• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Raj

খেলার দুনিয়া

শুরুতে বাটলারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো রান রাজস্থান রয়্যালসের

বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে জিতলেই প্লে অফ কার্যত নিশ্চিত। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরুতে জস বাটলারের মতো ব্যাটারকে হারিয়েও লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল রাজস্থান রয়্যালস। রাজস্থানের মান বাঁচল রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের সৌজন্যে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৬০ রান তুলল রাজস্থান।এদিন রাজস্থান রয়্যালস একটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। শিমরন হেটমায়ার সন্তানের জন্মের জন্য গায়ানা ফিরে গেছেন। তাঁর পরিবর্তে প্রথম একাদশে আসেন রাসি ভ্যান ডার ডুসেন। অন্যদিকে, গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুটি পরিবর্তন করে দিল্লি ক্যাপিটালস। রিপাল প্যাটেলের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ফেরানো হয় ললিত যাদবকে। আর খলিল আমেদের জায়গায় প্রথম একাদশে ঢোকেন চেতন সাকারিয়া। তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট যে কোনও ভুল করেনি, শুরুতেই জস বাটলারকে তুলে নিয়ে প্রমাণ করে দেন সাকারিয়া। দীর্ঘক্ষণ ক্রিজে থাকলে ঝড় তুলে রাজস্থানকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়এ যেতেন বাটলার। ইংল্যান্ডের এই ওপেনারকে সেই সুযোগ দেননি সাকারিয়া।টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ইনিংসের শুরু থেকেই চেতন সাকারিয়ার বোলিংয়ের সামনে অস্বস্তিতে ছিলেন বাটলার। শেষ পর্যন্ত সাকারিয়াকেই উইকেট উপহার দেন বাটলার। ১১ বলে মাত্র ৭ রান করে তিনি শার্দূল ঠাকুরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সোয়ালও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৯ বলে ১৯ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে ললিত যাদবের হাতে ক্যাচ দিয়ে ডাগ আউটে ফেরেন। ৫৪ রানে দুই ওপেনারকে হারানোর পর রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও দেবদত্ত পাড়িক্কলের ব্যাটে ভর কর রুখে দাঁড়ায় রাজস্থান। জুটিতে ওঠে ৫৩। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে তিনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কাজে লেগে গেল। ৩৮ বলে ৫০ রান করে অশ্বিন মিচেল মার্শের বলে ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (৬), রিয়ান পরাগরা (৯) ব্যর্থ হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান পাড়িক্কল। ৩০ বলে ৪৮ রান করে তিনি আনরিচ নর্টিয়ের বলে কমলেশ নাগরকোটির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। রাসি ভ্যান ডার ডুসেন ১০ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস

শনিবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পাঞ্জাব কিংসকে ৬ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালস। প্রথমে ব্যাট করে বোর্ডে বড় রান তুলেও শেষরক্ষা করতে পারল না পাঞ্জাব কিংস। মায়াঙ্ক আগরওয়ালের দলকে হারিয়ে ১৪ পয়েন্টে পৌঁছে গেল রাজস্থান রয়্যালস।এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পাঞ্জাব কিংস। জনি বেয়ারস্টো ও শিখর ধাওয়ান দারুণ শুরু করেন। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৪৭। ষষ্ঠ ওভারে শিখর ধাওয়ানকে (১৬ বলে ১২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাবকে প্রথম ধাক্কা দেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। দলের ৮৯ রানের মাথায় আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষ। ১৮ বলে ২৭ রান করে তিনি যুজবেন্দ্র চাহালের বলে বোল্ড হন। চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে এদিনও বড় রান করতে পারলেন না পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। ১৩ বলে ১৫ রান করে তিনি চাহালের বলে আউট হন। একই ওভারে চাহাল তুলে নেন জনি বেয়ারস্টোকে। বেশ কয়েকটা ম্যাচে ব্যর্থতার পর অবশেষে এদিন রান পেলেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ৪০ বলে ৫৮ রান করেন তিনি।বাটলার যখন আউট হন তখন ১৪.৪ ওভারে পাঞ্জাব কিংসের রান ১১৯/৪। মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না পাঞ্জাব কিংস। শেষ ৫ ওভারে ঝড় তোলেন জিতেশ শর্মা, লিয়াম লিভিংস্টোনরা। ১৪ বলে ২২ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার বলে বোল্ড হন লিভিংস্টোন। ১৮ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন জিতেশ শর্মা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৮৯ তোলে পাঞ্জাব কিংস। এদিন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে নজরকাড়া বোলিং করেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২৮ রানে তিনি নেন ৩ উইকেট। জয়ের জন্য ১৯০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে রাজস্থান রয়্যালসও ভাল শুরু করেছিল। ৪ ওভারেই তুলে ফেলে ৪৬। ঝড় তোলা জস বাটলারকে তুলে রাজস্থানকে প্রথম ধাক্কা দেন কাগিসো রাবাডা। ১৬ বলে ৩০ রান করে বাটলার আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন এদিন বড় রান করতে ব্যর্থ। ১২ বলে ২৩ রান করে তিনি আউট হন। ৮৫ রানে ২ উইকেট হারানোর পর রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান যশস্বী জয়সোয়াল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। জুটি ওঠে ৫৬। পাঞ্জাব কিংসকে ব্রেক থ্রু এনে দেন অর্শদীপ সিং। যশস্বী জয়সোয়ালকে তুলে নেন। ৪১ বলে ৬৮ রান করেন যশস্বী।এরপর শিমরন হেটমায়ারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান দেবদত্ত পাড়িক্কল। ৩২ বলে ৩১ রান করে অর্শদীপের বলে পাড়িক্কল আউট হলেও রাজস্থান রয়্যালসকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন শিমরন হেটমায়ার। ১৬ বলে ৩১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ২ বল বাকি থাকতে ১৯০/৪ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রাজস্থান। ২৯ রানে ২ উইকেট নেন অর্শদীপ সিং।

মে ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাইয়ের

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাই সুপার কিংসের। থালার নেতৃত্বে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় চেন্নাই সুপার কিংসের। দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৩ রানে হারিয়ে প্লে অফের লাইফলাইন পেল চেন্নাই। ৯ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল। এদিন চেন্নাইয়ের জয়ের নায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। এই দুই ওপেনারের দাপটে সানরাইজার্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় চেন্নাই। পরে বল হাতে সাফল্য মুকেশ চৌধুরির। প্রথমে ব্যাট করে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০ ওভারে ২০২/২ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ওপেনিং জুটিতে এই দুই ব্যাটার তোলেন ১৮২। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কোনও বোলারই এদিন চেন্নাইয়ের এই দুই ওপেনারের বিরুদ্ধে সুবিধা করতে পারেননি। ১৮ তম ওভারের পঞ্চম বলে জুটি ভাঙেন টি নটরাজন। তিনি তুলে নেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে। ৫৭ বলে ৯৯ রান করে আউট হন ঋতুরাজ। আইপিএলের ইতিহাসে তিনিই হলেন পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তাঁর আগে ৯৯ রানে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিষান ও ক্রিস গেইল। ডেভন কনওয়ে ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে ধোনি ৭ বলে ৮ রান করে আউট হন। তিনিও নটরাজনের শিকার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০২ রান তোলে চেন্নাই। ৪২ রানে ২ উইকেট নেন নটরাজন। জয়ের জন্য ২০৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৫.৪ ওভারে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলে ৫৮। সানরাইজার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন মুকেশ চৌধুরি। তুলে নেন ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মাকে (২৪ বলে ৩৯)। পরের বলেই ফেরান রাহুল ত্রিপাঠীকে (০)। পরপর ২ উইকেট হারালেও রানের গতি কমেনি সানরাইজার্সের। উইলমিয়ামসন (৩৭ বলে ৪৭), এইডেন মার্করামরা (১০ বলে ১৭) আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রান তুলতে সমর্থ হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নিকোলাস পুরান ৩৩ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মুকেশ চৌধুরি ৪৬ রানে ৪ উইকেট নেন।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

৯৯ রানে আউট হয়ে বিরাট কোহলিদের তালিকায় নাম লেখালেন ঋতুরাজ

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড মহেন্দ্র সিং ধোনির হাতে যেতেই ছন্দে ফিরল চেন্নাই সুপার কিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের সাক্ষাৎকারে প্রথমে ব্যাট করে বড় রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে চেন্নাই তুলল ২০২/২। দুরন্ত ব্যাটিং করে চেন্নাইকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না ঋতুরাজ। এদিন ৯৯ রানে আউট হয়ে নাম লেখালেন বিরাট কোহলিদের তালিকায়। ডেভন কনওয়ে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। চলতি আইপিএলের শুরুর দিকে একেবারেই ছন্দে ছিলেন না ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। পরে ছন্দে ফিরেছেন। এদিন মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। আইপিএলের ইতিহাসে ঋতুরাজ পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তিনি নাম লেখালেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিশান, ক্রিস গেইলদের সঙ্গে। টস জিতে এদিন চেন্নাইকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। প্রথম পর্বের সাক্ষাৎকারেও টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন সানরাইজার্স অধিনায়ক। সেই ম্যাচে অবশ্য চেন্নাই বড় রান তুলতে পারেনি। এদিন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০০ রানের গন্ডি পার করে ফেলল। এদিন প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে চেন্নাই সুপার কিংস। ফিট না থাকায় প্রথম একাদশ থেকে ছিটকে যান ডোয়েন ব্র্যাভো। খারাপ ফর্মের জন্য বাদে দেওয়া হয় শিবম দুবেকে। এদের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ঢোকেন ডেভন কনওয়ে ও সিমরনজিৎ সিং। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মার্কো জানসেন, টি নটরাজন, উমরান মালিকের মতো জোরে বোলাররা এদিন একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। সবথেকে করুণ অবস্থা উমরান মালিকের। ৪ ওভারে তিনি খরচ করেন ৪৮ রান। বারবারা বোলিং পরিবর্তন করেও এদিন চেন্নাইয়ের ওপেনিং জুটি ভাঙতে পারছিলেন না কেন উইলিয়ামসন। ১৭.৪ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে তোলেন ১৮২। এরপরই নটরাজন ঋতুরাজকে তুলে নেন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৫৭ বলে ৯৯ রান করেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি করে চার ও ছয়। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে ৩ নম্বরে তুলে নিয়ে আসেন ধোনি। যদিও সফল হননি। ৭ বলে ৮ রান করে তিনি নটরাজনের বলে উমরান মালিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভন কনওয়ে। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি ৪ ও ৪ টি ৬।

মে ০১, ২০২২
দেশ

প্রদ্যুত কিশোর ও আশিসলাল এক মঞ্চে থাকলে রাতের ঘুম উড়বে অন্যদের

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণায় তোলপাড়। নতুন কমিটির সভাপতি হয়েছেন সুবল ভৌমিক। তাছাড়া ৬ জনের কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোর কমিটিতেও আছেন সুবল ভৌমিক। তাছাড়া বাকি পাঁচজন হলেন সুস্মিতা দেব, আশিসলাল সিং, আশিস দাস, ভৃগুরাম রিয়াং ও মামন খান। আরও একাধিক পদ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দলের নয়া কমিটি ঘোষণার পর থেকেই ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের মধ্যেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গিয়েছে। এঁদের পাশাপাশি ত্রিপুরা তৃণমূলের একাধিক নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে।ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিং কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন জনতার কথা-কে। আশিসবাবু বলেন, আমি দলের সৈনিক। দুঃসময়ে দলে ছিলাম। তবে দলের বোঝা হয়ে লাভ নেই। দলকে যদি জেতাতে না পারি তাহলে পদে থেকে কী হবে? আশিসলাল সিংয়ের মতোই আশিস দাসও নতুন কমিটি নিয়ে নিরাশ। এর আগে সোশাল মিডিয়ায় দলের নেতৃত্বের প্রতি নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ক্ষমতাসীন দলের বিধায়ক পদ ছেড়ে ন্যাড়া হয়ে প্রায়শ্চিত্ত করে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন আশিস দাস। সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন বাংলা ও ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে ততই তিনি ঘরে বসে গিয়েছেন। দূরে থেকেছেন রাজনীতি থেকে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁকে দেখাই যায়নি বললেই চলে।এদিন আশিস দাস জনতার কথা-কে বলেন, ত্রিপুরার মানুষ খুব সেন্টিমেন্টাল। ত্রিপুরার মানুষের পালস নিয়ে যেভাবে খেলা হচ্ছে রাজ্যের মানুষ কিন্তু ক্ষমা করবে না। অতিদর্পে হত লঙ্কা। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনের ফলকে ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬-এ কিছু একটা হবে। এক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নেগেটিভ দিকের কথা বলেন তিনি। তাঁর ব্যাঙ্গ, পরকীয়া করতে অনেকে আনন্দ পায়। ধরা পড়লে পরকীয়ার স্বাদ কি তখন বুঝবে। ত্রিপুরায় পরকীয়া চলছে। এটা ধরা পড়বে। রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আশিস দাস বলেন, আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সময়ই বলবে। তবে বলতে পারি একটা সম্ভাবনাটা নষ্ট হয় গেল।তৃণমূলের নয়া কমিটি গঠন নিয়ে দলের একাংশ ক্ষুব্ধ। রতন সরকার, বেচারাম দাস, অসিত ঘোষ, দুর্যোধন দাসদের মতো একনিষ্ঠরা দলে জায়গা পায়নি। ত্রিপুরা তৃণমূলের একটা বড় অংশ যোগাযোগ রাখছে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গে। একথা স্বীকারও করেছে তিপ্রা মথা। রাজনৈতিক মহলের মতে, মহারাজ বীর বিক্রম মানিক্য বাহাদুর ও টানা ২৪ বছরের ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিংয়ের সময় ত্রিপুরায় উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ হয়েছিল। এই দুই পরিবারের কেউ ত্রিপুরাকে ঠকায়নি। সর্বদা ত্রিপুরার মানুষের পাশে ছিল। এখন তিপ্রা মথার চেয়ারম্যান মহারাজ বীর বিক্রমের নাতি প্রদ্যুত কিশোর মানিক্য দেববর্মন। শচীন্দ্রলালের পুত্র আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা। অভিজ্ঞ মহলের মতে, প্রদ্যুত কিশোর ও আশিসলাল এক হয়ে লড়াই করলে বাকিরা বেসামাল হয়ে যাবে। রাজ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই হবে বিজেপি ও তিপ্রা মথার মধ্যে। তারপর সিপিএম, কংগ্রেস থাকবে। লড়াইয়ে থাকতে পারে আম আদমি পার্টিও। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস কোন স্থানে থাকবে তা নিয়ে সংশয়ে পড়েছে দলেরই একাংশ।আশিস দাসেরবিজেপি ত্যাগ করে মস্তক মুন্ডনআশিসলালের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল তাদের দুই প্রার্থীকে লড়াইয়ের জন্য আর্থিক সাহায্য দিয়েছিল। তা সত্বেও আগরতলা পূর্ব আসনের প্রার্থীকে দলীয় প্রচারের জন্য কয়েকলক্ষ টাকা নির্বাচনী প্রচারকার্যের জন্য দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরা তৃণমূলের রাজ্য সভাপতিকে কোনও ফান্ড দেয়নি দল। প্রার্থীদের মাত্র ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। তখনও ত্রিপুরায় যাতায়াত করা নেতাদের হোটেল বিল, গাড়ির ভাড়া দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে একটা আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় প্রার্থী মামন খানকে প্রচারের জন্য একটা টাকাও দেয়নি দলীয় নেতৃত্ব। ১৭ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। দলের ওই অংশের দাবি, শুধু দলীয় কর্মীদের পাশে নয়, আর্থিক ভাবেও দলের পাশে বারংবার দাঁড়িয়েছেন শচীন্দ্রলাল পুত্র। মান রেখেছেন পিতার।তৃণমূল সূত্রে খবর, গত ২১ জুলাই দলবদলুরা দলে আসেনি। ৮২ জন নেতা-কর্মীসহ কৈলাশহরে গ্রেফতার হয়েছিলেন আশিসলাল। সারা ত্রিপুরায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ভার্চুয়াল ভাষণ চলেছে। প্রতিদিন কয়েকশো লোক যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। পোলো টাওয়ারে রাতের অন্ধকারে দলবদলুরা যোগ দিতেই দলে যোগদান পর্ব কমতে শুরু করল। মে থেকে জুলাই প্রায় ৫২ হাজার নেতা-কর্মী যোগ দিয়েছিল তৃণমূলে।ত্রিপুরা তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, যুব, মহিলা, এসটি মোর্চায় শিক্ষিত কাজের লোক থাকা সত্বেও তাঁদের দল দায়িত্ব দেয়নি। সভাপতি করা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণি, অষ্টমশ্রেণি পাস লোকজনদের। কেউ আবার জেল খেটে জামিনে রয়েছেন। ওই মামলা কিন্তু রাজনৈতিক নয়। মোদ্দা কথা, ত্রিপুরায় সম্ভাবনা অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেল বলে আশিস দাসের মতোই দলের নেতা-কর্মীদের অনেকে মনে করছেন।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হ্যাজেলউডের দাপটে ব্যর্থ বাটলার, বড় রানে ব্যর্থ রাজস্থান

বড় রানের জন্য রাজস্থান রয়্যালস তাকিয়েছিল স্বপ্নের ফর্মে থাকা জস বাটলারের দিকে। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টকে হতাশ করলেন রাজস্থানের এই বিধ্বংসী ব্যাটার। জস হ্যাজেলউডের অফ স্টাম্পের বাইরে পড়া শর্ট বল মিড অনের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন বাটলার। মিড অনে সিরাজের হাতে সহজ ক্যাচ। রাজস্থান রয়্যালসের বড় রানের স্বপ্নের সেখানেই সলিলসমাধি। বাকিরা দায়িত্ব নিতে ব্যর্থ। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪৪/৮ রানের বেশি তুলতে পারল না রাজস্থান রয়্যালস। দুরন্ত বোলিং করেন জস হ্যাজেলউড।নৈশালোকে ম্যাচ হলে টস জিতে বিপক্ষকে ব্যাট করতে পাঠানো ট্র্যাডিশন হয়ে দাঁড়িয়েছে সব দলের কাছেই। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় রাজস্থান। চতুর্থ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন মহম্মদ সিরাজ। এদিন পিঞ্চ হিটার হিসেবে তিন নম্বরে নামানো হয়েছিল রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে। ভালোই শুরু করেছিলেন এই বর্ষীয়ান অফ স্পিনার। কিন্তু চতুর্থ ওভারে সিরাজের শেষ বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৯ বলে ১৭ রান করে আউট হন অশ্বিন। পরের ওভারেই হ্যাজেলউড বাটলারকে তুলে নিয়ে রাজস্থানকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেন।এরপর মনে হচ্ছিল অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াবে রাজস্থান। ভাল শুরুও করেছিলেন সঞ্জু। শাহবাজ আমেদের বলে পরপর দুটি ছক্কাও হাঁকান। কিন্তু ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে বোল্ড হন। ১টি চার ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ২১ বলে ২৭ রান করেন সঞ্জু। এরপরই রানের গতি কমে যায় রাজস্থানের। ড্যারেল মিচেল নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ২৪ বলে মাত্র ১৬ রান করে আউট হন। শিমরন হেটমায়ারও এদিন ব্যর্থ। ৭ বলে মাত্র ৩ রান করে হাসারাঙ্গার বলে তিনি আউট হন।একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় বড় রানের স্বপ্ন ধুলিস্যাৎ হয়ে যায় রাজস্থানের। একা লড়াই করেন রিয়ান পরাগ। এই তরুণ ব্যাটারের দাপটেই মান বাঁচায় রাজস্থান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে তোলে ১৪৪/৮। ৩১ বলে ৫৬ রান করে অপরাজিত থাকেন রিয়ান পরাগ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে দুরন্ত বোলিং করেন জস হ্যাজেলউড ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১ মেডেন সহ ১৯ রানে ২ উইকেট তুলে নেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
দেশ

তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন প্রয়াগরাজের নিহত পরিবারের আত্মীয়রা

উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে একই পরিবারের পাঁচজনকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তোলপাড় সারা দেশ। এই ঘটনাকে ধিক্কার জানিয়ে বিজেপি বিরোধী দলগুলি যোগী সরকারের তুলোধোনা করছে। উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাঁরা। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রবিবার প্রয়াগরাজের ঘটনাস্থলে যায় পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। দোষীদের কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছে ওই প্রতিনিধি দল।এরাজ্যের বীরভূমের বগটুই গ্রামের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছে সারা দেশকে। এবার উত্তরপ্রদেশের ঘচনায় ছিছি করছে সারা দেশ। প্রয়াগরাজের থরভই থানার খেবরাজপুর গ্রামে ২ বছরের শিশু-সহ একই পরিবারের ৫ জনকে গলার নলি কেটে হত্যা করা হয়েছে। তারপর বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। উদ্ধার হয়েছে বিবস্ত্র অবস্থায় বিশেষভাবে সক্ষম মেয়ে ও পুত্রবধূর মৃতদেহ।এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রনিতিধি দলে ছিলেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন, বনগাঁর প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, তৃণমূল নেতা সাকেত গোখলে, রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডি ও উত্তরপ্রদেশের তৃণমূল নেতা ললিতেশ ত্রিপাঠী। বিজেপি এরাজ্যে বগটুই গণহত্যা ও হাঁসখালি গণধর্ষণকান্ডে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠিয়েছিল। তৃণমূল দিল্লির জাহাঙ্গিরপুরীর ঘটনাতেও সাংসদদের নিয়ে গঠিত ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি পাঠায়। সেখানে ঢুকতে বাধা দেয় পুলিশ, অভিযোগ করে তৃণমূল। এদিন তৃণমূল প্রতিনিধিদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন নিহতদের আত্মীয়রা। তাঁদের পাশে থাকার ব্যাপারে আশ্বাস দেন এই প্রতিনিধদলের সদস্যরা। উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলার তীব্র সমালোচনা করেন তাঁরা।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
দেশ

কোথায় এখন ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি? উত্তরপ্রদেশের পাঁচ নৃশংস খুন নিয়ে তোপ তৃণমূলের

প্রয়াগরাজে একই পরিবারের পাঁচ জনকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা নিয়ে যোগী সরকারের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ডাবল ইঞ্জিন সরকার ডাবল অত্যাচার করছে। যে ভূমিকে প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ভূমি বলে আখ্যা দিয়েছেন সেই প্রয়াগরাজের খেবরাজপুর গ্রামে যে মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে তাতে আমরা বেদনাহত। গতকাল রাতে বাড়ির ছেলে না থাকার সময় পাঁচজনকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছে। তাতে একটি শিশুও আছে। খুন করেই ক্ষান্ত থাকেনি একটি মেয়েকে বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। এই ঘটনার পর বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। চন্দ্রিমা বলেন, আমাদের প্রশ্ন ভারতে অনেকে যোগীরাজের কথা বলেন। ফলাও করে প্রচার করেন। এটা কি যোগীরাজ না গুন্ডারাজ? এক সপ্তাহের মধ্যে আরও একটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা ঘটেছে। এখানে যাঁরা অবান্তর ভাবে আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে কথা বলেন আজ তাঁরা মূক ও বধির হয়েছে। আজ তাঁরা সাইলেন্ট মোডে চলে গিয়েছে। তাঁরা কী এখন সেখানে ৩৫৫ বা ৩৫৬ ধারা জারি করার কথা বলবেন। আজ তাঁদের আওয়াজ নেই কেন। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এখন হবে না। সম্প্রতি আনিস খুন থেকে রামপুরহাটের বগটুই, হাঁসখালি গণধর্ষণসহ নানা ঘটনা নিয়ে বাংলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি। বিজেপির দুটো ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি ঘুরে গিয়েছে এরাজ্য থেকে। ওই কমিটি দলের সভাপতির কাছে বাংলায় ৩৫৫ ও ৩৫৬ ধারার উপযোগী বলে সুপারিশ করেছে। একই পরিবারের পাঁচজনকে খুন প্রকাশ হতেই উত্তরপ্রদেশের মুখ যোগী মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধে প্রয়াগরাজের ঘটনা নিয়ে আক্রমণ শানাল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন একযোগে তৃণমূলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীরা টুইট করেছেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার সেঞ্চুরি!‌ স্বপ্নের ফর্মে বাটলার, উড়ে গেলেন কুলদীপরা

আবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন জস বাটলার। এদিন ওয়াংখেড়েতে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে পেলেন চলতি আইপিএলের তৃতীয় শতরান। সেই সঙ্গে আইপিএলে তাঁর মোট শতরানের সংখ্যা দাঁড়াল ৪। বাটলার স্পর্শ করলেন ডেভিড ওয়ার্নার ও শেন ওয়াটসনকে। নিজের শেষ ৮ আইপিএল ইনিংসের চারটিতেই শতরান হাঁকালেন বাটলার।রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচে লড়াইটা ছিল মূলত রাজস্থানের ব্যাটারদের সঙ্গে দিল্লির বোলারদের লড়াই। কুলদীপ যাদব, মুম্তাফিজুর রহমান, অক্ষর প্যাটেলদের নক আউট করে দিয়ে রীতিমতো দাপট দেখিয়ে গেলেন বাটলারদেবদত্ত পাড়িক্কলরা। এই দুই ওপেনারের সৌজন্যেই দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে বড় রান রাজস্থান রয়্যালসের। এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ভেবেছিলেন ১৫০১৬০ রানের মধ্যে রাজস্থান রয়্যালসকে আটকে রাখতে পারবেন। ভরসা করেছিলেন দলের সেরা লেগ স্পিনার কুলদীপ যাদবের ওপর। কিন্তু দিল্লি বোলারদের কোনও রকম সুযোগ দেননি রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। চলতি আইপিএলে স্বপ্নের ফর্মে রয়েছেন বাটলার। এদিন ললিত যাদবের বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ৩৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। দেবদত্ত পাড়িক্কলও নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন। তাঁর হাফ সেঞ্চুরি আসে ৫০ বলে। রাজস্থানের বাটলার ও দেবদত্তর এই দুই ওপেনার সবথেকে বেশি নির্দয় ছিলেন কুলদীপ যাদবের ওপর। শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে ৫৪ রান করে খলিল আমেদের বলে এলবিডব্লুউ হন দেবদত্ত পাড়িক্কল।প্রথম দিকে বাটলার খুব বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন না। হাফ সেঞ্চুরি করার পর রীতিমতো ঝড় তোলেন। পরের ৫০ আসে ২২ বলে। অর্থাৎ ৫৭ বলে সেঞ্চুরি। আইপিলে মোট ৪ সেঞ্চুরির মালিক হলেন বাটলার। চলতি মরশুমে ৩টি। শেষ পর্যন্ত ৬৫ বলে ১১৬ রান করে তিনি মুস্তাফিজুরের বলে ডেভিড ওয়ার্নারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সঞ্জু স্যামসনও ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন। ১৯ বলে ৪৬ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২২২ রান তোলে রাজস্থান রয়্যালস।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মেন্টর ধোনির আস্থার মর্যাদা কীভাবে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়?‌

আগের পাঁচ ম্যাচে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের স্কোর যথাক্রমে ০, ১, ১, ১৬, ১৭। অন্য কোনও দল হলে নিশ্চিতভাবেই বাদ পড়তেন। কিম্তু চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট ভরসা হারায়নি। আর সেটা মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্যই। মেন্টরের আস্থার মর্যাদা দিলেন ঋতুরাজ। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যেই গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৬৯। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে চার ও ছয়। অম্বাতি রায়ুডু ৪৬ রান করেন। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই ছিল গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ম্যাচের আগেই ধাক্কা। কুঁচকির চোটের জন্য এদিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় গুজরাটকে নেতৃত্ব দিতে নামেন রশিদ খান। আফগানিস্তানের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এবং দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে কোনও একটি দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড গড়লেন। তিনিই এবছর গুজরাট টাইটান্সের সহঅধিনায়ক। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ওপর দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ভার পড়েছিল। টস জিতে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রশিদ খান। গুজরাটের বোলারদের দাপটে শুরুর দিকে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে জ্বলে ওঠা চেন্নাই সুপার কিংসের ওপেনার রবিন উথাপ্পা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। মইন আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে তিনি আলজেরি জোশেফের বলে বোল্ড হন। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে খেলতে নেমে এদিন ভাল বোলিং করেন আলজেরি জোশেফ। ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। ঋতুরাজ ও অম্বাতির জুটিতে ৫৬ বলে ওঠে ৯২। এই দুনের ব্যাটে ভর করে চাপ কাটিয়ে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুকে (৩১ বলে ৪৬) তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। এরপর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান যশ দয়াল। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৫টি ছয়। শেষ দিকে চেন্নাইকে লড়াই করার মতো জায়গায় পোঁছে দেন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবে (১৯)। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৫ তোলে চেন্নাই। আলজেরি জোশেফ ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাটকীয় ম্যাচে লখনউকে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান

এক দলের সামনে ছিল জয়ে ফেরার লড়াই। অন্য দলের সামনে ছিল জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে লিগ টেবিলের শীর্ষে ওঠার লড়াই। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে কলকাতা নাইট রাইডার্সের পরাজয়ের সুযোগ কাজে লাগাতে পারল না লখনউ সুপার জায়ান্টস। জয়ের কাছাকাছি এসেও শেষরক্ষা করতে পারল না। লোকেশ রাহুলের দলকে ৩ রানে হারিয়ে জয়ের সরনিতে ফিরল রাজস্থান রয়্যালস।মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। ভাল শুরু করেছিলেন রাজস্থানের দুই ওপেনার জস বাটলার ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। আগের ম্যাচগুলিতে ব্যর্থ হওয়ায় এদিন যশস্বী জয়সওয়ালকে প্রথম একাদশের বাইরে রাখে রাজস্থান টিম ম্যানেজমনেন্ট। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে সুযোগ দেওয়া হয় রাসি ভ্যান ডার ডুসেনকে। বাটলারের সঙ্গে ওপেনে পাঠানো হয় দেবদত্ত পাড়িক্কলকে। বাটলার ব্যর্থ হলেও দলকে ভালোই টানছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি।রাজস্থানের ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৪২। এরপরই লখনউকে ব্রেক থ্রু এনে দেন আবেশ খান। নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই তুলে নেন বাটলারকে। এদিন দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। ১১ বলে মাত্র ১৩ রান করে আবেশ খানের বলে তিনি বোল্ড হন। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন ওপরে উঠে এসে অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনও দলকে টানতে পারেননি। জেসন হোল্ডারের বলে তিনি এলবিডব্লুউ হন। ১২ বলে ১৩ রান করেন সঞ্জু। রাজস্থানের মিডল অর্ডারে ধস নামান অপ স্পিনার কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। একই ওভারে ৪ বলের ব্যবধানে তুলে নেন দেবদত্ত পাড়িক্কল (২৯ বলে ২৯) ও ভ্যান ডার ডুসেনকে (৪)। ১০ ওভারের মধ্যে ৬৭ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শিমরন হেটমায়ের ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ক্রুনাল পান্ডিয়ার হাতে একবার জীবন পেয়ে শেষ দিকে রীতিমতো ঝড় তোলেন হেটমায়ের। ১টি ৪ এবং ৬টি ৬এর সাহায্যে ৩৬ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৩ বলে ২৮ রান করে অবসৃত হন অশ্বিন। নির্ধারিত ২০ ওভারে রাজস্থান তোলে ১৬৫/৬। লখনউর হয়ে ৩০ রানে ২ উইকেট নেন কৃষ্ণাপ্প গৌতম। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে লখনউ। ট্রেন্ট বোল্টের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি লখনউ সুপার জাযান্টসের টপ অর্ডার ব্যাটাররা। প্রথম বলেই তুলে নেন অধিনায়ক লোকেশ রাহুলকে (০)। পরের বলেই ফেরান কৃষণাপ্পা গৌতমকে (০)। চতুর্থ ওভারে জেসন হোল্ডারকে (৮) তুলে নিয়ে লখনউকে আইসিইউ-তে পাঠিয়ে দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ১৪ রানে ৩ উইকেট হারায় লখনউ। এরপর দলকে টানছিলেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। ২৪ বলে ২৫ রান করে কুলদীপ সেনের বলে আউট হন হুডা। আয়ুষ বাদোনি করেন ৫। কুইন্টন ডিকক (৩২ বলে ৩৯), ক্রুনাল পান্ডিয়াদের (২২) জ্বলে উঠতে দেননি যুজবেন্দ্র চাহাল (৪/৩৫)। চামারা করেন ১৩। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৫ রান দরকার ছিল লখনউ সুপার জায়ান্টসের। কুলদীপ সেনের ওভারে ১১ রান ওঠে। ১৬২/৮ রানে থেমে যায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৭ বলে ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন স্টইনিস।

এপ্রিল ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলার শাহবাজ আমেদের দাপটে দারুণ জয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের

পুরনো দলের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন যুজবেন্দ্র চাহাল। তবু জয় এল না রাজস্থান রয়্যালসের। সঞ্জু স্যামসনের দলকে ৪ উইকেট হারাল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের জয়ের নায়ক শাহবাজ আমেদ ও দীনেশ কার্তিক। দুরন্ত ব্যাটিং করে দলকে জয় এনে দিলেন। ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে রাতের দিকে শিশির খুব সমস্যা তৈরি করছে। বোলারদের বল গ্রিপ করতে দারুণ সমস্যা হচ্ছে। সেকথা মাথায় রেখে এদিন টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থানের। দ্বিতীয় ওভারেই যশস্বী জয়সোয়ালকে হারায়। আগের ম্যাচে রান পাননি যশস্বী। এদিনও ব্যর্থ। মাত্র ৪ রান করে ডেভিড উইলির বলে বোল্ড হন। যশস্বী ব্যর্থ হলেও এদিন আবার রানে ফিরলেন দেবদত্ত পাড়িক্কল। জস বাটলারের সঙ্গে তিনি দলকে টেনে নিয়ে যান। প্রথম দিকে ডেভিড উইলি, মহম্মদ সিরাজ, আকাশ দীপদের দাপটে রাজস্থান রয়্যালসের রান তোলার গতি ছিল কম। পরের দিকে বাটলার ও পাড়িক্কল কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭০।দশম ওভারের শেষ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে তুলে নেন হর্ষাল প্যাটেল। তাঁর আউট নিয়ে অবশ্য নাটক তৈরি হয়েছিল। দেবদত্ত পাড়িক্কলের ক্যাচ ধরেছিলেন বিরাট কোহলি। পেছন দিকে ঝুঁকে ক্যাচ ধরে তিনি মাটিতে পড়ে যান। কোহলির এই দুরন্ত ক্যাচ দেখে দর্শকরা হাততালি দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছিলেন। দেবদত্ত পাড়িক্কলও সাজঘরের দিকে হাঁটা দিয়েছিলেন। তখনই মাঠের বাইরে দেবদত্তকে আটকান আম্পায়ার। আসলে, আম্পায়ার প্রথমে নো বল পরীক্ষা করছিলেন। পরে ক্যাচ বৈধ কিনা পরীক্ষা করেন। ২৯ বলে ৩৭ রান করে আউট হন দেবদত্ত। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনও (৮ বলে ৮) এদিন রান পাননি। সঞ্জু আউট হওয়ার পর রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান বাটলার ও শিমরণ হেটমায়ের। আগের ম্যাচের মতো এদিনও দুরন্ত ব্যাট করেন বাটলার। প্রথম দিকে দেখেশুনে খেললেও পরের দিকে ঝড় তোলেন। দুবার জীবন পেয়ে শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৭০ রানে অপরাজিত থাকেন। ৩১ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত থাকেন হেটমায়ের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৩ তোলে রাজস্থান রয়্যালস। হর্ষাল প্যাটেল ১৮ রানে ১ উইকেট নেন। ডেভিড উইলি ও হাসারাঙ্গাও নেন ১টি করে উইকেট। ব্যাট করতে নেমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ভাল শুরু করেছিল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে তোলে ৪৮/০। সপ্তম ওভারে প্রথম উইকেট হারায়। ডুপ্লেসিকে তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০ বলে ২৯ রান করেন ডুপ্লেসি। আগের দুই ম্যাচে ব্যর্থ অনুজ রাওয়াত এদিন ২৫ বলে ২৬ রান করে নভদীপ সাইনির বলে আউট হন। বিরাট কোহলি (৫), ডেভিড উইলি (০) রান পাননি। ডুপ্লেসিকে চাহাল তুলে নিতেই ধস রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। কোহলিকে (৫) রান আউট করেন চাহাল (২/১৫)। পরের বলেই উইলিকে (০) তুলে নেন। রাদারফোর্ডকে (৫) তুলে নিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন রেন্ট বোল্ট। শাহবাজ আমেদ (২৬ বলে ৪৫) ও দীনেশ কার্তিকের (২৩ বলে অপরাজিত ৪৪) দুরন্ত ব্যাটিং চাপ কাটিয়ে দেয়। শাহবাজ আউট হলেও অপরাজিত থেকে দলকে জয় এনে দেন দীনেশ কার্তিক। তবে জয়ের রান আসে হর্ষাল প্যাটেলের (৪ বলে অপরাজিত ৯) ব্যাট থেকে। ৫ বল বাকি থাকতে ১৭৩/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌লজ্জার নজির ইতিহাস সৃষ্টিকারী বাংলাদেশের, সবথেকে কম রানের ইনিংস

বিশ্বের সবথেকে আনপ্রেডিক্টেবল দলের কথা যদি বলতে হয়, উঠে আসবে বাংলাদেশের নাম। বেঙ্গল টাইগাররা কখন যে কী করে বসবে বলা কঠিন। কিছুদিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকাকে তাদের ঘরের মাঠে একদিনের সিরিজে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন সাকিব আল হাসানরা। কয়েকদিন পরেই সেই দলই কিনা সেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্টে শেষ ৫৩ রানে! চরম লজ্জায় পড়তে হল বাংলাদেশ টেস্ট দলকে। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন রানের ইনিংস। এর আগে বাংলারদেশের টেস্টের এক ইনিংসে সর্বনিম্ন রান ছিল ৪৩। একদিনের সিরিজে সাকিব আল হাসানদের দুর্দান্ত ক্রিকেট বাংলাদেশী ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু ক্রিকেটপ্রমীদের সেই প্রত্যাশার ফানুস চুপসে দিয়ে প্রথম টেস্টেই ভরাডুবি। বাংলাদেশকে হারতে হল ২২০ রানে। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে দক্ষিম আফ্রিকা তুলেছিল ৩৬৭। জবাবে মাহমুদুল হাসানের দুরন্ত সেঞ্চুরির সুবাদে বাংলাদেশ তোলে ২৯৮। মাহমুদুল করেন ১৩৭। প্রথম ইনিংসে ৬৯ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ২০৪ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস। সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন অধিনায়ক ডিন এলগার। বাংলাদেশের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৭৪। জয়ের জন্য ২৭৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে চতুর্থ দিনের শেষে বাংলাদেশের রান ছিল ৩ উইকেটে ১১। তখনই পরাজয়ের ভ্রূকূটি সামনে এসে পড়েছিল বাংলাদেশের। পঞ্চম দিনে ইনিংস কতটা টানতে পারেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা, সেটাই ছিল দেখার। এদিন প্রথম ওভারেই মুশফিকুর রহিমের (০) উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এরপর রীতিমতো প্যাভিলিয়নে যাওয়ার মিছিল শুরু হয়। বাংলাদেশের ইনিংসে ধস নামান স্পিনার কেশব মহারাজ। মাত্র ১৯ ওভারে ৫৩ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইনিংস। বাংলাদেশের ২ জন ব্যাটসম্যান মাত্র দুঅঙ্কের গন্ডি পার করেন। নাজমুল হোসেন করেন ২৬, তাস্কিন আমেদ করেন ১৪। ৪ জন ব্যাটার ০ রানে আউট হন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে কেশব মহারাজ ১০ ওভার বল করে ৩২ রানে ৭ উইকেট নেন। সাইমন হার্মার ২১ রানে নেন ৩ উইকেট। এর আগে বাংলাদেশের টেস্টে সর্বনিম্ন রান ছিল ৪৩। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালোবাসার টানাপোড়েনের গল্প বলবে চরকি

মা ও তার সন্তানের ভালোবাসার টানাপোড়নের গল্প বলতে আসছে চরকি। হাওয়া বয় চরকির পাখায়,হাওয়া বয় জীবন শাখায়। জীবনের গল্প তুলে ধরা হবে চরকি-র মাধ্যমে।স্বভূমী এন্টারটেনমেন্টের ব্যানারে ডঃ প্রবীর ভৌমিকের প্রযোজনায় তুহিন সিনহার পরিচালনায় তৈরি হয়েছে চরকি ওয়েব সিরিজটি। হাসির রাজা খরাজ মুখার্জীকে এখানে এক অন্য রকম চরিত্রে দেখতে পাবেন দর্শকরা। রিমির চরিত্রে অভিনয় করছেন শ্রেয়াসা ঘোষ,অনন্তর চরিত্রে অভিনয় করছেন ডঃ প্রবীর ভৌমিক ও চরকি চরিত্রে অভিনয় করেছে দেবকন্যা হাজরা।এছাড়াও তপন রায়,কাজু হালদার,বনশ্রী রায়,অনুসূয়া পাত্র,ইতি দাস,শতাব্দী দাস,অরিত্র আরও অনেকে এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। চিত্রগ্রহণ করেছেন পার্থ রক্ষিত। চরকি ওয়েব সিরিজটি শীঘ্রই মুক্তি পাবে এক জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বাটলারের তান্ডবে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবছর আইপিএলে শুরুটা ভাল হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হার রোহিত শর্মার দলের। শনিবার রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার ২৩ রানে। বাটলার ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই। এদিন রোহিতদের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন রাজস্থান রয়্যালসের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসের। তৃতীয় ওভারে আউট হন জশ্বস্বী জয়সোয়াল। তাঁকে ফেরান যশপ্রীত বুমরা। মাত্র ১ রান করে আউট হন জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের ষষ্ঠ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন টাইমল মিলস। এরপর বাটলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটি ওঠে ৮২। ২১ বলে ৩০ রান করে কায়রণ পোলার্ডের বলে আউট হন সঞ্জু। সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ৩টি ৪ ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৪ বলে ৩৫ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। হেটমায়ের আউট হওয়ার ২ বল পরেই আউট হন বাটলার। তার আগে অবশ্য তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেছিলেন। বাটলারে সেঞ্চুরি আসে ৬৬ বলে। মারেন ১১টি ৪ ও ৫টি ৬। ওভারের শেষ বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ফেরান বুমরা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ রান করে রাজস্থান রয়্যালস। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন বুমরা। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টাইমল মিলস। চলতি আইপিএলে এখনও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাত্র ১০ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন। তাঁকে ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। আনমোলপ্রীত সিংও (৫) রান পাননি। ৪ ওভারে ৪০ রান তোলার ফাঁকে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও তরুণ তিলক ভার্মা। তাঁর ব্যাটিং দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি জীবনের দ্বিতীয় আইপিএল ম্যাচ খেলছেন। ঈশানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১২.৫ ওভারে ১২১ রানও তুলে ফেলেছিল মুম্বই। ট্রেন্ট বোল্ট ঈশান কিশানকে (৪৩ বলে ৫৪) তুলে নিতেই ধস মুম্বই ইনিংসে। পরপর ফিরে যান তিলক ভার্মা (৩৩ বলে ৬১), টিম ডেভিড (১(১), ড্যানিয়েল সামস (০)। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন পোলার্ড (২৪ বলে ২২)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭০ তোলে মুম্বই। রাজস্ঝানের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নভদীপ সাইনি ও যুজবেন্দ্র চাহাল।

এপ্রিল ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌গত বছরের মতোই প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতা, বদলায়নি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

গত বছর আইপিএলে ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্য ডুবতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। সময় গড়িয়েছে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদে কিন্তু কোনও পরিবর্তন হয়নি। এবারও আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই ডুবতে হল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। রাজস্থান রয়্যালসের কাছে প্রথম ম্যাচে হারতে হল ৬১ রানে। বোলারদের পাশাপাশি জ্বলে উঠতে ব্যর্থ ব্যাটাররাও। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ২১০ রান তোলে রাজস্থান। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন হাফসেঞ্চুরি করলেও বাকি ব্যাটাররাও দলের বড় ইনিংসে অবদান রাখেন। দারুণ শুরু করে ছিলেন দুই ওপেনার জস বাটলার ও জস্বশ্বী জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে জুটিতে ওঠে ৫৮। এরপরই আউট হন জয়োসোয়াল (১৬ বলে ২০)। তাঁকে তুলে নেন রোমারিও শেফার্ড। জস বাটলার ২৮ বলে করেন ৩৫। ২৯ বলে ৪১ রান করে আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল।আগের বছরের ফর্ম ধরে রেখেছেন অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। তিনি ২৭ বলে ৫৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন। শেষ দিকে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ১৩ বলে ৩২ রান করে তিনি টি নটরাজনের বলে বোল্ড হন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে টি নটরাজন ও উমরান মালিক ২টি করে উইকেট নেন। ভুবনেশ্বর কুমার ও রোমারিও শেফার্ড ১টি করে উইকেট পান। এবছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটিং শক্তি খুব একটা খারাপ নয়। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন, রাহুল ত্রিপাঠী, নিকোলাস পুরান, এইডেন মার্করামের মতো ব্যাটাররা রয়েছেন। তা সত্ত্বেও প্রথম ম্যাচে ব্যর্থতা। আসলে সামনে বড় রানের টার্গেট চাপে ফেলে দিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। তার ওপর ট্রেন্ট বোল্ট, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণদের দুরন্ত বোলিং। শুরু থেকেই নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকে। পরপর ফিরে যান উইলিয়ামসন (২), রাহুল ত্রিপাঠী (০), নিকোলাস পুরান (০), অভিষেক শর্মা (৯), আব্দুল সামাদ (৪), রোমারিও শেফার্ডরা (২৪)। একসময় ৭৮ রানে ৬ উইকেট হারায় সানরাইজার্স। এরপর রুখে দাঁড়ান মার্করাম ও ওয়াশিংটন সুন্দর। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৯ রান তোলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ওয়াশিংটন সুন্দর ১৪ বলে করেন ৪০। মার্করান ৪১ বলে ৫৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। যুজবেন্দ্র চাহাল ২২ রানে ৩টি, প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ১৬ রানে ২টি ও ট্রেন্ট বোল্ট ২৩ রানে ২টি উইকেট নেন।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ যুজবেন্দ্র চাহালের

এবারের মেগা নিলামে সব দলই খোলনলচে বদলে গেছে। আগে প্রতিযোগিতায়গুলিতে ভাল পারফরমেন্স করা সত্ত্বেও নিয়মের যাঁতাকলে অনেক ক্রিকেটারকে ধরে রাখতে পারেনি পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজি। যুজবেন্দ্র চাহালকে অবশ্য কথা দিয়েও কথা রাখেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। পুরনো দলের বিরুদ্ধে এমনই মারাত্মক অভিযোগ এনেছেন চাহাল।আইপিএলে মঙ্গলবার মুখোমুখি হচ্ছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও রাজস্থান রয়্যালস। এবছর রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে নামবেন যুজবেন্দ্র চাহাল। রাজস্থান অবশ্য তাঁর কাছে নতুন নয়। ২০১০ সালে এই ফ্র্যাঞ্চাইজিতেই নাম লিখিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মরশুমে একটা ম্যাচেও খেলার সুযোগ পাননি চাহাল। পরের বছর যোগ দেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে। ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত থাকলেও মাত্র ১টা ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন। ২০১৪ সালের নিলামে তাঁকে তুলে নেয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ২০১৪ থেকে ২০২১, টানা ৮ বছর ছিলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে। খেলেছেন ১১৩টি ম্যাচ। উইকেট নিয়েছেন ১৩৯টি। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের সঙ্গে অন্যরকম সম্পর্ক তৈরি হয়ে গিয়েছিল। সেই দল তাঁকে রাখবে না, ভাবতে পারেননি চাহাল।রাজস্থান রয়্যালসের জার্সি গায়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করার আগে পুরনো দলের প্রতি অভিমান ঝড়ে পড়ছিল চাহালের গলায়। তিনি বলেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর আমাকে নিজেকে মেলে ধরার প্ল্যাটফর্ম দিয়েছিল। খ্যাতি, ভালবাসা সব পেয়েছি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স থেকে। কিন্তু আমার সঙ্গে এইরকম ব্যবহার করবে, ভাবতে পারিনি। কখনোই ভাবিনি আমাকে আরসিবি ছাড়তে হবে। অনেকেই হয়তো ভাবছে, আমি টাকার জন্য দল ছেড়েছি। আসলে তা নয়। আমাকে আরসিবির ক্রিকেট ডিরেক্টর মাইক হেসন বলেছিলেন, ওরা বিরাট, ম্যাক্সওয়েল ও মহম্মদ সিরাজকে ধরে রাখছে। সঙ্গে এও বলেছিলেন, আমাকে নিলাম থেকে নেওয়া হবে। কথা দিয়েও কিন্তু ওরা কথা রাখেনি।চাহাল আরও বলেন, আরসিবি যদি আমাকে ধরে রাখার প্রস্তাব দিত, আমি রাজি হয়ে যেতাম। কিন্তু সে সুযোগ দেয়নি। রাজস্থান রয়্যালস আমার ওপর ভরসা রেখেছে। এটাই আমার প্রথম দল। সেরাটা দিয়ে রাজস্থানকে সাফল্য এনে দেওয়ার চেষ্টা করব। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের হয়ে যেমন পারফরমেন্স করতাম, রাজস্থানের জার্সি গায়েও নিজেকে সেভাবে উজার করে দেব।

মার্চ ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়, তবু কি সেমিফাইনালে উঠতে পারবে ভারত?‌

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে পরপর দুই ম্যাচে হারে পর ঘুরে দাঁড়াল ভারত। গ্রুপ লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশকে ১১০ রানে উড়িয়ে মহিলাদের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে ওঠার রাস্তা অনেকটাই প্রশস্ত করলেন মিতালি রাজরা। ৬ ম্যাচে ভারতের পয়েন্ট দাঁড়াল ৬। ওয়েস্ট ইন্ডিজেরও পয়েন্ট ৬। নেট রান রেটে ক্যারিবিয়ানদের পেছনে ফেলে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে উঠে এল ভারত। ভারতের জয়ে এদিন বড় অবদান রাখলেন বোলাররা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ ছিল মরণবাঁচনের লড়াই। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মিতালি রাজ। লক্ষ্য ছিল বড় রান তুলে বাংলাদেশকে চাপে ফেলা। একই সঙ্গে বড় ব্যবধানে জিতে নেট রানরেট বাড়িয়ে রাখা। বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি নেট রান রেট বাড়ানোর লক্ষ্যে সফল মিতালি রাজরা। ব্যাট কতরতে নেমে এদিন ভাল শুরু করেছিলেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৪। এরপর হঠাৎই ধস নামে ভারতীয় ইনিংসে। পরপর ফিরে যান স্মৃতি মান্ধানা (৩০), শেফালি ভার্মা (৪২) ও মিতালি রাজ (০)। দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। ক্রিজে নেমে হরমনপ্রীত কাউর বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ঝুঁকি নিতে গিয়ে তিনি রান আউট হন। ৩৩ বলে ১৪ রান করেন হরমনপ্রীত। রিচা ঘোষ (২৬), পূজা বস্ত্রকার (অপরাজিত ৩০), স্নেহ রানাদের (২৭) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ২২৯ তোলে ভারত। বাংলাদেশের হয়ে রিতু মনি ৩৭ রানে ৩টি ও নাহিদা আখতার ৪২ রানে ২টি উইকেট নেন। জয়ের জন্য ২২৯ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ১২ রানে প্রথম উইকেট হারায়। এরপর নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে। বাংলাদেশের টপ অর্ডারের কোনও ব্যাটারই রান করতে পারেননি। একসময় ৩৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে লতা মণ্ডল (২৪) ও সালমা খাতুনের (৩২) জুটি বিপর্যয় কিছুটা সামাল দেয়। রিতু মনি করেন ১৬। ভারতের হয়ে স্নেহ রানা ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন। দুরন্ত বোলিং করে ১৯ রানে ২ উইকেট তুলে নেন ঝুলন গোস্বামী। পূজা বস্ত্রকার ২৬ রানে নেন ২ উইকেট। গ্রুপ লিগে ভারত শেষ ম্যাচে খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবে ভারত।

মার্চ ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাইলস্টোনের ম্যাচে ব্যর্থ ঝুলন, অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে সেমিফাইনাল কঠিন করে তুলল ভারত

মহিলাদের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যাওয়ার জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিতলেই সেমিফাইনাল অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যেত। কিন্তু টানটান উত্তেজনার ম্যাচে অসিদের কাছে ৬ উইকেটে হেরে সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা কঠিন করলে তুললেন মিতালি রাজরা। পরিস্থিতি এমন, সেমিফাইনালে যেতে গেলে শেষদুটি ম্যাচে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে শুধু হারালেই হবে না, নেট রানরেটেও এগিয়ে থাকতে হবে।অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। ৬ ওভারের মধ্যেই হারায় দুই ওপেনারকে। চতুর্থ ওভারের প্রথম বলেই ডার্সি ব্রাউন তুলে নেন স্মৃতি মান্ধানাকে (১০)। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে ফেরান আর এক ওপেনার শেফালি ভার্মাকে (১২)। মনে হচ্ছিল এদিনও ভারতের ব্যাটিং বিপর্যয় ঘটতে চলেছে। কিন্তু রুখে দাঁড়ান তিন নম্বরে নামা ইয়াস্তিকা ভাটিয়াকে নিয়ে রুখে দাঁড়ান অধিনায়ক মিতালি রাজ। বিশ্বকাপের আগের চারটি ম্যাচে রান পাননি আধিনায়ক মিতালি। কিন্তু এদিন দৃঢ়তার পরিচয় দিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান। ইয়াস্তিকার সঙ্রে ১৩০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেন। ৩২তম ওভারের চতুর্থ বলে আউট হন ইয়াস্তিকা। সেই ডার্সি ব্রাউন নিজের দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে তুলে নেন ইয়াস্তিকাকে। ৮৩ বলে তিনি করেন ৫৯। ভারতের রান তখন ১৫৮। ইয়াস্তিকা আউট হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ফেরেন মিতালি। ৯৬ বলে ৬৮ রান করেন তিনি। রিচা ঘোষ (৮) ও স্নেহ রানা (০) রান পাননি। শেষ দিকে হরমনপ্রীত কাউর (৪৭ বলে অপরাজিত ৫৭) ও পূজা বস্ত্রকারের (২৮ বলে ৩৪) দুরন্ত ব্যাটিং ভারতকে ২৭৭/৭ রানে পৌঁছে দেয়। জয়ের জন্য ২৭৮ রানের লক্ষ্য যথেষ্ট কঠিন ছিল অস্ট্রেলিয়ার কাছে। কারণ এত রান তাড়া করে মহিলাদের বিশ্বকাপে আগে কোনও দল জেতেনি। কিন্তুই অস্ট্রেলিয়ার দুই ওপেনার র্যাচেল হেনেস ও অ্যালিসা হিলি কাজটা অনেকটাই সহজ করে দেন। ওপেনিং জুটিতে ১৯ ওভারে দুজনে তুলে ফেলে ১২১। ভারতীয় বোলাররা এই দুই ওপেনারের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি। অবশেষে ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন স্নেহ রানা। ২০তম ওভারের দ্বিতীয় বলে অ্যালিসা হিলিকে (৬৫ বলে ৭২) তুলে নেন তিনি। পরের ওভারেই র্যাচেল হেনেসকে (৫৩ বলে ৪৩) ফেরান পূজা বস্ত্রকার। মনে হচ্ছিল পরপর দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে ফিরতে চলেছে ভারত। কিন্তু মিতালি রাজদের আশায় জল ঢেলে দেন মেগ ল্যানিং ও এলিসে পেরি। দুজনে মিলে জুটি তোলেন ১০৩ রান। এলিসে পেরিকে (২৮) ফেরান পূজা বস্ত্রকার। এরপরই বৃষ্টির জন্য কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। তাতেই মনোসংযোগে চিড় ধরানে মেগ ল্যানিংয়ের। বেথ মুনিকে সঙ্গে নিয়ে তিনি ধীরে ধীরে দলকে জয়ের দিকে টেনে নিয়ে যান। মেঘনা সিংয়ের বলে সেঞ্চুরির মুখে আউট হন ল্যানিং (১০৭ বলে ৯৭)। জয় থেকে অস্ট্রেলিয়া তখন ৮ রান দুরে। শেষ ওভারে অস্ট্রেলিয়আর জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪ রান। ঝুলন গোস্বামীর প্রথম বলেই ৪ মারেন মুনি। পরের বলে ২ রান নেন। তৃতীয় বলে আবার বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের সেমিফাইনাল খেলা নিশ্চিত করেন মুনি (২০ বলে অপরাজিত ৩০)। ৩ বল বাকি থাকতে ৪ উইকেটে ২৮০ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। এদিন দেশের হয়ে ২০০ তম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেললেন ঝুলন। মাইলস্টোনের ম্যাচে বল হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। ৯.৩ ওভারে ৬৪ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। ৪৩ রানে ২ উইকেট পান পূজা বস্ত্রকার।

মার্চ ১৯, ২০২২
দেশ

বিমানবন্দরে রক্ষীর নির্দেশে স্যুটকেস খুলতেই বেরিয়ে এল... অবাক কান্ড! বিড়ম্বনায় আইপিএস অফিসার

জয়পুর আন্তঃর্জাতিক বিমানবন্দরে বিড়ম্বনায় পড়লেন ওডিশার পরিবহণ কমিশনার অরুণ বোথরা। তাঁর সুটকেস থেকে উদ্ধার হওয়া মালপত্র দেখে হতবাক নিরাপত্তা রক্ষীরা। বিমানবন্দরে প্রবেশ করার পর সিকিউরিটি চেক-ইনে তাঁর লাগেজ স্ক্যানারে ঢোকাতেই চোখ কপালে নিরাপত্তারক্ষীদের।তিনি একজন আইপিএস অফিসার, সেই পরিচয় জানতে পেরেও তাঁকে বাধ্য করেন সুটকেস খুলে দেখাতে। স্বাভাবিক ভাবেই থিকথিকে ভিড়ে ঠাসা বিমানবন্দরে হাজির মানুষজন কৌতূহলে ভিড় জমিয়ে ফেলেন পরবর্তি ঘটনার জানার জন্য।অরুণ বোথরা পারিবারিক কাজে রাজস্থান থেকে ফিরছিলেন। বিমানবন্দরের অনভিপ্রেত ঘটনা পরম্পরাই চারপাশে উৎসাহী মানুষের চোখ তখন ওই স্যুটকেসের দিকে। কি থাকতে পারে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। অত্যুতশাহী কৌতূহলি মানুষজন যেন দু-চোখ দিয়েই স্ক্যান করে নেবে স্যুটকেসটি। উপচে পড়ছে ভিড়। নিয়ম বড় বালাই। তা সে সাধরন মানুষ কি আইপিএস কি শিল্পী। অগত্যা স্যুটকেসটি খুলে দেখাতেই হল বোথরা কে।Security staff at Jaipur airport asked to open my handbag 😐 pic.twitter.com/kxJUB5S3HZ Arun Bothra 🇮🇳 (@arunbothra) March 16, 2022সামাজিক মাধ্যম টুইটারে সেই খোলা স্যুটকেসেরই ছবি শেয়ার করেছেন বোথরা। ওডিশার পরিবহণ কমিশনার অরুণ বোথরার টুইটার ফলোয়ারের সংখ্যা এক লক্ষ ৩০ হাজার। কিছু ক্ষণের মধ্যেই মজার মজার রিটুইটে ভরে যায় টুইটার হ্যান্ডল।কী ছিল সেই স্যুটকেসে? জানলে অবাক হয়ে যাবেন! একজন আইপিএস এই সব জিনিস স্যুটকেসে নিয়ে এয়ার ট্রাভেল করতে পারেন? নিরপত্তারক্ষীদের নির্দেশে স্যুটকেস খুলতেই বেড়িতে এলো ১০ কেজি মটরশুঁটি! যা তিনি জয়পুর থেকে কিনে নিয়ে ওডিশায় আসছিলেন। রসিক আইপিএস জানাতে ভোলেননি তিনি ওই মটরশুঁটি ৪০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন।

মার্চ ১৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal