• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Order

দেশ

চার বছর পাকিস্তানের জেলে কাটিয়ে আবারও সীমান্তে! কে এই রহস্যময় প্রশান্ত?

রাজস্থানের বিকানের সীমান্তে এক যুবককে পাকাপাকি ভাবে পাকিস্তানে ঢোকার চেষ্টা করতে গিয়ে ধরল বিএসএফ। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, সীমান্তের বালির পাহাড়ের আড়ালে কি সত্যিই কোনও গোপন রুট রয়েছে? শনিবার রাতে পাকিস্তান সীমান্তের নিষিদ্ধ এলাকা থেকে ধরা পড়েছে অন্ধ্র প্রদেশের বাসিন্দা প্রশান্ত ভেদম। সে সরাসরি জানিয়েছে, তার উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানে চলে যাওয়া।বিএসএফ জানায়, প্রশান্ত বিশাখাপত্তনম থেকে বেরিয়ে দেশের কয়েকটি জায়গা ঘুরে সোজা বিকানের সীমান্তে পৌঁছেছিল। থর মরুভূমিতে সে উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটছিল, কিন্তু তার পথ একেবারেই সীমান্তের দিকে ছিল। ধরা পড়ার পর সে স্বীকার করে যে কাঁটাতারের কোনও ফাঁক খুঁজছিল, যেখান দিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে যেতে পারবে। তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়তেই বিএসএফ তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।এই ঘটনায় গোয়েন্দাদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে, কারণ জেরায় উঠে এসেছে আরও বড় তথ্য২০১৭ সালেও পাকিস্তানে ঢুকে পড়েছিল প্রশান্ত। তখন কারনি পোস্ট দিয়ে সে সীমান্ত পেরোয়। পাক সেনা তাকে গ্রেফতার করে এবং প্রায় চার বছর জেলে রাখে। ২০২১ সালে তাকে আত্তারি সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। এর পরও কেন সে ফের পাকিস্তানে ঢোকার চেষ্টা করল, তা নিয়েই সবচেয়ে বড় রহস্য তৈরি হয়েছে।গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন প্রশান্ত একাই এসেছে, নাকি কারও নির্দেশে এসেছে। বিশাখাপত্তনম থেকে বিকানেরে কীভাবে এল, পথে কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না, সব কিছুই তদন্ত করা হচ্ছে। বিএসএফ, গোয়েন্দা ও স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে এলাকা ঘিরে তদন্ত চালাচ্ছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

সিন্ধ কি ভারতের মানচিত্রে ফিরছে? বেড়ে চলেছে রাজনৈতিক জল্পনা

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভারতপাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ক যখন তলানিতে, ঠিক সেই সময়েই সিন্ধ প্রদেশকে ঘিরে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর বক্তব্যে যেন ফিরে এল ইতিহাস১৯৪৭ সালের দেশভাগ, সিন্ধের বিচ্ছেদ, আর সেই স্মৃতির ক্ষত। দিল্লির এক অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেন, সিন্ধি হিন্দুরা কোনওদিনও মেনে নিতে পারেননি তাঁদের জন্মভূমি পাকিস্তানে চলে যাওয়াকে। এরপরই তিনি এমন মন্তব্য করেন যা মুহূর্তে রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছেকে জানে, কাল হয়তো সিন্ধ আবার ভারতেই ফিরে আসবে।রাজনাথ সিং জানান, লালকৃষ্ণ আডবাণীর লেখায় তিনি পড়েছিলেন কীভাবে দেশভাগের সময়ে সিন্ধি হিন্দুরা নিজেদের জন্মভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বেদনা সারা জীবন বয়ে বেড়িয়েছেন। স্বাধীনতার পরে বহু সিন্ধি হিন্দুই ভারতবর্ষে চলে আসেন। কিন্তু মন থেকে তাঁরা কখনওই সিন্ধ হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে পারেননি। সেই প্রসঙ্গেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সিন্ধ আজ ভারতের ভৌগোলিক অংশ নয়। তবে সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দিক থেকে সিন্ধ সবসময়ই ভারতের অঙ্গ। আর সীমান্ত বদলাতে পারেএটাই ইতিহাস বলে। কে বলতে পারে, কাল সিন্ধ আবার ভারতের সঙ্গেই যুক্ত হলো!তিনি আরও বলেন, যাঁরা সিন্ধু নদীকে পবিত্র মনে করেন, তাঁরা আমাদের। তাঁরা কোথায় থাকেন, সেটা মুখ্য নয়। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও শুরু হয়েছে জল্পনাএ কি কূটনৈতিক বার্তা, নাকি ভবিষ্যতের কোনও ইঙ্গিত?গুজরাট ও রাজস্থানের সীমান্ত ছুঁয়ে থাকা সিন্ধ প্রদেশ নিয়ে এই বক্তব্য পাকিস্তানকে স্বভাবতই অস্বস্তিতে ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত। এর আগেও রাজনাথ সিং স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেনপাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ হিসেবেই থাকবে। এবার সিন্ধকে ঘিরে তাঁর মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তপ্ত ভারতপাক সম্পর্কের আবহে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্য কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
রাজ্য

FIP–এ বায়োমেট্রিক ধরে ফেলল সব! বহু বাংলাদেশির কাছে মিলল ভারতীয় নথিও

পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা জুড়ে ফের তীব্র হল BSFএর নজরদারি। গত মাত্র সাতআট দিনের মধ্যেই স্বরূপনগরের হাকিমপুর ও তারালি সীমান্ত থেকে অন্তত ১৭২০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অবৈধভাবে ভারত প্রবেশের অভিযোগেই তাঁদের প্রত্যাবর্তন। সীমান্ত জুড়ে এই সংখ্যাটি প্রশাসনকে নতুন করে ভাবাচ্ছে।BSF এবং পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক। কেউ কাজের সন্ধানে, কেউ আত্মীয়ের কাছে, আবার কেউ পাচারকারীর মাধ্যমে দালাল চক্রের হাত ধরে অবৈধভাবে এইপারে এসেছিলেন। ধরা পড়ার পর তাঁদের প্রত্যেককে নিয়ে যাওয়া হয় নির্দিষ্ট সুরক্ষা কেন্দ্রে, যেখানে প্রথমেই ফরেনার্স আইডেন্টিফিকেশন পোর্টালে তাঁদের বায়োমেট্রিক, ফেসিয়াল ও ডেমোগ্রাফিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই সমস্ত তথ্য পাঠানো হচ্ছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের কাছে, যেখানে খতিয়ে দেখা হচ্ছেভারতে এসে কেউ কোনও অপরাধে যুক্ত ছিলেন কি না।পুলিশি ক্লিয়ারেন্স মেললেই তাঁদের বাংলাদেশে ফেরানো হচ্ছে। আর সেখানেই সামনে আসছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য। বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিকের কাছ থেকে একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার হয়েছেআধার, ভোটার আইডি, এমনকি প্যান কার্ডও। ফলে সীমান্তের দালাল নেটওয়ার্ক ঠিক কতটা গভীরভাবে কাজ করছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। এসব নথির উৎস খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আধার কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হচ্ছে তথ্য।BSFএর দাবি, হাকিমপুর ও তারালি এলাকায় গত কয়েক দিনে নজিরবিহীনভাবে বেড়ে গিয়েছে অনুপ্রবেশের ঘটনা। একদিকে অসম, অন্যদিকে নদীপথ ও সবুজ সীমানাসব মিলিয়ে সীমান্তের অনেক অংশে নজরদারি কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে BSFএর ধারাবাহিক অভিযানেই মাত্র এক সপ্তাহে ১৭২০ জনকে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে।কেন এত বড় সংখ্যায় বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছেনতার কারণ খুঁজতে এখন মাঠে নেমেছে গোয়েন্দা সংস্থাও। প্রশাসনের আশঙ্কা, সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের পাশাপাশি পাচারকারী ও মানবব্যবসায়ী চক্রও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

নির্ধারিত দিনেই SSC-এর পরীক্ষা, দাগিরা সুযোগ পেলে 'ফল' ভুগবে রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বেআইনি নিয়োগ-কেলেঙ্কারির কারণে দাগি (অযোগ্য) প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) আসন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, নিয়োগ পরীক্ষার নির্ধারিত দিন ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর বজায় রেখে পরীক্ষা বাধা ছাড়াই সম্পন্ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এক জন দাগি অযোগ্য প্রার্থীও যেন পরীক্ষায় বসতে না পারে তা নিশ্চিত করা SSC কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব ।SSC-এর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১,৯০০ জন প্রার্থী দাগি বা অযোগ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত ।সুপ্রিম কোর্ট SSC-কে এক সপ্তাহের মধ্যে (৭ দিনের মধ্যে) অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়; তা না হলে SSC-কে ফল ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।কলকাতা হাইকোর্ট আগেই দাগি প্রার্থীদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন, যা upheld হয় ডিভিশন বেঞ্চের মাধ্যমে ।একই সঙ্গে এদিন আদালত জানিয়েছে, অযোগ্যদের পুনরায় সুযোগ দেওয়ার SSC ও রাজ্য সরকারের যুক্তিও দ্বিগুণ শাস্তির সমতুল্য হবে। আদালত ত আরো জানিয়েছে, সমাজে প্রতারণার জন্য কোন স্থান নেই।স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, এসএসসির আইনজীবী এদিন জানিয়েছেন দাগী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ১,৯০০ জন।SSC-কে সেই নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।বিধি লঙ্ঘনের ফল SSC-কে ভোগ করতে হবে বলেও এদিন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই বক্তব্যের পর এসএসসি-র তরফে আইনজীবী জানিয়েছেন, সম্ভব হলে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবারই দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে স্পষ্ট যে, নিয়োগে স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে দাগি প্রার্থীরা কোনোভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবে না, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়মতো, আইনগত ও নৈতিক মানদণ্ড অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

মাতৃ ভাষার আবেগে ছেদ, এবার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে মিলনের দৃশ্য অধরা

পেট্রাপোল বন্দরে দুই দেশের যৌথ উদ্যোগে উদযাপিত হচ্ছে না ভাষা দিবস। চেনা পেট্রাপলে এবার একুশে ফেব্রুয়ারিতে অচেনা ছবি। প্রতিবছর একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা দিবসে দুই বাংলার মানুষ জিরো পয়েন্টে একত্রিত হয়, মেলবন্ধন ঘটে দুই বাংলার। বাংলাদেশে ইউনূস ক্ষমতায় আসার পর দুই বাংলার সেই আবেগে ছেদ পড়লো। পরশী দেশে অস্থির পরিস্থিতির জেরে জিরো পয়েন্টে এবার সেই ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান হল না। ফলে মন খারাপ ভাষা প্রেমীদের।স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভাষা দিবস উদযাপনী অনুষ্ঠান নিয়ে তেমন উৎসাহ দেখায়নি। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এই নিয়ে কোন বার্তা বা যোগাযোগও করেনি তাদের সাথে। বাংলাদেশের সদিচ্ছার অভাব থাকায় এবার পেট্রাপোলে দুই বাংলার মিলন হলো না। বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ প্রসেনজিত ঘোষ বলেছেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আমাদের সাথে ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান নিয়ে যোগাযোগ করেনি। আমরা যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদের দিক থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। তাদের সদিচ্ছার অভাবেই দুই বাংলার মিলন হলো না। আঘাত ভাষা প্রেমী মানুষের ভাবাবেগে।বিগত বছরগুলিতে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্তে নো-ম্যান্সল্যান্ডে ভারত বাংলাদেশ যৌথ ভাবে ভাষা দিবস উৎযাপন করে এসেছে। এই দিনে সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া মলিন হয়ে যেত। থাকত না সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর কড়া দৃষ্টি। সীমান্তে এসে মিলত হত দুই বাংলার অগণিত ভাষা প্রেমী মানুষ। কিন্তু এবার দেখা গেল না সেই মিলনের ছবি। একুশের দিনে কার্যত ফাঁকা পড়েই রইল জিরো পয়েন্ট। বাংলাদেশের বেনাপোলেও দেখা মিলল না বাংলাদেশিদের। অল্প কিছু সংখ্যক মানুষ যারা পেট্রাপোল সীমান্ত এসেছিলেন তারাও ভারাক্রান্ত মনে ফিরলেন সীমান্ত থেকে। তবে সাধারণ মানুষের আবেগের কথা মাথায় রেখে প্রতিবছরের মতো এ বছরও ভারতীয় ভূখণ্ডে ছয়ঘড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এবং বনগাঁ পঞ্চায়েত সমিতির যৌথ উদ্যোগে ভাষা দিবস উদযাপনের আয়োজন করা হয়। পেট্রাপোলে নির্মিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে পুস্পার্ঘ নিবেদনের মধ্য দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫
রাজ্য

বিএসএফের পোষাক পরা তিন ব্যক্তি গ্রেফতার, মালদার বাংলাদেশ সীমান্তে তারা কি করছিলেন?

বিএসএফের পোষাক পরে পাচারের সময় ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা তিনজনকে আটক কা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়ছে দুইটি মোষ। উদ্ধার হয়েছে একটি নকল বন্দুক ও ধারালো অস্ত্র। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হবিবপুর থানার ৮৮ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের পান্নাপুর সীমান্তে। ঘটনার পর থেকে ওই সীমান্ত এলাকায় কড়া প্রহরা শুরু হয়েছে। বিএসএফ সূত্রে খবর,ধৃতদেরকে ইতিমধ্যে হবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মোষগুলিকে ই-ট্যাগিংয়ের পরে তুলে দেওয়া হয়েছে একটা সংস্থার হাতে। এদিন রাতে বেশ কয়েকজন পাচারকারী বিএসএফের পোষাক পরে ভারতে থেকে মোষ পাচার করছিল। সেই সময় ওই সীমান্ত এলাকায় প্রহরারত ৮৮ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের বিএসএফ জওয়ানরা ঘটনা দেখতে পেয়ে ধাওয়া করলে তিনজন ভারতীয় পাচারকারীকে আটক করে।ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দুইটি মোষ। দুইটি ধারালো অস্ত্র ইতিমধ্যে ধৃতদের হবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। রাতের অন্ধকারে এবার বিএসএফের পোষাক পরে মহিষ পাচার বিএসএফের মাথা ব্যথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বি এস এফের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে ঘটনার পর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিএসএফের দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের জনসংযোগকারী অফিসার নীলোৎপল কুমার পান্ডে বলেন, চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিএসএফ কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। সীমান্তে অবৈধ কার্যকলাপ রুখতে বিএসএফ সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের জওয়ানরা সর্বদা সতর্ক এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ বা চোরাচালানের যেকোনো প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে প্রস্তুত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫
রাজ্য

উত্তর ২৪ পরগণায় বাংলাদেশ সীমান্তে ফেন্সিংয়ের তৎপরতা, ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক বিএসএফের

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের বিস্তীর্ণ অংশে এখনও কাঁটা তারের বেড়া নেই। সম্প্রতি মালদার বৈষ্ণবনগরের সীমান্ত এলাকায় শুধু বিএসএফের সঙ্গে বিজিবির নয়, দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ফেন্সিং দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এদিকে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের সীমান্ত এলাকায় নানা জায়গায় কাঁটা তারের ফেন্সিং নেই। সেই এলাকায় কাঁটাতার দিতে গাইঘাটা ব্লক অফিসে বিএসএফ এর সঙ্গে বৈঠক করল ব্লক প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ-এর ৫ ও ১৪৩ নম্বর ব্যাটেলিয়নের আধিকারিকরা। তাছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাইঘাটার বিডিও, গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও ব্লকের ভূমি রাজস্ব দপ্তরে আধিকারিকরা। গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, রামনগর এবং ঝাউডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে সীমান্ত পড়ছে। এই এলাকায় কাটাতার দেওয়ার জন্য প্রায় ১০০ একর জমি কেনা হবে। জমি নিয়ে কোন সমস্যা নেই। জমি কেনার কাজ শুরু হয়েছে। গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইলা বাগচি বলেন, গাইঘাটা ব্লকে সীমান্তে কাটাতার দেওয়া নিয়ে কোন জমি জট নেই। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে জমি মাপা হয়ে যাবে।

জানুয়ারি ২১, ২০২৫
রাজ্য

মালদার গ্রামে ফসল লুঠের অভিযোগ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে, সীমান্তে দুই পাড়ের বাসিন্দাদের খন্ডযুদ্ধে ধুন্ধুমার

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের উত্তেজনা যেন কিছুতেই থামছে না। এবার মালদার বৈষ্ণবনগর থানার সুকদেবপুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফসল লুঠ করাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো। শনিবার ওপার সীমান্তের বাংলাদেশীরা এপারে প্রবেশ করে কৃষকদের ফসল লুঠ করে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেশ কয়েকটি সীমান্তের আম গাছও কেটে ফেলে বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিএসএফের ১১৫ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানদের ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে হয়। কিন্তু কর্তব্যরত জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইঁট, পাথর ছুড়ে বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা। তাতেই দুই বিএসএফ জওয়ান জখম হন। এই দৃশ্য দেখে বসে থাকেনি সুকদেবপুর গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরা হাতে বাঁশ, লাঠি নিয়ে বাংলাদেশীদের ধাওয়া করে। তখনই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সীমান্তের ওপারে পালিয়ে যায় বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় বিজিবি(বর্ডার গার্ড অফ বাংলাদেশ) সদস্যদের মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত সুকদেবপুর সীমান্তে চলে দুই সীমান্তের বাসিন্দাদের মধ্যে খন্ডযুদ্ধ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই পক্ষের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীদের শূন্যে কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে হয় বলে অভিযোগ। যদিও বিএসএফের পদস্থ কর্তাদের উপস্থিতির পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। কিন্তু এই ঘটনার পর এখনও থমথেমে রয়েছে মালদার সুকদেবপুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সুকদেবপুর গ্রামের গোপাল মন্ডল এবং তপন ঘোষের গমের জমির ফসল লুঠ করছিল বাংলাদেশীরা। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট এলাকার এক পঞ্চায়েত সদস্যের আম গাছ কেটে সাফ করে দেয় বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ। সেই সময় প্রথমেই কর্তব্যরত বিএসএফের ১১৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা বাধা দেয়। তখন ওপারের একশোরও বেশি বাংলাদেশীরা ইঁট, পাথর ছুঁড়ে বিএসএফের ওপর হামলা চালায়। এই পরিস্থিতির বিষয়টি সীমান্তের এপারের গ্রামবাসীদের নজরে আসতেই হাতে বাশ, লাঠি নিয়ে বাংলাদেশী দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করে। তখনই মুহূর্তের মধ্যে দুই প্রান্তের বাসিন্দাদের মধ্যে গোলমাল বেঁধে যায়। যদিও পরে বিএসএফের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।বৈষ্ণবনগর থানার বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুকদেবপুর এলাকার তৃণমূল দলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য বিনয় মন্ডল বলেন, এদিন শতাধিক বাংলাদেশীরা সুকদেবপুরের সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে গ্রামের দুই বাসিন্দা গোপাল মন্ডল ও তপন ঘোষের জমির ফসল লুঠ করেছিল। শুধু তাই নয়, ওরা আমার বাগানের ১৫টি আম গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছিল। তখনই সীমান্তে বিএসএফের ১১৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের কর্তব্যরত জওয়ানেরা প্রতিবাদ জানিয়ে বাধা দেয়। কিন্তু সেই সময় বিএসএফকে লক্ষ্য করে ইঁট, পাথর ছোঁড়া হয়। তাতে দুই বিএসএফ জওয়ান জখম হন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৫
রাজ্য

ফের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা, গুলি, পিঠটান পাচারকারীদের

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা কিছুতেই কমছে না। ফের মালদার ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে চললো গুলি। উদ্ধার হয়েছে পাঁচটি গবাদি পশু। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের গোরুপাচার ঠেকাতেই বিএসএফের মহিলা জওয়ানদের গুলি ছুঁড়তে হয়। বুধবার মধ্যরাতে এই ঘটনা ঘটে। যদিও দুষ্কৃতীরা পাল্টা বিএসএফ জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইঁট, পাথরত ছোড়ে। কিন্তু বিএসএফের প্রতিরোধে চোরাকারবারীর দল সীমান্তের ওপারে পালিয়ে যায় বলে দাবি। এই ঘটনায় বিএসএফ পাঁচটি মহিষ উদ্ধার করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে হবিবপুর থানার ধুমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাঙ্গোলবান্দা সীমান্ত এলাকায়। বৃহস্পতিবার বিএসএফের সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ারের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি জারি করে এমন ঘটনার কথা জানানো হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কোন হতাহতের খবর নেই। বিএসএফ সুত্রে খবর, হবিবপুর থানার ধুমপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ভারত বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারিতে রয়েছে বিএসএফের ৮৮ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জাওয়ানেরা। এদিন রাত আড়াইটা নাগাদ ওই এলাকার সীমান্তের কাঁটাতারবিহীন এলাকা দিয়েই বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা গরু পাচারের চেষ্টা চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ। বিষয়টি নজরে আসতেই ৮৮ ব্যাটেলিয়নের কর্তব্যরত কয়েকজন মহিলা জওয়ান রুখে দাঁড়ায়। কিন্তু বাংলাদেশী দুষ্কৃতিরা অস্ত্র এবং ইঁট, পাথর ছুঁড়ে বিএসএফের ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। এরপরই মহিলা জওয়ানদের তৎপরতায় পাল্টা মোকাবিলা করা হয়। দুষ্কৃতীদের উদ্দেশ্যে তিন রাউন্ডগুলি ছোঁড়া হলে গবাদি পশু ছেড়ে সীমান্তের ওপারে পালিয়ে যায় তারা। বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন ওপার সীমান্তের ১৫ থেকে ২০ জন সশস্ত্র একটি দুষ্কৃতীর দল জড়ো হয়েছিল। মালদার হবিবপুর সীমান্তের নাঙ্গোলবান্দা এলাকা দিয়ে গোরু মহিষ পাচারের চেষ্টা চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। কিন্তু বিএসএফের প্রহরারত মহিলা জওয়ানেরা অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গেই বাংলাদেশি দুষ্কৃতীদের অপরাধ ঠেকিয়েছে। পরে উদ্ধার হওয়া ওই পাঁচটি গবাদি পশু হবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয় বিএসএফ কর্তৃপক্ষ।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৫
দেশ

চতুর্থ দফার নির্বাচনের আগে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শন বিএসএফের

আগামী ১৩ মে লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একটি বিস্তৃত সফর করেছেন এবং নির্দেশিকা দিয়েছেন বিএসএফ। সকল কর্মকর্তাকে নিজ নিজ স্তরে সীমান্তে সংঘটিত অপরাধের উপর কড়া নজর রাখতে এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সম্পূর্ণ সিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই সাথে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত এসব ইউনিটের বিএসএফ জওয়ানদের পূর্ণ সততার সাথে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।সফরের সময়, শ্রী গান্ধী, শ্রী আয়ুষ মণি তিওয়ারি, আইপিএস, আইজি, দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের সাথে, বেহরামপুরের আঞ্চলিক সদর দফতর পরিদর্শন করেন এবং বর্ডার রোড বরাবর পদ্মা নদীর নিকটবর্তী সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। আশেপাশের এলাকার মাটি ক্ষয়ের একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন করা হয়েছিল এবং সেই অনুযায়ী নির্দেশ জারি করা হয়েছিল।উপরন্তু, শ্রী গান্ধী ১৪৯ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি কানাপাড়া এবং নির্মলচর পরিদর্শন করেন এবং কর্পস কমান্ড্যান্ট স্থানীয় পরিস্থিতি এবং প্রচলিত আন্তঃসীমান্ত অপরাধ সম্পর্কে অবহিত করেন। অতিরিক্ত মহাপরিচালক রবি গান্ধী কোম্পানী কমান্ডারদের সাথে মতবিনিময় করেছেন এবং সীমান্ত অপরাধ দমনে মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলির সাথে নিজেকে পরিচিত করেছেন।এরপরে, শ্রী গান্ধী ৭৩ ব্যাটালিয়নের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সীমান্ত চৌকি হারুডাঙ্গা পরিদর্শনে যান, যেখানে তাকে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার অস্থির এলাকা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ও কার্যকলাপ প্রতিরোধে গৃহীত জোরালো ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন।তার মূল্যায়ন অব্যাহত রেখে, মিঃ গান্ধী ১৪৬ এবং ৮৬ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি ,মেঘনা এবং শিকারীপুর পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং ব্যবস্থাপনার কৌশলগুলি যত্ন সহকারে মূল্যায়ন করেন।মিডিয়াকে সম্বোধন করে, শ্রী রবি গান্ধী সীমান্তের নিরাপত্তা এবং জাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইস্টার্ন কমান্ডের অটল প্রতিশ্রুতির উপর জোর দেন। তিনি আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবেলায় এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সক্রিয় পদক্ষেপের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মে ১১, ২০২৪
রাজ্য

প্রতিবেশী নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে কুড়ি বছরের জেল ও নগদ জরিমানার আদেশ কালনা কোর্টের

প্রতিবেশী দশ বছরের এক নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে এক যুবকের বিরুদ্ধে কুড়ি বছরের জেল এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায় আরও ছয় মাস জেলের সাজা ঘোষণা করল আদালত। শুক্রবার কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার এই সাজা ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত সুব্রত হালদারের বাড়ি কালনা থানার সাতগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের সুভাষপল্লী গ্রামে।গত ২০২০-র ১৪ ই অক্টোবর সন্ধ্যাবেলায় প্রতিবেশী ওই নাবালিকা মুদিখানা দোকানে গিয়েছিল। ফেরার পথে আসামি সুব্রত হালদারের সঙ্গে ওই নাবালিকার দেখা হয়। সুব্রত একটা মোবাইল দেখিয়ে নাবালিকাকে বলে চার্জ ফুরিয়ে গেছে, তুই এটা বাড়িতে দিয়ে আয়। সরল বিশ্বাসে মেয়েটি তার বাড়িতে মোবাইল পৌঁছে দিতে গেলে সুব্রতও চুপিসারে পিছন পিছন বাড়ি ফিরে আসে। নিজের বাড়ির ভিতরে পেঁপে গাছ তলায় তাকে ধর্ষণ করে।বাড়ি ফিরে নাবালিকা বাড়িতে গিয়ে কাঁদতে কাঁদতে তার মাকে সব খুলে বললে পরিবার তরফে কালনা থানায় অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হয়। কালনা থানার পুলিশ সুব্রত হালদারকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ এ বি এবং পস্ক আইনের ৪ উপ-ধারায় মামলা রজু করে। এই মামলার তদন্তকারী অফিসার ছিলেন পুলিশ অফিসার সোমনাথ নস্কর। এই মামলায় তদন্তকারী অফিসার সহ ১৬ জনের সাক্ষ্যদানের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।কালনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতের বিচারক সুধীর কুমার শুক্রবার তাকে কুড়ি বছর জেল এবং দশ হাজার টাকা জরিমানার রায় ঘোষণা করেন। অনাদায় আরও অতিরিক্ত ছয় মাসের জেলের সাজা দেন। সরকারি আইনজীবী মলয় পাঁজা বলেন, এই মামলার রায়ে সমাজে একটা বার্তা পৌঁছালো যে, নাবালিকার উপর অত্যাচার করলে তার পরিণতি এটাই হবে। তবে নির্যাতিতা ওই মহিলা কেস চলাকালীন আত্মহত্যা করেন এই ঘটনার চাপ সহ্য করতে না পেরে। যদিও তার আগেই এই কেসের তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গিয়েছিল। নির্যাতিতা নাবালিকার মা এদিন শুক্রবার কালনা আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন আমার মেয়ে বেঁচে থাকলে আমি আজ আরও খুশি হতাম।

আগস্ট ২৬, ২০২২
দেশ

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে সুপ্রিম রায়, তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

রাষ্ট্রদ্রোহ আইন নিয়ে অন্তর্বর্তী রায় দিয়ছে সুপ্রিম কোর্ট। বুধবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের শুনানিতে বলেছে, কেন্দ্র পুনর্বিবেচনা না করা পর্যন্ত এই আইনে নতুন কোনও মামলা নয়। কেন্দ্রীয় সরকার যত দিন না ১২৪ এ ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহ আইন পুনর্বিবেচনা করছে ততদিন পর্যন্ত এই ধারায় কোনও মামলা করা যাবে না। সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। একদিকে বিজেপি রাষ্ট্রদ্রোহ আইন থাকা নিয়ে গলা ফাটাচ্ছে অন্যদিকে কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি ওই আইন তুলে দেওয়া নিয়ে জোরালো দাবি তুলেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি তো এই আইন পুরোপুরি তুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।এদিন রাষ্ট্রদ্রোহ আইনের শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলিকে এই ধারায় কোনও এফআইআর, তদন্ত বা কড়া পদক্ষেপ করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে। আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি টুইটে বলেছেন, সত্যি কথা বলা সব সময় দেশভক্তির পরিচয় দেয়। আর সত্যি কথা শোনার ক্ষমতা রাখা কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। সত্যকে অস্বীকার করা ঔদ্ধত্যের লক্ষ্মণ। কাজেই এই নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, সত্যের জয় হবেই। এর পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুখেন্দুশেখর রায় এদিন বলেছেন, রাষ্ট্রদ্রোহ আইন তুলে দেওয়া উচিত।এদিনের রায়ে চাপে পড়ে গিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা কিরণ রিজিজু বলেছেন, একটা বিষয় আমাকে অবশ্যই বলতে হবে, আমরা আদালত এবং আদালতের স্বাধীনতাকে সম্মান করি, তবে তার একটি লক্ষ্মণ রেখা রয়েছে। উষ্মা প্রকাশ করেছেন রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য।এদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলি বহুকাল থেকেই এই আইন তুলে দেওয়ার পক্ষে আন্দোলন করে চলেছে। তারাও আপাতকালীন এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। তাঁরা চাইছেন সম্পূর্ণভাবে যেন এই আইন তুলে দেওয়া হয়। ব্রিটিশরা নেই অথচ তাঁদের আইন বইছে দেশ। খোদ ইংল্যান্ডে এই আইন তুলে দেওয়া হয়েছে। ঔপনিবেশিক শাসনমুক্ত বেশিরভাগ দেশ এই আইন তুলে দিয়েছে।

মে ১১, ২০২২
রাজ্য

বামেদের আইন অমান্য আন্দোলনে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ধুন্ধুমার কান্ড বর্ধমান শহরে

পূর্ব বর্ধমান জেলা বামপন্থী গণসংগঠণের ডাকে আইন অমান্য ঘিরে প্রবল উত্তেজনা ছড়ালো বর্ধমান শহরে। মঙ্গলবার দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বেকারত্ব সহ একাধিক দাবীতে আইন অমান্যর ডাক দেয় জেলার বামপন্থী গণসংগঠনসমূহ। বর্ধমান রেল স্টেশন থেকে মিছিল করে এসে কার্জনগেটে আইন অমান্য করে তারা। কার্জনগেটে পুলিশের একটি ব্যারিকেড ভেঙে দেয় তারা। দ্বিতীয় ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা হলে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের আটক করে। কর্মসূচিতে ছিলেন সিপিএম নেতা অমল হালদার, সৈয়দ হোসেন,তাপস সরকার সহ অন্যান্যরা বামপন্থী নেতৃত্বরা। অমল হালদার জানান, আমরা একটার পর এক ব্যারিকেড ভেঙে আমাদের আইন অমান্য আন্দোলন করলাম, কিন্তু আইন অমান্য যে করছি! আমাদের দেশে কি আদও আইন বলে কিছু আছে? আনিশ খান মারা গেলো, বর্ধমানে তুহিনা বলে এক ছাত্রী মারা গেলো। আরও অবাক ব্যাপার সেই ছাত্রীর আত্ম্যহত্যায় প্রোরচনা দেওয়া আসামী এসডিও-র কাছে শপথ বাক্য পড়ে এলেন। তিনি মনে করেন এই মুহূর্তে আমাদের দেশে আইনের শাসন বলে কিছু নেই।তিনি আরও বলেন, সোমবার রাতে রামপুরহাটে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক গণহত্যায় প্রায় ১০ জনকে পুড়িয়ে মারা হয়। একজন তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপ-প্রধান-র হত্যার বদলি ১০ টি তাজা প্রান চলে গেলো। তিনি জানান আজকের এই আইন অমান্য ২৮ ও ২৯ তারিখের ধর্মঘট কে সফল করার জন্য। ১২ দফা দাবী নিয়ে এই ২৮ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি বামজোট এই সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। সাধারণ মানুষকে দেশের এই ভয়াবহ দুর্দিনে এগিয়ে এসে ধর্মঘটে সামিল হওয়ার আহ্বান জানান।অমল হালদার আক্ষেপের সুরে বলেন সারা দেশে একের পর এক রাষ্টায়ত্ত কল কারখানা বন্ধ হচ্ছে। হু হু করে বেকারত্বের সংখ্যা বাড়ছে। বিভিন্ন রাষ্টায়ত্ত কল কারখানা বেসরকারিকরন ও বিলগ্নিকরন হচ্ছে। মানুষ তাঁর ফসলের ন্যায্য মুল্য পাচ্ছে না। ক্ষেত মজুরদের কাজ বন্ধ সহ একাধিক দাবী তোলেন এই আইন অমান্য আন্দোলন থেকে।রামপুরহাট কান্ড নিয়ে বীরভূমের অবিসংবাদিত তৃণমূল নেতা অনুব্রত-র মন্তব্য নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে বাম নেতা আমল হালদার জানান, অনুব্রত যা বলেছেন তা তিনি বিশ্বাস করেন না, কারন একটা বাড়িতে টিভি ফেটে আগুন লাগতে পারে, পর পর ১০-১২ টা বাড়িতে একসাথে টিভি ফেটে আগুন লেগে এত মানুষের মৃত্যু! তিনি আক্ষেপ করে বলেন এই পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে কোনও আইন নেই, গোটা পশ্চিমবঙ্গ তছনছ হয়ে গেছে।

মার্চ ২২, ২০২২
বিদেশ

ভারতীয়দের রাতেই খারকিভ ছাড়ার সতর্কবার্তা দিল্লির

যে কোনও মুহূর্তে শুরু হতে পারে রুশ বাহিনীর ফাইনাল অ্যাসল্ট। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনের খারকিভে থেকে যাওয়া ভারতীয় নাগরিকদের বুধবার সন্ধ্যার (স্থানীয় সময়) মধ্যে এলাকা ছাড়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠাল কিভের ভারতীয় দূতাবাস। রাশিয়ার আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে আজ অবধি প্রায় ২ হাজারেরও বেশি নাগরিক মারা গিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষের তরফে।URGENT ADVISORY TO ALL INDIAN NATIONALS IN KHARKIV.FOR THEIR SAFETY AND SECURITY THEY MUST LEAVE KHARKIV IMMEDIATELY.PROCEED TO PESOCHIN, BABAYE AND BEZLYUDOVKA AS SOON AS POSSIBLE.UNDER ALL CIRCUMSTANCES THEY MUST REACH THESE SETTLEMENTS *BY 1800 HRS (UKRAINIAN TIME) TODAY*. India in Ukraine (@IndiainUkraine) March 2, 2022টুইটারে জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিরাপত্তার কারণে দ্রুত খারকিভ ছাড়ুন। চূড়ান্ত সময়সীমা সন্ধ্যা ৬টা (আন্তর্জাতিক সময় রাত ৯টা)-র মধ্যে পিসোচিন, ববই বা বেজলিউদিভকা শহরে পৌঁছানো উচিত। প্রয়োজন হলে পায়ে হেঁটে। ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের নিকটতম শহর পিসোচিনের দূরত্ব ১১ কিলোমিটার।যদিও খারকিভে আটক ভারতীয় পড়ুয়ারা জানাচ্ছেন, লাগাতার রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানহানার মধ্যে পায়ে হেঁটে ১১ কিলোমিটার কার্যত অসম্ভব। প্রসঙ্গত, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ইতিমধ্যেই কিভের ভারতীয় দূতাবাসও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। রুশ বোমা এবং ক্ষেপণাস্ত্র হানা এড়াতে সোমবারই খারকিভে আটক ভারতীয়দের ট্রেনে করে ইউক্রেনের পড়শি দেশগুলিতে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কারণ, গাড়িতে গেলে যুদ্ধবিমানের নিশানা হওয়ার সম্ভাবনা। কিন্তু খারকিভ স্টেশনে আটক বহু ভারতীয় এখনও ট্রেনে উঠতে পারেননি বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার খারকিভ শহরেই রুশ বাহিনীর বোমাবর্ষণে ভারতীয় ডাক্তারি পড়ুয়া নবীন শেখারাপ্পা জ্ঞানগউধরের মৃত্যু হয়েছিল।

মার্চ ০২, ২০২২
দেশ

ইউক্রেন সীমান্ত পার করতে গিয়ে চরম হেনস্থার মুখে ভারতীয় পড়ুয়ারা

প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই কোনও মতে ইউক্রেন থেকে দেশে ফিরেছেন ভারতীয় পড়ুয়ারা। তবে পড়াশোনার জন্য যে দেশে গিয়েছিলেন, কঠিন পরিস্থিতিতে সেই দেশ ছেড়ে আসার সময় অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখদায়ক হল না অনেক ভারতীয় পড়ুয়ারই। দেশের মাটিতে পা রাখার পর অধিকাংশ পড়ুয়ার অভিযোগ, পোল্যান্ড সীমান্তে পৌঁছতেই বাধা দেয় ইউক্রেনীয় সীমান্তরক্ষীরা। উদ্ধারকারী বিমান ধরার জন্যই তারা সীমান্ত পার করছেন, এই কথা জানানোর পরও অনেককে সীমান্ত পার করতে দেননি। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে ইউক্রেন-পোল্যান্ড সীমান্তে আটকে থাকা পড়ুয়াদের হেনস্থার শিকার হতে দেখা যাচ্ছে।সম্প্রতিই সামনে এসেছে এমনই একটি ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে এক পড়ুয়া সুটকেস টেনে আনছেন। আচমকাই পিছন থেকে এক ইউক্রেনীয় সেনা এসে সুটকেসে লাথি মারেন। ওই পড়ুয়া ভারতীয়ই ছিলেন কিনা, সে সম্পর্কে জানা না গেলেও, ওই সীমান্তে আটকে থাকা বহু পড়ুয়াই অভিযোগ করেছেন যে ভারতীয়দের নিত্যদিন হেনস্থার শিকার হতে হচ্ছে।Whatever at this point seeing the harrasment of unkrainian soldiers against Indian students (basically until yesterday they contributed to their GDP immensely).I cannot morally support such pedestrian people. Who harass ordinary citizens to create political pressure on govt.✌🏼 pic.twitter.com/ND62gGSoAY Prakash (@IamPrakashNaidu) February 27, 2022এনডিটিভিকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে মানসী চৌধুরী নামক ইউক্রেনে আটকে থাকা এক পড়ুয়া বলেন, প্রতিদিন পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এরা আমাদের উপর অত্যাচার করছে। ভারতীয় পড়ুয়াদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। ইউক্রেনের সেনারা আমাদের সীমান্ত পার করে পোল্যান্ডে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। প্রত্যেকটি মহিলা পড়ুয়াকে হেনস্থা করা হচ্ছে, আমাদের চুল ধরে টানা হচ্ছে, রড দিয়ে আঘাত করা হচ্ছে। বেশকিছু মহিলার গুরুতর আঘাত, এমনকি হাত বা পা ভেঙেও গিয়েছে।ওই ছাত্রী আরও যোগ করে বলেন, ভারতীয় দূতাবাসের প্রতিনিধিরা আমাদের খাবার ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করছেন। কিন্তু ইউক্রেনের সীমান্তরক্ষীরা আমাদের পোল্যান্ডে যেতে দিচ্ছে না। গেলেই রড নিয়ে আক্রমণ করতে আসছে। গতকাল তো গুলিও চালিয়েছে।দীক্ষা পাণ্ডে নামক অপর এক পড়ুয়াও বিগত কয়েকদিনের অভিজ্ঞতাকে বিভীষিকাময় বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, সীমান্তে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন, তাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মেয়েদের চুলের মুঠি ধরে মারধর করা হচ্ছে। জানি না কেন এই ধরনের হিংসাত্নক রূপ ধরেছে সেনারা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

খুন ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় যুক্ত তিন কুখ্যাত দুস্কৃতীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা

ছিনতাই ও খুনের মামলায় তিন দুস্কৃতীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিল আদালত। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার ফাস্ট ট্রাক আদালতর বিচারক রাজশ্রী বসু অধিকারী বৃহস্পতিবার এই সাজা ঘোষণা করেন। পাশাপাশি অভিযুক্তদের ৬ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, শাস্তি প্রাপকরা হল নাসিম শেখ, আবু বক্কর ও চন্দন শেখ। এদের প্রত্যেকের বাড়ি কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রামের মহুলা গ্রামে। নিহতের স্ত্রী আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। মামলার সরকারি আইনজীবী স্বরোজ দাস জানিয়েছেন, নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি প্রায় চার বছর আগে ঘটে। সেই মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর বয়ান আদালতে রেকর্ড করা হয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষে তিনজন দোষী সাব্যস্ত হয়। এদিন বিচারক অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ শোনান। মামলার দুই অভিযুক্ত এখনও পলাতক রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে ২০১৮ র ১৪ জুন রাত্রে। ওইদিন দুই বন্ধু কৃষ্ণগোপাল সরকার এবং অনুপম পাত্রকে মুর্শিদাবাদের সালার স্টেশন থেকে বাইকে চাপিয়ে নিয়ে সুখময় মিস্ত্রি কেতুগ্রামের আনকোনা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে কেতুগ্রামের ইছাপুর ও মহুলা গ্রামের মাঝামাঝি রাস্তায় কয়েকজন দুস্কৃতি সুখময় সহ বাইক আরোহীদের উপর ইঁট ও বাঁশ দিয়ে আক্রমণ করে। দুস্কৃতিরা ইঁট দিয়ে মেরে কৃষ্ণগোপাল ও অনুপমকে জখম করে। পরে দুষ্কৃতীরা বাঁশের লাঠি দিয়ে সজোরে সুখময় মিস্ত্রির মাথায় আঘাত করে। তাতে সুখময়বাবুর মৃত্যু হয়। এরপর দুস্কৃতীরা সুখময়বাবুর পকেট থেকে তাঁর মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তা দেখে জখম অবস্থাতেই কৃষ্ণগোপাল ও অনুপম চিৎকার চেঁচামিচি শুরু করে দিলে দুস্কৃতিরা ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। এরপর ১৮ জুন মৃতর স্ত্রী চিত্রা মিস্ত্রি কেতুগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে চিত্রাদেবী পুলিশকে জানান, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে সুখময়ের মা করুনাময়ী মিস্ত্রি ও ভাই মৃণ্ময় মিস্ত্রি সুপারি কিলার লাগিয়ে সুখময়কে খুন করিয়েছে। মৃতের স্ত্রীর এমন অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে সুখময় বাবু মালদায় রেলের এক ঠিকাদার সংস্থায় সুপারভাইজারের কাজ করতেন। সেইজন্য সুখময় তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে মালদাতেই থাকতেন। যদিও তদন্ত বেশ খানিকটা এগিয়ে নিয়ে যাবার পর পুলিশ নিশ্চিৎ হয় সম্পত্তি নিয়ে সুখময়েয় পরিবারে কোনও গোলমাল ছিল না ছিনতাইয়ের উদ্দ্যেশেই দুস্কৃতিরারা সুখময়কে খুন করেছে। এরপরেই খুনের ঘটনায় জড়িত দুই কুখ্যাত অভিযুক্তকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। পরে মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করে চন্দন শেখ নামে অপর দুস্কৃতীকে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

নজিরবিহীন নির্দেশ হাইকোর্টের, ৩৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি

৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী এক মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল হাইকোর্ট। শারীরিক সমস্যার কারণেই এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট এই নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার বেঞ্চে ছিল এই মামলার শুনানি। গর্ভপাতের জন্য নিজেই আবেদন করেছিলেন ওই মহিলা। তাঁর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী সুতপা সান্যাল। রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই এই গর্ভপাতে অনুমোদন দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপরই ওই মহিলা আদালতের দ্বারস্থ হন।আদালতের নির্দেশে এ ভাবে গর্ভপাত করানোর ঘটনা নতুন নয়। যদিও ৩৫ সপ্তাহ পর এই অনুমতি অনেকটাই নজিরবিহীন। গর্ভবতী মহিলার সম্মত্তি নিয়েই বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা।উত্তর কলকাতার বাসিন্দা এক মহিলা এই আবেদন জানিয়েছিলেন। বিয়ের পর থেকেই শারীরিক সমস্যা ছিল তাঁর। বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও সন্তান হয়নি তাঁর। অবশেষে অনেক চিকিৎসার পর তিনি গর্ভবতী হন। কিন্তু সন্তান গর্ভে ধারণ করার পর থেকেই শুরু হয় ফের সমস্যা। সময় যত বাড়তে থাকে সমস্যাও তত বাড়তে থাকে।মামলাকারী বর্তমানে ৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী। বহু বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে তাঁর। যদি না এই মুহূর্তে গর্ভপাত করানো হয়, তাহলে মায়ের জীবনের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। গর্ভস্থ সন্তানেরও শারীর সমস্যা রয়েছে। তাই গর্ভপাতের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা।২০২১ সালের গর্ভপাত আইন সংশোধনী অনুযায়ী, ধর্ষিতা, নাবালিকা, শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে অথবা স্বামী মারা গিয়েছেন বা ডিভোর্স হয়েছে, এমন প্রসূতিদের গর্ভপাত করানো যাবে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে। গর্ভস্থ ভ্রূণের বিশেষ ত্রুটি থাকলেও করানো যাবে গর্ভপাত। জীবনের ঝুঁকি থাকলেও এই আইন প্রযোজ্য। সব ক্ষেত্রেই একটি মেডিক্যাল বোর্ড শারীরিক অবস্থা দেখে চূড়ান্ত অনুমতি দেবে। সেই অনুসারেই ৩৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে এদিন গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

Suspended Festival: করোনা আবহে স্থগিত বর্ধমান পৌরসভার বার্ষিক উৎসব

করোনা আবহে আপাতত বর্ধমানে বর্ধমান পৌর উৎসব স্থগিত ঘোষণা করে দিল বর্ধমান পৌরসভা। আবার কবে এই উৎসব হবে তা এখনও জানায়নি পৌর কতৃপক্ষ। জানুয়ারিতেই বর্ধমান পৌর উৎসব হওয়ার কথা ছিল, মেলার জন্য ২২ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি দিন ধার্য্য করা হয়েছিল। মেলা পরিচালনা জন্য যোগ্য সংস্থার কাছে থেকে দরপত্র নেওয়ার পদ্ধতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল। মেলার বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য গত ২২ ডিসেম্বর বংশগোপাল টাউন হলে শহরের নাগরিক বৃন্দ ও বিশিষ্ট মানুষদের নিয়ে এক সভা আয়োজন করা হয় বর্ধমান পৌরসভার পক্ষ থেকে।বর্ধমানের উপ-পৌরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, করোনার বিধিনিষেধ জারি রয়েছে রাজ্যে। পরিস্থিতি মোকাবিলা করা খুব জরুরি। আপাতত স্থগিত রাখা হচ্ছে এই উৎসব। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এ ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করা যাবে। এই মুহুর্তে মানুষের স্বাস্থ্যই পৌরসভার কাছে মূল প্রাধান্য।এই মুহুর্তে বর্ধমান শহর ও সংলগ্ন বিভিন্ন জায়গায় করোনা আক্রান্তের খবর আসছে। মনে করা হচ্ছে করোনা-র তৃতীয় ঢেউ যেভাবে সারা বিশ্বে আছড়ে পরেছে তাঁর থেকে এই শহরও বাদ যাবে না। উপ-পৌরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, আমাদের সদা সতর্ক থাকতে হবে, মাস্ক না পড়ে বাইরে বেরোবেন না, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। শরীর খারাপ বুঝলে পৌর-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

School Open in Kalna: নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পূর্ব বর্ধমানে বেসরকারি স্কুলে মৌখিক পরীক্ষা, ক্ষুব্ধ প্রশাসন

নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়ায় রাজ্য সরকার সোমবার থেকে স্কুল কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশিকা জারি করেছে। কিন্তু সেই সরকারী নির্দেশকে উপেক্ষা করে মঙ্গলবার মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হল পূর্ব বর্ধমানের কালনার জিউধরা এলাকার একটি বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলে। এই ঘটনা কথা জেনে বেজায় ক্ষুব্ধ হন কালনার মহকুমা শাসক সুরেশ কুমার জগৎ। তিনি ওই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ করোনাকালে বাড়ি বাড়ি খাবার পাঠাবে রাজ্যকালনার মহিষমর্দিনী গার্লস ইন্সটিটিউশন ও কালনা হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়ের কিছু পড়ুয়া এদিন বিদ্যালয়ে এসেছিল প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেড অনুষ্ঠানে রিহার্সালের জন্য। আবার বই জমা দেওয়ার জন্যও কিছু পড়ুয়া স্কুলে আসে। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ পড়ুয়াদের ফিরিয়ে দেয়। তারই মধ্যে এদিন উল্টো চিত্র ধরা পড়ে কালনার জিউধরার বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে। সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে এই ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে এদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে একাদশ ও সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দ্বাদশ শ্রেণির মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হয়।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
দেশ

Farmer Protest Withdrawn: অবশেষে জয়! সিঙ্ঘু সীমান্তে প্রত্যাহার কৃষক আন্দোলন

দিল্লি সীমানায় ১৫ মাস ধরে চলা কৃষক আন্দোলনে আপতত ইতি টানলেন কৃষকরা। শনিবার সিঙ্ঘু সীমানা থেকে তাঁবু সরিয়ে নেওয়া শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন সংযক্ত কৃষক মোর্চা নেতারা। তাঁদের প্রধান দাবি মেনে নরেন্দ্র মোদি সরকার তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের পরেও কৃষক সংগঠনগুলি ছদফা দাবি তুলেছিল। সেই সব দাবি মানতে রাজি হলেও, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনিকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তারির দাবি মানছে না সরকার। বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রের কাছে থেকে চিঠি এসে পৌঁছয় কৃষকদের কাছে। এর পরই কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরকে পাশে নিয়ে আন্দোলন তোলার সিদ্ধান্ত নেন।কেন্দ্র চিঠিতে জানিয়েছে, আন্দোলনের সময় কৃষকদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারে বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচলপ্রদেশ। কেন্দ্রীয় সংস্থাও সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে। অন্য রাজ্যগুলিকে এ নিয়ে অনুরোধ জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, বিদ্যুৎ আইন সংশোধনী বিল প্রসঙ্গে কৃষকদের আপত্তির বিষয়গুলি নিয়ে সকলের সঙ্গে আলোচনা হবে। তার আগে ওই বিল সংসদে পেশ হবে না। খড় পোড়ানো বন্ধ করার আইনে কৃষকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের ধারা আগেই প্রত্যাহার করা হয়েছে।চিঠিতে কেন্দ্র নিজে আন্দোলনে মৃত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস না দিলেও জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা আগেই ক্ষতিপূরণে সম্মতি জানিয়েছে।আন্দোলন প্রত্যাহার করার ঘোষণার পাশাপাশি শনিবার সকাল ৯টায় সিঙ্ঘু ও টিকরি সীমানায় একটি বিজয় মিছিল বার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কৃষকরা।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal