• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

PM

দেশ

Modi: স্কুল খোলার আগে বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আজ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গোটা দেশজুড়ে পালিত হবে শিক্ষক পর্ব। মঙ্গলবার অনুষ্ঠানের প্রারম্ভিক পর্বে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠানে শিক্ষাক্ষেত্রে একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে নিপুণ ভারত বিদ্যাঞ্জলি পোর্টালের জন্য নিষ্ঠা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য সাংকেতিক ভাষার অভিধান, অডিও বুক, সিবিএসই-র জন্য স্কুল কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স অ্য়ান্ড অ্যাসেসমেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক।আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়ের২০২১ সালের শিক্ষক পর্বের মূল থিম হল, মানানসই ও টেকসই স্কুল : ভারতের স্কুল থেকে জ্ঞান অর্জন। এই কর্মসূচি সারা দেশে ১২ দিনের জন্য পালিত হবে। শিক্ষক পর্ব শুধুমাত্র সকল স্তরে শিক্ষার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে নয়, সারা দেশের স্কুলে মান, উন্নত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন উদ্ভাবনী পন্থা নিয়ে আলোচনা হবে এই শিক্ষক পর্বে। আগামী দিনগুলিতে অডিও বুক এবং টকিং বুক শিক্ষাক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মত শিক্ষাবিদদের। এছাড়া সাংকেতিক ভাষাকেও এখন দেশে পাঠক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানিদেশে মোদি সরকারের আমলেই প্রথম এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামীদিনের ভারত গঠনের জন্য এই প্রকল্পগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ এখন স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করছে। আমরা যখন স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করব, তখন আমাদের দেশ কেমন হবে, তার জন্য আমাদের এখন থেকে সংকল্প করতে হবে। এছাড়া সদ্যসমাপ্ত হওয়া টোকিও অলিম্পিক্স এবং প্যারালিম্পিক্সে অংশগ্রহণকারীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ৭৫ টি স্কুল যাবেন এবং পড়ুয়াদের অনুপ্রাণিত করবেন বলেও জানান তিনি। স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে দেখা করলে পড়ুয়ারা তাঁদের থেকে অনুপ্রাণিত হতে পারবেন বলেও মনে করছেন প্রধানমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
দেশ

Modi-Tweet: দেশভাগের যন্ত্রণার স্মৃতি দিবস ঘোষণা মোদির

৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশ ভাগের স্মৃতি উস্কে ১৪ অগস্ট দিনটি পার্টিশন হররস রিমেমবারেন্স ডে হিসেবে পালনের ঘোষণা করলেন তিনি। দেশভাগের সময় যাঁদের প্রাণ গিয়েছে, তাঁদের স্মরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী।May the #PartitionHorrorsRemembranceDay keep reminding us of the need to remove the poison of social divisions, disharmony and further strengthen the spirit of oneness, social harmony and human empowerment. Narendra Modi (@narendramodi) August 14, 2021এ দিন প্রধানমন্ত্রী টুইটে লেখেন, দেশভাগের এই কষ্ট ভোলার নয়। এই দিনেই আমাদের লক্ষাধিক ভাইবোন একে অপরের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন এবং বহু মানুষ কেবল হিংসা ও ঘৃণার জেরে নিজেদের প্রাণ হারিয়েছিলেন। স্বাধীনতার জন্য দেশবাসীর আত্মত্যাগ ও প্রচেষ্টাকে সম্মান জানিয়েই ১৪ অগস্ট দিনটি দেশভাগের ভয়াবহতা স্মরণ দিবস হিসাবে পালন করা হবে।তিনি আরও লেখেন, এই দিনটি আমাদের বারবার মনে করিয়ে দিক যে সামাজিক বিভাজন, বিভেদ দূর করে একতা, সামাজিক সম্প্রীতি এবং ক্ষমতায়নের চেতনাকেই আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা স্মরণ করিয়ে দিতে থাকুক।এদিকে প্রধানমন্ত্রীর টুইটকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। দেশভাগের জন্য বিজেপিকে তোপ দেগেছেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। পাল্টা তোপ দেগেছেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। বিভাজনের রাজনীতি করছে সিপিএম। আক্রমণ বিজেপির।

আগস্ট ১৪, ২০২১
রাজ্য

Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা, মোদিকে কেন চিঠি দেবেন শুভেন্দু?

রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতির জন্য পুরোপুরি দায়ী রাজ্য সরকার। দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। সতর্কবার্তা পাওয়ার পরও রাজ্যের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। এই নিয়ে একটি চিঠি লিখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে তিনি নালিশ জানাবেন বলে নিজেই জানিয়েছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসি দিকে অভিযোগের আঙুল তুলুন না কেন, শুভেন্দু এ দিনের চিঠিতে লিখেছেন, রাজ্যের সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।ডিভিসি-র অতিরিক্ত পরিমাণ জল ছাড়া নিয়ে বুধবার প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দু এ দিন বলেন, আমিও আরেকটা চিঠি দেব। মুখ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য তিনি বলেন, গত ২৭ জুলাই ডিভিসি আপনাকে সাবধান করেছে। কিন্তু আপনার প্রশাসন কোথাও মাইকিং করে কি কাউকে সতর্ক করেছে? কোনও পদক্ষেপ করা হয়েছে? ডিভিসি-র মনিটরিং কমিটিতে সেচ দফতরের সচিব রয়েছেন। ডিভিসি তো রাজ্য সরকারেরও অংশীদার।উনি প্রধানমন্ত্রীকে লিখেছেন, আমি আজ পালটা আরেকটা চিঠি পাঠাচ্ছি প্রধানমন্ত্রীকে। সেই চিঠিতে আমি লিখছি, এই বন্যা এবং জল দুর্ভোগের জন্য একমাত্র দায়ী রাজ্য সরকার। কলকাতার সল্টলেকে উনি চালু করেছেন দুয়ারে নর্দমার জল প্রকল্প। এর জন্য দায়ী একমাত্র দায়ী এই রাজ্যের অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর প্রশাসন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কটিকাকরণ হোক বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ, রাজ্যের যে কোনও পরিস্থিতিতেই রাজনৈতিক টানাপড়েনের ঘটনা নতুন নয়। এ বারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে মমতা যথারীতি দুষেছেন কেন্দ্রীয় সরকার অধীনস্থ ডিভিসিকে। কিন্তু শুভেন্দু সেই অভিযোগের তির পালটা ঘুরিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের দিকে। মোদিকে দেওয়া চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ডিভিসি-র বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। বন্যা পরিস্থিতির জন্য দায়ী রাজ্য সরকার। পাশাপাশি নিজের চিঠিতে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, একটা সময়ের পর বাঁধগুলো থেকে জল ছাড়তেই হবে। নয়তো ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। রাজ্য সরকার জল ছাড়ার বিষয়ে পুরোটা জানলেও সতর্কতামূলক কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি, যে কারণে আজ কলকাতার পাশাপাশি একাধিক জেলার ডুবুডুবু পরিস্থিতি।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

CM letter to PM: ফের একবার মোদিকে চিঠি মমতার, কী বললেন চিঠিতে?

কেন্দ্র পর্যাপ্ত টিকা দিচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলে ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে মমতা অভিযোগ করেছেন, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যদিকে টিকাকরণের গতি ভাল হলেও চাহিদার তুলনায় বাংলা অনেক কম টিকা পাচ্ছে বলেই অভিযোগ করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমুক্তি ঘটল টোকিওতে, জার্মানিকে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারতবৃহস্পতিবার চিঠিতে মমতা লেখেন, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, কর্নাটকের মতো বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিকে অনেক বেশি পরিমাণে টিকা দিচ্ছে কেন্দ্র। অন্যান্য রাজ্য বেশি টিকা পেলে আমার কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু বাংলাকে বঞ্চিত হতে দেখে আমি চুপ করে থাকতে পারব না। মমতা আরও অভিযোগ করেছেন, টিকার জোগানে ঘাটতি নিয়ে বার বার কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। দিল্লি সফরে গিয়েও টিকার প্রসঙ্গ তুলেছেন। কিন্তু কোনও জবাব পাননি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাবে সংক্রমণ বাড়ায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় টিকাকরণের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু রাজ্যগুলিকে পর্যাপ্ত টিকা না পাঠানোর ফলেই প্রতি দিন হাজার হাজার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। তিনি জানান, বাংলায় এই মুহূর্তে প্রতি দিন ৪ লক্ষ টিকাকরণ হচ্ছে। রাজ্য প্রতিদিন ১১ লক্ষ টিকা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। কিন্তু সেই তুলনায় অনেক কম টিকা দেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৩ কোটি ৮ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে প্রথম টিকা পেয়েছেন ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষ। দ্বিতীয় টিকা পেয়েছেন ৮৮ লক্ষ ৯৩ হাজার মানুষ। পশ্চিমবঙ্গে টিকা সব থেকে কম নষ্ট হয়েছে বলেও দাবি করেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষকে টিকা দেওয়ার জন্য ১৪ কোটি টিকা প্রয়োজন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র মাত্র ২ কোটি ৬৮ লক্ষ টিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্র।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

Flood Situation: 'ম্যান মেড' বন্যার অভিযোগ দেগে মোদিকে কী বললেন মমতা?

আবহা্ওয়া খারাপ ও যান্ত্রিক ত্রুটি থাকায় হেলিকপ্টারে করে খানাকুলের বন্যা পরিস্থিতি দেখতে যেতে পারেননি। কিন্তু সড়কপথে উদয়নারায়ণপুর, আমতার বন্যা কবলীত এলাকা পরিদর্শন করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যার্তদের সাধ্যমত সাহায্যের আশ্বাসও দেন। এদিকে, এদিনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপে ডিভিসির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতিকে ম্যান মেড বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি দিয়ে সমস্ত বিষয় উল্লেখ করে সুরাহা চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে তিনি জানান, ডিভিসির ইচ্ছে মতো জল ছাড়ার কারণেই ২০১৫, ২০১৭, ২০১৯ সালের পর আবার এই বছর রাজ্যে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হল।চিঠিতে মমতা জানান, নিম্নচাপের কারণে বিগত কয়েক দিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গ এবং ঝাড়খণ্ডে টানা বৃষ্টি হয়ে চলেছে। আর এই সময়ে মাইথন, পাঞ্চেত ও তেনুঘাট জলাধার থেকে প্রায় দুলাখ কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি, যার জেরেই রাজ্যের হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ১৬ জনের প্রাণহানি ছাড়াও লাখ লাখ মানুষের জীবন-জীবিকা বিপর্যস্ত।আরও পড়ুনঃ ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ রানি রামপালরা, সামনে এবার ব্রোঞ্জের লড়াই২০১৫ সালের বন্যার সময়েও মোদির কাছে ডিভিসির সংস্কার, পলি পরিষ্কার এবং ডিভিসির জলধারণ ক্ষমতা ১.২ লক্ষ একর ফুট বাড়ানোর আবেদন করেছিলেন মমতা। সেই বিষয়টিও চিঠিতে উল্লেখ করেন মমতা। পলি পরিষ্কার করে পাঞ্চেত জলাধারের জল ধারণ ক্ষমতা ১০ কোটি কিউবিক মিটার এবং মাইথন বাঁধে একটি গোলাকৃতি জলাধার বানিয়ে জল ধারণ ক্ষমতা ১২ কোটি কিউবিক মিটার বাড়ানোর আবেদন সেই সময়ে করেছিলেন তিনি। সেই সঙ্গে ঝাড়খণ্ডের বেলপাহাড়ির কাছে ষষ্ঠ বাঁধ নির্মাণেরও দাবি জানিয়েছিলেন। এই বিষয়গুলি চিঠিতে উল্লেখ করে মমতা জানান, রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি আধিকারিকরা তো বটেই, তিনি নিজে এ বিষয়ে বার বার উদ্যোগী হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি।চিঠিতে মমতা জানান, ডিভিসির জলাধারে দীর্ঘদিন ধরে পলি পড়া এবং রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতির কারণেই সেগুলির জল ধারণ ক্ষমতা দিনে দিনে কমেছে। তার জন্যই বার বার বাংলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এরই সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে বঙ্গোপসাগরে ঘন ঘন নিম্নচাপ সৃষ্টি এবং লাগাতার ভারী বর্ষণ তো রয়েছেই। ঘন ঘন ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মনুষ্য-সৃষ্ট বন্যার কারণে ক্ষত-বিক্ষত বাংলা। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রের থেকে পর্যাপ্ত আর্থিক সাহায্য রাজ্য সরকার পাচ্ছে না বলে ফের প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ০৪, ২০২১
বিদেশ

Baiden-Kadhimi: ইরাক থেকে সরবে মার্কিন সেনা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা করেছেন, আমেরিকান যুদ্ধ বাহিনী (Combat Forces) চলতি বছরের শেষের দিকে ইরাক থেকে ফিরে আসবে। কিন্তু আমেরিকান বাহিনী ইরাকি সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান অব্যাহত রাখবে। সোমবার হোয়াইট হাউসে বাইডেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-কাদিমির সঙ্গে বৈঠক করার পরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর লড়াইয়ের মিশন শেষ করার কথা ঘোষণা করা হয়।আরও পড়ুনঃ দিল্লি রওনার আগে বড় ঘোষণা মমতারইরাকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে মার্কিন রাষ্ট্রপতি বলেছেন, আমরা ইরাকের গণতন্ত্রের শক্তিশালীকরণকে সমর্থন করি এবং আগামী অক্টোবরের নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমরা উদগ্রীব। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের সুরক্ষা সহযোগিতা, আইএসআইএসের বিরুদ্ধে আমাদের যৌথ লড়াইয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিডেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁরা এই নতুন পর্বে সরে আসার পরেও তাঁদের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ইরাকি প্রধানমন্ত্রী কাদিমী জবাবে বলেন, আজ আমাদের সম্পর্ক আগের চেয়ে আরও দৃঢ়। ইরাকের অস্থিরতা থামাতে কোনও বিদেশি যুদ্ধ সেনার আর প্রয়োজন নেই।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনইরাকে বর্তমানে ২,৫০০ মার্কিন সেনা রয়েছে। মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনী ২০০৩ সালে রাষ্ট্রপতি সাদ্দাম হুসেনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে এবং তাঁর বিধ্বংসী অস্ত্রের ব্যবহার ও ব্যাপক ধ্বংসলীলা নির্মূল করতে ইরাক আক্রমণ করেছিল। যার বাস্তবতা সেভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি। মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ও সেনারা শেষ পর্যন্ত ২০১১ সালে ইরাক থেকে সরে আসে। তবে তিন বছর পরে ইরাকি সরকারের অনুরোধে তারা আবার ফিরে এসেছিল। যখন আবার আইএসআইএস গ্রুপ ইরাকের বেশিরভাগ অঞ্চলে তাদের কার্যকলাপ শুরু করেছিল।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালমার্কিন-ইরাকি যৌথ বিবৃতিতে স্বাস্থ্য, জ্বালানি এবং অন্যান্য বিষয় সম্পর্কিত অনেকগুলি অসামরিক ও সামরিক চুক্তির বিশদ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তাঁরা ইরাককে বিশ্বব্যাপী কোভিড ভ্যাকসিন আদান-প্রদান নীতিকে মর্যাদা দিতে ফাইজার / বাইওএন্টেক তৈরি কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কোভাক্স-এর ৫০০,০০০০ ডোজ সরবরাহ করার পরিকল্পনা করেছে। বাইডেন জানিয়েছেন যে ডোজগুলি কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরাকে পৌঁছে যাবে।আরও পড়ুনঃ শেষ হল ওগো নিরুপমার শুটিংইরাকের আগামী অক্টোবরের নির্বাচন পরিচালনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরাককে সাহায্য করতে ৫.২ মিলিয়ন ডলার অর্থ সাহায্য করবে। বাইডেন বলেন, অক্টোবরে একটি সুষ্ঠ নির্বাচন দেখার অপেক্ষায় আছি।

জুলাই ২৭, ২০২১
রাজ্য

Higher Secondary: আজ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ

রাজ্যে চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিকের ফল আজ প্রকাশ করা হবে। বিকাল তিনটেয় আনুষ্ঠানিকভাবে পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার পরে বিকেল চারটে থেকে পরীক্ষার্থীরা www.exametc.com, www.indiaresults.com -এ জানতে পারবেন। এই ওয়েবসাইট ছাড়াও WB12 space (Registration No.) লিখে 56070 এই নম্বরে এসএমএস করে অথবা রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে www.results.shiksha এই মোবাইল অ্যাপ থেকে ফলাফল জানতে পারবেন। ২৩ তারিখ সকাল এগারোটা থেকে পরীক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট বণ্টন কেন্দ্র থেকে তাদের মার্কশিট ও অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে পারবেন বলে সংসদের তরফে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, করোনার জেরে চলতি বছরে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাওয়ার পরে বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে মূল্যায়ন পদ্ধতিতে ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে।

জুলাই ২২, ২০২১
দেশ

Modi: করোনাবিধি নিয়ে দেশবাসীর উদাসিনতায় উদ্বেগ প্রকাশ মোদির

দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতা একটু স্থিমিত হয়ে আসতেই মানুষ অতি উৎসাহে করোনাবিধি উপেক্ষা করে বেরিয়ে পড়েছেন বাইরে। হইহই করে চলছে পার্টি, খাওয়াদাওয়া, বাজার করা ও ঘুরে বেড়ানো। যা দেখে এবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। সম্প্রতি শৈলশহরে পর্যটকদের করোনাবিধি উপেক্ষা করে মজা করতে দেখা গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার নানা ভিডিওতে। তারমধ্যেই আইএমএ-র সতর্কবার্তাও এসে গিয়েছে তৃতীয় ঢেউ নিয়ে। এরপরই উত্তর-পূর্বের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন এদিন মোদি। বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগও প্রকাশ করেন। আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেতিনি বলেন, কোভিডের জেরে পর্যটন এবং ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তবে দুঃখের সঙ্গে এটাও জানাতে হচ্ছে যে ভাবে বিপুল সংখ্যক মানুষ শৈলশহরে যাচ্ছেন, বাজারে মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সেটা ঠিক হচ্ছে না।মঙ্গলবারই উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। পর্যটকরা যাতে কোভিডবিধি মেনে চলেন, জমায়েত না করেন সে বিষয়ে রাজ্যগুলিকে পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ এ মাসেইভাইরাস নিজে থেকে যায়-আসে না। স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করে মানুষই এই ভাইরাস বয়ে আনছে। যা কোনও ভাবেই কাম্য নয় বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, বিশেষজ্ঞরা বার বারই সতর্ক করছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে, জমায়েত না করতে। ভিড় রুখতে তাই দ্রুত পদক্ষেপ করা উচিত। একই সঙ্গে তাঁর বার্তা, কোভিডের তৃতীয় ঢেউ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত।

জুলাই ১৩, ২০২১
দেশ

CloudBrust: হড়পা বানে ভেসে গেল গাড়ি, দোকান

মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বানে বিপর্যস্ত হিমাচলপ্রদেশের ধরমশালা। এই হড়পা বানের বহু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে স্থানীয়দের। আটকে পড়েছেন অনেক পর্যটক। জলের তোড়ে ভেঙে পড়েছে বাড়ি, ভেসেছে গাড়ি। যদিও এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।এই বানের ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ধরমশালার ভাগসু নাগ এলাকায় রাস্তার উপর দিয়ে প্রবল বেগে জল বয়ে যাচ্ছে। সেই জলের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে গাড়ি। জলের তোড়ে বেশ কিছু বাড়িঘরের ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।The situation in Himachal Pradesh due to heavy rains is being closely monitored. Authorities are working with the State Government. All possible support is being extended. I pray for the safety of those in affected areas. Narendra Modi (@narendramodi) July 12, 2021ধরমশালা থেকে ৫৮ কিলোমিটার দূরে কাংড়া জেলায় প্রবল মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে। তার ফলেই এই হড়পা বান দেখা দিয়েছে। ভাগসু নাগের মতো নামকরা পর্যটন কেন্দ্র নদীর রূপ নিয়েছে। কাংড়া ছাড়াও বেশ কিছু জায়গায় প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত বলেই খবর। ঘটনায় টুইট করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারকে পা্শে থাকার সবরকম আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১২, ২০২১
দেশ

Covid Package: রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভার

মোদির নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পরই কোভিড মোকাবিলায় বড় প্যাকেজ ঘোষণা। কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৩,১২৩ কোটি টাকার বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করল কেন্দ্র। রদবদলের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক ছিল বৃহস্পতিবার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনে আয়োজিত সেই বৈঠকে অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলার উদ্দেশে এই আপৎকালীন বরাদ্দ অনুমোদন করা হয়েছে।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বরাদ্দ অর্থের মধ্যে ১৫ হাজার কোটি টাকা সরাসরি কেন্দ্র খরচ করবে। ৮ হাজার কোটি টাকা রাজ্যগুলির মধ্যে বণ্টন করা হবে। আগামী নমাসের মধ্যে এই কর্মসূচি কার্যকর করা হবে বলে কেন্দ্র জানিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ইশান্তের পরিবর্তে সিরাজকে খেলানোর ভাবনাবুধবার হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে গুজরাতের বিজেপি নেতা মনসুখ মাণ্ডব্যকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর মনসুখ বলেন, এই টাকায় দেশের ৭৩৬টি টি জেলায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে শিশু চিকিৎসা বিভাগ গড়া হবে। ব্যবস্থা হবে ২০ হাজার আইসিইউ শয্যার। পাশাপাশি, পর্যাপ্ত পরিমাণে ওষুধ এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম মজুত রাখা হবে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের তৃতীয় ঢেউয়ে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই সক্রিয়তা।নতুন এই ঘোষণা থেকে পরিষ্কার, করোনার মোকাবিলাকেই অগ্রাধিকার দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । বিরোধীদের অভিযোগ, দেশে করোনা সংকটের মোকাবিলার ব্যর্থতার অভিযোগই হর্ষবর্ধনকে সরিয়ে দেওয়ার প্রধান কারণ। আর এদিনও বৈঠকের পরেই করোনার প্যাকেজ ঘোষণা বুঝিয়ে দিল, মোদি সরকার অতিমারির মোকাবিলায় মরিয়া পদক্ষেপ করতে চাইছে।

জুলাই ০৮, ২০২১
রাজনীতি

CM letter to PM: পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মোদিকে প্রতিবাদী চিঠি মমতার

পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীকে প্রতিবাদী চিঠি মমতার। আগামী ১০ ও ১১ জুলাই রাজ্যজুড়ে জ্বালানি তেলের মৃল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাস্তায় নামতে তৃণমূল কংগ্রেস। তার আগেই আজ পেট্রোপণ্য ও নিত্যপ্রয়োজনী দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, যেভাবে পেট্রোপণ্যের দাম বেড়েছে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এর জন্য কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ করা উচিত।আরও পড়ুনঃ জল্পনার অবসান, তৃণমূলেই যোগ দিলেন প্রণবপুত্র অভিজিৎমমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, পেট্রোলের দাম কোনও কোনও রাজ্যে একশো টাকা ছুঁয়েছে। গত ৪ মে থেকে কেন্দ্র এখনও পর্যন্ত ডিজেলের দাম ৮ বার বাড়িয়েছে। এর মধ্যে জুনেই দাম বেড়েছে ৬ বার। এর ফলে মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কারণ জ্বালানির মূল্যবৃ্দ্ধির প্রভাব সরাসরি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের উপরে পড়ছে। প্রধানমন্ত্রীকে(Narendra Modi) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee) মনে করিয়ে দিয়েছেন, ২০২০ সালের মে মাসের তুলনায় এবছর মে মাসে খুচরো পণ্যের দামের সূচক বেড়েছে ১২.৯৪ শতাংশ। ভোজ্য তেলের দাম বেড়েছে ৩০.৮ শতাংশ, ডিমের দাম বেড়েছে ১৫.২ শতাংশ, ফলমূলের দাম বেড়েছে ১২ শতাংশ। এর পেছনে প্রত্যক্ষভাবে দায়ি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, পেট্রোলিয়াম প্রোডাক্ট থেকে সরকারের কর আদায় বেড়েছে ৩৭০ শতাংশ। এর পেছনে রয়েছে ওইসব পণ্যের উপরে কেন্দ্রের লাগাতার শুল্ক বৃদ্ধি। এরকম এক পরিস্থিতিতে রাজ্যসরকার পেট্রোল ও ডিজেলের উপরে শুল্কে কিছুটা ছাড়া দিয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রে সেস বাড়িয়েই চলেছে। আমার অনুরোধ, মানুষের উপর চাপ কমানোর জন্য পেট্রোল ও ডিজেলের উপরে কর কম করুক কেন্দ্রীয় সরকার।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজনীতি

Abhishek-Tweet: তুষার মেহতার অপসারণ চেয়ে মোদিকে চিঠি তৃণমূলের

দিল্লি সফরে গিয়ে নারদকাণ্ডে সিবিআইয়ের আইনজীবী তথা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন শুভেন্দু! আর এখান থেকেই শুরু বিতর্ক। অবিলম্বে সলিসিটর জেনারেলকে অপসারণের দাবি জানিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে তৃণমূল। যদিও তৃণমূলের এমন দাবিকে অস্বীকার করেছেন মেহতা। তাঁর দাবি, শুভেন্দু এসেছিলেন, কিন্তু তাঁর সঙ্গে দেখা করেননি।মেহতার এই সাফাই মানতে নারাজ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তাঁর দাবি, তুষার মেহতার বাসভবনে শুভেন্দু অধিকারী থাকাকালীন সিসিটিভি প্রকাশ্যে আনা হোক। আগাম না জানিয়ে কি শুভেন্দু তাঁর বাসভবনে গিয়েছিলেন? Reports state that Mr Adhikari entered Honble SGs residence in the presence of a cavalcade of officers and stayed there for nearly 30 minutes. Does that imply that a meeting was indeed due?As the episode gets murkier, one can only hope that the truth shall surface. (2/2) pic.twitter.com/MiVeCz5CB1 Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) July 2, 2021টুইটারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) লেখেস, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে গোপন বৈঠকের জল্পনা খারিজ করেছেন মেহতা। অধিকারী মহাশয় থাকাকালীন তাঁর বাড়ির নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করলেই তা বিশ্বাসযোগ্য হবে। সর্বোপরি সলিসিটর জেনারেলকে আগাম না জানিয়ে কি তাঁর বাড়িতে চলে গেলেন শ্রীযুক্ত অধিকারী? অভিষেক (Abhishek Banerjee) আরও লেখেন, জানতে পেরেছি আধিকারিকদের সঙ্গে সলিসিটর জেনারেলের অফিসে প্রায় ৩০ মিনিট কাটিয়েছেন শ্রীযুক্ত অধিকারী। বৈঠক কি আগে থেকে ঠিক করা ছিল? পুরো ঘটনাই অস্পষ্ট। আশা করি সত্য প্রকাশ্যে আসবে। আরও পড়ুনঃ ফের জম্মুর আকাশে পাক ড্রোনসলিসিটর জেনারেল পদ থেকে তুষার মেহতার অপসারণ চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে,সারদা ও নারদ মামলার তদন্ত করছে সিবিআই। ওই মামলায় সিবিআইয়ের আইনজীবী তুষার। দুই মামলায় অভিযুক্তের সঙ্গে কেন সাক্ষাৎ করেছেন তিনি? গোটা ঘটনায় শুক্রবার সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta) বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন,আগে থেকে না জানিয়ে গতকাল দুপুর ৩টে নাগাদ আমার বাসভবনে উপস্থিত হন শুভেন্দু অধিকারী। পূর্ব নির্ধারিত বৈঠকে ব্যস্ত থাকায় আমার কর্মীরা তাঁকে অপেক্ষা করতে বলেন। তাঁকে চা পানের প্রস্তাব দেওয়া হয়। বৈঠক শেষের পর আমার ব্যক্তিগত সচিব তাঁর আসার খবর দেন। তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারব না বলে শুভেন্দু অধিকারীকে অনুরোধ করার কথা জানিয়ে দিই ব্যক্তিগত সচিবকে। সে কারণে ক্ষমাও চাই। আমার ব্যক্তিগত সচিবকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু। জোরাজুরি না করে রওনা দেন। ফলে শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের কোনও প্রশ্নই ওঠে না।

জুলাই ০২, ২০২১
দেশ

Modi on Vaccination: টিকাকরণে গতি আনতে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাহায্য চাইলেন মোদি

করোনা টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার দেশের করোনা পরিস্থিতি ও টিকাকরণের হালহকিকত জানতে বৈঠকে বসেছিলেন তিনি। সেই বৈঠকে দেশে টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, আরও বেশি করে মানুষের কাছে টিকা পৌঁছে দিতে পারলে ভাল। সে কারণে টিকাকরণ কর্মসূচিতে একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকেও অন্তর্ভূক্ত করার কথা বলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ভুয়ো টিকা নিয়ে রাজ্যকে সতর্ক করল কেন্দ্রকেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরা প্রধানমন্ত্রীকে দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সবিস্তারে জানিয়েছেন। বয়স ভেদে কী ভাবে দেশে টিকাকরণ চলছে, সে বিষয়ে সবিস্তার তথ্য দিয়েছেন। স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের টিকাকরণের বিষয়েও খোঁজ নিয়েছেন মোদী। শেষ ছদিনে দেশে ৩ কোটি ৭০ লক্ষের বেশি মানুষকে করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে। মালয়েশিয়া বা সৌদি আরবের মতো দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার সমান মানুষকে টিকা দিতে পেরেছে ভারত। এই পরিসংখ্যানের কথা শুনেই প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি টিকাকরণের গতি নিয়ে সন্তুষ্ট। কিন্তু আগামী দিনেও এই গতি ধরে রাখতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন। টিকাকরণের এই বিপুল উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলিকে ডেকে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, ডেল্টা প্রজাতি ছড়িয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যে। করোনা সংক্রমণ দেশজুড়ে বিদ্যমান। এই পরিস্থিতিতে করোনা পরীক্ষার হার যাতে যথেষ্ট থাকে, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সে কারণে রাজ্যগুলির সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার পরামর্শ মোদির।

জুন ২৬, ২০২১
দেশ

Yoga Day: করোনা আবহে যোগ দিবসের গুরুত্ব বোঝালেন প্রধানমন্ত্রী

করোনার (Coronavirus) ধাক্কায় প্রায় বেসামাল গোটা দেশ। এই পরিস্থিতিতে শারীরিক সমস্যা যেমন চিন্তার কারণ ঠিক তেমনই একাকীত্বও গ্রাস করছে অনেককেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে মনের জোর বাড়িয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ক্ষেত্রে একমাত্র হাতিয়ার হতে পারে যোগব্যায়াম। সপ্তম যোগ দিবসে জাতির উদ্দেশে ভাষণে মন্তব্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এদিন এম যোগা নামে একটি অ্যাপেরও ঘোষণা করেন তিনি। চলতি বছরের থিম যোগা ফর ওয়েলনেস। ১৫ জন আধ্যাত্মিক নেতা ও যোগ গুরু এই অনুষ্ঠান যোগ দেন। সপ্তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে (International Yoga Day) ভার্চুয়ালি জাতির উদ্দেশে বক্তব্য রাখে প্রধানমন্ত্রী।Addressing the #YogaDay programme. https://t.co/tHrldDlX5c Narendra Modi (@narendramodi) June 21, 2021প্রধানমন্ত্রী জানান, এম যোগা অ্যাপে (M-Yoga App) বিভিন্ন ভাষায় যোগাভ্যাসের বিস্তারিত তথ্য থাকবে। বিভিন্ন প্রশিক্ষকরা শেখাবেন যোগাসন। যোগ দিবসের অনুষ্ঠান শেষের আগে আরও একবার এক বিশ্ব, এক স্বাস্থ্যর উপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় এম যোগা অ্যাপকে আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন তিনি। আরও পড়ুনঃ হিংসা নিয়ে রাজ্যপালকে নালিশ শুভেন্দুরকরোনা রোগীদের চিকিৎসাতেও যোগাসনের উপরেই জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানতে পেরেছেন করোনা রোগীদের চিকিৎসাতেও যোগাভ্যাসের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। এই সংক্রান্ত একাধিক ভিডিও তাঁর নজরে পড়েছে বলেও জানান মোদি। যোগাভ্যাসের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যেরও উন্নতি হয় বলেও জানান তিনি। মোদি আরও জানান, যোগাভ্যাসের মাধ্যমে নেতিবাচক মানসিকতা দূর হয়। বেড়ে ওঠে উদ্ভাবনী ক্ষমতা। তাই শিশুদের অনলাইন ক্লাসেও কমপক্ষে ১৫ মিনিট যোগাভ্যাসের উপর জোর দিয়েছেন তিনি। বিভিন্ন জায়গায় করোনার চিকিৎসাতেও যোগাসনের গুরত্ব নিয়েও গবেষণা হচ্ছে বলেও যোগ দিবসে জানান প্রধানমন্ত্রী।

জুন ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Milkha Singh: থেমে গেলেন মিলখা! জীবন যুদ্ধে ফটোফিনিশে হার মানলেন প্রতিদ্বন্দ্বী করোনার কাছে

শরীরে কোভিড থাবা বসানোর ৩০ দিনের মাথায় প্রয়াত হলেন পদ্মশ্রী মিলখা।মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯১। একমাস লড়াই করার পরে শুক্রবার তার ৯১ বছর বয়সী মিলখা কোভিড -১৯ এর কাছে হেরে যাওয়ার আগে, মিলখা কতরকমের লড়াইয়ে জিতেছিল সেগুলি অনেকের কাছে দঃস্বপ্ন, এক অদম্য লড়াইয়ের কাহিনি ইতি পড়ল।উড়ন্ত শিখ নামেই তিনি পরিচিত ছিলেন। রোম অলিম্পিকে মাত্র ০.১ সেকেন্ডের জন্য ব্রোঞ্জ পদক জিততে পারেননি। সেই মিলখা সিং (Milkha Singh) আর নেই। বাবার চলে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ছেলে গলফার জীব মিলখা সিং। কিংবদন্তি অ্যাথলিটের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ক্রীড়াজগত। শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। In the passing away of Shri Milkha Singh Ji, we have lost a colossal sportsperson, who captured the nations imagination and had a special place in the hearts of countless Indians. His inspiring personality endeared himself to millions. Anguished by his passing away. pic.twitter.com/h99RNbXI28 Narendra Modi (@narendramodi) June 18, 2021গত ২০ মে কোভিড (CoronaVirus) আক্রান্ত হয়েছিলেন মিলখা। তাঁর বাড়ির দুই পরিচারক করোনা সংক্রমিত হয়েছিলেন। বাড়ির অন্যান্যদের করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এলেও, মিলখার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িও ফিরে এসেছিলেন।করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পরও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন মিলখা। এর মধ্যেই দিন পাঁচেক আগে স্ত্রী নির্মল কৌর প্রয়াত হন।তিনিও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন মিলখা। রক্তে কমে যায় অক্সিজেনের মাত্রা। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে ছিল জ্বর। চণ্ডীগড়ের একটি হাসপাতালের আইসিইউ-তে রাখা হয় তাঁকে। শুক্রবার সন্ধে থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। শেষপর্যন্ত আর যুঝতে পারেনি তাঁর শরীর। চিন্তা করবেন না, আমার মনের প্রচুর জোর, আমি ভাল আছি ... আমি অবাক হচ্ছি, আমি কীভাবে এই করোনা তে সংক্রমিত হলাম? ... আমি আশা করি খুব তাড়াতাড়ি এটাকে হারিয়ে দেবো। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগে পিটিআইয়ের সাথে শেষ কথাবার্তায় মিলখা বলেছিলেন।তাঁর উত্থানের আগে ভারতে অ্যাথলিটক্স স্বমন্ধে সাধরন মানুষের মধ্যে সেভাবে উৎসাহ চোখে পরত না। তিনি স্বাধীন ভারতের এক অন্যতম জনপ্রিয় ক্রীড়া আইকন, জীবনের প্রতি পদক্ষপে তাঁকে লড়াই করে যেতে হয়েছে, কিন্তু তিনি কোনও দিনই সেগুলিকে সেইভাবে গুরুত্ব দিতে চাননি। তাঁর জীবনের বানী ছিল যন্ত্রণা আড়ালেই সাফল্য লুকিয়ে থাকে পাঞ্জাবের গোবিন্দপুর গ্রামে হতদরিদ্র এক পরিবারে মিলখার জন্ম। দারিদ্র্য এতটাই যে অন্য কিছু ভাবার অবকাশ কারও ছিল না। কোনওভাবে বেঁচে থাকাটাই ছিল বড় ব্যাপার। তিনি দেখেছিলেন যে দেশভাগের সময় তার বাবা-মা খুন হয়েছেন, দিল্লির শরণার্থী শিবিরে থাকার সময় ছট্টো অপরাধে জড়িয়ে পড়েছিলেন, তাঁকে সেটার জন্য হাজতবাস করতে হয়েছিলো। হাজতবাসের জন্য তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ ইচ্ছা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া পূরন হয়নি। কে ভেবে ছিল সেই মিলখাকে নিয়ে তাঁর আত্মজীবনী দ্য ফ্লাইং শিখ লেখা হবে? মিলখা দিনের পর দিন রক্ত ঘাম ঝড়িয়ে এটি অর্জন করেছেন এবং নিজেকে ওই কঠিন পরিস্থিতি থেকে কীভাবে আরও বড় এবং আরও উন্নত করে মাস্টার-ক্লাস নিয়ে যাওয়াজায় সেটাতেই মগ্ন ছিলেন।এই কিংবদন্তি অ্যাথলিট চারবারের এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদক (১৯৫৮ টোকিও, ১৯৬২ জাকার্তা), এবং ১৯৫৮ সালের কমনওয়েলথ গেমস চ্যাম্পিয়ন ছিলেন, মিলখা সিং কে বলতে যে দৌড়ের কথা এক পলকে মনে সেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সটি ছিল ১৯৬০ এর রোম অলিম্পিকের ৪০০ মিটার ফাইনাল, পদক না জিতলেও তা সারা পৃথবীর মানুষের মন জয় করে নিতে পেরে ছিলেন। তিনি চতুর্থ স্থান অর্জনকারী।মিলখা তাঁর ১৬০ পৃষ্ঠার আত্মজীবনীতে লিখেছিলেন আমার ক্যারিয়ারের জন্য আমি যে পদকটি জিততে চেয়েছিলাম সেটা হাত ফসকে গেছিলো বিচারকদের এক ছোট্টো ভুলের কারণে। তাঁর সে আত্মজীবনী আধারিত বলিউডের সিনেমা ভাগ মিলখা ভাগ চূড়ান্ত সাফল্য লাভ করে।৪০০ মিটার দৌড়ে তাঁর ইতালীর রাজধানীতে করা সময় ৩৮ বছর ধরে জাতীয় রেকর্ড থেকে যায়। ভারত সরকার তাঁকে পদ্মসন্মানে ভূষিত করেন ১৯৫৯এ, তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।১৯৫৮ র কমনওয়েলথ গেমসে ৪৪০গজ দৌড়ে তাঁর স্বর্ন পদক প্রাপ্তি বিশ্বে অ্যাথলেটিক্স মানচিত্রে ভারতকে এক আলাদা জায়গা করে দেয়। তবে অন্য কোনও কিছুর চেয়ে বড় কথা, মিলখা তিনিই ছিলেন যিনি ১৯৫৮ সালের ব্রিটিশ ও কমনওয়েলথ গেমসের তৎকালীন ৪৪০ গজ দৌড়ে সোনা জয়ের মাধ্যমে বিশ্ব মানচিত্রে ভারতীয় ক্রীড়াবিদকে রেখেছিলেন। এখানে বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য, মিলখার কমনওয়েলথ গেমসে ব্যাক্তিগত সাফল্যকে সন্মান ঞ্জাপন করতে তৎকালীন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছিলেন।মিলখা তার দীর্ঘ অ্যাথলেটিক্স ক্যারিয়ারে ৮০ টি প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণ করে তাঁর মধ্যে ৭৭ টিতে জয়লাভ করেন। মিলখার জীবন নিয়ে পরবর্তীকালে তৈরি হয় বায়োপিক ভাগ মিলখা ভাগ (Bhaag Milkha Bhaag)। মিলখার ভূমিকায় অভিনয় করেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আখতার। মিলখা সত্যিই দ্রুত গতিতে সব কিছুকে পিছনে ফেলে অস্পুট স্বরে ভাগ মিলখা ভাগ বলতে বলতে চলে গেলেন এক অজানার দেশে।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

Covid Hospital: রাজ্যে ২টি হাসপাতাল তৈরি করতে অর্থ বরাদ্দ পিএম কেয়ার্সের

কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরীকে দেওয়া কথা রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বহরমপুর এবং কল্যাণীতে জোড়া কোভিড হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু করে দিল DRDO। ওই হাসপাতাল দুটির জন্য PM-CAERS তহবিল থেকে ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে এমনই খবর মিলেছে।মুর্শিদাবাদে কোভিড চিকিৎসার উপযুক্ত পরিকাঠামো নেই। এই অভিযোগ তুলে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে বহরমপুরে ৫০০ বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করার অনুরোধ জানান অধীর (Adhir Ranjan Chowdhury)। চিঠি লেখার পাশাপাশি সিবিআই প্রধান নির্বাচনের বৈঠকের ফাঁকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই অস্থায়ী হাসপাতালের ব্যবস্থা করতে অনুরোধ করেন বহরমপুরের সাংসদ। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে আশ্বাস দেন, দ্রুত তাঁর লোকসভা কেন্দ্রে একটি বড় অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল তৈরি করবে DRDO। প্রথমে ঠিক ছিল ১ হাজার বেডের একটি অস্থায়ী কোভিড হাসপাতাল বহরমপুরে তৈরি হবে। সেই অনুযায়ী জমিও চাওয়া হয়।কিন্তু পরে দেখা যায় বহরমপুরে যে জায়গা হাসপাতালের জন্য বরাদ্দ হয়েছে, তাতে মেরেকেটে আড়াইশো বেডের হাসপাতাল তৈরি হতে পারে। তারপরই কেন্দ্রের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, PM CARES-এর টাকায় বহরমপুরে একটি এবং কল্যাণীতে একটি অস্থায়ী হাসপাতাল তৈরি করা হবে। দুটি হাসপাতালই তৈরি হবে আড়াশো বেডের। বুধবারই হাসপাতালগুলি তৈরির জন্য ৪১.৬২ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, দুটি হাসপাতাল তৈরির পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে একটি অক্সিজেন প্লান্ট তৈরিরও অনুরোধ জানিয়েছিলেন অধীর। DRDO ইতিমধ্যেই সেই প্লান্ট তৈরি করে দিয়েছে।

জুন ১৬, ২০২১
রাজ্য

বজ্রপাত: তিন জেলায় মৃত কমপক্ষে ২৭

প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে রাজ্যের তিন জেলায় বাজ পড়ে মৃত্যু হল অন্তত ২৭ জনের। হুগলিতে ৯ জন, পূর্ব মেদিনীপুরে ২ জন এবং মুর্শিদাবাদে ন জন প্রাণ হারিয়েছেন। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে টুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।My thoughts are with all those who lost their near and dear ones due to lightning in parts of West Bengal. May the injured recover at the earliest. Narendra Modi (@narendramodi) June 7, 2021প্রাক বর্ষার প্রবল বৃষ্টিতে (Rain) ফের ভিজল দক্ষিণবঙ্গ। বিকেল চারটে থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয় ঝড়বৃষ্টি। সঙ্গে বজ্রপাতও হয়। হুগলির পোলবার এক বাসিন্দা প্রাণ হারান প্রথমে। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয় মোট ৯। মুর্শিদাবাদের ৯ জন এবং পূর্ব মেদিনীপুরের দুজনেরও মৃত্যু হয়েছে। আগামী কয়েকদিনও এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সোমবার বিকেলে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টিতে দক্ষিণবঙ্গ যে ভাসতে চলেছে সে আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছিল হাওয়া অফিস। দুপুর গড়াতে না গড়াতে সেই আশঙ্কাই যেন সত্যি হল। কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। বিকেলেই যেন নেমে আসে সন্ধে। বইতে শুরু করে ঝোড়ো হাওয়া। তার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি। কলকাতা-সহ হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ সর্বত্র প্রায় একই পরিস্থিতি। জমিতে কাজ করার সময় হঠাৎ ঝড়বৃষ্টি এবং বজ্রপাতে মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জ থানার মির্জাপুরের নওদা এলাকায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়। পরে প্রাণ হারান আরও চারজন। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, প্রাক বর্ষার বৃষ্টিই চলছে দক্ষিণবঙ্গে। আগামী কয়েকদিন বিকেলের দিকে ঝড়বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। এদিকে, মৌসম ভবন সূত্রে প্রাপ্ত রেখাচিত্র অনুযায়ী, রবিবারই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, কালিম্পং ও আলিপুরদুয়ারে সম্পূর্ণভাবে বর্ষা প্রবেশ করেছে।

জুন ০৭, ২০২১
কলকাতা

কোভিড ত্রাণে সাহায্যের হাত বাড়াল এনআইটি দুর্গাপুর অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশন অফ নর্থ আমেরিকা

বিপদে পড়লে মানুষের পাশে থাকে মানুষই। আর যখন বিপদ মহামারির রূপে আসে, তখন একজন মানুষের সাহায্য ছাড়া আরেকজনের বাঁচার কোনও পথ থাকে না। কোভিড মহামারি পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষদের সাহায্যে তাই এবার এগিয়ে এলেন এন আই টি দুর্গাপুর অ্যালুমনি অ্যাসোসিয়েশন অফ নর্থ আমেরিকার সদস্যরা। অলাভজনক এই সংগঠনটির সদস্যরা অনুদান সংগ্রহ করে জীবনদায়ী সরঞ্জাম যেমন ভেন্টিলেটর, বিপিএপি, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর ও অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে রাজ্যের হাসপাতালগুলোকে। এই মর্মে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগীতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দিলীপ সিং মেহতা (ব্যবসায়ী, কোলকাতা), ইন্দ্রনীল মুখার্জী (প্রেসিডেন্ট,দূর্গাপুর রোটারি ক্লাব), গুনময় কুণ্ড (প্রাক্তনী এন আই টি দুর্গাপুর, অবসরপ্রাপ্ত জেনেরাল ম্যানেজার,ও এন জি সি) অদৃশ দাস (প্রাক্তনী এন আই টি দুর্গাপুর), বিশ্বজিৎ রায় (সানফ্রানসিসকো) যিনি নিজের শারীরিক অসুস্থতা কে উপেক্ষা করে বাকি সকলকে উৎসাহ দিয়ে চলেছেন, ডঃ সাহিল শর্মা, অক্সিজেন ইকুইপমেন্ট বিশেষজ্ঞ ডঃ অপূর্ব বসাক (প্রাক্তনী এন আই টি দুর্গাপুর, নিউইউর্ক) সহ আরও অনেকের সহযোগীতাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সংস্থার ভলান্টিয়ার। উত্তর আমেরিকায় বসবাসকারী ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেকনলজি দুর্গাপুরের প্রাক্তনীরা মিলে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ করে থাকেন। পড়ুয়াদের আর্থিকভাবে সাহায্য করাই হোক বা গবেষণামূলককাজে সাহায্য করা, সবসময়ই এগিয়ে এসেছেন এই সংগঠনের সদস্যরা। এবার করোনা মহামারির সময়, যখন অক্সিজেন, জীবনদায়ী ওষুধের জোগানের অভাব দেখা দিয়েছে, তখনই সবরকমভাবে সাহায্যে এগিয়ে এসেছে সংগঠনটি। সংস্থার অর্থ সাহায্যে কেনা হয়েছে, অক্সিজেন সিলিন্ডার, অক্সিজেন কনসেনট্রেটর, ভেন্টিলেটর প্রভৃতি। সংগঠনের সহ-সভাপতি সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, স্বচ্ছভাবে আর্থিক অনুদানের টাকা কাজে লাগানো হলে, এরকম সাহায্য আরও অনেক আসবে। সকলেই মনে করেন, তাঁদের টাকা ঠিক জায়গায় কাজে লাগানো হচ্ছে কী না। যদি এব্যাপারে আশ্বাস পাওয়া যায়, তাঁদের টাকায় সত্যি কেউ উপকৃত হচ্ছেন, তাহলে খুশি হয়ে সকলে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবেন। এরকম নন প্রফিট সংগঠনগুলো আরও বেশি করে এরকম কাজে এগিয়ে আসার যাতে উৎসাহ পান, সেজন্য বার্তাও দিতে চান তিনি।সংগঠনের পাঠানো মেডিক্যাল সরঞ্জাম পৌঁছতে চলেছে এসএসকেএম হাসপাতাল, এমআর বাঙুর হাসপাতাল, দুর্গাপুরের সাব ডিভিশনাল হাসপাতাল, গুরুদ্বারা বড়া শিখ সঙ্গত (কলকাতা), রোটারি ক্লাব অফ এন্ডেভিয়র (কলকাতা), শিলচরের নিস্বার্থ সেবা বরক, শুশুনিয়া হেলথ সেবা মিশন (বাঁকুড়া)। জানা গিয়েছে, আরও বেশ কিছু অক্সিজেন কনসেনট্রেটর এদেশে আসার জন্য তৈরি হয়ে রয়েছে। এই সমস্ত হাসপাতালগুলোর তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, এই মেডিক্যাল সরঞ্জামগুলো ১০০ শতাংশ বিনামূল্যে রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হবে। সরকার ও অন্যান্যদের সাহায্যে প্রকৃত চাহিদাসম্পন্ন মানুষের কাছে এই উপকারটুকু পৌঁছে দিতে পেরে সংগঠনের সদস্যরা কৃতজ্ঞ বলে জানিয়েছেন। আগামীদিনে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে বয়স্কদের টিকাকরণের কর্মসূচি নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে দুর্গাপুর এনআইটির প্রবাসী প্রাক্তনীরা।

জুন ০৪, ২০২১
রাজনীতি

আলাপনকে ফেরাতে করজোড়ে প্রধানমন্ত্রীকে আবেদন মমতার

প্রাকৃতিক সাইক্লোন কেটে গেলেও বঙ্গে রাজনৈতিক ঘূর্ণিঝড় যেন কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না। ৩ মাসের মেয়াদ বৃদ্ধি করার পরও আচমকাই রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে বদলির সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মমতা । কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপকে পুরোপুরি রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং প্রতিহিংসামূলক বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। মমতার তোপ, আলাপন কি একজন বাঙালি আমলা বলেই এত রাগ? প্রধানমন্ত্রীর কাজে করজোড়ে তাঁর অনুরোধ, এই নির্দেশ প্রত্যাহার করুন। এই নোংরা খেলা খেলবেন না।শুধু তাই নয়, মমতার বিরুদ্ধে রাগ মেটাতেই কি রাজ্যের মুখ্যসচিবকে এভাবে ডেকে নেওয়া হয়েছে? এই প্রশ্নও সরাসরি কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে ছুড়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত এবং নিয়োজিত এই আধিকারিকরা কিন্তু রাজ্যের আওতাধীন। উল্লেখ্য, গত ১০ মে মমতা একটি চিঠি লিখে আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেন মমতা। কারণ হিসেবে চিঠিতে উল্লেখ করেছিলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে দক্ষ আমলা প্রয়োজন। সেই মতো গত ২৪ মে পালটা চিঠি দিয়ে ৩ মাসের জন্য আলাপনের মেয়াদ বৃদ্ধি করে কেন্দ্র।কিন্তু গতকাল যশ পরবর্তী রিভিউ বৈঠকে নতুন করে কেন্দ্র-রাজ্যে তরজার কিছুক্ষণের মধ্যেই চিঠি লিখে আলাপনকে অব্যাহতি দিতে বলা হয়। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো ক্ষোভের সুরে এ দিন মমতা বলেন, মুখ্যসচিবের কী দোষ ছিল? উনি আমার সঙ্গে কাজ করছিলেন। মুখ্যসচিব তো একজন রাজ্য সরকারের আধিকারিক। হতেই পারে তাঁকে কেন্দ্র নিয়োগ করে। কিন্তু ওঁরা তো রাজ্যের হয়ে রাজ্যের জন্য করেন। কিন্তু কোনও আলোচনা ছাড়াই এমন নোটিস দেওয়ার মানেটা কী? আপনাদের কোনও সৌজন্য নেই?স্বাধীনতার পর থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে কি না সেটা নিয়েও এ দিন প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। তিনি বলেন, আপনারা শুধু মাত্র আমাকে বিরক্ত করছেন না, আমার মুখ্যসচিবকে, আমার সচিবালয়কে বিরক্ত করছেন। এটা গোটা দেশের আইএএস অফিসারদের অপমান। আমরা বিরাট ব্যবধানে জয় পেয়েছি এটাই কি আমাদের অপরাধ? আমি আপনার কাছে নমস্কার করে বলব প্রধানমন্ত্রী, যদি আপনার কোনও রাগ আমার উপর থাকে, আপনার দুটো পা ধরলে আপনি যদি খুশি হন আমি তাই করব। বাংলার জন্য আমি তাই করতে পারি। কিন্তু দয়া করে এই নোংরা খেলা না খেলে এই নির্দেশ প্রত্যাহার করুন।

মে ২৯, ২০২১
দেশ

কিষাণ সম্মান নিধির প্রথম কিস্তির টাকা পেলেন রাজ্যের ৭ লক্ষের বেশি কৃষক

রাজ্যের কৃষকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।দীর্ঘ প্রতিক্ষার ও টালবাহানার শেষে রাজ্যের কৃষকরা বুধবার প্রধানমন্ত্রী কৃষক সম্মান নিধি যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। রাজ্যের বিধানসবা নির্বাচনের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন ভোটের পরেই রাজ্যের কৃষকেরা ওই প্রকল্পের সুযোগ পাবেন। ভোটে বিজেপির জয় হয়নি। কিন্তু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসেননি মোদি।তাই এদিন এরাজ্যের সাত লক্ষের বেশি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি প্রকল্পের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র।রাজ্য সরকার প্রকল্পে সামিল না হওয়ায় যারা এতদিন ওই প্রকল্পের সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এদিন ডিজিটাল পদ্ধতিতে সারাদেশে প্রায় ৯ কোটি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এই অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। যার মধ্যে এরাজ্যে সাত লক্ষর বেশি কৃষক সুবিধা পেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে ছোট ও মাঝারি কৃষকরা সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন। রাজ্য সরকারের পাঠানো তালিকা অনুযায়ী আগামী দিনে আরো বেশি সংখ্যক কৃষককে এই যোজনার আওতায় আনা হবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন।অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্যই এই প্রকল্পের সুযোগ বাংলার কৃষকদের কাছে পৌঁছল বলে দাবি করেছে রাজ্য সরকার। তাঁর প্রচেষ্টা এবং হস্তক্ষেপেই রাজ্যের সাত লক্ষের বেশি কৃষক কিষান সম্মান নিধি প্রকল্প প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে এদিন এবিষয়ে টুইট করা হয়। যেখানে দাবি করা হয়েছে, রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ওই টাকা পাঠানো হয়েছে। রাজ্য সরকার আগামী দিনেও কৃষকদের স্বার্থে লড়াই করে যাবে । যদিও প্রধানমন্ত্রীর কিষান সম্মান নিধি প্রকল্পের সুবিধা প্রদান অনুষ্ঠানে রাজ্যকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফে।২০১৮ সালে প্রথম চালু হয়েছিল পিএম-কিষাণ প্রকল্পটি। দেশের কৃষকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই এই প্রকল্প চালু করেছিল মোদি সরকার। এই প্রকল্পের আওতায় সুবিধাভোগীরা প্রতি বছর ৬০০০ টাকা করে নগদ সহায়তা পান। ৪ মাস বাদে বাদে ২০০০ টাকা করে করে তিনটি কিস্তিতে এই অর্থ প্রদান করা হয়। এই প্রকল্পটি মূলত গরিব কৃষকদের জন্যই করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার, সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, এই প্রকল্পের আওতায় এখনও পর্যন্ত ১.১৫ লক্ষ কোটি টাকা কৃষক পরিবারগুলির ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে।

মে ১৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal