• ৯ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tennis

খেলার দুনিয়া

'বাজা তোরা , রাজা যায়...' সাফল্য-খ্যাতি-প্রতিষ্ঠার তুঙ্গে থেকেও বরাবরই মাটির মানুষ রজার ফেডেরার

২০১৬ সাল। তিন বন্ধু সপরিবারে বেড়াতে গিয়েছিলাম সুইজারল্যান্ড, চোদ্দ দিন ধরে, কোনো ট্র্যাভেল এজেন্ট-এর সাহায্য ছাড়াই। তুষারমৌলি আল্পস... কাকচক্ষু জলের অসংখ্য দিগন্তপ্রসারী হ্রদ... নকশিকাঁথার মতো বন-প্রান্তর-জনপদ--- স্মৃতিপটে গাঁথা হয়ে গেছে চিরদিনের মতো।তবু সেই অপরূপ পর্যটন অসম্পূর্ণ রয়ে গেছিল আমার চোখে, কারণ প্রবল ইচ্ছা সত্ত্বেও ভ্রমণসূচীতে রাখা যায় নি একটি সুন্দর শহরকে --- বাসেল, যেখানে বাস খেলার জগতে আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষটির।স্কুলজীবনে রচনা লিখতে হতো-- তোমার প্রিয় ক্রীড়াবিদ। ছোটবেলা থেকে আমার খাতায় বারবার বদলে গেছে সে চরিত্র -- প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়... সুনীল গাভাসকর... সের্গেই বুবকা... বিশ্বনাথন আনন্দ... হোসে রামিরেজ ব্যারেটো...। কিন্তু গত দুই দশক জুড়ে সবচেয়ে প্রিয় নাম একটিই-- রজার ফেডেরার। আগামী সপ্তাহেই লন্ডনে অনুষ্ঠেয় লেভার কাপ-এ চব্বিশ বছরের বর্ণময় আন্তর্জাতিক টেনিস জীবনে দাঁড়ি পরতে চলেছে যাঁর।নাদাল-এর সঙ্গে যৌথভাবে প্রায় দুকোটি টাকা দান করেছিলেনকিং রজার কি লন টেনিস-এর ওপেন যুগে সর্বকালীন সেরা ? দ্বিমত পোষণ করতে পারেন অনেকে, কিন্তু স্কিল- স্ট্যামিনা- এনডিওরেন্স-এর যে চূড়ান্ত পর্যায়ে দুই দশক বিরাজ করেছেন তিনি, যে অনায়াস দক্ষতায় তুলির টান দিয়েছেন সারা পৃথিবীর টেনিস কোর্টে, গগনচুম্বী সাফল্য সত্ত্বেও যেভাবে মাটির কাছাকাছি রয়ে গেছেন বিনয়-ভদ্রতা-মানবিক মূল্যবোধের প্রতিমূর্তি হয়ে-- তাতে আমার মতো বিশ্বজোড়া কোটি কোটি সমর্থকের বুকে চিরস্থায়ী আসন পাতা হয়ে গেছে তাঁর।কুড়িটি গ্র্যান্ড স্লাম সিঙ্গলস খেতাব (আটবার উইম্বলডন, ছয়বার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, পাঁচবার ইউএস ওপেন, একবার ফ্রেঞ্চ ওপেন ), চল্লিশটি এটিপি ট্যুর সিঙ্গলস খেতাব, সব মিলিয়ে রেকর্ডসংখ্যক ১০৩টি সিঙ্গলস খেতাব, গ্র্যান্ড স্লাম প্রতিযোগিতায় রেকর্ডসংখ্যক ৩৬৯টি সিঙ্গলস ম্যাচ জেতা, ৩১০ সপ্তাহ একনম্বর স্থান ধরে রাখা, সবচেয়ে বেশী বয়সে (ছত্রিশ বছর দশ মাস) একনম্বর স্থান পুনরুদ্ধার করা, অন্ততঃ তিন মরশুমে (২০০৬, ২০০৭,২০০৯) সবকটি গ্র্যান্ড স্লাম-এর ফাইনাল খেলা--- এগুলো নেহাত পরিসংখ্যান নয়; সদ্য-অবসৃত সেরেনা উইলিয়ামস যেমন মেয়েদের টেনিস-এ , তেমনই নাদাল-জকোভিচকে নিয়ে পুরুষদের টেনিস-এ চিরকালীন মানদণ্ড গড়ে দিয়ে গেলেন রজার ফেডেরার।বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত-শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বের তালিকা দুনম্বরে ছিলেন৮১ সালের আটই আগস্ট বাসেল অঞ্চলে পৃথিবীর আলো দেখেছিলেন রজার-- বাবা রবার্ট সুইস, মা লিনেট দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষ। আট বছর বয়সে টেনিস Racket হাতে তুলে নিয়েছিল ছোট্ট ছেলেটি। তেরো চোদ্দ বছর বয়সেই ছোটবোন ডায়ানা-কে ছেড়ে চলে যেতে হয়েছিল লুসান-এর সুইস টেনিস অ্যাকাডেমিতে। সুইজারল্যান্ড-এর এই অংশে ফরাসী ভাষাটাই চলে বেশী, কিন্তু রজার যে জার্মান ভাষাতেই বেশী স্বচ্ছন্দ! বার বার মন চাইতো বাসেল-এ ফিরে যেতে, কিন্তু ততদিনে আশেপাশের অনেকেই তার মধ্যে দেখতে পেয়েছেন অমিত সম্ভাবনা। কাজেই লড়াই জারী রইলো তার; লুসান আর ছাড়া হলো না। ৯৩ থেকে ৯৫ , বাসেল-এর এটিপি টুর্নামেন্টে বলবয় ছিল রজার-- বড় হয়ে যে খেতাব দশ বার জিতে নিয়েছিল সে।৯৮-এ মাত্র সতেরো বছর বয়সে পেশাদার হয়ে গেল রজার, আর তিনবছর বাদেই জিতে নিল প্রথম এটিপি সিঙ্গলস খেতাব, মিলান-এ। স্টিফেন এডবার্গ, বরিস বেকার, আর পিট স্যাম্প্রাস আদর্শ ছিলেন তার। মাত্র উনিশ বছর বয়সে সেই স্যাম্প্রাসকেই হারিয়ে দিল রজার।এসেছিলেন ভারতেও, ২০০৪-এ সুনামি-ত্রাণেঅনেক বন্ধু বলতো, মনে হয় এবছর তুই ওঁকে হারাতে পারবি ,ফেডেরার বলেছিলেন, জানতাম সম্ভাবনা আছে একটা, তবে পুরোপুরি নয়; মানে ঘাসের কোর্টে উনিই তো আসল লোক!পরের রাউন্ডেই হেরে গেলেন টিম হেনম্যান-এর কাছে।পরের বছর কিন্তু প্রথম রাউন্ডেই বিদায়। তার ধাতটাই তখন অশান্ত--- Racket আছড়ানো... পনিটেল... রুক্ষ মানসিকতা...। হঠাৎই ব্যক্তিজীবনের এক আঘাত তাকে বদলে দিল চিরদিনের মতো। একুশ বছরের জন্মদিনের পরেই, দক্ষিণ আফ্রিকায় এক পথদুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন পিটার কার্টার, রজার-এর কোচ ও বহুদিনের বন্ধু। প্রিয় সঙ্গীর আকস্মিক চলে যাওয়া জন্ম দিল এক নতুন রজার ফেডেরার-এর -- শান্ত, সৌম্য,ভদ্রতার প্রতিমূর্তি; এক সর্বজনপ্রিয় ক্রীড়াব্যক্তিত্ব।২০০৩-এ মার্ক ফিলিপৌসিস-কে হারিয়ে প্রথমবার উইম্বলডন জিতেছিলেন। সেই প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের উনিশ বছর পর, গত বৃহস্পতিবার, অবসরগ্রহণের ঘোষণা এল তাঁর কাছ থেকে।ফেব্রুয়ারি০৪ থেকে আগস্ট ০৮--- টানা ২৩৭ সপ্তাহ শীর্ষস্থান ধরে রেখেছিলেন ফেডেরার। এক বিরল সৌন্দর্য ছিল তাঁর খেলায় -- টেনিস যেন বড় অনায়াস, সাবলীল, সহজ ছন্দে বইতো তাঁর হাতে। কব্জির সুক্ষ মোচড়ে অসাধারণ ফোরহ্যাণ্ড... একহাতে মারা চোখজুড়ানো ব্যাকহ্যাণ্ড... অনায়াস সার্ভিস... অবলীলায় কোর্টের যে কোনো প্রান্ত থেকে দুরূহ প্লেসমেণ্ট--- টেনিস-এর শেষ কথা মনে হতো তাঁকেই। তারপর দেখা দিলেন রাফেল নাদাল....মিক্সড ডাবলসে সানিয়ার সাথেসবদিক দিয়ে ফেডেরার-এর ঠিক বিপরীতে ছিলেন নাদাল। সার্ভ অ্যান্ড ভলি গেমকে যে শৈল্পিক উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন ফেডেরার, রাফা-র অ্যাথলেটিসিজম-শক্তি-গতিময়তা তাকে চূড়ান্ত চ্যালেঞ্জের মুখে ফেললো। রোল্যাঁ গ্যারো-র লাল সুড়কির কোর্টে তো নাদাল-এর মৌরসিপাট্টা ছিলই, ফেডেরার-কে তিনি পিছনে ফেলতে লাগলেন অন্যত্রও। ততদিনে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দেখা দিয়েছেন নোভাক জকোভিচ-ও।আমি কখনোই এইরকম খেলোয়াড় হয়ে উঠতাম না,যদি না নাদাল থাকতো, ফেডেরার বলেছিলেন তাঁর কঠিনতম প্রতিদ্বন্দ্বী তথা কোর্টের বাইরে প্রিয় বন্ধুর সম্বন্ধে। পরপর তিনবার ফ্রেঞ্চ ওপেন-এর ফাইনাল-এ, আর ২০০৮-এ উইম্বলডন-এও নাদাল-এর কাছে হার রজার-কে বাধ্য করলো নতুন করে নিজেকে বদলাতে।হয়তো এর পরিণতিতেই পরের বছর এলো ফেডেরার-এর খেলোয়াড় জীবনের সম্ভবতঃ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয়, ২০০৯-এর ফ্রেঞ্চ ওপেন-এ। নাদাল হেরে গেলেন রবিন সডারলিং-এর কাছে, আর ফেডেরার তখন চতুর্থ রাউন্ডে টমি হাস-এর বিরুদ্ধে দু সেট খুইয়ে বসে আছেন। এক বছর আগে হলে হয়ত চাপের মুখে আবার হেরে বসতেন, কিন্তু অবিশ্বাস্য এক ফোরহ্যাণ্ড তৃতীয় সেট-এর অষ্টম গেম-এ ব্রেকপয়েণ্ট বাঁচিয়ে ম্যাচে ফিরিয়ে আনলো তাঁকে; শেষমেশ জিতেই নিলেন ম্যাচটা। এরপর কোয়ার্টার ফাইনালে মঁফিলস, সেমিফাইনাল-এ দেল পোট্রো, আর ফাইনালে নাদাল-জয়ী সডারলিং--- একের পর এক কঠিন ম্যাচ জিতে রজার দেখিয়ে দিলেন, ক্লে কোর্টেও কিছু কম যান না তিনি।এর পরেই যদি অবসর নিয়ে নিতেন, কারো কিছু বলার থাকতো না। ত্রিশ পেরিয়ে গেছে... সামপ্রাস-এর সর্বোচ্চ গ্র্যান্ড স্লাম সিঙ্গলস খেতাব জয়ের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন... জিতেছেন সবরকম সারফেস-এ... নতুন করে প্রমাণ করার আর ছিল কী?টেনিসের রাজা ভারতেপ্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী ততদিনে জকোভিচ-ও; অস্তগামী সূর্য ফেডেরার পড়ন্ত বেলায় তাঁর বিরুদ্ধে ততটা সফল হতে পারেন নি। চোটআঘাতও ভোগাতে শুরু করলো বারবার। একচল্লিশ বছর বয়সে, গত দেড় বছরে উপর্যুপরি তিনবার হাঁটুর অপারেশন করাবার পরে, সময় ও শরীরের দাবী মেনে নিলেন তিনি। এ সিদ্ধান্ত হয়তো নিতে পারতেন চার বছর আগেই, তাঁর তো আর কারো কাছে কিছু প্রমাণ করার ছিল না !২০১৭-এ কঠিন চোট থেকে সেরে উঠে, ১৮-র জানুয়ারির মধ্যেই আবার তিনটি গ্র্যান্ড স্লাম জিতে নিয়ে, ২০১৯-এর উইম্বলডন ফাইনালে একচুলের জন্য খেতাব হাতছাড়া করার পরেই রাজসিক মর্যাদায় অবসর নিতে পারতেন রাজা রজার। কিন্তু তিনি নিজে তো নিজেকে আম আদমি-ই ভেবে এসেছেন বরাবর। টেনিস-এর প্রতি নিটোল প্রেম আর অগণিত ভক্তদের প্রতি অটুট দায়বদ্ধতাই তাঁকে সরে যেতে দেয় নি ।চেষ্টা করে গেছেন অন্তরালে থেকেও পাদপ্রদীপের আলোয় ফিরে আসার।সাফল্য-খ্যাতি-প্রতিষ্ঠার তুঙ্গে থেকেও বরাবরই মাটির মানুষ রজার ফেডেরার; গার্হস্থ্য মূল্যবোধের প্রতিভূ হয়ে রয়ে গেছেন, কোনো কেচ্ছা-কেলেঙ্কারী কখনো ছুঁতে পারেনি তাঁকে। স্ত্রী মির্কা নিজেও ছিলেন নামী টেনিস খেলোয়াড়--- ডব্লিউটিএ Ranking-এ ছিয়াত্তর পর্যন্ত এগিয়ে এসেছিলেন এক সময়, উঠেছিলেন ইউএসওপেন-এর তৃতীয় রাউন্ডে। ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকে প্রথম দেখা হয়েছিল দুজনের। পরে একসময় জুটি বেঁধে হপম্যান কাপে মিক্সড ডাবলসেও নেমেছিলেন। দুইজোড়া যমজ সন্তান তাঁদের-- দুই মেয়ে মাইলা ও শার্লিন, আর দুই ছেলে লিও ও লেনি। গ্যালারী থেকে পুরো পরিবার তাঁকে সোচ্চার সমর্থন করছে ম্যাচের সময়-- এর থেকে মধুর দৃশ্য তাঁর কাছে কিছু নেই, জানিয়েছিলেন ফেডেরার।পৃথিবী জুড়ে এত ভালবাসা কীভাবে পেলেন ফেডেরার?কখনো মনুষ্যত্ব হারান নি তিনি। একবার লন্ডন-এ উইম্বলডন খেলতে এসে দেখলেন, হোটেলে তাঁর কোচ ও সাপোর্ট টিমের অন্যান্যদের জন্য বরাদ্দ হয়েছে সাধারণ ডিলাক্স রুম, আর তাঁর জন্য বিলাসবহুল সুইট। রজার নির্দেশ দিলেন সবার জন্যই তাঁর মতো ঘরের ব্যবস্থা করতে। কিন্তু জানা গেল যে আর কোনো সুইট খালি নেই। ফেডেরার পত্রপাঠ সুইট ছেড়ে চলে এলেন সাধারণ ডিলাক্স রুমে!The great moments I spent here will forever be in my memory. Thank you New Delhi! Tremendous crowd support! Forever grateful 🙏 Roger Federer (@rogerfederer) December 8, 2014কখনো ম্যাচ হারের পর অজুহাত দেন নি, বা প্রতিপক্ষকে ছোটো করেন নি তিনি। একবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন-এ --- ইনফেকশাস মনোনিউক্লিওসিস জ্বরে ভুগতে ভুগতেই ফাইনাল-এ গেলেন রজার, প্রচুর লড়েও হারলেন জকোভিচ-এর কাছে। ম্যাচ-পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে নিজের শারীরিক কষ্টের অজুহাত দিলেন না, বরং বললেন, বিগত কয়েক দিন আমার শরীরস্বাস্থ্য নিয়ে অনেক জল্পনা হয়েছে। কিন্তু আজ যেন নোভাক-এর কৃতিত্ব কিছু কম বলে মনে করা না হয়; কারণ ম্যাচটা জিততে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলাম।অবসর-এর পর কী করবেন? পরিবারের সাথে সময় কাটাবেন... স্কিইং... সমুদ্রসৈকত... তাস... টেবলটেনিস। পছন্দের তালিকায় আছে আরো অনেক কিছু--- হাইকিং, সাইক্লিং, সংগ্রহশালায় ঘুরে বেড়ানো ,প্রিয় সুইস খাবার খাওয়া (চকোলেট-ফন্ডু-রাকলেট-রোস্টি উইথ কর্ডন ব্লু ইত্যাদি)। চারটি ভাষায় স্বচ্ছন্দ তিনি-- ফরাসী, ইংরেজী, সুইস ও জার্মান।২০০৩ সালে শুরু করেছিলেন রজার ফেডেরার ফাউন্ডেশন, বিশ্ব জুড়ে এক কোটির বেশী ছেলেমেয়ের জীবনকে ইতিমধ্যেই ছুঁয়েছে যে সংস্থা। রাফেল নাদাল-এর সঙ্গে যৌথভাবে প্রায় দুকোটি টাকা দান করেছিলেন ২০-র জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ান বুশফায়ার রিলিফ-এ। দক্ষিণ আফ্রিকায় কোভিড- সাহায্যার্থে দান করেছেন প্রায় আট কোটি টাকা। টেনিস ইতিহাসে সর্বোচ্চ উপস্থিতির দুটি চ্যারিটি ম্যাচ খেলেছেন নাদাল (কেপটাউন: ফেব্রুয়ারি২০) ও আলেকজান্ডার জেরেভ (মেক্সিকো সিটি: নভেম্বর ১৯)-এর সঙ্গে। এসেছিলেন ভারতেও, ২০০৪-এ সুনামি-ত্রাণে। এদেশের টেনিস কোর্ট তাঁকে পেয়েছে পরে ১৪ সালে , প্রদর্শনী ম্যাচের সূত্রে।রিপুটেশন ইনস্টিটিউট ২০১১ সালে বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানিত-শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বের তালিকা করতে গিয়ে দুনম্বরে রেখেছিল তাঁকে, একমেবাদ্বিতীয়ম নেলসন ম্যান্ডেলা-র পরেই। ঠিক পিছনেই ছিলেন বিল গেটস, স্টিভ জোবস ,ওপ্রা উইনফ্রে, বোনো।রাজা রজার-এর প্রস্থানে রিক্ত হবে ক্রীড়া জগৎ। তবু অনুপ্রাণিত করতে থাকবেন তিনি, খেলোয়াড় হিসেবে, মানুষ হিসেবে, এক আদর্শ ফ্যামিলিম্যান হিসেবে....Good bye, sweet Prince ! It was a pleasure and privilege walking on the same earth with you !!কৃতজ্ঞতা স্বীকার : টাইমস অফ ইন্ডিয়া।ডঃ সুজন সরকার,বর্ধমান।

অক্টোবর ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রুডকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে ফরাসি ওপেন জিতে নিলেন নাদাল

তিনিই যে ক্লে কোর্টের রাজা, আবার প্রমান করে দিলেন রাফায়েল নাদাল। ক্যাসপার রুডকে স্ট্রেট সেটে উড়িয়ে জিতে নিলেন কেরিয়ারের ১৪তম ফরাসি ওপেন খেতাব। ফরাসি ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পৌঁছে গেলেন ২২ তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাবে।সাম্প্রতিককালে নরওয়ের ক্যাসপার রুড ক্লে কোর্টে দারুন দাপট দেখাচ্ছেন। অনেকেই ভেবেছিল, ফরাসি ওপেনের ফাইনালে রাফায়েল নাদালকে বেগ দেবেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারলেন না। নাদালের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেনি রুড। এবারের ফরাসি ওপেনে নাদাল খেলতে নেমেছিলেন পঞ্চম বাছাই হিসেবে। নরওয়ের রুড ছিলেন অষ্টম বাছাই। নরওয়ের প্রথম টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে এই প্রথম কোনও গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেললেন নাদাল-ভক্ত রুড। ৩৬ বছরের নাদাল সবচেয়ে বেশি বয়সের টেনিস তারকা হিসেবে জিতলেন ফরাসি ওপেন খেতাব। ৫০ বছর আগে স্পেনের আন্দ্রে জিমেনো ফরাসি ওপেন খেতাব জিতেছিলেন ৩৪ বছর বয়সে। ২০০৫ সালে ১৯ বছর বয়সে নাদাল প্রথমবার ফরাসি ওপেন খেতাব জিতেছিলেন। তখন এই রুডের বয়স ছিল মাত্র ৬। রুড মালোর্কায় রাফায়েল নাদালের আকাদেমিতে প্রশিক্ষণও নিয়েছিলেন। গুরুর বিরুদ্ধে গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনাল খেলা তাঁর কাছে স্বপ্নপূরণ বলেও জানান তিনি।প্রথম দুটি সেট নাদাল ৬-৩, ৬-৩ ব্যবধানে জিতে নেন। প্রথম সেটে নাদাল একটা সময় ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে যান। শেষ অবধি ৪৮ মিনিটে তিনি ৬-৩ ব্যবধানে জিতে নেন প্রথম সেট। ঠাণ্ডা আবহাওয়া, হাওয়াও দিচ্ছিল। দ্বিতীয় সেট চলাকালীন রোদ ওঠে। একটা সময় দ্বিতীয় সেটে রুড ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু নাদাল নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে এরপরই টানা পাঁচটি গেম জিতে নেন। দ্বিতীয় সেটে নাদাল মাত্র পাঁচটি আনফোর্সড এরর করেন। তৃতীয় সেটেও অসাধারণ দাপট দেখালেন রাফা। তৃতীয় সেটে রুডকে দাঁড়াতেই দেননি। আগাগোড়া দুরন্ত সার্ভেই বাজিমাত করেন ক্লে কোর্ট কিং রাফা। তৃতীয় সেট নাদাল জিতে নেন ৬-০ ব্যবধানে। এদিন রাফা বনাম রুডের ফাইনাল চলল ২ ঘণ্টা ১৮ মিনিট ধরে। এই জয়ের ফলে রোলাঁ গারোয় নাদাল জিতলেন ১১২টি ম্যাচ, হেরেছেন মাত্র তিনটিতে। ম্যাচ দেখতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন স্পেনের রাজা ষষ্ঠ ফিলিপ এবং নরওয়ের রাজপুত্র হাকন। পাশাপাশি বসেই তাঁরা দেখলেন ক্লে কোর্টের রাজার শ্রেষ্ঠত্ব।

জুন ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চলতি মরশুমই শেষ, টেনিস কোর্টকে বিদায় সানিয়া মির্জার

আর কতদিন? সন্তান জন্ম দেওয়ার পর অসংখ্যবার কথাটা শুনতে হয়েছে সানিয়া মির্জাকে। বারবারই প্রশ্নটা হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন। এবার আর প্রশ্ন করার সুযোগই দিলেন না। অবশেষে টেনিস কোর্টকে বিদায় জানাতে চলেছেন সানিয়া মির্জা। চলতি মরশুম শেষে আর র্যাকেট হাতে কোর্টে দেখা যাবে না ভারতীয় টেনিসের এই কিংবদন্তিকে। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মহিলাদের ডাবলসের প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেওয়ার পরই তিনি টেনিসকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।সন্তান জন্ম দেওয়ার পর দীর্ঘদিন টেনিসের বাইরে ছিলেন সানিয়া মির্জা। তারপর আবার ফিটনেসের চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে কোর্টে ফেরেন। কোর্টে ফিরলেও পুরনো সানিয়াকে কখনও পাওয়া যায়নি। নিজের সেরা ছন্দের ধারে কাছে পৌঁছতে পারেননি ভারতের এই মহিলা টেনিস তারকা। এবছর অস্ট্রেলিয়া ওপেনেও মহিলাদের ডাবলসে প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নিলেন। ইউক্রেনের নাদিয়া কিচেনোকের সঙ্গে জুটি বেঁধে ডাবলস খেলতে নেমেছিলেন সানিয়া। স্লোভেনিয়ার ট্যামারা জিডানসেক ও কাজা জুভান জুটির কাছে ৪৬, ৬৭ (৫) ব্যবধানে হারেন সানিয়ারা। মূলত নাদিয়া কিচেনোকের জন্যই হারতে হয়েছে। এদিন একেবারেই সেরা ছন্দে ছিলেন না ইউক্রেনের এই মহিলা টেনিস তারকা।অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে বিদায় নেওয়ার পর সানিয়া বলেন, চলতি মরশুম শেষে টেনিসকে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। শরীরের যা অবস্থা জানি না মরশুমের শেষ পর্যন্ত খেলা চালিয়ে যেতে পারব কিনা। তবে আমি মনে করি, এখনও ভাল খেলার মতো জায়গায় রয়েছি। কেন কোর্টকে বিদায় জানাতে চলেছেন? এই প্রসঙ্গে সানিয়া বলেছেন, কোনও একটা নির্দিষ্ট কারনে টেনিস থেকে সরে যাচ্ছেন না। এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। চোট পেলে রিকভারি করতে অনেক সময় লাগছে। আমার ছেলের বয়স ৩ বছর। এখন ও আমার ছায়াসঙ্গী। আমার সঙ্গে দেশবিদেশে ওকেও ঘুরতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ছেলেকে আমি আর বিপদের মুখে খেলতে চাই না।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌Tennis : অন্য ছবি, পাকিস্তানে খেলতে গিয়ে রাজার হালে খুদে টেনিস দল

রাজনৈতিক কারণেই নাকি ক্রিকেটে ভারতপাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ শুরু করা যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন যাই থাকুক না কেন, খেলার মাঠে যে তার প্রভাব পড়ে না অনূর্ধ্ব ১২ এশিয়ান টেনিস প্রতিযোগিতাতেই তার প্রমাণ। ইসলামাবাদে ৬ খুদে খেলোয়াড়কে রাজার হালে রেখেছে পাকিস্তান।এবছর পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে অনূর্ধ্ব ১২ এশিয়ান টেনিসের যোগ্যতা অর্জন পর্ব। ভারত থেকে ৬ জনের দল গেছে খেলতে। এর মধ্যে ৩ জন বালক, ৩ জন বালিকা। দুজন কোচ, আশুতোষ সিংহ ও নমিতা বল। বালকদের দলে রয়েছে আরব চাওলা, ওজাস মেহলাওয়াত, রুদ্র বথাম। আর বালিকাদের দলে রয়েছে মায়া রেবতী, হরিতশ্রী বেঙ্কটেশ এবং জাহ্নবী কাজলা।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেএই ভারতীয় দলের সরাসরি ইসলামাবাদ যাওয়ার সুযোগ ছিল না। তাই দোহা হয়ে ইসলামাবাদ যেতে হয়েছে। দোহা বিমানবন্দরে নামার পর ইসলামাবাদগামী বিমানে ওঠার সময় জার্সিতে ভারতের পতাকা দেখে বেশ কয়েকজন পাকিস্তানি এগিয়ে এসে কথা বলেন। ইসলামাবাদে খেলতে যাচ্ছে জেনে খুশিও হয়। দোহা বিমানবন্দরে এইরকম অভ্যর্থনা পেয়ে দারুণ খুশি হন আশুতোষরা।ইসলামাবাদে পৌঁছে আরও চমক অপেক্ষা করছিল। এই রকম অভ্যর্থনা পাবেন, স্বপ্নেও ভাবেননি আশুতোষ, নমিতারা। বিমানবন্দরে অভিবাসন দপ্তরে পৌঁছনোর আগেই পাকিস্তান টেনিস ফেডারেশনের পক্ষ থেকে অভিবাসন সংক্রান্ত সব কাগজপত্র তৈরি করে রাখা হয়েছিল। বিমানবন্দর থেকে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয় গোটা দলকে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখে চমকে উঠেছিলেন আশুতোষরা। অনেকের ধারণা, পাকিস্তানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সবসময় আতঙ্কের। তাঁদের ক্ষেত্রে ছবিটি সম্পূর্ণ আলাদা বলে জানিযেছেন আশুতোষ। তাঁর কথায়, নিরাপত্তা নিয়ে আমরা একটুও চিন্তিত নই। রাজনীতি থেকে টেনিসকে সবসময় দূরে রাখে।আরও পড়ুনঃ সি আর সেভেনকে পেছনে ফেলে আবার শীর্ষে লিওনেল মেসিখাওয়াদাওয়ার ব্যাপারেও দারুণ সচেতনতার পরিচয় দিয়েছে আয়োজকরা। দলের এক সদস্য নিরামিষাশী। তাঁর জন্য আলাদা করে নিরামিষ খাবেরের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনুশীলনের জন্য কোর্টের ব্যবস্থা করার কথা ভারতীয় দলের থাকলেও সেই দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছে পাকিস্তান টেনিস ফেডারেশন। ভারতীয় দলের যেদিন পৌঁছনোর কথা ছিল, তার একদিন আগে চলে গেলেও বাড়তি একদিনের হোটেল ভাড়ার খরচও দিচ্ছে পাকিস্তান টেনিস ফেডারেশন। আতিথেয়তায় মুগ্ধ বালিকাদের কোচ নমিতা বল। তিনি বলেন, পাকিস্তানে যে ভালবাসা, সম্মান, যত্ন পাচ্ছি, এককথায় অসাধারণ। সবসময় খোঁজ নিচ্ছে, আমাদের কোনও অসুবিধা হচ্ছে কিনা।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরা পুলিশকে তৃতীয় চিঠি তৃণমূলেরখুদেদের দল গেলেও পাকিস্তান টেনিস ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট সেলিম সৈফুল্লা চান সিনিয়র দল পাকিস্তানে খেলতে যাক। অনূ্র্ধ্ব ১২ পর্যায়ে ভারতের সেরা খেলোয়াড় আরব চাওলাআ। তার বাবা বলেছেন, ছেলেকে পাকিস্তানে খেলতে পাঠানো নিয়ে আমার আপত্তি ছিল না। আমাদের ছেলেমেয়েরা ওখানে জাতীয় অতিথি হয়ে যাচ্ছে। সমস্যা হওয়ার কথা নয়। ছেলের সঙ্গে কথা হয়েছে। ওরা রাজার হালে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Novak Djokovic : আর ১ ম্যাচ জিতলেই ইতিহাসে ঢুকে যাবেন জকোভিচ

ক্যালেন্ডার স্ল্যাম থেকে মাত্র ১ ম্যাচ দুরে নোভাক জকোভিচ। ইউএস ওপেনের ফাইনালে ড্যানিল মেডভেদেভকে হারালেই এক বছরে সবকটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার কৃতিত্ব অর্জন করবেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা। সেমিফাইনালে আলেক্সজান্ডার জেরেভকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছেন জকোভিচ। ম্যাচের ফল ৪৬, ৬২, ৬৪, ৪৬, ৬২। এই নিয়ে টানা ২৭ ম্যাচ অপরাজিত জকোভিচ। পাঁচ সেটের লড়াই শেষে ইতিহাসকে ধরার আর এক কদম দূরে দাঁড়িয়ে রয়েছেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। একই সঙ্গে কেরিয়ারের ৩১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে পৌঁছে কিংবদন্তি রজার ফে়ডেরারের রেকর্ডও স্পর্শ করলেন জোকার। টুর্নামেন্টের অন্য সেমিফাইনালে কানাডার ফেলিক্স আগুয়ারকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছেন ড্যানিল মেদভেদেভ।শুধু ক্যালেন্ডার স্ল্যাম জেতার দিকেই এগিয়ে যাননি নোভাক জকোভিচ। জীবনের ৩১তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম ফাইনালে পৌঁছে কিংবদন্তী রজার ফেডেরারকে স্পর্শ করেছেন জকোভিচ। ফাইনালে ওঠার রাস্তা সহজ ছিল না তাঁর সামনে। জকোভিচকে কড়া প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে ফেলে দেন জেরেভ। প্রথম সেট ৪৬ ব্যবধানে হেরে যান জকোভিচ। দ্বিতীয় সেটে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন। ৬২ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় সেট জেতেন ৬৪ ব্যবধানে। চতুর্থ সেট ৬৪ ব্যবধানে জিতে ম্যাচ জমিয়ে দেন জেরেভ। কিন্তু পঞ্চম সেটে জেরেভকে কোনও সুযোগই দেননি জকোভিচ। জিতে নেন ৬২ ব্যবধানে। একই সঙ্গে আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধে অলিম্পিক হারের বদলাও নিলেন নোভাক জকোভিচ। নবম বারের জন্য ইউএস ওপেন ফাইনালে পৌঁছে তিনি নতুন রেকর্ডের মালিকও হলেন।ফাইনালে পৌঁছে ক্যালেন্ডার স্ল্যামের স্বপ্ন। তিনি বলেন, আর মাত্র একটা ম্যাচ বাকি। নিজেকে নিংড়ে দিতে চাই। ওটাই আমার জীবনের শেষ ম্যাচ ভেবে খেলব। সেমিফাইনালে নিজের খেলায় আমি গর্বিত। দ্বিতীয় সেমিফাইনালে কানাডার ফেলিক্স আগুয়ার-আলিয়াসিমের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন ড্যানিল মেদভেদেভ। সহজেই ম্যাচের ফয়সলা নির্ধারিত হয়। বিশ্বের দুই নম্বর তথা রাশিয়ার টেনিস তারকা প্রথম সেট ৬-৪ ফলাফলে জেতেন। দ্বিতীয় সেটও ৫-৭ ফলাফলে হেরে যান কানাডার তারকা। ম্যাচের তৃতীয় সেট ৬-২ ফলাফলে জিতে ফাইনালে পৌঁছে যান ড্যানিল মেডভেদেভ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

US Open : ক্যালেন্ডার স্ল্যাম জয়ের দিকে আরও একধাপ এগোলেন জকোভিচ

মাস দুয়েক আগে উইম্বলডনের ফাইনালে নোভাক জকোভিচের কাছে হেরে গিয়েছিলেন মাত্তেও বেরেত্তিনি। ইউএস ওপেনে প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ ছিল ইতালির এই টেনিস তারকার কাছে। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বেরেত্তিনি। প্রথম সেট হেরেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেন নোভাক জরোভিচ। জিতলেন ৫৭, ৬২, ৬২, ৬৩ ব্যবধানে। একই মরসুমে টানা ২৬টি ম্যাচ জয়ের রেকর্ডও গড়লেন বিশ্বের এই এক নম্বর টেনিস তারকা। ক্যালেন্ডার গ্র্যান্ড স্ল্যামের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন নোভাক জকোভিচ। সেমিফাইনালে জকোভিচ খেলবেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী আলেকজান্ডার জেরেভের বিরুদ্ধেপ্রিকোয়ার্টার ফাইনালের মতো কোয়ার্টার ফাইনালের শুরুটাও ভাল হয়নি নোভাক জকোভিচের। প্রথম সেটে একবার জকোভিচের সার্ভিস ভেঙে ৬৫ ব্যবধানে এগিয়ে যান মাত্তেও বেরেত্তিনি। শেষপর্যন্ত ৭৫ ব্যবধানে প্রথম সেট জিতে নেন। দ্বিতীয় সেটে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ান। তিনবার বেরেত্তিনির সার্ভিস ভেঙে ৬২ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন। তৃতীয় সেটেও বিশ্বের ৬ নম্বর খেলোয়াড়কে দাঁড়াতে দেননি জকোভিচ। ৬২ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় সেটেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন বিশ্বের ১ নম্বর এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা। ৬৩ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালে পৌঁছে যান জকোভিচ। প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে জকোভিচ হারিয়েছিলেন আমেরিকার জেনসন ব্রুকসবিকে। তিনিই ছিলেন আমেরিকার শেষ আশা। ১৮৮০ সালের পর এবছর প্রথম কোনও বড় টুর্নামেন্টে স্থানীয় খেলোয়াড় কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছতে পারেননি। প্রথম সেটে জেনসনের কাছে হেরে গিয়েও মহারাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছিলেন কেন তিনি বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। দ্বিতীয় সেটে প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতে দেননি নোভাক। ৬৩ ফলাফলে জিতেছিলেন সার্বিয়ার টেনিস তারকা। ম্যাচের শেষ দুই সেটেও বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারেননি জেনসন। তৃতীয় সেট ৬২ ফলাফলে জেতেন জোকার। একই ফলাফলে চতুর্থ সেটও জেতেন জকোভিচ। সেই সঙ্গে একই মরসুমে টানা ২৫টি ম্যাচ জয়ের অনন্য নজির গড়েছিলেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। চলতি বছরের শুরুতে অস্ট্রেলীয় ওপেন খেতাব জিতেছিলেন নোভাক জকোভিচ। পরপর ফরাসি ওপেন ও উইম্বলডনও চ্যাম্পিয়ন হন জোকার। ইউএস ওপেন জিততে পারলে এক ক্যালেন্ডার বছরে চারটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের অনবদ্য নজির গড়বেন বিশ্বের এক নম্বর টেনিস তারকা। এর আগে যে রেকর্ড রয়েছে কিংবদন্তি রড লেভার ও স্টেফি গ্রাফের ঝুলিতে। সেই তালিকায় জকোভিচ নিজের নাম তুলতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার। অন্যদিকে, মহিলাদের সিঙ্গলসের চমক দিয়েই চলেছেন এমা রাদুকানু। সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছেন ১৮ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ টেনিস তারকা। অলিম্পিকে সোনাজয়ী সুইৎজারল্যান্ডের বেলিন্দা বেন্সিচকে হারিয়েছেন ৬৩, ৬৪ ব্যবধানে। যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে উঠে এসে তিনি সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছেন। সেমিফাইনাল পর্যন্ত একটি সেটও না হারিয়ে নজির গড়েছেন রাদুকানু। এর আগে বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে প্রথম ১০০র বাইরে থেকে ইউএস ওপেনের সেমিফাইনালে ওঠার কৃতিত্ব ছিল বিলি জিন কিং ও কিম ক্লিস্টার্সের। তাঁদের নজিরও স্পর্শ করেছেন রাদুকানু।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Manika Batra : মনিকাকে হোটেলের ঘরে কী প্রস্তাব দিয়েছিলেন সৌম্যদীপ রায়?‌

ভারতীয় টেবিল টেনিস দলের কোচ সৌম্যদীপ রায়ের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুললেন অলিম্পিয়ান মনিকা বাত্রা। নিজের অ্যাকাডেমির ছাত্রীর সুবিধার জন্য ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে সৌম্যদীপ নাকি হোটেলে মনিকার ঘরে গিয়েছিলেন। এমনই অভিযোগ করেছেন এই ভারতীয় মহিলা টেবিল টেনিস তারকা।টোকিও অলিম্পিক থেকেই বিতর্কে রয়েছেন মনিকা বাত্রা। অলিম্পিক চলাকালীন তিনি জাতীয় কোচ সৌম্যদীপ রায়ের সাহায্য নিতে অস্বীকার করেছিলেন। টোকিও থেকে দেশে ফেরার পর এই কারণে মনিকা বাত্রাকে শোকজ করেছিল ভারতের টেবিল টেনিস ফেডারেশন। তাঁর উত্তর দিতে গিয়েই মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন মনিকা। অভিযোগের সপক্ষে প্রমাণ দিতেও তিনি প্রস্তুত।আরও পড়ুনঃ পিকনিক করতে গিয়ে রহস্য মৃত্যু যুবকের, আটক তিন বন্ধুসৌম্যদীপের বিরুদ্ধে এই রকম মারাত্মক অভিযোগ মেনে নিতে পারছেন না বাংলার টেবিল টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের সচিব শর্মি সেনগুপ্ত। তিনি বলছিলেন, সৌম্যদীপ ৪ বছর দারুণ কাজ করছে। ওকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। সৌম্যদীপ এই ধরণের বোকামি করতে পারে বলে আমার মনে হয় না। অহেতুক কেন ও ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিতে যাবে বুঝতে পারছি না। যাইহোক, এটা সর্বভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশনের বিচারাধীন বিষয়। সঠিক তদন্ত করে আসল তথ্য বার করবে।মনিকা বাত্রার আচরণেও অবাক শর্মি সেনগুপ্ত। তিনি বলেন, মনিকাকেও দীর্ঘদিন ধরে চিনি। খুবই ভাল মেয়ে। নিজের খেলা নিয়ে এতটাই মগ্ন থাকে, অন্য বিষয়ে মাথা গলায় না। মোবাইল পর্যন্ত নিজের কাছে রাখে না। খেলার প্রতি এতটাই ডেডিকেশন। সেই মেয়ে এই ধরণের অভিযোগ করছে, এটা ভাবার বিষয়। তবে অলিম্পিকে সৌম্যদীপকে বসতে বলে ঠিক করেনি।আরও পড়ুনঃ ফোনে কথা বলছেন নার্স, ভ্যাকসিন পড়ল পর পর ৩ ডোজ!ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন যে শোকজ করেছিল, তার জবাবে মনিকা বলেছেন, মার্চে দোহায় টোকিও অলিম্পিকের যোগ্যতা অর্জন পর্বের ম্যাচ চলছিল। ওর অ্যাকাডেমির এক ছাত্রীকে ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে আমার হোটেলের ঘরে এসেছিলেন সৌম্যদীপ রায়। প্রায় ২০ মিনিট আমার ঘরে ছিলেন। আমি সেই প্রস্তাব সরাসরি ফিরিয়ে দিই। ওটা আমার কাছে ম্যাচ ফিক্সিংয়েরই সামিল। অলিম্পিকে সৌম্যদীপের কাছে পরামর্শ নিতে গেলে ওই ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবের ঘটনা মাথায় আসত। আমার খেলায় প্রভাব ফেলতে পারত। সেই কারণেই সৌম্যদীপকে কোচ হিসেবে বোর্ডের পাশে দেখতে চাইনি। তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই ঘটনার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। যথাসময়ে প্রমাণ পেশ করার জন্য তিনি তৈরি।সৌম্যদীপের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনলেও ঠিক কোন ছাত্রীর জন্য তিনি ম্যাচ ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে অনুমান করা হচ্ছে সুতীর্থা মুখার্জির জন্য তিনি মনিকার কাছে যেতে পারেন। কারণ, সুতীর্থা সৌম্যদীপ রায়ের অ্যাকাডেমির ছাত্রী। অলিম্পিকের পর মনিকা বড় শাস্তির মুখে পড়তে পারেন বলে যে জল্পনা চলছিল তাঁর বিস্ফোরক চিঠি গোটা ঘটনাকেই অন্য মোড় দিল। মনিকার অভিযোগ সত্যি হলে তা প্রাক্তন অলিম্পিয়ান সৌম্যদীপের পক্ষেও কলঙ্কজনক অধ্যায়ই হবে। সৌম্যদীপ রায় অবশ্য এখনও মনিকার অভিযোগ প্রসঙ্গে মুখ খোলেননি। তাতে রহস্য বাড়ছে। মনিকার অভিযোগকে গুরুত্ব দিচ্ছে ফেডারেশনও। সৌম্যদীপের উত্তরের জন্য অপেক্ষা করা হচ্ছে। জাতীয় শিবিরে কোচ হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে সৌম্যদীপকে মনিকার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাঁর বক্তব্য পেশের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সেই উত্তর এলে তবেই পরবর্তী পদক্ষেপ করবে ফেডারেশন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Silver Medal: সোনার স্বপ্ন অধরা, ভাবনাবেনকে ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেবে গুজরাট সরকার

টোকিও অলিম্পিক দেশের টেবিল টেনিস তারকারা ব্যর্থ। শরৎ কমল, মনিকা বাত্রাদের সেই ব্যর্থতা প্যারালিম্পিকে ঢেকে দিয়েছেন ভাবনাবেন হাসমুখভাই প্যাটেল। প্রতিযোগিতা থেকে রুপো জিতে ইতিহাস রচনা করেছেন দেশের প্যারা অ্যাথলিট। ফাইনালে চীনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরে রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। সোনা অধরা থেকে গেলেও তাঁর সেই সাফল্যকে স্বীকৃতি জানিয়ে আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করল ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন। গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকেও আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভাবনাবেনকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!গুজরাটের মেহসানা জেলার সন্ধিয়াতে থাকেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তাঁর সাফল্যে গর্বিত গুজরাট সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি অভিনন্দন জানিয়েছেন এই প্যারা আথলিটকে। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ভাবনাবেনের সাফল্যে খুশি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি দুশ্যন্ত চৌতালাও ভাবনাবেনকে পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, টোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনা প্যাটেলকে আর্থিক পুরস্কার হিসেবে ৩১ লক্ষ টাকা দেবে ফে়ডারেশন। ভারতীয় প্যারা টেবিল টেনিস তারকার ইচ্ছাশক্তি, মানসিকতা ও মনের জোরের প্রশংসা করেছেন দুশ্যন্ত। ভাবনার আগামী দিনের সফলতাও কামনা করেছেন তিনি। টোকিও অলিম্পিকে সাফল্য পাননি টেবিল টেনিস তারকারা। শরথ কমল, মনিকা বাত্রা, জি সাথিয়ান, সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় মিক্সড ও সিঙ্গলস ইভেন্টে সবাই ব্যর্থ। সেই ব্যর্থতা ভুলিয়ে টোকিও প্যারালিম্পিকে ভাবিনার রুপো দেশের অন্যান্য টেবিল টেনিস তারকার কাছে দৃষ্টান্ত বলে মনে করে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরটোকিও প্যারালিম্পিকে মহিলাদের সিঙ্গলস ক্লাস ফোর ইভেন্টের ফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা পাঁচটি প্যারালিম্পিক সোনাজয়ী চিনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরেও দেশের জন্য রুপো নিশ্চিত করেছেন ভাবিনা প্যাটেল। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। ম্যাচ হারলেও ভাবিনার লড়াইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুথ হয়েছে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রটোকিও প্যারালিম্পিক থেকে পাওয়া পদক দেশকে উৎসর্গ করেছেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তবে তিনি স্বীকার রে নিয়েছেন, রবিবার তিনি নিজের সেরা ফর্মে ছিলেন না। ম্যাচ শুরুর আগে তিনি মানসিক চাপে ভুগছিলেন বলেও জানিয়েছেন ভাবনাবেন। তাঁর কথায়, ফাইনালে নিজের গেমপ্ল্যান অনুযায়ী খেলতে পারিনি। আগামী দিনে দেশের হয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেব।আরও পড়ুনঃ এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতারটোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনাবেন প্যাটেলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। নিজের রাজ্য গুজরাতের পাডলারকে অনুপ্রেরণা বলে সম্বোধন করেছেন তিনি। ভাবনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, শচী তেন্ডুলকর, অভিনব বিন্দ্রা সহ গোটা দেশ।

আগস্ট ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sharath Kamal: ‌অলিম্পিক টিটি–র তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমল

অলিম্পিকে পদকের স্বপ্ন নিয়েই এবার টোকিও পাড়ি। সেই স্বপ্নের দিকে ক্রমশ এগিয়ে চলেছেন ভারতীয় টেবিল টেনিস তারকা শরথ কমল। পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়াকে ৪২ ব্যবধানে হারিয়ে পুরুষদের সিঙ্গলসের তৃতীয় রাউন্ডে পৌছে গেলেন। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমলের থেকে বেশ কয়েকধাপ পিছিয়ে পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে শরথ কমল রয়েছেন ৩২ নম্বরে। অন্যদিকে, থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া রয়েছেন ৫৬ নম্বরে। র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও শরথ কমলকে যথেষ্ট বেগ দিয়েছিলেন পর্তুগালের এই তারকা।প্রথম গেমে শরথ কমলকে দাঁড়াতেই দেননি থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। ১১২ পয়েন্টে গেম জিতে নেন। জড়তা কাটিয়ে দ্বিতীয় গেমে দারুণভাবে ফিরে আসেন শরথ কমল। ১১৮ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন শরথ কমল। ১১৫ পয়েন্টে তৃতীয় গেম জিতে নেন। চতুর্থ গেমে দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসেন পর্তুগালের থিয়াগো অ্যাপোলোনিয়া। দুর্দান্ত লড়াই করে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে ম্যাচে সমতা ফেরান।ম্যাচে সমতা ফেরায় পরই যেন সম্বিত ফেরে শরথ কমলের। পঞ্চম গেমে আবার জ্বলে ওঠেন। ১১৬ পয়েন্টে জিতে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে যান। ষষ্ঠ গেমে অবশ্য লড়াই দারুণ জমে উঠেছিল। একসময় স্কোর ছিল ৯৯। সেখান থেকে ১১৯ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান শরথ কমল। তৃতীয় রাউন্ডে তাঁর সামনে চীনের মা লং।২০০৪ সালে এথেন্স অলিম্পিকে প্রথম খেলার সুযোগ পান শরথ কমল। সাফল্য পাননি। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকেও সেই ব্যর্থতা। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে খেলার ছাড়পত্র পাননি। এশিয়ান কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে ইরানের নোশাদ আলামিনানকে হারিয়ে ২০১৬ রিও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু রোমানিয়ার আদ্রিয়ান ক্রিসানের কাছে হেরে প্রথম রাউন্ড থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল শরথ কমলকে। ভাল প্রস্তুতি নিয়েই যে এবার টোকিও অলিম্পিকে গিয়েছেন শরথ কমল, প্রথম রাউন্ড থেকেই প্রমাম দিয়ে যাচ্ছেন।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympics Sumit Nagal: মেদডেভেদের কাছে আত্মসমর্পন সুমিত নাগালের, বিদায় অলিম্পিক থেকে

টোকিও অলিম্পিকে পুরুষদের সিঙ্গলসের দ্বিতীয় রাউন্ডে থেকেই বিদায় নিলেন সুমিত নাগাল। রাশিয়ার ড্যানিল মেদডেভেদের কাছে ৬২, ৬১ ব্যবধানে হারলেন ভারতের এই টেনিস তারকা। বিশ্বের ২ নম্বর তারকার সামনে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি সুমিত।প্রথম রাউন্ডে উজবেকিস্তানের ডেনিস ইস্টোমিনকে ৬৪, ৬৭ (৬), ৬৪ ব্যবধানে হারিয়েছিলেন সুমিত নাগাল। ২৫ বছর পর অলিম্পিকে পুরুষদের সিঙ্গলসে জিতে নজির গড়েছিলেন। ১৯৯৬ আটলান্টা অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন লিয়েন্ডার পেস। অলিম্পিকে সেটাই ছিল কোনও ভারতীয় টেনিস তারকার শেষ জয়। সুমিত নাগাল প্রথম রাউন্ডে জিতলেও দ্বিতীয় রাউন্ডে জ্বলে উঠতে পারলেন না।ড্যানিল মেদডেভেদের সঙ্গে সুমিত নাগালের লড়াই ছিল অসম। মেদডেভেদের বর্তমান বিশ্ব র্যাঙ্কিং ২। আর ভারতের সুমিত নাগাল রয়েছেন ১৪৪ নম্বরে। অসমও লড়াইয়ে পেরে ওঠার কথা ছিল না সুমিতের। মেদভেদেভের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি। প্রথম সেট ৬২ ব্যবধানে জিতে নেন মেদভেদেভ। প্রথম সেটের শুরুতেই সুমিত নাগালের সার্ভিস ভেঙে এগিয়ে যান এই রাশিয়ান টেনিস তারকা। পরে আরও ৩ বার সার্ভিস ভাঙেন।দ্বিতীয় সেটেও ছবিটা বদলায়নি। সেই মেদভেদেভের আধিপত্য। সুমিত নাগালের সার্ভিস ভাঙার পর নিজের সার্ভিস ধরে রেখে ২০ ব্যবধানে এগিয়ে এগিয়ে যান। ম্যাচের শুরু থেকেই সার্ভিসে সমস্যা হচ্ছিল সুমিতের। বেশ কয়েকবার ডাবল ফল্ট করেন। শেষ পর্যন্ত ৬১ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে নেন মেদভেদেভ। পৌঁছে গেলেন তৃতীয় রাউন্ডে।এদিকে, অলিম্পিক পদকের দিকে ক্রমশ এগিয়ে চলেছেন নাওমি ওসাকা। তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেছেন জাপানের এই মহিলা টেনিস তারকা। দ্বিতীয় রাউন্ডে হারিয়েছেন সুইৎজারল্যান্ডের ভিক্টোরিজা গোলুবিচকে। খেলার ফল ৬৩, ৬২। ওসাকার সামনে দাঁড়াতেই পারেননি গোলুবিচ।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sutirtha Mukherjee : অলিম্পিক টিটি–র দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় বঙ্গতনয়া সুতীর্থার

প্রথম রাউন্ডে সুইডেনের লিসা বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে চমক দিয়েছিলেন সুতীর্থা মুখার্জি। দ্বিতীয় রাউন্ডে পর্তুগালের ফু ইউয়ের কাছে হেরে অলিম্পিক থেকে বিদায় নিলেন এই বাঙালি টেবিল টেনিস তারকা। ৪০ ব্যবধানে সুতীর্থাকে উড়িয়ে জিতলেন ফু ইউ। বয়স যে কোনও বাধা নয়, প্রমাণ করে দিলেন এই পর্তুগালের প্যাডলার। অভিজ্ঞতা দিয়ে বাজিমাত করে গেলেন ফু ইউ।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরপ্রথম রাউন্ডে বের্গাস্ট্রোয়েমকে হারিয়ে দেশবাসীর প্রত্যাশা বাড়িয়েছিলেন সুতীর্থা। আরও একটা অঘটনের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় রাউন্ডে একেবারেই জ্বলে উঠতে পারলেন না। পর্তুগালের ফু ইউয়ের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। বলতে গেলে অভিজ্ঞতার কাছে হারতে হল সুতীর্থাকে। তার ওপর জীবনের প্রথম অলিম্পিক। চাপ তো ছিলই। সেই চাপ থেকেও বেরিয়ে আসতে পারেননি এই বাঙালী টেবিল টেনিস তারকা।আরও পড়ুনঃ এরোটিক ভিডিয়ো মানে পর্ন নয় : শিল্পা শেট্টিম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল ফু ইউয়ের। প্রথম গেমে মাত্র ৩টি পয়েন্ট সংগ্রহ করতে সমর্থ হন সুতীর্থা। তাও আবার তিনটি পয়েন্টই এসেছিল ফু ইউয়ের ভুলের জন্য। প্রথম গেম ১১৩ ব্যবধানে জিতে নেন ফু ইউ। দ্বিতীয় গেমেও সুতীর্থাকে দাঁড়াতেই দেননি ৪২ বছর বয়সী চীনা বংশোদ্ভুত এই পর্তুগালের টেবিল টেনিস তারকা। ১১৩ ব্যবধানে দ্বিতীয় গেম জিতে নেন।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুকোচ সৌম্যদীপ রায়ের পরামর্শ নিয়ে তৃতীয় গেমে শুরুর দিকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন সুতীর্থা। কিন্তু তাঁকে কোনও সুযোগ দেননি। ফু ইউ। ১১৫ ব্যবধানে জিতে ৩০ গেমে এগিয়ে যান। চতুর্থ গেমেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন ফু ইউ। ১১৫ পয়েন্টে গেম জিতে তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে যান বর্ষীয়ান এই টেবিল টেনিস তারকা। সুতীর্থা বিদায় নেওয়ায় টেবিল টেনিসে ভারতের আশা শুধু শরথ কমল ও মনিকা বাত্রা। কিন্তু মনিকা যেভাবে বিতর্কে জড়িয়ে ফোকাস হারাচ্ছেন, কতদূর এগোবেন বলা কঠিন।

জুলাই ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Ashle Barty : টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?‌

অলিম্পিক গেমস ভিলেজে আবার করোনার থাবা। এবার আক্রান্ত চেক প্রজাতন্ত্রের বিচ ভলিবল দলের ট্রেনার। এই নিয়ে গেমস ভিলেজে আক্রান্তর সংখ্যা দাঁড়াল ৬। এভাবে গেমস ভিলেজে একের পর এক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আতঙ্ক ছড়াচ্ছে খেলোয়াড়দের মধ্যে। আতঙ্কে গেমস ভিলেজে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিশ্বের ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা অ্যাশলে বার্টি।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনঅলিম্পিকে অংশ নিতে টোকিও পৌঁছে গেছেন এই অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকা। তবে তিনি গেমস ভিলেজে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অলিম্পিকে অস্ট্রেলিয়া শেফ দ্য মিশন ইয়ান চেস্টারম্যান বলেছেন, আমাদের সব অ্যাথলিট গেমস ভিলেজে থাকলেও অ্যাশলে বার্টি গেমস ভিলেছে থাকছে না। যেভাবে গেমস ভিলেজে করোনা ছড়াচ্ছে তাতে অ্যাথলিটরা আতঙ্কিত। সংক্রমণের ভয়েই বার্টি গেমস ভিলেজে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে অস্ট্রেলিয়া সরকারের পক্ষ থেকে ক্রীড়াবিদদের কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংচেক প্রজাতন্ত্রের বিচ ভলিবল দলের ট্রেনারকে ধরে গেমস ভিলেজে করোনায় আক্রান্তর সংখ্যা ৬। আর গেমসের সঙ্গে যুক্ত মোট আক্রান্তর সংখ্যা দাঁড়াল ৬৮। চেক প্রজাতন্ত্রর ওই ট্রেনারকে গেমস ভিলজ থেকে সরিয়ে তাঁকে অন্যত্র আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। সোমবার গেমস ভিলেজে চেক বিচ ভলিবল দলের তরফে এক খেলোয়াড়ের কোভিড ১৯ পজিটিভ হওয়ার খবর জানানো হয়েছিল। ওনড্রেজ পেরুসিচ নামের ওই খেলোয়াড়কে সঙ্গে সঙ্গে গেমস ভিলেজ থেকে সরিয়ে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। দলের বাকি সদস্যের আরও একবার করোনা পরীক্ষা করা হয়। মঙ্গলবার সেই করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট হাতে পায় চেকের বিচ ভলিবল দল। দলের ট্রেনার সিমোন নাওসেচ রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দুই জনই দলের চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজিরঅলিম্পিকে অংশ নিতে আসা মেক্সিকো বেসবল দলের দুই খেলোয়াড়ও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাঁদেরও আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। অন্যদিকে টোকিও অলিম্পিকের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত থাকা কোনও স্বেচ্ছাসেবক এই প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। যে স্বেচ্ছাসেবক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, তিনি ইওয়াতে প্রশাসনিক দপ্তরে কাজ করছিলনে। একই সঙ্গে গেমেসের ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত থাকা আরও সাত ঠিকাদারের কোভিড ১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানানো হয়েছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইওশিহিদে সুগা ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির প্রধান থমাস বাখকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ব যে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে সেখানে অলিম্পিক নিরাপদ ও সুরক্ষিতভাবে আয়োজন করে সদর্থক বার্তা দেবে জাপান। জাপানের নাগরিকদের স্বার্থ ও সুরক্ষা অটুট রেখেই সফলভাবে আয়োজিত হবে অলিম্পিক।

জুলাই ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sania Mirza : ‌অলিম্পিকে নজির গড়তে চলেছেন সানিয়া মির্জা, অবসর নিয়ে কী ভাবছেন?‌

দেশের অন্যতম সেরা মহিলা ক্রীড়াবিদ হিসেবে বক্সার মেরি কমের নাম সকলের আগে ভেসে ওঠে। কিন্তু সানিয়া মির্জা যে কৃতিত্ব অর্জন করতে চলেছেন, মেরি কমও সেই কৃতিত্ব দেখাতে পারেননি। এই নিয়ে চারচারবার অলিম্পিকের আসরে দেখা যাবে সানিয়া মির্জারে। দেশের প্রথম মহিলা ক্রীড়াবিদ হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করতে চলেছেন। চার বার অলিম্পিকে নামার সুযোগ পেয়ে গর্বিত ৩৪ বছর বয়সী এই ভারতীয় টেনিস তারকা।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীঅলিম্পিকে অংশ নিতে মঙ্গলবার টোকিও পৌঁছেছেন সানিয়া মির্জা। ডাবলসে অঙ্কিতা রায়নার সঙ্গে তিনি কোর্টে নামবেন। দেশকে পদক এনে দেওয়ার ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। ২০১৬ রিও অলিম্পিকে অল্পের জন্য লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেননি। মিক্সড ডাবলসের সেমিফাইনালে মার্কিন জুটি ভেনাস উইলিয়ামস ও রাজীব রাম জুটির কাছে হারতে হয়েছিল। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে চেক প্রজাতন্ত্রের লুসি রাদেচেকা ও রাদেক স্টেপানেকের কাছে হেরে পদক জয়ের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছিল সানিয়াদের। স্টেপানেকদের কাছে হার জীবনের অন্যতম বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন সানিয়া। টোকিও অলিম্পিকে সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে চান।আরও পড়ুনঃ বৃষ্টির মধ্যেও শুটিং করছেন অক্ষয়আগের অলিম্পিকে ডাবলসে প্রাথমিক রাউন্ডেই প্রার্থনা গুলাবরাও থমবারেকে সঙ্গে নিয়ে হেরে গিয়েছিলেন। এবার অঙ্কিতা রায়নাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছেন। বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের বিচারে টোকিও অলিম্পিকে খেলার সুযোগ পেয়েছেন সানিয়া। তিনিই বলেন, আগের অলিম্পিকে পদক জয়ের কাছাকাছি পৌঁছেও শেষরক্ষা হয়নি। এবছর সুযোগ আছে। আশা করছি দেশকে গর্বিত করতে পারব।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীবয়স ৩৪ পেরিয়ে গেছে। এই বয়সে কোর্টে দাপানো যথেষ্ট কঠিন। তা সত্ত্বেও এখনই অবসরের কথা ভাবছেন না সানিয়া মির্জা। তবে এই বয়সে দাপিয়ে টেনিস খেলা যথেষ্ট কঠিন বলে মনে করছেন তিনি। সানিয়া বলেন, আমি যথেষ্ট ফিট আছি। তাই দৌড়ঝাঁপ করে খেলতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না। তবে কোর্টে নামলে বুঝতে পারছি ৩৪ বছর বয়স হয়েছে। তবে এখনই অবসর নেওয়ার কথা ভাবছি না।

জুলাই ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Djokovic : ‌অলিম্পিকে নামছেন জকোভিচ, গড়তে পারেন নজির

টোকিও অলিম্পিক থেকে একের পর এক নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন নামী টেনিস তারকারা। রাফায়েল নাদাল, সেরেনা উইলিয়ামসরা আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন। চোটের জন্য দুদিন আগেই না খেলার কথা ঘোষণা করেছেন রজার ফেডেরার। অনেকটাই জৌলুস হারিয়েছে অলিম্পিক টেনিস। তবে টেনিসের মানরক্ষা করলেন নোভাক জকোভিচ। অলিম্পিকে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর জকোভিচ জানিয়েছিলেন তিনি অলিম্পিকে নামতে পারেন। শেষ পর্যন্ত নামার সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি টুইটারে লিখেছেন, দেশের সেরা ক্রীড়াবিদদে সঙ্গে টোকিও অলিম্পিকে পদক জয়ের লড়াইয়ে নামব ভেবেই আমি গর্বিত। টোকিও যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছি। দেশের হয়ে খেলতে নামাটা আমার কাছে অনুপ্রেরণার। এই বছরে ইতিমধ্যেই তিনতিনটি গ্র্যান্ডস্লাম জিতেছেন জকোভিচ। যেরকম ফর্মে রয়েছেন, ইউএস ওপেন জেতারও সম্ভাবনা রয়েছে। অলিম্পিকেও সোনা জিততে পারেন। যদি সোনা জেতেন এবং ইউএস ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হন, তাহলে একই বছরে অলিম্পিকে সোনা ও ৪টি গ্র্যান্ডস্লাম জেতার নজির গড়বেন।এদিকে, জাপানে করোনার সংক্রমণ আরও তীব্র হয়ে ওঠায় টোকিও অলিম্পিকের নিয়ম আরও কঠোর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থা নতুন নিয়ম ঘোষণা করেছে। অলিম্পিক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ইভেন্ট চলার সময় সব প্রতিযোগী, উপস্থাপক এবং স্বেচ্ছাসেবকদের বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরে থাকতে হবে। সবাইকে সামাজিক দুরত্ব মেনে চলতে হবে। পুরস্কার বিতরণী শেষে একসঙ্গে ছবি তোলার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।এতদিন পোডিয়ামে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে পুরস্কার নিয়ে এসেছেন প্রতিযোগীরা। এবার পোডিয়ামে মডিউল লাগানো হবে। এর ফলে পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় থাকবে। সকল উপস্থাপককে অলিম্পিক শুরুর আগে বাধ্যতামূলক করোনার টিকা নিতে হবে। প্রতি ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে উপস্থাপক ছাড়াও একজন অলিম্পিক সংস্থার সদস্য এবং একজন আন্তর্জাতিক ফেডারেশনের প্রতিনিধি থাকবেন।বৃহস্পতিবার আন্তর্জতিক অলিম্পিক সংস্থার প্রেসিডেন্ট থমাস বাখ টোকিওর গভর্নর ইউকে কোইকির সঙ্গে দেখা করেছেন। তার আগে তিনি অলিম্পিক ভিলেজ পরিদর্শন করেন। এবারের অলিম্পিক দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হলেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রায় ১ হাজার ভিআইপি অতিথি হাজির থাকতে পারেন। বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগী, অফিসিয়াল মিলিয়ে সংখ্যাটা প্রায় ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানা গেছে।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wimbledon : বেরেত্তিনিকে হারিয়ে ফেডেরার, নাদালকে ধরে ফেললেন জকোভিচ

মাত্তেও বেরেত্তিনিকে হারিয়ে ষষ্ঠবার উইম্বলডন খেতাব জিতলেন নোভাক জোকোভিচ। এই নিয়ে টানা তিন বার। একই সঙ্গে তিনি স্পর্শ করলেন টেনিস ইতিহাসের অন্যতম দুই সেরা খেলোয়াড় রজার ফেডেরার, রাফায়েল নাদালের ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের রেকর্ড। মাত্তেও বেরেত্তিনির বিরুদ্ধে জয় অবশ্য সহজে আসেনি জকোভিচের। প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টার লড়াইয়ে ৬৭ (৪৭), ৬৪, ৬৪, ৬৩ জেতেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।Kiss from a rose 🌹Novaks done this 20 times. But the feeling will remain as sweet as ever. #Wimbledon pic.twitter.com/uHEmY7MOtp Roland-Garros (@rolandgarros) July 11, 2021বিশ্ব টেনিস সার্কিটে শেষ পাঁচ বছরে আধিপত্য দেখিয়ে আসছেন নোভাক জকোভিচ। যদি এদিন বেরেত্তিনির বিরুদ্ধে নাও জিততেন, তবুও ফেডেরার, নাদালের রেকর্ড স্পর্শ করতে বেশিদিন অপেক্ষা করতে হত না। কারণ দুই টেনিস তারকাই খেলোয়াড়ী জীবনের শেষপ্রান্তে এসে পৌঁছেছেন। আর নোভাক জকোভিচ এই মুহূর্তে ফর্মের চূড়ান্ত শিখরে। এদিন উইম্বলডন ফাইনালের প্রথম সেটে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। একটা সময় ৫২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন জকোভিচ। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ায় বেরেত্তিনি। শেষ পর্যন্ত প্রথম সেট গড়ায় টাইব্রেকারে। শেষ পর্যন্ত ৭৬ (৭৪) ব্যবধানে সেট জিতে নেন বেরেত্তিনি। প্রথম সেট হারলেও দুরন্ত লড়াই করেন জকোভিচ। The moment @DjokerNole became #Wimbledon champion for the sixth time pic.twitter.com/5xN8ogWYYT Wimbledon (@Wimbledon) July 11, 2021দ্বিতীয় সেটে দারুণ প্রত্যাবর্তন নোভাক জকোভিচ। ৬৪ ব্যবধানে জিতে নেন। তৃতীয় সেটও একই ব্যবধানে জিতে নেন। প্রথম সেট জেতার পর মাত্তেও বেরেত্তিনি ধীরে ধীরে ম্যাচ থেকে হারিয়ে যেতে থাকেন। অভিজ্ঞতা দিয়ে ম্যাচ বার করে নেন জকোভিচ। চতুর্থ সেটে বেরেত্তিনির দুটি সার্ভিস ব্রেক করেন জকোভিচ। ৬৩ ব্যবধানে জিতে খেতাব জিতে নেন।Congrats Novak on your 20th major. Im proud to have the opportunity to play in a special era of tennis champions. Wonderful performance, well done! Roger Federer (@rogerfederer) July 11, 2021২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতে যে যাত্রা শুরু করেছিলেন জকোভিচ, ২০২১ সালে এসে বৃত্ত সম্পূর্ণ হল। ৯ বার অস্ট্রেলীয় ওপেন, ২ বার ফরাসি ওপেন এবং ৩ বার ইউএস ওপেন জিতেছেন নোভাক জকোভিচ। নিউ ইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র ওপেন জিতলে ৫০ বছরের বেশি সময় পর কোনও পুরুষ সিঙ্গলস খেলোয়াড় ক্যালেন্ডার গ্র্যান্ড স্লাম জিতবেন। রড লেভার ১৯৬৯ সালে এই অনন্য নজির গড়েছিলেন।

জুলাই ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Samir Bandyopadhyay : আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণের

নাসরীন সুলতানাবয়স মাত্র ১৭। বয়েজ কেরিয়ারের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যামে নেমেই জিতে নিয়েছে সিঙ্গলস খেতাব। জুনিয়র উইম্বলডনের ফাইনালে জিতে ইতিহাস গড়ে ফেলল প্রবাসী বাঙালী সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়। মাত্র ১ ঘণ্টা ২২ মিনিটে স্ট্রেট সেটে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্টর লিলোভকে উড়িয়ে দিয়েছে। খেলার ফল ৭-৫, ৬-৩।এ বছর ফরাসি ওপেনে জুনিয়র সিঙ্গলসে নেমেছিল সমীর। প্রথম রাউন্ডে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। কিন্তু উইম্বলডনে বাজিমাত করল। ২০০৯ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে শেষ ভারতীয় হিসেবে জুনিয়র গ্র্যান্ড স্ল্যাম সিঙ্গলস খেতাব জিতেছিল ইউকি ভামব্রি। ২০১৫ সালে ভিয়েতনামের পার্টনারকে নিয়ে উইম্বলডন বয়েজ ডাবলস খেতাব জেতেন। জাপানি পার্টনার নিয়ে এবার ডাবলস সেমিফাইনাল থেকে আগেরদিন বিদায় নিলেও সুমিত সিঙ্গলস চ্যাম্পিয়ন হল।A future mens champion?Samir Banerjee might well be a name you become more familiar with in the future#Wimbledon pic.twitter.com/byAEBwBrSp Wimbledon (@Wimbledon) July 11, 2021লিলোভের বিরুদ্ধে একটা সময় প্রথম সেটে ৫-২ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়েছিল সমীর। তারপর লড়াইয়ে ফিরে আসে লিলোভ। তবে শেষ পর্যন্ত ৭-৫ গেমে প্রথম সেট জিতে নেয় সমীর। দ্বিতীয় সেটে প্রথম থেকে ভাল লড়াই হলেও লিলোভের সার্ভিস ভেঙে এগিয়ে যায় সমীর। এরপর আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি লিলোভ। স্ট্রেট সেটে হারতে হয় তাকে। আগেরদিন ডাবলস সেমিফাইনালে হেরে গেলেও এবারের উইম্বলডনে যেভাবে আগাগোড়া দাপট দেখিয়ে আসছেন এদিন তা বজায় রেখে নতুন ইতিহাস গড়ে সমীর।প্রবাসী বাঙালি সমীর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে হলেও তার সাফল্যে গর্বিত বাঙালি। তার বাবামা আশির দশক থেকেই পাকাপাকিভাবে বসবাস করছেন আমেরিকায়। নিউ জার্সিতেই জন্ম সমীরের, তবে তাঁদের আদি বাড়ি আসামে। মার্কিন বাসিন্দা হলেও বাঙালি হিসেবে তিনি গ্র্যান্ড স্ল্যাম সিঙ্গলসের ফাইনাল খেলছেন, এটাই গর্বিত বাঙালি। আইটিএফ ক্রমতালিকায় বিশ্বের ১৯ নম্বর সমীর কেরিয়ারের দ্বিতীয় জুনিয়র গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেলতে নেমেছিলেন। বাবামায়ের উৎসাহেই টেনিসে আসা সমীরের। চ্যাম্পিয়ন হয়ে খুশি সে। তবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা কখনও ভাবেনি।

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wimbledon: উইম্বলডনের নতুন রানি অ্যাশলে বার্টি, তৈরি করলেন অন্য নজির

নাসরীন সুলতানা আগেও গ্র্যান্ড স্লাম জিতেছেন। কিন্তু উইম্বলডন জেতার মর্যাদাই আলাদা। তাই স্বপ্ন ছিল উইম্বলডন খেতাব। এই ট্রফিটা ক্যাবিনেটে শোভা না পেলে তাঁর টেনিস জীবন অপূর্ণই থেকে যেত। স্বপ্নপূরণ করতে মরিয়া ছিলেন। বেছে নিয়েছিলেন এবছরের উইম্বলডনকে। অবশেষে স্বপ্নপূরণ। সেন্টার কোর্টে জীবনের দ্বিতীয় গ্র্যান্ডস্লাম জিতে নিলেন অ্যাশলে বার্টি। ৪১ বছর পর প্রথম অস্ট্রেলীয় মহিলা হিসেবে ট্রফি জিতে ইতিহাস তৈরি করলেন। ক্যারোলিনা প্লিসকোভার বিরুদ্ধে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর ৬৩, ৬৭(৬৪), ৬৩ সেটে জিতে চ্যাম্পিয়ন হলেন বার্টি।আরও পড়ুনঃ প্রতিবছর রাজ্যে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ, কী বললেন শিক্ষামন্ত্রী? জানুনচেক প্রজাতন্ত্রের ক্যারোলিনা প্লিসকোভার বিরুদ্ধে জয় অবশ্য সহজে আসেনি অ্যাশলে বার্টির। যথেষ্ট লড়ে জিততে হয় এই অস্ট্রেলিয়ান টেনিস তারকাকে। শুরুর দিকে ফাইনাল খেলার চাপ নিতে পারেননি ক্যারোলিনা প্লিসকোভা। প্রথম তিনটি গেমে একটা পয়েন্টও ঘরে তুলতে পারেননি তিনি। চতুর্থ গেমে ডাবল ফল্ট করে ০৪ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েন। তারপর খেলায় ফেরেন প্লিসকোভা। যদিও শেষ পর্যন্ত ৬৩ ব্যবধানে প্রথম সেট জিতে নেন বার্টি। প্রথম সেট জিততে সময় নেন ২৮ মিনিট।আরও পড়ুনঃ উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির বেরেত্তিনিদ্বিতীয় সেটে দারুণভাবে প্রত্যাবর্তন করেন প্লিসকোভা। একসময় ৩১ ব্যবধানে এগিয়ে যান অ্যাশলে বার্টি। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ান প্লিসকোভা। একসময় সমতা ফেরান। তখন খেলার ফল দাঁড়ায় ৩৩। সমানে সমানে লড়াই চলতে থাকে। স্কোর ৫৫ হয়ে যায়। ৬৫ ব্যবধানে এগিয়েও যান বার্টি। এরপর সেট টাইব্রেকারে গড়ায়। টাইব্রেকারে অ্যাশলে বার্টি ডাবল ফল্ট করলে ৭৬ (৬৪) ব্যবধানে সেট জিতে নেন প্লিসকোভা। আরও পড়ুনঃ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনার দোসর জিকা ভাইরাসতৃতীয় সেটের শুরু থেকেই অবশ্য অ্যাশলে বার্টির দাপট ছিল। প্লিসকোভার সার্ভিস ভেঙে ৩০ ববধানে এগিয়েও যান। এরপর আর বার্টিকে সমস্যায় ফেলতে পারেননি প্লিসকোভা। নিজের সার্ভিস ধরে রেখে দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্লাম পাকা করেন অ্যাশলে বার্টি। ৪১ বছর পর প্রথম অস্ট্রেলিয়ান মহিলা হিসেবে উইম্বলডনে চ্যাম্পিয়ন হলেন। ১৯৮০ সালে শেষবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ইভন গুলাগং। এটা বার্টির দ্বিতীয় গ্র্যান্ডস্লাম খেতাব। এর আগে ২০১৯ সালে ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হন তিনি।

জুলাই ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wimbledon: ‌উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির বেরেত্তিনি

নাসরীন সুলতানারজার ফেডেরার ও রাফায়েল নাদালের রেকর্ড কি লন্ডনেই স্পর্শ করতে পারবেন নোভাক জকোভিচ? তাঁর সামনে এসে গেছে সেই সুযোগ। এখনও পর্যন্ত ১৯ বার গ্রান্ডস্লাম জিতেছেন জকোভিচ। রবিবার উইম্বলডনে চ্যাম্পিয়ন হলেই ফেডেরার ও নাদালের ২০টি গ্রান্ডস্লাম জেতার রেকর্ড স্পর্শ করবেন এই সার্বিয়ান টেনিস তারকা।উইম্বলডনের ফাইনালে জকোভিচের সামনে ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনি। ফাইনালে ওঠার পথে জকোভিচতে অবশ্য যথেষ্ট ঘাম ঝড়াতে হয়েছে। কানাডার ডেনিস শাপোভালভকে হারান ৭৬, ৭৫, ৭৫ ব্যবধানে। এই নিয়ে ৩০ বার গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে উঠলেন জকোভিচ। উইম্বলডনে ৭ বার। চ্যাম্পিয়ন হলে ষষ্ঠবার উইম্বলডন জেতার স্বাদ পাবেন। শাপোভালভ এদিন কঠিন চ্যালে়ঞ্জের মুখে ফেলেছিলেন জকোভিচকে। ২ ঘণ্টা ৪৪ মিনিটের লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত জকোভিচই বাজিমাত করেন।আরও পড়ুনঃ স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে শিয়েরারের, ১৯৮২র কথা মনে পড়ছে জফেরপুরুষদের অন্য সেমিফাইনালে হুবার্ট হুর্কাজকে হারিয়ে জীবনের প্রথম গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনালে পৌঁছে যান ইতালির মাত্তেও বেরেত্তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে আট বারের চ্যাম্পিয়ন রজার ফেডেরারকে উড়িয়ে দিয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছিলেন পোল্যান্ডের তারকা হুর্কাজ। শুক্রবার সপ্তম বাছাই বেরেত্তিনি তাঁর বিরুদ্ধে জেতেন ৬৩, ৬০, ৬৭, ৬৪ সেটে। এই প্রথম ইতালির কোনও খেলোয়াড় ঘাসের কোর্টে গ্র্যান্ড স্লাম ফাইনাল খেলতে চলেছেন। শেষ গ্র্যান্ডস্লামের ফাইনালে খেলেছিলেন আদ্রিয়ানো পানাত্তা, ১৯৭৬ সালে।আরও পড়ুনঃ ভারতশ্রীলঙ্কা সিরিজ কি অনিশ্চিত? আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়ে এসেছেএদিকে, আজ উইম্বলডনে মহিলাদের সিঙ্গলস ফাইনালে মুখোমুখি অ্যাশলে বার্টি ও ক্যারোলিনা প্লিসকোভা। চ্যাম্পিয়ন হলে টেনিস জীবনে দ্বিতীয় খেতাব পাবেন অ্যাশলে বার্টি। অন্যদিকে ক্যারোলিনা প্লিসকোভা এই আগে মাত্র একটিই টেনিস মেজরের ফাইনালে খেলেছিলেন। ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাই বড় চ্যালেঞ্জ চেক প্রজাতন্ত্রের এই তারকা খেলোয়াড়ের সামনে। বার্টিকে হারাতে পারলে নজির গড়বেন প্লিসকোভা। চতুর্থ খেলোয়াড় হিসেবে উইম্বলডনে দুই শীর্ষ বাছাইকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হবেন তিনি। এর আগে ২০০০ সালে শীর্ষ বাছাই মার্টিনা হিঙ্গিসকে কোয়ার্টার ফাইনালে এবং দ্বিতীয় বাছাই লিন্ডসে ডাভেনপোর্টকে ফাইনালে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন ভেনাস উইলিয়ামস। ২০০৫ সালেও দ্বিতীয় বাছাই মারিয়া শারাপোভাকে সেমিফাইনালে এবং ডাভেনপোর্টকে ফাইনালে হারান ভেনাস। প্লিসকোভা সেমিফাইনালে হারান দ্বিতীয় বাছাই আরিয়ানা সাবলেঙ্কাকে। এবার বার্টিকে হারানোর সুযোগ।

জুলাই ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

লাইন জাজকে মেরে বিদায় জকোভিচের

যুক্তরাষ্ট্র ওপেন থেকে অবাক বিদায় নোভাক জকোভিচের। রবিবার ৬ সেপ্টেম্বর আর্থার অ্যাশ স্টেডিয়ামে চলছিল চতুর্থ রাউন্ডের খেলা। স্পেনের পাবলো ক্যারেনো বুস্তার কাছে প্রথম সেটে ৫-৬-এ পিছিয়ে পড়েন এদিন ছন্দে না থাকা বিশ্বের ১ নম্বর জকোভিচ। হতাশায় নিজের পিছন দিকে বল ছুঁড়ে মারেন তিনি, যেটি গিয়ে লাগে লাইন জাজের মুখের কাছে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন ছুটে যান জোকার, আঘাত গুরুতর না হলেও ক্ষমা চেয়ে নেন। ছুটে আসেন টুর্নামেন্ট রেফারি, চেয়ার আম্পায়ার, সুপারভাইজাররা। তাঁদের জকোভিচ বোঝান কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য ছিল না, ওই মহিলা লাইন জাজকে হাসপাতালে নেওয়ার দরকারও নেই। কিন্তু অফিসিয়ালদের এভাবে দীর্ঘক্ষণ বোঝানোর চেষ্টা বিফলে যায়। নিয়ম অনুযায়ী এবারের ইউ এস ওপেনে আর নামতে পারবেন না বিশ্বের ১ নম্বর। রজার ফেডেরারের গ্র্যান্ড স্লাম রেকর্ডের আরও কাছে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে হলো না। পরে ইনস্টাগ্রামেও ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন জকোভিচ।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেটে পরপর ২ সোনা ভারতের, ভিত তৈরির নেপথ্যে সৌরভেরই অবদান

এশিয়ান গেমসে ভারত পরপর ২ বার সোনা জিতল মেয়েদের ক্রিকেটে। এবারের গেমসে দেশকে প্রথম সোনা এনে দিল হরমনপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন দল। ফাইনাল-সহ এবারের এশিয়ান গেমসে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন বাংলার রিচা ঘোষও। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বড় ভূমিকা। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে আলোকপাত করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক ঝুলন গোস্বামী।ঝুলন বলেন, ২০১৭-র পর থেকেই আমরা বিসিসিআইকে বলেছিলাম ইংল্যান্ডে যেমন সুপার লিগ (এখন দ্য হান্ড্রেড), অস্ট্রেলিয়ায় মেয়েদের বিগ ব্যাশ লিগ হচ্ছে। আমাদের দেশে কেন হবে না? তখন বিসিসিআই চলছিল কমিটি অব অ্যাডমিনিস্ট্রেটরসের নেতৃত্বে। কীভাবে আমাদের দেশে এমন লিগ হতে পারে তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়। বিসিসিআই ভাবছিল বড় কেউ আসবে কিনা, টিম নেবে না। আইপিএল অনেক বড় মাপের। তার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্ট নিয়ে মানুষের আগ্রহ থাকবে কিনা। ফলে তিনটি টিমকে আইপিএলের ফাঁকে নিজেদের মধ্যে খেলানো শুরু হলো। যা ট্রায়াল রান বলা যেতে পারে। বিদেশিদের আনা হলো। আমরা প্রথম খেলেছিলাম জয়পুরে। প্রথম থেকেই রেসপন্স ভালো ছিল।ঝুলনের কথায়, মহারাজদা (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) ২০১৯ সালে বিসিসিআই সভাপতি হলেন। কঠিন সময়ে। কেন না, এর পরেই কোভিড শুরু হয়। যা প্রায় ২ বছর ক্রিকেটকে স্তব্ধ করে দেয়। তবে ক্রিকেট এই সময়কালেও অন্য জায়গায় পৌঁছেছিল মহারাজদা, জয় শাহর জন্য। প্লেয়ার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, স্কোরার- পুরুষ ও মহিলা নির্বিশেষে কারও স্যালারি আটকায়নি। সবাই জানেন ওই সময় কতটা কঠিন ছিল। তার মধ্যেই ম্যাচ খেলানোর ব্যবস্থা হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে পুরুষ ও মহিলা দলকে দুবাই পাঠিয়ে খেলানোর সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাভেল করে কোয়ারান্টিনের মধ্যে কাটানোর পর সকলে পারফর্ম করেছেন। মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়া হয়। মানসিক স্বাস্থ্য যাতে ভেঙে না পড়ে তা নিশ্চিত করতে কেউ না কেউ সব সময় থাকতেন। ঝুলন জানান, দেশের মহিলাদের ক্রিকেটে সৌরভের বড় পদক্ষেপ টেস্ট ক্রিকেট ফেরানো। ঝুলন বলেন, আমি এতদিনে মাত্র ১২টি টেস্ট খেলেছি। কারণ ২০০৬-এর পর ৮ বছর কোনও টেস্ট খেলিনি। ২০১৪-১৫ নাগাদ খেলার পর আবার বন্ধ ছিল দীর্ঘদিন। মহারাজদা টেস্ট ক্রিকেট ফেরান। কোভিডকালে দাদা, জয় শাহরা আমাদের ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলার বন্দোবস্ত করেন। অস্ট্রেলিয়ায় গোলাপি বলে টেস্ট ক্রিকেট খেলি, যা দেশের মেয়েদের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় বিপ্লব। টেস্টই আল্টিমেট ক্রিকেট। যেখানে দক্ষতা, মানসিকতার বিকাশ ঘটে। সবরকম চ্যালেঞ্জের জন্য প্লেয়ারকে তৈরি করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

হোল্ডিং সেন্টারের দেওয়াল টপকে চম্পট, গন্ধ শুঁকে রোহিঙ্গা যুবককে খুঁজে দিল অরল্যান্ডো

হোল্ডিং সেন্টারের কড়া নিরাপত্তা এড়িয়ে দেওয়াল টপকে পালিয়েও শেষরক্ষা হল না এক রোহিঙ্গা যুবকের। বন দপ্তরের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোর নিখুঁত ট্র্যাকিংয়ের জেরে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে ফের আটক করল পুলিশ। রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টার থেকে পালানোর পর প্রায় এক কিলোমিটার দূরে একটি চা বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত যুবকের নাম মোহাম্মদ সোলেমান। গত ২০ সেপ্টেম্বর নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন এলাকা থেকে চার জনের একটি সন্দেহভাজন রোহিঙ্গা দলকে আটক করা হয়েছিল। সেই দলের সদস্য সোলেমানকেও রাজগঞ্জের ফাটাপুকুর হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়।রবিবার সকালে শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে সেন্টারের ভিতর থেকে বেরিয়েছিল সোলেমান। সেই সুযোগেই উঁচু দেওয়াল টপকে ঝোপঝাড়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যায় সে। কিছুক্ষণ পর বিষয়টি নিরাপত্তারক্ষীদের নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় রাজগঞ্জ থানায়। শুরু হয় বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি।দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালিয়েও পলাতক যুবকের সন্ধান না মেলায় পুলিশের পক্ষ থেকে বন দপ্তরের সাহায্য চাওয়া হয়। মালবাজার মহকুমা পুলিশের অনুরোধে জলপাইগুড়ি বন্যপ্রাণী বিভাগের পক্ষ থেকে গরুমারা জাতীয় উদ্যানের প্রশিক্ষিত স্নিফার ডগ অরল্যান্ডোকে ঘটনাস্থলে আনা হয়।সোলেমানের পরনে থাকা বা ফেলে যাওয়া পোশাকের গন্ধ শুঁকিয়ে অরল্যান্ডোকে তল্লাশি অভিযানে নামানো হয়। এরপর গন্ধ অনুসরণ করে সে হোল্ডিং সেন্টার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে পানিকৌড়ি মোড় সংলগ্ন একটি চা বাগানের দিকে এগিয়ে যায়। অরল্যান্ডোর দেখানো পথ অনুসরণ করে তল্লাশি চালাতেই চা বাগানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় সোলেমানের সন্ধান পান পুলিশকর্মীরা। সেখান থেকেই তাকে ফের আটক করা হয়।বন দপ্তরের সহকারী বনাধিকারিক রাজীব দে জানান, পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে তাঁদের প্রশিক্ষিত কুকুর সফলভাবে পলাতক বন্দিকে খুঁজে বের করায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। এর আগে গরুমারা এলাকায় চোরাশিকারীদের দমনে একাধিকবার সাফল্য দেখিয়েছে অরল্যান্ডো। এবার পলাতক বন্দির সন্ধানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল সে।তবে এই ঘটনায় রাজগঞ্জের হোল্ডিং সেন্টারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কড়া পাহারা ও নজরদারি থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এক যুবক সেন্টারের উঁচু দেওয়াল টপকে পালিয়ে গেল, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোথায় গলদ ছিল, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

দমকা ঝড়ে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম, উড়ল চাল, উপড়ে পড়ল গাছ, খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক

হঠাৎ ঝড়ের তান্ডবে লন্ডভন্ড পূর্বস্থলীর গ্রাম। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী ২ ব্লকের কালেখাঁতলা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাপাতলা তিনপাড়া এলাকা ঝড়ের দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে। কারও কারও বাড়ির ওপর গাছ ভেঙে পড়েছে। কারও টিনের চালা উড়ে গিয়েছে। মোদ্দা কথা পুজোর মুখে এই ঘটনায় মাথায় হাত পড়েছে গ্রামবাসীদের। কি করে সামাল দেবেন এই অবস্থা তা নিয়ে কপালে ভাঁজ পড়েছে বাসিন্দাদের। প্রশাসন গ্রামবাসীদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছে। গ্রামে গিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায়।গ্রামবাসীরা জানিয়েছে, শুক্রবার রাতে হঠাৎ দমকা ঝড় ওঠে। ঝড় মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী ছিল বলে তাঁরা জানিয়েছেন। কিছু সময়ের প্রবল ঝড়ে আঁতকে ওঠেন তাঁরা। গ্রামের প্রায় ২৫-৩০ টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে অনেকগুলো কাঁচা বাড়িও রয়েছে। অসহায় মানুষগুলো এবার কি করবেন তা ভেবেই পাচ্ছেন না। হঠাৎ মাথার ছাদ চলে যাওয়ায় গ্রামবাসীরা অসহায় বোধ করছেন। ঝড়ে একজন জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয় বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় শনিবার সাকালে ওই গ্রামে গিয়ে হাজির হন। ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি খতিয়ে দেখেন তিনি। বিধায়ক গ্রামবাসীদের জানিয়ে দেন, তিনি গ্রামবাসীদের পাশে আছেন। সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন। পূর্বস্থলী উত্তরের বিধায়ক গোপাল চট্টোপাধ্যায় জানান, বিধ্বংসী ঝড়ে ওই গ্রামের প্রায় ৩০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশ কিছু বাড়ির চালা উড়ে গিয়েছে। কয়েকটা গাছপালাও ঝড়ে পড়ে গিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে চাষাবাদেরও। প্রশাসনের কর্তাদের নজরদারিতে উদ্ধারের কাজ চলছে। সরকারি ভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করা হবে। বিডিও পারিজাত বোস জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্তদের নামের তালিকা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান, তারপরই বচসা থেকে হাতাহাতি! উত্তপ্ত সত্যজিৎ রায় ফিল্ম ইনস্টিটিউট

কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পশ্চিমবঙ্গ শাখার একটি কর্মসূচি প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে চলছিল। সেই অনুষ্ঠানকে ঘিরে পড়ুয়াদের একাংশ আপত্তি জানালে প্রথমে বচসা এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে। ঘটনায় একাধিক জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের তরফে প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অনুষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠানের অনুমতি নিয়েই আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েক জন পড়ুয়া সেখানে গিয়ে কেন প্রতিষ্ঠানের ভিতরে এই ধরনের কর্মসূচি হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পড়ুয়াদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে কয়েক জন বক্তার বক্তব্য নিয়ে তাঁদের আপত্তি ছিল। সেই আপত্তি জানাতে গেলে তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং মারধর করা হয়। কয়েক জন পড়ুয়া ও শিক্ষকের উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পড়ুয়াদের আরও দাবি, তাঁদের নানা নামে কটাক্ষ করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে তাঁদেরই আক্রান্ত হতে হয়েছে। এই অভিযোগগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।অন্য দিকে, অনুষ্ঠান আয়োজকদের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাঁদের দাবি, টাকা দিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পর তাঁরা নিজেদের কর্মসূচি করছিলেন। সেই সময় পড়ুয়ারা অনুষ্ঠানে বাধা দেন এবং তাঁদের পোস্টার ও ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকেই বচসা এবং পরে হাতাহাতি শুরু হয় বলে আয়োজকদের দাবি। অর্থাৎ, সংঘর্ষের সূত্রপাত নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা।ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পড়ুয়ারা ক্যাম্পাসের গেট আটকে বিক্ষোভ দেখান বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। অনুষ্ঠান আয়োজকদের একটি বাসও আটকে রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বড় বাহিনী ক্যাম্পাসে পৌঁছয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।ক্যাম্পাসের বাইরে থেকেও ইট ও জলের বোতল ছোড়ার অভিযোগ উঠেছে। কয়েক জন পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলে। ঘটনার জেরে দীর্ঘ সময় ধরে প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উত্তপ্ত ছিল।এই ঘটনার সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনছেন অনেকে। তবে দুই ঘটনার মধ্যে সরাসরি কোনও যোগসূত্র রয়েছে, এমন তথ্য এখনও সামনে আসেনি। ফলে এই তুলনা রাজনৈতিক বা সামাজিক আলোচনার অংশ হলেও, তা প্রতিষ্ঠিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানও শোনা গিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে। পরিস্থিতি যাতে আরও না ছড়ায়, সে জন্য পুলিশ ক্যাম্পাসে অবস্থান করছে। সংঘর্ষের ঘটনায় ঠিক কত জন আহত এবং কার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তদন্ত ও পুলিশের পরবর্তী বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কেন অনুষ্ঠান নিয়ে পড়ুয়াদের আপত্তি তৈরি হয়েছিল, সংঘর্ষ কী ভাবে শুরু হল এবং দুই পক্ষের অভিযোগের মধ্যে কোনগুলি তদন্তে সত্যি প্রমাণিত হয়, এখন সেদিকেই নজর। পুলিশি তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির বক্তব্যের ভিত্তিতেই ঘটনার পূর্ণ চিত্র স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
বিদেশ

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলা! দক্ষিণ আফ্রিকায় মৃত অন্তত ২৭

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর বন্দুকবাজের হামলায় কেঁপে উঠল দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহেনেসবার্গ এবং কেপটাউনে দুটি পৃথক ঘটনায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। হামলার পর অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।প্রথম হামলাটি ঘটে শনিবার সন্ধ্যায় জোহেনেসবার্গে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি পানশালায় আচমকা ঢুকে পড়ে কয়েক জন বন্দুকধারী। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাঁরা এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন। ওই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৫ জন।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ এবং ৪ জন মহিলা। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার আগে বন্দুকধারীরা বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় বলেও জানা গিয়েছে। ঠিক কী কারণে এই হামলা চালানো হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই দ্বিতীয় হামলার ঘটনা ঘটে কেপটাউনের একটি জনবহুল এলাকায়। রবিবার ভোরে একটি বিনোদন কেন্দ্রের বাইরে আচমকা গুলির শব্দ শোনা যায়। সেখানে গুলিবিদ্ধ হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।পুলিশ জানিয়েছে, দ্বিতীয় ঘটনায় পাঁচ জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় বাকিদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও পাঁচ জনের মৃত্যু হয়। এই হামলার পিছনে কারা রয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। কোনও সংগঠিত সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দুটি হামলার পর দক্ষিণ আফ্রিকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত কোনও সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।সাম্প্রতিক বছরগুলিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং গ্যাং-হিংসা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। মাদক পাচার, অবৈধ খনি এবং বিভিন্ন অপরাধচক্রের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনাও দেশটির একাধিক এলাকায় ঘটে থাকে। সেই পরিস্থিতির মধ্যেই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি বড় বন্দুক হামলার ঘটনায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।তবে জোহেনেসবার্গ ও কেপটাউনের দুটি হামলার মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। হামলার নেপথ্যে উদ্দেশ্য কী ছিল এবং একই গোষ্ঠী এর সঙ্গে জড়িত কি না, তদন্তের পরই তা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
কলকাতা

‘মৌসম বদলেছে, জমানাও বদলেছে’, সাধুদের কী বার্তা দিলেন শুভেন্দু?

নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে বড় বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, সময় বদলেছে, পরিস্থিতিও বদলেছে। তাই সাধু-সন্তদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। তাঁরা মন খুলে গীতাপাঠ, গীতা বিতরণ এবং হনুমান চালিশা পাঠ করতে পারেন।শুভেন্দুর দাবি, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা তাঁদের ভয় দেখানোর ঘটনা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে জেল পর্যন্ত হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। সম্প্রতি বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে কলকাতায় এক কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার আগে বিধানসভা থেকে ওই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু।গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যের শেষে গীতার একটি অধ্যায়ও পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাধু-সন্তদের ধর্মীয় কাজকর্ম নিয়ে ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নেই। গীতা পাঠ, গীতা বিতরণ, হনুমান চালিশা পাঠের পাশাপাশি ধর্মীয় বাদ্যযন্ত্র বাজানো বা হরেকৃষ্ণ নাম করার ক্ষেত্রেও কোনও ভয় থাকা উচিত নয়।শুভেন্দুর বক্তব্যে বাগেশ্বর বাবার প্রসঙ্গও উঠে আসে। তিনি বলেন, কোনও সাধু-সন্ত নিজের মতো করে সনাতনী ধর্মের প্রচার করতে পারেন। কেউ তাঁর বক্তব্য গ্রহণ করবেন কি না, সেটা ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু তাঁর ছবি পোড়ানো বা তাঁকে অপমান করার ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়। বাগেশ্বর বাবার ছবি পোড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই পুলিশি পদক্ষেপ হয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।শুভেন্দু আরও বলেন, সাধু-সন্তদের অপমান করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলে ভবিষ্যতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় আচার পালনের পাশাপাশি সবাইকে এক থাকার বার্তাও উঠে আসে।এদিনের অনুষ্ঠানে আগামী ২৯ ডিসেম্বর কলকাতায় আরও বড় গীতাপাঠের আয়োজনের কথা জানান শুভেন্দু। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, ওই দিন ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করার পরিকল্পনা রয়েছে। সেই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন বলেও জানান তিনি।গীতাপাঠের মঞ্চ থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন শুভেন্দু। শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজাদি সংক্রান্ত মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি তীব্র রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া জানান।শুভেন্দুর বক্তব্য, এই ধরনের মন্তব্য করলে রাষ্ট্রবাদী মানুষের প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়তে হবে। তাঁর বক্তব্যে উপড়ে ফেলে দেওয়ার মতো তীব্র রাজনৈতিক ভাষাও উঠে আসে। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আচার, সাধু-সন্তদের নিরাপত্তা ও সম্মানের পাশাপাশি রাজনৈতিক বিষয়ও উঠে আসে। একদিকে বাগেশ্বর বাবাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক, অন্যদিকে ছবি পোড়ানোর ঘটনায় পুলিশি পদক্ষেপএই দুই ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই শুভেন্দুর নতুন বক্তব্য সামনে এল। বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের সঙ্গে বিজেপির একাংশের মতপার্থক্যের কথাও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।সব মিলিয়ে ১১ হাজার কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠান থেকে সাধু-সন্তদের উদ্দেশে শুভেন্দুর বার্তা এবং আগামী দিনে আরও বড় গীতাপাঠের ঘোষণা রাজনৈতিক ও ধর্মীয়দুই ক্ষেত্রেই নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট, হঠাৎ বিরোধীদের দাবিতে বড় প্রশ্ন তুললেন মুকুল রোহতগি

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে সংসদে নতুন করে প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিরোধীরা। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বিরোধী শিবিরের তরফে লোকসভা ও রাজ্যসভাদুই কক্ষেই প্রস্তাব আনার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে। সেই আবহেই প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল তথা প্রবীণ আইনজীবী মুকুল রোহতগির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোহতগি দাবি করেছেন, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ সামনে আনা হচ্ছে, সেগুলি ইমপিচমেন্টের সাংবিধানিক ভিত্তি তৈরি করার জন্য যথেষ্ট নয়। তাঁর বক্তব্য, সম্পূর্ণ অস্পষ্ট এবং শক্ত প্রমাণহীন অভিযোগের ভিত্তিতে এমন প্রস্তাব আনা যায় না।রোহতগির যুক্তি, নির্বাচন কমিশনের তিন সদস্যের মধ্যে কোনও বিষয়ে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তাঁর মতে, মতের অমিল নিজে থেকে অসাংবিধানিক বা বেআইনি কাজের প্রমাণ নয়। বরং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনা ও মতপার্থক্য সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাভাবিক অংশ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।এই প্রসঙ্গে রোহতগি নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিশনের অন্দরে কোনও পর্যায়ে মতের অমিল থাকলেও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক ভাবে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেটিই কমিশনের সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। নির্বাচন কমিশনও জানিয়েছে, তাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবে গৃহীত হয়েছে এবং অভ্যন্তরীণ পর্যায়ের মতামতকে আনুষ্ঠানিক ভিন্নমত হিসেবে দেখা ঠিক নয়।তিন সদস্যের কমিশনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভোট অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের চেয়ে বেশি নয় বলেও ব্যাখ্যা দিয়েছেন রোহতগি। অর্থাৎ তিন সদস্যের প্রত্যেকের ভোটের মূল্য সমান। কোনও বিষয়ে দুই কমিশনার এক দিকে থাকলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় বলে তাঁর বক্তব্য।রোহতগি এই পরিস্থিতির সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের একাধিক বিচারপতির বেঞ্চের তুলনাও করেছেন। তাঁর যুক্তি, বিচারপতিদের মধ্যে কোনও মামলায় মতপার্থক্য থাকলেও সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির রায়ই শেষ পর্যন্ত আদালতের সিদ্ধান্ত হিসেবে কার্যকর হয়। একই ভাবে নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের মধ্যে মতের অমিলকে শুধুমাত্র সেই কারণেই অসদাচরণ বলা যায় না বলে মত তাঁর।তবে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক শুধু কমিশনের অন্দরের মতপার্থক্যে সীমাবদ্ধ নেই। প্রাক্তন কেরল মুখ্যসচিব জিজি থমসন সম্প্রতি দাবি করেছেন, ২০১৬ সালে একটি বিমানে দিল্লি যাওয়ার সময় তৎকালীন আমলা জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। থমসনের দাবি, তাঁকে পাঠানমতিট্টা কেন্দ্র থেকে লড়ার কথা বলা হয়েছিল এবং তিনি সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।থমসনের এই দাবি অবশ্য তাঁর নিজের বক্তব্য হিসেবেই সামনে এসেছে। জ্ঞানেশ কুমারের তরফে এই অভিযোগের কোনও জবাব প্রকাশ্যে এসেছে কি না, তা নিয়েও সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে যে তিনি এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাননি। তাই অভিযোগটির সত্যতা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য এবং প্রাসঙ্গিক তথ্য সামনে আসা প্রয়োজন।জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বর্তমান বিতর্কের আরও একটি বড় কারণ নির্বাচন কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন। একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে কমিশনের দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি নথিভুক্ত করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, মতের পার্থক্য স্বাভাবিক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এক দিকে জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের প্রস্তাব আনার প্রস্তুতি, অন্য দিকে সেই প্রস্তাবের সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে মুকুল রোহতগির প্রশ্নদুই ঘটনাই জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে। পাশাপাশি প্রাক্তন আমলার বিজেপির টিকিটের প্রস্তাব সংক্রান্ত দাবিও বিতর্ককে আরও জটিল করেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগ, দাবি ও পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে কোনগুলি প্রমাণিত এবং কোনগুলি রাজনৈতিক দাবি, তা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মায়ের গর্ভগৃহে পুজো, প্রবীণ নেতার পায়ে প্রণাম—বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রীর সফরে আবেগের অন্য ছবি

মন্দির সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নে পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী, ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে জমা দেওয়ার নির্দেশ।বর্ধমান: বর্ধমানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মা সর্বমঙ্গলার মন্দিরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পুজো ঘিরে শুক্রবার শহরে তৈরি হল এক অন্য আবহ। প্রশাসনিক কর্মসূচি শুরুর আগে সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পৌঁছে গর্ভগৃহে গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট ধরে পুজো দেন আরতি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে তাঁর এই সফরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে রইল মন্দিরে প্রবেশের মুখে এক প্রবীণ বিজেপি নেতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ এবং অগ্রজের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য।মন্দিরে প্রবেশের সময় অবিভক্ত বর্ধমান জেলার প্রাক্তন বিজেপি সভাপতি দেবীপ্রসাদ মল্লিকের সঙ্গে দেখা হয় মুখ্যমন্ত্রীর। দেবীপ্রসাদ মল্লিক পুষ্পস্তবক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। এরপরই কোনও আনুষ্ঠানিকতার তোয়াক্কা না করে তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু অধিকারী। মুহূর্তের সেই দৃশ্য উপস্থিত সকলের নজর কাড়ে।বর্ধমানের বিজেপি সংগঠনের প্রবীণ কর্মীদের মধ্যে দেবীপ্রসাদ মল্লিকের নাম দীর্ঘদিনের। আশির দশক থেকেই তিনি বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত বলে দলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি। সেই সময় বর্ধমান - দুর্গাপুর ভাগ হয়নি, গোটা বর্ধমানই ছিল একটি জেলা। বিরোধী রাজনীতির কঠিন সময়ে সংগঠন বিস্তারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন তিনি।আজকের বিজেপি যখন বাংলার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি, তখন তার অতীতের সাংগঠনিক পথচলার সঙ্গে যুক্ত প্রবীণ কর্মীদের ভূমিকার কথাও সামনে আসে এই ধরনের ঘটনায়। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের একাংশের মতে, বর্ধমান শহরে দলের সংগঠনকে শূন্য থেকে দাঁড় করানোর সময় দেবীপ্রসাদ মল্লিকের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিবেশে সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি কর্মীদের একত্রিত করার কাজও করেছেন তিনি।আর সেই প্রবীণ নেতার সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধাজ্ঞাপনকে তাই শুধুমাত্র সৌজন্য বিনিময় হিসেবে দেখছেন না স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তাঁদের মতে, এর মধ্যে উঠে এসেছে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার প্রতি সম্মান জানানোর বার্তা। অবশ্য এই ঘটনার রাজনৈতিক ব্যাখ্যা যার যার নিজস্ব হলেও, মুহূর্তটির আবেগ এবং তাৎপর্য বর্ধমানের মানুষের নজর কেড়েছে।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেন বর্ধমানের ঐতিহ্যবাহী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই প্রথম কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বমঙ্গলা মন্দিরে এসে পুজো দিলেন।পুরোহিতদের উপস্থিতিতে গর্ভগৃহে গিয়ে নিজের হাতে দেবীর পুজো করেন তিনি। পুজোর ডালিতে ছিল পাঁচ রকম ফল ও মিষ্টি, নারকেল, চেলি, পদ্মফুলের মালা, আলতা-সিঁদুর এবং দেবীর জন্য একটি বেনারসি শাড়ি।পুজো শেষে মন্দির কর্তৃপক্ষের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান জানানো হয়। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান তথা ট্রাস্টের চেয়ারম্যান তাঁর হাতে তুলে দেন দেবী সর্বমঙ্গলার প্রতিকৃতি। ট্রাস্টের সম্পাদক আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ বাঁশ দিয়ে তৈরি সর্বমঙ্গলা মন্দিরের একটি রেপ্লিকা এবং দেবীর একটি প্রতিমা মুখ্যমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।তবে শুধু পুজো বা সৌজন্য সাক্ষাতেই শেষ হয়নি মুখ্যমন্ত্রীর মন্দির সফর। মন্দিরের ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি।মন্দির সংস্কার, ঐতিহ্যবাহী হেরিটেজ ভবন সংরক্ষণ, সংলগ্ন এলাকার সৌন্দর্যায়ন এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়গুলি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, বিষয়গুলি শুনে রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রকে একটি পূর্ণাঙ্গ ডিপিআর (Detailed Project Report) তৈরি করার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী ৫ তারিখের ক্যাবিনেট বৈঠকে সেই ডিপিআর জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে বলে মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।প্রায় তিনশো বছরের ঐতিহ্য বহন করে চলা সর্বমঙ্গলা মন্দির বর্ধমানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। মন্দিরের স্থাপত্য, ইতিহাস এবং স্থানীয় জনজীবনের সঙ্গে তার দীর্ঘ সম্পর্ককে সামনে রেখে দীর্ঘদিন ধরেই সংস্কার ও সৌন্দর্যায়নের দাবি উঠেছে।মুখ্যমন্ত্রীর সফরে সেই দাবিই নতুন করে গুরুত্ব পেল বলে মনে করছে মন্দির কর্তৃপক্ষ। পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে ধর্মীয় পর্যটনের পাশাপাশি বর্ধমানের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও সংস্কৃতিকে আরও বৃহত্তর পর্যায়ে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলেও তাঁদের আশা।সময়াভাবে মন্দিরে বসে ভোগ গ্রহণ করতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর জন্য অবশ্য বিশেষভাবে ভোগ পার্সেল করে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। মন্দির কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেই ভোগের মেনুতে ছিল পোলাও, ফুলকপি-আলুর তরকারি, ছানার ডালনা, মাগুর মাছের ঝোল, ডাল, পায়েস এবং বর্ধমানের বিখ্যাত কেশরভোগ।একদিকে কয়েক শতকের ধর্মীয় ঐতিহ্য, অন্যদিকে বর্ধমানের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রবীণ এক চরিত্রের প্রতি প্রকাশ্য শ্রদ্ধামুখ্যমন্ত্রীর সর্বমঙ্গলা মন্দির সফর তাই একাধিক কারণে আলাদা মাত্রা পেল।সর্বমঙ্গলার গর্ভগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর পুজো, মন্দির সংস্কারের জন্য ডিপিআর তৈরির নির্দেশ এবং প্রবীণ বিজেপি নেতা দেবীপ্রসাদ মল্লিকের পায়ে হাত দিয়ে তাঁর প্রণামএকসঙ্গে এই তিনটি মুহূর্ত বর্ধমানের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে তৈরি করেছে আলোচনার নতুন আবহ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal