• ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Singer

কলকাতা

দেবলীনা নন্দীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ! ফেসবুক লাইভে কী বললেন দুই যুবক?

গত কয়েকদিন ধরেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন সঙ্গীতশিল্পী ও সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার দেবলীনা নন্দী। আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনার পর থেকেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা চলছে সোশাল মিডিয়ায়। এরই মাঝে প্রকাশ্যে এল নতুন অভিযোগ, যা ঘিরে ফের চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।শনিবার বিকেলে নীল ও রিভু নামে দুই যুবক ফেসবুক লাইভে দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে দেবলীনা নন্দীর ফেসবুক পেজ তাঁরা পরিচালনা করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, দেবলীনাকে জনপ্রিয় করে তুলতে তাঁরা নিয়মিত কনটেন্ট তৈরি, ভিডিও এডিট এবং পেজ ম্যানেজমেন্টের কাজ করেছেন। তাঁদের হাত ধরেই নাকি দেবলীনারের ফলোয়ার সংখ্যা ৭০ হাজার থেকে বেড়ে ১২ লক্ষে পৌঁছয়। কিছু মিউজিক ভিডিওর কাজও করেছেন তাঁরা।অভিযোগকারীদের দাবি, কাজ ছাড়ার পর দেড় বছর কেটে গেলেও তাঁদের প্রাপ্য টাকা দেননি দেবলীনা। বহুবার বকেয়া টাকা চাওয়া হলেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ। তাঁদের আরও দাবি, একাধিকবার ফোনে দেবলীনারের মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। প্রতিবারই নাকি বলা হয়েছে, দেবলীনা অসুস্থ এবং হাসপাতালে ভর্তি।এই ফেসবুক লাইভ ছড়িয়ে পড়তেই সোশাল মিডিয়ায় শুরু হয় জোর আলোচনা। কমেন্ট বক্সে কেউ দেবলীনাকে কটাক্ষ করেন, আবার কেউ অভিযোগকারীদের প্রশ্ন তোলেন, এতদিন পরে কেন তাঁরা এই কথা প্রকাশ্যে আনলেন।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে পারিবারিক সমস্যার কারণে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন দেবলীনা নন্দী। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।এই বিতর্কের মধ্যেই কয়েক ঘণ্টা পর অভিযোগকারীরা তাঁদের আগের ফেসবুক লাইভ ডিলিট করে নতুন একটি ভিডিও পোস্ট করেন। সেখানে তাঁরা জানান, প্রথম ভিডিও প্রকাশের পর দেবলীনা নিজে ফোন করে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সমস্ত বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেন। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও মন্তব্য করেননি দেবলীনা নন্দী।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

লাইভ মঞ্চে লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগ, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত, ওসির ভূমিকা নিয়েও তদন্ত

লাইভ পারফরম্যান্স চলাকালীন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে হেনস্থার অভিযোগে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক মহল। পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরে একটি বেসরকারি স্কুলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করতে গিয়ে এই ঘটনার মুখে পড়েন তিনি। ঘটনার পর পুলিশ অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে, যার নাম তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সন্ধ্যায় ভগবানপুরের একটি বেসরকারি স্কুল প্রাঙ্গণে। অভিযোগ অনুযায়ী, লগ্নজিতা চক্রবর্তী যখন জাগো মা গানটি পরিবেশন করছিলেন, তখন অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্যোক্তা ও ওই স্কুলের মালিক মেহবুব মল্লিক আচমকাই মঞ্চে উঠে আসেন। শিল্পীর অভিযোগ, তিনি গালিগালাজ করেন এবং চিৎকার করে বলেন, অনেক হয়েছে জাগো মা, এবার কিছু সেকুলার গান গাও। পাশাপাশি মারধরের হুমকি ও শারীরিকভাবে আক্রমণের চেষ্টাও করা হয় বলে অভিযোগ।পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অনুষ্ঠান কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। পরে লগ্নজিতা চক্রবর্তী ভগবানপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, প্রথমে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর মামলা রুজু হয় এবং অভিযুক্ত মেহবুব মল্লিককে গ্রেপ্তার করা হয়।পূর্ব মেদিনীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুন দে জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে ভগবানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং আরও এক পুলিশকর্মীর ভূমিকা নিয়েও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের গাফিলতির প্রমাণ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তরজাও তীব্র হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য। বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা অভিযোগ করেন, একজন শিল্পী কি গান গাইবেন, সেটাও শাসক দলের লোক ঠিক করে দিচ্ছে। এটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত। তিনি আরও দাবি করেন, পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেছিল। যদিও এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।লাইভ মঞ্চে একজন শিল্পীর গান বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিয়ে ওঠা এই প্রশ্ন এখন আর শুধু ব্যক্তিগত অভিযোগে সীমাবদ্ধ নয়। সাংস্কৃতিক পরিসরে মতপ্রকাশের অধিকার, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং রাজনৈতিক প্রভাব সব মিলিয়ে এই ঘটনা রাজ্যজুড়ে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

ডিসেম্বর ২১, ২০২৫
দেশ

গায়ক জুবিন গর্গের অকাল প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সঙ্গীত জগৎ, লক্ষ লক্ষ স্রোতার হৃদয় ভেঙে চুরমার

ভারতের জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গ আর নেই। মাত্র ৫২ বছর বয়সে তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে স্তব্ধ হয়ে গেছে সঙ্গীত জগৎ। সিঙ্গাপুরে সাংস্কৃতিক উৎসবে যোগ দেওয়ার আগে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি। শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকেরা তাঁকে বাঁচাতে ব্যর্থ হন।গানের জগতে জুবিন গর্গ ছিলেন এক বহুমুখী প্রতিভা। অসমিয়া সংগীতকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিত করার পাশাপাশি তিনি হিন্দি, বাংলা, নেপালি ও আরও অনেক ভাষায় গান গেয়েছেন। বলিউডে তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় গান গ্যাংস্টার ছবির ইয়া আলি, যা তাঁকে রাতারাতি সারা দেশে পরিচিতি দেয়। অসমে বুকু দুরু দুরু-সহ অসংখ্য গান মানুষের হৃদয়ে অমর হয়ে আছে।শুধু কণ্ঠশিল্পী হিসেবেই নয়, সুরকার, অভিনেতা এবং সমাজকর্মী হিসেবেও জুবিনের ভূমিকা প্রশংসনীয়। সংগীতের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের লোকজ ধারা ও সংস্কৃতিকে তিনি সর্বভারতীয় মঞ্চে পৌঁছে দিয়েছিলেন। বহু তরুণ শিল্পীর অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিলেন জুবিন।তাঁর প্রয়াণে রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা এবং বিরোধী নেতারাও টুইটারে শোকবার্তা জানিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে ভক্তদের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধাঞ্জলিতে ভরে উঠেছে অসংখ্য পোস্ট।অসমের মানুষ তাঁকে ডাকতেন গণগায়ক নামে। কারণ, তাঁর গান ছিল আবেগের, প্রতিবাদের এবং ভালোবাসার প্রতীক। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে দর্শকদের মনোরঞ্জন করে গেছেন। জুবিন গর্গের অকাল প্রয়াণ শুধু একটি সংগীতমুখর জীবনকেই শেষ করেনি, ভেঙে দিয়েছে লক্ষ লক্ষ শ্রোতার হৃদয়। তবে তাঁর কণ্ঠের সুর ও সৃষ্টিগুলো আগামী প্রজন্মের মনেও সমানভাবে বেঁচে থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বিখ্যাত গায়কের

জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা জুবীন গর্গ আজ স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ দুপুরে, সিঙ্গাপুরে সমুদ্রসৈকতের কাছে পর্যটনকেন্দ্রে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ডাইভিংয়ের নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং জলের নিচে শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকেন। সমুদ্র থেকে গায়ককে উদ্ধার করে সিঙ্গাপুর পুলিশ। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। সেখানেই চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টা নাগাদ ঘটেছে দুর্ঘটনা।সংগীতজগতে এক বহুমুখী প্রতিভা ছিলেন জুবীন গর্গ। আসামিয়া, হিন্দি ও বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় তাঁর গান বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। অভিনেতা হিসেবেও তিনি সমানভাবে প্রশংসিত ছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে ভক্তমহল ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।সামাজিক মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভক্তরা শোকবার্তা জানাচ্ছেন। সংগীত মহলের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, জুবীন গর্গের মৃত্যু শুধু উত্তর-পূর্ব ভারতের নয়, গোটা দেশের সংগীতভুবনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
রাজ্য

অরিজিৎ সিং বর্ধমানে? শুটিংয়ের জায়গা খুঁজতে গেলেন বাংলা সিনেমার গ্রামে

মঙ্গলবার ঠিক সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ অরিজিৎ সিং এলেন পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের মৌখিড়া জমিদার বাড়ির কাছে। ঘুরে দেখলেন জেলার একমাত্র জঙ্গল মহলের কালিকাপুর রাজবাড়িও। ছবি তুললেন রাজবাড়ির পুরোহিত পিগলু ওরফে গোপাল চক্রবর্তীর সঙ্গে। তাকে নিরাপত্তাহীন জঙ্গলের বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরতে দেখে অবাক হন অনেকে। শোনা যায় সম্প্রতি অরিজিৎ সিং বোলপুরে এসেছেন এবার এলেন আউশগ্রামে হঠাৎই। জনপ্রিয় গায়ক অরিজিৎ সিং একটি নতুন ছবির শুটিংয়ের জন্য রেকি করতে এসেছেন বলে জানান চিত্রনাট্যকার, লেখক, আউশগ্রামের ভূমিপুত্র রাধামাধব মণ্ডল। তিনি আরও জানান, যে তিনি ইলামবাজার সংলগ্ন অঞ্চলে শুটিংয়ের জন্য বিভিন্ন জায়গা খুঁজছেন বেশ কয়েক দিন ধরেই। তাঁকে এদিন হঠাৎ করে আউশগ্রামের রাস্তায় দেখেই চমকে ওঠেন সকলে। যদিও তাঁর আশার বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণ গোপনীয়।

জুন ২৬, ২০২৫
রাজ্য

কলকাতায় আসার পথে ইন্ডিয়ান আইডল খ্যাত গায়িকা রাফা ইয়াসমিনের সর্বস্ব চুরি, ট্রেনে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান আইডল খ্যাত এবং বহু চর্চিত মালদার গায়িকা রাফা ইয়াসমিন ও তাঁর পরিবারের ট্রেন যাত্রার সময় সর্বস্ব খোয়া গেল। বুধবার ভোররাতে ডাউন রাধিকাপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের এই ঘটনার পর রেল পুলিশও কোনও সহযোগিতা করেনি, অভিযোগ গায়িকা রাফা ইয়াসমিন এবং তার পরিবারের সদস্যদের। শেষমেশ মালদার কর্তব্যরত এক পুলিশ কর্তাকে ফোন করে কলকাতার চিৎপুর স্টেশনের জিআরপির সহযোগিতা নেন গায়িকা রাফা ও তার পরিবার। জিআরপির কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন গায়িকা রাফা ইয়াসমিনের বাবা রাজ্জাক হোসেন।ওই ট্রেনের প্রথম শ্রেণীর শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামরায় এমন চুরির ঘটনায় রীতিমতো রেল পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘটনাটি ঘটেছে ডাউন রাধিকাপুর - চিৎপুর গামী এক্সপ্রেস ট্রেনে। মালদা শহরের মীরচক এলাকার বাসিন্দা রাফা ইয়াসমিন গত কয়েক বছরের ব্যবধানে ভারতবর্ষের বিভিন্ন সংগীত মঞ্চে প্রতিযোগিতায় একের পর এক সাফল্য পেয়েছেন। অল্প বয়সে সঙ্গীত জগতে প্রশংসাও পেয়েছেন রাফা। রাফার বাবা রাজ্জাক হোসেন কলকাতা চিৎপুর স্টেশনের জিআরপির কাছে অভিযোগে করেছেন, মঙ্গলবার মালদা টাউন স্টেশন থেকে গভীর রাতে আমরা ডাউন রাধিকাপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠি। এ - ওয়ান শীততাপ নিয়ন্ত্রিত আমাদের আসন ছিল ১৮, ৩৪ এবং ৩৬ । ভোর ছয়টা নাগাদ আমি যখন বাথরুম যাই তখনই মেয়ে আমাকে ফোন করে বলে একটি ব্যাগ ও মূল্যবান কিছু জিনিস চুরি হয়েছে। সেই ব্যাগে কয়েক হাজার টাকার নগদ, মোবাইল, পরিচয় পত্র, এটিএম কার্ড সহ আরও জরুরি কিছু জিনিস ছিল। সেই ব্যাগটি চুরি গিয়েছে। এই ঘটনার পর রেলের এমার্জেন্সি নম্বর এবং রেল পুলিশকেও ফোন করে পাইনি। তাদের কোন সহযোগিতা মেলেনি।

জুন ১৯, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

রিমিক্সের ভিড়ে খোলা হাওয়া মধুরা'র বাংলা দেশাত্মবোধক গানের ভিডিও অ্যালবাম 'ন হন্যতে'

ভারতের ৭৭ তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে সঙ্গীতশিল্পী মধুরা ভাট্টাচার্যের প্রযোজনায় প্রকাশিত হল অরিজিনাল বাংলা গান;ন হন্যতে ও তার মিউজিক ভিডিও। এই গানটির সুর দিয়েছেন সঙ্গীত শিল্পী মধুরা নিজেই। গানটি কথা লিখেছেন সৃজন। রিলিজ করেছে মধুরার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল ও লেবেল MADHURAA থেকে। ভারতের স্বাধীনতা ৭৬ বছর পুর্তী উপলক্ষে ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী, ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনী এবং তাদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাতেই মূলত তাঁর এই উপস্থাপনা বলে জানান শিল্পী মধুরা। মধুরা তার নিজের দাদু (মাতামহ) শ্রী সাধনানন্দ মিশ্র কে (যিনি, দেশ ভাগের বিরুদ্ধে, অনশনে অন্যতম ভূমিকা পালন করে, জেলও খেটেছিলেন) তাঁর এই গান উৎসর্গ করেছেন।বাংলা সঙ্গীত জগতে মধুরা ভট্টাচার্য অতি পরিচিত নাম। টেলিভিশন সিরিয়াল থেকে রুপালি পর্দায় তাঁর অবাধ বিচরণ। বাংলা সিরিয়ালে গাওয়া তাঁর একাধিক হিট টাইটেল ট্র্যাক আজও বাঙ্গালির ঘরে ঘরে বাজতে শোনা যায়। ন হন্যতে গানটির যন্ত্রানুসঙ্গ ও ব্যবস্থাপনা সোমনাথ রায় ও সুব্রত বোস এর।ন হন্যতে, কথাটির অর্থ, যার ক্ষয় নেই বা মৃত্যু নেই! ন হন্যতে নামটির সাথে আমদের সম্ভবত প্রথম পরিচয় সাহিত্যিক মৈত্রেয়ী দেবীর আত্মজীবনীমূলক উপন্যাসে। জানা যায় মৈত্রেয়ী দেবী তাঁর প্রাক্তন প্রেমিক মির্চা এলিয়াদের লেখা Bengali Nights বা লা নুই বেঙ্গলী বইয়ের প্রত্যুত্তরে, ন হন্যতে বইটি লেখেন। মৈত্রেয়ী দেবী এই উপন্যাসটি লিখে ১৯৭৬ সালে সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার পান। ন হন্যতে কথাটি ভগবত গীতা থেকে নেওয়া। আত্মার সম্বন্ধে সেখানে বলা হয়েছে (গীতা ২.২০):অজো নিত্যঃ শাশ্বতোঽয়ং পুরাণো, ন হন্যতে হন্যমানে শরীরে।অর্থাৎ, (আত্মার) জন্ম নেই, (আত্মা) নিত্য, শাশ্বত, প্রাচীন শরীরকে হত্যা করলেও, একে হত্যা করা যায় না।ন হন্যতে গান টির প্রথমে ঘর ছেড়ে এসেছে, ঘরেরই হিফাজতে - প্রাণপাতে দ্বিধাহীন, নশ্বর দেহেও ন হন্যতে এই চারটি লাইনেই তাঁর সঙ্গীত প্রাজ্ঞ্যতার প্রমান দিয়েছেন শিল্পী মধুরা ভাট্টাচার্য। তাঁর গায়কী নিয়ে অতি বড় মূর্খও প্রশ্ন করবে না। কিন্তু তাঁর সুরারোপিত গান সত্যিই মনোরম। ৭ মাত্রার ৩|২|২ ছন্দের রুপক তালে, এই অনবদ্য গানটি মুক্তি পাওয়ার দু দিনের মধ্যেই সঙ্গীত পিপাসুদের মন জয় করতে সমর্থ হয়েছে।ন হন্যতে গানে র্যাপের অংশটির মূল আকর্ষন, গীতিকার ও র্যাপার সৃজনের অনবদ্য র্যাপের সাথে সাথে মধুরার অনবদ্য আলাপ। আহির ভৈরব রাগের আলাপের মুর্ছনায় সঙ্গীত পিপাসু শ্রোতারা মুগ্ধ হতে বাধ্য। ছোট থেকেই শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের তালিমাপ্রাপ্ত মধুরা তাঁর সঙ্গীত প্রজ্ঞ্যার প্রতি সুবিচার করেছেন বলেই সমলোচকদের ধারণা।মধুরা এই প্রজেক্ট এর কথা বলতে গিয়ে, এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত সকলকে ও ঈশ্বরকে বারবার ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তার মতে, তার সঙ্গীত গুরুজি শ্রী সন্দীপ নাগ, ভিডিওগ্রাফার অভিষেক আগরওয়াল, লিরিসিস্ট সৃজন, মিউজিক আরেঞ্জর সোমনাথ রায়, সুব্রত বোস, ষ্টুডিও ভায়োলিনা ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার তরুণ দাস, এনাদের একজনকেও ছাড়া এই গানটি এতো অল্প সময়ে, মাত্র ৬/৭ দিনের মধ্যে কমপ্লিট করা সম্ভব হতোনা।

আগস্ট ১৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

জেলা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে বর্ধমানে সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ

শিশু কিশোর আকাদেমি ও পূর্ব বর্ধমান জেলা তথ্য সংসস্কৃতি দপ্তরের যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপী জেলাভিত্তিক সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ হল ২৭ আগস্ট। প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করলেন ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার। দুদিনব্যাপী আবৃত্তি, রবীন্দ্রগীত, নজরুগীত,রাগপ্রধান গান এবং শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রতিযোগিতা চলবে। জেলা তথ্য ও সংসস্কৃতি দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে বর্ধমান-কাটোয়া ট্রেনে গান গেয়ে ভাইরান হন গায়ক মিলন কুমার, সেই মিলন কুমারকে সরকারি মঞ্চে প্রধান অতিথি করে নিয়ে এসে সম্বর্ধনা দেওয়া খুবই তাৎপর্যপুর্ণ। মিলন নিজেও সে কথা জানান। তিনি মানুষের প্রতিনিধি মানুষের জন্য গান গেয়ে যেতে চান বলে জানান ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার।

আগস্ট ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

একটা আলাদা Vibe আছে কিশোর কুমারের

আমরা সকলে প্রথমে সমাজের অংশ, তারপর আমাদের জীবিকাগত পরিচয় গুলো বহনকারী মানুষ। আর সমাজের দিক থেকে দেখলে আমি আমার ছেলেবেলায় যা দেখেছি সেই থেকে বলতে পারি কিশোর কুমারে আমাদের সমাজে অবদান আলীম। ৯০ই এর দশকে দেখেছি প্রচুর সংসার চলত কিশোর কুমারের গান গেয়ে। শিল্পী হিসেবে উনি আমার কেন আমাদের সকলেরই ভীষণ প্রিয়। আমরা যারা Performer বা নিছক গান ভালোবাসি শিল্পীদের concern, television show, performance প্রায়ই শুনে থাকি। পুরোনো শিল্পীদের মধ্যে live show video যা যা available থাকে, তার মধ্যে আমি কিশোর কুমারের ভিডিও দেখি প্রায়ই। আমি ঠিক ভাষায় প্রকাশ করতে পারছিনা হয়ত অনুভূতিটা। একটা আলাদা vibe আছে কিশোর কুমারের performance এ। ঠিক যেন উনি যা ব্যাক্ত করতে চান,শ্রোতা খুব সহজ সরলভাবে ওটা absorb করে নেয়। যেমন zindagi ek safar hai suhana হাজার মন খারাপ কে হারিয়ে দেয় সহজে। নয়ন শরসি এক ছাপা কান্না আবেগকে উষ্কে দিয়ে যায়। আমার বাবা এক সময় youth choir এ ছিলেন। বাবার কাছে শুনেছি উনি মিষ্টি দই পছন্দ করতেন। তা প্রায়ই নেওয়া হতো কলকাতা থেকে। বাবা ও তার কিছু সাথীর সৌভাগ্য হয়েছিল একবার আমাদের এলাকার এক দোকান থেকে দই নেওয়ার। তবে আজ বলতে চাই সেই কিশোর কুমারের কথা যিনি অসংখ্য পরিবারের কাছে পেয়েছেন ঈশ্বরের আসন।খুব অল্প বয়স থেকে শিশু শিল্পী হিসেবে আমার স্তেজের সাথে মিতালী। তাই নানা শিল্পীর সাথে ব্র্যাক স্তেজে আলাপ। এমন কিশোর কন্ঠির সাথেও আলাপ হয়েছে যিনি মঞ্চে ওঠার আগে কিশোর কুমারের ছবিতে প্রণাম করেন। কিশোর কুমারের শিল্পী নন উনি phenomenon...

আগস্ট ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কে কে র মৃত্যুর জন্য এবার রূপঙ্করকে ট্রোল ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের

ভারতীয় সঙ্গীতের এক তারকা কে কে কে হারিয়ে আমরা সবাই মুহ্যমান। নজরুল মঞ্চে গতকাল পর্যন্ত যার লাইভ পারফরম্যান্সের সাক্ষী থাকলেন দর্শকরা সেই কে কে আজ আমাদের সঙ্গে নেই ভাবতে পারছেন না অনেকেই। এরকম একটা পরিস্থিতিতে সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্করের ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল সমালোচনা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারা কেউই রূপঙ্করকে ছেড়ে কথা বলেননি। এবার অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় রূপঙ্করের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাস্বর লিখেছেন, আজ থেকে রূপুংকরবাবুর নাম দিলীপ ঘোষ হোক। কারণ উনিও আলটপকা কথা বলে লাইমলাইটে থাকতে চান। কি অসহ্য সময়, নিজেকেই বলছেন KK-র থেকে ভালো গায়ক। সে তো মানুষ বলবে আপনি লাফাচ্ছেন কেন? রাঘবদা বা কাউকে তো এসব বলতে শুনি না। কমেন্ট বক্সে অভিনেত্রী রিমঝিম গুপ্ত লিখেছেন, এই লোকটা কারও মৃত্যুকেও একটা পাবলিসিটি স্টান্ট করতে পারে জাস্ট ভাবে না। ছি!! আমরা কোন সমাজে, কোন যুগে বসবাস করছি।প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে রূপঙ্কর সংবাদবাদ্যমকে কেকে-র মৃত্যু প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করেছেন রূপঙ্কর। তিনি বলেছেন, দু:খ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। কেকে অত্যন্ত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। এটা ওঁর মৃত্যুর বয়স নয়। অতীতে অনেক মিউজিশিয়ান ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ওর সেই বয়স নয়। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি কেকে-র বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইনি। মানুষ বুঝতে না পারলে সত্যি খারাপ লাগবে। বাংলা গান, বাংলা সাহিত্য নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম আমি। চিনিই না মানুষটাকে। ওঁর উপর কেন রাগ থাকবে। আমি ওঁর ভক্ত। আমার বক্তব্য নিয়ে কেউ অন্য কিছু ভেবে থাকলে সেটা তাঁদের ভুল।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ইন্ডিয়ান আইডল থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি : পবনদীপ

শহরে বহুজাতিক সংস্থা তাদের ইলেকট্রিক স্কুটির উদ্বোধন করল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী রাইমা সেন। গান গেয়ে মঞ্চ কাঁপালেন ইন্ডিয়ান আইডল জয়ী পবনদীপ রাজন ও রানার্স আপ অরুণিতা কাঞ্জিলাল। রাইমা সেন এদিন তাঁর আগামী দিনের প্রোজেক্টের কথা জানালেন। অভিনেত্রীর কথায়, মাইঃ অ্যা মাদার্স রেজ নামে একটি টিভি সিরিজ মুক্তি পেয়েছে নেটফ্লিক্সে। একটা বাংলা ওয়েব ফিল্ম করেছি। যেটা পুজোতে মুক্তি পাবে। একটি তামিল ছবি মুক্তি পাবে এই বছর। এছাড়া আশা করছি বিনয় পাঠকের সঙ্গে আমার হিন্দি ছবি আগামী ২ মাসের মধ্যে মুক্তি পাবে।পবনদীপ রাজন জানালেন, ইন্ডিয়ান আইডল থেকে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। অনেক নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। অরুণিতা কাঞ্জিলাল জানান, জার্নিটা মিউজিক্যাল ছিল। সকাল থেকে রাত অবধি শোয়ার আগে অবধি এবং শোয়ার পর মিউজিকই করতাম। এখন ক্যাপ্টেনের ভূমিকা পালন করছি। এটা আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।

মে ১৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাবা প্রাপ্য সম্মান পাননি, আক্ষেপ জোজোর

অভিনেতা মৃণাল মুখোপাধ্যায়ের কন্যা বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী জোজো। গত ৭ মে অভিনেতা মৃণাল মুখোপাধ্যায়ের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। জাতীয় পুরস্কারজয়ী এই অভিনেতা তাঁর অভিনয় জীবনে ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। জোজো জানিয়েছেন এই খ্যাতি পেয়েও তাঁর বাবা প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকতেন। তবে জোজোর একটা আক্ষেপ রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, বাবা জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ঠিকই, কিন্তু যে সম্মান প্রাপ্য ছিল, সেইটা পাননি। সেটা ভেবে খারাপ লাগে তাঁর। গায়িকার কথায়, আসলে যে সময় তিনি পুরস্কারটা পেয়েছিলেন, তখন সংবাদমাধ্যম ততটা সক্রিয় ছিল না। বর্তমান সময়ে জাতীয় সম্মান পেলে যতটা মাতামাতি হয়, তখন সেটা ছিল না। শেষ জীবনে দীর্ঘদিন শারীরিক অসুস্থতায় ভুগতে হয়েছিল এই বর্ষীয়ান অভিনেতাকে। দীর্ঘ অভিনয় কেরিয়ার, বড় পর্দা থেকে ছোট পর্দায় দাপিয়ে কাজ করেছেন মৃণাল মুখোপাধ্যায়। মৃত্যুর আগে অসুস্থ অবস্থাতেও নাকি শ্যুটিং ফ্লোরে ফিরে যেতে চাইতেন। বাবার সঙ্গে পর্দায় একাধিক কাজও করেছেন জোজো। ২০১৯ সালের ৭ মে প্রয়াত হন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।

মে ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

তাইতো রোজই গান বেঁধে যান

সময়টা ১৯৯২ সালের ইংরাজীর এপ্রিল বা মে মাস। কলকাতার হাজড়া মোড়ের ঠিক পাশেই আশুতোষ কলেজ থেকে একটি ছেলে নিজের কলেজের শেষে এক মুহূর্ত ও সময় নষ্ট না করে লাফিয়ে উঠে পড়ল একটি সরকারি বাসে। গন্তব্য যত তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রাইভেট টিউশন্ পড়াতে যাওয়া।তারপর একের পর এক টিউশন্ সেরে রাত ১১ টা বা ১১.৩০ টায় বেরিয়ে নিজের বাড়ি ফেরা। কোন রকমভাবে হাত মুখ ধোয়া। ততক্ষণ অসুস্থ মা অপেক্ষা করছেন ছেলেটির পথ চেয়ে।মা কে জড়িয়ে ধরে সারাদিনের কথা বলা সঙ্গে একসাথে রাতের খাবার খাওয়া। তারপর এক মূহুর্ত সময় আর নষ্ট না করে নিজের পড়াশোনা নিয়ে বসে পড়া। তাঁরই সঙ্গে চলত সারাদিনের লড়াইয়ের কিছু কিছু মূহুর্ত কে নিজের কলমে কবিতা বা গানের আকারে বন্দী করা।কখন যে প্রভাতী আলোর সাড়া পেয়ে পাখির কুজনে শুরু হয়ে যেত আরও একটা দিন। সেই পাখির কুজনেই টের পেত সে, তাঁর জীবনের আরো একটা দিনের লড়াই শুরু হয়ে গেল।কখনও বা ক্লান্ত শরীরে ভোরের ঠান্ডা পরিবেশে জড়িয়ে আসত বহু দিনের জমে থাকা ঘুম। চোখ জুড়ে যেত ঘুমের দেশে পাড়ি দেওয়ার ইচ্ছায়। কিন্তু ছেলেটির যে অবকাশ নেই। লড়তে হবে যে তাঁকে এই সমাজে টিকে থাকতে। আবার শুরু হত জীবনের লড়াই। হ্যাঁ, এমন করেই ছোটবেলা পিতৃবিয়োগের পর থেকেই চলেছে সেই ছেলেটির জীবনের বেঁচে থাকার লড়াই।কেউ কি জানেন সেই ছেলেটি কে?সেই বিশ্রামহীন লড়াকু ছেলেটি আর কেউ নন, আজকের বাংলা আধুনিক গানের সঙ্গীতশিল্পী সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। যিনি একাধারে যেমন অনায়াসে লিখে ফেলেন গানের কথা, পাশাপাশি তৈরি করে ফেলেন তাঁরই মন ভরানো সুর। হয়ে ওঠে নতুন বাংলা গান। নিজেরই দৃপ্ত ও আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে ছড়িয়ে দিতে থাকেন সমাজের সঙ্গীতপ্রেমীদের মাঝে তাঁর স্বরচিত সেই গানেদের। সেই গানেই দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে আমাদের সঙ্গীত সমাজ।ছোটবেলা তাঁর প্রতিদিনের লড়াইয়ের মুহূর্তগুলোকে কলমে বন্দী করার পাশাপাশি ক্ষুদ্র অবকাশে নিজের মায়ের কাছে গান শেখা শুরু। তারপর নিজের গান তৈরীর আগ্ৰহে পৌঁছে যান নিজের মায়ের গানের শিক্ষকের কাছে। শুরু হয় সঙ্গীত শিক্ষার আর এক অধ্যায়। গান তৈরীর মূল মন্ত্র গুলোর শিক্ষা গ্ৰহণের সঙ্গে সঙ্গে তৈরী করতে থাকেন তাঁর স্বরচিত বাংলা গানেদের।তাঁর গান ক্রমশ সঙ্গীতপ্রেমী ও শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আজ তাঁর গানের ঝুলিতে কম বেশি ১৩৫ থেকে ১৫০ টি গানের সম্ভার। দিন দিন তার ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।তিনি জানিয়েছেন নতুন সৃষ্টিতে আনন্দ পান। নতুন কিছু তাঁকে প্রেরণা দেয়।তাঁরই একটি লেখায় তিনি বলেছেন,তোমার চলা স্রোতের টানে,পুরনো সেই দিনের গানে,আমি আবার অন্যরকম,নতুন খুঁজি তাল ও তানে।একটুখানি অন্যরকম,নতুন গানের চেষ্টা করি,না হয় স্রোতের প্রতিকূলেই,আমার গানের বাইবো তরী।প্রথম প্রথম ভরবে না মন,গাইব যখন সন্ধ্যা ইমন,কয়েকটা বার শোনার পরেই,খুঁজে পাবে তাতেই জীবন।তাইতো রোজই গান বেঁধে যাই,তোমার ভালো লাগার আশায়,নতুন করে পড়বে তুমি,আমার গানের ভালোবাসায়।আজ নতুন বাংলা গানের এক নির্ভরযোগ্য মুখ সঙ্গীতশিল্পী সঞ্জয় চট্টোপাধ্যায়। তাঁর গানে খুঁজে পাওয়া যায় জীবনের বিভিন্ন স্বাদ যা প্রতিটি হৃদয়ে আন্তরিক ভাবে সাড়া ফেলে দিয়ে যায় জীবনের প্রতিটা মূহুর্তের ভালোলাগা, কষ্ট, দুঃখ, প্রেম ও স্মৃতি গুলোর। তাঁর এই সঙ্গীতময় পথ আরো দীর্ঘ প্রসারী হোক্ জনতার কথা-র পক্ষ থেকে এই শুভকামনা রইল।

এপ্রিল ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্যানসার কেড়ে নিল টম পার্কারের জীবন

চলে গেলেন ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী টম পার্কার। দ্য ওয়ান্টেড দিয়ে তিনি আলোচনায় এসেছিলেন। কয়েক মাস ধরে ব্রেন টিউমারের সঙ্গে লড়াই করা পার্কার অবশেষে হার মানলেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩৩ বছর। টম পার্কার ২০২০ সালের অক্টোবরে ভক্তদের তার টিউমারের কথা বলেছিলেন। ইনস্টাগ্রামে টমের স্ত্রী কেলসি হার্ডউইক লিখেছেন, আমাদের হৃদয় ভেঙে গেছে। টম ছিল আমাদের পৃথিবীর কেন্দ্র। তার অমলিন হাসি আর সাহসী উপস্থিতি ছাড়া আমরা জীবন কল্পনাই করতে পারি না। টম-কেলসি হার্ডউইক যুগলের ঘরে দুই সন্তান রয়েছে। পরিবার ও ব্যান্ডের অন্য সব সদস্য বুধবার যে সময় উপস্থিতি ছিলেন তখনই টম শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে ব্রিটিশ-আইরিশ বয় ব্যান্ড দ্য ওয়ান্টেড। ব্যান্ডের অন্য আরেক সদস্য ম্যাক্স জর্জ ও সিবা কেনেসরন, ন্যাথান স্কাইসরা জানিয়েছেন, এই অকালমৃত্যুতে আমরা বাকরুদ্ধ, টম আমাদের ভাই ছিল... শব্দ দিয়ে এই শূন্যতা ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। আমাদের মনের পরিস্থিতি বলে বোঝাতে পারব না... টম আজীবন আমাদের মধ্যে বেঁচে থাকবে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ৪ আগস্ট যুক্তরাজ্যের বোল্টনে জন্মগ্রহণ করেন টম পার্কার। পুরো নাম থমাস অ্যান্থনি পার্কার। তার দুই সন্তান বোধি থমাস ও প্যারিস পার্কার।

এপ্রিল ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাবাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গান গাইলেন বাপ্পি লাহিড়ীর ছেলে

জি বাংলার সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ড-এ জি-র ধারাবাহিকের সেরা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পুরস্কৃত করা হয়। এই অ্যাওয়ার্ডের দিন সঙ্গে থাকে নাচ, গান। এই জি বাংলার মঞ্চে দাঁড়িয়েই প্রয়াত বাবা বাপ্পি লাহিড়ীকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন তাঁর ছেলে বাপ্পা লাহিড়ী। বাপ্পি মারা যাওয়ার সময় দেশে ছিলেন না তিনি। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দেশে ফেরেন বাপ্পা। জি বাংলা ২০২২ সোনার সংসার অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চ মাতালেন বাপ্পা লাহিড়ী। মঞ্চে গান গেয়ে তাঁর প্রয়াত বাবাকে সম্মান জানালেন বাপ্পা। প্রথমে বাপ্পি লাহিড়ির গাওয়া গান পরিবেশন করেন জাভেদ আলি। তারপর জাভেদের অনুরোধেই মঞ্চে উঠে আসেন বাপ্পা। কাভি আলবিদা না কহেনাগানটি গেয়ে শোনান তিনি।২০২২ সালের শুরুতেই ভারতীয় সঙ্গীতের তিন তারা চলে গেছেন সকলকে কাঁদিয়ে। প্রথমে লতা মঙ্গেশকর, তারপর বাপ্পি লাহিড়ি, আর তারপর সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। ১৫ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৬৯ বছর বয়সে প্রয়াত হন ডিস্কো কিং। তিনি চলে গেলেও থেকে গেছে তাঁর অমূল্য কীর্তি। বরাবরই ফ্যাশন আইকন হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। বলিউডকে ডিস্কো গানের সাথে পরিচিতি করানোর পিছনেও তাঁর বড় হাত ছিল। বাপ্পি লাহিড়ী আমাদের ছেড়ে চলে গেলেও তিনি আমাদের মনের মণীকোঠায় চিরবিরাজমান থাকবেন।

মার্চ ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ইমনের বসন্ত উৎসবে বাদাম কাকু, কাঁচা বাদাম গানে মঞ্চ মাতালেন

প্রতি বছরের মতো এই বছরেও লিলুয়ার মীরপাড়ায় বসন্ত উৎসবের আয়োজন করলেন ইমন চক্রবর্তী। আর এবারের বসন্ত উৎসবের সবথেকে বড় চমক বাদাম কাকু ভুবন বাদ্যকর। তবে তিনি একা নন বাদাম কাকু-র সঙ্গে দেখা গেল বিধায়ক মদন মিত্র কেও।এবারের বসন্ত উৎসব শুরু থেকেই জমজমাট। শনিবারই শিল্পীর মায়ের প্রয়াণবার্ষিকী। সকালে থেকে দুই বিপরীতমুখী আয়োজনে ব্যস্ত তিনি। ইমন বলেছেন এ বছর বসন্ত উৎসব ১৯ ফেব্রুয়ারি হওয়ার কথা ছিল। অনুমতি পাইনি। অদ্ভুত ভাবে আজ মায়ের বার্ষিকীর দিন বসন্ত উৎসব হচ্ছে। শরীর, মন কাঁপবে আমার। তবু উৎসব হবে। আশীর্বাদ করো মা। তোমায় উৎসর্গ করলাম আমরা এই উৎসব।বিকেল হতেই অনুষ্ঠান শুরু। মীরপাড়া পার্ক ময়দান দর্শক-শ্রোতার ভিড়ে ছয়লাপ। মঞ্চে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র উঠতেই হাততালির ঝড়। হলুদ পাঞ্জাবি, লাল ধাক্কাপাড় ধুতিতে সজ্জিত কামারহাটির বিধায়ক। তাঁর সঙ্গেই মঞ্চে উপস্থিত বাদাম কাকু। ভুবন বাদ্যকার গানে গানেই জানালেন তাঁর মনের ইচ্ছে, আমার বাদাম কেড়ে নিল বিশ্ববাসীর মন, শিল্পী হতে চাই গো বাবু জানাই যে প্রণাম। বাকিদের মতো ভুবনকেও এদিন রঙিন হলুদ পাঞ্জাবি, জহর কোট আর ট্রাউজারে দেখা গেল।এর পরেই ভুবন স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে গেয়ে ওঠেন কাঁচা বাদাম। গানের তালে নেচে ওঠেন ইমন।কলকাতার এক নিশিঠেকে সম্প্রতি অনুষ্ঠান করেন ভুবন। সে দিনও প্রথম সারির রেস্তরাঁয় তাঁকে ঘিরে উৎসাহ ছিল দেখার মতো। গানের পাশাপাশি বাদাম কাকুকে শাসক দলের পুরভোট-প্রচারেও দেখা যাচ্ছে। আর এবার ইমনের বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানেও হিট বাদাম কাকু।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

"লতানো গাছ হয়ে বড় হলে হবে না মা", বলেছিলেন জ্যেঠু

আসতে আসতে বাংলা তথা ভারতবর্ষের আকাশটা ক্রমশ তারা শূন্য হয়ে যাচ্ছে। চলে গেলেন অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। বংলা গানের সুরলোকে আবার আঘাত। ছয়ের দশক থেকে শুরু করে সাত ও আটের দশকের কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকারেরা একে এক করে বিদায় নিচ্ছেন। চলে গেলেন প্রবাদ প্রতিম সুরকার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা, জ্যেঠু-র সুরারোপিত আশা ভোঁসলের গাওয়া ও পাখি উড়ে আয়, যদি কানে কানে কিছু বলে বধুয়া, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া এমন একটা ঝড় উঠুক সহ অজস্র গান আজ কানের কাছে ভেসে বেড়াচ্ছে। বেশ কিছুদিন ধরেই জেঠু বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। শুনেছি মাঝে হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল। দিন কয়েক আগে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে ফেরেন সুরকার। তারপর......ইদানিং যে খুব যোগাযোগ ছিল তা নয়। তবে আমার ছেলেবেলা থেকে শুরু হওয়া সঙ্গীত জীবনে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সান্নিধ্য লাভের সুযোগ ঘটে ছিল বেশ কয়েকবার। অভিজিৎ জেঠু বাবার পূর্বপরিচিত হলেও আমার সাথে পরিচয় এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতায়। তিনি বিচারক। তারপর অনেক বার দেখা হয়েছে। তখন আমার বয়স ১০বছর হারমোনিয়াম বাজাতে জানলেও অদ্ভুত আব্দার ছিল বাবা বাজিয়ে দেবে। ছেলেমানুষ সুলভ অদ্ভুত বেয়ারা জেদ ও ছিল, বাবাকে বাজাতে না দিলে, বলতাম তানপুরায় গাইব। নেহাত বাচ্চা বলে কতৃপক্ষ তাড়িয়ে দেয়নি।এই রকমই এক সঙ্গীত প্রতিযোগিতাই জেঠু বলে ছিলেন,বেশ বেশ গাক না সুরের উপর ওর দখলটা দেখি। সেই থেকেই শুরু পরিচয়। হ্যাঁ.... আমি ভুল লিরিক্স, খারাপ কন্ডাক্ট এর পর ও তৃতীয় স্থান পাই। বছর খানেক পর আবার দেখা একটি প্রতিযোগিতায়। তখন ও বাবার সাথে দেখে জেঠু বলেছিলেন বাবার একমাত্র কন্যা একটু আদুরে হয়, তবে লতানো গাছ হয়ে বড় হলে হবে না মা। কথাটা যে কত দামী আজ বুঝি। কত বার কথা হয়েছে ফোনে। ভালো থেকো জেঠু গানে থেকো। পুরোনো ছবি এই দিল্লি-মুম্বাই-পুনা টু কলকাতা ইঁদুর দৌড়ে কে জানে কোথায়। কিছু মানুষের ছবি মনে উজ্জ্বল হয়ে থেকে যায়।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

সুরলোকে বিলিন হয়ে যাওয়া লতা,সন্ধ্যা ও বাপ্পি স্মরণে হোম-যজ্ঞ, প্রার্থনা

মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভারত হারিয়েছে সুরের জগতের তিন নক্ষত্র লতা মঙ্গেশকর, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও বাপ্পি লাহিড়ীকে। সুরের জগতের এই তিন নক্ষত্রের প্রয়াণে আজও শোকাতুর গোটা দেশবাসী। শুক্রবার এই তিন সংগীত শিল্পীকে স্নরণ করে তাঁদের আত্মার শান্তি কামনায় হল হোম যজ্ঞ ও প্রার্থনা। যার উদ্যোক্তা পূর্ববর্ধমানের জামালপুরের বসুন্ধরা উৎসব কমিটি। প্রয়াত তিন শিল্পীকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে বসুন্ধরা উৎসব কমিটি এদিন তাদের কৃষি, পুষ্প ও হস্ত শিল্প প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করে। উৎসব প্রাঙ্গনে উপস্থিত হওয়া সকল সংগীত প্রেমী মানুষজনও এদিন সংগীত জগৎতের তিন নক্ষত্রের ছবিতে পুষ্পার্ষ নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানান। উৎসব প্রাঙ্গনও মাতোয়ারা থাকে তিন সংগীত শিল্পীর সুর মুর্ছনাতে।জামালপুরের শুঁড়েকালনার বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি প্রতি বছর শীতের মরশুমে কৃষি, পুষ্প, হস্তশিল্প প্রতিযোগিতা ও মেলার আয়োজন করে। এই বছর তা ত্রয়োদশ বর্ষে পদার্পণ করল। সিঙ্গারকোন রামকৃষ্ণ আশ্রমের মহারাজ স্বামী মুক্তানন্দ সহ বিশিষ্ট জনেরা এদিন বসুন্ধরা উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। আগামী ১০ দিন ধরে চলবে বসুন্ধরা উৎসব।বসুন্ধরা ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি প্রদীপ পাল বলেন, চলতি মাসে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে দেশ সুরের জগৎতের তিন নক্ষত্রকে হারিয়েছে। তাঁদের কণ্ঠের জাদু যুগের পর যুব মুগ্ধ করে গিয়েছেন ভারত সহ গোট বিশ্বের সংগীত প্রেমীদের। লতা মঙ্গেশকারের মতন সুরসাম্রাজ্ঞীর প্রয়াণ দেশের সুর জগৎতের অপূরণীয় ক্ষতি। সুরসাম্রাজ্ঞীর মৃত্যুর রেশ কাটতে না কাটতে চির ঘুমের দেশে চলে যান গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। তাঁর মৃত্যুর পরের দিনেই চির ঘুমের দেশে চলেযান সংগীত জগৎতের আর এক নক্ষত্র বাপ্পি লাহিড়ী। প্রদীপ পাল জানান, দেশের এই তিন সংগীত নক্ষত্রের স্মরণে এবছরের বসুন্ধরা উৎসব উৎসর্গ করা হয়েছে। তাঁদের স্মরণে প্রার্থনা ও আত্মার শান্তি কামনায় হোম যজ্ঞের মধ্য দিয়েই এদিন উৎসবের শুভ সূচনা করা হয়। উৎসবে উপস্থিত হয়ে জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার, জেলাপরিষদের মেন্টর উজ্জ্বল প্রামাণিক সহ সকল মানুষজন তিন স্বনামধন্য শিল্পীর ছবিতে পুষ্পার্ঘ নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। প্রদীপ পাল বলেন, উৎসব প্রাঙ্গণ আগামী ১০ দিন এই তিন সংগীত নক্ষত্রের সুর মুর্ছনাতেই মাতোয়ারা থাকবে।হোম যজ্ঞে অংশ নেওয়া দিলীপ ভট্টাচার্য্য জানান, প্রয়াত লতা মঙ্গেশকার, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ও বাপ্পি লাহিড়ী স্মরণে এদিন উৎসব প্রাঙ্গণে হোম যজ্ঞের আয়োজন করা হয়। সেখানে তাঁরা সাত জন ব্রাহ্মণ মিলে হোম যঞ্জ ও চণ্ডীপাঠের মধ্যদিয়ে কিংবদন্তি শিল্পীদের আত্মার শান্তি কামনায় ঈশ্বরের কাছে প্রর্থনা করেছেন। বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, হোম যজ্ঞ,চণ্ডীপাঠ,শঙ্খ ও উলুর ধ্বনির মধ্যদিয়ে প্রয়াত তিন কিংবদন্তি শিল্পীকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের যে আয়োজন বসুন্ধরা উৎসব কমিটি করেছে তা প্রকৃত অর্থেই নজিরবিহীন।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
দেশ

আরও এক ইন্দ্রপতন, মাত্র ৬৯ বছর বয়সে মুম্বইয়ের হাসপাতালে প্রয়াত অমর শিল্পী বাপ্পি লাহিড়ি

একের পর এক নক্ষত্রপতনে সুরের আকাশ তারকা শূন্য! চলে গেলেন অমর শিল্পী আলোকেশ বাপ্পী লাহিড়ি মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা যায় মুম্বইয়ের এক হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। গত এপ্রিলে করোনা আক্রান্ত হয়ে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শিল্পীকে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসায় সাড়া দিয়ে মাত্র কয়েকদিনের দিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে বাপ্পি লাহিড়ী বাড়ি ফিরে আসেন।অলোকেশ বাপ্পি লাহিড়ি ১৯৫২-র ২৭ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গে জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। হিন্দী, বাংলা সহ অসংখ্য আঞ্চলিক ভাষায় চলচ্চিত্রে সুর দিয়েছেন। তিনি একাধারে বাংলা গানের গীতিকার, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক ও গায়ক হিসেবে ভারতীয় উপমহাদেশে এক প্রবাদ প্রতিম ব্যক্তিত্ব। অলোকেশ বাপ্পি লাহিড়ি সঙ্গীত জগতে বাপ্পী-দা নামেই সমধিক পরিচিত। তাঁর নিজের লেখা সুর করা গানে নিজেই কন্ঠ দিয়েছেন। ৭০ থেকে ৮০র দশক তাঁকে ভারতীয় সঙ্গীত জগতে সামনের সাড়িতে এনে দেয়। সেই সময় তাঁর সুরে ডিস্কো ড্যান্সার, নমক হালাল এবং শরাবী-র মত সঙ্গীতবহুল চলচ্চিত্র তাঁকে ভারতীয় সঙ্গীত জগতে উচ্চ আসনে বসিয়ে দেয়।বাপ্পি দার জন্মই এক সাংগীতিক পরিবারে, বাবা অপরেশ লাহিড়ি ছিলেন বাংলা সঙ্গীতের এক জনপ্রিয় গায়ক। মা বাঁশরি লাহিড়িও ছিলেন একজন সঙ্গীতজ্ঞ ও গায়িকা যিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীত এবং শ্যামা সঙ্গীতে বিশেষ পরদর্শী ছিলেন। প্রবাদ প্রতীম দুই সঙ্গীত ব্যক্তিত্বের রক্ত তাঁর শরীরে, অন্যদিকে কিশোর কুমার তার সম্পর্কে মামা ছিলেন। পিতা মাতার একমাত্র সন্তান বাপ্পি ছেলেবেলা থেকেই গানের প্রতি ভীষণ আকৃষ্ট ছিলেন। ছোট বয়সে তিনি তবলা বাজাতেন, মাত্র তিন বছর বয়সে তিনি তাঁর মায়ের সাথে সঙ্গত করেছেন! মা বাঁশরি লাহিড়ির অনেক অনুষ্ঠানে কিশোর আলোকেশ (বাপ্পি) তবলা নিয়ে মায়ের সাথে সঙ্গত করতে বসে পরতেন। বহু সঙ্গীত বিদগ্ধ ব্যক্তিত্বের প্রশংসাও আদায় করে নিয়েছেন। অবশেষে বাবা-মায়ের কাছেই শুরু করেন গানের তালিম। বাকিটা ইতিহাস......বাপ্পী লাহিড়ি মাত্র ১৯ বছর বয়সে তাঁর সঙ্গীত কেরিয়ারকে মজবুত করতে মুম্বাইয়ে চলে যান। ১৯৭৩-রে হিন্দী চলচিত্র নানহা শিকারী ছবিতে তিনি প্রথম সঙ্গীত পরিচালনা করেন। পরবর্তিকালে তাহির হুসেনের জখমী (১৯৭৫) চলচ্চিত্রে সুর দেন। এই সিনেমায় তিনি নিজেই গান লেখেন ও সুরারোপ করেন। বাপ্পি লাহিড়ি রবিকান্ত নাগাইচের সুরক্ষা ছবিতে গান গেয়ে সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে বিশেষ স্থান করে নেন মুম্বাইয়ে।হিন্দী চলচিত্রের পাশাপাশি বাংলা সিনামাতে-ও এক সময় বাপ্পি দা অপরিহার্য হয়ে উঠেছিলেন। বাংলায় অমর সঙ্গী, আশা ভালবাসা, আমার তুমি, অমর প্রেম, গুরুদক্ষিণা সহ একাধিক ছবিতে সুরারোপ করেছেন সাথে সকণ্ঠে গানও গেয়েছেন একাধিক সিনামাতে। তাঁর শেষ গান বাগি- ৩ সিনামায় ২০২০ তে।মিঠুন চক্রবর্তীর ডিস্কো সিরিজের সমস্ত সিনেমায় সুরারোপ করেছিলেন। ৮০র দশকে মিঠুন ও বাপ্পী-দা একসাথে বেশ কিছু ডিস্কো সিনেমায় কাজ করেন। ভারতীয় ঘড়ানার সাথে ডিস্কো-হিম হপের সুর সংমিশ্রণ ঘটিয়ে এক অনন্য ধারার সৃষ্টি করেন বাপ্পি লাহিড়ি, যা তাঁকে ভারতবর্ষ ছাড়াও উপমহাদেশে ভীষণ জনপ্রিয় করে তোলে। তিনি ডিস্কো কিং নামে পরিচিতি লাভে করেন।বাপ্পি লাহিড়ি প্রচুর বাংলা ও হিন্দি ছবির গানের সুর যেমন দিয়েছেন, গানও গেয়েছেন অসংখ্য ছবিতে। তিনি এক বর্ণময় চরিত্রের মানুষ ছিলেন, তাঁর একটা নিজস্ব স্টাইল স্টেটমেন্ট ছিল, যেমন তাঁর গয়কীতে ঠিক তেমনিই তাঁর পোশাক পরিচ্ছদ ও ছিলো খুব-ই জমকালো। তিনি প্রচুর গহনা পরতে পচ্ছন্দ করতেন। ছিল গায়কির এক নিজস্ব কায়দা, যা তাকে হিন্দি ছবির জগতে অনন্য পরিচিতি দিয়েছিল। পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার এবং সম্মান।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

"তীর বেঁধা পাখী আর গাইবে না গান", প্রয়াত বাংলার নাইটিঙ্গেল সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়

তীর বেঁধা পাখী আর গাইবে না গান, ভুলে গেছে জীবনের হাসি কলতান। গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়-র সুরেলা গলা আর কোনওদিন বলে উঠবে না, গানে মোর কোন ইন্দ্রধনু......। করোনার কারল গ্রাস কেড়ে নিলো আরও এক প্রবাদপ্রতীম শিল্পীকে। লতা মঙ্গেশকরের শোক কাটতে না কাটতেই আরেক ধাক্কা দেশবাসীর কাছে।১৯৩০-র ৪ অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা স্বর্ণ যুগের শেষ অবিসংবদিত প্লেব্যাক ও আধুনিক গানের শিল্পী ঘুম ঘুম চাঁদ, ঝিকিমিকি তারা গাইতে গাইতে ৯০ বছর বয়সে চিরঘুমের দেশে চলে গেলেন। সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় আধুনিক ও সিনেমার গানের সাথে সাথে সমান পারদর্শী ছিলেন ভরতীয় মার্গসঙ্গীতে। তিনি পণ্ডিত সন্তোষ কুমার বসু, অধ্যাপক এ টি ক্যানন এবং অধ্যাপক চিন্ময় লাহিড়ীর নিকট ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন। এছাড়াও প্রবাদপ্রতীম সঙ্গীত গুরু উস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খান-র কাছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষা নেন। উস্তাদ বড়ে গোলাম আলী খান-র অবর্তমানে তাঁর সুযোগ্য পুত্র উস্তাদ মুনাওয়ার আলী খান-র কাছেও তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিক্ষালাভ করেছিলেন।১৯৭০ রে জয় জয়ন্তী এবং নিশি পদ্ম চলচ্চিত্রে তার গানের জন্য তিনি সেরা নেপথ্য গায়িকার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১১ তে পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান বঙ্গবিভূষণ পুরস্কারে পুরস্কৃত করা হয়।যদিও তিনি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সু-প্রশিক্ষিত, তবুও তাঁর বেশিরভাগ সাফল্য বাংলা আধুনিক গানে। ১৯৫০ এ তারানা সিনেমায় একটি গান দিয়ে তাঁর মুম্বাইতে হিন্দি গান গাওয়ার যাত্রা শুরু করেন। তিনি ১৭টি হিন্দি সিনেমায় গান গেয়েছিলেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে ১৯৫২ তে তিনি কলকাতায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ১৯৬৬ তে কবি শ্যামল গুপ্তের সাথে তাঁর বিবাহ হয়। বাংলা গানের এক অমর কথা শিল্পী শ্যামল গুপ্ত সন্ধ্যার বহু কালজয়ী গানের কথা লিখেছেন।২৬ জানুয়ারি বুধবার প্রজাতন্ত্র দিবসের সন্ধ্যাবেলা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বাংলার স্বর্ণযুগের শেষ সঙ্গীতশিল্পী। তার ঠিক পরের দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে গ্রিন করিডোর করে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করানো হয়। সেইসময় হাসপাতাল কতৃপক্ষ মেডিকেল বুলেটিন-এ জানায় শিল্পীর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পরেছে। তাঁর মাত্র কয়েকদিন আগেই তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের পদ্ম সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এই নিয়ে নানামহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়।অসুস্থ সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়কে উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। মেডিক্যাল বোর্ড জানায় আগেরদিন রাতে শৌচাগারে পড়ে গিয়ে চোট পান তিনি। তার সঙ্গে শুরু হয়েছিল শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাও। তাঁর দুটি ফুসফুসেই ভয়ানক সংক্রমণ দেখা দেয়। এর পর বেশ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। সোমবার রাতে তার অস্ত্রোপচার হয়েছিল, ফুসফুসের সংক্রমণও অনেক নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছিল।সন্ধ্যা - হেমন্ত বাংলা সিনেমার সঙ্গীতের এক অবিস্মরনীয় জুটি। তাঁদের গলায় উত্তম-সুচিত্রা সিনেমায় একের পর এক অমর গান মানুষের মুখে মুখে আজও ঘুরে বেড়ায়। সেইসময় সুচিত্রা সেনের কণ্ঠের সাথে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় ছাড়া কারুর গানই সেভাবে শোনা যেতো না। হেমন্ত মুখার্জির সুরে তিনি বহু গান গেয়েছেন, এছাড়াও রবিন চট্টোপাধ্যায় ও নচিকেতা ঘোষের সঙ্গেও তিনি অনেক কাজ করেন।বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালিন, যুদ্ধের হাত থেকে বাঁচতে কলকাতা তথা পশ্চিমবঙ্গে আগত লক্ষ লক্ষ উদ্বাস্তুদের জন্য তিনি ভারতীয় বাঙালি শিল্পীদের সঙ্গে গণ আন্দোলনে যোগ দেন এবং তাদের সাহায্যের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন। কারাগারে বন্দী নতুন বাংলাদেশের কারিগর বাংলাদেশের মুক্তিসুর্য শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির উপলক্ষে তার গাওয়া বঙ্গবন্ধু তুমি ফিরে এলে গানটি বাংলাদেশে দারুন জনপ্রিয়। ১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, প্রথম একুশে ফেব্রুয়ারির উদ্যাপন উপলক্ষে ঢাকায় পল্টন ময়দানের একটি উন্মুক্ত কনসার্টে অনুষ্ঠান করা তিনিই ছিলেন অন্যতম প্রথম বিদেশি শিল্পী।১৯৭১ সালে জয় জয়ন্তী এবং নিশিপদ্ম ছবিতে যে দুটি গান গেয়ে শ্রেষ্ঠ গায়িকা হিসেবে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, তার একটি হল ওরে সকল সোনা মলিন হল আপরটি আমাদের ছুটি ছুটি গাইতেই গাইতেই যেন তিনি সত্যিই চির ছুটিতে চলে গেলেন।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে ড্র করতেই বড় অপমান! ইরান দলকে দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ফিফায় অভিযোগের ঝড়

বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলেই বড় বিতর্কে জড়াল ইরান। মাঠে দুরন্ত লড়াইয়ের পর ম্যাচ ড্র করলেও মাঠের বাইরের ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভে ফুঁসছে ইরানের ফুটবল মহল। অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই ইরান ফুটবল দলকে আমেরিকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে ইরান। প্রথম ম্যাচে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে লড়াই করে মূল্যবান ফলও অর্জন করে তারা। কিন্তু ম্যাচের পরই শুরু হয় নতুন বিতর্ক। অভিযোগ, শুধুমাত্র ম্যাচে অংশ নেওয়ার সময়সীমার জন্যই আমেরিকায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ইরানের ফুটবলারদের। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার পর তাদের আবার মেক্সিকোয় ফিরে যেতে হয়েছে।ইরানের পরবর্তী ম্যাচের আগে দলটি কয়েক দিন আগেই আমেরিকায় গিয়ে অনুশীলন ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চেয়েছিল। সেই আবেদনও নাকচ হয়ে যায় বলে অভিযোগ। এতে দলের প্রস্তুতিতে বড় প্রভাব পড়ছে বলে দাবি করেছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।সংস্থার এক কর্তা জানিয়েছেন, টুর্নামেন্ট শুরুর অনেক আগেই সমস্ত প্রস্তুতির সূচি জমা দেওয়া হয়েছিল। তারপরও নানা প্রশাসনিক বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে দলকে। বিশেষ করে দিনের বেলায় অনুষ্ঠিতব্য ম্যাচের আগে স্থানীয় আবহাওয়া ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে।বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় আসরে অংশ নিতে এসে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াকে অন্যায্য বলেই মনে করছে ইরান। সেই কারণেই আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জানানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব এই ঘটনার পিছনে থাকতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিললেও বাস্তবে পরিস্থিতির খুব একটা পরিবর্তন হয়নি বলেই মত অনেকের।এই বিতর্কের মাঝেই এখন ইরানের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বিশ্বকাপের পরবর্তী ম্যাচ। মাঠের বাইরের চাপ সামলে ফুটবলাররা কতটা ভালো পারফরম্যান্স করতে পারেন, সেদিকেই নজর থাকবে ফুটবলপ্রেমীদের।বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক আসরে খেলাধুলার চেয়ে রাজনীতি বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও নতুন করে উঠতে শুরু করেছে। আর সেই কারণেই ইরানকে ঘিরে এই বিতর্ক এখন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র ৮ মাসেই ভেসে গেল কোটি টাকার সেতু! কাটমানির অভিযোগে বিস্ফোরক শুভেন্দু

উত্তরবঙ্গের প্রবল বর্ষণে বড় ধাক্কা খেল দুধিয়া সেতু। মাত্র আট মাস আগে তৈরি হওয়া এই সেতু ভেসে যাওয়ায় শিলিগুড়ি ও মিরিকের সরাসরি যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এত অল্প সময়ের মধ্যে একটি নতুন সেতু কীভাবে ভেসে গেল, তা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, দুধিয়া সেতু নির্মাণে কোনও অনিয়ম বা কাটমানির অভিযোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আপাতত সরকারের প্রধান লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব অস্থায়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষকে স্বাভাবিক পরিষেবা ফিরিয়ে দেওয়া।মুখ্যমন্ত্রী জানান, টানা বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় ছোট-বড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। দার্জিলিং, মিরিক এবং সংলগ্ন পাহাড়ি অঞ্চলে পরিস্থিতির উপর প্রশাসন কড়া নজর রাখছে। নবান্নের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ চলছে। সেচ দপ্তর ও জেলা প্রশাসনও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।তিনি আরও জানান, বিপজ্জনক এলাকাগুলি থেকে প্রয়োজন হলে বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের যাতে কোনওরকম ক্ষতি না হয়, সেই লক্ষ্যেই প্রশাসন কাজ করছে।এদিকে আবহাওয়া দপ্তরও নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।শনিবার জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রবল বৃষ্টিতে নদীর জলস্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কার পাশাপাশি নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।অন্যদিকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী কয়েক দিন বজ্রবিদ্যুৎসহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দুধিয়া সেতু ভেসে যাওয়ার ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এত কম সময়ে নতুন নির্মিত সেতুর এমন পরিণতি কেন হল? প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে তদন্তের দাবিও জোরালো হচ্ছে। উত্তরবঙ্গের মানুষ এখন অপেক্ষা করছেন দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার।

জুন ১৯, ২০২৬
দেশ

গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় হাই কোর্টে অভিষেক! আদালতের নির্দেশে আপাতত বড় স্বস্তি

ত্রিপুরার একটি পুরনো মামলায় গ্রেপ্তারির আশঙ্কা এড়াতে ত্রিপুরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানির পর আদালত জানিয়েছে, আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত তাঁকে হাজিরা দিতে হবে না। ওই দিনই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।ঘটনার সূত্রপাত ২০২১ সালের আগস্ট মাসে। তৃণমূলের একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে দলের কয়েকজন যুবনেতাকে ত্রিপুরায় আটকানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই সময় দেবাংশু ভট্টাচার্য, সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্তের উপর হামলার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় কয়েকজন নেতা আহত হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং রাজনৈতিক সংঘাত তীব্র আকার নেয়।এরপর আটক নেতাদের মুক্তির দাবিতে খোয়াই থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষ। পরে ধৃত নেতাদের আদালতে তোলা হলে সেখানকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন তাঁরা। জামিন পাওয়ার পর ত্রিপুরার তৎকালীন বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন তৃণমূল নেতারা।পুলিশের দাবি, ওই দিনের থানার সামনে অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সমন পাঠায় খোয়াই আদালত। গ্রেপ্তারির সম্ভাবনা এড়াতেই তিনি ত্রিপুরা হাই কোর্টের শরণাপন্ন হন।অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক আইনি ইস্যুকে কেন্দ্র করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। সই জাল সংক্রান্ত মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার তলবেও হাজিরা দিয়েছেন তিনি। এরই মধ্যে ত্রিপুরার এই মামলায় আদালতের অন্তর্বর্তী স্বস্তি তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।তবে ২১ আগস্টের পরবর্তী শুনানিতে মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার্টার্ড বিমানে দিল্লি সফর! অভিষেককে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য কুণালের, তোলপাড় রাজনীতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। চার্টার্ড বিমানে তিনি দিল্লি গিয়েছেন কি না, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে। এই আবহেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।শুক্রবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতা থেকে দিল্লি যান। সেই সফরকে কেন্দ্র করেই চার্টার্ড বিমানের ব্যবহার নিয়ে গুঞ্জন ছড়ায়। যদিও এই বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি। তবে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কুণাল ঘোষ বলেন, অভিষেক চার্টার্ড বিমানে গিয়েছেন কি না, তা তিনি নিশ্চিত নন। কিন্তু যদি দলের তহবিলের অর্থ খরচ করে এমন সফর হয়ে থাকে, তাহলে তিনি ব্যক্তিগতভাবে তা সমর্থন করেন না।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, যদি অন্য কারও ব্যবস্থায় বা সহযাত্রী হিসেবে তিনি চার্টার্ড বিমানে ভ্রমণ করে থাকেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা। কিন্তু দলের অর্থ ব্যয় করে এমন যাত্রা হলে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন তৃণমূলকে ঘিরে একাধিক রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক বিতর্ক চলছে। দলের একাংশের বিদ্রোহ, সাংসদ ও বিধায়কদের অবস্থান পরিবর্তন, সংগঠনের ভবিষ্যৎ এবং আর্থিক বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যেই চর্চা তুঙ্গে।এদিকে দলের তহবিল নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। দলের প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ অরূপ বিশ্বাস ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার দাবি জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন বলে খবর। সেই পদক্ষেপকে সমর্থনও করেছেন দলের অন্য একাংশের নেতারা। ফলে তৃণমূলের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ এবং সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, তিনি দলের সাংসদদের অবস্থান এবং সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের জন্য রাজধানীতে গিয়েছেন।তবে চার্টার্ড বিমানে সফর সংক্রান্ত জল্পনা এবং কুণাল ঘোষের প্রকাশ্য মন্তব্য তৃণমূলের অন্দরের অস্বস্তিকেই আরও সামনে এনে দিয়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। এখন এই বিতর্কে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা আসে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

শহিদ দিবসের আগেই বড় ধাক্কা! মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে আদালতের নোটিসে তোলপাড় রাজনীতি

একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবস কর্মসূচির আগে বড় আইনি চাপে পড়লেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলায় রাস্তা আটকে সভা করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় নোটিস জারির নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, দুই হাজার আঠারো সালে কলকাতা হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে কোনও সরকারি জায়গা বন্ধ করে সভা বা মিছিল করা যাবে না। অভিযোগ, সেই নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও প্রতি বছর একুশে জুলাই ধর্মতলায় রাস্তা আটকে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল। এই বিষয়টিকেই কেন্দ্র করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়।বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস জারির নির্দেশ দেয়। আগামী তিন জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, উনিশশো তিরানব্বই সালের একুশে জুলাই রাইটার্স বিল্ডিং অভিযান চলাকালীন পুলিশের গুলিতে তেরো জন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার স্মরণে দীর্ঘদিন ধরেই একুশে জুলাই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পরে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পরও এই কর্মসূচি অব্যাহত রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দুই হাজার এগারো সালে তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর শহিদ দিবসের সমাবেশ আরও বড় আকার নেয়। ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতি বছর লক্ষাধিক সমর্থকের জমায়েত হয়। যদিও আদালতের পূর্ববর্তী নির্দেশের পরও একই জায়গায় সভা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে।এবার পরিস্থিতি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পর তৃণমূল এখন বিরোধী শিবিরে। একই সঙ্গে দলের অভ্যন্তরেও নানা মতভেদ এবং ভাঙনের জল্পনা চলছে। বিধানসভা এবং লোকসভা স্তরে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার মধ্যেই একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই অবস্থায় আদালতের নোটিস জারির নির্দেশ রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে পর্যবেক্ষক মহল। একদিকে শহিদ দিবসের প্রস্তুতি, অন্যদিকে আইনি চাপ দুইয়ের মাঝেই তৃণমূল নেতৃত্বকে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।এখন নজর আগামী তিন জুলাইয়ের শুনানির দিকে। আদালতে এই মামলার ভবিষ্যৎ কী মোড় নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।

জুন ১৯, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal