• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rinku Singh

খেলার দুনিয়া

বাবার শেষকৃত্য সেরে দলে যোগ দিলেন রিঙ্কু সিং! ইডেনে হাইভোল্টেজ লড়াইয়ে নজর দেশবাসীর

দুপুর ঠিক দেড়টার সময় চেন্নাই বিমানবন্দরে এসে থামল ভারতীয় দলের বাস। একে একে নেমে এলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া, জশপ্রীত বুমরাহ-রা। ক্রিকেটারদের মুখে স্পষ্ট স্বস্তির ছাপ। আহমেদাবাদে হারের পর যে চাপ তৈরি হয়েছিল, জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতে তার অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছে দল। এখন নজর ইডেনের ম্যাচে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ভারতের কাছে কার্যত কোয়ার্টার ফাইনাল। জিতলেই আর রান রেটের অঙ্ক নয়, সরাসরি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে দল।জিম্বাবোয়ে ম্যাচে সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ব্যাটারদের ফর্মে ফেরা। সঞ্জু স্যামসন ওপেন করে গুরুত্বপূর্ণ রান করেন। এরপর মাঝের সারির প্রায় সবাই অবদান রাখেন। লোয়ার অর্ডারে নেমে তিলক বর্মা ঝড়ো ইনিংস খেলেন। সব মিলিয়ে প্রবল আত্মবিশ্বাস নিয়েই কলকাতায় পৌঁছেছে ভারতীয় দল।তবে খুশির মাঝেও রয়েছে শোকের ছায়া। শুক্রবার পিতৃবিয়োগ হয়েছে রিঙ্কু সিং-এর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তাঁর বাবা। জিম্বাবোয়ে ম্যাচের আগে বাবাকে দেখতে গিয়েছিলেন রিঙ্কু। খবর পেয়েই তিনি চেন্নাই থেকে রওনা দেন। কিন্তু দলের প্রতি দায়বদ্ধতার পরিচয় দিয়ে শনিবারই ফের দলের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন তিনি। বোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, রিঙ্কু দলের সঙ্গেই থাকবেন। অতীতে শচীন তেণ্ডুলকর ও বিরাট কোহলি-ও পিতৃবিয়োগের পর দলের হয়ে খেলে দায়িত্ববোধের নজির গড়েছিলেন। সেই স্মৃতিই যেন ফিরে এল আবার।ম্যাচের আগে ছোট্ট একটি টিম মিটিং হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধেও নির্ভীক ক্রিকেট খেলতে হবে। বিপক্ষকে শুরু থেকেই চাপে রাখতে হবে। কয়েকটি উইকেট পড়ে গেলেও ব্যাটিংয়ের ধরণ বদলানো যাবে না। তিলকও বলেছেন, আগের ম্যাচগুলোতে তিনি একটু দেখে খেলছিলেন। কিন্তু এখন ঠিক হয়েছে, প্রথম বল মারার মতো হলে আক্রমণ করতেই হবে।কোচ গৌতম গম্ভীর ইডেনের পিচ খুব ভালো করেই চেনেন। দীর্ঘদিন কলকাতার হয়ে খেলেছেন, পরে দায়িত্বেও ছিলেন। সাধারণত ইডেন রানের পিচ হিসেবেই পরিচিত। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাওয়ার হিটিং আটকাতে ভারত যদি তুলনামূলক ধীর উইকেটে খেলতে চায়, তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা বিশ্বকাপে ধারাবাহিকভাবে বড় শট খেলেই সাফল্য পেয়েছেন।তবে জিম্বাবোয়ে ম্যাচ জিতলেও বোলিং নিয়ে কিছু চিন্তা রয়েই গিয়েছে। আগের ম্যাচে বুমরাহ উইকেট পাননি। বরুণ চক্রবর্তী-কেও শেষ দুই ম্যাচে খুব ধারালো দেখায়নি। ভারতীয় স্পিন আক্রমণে তিনি বড় ভরসা। জানা গিয়েছে, তাঁকে নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হয়েছে দলের ভিতরে। সব মিলিয়ে সেমিফাইনালের আগে ইডেনের ম্যাচে টানটান উত্তেজনা থাকছেই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

শর্মা-সিংহের যুগলবন্দি, নাগপুরে রানের বন্যা, নজিরের রাতে নিউ জ়িল্যান্ডকে উড়িয়ে সিরিজ়ে এগোল ভারত

নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ় শুরু করল দাপুটে জয় দিয়ে ভারত। নাগপুরে প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে সর্বাত্মক আধিপত্য দেখিয়ে ৪৮ রানে জয় তুলে নিল সূর্যকুমার যাদবের দল। এই ম্যাচে একাধিক নজির গড়ার পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে শক্তিশালী বার্তাও দিয়ে রাখল টিম ইন্ডিয়া।টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউ জ়িল্যান্ড অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার। তবে সেই সিদ্ধান্ত যে ভুল প্রমাণিত হতে চলেছে, তা বুঝিয়ে দেন ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই। আগ্রাসী মেজাজে ইনিংস শুরু করেন অভিষেক শর্মা ও সঞ্জু স্যামসন। যদিও সঞ্জু (১০) বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দুবছরের বেশি সময় পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফেরা ঈশান কিশনও (৮) ব্যর্থ হন। ২৭ রানে দুই উইকেট হারিয়ে সাময়িক চাপে পড়ে ভারত।চাপের মুহূর্তে দায়িত্ব নেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও অভিষেক শর্মা। অভিষেক শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন। অন্যদিকে সূর্য সংযত ব্যাটিং করে ইনিংস গুছিয়ে নেন। ২২ বলে ৩২ রানের ইনিংসে চারটি চার ও একটি ছক্কা মারেন সূর্যকুমার। এই ইনিংস তাঁর ফর্মে ফেরার ইঙ্গিত দেয়, যা বিশ্বকাপের আগে কোচ গৌতম গম্ভীরের জন্য নিঃসন্দেহে স্বস্তির।তবে ম্যাচের আসল নায়ক অভিষেক শর্মা। ৩৫ বলে ৮৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে নিউ জ়িল্যান্ডের বোলারদের কার্যত দিশেহারা করে দেন তিনি। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৫টি চার ও ৮টি ছক্কা। নিখুঁত টাইমিং, শক্তিশালী শট আর অনায়াস আগ্রাসনে তিনি প্রমাণ করে দেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কেন তাঁকে অন্যতম ভয়ংকর ব্যাটার বলা হয়।অভিষেকের গড়া ভিতের উপর দাঁড়িয়ে ভারতের রান পাহাড়ে পরিণত করেন রিঙ্কু সিং। সাত নম্বরে নেমে ফিনিশারের ভূমিকায় ফের সাফল্য পেলেন কেকেআরের এই ব্যাটার। ২০ বলে অপরাজিত ৪৪ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন তিনি। তাঁর সঙ্গে হার্দিক পাণ্ড্যও (১৬ বলে ২৫) কার্যকর অবদান রাখেন। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ২৩৮ রান তোলে ভারতটি-টোয়েন্টিতে নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে যা ভারতের সর্বোচ্চ দলগত স্কোর। একই সঙ্গে এই ম্যাচে ১৪টি ছক্কা মারে ভারত, এটিও নতুন রেকর্ড। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৪৪তম বার ২০০-এর বেশি রান করল ভারতযা আর কোনও দলের নেই।লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউ জ়িল্যান্ড। মাত্র ১ রানের মধ্যে দুই ওপেনার ডেভন কনওয়ে (০) ও রাচিন রবীন্দ্র (১) ফিরে যান। অর্শদীপ সিং ও হার্দিক পাণ্ড্যের নিখুঁত নতুন বলের স্পেলে কার্যত ম্যাচের শুরুতেই কোণঠাসা হয়ে পড়ে কিউয়িরা। টিম রবিনসন (২১) কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও বরুণ চক্রবর্তীর বলে বিদায় নেন।এর পর গ্লেন ফিলিপ্স ও মার্ক চাপম্যান পাল্টা আক্রমণ শুরু করেন। বিশেষ করে ফিলিপ্সের ব্যাটিং ভারতীয় শিবিরে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি করে। ৪০ বলে ৭৮ রানের ইনিংসে তিনি ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন। তবে অক্ষর পটেলের বলে ফিলিপ্স আউট হতেই ম্যাচ ফের ভারতের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। চাপম্যানও (৩৯) বরুণের শিকার হন।শেষদিকে ড্যারেল মিচেল (২৮) ও স্যান্টনার (২০) চেষ্টা করলেও প্রয়োজনীয় রান রেটের চাপ সামলাতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৯০ রানেই থেমে যায় নিউ জ়িল্যান্ডের ইনিংস।ভারতের বোলারদের মধ্যে বরুণ চক্রবর্তী ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন। শিবম দুবে ২৮ রানে ২ উইকেট নিয়ে সবচেয়ে সফল বোলার। অর্শদীপ ও হার্দিকও একটি করে উইকেট পান। তবে জসপ্রীত বুমরাহ প্রত্যাশামতো প্রভাব ফেলতে পারেননি। পাশাপাশি ফিল্ডিংয়ে একাধিক সহজ ক্যাচ ফসকে যাওয়া বিশ্বকাপের আগে কিছুটা চিন্তা বাড়াবে ভারতীয় শিবিরে।এই ম্যাচে একমাত্র অস্বস্তির কারণ অক্ষর পটেলের চোট। ফিল্ডিং করতে গিয়ে আঙুলে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। বিশ্বকাপের আগে তাঁর ফিটনেস নিয়ে তৈরি হল নতুন প্রশ্নচিহ্ন।সব মিলিয়ে, ব্যাটিংয়ে আগ্রাসন, রেকর্ড গড়া স্কোর এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বোলারদের সাফল্যে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর ভারত। সিরিজ়ের শুরুতেই নিউ জ়িল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রাখল সূর্যকুমারের দলটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা যে ভয়ংকর প্রতিপক্ষ হতে চলেছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'অক্ষরে' অক্ষরে জবাব অস্ট্রেলিয়াকে, ১ ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয় ভারতের

সদ্য বিশ্বচাম্পিয়ানদের হারিয়ে আইডিএফসি টি-২০ সিরিজ সিরিজ় জিতল ৫০-র বিশ্বকাপের রানারআপ ভারত। এই নিয়ে ঘরের মাঠে টানা ১৪-টি টি-২০ সিরিজে ভারত অপরাজিত ভাবে শেষ করল। শুক্রবার রায়পুরে এই সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারিয়ে দেয় ভারত। এই ম্যচে জয়ের ফলে ৩-১ ব্যাবধানে সিরিজ়ে এগিয়ে গেল মেন-ইন-ব্লু। মাঝের দিকে ভারতের জোড়া স্পিনারের বোলিঙের কোনও জবাব আজ ছিল না ক্যাঙ্গারু বাহিনীদের। খেলার শেষের দিকে ওভারেও ভারতীয় বোলারদের কৃপণ বোলিং খেলতে ব্যার্থ হয় অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটাররা।শুক্রবার অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড টসে জিতে আগের দিনের মতই ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায়। শুরুটা আশানুরূপ না হলেও খেলা যত গড়াতে থাকে খেলায় ফেরে ভারত। প্রথম ছয় ওভারে ভারত ৫০ রান করে। ভারতের হয়ে ব্যাট হাতে সফল যশস্বী জয়সাওয়াল (২৮ বলে ৩৭ রান), ঋতুরাজ গায়কোয়াড (২৮ বলে ৩২ রান), রিঙ্কু সিংহ এবং এই সিরিজে প্রথম সুযোগ পাওয়া উইকেট রক্ষক জিতেশ শর্মা (১৯ বলে ৩৫ রান)। এদের কেউই পঞ্চাশের কোটা পূরন করতে পারেননি। প্রথম দুটি ম্যাচের মতই রিঙ্কউ সিং আজও খুব ভালো ব্যাট করেন। রিঙ্কু ২৯ বলে ৪৬ রান করেন, চারটি চার ও দুটি ছয় মারেন। এইমধ্যেই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা রিঙ্কু কে ভবিষ্যতের তারকা হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। অস্ট্রেলিয়াকে জেতার জন্য ১৭৪ রানের লক্ষ রাখে ভারত।First ball of his spell and Ravi Bishnoi strikes ⚡️😎He removes Josh Philippe for 8.Follow the Match ▶️ https://t.co/iGmZmBsSDt#TeamIndia | #INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/ccQxDKoeiw BCCI (@BCCI) December 1, 2023৬৩ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ায় ভারতের রানের গতি এতই কম ছিল যে ১৫০ পেরোবে কিনা সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল। সাময়িক ধাক্কা সামলে চাপ কাটিয়ে রিঙ্কু এবং জিতেশ খেলায় ফেরান। সাধারন ভাবে দ্রুত গতিতে রান তুলতেই রিঙ্কু বেশি স্বাছন্দ। আজকের চাপের মুখে পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পরিণত ব্যাটারের মত ব্যাট করলেন কেকেআরের এই ক্রিকেটার। রিঙ্কু এবং জিতেশ পঞ্চম উইকেটে পঞ্চাশের উপরে রান তোলেন।দারুন ভাবে শুরু করেও কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেলে সদ্য বিশ্বচাম্পিয়ানেরা। শুরুটা দুর্দান্ত করেও শেষ রক্ষা হল না। প্রথম দুওভারে ১৮ রান নেওয়ার পরের ওভারেই চাহারের ওভারে ২২ রান নিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ট্রেভিস হেড। হেড চারটি চার এবং একটি ছয় মারেন। জোড়ে বোলারেরা মার খাওয়ায় একপ্রকার বাধ্য হয়েই চতুর্থ ওভারে স্পিন আনতে বাধ্য হয় সূর্যকুমার। আক্রম্নে আনেন রবি বিষ্ণোইকে। এসে প্রথম বলেই দ্রুত গতির গুগলিতে স্ট্যাম্প ছিটকে দিয়ে জশ ফিলিপকে প্যাভিলিয়নে ফেরান ভারতের তরুণ এই লেগ স্পিনার। পরের ওভারেই আবার এক বোলিং পরিবর্তন করেন সূর্য। আক্রমণে আনেন অক্ষর প্যাটেলকে। বিষ্ণোইয়ের মতই প্রথম অভারেই উইকেট পান অক্ষ্র। তাঁর বলে তুলে মারতে গিয়ে ফেরেন ট্রেভিস হেড (৩১)।First ball of his spell and Ravi Bishnoi strikes ⚡️😎He removes Josh Philippe for 8.Follow the Match ▶️ https://t.co/iGmZmBsSDt#TeamIndia | #INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/ccQxDKoeiw BCCI (@BCCI) December 1, 2023অল্প রানে দুটি উইকেটে পরে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে চলে যায়। পরবর্তি সময়ে ম্যাথু ওয়েড ছাড়া কেউই সেরকম প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি ভারতের স্পিন বোলারদের বিরুদ্ধে। মাত্র ৮৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচে ফিরে আসে ভারত। জবাবে ১৫৪ রানে থেমে গেল অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।শেষের দিকে টিম ডেভিড এবং ম্যাথু শর্টের ব্যাট কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করে। এই দুই অক্রমনাত্মক ব্যাটারকে পর পর ফিরিয়ে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন দীপক চাহার। ওয়েড ৩৬ রানে অপরাজিত থাকলেও প্রয়োজনীয় কাজ করতে ব্যার্থ। আবেশ খানের শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়ার জেতার জন্য দরকার ছিল ৩১ রান। আবেশ খানের নিয়ন্ত্রিত বোলিং সেই ওভারে মাত্র ১০ রান ওঠে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

রিঙ্কু 'সিং'হের গুঁতোয় কুপকাত 'ক্যাঙারু' বাহিনী! বিশাখাপত্তনমের পর তিরুঅনন্তপুরমেও জয়, ভারত ২-০ তে এগিয়ে

আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে বিশাখাপত্তনমে জিতে ভারতীয় দল তিরুঅনন্তপুরমে আসে। রিঙ্কু, সূর্যকুমার, ঈশান ব্যাটিংয়ে ঝড় তুলে সেই ম্যাচে ২০৮ রান তাড়া করে এক বল বাকি থাকতেই জয়লাভ করে টিম ইন্ডিয়া। রবিবার তিরুঅনন্তপুরমে ব্যাটারদের সাথে পাল্লা দিয়ে দাপট দেখালেন দেখালেন ভারতের স্পিন ও পেস বোলারেরাও। প্রথমে ব্যাট করে ভারত অস্ট্রেলিয়ার জয়ের জন্য ২৩৫ রানের লক্ষমাত্রা রাখে। সেই পাহাড় প্রমান রান তাড়া করতে নেমে হুরমুড়িয়ে ভেঙে পড়ল অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস। বিশ্বচাম্পিয়ানেরা পুরো ২০ ওভার ব্যাট করে থামলেন ১৯১ রানে! ৪৪ রানে জয়লাভ করে মেন ইন ব্লু ২-০ ফলে সিরিজে এগিয়ে যায়।সন্মান পুনরুদ্ধারে মরিয়া বিশ্ব চাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটের ছোট সংস্করণ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস জেতে অস্ট্রেলিয়া। টস জিতে অসি অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। রবিবারের ম্যাচে ভারতীয় দলে কোনও বদল করেনি ভারত। প্রথম ম্যাচে বিজয়ী একাদশকে নিয়েই দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নামে তারা। খেলার শুরু থেলেই বড় রানের লক্ষ্যে দ্রুত রান তোলার তাগিদে দুই ওপেনারই হাত খুলে বড় শট খেলেছেন। প্রথম ৫ ওভারেই ৬২ রান তোলে ভারত।Another commanding performance by Team India, securing a 2-0 lead in the T20I series against Australia! Kudos to our dynamic openers @ybj_19 and @Ruutu1331 for setting the stage on fire with their explosive fifties. @ishankishan51, holding his ground at number 3, played yet pic.twitter.com/pqGFUSM9Kj Jay Shah (@JayShah) November 26, 2023ভারতীয় ক্রিকেটে উদীয়মান ওপেনার যশস্বী জয়সাওয়াল মাত্র ২৪ বলে অর্ধশতরান করলেন। তাঁর মোট রানের ৯০ শতাংশ রান বাউন্ডারি মেরে করেছেন। তিনি মোট নটি (৯) বাউন্ডারি ও দুটি (২) ওভার বাউন্ডারি মারেন। যশস্বী জয়সাওয়াল অউট হয়ে ফিরে যাওয়ার পর তিন নম্বরে নেমে ভারতীয় ক্রিকেটের পকেট সাইজ ডিনামাইট ঈশান কিশান যশস্বীর মতো অর্ধশতরান করেই আউট হয়ে যান। তিনি ৫২ রান করলেন তিনি। মাত্র ৩২ বলে তিনটি (৩) চার ও চারটি ছয় মেরে এই রান করেন ঈশান। ছক্কা মেরে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন ঈশান।শেষ পাঁচ ওভারে ভারতের রানের উল্কা গতি এনে দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও বিশ ওভারের নতুন সাইক্লোন রিঙ্কু সিং। ১০ বলে ১৯ রান করে আউট হন সূর্যকুমার। ভারত অধিনায়ক বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন স্টোইনিসের হাতে। মাত্র ৯ বলে ৩১ রান করলেন রিঙ্কু। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ২৩৫ রান তুলল ভারত। ভারতীয় দলের প্রথম তিন ব্যাটার-ই অর্ধশতরান করলেন। শেষবেলায় ঝড় তুললেন রিঙ্কুও। রিঙ্কু চারটি চার এবং দুটি ছক্কা মেরেছেন। পরপর দুটি ম্যাচে দক্ষিণের দুদুটি শহরে রিঙ্কুর দাপট অব্যহত, বিশাখাপত্তনমের পর রিঙ্কু সাইক্লোন অব্যহত তিরুঅনন্তপুরমও। ওপেন করতে নেমে সারা খেলায় সিট অ্যাঙ্কারর ভূমিকায় অবতির্ন হন ঋতুরাজ। তাঁকে খুচরো রান নিয়ে স্ট্রাইক রোটেট করেই খেলতে দেখা যায়। শেষ ওভারে বড় শট খেলার লক্ষ্য নিয়েছিলেন ঋতুরাজ। সেই বড় শট নিয়ে গিয়েই আউট হলেন তিনি। নাথান ইলিশের বলে ৪৩ বলে ৫৮ রান করে টিম ডেভিডের হাতে ধরা পরে আউট রুতুরাজ।হাতে ২৩৫-র পাহাড় প্রমান রান হাতে নিয়ে বল করতে নামা ভারতীয় বোলারদের কাছে কাজটা অনেকটা সহজ ছিল। আগের ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া ২০০ রান করেও ভারতের কাছে হার মানে। রবিবার আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যচে প্রথম দুওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ এবং আরশদীপ সিংহ ৩১ রান দেওয়ার পর প্রাথমিক ভাবে অস্ট্রেলিয়া ভারতের শিরদাঁড়ায় কিছুক্ষণের জন্য হলেও ভয় ধরাতে সমর্থ হয়। আজ অসাধরণ বল করেন রবি বিষ্ণোই। ভারতীয় দলের এই লেগস্পিনার চার ওভারে ৩২ রান দিয়ে তিন তিনটি মহামুল্যবান উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে ম্যাচে ফেরান। বিরাট রানের বোঝা নিয়ে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়া দ্রুত রান তুললেও নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়। রান রেট বেড়ে যাওয়ায় চাপে বড় শট খেলতে বাধ্য হয় অসি ব্যাটাররা।A win by 44 runs in Trivandrum! 🙌#TeamIndia take a 2⃣-0⃣ lead in the series 👏👏Scorecard ▶️ https://t.co/nwYe5nOBfk#INDvAUS | @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/sAcQIWggc4 BCCI (@BCCI) November 26, 2023বিশাখাপত্তনমে রিঙ্কু, সূর্যকুমার, ঈশান রা ভালো ব্যাট করলেও বোলারদের পারফরমেন্স-এ খুশি ছিল না টিম ম্যনেজমেন্ট। রবিবার ভারত দুই বিভাগেই দাপটের সাথে পারফর্ম করে। বিষ্ণোই ছাড়াও শেষের দিকে পেসের আগুন ছুটিয়ে ৩ উইকেট পান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা। প্ররম্ভিক ওভারে বল করতে এসে রান দিলেও স্লগ ওভারে তাঁর বলের লাইন লেন্থ অনেক নিয়ন্ত্রিত ছিল। ভারতের হয়ে যে পাঁচজন বোলার আজ বল করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকেই উইকেট পেয়েছেন। একটি করে উইকেট পান আরশদীপ সিংহ, অক্ষর পটেল ও ভবিষ্যতের শামি মুকেশ কুমার।অস্ট্রেলিয়া ব্যাটেররা খেলার শুরু থেকেই মারমুখী ছিলেন। তাঁদের প্রথম উইকেটের পতন হয় ২.৫ ওভারে। দলীয় ৩৭ রানের মাথায় ভারতের সফলতম বোলার বিষ্ণোইয়ের গুগলি বুঝতে না পেরে বোল্ড হন ম্যাথু শর্ট (১৯)। এরপর বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন আগের ম্যাচে শতরানকারী ব্যাটার যোশ ইংলিস, দুরন্ত ক্যাচ নিলেন তিলক বর্মা, বিষ্ণোই-র ফ্লাইট মিস করে বড় শট খেলতে গিয়ে মিসহিট করেন, বলটা অনেক উঁচুতে উঠে যায়, অনেকটা পিছনে দোউড়ে সামনের দিকে ঝাঁপিয়ে তালুবন্দি করেন স্মিথকে। অস্ট্রেলিয়া ৩৯-২। এরপর আউট হন ম্যাক্সওয়েল। ৫৩ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় অস্ট্রেলিয়া। অক্ষরের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে যশস্বী-র হাতে ধরা দিলেন ম্যাক্সওয়েল। প্রথম দিকে মার খাওয়ায় প্রসিদ্ধ কে সরিয়ে নেন সুর্যকুমার। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসেই তুলে নিলেন প্রাক্তন অসি অধিনায়ক স্টিভ স্মিথকে। চতুর্থ উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া। প্রসিদ্ধের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দিলেন তিনি। দৌড়ে এসে শরীর ছুড়ে অসাধরণ ক্যাচ ধরেন যশস্বী। মাঝে স্টইনিস ও ডেভিড মরীয়া চেষ্টা করলেও ভারতীয় বোলারদের দাপটে একের পর এক উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ১৫৫ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে হারের কিনারায় পোঁছায়।

নভেম্বর ২৬, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

সূর্যের প্রখর তাপপ্রবাহে শীতের মরসুমেও ঝলসে গেল বিশ্বচাম্পিয়ান অস্ট্রেলিয়া

ম্যাড়মেড়ে বোলিং, ততোধিক বাজে ফিল্ডিং স্বত্তেও হার মানতে হল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াকে। আইডিএফসি টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যচেই ভারতের কাছে না বলে সুর্যের কাছে হার মানলো ৬বারের একদিবসীয় বিশ্বকাপের চাম্পিয়ানদের। জশ ইংলিসের অসাধরণ ব্যটিং এর সুবাদে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান সংগ্রহ করে অস্ট্রেলিয়া। ইংলিস তাঁর টি-২০ কেরিয়ারের প্রথম শতরান করেন আজ। ৫০ বলে ১১০ রানের এক অনবদ্য ইনিংস আজ বন্দরশহর ভাইজ্যাকে এল তাঁর ব্যাট থেকে। ইনিংস তাঁর ইনিংসে ১১টি চার এবং ৮টি ছক্কা মারেণ।Fantastic performance by Team India in the T20 opener against Australia! Special mention to skipper @surya_14kumar for his outstanding innings, @ishankishan51 for the explosive start and @rinkusingh235 for playing a blinder at the back end! Congratulations to the Men in Blue on a pic.twitter.com/QuMknUYRHF Jay Shah (@JayShah) November 23, 2023ভারতীয় দল একাধিক খেলোয়াড় কে বিশ্রাম দেওয়ায় এই টুর্নামেন্টে সূর্যকুমার যাদবকে অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়। রিঙ্কু সিংহের অদম্য লড়াইয়ের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ম্যাচে ভারত শেষ বলে ছক্কা মেরে ২ উইকেটে এই ম্যাচ জেতে। ভারতের ইনিংসের শেষ ওভারের শেষ বলটি নো বল হওয়ায় ১ বল বাকি থাকতেই ভারত এই ম্যাচ জেতে। সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতে ভারত এই সিরিজ়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল। জিতলেও একাধিক বিভাগে দুর্বলতা যথেষ্ট উদ্বেগে রাখবে রাখবে কোচ ভিভিএস লক্ষ্মণকে। বিশেষ করে ভারতীয়দের দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যাটিং!২০৯ রান তাঁরা করতে গিয়ে খেলার শুরুতেই রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের আউট হয়ে প্যাভিলিয়নেফিরে যান। একটিও বল না খেলে তৃতীয় ভারতীয় ব্যাটার হিসাবে ডায়মন্ড ডাক করে আউট হন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। ভারতীয় দলের জোরে বোলার যশপ্রীত বুমর এবং লেগ স্পিনার অমিত মিশ্র-ও এর আগে এমন লজ্জার নজির রয়েছে। ফুচকা বয় খ্যাত ওপেনার যশস্বী জয়সওয়ালও এই ম্যাচে সেরকম দাগ রাখতে পারলেন না, ২১ রান করে তিনি আউট হয়ে ফিরে আসেন। পরপর দুটি উইকেট পরে যাবার পর হাল ধরেন ঈশান কিশন এবং সূর্যকুমার যাদব, তাঁরা দুজনে মিলে ১১২ রান জোগ করেন।What A Game!What A Finish!What Drama!1 run to win on the last ball and its a NO BALL that seals #TeamIndias win in the first #INDvAUS T20I! 👏 👏Scorecard ▶️ https://t.co/T64UnGxiJU @IDFCFIRSTBank pic.twitter.com/J4hvk0bWGN BCCI (@BCCI) November 23, 2023বিশ্বকাপ ফাইনালে চূড়ান্ত ব্যর্থ সূর্যকুমার যাদব দিকে নজর ছিল নির্বাচকদের। বিশ্বকাপ জুড়ে উত্তাপহীন মৃয়মান সুর্য আজ জেন মধ্যগগনে বিরাজ করলেন। অনেকদিন পড়ে চেনা মেজাজে দেখা গেল টি-২০-র বাদশা কে। জুটি তে লুটি কিষান-যাদবের লড়াইয়ে যাদব-ই অগ্রাসী ছিলেন প্রথম থেকেই। ইশান কিষান তাঁর ৩৯ বলে ৫৭ রানের ইনিংসে, ২টি চার এবং ৫টি ছক্কা মারেন। ছয় নম্বরে নেমে কেকেআর-র রিঙ্কু সিং আগ্রাসী ব্যাটিং করে ম্যাচ শেষ করে ড্রেসিংরুমে ফিরে আসেন। আজকের ম্যাচে রিঙ্কু সিংহের সহনশীলতা ও ম্যাচুরিটি বিশেষজ্ঞ মহলে যথেষ্ট দাগ কাটতে সক্ষম। শেষ ওভারে অপরদিকে তিন তিনটি উইকেট পড়ে যেতে দেখেও রিঙ্কু লক্ষে অবিচল ছিলেন। কিন্তু এক কি সাম - সূর্য কি নাম মার্কা ম্যাচে ৪২ বলে ৮০ রান করে ঝলসে দেওয়া ইনিংসে সুর্য মেরেছেন ৯টি চার এবং ৪টি ছয়। সব বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে-ই তিনিই এই ম্যাচের সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেলেন।ঘাম জেবজেবে বিশাখাপত্তনমের আবহাওয়া-ই ভারতীয় বোলারদের পারফরমেন্স অনেক কিছু প্রশ্ন রেখে গেল। যাঁদের ভরসায় টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের নতুন অধিনায়ক সূর্যকুমার, তাঁদের পারফরমেন্স ছিল খুব-ই দুর্বল। শুরু থেকেই মারমার কাটকাট ব্যাটিং শুরে করেন দুই গোড়াপত্তনকারী অস্ট্রেলীয় ব্যাটার। দুই ওপেনার ফিরে যাবার পরও অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং সেই ধাক্কার প্রতিচ্ছবি সেভাবে প্রভাব বিস্তার করেনি। জশ ইংলিসএবং স্টিভেন স্মিথ-র জুটি দ্বিতীয় উইকেটে ১৩০ রান জোড়েন। এই ইনিংসের সুবাদেই অস্ট্রেলিয়া প্রাথমিক ভাবে চালকের আসনে বসে যায়। বিশ্বকাপে সে ভাবে রান না পেলেও এখানে স্মিথ করলেন ৪১ বলে ৫২ রান। জীবনের প্রথম বার গোড়াপত্তন করতে নামা স্মিথ করেন ৮টি বাউন্ডারি পড়েন।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

রাজস্থান রয়্যালসকে হারিয়ে প্লে অফের অক্সিজেন পেল নাইট রাইডার্স

টানা ৫ ম্যাচ জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্লে অফের সম্ভাবনাও থেকেও অনেকটাই দুরে সরে গিয়েছিল। অবশেষে জয়ের মুখ দেখল শ্রেয়স আয়ারের দল। মরণবাঁচন ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের অক্সিজেন পেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। জয়ের জন্য ১৫৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ৫ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়েই জয় তুলে নিল। বোলারদের দাপটে এদিন রাজস্থান রয়্যালকে কম রানে বেঁধে রেখেছিল নাইটরা। জয়ের জন্য সামনে লক্ষ্য ছিল ১৫৩। খুব একটা কঠিন লক্ষ্য ছিল না। তবু পাওয়ার প্লের ৬ ওভারের মধ্যে অ্যারন ফিঞ্চ ও বাবা ইন্দ্রজিৎকে হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল নাইট রাইডার্স। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ও নীতিশ রানা চাপ কাটিয়ে দলের জয়ের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। ১০ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, এখনও সঠিক কম্বিনেশন নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট বেছে নিতে পারল না। খারাপ ফর্মের জন্য এদিন ভেঙ্কটেশ আয়ারকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে অ্যারন ফিঞ্চের সঙ্গে বাবা ইন্দ্রজিৎকে ওপেন করতে পাঠানো হয়। দুই ওপেনারই এদিন দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই অ্যারন ফিঞ্চকে (৭ বলে ৪) তুলে নেন কুলদীপ সেন। ২ ওভার পরেই প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার শিকার বাবা ইন্দ্রজিৎ। ১৬ বলে ১৫ রান করে তিনি আউট হন। ৩২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার ও নীতিশ রানা। জুটিতে ওঠে ৬০ রান। শ্রেয়সকে (৩২ বলে ৩৪) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন ট্রেন্ট বোল্ট। এরপর রাজস্থান রয়্যালসের বোলারদের আর কোনও সুযোগ দেননি নীতিশ রানা ও রিঙ্কু সিং। তাঁদের ৬৬ রানের জুটি নাইট রাইডার্সকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। ৫ বল বাকি থাকতে ১৫৮/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় নাইট রাইডার্স। ৩৭ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন নীতিশ রানা। ২৩ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসের শুরুটাও ভাল হয়নি। নাইট বোলারদের কাছে চ্যালেঞ্জ ছিল জস বাটলারের ঝড় আটকানো। সেই লক্ষ্যে সফল উমেশরা। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলেই দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (২) তুলে নেন উমেশ। নবম ওভারের তৃতীয় বলে বাটলারকে তুলে নেন টিম সাউদি। ২৫ বলে তিনি ২২ রান করে আউট হন। আগের ম্যাচগুলোর মতো দাপট দেখাতে পারেননি বাটলার। এরপর অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন করুণ নায়ার। ১৩ বলে ১৩ রান করে অনুকূল রায়ের বলে রিঙ্কু সিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। রিয়ান পরাগ ১২ বলে করেন ১৯। দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। ৪৯ বলে ৫৪ রান করেন তিনি। শেষদিকে ঝড় তুলে ১৩ বলে ২৭ রান করে রাজস্থানকে ১৫২/৫ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন শিমরন হেটমায়ার। ৪৬ রানে ২ উইকেট নেন সাউদি। ১ টি করে উইকেট পান উমেশ যাদব, অনুকূল রায় ও শিবম মাভি।

মে ০২, ২০২২

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal