারে নেমে এসেছে। পাশাপাশি ইউএস ফিউচার্স প্রতি আউন্সে প্রায় ৪,২৫৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডলারের শক্তি বৃদ্ধি ও সুদের হার বাড়ার কারণে অলঙ্কার ও সোনায় বিনিয়োগের প্রবণতা সাময়িকভাবে কমছে। তবে অন্যদিকে, রুপোর বাজারে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। এমসিএক্স (MCX)-এ সিলভার মিনি কন্ট্রাক্ট প্রতি কেজিতে প্রায় ২,৩৬,৬৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তাআন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সামুদ্রিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে গেছে। চুক্তি ভঙ্গের পর থেকেই দুই দেশ পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক পথ বন্ধ করে দিয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও মার্কিন হামলার জবাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্যও তৈরি। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সোনার চাহিদা ও দামের ওপর দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বজায় থাকছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘জোড়া ফুল’ প্রতীক ফ্রিজ মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, হাতছাড়া হতে চলেছে মমতার সাধের প্রতীক?

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলায় বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূলের ভেতরে চলা উপদলীয় কোন্দলের জেরে দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষকে নিজেদের লিখিত বক্তব্য পেশ করতে হবে এবং তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে কমিশনকে।দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার এই সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতা বজায় রাখতে দ্রুত এই বিরোধের সমাধান হওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, দলীয় কোন্দলের জের ধরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী জোড়া ফুল (Flowers Grass) প্রতীক ফ্রিজ বা সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। দুই বিরোধী গোষ্ঠীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বিতর্ক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিকল্প নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ঠিক ১০ দিন পর কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন দুই পৃথক গোষ্ঠীই নিজেদের প্রার্থী মনোনীত করেছিল।কমিশনের ওই নির্দেশিকায় বর্তমানে বিকল্প প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছে দুই শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ফুটবলার প্রতীক নিয়ে এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির নির্বাচন লড়ছে খাম (Envelope) প্রতীক নিয়ে। তবে দলের আসল মালিকানা ও নাম-প্রতীক কার দখলে যাবে, আগামী ৩ মাসের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে দেশের রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal