• ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SI

রাজনীতি

নন্দীগ্রাম নিয়ে জল্পনার মধ্যেই বিদ্রোহী সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই

বাংলায় পরিবর্তনের ভিত রচনা করেছিল সিঙ্গুর আর নন্দীগ্রাম আন্দোলন। ১০ নভেম্বর ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির ডাকা সমাবেশে ওই আন্দোলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক শুভেন্দু অধিকারীর বার্তা শুনতে যখন মুখিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল, সেখানে সিঙ্গুরের বিধায়ক, মাস্টারমশাই রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যর গলায় বিদ্রোহের সুর। আজ হুগলি জেলা তৃণমূলের কমিটি ঘোষণার পর থেকেই জেলাজুড়ে অসন্তোষের আগুন বেড়েই চলেছে। তার মধ্যেই দলত্যাগের হুঁশিয়ারি দিলেন স্বচ্ছ ভাবমূর্তির প্রবীণ বিধায়ক। এমনিতেই লোকসভা ভোটে ব্যাপক ভোটে সিঙ্গুরে তৃণমূলকে মাত করেছে বিজেপি। তৃণমূল ধাক্কা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে কোথায়, একের পর এক ভুল করে আজ কমিটির মাধ্যমে কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে ফেলল। এক দলীয় কর্মী ফেসবুকে লিখেছেন, শেষে কফিন বইবার লোক থাকবে তো? লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর যে লড়াকু কর্মীরা খেটে দলকে ঘোরানোর চেষ্টা করছিলেন, তাঁদের সরিয়ে পিকের টিমের রিপোর্টের ভিত্তিতে নতুন কমিটিতে দুর্নীতিগ্রস্তদের বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সিঙ্গুরের মাস্টারমশাই বলেন, কমিটি দলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিবর্তন না করলে দল বদলে ভিন্ন দলে যাওয়ার ভাবনাচিন্তা করতে হবে। ক্ষোভের কারণ, দুর্নীতিতে যুক্তরা আজ দল পরিচালনার দায়িত্বে, আর আমরা যাঁরা দুর্নীতিতে নেই তাঁদের অপমান, অবহেলা, বঞ্চনা করে তাড়িয়ে দেওয়া হলো! আমার এখানকার সভাপতিকে সরানো মানছি না। দল আমাকে টিকিট দিলেও আমাকে বাধা দেওয়া হবে, ব্যর্থ প্রমাণ করে হারানোর চক্রান্ত হবে, যা অতীতেও হয়েছে। তাই প্রয়োজনে দল পরিবর্তন করতে হলে তা-ই করব।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
দেশ

নোটবন্দির একাধিক সাফল্য তুলে ধরে টুইট সীতারামনের , সমালোচনা কংগ্রেসের

ভারতকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি মাফিক মোদি সরকার চার বছর আগে নোটবন্দি করেছিল এই দিনে। কালো টাকার বিরুদ্ধে এই সার্জিক্যাল স্ট্রাইক দেশের করকাঠামোর উন্নয়ন এবং ডিজিটার অর্থনীতির দিকে দেশে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রথম পদক্ষেপ ছিল। রবিবার নোট বাতিলের চার বছরের বর্ষপূর্তির দিনে টুইট করে এই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ৯০০ কোটি হিসাব বহির্ভূত আয় বাজেয়াপ্ত হয়েছে নোটবন্দির প্রথম চার মাসের মধ্যে। গত তিন বছরে ৩,৯৫০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। অপারেশন ক্লিন মানি দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করেছে নোটবন্দির পর। নোটবন্দি শুধুমাত্র কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং ব্যাপকতাই আনেনি, এটা টাকার মূল্যহ্রাস এবং সার্কুলেশনকেও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করেছে। আরও পড়ুন ঃ হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে হাথরাস কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত অন্যদিকে , কংগ্রেসের তরফ থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অভিযান শুরু করা হয়েছে। নোটবন্দি বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার জন্য এই কর্মসূচিতে রাহুল গান্ধীর দাবি, নোটবন্দির প্রধান লক্ষ্যই ছিল বড় ঋণখেলাপিদের ঋণ মকুব করা। কংগ্রেসের আরও দাবি, নোটবন্দির ফলে দেশের আর্থিক বৃদ্ধি কমে ২.২ শতাংশ এবং কর্মসংস্থান ৩ শতাংশে এসে ঠেকে। একটি ভিডিওতে রাহুল প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ভারতের অর্থনীতিকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ভারতের অর্থনীতি এখন ভাল পারফর্ম করার জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

বেশি বাড়াবাড়ি করলে শ্মশানে পাঠিয়ে দেব , হুঁশিয়ারি দিলীপের

ফের কুকথা দিলীপ ঘোষের মুখে। রবিবার তিনি বলেন , বেশি বাড়াবাড়ি করলে শ্মশানে পাঠিয়ে দেব। রবিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় জনসভার আয়োজন করেছিল বিজেপি। সেখানে ছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি এই মন্তব্য করে বলেন , নির্বাচন করবে দাদার পুলিশ। কমাস পর দিদির পুলিশের দাঁত ভাঙবেন অমিত শাহ। তিনি এদিন আরও বলেন, আলুর দাম বাড়ার কারণ কাটমানি। তৃণমূল নেতাদের কাটমানি দেওয়া ও নির্বাচনের ফান্ড গড়ে তোলার জন্যই আলুর দাম বাড়ানো হয়েছে। কারণ, আলু অন্য রাজ্য থেকে আনতে হয় না। আমাদের রাজ্যে যথেষ্ট ্পরিমাণে আলু উৎপাদন হয়। হিমঘরগুলিতেও প্রচুর আলু মজুত রয়েছে। পুরোহিত ভাতা থেকে আমফানের ত্রাণ, যারা প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত তারা পায়নি, পেয়েছে শাসকদলের কিছু লোক। সংখ্যালঘুদের উদ্দেশ্য করে বলেন, বিজেপি কোনও বিভাজন করে না। মোদির প্রকল্পে রাজ্যের সংখ্যালঘুরাও উপকৃত। এরপরই আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে দিলীপ ঘোষ বলেন, একুশে ২০০-র বেশি আসন পেলে বাংলায় সরকার গড়বে বিজেপি। দলত্যাগ প্রসঙ্গে বলেন, শাসকদলের কর্মীরা বিজেপিতে আসার ইচ্ছে প্রকাশ করছেন। কিন্তু বিজেপিতে যোগ দিতে চাইলেই পুলিশকে দিয়ে চাপ দেওয়া হচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ তপনে একই পরিবারের পাঁচজনের রহস্যমৃত্যু অন্যদিকে , এদিন সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওদের এখন বাঁধাকপির মত অবস্থা। পাতা ছাড়াতে ছাড়াতে কপি খুঁজে পাওয়া যাবে না। পার্টিতে দুজনেই থাকবেন। বাকি পার্টি উঠে যাবে। দুর্নীতি আর গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছাড়া তৃণমূলের আর কিছুই নেই। কেন্দ্রীয় সংস্থা কাজ শুরু করতেই চারিদিকে হইচই পড়েছে। কারণ, বাংলায় চলা গরু ও কয়লা পাচারের সঙ্গে রাজ্যের সরকারি পার্টির নেতাদের অধিকাংশই জড়িত। সেই জন্যই তল্লাশি শুরু হতেই মুখ্যমন্ত্রী প্রতিবাদ করছেন। এতেই স্পষ্ট যে ক্ষমতায় রয়েছেন যাঁরা তাঁদের আসল চেহারা।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল , তবুও সঙ্কটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

বর্ষীয়ান অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও উন্নতির তেমন কোনও লক্ষণ চোখে পড়ছে না। শনিবার রাতে মেডিক্যাল বুলেটিনে ডা. কর জানান, সৌমিত্রবাবুর ফুসফুস ভালভাবে কাজ করছে। ভেন্টিলেশন সাপোর্টের অনেকটাই কম প্রয়োজন হচ্ছে। তবে উন্নতির বিশেষ লক্ষণ দেখা যায়নি। আগের মতোই রয়েছেন। লিভারও ঠিকঠাক কাজ করছে। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এখন স্বাভাবিক। প্লেটলেট কাউন্টও স্বাভাবিক আছে। এইদিকগুলির অবস্থা আগের তুলনায় অনেকটাই ভাল। শেষ ৪৮ ঘণ্টায় জ্বর আসেনি। সংক্রমণও নিয়ন্ত্রণে। আপাতত অ্যান্টি-বায়োটিক দেওয়া বন্ধও করা গিয়েছে। তবে কিছু অ্যান্টি-বায়োটিক তাঁর কিডনির উপর খানিকটা প্রভাব ফেলছে। তাই কিডনির সমস্যাটা রয়েই গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ ইনস্টাগ্রামে বড় ঘোষণার আভাস শ্রাবন্তী পুত্রের অল্টারনেটিভ ডায়ালিলিসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। প্লাজমাফেরেসিসের কথা ভাবা হচ্ছে। তাঁর পরিবারও এই প্রক্রিয়ার জন্য রাজি। তবে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আরও খানিকটা আলোচনার পর এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাঁর এমন শারীরিক অবস্থায় আদৌও প্লাজমাফেরেসিস সম্ভব কি না, তা নিয়ে সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। চিকিৎসকের কথায়, ৮৫ বছরের এক ব্যক্তির থেকে আর কতখানি আশা করা যায়। তবে এই বয়সেও চ্যাম্পিয়নের মতোই লড়ছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

ইনস্টাগ্রামে বড় ঘোষণার আভাস শ্রাবন্তী পুত্রের

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়ের রোশন সিংয়ের সঙ্গে থাকছেন না। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নানাবিধ জল্পনা শুরু হয়েছে। এই প্রশ্নও উঠে গিয়েছে , শ্রাবন্তীর তৃ্তীয় বিয়েটাও কি ভাঙতে চলেছে ? সেই জল্পনার মধ্যেই এবার শ্রাবন্তীর ছেলে অভিমন্যু চট্টোপাধ্যায় ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করে বড় কোনও ঘোষণার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেখানে সে নিজের ও মায়ের একটি পুরনো ছবি শেয়ার করেছে। পাশাপাশি শেয়ার করেছে একটি ভিডিও। যাতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে সংগীতের সৃষ্টি করা হয়েছে। নিজের পোস্টের ক্যাপশনেই অভিমন্যু লিখেছে, বড় কিছু আসছে। আরও পড়ুন ঃ শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গত , নভেম্বরেই শুরুতেই খবর রটে রোশন সিংয়ের সঙ্গে শ্রাবন্তীর তৃতীয় বিয়ে ভাঙতে চলেছে। এমনকী দুজনের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে এখনও একসঙ্গে আর কোনও ছবি নেই। তবে শ্রাবন্তীর ফেসবুক প্রোফাইলে রোশনের সঙ্গেই তাঁর ছবি রয়েছে। এরপরই গুঞ্জন ছড়ায় রোশন আর শ্রাবন্তী নাকি আলাদা থাকছেন। তা নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে যায়।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
রাজ্য

বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

ফের বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে হালিশহর মহাশ্মশানে। এই ঘটনায় বিজেপি যুব মোর্চার দুজন সদস্য আক্রান্ত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ , হালিশহর শ্মশানে এক বৃদ্ধের মৃতদেহ দাহ করতে এসে তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতে এই দুই বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হন। আহত বিজেপি কর্মীদের নাম শান্তনু গাঙ্গুলি ও সুকান্ত গাঙ্গুলি। শ্মশানে তাঁদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ। আহত হয়ে দুজনই আপাতত কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ভরতি রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার গভীর রাতে এক বন্ধুর বাবার শেষকৃত্যের জন্য শ্মশানে গিয়েছিলেন সুকান্ত ও শান্তনু। আরও পড়ুন ঃ দলের মহিলা কর্মীকে কুপ্রস্তাব, তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সুকান্ত গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, রাতে তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডাবাহিনীর প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন আমাদের উপর আচমকা চড়াও হয়ে মারধর শুরু করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। আমরা বিজেপি যুব মোর্চার সদস্য, সেটাই আমাদের অপরাধ।এদিকে এই ঘটনায় শনিবার দুপুরে নদীয়ার কল্যাণী জওহরলাল নেহরু মেমোরিয়াল হাসপাতালে জখম বিজেপি কর্মীদের দেখতে যান ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং । তিনি বলেন, তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গেছে । জনসমর্থন নেই। তাই আমাদের নিরীহ কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূলের সরকার আর বেশিদিন নেই। এভাবে মারধর করে বিজেপির জয় আটকাতে পারবে না। পুলিশকে বলে লাভ হবে না। বাঁচতে গেলে আমাদের পালটা দিতে হবে। তৃণমূলের তরফ থেকে অবশ্য বিজেপির উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। শুক্রবার রাতে মেডিক্যাল বুলেটিনে মেডিক্যাল বোর্ডের অন্যতম প্রধান চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান , সব ঠিক থাকলে শিগগিরই তাঁর অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ বন্ধ করা হবে। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও, তাঁকে এখনই ভেন্টিলেশনের বাইরে আনার মতো অবস্থা হয়নি। আরও পড়ুন ঃ শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রবীণ অভিনেতার শ্বাসনালীর জন্য ট্রাকিওস্টোমি করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এই দু, একদিনের মধ্যেই। অবশ্য শনি বা রবিবার তাঁর শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আপাতত হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কিছুটা বাড়লেও, তা স্বাভাবিকের তুলনায় কমই রয়েছে। তবে তাঁকে বারবারই রক্ত দিতে হচ্ছে। স্বাভাবিক রয়েছে প্লেটলেটস কাউন্ট। খুব ধীরে ধীরে কাটছে আচ্ছন্নভাব।

নভেম্বর ০৭, ২০২০
বিনোদুনিয়া

শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

চেতনা সামান্য হলেও ফিরেছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। সৌমিত্রবাবুর চিকিৎসক টিমের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক অরিন্দম কর জানিয়েছেন , বারবার ডাকলে সামান্য চোখ খুলে তাকাচ্ছেন অভিনেতা। তবে বারবার রক্ত দেওয়ার পরেও কেন হিমোগ্লোবিন ও প্লেটলেটসের ধারাবাহিক পতন আটকানো যাচ্ছে না, তা গভীর চিন্তায় রেখেছে চিকিৎসকদের। তাঁর শরীরের সেকেন্ডারি ইনফেকশনকেই মাথাব্যথার কারণ বলছেন চিকিৎসকরা। আরও ্পড়ুন ঃ হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আরও কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের বুধবার পর্যাপ্ত মূত্রত্যাগ না হলেও এদিন তাঁর মূত্র নিঃসরণ ছিল স্বাভাবিক। বৃহস্পতিবার সৌমিত্রের কিডনি ও স্নায়ুর দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার পাশাপাশি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের পরিকল্পনা স্থির করার জন্য তিনটি বোর্ড বৈঠকে বসে। সেই বৈঠকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন অভিনেতার পরিজনও।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

হাওড়ার কলেজে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে উত্তেজনা

অবিলম্বে সম্পুর্ন রেজাল্ট হাতে তুলে দেওয়া সহ একাধিক দাবিতে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখালেন হাওড়ার নরসিংহ দত্ত কলেজের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়ারা। তাঁদের দাবি এখনই রেজাল্ট না হাতে পেলে কিভাবে পরবর্তীতে তারা ভর্তি হবেন ? এদিন তৃতীয় বর্ষের ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। এদিন কলেজের সামনে পড়ুয়ারা এবং অভিভাবকরা কলেজের গাফিলতির অভিযোগ তোলেন। থার্ড ইয়ারের স্টুডেন্টদের ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্টে ইতিহাসের নম্বর না দেওয়ায় কার্যত বিপাকে পড়েছেন এইসব পড়ুয়ারা। পড়ুয়াদের একাংশের অভিযোগ , কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার খাতার নম্বর না যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ইতিহাস অনার্সের পড়ুয়ারা। একটি বিষয়ে ফলাফল অসম্পূর্ণ থাকায় তাঁরা স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি হতে পারছেন না। বৃহস্পতিবার এই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনা ছড়ালো হাওড়ার নরসিংহ দত্ত কলেজের সামনে। এই মাসের ১০ নভেম্বর এমএ-তে ভর্তির লাস্ট ডেট। যদিও কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে খুব তাড়াতাড়ি স্টুডেন্টদের রেজাল্ট হাতে দিয়ে দেওয়া হবে। দুর্গাপূজার সপ্তমীর দিন রেজাল্ট আউট হয়। কিন্তু সেখানে ইতিহাসের নম্বর ছিল না বলে অভিযোগ। আরও পড়ুন ঃ অমিত শাহকে খাইয়েও মনের কথা বলা হল না বিভীষণ হাঁসদার এই বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষা সোমা বন্দোপাধ্যায় জানান , প্রযুক্তিগত ত্রুটির জন্যই নম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়কে ফের নম্বর পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই সমস্যা মিটে যাবে। এই প্রসঙ্গে ছাত্রীরা জানান, আমাদের বলা হয়েছিল লক্ষ্মীপুজোর পরে আমাদের রেজাল্ট দিয়ে দেওয়া হবে, কিন্তু এখনও তা হয়নি। তাছাড়া পড়ুয়াদের আরো অভিযোগ , অন্যান্য বিষয়ে গড়ে নম্বর দেওয়া হয়েছে । যে ফার্স্ট ক্লাস পায় তাকেও কম নম্বর দিয়েছে। এছাড়াও দ্বিতীয় পত্রে কোনও নম্বর নেই। পড়ুয়ারা আরো বলেন, আমরা চাইছি এই মুহুর্তে আমাদের রেজাল্ট আমাদের হাতে তুলে দেওয়া হোক। আমাদের প্রাপ্য নম্বর দেওয়া হোক। দরকার পড়লে আমরা খাতা রিভিউ করব। প্রয়োজনে বিষয়টি শিক্ষামন্ত্রীকেও জানাবেন তাঁরা।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
রাজ্য

উত্তরবঙ্গের পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের বৈঠকে ডাকলেন রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ, উত্তরবঙ্গ কৃষি, রায়গঞ্জ, কোচবিহার পঞ্চানন বর্মা, গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সহ উপাচার্য এবং রেজিস্ট্রারদের সঙ্গে দেখা করবেন। বৃহস্পতিবার টুইট করে বৈঠকের কথা জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে আরও লেখেন , আগামী ৯ নভেম্বর দার্জিলিংয়ের রাজভবনে তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। উপাচার্যদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নিয়ে আসার কথাও লেখেন। ৮ নভেম্বরের মধ্যে বৈঠকে উপস্থিতির কথাও জানাতে হবে বলেও আরেকটি টুইটে উল্লেখ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মমতা সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছেঃ অমিত শাহ এর আগে তিনি একাধিকবার রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চাইলেও তখন তারা হাজির হননি। এবার উপাচার্যরা তাঁর ডাকে সাড়া দেন কিনা , সেটাই এখন দেখার।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
বিনোদুনিয়া

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা আরও কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

সঙ্কট যেন কিছুতেই কাটছে না অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার রাতে বেলভিউ হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, সৌমিত্রবাবুর রক্তে হিমোগ্লোবিন ও অনুচক্রিকার মাত্রা তলানির দিকে। তাঁর ট্র্যাকিওস্টমি করার কথাও ভাবছেন চিকিৎসকরা। তবে এখনও কোনও কিছুই চূড়ান্ত নয়। এদিন নতুন করে তাঁর দেহে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয়নি। বাড়েনি ভেন্টিলেশনের মাত্রা। আরও পড়ুন ঃ কিডনির স্ট্রেস কমাতে ফের ডায়ালিসিস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ইতিমধ্যেই চারবার ডায়ালিসিস হয়ে গিয়েছে অভিনেতার। তবু বুধবার স্বাভাবিকের চেয়ে অনেকটাই কম মূত্র নিঃসরণ হয়েছে তাঁর। হাসপাতাল সূ্ত্রে জানা গিয়েছে , বৃহস্পতিবার সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কিডনির সমস্যা নিয়ে আলোচনায় বসতে চলেছে নেফ্রোলজি ও নিউরোলজি বোর্ড।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল বাজি ব্যবসায়ী সমিতিকে তলব নবান্নে

আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বাজি ব্যবসায়ী সমিতিকে ডেকে পাঠানো হল নবান্নে। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে তারা বৈঠকে মিলিত হবেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে সমিতির তরফ থেকে বাবলা রায় মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে তাদের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেন। সেখানে ৩১ লক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকা সংশয়ের বিষয়টি জানানো হয় । তারপরই মুখ্যমন্ত্রী বাজি ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের তলব করেন। আরও ্পড়ুন ঃ মতুয়া উন্নয়ন পর্যদের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গত , চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে কালীপুজো ও দিওয়ালিতে বাজি না পোড়ানোর জন্য অনুরোধ করা হয় সরকারের তরফ থেকে। কারণ , বাজি ফাটালে করোনা রোগীদের বিস্তর সমস্যা হতে পারে। এনিয়ে এদিন চিকিৎসক ও পরিবেশকর্মীদের সংগঠনগুলির তরফ থেকে রাজ্য সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে আবেদন করা হয় , এই বছর যেন বাজি বিক্রি ও বাজি পোড়ানো বন্ধ থাকে। চিঠিতে এই দাবি করা হয়েছে , বায়ু দূষণের জেরে কোভিড ৬ থেকে ৭ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে।পৃথিবীতে করোনা সংক্রমণের জেরে যাদের মৃত্যু হচ্ছে , তার ১৫ শতাংশের মৃত্যুর কারণ বায়ু দূষণ। তাই দিওয়ালিতে বাজি পুড়লে তা করোনা সংক্রমণ বাড়ানো্র ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে বলে মত চিকিৎসকদের। তাই বাজি বিক্রি ও বাজি পোড়ানো যতটা সম্ভব কম করা যায় , এদিনের চিঠিতে সেই আবেদনই করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই

হোয়াইট হাউস কার দখলে ? ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে লড়াই চলছে হাড্ডাহাড্ডি। প্রথম দিকে জো বিডেন এগিয়ে থাকলেও পরে ধীরে ধীরে জমি ফিরে পাচ্ছেন ট্রাম্প। টক্কর চলছে সমানে সমানে। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত, জো বিডেনের হাতে রয়েছে ২২৫টি ইলেক্টোরাল ভোট। ট্রাম্পের ঝুলিতে রয়েছে ২১৩টি। ৫৩৮ আসনের ইলেক্টোরাল কলেজ-এ ম্যাজিক ফিগার ২৭০। আটটি রাজ্যের মধ্যে ৬ টিতেই ইতিমধ্যে এগিয়ে গেছেন ট্রাম্প। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দখলে গিয়েছে ফ্লোরিডা। এই ফ্লোরিডা রাজ্যকেই আমেরিকার রাজনীতি্র নির্ণায়ক বলা হয়। আরও পড়ুন ঃ অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সন্ত্রাসবাদী হামলা , নিহত ৭ হোয়াইট হাউস থেক সরাসরি সমর্থকদের সামনে জয়ধ্বনি দেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি সাফ জানান, আমরা নির্বাচন জিতেছি। এবার কারচুপি হলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করব। নর্থ ক্যারোলিনার মতো প্রদেশে আমরা জিতেছি। এবার যদি ফল অন্য আসে তার মনে বুঝতে হবে কারচুপি হয়েছে।এবার ফলাফল যদি অন্য কিছু হয় তাহলে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করবে তাঁর দল। তিনি এদিন বলেন , নির্বাচন শেষ হওয়ার পর ব্যালট জমা নিলে কারচুপি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের মতোই নিজেদের গড় রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছে দুই দলই। ফলে ফলাফল নির্ভর করছে সুইং স্টেটগুলির উপর। অন্যবার এই সময়ে মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে যায় যে আগামী চার বছর কার দখলে থাকছে হোয়াইট হাউস। কিন্তু এবার করোনা মহামারীর জেরে মেল-ইন-ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন প্রায় ১০ কোটি মার্কিন জনতা। ফলে সেগুলির হিসেবে কিছুটা সময় লাগছে। যাই হোক, মার্কিন রাজনীতিতে বরাবরই পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ঠিক করে ব্যাটল গ্রাউন্ড স্টেটগুলি। এবারও তেমনটাই দেখা যাচ্ছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ , এলাকায় আতঙ্ক

চম্পাহাটির বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি হল। স্থানীয়দের মতে, বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ আচমকাই বিস্ফোরণের শব্দ পান। দৌড়ে গিয়ে দেখেন বাজি কারখানাটি দাউদাউ করে জ্বলছে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চতুর্দিক। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়তে থাকে। আজ যারা বাজি কিনতে গিয়েছিলেন , সকলকে নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় দমকলের দুটি ইঞ্জিন। এছাড়াও বারুইপুর থানার পুলিশ আধিকারিকরাও খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। বেশ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আরও পড়ুন ঃ আজ দুদিনের রাজ্য সফরে অমিত শাহ প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে , কারখানায় মজুত থাকা বাজি থেকেই এই বিস্ফো্রণের ঘটনা ঘটেছে। বিপুল পরিমাণে বাজি থাকায় দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার জেরে এলাকাবাসী ব্যাপক আতঙ্কে রয়েছেন। সামনেই কালীপুজো। তার আগে এই বিস্ফো্রণের ঘটনায় কয়েক লক্ষ টাকার বাজি নষ্ট হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কারখানায় অবৈধভাবে বাজি মজুত ছিল কিনা ও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা সঠিকভাবে কাজ করছিল কিনা , তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
বিনোদুনিয়া

কিডনির স্ট্রেস কমাতে ফের ডায়ালিসিস সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের

শারীরিক অবস্থা একইরকম হয়েছে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। মঙ্গলবার ডাক্তার কর জানান, বর্ষীয়ান অভিনেতার নতুন করে রক্তক্ষরণ হয়নি। তাঁর শারীরিক অবস্থা একইরকম হয়েছে। হিমোগ্লোবিন প্রায় স্থিতিশীল পর্যায়ে চলে এসেছে। কিডনির স্ট্রেস কমাতেই এদিন ডায়ালিসিস করা হয়েছে। ইউরিন আউটপুট ভাল। ভাস্কুলার সার্জেন, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেসিস্ট তাঁকে ২৪ ঘণ্টাই পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। নতুন করে যাতে আর রক্তক্ষরণ না হয়, সেদিকেই বিশেষভাবে খেয়াল রাখছেন চিকিৎসকরা। আরও পড়ুন ঃ ১৪ বছর বয়সে যৌন হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন আমির কন্যা ইরা অভিনেতার শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক হলেই তাঁর নিউরোলজিক্যাল বিষয়গুলি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হবে। গত কয়েকদিনের মতো মঙ্গলবারও অভিনেতার মস্তিষ্কের স্নায়ুর সচেতনতা অর্থাৎ গ্লাসগো কোমা স্কেলে সূচক ১০-এর কাছাকাছি। আচ্ছন্নভাব থাকলেও চোখ খুলছেন তিনি।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

আগামী ৬ নভেম্বর পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর  বাড়িতে অমিত শাহঃ অর্জু্ন সিং

ক্যানিংয়ে আমাদের কোনও সংগঠন নেই যে আমাদের লোকেরা ওদের গুলি মারবে। নিজের নিজের ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে লড়ছে । ভাইপো বনাম পিসির লড়াই চলছে ওখানে। মঙ্গলবার তৃ্ণমূলের সমালোচনা করে এমনই মন্তব্য করলেন বিজেপি সাংসদ অর্জু্ন সিং। তিনি বলেন , পশ্চিমবঙ্গে যারা রাজনৈতিক দলের লোক আছে , তাদের সবাইকে বলব , সাবধানে থাকুন। তৃ্ণমূলের গোষ্ঠী্দ্বন্ধের লড়াইতে সাধারণ মানুষ খুন হচ্ছে। আর দোষ চাপাচ্ছে বিজেপির উপরে। কখনও অন্য রাজনৈতিক দলের উপরে। ভো্ট যখন আসে , তখন তৃ্ণমূলের লোকেরা এসব করে থাকে। পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে তিনি বলেন , এটা পুরোপুরি অরাজনৈতিক ব্যাপার। আগামী ৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওনার সঙ্গে দেখা করবেন। সে বিষয়ে ওনার কাছে আবেদন জানাতে গিয়েছিলাম। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ে গুরুংয়ের কোনও অস্তিত্ব নেইঃ বিনয় কৈলাস বিজয়বর্গীয় পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর বাড়িতে যাওয়া ্প্রসঙ্গে বলেন , উনি বাংলা তথা দেশের গর্ব। আমি ওনাকে প্রণাম করতে গিয়েছিলাম। তৃ্ণমূলের যে গণ্ডগো্ল তা সিন্ডিকেট , কাট্মানি ও পয়সার জন্য হচ্ছে।কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন, সকালে ও বিকালে বিজেপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দুটি বৈঠক করবেন অমিত শাহ। অনেকের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের কথা।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

দশ বছর ধরে ঘরছাড়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বাড়ি ফেরাল জোড়াসাঁকো থানার এসআই

দশ বছর ধরে ঘরছাড়া এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে বাড়ি ফিরিয়ে দিল কলকাতা পুলিশের এক এসআই। সাব ইন্সপেক্টরের নাম তপন কুমার দাস।তিনি জোড়াসাঁকো থানায় কর্মরত। জানা গিয়েছে , গত ২৯ অক্টোবর কলেজ স্ট্রিটে বর্ণপরিচয় মার্কেটের এক নম্বর গেটের সামনে অচৈতন্য হয়ে পড়েছিলেন ওই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। পোশাক ছিল অবিন্যস্ত। ব্যক্তিটিকে এক ঝলক দেখেই তিনি বুঝতে পারেন, আগে মানুষটিকে সুস্থ করে তোলা প্রয়োজন। সেইমতো জল এবং খাবারের ব্যবস্থা করা হয়, ছেঁড়া পোশাক পাল্টে দেওয়া হয় এবং ব্যবস্থা করা হয় প্রয়োজনীয় মানসিক চিকিৎসারও। জানা যায়, যুবকের নাম অজিত সর্দার, বয়স ৩২ বছর, বাড়ি উত্তর ২৪ পরগণার সন্দেশখালি থানার অন্তর্গত একটি গ্রামে। অজিতবাবুর ভাইয়ের সঙ্গে সন্দেশখালি থানার ওসির মাধ্যমে যোগাযোগ করে জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। সেদিনই সন্ধ্যাবেলা জোড়াসাঁকো থানায় উপস্থিত হন অজিতবাবুর ভাই দিলীপ সর্দার, এবং ভাইকে শনাক্ত করে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যান। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল থেকেই কলকাতা সহ রাজ্যে অনুভূত হবে শীত জানা গিয়েছে , অজিত ঘরছাড়া হন দশ বছর আগে। পারিবারিক বিবাদই ছিল তার ঘরছাড়ার পিছনে মূল কারণ। তখন থেকে নিখোঁজ ছিলেন অজিত। মানসিক অবসাদগ্রস্তও হয়ে পড়েন তিনি। উদভ্রান্তের মতো রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছেন অজিত । ঠিকানা বলতে তার ছিল রাস্তা অথবা ফুটপাথ। এক দশকের সেই ভবঘুরে জীবনের অবসান ঘটালেন জোড়াসাঁকো থানার এসআই।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণ , মৃত ১

দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডে বিস্ফোরণের জেরে একজনের মৃত্যু হল। মৃতের নাম ওমপ্রকাশ চৌহান। তিনি একজন ঠিকাকর্মী। এই বিস্ফোরণের ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। আহত কর্মীর নাম বাম রুইদাস। তিনি ডিপিএলের নিরাপত্তারক্ষী। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ তাকে ভরতি করা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে। জানা গিয়েছে , মঙ্গলবার সকাল ১১ টা ১০ মিনিট নাগাদ বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে ডিপিএলের ৭ নম্বর কনস্ট্রাকশন গেট এলাকা। ঘটনাস্থলে আসে কোকওভেন থানার পুলিশ। তারা মৃতদেহ উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। কিন্তু কীভাবে এই বিস্ফোরণ হল , তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

রাষ্ট্রদ্রোহীদের হাত ধরে পাহাড়ে উঠতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ঃ দিলীপ

রাজ্যের রাজ্যপালের পাহাড় সফর নিয়ে যাঁরা বিরোধিতা করছেন তাদের পাহাড়ে ওঠার হিম্মত নেই। তাই তাঁরা রাজ্যপালকে নিয়ে বিভিন্ন ভাবে সমালোচনা করছেন। মঙ্গলবার সকালে বিষ্ণুপুর রসিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে চায়ে পে চর্চা কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে রাজ্যপালের স্বপক্ষে এই মন্তব্য করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি আরও বলেন , রাজ্যপালের পাহাড় সফর যুক্তি সম্মত। রাজ্যপালের পাহাড়ে যাওয়াতে পাহাড়ের মানুষ সাহস পাবে, উৎসাহিত হবে। একজন রাজ্যপাল তার দায়িত্ব কর্তব্যকে বজায় রেখে কাজ করছেন। আরও পড়ুন ঃ বিমল গুরং আইনের ঊর্ধ্বে নয়ঃ বিনয় উল্লেখ্য , পাহাড় ইস্যুতে বুধবার নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে বিনয় তামাংয়ের। এই প্রসঙ্গে দিলীপবাবু বলেন , যাঁরা রাষ্ট্রদ্রোহী যাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগ রয়েছে তাদের হাত ধরে মমতা ব্যানার্জী পাহাড়ে উঠতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যাই করুক পাহাড়ে তৃণমুলের ঝান্ডা উড়বে না। এদিনের এই কর্মসূচিতে এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
বিনোদুনিয়া

এখনও গভীর সঙ্কটজনক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়

হিমোগ্লোবিনের মাত্রা এখনও স্বাভাবিকের থেকে কম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। রবিবার সন্ধের পর থেকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে সাময়িক, তবে এখনও তা ভরসা যোগাচ্ছে না চিকিৎসকদের। চিকিৎসক অরিন্দম কর জানান , বর্ষীয়ান অভিনেতার ইন্টারনাল ব্লিডিং বা রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। নতুন করে যাতে আর কোনওভাবে রক্তক্ষরণ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। সোমবার রাতে বা মঙ্গলবার সকালে একটা ছোট ভাস্কুলার প্রসিডিয়োর করে শরীরের মধ্যে জমে থাকা রক্ত বের করে নেওয়া হবে, যাতে সেখান থেকে আবার একদফা সংক্রমণ না-ছড়ায়। তবে রক্তচাপ স্বাভাবিক রয়েছে, হৃদযন্ত্র,ফুসফুস সহ অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ স্বাভাবিক ভাবে কাজ করছে। যদিও করোনা এনকেফেলোপ্যাথির জন্য তাঁর মস্তিষ্ক স্বাভাবিক ভাবে কাজ করছে না৷ আরও পড়ুন ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের শরীরে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা খুবই কম তিনি আরও ্জানান , তাঁর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও ঠিকই রয়েছে। তবে তাঁর অচেতন ভাব এখনও কাটেনি। সেটিই কীভাবে কাটিয়ে আবার আগের মতো সুস্থ করা সম্ভব হয় সে বিষয়েই চিন্তাভাবনা চালাচ্ছেন চিকিৎসকরা। ফেলুদাকে ২৪ ঘণ্টা ভাস্কুলার সার্জেন, রেডিওলজিস্ট, অ্যানাস্থেসিস্ট পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।

নভেম্বর ০৩, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 91
  • 92
  • 93
  • 94
  • 95
  • 96
  • 97
  • 98
  • 99
  • 100
  • ›

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal