• ৮ মাঘ ১৪৩২, শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Smriti Mandhana

খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচের সামনে মিতালিরা, ভারত কি পারবে সেমিফাইনালে যেতে?‌

মহিলাদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের ছাড়পত্র কি পাবে ভারত? মিতালি রাজদের ভবিষ্যত এখন নিজেদের হাতে। রবিবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ খেলতে নামছে ২০১৭ বিশ্বকাপের রানার্সরা। সেফিফাইনালের টিকিট পেতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ভারতীয় দলের সামনে। হারলে কিংবা পয়েন্ট ভাগাভাগি হলেও মিতালি রাজদের সামনে সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। সেক্ষেত্রে ভারতের সামনে এসে পড়বে অনেক জটিল অঙ্ক। ভারতীয় শিবির অবশ্য কোনও জটিল অঙ্কের সামনে যেতে চায় না। লক্ষ্য, প্রোটিয়াদের হারিয়েই সেমিফাইনালের টিকিট জোগাড় করা। ৭ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে ইতিমধ্যেই সেমিফাইনালে পোঁছে গেছে অস্ট্রেলিয়া। ৬ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট দক্ষিণ আফ্রিকার। দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে তারাও সেমিফাইনালের টিকিট পেয়ে গেছে। বাকি দুটি জায়গার জন্য লড়াই ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড ও ভারতের মধ্যে। ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে এই মুহূর্তে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ক্যারিবিয়ানরা। ভারত ও ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ৬। নেট রান রেটে এগিয়ে থাকার সুবাদে ইংল্যান্ড (+০.৭৭৮) রয়েছে চতুর্থ স্থানে। ভারত (+০.৭৬৮) রয়েছে পঞ্চম স্থানে। ভারত যদি শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারায় তাহলে সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে। কারণ সেক্ষেত্রে পয়েন্টের বিচারে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টপকে যাবে। ভারত হারলেও সেমিফাইনালের টিকিট পেতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের কাছে জঘন্যভাবে হারতে হবে গতবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডকে। ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ ভেস্তে গেলেও মিতালি রাজদের সামনে সেমিফাইনালে খেলার সুযোগ এসে যাবে। ম্যাচ ভেস্তে গেলে ভারতের পয়েন্ট হবে ৭। ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও পয়েন্ট ৭। নেট রানরেটে ক্যারিবিয়ানদের (-০.৮৯০) থেকে এগিয়ে ভারত (+০.৭৬৮)। বোলিং নিয়ে চিন্তা না থাকলেও ভারতের মূল সমস্যা ব্যাটিং। টপ ও মিডল অর্ডারদের ব্যাটাদের ধারাবাহিকতার অভাব। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জিততে গেলে স্মৃতি মান্ধানা, মিতালি রাজদের রান পেতে হবে। বড় জুটি গড়ে তুলতে হবে ভারতকে। সেই কথাই শোনা গেছে ভারতীয় দলের ওপেনার শেফালি ভার্মার মুখে। মরণবাঁচন ম্যাচে নামার আগে তিনি বলেন, আমাদের সামনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। দলের প্রত্যেকেই সেটা জানে। সবাই ১০০ শতাংশ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। জিততে গেলে আমাদের বড় জুটি তৈরি করতে হবে।

মার্চ ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাইলস্টোনের ম্যাচে ব্যর্থ ঝুলন, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে সেমিফাইনাল কঠিন করে তুলল ভারত

মহিলাদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিতলেই সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যেত। কিন্তু টানটান উত্তেজনার ম্যাচে অসিদের কাছে ৬ উইকেটে হেরে সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা কঠিন করলে তুললেন মিতালি রাজরা। পরিস্থিতি এমন, সেমিফাইনালে যেতে গেলে শেষদুটি ম্যাচে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে শুধু হারালেই হবে না, নেট রানরেটেও এগিয়ে থাকতে হবে।অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। ৬ ওভারের মধ্যেই হারায় দুই ওপেনারকে। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই ডার্সি ব্রাউন তুলে নেন স্মৃতি মান্ধানাকে (১০)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে ফেরান আর এক ওপেনার শেফালি ভার্মাকে (১২)। মনে হচ্ছিল এদিনও ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটতে চলেছে। কিন্তু রুখে দাঁড়ান তিন নম্বরে নামা ইয়াস্তিকা ভাটিয়াকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক মিতালি রাজ। বিশ্বকাপের আগের চারটি ম্যাচে রান পাননি আধিনায়ক মিতালি। কিন্তু এদিন দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান। ইয়াস্তিকার সঙ্রে ১৩০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেন। ৩২তম ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন ইয়াস্তিকা। সেই ডার্সি ব্রাউন নিজের দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে তুলে নেন ইয়াস্তিকাকে। ৮৩ বলে তিনি করেন ৫৯। ভারতের রান তখন ১৫৮। ইয়াস্তিকা আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফেরেন মিতালি। ৯৬ বলে ৬৮ রান করেন তিনি। রিচা ঘোষ (৮) ও স্নেহ রানা (০) রান পাননি। শেষ দিকে হরমনপ্রীত কাউর (৪৭ বলে অপরাজিত ৫৭) ও পূজা বস্ত্রকারের (২৮ বলে ৩৪) দুরন্ত ব্যাটিং ভারতকে ২৭৭/৭ রানে পৌঁছে দেয়। জয়ের জন্য ২৭৮ রানের লক্ষ্য যথেষ্ট কঠিন ছিল অস্ট্রেলিয়ার কাছে। কারণ এত রান তাড়া করে মহিলাদের বিশ্বকাপে আগে কোনও দল জেতেনি। কিন্তুই অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার র্যাচেল হেনেস ও অ্যালিসা হিলি কাজটা অনেকটাই সহজ করে দেন। ওপেনিং জুটিতে ১৯ ওভারে দুজনে তুলে ফেলে ১২১। ভারতীয় বোলাররা এই দুই ওপেনারের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। অবশেষে ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন স্নেহ রানা। ২০তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অ্যালিসা হিলিকে (৬৫ বলে ৭২) তুলে নেন তিনি। পরের ওভারেই র্যাচেল হেনেসকে (৫৩ বলে ৪৩) ফেরান পূজা বস্ত্রকার। মনে হচ্ছিল পরপর দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফিরতে চলেছে ভারত। কিন্তু মিতালি রাজদের আশায় জল ঢেলে দেন মেগ ল্যানিং ও এলিসে পেরি। দুজনে মিলে জুটি তোলেন ১০৩ রান। এলিসে পেরিকে (২৮) ফেরান পূজা বস্ত্রকার। এরপরই বৃষ্টির জন্য কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। তাতেই মনোসংযোগে চিড় ধরানে মেগ ল্যানিংয়ের। বেথ মুনিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ধীরে ধীরে দলকে জয়ের দিকে টেনে নিয়ে যান। মেঘনা সিংয়ের বলে সেঞ্চুরির মুখে আউট হন ল্যানিং (১০৭ বলে ৯৭)। জয় থেকে অস্ট্রেলিয়া তখন ৮ রান দুরে। শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়আর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রান। ঝুলন গোস্বামীর প্রথম বলেই ৪ মারেন মুনি। পরের বলে ২ রান নেন। তৃতীয় বলে আবার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের সেমিফাইনাল খেলা নিশ্চিত করেন মুনি (২০ বলে অপরাজিত ৩০)। ৩ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে ২৮০ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। এদিন দেশের হয়ে ২০০ তম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেললেন ঝুলন। মাইলস্টোনের ম্যাচে বল হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ৯.৩ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। ৪৩ রানে ২ উইকেট পান পূজা বস্ত্রকার।

মার্চ ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিশ্বরেকর্ড ঝুলনের, ক্যারিবিয়ানদের ১৫৫ রানে গুঁড়িয়ে মহিলা বিশ্বকাপে শীর্ষে ভারত

আগের ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারের পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ভারতের। মহিলাদের বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৫৫ রানে গুড়িয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে গেলেন মিতালি রাজরা। দুর্দান্ত সেঞ্চুরি করে ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন স্মৃতি মান্ধানা ও হরমনপ্রীত কাউর। এদিন আনিসা মহম্মদের উইকেট তুলে নিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারী হয়ে গেলেন ঝুলন গোস্বামী। টপকে গেলেন অস্ট্রেলিয়ার লিন ফুলস্টনকে। আগের দুটি ম্যাচে টপ অর্ডার ব্যাটিং নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত ছিলেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালী রাজ। এদিন তাঁকে চিন্তামুক্ত করলেন স্মৃতি মান্ধানা ও হরমনপ্রীত কাউর। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে এদিন ভাল শুরু করেছিল ভারত। ওপেনিং জুটিতে ৬.৩ ওভারে ওঠে ৪৯ রান। যস্তিকা ভাটিয়া ৬টি চারের সাহায্যে ২১ বলে করেন ৩১। মিতালি রাজ ১১ বলে ৫ রান করে আউট হন। ২১ বলে ১৫ রান করেন দীপ্তি শর্মা। ১৩.৫ ওভারে ৩ উইকেটে ৭৮। সেখান থেকে ৪২.৩ ওভার পর্যন্ত ভারতের ইনিংসকে টেনে নিয়ে যায় স্মৃতি মান্ধানা ও হরমনপ্রীত কাউর জুটি।ক্যারিবিয়ান বোলারদের ওপর দারুণ আধিপত্য দেখান স্মৃতি মান্ধানা ও হরমনপ্রীত কাউর। ৬৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ম করেন স্মৃতি। হরমনপ্রীতের হাফ সেঞ্চুরি আসে ৬১ বলে। ১০৮ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন মান্ধানা, ৯টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে। হরমনপ্রীতের সেঞ্চুরি আসে ১০০ বলে, ৮টি চার ও ২দুটি ছয়ের সাহায্যে। ১৩টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ১১৯ বলে ১২৩ রান করে আউট হন স্মৃতি মান্ধানা। ১০টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে হরমনপ্রীত করেন ১০৭ বলে ১০৯। রিচা ঘোষ ৫, পূজা বস্ত্রকার ১০ ও ঝুলন গোস্বামী ২ রানে আউট হন। স্নেহ রানা ২ ও মেঘনা সিং ১ রানে অপরাজিত থাকেন। ৫০ ওভারে ভারত তোলে ৩১৭/৮। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে আনিসা মহম্মদ ৫৯ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট দখল করেন। জয়ের জন্য ৩১৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুম শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১২ ওভারে তোলে ১০০। ঝুলন গোস্বামী, মেঘনা সিং, দীপ্তি শর্মারা প্রমম দিকে ডিয়ান্ড্রা ডটিন ও হেইলি ম্যাথুজের সামনে সুবিধা করতে পারেননি। স্নেহ রানা বোলিং করতে এসে জুটি ভাঙেন। তিনি তুলে নেন ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা ডটিনকে। ৪৬ বলে ৬২ রান করে মেঘনা সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ডটিন। এরপরই ধস নামে ক্যারিবিয়ান ইনিংসে। ৪০.৩ ওভারে ১৬২ রানেই গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হেইলি ম্যাথিউজ ৪৩ রান করেন। সাতজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছাতে পারেননি। স্নেহ রানা ২২ রানে ৩ উইকেট নেন। মেঘনা সিং ২৭ রানে ২ উইকেট পান। ঝুলন গোস্বামী, রাজেশ্বরী গায়কোয়াড় ও পূজা বস্ত্রকার একটি করে উইকেট নেন। এদিন আনিসা মহম্মদকে আউট করে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারীর রেকর্ড গড়লেন ঝুলন গোস্বামী। তাঁর উইকেট সংখ্যা ৪০। টপকে গেলেন লিন ফুলস্টনকে। তাঁর উইকেট সংক্যা ৩৯।

মার্চ ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Smriti Mandhana: আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে গোলাপি টেস্টে দারুন শুরু স্মৃতিদের

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে ঐতিহাসিক টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা হলেও চাপে ছিল ভারতীয় দল। অস্ট্রেলিয়ার গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মিতালি রাজদের একেবারেই ছিল না। ভালভাবে অনুশীলনের সুযোগও পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শেষ হওয়ার পর মাত্র একটা সেশন অনুশীলনে সুযোগ পেয়েছিলেন গোলাপি বলে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। তাতেই কামাল স্মৃতি মান্ধানাদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দিনরাতের টেস্টের প্রথম দিনে রীতিমতো দাপট দেখালেন স্মৃতি, শেফালিরা। ঐতিহাসিক দিনরাতের টেস্টে দারুণ শুরু ভারতীয় মহিলা দলের। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ১৩২/১।জুন মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বেশ কয়েকজনের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন টেস্ট অভিষেক হল মেঘনা সিং ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার। একদিনের সিরিজে দারুণ নজর কেড়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তার পুরস্কার পেলেন। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। আশঙ্কা ছিল গোলাপি বলে অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা শুরুতেই চেপে বসবে ভারতীয়দের ওপর। কিন্তু এলিসে পেরি ও ডার্সি ব্রাউন কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের উপর। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ২৫ ওভারে ওঠে ৯৩। শেষ পর্যন্ত জুটি ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার সোফিয়ে মলিনেক্স। মলিনেক্সের বল তুলে মারতে মিড অফে তালিয়া ম্যাকগ্রাথের হাতে ক্যাচ দেন শেফালি। ৬৪ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। ভারতের রান তখন ৯৩। শেফালি আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান স্মৃতি মান্ধানা ও পুনম রাউত। দুজনের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৩৯। এদিন টেস্ট জীবনের সর্বোচ্চ রান করেন স্মৃতি। তাঁর আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৮। ৪৪.১ ওভার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের রান তখন ১৩২/১। স্মৃতি ৮০ রানে ও পুনম ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। টেস্টের আগের দিন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ আশঙ্কা করেছিলেন, গোলাপি বলে সুইং সামলাতে সমস্যা হবে। তাঁর সেই আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে দিলেন স্মৃতিরা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

এক বছরের অচলাবস্থার অবসান? চিংড়িহাটায় মেট্রো কাজ নিয়ে বড় আপডেট

অবশেষে আশার আলো দেখা গেল কবি সুভাষকলকাতা বিমানবন্দর (জয় হিন্দ) মেট্রো প্রকল্পের দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কাজ নিয়ে। চিংড়িহাটায় প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল মেট্রোর কাজ। নানা অজুহাতে সেই কাজ এগোনো সম্ভব হচ্ছিল না। তবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ কড়া মনোভাব দেখানোর পরেই সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজে বার করল কলকাতা পুলিশ।মেট্রোর কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে উত্তরমুখী, অর্থাৎ সাইন্স সিটির দিক থেকে উল্টোডাঙাগামী যান চলাচলের জন্য নতুন রাস্তা খুলে দেওয়া হয়েছে। ক্যাপ্টেন ভেড়ির লাগোয়া অংশ দিয়ে প্রায় ৪৫০ মিটার রাস্তা ঘুরিয়ে চিংড়িহাটা উড়ালপুল পেরিয়ে গাড়ি বের করানো শুরু হয়েছে। এর ফলে মেট্রোর করিডরের নীচ দিয়ে তৈরি হয়ে থাকা রাস্তা অবশেষে যান চলাচলের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এই রাস্তা কয়েক মাস আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল। চিংড়িহাটা উড়ালপুলে ওঠার আগেই রাস্তাটিকে দুভাগে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। উল্টোডাঙা ট্রাফিক গার্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার থেকে বাস এবং মালবাহী যানগুলি ক্যাপ্টেন ভেড়ির সামনে দিয়ে ঢুকে চিংড়িহাটার দিকে বেরোবে। বাইক, ট্যাক্সি এবং ছোট গাড়িগুলি আগের মতোই ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাস ব্যবহার করবে।চিংড়িহাটা মেট্রোর মাত্র ৩৬৬ মিটার কাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে রেল বিকাশ নিগম লিমিটেড এবং কলকাতা মেট্রোর তরফে রাজ্য প্রশাসন ও কলকাতা পুলিশের কাছে একাধিকবার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। ইস্টার্ন মেট্রোপলিটন বাইপাসের চিংড়িহাটা অংশে অন্তত তিন রাত রাস্তা বন্ধ রাখার আবেদনও করা হয়। কিন্তু কোনও অনুরোধেই কাজ না হওয়ায় বিষয়টি গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে।এরপরই প্রধান বিচারপতি রাজ্য প্রশাসন ও কলকাতা পুলিশকে প্রকাশ্যে ভর্ৎসনা করেন এবং ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সমস্ত জটিলতা মেটানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের পরেই দীর্ঘদিন আগে তৈরি হয়ে থাকা রাস্তা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হল।কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা জানিয়েছেন, কলকাতা মেট্রোর সঙ্গে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা চলছে। ট্রাফিক পুলিশের দাবি, নতুন ডাইভারশন চালু হওয়ায় ব্যস্ত সময়েও চিংড়িহাটা ফ্লাইওভারে ওঠার মুখ ফাঁকা থাকবে। পাশাপাশি রাতে রাস্তা বন্ধ করলেও যান চলাচলে বড় সমস্যা হবে না।যদিও উত্তরমুখী রাস্তার সমাধান মিলেছে, তবে দক্ষিণমুখী অর্থাৎ সাইন্স সিটি বা গড়িয়াগামী যান চলাচল কোন পথে ঘোরানো হবে, তা নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে বলে কলকাতা ট্রাফিক সূত্রে খবর।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

খোলা লিফটের গর্তে পড়ে মৃত্যু! তিন বছরের শিশুর মর্মান্তিক পরিণতি কলকাতায়

নির্মীয়মান বহুতলের একটি খোলা লিফটের গর্ত থেকে উদ্ধার হল তিন বছরের শিশুর নিথর দেহ। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে এন্টালি থানার অন্তর্গত ৪/৫১ কনভেন্ট লেন এলাকায়। বুধবার রাতে ওই এলাকার একটি নির্মীয়মান বহুতলের লিফটের গর্ত থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাকে ঘিরে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভ।পরিবারের অভিযোগ, নির্মাণস্থলে কোনও নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল না। লিফটের গর্ত সম্পূর্ণ খোলা অবস্থায় পড়ে ছিল, তার চারপাশে কোনও ঘেরাটোপ বা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে এমন একটি বিপজ্জনক জায়গা অরক্ষিত অবস্থায় রাখা হয়েছিল।সন্তানকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁরা এই মৃত্যুর বিচার চাইছেন। পরিবারের আরও অভিযোগ, ঘটনার পর প্রোমোটারের কাছে বিচার চাইতে গেলে উল্টে শিশুটির বাবাকে হুমকি দেওয়া হয়। বলা হয়, থানায় বেশি কিছু বললে বিপদ হতে পারে। এমনকী শিশুর মাকেই দোষারোপ করা হয় বলে অভিযোগ।এলাকাবাসীদের বক্তব্য, লিফটের গর্ত ঘিরে রাখা থাকলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটত না। তাঁদের অভিযোগ, অধিক মুনাফার আশায় নির্মীয়মান বহুতলে কোনও নিরাপত্তারক্ষী রাখা হয়নি। নিয়ম মানা হয়নি নির্মাণের ক্ষেত্রেও। তিন বছরের শিশুর মৃত্যুর পর বড়সড় প্রশ্নের মুখে পড়েছে শহরের প্রোমোটার রাজ।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কোনও লিখিত অভিযোগ নেয়নি পুলিশ বলে জানা গিয়েছে। যদিও এলাকার মানুষের ক্ষোভ ক্রমশ বাড়ছে। শিশুর মৃত্যুর দায় কার, তা নিয়ে জোরদার তদন্তের দাবি উঠেছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২২ জানুয়ারির শোক আরও গভীর! প্রয়াত ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন তারকা ইলিয়াস পাশা

চার বছর আগে এই দিনেই, ২২ জানুয়ারি, প্রয়াত হয়েছিলেন কিংবদন্তি ফুটবলার ও কোচ সুভাষ ভৌমিক। সেই শোকের দিনেই ফের এক দুঃসংবাদ। বৃহস্পতিবার সকালে প্রয়াত হলেন প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার ইলিয়াস পাশা। লাল-হলুদ শিবিরের এক সময়কার নির্ভরযোগ্য রক্ষণভাগের এই ফুটবলার দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ময়দানে।ভারতীয় ফুটবলকে একাধিক তারকা উপহার দিয়েছে বেঙ্গালুরু। আমেদ খান, অরুময় নৈগম, বাবু মানি, নারায়ণস্বামী উলগানাথন, কার্লটন চ্যাপম্যানদের সেই তালিকায় ছিলেন ইলিয়াস পাশাও। ১৯৮৯ সালে আইটিআই থেকে কলকাতায় এসে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে যোগ দেন তিনি। তার এক বছর পরেই ইস্টবেঙ্গলে নাম লেখান। গায়ে ওঠে ১৭ নম্বর জার্সি। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।ডান প্রান্তের রাইট ব্যাক হিসেবে পাশার দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। ওভারল্যাপিং দৌড়ে বিপক্ষ রক্ষণে আতঙ্ক তৈরি করতেন তিনি। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত টানা নটি মরশুম ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছেন। এই সময়ে দুটি গোলও করেছিলেন। তার মধ্যে একটি মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। ১৯৯৬ সালের কলকাতা লিগে ডার্বিতে পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন পাশা। সেই ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়।১৯৯৩ সালে ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পান ইলিয়াস পাশা। তাঁর নেতৃত্বেই ইরাকের শক্তিশালী ক্লাব আল জাওরার বিরুদ্ধে ৬-২ গোলে জয় পায় ইস্টবেঙ্গল। একই বছরে কাঠমান্ডুতে ওয়াই ওয়াই কাপও জেতে লাল-হলুদ। ইলিয়াস পাশা ইস্টবেঙ্গলে থাকাকালীন ছবার কলকাতা লিগ, পাঁচবার ডুরান্ড কাপ, দুবার রোভার্স কাপ, চারবার এয়ারলাইন্স গোল্ড কাপ এবং একবার করে বরদলুই ট্রফি ও ফেডারেশন কাপ জেতেন। বাংলার জার্সিতে সন্তোষ ট্রফিও জয় করেছিলেন তিনি।ক্লাব ফুটবলে সফল হলেও জাতীয় দলে সেই সাফল্য পাননি পাশা। শুধুমাত্র ফুটবল খেলার জন্য চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। জীবনের শেষ দিকে আর্থিক সংকটে পড়লেও ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ লাল-হলুদ শিবির।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

স্কুলের মধ্যেই ভয়ংকর অভিযোগ! চার বছরের ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, গ্রেফতার শিক্ষক

স্কুলের মধ্যেই শিশুকন্যাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মহেশতলায়। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ পক্সো আইনে মামলা রুজু করে দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।স্কুল ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার অন্যান্য দিনের মতোই স্কুলে গিয়েছিল ওই চার বছরের শিশু। অভিযোগ, স্কুলের মধ্যেই বাংলার শিক্ষক চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে গল্পের বই দেওয়ার নাম করে ক্লাসরুমের বাইরে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তাঁকে স্কুলের দোতলায় নিয়ে গিয়ে শ্লীলতাহানি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনার পর শিশুটি বাড়ি ফিরে মাকে সব কথা জানায়। বিষয়টি জানাজানি হতেই ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা স্কুলে ছুটে যান। স্কুলের গেটের বাইরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার দাবি ওঠে। এর মধ্যেই শিশুকন্যার পরিবারের তরফ থেকে মহেশতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ পক্সো ধারায় মামলা রুজু করে। তৎপরতার সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও শ্লীলতাহানির অভিযোগ রয়েছে। সেই মামলা এখনও আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। তা সত্ত্বেও কেন এতদিন ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।এই ঘটনার পর অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলতে চান। পুরো ঘটনার জেরে স্কুলে পঠনপাঠন ব্যাহত হয়েছে। আতঙ্ক ও ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে স্কুল চত্বরে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
কলকাতা

অফিস টাইমে বড় বিপত্তি! রবীন্দ্র সদন-নেতাজি ভবনের মাঝে থমকে গেল মেট্রো

সাতসকালে মেট্রো বিভ্রাটে চরম ভোগান্তিতে পড়লেন যাত্রীরা। ব্যস্ত কর্মদিবসের সকালে হঠাৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েন অফিসযাত্রী ও পড়ুয়ারা। কিছু অংশে সাময়িকভাবে মেট্রো চলাচল বন্ধ ছিল। তবে মেট্রো রেলের ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেরামতির কাজ শুরু করেন। প্রায় ৪২ মিনিট পর মেট্রো পরিষেবা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয়।মেট্রো রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সদন এবং নেতাজি ভবন স্টেশনের মাঝেই আচমকা যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। সেই কারণেই মেট্রো চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যার কথা জানা মাত্রই রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু করা হয়। প্রথম দিকে শুধুমাত্র ময়দান থেকে দক্ষিণেশ্বর এবং মহানগর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত সীমিত পরিসরে মেট্রো চলছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রায় ৪২ মিনিট পরে গোটা রুটেই পরিষেবা স্বাভাবিক হয়।উল্লেখযোগ্যভাবে, ব্লু লাইনে মেট্রো বিভ্রাট নতুন ঘটনা নয়। এর আগেও একাধিকবার যান্ত্রিক সমস্যার কারণে পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। গত মঙ্গলবারই ব্লু লাইনে মেট্রোর সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন এক ব্যক্তি। সেই ঘটনার জেরে প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে টালিগঞ্জের মহানায়ক উত্তম কুমার স্টেশন থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ ছিল। ফলে অফিসফেরত যাত্রী এবং কলেজ পড়ুয়াদের বড় সমস্যায় পড়তে হয়। অনেক যাত্রীকে টালিগঞ্জে নেমে অন্য উপায়ে বাড়ি ফিরতে হয়। সন্ধ্যা ৭টা ৯ মিনিট নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।বারবার এই ধরনের বিভ্রাটে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। বিশেষ করে অফিস টাইমে মেট্রো বন্ধ হয়ে গেলে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন নিত্যযাত্রীরা।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

শর্মা-সিংহের যুগলবন্দি, নাগপুরে রানের বন্যা, নজিরের রাতে নিউ জ়িল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজ়ে এগোল ভারত

নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ় শুরু করল দাপুটে জয় দিয়ে ভারত। নাগপুরে প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে সর্বাত্মক আধিপত্য দেখিয়ে ৪৮ রানে জয় তুলে নিল সূর্যকুমার যাদবের দল। এই ম্যাচে একাধিক নজির গড়ার পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শক্তিশালী বার্তাও দিয়ে রাখল টিম ইন্ডিয়া।টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউ জ়িল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। তবে সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল প্রমাণিত হতে চলেছে, তা বুঝিয়ে দেন ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই। আগ্রাসী মেজাজে ইনিংস শুরু করেন অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন। যদিও সঞ্জু (১০) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দুবছরের বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ঈশান কিশনও (৮) ব্যর্থ হন। ২৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে সাময়িক চাপে পড়ে ভারত।চাপের মুহূর্তে দায়িত্ব নেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও অভিষেক শর্মা। অভিষেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। অন্যদিকে সূর্য সংযত ব্যাটিং করে ইনিংস গুছিয়ে নেন। ২২ বলে ৩২ রানের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কা মারেন সূর্যকুমার। এই ইনিংস তাঁর ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেয়, যা বিশ্বকাপের আগে কোচ গৌতম গম্ভীরের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তির।তবে ম্যাচের আসল নায়ক অভিষেক শর্মা। ৩৫ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে নিউ জ়িল্যান্ডের বোলারদের কার্যত দিশেহারা করে দেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৫টি চার ও ৮টি ছক্কা। নিখুঁত টাইমিং, শক্তিশালী শট আর অনায়াস আগ্রাসনে তিনি প্রমাণ করে দেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কেন তাঁকে অন্যতম ভয়ংকর ব্যাটার বলা হয়।অভিষেকের গড়া ভিতের উপর দাঁড়িয়ে ভারতের রান পাহাড়ে পরিণত করেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরে নেমে ফিনিশারের ভূমিকায় ফের সাফল্য পেলেন কেকেআরের এই ব্যাটার। ২০ বলে অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে হার্দিক পাণ্ড্যও (১৬ বলে ২৫) কার্যকর অবদান রাখেন। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২৩৮ রান তোলে ভারতটি-টোয়েন্টিতে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে যা ভারতের সর্বোচ্চ দলগত স্কোর। একই সঙ্গে এই ম্যাচে ১৪টি ছক্কা মারে ভারত, এটিও নতুন রেকর্ড। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৪তম বার ২০০-এর বেশি রান করল ভারতযা আর কোনও দলের নেই।লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউ জ়িল্যান্ড। মাত্র ১ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে (০) ও রাচিন রবীন্দ্র (১) ফিরে যান। অর্শদীপ সিং ও হার্দিক পাণ্ড্যের নিখুঁত নতুন বলের স্পেলে কার্যত ম্যাচের শুরুতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে কিউয়িরা। টিম রবিনসন (২১) কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও বরুণ চক্রবর্তীর বলে বিদায় নেন।এর পর গ্লেন ফিলিপ্স ও মার্ক চাপম্যান পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। বিশেষ করে ফিলিপ্সের ব্যাটিং ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করে। ৪০ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে তিনি ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন। তবে অক্ষর পটেলের বলে ফিলিপ্স আউট হতেই ম্যাচ ফের ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চাপম্যানও (৩৯) বরুণের শিকার হন।শেষদিকে ড্যারেল মিচেল (২৮) ও স্যান্টনার (২০) চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান রেটের চাপ সামলাতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানেই থেমে যায় নিউ জ়িল্যান্ডের ইনিংস।ভারতের বোলারদের মধ্যে বরুণ চক্রবর্তী ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন। শিবম দুবে ২৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার। অর্শদীপ ও হার্দিকও একটি করে উইকেট পান। তবে জসপ্রীত বুমরাহ প্রত্যাশামতো প্রভাব ফেলতে পারেননি। পাশাপাশি ফিল্ডিংয়ে একাধিক সহজ ক্যাচ ফসকে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে কিছুটা চিন্তা বাড়াবে ভারতীয় শিবিরে।এই ম্যাচে একমাত্র অস্বস্তির কারণ অক্ষর পটেলের চোট। ফিল্ডিং করতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস নিয়ে তৈরি হল নতুন প্রশ্নচিহ্ন।সব মিলিয়ে, ব্যাটিংয়ে আগ্রাসন, রেকর্ড গড়া স্কোর এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বোলারদের সাফল্যে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ভারত। সিরিজ়ের শুরুতেই নিউ জ়িল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রাখল সূর্যকুমারের দলটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা যে ভয়ংকর প্রতিপক্ষ হতে চলেছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
রাজ্য

৩৮ বছর পর স্বপ্নপূরণ! সিএএ শংসাপত্র পেয়ে আবেগে ভাসলেন মালদহের উদ্বাস্তু

এসআইআর নিয়ে রাজ্যের উদ্বাস্তুদের এক বড় অংশের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। ঠিক সেই আবহেই নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন মালদহের এক বাসিন্দা। বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে দীর্ঘ ৩৮ বছর কাটানোর পর অবশেষে সিএএ-র মাধ্যমে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেলেন সত্যরঞ্জন বারুই। নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে আসা উদ্বাস্তুদের সিএএ-তে আবেদন করার আবেদনও জানিয়েছেন সত্যরঞ্জন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, কারও প্ররোচনায় যেন কেউ বিভ্রান্ত না হন।মালদহ জেলার হবিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বামনগোলা থানার চাঁদপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভুল্কিমারি গ্রামের বাসিন্দা সত্যরঞ্জন বারুই। তিনি বাংলাদেশের নির্যাতিত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ। ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশে নির্যাতনের মুখে উদ্বাস্তু হয়ে ভারতে আসেন তিনি। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পর সিএএ-র জন্য আবেদন করেন। গত বছরের অগস্ট মাসে আবেদন জমা দেওয়ার পরে সম্প্রতি তিনি ভারতীয় নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়েছেন।এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই গ্রামের মানুষ সত্যরঞ্জনের বাড়িতে ভিড় করেন। পরে তাঁর বাড়িতে যান হবিবপুরের বিজেপি বিধায়ক জুয়েল মুর্মুও। তিনি সত্যরঞ্জনকে ফুলের মালা পরিয়ে সংবর্ধনা জানান। নাগরিকত্বের শংসাপত্র পেয়ে আপ্লুত সত্যরঞ্জন বলেন, সিএএ-র মাধ্যমে নাগরিকত্ব পেয়ে তিনি নিজেকে ধন্য মনে করছেন। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তিনি চিরকৃতজ্ঞ বলেও জানান। একই সঙ্গে উদ্বাস্তু সমাজের মানুষের কাছে তাঁর আবেদন, সিএএ-তে আবেদন করে নাগরিকত্ব গ্রহণ করুন এবং কারও কথায় বিভ্রান্ত হবেন না।সত্যরঞ্জন জানান, বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়ে তিনি ভারতে এসেছিলেন। এতদিন নাগরিকত্ব না থাকায় মনে ভয় ছিল। এখন নাগরিকত্ব পাওয়ার পর সেই ভয় কেটে গিয়েছে। তাঁর গ্রামেও বহু মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেছেন। তিনি শংসাপত্র পাওয়ার পরে আরও অনেকে আবেদন করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন বলে জানান। এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক উপেক্ষা করে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করার আবেদনও করেন তিনি।এই প্রসঙ্গে মালদহ জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, তাঁদের দল এসআইআর-এর বিরোধিতা করছে না। তবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে যেভাবে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা হচ্ছে, তা নিয়ে আপত্তি রয়েছে। তিনি বলেন, একজন নাগরিকত্বের শংসাপত্র পাওয়ায় সমস্যার সমাধান হয় না। বহু মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেছেন, সকলেই নাগরিকত্ব পাবেন কি না, সেটাই দেখার বিষয়।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
কলকাতা

নির্দেশ অমান্য! রাজ্যকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করাল নির্বাচন কমিশন

চারজন নির্বাচন আধিকারিকের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের নেওয়া শাস্তিমূলক পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, তাদের নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনেই সংশ্লিষ্ট ইআরও ও এইআরও-দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। মুখ্যসচিবকে পাঠানো চিঠিতে কমিশন জানিয়েছে, একাধিকবার এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হলেও রাজ্য সরকার তা মানেনি। কেন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে, সেই প্রশ্নেরও উত্তর চাওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের অগস্ট মাসেই নির্বাচন কমিশনের তরফে এই বিষয়ে রাজ্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার ইআরও ও এইআরও-দের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ ছিল সেই চিঠিতে। সেই সময় রাজ্যের মুখ্যসচিব ছিলেন মনোজ পন্থ। তিনি দিল্লিতে গিয়ে কমিশনের সঙ্গে বৈঠকও করেন। তবে সেই বৈঠকের পর সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের শুধু সাসপেন্ড করা হয়, এফআইআর দায়ের করা হয়নি।চলতি বছরের শুরুতে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, জেলা নির্বাচন আধিকারিকরা প্রয়োজনে এফআইআর করতে পারবেন। এরপর নবান্ন থেকে চিঠি পাঠিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়, কেন অপেক্ষাকৃত ছোট অপরাধে এত কঠোর শাস্তি দেওয়া হচ্ছে এবং কেন এফআইআর জরুরি। তার জবাবে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, শাস্তি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার রাজ্য সরকারের নয়, নির্বাচন কমিশনের। সেই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিয়ে রাজ্যকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। কমিশনের নির্দেশ, দ্রুত ওই চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ করতে হবে।উল্লেখ্য, বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় নাম তোলার অভিযোগে ময়না ও বারুইপুর পূর্বের ইআরও এবং এইআরও-দের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। অভিযুক্ত চার আধিকারিক হলেন তথাগত মণ্ডল, দেবোত্তম দত্তচৌধুরী, বিপ্লব সরকার এবং সুদীপ্ত দাস। তাঁদের সাসপেন্ড করার পাশাপাশি এফআইআর করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় ফের রাজ্যকে চিঠি পাঠাল কমিশন।এই প্রসঙ্গে বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, নির্বাচন কমিশনকে যেন নাক-দন্তহীন প্রতিষ্ঠান বলে মনে না হয়, সেটাই তাঁদের দাবি। মুখ্যসচিব যদি কমিশনের নির্দেশ না মানেন, তা হলে তাঁর বিরুদ্ধেও কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, যাঁরা মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষা করতে ব্যর্থ, তাঁরাই এখন শাস্তির কথা বলছেন, যা দুর্ভাগ্যজনক।

জানুয়ারি ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal