• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trinamool,

রাজ্য

MGNREGA Work: শাসক দলের 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে' জামালপুরে বন্ধ ১০০ দিনের কাজ

অতিমারিতে গ্রামগঞ্জের গরিব মানুষের আর্থিক হাল ফেরাতে তাঁদের বেশী করে ১০০ দিনের প্রকল্পে কাজ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদন্দের জেরে তা পণ্ড হতে বসেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ২ পঞ্চায়েত এলাকায়। ১০০ দিনের কাজ পরিচালনা নিয়ে বুধবার এই পঞ্চায়েত এলাকার জোড়বাঁধে চরমে উঠে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘাত। দুপক্ষ সন্মুখ-সমরে অবতীর্ণ হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শেষ পর্যন্ত প্রশাসন বাধ্য হয় জোড়বাঁধে ১০০ দিনের কাজ বন্ধ করে দিতে। বিরোধীদের পাশাপাশি জব কার্ড শ্রমিকরাও এই ঘটনা নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তসংঘাতের কারণ প্রসঙ্গে জামালপুরের তৃণমূল নেতা প্রদীপ পাল বলেন, জামালপুর ২ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উদয় দাস নিজের মন মতো কিছু জবকার্ড শ্রমিককে দিয়ে ১০০ দিনের কাজ করাচ্ছে। অথচ জোড়বাঁধ সংসদ এলাকায় প্রায় দুশো জন জবকার্ড শ্রমিক রয়েছে। প্রদীপবাবুর আরও অভিযোগ, এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যকে কিছু না জানিয়েই উপপ্রধান বিভিন্ন কাজ করছে। এদিনও এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখেই জোড়বাঁধ এলাকায় ১০০ দিনের কাজ শুরু কর হয়। সেই খবর পেয়ে এলাকার অন্য জবকার্ড শ্রমিকরা বাঁধে গিয়ে আপত্তি তোলে। তা নিয়ে সংঘাত চরমে ওঠে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি, মারামারির উপক্রম হয়। এই খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। কাজ না পাওয়া জবকার্ড শ্রমিকদের আপত্তিতে পরে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যা শর্মিলা দাস জানান, তাঁকে না জানিয়েই উপপ্রধান তাঁর সংসদ এলাকায় কিছু জবকার্ড শ্রমিক নিয়ে কাজ করাচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ নিয়ম বিরুদ্ধ কাজ। এমনটা চলতে দেবেন না বলে পঞ্চায়েত সদস্য শর্মিলা দাস এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন। আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যাত ভুবনেরযদিও এদিন জোড়বাঁধ এলাকায় থাকা ১০০ দিনের কাজের সুপারভাইজার উজ্জ্বল চক্রবর্তী দাবি করেন, নিয়ম মেনে মাষ্টাররোল তৈরী করে এদিন জোড়বাঁধ এলাকায় একশোজন জবকার্ড শ্রমিককে নিয়ে কাজ শুরু হয়। এলাকার কয়েকজন জোড়বাঁধে এসে নানা অজুহাত তুলে কাজ বন্ধ করে দেয়। আপত্তিকারীদের তৃণমূলের লোক বলে মানতে চাননি উজ্জ্বল বাবু। তিনি দাবি করেন,আপত্তিকারীরা সকলে বিজেপির সমর্থক। আরও পড়ুনঃ ছোট্ট ছুটির ঠিকানা সিঙ্গিসাপারভাইজার উজ্জ্বল চক্রবর্তী বলেন, গোটা বিষয়টি তিনি ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছেন। পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উদয় দাস এদিনের ঘটনা নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি। তবে তিনি সাফাই দিয়েছেন, সরকারি নিয়ম মেনেই পঞ্চায়েত কাজ করছে। কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হতাশ জোড়বাঁধের জবকার্ড শ্রমিকরা বলেন, নেতায় নেতায় দ্বন্দ্বে যেন তাঁদের কাজ বন্ধ না হয় । তাঁরা যাতে বেশি করে ১০০ দিনের কাজ পান তার ব্যবস্থাই করুক প্রশাসন।আরও পড়ুনঃ শিব- পার্বতীর বিবাহ স্থলেবিজেপির জামালপুর বিধাসভার আহ্বায়ক জীতেন ডকাল বলেন, এদিন জোড়বাঁধে যা কিছু ঘটেছে তার সবটাই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। নিজেদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আড়াল করতে তৃণমূলের এক গোষ্ঠী এখন অপর গোষ্ঠীকে বিজেপি বানিয়ে দিচ্ছে। এর থেকে বড় লজ্জার আর কিছু হতে পারে না। জোড়বাঁধ এলাকার মানুষ তৃণমূলের এইসব নাটক সন্মন্ধে ওয়াকিবহাল রয়েছেন বলে জীতেন বাবু মন্তব্য করেন।জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, ১০০ দিনের কাজ নিয়ে সমস্যার কথা শুনেছি। সমস্যা মিটিয়ে দ্রুত যাতে ১০০ দিনের শুরু হয় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Kesh Family: তৃণমূলের প্রতি বিতশ্রদ্ধ আউশগ্রামের কেশ পরিবারের সদস্য ভাঙলেন শহিদবেদী

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়বাম আমলে কেশবাড়ি গণহত্যার স্মরণে তৈরি হওয়া শহিদবেদী ভেঙে দিলেন শহিদ পরিবারেরই সদস্য অনন্ত কেশ। শুক্রবার কেশবাড়ি গণহত্যার দিনে এমন ঘটনা চাক্ষুষ করে কার্যতই হতবাক হয়ে যান পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বেলারি গ্রামের বাসিন্দারা । শহীদবেদী ভেঙে দিয়ে এদিন রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকেই অনন্ত কেশ অভিযোগের আঙুল তুলেছেন। তা নিয়ে জেলার রাজনৈতিক মহলেও তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েতে টেন্ডার ডাকায় কাটমানি ইস্যুতে উত্তপ্ত গলসিআউশগ্রামের বেলারি গ্রামের কেশ পরিবারের সদস্য কমলাকান্ত কেশ কংগ্রেস নেতা ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে,১৯৮৫ সালের ২ জুলাই সিপিএমের দুস্কৃতিরা তৎকালীন কংগ্রেস নেতা কমলাকান্ত কেশের বাড়ি ঘেরাও করে। অভিযোগ সিপিএমের ওই দুস্কৃতীরা অনন্তবাবুর বাবা কমলাকান্ত কেশ এবং তাঁর দুই দাদা অশোক ও অসীম কেশকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে। সেদিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে গিয়েছিলেন বাড়ির ছোট ছেলে অনন্ত কেশ। এই গণহত্যার স্মরণে পরবর্তীকালে বেলারি গ্রামে বিল্বগ্রাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ের সামনে তৈরি হয় একটি শহিদবেদী। তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার পর থেকে সেখানে প্রতি বছর ২ জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে শহীদস্মরণ আনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত।নসেই শহিদবেদীই এদিন অনন্ত কেশ শাবল দিয়ে ভেঙে দেন।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশশহিদবেদী ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন? এই প্রশ্নের উত্তরে অনন্ত কেশ জানা, তাঁদের পাড়ায় সরকারি জায়গার ওপর থাকা নিকাশিনালাগুলি অবরোধ করে ঘর করেছে কয়েকজন। তার কারণে নালা সংস্কার করা যাচ্ছে না। অথচ এলাকার তৃণমূল নেতাদের মদতে জোর করে তাঁদের জায়গার ওপর দিয়ে নালা কেটে জলনিকাশি করা হচ্ছে। অনন্ত বাবু জানান, এইসব নিয়ে তিনি প্রতিবাদ করেছিলেন বলে তাঁকে মারধরের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পুলিশকে জানিয়েও তিনি সুবিচার পাননি। অনন্ত কেশ আরও বলেন, বর্তমান শাসকদল একসময়ে তাঁদের অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু কোন প্রতিশ্রুতিই রাখেনি।তাহলে শুধু লোক দেখানো শহিদস্মরণ করেই বা কি লাভ , আর কেশ পরিবারের নিহতদের নামে শহিদবেদী করে রেখেই বা কি লাভ । তাই বিতশ্রদ্ধ হয়ে শহীদবেদী ভেঙে দিয়েছেন বলে অনন্ত কেশ এদিন মন্তব্য করেন । আরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাতঅনন্ত কেশের তোলা অভিযোগ প্রসঙ্গে বিল্লগ্রাম অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ফাল্গুনী গোস্বামী বলেন, এদিনের এই ঘটনার নিন্দা করছি। দলের পক্ষ থেকে অনন্ত কেশকে পঞ্চায়েত সদস্য নির্বাচিত করা হয়েছিল। দল কেশ পরিবারের সদস্যদের যথার্থ সম্মান দিয়েছে। অনন্ত কেশ মিথ্যা অভিযোগ করছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন। দেবু টুডু বলেন , প্রকৃত কি কারণে কেশ পরিবারের ওই সদস্য বিতশ্রদ্ধ তা জানি না । তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেস পরিবারকে সম্মান দিয়ে চলেছেন ।

জুলাই ০২, ২০২১
রাজ্য

Devanjan Dev's Bodyguard: দেবাঞ্জনের দেহরক্ষীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি! তদন্ত চায় তৃণমূল

গতকালই মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন ভূয়ো টিকাকাণ্ডে আরও ছবি থাকতে পারে। থাকলে তা শীঘ্রই প্রকাশ পাবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভূয়ো করোনা টিকাকরণে অভিযুক্ত ভূয়ো আইএএস দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে রাজ্যপালের ছবি প্রকাশ্য আনল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় ওই ছবি দেখিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কার কাছে যেত খাম ও সঙ্গে উপহার? তাও তদন্তকারী দলকে খতিয়ে দেখতে বলবে তৃণমূল কংগ্রেস। জানিয়ে দিলেন সুখেন্দুবাবু। আরও পড়ুনঃ ঘরোয়া পদ্ধতিতে বড় হবে আইল্যাশ, কীভাবে ? জেনে নিনবৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে দেবাঞ্জনের দেহরক্ষী অরবিন্দ বৈদ্যর দুটি ছবি দেখিয়ে প্রশ্ন তোলেন সুখেন্দুশেখর রায়। তাঁর দেখানো একটি ছবিতে অরবিন্দকে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের সঙ্গে, আরেকটি ছবিতে অরবিন্দ রাজ্য জগদীপ ধনকরের পরিবারের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে। সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, এই অরবিন্দ দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মী। তিনি কী করে রাজ্যপালের ব্যক্তিগত পরিসরে থাকতে পারেন। ওই ছবিতে সবাই রয়েছেন হাসিমুখে। তাঁদের পিছনেই অরবিন্দ।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতি শুধু ছবি দেখিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ। সুখেন্দুবাবু বলেন, এই নিরাপত্তা কর্মীর মাধ্যমে বিশেষ ব্যক্তির কাছে খাম যেত, যেত কিছু উপহারও। ইতিমধ্যে ভূয়ো টিকার তদন্তে সিট গঠন করেছে রাজ্য সরকার। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে ছবি দেখা গিয়েছিল দেবাঞ্জন দেবের। এবার রাজ্যপালের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর ছবি সামনে আনায় বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশসুখেন্দুশেখর বলেন, রাজভবনে যিনি আলোকিত করে বসে আছেন তাঁর ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা যাচ্ছে দেবাঞ্জনের নিরাপত্তা কর্মীকে। তদন্তকারী সংস্থার গোচরে আনতে চাই বিষয়টা। আমরা চাই সমস্ত তথ্য উঠে আসুক। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, টিকাকাণ্ডের সঙ্গে মানুষকে যাঁরা অসুবিধায় ফেলতে চেয়েছেন তিনি যত গুরুত্বপূর্ণ হোক না কেন রেহাই পাবেন না। এই ছবি যদি সত্যি হয় তাহলে তা দেশের পক্ষে ভয়ঙ্কর। জৈন ডায়েরির পাতায় জগদীপ ধনকড়ের নাম ছিল এদিনও দাবি করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন রাজ্যপাল পদে যোগ দেওয়ার পর থকেই রাজ্যের সঙ্গে সংঘাত লেগেই রয়েছে জগদীপ ধনকরের। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত এখন একেবারে ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে গিয়েছে। তৃণমূল নেতার দাবি, সুরেন্দ্র জৈন হাওলাকাণ্ডের মাথা ছিলেন। পরশু দিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে আর তারপর ৪৮ ঘণ্টা নীরব রয়েছেন রাজ্যপাল। জমি কেলেঙ্কারিতেও তিনি জড়িয়েছেন। তাঁর দাবি, এত দুর্নীতির অভিযোগ কোনও রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ছিল না। এমন অভিযুক্ত লোককে রাজ্যপাল হিসাবে নিয়োগ করা উচিত নয়। অবিলম্বে বরখাস্ত করা প্রয়োজন। এবিষয়ে রাষ্ট্রপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করব। পাশাপাশি দুই সংসদে আইন অনুযায়ী পন্থা নেব।

জুলাই ০১, ২০২১
রাজনীতি

FINE: ভোটপ্রচারে আসা নাড্ডার হেলিকপ্টার দেখতে যাওয়ার অপরাধে জরিমানা

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়ঘরে ফেরার জন্য ঘরছাড়া বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের কাছ থেকে বিভিন্ন রেটে জরিমানা আদায়ের অভিযোগ উঠলো তৃণমূলের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, মঙ্গলকোটের বিজেপি কর্মীদের ঘরে ফিরতে গেলে তৃণমূল নেতাদের গুনতে হচ্ছে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। আর বিধানসভা ভোটের নির্বাচনী প্রচারে আসা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার হেলিকপ্টার দেখতে যাওয়ার অপরাধে জরিমানা গুনতে হচ্ছে দশ হাজার টাকা । ঘরছাড়া থাকা মঙ্গলকোটের ঝিলু-২ পঞ্চায়েতের বনপাড়া গ্রামের বিজেপি সমর্থক সান্তনা পাল জেলা প্রশাসনের কাছে এমনই অভিযোগ দায়ের করতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনপেশায় মোটরভ্যান চালক বিজেপি সমর্থক সান্তনা পালের অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর তৃণমূলের লোকজন তাঁর ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে দেওয়ার পাশাপাশি লুটপাটও চালায়। তাঁর মোটর ভ্যানটিতে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার হয়। পরে মোটরভ্যানটি ফেলে দেওয়া হয় পুকুরের জলে। সান্তনা পাল বলেন, এই ঘটনার পর আতঙ্কে সপরিবারে তিনি বাড়িছাড়া হন। সম্প্রতি স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা তাঁকে ফোন করেন। ওই নেতা তাঁক বলেন, গ্রামের বাড়িতে ফিরতে হলে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। এমনটা শোনার পর বাধ্য হয়ে তিনি জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। তারপর জেলা প্রশাসনে নির্দেশে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ গত রবিবার তাঁকে তাঁর নিজের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যায়। তবে ভাঙচুর হওয়া বাড়ি বসবাসের অনুপযুক্ত থাকায় এখন তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতেই রয়েছেন বলে এদিন সান্তনাবাবু জানান।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশন রাজনৈতিক হিংসার শিকার হওয়া সান্তনা পালের অভিযোগের এখানেই শেষ নয়। তাঁর আরও অভিযোগ, ভোটের ফল ঘোষনার পর বনপাড়া গ্রামের বহু বিজেপি কর্মী ও সমর্থক ঘরবাড়ি ছাড়া হয়। ওই সমস্ত বিজেপি কর্মীদের ফোন করে জানানো হয় মোটা টাকা জরিমানা গুনলে তবেই তাদের বাড়ি ফিরতে দেওয়া হবে। বিজেপির নেতাকর্মীদের স্তর অনুযায়ী তৃণমূলের তরফ থেকে জরিমানার একটা রেট ঠিক করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বিজেপির বুথ এজেন্ট হলে তাঁদের ঘরে ফেরার জন্যে ৪০-৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত দাবি করা হচ্ছে। জরিমানার টাকা জোগাড় করতে এখন হিমসিম খেতে হচ্ছে ঘরছাড়াদের। বনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রমেশ পাল, সুকান্ত পাল প্রমুখ বিজেপি কর্মীরাও একই অভিযোগ তুলেছেন। তাঁরা বলেন , গ্রামে ফেরানোর শর্তে এক তৃণমূল নেতাকে তাঁদের ২১ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে। বনপাড়া গ্রামের এক মহিলার অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের প্রচারে হেলিকপ্টারে চড়ে নতুনহাটে এসেছিলেন জেপি নাড্ডা। তাঁর স্বামী সেই হেলিকপ্টার দেখতে গিয়েছিলেন। সেই অপরাধে তাঁকে দশ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের উপর হামলা, রণক্ষেত্র যাদবপুরএই সমস্ত অভিযোগগুলি উঠছে মূলত বনগ্রামের তৃণমূলের বুথ সভাপতি উজ্জ্বল শেখের বিরুদ্ধে। যদিও তাঁর দাবি, হয়তো ভুল করে দু একটা ছেলে ডিস্টার্ব করেছে। আমি তাদের নিষেধ করেছি। তবে কারও কাছ থেকে টাকা নিইনি। অন্যদিকে মঙ্গলকোটের তৃণমূল বিধায়ক তথা ব্লকের সভাপতি অপূর্ব চৌধুরি বলেন, যারা এমন কাছ করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ টাকা চাইলে তাঁকে জানানোর কথাও তিনি বলেন।সান্তনা পালের অভিযোগপত্র (FIR)

জুন ৩০, ২০২১
রাজনীতি

Mukul-Mamata: "মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার", বললেন মমতা

সম্প্রতি তৃণমূল ভবনে গিয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়। তবে বিধায়কপদ ছাড়েননি মুকুল। বরং তিনি বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্যপদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এই নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পিএসির মনোনয়ন প্রসঙ্গে বলেছেন, মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার।আরও পড়ুনঃ মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে শুভেন্দুর চিঠি স্পিকারকেদল ছেড়ে আসার সময় মুকুল রায় ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি। দল ত্যাগ করলেও বিধানসভার সদস্যপদ ছাড়েননি কৃষ্ণনগরের বিধায়ক। অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য। তিনি অধ্যক্ষকে মুকুলের বিধায়ক পদ বাতিলের জন্য লিখিত আবেদনও জানিয়েছেন। এদিকে বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির নমিনেশন যে কেউ জমা দিতে পারেন। মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার। অসুবিধের কি আছে। তাঁকে তো বিনয় তামাংদের দল সমর্থন করেছে। আমরাও সাপোর্ট দেব। এটা স্পিকারের সিদ্ধান্ত। আর যদি ভোটাভুটি হয় ভোটে জিতবো। যাকে প্রয়োজন তাঁকে মানুষের ভোটে জেতাব।আরও পড়ুনঃ মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকদল ত্যাগ করলেও জনপ্রতিনিধির পদ না-ছাড়ার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে এরাজ্য। বেশ কয়েকবছর ধরেই এই রেওয়াজ চলছে। মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে বিধায়ক পদ ছাড়েননি। অন্যদিকে বর্ধমান পূ্র্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডল তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেও পদ আঁকড়ে বসে আছেন। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসও শিশির অধিকারী ও সুনীল মন্ডলের সাংসদ পদ খারিজের জন্য লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

জুন ২৪, ২০২১
রাজনীতি

ভাইজান ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে কড়া তোপ তৃণমূল-বিজেপির

আব্বাস সিদ্দিকিকে নিয়ে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগডকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল তৃণমূল ও বিজেপি। আব্বাসের জাতপাত ও বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করছে বাম ও কংগ্রেস এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এর বিরোধিতা করবে বিজেপি। ভাইজানের ঔদ্ধত্য ও আগ্রাসী অবস্থান এরাজ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করছে বলে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জাতপাতের রাজনীতি করছে কংগ্রেস ও বামফ্রণ্ট। বিজেপি দুই নতুন বন্ধু পেয়েছে।রবিবার ব্রিগেডে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানের ভাগিদারি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাইছে। আমরা তা করতে দেব না। এই বিভাজনের রাজনীতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখব।এদিকে এদিন তৃণমূল ভবনে বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিয়োগ করেছেন, ভাইজানকে ভরসা করে রাজনীতি করতে হচ্ছে বাম-কংগ্রেসকে। তারাও জাতপাতের রাজনীতিতে সামিল হল। বিভাজনের রাজনীতির দুই নতুন বন্ধু পেল বিজেপি।

মার্চ ০১, ২০২১
রাজনীতি

বাংলায় বিজেপিতে মুখমন্ত্রী পদে মুখ ৬ জন ও উপমুখ্যমন্ত্রী পদে ১৩ জন

বাংলায় বিজেপিতে ৬ জন মুখ্যমন্ত্রী, ১৩ জন উপমুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন পদের লড়াইয়ে। জানালেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের স্ত্রী সুজাতা মন্ডল খাঁ। এদিন তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কথা বললেই দলের নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেখিয়ে দেন। তৃণমূল ভবনে এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে একথা বলেন সুজাতা মন্ডল খাঁ। সুজাতা বলেন, আগামী দিন তাঁর এই সিদ্ধান্তে সৌমিত্র খাঁ সামিল হবেন কী না তা কে বলতে পারে? এরাজ্যে বিজেপির মুখ কে এ নিয়ে বারে বারে প্রশ্ন উঠেছে। কখনও জল্পনায় উঠেছে এসেছে ক্রিকেটার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী, রামকৃষ্ণ আশ্রমের সন্যাসী সহ অনেকের নাম। এবার সুজাতা দাবি করলেন, বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী ৬ জন, উপমুখ্যমন্ত্রী ১৩ জন দাবিদার আছেন বিজেপিতে। তবে তাঁরা কারা সেকথা বিস্তারিত জানাননি সৌমিত্র পত্নী। বিজেপিতে মর্যাদা পাচ্ছেন না বলে দল ছেড়েছেন সুজাতা। তিনি জানান, বিজেপির অনেক মুখ থাকলেও তৃণমূলে একজনই মুখ্যমন্ত্রী। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও তিনি মুখ্যমন্ত্রী, ভবিষ্যতেও তিনি মুখ্যমন্ত্রী হবে। তিনিই দলের মুখ। বিজেপির সেখানে কোনও মুখ নেই। বিজেপিতে কোনও নেতা নেই। বিজেপি এখন তৃণমূলের বি-টিম। তাই আসল দল তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দুগড়ে জনসভা, মানসিক চাপ বাড়াতে চাইছে তৃণমূল

শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যোগ দিতেই তাঁর ভোটে দাঁড়ানোর কেন্দ্র নিয়েই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। এমনকী নন্দীগ্রামের তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনে দাঁড়ালে হারতে হবে শুভেন্দুকে। ঘটনার ওপর নজর রাখলেও এসব নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি নন্দীগ্রামের বিধায়ক। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিতেই পূর্ব মেদিনীপুর সহ বেশ কিছু জেলায় তৃণমূল নেতৃত্ব সতর্ক হয়ে পড়েছে। শুধু পূর্ব মেদিনীপুর থেকেই শুভেন্দু সহ বেশ কয়েকজন বিধায়ক গেরুয়া শিবিরে ভিড় জমিয়েছেন। স্বভাবতই শুভেন্দুর ওপর সাংগঠনিক লড়াইয়ের পাশাপাশি মানসিক চাপ বৃদ্ধি করার কৌশল নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিতেই জল্পনা শুরু হতে থাকে এবার আর তিনি নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চাইছেন না। অন্য সেফ সিট খুঁজছেন। তৃণমূল নেতৃত্ব এই জল্পনা ছড়িয়েছে বলে বিজেপির দাবি। এরইমধ্যে ২৩ ডিসেম্বর কাঁথিতে জনসভা করতে চলেছে তৃণমূল। এবার আর তড়িঘড়ি করে সভার সিদ্ধান্ত নেয়নি তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও ওই সমাবেশে অধিকারী পরিবারের দুই সাংসদের নাম দলূয় ব্যানারে নেই। একটু সময় হাতে নিয়েই এবার জনসভার ডাক দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। জমায়েতে ভিড় করার বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে তৃণমূলেরই। বুধবারের সভা থেকে গোলা ছুড়বেন তৃণমূল নেতৃত্ব। শনিবার মেদিনীপুরের সভায় বিজেপি নেতা অমিত শাহর হাত থেকে পদ্মপতাকা তুলে নেন শুভেন্দু। তৃণমূল তাঁকে মীরজাফর, বিভীষণ, জগৎ শেঠ বলতেও ছাড়ছে না। পাল্টা বক্তব্য চলছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, শুভেন্দু তৃণমূল ত্যাগ করায় দল বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তাই শুভেন্দুর ওপর নানা ধরনের চাপ বৃদ্ধি করার কৌশল নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। নন্দীগ্রামে দাঁড়াবেন না সেকথা কখনই বলেননি শুভেন্দু। বরং নন্দীগ্রাম দিবস পালন করতে গিয়ে তেখালিত চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন তিনি। সেই সভায় শুভেন্দু বলেছিলেন, রাজনীতির ময়দানে দেখা হবে। সেদিনই তিনি তৃণমূল ছাড়ার আভাস দিয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলের অভিমত।

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal