• ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১২ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trinamool,

রাজ্য

Arrest: অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেফতার বিধায়ক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা

বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী অশোক মাঝি খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার জেলা নেতা শিবশংকর ঘোষ। ওই খুনের ঘটনায় জেলা নেতা আব্দুল রব, প্রাক্তন জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতেকার আহমেদ ওরফে পাপ্পুকে খুঁজছে পুলিশ। দলীয় সূত্রে খবর, শিবশংকর বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় এর আগে দলেরই ৩ মহিলা সহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। শহর বর্ধমানের খালাসি পাড়ার তৃণমূল কর্মী অশোক মাঝি(৩৮)কে খুনের ঘটনায় ধৃতরা হল টুম্পা দাস, শেফালি বিবি, পপি বেগম ও বাবলু বাগ।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার দলের ৩ মহিলা সহ ৪ জনের পুলিশি হেপাজতধৃতরা সকলেই খালাসি পাড়ার বাসিন্দা। তদন্তের প্রয়োজনে ও খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বুধবার সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকায় রাজনৈতিক দখলদারি কায়েম করতে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিরোধের জেরে কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত হয়ে ছিল বর্ধমান পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকা। জানা গিয়েছে, ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলার সৈয়দ মহম্মদ সেলিম ও জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ গোষ্ঠীর বিরোধ মঙ্গলবার দুপুরে চরমে ওঠে।আরও পড়ুনঃ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমানখুনের ঘটনায় খোকন দাস ও শিবু অনুগামীরা যুক্ত বলে অভিযোগ করেন সেলিম। যদিও খোকন দাসের দাবি, দীর্ঘ বছর ধরে সেলিমের সঙ্গে রাজার বিবাদ রয়েছে। তা থেকেই গন্ডগোলের সূত্রপাত।

আগস্ট ২৬, ২০২১
রাজ্য

Khagragarh : তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে অশান্তি অব্যাহত বর্ধমানের খাগড়াগড়ে

তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে ফের উত্তপ্ত হল বর্ধমানের খাগড়াগড়। দরজার তালা ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় লণ্ডভণ্ড করে দেওয়ার পাশাপাশি দুয়ারে সরকার প্রকল্পে মানুষজনকে সাহায্যের জন্য রাখা নথিপত্রও নষ্ট করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এইসব ঘটনা নিয়ে একগোষ্ঠী অপর গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে। তবে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে এলাকা বারবার উত্তপ্ত হওয়ায় অতিষ্ট খাগড়াগড়ের বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরতৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে রবিবার অশান্ত হয় খাগড়াগড়। এরপর এদিন ফের খাগড়াগড় এলাকা উত্তপ্ত হল তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দের জেরে।এলাকার তৃণমূল নেতা শেখ ফিরোজের অনুগামী মহম্মদ হোসেন এদিন দাবি করেন, পুলিশের নির্দেশে রবিবার তাঁদের দলীয় কার্যালয় বন্ধ ছিল। তবুও রাতে কিছু দুষ্কৃতী কার্যালয়ের দরজার তালা ভেঙে সব লণ্ডভণ্ড করে দেয়। দুয়ারে সরকার প্রকল্পে এলাকার মানুষকে সাহায্য করার জন্য যে সব নথিপত্র রাখা হয়েছিল সেইসবও নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এলাকার বাসিন্দা পিয়ারী বিবি অভিযোগে বলেন, রান্না খাওয়া-দাওয়া করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমন গুন্ডামি অসহ্য হয়ে উঠছে।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!যদিও এইসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন বিরোধী গোষ্ঠীর মহম্মদ ইনসান। পালটা অভিযোগে তিনি দাবি করেন, এলাকার যাবতীয় অশান্তির মূলে রয়েছে শেখ ফিরোজ ও তার অনুগামী শেখ হোসেন সহ তাঁর দলবল। ওরাই নিজেদের গোষ্ঠীর মেয়েদের নিয়ে এসে বাসিন্দাদেরর মারধর করিয়েছে। এছাড়াও ক্লাব নিয়ে নানা বেনিয়ম ও আর্থিক দুর্নীতি চলছে বলেও মহম্মদ ইনসান দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবএই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, সবটাই স্থানীয় ঘটনা। এর সাথে দলের কোনো যোগ নেই। এটা গোষ্ঠীকোন্দলের ব্যাপার নয়। ক্লাবের ব্যাপার হতেও পারে। এলাকায় কোন গোষ্ঠী নেই।

আগস্ট ২৩, ২০২১
রাজ্য

MLA Allegations: তৃণমূল পরিচালিত দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ দলীয় বিধায়কের

তৃণমূল পরিচালিত দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূলেরই বিধায়ক। শুনতে অবাক লাগলেও বাস্তবেই এমনটা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলীতে।এখানকার জাহান্নগর ও দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ১০০ দিনের কাজে ভূয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে দুর্নীতি সহ নানা বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়। তবে শুধু অভিযোগ আনাই নয়, দুটি গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই জেলা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ পেশ করে বিধায়ক ব্যবস্থা গ্রহনেরও আর্জি জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে বেঙ্গসরকারের অনন্য নজির আজও অমিলযদিও বিধায়কের আনা অভিযোগ সত্য নয় বলে দুটি পঞ্চায়েতের কর্তারা দাবি করেছেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জাহান্নগর ও দোগাছিয়া পঞ্চায়েত দুটি পূর্বস্থলী উত্তর বিধানসভার পূর্বস্থলী ১ ব্লকের অন্তর্ভুক্ত। জেলা শাসক ও জেলাপরিষদের সভাধিপতির কাছে দায়ের করা অভিযোগে বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, জাহান্নগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে উচ্চহারে ট্যাক্স নেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও উন্নয়ন কাজের ই-টেন্ডারনা করে এই পঞ্চায়েতে পক্ষপাতিত্ব করা হয়। অন্যদিকে দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে বিধায়কের অভিযোগ, এই পঞ্চায়েত ১০০ দিনের কাজে ভুয়ো মাস্টার রোল তৈরি করে আর্থিক দুর্নীতি করেছে। এই পঞ্চায়েতও উন্নয়ন কাজের ই- টেন্ডার না করে নির্দিষ্ট কয়েকজন ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেয় । বিধায়কের অভিযোগ, পশ্চিম মুদাফরে ১ হাজার লেবারের কাজ না হলেও ৬ হাজার লেবার কাজ করেছে দেখিয়ে টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এই সকল দুর্নীতি ও অনিয়মের যথাযথ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা প্রশাসনকে জানিয়েছেন বিধায়ক তপন চট্টোপাধ্যায়।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগানযদিও বিধায়কের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে জাহান্নগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুভাষ ঘোষ বলেন, কেউ বিধায়ককে ভুল বুঝিয়েছেন। তাই তিনি এইসব অভিযোগ আনছে। উনি চাইলে পঞ্চায়েতে এসে যে কোন বিষয়ে সবিস্তার তথ্য নিজে দেখে যেতে পারেন। অপর দিকে দোগাছিয়া পঞ্চায়েতের প্রধান ইলিজা শেখ দাবি করেন, অভিযোগ সত্য নয়। ১০০ দিনের কাজে কোনও দুর্নীতি হয়নি। জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযোগের বিষয়গুলি তদন্ত করে দেখা হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Purba Bardhaman: গেষ্ঠীকলহের জেরেই কি জেলার শীর্ষে বর্ধমান শহরের কারও স্থান হয়নি? সরানো হল দুই যুব নেতাকেও

অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। পূর্ব বর্ধমান জেলা কমিটির মাথাতে রাখা হয়েছে প্রবীণদের। এঁদের মধ্যে তিনজনই আবার বিধায়ক। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের ওপর দল যে সন্তুষ্ট নয় তা ঘোষিত কমিটির তালিকা দেখলে কারও অনুমান করতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারপূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল কংগ্রেসের ঘোষিত কমিটির নেতাদের কারও বাড়ি বর্ধমান শহরে নয়। কমিটি ঘোষণার আগে একাধিক নেতা বারে বারে ছুটেছেন কলকাতায়। কিন্তু আদপে তাতে কাজের কাজ কিছু হয়নি তা অন্তত এই কমিটির ঘোষণায় প্রমাণিত। তাই কেউ কেউ মুষড়ে পড়েছেন। তবে দল ভরসা রেখেছে প্রবীণ নেতৃত্বের ওপর। বরং শহরে বাড়ি দুই নেতাকে দল তাঁদের পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। কমিটি ঘোষণার পর থেকে বর্ধমানে তৃণমূলের অন্দরমহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ঐতিহাসিক লর্ডসে অবিস্মরনীয় জয় ভারতেরএক ব্যক্তি এক পদ, এই নীতি আগেই ঘোষণা করেছিল তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। খেলা হবে দিবসের দিন রাজ্যব্যাপী নতুন কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে তা বাস্তবায়িত করল তৃণমূল। রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথকে যে সরতে হবে তা জানাই ছিল। কিন্তু সরিয়ে হল পূর্ব বর্ধমানের জেলা যুব সভাপতি রাসবিহারী হালদারকেও। সরিয়ে দেওয়া হয়েছে জেলা আইএনটিটিইউসি সভাপতি ইফতিকার আহমেদকেও (পাপ্পু)। পাপ্পু বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেই সূত্রের খবর। যদিও প্রাক্তন যুব সভাপতি রাসবিহারী একটা সময় খোকনের খুব ঘনিষ্ঠ হলেও এখন সম্পর্ক যথেষ্ট তিক্ত বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলে নতুন যুগ, এক নেতা-এক পদজেলা সভাপতি হিসাবে বর্তমান ও প্রাক্তন বিধায়ক-সহ বেশ কয়েকজন নেতা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। তাতে জল ঢেলে দিয়েছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। জেলা কমিটির শীর্ষ নেতৃত্বের খবর প্রকাশ হতেই বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বের একটা বড় অংশ গালে হাত দিয়ে বসেছেন। নতুন সভাপতি হয়েছেন কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা যুবর সভাপতি জামালপুরের বিধায়ক অলোক মাঝি, আইএনটিটিইউসির সভাপতি হিসাবে ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে দল। জেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে সরানো হয়েছে প্রাক্তন সাংসদ সংঘমিত্রা চৌধুরীকেও। সেই পদে বসেছেন অশোক বিশ্বাস। মহিলা তৃণমূলের সভাপতি হয়েছেন চন্দনা মাঝি। বর্ধমান শহরের সভাপতি হিসাবে অরূপ দাসের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্বকে জেলা কমিটির শীর্ষে না রাখার প্রধান কারণ দলের গোষ্ঠীকলহে লাগাম টানা। শহরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে জেরবার তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপরাজ্যে বিধানসভার দুই আসন ও বাকি পাঁচ আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তারপর রাজ্যে পুরনির্বাচন। সূত্রের খবর, বর্ধমান শহরে এখনই তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতৃত্ব পুরসভার টিকিট পেতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। গত পুর নির্বাচনে টিকিট প্রাপ্তদের অনেককে নিয়ে বিস্তর অভিযোগ ছিল দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে। রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রার্থী বাছাই নিয়ে মুখ পুড়েছিল দলের। বর্ধমানের মতো শহরে যাঁদের পুরসভায় প্রার্থী করা হয়েছিল তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। এবার অন্তত প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে দল মনযোগ দেবে বলে আশা করছে নীচুতলার কর্মীরা।

আগস্ট ১৭, ২০২১
রাজ্য

Pandaveshwar: চরম বিক্ষোভের মুখে প্রাক্তন বিধায়ক, ধুন্ধুমার পান্ডবেশ্বরে

অসুস্থ বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন পাণ্ডবেশ্বরের প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি। তাঁকে কার্যত গালিগালাজ করে হেনস্তা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস, অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র তেওয়ারি। যদিও তৃণমূল এই ঘটনার দায় নিতে নারাজ। প্রাক্তন বিধায়ক তথা বিজেপি নেতাকে ঘিরে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কান্ড ঘটে যায় পান্ডবেশ্বরের খোট্টাডিহিতে।আরও পড়ুনঃ অশান্ত আফগানিস্তানের জন্য শান্তির আবেদন ক্রিকেটার রশিদ খানেরঅসুস্থ বিজেপি কর্মী সোনালী গিরির সঙ্গে দেখা করতে বুধবার খোট্টাডিহি যান জিতেন্দ্র তেওয়ারি। অভিযোগ, তখন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা জিতেন্দ্র তিওয়ারির নাম করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শুরু করে। একইসঙ্গে সোনালী গিরির বাড়ির বাইরে স্লোগান দেয়। সোনালী গিরির বাড়িতে পাথর ছোড়া হয় বলেও অভিযোগ। সোনালী গিরির সঙ্গে দেখা করার পর বেরিয়ে আসার সময় তৃণমূল সমর্থকরা তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করেছেন জিতেন্দ্র তিওয়ারির।জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন, একজন ব্যক্তির খারাপ সময়ে তাঁর খবর নেওয়া কি অপরাধ? একজন নাগরিক হিসেবে আমি যে কোন জায়গায় যেতে পারি। জিতেন্দ্রবাবু জানান, সম্প্রতি সেনালী গিরির টিউমারের অস্ত্রোপচার হয়েছে। আমি সোনালী গিরির বাড়িতে গিয়ে মানবিক ভাবে তাঁর স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নিলাম। এটাকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা ভুল। এখানে আসা নিয়ে একদিন আগে স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনকে জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও, পুলিশের উপস্থিতিতে নিন্দনীয় কাজ করে তৃণমূলের লোকেরা। জিতেন্দ্র তিওয়ারির হুঁশিয়ারি, ভয় দেখিয়ে আমাকে আটকানো যাবে না। আমি যখন খুশি আমার দলের কর্মীদের সাথে দেখা করতে পারি।আরও পড়ুনঃ বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবিরপাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী জানান, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। সোনালী গিরি নামে পাণ্ডবেশ্বরের ওই বিজেপি কর্মী একসময় চাকরি দেওয়ার নাম করে লোকের কাছে টাকা নিয়েছিলেন। আজ এলাকার মানুষজন তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তখন প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মানুষ তাঁর ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করে। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনেও যোগ নেই।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজনীতি

Manoranjan Bapari: বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে বিভ্রান্তি হুগলির তৃণমূলে, মুচকি হাসছে গেরুয়া শিবির

ফেসবুক পোস্ট থেকে বিরাম নেই বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারীর। তাঁর সোশাল মিডিয়ায় লাগাতার পোস্ট অস্বস্তিতে ফেলছে দলকে। এমনকী জনপ্রিয় স্লোগান খেলা হবে তুলে ধরে সরাসরি তিনি বিঁধেছেন বলাগড়ের দলীয় নেতৃত্বের একাংশকে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ দলের কেউ কেউ। রিক্সাচালক সাহিত্যিকের এমন ফেসবুক পোস্ট দেখে মুচকি হাসছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির হাতে নির্বাচন-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্ত এবং শয্যাশায়ী তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ কিছুতেই বিধায়কের খেলা হবে মানতে পারছেন না।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবলাগড়ের তৃণমূল বিধায়কের বিতর্কিত ফেসবুক পোস্ট তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এনেছে। তাঁর আক্রমণের তিরে প্রাক্তন বিধায়ক তথা বর্তমানে তৃণমূলের রাজ্য সম্পাদক অসীম মাঝি, হুগলি জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সহ সভাপতি শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ব্লক সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্যায়। প্রাক্তন বিধায়ককে নির্বোধ বলতেও ছাড়েননি, গদ্দার ও বেইমান তকমা তো রয়েছে! বিধায়ক বলেছেন, যাঁরা ভেবেছিলেন লোকসভা ভোটে ৩৬ হাজার ভোটে পিছিয়ে থাকা আসনে আমি হারব, আমি জেতায় তাঁরা সহ্য করতে পারছেন না। তাঁরা ভোটের সময় কাজ করেনি, বরং অন্য প্রার্থীকে ভোট দিতে বলেছে। আমি দলের জেলা ও রাজ্য নেতৃত্বকে গোটা বিষয় জানিয়েছি। বিধায়কের ফেসবুক পোস্ট দেখে তৃণমূল কর্মীরাও বিভ্রান্ত।জিরাট কলেজের সামনে ফ্লেক্সে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবির নীচে অসীম মাঝি ও শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ছিল। জানা গিয়েছে, ওই ফ্লেক্স সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেন বিধায়ক। তা সরিয়ে শৌচাগারের কাছে রাখা হয়। তা দেখে দলনেত্রীকে অসম্মানের অভিযোগে অধ্যক্ষের কাছে প্রতিবাদ জানান ছাত্র-ছাত্রীরা। পরে ফের তা লাগানো হলেও তৃণমূল নেতৃত্বই পরে গিয়ে ফ্লেক্সটা খুলে নেয়। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ওই ফেসবুকে শেয়ার করেছেন বিধায়ক। যদিও তাঁর প্রচারে অংশ না নেওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেই সরব হয়েছে দলের একাংশ। সাধারণ কর্মীদের বিভিন্ন পোস্টে দেখা যাচ্ছে কীভাবে মনোরঞ্জন ব্যাপারীর সমর্থনে দিন-রাত খেটেছেন অসীম মাঝি, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা।আরও পড়ুনঃ এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে গতকাল ফেসবুক পোস্টে মনোরঞ্জন ব্যাপারী লিখেছিলেন, যারা বন্দুক রিভলবার দেখিয়ে ভোটে জেতে তাদের জনগনের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা থাকে না । তাঁরা মনে করে ওইভাবে বার বার জিতে যাবে। আমি তেমন ভাবে জিতি নি, জিততে চাই না। আমি জিতেছি মা মাটি মানুষের নেত্রী দিদি মমতা ব্যানার্জীর আশীর্বাদ আর আপনাাসায়। একাংশ মনে করছে বিধায়কের এই পোস্ট বিজেপির অভিযোগকে শক্ত করেছে। কারা বন্দুক, রিভলবার নিয়ে ভোটে জয়ী হয় সেই প্রশ্ন উঠেছে।আরও পড়ুনঃ ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও ভোটের সময় বন্দুক দেখিয়ে নমিনেশনে বাধাদানের কথা বিধায়ক লিখেছেন ফেসবুকে। যদিও বিধায়কের মন্তব্য নিয়ে কিছু বলতে রাজি নন শান্তনু এবং প্রাক্তন বিধায়ক অসীম মাঝি। বিরোধীদের কটাক্ষ, বলাগড়ে বহিরাগত বিধায়ক হওয়ায় বিপাকে পড়েছে তৃণমূল। তাঁর দলে থাকা নিয়েই সংশয়ে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধেদলের শীর্ষ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপ চেয়ে সোচ্চার আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী বাপ্পা ঘোষ। ভোটের ফলপ্রকাশের পর বাপ্পা ঘোষ, তাঁর ভাই বাপন-সহ জনা পঁচিশ তৃণমূল কর্মীর উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল বিজেপির বিরুদ্ধে। বাপ্পার পেটে ছুরি চালানো হয়, বাপনের কাঁধে হাঁসুয়া দিয়ে কোপ মারা হয়। থানায় যে এফআইআর দায়ের হয় তাতে সাত নম্বরে নাম রয়েছে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বেচু নায়েকের। বেচুবাবু মনোরঞ্জন ব্যাপারীর বক্তব্য ফেসবুকে শেয়ার করছেন! বাপ্পা ঘোষ জানান, তার উপর হামলার পরদিন বিধায়ক বাড়িতে এসেছিলেন। তারপর আর খোঁজ নেননি। সেদিন রাতে বিধায়ককে ফোনে পাইনি। বিধায়কের সঙ্গী শ্যামাপ্রসাদ রায় বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন ধরে বলেছিলেন, দেখছি। তখন রাত ১১টা। কিন্তু হামলার খবর পেয়েই ছুটে এসেছিলেন শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিপদে তাঁকে ছাড়া কাউকে পাশে পাইনি। তিনিই প্রথমে চুঁচুড়া ও পরে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করান, প্রয়োজনীয় রক্তের চাহিদা মিটিয়ে প্রাণ রক্ষা করেছেন। নাহলে কী যে হত! বাপ্পার বক্তব্য, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ও দলের কয়েকজন আমার পরিবারকে দেখছেন। এখনও আমি অসুস্থ। অথচ আক্ষেপ যে মণ্ডল সভাপতি অভিযুক্ত তাঁর বাড়িতে পুলিশ পর্যন্ত যায়নি। কেন যায়নি সেটা আজ তাঁর ফেসবুক পোস্ট দেখে বুঝছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Boikanthapur GP: পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে

পঞ্চায়েতে অফিসে ঢুকে মহিলা পঞ্চায়েত প্রধানকে শাসানোর অভিযোগ উঠল খোদ অঞ্চল তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের বৈকন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে।এদিনই সন্ধায় অঞ্চল তৃণমূল নেতা মোজাম্বেল শাহের বিরুদ্ধে বর্ধমান থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রধান শর্মিলা মালিক। এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে প্রধান শর্মিলা মালিক জানিয়েছেন, এদিন বৈকন্ঠপুর ২ অঞ্চলের হাটশিমুল গ্রামের কিছু সমস্যা নিয়ে তিনি সেখানকার কয়েকজনের সঙ্গে পঞ্চায়েত অফিসে আলোচনা করছিলেন। ওই সময়ে দুই জনকে সঙ্গে নিয়ে মোজাম্মেল শাহ পঞ্চায়েত অফিস রুমে ঢুকে তাঁকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এমনকি তাঁকে পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেবে বলে রীতিমত শাসায়। পঞ্চায়েত কর্মীরা অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল সাহকে এরপর পঞ্চায়েত থেকে বের করে দেয়। পঞ্চায়েত প্রধান শর্মিলা মালিক বলেন, তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহর এমন হুমকি শাসানির করণে তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করে বর্ধমান থানায় মোজাম্মেল সাহ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পঞ্চায়েত প্রধান এদিন আরও বলেন, বিধানসভা ভোটের আগে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সহ বেশ কয়েকজন সদস্য ও সদস্যা তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিল। কিন্তু তাতে তাঁরা সফল হয়নি। সেই থেকে তাঁরা পঞ্চায়েতের কোনও মিটিংয়ে আসছেন না। ফলে এলাকার উন্নয়নের কাজও বিঘ্নিত হচ্ছে। এমন অবস্থা তৈরি হওয়ার জন্য মোজাম্মেল শাহ তাঁকে দায়ী করে হামেশাই শাসায়। এমনকী প্রতিদিনই সোশাল মিডিয়ায় তাঁকে উদ্দশ্য করে ওই তৃণমূল নেতা আক্রমণ করে চলেছেন বলেও প্রধান শর্মিলা মালিকের অভিযোগ।আরও পড়ুনঃ বিশ্ব আদিবাসী দিবসে দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পেলেন জামালপুরের আদিবাসীরাপঞ্চায়েত প্রধান এমন অভিযোগ করলেও তৃণমূল নেতা মোজাম্মেল শাহ তা অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি একজন সাধারন মানুষ হিসাবে জানতে গিয়েছিলাম কেন এলাকায় উন্নয়নের কাজ হচ্ছে না। উল্টে প্রধান মেজাজ হারিয়ে তার টেবিলে থাকা কাগজপত্র ফেলে দেন। পঞ্চায়েতে যদি সদস্যদের অনুপস্থিতির জন্য উন্নয়নের কাজ না হয় তাহলে তার নৈতিক দ্বায়িত্ব নিয়ে প্রধানের নিজের পদ থেকে সরে যাওয়া উচিত বলে মোজাম্বেল শাহ দাবী করেছেন। এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, কি ঘটেছে তা জানা নেই। তবে দলের উর্ধ্বে উঠে কেউ নিজের মতো করে কিছু দাবী করতে পারে না। সমস্যা বা অভিযোগ থাকতেই পারে। সেই ক্ষেত্রে দলীয় নেতৃত্বকে জানাতে হবে। এটাই আমাদের দলের নিয়ম। ঘটনার বিষয়ে বিজেপির জেলা নেতা কল্লোল নন্দন কটাক্ষ করে বলেন, ভাগ বাটোয়ারা নিয়েই ওনাদের অশান্তি বলে শুনেছি।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

Bribery : বিল্ডিংয়ের নকশা পাশ করাতে মোটা টাকা ঘুষ, বর্ধমানে অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

বিল্ডিং-এর নকশা অনুমোদনের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযুক্ত সদস্যা মিতা দাস।এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীসহ তৃণমূলের এক কর্মীও মিতা দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এলাকার তৃণমূল নেত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাস ওই তৃণমূল কর্মীকেই তোলাবাজ আখ্যা দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে বজ্রপাতে মৃত ৩, জখম ৭বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদনের জন্য যারা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিজয় সাঁই। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বামচাঁদাইপুরে তাঁর ওষুধের দোকান। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য ইতামধ্যেই বিজয় সাঁইকে ওই দোকান ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ দিয়েছে। সেইজন্য তিনি তড়িঘড়ি এই দোকানের পিছনে থাকা জায়গায় আইন মেনে দোকানঘর তৈরির নকশা অনুমোদনের আবেদন করেন পঞ্চায়েতে। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর কাছ থেকে প্ল্যান পাশ করাতে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ নেন বৈকন্ঠপুর ২ পঞ্চায়েতের সদস্য মিতা দাস। তার অভিযোগ, আজ অবধি নকশা পাশ হয়নি। এলাকার তৃণমূলকর্মী মোজাম্মেল শাহের অভিযোগ, মিতা দাস এভাবেই ঘুষ নিয়ে থাকেন। তাঁকে টাকা দিয়েই বাড়ি কিংবা দোকান ঘর তৈরির জন্য প্ল্যান নিতে হয়। মিতা দাসকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও করেছেন মোজাম্মেল শাহ।আরও পড়ুনঃ শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাসএই বিষয়ে মিতা দাসকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ মিথ্যা। কোনও প্রমাণ ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে এইসব অভিযোগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, মোজ্জামেল শাহ-ই তোলাবাজ।উনি শিখিয়ে পড়িয়ে এই অভিযোগ করিয়েছেন। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, প্ল্যান পাশ করাতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করাতে হবে। অভিযোগ সত্য প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Flood: রায়নার বানভাসী এলাকা ঘুরে দেখলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী

কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির ছাড়া জলে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বেশকিছু এলাকা বানভাসী হয়েছে। তার জেরে ক্ষয়ক্ষতিও নেহাত কম হয়নি। এখনও কোথাও বসতবাড়ি তো কোথাও চাষ জমি ডুবেছে জলের তলায়। ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার জেলার রায়না ২ ব্লকের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা রায়নার বিধায়ক শম্পা ধাড়া, ব্লকের বিডিও অনিশা যশ, জেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ ও সদস্যরা। মন্ত্রীরা ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবিডিও অনিশা যশ জানিয়েছেন, অতিবৃষ্টির কারণে রায়না ২ ব্লকের ৫ হাজার কৃষকের চাষ জমির ক্ষতি হয়েছে। ২ হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে এখনও জল দাঁড়িয়ে আছে। মৎস্যচাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৭০ টনের কাছাকাছি পুকুরের মাছ ভেসে চলে গিয়েছে। ৩৫ হেক্টর পুকুরের জল ওভার ফ্লো হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে ব্লকের তিনটি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরুই গ্রামপঞ্চায়েত ও উচালন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিডিও তথ্য উল্লেখ করে বলেন, এখনো পর্যন্ত গোটা রায়না ২ ব্লকে ১১টি বসত বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড়বৈনান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাতাসপুর এলাকায় একটি রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উচালন গ্রামপঞ্চায়েতর অন্তর্গত একলক্ষী বাজার সন্নিকটের দেব খাল দিয়ে প্রচুর পরিমাণে জল নিকাশি হওয়ায় বাঁধে ধস নেমেছে। ফলস্বরূপ একটি শ্মশান চুল্লি পুরোপুরিভাবে দেব খালে ভেসে গিয়েছে। একটি কাঠের ব্রিজও সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে গিয়ে দেব খালে তলিয়ে গিয়েছে। বর্ধমান এবং বাঁকুড়ার সঙ্গে সংযোগকারী একটি পাকা সেতুরও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। মন্ত্রীরা এদিন উচালন গ্রামপঞ্চায়েতের একলক্ষ্মী বাজার সংলগ্ন অলি বাজার এলাকার দেব খাল পরিদর্শন করেন।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, এলাকা পরিদর্শন করা হল। রায়না বিধানসভার বিধায়ককে তাঁর বিধায়ক তহবিল থেকে ওই শ্মশানের চুল্লি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে বলা হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Mangalkote: মঙ্গলকোটের তৃণমূল নেতাকে খুনের ঘটনায় সিআইডির জালে কুখ্যাত দুস্কৃতি

একেবারে ফিল্মি কায়দায় তৃণমূল অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনায় জড়িও আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করলো সিআইডি। ধৃতের নাম রফিক সেখ। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের কোটালঘোষ গ্রামে। মঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস খুন হওয়ার পর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল রফিক শেখ। বুধবার রাতে আউসগ্রামের ফতেপুর গ্রাম থেকে সিআইডি ও গুসকরা ফাঁড়ির পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এই নিয়ে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার হল ৩ অভিযুক্ত।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কমঙ্গলকোটের লাখুড়িয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি অসীম দাস গত ১২ জুলাই বাড়ি ফেরার পথে খুন হন। দুস্কৃতিরা খুব কাছ থেকে গুলি করে অসীম দাসকে খুন করে পালায়। ঘটনার পর মৃতের ছেলে সুনন্দ দাস মঙ্গলকোট থানায় এফআইআর দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে পুলিশ ১৪ জুলাই সাবুল সেখ ও সামু সেখ নামে দুজনকে গ্রেফতার করে হেপাজতে নেয়। এর পরেই খুনের ঘটনার তদন্তভার হাতে নেয় সিআইডি। এই দুই ধৃত সহ বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পাশাপাশি বিভিণ্ন সূত্র মাধ্যমে খোঁজ খবর চালান সিআইডির তদন্তকারী অফিসাররা। তদন্তে উঠে আসে কোটালঘোষ গ্রামের কুখ্যাত দুস্কৃতি রফিক শেখের নাম।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনএর পরেই দুস্কৃতি রফিক শেখকে গ্রেপ্তারের জন্য সিআইডির তৎপরতা শুরু হয়। খবর মেলে অঞ্চল সভাপতিকে খুনের ঘটনার পরে আউসগ্রামের ফতেপুর গ্রাম নিবাসী আত্মীয় জালাল শেখের বাড়িতে লুকিয়ে আছে রফিক। গোপন সুত্রে সেই খবর পেয়ে সিআইডি দল বুধবার রাতে সেখানে হানা দেয়। গ্রেপ্তারির হাত থেকে বাঁচতে আত্মীয়ের বাড়ির পাশের তিনটি বাড়ির ছাদ টপকে রফিক পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু আগে থেকেই রফিকের মতলব আন্দাজ করে সিআইডি ও গুসকরা ফাঁড়ির পুলিশ বাহিনী ওই বাড়ির চারিদিক ঘিরে রেখেছিল। তা সত্ত্বেও ওই আত্মীয়ের বাড়ির অনতিদূরে থাকা একটি পুকুরের কচুরিপানার আড়ালে সে লুকিয়ে পড়ে। পুলিশ ও সিআইডি সেখান থেকে তাকে পাকড়াও করে। ধৃত রফিক শেখকে বৃহস্পতিবার কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করে সিআইডির তদন্তকারী অফিসার তাঁকে নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতর ৭ দিন সিআইডি হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় ধৃত রফিক শেখ সুপারি কিলার ছিল কিনা সেটাই এখন খতিয়ে দেখতে চাইছে সিআইডি।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

Party Office: বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের জয়জয়কার, ’র‍্যাঙ্ক ডিমোশন' জামালপুর ব্লক তৃণমূল কার্যালয়ের

বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় অভাবনীয় জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃতীয়বারের জন্য বাংলায় সরকার গঠন করার পর এখন তৃণমূল কংগ্রেসের লক্ষ্য ত্রিপুরা জয়। দলের এমন সাফল্যের মাঝেও র্যাঙ্ক ডিমোশন হল তৃণমূলের পার্টি অফিসের। শুধু র্যাঙ্ক ডিমোশন-ই নয়, বদল ঘটেছে পার্টি অফিসের কর্তৃত্বকরীদেরও। বিধানসভা ভোটের আগে যা ছিল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় ভোটের পর তার র্যাঙ্ক ডিমোশন হয়েছে জামালপুর ২ তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়-এ। অর্থাৎ জামালপুর ২ অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের সৌজন্যেই ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের এই র্যাঙ্ক ডিমোশন বলে দাবি করেছেন ব্লকের একাংশ তৃণমূল নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালবাম আমলে জামালপুর তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক পার্টি অফিস বলে কিছু তেমন ছিল না। বর্তমান ব্লক তৃণমূলের সভাপতি মেহেমুদ খান পুলমাথা সংলগ্ন এলাকায় থাকা তাঁর বস্ত্র প্রতিষ্ঠানে বসেই তখন দলের কাজকর্ম চালাতেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের অন্যান্য বিধানসভার পাশাপাশি জামালপুর বিধানসভাতেও ঘাসফুল ফোটে। বিধায়ক নির্বাচিত হন উজ্জ্বল প্রামাণিক। এরপর ২০১৪ সালে জামালপুর বাস স্ট্যান্ডের গায়ে থাকা জায়গায় গড়ে তোলা হয় দ্বিতল তৃণমূলের একটি পার্টি অফিস। তখন থেকেই ওই পার্টি অফিসের দেওয়ালে বড় বড় অক্ষরে লেখা ছিল জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়। বিধায়ক উজ্জ্বল প্রামাণিক সহ ব্লক তৃণমূলের তদানিন্তন সভাপতি অরবিন্দ ভট্টাচার্য ও বিধায়ক ঘনিষ্ট অন্য তৃণমূলের নেতা, কর্মীরা সেখানে বসেই দলের কাজকর্ম চালাতেন। অন্যদিকে একই সময়কালের মধ্যে পুলমাথা সংলগ্ন এলাকায় দলের নামে থাকা জমিতে পার্টি অফিস গড়ে ফেলেন তৃণমূল নেতা মেহেমুদ খান। সেখানে বসেই আজও তিনি দলের কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।আরও পড়ুনঃ কিশোর কুমারের জন্মদিনে নতুন চমক আনছেন পুত্র অমিতউজ্জ্বল প্রামাণিক বিধায়ক হওয়ার কয়েক বছর পর থেকে তাঁর সঙ্গে মেহেমুদ খানের সম্পর্কে টানাপড়েন শুর হয়। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দ্বন্দ্বও বাড়ে। যার পরিণামে ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে জামালপুর বিধানসভা আসনে পরাজিত হন উজ্জ্বলবাবু। জয়ী হন বাম প্রার্থী সমর হাজরা। এরপর ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে দল অরবিন্দ ভট্টাচার্যকে সরিয়ে জামালপুরের জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি শ্রীমন্ত রায়কে ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি করে। দল এবার উজ্জ্বল প্রামাণিককে আর জামালপুর বিধানসভার প্রার্থী করেনি। পরিবর্তে গলসির বিধায়ক অলোক মাঝিকে জামালপুর বিধানসভার প্রার্থী করে দল। তার পরেই শ্রীমন্ত রায়কে ব্লক তৃণমূলের সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়ে দল মেহেমুদ খানকে সভাপতি করে দেয়। মেহেমুদ খানের সাংগঠনিক শক্তিতে ভর করে অলোক মাঝি বিধায়ক নির্বাচিত হন।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাএর কিছুদিন পরেই র্যাঙ্ক ডিমোশন ঘটে যায় উজ্জ্বল প্রামাণিকের সাধের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের। ওই কার্যালয়ের দেওয়ালে লেখা থাকা ব্লক শব্দটি মুছে দিয়ে সেখানে ২ লিখে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয় এখন জামালপুর ২ অঞ্চল তৃণমূলের কার্যালয়ের রূপ পেয়েছে। পাশাপাশি বদল ঘটেছে ওই তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়ের কর্তৃত্বকারীদেরও।আরও পড়ুনঃ প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে দুটি অলিম্পিক পদক, ইতিহাসে পিভি সিন্ধুএই বিষয়ে ব্লক তৃণমূলের পূর্বতন সভাপতি শ্রীমন্ত রায় কারও নাম মুখে না এনে জানান, ভোটের ফল বের হওয়ার কয়েকদিন পর দলেরই একাংশ তাঁদের পার্টি অফিসের দখল নিয়েছে। অন্যদিকে জামালপুরের শুড়েকালনার জেলা তৃণমূল নেতা প্রদীপ পাল এই ঘটনার জন্য সরাসরি ব্লক তৃণমূলের বর্তমান সভাপতি মেহেমুদ খান ও যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিককে দায়ী করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষনার পর মেহেমূদ খান ও ভূতনাথ মালিক দলবল নিয়ে তাঁদের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসে কার্যালয়ের দখল নেয়। তারপর দেওয়ালের লেখা মুছে দিয়ে জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস কার্যালয়কে জামালপুর ২ অঞ্চল অফিসে পরিণত করা হয়েছে। প্রদীপ পাল জানান, ঘটনা সবিস্তার লিখে তাঁরা মুখ্যমন্ত্রী সহ জেলা ও রাজ্য তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন। দল এই বিষয়ে যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেবে। যদিও জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মেহেমুদ খান ও যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক দাবি করেছেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে আমাদের নামে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। ওই পার্টি অফিসে আমরা যাই না। ওখানে কি হচ্ছে না হচ্ছে সেই বিষয়ে ওয়াকিবহালও নই। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, কি ঘটনা ঘটেছে তা জানা নেই। খোঁজ খবর নিয়ে জেনে তার পর মন্তব্য করব।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজ্য

Indecent Dance: মেমারিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিলে 'অশালীন' নাচ-গান, সরব বিজেপির রাজ্য নেত্রী

তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় মিছিল রবিবার অনুষ্ঠিত হয় পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দলুইবাজারে। সেই বিজয় মিছিলের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রশাসনের উদ্দেশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। অশালীনতার দৃশ্য ধরা পড়া ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেড়ে অগ্নিমিত্রার দাবি, বিজয় মিছিলটি হয়েছিল পূর্ব বর্ধমানের মেমারির দলুইবাজার ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের সেখপুর এলাকায়। পাশাপাশি তিনি এও দাবি করেছেন, এই রাজ্যে দুরকমের আইন। তৃণমূলের জন্য এক রকম। বাদবাকি জনগনের জন্য অন্যরকম। তৃণমূলের বিজয় মিছিলে থাকা লোকজনের মুখে মাস্ক না থাকা নিয়েও তিনি প্রশাসনকে কটাক্ষ করেছেন।একই সঙ্গে অগ্নিমিত্রা দাবি করেছেন, এগিয়ে বাংলা। গানের তালে নাচ, তৃণমূলী সংস্কৃতি।অভিযোগ, বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে মেমারির দলুইবাজার ১ পঞ্চায়েত এলাকার তৃণমূলের কর্মীরা রবিবার বিজয় মিছিল করে। রীতিমত মাইক লাগিয়ে তারস্বরে ব্যাঞ্জো বাজিয়ে সেই বিজয় মিছিল হয়। সবুজ আবিরে মাখামাখি হয়ে ওই বিজয় মিছিলে নাচানাচিতে সামিল হন দলের মহিলা ও পুরুষ কর্মীরা। বিজয় মিছিলের নামে নাচা-গানা সহযোগে অশালীন মিছিল করার অভিযোগ ওঠে এলাকার শাসকদলের লোকজনের বিরুদ্ধে। যে নাচ নিয়ে এলাকার অনেকে লজ্জায় মুখ লুকোতেও বাধ্য হন বলে এলাকা সৃত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারবিধিনিষেধ উপেক্ষা করে বিজয় মিছিলের নামে এমন অশালীনতা নিয়ে ঘটনার দিন থেকেই সরব হন এলাকার বিরোধীরা। বিরেধী নেতৃত্বের অভিযোগে, কোভিডের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে এই রাজ্যে রেল চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সাধারণ জনগনের মুখে মাস্ক না থাকলে পুলিশ পদক্ষেপ করছে। অথচ শাসক দলের বিজয় মিছিলে সবেরই ছাড়। সেখানে সচেতনতা, দূরত্ববিধির কোন কিছুর বালাই ছিল না। তার উপর বিজয় মিছিলে থাকা মহিলা ও পুরুষরা তৃতীয় শ্রেণীর চটুল গানে বিভোর হয়ে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে গোটা রাস্তা নেচে বেড়ালেন। সব জেনেও শাসক দলের বিজয় মিছিল বলে প্রশাসন নিরবই থেকে গিয়েছে বলে অভিযোগ মেমারির বিরোধী শিবিরের।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনজেলা বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এই প্রসঙ্গে বলেন, তৃণমূলের নেতারা এখন বলেছেন এগিয়ে বাংলা। তাই যা হবার সেটাই হচ্ছে। রাজ্যবাসীকে এরকম আরও অনেক কিছু এখনও দেখতে হবে । যদিও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপত্র প্রসেনজিৎ দাসের সাফাই, বিজয় মিছিল হয়েছে করোনা বিধি মেনেই। সরকারি নির্দেশিকাকে মান্যতা দিয়েই সব কিছু হয়েছে।

জুলাই ২৬, ২০২১
রাজ্য

Memari: মেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে ২১জুলাই পালন

তৃতীয়বার বাংলা বিজয়ের পর ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালন করার কথা ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের। করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরের মতো এবারও ভার্চুয়ালি পালন করা হয় শহিদ দিবস। ভার্চুয়াল বক্তব্যে দিল্লি জয়ে বিরোধীদের সার্বিক জোটের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় বড় এলইডি স্ক্রিণের মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর ভাষণ। সেখানেই ভিড় জমিয়েছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।আরও পড়ুনঃ শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবসেই পদ্মশিবিরে বড়সড় ভাঙন, জামালপুরে যোগ তৃণমূলেমেমারী শহর তৃণমূল যুব কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভার্চুয়াল বক্তব্য সম্প্রচারের ব্যবস্থা করে। সেখানে শহরের যুব নেতৃত্ব হাজির ছিলেন। এদিন দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। নেতৃত্ব শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ অর্পণ করেন। মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরা জানান, ২১ জুলাই উপলক্ষ্যে মেমারী বামুনপাড়া মোড়ে শতাধিক বাচ্চাকে দুধ, বিস্কুট প্রদান করা হয়েছে। তৃণমুল কংগ্রেসের চোটখণ্ড গ্রাম কমিটির সহ-সভাপতি পল্লব সিংহরায় জনতার কথাকে জানান, মেমারী শহর যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি সৌরভ সাঁতরার উদ্যোগে দুঃস্থ ও কর্মহীন অসহায় মানুষদের কম্যুনিটি-কিচেন তাঁরা চালিয়ে যাচ্ছেন। যুব তৃণমূলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে মেমারীবাসী।

জুলাই ২২, ২০২১
দেশ

TMC Mamata: দিল্লি অভিযানে মমতার নতুন স্লেগান

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রায় এক বছর আগে জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছিল তৃণমূল। পুরো নির্বাচনী প্রচারে এই স্লোগান দিয়েছে তৃণমূল শিবির। দিল্লি অভিযানের ডাক দিয়ে ২১ জুলাই শহিদ দিবসে তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে নতুন স্লোগান। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে জয় হিন্দুস্থান স্লোগান। বাংলা ছাড়িয়ে জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে নতুন করে ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে নতুন স্লোগান বেঁধে দিলেন মমতা।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য বাড়লেও দেশে করোনা সংক্রমণে স্বস্তিএবারও করোনা আবহে ২১ জুলাই শহিদ স্মরণের অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বক্তব্য শুরু করলেন জয় হিন্দ, বন্দেমাতরম, জয় বাংলা, জয় হিন্দুস্থান ধ্বনি দিয়ে। ভাষণের শেষেও ছিল জয় হিন্দুস্থান ধ্বনি। একেবারে নতুন ধ্বনির স্লোগান দিয়েই মোদীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেমেছেন মমতা। তিন বার টানা বাংলা দখল সম্পূর্ণ করে এবার তাঁর নজর দিল্লির মসনদ। বিজেপি বিরোধী শক্তিকে এক জোটে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ফোন ট্যাপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান মমতাপ্রথম থেকেই জয় বাংলা স্লোগান নিয়ে টানা প্রবল বিরোধিতা করে বিজেপি। গেরুয়া শিবির দাবি তোলে এটা বাংলাদেশের স্লোগান। বাংলাদেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে জুড়তে চাইছে তৃণমূল, তাই এই স্লোগান। এমনই দাবি ছিল বিজেপির। যদিও এই স্লোগান বিরোধী কোনও মন্তব্যকে পাত্তা দেয়নি তৃণমূল। প্রতিটি জনসভায় জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এবার ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে দেশব্যাপী লড়াইয়ে জয় হিন্দুস্থান ধ্বনিকে সঙ্গী করেই এগোতে চাইছে ঘাসফুল শিবির। শহিদ দিবসে সেই সুর বেঁধে দিলেন তৃণমূলনেত্রী।

জুলাই ২২, ২০২১
রাজ্য

21st July: ২১ জুলাই এবার শহিদ স্মরণে বঙ্গ বিজেপি-ও

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ের পর ব্রিগেডে ২১ জুলাই বিজয় দিবস পালন করার ডাক দিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে ভার্চুয়ালি কর্মসূচি নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ২১ জুলাই শহিদ স্মরণ করবে বিজেপিও। একদিকে দিল্লির রাজঘাটে ধরনায় বসবেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষসহ অন্য সাংসদরা। অন্যদিকে রাজ্যব্যাপী শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি পালন করবে বিজেপি।এদিন বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য্য বলেন, গত পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত মোট ১২৪ জন বিজেপি কর্মী খুন হযেছেন। তারপর ২ মে থেকে এখনও পর্যন্ত আরও ৩৮ জন খুন হয়েছেন। এখনও বহু মানুষ ঘরছাড়া। মুখ্যমন্ত্রী পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ নেওয়ার পর থেকে ৩০ জন খুন হয়েছেন। গতকাল রায়গঞ্জের বিজেপি কর্মী দেবেন বর্মনকে খুন করা হযেছে। মানুষকে ভীত সন্ত্রস্ত করার জন্য খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে।২১ জুলাই যুব কংগ্রেসের মিছিলের ওপর গুলি চালিয়েছিল বামফ্রণ্ট সরকার। ওই দিনটা তৃণমূল কংগ্রেস শহিদ দিবস হিসাবে পালন করে থাকে। এবার একই দিনে শহিদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাবে বিজেপি নেতৃত্ব। শমীক ভট্টাচার্য্য বলেন, শহিদ স্মরণে ২১ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টার সময় রাজঘাটে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে ধরনায় বসবেন সাংসদরা। এদিকে হেস্টিংস অফিস, 6, মুরলিধর সেন অফিস ও রাজ্যের সর্বত্র আমরা শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন করব। হেস্টিংসে রাজ্য নেতৃত্ব বক্তব্য রাখবেন। রাজ্যের সমস্ত জেলা, মন্ডল অফিস ও বুথে ভার্চুয়ালি সকলকে এক জাযগায় নিয়ে আসার চেষ্টা করব। ফেসবুক ও ইউটিউবের মধ্যমে সারা দেশে ও সারা বিশ্বের বাঙালীর কাছে এরাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

জুলাই ২০, ২০২১
রাজ্য

Attempt Murder: বিজেপি করায় দম্পতিকে মারধর করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের

বিজেপি করার অপরাধে এক দম্পতিকে মারধর করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ উঠলো শাসক দলের লোকজনের বিরুদ্ধে। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার পিন্ডিরা পঞ্চায়েতের কৈগড়িয়া গ্রামে। মারধরের বিষয়ে আক্রান্ত বিজেপি কর্মী স্বপন দাস কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। কালনার তৃণমূল নেতৃত্ব যদিও ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে।আরও পড়ুনঃ ছাদ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু, আত্মহত্যা না দুর্ঘটনা?পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা গিয়েছে, স্বপন দাস কালনা ২ ব্লকের কৈগড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।স্বপনবাবু পুলিশকে জানিয়েছেন, তিনি বিজেপি পার্টি করেন। সেই কারণে রবিবার সকালে তিনি যখন কাজে যাচ্ছিলেন তখন তৃণমূলের ৬ জন তাঁর উপরে হামলা চালায়। স্বপনবাবু দাবি করেছেন, তাঁকে খুন করার উদ্দেশ্যেই লোহার রড, বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা। সেই সময়ে তাঁর স্ত্রী বাঁধা দিতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। স্বপনবাবুর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রীকে অর্ধনগ্ন করা হয়।এরপর তাঁদের পুড়িয়ে মারার জন্য কেরোসিন তেল নিয়ে আসে তৃণমূলের দুস্কৃতিরা। বাঁচার জন্য তাঁরা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন।আরও পড়ুনঃ শ্রীময়ীর পোস্ট নিয়ে ধোঁয়াশাবিজেপির পূর্ব বর্ধমান কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ বলেন, রাজ্য জুড়েই তৃণমূল সন্ত্রাস জারি রেখেছে। ওদের মন্ত্রীও এখন সেই সন্ত্রাসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, স্বপন দাস ও তাঁর স্ত্রীকে মারধরের বিষয়ে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে জানানো হবে। বিজেপি কর্মীর এই অভিযোগ প্রসঙ্গে কালনা ২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি প্রণব রায় বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই এইসব অসত্য অভিযোগ আনা হচ্ছে।

জুলাই ১৯, ২০২১
রাজ্য

Human Skulls: বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ, মিললো মানুষের মাথার আস্ত খুলি

বৃক্ষরোপণ করতে গিয়ে চক্ষু তো প্রায় চড়কগাছ। সেখানে মিললো মানুষের মাথার আস্ত খুলি। শুক্রবার বিকেলে হাওড়ার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে। সেইসময় তৃণমূল কর্মীদেরই প্রথমে নজরে আসে বিষয়টি। পাওয়া যায় মানুষের আস্ত একটা খুলি।খবর রটে যেতেই দালালপুকুর সংলগ্ন ওই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। লোকজন ছুটে আসেন। তৃণমূলের কর্মীরাই চ্যাটার্জিহাট থানায় খবর দেয়। এরপর পুলিশ আসে। খুলিটি পুলিশ উদ্ধার করে। এরপর আশপাশের এলাকায় তল্লাশি শুরু হয়। শরীরের আর কোনও অংশ পাওয়া যায় কিনা তা তল্লাশি করে দেখা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এরপর একটি ব্যাগের মধ্য থেকে উদ্ধার হয় পচাগলা কিছু অংশ। যদিও পুলিশের দাবি, শুধু একটা মানুষের মাথার খুলি উদ্ধার হয়েছে। আর বাকি কিছু পাওয়া যায়নি। তবে ওই জনবহুল এলাকায় মানুষের মাথার খুলি কিভাবে এলো তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। খুলিটি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।

জুলাই ১৭, ২০২১
রাজ্য

Mongalkote: মঙ্গলকোটে শুটআউট -নিহত তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গুলি করে খুন। বাইক দাঁড় করিয়ে কাছ থেকে গুলি চালিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। মৃত ব্যক্তির নাম অসীম দাস। পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের সিওর গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি মঙ্গলকোটের লাখুরিয়া অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন। গূলি লাগার পর রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন অসীমবাবু। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।আরও পড়ুনঃ পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ডোঙার সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কেরএদিকে, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গুলি করে মারার ঘটনা জানাজানি হতেই মঙ্গলকোটজুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়েই মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী-সহ অন্য তৃণমূল নেতারা মঙ্গলকোট হাসপাতালে পৌঁছে যান। একইভাবে ঘটনার কথা জানার পর জেলার উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারাও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। দুষ্কৃতীদের খোঁজে পুলিশ পার্শ্ববর্তী জেলার সীমান্তে জোরদার নজরদারি চালানোর পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি চালানো শুরু করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যাণ সিংহ রায় জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ তিন রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত ৬৮, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীরজানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মত এদিন সন্ধ্যায় কাশেমনগর বাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে একাই সিওর গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন অসীম দাস। পথে বাড়ির কাছেই সিওর মোড়ের কাছে কেউ দাদা বলে ডেকে অসীম দাসের মোটরসাইকেল দাঁড় করায়। এরপরেই খুব কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। উত্তেজনা চরমে ওঠায় এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিতৃণমূল নেতা অসীম দাসকে খুনের ঘটনায় বিজেপির যোগসাজোস রয়েছে বলে দাবি করেছেন মঙ্গলকোটের তৃমূলের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী। একই অভিযোগ করে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, ভোটে হেরে যাওয়ার বদলা নিতে মঙ্গলকোটের বিজেপি কর্মীরা এখন সন্ত্রাস ও খুনের রাজত্ব কায়েম করতে চাইছে। খুনিরা কেউ পার পাবেনা বলে দেবু টুডু জানিয়েদেন। মঙ্গলকোট বিধানসভার পর্যবেক্ষক তথা বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন,অসীম দাস দক্ষ সংগঠক ছিলেন। বিজেপির লোকজনই পরিকল্পনা করে তাকে খুন করেছে। মৃতর পরিবারকে সমবেদনা জানাতে বুধবার মঙ্গলকোট যাচ্ছেন বলে অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন। যদিও বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা কমিটির সহ-সভাপতি অনীল দত্ত পাল্টা দাবি করেন, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। তা ধাপাচাপা দিতেই তৃণমূলের নেতারা বিজেপির দিকে আঙুল তুলছে। পুলিশ সঠিক তদন্ত করেলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে বিজেপি নেতা অনিল দত্ত মন্তব্য করেছেন।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজ্য

Petrol Hike: পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির অভিনব প্রতিবাদ, ’ডোঙার' সাহায্যে জল সেচ তৃণমূল বিধায়কের

জ্বালানির আঁচে জ্বলছে গোটা দেশ। ১০০ পেরিয়েছে লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম। ডিজেলের দামও ১০০ ছুঁইছুঁই। জ্বালানির এই অগ্নিমূল্যের প্রভাবে সংকট তীব্র হবে রাজ্যের কৃষিক্ষেত্র। সেচের কাজে পাম্প মেশিন ছেড়ে চাষিদের ফের ডোঙা ব্যবহারেই ফিরতে হবে। সোমবার রথযাত্রার দিন ডোঙায় জল সেচ করে নিজের চাষজমি কর্ষণ কাজের শুভারম্ভ ঘটিয়ে সেই বার্তাই দিলেন বর্ধমান উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক নিশীথ মালিক। বিধায়কের এই বার্তা রাজ্যের শস্যগোলা বলে পরিচিত পূর্ব বর্ধমান জেলার কৃষক মহলকেও ভাবিয়ে তুলেছে। তবে বিধায়কের এদিনের কর্মকাণ্ডকে নাটক বলেই মনে করছেন বিজেপি নেতৃত্ব।বর্ধমান ২ ব্লকের গোবিন্দপুর পঞ্চায়েতের হাটকান্ডা গ্রামে বাড়ি বিধায়ক নিশীথ মালিকের। তাঁর পরিবারের সকলেই কৃষিজীবী। পরিবারের চাষবাস বিধায়ক নিজেই দেখেন । বরাবরই জমিতে নেমে চাষ-আবাদের কাজ তিনি নিজেই তদারকি করেন ।প্রতিবছরের মতো এবছরও রথযাত্রা উৎসবের দিন বিধায়ক নিশীথ মালিক তাঁদের পারিবাবিক চাষ জমির কর্ষণ কাজ শুরু করেন । এদিন বাড়িতে থাকা সাবেকি আমলের ডোঙা কাঁধে নিয়েই বিধায়ক জমির উদ্দেশ্যে রওনা নেন । বহুকাল পর ডোঙা নিয়ে নিশীথ মালিককে চাষের জমির দিকে যেতে দেখে এলাকার অন্য চাষিরা কার্যত তাজ্জব বনে যান । ডোঙা নিয়ে জমিতে পৌছে বিধায়ক নিশীথ মালিক প্রথমে ডোঙার সাহায্যে তাঁদের ধান জমিতে জল সেচ করেন। এর পরেই শুরু হয় তাঁর জমির কর্ষণ কাজ। কর্ষণ কাজ পুরোপুরি শেষ হবার পর জমিতে আউশ ধান রোয়ার কাজ শুরু হবে।বেশ কয়েক বছর ধরে পাম্প মেশিনের সাহায্যে জমিতে জল সেচ করে চাষাবাদের কাজ করে আসছেন নিশীথ মালিক ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাম্প মেশিন ছেড়ে বাবা ঠাকুরদার আমলের ডোঙা নিয়ে জমিতে কেন জল সেচ করতে হল? এই প্রশ্নের উত্তরে বিধায়ক নিশীথ মালিক বলেন, দেশে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাস এখন অগ্নিমূল্য। পেট্রোলের লিটার প্রতি মূল্য ১০০ পার হবার পর এখন ডিজেলও ১০০ ছুঁইছুঁই । অগ্নিমূল্য জ্বালানি তেল পাম্প মেশিনে ভরে জল সেচ করে ধান চাষ করতে গেলে চাষের খরচ বহুগুণ বেড়ে যাবে। খরচ বেড়ে গেলে চাষিরা চাষ করেও লাভের মুখ দেখতে পাবেন না। নিশীথ বলেন, পেট্রোপণ্যের এমন মূল্য বৃদ্ধির কারণে তিনি বাবা ঠাকুরদার আমলে সেচের কাজে ব্যবহৃত ডোঙা দিয়েই তাই জমিতে সেচের কাজ সারলেন ।একই সঙ্গে তিনি জেলার কৃষিজীবী মহলকে এই বার্তাও দিলেন, কেন্দ্রে মোদি সরকারের দৌলতে পেট্রোল, ডিজেলের দাম এখন যে জায়গায় পৌঁছেছে তাতে সবাইকেই এবার সেই ডোঙা নিয়েই চাষের কাজে ফিরতে হবে । ডোঙা নিয়ে জমিতে জল সেচ করাটা একপ্রকার তাঁর পেট্রৌপণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদ বলেও এদিন বিধায়ক নিশীথ মালিক মন্তব্য করেন। তৃণমূল বিধায়কের এমন প্রতিবাদকে নাটক বলে বলে কটাক্ষ করেছেন জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি প্রবাল রায়। তিনি দাবি করেন, দেশের কৃষকদের স্বার্থের কথা কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার ভাবে বলেই কৃষকদের অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠাচ্ছেন। কৃষকদের প্রতি দরদ থাকলে নাটক, প্রতিবাদ ছেড়ে এই রাজ্যের সরকার নিজেদের অংশের কর কমাচ্ছেন না কেন? পাল্টা সেই প্রশ্ন রেখেছেন জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজ্য

Nischinda: মহিলাকে কটুক্তির প্রতিবাদ করায় পঞ্চায়েত সদস্যাকে মারধরের অভিযোগ নিশ্চিন্দায়

প্রতিবাদীকে মারধর করার অভিযোগে উত্তেজনা নিশ্চিন্দায়। শনিবার রাতে এক গৃহবধুকে মদ্যপ অবস্থায় কটুক্তি করেছিল কয়েকজন দুষ্কৃতী। সেই ঘটনার প্রতিবাদ করেন তৃণমূলের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা। তার জেরেই রবিবার সকালে ওই দুষ্কৃতীরা এসে নিশ্চিন্দার সাঁপুইপাড়া পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্যা রূপা মন্ডলকে বেধড়ক মারধর করে। বাদ যাননি তাঁর স্বামী মনোজ মন্ডলও। চারটি দোকান ভাঙচুর করা হয়। পঞ্চায়েত সদস্যা নিশ্চিন্দা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। রবিবার সকালে ঘটনাটি ঘটে হাওড়ার নিশ্চিন্দার পূর্ব আনন্দনগরে।রবিবার ওই পঞ্চায়েত সদস্যা অভিযোগ করেন, কিছু ছেলে মদ খেয়ে শনিবার রাতে পাড়ার এক মহিলাকে কটুক্তি করছিলো। আমি তার প্রতিবাদ করেছিলাম। তখনকার মতো ছেলেগুলি চলে গেলেও রবিবার সকালে আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এসে ওরা আমার উপর চড়াও হয়। আমার স্বামী বাধা দিতে গেলে ওকেও মারধর করে। দোকান ভাঙচুর করে। খুনের হুমকি দেয়। ওরা সব চকপাড়া এলাকার ছেলে। এই ঘটনার খবর পেয়ে এদিন সেখানে ছুটে যান ডোমজুড়ের তৃণমূল বিধায়ক কল্যান ঘোষ। তিনি বলেন, দুষ্কৃতীদের কোন দল হয় না। এই দূষ্কৃতিদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। এলাকায় কোনওভাবেই দুষ্কৃতীরাজ বরদাস্ত করা হবে না। এই ঘটনার পরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

জুলাই ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোয় পশ্চিম মেদিনীপুরে কড়া পাহারা! ৫০০ কনস্টেবল, ১৫৯টি বাইক টিম, বিপদে সাহায্য করবে কিউআর কোড

দুর্গাপুজোয় নিরাপত্তা জোরদার করতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। পুজোর ভিড়ে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাতভর চলবে নজরদারি। দায়িত্বে থাকবেন ২০ জন পুলিশ আধিকারিক। মোতায়েন করা হবে ৫০০ কনস্টেবল। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিতে থাকবে র্যাফ। মহিলাদের নিরাপত্তায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তৃতীয়া থেকেই জেলায় মোতায়েন করা হবে দুর্গাবাহিনী। বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও।পুজোর ভিড়ে কোনও দর্শনার্থী বিপদে পড়লে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দিতে বিশেষ কিউআর কোড চালু করেছে জেলা পুলিশ। সেই কোড স্ক্যান করলেই সংশ্লিষ্ট এলাকার পুলিশের সহায়তা নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্স, হাসপাতাল-সহ জরুরি তথ্য পাওয়া যাবে। পুজোর মণ্ডপগুলিতে নিরাপত্তার ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে শনিবার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম ঘোষ-সহ অন্য আধিকারিকেরা।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলাদের সুবিধার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে রাখা হবে শৌচালয়। পাশাপাশি, ছোট শিশুদের মায়েদের জন্য থাকবে শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আলাদা জায়গা। পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একাধিক ব্যবস্থা করা হচ্ছে।মহালয়ার দিনই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তরফে পুজোর গাইডম্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। দেবীপক্ষের শুরুতে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৯টি নতুন ট্র্যাফিক কিয়স্কের। পুজোর রাতে টহল দেবে ১৫৯টি মোটরবাইক টিম। দর্শনার্থীদের সাহায্যের জন্য থাকবে ৬৫টি সহায়তা বুথ। এ ছাড়া ৪৩টি জায়গায় চলবে নাকা চেকিং।পুজোর সময়ে সাইবার অপরাধ রুখতেও বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে পুলিশ। সে জন্য ৪৪টি সাইবার ওয়ালের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। পুজোর ভিড়ে চুরি, ছিনতাই এবং অনলাইন প্রতারণার মতো ঘটনা ঠেকাতে নজরদারি চালানো হবে।পঞ্চমী থেকেই খড়্গপুর ও মেদিনীপুর শহরে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হবে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুপুর ৩টের পর শহরে বড় গাড়ি ঢুকতে দেওয়া হবে না। পুজোর ভিড় সামলাতে এবং যানজট এড়াতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, নেশার ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে পুজোর সময় প্রচার চালাবে পুলিশ।সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপ করছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ। রাতভর টহল, নাকা চেকিং, বিশেষ মহিলা বাহিনী এবং জরুরি সাহায্যের জন্য কিউআর কোডএই সব ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর ভিড় সামলানোর প্রস্তুতি চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

বাড়িতে হামলার পর পোস্ট, তার পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি! ‘হিন্দুত্ববাদী’ শব্দ নিয়ে কী বললেন বিকাশ?

হিন্দুত্ববাদী শব্দ সরাবেন না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরও নিজের অবস্থানে অনড় সিপিএম নেতা তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। উল্টে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। বিকাশের প্রশ্ন, তাঁর পোস্ট থেকে কোনও শব্দ সরানোর নির্দেশ দেওয়ার অধিকার মুখ্যমন্ত্রীকে কে দিয়েছেন?একটি সংবাদমাধ্যমের তরফে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, মুখ্যমন্ত্রী কি তাঁকে পোস্ট সংশোধন করতে বলেছেন? উত্তরে বিকাশ বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে এই অধিকার কে দিয়েছে, আমি জানতে চাই। আগে মুখ্যমন্ত্রী অধিকারের পক্ষে যুক্তি হাজির করুন।এর পরেই রাজ্যের শাসকদলকে নিশানা করেন তিনি। বিকাশের অভিযোগ, হুঁশিয়ারি ও গুণ্ডামির ভরসাতেই তাদের রাজনৈতিক জীবন চলছে। তাঁর কথায়, সাংবিধানিক বোধ তৈরি হলে ভাষা বদলাবে। তবে তত দিনে তারা ক্ষমতায় থাকতে পারবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্বের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে বলেও দাবি করেন বিকাশ। তাঁর বক্তব্য, হিন্দু ধর্ম ও হিন্দুত্ব এক নয়, বরং পরস্পরবিরোধী। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদ হিন্দু ধর্মকেই ধ্বংস করছে। যাঁরা প্রকৃত অর্থে হিন্দু, তাঁদের সঙ্গে হিন্দুত্ববাদের সম্পর্ক থাকতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গত বৃহস্পতিবার মুখ ঢাকা অবস্থায় বাইকে চড়ে এক ব্যক্তি বিকাশের বাড়িতে হামলা চালান বলে অভিযোগ। সিসিটিভি ফুটেজে ওই ব্যক্তিকে গালিগালাজ করতে এবং বাড়ি লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন বিকাশ। সেখানে হামলাকারীদের হিন্দুত্ববাদী গুন্ডা বলে উল্লেখ করেন তিনি।এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নির্দেশ দেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিকাশকে পোস্ট থেকে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি সরাতে হবে। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও পোস্ট সংশোধন করেননি বিকাশ। কেন তিনি শব্দটি সরাবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।বিকাশের কথায়, অপরাধ করবে ওরা, আর আমি কেন ডিলিট করব? তাঁর দাবি, হিন্দুত্ববাদ আসলে এক ধরনের গুন্ডামির তত্ত্ব। অন্য দিকে, হিন্দু ধর্মের মূল ভাবনার সঙ্গে বহুত্ববাদ ও সকলকে গ্রহণ করার বিষয়টি জড়িত। তাঁর মতে, হিন্দুত্ববাদের সঙ্গে প্রকৃত হিন্দু ধর্মের বিরোধ রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে বিকাশ বলেন, গুন্ডামি ছাড়া যে কোনও পথে ব্যবস্থা নিক। সমাজমাধ্যমে বিজেপির সমর্থকদের ভাষা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে, তা সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়।বিকাশ আরও দাবি করেন, তাঁর তোলা প্রশ্নগুলির কোনও জবাব দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর যুক্তির সঙ্গে মেলে, এমন বক্তব্য রাখছেন কিছু হিন্দু সন্ন্যাসীও। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেও কুৎসা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলে দাবি করেছেন বিকাশ। তাঁর প্রশ্ন, ওই ব্যক্তি যে ভাষায় কথা বলছেন, তা কি বিজেপির ভাষা? তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
বিদেশ

একের পর এক বিপর্যয় নেপালে, ফের হড়পা বান! নদীর জল দেখে উঁচু জায়গায় ছুটলেন বাসিন্দারা

ফের হড়পা বানে বিপর্যস্ত নেপাল। রবিবার সকালে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকাই জলস্তর বেড়ে যায়। তার পরেই পাথর ও কাদামিশ্রিত প্রবল স্রোত আছড়ে পড়ে নদীর আশপাশের এলাকায়। সেই স্রোতে ভেসে যায় একাধিক বাড়িঘর ও সেতু। আচমকা জল বাড়তে দেখে প্রাণ বাঁচাতে উঁচু জায়গায় আশ্রয় নেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা।প্রকাশ্যে আসা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, প্রবল গতিতে এগিয়ে আসছে জলরাশি। মুহূর্তের মধ্যে সেই স্রোতে ভেসে যাচ্ছে বাড়িঘর। শুধু বাড়ি নয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে একাধিক সেতুও। জানা গিয়েছে, নেপালের গোরখা অঞ্চলের পাহাড় থেকে এই হড়পা বান নেমেছে। তবে কী কারণে আচমকা এই বিপর্যয় ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ভারী বৃষ্টির জেরে এই বান এসেছে কি না, তা-ও নিশ্চিত ভাবে জানা যায়নি।রবিবার সকালে নেপালের জাতীয় বিপর্যয় ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে বুড়ি গণ্ডকী নদীতে হড়পা বানের আশঙ্কার কথা জানানো হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত প্লাবিত এলাকায় না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, নদীর আশপাশের বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতির কিছু ছবিও প্রকাশ করেছে নেপাল কর্তৃপক্ষ।গত ২৬ অগস্ট নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানে বিস্তীর্ণ এলাকা তছনছ হয়ে গিয়েছিল। ত্রিশূলী ও ভোতেকোশী নদীর স্রোতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বহু বাড়ি, অফিস, সেতু ও দোকান ভেঙে পড়ে। সেই বিপর্যয়ে মৃত ও নিখোঁজের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছিল। প্রশাসনের তরফে ক্ষয়ক্ষতির সম্পূর্ণ হিসাব এখনও পাওয়া যায়নি বলে খবর। তিব্বতেও ওই দুর্যোগে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর এসেছিল। পাশাপাশি, ভারতীয় ও বিদেশি নাগরিকদের নিখোঁজ হওয়ার খবরও সামনে এসেছিল।আগের বিপর্যয়ের ক্ষত এখনও পুরোপুরি সামলে ওঠেনি নেপাল। তার মধ্যেই ফের হড়পা বানের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কেন বুড়ি গণ্ডকী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গেল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং হতাহতের কোনও খবর রয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

বিমানের ভিতর থেকেই আটক, তার পর ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে মুক্তি! অভিজিৎ, সৌরভ, আশুতোষকে নিয়ে কী ঘটল?

দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে আটক হওয়া তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের ছাড়া হয়। তবে আগামী এক বছর শান্তি বজায় রাখার শর্ত দেওয়া হয়েছে।রবিবার সকালে তিন নেতাকে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয়। তাঁদের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার। নেতাদের আটক করার কারণ নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। শুনানির পর ম্যাজিস্ট্রেট তাঁদের ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন।সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল। এই কর্মসূচিকে ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় তিন নেতাকে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান রত্না সিংও ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে উপস্থিত ছিলেন।রবিবার সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করে রত্না সিং জানান, অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে সকাল ৯টায় দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় কার্যনির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হবে বলে পুলিশ তাঁকে জানিয়েছে। সিজেপির আইনি প্রধান হিসেবে তিনি আইনজীবীদের সঙ্গে থানায় উপস্থিত থাকবেন বলেও জানিয়েছিলেন।শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন ওই তিন নেতা। কিন্তু দিল্লিতে পৌঁছেও তাঁরা বিমানবন্দরের বাইরে বেরোতে পারেননি বলে অভিযোগ। বিমান থেকেই তাঁদের আটক করে পুলিশ। রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করার পর তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়।অন্য দিকে, শনিবার সকালে গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠীকেও আটক করা হয়েছিল বলে খবর। সারা রাত তাঁর খোঁজ না মেলার পর রবিবার সকালে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর মুক্তির ক্ষেত্রে শর্ত রয়েছে। তিনি দিল্লির যন্তর মন্তর এলাকার আশপাশে যেতে পারবেন না বলে খবর। এই শর্ত অমান্য করলে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে পারে।সিজেপির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার মধ্যেই একের পর এক আটক ও মুক্তির ঘটনা সামনে এসেছে। তিন নেতার মুক্তির পরেও তাঁদের উপর আরোপিত শর্ত এবং ধ্রুব রাঠীর চলাফেরায় বিধিনিষেধ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘বিদেশি শক্তির খেলনা’, সিজেপি আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের! আরও কী বললেন বিজেপি নেতা?

জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে দিল্লিতে সিজেপির আন্দোলন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। শনিবারের পর রবিবারও পথে নামার ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। এরই মধ্যে আন্দোলনকে কটাক্ষ করে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর অভিযোগ, কিছু মানুষ কাজ না থাকলে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনে বিদেশি অর্থের মদত এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির ভূমিকা রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণের উল্লেখ করেননি তিনি।রবিবার সিজেপির আন্দোলন নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এর আগেও দেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনও কিছু দিন চলতে পারে। তাঁর কথায়, কিছু মানুষের কাছে আন্দোলন যেন একটি ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজ না থাকলে তাঁরা আন্দোলনে নামেন বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি, আন্দোলনকারীরা বিদেশি অর্থ এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির মদতে কাজ করছেন বলে অভিযোগ তোলেন বিজেপি নেতা।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সিজেপি রবিবার ফের যন্তর মন্তর চলো কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। শনিবারের বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনা ছড়ায়। ওই দিন প্রায় তিন হাজার জনকে আটক করা হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। অশান্তির আশঙ্কায় সিজেপির তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপ, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে নামার পর আটক করা হয় বলে জানা যায়। পরে তাঁদের আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আটক করা হয়েছিল বলে খবর সামনে আসে। রবিবার সকালে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এদিকে, যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও সরব হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন অভিযোগ করেছেন, দেশে অস্থির পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে। তাঁর দাবি, দেশের ১৪০ কোটি মানুষকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে দুটি গোষ্ঠী। একটি রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডি জোট এবং অন্যটি অরবিন্দ কেজরীওয়াল ও তাঁর সহযোগী সিজেপি।জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। অন্য দিকে, আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এই অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক আরও বাড়ছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

সিজেপির বিক্ষোভে ধরপাকড় নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগ, ‘অযাচিত হস্তক্ষেপ’ বলে কড়া জবাব ভারতের

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি। সেই বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের ধরপাকড় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। আটক ব্যক্তিদের মুক্তির দাবিও জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংগঠনটি। এ বার তাদের মন্তব্যের কড়া জবাব দিল ভারত। রাষ্ট্রপুঞ্জের উদ্বেগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে নয়াদিল্লি। পাশাপাশি, ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ না করার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।শনিবার রাতে প্রকাশিত বিবৃতিতে ভারত জানিয়েছে, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে সংবিধান অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ ভাবে জমায়েত করা এবং আন্দোলন করার অধিকার সকলের রয়েছে। দেশের বিচারব্যবস্থা স্বাধীন এবং সংবাদমাধ্যমও মুক্ত। তবে অন্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো ভারতেও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে কিছু যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ রয়েছে। সেই নিয়ম মেনেই নাগরিকেরা নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করেন এবং কর্তৃপক্ষ আইন অনুযায়ী কাজ করে। কোনও অভিযোগ উঠলে তা খতিয়ে দেখার জন্য ভারতের আদালত সকলের কাছে উন্মুক্ত বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।দিল্লিতে সিজেপির বিক্ষোভ ঘিরে রাষ্ট্রপুঞ্জের মন্তব্যকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছে নয়াদিল্লি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে পাল্টা বার্তা দিয়েছে ভারত। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নিরপেক্ষতা ও পক্ষপাতহীনতা বজায় রাখার দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে বিশ্বের অন্য জায়গায় হওয়া বড় বড় বিক্ষোভের দিকেও রাষ্ট্রপুঞ্জের নজর দেওয়া উচিত।শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। তার আগেই দিল্লি পুলিশ ধরপাকড় শুরু করে বলে অভিযোগ। মুম্বই থেকে দিল্লিতে আসা সিজেপির নেতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমানবন্দরেই আটক করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এর পর চার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকার-সহ বিরোধী নেতা, আইনজীবী এবং সাংবাদিকদেরও আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় তিন হাজার বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর শনিবার রাতে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, দিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন এবং তার আগে বিক্ষোভকারী, আন্দোলনের নেতা, নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত আইনজীবী ও সাংবাদিকদের গণহারে আটক করার ঘটনায় তারা গভীর ভাবে উদ্বিগ্ন। এই মন্তব্যের পরেই রাষ্ট্রপুঞ্জের বক্তব্যের জবাব দেয় ভারত। বিক্ষোভ ঘিরে ধরপাকড়ের অভিযোগ এবং তার পর আন্তর্জাতিক সংগঠনের সঙ্গে নয়াদিল্লির এই মতবিরোধ নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
দেশ

মেট্রো বন্ধ করা যাবে না, কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের! মঙ্গলবারের মধ্যে রিপোর্ট তলব, আর কী বলল শীর্ষ আদালত?

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই আবেদনের শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকার, দিল্লি পুলিশ এবং মেট্রো কর্তৃপক্ষকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, মেট্রো পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে এ দিন আদালত অবমাননার আবেদনের শুনানি হয়। আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি সলিসিটর জেনারেলের বক্তব্যও শোনে আদালত। তার পরেই ৯ অক্টোবর দেওয়া আগের নির্দেশ কার্যকর করার কথা জানিয়ে দেয় শীর্ষ আদালত।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট সরকারি দফতরগুলিকে জানাতে হবে, আগের নির্দেশ মেনে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবারের মধ্যে এ বিষয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। ৯ অক্টোবরের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে কেন আদালত অবমাননার পদক্ষেপ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে নোটিসও জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে হলফনামা দিয়ে জবাব দিতে হবে।মেট্রো ও ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার উপর বিশেষ জোর দিয়েছে আদালত। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির গুরুতর অবনতি না হলে মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধ করা যাবে না। সাধারণ মানুষের যাতায়াত এবং যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে হবে। সেই সঙ্গে অবিলম্বে ব্যারিকেডের সংখ্যা কমানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।ইন্টারনেট পরিষেবা চালু রাখার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাংবাদিক, আইনজীবী-সহ সাধারণ মানুষ যাতে স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারেন এবং নিজেদের কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে। আইনজীবী ও সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বেআইনিভাবে আটক করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের চলাচল আইন মেনে স্বাভাবিক রাখার কথা বলা হয়েছে। বিক্ষোভ সামলানোর সময় পুলিশকর্মীদের পোশাকে পরিচয়চিহ্ন বা ব্যাজ থাকা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টের সামনে জারি করা ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার নোটিস অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। তবে তথ্য সংক্রান্ত বিষয়ে আইন অনুযায়ী সরকারের যে অধিকার রয়েছে, আদালতের এই নির্দেশে তা খর্ব করা হচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।এই মামলার পরবর্তী শুনানি মঙ্গলবার। তার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতের নির্দেশ মেনে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর আগে শেষ রবিবার, বৃষ্টিতে কি ভেস্তে যাবে কেনাকাটা? কলকাতার আবহাওয়া নিয়ে বড় আপডেট

দেবীপক্ষ শুরু হয়ে গিয়েছে। বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে প্রতিমা নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। পুজোর শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা করতে রাস্তায় নামছেন বহু মানুষ। আজ রবিবার পুজোর আগে শেষ রবিবার হওয়ায় বাজার, দোকান এবং শপিংমলগুলিতে ভিড় বাড়তে পারে। তবে কেনাকাটার পরিকল্পনার আগে অনেকেরই প্রশ্ন, আজ কি বৃষ্টি হবে? নাকি রোদ ঝলমলে আবহাওয়াতেই কাটবে দিন?আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আজ রবিবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জায়গায় আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা। তবে কলকাতা এবং আশপাশের এলাকায় কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলা থেকে বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কাও এখনই দেখা যাচ্ছে না। ফলে পুজোর আনন্দে বৃষ্টি বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কিছুটা স্বস্তি রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পুজোর সময় আন্দামান সাগরে নিম্নচাপ তৈরির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। তবে সেই পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে থাইল্যান্ড উপসাগরের কাছে বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। এর জেরে বাংলায় উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়ার আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই জানানো হয়েছে।রবিবার সকাল থেকেই কলকাতার আকাশে রোদের দেখা মিলেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তেজও বাড়তে পারে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে। তবে স্থানীয়ভাবে এক-দুদফা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত কলকাতা-সহ দুই বাংলার আবহাওয়া মোটামুটি একই রকম থাকতে পারে বলে পূর্বাভাস। ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা না থাকলেও কোথাও কোথাও বৃষ্টি হতে পারে। তাই পুজোর কেনাকাটায় বেরোনোর সময় আকাশের দিকে নজর রাখার পাশাপাশি সঙ্গে ছাতা রাখলে সুবিধা হতে পারে।

অক্টোবর ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal