• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

T20

খেলার দুনিয়া

Bengal T20 : অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক ম্যাচেই বাংলাকে জেতালেন সুদীপ চ্যাটার্জি

তাঁর ওপর আস্থা রেখে বাংলার নির্বাচকরা যে ভুল করেননি, মরশুমের প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ দিলেন সুদীপ চ্যাটার্জি। সিনিয়র দলকে নেতৃত্ব দিতে নেমে প্রথম ম্যাচেই বাংলাকে জয় এনে দিলেন। তাঁর নেতৃত্বে সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচেই জয় পেল বাংলা। আসামের গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে ছত্তিশগড়কে হারাল ৭ উইকেটে।অনুষ্টুপ মজুমদার, অর্ণব নন্দী, শ্রীবৎস গোস্বামীর মতো সিনিয়রদের বাদ দিয়ে জুনিয়রদের নিয়ে দল গড়েছিলেন বাংলার নির্বাচকরা। অনুষ্টুপদের বাদ দেওয়া নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল, বাংলা টিম ম্যানেজমেন্টের লক্ষ্য সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতাতেই তরুণ ক্রিকেটারদের দেখে নেওয়া। হতাশ করেননি করণ লালরা। তবে জয়ের জন্য ভরসা করতে হয়েছে সেই সিনিয়রদের ওপরই।টস জিতে ছত্তিশগড়কে ব্যাট করতে পাঠান বাংলার অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। দারুণ শুরু করেছিলেন ছত্তিশগড়ের দুই ওপেনার অখিল হারওয়াদকার এবং শশাঙ্ক চন্দ্রকার। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৩২। বাংলার দুই জোরে বোলার ইশান পোড়েল ও মুকেশ কুমার সুবিধা করতে পারেননি। ছত্তিশগড়কে প্রথম ধাক্কা দেন আকাশ দীপ। তুলে নেন শশাঙ্ককে (৬)। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ছত্তিশগড়ের। মাঝের ওভারগুলিতে দুর্দান্ত বোলিং করেন আকাশ দীপ, করণ লাল ও আইপিএল খেলে ফেরা শাহবাজ আমেদ। আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা দারুণভাবে কাজে লাগান শাহবাজ আমেদ।একপ্রান্ত থেকে উইকেট পড়তে থাকলেও অন্যপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অখিল হারওয়াদকার। একসময় ৫১ রানে ৫ উইকেট পড়ে গিয়েছিল ছত্তিশগড়ের। সেখান থেকে অজয় মণ্ডলকে (২৫) সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অখিল। ২০ তম ওভারে মুকেশ কুমারের তৃতীয় বলে আউট হন অজয়। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে অখিলকে (৬০ বলে ৭৩) আউট করেন মুকেশ কুমার। ১০ ওভারে ছত্তিশগড় তোলে ১১৮/৭। ২৬ রানে তিনি ২ উইকেট নেন। ঋত্ত্বিক চ্যাটার্জি, আকাশ দীপ, শাহবাজ আমেদ করণ লাল ১টি করে উইকেট পান।বাংলার হয়ে এদিন ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমেছিলেন অভিষেক দাস ও অধিনায়ক সুদীপ চ্যাটার্জি। ১৩ বলে ১৭ রান করে রবি কিরণের বলে আউট হন অভিষেক। তিন নম্বরে নামা করণ লাল ১০ বলে ১১ রান করে আউট হন। এরপর বাংলাকে টেনে নিয়ে যান দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার সুদীপ চ্যাটার্জি ও ঋদ্ধিমান সাহা। তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৫০ রান তুলে বাংলার জয় নিশ্চিত করেন সুদীপ ও ঋদ্ধি। ২২ বলে ২৪ রান করে ঋদ্ধি যখন আউট হন, বাংলার রান ৯৬/৩। কাইফ আমেদকে (১১ বলে অপরাজিত ১২) সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন সুদীপ চ্যাটার্জি। ৪৬ বলে ৫১ রান করে অপরাজিত থাকেন সুদীপ। ১৭ ওভারে ১১৯/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলা।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World cup : রেকর্ড পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে জয় এনে দিলেন রোহিত–রাহুল

পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের কাছে পরপর দুম্যাচে পরাজয়ের পর অবশেষে টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম জয় পেল ভারত। বুধবার আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানকে হারাল ৬৬ রানে। আফগানদের বিরুদ্ধে জিতে সেমিইফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল বিরাট কোহলির দল। যদিও সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে অনেক জটিল অঙ্ক পার করতে হবে ভারতকে। এবারের বিশ্বকাপে টস ভাগ্য একেবারেই সহায় নয় বিরাট কোহলির। আগের দুটি ম্যাচে টস হারার পর এদিনও টস হারেন। টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় আফগান অধিনায়ক মহম্মদ নবি। আগের দুটি ম্যাচের ব্যর্থতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ান রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল। শুরু থেকেই দারুণ আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন ভারতের দুই ওপেনার। এই ম্যাচে রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুলের যুগলবন্দী চোখে আঙুল দেখিয়ে দিল নিউজিল্যান্ড ম্যাচে রোহিতকে তিনে নামিয়ে ওপেনিং জুটি ভাঙার বড় ভুল। ওপেনিং জুটিতে ১৪০ রান যোগ করেন রোহিতরাহুল। টি২০ বিশ্বকাপে এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। ৪৭ বলে ৭৪ রান করে করিম জানাতের বলে মহম্মদ নবির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত। রোহিত আউট হওয়ার পর তিন নম্বরে নামা ঋষভ পন্থকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান লোকেশ রাহুল। শেষ পর্যন্ত ৪৮ বলে ৬৯ রান করে তিনি গুলবাদিন নইবের বলে বোল্ড হন। কোহলির পরিবর্তে এদিন চার নম্বরে ব্যাট করতে নামেন হার্দিক পান্ডিয়া। ক্রিজে এসে তিনি ঝড় তোলেন। ১৩ বলে ৩৫ রান করে হার্দিক অপরাজিত থাকেন। চার নম্বরে নামা ঋষভ পন্থ ১৩ বলে ২৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ভারত ২ উইকেট হারিয়ে তোলে ২১০। জয়ের জন্য ২১১ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৪৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি আফগানিস্তান। ১৩ রানের মধ্যে আফগানিস্তানের দুই ওপেনার মহম্মদ শাহজাদ (০) ও হজরতুল্লাহ জাজাই (১৩) ফিরে যান। শাহজাদকে আউট করেন মহম্মদ শামি, বুমরাহ তুলে নেন জাজাইয়ের উইকেট। পাওয়ারপ্লে-র ৬ ওভারের শেষে আফগানদের স্কোর ছিল ২ উইকেটে ৪৭। এরপর রহমানুল্লাহ গুরবাজ ১৯ রান করে রবীন্দ্র জাদেজার শিকার হন। গুলবদিন নঈব (১৮) ও নাজিবুল্লাহ জারদানকে (১১) আউট করেন অশ্বিন। ১১.৫ ওভারে ৬৯ রানের মধ্যে পড়ে পঞ্চম উইকেট। এরপর জয়ের সম্ভাবনা না থাকলেও নেট রান রেটের কথা মাথায় রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন করিম জানাত ও অধিনায়ক মহম্মদ নবি। মহম্মদ নবিকে (৩২ বলে ৩৫) তুলে নেন মহম্মদ সামি। একই ওভারে রশিদ খানকে (০) ফেরান। ২২ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন করিম জানাত।

নভেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : স্কটল্যান্ডকে ১৬ রানে হারিয়ে ভারতের ওপর চাপ বাড়িয়ে দিল নিউজিল্যান্ড

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবির তাকিয়ে ছিল নিউজিল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড ম্যাচের দিকে। যদি কোনভাবে স্কটল্যান্ড অঘটন ঘটিয়ে দেয়। ভারতীয় শিবিরের সে মনোবাসনা পূর্ণ হল না। স্কটল্যান্ডকে ১৬ রানে হারিয়ে ভারতের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দিল নিউজিল্যান্ড।টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন স্কটল্যান্ড অধিনায়ক কাইল কোয়েৎজার। শুরুটা ভাল হয়নি নিউজিল্যান্ডের। ৬.১ ওভারে ৫২ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারায় কিউয়িরা। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলে আউট হন ড্যারেল মিচেল। ১১ বলে তিনি করেন ১৩ রান। মিচেলকে ফেরান সাফিয়ান শরিফ। একই ওভারের পঞ্চম বলে তিনি তুলে নেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে (০)। এক ওভার পরেই কনওয়েকে (১) তুলে নেন মার্ক ওয়াট। গ্লেন ফিলিপকে সঙ্গে নিয়ে এরপর রুখে দাঁড়ান মার্টিন গাপটিল। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে দুজনে তোলেন ১০৫। ৩৭ বলে ৩৩ রান করে ব্র্যাড হুইলের বলে আউট হন ফিলিপ। পরের বলেই গাপটিলকে তুলে নেন হুইল। মাত্র ৭ রানের জন্য আন্তর্জাতিক টি২০ ক্রিকেটে তৃতীয় সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন এই কিইয়ি ওপেনার। ৬টি ৪ ও ৭টি ছয়ের সাহায্যে ৫৬ বলে ৯৩ রান করেন গাপটিল। এই টি২০ বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচে তাঁর রান ১৩০।এদিন আরও একটি নজির গড়েছেন গাপটিল। বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে টি২০ ক্রিকেটে ৩ হাজার রানের মাইলস্টোনে পৌঁছে গেলেন। গাপটিলের আগে ৩ হাজার রান করেছেন বিরাট কোহলি। গাপটিল যখন আউট হন নিউজিল্যান্ডের রান ১৮.৩ ওভারে ১৫৭। শেষ পর্যন্ত দলকে ১৭২/৫ রানে পৌঁছে দেন জিমি নিশাম (৬ বলে অপরাজিত ১০) ও ইশ সোধি (৩ বলে অপরাজিত ২)।ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারে অধিনায়ক কাইল কোয়েৎজারকে (১১ বলে ১৭) হারালেও নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলে দিয়েছিল স্কটল্যান্ড। দারুণ ব্যাট করছিলেন জর্জ মুনসে ও ম্যাথু ক্রস। অ্যাডাম মিলনের এক ওভারে পরপর পাঁচটি ৪ মারেন ক্রস। অন্যদিকে, ইশ সোধিকে পরপর দুটি ছয় মারার পর আবার ছক্কা মারতে গিয়ে লং অনে সাউদির হাতে ধরা পড়েন মুনসে। ১৮ বলে তিনি করেন ২২। ম্যাথু ক্রস ২৯ বলে ২৭ রান করে সাউদির বলে আউট হন। রিচি ব্যারিংটন ১৭ বলে করেন ২০। শেষ দিকে দারুণ লড়াই করেন মাইকেল লিয়াস্ক। যদিও দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারেননি। তিনি ২০ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ১৫৬/৫ রানে থেমে যায় স্কটল্যান্ডের ইনিংস।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : টানা ৪ ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে পাকিস্তান, এই নিয়ে ৫ বার

সেমিফাইনালে ছাড়পত্র পাওয়াই যেখানে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারতের কাছে, অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে পাকিস্তান। নামিবিয়াকে ৪৫ রানে হারিয়ে গ্রুপ ২ থেকে প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল বাবর আজমের দল। বাকি একটা জায়গার জন্য লড়াই ভারত, নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানের মধ্যে। এই নিয়ে টানা ৪ ম্যাচ জিতল পাকিস্তান। পাকিস্তানের জয়ের নায়ক অধিনায়ক বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান। দুরন্ত ব্যাটিং করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার।চাপের মুখে ভেঙে পড়ার সেই পুরনো রোগ আর নেই এই পাকিস্তান দলের। যার প্রমাণ দিয়েই চলেছেন বাবর আজম, মহম্মদ রিজওয়ানরা। আবু ধাবির শেখ জায়েদ আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। রুবেন ট্রাম্পেলম্যান, ডেভিড উইসে, জ্যাঁ ফ্রাইলিঙ্কেদের দাপটে শুরুতে চাপে পড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। ট্রাম্পেলম্যানদের আঁটোসাটো বোলিংয়ের সামনে শুরুতে জ্বলে উঠতে পারেননি পাকিস্তানের দুই বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ২৯ রান। ৫০ রানে পৌঁছয় ৯ ওভারে। শুরুতে মন্থর ব্যাটিং সত্ত্বেও স্নায়ুচাপে ভোগেননি বাবর মহম্মদ ও মহম্মদ রিজওয়ান। দলের ৫০ রান অতিক্রম হওয়ার পরই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন দুই পাক ওপেনার। পরের ৪ ওভারে ওঠে ৫০। ১৩ ওভারে ১০০ রানে পৌঁছে যায় পাকিস্তান। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১১৩। টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সবথেকে বেশি সেঞ্চুরি রানের পার্টনারশিপের রেকর্ড বাবর ও রিজওয়ানের। মোট ৫ বার দুজনে মিলে ১০০র বেশি রান তুলেছেন। উইকেটে থিতু হয়েই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করতে থাকেন বাবর আজম। শেষ পর্যন্ত ৪৯ বলে ৭০ রান করে উইসের বলে তিনি আউট হন। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে এটি তৃতীয় হাফ সেঞ্চুরি বাবর আজমের। বাবরের পাশাপাশি দুরন্ত ব্যাটিং করে মহম্মদ রিজওয়ান। শুরু দিকে মন্থর ব্যাটিং করলেও পরে জ্বলে ওঠেন। জেজে স্মিথের শেষ ওভারে রিজওয়ান তোলেন ২৪ রান। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৭৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ফকর জামান (৫) দ্রুত ফিরে গেলেও পাকিস্তানের বড় রানে পৌঁছতে অসুবিধা হয়নি। মহম্মদ হাফিজও শুরু থেকেই ঝড় তোলেন। অসমাপ্ত তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ওঠে ৬৭ (২৬ বলে)। হাফিজ ১৬ বলে করেন অপরাজিত ৩২। পাকিস্তান ২০ ওভারে তোলে ১৮৯/২। পাকিস্তানের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ১৮৯ রান তাড়া করে জেতা নামিবিয়ার পক্ষে শুধু যথেষ্ট কঠিন। জিততে গেলে অবিশ্বাস্য খেলতে হত। তা সম্ভব হয়নি। নামিবিয়াকে শুরুতেই ধাক্কা দেন হাসান আলি। শুরুতে ভ্যান লিঙ্গেনকে (৪) তুলে নেন। স্টিফেন বার্ড (২৯ বলে ২৯), ক্রেগ উইলিয়ামস (৩৭ বলে ৪০) কিছুটা লড়াই করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে নামিবিয়া তোলে ১৪৪/৫। ডেভিড উইসে ৩১ বলে ৪৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তানের হয়ে হাসান আলি, ইমাদ ওয়াসিম, হ্যারিস রউফ, সাদাব খান ১টি করে উইকেট পান।

নভেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালের লড়াই জমিয়ে দিল দক্ষিণ আফ্রিকা

সুপার ১২র গ্রুপ ১ থেকে ইতিমধ্যেই টি২০ বিশ্বকাপের ছাড়পত্র পেয়ে গেছে ইংল্যান্ড। বাকি জায়গার জন্য জোরদার লড়াই। লড়াই আরও জমিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়। বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ওপর চাপ বাড়াল প্রোটিয়ারা। কারণ ৩৯ বল বাকি থাকতে জয় তুলে নিয়ে নেট রান রেট অনেকটাই বাড়িয়ে নিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিন টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। শুরুটা ভাল করেও হঠাৎ ধস নামে বাংলাদেশের ইনিংসে। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ২২। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে মহম্মদ নইমকে (৯) রাবাডা তুলে নিতেই ব্যাটিং বিপর্যয় বাংলাদেশ শিবিরে। পরের বলেই রাবাডা ফেরান সৌম্য সরকারকে (০)। এক ওভার পরেই তুলে নেন মুশফিকুর রহিমকে (০)। রাবাডার বিধ্বংসী স্পেলে খড়কুটোর মতো উড়ে যায় বাংলাদেশের টপ অর্ডার। মাহমুদুল্লাকে (৩) তুলে নেন আনরিখ নর্টিয়ে। ৩৪ রানে ৫ উইকেটে হারিয়ে আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে কিছুটা লড়াই করেন লিটন দাস (৩৬ বলে ২৪), মেহেদি হাসান (২৫ বলে ২৭)। শেষ পর্যন্ত ১৮.২ ওভারে ৮৪ রানে শেষ হয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস। ৮ রানে ৩ উইকেট নেন নর্টিয়ে। ২০ রানে ৩ উইকেট নেন রাবাডা।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম ওভারের শেষ বলে ফিরে যান রেজা হেনড্রিকস (৪)। তাস্কিন আমেদের বলে এলবিডব্লুউ হন। এরপর ১৫ বলে ১৬ রান করে মেহেদি হাসানের বলে বোল্ড হন কুইন্টন ডিকক। এইডেন মার্করাম (০) দ্রুত ফিরে গেলেও লক্ষ্য কম থাকায় সমস্যা হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। ভ্যান ডার ডুসেন ও অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ২৭ বলে ২২ রান করে নাসুম আমেদের বলে আউট হন ডুসেন। ২৮ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাভুমা। ১৩.৩ ওভারে ৮৬/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এই নিয়ে চার ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে জয় পেল প্রোটিয়ারা। সেমিফাইনালের লড়াইয়ে চাপে ফেলে দিল অস্ট্রেলিয়াকে।

নভেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌T20 World Cup : আফগানিস্তান ম্যাচের আগে সাংবাদিক সম্মেলন এড়িয়ে গেলেন বিরাট কোহলি!‌

পরপর দুম্যাচে পরাজয়। এবারের টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার আশা অনেকটাই ক্ষীণ। এমনিতেই চাপে ছিলেন। তার ওপর সতীর্থদের সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করে সমালোচনার শিকার হয়েছেন। দুটি ম্যাচে হেরে ঘরে বাইরে রীতিমতো কোনঠাসা ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। এতটাই চাপে রয়েছেন যে, আফগানিস্তান ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনেই এলেন না। পাঠিয়ে দিলেন ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরকে! বিরাট কোহলির সাংবাদিক সম্মেলন এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। এর আগেই অনেকবার তিনি ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিক সম্মেলনে আসেননি। কখনো সহকারী অধিনায়ককে পাঠিয়েছেন, কখনও সতীর্থ কোনও ক্রিকেটারকে। কখনও আবার ব্যাটিং কোচ কিংবা ফিল্ডিং কোচকে। কিন্তু টি২০ বিশ্বকাপে যে পরিস্থিতিতে তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে এলেন না, তা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। মঙ্গলবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোহলিসহ গোটা টিম যে যথেষ্ট চাপে রয়েছে, সেটা পরিস্কার। সেমিফাইনালে যেতে গেলে বাকি তিনটি ম্যাচ শুধু জিতলেই হবে না, নিউজিল্যান্ডের ম্যাচের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নেট রান রেটও বাড়িয়ে রাখতে হবে। ভারতীয় শিবির অবশ্য নেট রান রেট, জটিল অঙ্ক এসব মাথায় রাখছে না। ভাল খেলার ওপরই মনোযোগ দিচ্ছে। সেকথাই শোনা গেছে ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরের মুখে। শুনতে অবাক লাগবে, পরপর দুটি ম্যাচে ব্যাটাররা ব্যর্থ হলেও তাঁদের কাঠগড়ায় তুলতে রাজি নন বিক্রম রাঠোর। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। সূর্যকুমার যাদবকে আবার প্রথম একাদশে ফেরানো হতে পারে। দীর্ঘদিন পর আবার দেশের হয়ে টি২০ ক্রিকেটে মাঠে দেখা যেতে পারে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে, বরুণ চক্রবর্তীর জায়গায়। ব্যাটিং অর্ডারেও পরিবর্তন হচ্ছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওপেনিং থেকে সরানো হয়েছিল রোহিত শর্মাকে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে আবার ওপেনিংয়ে ফিরছেন ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক। হার্দিক পান্ডিয়াকে প্রথম একাদশে রাখা হবে কিনা, তা নিয়েও ভাবনাচিন্তা চলছে। প্রথম দুটি ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতা প্রসঙ্গে রাঠোর বলেন, দলে যথেষ্ট ব্যাটিং গভীরতা রয়েছে। কিন্তু আমরা পরিকল্পনা সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারিনি। তাছাড়া দুটি ম্যাচেই প্রথমে ব্যাট করতে হওয়ায় অসুবিধায় পড়তে হয়েছে। ব্যাটাররা বড় শট খেলতে পারেনি। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে আশাবাদী বিক্রম রাঠোর।

নভেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Virat Kohli : মানুষ এতটা নীচে নামতে পারে!‌ কোহলির ১০ মাসের শিশু কন্যাক ধর্ষণের হুমকি!‌

দেশের হারে মন খারাপ হতেই পারে। তাই বলে ক্রিকেটারদের পরিবারকে টেনে নিয়ে আসতে হবে? তাও আবার ১০ মাসের শিশু কন্যাকে! পশুরও অধম ছাড়া তাদের আর কীই বা বলা যেতে পারে। মানুষ যে এত নীচে নামতে পারে সত্যিই কল্পনার অতীত। সতীর্থ মহম্মদ সামির পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিরাট কোহলির ১০ মাসের শিশু কন্যা ভামিকাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনই জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম উল হক।কিছু লোক ভারতীয় ক্রিকেট দলের বন্ধুত্বকে হজম করতে পারেনি। তারা অত্যন্ত নিম্ন রুচির পরিচয় দিয়েছে। মহম্মদ সামির পাশে দঁাড়াননোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরাট কোহলিকে যেমন ট্রোল করা হয়েছে, তেমনই কোহলি এবং অনুষ্কা শর্মার দশ মাসের শিশু কন্যা ভামিকাকে ধর্ষণের হুমকি দিয়েছে। ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি বরাবরই অত্যন্ত সাহসী মন্তব্য করে থাকেন। যা ভুল মনে করেন, তার বিরুদ্ধে তিনি অবস্থান নেন। চলতি টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হারের পর ধর্মের কারণে মহম্মদ সামিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোল করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল মহম্মদ সামি নাকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেরাটা দেননি। সামির সমালোচকদের তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে কোহলি বলেছিলেন, কাউকে তার ধর্ম নিয়ে আক্রমণ করা আমার কাছে সবচেয়ে খারাপ কাজ। নির্দিষ্ট পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রত্যেকেরই তাদের মতামত জানানোর অধিকার আছে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি কখনও কারও ধর্ম নিয়ে বৈষম্যের কথা ভাবিনি। প্রতিটি মানুষের কাছে তাঁর নিজের ধর্ম অত্যন্ত ব্যক্তিগত এবং পবিত্র জিনিস। সেটা তাঁর ওপরই ছেড়ে দেওয়া উচিত। আমরা মাঠে নেমে ব্যক্তিগতভাবে কী করি, কতটা পরিশ্রম করি, কেউ জানে না। যারা মাঠের বাইরে বসে সামিকে আক্রমণ করেছে, তারা মেরুদণ্ডহীন। সামনে এসে কথা বলার সাহস নেই। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের হারের পরে কোহলির ১০ মাসের শিশু কন্যাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ইনজামাম উল হক তীব্র ভাষায় নিন্দা করে সকলকে এই বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছেন। নিজের ইউ টিউব চ্যানেলে ইনজামাম বলেছেন, শুনেছি বিরাট কোহলির মেয়েকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সকলকে বুঝতে হবে এটা শুধু একটি খেলা। আমরা হয়তো বিভিন্ন দেশের হয়ে খেলছি কিন্তু আমরা একই সম্প্রদায়ের একটি অংশ। কোহলির ব্যাটিং বা তার অধিনায়কত্বের সমালোচনা করার অধিকার আপনার আছে কিন্তু একজন ক্রিকেটারের পরিবারকে টার্গেট করার অধিকার কারো নেই। কিছুদিন আগে মহম্মদ সামির সঙ্গে এমনই ঘটনা ঘটেছিল। জয়পরাজয় খেলার একটি অঙ্গ। কোহলির পরিবারকে আক্রমণ করতে দেখে আমি গভীরভাবে আহত হয়েছি। টুইটারে এই ঘটনা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।

নভেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World cup : বাটলারের দুরন্ত সেঞ্চুরিতে প্রথম দল সেমিফাইনাল নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড

প্রথম তিন ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই পা বাড়িয়েছিল ইংল্যান্ড। লক্ষ্য ছিল সুপার ১২র গ্রুপ লিগে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্যে সফল ইংল্যান্ড। শ্রীলঙ্কাকে ২৬ রানে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে এবছর টি২০ বিশ্বকাপে শেষ চারের ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলল। ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক জস বাটলার। তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদেই জয় তুলে নিতে সক্ষম হয়েছে ইংল্যান্ড। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম সেঞ্চুরি এল বাটলারের ব্যাট থেকে। শেষ বলে ছয় মেরে ৯৫ থেকে ১০১ রানে পৌঁছে অপরাজিত থাকেন তিনি। সেই সঙ্গে ৪ ম্যাচে ২১৪ রান করে তিনিই আপাতত চলতি বিশ্বকাপে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক।টি২০ ক্রিকেটে টস জিতলেই পরে ব্যাট করা প্রায় নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আসলে পরে ব্যাট করলে দুই ধরণের সুবিধা পাওয়া যায়। এক, টার্গেট দেখে ব্যাট করা। দুই, রাতের দিকে শিশির পড়লে বোলারদের বল গ্রিপ করতে অসুবিধা হয়। তাছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উইকেটে পরের দিকে ব্যাটে ভাল বল আসছে। সেকথা মাথায় রেখে ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক দাসুন শনাকা। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলে দেন শ্রীলঙ্কার দুই বোলার চামিরা ও হাসারাঙ্গা। এই দুই বোলারের দাপটে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। ৬ ওভারের মধ্যে ৩৬ রানে ৩ উইকেট হারায়। হাসারাঙ্গা তুলে নেন জেসন রয় (৬ বলে ৯) এবং জনি বেয়ারস্টোকে (১ বলে ০)। অন্যদিকে দাওইদ মালানকে (৮ বলে ৬) ফেরান চামিরা।এরপরই ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন জস বাটলার ও অধিনায়ক ইওয়িন মর্গ্যান। জুটি ওঠে ১১২ রান। ৩৬ বলে ৪০ রান করে হাসারাঙ্গার বলে আউট হন মর্গ্যান। একসময় ইংল্যান্ডের রান ছিল ১০ ওভারে ৪৭। বাটলার ও মর্গ্যানের দাপটে শেষ ১০ ওভারে ইংল্যান্ড তোলে ১১৬। বাটলার প্রথম ৫০ করেন ৪৫ বলে। শেষ ৫০ করতে নেন মাত্র ২২ বল। ইনিংসের শেষ বলে ৬ মেরে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ৬৭ বলে ১০১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাটলার। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি করে ৪ ও ৬। নির্ধারিত ২০ ওভারে ইংল্যান্ড তোলে ১৬৩/৪। শ্রীলঙ্কার হয়ে হাসারাঙ্গা ২১ রানে ৪ উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটাও ভাল হয়নি। তৃতীয় বলেই ফিরে যান দারুণ ছন্দে থাকা পাথুম নিসাঙ্কা (১)। ঝড় তোলার মুখে চরিথ আসালঙ্কাকে (১৬ বলে ২১) তুলে নেন আদিল রশিদ। এক ওভার পরেই ফেরান কুশল পেরেরাকে (৯ বলে ৭)। ইংল্যান্ডের মতোই ৬ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কা দলে জস বাটলারের মতো কোনও ব্যাটার নেই, যিনি দলকে উদ্ধার করতে পারতেন। আভিষ্কা ফার্নান্ডোকে (১৪ বলে ১৩) তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে আরও চাপের মধ্যে ফেলে দেন ক্রিস জর্ডন। ভানুকা রাজাপক্ষে (১৮ বলে ২৬) কিছুটা লড়াই করেন। তাঁকে ফেরান ক্রিস ওকস। অধিনায়ক দাসুন শনাকা (২৫ বলে ২৬) ও ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গার (২১ বলে ৩৪) লড়াই চাপে ফেলে দিয়েছিল ইংল্যান্ডকে। শেষ পর্যন্ত ১৯ ওভারে ১৩৭ রানে গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা।

নভেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : কোহলির ওপর চরম অসন্তুষ্ট কপিলদেব, সমালোচনা করে কী বললেন?‌

পরপর দুটি ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা কার্যত কঠিন হয়ে পড়েছে ভারতের কাছে। এই অবস্থায় কিউয়িদের কাছে হারের পর ম্যাচের শেষে বিরাট কোহলি বলেছিলেন, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে যে ধরণের সাহসী ক্রিকেট খেলার দরকার ছিল, তা আমরা খেলতে পারিনি। মাঠে নামার আগে থেকেই শরীরী ভাষায় পিছিয়ে ছিল দলের ক্রিকেটাররা। সতীর্থদের সম্পর্কে এই ধরণের মন্তব্য কখনোই কাম্য নয়। কোহলির এই মন্তব্য ঘিরে চারিদিকে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ভারতের প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিলদেব বলেছেন, অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছ থেকে এই ধরণের মন্তব্য প্রত্যাশিত নয়। কোহলির সমালোচনা করে কপিলদেব বলেছেন, কোহলির মতো বড় মাপের অধিনায়কের কাছ থেকে এই ধরণের মন্তব্য কখনোই কাম্য নয়। এটি একটি দুর্বল বিবৃতি ছাড়া আর কিছুই নয়। ভারতীয় দলের ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষা যদি এইরকম থাকে আর অধিনায়কের চিন্তাধারা যদি এইরকম হয়, তাহলে দলের পক্ষে ঘুরে দাঁড়ানো খুবই কঠিন। মনোবল ফিরিয়ে নিয়ে আসা এককথায় অসম্ভব। আমরা সবাই জানি কোহলি জেতার জন্য সবসময় মরিয়া থাকে। রানের জন্য ক্ষুধার্ত থাকে। তবে এই ধরণের মন্তব্য করে ঠিক করেনি। ওর মুখে এই কথা শুনে আমার অবাক লেগেছে। হারের হতাশা থেকেই হয়তো কথাটা বলে ফেলেছে। আমরা সাহসী হতে পারিনি, এমন কথা বলা একজন অধিনায়কের কখনোই বলা উচিত নয়।এই অবস্থায় দলের মনোবল ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য দলের কোচ রবি শাস্ত্রী এবং মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিকে বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন কপিলদেব। তিনি বলেছেন, দলের এই সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে আমার বন্ধু রবি শাস্ত্রী ও মহেন্দ্র সিং ধোনিকে অনুরোধ করছি দলের মনোবল ফেরানোর উদ্যোগ নিতে। এই মুহূর্তে ধোনির কাজ হল ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলে ওদের আত্মবিশ্বাস ফেরানো। সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পেতে গেলে ভারতকে বাকি তিনটি ম্যাচে জিততেই হবে, পাশাপাশি নিউজিল্যান্ডকে আফগানিস্তানের কাছে হারতে হবে। তাহলেই সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।ভারতকে যে এইরকম অন্য দলের মুখাপেক্ষি হয়ে থাকতে হবে, মেনে নিতে পারছেন না কপিলদেব। তিনি বলেন, অন্য দলের পারফরমেন্সের ওপর নির্ভর করে আমাদের সেমিফাইনালে যেতে হবে, আমি এটা একেবারেই পছন্দ করছি না। যদি সেমিফাইনালে যেতেই হয়, তাহলে নিজের যোগ্যতায় যাও। অনেক পারফরমেন্সের ভিত্তিতে নিজেদের আশা করতে হবে, এটা ভাল ব্যাপার নয়।

নভেম্বর ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup‌: নিউজিল্যান্ডের কাছেও লজ্জার হারে সেমিফাইনালের সম্ভাবনা কার্যত শেষ ভারতের

তাবড় তাবড় বিশেষজ্ঞরা বিরাট কোহলিদের ওপর বাজি ধরেছিলেন। এবারের টি২০ বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট হিসেবে। প্রথম দুটি ম্যাচ হেরে সেই দলেরই কিনা সেমিফাইনালের সম্ভাবনা কার্যত শেষ! মেনে নিতে কষ্ট হলেও এটাই বাস্তব। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৮ উইকেটে হেরে শেষ চারে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গেল ভারতের। সেমিফাইনালে যেতে গেলে বাকি তিনটি ম্যাচে কোহলিদের শুধু জিতলেই হবে না, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ডের হারের দিকেও তাকিয়ে থাকতে হবে। এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। ম্যাচের আগের দিন কোহলি বলেছিলেন, টি২০ ক্রিকেটে টস বড় ফ্যাক্টর। কথাটা ভুল বলেননি ভারত অধিনায়ক। আইপিএল থেকে দেখা গেছে দুবাইয়ে বেশিরভাগ ম্যাচে রান তাড়া করা দল জয়ী হয়েছে। এদিনও তার ব্যতিক্রম হল না। দলে প্রথম একাদশে বদল, কম্বিনেশন বদল করেও নিজেদের বদলাতে পারল না ভারত। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল ভারত। সূর্যকুমার যাদবের পিঠে হঠাৎ ব্যথা হওয়ায় প্রথম একাদশে ঈশান কিষাণ। ভুবনেশ্বর কুমারের বদলে শার্দূল ঠাকুর। ওপেনিং জুটিতেও বদল। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেনিংয়ে ঈশান কিষাণ। রোহিত শর্মা তিন নম্বরে, চারে অধিনায়ক বিরাট কোহলি। তাতেও শ্রী ফিরল না ভারতীয় ব্যাটিংয়ে। পাকিস্তান ম্যাচে বাঁহাতি বোলারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ভারতীয় ব্যাটাররা। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। বাঁহাতি জোরে বোলার ট্রেন্ট বোল্ট শুরুতেই তুলে নেন ঈশান কিষাণকে। তৃতীয় ওভারে বোল্টকে তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে মিচেল স্যান্টেনারের হাতে ধরা পড়েন ঈশান (৮ বলে ৪)। পরের বলেই রোহিত শর্মার ক্যাচ ফেলে দেন অ্যাডাম মিলনে। ষষ্ঠ ওভারে লোকেশ রাহুলকে (১৬ বলে ১৮) তুলে নেন টিম সাউদি। এক ওভার পরেই ইস সোধির বলে আউট রোহিত (১৪ বলে ১৪)। একাদশতম ওভারের প্রথম বলে বিরাট কোহলি (১৭ বলে ৯) আউট হতেই চাপে পড়ে যায় ভারত। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। কোহলিকে ফেরান ইস সোধি। দুবাইয়ের উইকেটে বল ব্যাটে আসে। তা সত্ত্বেও ইস সোধি, মিচেল স্যান্টেনারের মতো বোলারদের সামলাতে হিমসিম খেলেন কোহলিরা। ঋষভ পন্থও (১৯ বলে ১২) শট খেলতে ভুলে গেছেন। হার্দিক পানন্ডিয়া (২৪ বলে ২৩) ও রবীন্দ্র জাদেজার (১৯ বলে ২৬) সৌজন্যে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১০/৭ তোলে ভারত। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভাআরে ২০ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নেন বোল্ট। ৪ ওভারে ১৭ রান খরচ করে ২ উইকেট নেন ইস সোধি। যত দুর্বল প্রতিপক্ষই হোক না কেন, ১১০ রান হাতে নিয়ে লড়াই করা কঠিন। পারেনি ভারতও। মার্টিন গাপটিল (১৭ বলে ২০) ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠার আগেই তাঁকে সাজঘরে পাঠান যশপ্রীত বুমরা। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান। ড্যারেল মিচেল ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। দলের ৯৬ রানের মাথায় মিচেলকে (৩৫ বলে ৪৯) বুমরা তুলে নিলেও কিউয়িদের জয় আটকায়নি। ১৪.৩ ওভারে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড (১১১/২)। ৩১ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন কেন উইলিয়ামসন। যশপ্রীত বুমরা ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন। ভারতের বিরুদ্ধে শুধু ৮ উইকেটে জেতেনি নিউজিল্যান্ড। নেট রান রেটও বাড়িয়ে রেখেছে।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : চলতি টি২০ বিশ্বকাপে আর খেলতে পারবেন না সাকিব

টানা ৩ ম্যাচ হেরে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠার আশা শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলতে নামবে মাহমুদুল্লার দল। তার আগেই ধাক্কা খেল বাংলাদেশ শিবির। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য বিশ্বকাপের বাকি দুটি ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন দলের নির্ভরযোগ্য অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ম্যাচে বাঁ পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন সাকিব। দলের চিকিৎসকরা বিশ্বের সেরা এই অলরাউন্ডারকে ৪৮ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন। তারপর জানিয়ে দেন, সাকিবের পক্ষে টি২০ বিশ্বকাপে আর মাঠে নামা সম্ভব হবে না। ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে বাংলাদেশ। ফলে সাকিব ছিটকে গেলেও বাংলাদেশের তেমন ক্ষতি হবে না। কারণ বাকি দুটি ম্যাচে সম্মানরক্ষার লড়াইয়ে নামতে হবে বাংলাদেশকে। সাকিবের পরিবর্তে অন্য ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। তবে তাঁকে কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে শিবিরে যোগ দিতে হবে। এর আগে পিঠে চোটের জন্য বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন মহম্মদ সইফুদ্দিন। তার পরিবর্তে বাংলাদেশ শিবিরে যোগ দিয়েছেন রুবেল হাসান। রিজার্ভ ক্রিকেটার হিসেবে রুবেল দলে ছিলেন।সুপার ১২তে একটা ম্যাচেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ। বাকি দুটি ম্যাচ জিতে সম্মানরক্ষা করাই লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ শিবিরের। সাকিব ছিটকে যাওয়ায় দলের ভারসাম্য নষ্ট হবে। কারণ ব্যাট ও বল হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নেওয়ার দক্ষতা রয়েছে সাকিবের। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে শাহিদ আফ্রিদির রেকর্ড ভেঙেছেন সাকিব। এর আগে টি২০ বিশ্বকাপে সবথেকে বেশি উইকেট নেওয়ার রেকর্ড ছিল আফ্রিদির দখলে। এই বিশ্বকাপে আফ্রিদিকে টপকে গেছেন সাকিব আল হাসান। আফ্রিদির উইকেট সংখ্যা ছিল ৩৯। সাকিব দখল করেছেন ৪১ উইকেট। তৃতীয় স্থানে রয়েছেন লসিথ মালিঙ্গা। তিনি সংগ্রহ করেছেন ৩৮ উইকেট। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে সাকিব আল হাসানের স্পিন বোলিংয়ের ওপরই বেশি নির্ভরশীল ছিল বাংলাদেশ। বিশ্বকাপের দুটি পর্ব মিলিয়ে সাকিব ৬টি ম্যাচে ১১টি উইকেট সংগ্রহ করেছেন। শ্রীলঙ্কার হাসারাঙ্গাও ১১টি উইকেট দখল করে যুগ্মভাবে শীর্ষে রয়েছেন। সাকিব ছিটকে যাওয়ায় হাসারাঙ্গার কাছে দারুণ সুযোগ এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারী হওয়ার। হাসারাঙ্গা ও সাকিবের পরেই রয়েছেন স্কটল্যান্ডের জোশ ডেভে (৯), শ্রীলঙ্কার মাহিশ থিকসানা (৮), লাহিরু কুমারা (৮) ও বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান (৮)।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে সেমিফাইনালের পথে ইংল্যান্ড

বেন স্টোকস ভবিষ্যতবাণী করেছেন, টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড ও পাকিস্তান। তাঁর ভবিষ্যতবাণী সঠিক হবে কিনা সময়ই বলবে। ইংল্যান্ড কিন্তু অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগোচ্ছে। অস্ট্রেলিয়াকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে সেমিফাইনালের দিকে এগিয়ে গেল। দুরন্ত বোলিং করে ম্যাচের নায়ক ক্রিস জর্ডন।টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠায় ইংল্যান্ড। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ডেভিড ওয়ার্নার। মাত্র ১ রান করে ক্রিস ওকসের বলে আউট হন তিনি। তিন নম্বরে নামা স্টিভ স্মিথও ব্যর্থ (১)। তিনি ক্রিস জর্ডানের শিকার। পরপর ফিরে যান গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৬) ও মার্কাস স্টয়নিস (০)। এই দুজনকে আউট করেন ক্রিস ওকস ও আদিল রশিদ। ৬.১ ওভারে ২১ রানের মধ্যে চার উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পরে অস্ট্রেলিয়া। ৪৯ বলে ৪৪ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে দলকে বিপর্যয়ের হাত থেকে কিছুটা উদ্ধার করেন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে অস্ট্রেলিয়া তোলে ১২৫ রান। ম্যাথু ওয়েড ১৮ বলে ১৮, অ্যাস্টন অ্যাগার ২০ বলে ২০ রান করেন। প্যাট কামিন্স ৩ বলে ১২ রান করে আউট হন। মিচেল স্টার্ক শেষ বলে আউট হন। তিনি ৬ বল খেলে ১৩ রান করেন। ইংল্যান্ডের ক্রিস জর্ডন ৪ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট দখল করেন। ক্রিস ওকস ৪ ওভারে ২৩ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট পান। টাইমাল মিলস ৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন। আদিল রশিদ ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ১ উইকেট পান। লিয়াম লিভিংস্টোন ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে দারুন শুরু করেন ইংল্যান্ডের দুই ওপেনার জেসন রয় ও জস বাটলার। ওপেনিং জুটিতে ৬.১ ওভারে ওঠে ৬৬। এরপর ২০ বলে ২২ রান করে আডাম জাম্পার বলে আউট হন জেসন রয়। বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন জস বাটলার। দাওইদ মালান ৮ বলে ৮ রান করে আউট হন। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন বাটলার ও জনি বেয়ারস্ট। ১১.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১২৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ইংল্যান্ড। ৩২ বলে ৭১ রান করে অপরাজিত থাকেন বাটলার। তিনি ৫টি করে ৪ ও ৬ মারেন। বেয়ারস্ট ১১ বলে ১৬ রান করে অপরাজিত থাকেন।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : নিউজিল্যান্ডে বিরুদ্ধে বোলিং করবেন কোহলি?‌ প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা ভারতের

রবিবার দুবাইয়ে টি২০ বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে ভারত। এই ম্যাচের ওপর ভারতের সেমিফাইনালের ভাগ্য অনেকটাই নির্ভর করছে। এই রকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে প্রথম একাদশ নিয়ে ধোঁয়াশা রাখলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি।সবথেকে বড় প্রশ্ন হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে। অনেক বিশেষজ্ঞ হার্দিককে নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বসানোর দাবি তুলেছেন। পাকিস্তান ম্যাচে কাঁধে চোট পেলেও ভারতীয় দলের এই অলরাউন্ডার ফিট। বুধবার নেটে ব্যাটিংবোলিং করেছিলেন। শনিবারও নেটে পুরোদমে অনুশীলন করেন। নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বোলিং করতে পারবেন না বলে কোহলি জানিয়ে দিয়েছেন। তবে হার্দিককে প্রথম একাদশে রাখা হবে কিনা, সে প্রসঙ্গে কিছু বলেলনি ভারতীয় দলের অধিনায়ক।ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় শার্দুল ঠাকুরকেও খেলানোর দাবি উঠেছে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগের দিন শার্দুলের ব্যাপারে কোহলি বলেন, শার্দুল ঠাকুরকে খেলানোর বিষয়টি টিম ম্যানেজমেন্টের মাথায় রয়েছে। তবে শার্দুল প্রথম একাদশে থাকবে কিনা, এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাবে না। তবে ভুবনেশ্বর কুমারেরও পাশে দাঁড়িয়েছেন কোহলি। তিনি বলেন, পাকিস্তান ম্যাচে ব্যর্থতার জন্য একজনকে দায়ি করা ঠিক হবে না। যেসব বোলারদের নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অতীতে ওরা দলকে বহু ম্যাচে জিতিয়েছে। প্রতিদিন মাঠে নেমে বিপক্ষের সব উইকেট তুলে নেওয়া সম্ভব নয়। পাকিস্তান ম্যাচের ভুলত্রুটিগুলো চিহ্নিত করেছি। ভুল শুধরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামব।টি২০ ক্রিকেটে টস সবসময়ই ফ্যাক্টর। সেকথা মনে করিয়ে দিয়েছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, টি২০ ক্রিকেটে টস সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ফ্যাক্টর হবে। তবে টসে যাইহোক না কেন, দল সব ধরণের পরিস্থিতি মানিয়ে নেওয়ার জন্য তৈরি। পাকিস্তান ম্যাচের পর এক সপ্তাহ বিশ্রাম পেয়েছে ভারত। কোহলির লক্ষ্য, ভুল শুধরে মাঠে নামা। নিউজিল্যান্ডের জন্য পরিকল্পনা তৈরি ভারতীয় শিবিরের। তাঁর বিশ্বাস, মাঠে নেমে পরিকল্পনা সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলে জেতা সম্ভব। নিজে বোলিং করবেন কিনা, সে প্রসঙ্গে কোহলি বলেন, ষষ্ঠ বোলার হিসেবে দুওভার বল করতেই পারি। পাকিস্তান ম্যাচে যদি আমরা আগে ফিল্ডিং করলে দুওভার বোলিং করতাম। কোহলি ধোঁয়াশা রাখলেও ভারতীয় দলে প্রথম একাদশে রদবদলের সম্ভাবনা আছে। ঈশান কিষানকে খেলানো হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : বর্ণবৈষম্যের প্রতিবাদে সামিল কুইন্টন ডিকক, জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা

বিতর্ক পেছনে ফেলে আবার মাঠে ফিরলেন কুইন্টন ডিকক। দলের নির্দেশ মেনে বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে হাঁটু গেড়ে বসে প্রতিবাদে সামিলও হলেন। তবে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারলেন। কুইন্টন ডিকক রান না পেলেও জয় আটকায়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ১ বল বাকি থাকতে শ্রীলঙ্কাকে ৪ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের আশা জিইয়ে রাখল প্রোটিয়ারা। কাজে লাগল না ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার দুরন্ত হ্যাটট্রিক। দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের নায়ক ডেভিড মিলার। শেষ ওভারে দুটি ছক্কা মেরে দলকে জেতান তিনি।টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাট করতে পাঠান দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক তেম্বা বাভুমা। ২০ ওভারে ১৪২ রান তুলতে সমর্থ হয় শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার হয়ে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন পাথুম নিসাঙ্কা। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে তিনি ৫৮ বলে ৭২ রান করেন । চরিথ আসালঙ্কা ২১ ও অধিনায়ক দাসুন শনকা ১১ রান করেন। শ্রীলঙ্কার বাকি কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের রানে পৌঁছতে পারেননি। দক্ষিণ আফ্রিকার তাবরেজ শামসি ৪ ওভারে ১৭ রানের বিনিময়ে ৩ উইকেট দখল করেন। ডোয়েইন প্রিটোরিয়াস ৩ ওভারে ১৭ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন। এনরিখ নরকিয়া ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২টি উইকেট পেয়েছেন।জয়ের জন্য ১৪৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার বোলারদের দাপটে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। পাওয়ার প্লেতে ওঠে মাত্র ৪০ রান। তার মধ্যে হারাতে হয় ২ উইকেট। ১০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোর ছিল ৩ উইকেটে ৬২। কুইন্টন ডিকক ১০ বলে ১২ রান করে আউট হন। রেজা হেনড্রিকস ১১ রান করে আউট হন। দুজনেই চামিরার শিকার। ১৬ রান করে রান আউট হন ফান ডার ডুসেন। তেম্বা বাভুমা অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন। ৪৬ বলে তিনি করেন ৪৬। এইডেন মার্করাম করেন ১৯। ১৫তম ওভারের শেষ বলে মার্করামকে ১৯ রানে বোল্ড করেন হাসারঙ্গা। ১৮তম ওভারে নিজের চতুর্থ ওভারটি করতে এসে প্রথম দুই বলেই বাভুমা ও ডোয়েইন প্রিটোরিয়াসকে আউট করে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। এরপর প্রোটিয়াদের জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার ও কাগিসো রাবাডা। শেষ দুই ওভারে প্রোটিয়াদের দরকার ছিল ২৫ রান। শেষ ওভারে ১৫। লাহিরু কুমারার দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের কাছে পৌঁছে দেন ডেভিড মিলার। পঞ্চম বলে চার মেরে জয় নিশ্চিত করেন কাগিসো রাবাডা। ১৩ বলে ২৩ করে অপরাজিত থাকেন মিলার। ৭ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থাকেন রাবাডা।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup-Kohli : সামির সমালোচকদের তীব্র আক্রমণ কোহলির, বললেন মেরুদণ্ডহীন

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হারের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় জঘন্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছিল মহম্মদ সামিকে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সামির সমালোচকদের তীব্র ভাষায় সমালোচনা করলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। সমালোচকদের মেরুদণ্ডহীন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। প্রায় একসপ্তাহ পর মুখ খুললেও কোহলির এই মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।এতদিন মহম্মদ সামির পায়ে দাঁড়িয়ে কোনও বিবৃতি দেননি ভারতীয় দলের কোনও সদস্য। সামির পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে শুধুমাত্র একটা ছবি পোস্ট করা হয়েছিল। ভারতীয় বোর্ড ক্রিকেটারদের নির্দেশ দিয়েছিল সামির সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় যেন কোনও মন্তব্য না করে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কোহলি সামির সমালোচকদের তীব্র আক্রমণ করেছেন। কোহলি বলেন, ধর্মের ভিত্তিতে কোনও কাউকে এভাবে আক্রমণ করা যায়, ভাবতেই পারি না। যারা সামিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণ করেছে, তারা মেরুদণ্ডহীন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ধরণের মানুষ আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে, এটা খুবই খারাপ। আমাদের সাহস রয়েছে, চারিত্রিক দৃঢ়তা আছে। এমন কিছু মানুষ রয়েছে, যাদের কোনও সাহস নেই, ভাল কাজ করার ক্ষমতা নেই, শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যকে আক্রমণ করে। আমরা মাঠে নেমে যা করতে পারি তা করার ক্ষমতা নেই।কোহলি আরও বলেন, কাউকে ব্যক্তিগতভাবে সামনাসামনি বলার সাহস নেই। নিজেদের পরিচয় গোপন রেখে সোশ্যাল মিডিয়ায় অন্যজনকে নিয়ে আক্রমণ করে। অন্যকে নিয়ে মজা করা এখন অনেকের কাছেই বিনোদন হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষ হিসেবে খারাপ কাজ করতেও অনেকে পিছপা হচ্ছেন না। মাঠে নেমে আমরা কী করতে চাই তা আমাদের সকলের কাছেই পরিষ্কার। প্রত্যেকের চারিত্রিক দৃঢ়তা সম্পর্কেও আমরা ওয়াকিবহাল। মাঠে নেমে আমরা যা করে, যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় কুৎসা ছড়ায়, তারা ভাবতেই পারি না। তাই ওইসব মানুষকে আমরা পাত্তা দিই না। ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে আক্রমণ করা খুবই জঘন্য কাজ। হতাশা থেকেই তারা এসব করে থাকে।সামির পাশে দাঁড়িয়ে কোহলি আরও বলেন, যারা সামিকে আক্রমণ করেছে, তারা জানে না ভারতকে কত ম্যাচে ওরা জিতিয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটে বুমরার পাশাপাশি সামি আমাদের প্রধান বোলার। গত কয়েক বছর ধরে সামি ভারতীয় দলের জন্য যা করেছে তা সবাই দেখে নিতে পারে। দেশের প্রতি সামির আবেগকে যারা অগ্রাহ্য করে আক্রমণ করছে তাদের নিয়ে কথা বলে সময় নষ্ট করতে চাই না। আমাদের পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধে কেউ চিড় ধরাতে পারবে না। দলের প্রত্যেকে সামির পাশেই রয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : আসিফের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে কার্যত প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে পাকিস্তান

চাপের মুখে ভেঙে পড়ার পুরনো রোগ যে আর নেই, টি২০ বিশ্বকাপেই প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যেরকম কঠিন পরিস্থিতিতে ম্যাচ বার করে নিয়ে গেল, এক কথায় অসাধারণ। ম্যাচের নায়ক আসিফ আলি। ১৯ তম ওভারে ৪টি ৬ মেরে দলকে জেতালেন তিনি। এই নিয়ে টানা ৩ ম্যাচ জিতল পাকিস্তান। আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা কার্যত নিশ্চিত করে ফেলল বাবর আজমের দল।টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। শুরুটা ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় আফগানরা। হজরতুল্লা জাজাইকে (০) নিজের প্রথম ওভারেই তুলে নেন ইমাদ ওয়াসিম। পরের ওভারেই অন্য ওপেনার মহম্মদ শাহজাদকে (৮) ফেরান ছন্দে থাকা শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপরই মাঠে নেমে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন আসগার আফগান ও গুরবাজ। কিন্তু তাঁদের সেই ঝড় একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। নিজের বলেই ক্যাচ ধরে আসগার আফগানকে (৭ বলে ১০) ফেরান হ্যারিস রউফ। পরের ওভারেই গুরবাজকে (৭ বলে ১০) তুলে নেন হাসান আলি। করিম জানাত (১৭ বলে ১৫) ও নাজিবুল্লাহ (২১ বলে ২২) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।১২.৫ ওভারে ৭৬ রানের মাথায় ষষ্ঠ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এরপর ঝড় তোলেন অধিনায়ক মহম্মদ নবি ও গুলবাদিন। এই দুজনের দাপটে ২০ ওভারে ১৪৭ রানে পৌঁছয় আফগানিস্তান। অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৮১। ৩২ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন নবি। অন্যদিকে ২৫ বলে অপরাজিত ৩৫ রান করেন গুলবাদিন। পাকিস্তানের হয়ে ইমাদ ওয়াসিম ২৫ রানে ২ উইকেট নেন। শাহিন আফ্রিদি, হ্যারিস রউফ, হাসান আলি ও সাদাব খান ১টি করে উইকেট পান।পাকিস্তানের যা ব্যাটিং শক্তি ১৪৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। তৃতীয় ওভারে মহম্মদ রিজওয়ান (৮) আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান ফাকার জামান ও অধিনায়ক বাবর আজম। ২৫ বলে ৩০ রান করে ফাকার জামান আউট হন। মহম্মদ হাফিজ করেন ১০ বলে ১০। পাকিস্তানের হয়ে অ্যাঙ্করের ভুমিকা পালন করেন বাবর আজম। শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৫১ রান করে রশিদ খানের বলে তিনি আউট হন।একসময় জয়ের জন্য ২৩ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৩৮। রশিল খানকে ছয় মেরে চাপ কমান শোয়েব মালিক। এরপরই আউট হল বাবর আজম। পরের ওভারে শোয়েব মালিককে (১৫ বলে ১৯) তুলে নেন নবীনউলহক। জেতার জন্য শেষ ১২ বলে ২৪ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। ১৯ তম ওভারে করিম জানাতের প্রথম বলে ৬ মারেন আসিফ আলি। পরের বলে কোনও রান হয়নি। তৃতীয় বলে আবার ছক্কা। চতুর্থ বল ডট। পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে পরপর দুটি ছক্কা মেরে দলকে জিতিয়ে দেন আসিফ আলি। ১ ওভার বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান (১৪৮/৫)। ৭ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন আসিফ।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Gavaskar : নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশ নিয়ে চমকপ্রদ পরামর্শ সুনীল গাভাসকারের

রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে ভারত। হারলেই সেমিফাইনালে ওঠার কাজ অনেকটাই কঠিন হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে বাকি ম্যাচগুলো জেতার পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে নিউজিল্যান্ডের দিকেও। কিউইদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে প্রথম একাদশ কী হওয়া উচিত, এই নিয়ে নানা রকম পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সুনীল গাভাসকারের পরামর্শ, প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামুক ভারত। ভারতের এই প্রাক্তন অধিনায়কের মতে, হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে ফিনিশারের ভুমিকায় ঈশান কিষাণকে খেলানো যেতে পারে। এছাড়া ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় শার্দুল ঠাকুরকে খেলানোর পরামর্শও দিয়েছেন গাভাসকার। আইপিএল চলাকালীন ঈশান কিষানের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন ভারতের এই প্রাক্তন অধিনায়ক। বলেছিলেন, ভারতীয় টি২০ দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য আর তাগিদ দেখাচ্ছেন না। শেষদিকে অবশ্য জ্বলে উঠেছিলেন ঈশান কিষান। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচেও রান পেয়েছিলেন। এবার তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়ার দাবি তুলেছেন সুনীল গাভাসকার। তাঁর পরামর্শ, হার্দিক পান্ডিয়া যদি বোলিং করতে না পারেন, তাহলে শুধু ব্যাটার হিসেবে হার্দিককে খেলানোর কোনও যুক্তি নেই। বরং ফিনিশারের ভুমিকায় ঈশানকে খেলানো হোক।ভুবনেশ্বর কুমারের জায়গায় শার্দুল ঠাকুরকে খেলানোরও পক্ষপাতি গাভাসকার। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বের আগে ভারতীয় দলের হয়ে শ্রীলঙ্কা সফরে গিয়েছিলেন ভুবনেশ্বর কুমার। সিরিজে একটা ম্যাচে ৪ উইকেট নিযেছিলেন। তারপর থেকে একেবারেই দাগ কাটতে পারেননি। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বেও ছন্দে ছিলেন না। ৬ ম্যাচে মাত্র ৩ উইকেট পেয়েছিলেন। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচেও ব্যর্থ। পাকিস্তান ম্যাচেও ব্যর্থতা অব্যাহত। শার্দুল ঠাকুর আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে দারুণ ছন্দে ছিলেন। ৮ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৫ উইকেট। তাছাড়া শার্দুলের ব্যাটের হাতও ভাল। তাই শার্দুলকে খেলানোর পক্ষে সওয়াল করেছেন গাভাসকার। অন্যদিকে সঞ্জয় মঞ্জরেকারও স্পিন বিভাগে পরিবর্তনের কথা বলেছেন। ভারতের এই প্রাক্তন ক্রিকেটার বলেছেন, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে এমন স্পিনারদের সুযোগ দেওয়া উচিত, যারা উইকেট নিতে পারে। ভারতকে জিততে গেলে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পেতে হবে। রবীন্দ্র জাদেজা কিংবা রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সেই দক্ষতা নেই। ওরা রান আটকাতে পারে, কিন্তু উইকেট তুলতে পারবে না।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ক্যারিবিয়ানদের কাছে ৩ রানে হেরে সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের

সেমিফাইনালের সম্ভাবনা টিকিয়ে রাখতে গেলে দুই দলের কাছেই জেতা জরুরি ছিল। শেষ পর্যন্ত স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের। গ্রুপ অফ ডেথে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ৩ রানে হেরে সেমিফাইনালের আশা শেষ মাহমুদুল্লাদের। অন্যদিকে, জিতে সেমিফাইনালের আশা টিকিয়ে রাখল ক্যারিবিয়ানরা। যদিও সম্ভাবনা যথেষ্ট ক্ষীণ। গ্রুপ লিগের বাকি দুটি ম্যাচ জেতার পাশাপাশি তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের ফলাফলের দিকে। টস জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিল বাংলাদেশ। আগে ম্যাচে মন্থর ব্যাটিংয়ের জন্য বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বাদ পড়েন লেন্ডল সিমন্স। তাঁর পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পান রস্টন চেজ। টি২০ অভিষেক ম্যাচেই নজর কাড়েন তিনি। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৪৬ বলে করেন ৩৯। যদিও সিমন্সের পরিবর্তে ওপেন করতে নামা ক্রিস গেল ব্যর্থ। ১০ বল খেলে মাত্র ৪ রান করে মেহেদি হাসানের বলে বোল্ড হন তিনি। গেল আউট হওয়ার আগে লুইসকে (৬) তুলে নেন মুস্তাফিজুর রহমান। হেটমায়েরও (৯) রান পাননি। তিনি মেহেদি হাসানের শিকার। ১৬ বল খেলে ৮ রান করে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন কায়রন পোলার্ড। পোলার্ড বেরিয়ে যাওয়ার পরপরই এক বল না খেলেই রান আউট হয়ে ফিরে যান আন্দ্রে রাসেল। রস্টন চেজের শট তাস্কিন আমেদের পায়ে লেগে যখন নন স্ট্রাইকিং প্রান্তের উইকেট ভেঙে দেয়, তখন ক্রিজ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন রাসেল। এরপরই ঝড় তোলেন নিকোলাস পুরান। ২২ বলে তিনি করেন ৪০। শেষ পর্যন্ত জেসন হোল্ডারের (৫ বলে ১৫) সৌজন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভারে ৭ উইকেটে তোলে ১৪২। পরে আবার ব্যাট করতে নেমে পোলার্ড ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মেহেদি হাসান ২৭ রানে ২টি, শরিফুল ইসলাম ২০ রানে ২টি ও মুস্তাফিজুর রহমান ৪৩ রানে ২টি উইকেট পান। জেতার জন্য মরিয়া বাংলাদেশও এদিন ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন করেছিল। লিটন দাসের পরিবর্তে মহম্মদ নইমের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু তিনি সুবিধা করতে পারেননি। ১২ বলে মাত্র ৯ রান করে তিনি রাসেলের বলে আউট হন। সৌম্য সরকার ও মহম্মদ নঈম দুজনেই ১৭ রান করেন। ওপেন করতে নেমে শাকিব ৯ রানে আউট হন। মুশফিকুর রহিম ৮ রানের বেশি করতে পারেননি। তিন নম্বরে নামাআ লিটন দাস ৪৩ বলে ৪৪ রান করে ১৯তম ওভারের শেষ বলে আউট হন। শেষ ওভারে বাংলাদেশের জেতার জন্য দরকার ছিল ১৩। ৯ রানের বেশি তুলতে পারেনি। ৫ উইকেটে ১৩৯/৫ রানে থেমে যায়। মাহমুদুল্লা ২৪ বলে ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : অবশেষে রানে ফিরলেন ওয়ার্নার, স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে

আইপিএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ। নেতৃত্ব হারাতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। এমনকী সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে প্রথম একাদশ থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল ডেভিড ওয়ার্নারকে। টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম দুটি ম্যাচেও রান পাননি। তাঁকে প্রথম একাদশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও উঠেছিল। ভরসা হারায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ১২র গ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচেই রানে ফিরলেন। স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারাল অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে সেমিফাইনালে ওঠার পথও প্রশস্ত করল।টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। তৃতীয় ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা (৭) ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান কুশল পেরেরা (২৫ বলে ৩৫) ও আসালাঙ্কা (২৭ বলে ৩৫)। পরপর দুওভারে এই দুই ব্যাটসম্যান ফিরে গেলে রান তোলার গতি কমে যায় শ্রীলঙ্কার। দারুণ বোলিং করেন অ্যাডাম জাম্পা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার ৬ উইকেটে ১৫৪ তোলে শ্রীলঙ্কা। ২৬ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন ভানুকা রাজাপক্ষ। অধিনায়ক দাসুন শনাকা ১২, পাথুম নিসঙ্কা ৭, ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা ও আবিষ্কা ফার্নান্দো ৪ রানে আউট হন। অ্যাডাম জাম্পা ৪ ওভারে ১২ রানে ২ উইকেট নেন। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন মিচেল স্টার্ক। প্যাট কামিন্স ২টি উইকেট পেয়েছেন ৩৪ রানের বিনিময়ে।জয়ের জন্য ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ঝড়ের গতিতে রান তুলতে থাকেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। ৬.৫ ওভারে দলের ৭০ রানের মাথায় ২৩ বলে ৩৭ রান করে আউট হন ফিঞ্চ। এদিন টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৫০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে গেলেন তিনি। তিন নম্বরে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৫) সুবিধা করতে পারেননি। পরপর দুটি উইকেট পড়ে গেলেও মনসংযোগ হারাননি ডেভিড ওয়ার্নার। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন। ওয়ার্নার যখন আউট হন, জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ২৫। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন স্টিভ স্মিথ (২৬ বলে অপরাজিত ২৮) ও মার্কাস স্টইনিস (৭ বলে অপরাজিত ১৬)। ১৭ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেওয়ার পাশাপাশি নেট রান রেটও বাড়িয়ে রাখল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের সেরা হয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : নেটে বোলিং হার্দিকের, নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কী খেলবেন?

রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামবে ভারত। হারলেই সেমিফাইনালের ছাড়পত্র পাওয়া অনেকটাই কঠিন হয়ে যাবে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। নেটে বোলিং শুরু করেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর সেই বোলিং করার ছবি টুইট করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।হার্দিক পাণ্ডিয়া নিউজিল্যান্ড ম্যাচে বোলিং করতে পারেন, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এই টুইটারে সেই ইঙ্গিত মিলেছে। ক্যাপশনে লোডিং শব্দটি লিখে হার্দিকের বোলিং ও ব্যাটিংয়ের ছবি পোস্ট করা হয়েছে। ভারতের ডু অর ডাই ম্যাচে নিজের কেরিয়ার বাঁচাতে হার্দিক বল করবেন বলেই মনে করা হচ্ছে। শুক্রবার আবার হার্দিকের ফিটনেস পরীক্ষা হবে। যদি ফিটনেস টেস্টে উত্তীর্ণ হন, তাহলেই তাঁকে নিউজিল্যান্ড ম্যাচে খেলানো হবে। বোলিংয়ের পর নেটে ব্যাটিং করার সময় হার্দিক পুল শট মেরেছেন। এর থেকে মনে করা হচ্ছে তাঁর ফিটনেস অনেকটাই উন্নত। তবু কালকের ফিটনেস টেস্টের উপর নির্ভর করবে তিনি নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দলে থাকার ব্যাপারে বিবেচিত হবেন কিনা।বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মনে করছেন, হার্দিক বোলিং করতে না পারলে তাঁর পরিবর্তে ঈশান কিষাণকে খেলানো হোক। কারণ ডেথ ওভারে তাঁর ঝড় তোলার ক্ষমতা রয়েছে। সুনীল গাভাসকার থেকে শুরু করে জাহির খান ঈশান কিষাণকে খেলানোর দাবি তুলেছেন। আর হার্দিককে যদি খেলানোও হয়, তাহলে সূর্য্কুমার যাদবকে বসিয়ে ঈশানকে খেলানো হোক।ভুবনেশ্বর কুমারের পরিবর্তে শার্দুল ঠাকুরকেও প্রথম একাদশে নেওয়ার দাবি উঠেছে। আইপিএলে দারুণ বোলিং করেছেন শার্দূল। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ডেথ ওভারে কার্যকরী ভূমিকা পালন করেছিলেন। যদিও বিরাট কোহলি দলে খুব বেশি রদবদল করতে পছন্দ করেন না। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন স্পিনারে নামলে ভুবনেশ্বরের জায়গায় রবিচন্দ্রন অশ্বিন খেলতে পারেন। হার্দিক বল করতে পারলে ভারতের ষষ্ঠ বোলার নিয়ে চিন্তা কমবে। নিউজিল্যান্ড ম্যাচে নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য মরিয়া মহম্মদ সামিও। পাকিস্তান ম্যাচের পর যেভাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় আক্রমণের মুখে পড়েছিলেন, তারপর অনুসীলনের ছবি পোস্ট করে কিউয়িদের বিরুদ্ধে ভালো পারফর্ম করার লক্ষ্যের কথা জানিয়েছেন সামি।

অক্টোবর ২৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal