• ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

SA

বিনোদুনিয়া

নন্দনে 'পরাজিত' সত্যজিৎ, যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী অভিনেত্রীও ব্রাত্য!

যে নন্দনএর নামকরণ যাঁর হাতে, যে নন্দনের প্রতীকচিহ্নটিও যাঁর পেনে আঁকা, সেই সত্যজিৎ রায়ের জীবনের ওপর আধারিত সিনেমা ব্রাত্য নন্দনে। ১৯৮৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গ সরকার কর্তৃক নন্দন প্রতিষ্ঠিত হয়। নন্দনের সুদৃশ্য স্থাপত্যবিশিষ্ট ভবনটির দ্বারোদ্ঘাটন করেছিলেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র পরিচালক অস্কার বিজয়ী সত্যজিৎ রায়। শোনা যায় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নির্দেশে নন্দনের স্থাপত্য শিলাতে সত্যজিত রায়ের নাম জ্যোতি বসুর নামের ওপরে রাখা হয়েছিল।মাত্র কয়েকদিন আগেই এই বিশ্ব বরেণ্য চলচিত্র পরিচালকের জন্ম শতবর্ষ ঘটা করে পালন করা হল। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকেও তাঁকে স্মরণ করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাল কাটলো কয়েকদিন গড়াতেই, তাঁর জন্ম শতবর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে চিত্র পরিচালক অনীক দত্ত তাঁর জীবনের ওপর আধারিত এক ডকুফিচার বানিয়ে ছিলেন, সেই সিনেমার জায়গা হল না তাঁর নামাঙ্কিত নন্দনে। সিনেমাটিতে সত্যজিতের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জিতু কমল। বিজয়া রায়ের চরিত্রে অভিনয় করেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের রাজ্য সভানেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ।অপরাজিত-র নন্দনে স্থান না পাওয়ায় জনসাধণের পাশাপাশি ফিল্ম দুনিয়ার-ও অনেকেই প্রতিহিংসার গন্ধ পাচ্ছেন। এর আগে অনীক দত্তের ভবিষ্যতের ভুত নিয়েও বিতর্ক অনেক দূর অবধি গড়িয়েছিল। সে সময় অপরাজিত-র বিজয়া অভিনেত্রী সায়নী অন্য পক্ষে ছিলেন। মেট্রোর সামনে সরকার পক্ষকে বিদ্ধ করে তাঁর জ্বালাময়ী ভাষণ নেট মাধ্যমে একটু ঘাঁটলেই পাওয়া যাবে। সেই সায়নী আজ সরকার পক্ষে।এবার সায়নী কোন পক্ষে থাকবেন প্রশ্ন তুললেন সদা প্রতিবাদী শ্রীলেখা মিত্র, অভিনেতা জয়জিৎ বন্দোপাধ্যায় ও ইন্দ্রাশিস আচার্য সহ একঝাঁক টলি তারকা। তাঁদের প্রশ্ন অনীক দত্তর ভবিষ্যতের ভুত ছবিটি মুক্তির পুর্বে কলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল-এ বলা একটি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে রাজ্য সরকারের রোষ-নজরে পড়েছিলেন তিনি। সে সময় একরকম কোমর বেঁধেই অনীকের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। উল্লেখযোগ্য ভাবে এ বার সায়নী অনীকের অপরাজিত-র বিজয়া। প্রশ্ন, তিনি কি তাঁর রাজনৈতিক খোলস ছেড়ে অনীকের হয়ে গলা ফাটাতে পারবেন? পারবেন জাস্টিস ফর অল বলে গলার স্বর উচ্চগ্রামে তুলতে?শুক্রবার সকালে সিনেমাটির উদ্বোধনের প্রাকলগ্নে অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, অপরাজিত সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ এবং উত্তেজনা নজর কাড়া।। ছবিটি আজকে রিলিজ করছে এবং ইতিমধ্যেই ৪০% প্রি-বুকিং শুরু হয়েছে। মানিক বাবুর পথের পাঁচালী বানাতে যা সময় বা কষ্ট বা ধৈর্য লেগেছিল, সেই তুলনায় কম হলেও অপরাজিত ছবি বানাতে স্পট বয় থেকে শুরু করে প্রোডিউসার সবারই কাল ঘাম ছুটে গিয়েছে।। লজিস্টিকস এর সমস্যা, অনসম্বল কাস্টিং, চ্যালেঞ্জিং ওয়েদার কন্ডিশান, লোকেশন এর সমস্যা এত কিছুর মধ্যেও প্রোডিউসার ফিরদৌসুল হাসান এবং পরিচালক অনিক দত্ত ছবিটাকে নিখুঁত ভাবে তৈরি করেছেন।। অনিক দার সঙ্গে সেই সর্ষে বাটার বিজ্ঞাপন থেকে আলাপ।নন্দন প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্যের দিকে তাকিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমী থেকে শুরু করে তাঁর সিনেমা জগতের সহকর্মীরা। অনীক দত্তর ভবিষ্যতের ভুত-এর মতোই অপরাজিত ডিস্ট্রিবিউশন নিয়েও আবার সমস্যায় পরিচালক অনীক দত্ত। সত্যজিৎ রায়ের জীবনী নিয়ে তৈরি সিনেমার জায়গা হবেনা নন্দনে! এই সিনেমার মুখ্য চরিত্রের অভিনেত্রী তৃণমূল নেত্রীর ভুমিকা নিয়ে ভীষণই কৌতূহল টলিপাড়ায়। বেশ কিছু অভিনেতা, পরিচালক সামাজিক মাধ্যমে তীর্যক মন্তব্য করছেন। কটাক্ষ করেছেন তাঁর ভূমিকা নিয়ে, প্রশ্ন একটাই, সায়নীর কী অবস্থান? সাংবাদ মাধ্যমে সায়নী বিতর্ক এড়িয়ে (অনীককে আড়ালে রেখে) স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছেন, ছবিটা অনীক দত্তর ছবি হিসেবে নয়, সত্যজিৎ রায়ের ছবি হিসেবে দেখছি। সেই পরিচালক যিনি বাংলাকে বিশ্বের দরবারে তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে অপরাজিত বানানো। সেই ছবি নন্দনে জায়গা পেল না। এটা আমায় সবচেয়ে বেশি আঘাত দিচ্ছে। নন্দন কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপ মানতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। আমি এবারেও অনীকদার পাশেই।সায়নীর আশঙ্কা যেখানে অনীক দত্তর মত স্বনাম ধন্য পরিচালকের সিনেমা স্থান পাছছে না। তখন তো উঠতি পরিচালকেরা সিনেমা করতে উৎসাহ হারাবেন। তাঁর হতাশ হয়ে পরবেন। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, টলিপাড়াই মুখরা হিসাবেই অধিক পরিচিত। অন্যায় দেখলেই তাঁর সামাজিক মাধ্যম গর্জে ওঠে, সেই শ্রীলেখা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন এখন আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করব টলিউড ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সেই সমস্ত গন্য মান্যদের, যাঁরা গলা ফাঠিয়েছিলেন বাংলা ছবির পাশে দাঁড়ান... বলে এবার একটু দাঁড়ান দেখি অনিক দার পাশে, বাংলা ছবির পাশে, এই সিস্টেমের বিরুদ্ধে! তাহলে বুঝবো....! নাহলে জান তো, নিজের সত্যিকারের ভণ্ডামিকে জাহির করবেন না, যান আপনি রিল বানান গিয়ে। সব জানা আছে। দুঃখিত সকাল সকাল এরকম পোস্ট দিয়ে, মাথাটা গরম হয়ে যায় চারিদিকের অন্যায়গুলো দেখে দেখে, আর কিছু বেছে বেছে বিদ্রোহী দেখে। ওফফ...।বিশ্বের সিনেমাপ্রেমীদের কাছে গ্রাম বাংলার চালচিত্র সুনিপুন ভাবে প্রথম তুলে ধরেছিলেন সত্যজিৎ রায়। সারা বিশ্বে তাঁর অনুগামী -র সংখ্যা হাতে গুনে শেষ করা যাবে না। তাঁর সিনেমায় সুরারোপ করেছেন ওস্তাদ বিসমিল্লা খাঁ, বিলায়েত খাঁয়ের মত বিশ্ব বন্দিত শিল্পীরা। উঠতি বহু শিল্পী, পরিচালকের প্রেরণা তিনি। আজ শুক্রবার সেই সত্যজিৎ রায় আবার হলে প্রনেশ করলেন। অনীকের হাত ধরে। তিনিই এ বার কেমারার সামনে, তিনিই ছবির মূল চরিত্র। অনীক দত্ত তাঁর ছবিতে এই মহান চলচিত্র পরিচালককে ফ্রেম বন্দী করে তুলে ধরেছেন এক অজানা সত্যজিৎ কে। সেই অপরাজিত সত্যজিতের ঠাঁই নেই সরকারি প্রেক্ষাগৃহ নন্দন-এ।পরিচালক অনীক জানিয়েছেন, তিনি এর কারণ জানেন না। তবে সরকারই বিবৃতিতে জানা গেছে। ৬ মে নন্দন খুলেছে। বর্তমানে মোট চারটি সিনেমা সেখানে চলছে। বেশ কিছু ছবি সেই হলে দেখানোর অপেক্ষায় রয়েছে। খুব অল্পদিন চলার পর চারটি সিনেমাকে তুলে দেওয়া সম্ভব নয়। আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, কার ছবি, সে বিচার সরকার করে না। বর্তমানে নন্দনে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের ছবি অভিযান, সাংসদ দেবর কিশমিশ এবং সাংসদ মিমির মিনি চলছে। দুই তৃণমূল সাংসদ ও শাসক ঘনিষ্ট পরমব্রত- দের যাঁতাকলে পরে স্বয়ং যুব সভাপতি নকআউট?

মে ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জোরকদমে চলছে "সৎ ভূত অদ্ভূত" এর শুটিং

প্রযোজক ববি চৌধুরীর উদ্যোগে পরিচালক প্রীতম সরকারের প্রযোজনায় প্রোডাকশন হাউস অ্যাকন প্রীতি ক্রিয়েশন এলএলপি এর নিবেদিত সৎ ভূত অদ্ভূত সিনেমা আসতে চলেছে। সিনেমায় অভিনয় করছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যায়, খরাজ মুখার্জী, পার্থ চক্রবর্তী, প্রসূন গাইন, রাজু মজুমদার, পূজা সরকার, ইভলিনা চক্রবর্তী সহ আরো অনেক পরিচিত মুখ।এই ছবির শুটিং কভারেজ হয়ে গেল টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে। উপস্থিত ছিলেন পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রসূন গাইন, পূজা সরকার, ইভলিনা চক্রবর্তী প্রমুখ।সৎ ভূত অদ্ভূত নিয়ে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, কাজটা করে ভালো লাগছে। একটা অন্য ধরণের ছবি। এর মধ্যে একটা ব্যঞ্জনা আছে। পদ্ধতিটা অন্য ধরণের। একটা মেসেজ রয়েছে। বিনোদনও রয়েছে। তাছাড়া মানুষ দৈনিক জীবনেরও খোঁজ পাবে।

মে ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জন্মদিনে বাবার স্মৃতি আগলে ছোট্ট 'ডল'

বাবা অভিষেক চট্টোপাধ্যায় নেই। বেশ কিছুদিন আগেই টলিউডের বর্ষীয়ান তারকা অভিনেতা আমরা হারিয়েছি। প্রথমবার বাবাকে ছাড়াই সোমবার ১২ বছরে পা রাখল মেয়ে সাইনা। মঙ্গলবার সেই উদ্যাপনের ছবি ভাগ করে নিয়েছেন প্রয়াত অভিনেতার স্ত্রী সংযুক্তা। অভিষেক তাঁর মেয়েকে ডল বলে ডাকতেন। তাঁর স্ত্রী সংযুক্তা কলকাতার এক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন এই বছরে অভিষেক ঠিক করেছিলেন, বড় করে অনুষ্ঠান হবে। অভিষেকের ইচ্ছে মেনেই শহরের প্রথম সারির রেস্তরাঁয় সেই আয়োজন করা হয়। এসেছিলেন সাইনার কিছু ঘনিষ্ঠ বন্ধু আর আত্মীয়। অভিনেতা-পত্নীর কথায়, এ বছর থেকে আমিই ওর বাবা। আমিই ওর মা। অভির প্রতিনিধিত্ব করব বলেই ওর সাদা-কালো ছাপা শার্ট বেছে নিয়েছিলাম।এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিষেক চট্টোপাধ্যায়ের পেজে যে ছবি শেয়ার করেছেন তাঁর স্ত্রী সেখানে দেখা যাচ্ছে অভিষেকের প্রতিকৃতিকে কেক খাওয়াচ্ছেন ডল। প্রয়াত স্বামীর প্রতিকৃতি আগলে রয়েছেন সংযুক্তা। অভিষেক চট্টোপাধ্যায় চলে গেছেন কিন্তু তাঁর স্মৃতিকে আগলে রেখে দিন কাটাচ্ছেন সংযুক্তা ও ডল।

মে ১০, ২০২২
দেশ

নজরে সংগঠন, আগামিকাল অসম সফরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক

অসম সফরে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামিকাল অসমে যাবেন অভিষেক। সেখানে প্রথমে কামাক্ষা মন্দিরে পুজো দেবেন। পুজো দিয়ে অসম তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হাজির থাকবেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। আগামিকাল বুধবার অসমে দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধন করবেন দলের সাধারণ সম্পাদক।কংগ্রেস নেতা রিপুন বোরা কয়েকদিন আগেই যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। তাঁকে অসম তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে। এবার অসমে সংগঠন বিস্তারে ঝাঁপ দিতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। এর আগে ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ দিন ত্রিপুরা যাননি অভিষেক। উত্তরপূর্ব ভারতের অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়ে সংগঠন মজবুত করতে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল। মেঘালয়ে ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দিয়েছিল। এখন মেঘালয়ে তৃণমূলই প্রধান বিরোধী দল।

মে ১০, ২০২২
রাজ্য

অশনির প্রভাব শুরু, সমুদ্র উপকূলে কড়া সতর্কতা, কলকাতায় প্রস্তুত প্রশাসন

অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অশনির উত্তর অন্ধ্র ও ওড়িশা উপকূলের কাছে আজই এসে পৌঁছাবে বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নামখানা বিডিও অফিসে প্রশাসনিক বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা শাসক-সহ রয়েছেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা।আবহাওয়া খারাপ থাকবে তেলেঙ্গানা ও হায়দ্রাবাদে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে চলবে টানা বৃষ্টি। বকখালির সমুদ্র সৈকত থেকে পর্যটকদের সরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। ফ্রেজারগঞ্জ থানার পুলিশ টহল দিচ্ছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করে মাইকিং হয়েছে। সমুদ্র উপকূলে যাতে কেউ না যান তার জন্য বারে বারে রাজ্যের উপকূলে প্রচার চালানো হচ্ছে। নৌকা বেঁধে রাখা হয়েছে অনেক জায়গায়। অশনির জেরে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।অশনির আশঙ্কায় সতর্ক কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুলিশের তরফে তৈরি করা হয়েছে ইউনিফায়েড কম্যান্ড সেন্টার। কলকাতায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১৫টি দল ও এনডিআরএফের ২টি দল থাকছে। এছাড়া কলকাতা পুরসভা, পূর্ত দফতর, সিইএসসির প্রতিনিধিও থাকছে। পাশাপাশি লালবাজারের তরফে চালু করা হয়েছে হেল্প লাইন। মহানগরের নাগরিকরা অসুবিধায় পড়লে এই ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলেই সাহায্য়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে।

মে ১০, ২০২২
দেশ

শততন্ত্রীবীনা-র তার ছিঁড়ে গেলো, চলে গেলেন পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা

ইন্দ্রপতন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতে। চলে গেলেন ভারতীয় মার্গ সঙ্গীতের মহীরুহ পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা। প্রবাদ প্রতীম এই সন্তুর বাদক ভারতীয় প্রচলিত ভারতীয় সিনেমায় সঙ্গীত রচনা করেছেন। তিনি মঙ্গলবার মুম্বইয়ে নিজের বাসভবনে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন শিবকুমার। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। রেখে গেলেন স্ত্রী মনোরমা এবং পুত্র রাহুল শর্মাকে। তিনি গত ছয় মাস ধরে কিডনি সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিলেন এবং ডায়ালাইসিসে ছিলেন। উত্তর ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সন্তুর বা শততন্ত্রীবীনা একটি লোক সঙ্গীত বাদ্যযন্ত্র বলেই গন্য করা হত। সেই যন্ত্রকে মার্গ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মূল ধারায় এনে ফেলার কৃতিত্ব সম্পুর্ন কৃতিত্ব শিবকুমার শর্মার। তিনি হরিপ্রসাদের চৌরাশিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে বলিউডের বেশ কয়েকটি কালজয়ী সিনেমাতে সুরসৃষ্টি করেছেন। সেগুলির মধ্যে অন্যতম সিলসিলা, লমহে, চাঁদনী। তাঁর সুযোগ্য পুত্র রাহুল বাবার পিতার যোগ্য উত্তরসূরি। সন্তুরবাদক হিসাবে তিনি আজ সুপ্রতিষ্টিত।তিনি বহু ভারতীয় ও আন্তর্জাতীক পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি ও পদ্মবিভূষণ পান। এ ছাড়াও আমেরিকার বাল্টিমোরে তাঁকে সম্মাননীয় নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।

মে ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

তোলপাড় শ্রীলঙ্কা, সরকার বিরোধী টুইট করে কী বললেন জয়সূর্য, জয়বর্ধনেরা?‌

শ্রীলঙ্কায় চলছে অর্থনৈতিক সঙ্কট। বিভিন্ন দেশের কাছে ঋণে জর্জরিত শ্রীলঙ্কা নিজেকে আর্থিক দেউলিয়া ঘোষণা করেছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষের পদত্যাগের দাবিতে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলছিল। সেই সময় রাজাপক্ষের সমর্থকরা ও পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় কমপক্ষে ২০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এই হামলার বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন শ্রীলঙ্কার প্রাক্তন ক্রিকেটাররা। মহিন্দা রাজাপক্ষে সোমবার টুইট করে সাধারণ মানুষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। টুইটারে তিনি লেখেন, সাধারণ জনগণকে সংযম দেখানোর জন্য অনুরোধ করছি। মনে রাখবেন যে হিংস শুধুমাত্র হিংসারই জন্ম দেয়। আমরা যে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে আছি তার একটি সমাধান দরকার, যা এই প্রশাসন সমাধান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজাপক্ষের এই টুইটের জবাবে প্রাক্তন ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারা টুইটারে লেখেন, হিংসা শুধুমাত্র আপনার সমর্থকদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের আক্রমণ করার আগে গুন্ডারা প্রথমে আপনার অফিসে এসেছিল। লেগ স্পিনার ওয়ানিন্দু হাসরাঙ্গা এই মুহূর্তে আইপিএল খেলতে ব্যস্ত। তিনিও এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে লিখেছেন, কাপুরুষ ও বর্বর! নিরপরাধ ও শান্তিপূর্ণ শ্রীলঙ্কার প্রতিবাদকারীদের উপর আজকের আক্রমণের সারসংক্ষেপ এই দুটি শব্দ। আমাদের দেশে এমন নেতৃত্ব আছে ভেবে আমি হতাশ। এই কারণে ঐক্যবদ্ধ থাকা সকলের সাথে আমার হৃদয় রয়েছে।শুধু কুমার সাঙ্গাকারা কিংবা ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাই নন, সনথ জয়সূর্য, মাহেলা জয়বর্ধনে, রোশন মহানামার মতো প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন। সনথ জয়সূর্য টুইট করে বলেছেন, আমি কখনই ভাবিনি যে মন্দিরের মুখে বাইরের গাছের তলায় নিরাপরাধ প্রতিবাদকারীদের এই ধরণের গুণ্ডামি দিনের বেলায় সংঘঠিত হবে। পুলিশকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, তারা দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের নয়, দেশের জনগণকে রক্ষা করার জন্য এখানে এসেছে। এটাই রাজাপক্ষের শেষ সময়। মাহেলা জয়াবর্ধনে বলেছেন, এই গুণ্ডারা আজ সকালে নিরপরাধ শান্তিপূর্ণ সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের আক্রমণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে জড় হয়েছিল। এটা কীভাবে হতে পারে? পুলিশ এবং অন্যরা কেবল এটি দাঁড়িয়ে দেখেছে। রোশন মহানামা টুইটারে লিখেছেন, আমাদের দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও শক্তিশালী বিক্ষোভের ওপর হামলা দেখে আমি বিরক্ত। এটি সরকারী কর্তৃপক্ষের কাপুরুষতা এবং স্বৈরাচারীতা দেখায় কারণ জনতা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে জড়ো হয়েছিল।

মে ০৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শেষ হল 'সর্বজয়া'-র শুটিং, বিষন্ন শিল্পীরা

সবকিছু শুরুরই একটা শেষ থাকে। কোনো জার্নি যখন শুরু হয় তখন আস্তে আস্তে সেই জার্নিটা শেষ ও হয়। এইভাবেই শেষ হল জি বাংলার জনপ্রিয় ধারাবাহিক সর্বজয়া-র শুটিং। টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী দেবশ্রী রায়কে অন্য রূপে সর্বজয়া ধারাবাহিকে দেখতে পেয়েছেন দর্শকরা। তাঁর সর্বজয়া চরিত্রটা কয়েকমাসের মধ্যেই দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছে। শুধু দেবশ্রী রায় নন, বাকি অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও এই ধারাবাহিকে নিজ গুণে সফল। অভিনেতা দেবজয় মল্লিক হার্ডকোর ভিলেন মনোসীজ-এর চরিত্রে অভিনয় করে কিছু দর্শকদের কাছে খারাপ হলেও এত সুন্দরভাবে মনোসীজ কে ফুটিয়ে তুলেছেন তা সত্যিই অনবদ্য। তবে ধারাবাহিকটা শেষ হয়ে যাওয়ায় সকলের মনেই একটা বিষণ্ণতার ছাপ। দেবজয় সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, কোনো কিছুর শেষ একটা নতুন শুরুর কথা বলে। সর্বজয়া ধারাবাহিক শেষ হল। মনোসীজ চরিত্রটির জন্য তিনি স্নেহাশিস চক্রবর্তী কে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। দেবজয় লিখেছেন, স্নেহাশিস চক্রবর্তী দাদা তোমার কাছে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবো। এই প্রোজেক্টটা আমাকে শিল্পী হিসাবে পরিচিতি দিয়েছে। পরপর দুটো অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। মনোসীজ তোমায় মিস করবো। এই চরিত্রটার জন্য দেবজয় তাঁর স্ত্রী রূপসা চক্রবর্তীকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।জনতার কথা-র পক্ষ থেকে সর্বজয়া-র সকল সদস্যদের জন্য রইল অনেক শুভেচ্ছা। আগামী প্রোজেক্টগুলো তাদের খুব ভালো হোক।

মে ০৯, ২০২২
রাজ্য

শিয়রে ঘূর্ণিঝড় 'অশনি', সংকেত মৌসম ভবনের

রবিবার সকালে মৌসম ভবন সুত্রে জানানো হয়েছে, গভীর বঙ্গোপসাগরে অশনি ঘূর্নীঝড়ের আকার নিলো। আন্দামানের অনতিদূরে অবস্থান করা গভীর নিম্নচাপ ইতিমধ্যেই ঘূর্ণাবর্তে পরিণত হয়েছে। এই মুহুর্তে তার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৬ কিলোমিটারের কাছাকাছি। এই ঘুর্নাবর্ত উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর বরাবর উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে।অশনির সংকেত পেয়ে প্রস্তুত হচ্ছে বাংলাও। মৌসম ভবন থেকে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান করা জেলাগুলির জন্য ১০ থেকে ১৩ মে অবধি বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে।মৌসম ভবন সুত্রে আগেই জানানো হয়েছিলো ঘূর্ণিঝড় অশনির পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আছড়ে পড়ার কোনও সম্ভাবনা প্রায় নেই। তাঁরা রবিবারও জানিয়েছে, এই মুহুর্তে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়টি পুরী থেকে প্রায় ১,০৩০ কিলোমিটার এবং বিশাখাপত্তনম থেকে ৯৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। মঙ্গলবার নাগাদ ওড়িশা কিংবা অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল ছুঁতে পারে ঘূর্ণিঝড় অশনি। পশ্চিমবঙ্গ বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর থেকে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ঘূর্ণিঝড় অশনির আগাম সতর্কতা জারি করেছে।পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে হওয়া বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া তে কৃষিজমি এবং ফসল নষ্টের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষকদের জন্য ছদফা সতর্কতা জারি করেছে। নবান্ন থেকে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে তাঁরা যেনো পাকা ধান কেটে অতি সত্তর গুদামজাত করে রাখেন। এছাড়াও বিভিন্ন সব্জি ও ফসলের ক্ষেত থেকে অতি সত্তর জমা জল নিকাশী করে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

মে ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মাতৃত্বের স্বাদ পাচ্ছেন অভিনেত্রী বাসবদত্তা

মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়। ৬ মে নিজের জন্মদিনেই এক সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী একথা জানিয়েছেন। প্রেগন্যান্সির কারণে একটা ছোট ব্রেক নেবেন বলেও জানিয়েছেন বাসবদত্তা। ২০১৮ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন বাসবদত্তা। স্বামী অনির্বাণ বিশ্বাস পেশায় সাংবাদিক। এক বন্ধুর মারফত আলাপ দুজনের। এরপর ভালোলাগা। তারপর প্রেম থেকে বিয়ে। বিয়ের চার বছরের মাথায় মাতৃত্বের স্বাদ পেতে চলেছেন অভিনেত্রী। যদিও এই খুশির খবরে বাসবদত্তার তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ৬ মে জন্মদিন উপলক্ষ্যে যাঁরা যাঁরা তাঁকে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন তাঁদের জন্য একটি ভিডিয়ো আপলড করেন অভিনেত্রী। সেই ভিডিও-তে বাসবদত্তা জানান, প্রতিবছরই অনেককেই উত্তর দিয়ে উঠতে পারেন না। তবে এত ভালোবাসা পেয়ে তাঁর খুব ভালো লাগে। তাই সকলের জন্য ধন্যবাদ-ভিডিও।

মে ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশিত হলো লেখিকা ড শর্মিলা মজুমদারের " গল্প নিকুঞ্জ "

লেখিকা ড: শর্মিলা মজুমদার দীর্ঘ দিন ধরে সাহিত্য চর্চা করে আসছেন বাংলা সাহিত্য জগতে। কর্মজীবনে স্কুল শিক্ষাকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্ৰবন্ধ, ছোটো গল্প, কবিতা লেখালেখি করেন। ২০১৯ সালে উত্তরাঞ্চল প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে তার কবিতার বই মনের খেয়া । সেই কাব্যগ্রন্থটি সেই সময় পাঠক মহলে খুব সমাদৃত হয়েছিলো। সম্প্রতি কলেজ স্ট্রিট এর রাখা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হলো গল্পকার ও লেখিকা ড: শর্মিলা মজুমদারের লেখা গল্পের বই গল্প নিকুঞ্জ । রাধা প্রকাশনার ঘরে এই বইটি প্রকাশ করেন সাহিত্যিক ও গল্পকার প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, কবি সুশীল মন্ডল, চিত্রশিল্পী নিলাদ্রী মজুমদার, সাহিত্যপ্রেমী প্রতীক কুমার রায় , লেখিকা শাস্বতী সেনগুপ্ত, রাধা প্রকাশনীর কর্ণধার অভিজিৎ দেব ও লেখিকা ড:শর্মিলা মজুমদার। উপস্থিত সকলেই গল্পকার শর্মিলা মজুমদারের লেখার ভূয়সী প্রসংশা করেন। গল্প নিকুঞ্জ এই বইতে লেখিকা শর্মিলা মজুমদার লিখেছেন ২৩ টি গল্প। গল্প গল্পই হয়। কখনো তা হয় সত্যি, কখনো বা কাল্পনিক। জীবনের আলো আধাঁরে মিশে থাকে তা ছায়ার মতন। লেখিকার এই গল্পগুলি র সূত্র বেশ কিছুটা সত্যের হাত ধরেই। লেখিকা শর্মিলা মজুমদারের গল্প গুলো পড়তে পড়তে মনে হয় জীবনের চরম মুহূর্তগুলো বিভিন্ন রূপে যেমন আলো ছড়িয়েছে আবার কোনো সময় বিষাদে পরিণত হয়েছে। গল্পগুলি পড়লে পাঠক পাঠিকারা তাদের জীবনের সাথে কোনো না কোনো ঘটনায় মিল খুঁজে পাবেন হয়তো। সুন্দর স্বচ্ছ ভাষায় ছোটো ছোটো গল্প গুলি লিখেছেন ড: শর্মিলা মজুমদার। গল্প নিকুঞ্জর এই বইতে ভালো লাগে পড়তে শ্রেয়ার সংসার, মিতার মিতালী, কিনারা, নব-নীতা, ওরা আজও ফেরেনি, গোপন রহস্য, তাজিয়া, আমার ভ্রমণ, প্রত্যাশা, লালমাটির দেশ বোলানি, শঙ্খর ইতিকথা, একটি ভয়ঙ্কর রাত্রি, হতভাগ্য আহমেদ, গিনির কথা, যোগাযোগ, কালো মেয়ের গল্প, সত্যিটা কি এমন, স্বপ্ন পূরণের আশায়, ইতুর গল্প, রূপকথার রাজ্য থেকে ফিরে, দোল উৎসবের স্মৃতি, মিলন, পন্ডিচেরীতে আমরা প্রমুখ গল্পগুলি। ছোটো ছোটো গল্পগুলি যেমন পড়তে ভালো লাগে তেমন নিলাদ্রী মজুমদার বইয়ের প্রচ্ছদটি ভারী চমৎকার এঁকেছেন। প্রতিটা গল্প নির্ভুল ছাপা, সুন্দর ঝকঝকে এই বইটি সকল পাঠক পাঠিকার দৃষ্টি আকর্ষণ করবেই।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে ফরাসি শিল্পীর সঙ্গে হাত মেলালেন কলকাতার সৌমিতা

রবি ঠাকুরের জন্মদিন অর্থাৎ রবীন্দ্রজয়ন্তী। রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে দুই বাংলা জুড়ে বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে। এরকম এক মুহূর্তে বিশ্বের দুই প্রান্তের দুই শিল্পীর ৬ মে নিজেদের মেলে ধরলেন অন্যভাবে। কলকাতার বিখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্না চিত্রকর সৌমিতা সাহা ও ফরাসি শিল্পী ও সেতার বাদক গ্ৰেগ সৌজের যৌথ প্রয়াসে মেলোটউনস্ রেকর্ড থেকে প্রকাশ পেতে চলেছে ইন্দো-ফ্রান্স কোলাবরেশনে তৈরি রবীন্দ্র সঙ্গীতের নতুন মিউজিক ভিডিও। এর আগেও গ্রেগ সৌজের সঙ্গে কাজ করেছে সৌমিতা। আরও একবার সৌমিতা-গ্রেগ যুগলবন্দী পাওয়া গেল।রবিঠাকুরের ফরাসি সংস্কৃতির প্রতি প্রেম তার অনুরাগীরা সকলেই জানেন। ২০২২ শে ইন্দো- ফ্রেন্চ সংস্কৃতির সেতু বন্ধন হয়েছে সৌমিতা ও গ্ৰেগের হাত ধরেই। সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের শিক্ষা ও স্বেচ্ছাসেবক প্রতিষ্ঠান দ্বারা অপরাজিতা- ওম্যান অফ দা ইয়ার সম্মানে ভূষিতা সৌমিতা সাঙ্গীতিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার কারণে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের প্রতি তার আগ্রহ জন্মায় স্বাভাবিকভাবেই। অন্যদিকে গ্ৰেগের রবীন্দ্র অনুরাগ আসে তার পারিবারিক সুত্রে পাওয়া দর্শন শাস্ত্রের কিছু বইয়ের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বই পড়ে। এই গানটির কিছু অংশ শুটিং হয়েছে ফ্রান্সে, আর কিছু অংশ শুটিং হয়েছে কলকাতায়। এই গানটির বিষয়ে গ্ৰেগ জানিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথের ঠাকুরের গান ও কবিতা আমায় অনুপ্রেরণা যোগায়, আমার বন্ধু ও অত্যন্ত গুনী শিল্পী সৌমিতার সাথে এই কাজটি করতে পেরে আমি আপ্লুত। সৌমিতা ও গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দুজনই ভারতীয়। রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যে একজন অত্যন্ত গুনী ভারতীয় শিল্পী কে পাশে পেয়েছি, এটি অনেক বড় ব্যাপার। আমি এর আগেও সৌমিতার সঙ্গে কাজ করেছি এবং সেই গানটি ফ্রান্সে যথেষ্ট জনপ্রিয়তা পেয়েছে এবং অনেক মানুষের পছন্দ হয়েছে।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষের স্মৃতিচারণায় বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি

আবার একটি দুঃসংবাদ। প্রয়াত বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শনিবার সকাল ৭.৩৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন জনপ্রিয় বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ পরিবার-পরিজনেরা। গত ২৬ আগস্ট পার্থ ঘোষের স্ত্রী স্বনামধন্যা বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষ মারা যান। এবার না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন পার্থ ঘোষ। রেডিওয় উপস্থাপক হিসেবে পেশাজীবনের শুরু করেন এই আবৃত্তিকার দম্পতি। দীর্ঘ দিন তাঁরা আকাশবাণী কলকাতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কর্ণ-কুন্তী সংবাদ-এর সুবাদে এক সময় পার্থ ঘোষ এবং গৌরী ঘোষের প্রচুর জনপ্রিয় হন। কুন্তীর ভূমিকায় ছিলেন গৌরী এবং কর্ণের ভূমিকায় ছিলেন পার্থ।পার্থ ঘোষের প্রয়াণে স্মৃতিমেদুর বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি। তাঁর সঙ্গে পার্থবাবুর ভালো যোগাযোগ ছিল। জনতার কথা কে রুমকি জানালেন, খবরটা শোনার পর আমার মনটা খুব খারাপ। পার্থদার যে চেহারাটা দেখেছি সেই চেহারাটাই চোখে রাখতে চাই। ২০১৮ তে পার্থদার সঙ্গে আমার ভালোভাবে পরিচয় হয়। আমার একক অনুষ্ঠানে তিনি এসেছিলেন। গাড়ি করে নিয়ে আসা হয়েছিল। ওনার শরীর তখনও ভালো ছিল না। উনি বলেছিলেন একটু সময় থেকে চলে যাবেন। আমার একক অনুষ্ঠানে পার্থদার সঙ্গে পরিচয় গাঢ় হয়। আমার ২ ঘন্টা ৩০ মিনিটের শো শেষ হওয়ার পরে যখন লাইট জ্বলেছে তখন দেখি পার্থদা প্রথম সারিতে বসেই আছেন। অত লোকের মাঝেও আমি স্টেজ থেকে নেমে এসে বললাম দাদা তুমি যাওনি কেন? বলল আমি যেতে পারলাম না। তুই আমায় আটকে দিলি। প্রতিটা কবিতার পরেই ভাবছিলাম যাব, কিন্তু তোর কবিতা শোনার পরে উঠতে পারছিলাম না। এটা আমার জীবনের বোধহয় সবথেকে বড় পাওনা। তিনি আরও জানালেন, সেদিন চলে যাওয়ার পর রাতে আমাকে ফোন করে দাদার বাড়ি যেতে বলেন। দু-তিন দিন পর আমি পার্থদার বাড়ি যাই। আমাকে বলেছিলেন তোকে দিল্লিতে একটা অনুষ্ঠান দেবো। এই জিনিস তোকে করতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে। তারপর থেকেই পার্থদার শরীর খারাপ। একটা বড় অপারেশন হল। আমি তারপর দেখতে গেছি। কি ভালোবাসতেন তৈরি করে নিয়ে গেছি দু-চারবার। এত স্নেহ করতেন। আর বলতেন আমি জানি আমি মরে গেলে আর কেউ না কাঁদলেও তুই কাঁদবি। আমি বলতাম দাদা মরার কথা বলবে না। লাস্ট দিন কুড়ি আগে দাদার বাড়ি যাই। দাদার ছেল দরজা খুলে বললেন বাবা হসপিটালে রয়েছেন। চেক আপের জন্য বাবাকে কয়েকদিন ওখানে রাখা হয়েছে। আমি উনার ছেলের ফোন নম্বরটা নিয়ে যাই। দাদা বাড়িতে আসলে কথা বলে আমি আসবো। উনি বললেন হ্যাঁ ঠিক আছে। আমি লাস্ট দু একদিন ধরে ভাবছি ফোন করে দেখাটা করে আসি। আমার কপালে নেই। আজ সকালে যে এরম একটা খবর পাবো ভাবিনি।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আবৃত্তি জগতে শূন্যতার সৃষ্টি, প্রয়াত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ

প্রয়াত হলেন প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ। আবৃত্তি জগতে ফের নক্ষত্র পতন। সৃষ্টি হল শূন্যতার। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে এই শিল্পীর কার্ডিয়াক এরেস্ট হয়। তাঁর গলায় অস্ত্রোপচার হয়েছিল। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পী মহলে। তিনি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সূত্রের খবর, হাসপাতাল থেকে মরদহে যাবে দমদমে শিল্পীর বাসভবনে। সেখান থেকে নিমতলা শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন।গতবছর অগস্টে প্রয়াত হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী আরেক প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী গৌরী ঘোষ। আবৃত্তি জগতে পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষের দ্বৈত পাঠ সাড়া জাগিয়েছিল বাংলায়। তাঁদের কন্ঠে ছিল যাদু। দুজনের নাম একসঙ্গে উচ্চারিত হত। পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষ পরবর্তী প্রজন্মের আবৃত্তিকারদের কাছে অগ্রজপ্রতিম। তাঁদের দুজনেরই অভিব্যক্তি, উচ্চারণ দক্ষতা অসাধারণ। মুগ্ধ হতেন স্রোতারা।বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জনতার কথাকে জানান আজকের সকালটা বাচিক শিল্পের সাথে জড়িত সকলের কাছে এক অন্ধকারময় সকাল। জটিলেশ্বর বাবুর কথা ধার করে বলতে হয়, এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার,ও কি সূর্য না কি স্বপনের চিতা, ও কি পাখির কুজন নাকি হাহাকার...... প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ আজ আমাদের মধ্যে নেই। প্রথাগত বাচিক শিক্ষা হয়ত কোনও দিন আমায় দেননি, কিন্তু তাঁর ও গৌরী ঘোষের অসংখ্য মঞ্চ মাতানো পরিবেশনা থেকে আমার মত বহু বাচিক শিল্পী বহু কিছু শিখেছেন। তাঁরা যেন সত্যিই কলি যুগের কর্ণ-কুন্তি ছিলেন। কুন্তি আগেই চলে গেছেন-এবার কর্ণ...। ধন্য হল পরলোক...। বাচিক শিল্পের নক্ষত্র পতন। ঘোষক / ঘোষিকা থেকে বাচিক শিল্পীর উত্তরণ যাঁদের হাত ধরে তাঁদের একজন হলেন পার্থ ঘোষ।সুদেষ্ণা আরও জানান, কয়েকটি অনুষ্ঠানে এই মহান শিল্পীর সাথে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ হয়েছিল এই অধমের। একজন উদীয়মান শিল্পিকে যেভাবে উৎসাহ দিয়েছিলেন আমি কোন দিন ভুলতে পারবো না। আমার অবৃত্তি শেষে ওই রকম মহান শিল্পীরা (পার্থ ঘোষ - গৌরী ঘোষ) এসে আমার মত একজন উঠতি শিল্পীকে প্রসংশায় ভরিয়ে দিয়ে গেলেন। এই উৎসাহ ও প্রসংশাই আমাদের মত শিল্পীর কাছে পরম পাওয়া। আজ আর বলার মত কিছু নেই। মহান শিল্পীর আত্মার চির শান্তি কামনা করি।

মে ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এভাবেও ফিরে আসা যায়!‌ সম্মানের লড়াইয়ে শেষ ওভারে নাটকীয় জয় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের

এভাবেও ফিরে আসা যায়! মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। নিশ্চিত হারা ম্যাচ জিতল রোহিত শর্মার দল। নাটকীয় ম্যাচে গুজরাট টাইটান্সকে হারাল ৫ রানে। শেষ ওভারে নাটক জমে ওঠে। ৬ বলে গুজরাটের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৯। ড্যানিয়েল স্যামসের প্রথম বলে ওঠে ১ রান। দ্বিতীয় বলে কোনও রান হয়নি। তৃতীয় বলে ২ রান নিতে গিয়ে রান আউট রাহুল তেওয়াটিয়া (৩)। চতুর্থ বলে ১ রান। পঞ্চম বলে কোনও রান হয়নি। শেষ বলেও কোনও রান নিতে পারেননি ডেভিড মিলার (১৪ বলে অপরাজিত ১৯)। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে হারালেই প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে যেত। নাটকীয় ম্যাচে ৫ রানে হেরে প্লে অফের ছাড়পত্র ঝুলিয়ে রাখল। জয়ের জন্য ১৭৮ রান তাড়া করতে নেমে ১৭২/৬ রানে থেমে গেল গুজরাট টাইটান্স। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে শেষ ওভারে নাটকীয় জয় এনে দেন ড্যানিয়েল স্যামস।এদিন গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিল রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। প্রথমে ব্যাট করে তুলেছিল ১৭৭। মনে হচ্ছিল আগের ম্যাচে চলতি আইপিএলে প্রথম জয় পাওয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। ব্যাটারদের লড়াই একসময় মূল্যহীন হয়ে যাচ্ছিল বোলারদের ব্যর্থতায়। শেষ মুহূর্তে দারুণ প্রত্যাবর্তন। শুরুতে গুজরাট টাইটান্সের দুই ওপেনার ঋদ্ধিমান সাহা ও শুভমান গিলের সামনে তেমন কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বোলাররা। ওপেনিং জুটিতে ১২ ওভারে দুজনে তোলেন ১০৬। মুরুগান অশ্বিন গুজরাটকে প্রথম ধাক্কা দেন। ১৩তম ওভারের প্রথম বলে তুলে নেন শুভমান গিলকে। ৩৬ বলে ৫২ রান করে আউট হন শুভমান। একই ওভারের শেষ বলে ঋদ্ধিমানকেও ফেরান অশ্বিন। ৪০ বলে ৫৫ রান করেন ঋদ্ধি।একই ওভারে পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাট। চাপ আরও বেড়ে যায় সাই সুদর্শন (১১ বলে ১৪) ও হার্দিক পান্ডিয়া (১৪ বলে ২৪) ১০ বলের ব্যবধানে আউট হওয়ায়। জয়ের জন্য শেষ ২ ওভারে ২০ রান দরকার ছিল গুজরাটের। ১৯তম ওভারে যশপ্রীত বুমরার বলে ওঠে ১১।টস জিতে এদিন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট টাইটান্সের অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে প্রথম ধাক্কা খায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রশিদ খানের বলে এলবিডব্লু হন রোহিত। প্রথমে অন ফিল্ড আম্পায়ার রোহিতকে আউট দেননি। রশিদ ডিআরএসের আশ্রয় নেন। টিভি আম্পায়র রিপ্লে দেখে রোহিতকে আউট দেওয়ার কথা বলেন অন ফিল্ড আম্পায়ারকে। ৫টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন রোহিত। তিনি আউট হওয়ার ২ ওভার পরেই সূর্যকুমার যাদবকে তুলে নেন প্রদীপ সাঙ্গোয়ান। ১১ বলে ১৩ রান করেন সূর্যকুমার। দ্বাদশ ওভারের শেষ বলে ঈশান কিষানকে তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। ২৯ বলে ৪৫ রান করেন ঈশান। ঈশান আউট হওয়ার পর রান তোলার গতি কমে যায় মুম্বইয়ের। কায়রন পোলার্ড চলতি আইপিএলে একেবারেই ছন্দে নেই। এদিন ১৪ বলে মাত্র ৪ রান করে রশিদ খানের গুগলিতে পরাস্ত হয়। তিলক ভার্মা ১৬ বলে করেন ২১ রান। শেষদিকে টিম ডেভিড ঝড় তুলে মুম্বইকে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছে দেন। ২১ বলে ৪৪ রান করে অপরাজিত থাকেন টিম ডেভিড। এদিন দারুণ বোলিং করে ৪ ওভারে ২৪ রান দিয়ে ২টি উইকেট তুলে নেন রশিদ খান।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের দুই ফুটবলারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার

বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের দুই ফুটবলারের পাশে দাঁড়াল রাজ্য সরকার। মনোতোষ চাকলাদার ও দিলীপ ওঁরাও কে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বৃহস্পতিবার নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক বসে। সেখানেই বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের দুই ফুটবলারকে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ৯ মে তাঁদের কাছে নিয়োগপত্র পৌঁছে যাবে।সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে টাইব্রেকারে কেরালার কাছে হারে বাংলা। যদিও গোটা টুর্নামেন্টে প্রশংসনীয় ফুটবল উপহার দিয়েছে বাংলা দল। অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদার, ফারদিন আলি মোল্লা, দিলীপ ওরাওঁরা নজর কাড়েন। মনোতোষ ও দিলীপের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। সোশ্যাল মিডিয়ার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমেও সেই সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হয়।রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর জানান, মনোতোষ ও দিলীপের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ। মুখ্যমন্ত্রী সংবাদমাধ্যম থেকে তাঁদের বিষয়ে অবগত হন। এরপর তিনি মন্ত্রিসভার বৈঠকেই নিজের কোটা থেকে এই দুই ফুটবলারকে চাকরির ব্যবস্থা করেছেন। দিলীপের বাবা পুরসভার সাফাইকর্মী এবং মা অন্যের বাড়়িতে রান্না করেন। মনোতোষও খুবই দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছে। সন্তোষ ট্রফির সেমিফাইনাল ও ফাইনালে গোল করেন দিলীপ ওরাওঁ। তাঁর বাড়ি নাগেরবাজারের কাজিপাড়ায়। এখনও বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। মনোতোষের বাড়ি চুঁচুড়ায়, বাবা পেশায় রাজমিস্ত্রি। মনোতোষের মা পরিচারিকার কাজ করেন। সন্তোষ ট্রফি চলাকালীন ঝড়ে তাঁদের বাড়ির চাল উড়ে যায়। এমনকী একটা সময় অবধি মনোতোষকে খেলার জুতো অবধি কিনে দিতে পারেনি পরিবার। মনোতোষ এবারের সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পর অপেক্ষায় রয়েছেন আইএসএলে ডাক পাওয়ার। এই পরিস্থিতিতে দুই ফুটবল প্রতিভার আগামীর চলার পথ মসৃণ করে দিতে পারে রাজ্য সরকারের তরফে ঘোষণা করা সরকারি চাকরি। বাংলার ফুটবল মহল মনে করছেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপে বাংলার ফুটবলেও জোয়ার আসবে। ভালো পারফরম্যান্স উপহার দিলে এ রাজ্যে যে তার স্বীকৃতি মেলে রাজ্য সরকারের নয়া ঘোষণাতে সেটাও স্পষ্ট।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নেশাগ্রস্ত শেহনাজ বার বার টাল খেয়ে সালমানের গায়ে ঢলে পড়ছেন, সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলড নায়িকা

ঈদের পার্টি সেরে বেরোনোর পথে সালমানকে প্রায় বগল-দাবা করে নিয়ে বেড়িয়ে আসেন শেহনাজ। একটি বারের জন্যেও সলমনের হাত ছাড়েননি তিনি। কারনে অকারণে বারংবার জড়িয়ে ধরছেন সাল্লুমিয়া-কে। একাধিবার শেহনাজকে সলমনের দুই গলায় চুম্বন করতে দেখা যায়। শেহনাজ ভাইজানের হাত ধরে প্রায় টানতে টানতে গাড়ি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যায়, সলমন খান আমায় ছাড়তে এসেছে।সামাজিক মাধ্যম ইন্সটাগ্রামে এই ভিডিও-র কমেন্ট বক্সে ট্রোল্ড হতে শুরু করেন শেহনাজ। তাঁকে সমর্থন করতে ময়দানে নেমে পড়েন তাঁর ভক্তকুল। তির্যক মন্তব্যকারিদের সাথে সমর্থন কারিদের বিভিন্ন বাদানুনাদে জমে ওঠে। ইনস্টাগ্রামে তাঁদের ফ্যান/ফলোয়াররা দুই দলে ভাগ হয়ে লড়াই চালাতে থাকেন।ঠিক কী ঘটেছিল ইদের পার্টিতে?পার্টি থেকে বেড়িয়ে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হন শেহনাজ গিল। তখন তাঁর সাথে সলমন খানও ছিলেন। শেহনাজকে বলতে শোনা যায়, সেই নাকি সলমনকে দরজা পর্যন্ত নিয়ে এসেছেন। শেহনাজ সলমনকে বলেন, আমায় গাড়ি পর্যন্ত ছেড়ে এসো। সলমনও তাঁর আবদার রেখে স্মিত হেঁসে শেহনাজের পাশে দাঁড়িয়ে নানা পোজে ছবি তোলেন। সেই মুহুর্তেএকটি বারের জন্যেও শেহনাজ ভাইজানের হাত ছাড়েননি। বারবার নানা আছিলায় সালমানকে আলিঙ্গন করছিলেন। একাধিবার শেহনাজকে সলমনের দুই গলায় চুম্বন করেতে দেখা যায়। শেষে সাল্লু-মিয়াঁ মিষ্টি হেসে বাই বলেন সিদ্ধার্থের প্রাক্তন প্রেমিকা। শেহনাজ ভাইজানের হাত ধরে প্রায় টানতে টানতে তাঁর গাড়ি পর্যন্ত টেনে নিয়ে যান। উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দশ্যে তাঁকে বলতে শোনা যায়, সলমন খান আমায় ছাড়তে এসেছে! গাড়ির কাছে এসে সালমানের গাল টিপে আদর করে শেহনাজ তাঁর নিজের গাড়িতে উঠে পড়েন। সালমন ও শেহনাজের দিকে তাকিয়ে সম্মতি সুচক স্মিত হাসি উপহার দেন।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'জনতার কথা'-র মুখোমুখি অভিনেত্রী মধুমিতা চক্রবর্তী

জনতার কথাঃ Shrees Creation এর এই অনুষ্ঠান নিয়ে কি বলবেন? মধুমিতা চক্রবর্তীঃ ভীষণ ভালো লাগছে। এতদিন পর আবার আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছি। এই দিনটার অপেক্ষাতেই আমরা সকলে ছিলাম। আজকের অনুষ্ঠানটা ভীষণই ইউনিক। সত্যি কথা বলতে বুটিকের এই ধরণের অনুষ্ঠান আমরা এর আগে খুব একটা দেখিনি। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি আমরা সবাই যেন আগের মতো স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারি। জনতার কথাঃ আপনার এখন কি কি প্রোজেক্ট চলছে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ এই মুহূর্তে তিনটে ছবির কাজ চলছে। আর একটা সিরিয়ালের কাজ চলছে লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টার। জনতার কথাঃ ছবিগুলো কি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পাবে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ একটা ওয়েব সিরিজ মুক্তি পেয়েছে। দুটো ছবির ডাবিং হয়েছে। এর মধ্যে খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে চিনে বাদাম। জনতার কথাঃ আর কোনো প্রোজেক্ট কি আসছে?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ ধর্ম অধর্ম বলে একটা ছবির শুটিং চলছে। আমরা আশা করছি একটু একটু করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবো।জনতার কথাঃ দর্শকদের কি বার্তা দেবেন?মধুমিতা চক্রবর্তীঃ দর্শকদের একটাই কথা বলবো সাবধানে থাকুন। সেই সঙ্গে হলে এসে বাংলা সিনেমা দেখুন। বাংলা সিনেমার পাশে থাকুন। একটা পুরো ইন্ডাস্ট্রি আপনাদের ওপর ভরসা করেই বেঁচে আছে।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জ্ঞানমঞ্চে মিলন উৎসবের বিশেষ অনুষ্ঠান

২৮ বছর ধরে প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন শাড়ি ও হালকা গয়নার সরঞ্জামের আধুনিক ও ঐতিহ্যশালী ধারাকে বহন করে সুপর্ণা দাশগুপ্ত নিজের তৈরি করা বুটিক শ্রীস ক্রিয়েশন এর বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানের আয়োজন করলেন জ্ঞানমঞ্চে অক্ষয় তৃতীয়ার পূণ্যলগ্নে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তুলে ধরলেন এক পরিকল্পিত নৃত্যানুষ্ঠান, ফ্যাশন শো এবং শ্রুতি নাটকের। মঞ্চে উৎসবের আঙিনায় তুলে ধরলেন উৎসব সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া অর্ধশতাধিক সুন্দরী নারীদের পুরস্কার। শারদ সুন্দরী, শ্যামা সুন্দরী, বসন্ত সুন্দরী, বৈশাখী সুন্দরী পুরস্কারে সজ্জিত সফল প্রতিযোগীদের পুরস্কার তুলে দিলেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও অভিনেত্রী দীপান্বিতা হাজারী,অভিনেত্রী মধুমিতা চক্রবর্তী, শিশু সাহিত্যিক মৃগাঙ্ক ব্যানার্জি এবং সুপর্ণা দাস গুপ্ত।উৎসবের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে শারদ,শ্যামা, বসন্ত, বৈশাখীর গানে নৃত্যানুষ্ঠান পরিবেশন করলেন শর্মিষ্ঠা বিষ্ণু ও তপন হাজরা সহ অন্যান্য নৃত্যশিল্পীরা। মৌসুমী নায়েকের অভূতপূর্ব কোরিওগ্রাফে মিস বেঙ্গল খ্যাত সুস্মিতা রায় সহ কলকাতার জনপ্রিয় মডেল কন্যারা পরিবেশন করলেন উৎসবের আঙিনায় সুপর্ণা দাসগুপ্ত রঙিন পোশাকে উজ্জ্বল এক র্যাম্প শো।সাংসদ শতাব্দী রায়ের কন্যা সামিয়ানা ব্যানার্জি এবং ক্ষুদে অভিনেতা প্রজিত বোসের উপস্থাপনায় ভাতৃ দ্বিতীয়ার র্যাম্প সকল দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়। সুপর্ণা দাশগুপ্তর সামগ্রিক ভাবনায় এদিন মঞ্চ সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন নারায়ণ সেনগুপ্তএবং নাইস।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জীবনকৃতি সম্মান পেলেন মিউনাস নাট্যদলের কর্ণধার উৎসব দাস

সিউড়ির নাট্যদল আত্মজর পক্ষ থেকে আত্মজ জীবনকৃতি সম্মাননা ২০২২ তুলে দেওয়া হলো নাট্যকার পরিচালক অভিনেতা সংগঠক ও মিউনাস এর কর্ণধার উৎসব দাসের হাতে। সম্মাননা প্রদানের শুরুতেই আত্মজর কর্ণধার মুকুল সিদ্দিকী বলেন কেন এই মানুষটিকে তাঁরা এই সম্মাননা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, উৎসব দাস শুধু নিজের নাটক নিজের নাট্যদল নিয়েই ভাবেন নি, তিনি সমগ্র রাজ্যের নাট্য দলগুলোর মধ্যে একটা সুসম্পর্ক তৈরীর কাজ করে চলেছেন বহুদিন ধরে। সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বহু নাট্যদল আছে যাঁরা উৎসব দাসের হাত ধরে কলকাতায় তাঁদের প্রথম মঞ্চায়ন করেছেন এবং তাদের সু প্রযোজনা কলকাতার দর্শককে দেখানোর সুযোগ পেয়েছেন। কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলার নাট্যদলের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার কারিগর উৎসব দাস। মঞ্চে উপস্থিত নাট্য সমালোচক রঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায় নাট্যকার পরিচালক বিজয় কুমার দাস ও আননায়ুধ নাট্য পত্রিকার সম্পাদক স্বপন রায় উৎসব দাসের নাটক ও নাট্য যাপন নিয়ে আলোকপাত করেন।সম্মাননা অনুষ্ঠানের পর মঞ্চস্থ হয় মিউনাস প্রযোজিত উৎসব দাস রচিত ও নির্দেশিত নাটক অপেক্ষায়। সময়োপযোগী এই নাটক সেদিন দর্শকের যথেষ্ট প্রশংসা পায়। পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে, সিউড়ির বহু নাট্যদলের ও নাট্য প্রেমীদের উপস্থিতিতে আত্মজ নাট্যদলের আয়োজিত এই অনুষ্ঠান সফল হলো।

মে ০৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • ...
  • 82
  • 83
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal