• ৩ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Om

রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা অবস্থানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সল্টলেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের অবস্থান বিক্ষোভে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুদিন আগে নবান্নে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল জুনিয়র চিকিৎসক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এদিন সল্টলেকে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী। সহমর্মিতা প্রকাশ করেন মমতা। কাজে ফেরার আবেদন জানান। আপনাদের দাবি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জুনিয়র চিকিৎসকদের জানান। বলেন, তিলোত্তমার বিচার হোক। ৩ মাসে শাস্তি দিক সিবিআই, যেন ফাঁসির আদেশ হয়।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের নার্কো টেষ্টের অনুমতি দিল না আদালত

আরজি কর কাণ্ডে নার্কো টেস্টে রাজি হল না ধৃত সঞ্জয় রায়। ধৃত সঞ্জয় রায়ের নার্কো টেস্ট করাতে চেয়ে শিয়ালদহ আদালতের দ্বারস্থ হয় CBI। তবে সঞ্জয় নার্কো পরীক্ষা করাতে রাজি না হওয়ায় সিবিআইয়ের আবেদন মঞ্জুর করেনি শিয়ালদহ আদালত। আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ধৃত সঞ্জয় রায়ের নার্কো পরীক্ষার আবেদন করে সিবিআই। এর আগে সঞ্জয়ে পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানো হয়েছিল। সেই সময় ওই হাসপাতালের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষ সহ আরও কয়েকজনের পলিগ্রাফ টেষ্ট হয়। সমস্ত পলিগ্রাফ টেস্টের রিপোর্ট দিল্লি পাঠানো হয়েছে। সিবিআই সূত্রের দাবি, এর আগে পলিগ্রাফ পরীক্ষায় সঞ্জয় যে প্রশ্নগুলির উত্তর দিয়েছে, সেগুলি সঠিক কিনা তা জানতেই এবার নার্কো পরীক্ষার আবেদন জানানো হয়েছিল সিবিআইয়ের তরফে।শুক্রবার সঞ্জয় রাজি না থাকায় নার্কো পরীক্ষায় সায় দেয়নি শিয়ালদহ আদালত। আরজি কর মেডিক্যালে চিকিৎসক খুনে সঞ্জয় ছাড়া এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি। ইতিমধ্যেই সঞ্জয় রায়ের লালারস ও কামড়ের নমুনা কিংবা টিথ ইম্প্রেশন সংগ্রহ করেছে সিবিআই।তরুণী চিকিৎসকের শরীরে যে কামড়ের দাগ মিলেছে, সেগুলির সঙ্গে ওই কামড়ের নমুনা এবং লালারস মিলিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। আপাতত সঞ্জয় রায়ের কামড়ের নমুনা সংগ্রহ করে তা কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক ল্যাবরেটরিতে পাঠানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

কর্মবিরতির জন্য বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু ২৯, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে ২৯ জনের, দাবি রাজ্য সরকারের। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ঘোষণা করেছেন, মৃত ২৯ জনের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। মমতা এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। যার ফলে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রাজ্য সরকার ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করছে। ২৯ জন মৃতের পরিবারকে ওই টাকা দেওয়া হবে।রাজ্যের অভিযোগ, ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে বহু মানুষ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাচ্ছেন না। অনেকে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের হিসাবে মৃতের সংখ্যা ২৯। তবে রাজ্যের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারী ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি, কোনও হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়নি। সিনিয়র চিকিৎসকরা পরিষেবা দিচ্ছেন। বাড়তি পরিশ্রম করছেন। কোথাও বিনা চিকিৎসায় রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে না।পাল্টা তাঁদের দাবি, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশাতেই এমনতিই বহু মানুষ প্রতিদিন উপযুক্ত চিকিৎসা পরিষেবার অভাবে মারা যান। সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই আন্দোলনকারীদের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে রাজ্য সরকার। কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে কর্মবিরতিকে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ রেলের, একাধিক প্রশংসনীয় পদক্ষেপ

পূর্ব রেলওয়ে, যাত্রীদের, বিশেষত নিত্যযাত্রী এবং মহিলাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষা এবং তাদের মর্যাদা বজায় রাখতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পূর্ব রেলওয়ের সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ) মহিলা যাত্রীদের উদ্বেগ দূর করতে এবং সুরক্ষিত ভ্রমণের পরিবেশ সরবরাহ করতে অপারেশন মহিলা সুরক্ষার অধীনে একটি বিস্তৃত প্রচার শুরু করেছে।২০২৪ সালের আগস্ট মাস জুড়ে, পূর্ব রেলওয়ের আরপিএফ বাহিনী বিভিন্ন ট্রেনের মহিলা কামরায় নিয়মিত ভাবে নিখুঁত অভিযান চালিয়েছিল। সেই বগিগুলিতে অবৈধভাবে ভ্রমণকারী পুরুষ যাত্রীদের গ্রেপ্তার ও বিচার করেছিল। এই এক মাসে রেলওয়ে আইনের ১৬২ ধারায় মোট ১,৭৭৪ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার ও মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ₹৩,২৪,৪৫০/- জরিমানা আদায় করা হয়েছে। পূর্ব রেলের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, মহিলা যাত্রীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করে এমন নিয়ম লঙ্ঘন করলে কাউকে বরদাস্ত করা হবে না।নারী ও শিশু সুরক্ষার জন্য যেসব মূল পদক্ষেপগুলি বাস্তবায়িত করা হয়েছে, সেগুলি নিম্নরূপ :ট্রেন এসকর্ট এবং নজরদারি:১। ১২টি মহিলা ইএমইউ স্পেশাল ট্রেন-সহ ৩৩৯টি ট্রেনে নিয়মিত যাতায়াত করেন আরপিএফ জওয়ানরা।২। ৭৪টি এক্সপ্রেস ট্রেনে পুরুষ ও মহিলা আরপিএফ কর্মীরা যৌথভাবে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। ৩। নেটওয়ার্ক জুড়ে ১৭০ টি স্টেশনে মোট ৩,৮৯৪ টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, বিশেষত মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষার জন্য আরপিএফ দ্বারা ৮৭ টি স্টেশনে ২,২৬৫ টি ক্যামেরা মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।৪। ট্রেন এসকর্ট এবং যাত্রী ইন্টারফেস অপারেশন চলাকালীন আরপিএফ কর্মীদের ১২৭ টি পরিধানযোগ্য ক্যামেরা সরবরাহ করা হয়েছে যা সুরক্ষা পরিস্থিতির রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেয়।৫। ৮৮টি ট্রেনে একা যাতায়াতকারী মহিলাদের সহায়তার জন্য ১৫টি স্টেশনে মেরি সহেলি দল মোতায়েন করা হয়েছে। যার ফলে মহিলা যাত্রীরা একা হওয়া সত্ত্বেও সম্পূর্ণ যাত্রা সুরক্ষিত ও নিরাপদ ভাবে যাত্রা করতে পারেন।শহরতলির অঞ্চলগুলিতে প্রায় ২৫টি স্টেশনে যেখানে দৈনিক মহিলা যাত্রীদের যাতায়াত বেশি সেখানে মাতঙ্গিনী স্কোয়াড মোতায়েন করা হয়েছে যারা সুনিশ্চিত করে মহিলা যাত্রীদের সুরক্ষা।৬। অভাবী শিশুদের সাহায্য ও উদ্ধারের জন্য (হাওড়া, শিয়ালদহ, আসানসোল, মালদা টাউন, ভাগলপুর, সাহেবগঞ্জ) ছয়টি চাইল্ড হেল্প ডেস্ক চালু রয়েছে। ব্যান্ডেল, বর্ধমান, বোলপুর শান্তিনিকেতন এবং জামালপুরে চারটি অতিরিক্ত হেল্প ডেস্ক স্থাপনের প্রক্রিয়া চলছে।৭। শুধু আগস্ট মাসেই অপারেশন নানহে ফারিশতের আওতায় ১২৫ জন শিশুকে (৮৮ জন ছেলে ও ৩৭ জন মেয়ে) উদ্ধার করে পুনর্বাসনের জন্য শিশু কল্যাণ কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।৮। অপারেশন এএএইচটি (মানব পাচার রোধ)-এর অঙ্গ হিসেবে শিয়ালদহ, হাওড়া, মালদা টাউন এবং আসানসোলের আরপিএফ পোস্টগুলিতে ৭১টি বিশেষ দল গঠন করা হয়েছে। যারা আগস্ট মাসে ৯ জন কিশোরকে উদ্ধার ও ৫ জন পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে ।মহিলা যাত্রীদের মধ্যে নিরাপত্তার ভাব জাগিয়ে তুলতে পূর্ব রেলওয়ের বড় বড় স্টেশনগুলিতে আরপিএফ কর্মীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে। এই সক্রিয় পদক্ষেপটি যে কোনও সম্ভাব্য দুর্বৃত্তকে প্রতিরোধ করে এবং যাত্রীরা তাদের ভ্রমণের সময় যাতে নিরাপদ বোধ করে তা সুনিশ্চিত করে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

কেন নবান্নের বৈঠকে লাইভ স্ট্রিমিং নয়? কারণ জানালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী

লাইভ স্ট্রিমিং প্রশ্নে জুনিয়র চিকিৎসক ও মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী যে ঘরে বসে অপেক্ষা করছিলেন, সেই ছবি সরকার প্রকাশ করলো আদালতকে প্রভাবিত করতে। লাইভস্ট্রিমিংয়ের সাথে সুপ্রিমকোর্টের রায়ের কোনো সম্পর্ক নেই। সুপ্রিমকোর্টের শুনানি তো লাইভস্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশ দেখছে। নবান্নের সভাঘরে যে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল তার সাথে আদালত অবমাননার কোনো সম্পর্ক নেই। নবান্নের সভাঘরে কি বিচার প্রক্রিয়া চলার কথা ছিল !নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, পুরোটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাটক, লাইভস্ট্রিমিংয়ে আসলে ওনার মুখোশ খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল তাই জুনিয়র ডাক্তারদের ন্যায্য দাবি মানলেন না। জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা করতেন, তাতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে যান। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই চান না এই অচলাবস্থা কাটুক। পরবর্তী শুনানির আগে রাজ্যের উকিল কপিল সিব্বলের হাতে ভুয়ো যুক্তির অস্ত্র তুলে দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানা কৌশল অবলম্বন করছেন।নবান্ন থেকে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে লাইভ দেখতে অভ্যস্ত রাজ্যের মানুষ। মুখ্যমন্ত্রীর বকাঝকাও ওই বৈঠকগুলিতে দেখা গিয়েছে। শুভেন্দু লিখেছেন, যে মুখ্যমন্ত্রী প্রসাশনিক বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করেন, তাহলে এত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করতে তাঁর আপত্তি কোথায়? আইনের যে যুক্তি দিচ্ছেন তা পুরোপুরি ভুয়ো। মুখ্যমন্ত্রী আসলে লাইভ স্ট্রিমিং করতে ভয় পেয়েছিলেন এই ভাবনা থেকে যে প্রাথমিক পুলিশি তদন্তে যে ফাঁকফোকর রয়েছে, তদন্তের নামে প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা ও তাড়াহুড়ো করে দেহ দাহ করা হয়েছে, এই সংক্রান্ত কেনো প্রশ্ন উঠলে উনি জবাব দিতে পারতেন না।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

ভেস্তে গেল নবান্নের বৈঠক, "বিচার নয়, চেয়ার চায়", মন্তব্য মমতার, পাল্টা চিকিৎসকরা

টানা তৃতীয় দিনেও বৈঠকের আয়োজনই ব্যর্থ। বৃহস্পতিবারও রাজ্য সরকারের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকই হল না। নবান্নে পৌঁছেও জুনিয়র চিকিৎসকরা সভা ঘরে ঢুকলেন না। বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবি জানিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই দাবি মানেনি রাজ্য সরকার। শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ৪টে ৪৫ মিনিট থেকে অপেক্ষা করছি। এখন ৭ টা বাজতে ৫ মিনিট বাকি। আন্দোলনকারীরা সভা ঘরে এলেন না। তিন দিনের প্রচেষ্টায় বৈঠক হল না। লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, ওরা বিচার চায় না, চেয়ার চায়। পাল্টা দিয়েছেন চিকিৎসকরাবৃহস্পতিবারর রাজ্যের সঙ্গে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের আলোচনা শেষমেষ হল না। নবান্নের বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং না হলে কোন ভাবেই আলোচনা নয়। রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। এদিকে সরকারের তরফে কোন ভাবেই লাইভ সম্প্রচার হবে না বলে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও একই কথা জানান। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের প্রসঙ্গ টেনে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে টানা ২ ঘন্টার বেশি সময় ধরে চলেছে টানটান স্নায়ুযুদ্ধ। বৈঠক না হওয়ায় টানা তৃতীয় দিনেও মিলল না কোন সমাধান সূত্র। এ বিষয়ে মুখ্যসচিব বলেন, আজকে ইমেল করেছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিপ্তে ওরা এখানে এসেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ৫টা থেকে অপেক্ষা করছেন। ওরা ৩২ জন এসেছে। আমরা ওদের আসতে অনুমতি দিয়েছি। ওদের একটা ইস্যু আছে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের। আমরা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের কথা বলেছিলাম। ওরা লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অনড়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাইছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অপেক্ষা করছেন। এখনও ওরা মিটিং হলে আসেনি। ওদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে। ওদের যা দাবি আছে, সুপ্রিম কোর্টের যা নির্দেশ আছে সবকিছুই আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আমরা অনুরোধ করব ওরা মিটিংয়ে আসুক। যাই হোক জুনিয়র চিকিৎসকরা মিটিংয়ে যাননি।এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে আন্দলনরত চিকিৎসকরা। বাতিল হয় আজকের বৈঠক। এরপর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পৌনে ৫টা থেকে প্রায় সাতটা বাজে! আমরা ২ ঘন্টা ১০ মিনিট অপেক্ষা করেছি, আমার ভেবেছিলাম তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। আমরা প্রথমে চিঠি দিয়েছিলাম, মুখ্যসচিব, ডিজি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-সহ হোম সেক্রেটারি আমার সঙ্গে ছিলেন। আমরা বলেছিলাম খোলা মনে আসুন, কোনও একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে নয়। আলোচনার মাধ্যমে পাঁচটা নতুন কথা আসতে পারে। কথা বললে সমাধান হয়। এর আগেও গতকাল ও গত পরশু অপেক্ষা করেছিলাম তাঁরা আসেনি।মমতা আরও বলেন, আমাদের কাজ হচ্ছে তাঁদের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে ক্ষমা করে দেওয়া। আজকেও মুখ্যসচিব তাদের চিঠি দিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। আগের বার ঘটনা ছিল ভিন্ন। সুপ্রিম কোর্ট বা সিবিআইয়ের কাছে ছিল না। আমরা আজকের বৈঠকে রেকর্ডিংয়ের সুযোগ রেখেছিলাম। সুপ্রিম কোর্ট যেটা পারে আমরা তা পারি না। এই নিয়ে কোন আলোচনা আইনত সঠিক নয়। যেহেতু তদন্ত বিচারাধীন, আগামী ১৭ তারিখ শুনানি। তাই লাইভ সম্প্রচারে আমাদের কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। আমরা ভিতরে যখন সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে, সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তখন রেকর্ডিং করার ব্যবস্থা রেখেছিলাম। আমরা ওনাদের ৪.৪৫ মিনিটে আসতে বলেছিলাম। তারা অনেকটা দেরি করে এসেছেন। তাতেও আমরা কিছু মনে করিনি। বাংলার মানুষের একটা আবেগ আছে। আমরা সবাই চাই নির্যাতিতা বিচার পাক। এটা আমাদের হাতে নেই। সিবিআই তদন্ত করছে বলে আমি কোন মতামত জানাবো না। আজ আমাদের আলোচনা ছিল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে গঠনমূলক উন্নতি, তাদের সেফটি ও সিকিউরিটি। টেলিকাস্টের বিষয়েও আমরা ওপেন মাইন্ড, কিন্তু এই মামলা বিচারাধীন। আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে। আমরা চিঠিতে উল্লেখ করেছিলাম। আমরা খোলা মন নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলাম। যদি মিটিংটা সফল হত আমরা যৌথভাবে প্রেস মিট করতে পারতাম। আমরা ভেবেছিলাম খোলামেলা আলোচনায় রাগারাগি না করে ডাক্তার ও রোগীদের স্বার্থে মানবিক ভাবে আলোচনা করবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ছোটদের ক্ষমা করা আমাদের সৌজন্য। সেটা আমরা মেনে চলছি। ১৫ জন বলার পরও ওরা ৩৪ জন এসেছেন তাও মেনে নিয়েছি। কেন ঢুকলেন না আমরা জানি না। ওদের সাহায্য করার জন্য আমি চন্দ্রিমা ছাড়া কাউকে ডাকিনি। যাতে তাঁরা খোলামেলা আলোচনা করতে পারে। আমি ৩ বার চেষ্টা করলাম। ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে ২৭ জন মারা গিয়েছেন, সাত লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাননি, দেড় হাজার সিরিয়াস রোগী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। ১১ বছরে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ঢালাও উন্নতি করেছি। কর্মবিরতির জেরে যাদের মৃত্যু তাদের জন্য আমরা সহানুভুতি জানাবো না? আমার হৃদয় কাঁদছে সবার জন্য। বিনা চিকিৎসায় কত রোগী মারা গেছেন তার পরিসংখ্যান নেওয়ার কাজ করছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্ট সময় দিয়ে দিয়েছে। তারপরও কোন অ্যাকশন নিইনি। অনেক সিনিয়ার ডাক্তার কষ্ট করেও কাজ করছেন। তাদের অভিনন্দন। ডাক্তারদের কাছে আবেদন কাজে যোগ দিন, রোগীদের সেবা দিন। এরপরও বসতে চাইলেও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। ধৈর্য্য ধরাটাও একটা পরীক্ষা। আমাকে অনেক অপমান অসম্মান করা হয়েছে। অনেকে জানতেন না এর মধ্যে রঙ আছে, ওরা বিচার নয় ওরা চায় চেয়ার, আমি পদত্যাগ করতেও রাজি। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক, সাধারণ মানুষ বিচার পাক। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছে, এখানে চেয়ারের কোনও প্রশ্নই নেই। লাইভ না করে কি লুকোতে চাইছে সরকার, প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসারা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে রাজনীতির খেলা দেখছেন মন্ত্রী, কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার?

জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনের পিছনে রাজনীতির খেলা দেখছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি তাঁরা শর্ত রেখে বৈঠকে আসতে চাইছে। একথা বলছেন স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কার্যকরী করতে পদক্ষেপ করবে রাজ্য। কি পদক্ষেপ তা পরে জানিয়ে দেবে রাজ্য। তাহলে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি তুলতে কি কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র। ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রাজ্য তোলপাড় হয়ে যায়। টানা কর্মবিরতি করে চলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আরজি কর সহ বিভিন্ন হাসপাতালে আন্দোলন চলছে। এর আগে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে লালাবাজার অভিযান করে জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রায় ২৪ ঘন্টা লালবাজারের সামনে অবস্থান করে তাঁরা। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার থেকে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে চলেছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁদের কোনও আলোচনা হয়নি। শুধু মেইল চালাচালি চলছে। গতকাল রাজ্যর মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী দেড় ঘন্টা নবান্নে বসে থেকে বাড়ি চলে গিয়েছেন। জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন যাঁর পদত্যাগ চাইছি সেই স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিব মেইল করে মিটিংয়ে ডেকেছেন। তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা কি করে জানবেন মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে থাকবেন। তা চিঠিতে উল্লেখ ছিল না। জুনিয়র চিকিৎসকদের আজ বৃহস্পতিবার দাবি ছিল, তাঁরা বৈঠকে ৩০ জন প্রতিনিধি যাবে। পুরো বৈঠক লাইভ টেলিকাস্ট হতে হবে। জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকের শর্ত রাজ্য মানবে না, জানান চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শেষমেশ আজ জুনিয়র চিকিৎসক ও রাজ্য সরকারের বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার মধ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি তুলে নিতে হবে। নির্দেশ কার্যকর করতে রাজ্য সরকারকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এদিন রাজ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার ও মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দুপাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের গলায় কর্মবিরতি নিয়ে কড়া সুর শোনা গিয়েছে। এখনও অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৪
রাজ্য

১৪ বছরেও চাকরির পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়নি, কড়া নির্দেশ বিচারপতির

মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে কড়া নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী তিনদিনের মধ্যে ২০১০ সালের পরীক্ষার ফলপ্রকাশ করতে হবে তাঁদের। ১৪ বছর আগে পরীক্ষা হওয়ার পর এখনও তার ফল বেরোয়নি! এতেই বিস্ময় প্রকাশ করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। কমিশনের উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, কোনও পরীক্ষার ফল বের করতে ১৪ বছর লাগে কি? ২০১০ সালে গ্ৰুপ ডি-তে তিন হাজার শূন্যপদে পরীক্ষা হয়েছিল। অন্তত ১ লক্ষ পরীক্ষার্থী সেই পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে সেই পরীক্ষায়।দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষার ফল না বেরোনোয় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় চাকরিপ্রার্থীরা। আদালতের ডিভিশন বেঞ্চ ফলপ্রকাশের দিনক্ষণ বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময়সীমা দুদিনের মধ্যেই শেষ হবে। তার আগে মঙ্গলবার বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিলেন, তিনদিনের মধ্যেই সে ফলপ্রকাশ করতে হবে মাদ্রাসা কমিশনকে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

নবান্নে অপেক্ষা করে চলে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, সরকারের মেইলে অপমানিত জুনিয়র চিকিৎসকরা

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিবের পক্ষে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে একটি মেল পাঠানো হয় সন্ধে ৬টা১০মিনিট নাগাদ। নবান্নে এসে সরকারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দল এসে দেখা করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নবান্নে হাজির ছিলেন। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের এই মেলকে ভালো ভাবে নেননি আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁরা এই মেলকে অপমানজনক বলে মনে করছেন। তাই মেইলের জবাব দেবে না বলেও তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে। সরকারের তরফে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করার জন্য অপেক্ষা করে বেরিয়ে গিয়েছেন। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের জন্য অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত সাড়ে ৭টা নাগাদ নবান্ন ছেড়ে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। এদিন তাঁরা ওই ভবনের সামনে অবস্থান করছে। মুখ্যমন্ত্রী যে ওই বৈঠকে থাকবেন তা চিঠিতে উল্লেখ ছিল না, বলছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার ছিল রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের জানিয়ে দেন, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা বা আন্দোলন, চিকিৎসকদের কর্মবিরতি নিয়ে যা বলার তিনিই বলবেন। বৈঠক শেষে তৎপরতা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, তারপরেই স্বাস্থ্যসচিবের ইমেল থেকে মেল পাঠানো হয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের কাছে।জুনিয়র ডাক্তাররা বলেন, যাঁর পদত্যাগ দাবি করছি তিনি মেইল করছেন। এটা অত্যন্ত অপমানজনক। মেলের জবাব দেওয়ার কোন প্রশ্ন নেই, বলেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী নাকি বৈঠকের জন্য নবান্নে অপেক্ষা করেছিলেন। আমাদের সে কথা বলা হয়নি। মেইলে তার কোনও উল্লেখ ছিল না। ইমেলে লেখা হয়েছে, রেসপেক্টেড স্যার। জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেছেন, মনে রাখবেন, এই আন্দোলনে শুধু স্যারেরা নেই, ম্যাডামেরাও রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের রাজপ্রাসাদের সন্ধান মিলল ক্যানিং-এ

এবার সন্দীপ ঘোষের প্রাসাদোপম বাংলোর হদিশ মিলল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে প্রায় ২ বিঘা জায়গার উপর আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আলিশান বাংলোর খোঁজ মিলেছে। মাঝেমধ্যেই সপরিবারে সেই বাংলোয় যেতেন সন্দীপ ঘোষ। এমনই জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে আরজি কর কাণ্ডে ধৃত সন্দীপ ঘোষের বিরাট সাম্রাজ্যের হদিশ মিলল। ক্যানিংয়ের মধ্য নারায়নপুরে সন্দীপ ঘোষের আলিশান বাংলোর হদিশ মিলেছে। সন্দীপ ঘোষের সেই বাড়ির নাম সঙ্গীতা-সন্দীপ ভিলা। অনেক সময় বন্ধু-বান্ধবদের নিয়েও এই বাড়িতে আসতেন সন্দীপ ঘোষ, এমনও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে ক্যানিংয়ে প্রায় ২ বিঘা জায়গার উপর ওই বিশাল বাংলোটি বাড়ি বানিয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ। ওই এলাকায় একটি বিরাট প্রকল্পের কাজ চলছিল। সেই প্রকল্প থেকেই প্রায় দুই বিঘা জায়গা কিনে নেন সন্দীপ। সেই জমির উপরেই তৈরি হয় তাঁর বিশাল বাংলো।আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ থাকাকালীন প্রাসাদপম ওই বাংলো ক্যানিংয়ে তৈরি করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। ওই বাংলোর নিরাপত্তারক্ষী বলেন, মাঝেমধ্যে উনি আসতেন এখানে। ওনার বাবা-মা, ছেলে সবাই আসতেন। মাঝেমধ্যে এখানে এসে সন্ধের আগেই চলে যেতেন।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর আর্থিক দুর্নীতির মামলায় দিনভর ইডির তল্লাশি, উদ্ধার নথিও সোনার গয়না

এবার ইডির নজরে সন্দীপ ঘোষের সম্পত্তি। শুক্রবার সকালে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে ED-র অভিযান। কয়েক ঘন্টা অপেক্ষার পর বাড়ির ভিতরে ঢুকতে সক্ষম হন ইডির আধিকারিকরা। শুধু সন্দীপ ঘোষই নন, তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে আজ সকালে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আজি কর মেডিকেল কলেজের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে ইডির এই অভিযান। সুভাষগ্রামে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে ED। আরজি কর মেডিক্যালের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সাঁড়াশি অভিযানে ইডি। শুক্রবার সকালে সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে ইডির চার আধিকারিক পৌঁছে যান। এদিন সকাল ৬.৪০ মিনিট নাগাদ ইডির অফিসাররা সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে বহুক্ষণ ডাকাডাকির পরেও বাড়ির দরজা খোলা হয়নি। শেষমেষ ঘন্টা তিনেক অপেক্ষার পর বাড়ির দরজা খোলা হলে ইডির অফিসাররা ভিতরে ঢোকেন।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে এদিন অভিযান চলে। হাওড়ার সাঁকরাইলে ভেন্ডর বিপ্লব সিংহের বাড়িতে এদিন অভিযানে যায় ইডি। বিপ্লব ঘনিষ্ঠ কৌশিক কোলের বাড়িতেও চলে অভিযান। সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে নিয়ে যাচ্ছে ইডি। সেই সঙ্গে এদিন ইডির অভিযান চলে সুভাষগ্রামে সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও। সম্প্রতি আরজি কর মেডিকেল কলেজের সেমিনার হলের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল প্রসূনকেও। প্রসূন নিজেকে সন্দীপ ঘোষের PA বলে দাবি করতেন। এদিন প্রসূনের বাড়িতে কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় ইডি।আরজি করের আর্থিক অনিয়মের মামলায় আজ রাজ্যজুড়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশি অভিযানে বেশ কিছু সম্পত্তির নথি এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। সল্টলেকের বিই ব্লকের একটি বাড়ি থেকে তল্লাশি করে বেশকিছু সোনার গয়না উদ্ধার করেছে ইডি।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের বিচার চাই, এবার ভোর দখলের ডাক শিলিগুড়িতে

এবার শিলিগুড়িতে ভোর দখলের ডাক। আগামী ৯ সেপ্টেম্বর আরজি করের ঘটনার একমাস পূর্তি হচ্ছে। সেই দিনই ভোর ৪টে ১০ মিনিট থেকে ৬টা পর্যন্ত শিলিগুড়ির রাস্তায় মঙ্গল প্রার্থনা ও শপথবাক্য পাঠের ডাক দেওয়া হয়েছে। এদিন শিলিগুড়ি জার্নালিস্টস ক্লাবে এক সাংবাদিক বৈঠক করে টেবিল টেনিস তারকা অর্জুন মান্তু ঘোষ, সমাজসেবী ও শিক্ষিকা সুনন্দা সরকার ও পৌলমী চাকি নন্দীরা জানান, আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা এখনও বিচার পায়নি। দ্রুত যাতে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত যারা তাদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়, এই দাবিতে তাঁরা পথে নামবেন। শুধু শিলিগুড়ি নয়, অন্যান্য জায়গাতেও একই ভাবে সকলকে পথে নামার ডাক দিয়েছেন তাঁরা।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৪
নিবন্ধ

মাতৃবিয়োগ উড়ান সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের, এক মহিয়সী নারীর কাহিনী

এআই এয়ারপোর্ট সার্ভিসেস লিমিটেডের উচ্চপদস্থ আধিকারিক বিপ্লব চট্টোপাধ্যায়ের মা গীতা চট্টোপাধ্যায়ের জীবনাবসান হয় গত ৩১ অগাস্ট। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। গীতাদেবী ছিলেন স্কুল শিক্ষিকা। অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে তিনি শিক্ষিকতা করেছেন। গীতা চট্টোপাধ্যায়ের আরেক পুত্র বিভাস চট্টোপাধ্যায় বেসরকারি সংস্থার উচ্চপদে আসীন। গীতাদেবী শিক্ষকতা করতেন বাগবাজারের আদর্শ মহিলা বিদ্যালয়ে। মৃত্যুর সময় সংসারে রেখে গিয়েছেন পুত্রদ্বয় বিপ্লব চট্টোপাধ্যায় ও বিভাস চট্টোপাধ্যায়, পুত্রবধূদ্বয় গার্গী লাহিড়ী চট্টোপাধ্যায় ও ঋতুপর্ণা চট্টোপাধ্যায়। নাতি, নাতনি মৈত্রেয়ী চট্টোপাধ্যায়, বিহান চট্টোপাধ্যায় ও রিয়ান চট্টোপাধ্যায়।১৯৪২ সালের ২৮ ডিসেম্বর এক সম্ভ্রান্ত বনেদি পরিবারে জন্ম হয় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের। তখন তাঁরা থাকতেন তৎকালীন মধ্যপ্রদেশের(এখন ছত্তিসগড়) অম্বিকাপুরে। এক মাসের মধ্যেই মাতৃহারা হন ছোট্ট গীতা। জন্মদাত্রী মায়ের অনুভতির স্বাদ পাননি। সাত ভাইবোনের মধ্যে সব থেকে ছোট ছিলেন তিনি। বাবা ছিলেন প্রথিতযশা চিকিৎসক অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশুনা করেছেন। ট্রান্সফারেবল জব ছিল অনাথবন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মধ্যপ্রদেশের অম্বিকাপুরে পরিবার নিয়ে বসতি স্থাপন করেছিলেন তিনি। সেই সময় নারী শিক্ষার খুব বেশি প্রচলন ছিল না। তবে চেষ্টার কোনও ত্রুটি ছিল না গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একনিষ্ঠ অধ্যাবসায় থাকায় তাঁকে কখনও থামতে হয়নি। পড়াশুনা করেছেন অম্বিকাপুরে এডওয়ার্ড সেকেন্ডারি স্কুল, তারপর গভঃ ডিগ্রি কলেজ অম্বিকাপুর। এমএ, বিএড-ও করেছেন তিনি। অনাথ বন্ধু বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদি বাড়ি ছিল বর্ধমান জেলার নাড়ুগ্রামে।গীতাদেবী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ২জুন, সাল ১৯৬৬। তাঁর বিয়ে হয়েছিল মুর্শিদাবাদের গোপালপুর গ্রামে। স্বামী বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায় চাকরিসূত্রে দমদমে আসেন। তিনি ছিলেন শিক্ষক। দমদমেই স্থায়ী বসবাস শুরু করেন তাঁরা। বিয়ের পর প্রথম পর্যায়ে ছেলেদের পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন গীতাদেবী। ছেলেরা একটু বড় হওয়ার পর ১৯৭৬ সালে বাগবাজারের আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একদিকে চাকরি সামলেছেন, আরেক দিকে সাংসারিক লড়াই করে গিয়েছেন গীতাদেবী। ছেলেদের সুশিক্ষায় বড় করে তুলেছেন।নারী শিক্ষা প্রসারে অত্যন্ত অগ্রগন্য ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। বিশেষত নারী শিক্ষার প্রসার না ঘটলে কোনও জাতির উন্নতি হতে পারে না। ছাত্রীদের মনের মনিকোঠায় থাকতেন তাঁদের পছন্দের শিক্ষিকা। সহকারি শিক্ষিকাদের সঙ্গেও খুবই সদ্ভাব ছিল তাঁর। শিক্ষা অন্ত প্রাণ ছিলেন গীতাদেবী।এদিকে স্বামীর অকাল মৃত্যুতে ভেঙে না পড়ে ছেলেদের পড়াশুনা থেকে খাওয়া-দাওয়া, পোষাক-পরিচ্ছদ সবেতেই নজর ছিল তাঁর। সকালে স্কুল করে এসেই সাংসারিক যুদ্ধে নেমে পড়তেন। কখনও ছেলেদের বুঝতে দেননি তাঁদের বাবার অভাব। একাধারে মা ও বাবা দুই ভূমিকাই সাফল্যের সঙ্গে পালন করেছেন গীতা দেবী। তিন ছেলের মধ্যে মেজ ছেলের কঠিন অসুখে ১৯৮১ সালে অকাল প্রয়াণ ঘটে। জীবনে দুটি বড় ধাক্কা সামলে নিয়ে বজ্রহাতে সংসার ধরে রেখেছেন। আশির কোঠাতেও সবসময় খবর নিতেন ছেলেরা কী করছে? কেমন আছে? তাঁরা কি খেয়েছে? অফিস গিয়েছে কিনা? নাতি-নাতনিদের শুদ্ধ বাতাস ছিলেন তিনি। দীর্ঘ দিন শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন গীতা চট্টোপাধ্যায়।গীতা চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে শুধু পারিবারিক ক্ষেত্র নয়, তাঁর অগুনতি ছাত্রী ও সহকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। আগামী ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর ১টায় গীতা চট্টোপাধ্যায়ের স্মরণে বাগবাজার গঙ্গাতীরে ভাগবত সভা অনুষ্ঠিত হবে। পরের দিন ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৫ টায় দমদম রোড, হনুমান মন্দিরের কাছে পুরাঙ্গনে স্মরণসভা হবে অবসর প্রাপ্ত এই মহিয়সী শিক্ষিকার।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের বিচারের দাবিতে মালদার দুই চিকিৎসকের অভিনব প্রতিবাদ

কলকাতার আরজি কর মেডিকেল কলেজে তরুণী চিকিৎসক খুনের ঘটনার অভিনব প্রতিবাদ জানালেন মালদার দুই শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। নিজেদের প্রেসক্রিপশনে প্রতিবাদের ভাষা লিখে এবং দোষীদের ফাঁসির দাবির কথা উল্লেখ করেই রোগীদের সেই প্রেসক্রিপশন বিলি করলেন মালদার এই দুই চিকিৎসক । মালদার দুই শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের এমন অভিনব প্রতিবাদকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে অন্যান্য চিকিৎসকেরা। মালদার এই দুই প্রতিবাদী চিকিৎসকের নাম অভিজিৎ মিশ্র। যিনি শহরের মকদুমপুর রোডে রোগী দেখেন। আরেক চিকিৎসক রামপ্রকাশ সাহা। তিনি সিঙ্গাতলা রোডে রোগী দেখেন।বলাবাহুল্য, একদিকে যখন আরজি কর কাণ্ডের আবহে উত্তাল সারা রাজ্য। কলকাতার সিপির পদত্যাগের দাবিতে পথে জুনিয়র চিকিৎসকেরা। স্বাস্থ্য দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার সন্দীপ ঘোষ। চিকিৎসক থেকে জুনিয়র চিকিৎসক রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে যার মত করে আন্দোলনে নেমেছেন। ঠিক সেই সময় মালদা শহরে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন সংগঠনের দুই শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অভিনব এই প্রতিবাদে রীতিমতো সারা ফেলে দিয়েছে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ রামপ্রকাশ সাহা এবং ডাঃ অভিজিৎ মিশ্র মালদা শহরের মকদুমপুর এবং সিঙ্গাতলা এলাকায় প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখার সময় যে প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন সেখানে লেখা থাকছে আরজি কর ঘটনার প্রতিবাদ। আরও লেখা থাকছে বিচারের দাবি। লেখা থাকছে আরজি করের বিচার চাই। অপরাধচক্রের বিনাশ চাই। উই ওয়ান্ট জাস্টিস।মালদার ওই দুই শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ রামপ্রকাশ সাহা এবং ডাঃ অভিজিৎ মিশ্র বলেন, শিশুদের নানান অসুখ-বিসুখের ক্ষেত্রে পরিষেবা তো দিতেই হবে। শিশুরা ঈশ্বরের একটা অংশ। ওদের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা বন্ধ করলে চলবে না। তবে আরজি কর কান্ড নিয়ে প্রতিবাদের ভাষার আমাদের অব্যাহত রয়েছে। তাই নিজেদের ব্যবহৃত প্রেসক্রিপশনে এই ভাবেই প্রতিবাদ জানিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরছি।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৪
রাজ্য

চোর চোর স্লোগান তো ছিলই সঙ্গে জুটলো থাপ্পড়, সন্দীপের সিবিআই হেফাজত ৮ দিনের

চোর চোর, সঙ্গে থাপ্পর। এভাবেই দিন কাটলো আরজি করের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষের। পাশাপাশি ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত হল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৪ জনের। গতকাল রাতেই আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ-সহ ৪। আজ তাদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়েছিল। বিচারক সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকিদের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সিবিআই হেফাজতে। একটানা দুসপ্তাহেরও বেশি দিন ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর গতকাল, সোমবার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সেই সঙ্গে আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গতরাতেই তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপর আজ সন্দীপ-সহ বাকিদের আলিপুর আদালতে তোলে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। বিচারক ধৃতদের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন আলিপুর আদালতে তোলার সময় পিছনের দরজা দিয়ে সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকিদের নিয়ে ঢোকে সিবিআই। ততক্ষণে কোর্ট চত্বর ফেটে পড়ছে চোর-চোর স্লোগানে। মাস্ক পরা অবস্থায় কাঠগড়ায় ওঠেন সন্দীপ ঘোষ। সন্দীপকে মাস্ক খুলতে বলেন উপস্থিত আইনজীবীরা। তুমুল হট্টগোল শুরু হয় কোর্ট চত্বরে। তখনই বিচারক চারজনকে সামনে ডেকে নেন। প্রবল অস্বস্তির মুখে কার্যত মাস্ক খুলে ফেলতে বাধ্য হন সন্দীপ।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাহাড় প্রমাণ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই। দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে সন্দীপ-সহ বাকিদের জেরা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে আদালতে দাবি করে সিবিআই। এদিন ১০ দিনের জন্য তাদের হেফাজতে চাওয়া হয়েছিল। বিচারক সন্দীপ ঘোষ-সহ চারজনকে ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।এদিকে আজ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে জাস্টিস ফর আরজি কর স্লোগানে ইএম বাইপাসে দীর্ঘ ১৪ কিলোমিটার মানববন্ধন করলেন চিকিৎসক, নার্স, অন্য স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে বহু সাধারণ মানুষ। তিলোত্তমা আজ দেখাল প্রতিবাদের অন্য ভাষা। রাস্তার ধারে সুশৃঙ্খলভাবে বাইপাস জুড়ে নজিরবিহীন মানববন্ধনের সাক্ষী থাকল শহর কলকাতা। রাস্তার ধারে অভিনব এই কর্মসূচি পালন করলেও সচল থাকল যান চলাচল। উল্টোডাঙা থেকে পাটুলি পর্যন্ত দীর্ঘ মানববন্ধন চলল কলকাতার একাংশে। ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মানববন্ধনে বহু সিনিয়র চিকিৎসকরাও এদিন সামিল ছিলেন। সুশৃঙ্খল নীরব আন্দোলন চলল শহরে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

যাঁর পদত্যাগ দাবি তাঁকেই দিলেন স্মারকলিপি, অবস্থান উঠলেও আন্দোলন চলবে জুনিয়র চিকিৎসকদের

পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে কোনও সদুত্তর মেলেনি। সিপির পদত্যাগের দাবিতে জুনিয়র চিকিৎসকরা স্মারকলিপি দিয়েছে সিপিকেই। অবস্থান তুললেও আন্দোলন চলিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় । দেড় ঘণ্টা ধরে লালবাজারে আজ পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের সঙ্গে বৈঠক করেন চিকিৎসকদের ২২ জনের প্রতিনিধিদল। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঘটনায় কলকাতা পুলিশের ব্যর্থতার দায়ে সিপি বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবিতে একটানা অবস্থান বিক্ষোভ চালাচ্ছিলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। আপাতত কলকাতা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বৈঠকের পর সেই অবস্থান চিকিৎসকরা তুলে নিয়েছেন।মঙ্গলবার লালবাজার থেকে বেরিয়ে এক চিকিৎসক প্রতিনিধি বলেন, আমরা আমাদের স্মারকলিপি সিপিকে দিয়েছি। উনি আমাদের স্মারকলিপি জমা নিয়েছেন। আমরা প্রতিটি পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করেছি। পুলিশ কমিশনার স্বীকার করেছেন পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে। তথ্য-প্রমাণ লোপাটের ঘটনা নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি। উনি বলেছেন তিনি তাঁর কাজে খুশি, তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বললে তিনি পদত্যাগ করবেন।সোমবার রাতভর ফিয়ার্স লেনের উপরেই অবস্থানে বসে থাকেন জুনিয়র ডাক্তাররা। পুলিশ কমিশনার পদত্যাগ করুন, এই দাবিতে চলে অবস্থান বিক্ষোভ। ফিয়ার্স লেনে ট্রাম লাইনের উপর রাত পেরিয়ে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত বসে থাকেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। পরে তাঁরা রওনা দেন লালবাজারের উদ্দেশে।জুনিয়র ডাক্তারদের মিছিল আটকাতে সবরকম প্রস্তুতি সেরে রেখেছিল কলকাতা পুলিশ। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন রুখতে লালবাজারের সামনে বসেছে ভারী, চওড়া ব্যারিকেড। যাতে সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে না পারেন আন্দোলনকারীরা। নবান্ন অভিযান থেকে শিক্ষা নিয়েই এবার এমন অভিনব প্রস্তুতি পুলিশের। আন্দোলনকারীদের সোমবার লালবাজারের আগেই মিছিল আটকে দেওয়ায় আন্দোলনকারীরা ফিয়ার্স লেনের সামনে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের কুশপুতুল পোড়ান। তাঁদের দাবি, লালবাজারে কমিশনারের সঙ্গে তাঁদের দেখা করতে দিতে হবে। আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিরা কমিশনারকে ডেপুটেশন দিতে চান। বিনীত গোয়েলকে ইস্তফা দিতে হবে। নাহলে তাঁরা যাবেন না। মিছিল এগোতে না দিলে সেখানেই বসে থাকবেন তাঁরা।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৪
রাজ্য

কাকলির মন্তব্যে সমালোচনার ঝড়, ক্ষমা চাইলেন তৃণমূল সাংসদ

প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ চিকিৎসক কাকলি ঘোষ দস্তিদার। রীতিমতো সোশ্যাল মিডিয়ায় বিবৃতি দিয়ে মহিলা চিকিৎসকদের একাংশের উদ্দেশ্যে তাঁর করা মন্তব্যের জন্য ক্ষমা প্রার্থী বারাসাতের তৃণমূল সাংসদ। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে কাকলি লিখেছেন, কারও ভাবাবেগে আঘাত দিয়ে থাকলে ক্ষমা চাইছি। আমি আমার মন্তব্য প্রত্যাহার করছি। আমি বরাবর মহিলাদের অধিকার ও কল্যাণের পক্ষে থেকেছি এবং ভবিষ্যতেও থাকব।একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের টক শোতে গিয়ে মহিলা চিকিৎসকদের একাংশকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি বলেছিলেন, ছাত্রীদের কোলে বসিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার একটা চল শুরু হয়েছিল। যার আমি তীব্র নিন্দা করি, ঘৃণা করি। আমার ছেলেরাও নিন্দা করেছিল বলে ওদের কম নম্বর দিয়েছিল। কিন্তু আজ তাঁরা এখন প্রথিতযশা চিকিৎসক। তবে কোলে বসিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার চলটা যে এখন এখানে এসে দাঁড়াবে, মুখ খোলার সাহস করলে তাঁর থিসিস আটকে দেওয়া হবে, এটা ভাবতেও পারিনি।I am sorry for any statement made in ABP anondo talk show and apologize if my recent words have hurt anyones sentiments. I retract my statement. My intention has been and will always be to champion cause of well-being and rights of women. Dr. KakoliGDastidar (@kakoligdastidar) September 1, 2024আরজি কর আবহে মহিলা চিকিৎসকদের নিয়ে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের এমন মন্তব্যে বিতর্কের ঝড় বয়ে যায়। সমাজের বিভিন্ন মহলে ওঠে তীব্র প্রতিবাদ। এমনকী ইন্ডিয়ান সাইক্রিয়াটিক সোসাইটির চিকিৎসকেরা বিবৃতি দিয়ে জানান, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের এই মন্তব্য অত্যন্ত নিন্দনীয়। সাংসদের মন্তব্যে চিকিৎসকের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। প্রবল সমালোচনার মুখে পড়ে শেষমেষ নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে বাধ্য হলেন তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৪
রাজ্য

প্রেসক্রিপশনে স্ট্যাম্প! আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ চিকিৎসকের

রোগীর প্রেসক্রিপশনে বিচার চেয়ে, অপরাধীদের বিনাশ চেয়ে আরজি কর নিয়ে নয়া লড়াই শুরু করেছেন বীরভূমের এক চিকিৎসক। আরজি করের বিচার চাই, অরপরাধ চক্রের বিনাশ চাই। এমন লেখা রাবার স্ট্যাম্প বানিয়ে নিয়েছেন ওই চিকিৎসক। এমন ভাবে অন্যরাও লড়াই ছড়িয়ে দিক, বলেন চিকিৎসক দেবব্রত দাস। আরজি কর হাসপাতালের ছাত্র ছিলেন দেবব্রত দাস। চেনে হাসপাতালের সব তল্লাট। আরজি করের প্রাক্তনী প্রতিটি রোগীর প্রেসক্রিপশনে স্ট্যাম্প ব্যবহার করছেন।বীরভূমের রামপুরহাট গভঃ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন কনসালট্যান্ট ল্যাপরোস্কোপিক সার্জেন দেবব্রত দাস। বর্তমানে তিনি হাসপাতাল সংলগ্ন ওষুধের দোকানে প্রাইভেট প্র্যাক্টিস করেন। আরজি কর কাণ্ডের পর দেবব্রতবাবু জুনিয়ার- সিনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে পা মিলিয়েছিলেন। একাধিক আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। এবার নিজের চেম্বার থেকেই আন্দোলনকে নানা দিকে ছড়িয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাই লালকালির স্ট্যাম্পে আরজি করের বিচার চাই, অরপরাধ চক্রের বিনাশ চাই লেখা প্রতিবাদ ছড়িয়ে দিচ্ছেন রোগী ও তাদের পরিবারের মধ্যে। শুধু বাংলাতে নয়, ইংরেজিতেও লেখা রয়েছে উই ওয়ান্ট জাস্টিস।দেবব্রত দাস বলেন, আমি আরজি করের প্রাক্তন ছাত্র। ওই কলেজের প্রতিটি গলি আমি চিনি, জানি। সেখানে এই ঘটনা আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। আমি কল্পনাও করতে পারছি না যে স্বাধীন ভারতে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে আমার প্রাক্তন কলেজে এমন নৃশংস ঘটনা ঘটতে পারে। সেই জন্য চিকিৎসক সমাজ সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ রাস্তায় নেমেছে। বার বার বলা হচ্ছে ঘটনার প্রমান মুছে ফেলা হয়েছে। এর জন্য দায়ী করা হয়েছে রাজ্য সরকারকে। তাই সাধারণ মানুষের মতো আমি চিকিৎসক হিসাবে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে আমার প্রেসক্রিপশনকে ব্যবহার করেছি। সেই প্রেসক্রিপশন প্রতিটি মানুষের পাশাপাশি ওষুধের দোকানেও পৌঁছে যাচ্ছে। এছাড়া আমাদের সারা ভারতে যে সংগঠন রয়েছে সেখানেও আমার প্রেসক্রিপশন পাঠিয়ে দিয়ে প্রতিবাদের ভাষা পৌঁছে দিয়েছি। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে প্রতিবাদের ভাষা পৌঁছে দিতে ইংরেজিতেও লেখা রয়েছে।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে মুক্ত সায়ন লাহিড়ী, জানিয়ে দিলেন বিচার না পাওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে

কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে আজ বেলা ১.৪১ মিনিট নাগাদ মুক্তি দেওয়া হল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজের অন্যতম আহ্বায়ক সায়ন লাহিড়ীকে। জেল থেকে মুক্তি পেয়েই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন সায়ন। আরজি করে নির্যাতিতা তরুণীর নৃশংস পরিণতির বিচার না হওয়া অবধি তাঁদের লড়াই চলবে বলে এদিন জানিয়েছেন সায়ন। তবে এই নির্দেশের বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্ট যাচ্ছে রাজ্য সরকার।আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ। নবান্ন অভিযানের দিন তুমুল অশান্তি ছড়ায় কলকাতা ও হাওড়ার দিকে দিকে। আন্দোলনকারী-পুলিশ সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন এলাকায়। পরবর্তী সময়ে একটি টিভি চ্যানেলের টক শো থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাস্তায় গাড়ি আরকে গ্রেফতার করা হয় সায়ন লাহিড়ীকে। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ সায়নকে মুক্তির নির্দেশ দেন। রাজ্যকে আজ বেলা ২টোর মধ্যে সায়নকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।উচ্চ আদালতের নির্দেশ মতো এদিন বেলা ১.৪১ মিনিট নাগাদ সায়নকে মুক্তি দেওয়া হয়। জেল থেকে বেরিয়ে সায়ন এদিন বলেন, পাশে থাকার জন্য শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-বৃষ্টির ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। যতদিন পর্যন্ত নির্যাতিতা দিদি বিচার না পাবেন ততদিন আন্দোলন চলবে। হাইকোর্টের রায়ে খুশি। এদিন জেল থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধেও সোচ্চার হয়েছেন সায়ন লাহিড়ী। পুলিশ দমন-পীড়নের ধারা তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োগ করেছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে নবান্ন অভিযানে ধৃত বাকিদের মুক্তির জন্যও তাঁদের লড়াই জারি থাকবে বলে এদিন সায়ন জানিয়েছেন।সায়নের গ্রেফতারি নিয়ে গতকালই বিচারপতি হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা রাজ্যকে তুলোধনা করেছিলেন। প্রভাবশালী যুক্তি দেখিয়ে সায়নের মুক্তি ঠেকাতে রাজ্য নানা যুক্তি খাড়া করেছিল। তবে কোনও যুক্তিই ধোপে টেকেনি। সায়নকে মুক্তির নির্দেশ দেয় উচ্চ আদালত। জানা গিয়েছে, এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যাচ্ছে রাজ্য সরকার।

আগস্ট ৩১, ২০২৪
রাজ্য

কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিকের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষীর

সিপিএম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় এবার কলকাতা পুলিশের এক অফিসারের বিরুদ্ধে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ তুলেছেন। কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের কাছে মীনাক্ষীর অভিযোগ, আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে বিক্ষোভ চলাকালীন একজন অফিসার তাঁকে ছু়ড়ে ফেলে দেন এবং তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করেছেন।৯ আগস্ট, আরজি কর মেডিক্যাল হাসপাতালের মহিলা পিজিটি ডাক্তারের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে, ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক মীনাক্ষী, ডিওয়াইএফআই নেতা কলতান দাশগুপ্ত এবং কিছু সমর্থক ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং নির্যাতিতার দেহ বহনকারী শকট গাড়িটি থামান। মৃতদেহ শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। মীনাক্ষীরা তদন্ত ও ময়নাতদন্তের জন্য দেহ সংরক্ষণের দাবি জানান।সেই বিক্ষোভ চলাকালীন, পুলিশ মীনাক্ষীর সঙ্গে গাড়ির সামনে ধস্তাধস্তি করে বলে অভিযোগ। সেইসময় এক পুরুষ পুলিশ অফিসার তাঁকে ধাক্কা মারেন, মারধর করেন বলে অভিযোগ। একটি ছবি পরে অনলাইনে ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে কোনও মহিলা পুলিশকর্মী উপস্থিত ছিলেন না।মীনাক্ষীর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। প্রশাসন ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আমাদের আন্দোলনের সময় আমরা প্রতিদিন এমন অপমানের সম্মুখীন হচ্ছি। কখনও কখনও মহিলা পুলিশের উপস্থিতিতেও পুরুষ পুলিশ আমাদের মহিলা কর্মীদের উপর হামলা চালায়। আমি জানি না আমরা কোন রাজ্যে বাস করছি,।তাঁর অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গে প্রতিদিনই ধর্ষণ এবং হত্যা ঘটে, এমনকি আরজি কর কাণ্ডের পরেও।মীনাক্ষী বলেছেন, গতকাল যদি ঘোলায় ঘটে থাকে, তবে পরশু কোচবিহারে ঘটেছিল। পুলিশ শুধু এ ধরনের অপরাধ বন্ধ করতেই ব্যর্থ হয় না, তারা এ ধরনের অপরাধীদের গ্রেফতার করতেও ব্যর্থ হয়। কোনও অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশ যদি কিছু করতে না পারে তাহলে পুলিশি ব্যবস্থার কী দরকার! অপরাধীরা কেন পুলিশকে ভয় পাবে? কলকাতা পুলিশ ওই ঘটনার তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 44
  • 45
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal