• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Nabanna

রাজ্য

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার, পুড়ে ছাই পুলিশের গাড়ি

বিজেপির নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে কলকাতা ও হাওড়ার বেশ কিছু এলাকায় মঙ্গলবার ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে যায়। নবান্ন অভিযানকে কেন্দ্র করে রীতিমতো অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে হাওড়া ও কলকাতা। এমজি রেডে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারীরা। হাওড়ার সাঁতরাগাছিতে ব্যাপক ইঁট বৃষ্টি চলল পুলিশের ওপর। গ্রেফতার করা হয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাহুল সিনহাকে।শুভেন্দু গ্রেফতাররের পর আন্দোলনের গতি বাড়ে সাঁতরাগাছিতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যারাকপুর থেকে বাড়তি বাহিনী আসে সাঁতরাগাছিতে। পুলিশকে লক্ষ্য করে রেললাইনের পাথর ছুড়তে থাকে বিজেপি কর্মীরা। তাঁরা দাবি করতে থাকে শুভেন্দু অধিকারীকে ছাড়তে হবে। তা নাহলে আন্দোলন জারি থাকবে। সন্ধ্যার পর শুভেন্দু সহ অন্যরা লালবাজার থেকে ছাড়া পায়। শুভেন্দু জানিয়ে দেয়, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশে তাঁদের পুলিশ ছাড়তে বাধ্য হয় বলে শুভেন্দু দাবি করেন। তিনি আগামিকাল আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন।মঙ্গলবার কলেজ স্ক্যোয়ার থেকে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয়। হাওড়ামুখী রবীন্দ্র সেতুতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন ছিল, রাখা হয়েছিল জলকামানও। মিছিল রবীন্দ্রসেতুর মুখে পৌঁছানো মাত্র তা ছত্রভঙ্গ করতে জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। বিজেপি কর্মীরা ইঁট ছুড়তে থাকে পুলিশকে লক্ষ্য করে। পাল্টা ইঁট ছুড়তে দেখা যায় পুলিশকেও।হাওড়া ময়দান, সাঁতরাগাছি ও রবীন্দ্র সেতু তিন জায়গাতেই কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটানো হয়। কলকাতায় ফিরে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীরা এমজি রোডে পুলিশের গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে উত্তর কলকাতার একাংশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিজেপির রাজ্য দফতরের কাছেও পুলিশকে ছুটে যেতে হয়। সেখানেও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। রাজ্য বিজেপি মঙ্গলবার তিন দিক থেকে নবান্ন অভিযান শুর করে। সাঁতরাগাছির দিক থেকে অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিরোধী দলনেতা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, হাওড়া ময়দান থেকে দলের রাজ্য সভাপতি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার ও হাওড়া রবীন্দ্র সেতুর দিকে সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তবে শুভেন্দুর গ্রেফতারি নিয়েই তোলপাড়় রাজনৈতিক মহল।সাঁতরাগাছিতে পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে থেকে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, রাহুল সিনহা সহ অন্যরা। ছবিতে দেখা যায় বিরোধী দলনেতার পিঠের দিকে হাত বাড়িয়ে ওই মহিলা পুলিশ কর্মী বলতে থাকেন চলুন। শুভেন্দু বলে ওঠেন, ডোন্ট টাচ মি। ডোন্ট টাচ মাই বডি। ইউ আর লেডি, আই এম মেল। আপনি লেড গায়ে হাত দেবেন না। জেন্টস পুলিশ ডাকুন। তখন ডিসি সাউথ আকাশ মেঘারিয়া বলেন, পুলিশ তো পুলিশই হয়। লেডিস জেন্টস হয় না। তারপর তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায় পুলিশ। বিরোধী দলনেতার ওই মন্তব্যের পর তৃণমূল বলতে শুরু করে, আন্দোলনের ময়দান থেকে পালিয়ে গিয়েছেন শুভেন্দু। এই নেতাকে কর্মীরা কী করে ভরসা করতে পারে বলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল নেতৃত্ব।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজনীতি

অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধী দলনেতাকে গ্রেফতারঃ সুকান্ত

বিজেপি-র নবান্ন অভিযানের মিছিলে যগদান করার মুহুর্তেই গ্রেপ্তার করা হয় দলের তিন প্রথম শ্রেনীর নেতৃত্ব শুভেন্দু, লকেট ও রাহুল সিনহাকে। তাদের গ্রেফতার করে লালাবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারই মধ্যে হাওড়া স্টেশনে বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ঘিরে উত্তেজনা। হাওড়া স্টেশনেই বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিতে শোনা যায় তাঁকে। মিছিল করে নবান্নের উদ্দেশে যাত্রা শুরু বিজেপি রাজ্য সভাপতির।সুকান্ত বলেন, গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এমারজেন্সির সময় যে ধরনের ব্যরিকেড করা হয়েছিল সেই একই জিনিস দেখতে পেলাম কলকাতার রাস্তায়। অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে বিরোধী দলনেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বিজেপির নবান্ন অভিযান সফল করতে মরিয়া বিজেপির কর্মী সমর্থকরা। অন্যদিকে রাজ্য পুলিশও তা রুখতে কোনও রকম খামতি রাখেননি।আর এই দুয়ের মাঝে পড়ে নাজেহাল দশা সাধারণ মানুষের। যাঁরা রাস্তায় নেমেছেন রুটিরুজির জন্য কিংবা যাঁর ঘরের মানুষটাকে এদিন হাসপাতালে না নিয়ে গেলেই নয়, তাঁরা কার্যত দিশাহারা। নবান্ন অভিযান ঘিরে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে কলকাতা অভিমুখী যে রাস্তা, অর্থাৎ হাওড়া থেকে আন্দুল থেকে কলকাতা অভিমুখী যে রাস্তা তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছেন সাধারণ মানুষ। সাঁতরাগাছিতে একের পর এক গাড়ি দাঁড়িয়ে পড়েছে। দাঁড়িয়ে অ্যাম্বুল্যান্সও। নবান্ন অভিমুখে যতগুলি রাস্তা, এদিন কার্যত সবই রুদ্ধ।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির নবান্ন অভিযান রুখতে যুদ্ধক্কালীন প্রস্তুতি পুলিশের! প্রস্তুত জলকামান, বজ্র, ড্রোনেও নজরদারী

সকাল থেকেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে হাওড়া, ও কলকাতার পুলিস। বিজেপির নবান্ন অভিযান কর্মসূচি রুখতে বিশাল বাহিনী নিয়ে তৈরি এই দুই জেলার পুলিশ। মঙ্গলবার ভুর থেকে তারা রাস্তায় নেমে পড়েছে। কড়া নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয়েছে নবান্ন এলাকা। শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মিছিল আটকাতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে । রাস্তার গুলিকে গার্ড রেলিং দিয়ে ঘিরে ফেলেছে তারা।শহরের বিভিন্ন দিক থেকে বিজেপির নবান্ন-অভিযান মিছিল রুখতে ৫টি জলকামান নিয়ে প্রস্তুত পুলিস। এর সাথে থাকছে দুটি বজ্র। ড্রোনের মাধ্যমেও আকাশপথে নজরদারী চালানো হচ্ছে যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো যায়। যানানো যাচ্ছে, গেরুয়া বাহিনীর এই নবান্ন অভিযান কর্মসূচির কোনও অনুমতি দেয়নি হাওড়া পুলিশ। সোমবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি সকান্ত মজুমদার জানিয়েছেন, তারা জানতেন এই অভিযানের অনুমতি পুলিস তাদের দেবেন না। তিনি এটাও জানিয়েছে, পুলিশি অনুমোদনের অপেক্ষায় তা নেই। সব বাধা উপেক্ষা করেই বিজেপির এই নবান্ন অভিযান সফল হবে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সমগ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার নজরদারিতে রয়েছেন বিশেষ কমিশনার দময়ন্তী সেন। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন দুজন করে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় যাতে কোনও খামতি না থাকে তাঁর জন্য আরও ১৮ জন ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিককে রাখা হয়েছে।যারা হাওড়া ও কলকাতা অভিমুখে যাবেন তাদের উদ্দশ্যে পুলিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত দ্বিতীয় হুগলি সেতু ( বিদ্যাসাগর সেতু) এবং দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত হাওড়া ব্রিজ (রবীন্দ্র সেতু) দিয়ে যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ভোর ৪টে থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত শহরে যে সমস্ত মালবাহী গাড়ি ঢোকে সেটাও পুলিসের তরফ থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এর জেরে সাধারণ মানুষের ভয়ঙ্কর ভোগান্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

যে কোনও মূল্যে কলকাতা যাবেনই বিজেপি কর্মীরা, পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি

স্পেশাল ট্রেনের অপেক্ষায় রইলেননা জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ, ময়নাগুড়ি, ধুপগুড়ি সহ বিভিন্ন স্টেশনে বিজেপি কর্মীরা। আর খানিকক্ষণ পর আসছে পদাতিক এক্সপ্রেস সেই ট্রেনেই কলকাতা যাবেন নাছোড়বান্দা বিজেপি কর্মীরা। জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে দাড়িয়ে চোর ধরো জেল ভরো স্লোগান বিজেপি কর্মীদের।একইসাথে ময়নাগুড়ি সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের পুলিশ আটকাচ্ছে সেই ভিডিও দিলাম।। এদিন রাতে জলপাইগুড়ি রোড স্টেশনে ডিএসপি সমির পাল, আই সি কোতোয়ালি অর্ঘ্য সরকার সহ বিরাট পুলিশ বাহিনীকে নজরদারি করতে দেখা যায়।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২
রাজনীতি

বিজেপি বিধায়ক-সাংসদরা ঘর থেকে বেরতে পারবেন না, বাড়ি ঘেরাওয়ের ডাক অভিষেকের

ডিসেম্বরের মধ্যে চা শ্রমিকদের পিএফ-গ্রাচুইটির সমস্যা না মিটলে বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদদের বাড়ি ঘেরাওয়ের ডাক দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার জলপাইগুড়ির মালবাজারে চা শ্রমিকদের জনসভায় নানা সমস্যা নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিষেক বলেন, উত্তরবঙ্গ নয়, একটাই বঙ্গ, পশ্চিমবঙ্গ। যে কারণে এখানে জড় হয়েছি, আপনাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে। শ্রমিকের স্বার্থে তৃণমূল কংগ্রেস লড়বে, মালিকের স্বার্থে নয়। পিএফ ও গ্রাচুইটি নিয়ে শ্রমিকদের অভিযোগ আছে। এটা কেন্দ্রীয় সরকারের শ্রম দফতরের কাজ। এই দাবির জন্য আন্দোলন করা হবে। এটা শ্রমিকদের হকের টাকা। চা বাগানের মালিকরা যদি পিএফ ও গ্রাচুইটির টাকা জমা না দেয় তাহলে লোকাল থানায় গিয়ে অভিযোগ করবেন। পুলিশ পুলিশের কাজ করবে। তিনি ঘোষণা করেন, ৩ লক্ষ শ্রমিকের হাতে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে আইডি কার্ড তুলে দেওয়া হবে। নরেন্দ্র মোদি বলেন তিনি চা বিক্রি করতেন, কিন্তু চা শ্রমিকদের উন্নতির কথা ভাবেন না তিনি, বলেন অভিষেক।৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যদি কোনও ফল না মেলে তাহলে বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদদের বাড়ি ঘেরাও করা হবে। দরকারে আমি আসব। ঘোষণা করেন অভিষেক। তিনি বলেন, এঁদের বাড়ি থেকে বের হতে দেবেন না। নিশীথ প্রামানিক, জন বার্লা, জয়ন্ত রায়রা বাড়ি থেকে বেরতে পারবেন না ৩ লক্ষ মানুষ যদি রাস্তায় বের হয়। প্রয়োজনে দাবি আদায়ে ৩ লক্ষ চা শ্রমিক দিল্লি অভিযানে যাবে। বিজেপি শুধু প্রতিশ্রুতি দেয়। পাশাপাশি চা বস্তিগুলিতে পানীয় জলের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন অভিষেক। তিনি বলেন, রাজ্যের মন্ত্রীকে বলব ৭দিনের মধ্যে এখানে আসতে। ঘুরে দেখে পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির নবান্ন অভিযান ঘিরে বর্ধমান শহরে প্রচার শুরু

পুপুর্ব নির্ধারিত ৭ সেপ্টেম্বরের পরিবর্তে ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযান, সেই অভিযান লক্ষ করে জোর কদমে দেওয়াল লেখন শুরু বর্ধমান শহরে, বর্ধমানের ৯ নং ওয়ার্ড কালিবাজার এলাকায় চলে দেওয়াল লেখন, দেয়াল লিখতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা সহ বিজেপির কর্মী সমর্থকরা, অভিজিৎ তা জানান, গোটা জেলা জুড়ে চলছে দেওয়াল লিখনের কাজ এবং ১৩ই সেপ্টেম্বর জেলা থেকে পচুর কর্মী সমর্থক নবান্ন অভিযানে যোগ দিতে সামিল হবেন। তিনি জানান, শুধুমাত্র বিজেপি কর্মী সমর্থক নয়, প্রচুর সাধারণ মানুষও ওই অভিযানে আমাদের ডাকে সারা দিয়ে উপস্থিত থাকবেন।প্রসঙ্গত, রাজ্য বিজেপি এর আগে ঠিক করেছিল ৭ সেপ্টেম্বর হবে নবান্ন অভিযান। কিন্তু ঘোষণার পর বিভিন্ন জায়গা থেকে স্থানীয় নেতৃত্বরা রাজ্য নেতৃত্বকে জানান ওই দিন করম পরব। তাই তড়িঘড়ি দিন পরিবর্তন করে নতুন দিন স্থির করে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

২ বছর পর রাজ্য থেকে উঠছে সমস্ত করোনা বিধিনিষেধ

দীর্ঘ দু-বছর পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে রাজ্যে করোনার সমস্ত বিধিনিষেধ উঠে গেলো। করোনার গ্রাফ নিম্নমুখী হওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে সমস্ত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে বিজ্ঞপ্তি জারি করল নবান্ন। করোনার প্রকোপ কমতে শুরু করার পর থেকে ধাপে ধাপে সমস্ত বিধি-নিষেধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে এতদিন রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বহাল ছিল কড়াকড়ি। এই সময়ে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষ ও যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ছিল।তবে এবার আর কোনও বিধিনিষেধই থাকছে না।আবারও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে রাজ্য।করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা সামলিয়ে ওঠার পর থেকেই দেশে নিম্নমুখী সংক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত করোনাবিধি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। দেশজুড়ে জারি থাকা মহামারি আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।এবার সেই পথেই হাঁটল রাজ্য।তবে করোনার বিধিনিষেধ উঠলেও মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ৩১, ২০২২
রাজ্য

২ দিনের ধর্মঘট মোকাবিলায় কড়া রাজ্য, গরহাজির হলেই শোকজ

বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা দুদিনের ধর্মঘটের মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপ নিল নবান্ন। অর্থ দপ্তরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, ওই দুদিন কোনও কর্মী গরহাজির থাকলে কাটা যাবে তাঁর বেতন।শুধু তাই নয় কর্মজীবনে একদিনের ছেদ পড়বে।আর পাঁচটা ধর্মঘটের মত আগামী সোম ও মঙ্গলবার দুদিনের ধর্মঘটে রাজ্যের সব সরকারি ও আধা সরকারি অফিস স্কুল কলেজ খোলা থাকবে বলে জানানো হয়েছে। পেট্রোল-ডিজেল রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিলগ্নীকরণের প্রতিবাদ সহ একগুচ্ছ দাবিতে ২৮ ও ২৯ শে মার্চ ধর্মঘট ডেকেছে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি। শনিবার নবান্নে অর্থ দপ্তর এক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছে, ওই দুদিন কোনও সরকারি কর্মচারী ছুটি নিতে পারবেন না। সরকারি কর্মচারীদের ওই দুদিন অফিস যেতেই হবে। কোনও কর্মচারী ওই দুদিন অফিসে অনুপস্থিত হলে তার কর্মজীবনে ছেদ পড়বে। অর্থাৎ কর্ম জীবন থেকে দুদিন কাটা যাবে। বেতনও কাটা যাবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, যদি কোনও কর্মচারী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন, কোনো নিকট আত্মীয় মারা যান, ২৫ মার্চের আগে থেকে যারা অসুস্থ হয়ে ছুটিতে আছেন ও ২৫ শে মার্চের আগে থেকে যারা মাতৃত্বকালীন ছুটি, মেডিক্যাল লিভ, চাইল্ড কেয়ার লিভে আছেন, তারা ছাড়া বাকি কর্মচারীরা ছুটি নিতে পারবেন না। যদি কোনও কর্মচারী ওই দুদিন উল্লিখিত কারণ ছাড়া ছুটি নেন, তাদের শোকজ করা হবে। শোকজের জবাব যদি সন্তোষজনক না হয় তাহলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চাকরিজীবন থেকে ওই দুদিন বাদ যাবে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর। কাটা যাবে বেতনও। এই দুদিন সমস্ত ছুটি বাতিল থাকবে। জরুরি অবস্থা ছাড়া অন্য কোনও ছুটি পাওয়া যাবে না। ২৮ এবং ২৯ মার্চ ছুটি করলে সেই কর্মীকে শো-কোজ করা হবে বলেও জানিয়েছে নবান্ন। শোকজ করে জানতে চাওয়া হবে, কেন তাঁর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। যাঁরা শোকজের উত্তর দেবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হল, তার বিস্তারিত রিপোর্ট ১৩ এপ্রিলের মধ্যে তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

করোনা-কাল কাটিয়ে আজ শুরু মাধ্যমিক পরীক্ষা

আজ থেকে শুরু হচ্ছে এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। করোনা অতিমারির কাল সময়কে পেরিয়ে এবার পরীক্ষা হবে ফের অফলাইনে। মাধ্যমিকের পরীক্ষা পর্ব নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সবরকমের ব্যবস্থা করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ রাজ্য সরকার। পরীক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি কোভিড বিধি নিষেধ মেনে যাতে পরীক্ষা হয় সেদিকেও কঠোর দৃষ্টি রাখছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজ্যের পড়ুয়ারা যাতে নির্বিঘ্নে জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা দিতে পারে তার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে আপামর রাজ্যবাসীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন তিনি।২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক সংক্রান্ত কন্ট্রোলরুম চালু হয়েছে। ০৩৩ ২৩২১৩৮২৭-সহ বেশ কয়েকটি নম্বর পর্ষদের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত হেল্পলাইন চালু থাকবে বলে জানিয়েছে পর্ষদ। পরীক্ষার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে পরীক্ষাকেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারেন সে জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে গণপরিবহণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি নজরদারি থাকবে। ইন্টারনেটেও নজরদারি চালানো হবে।পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।এবছর মাধ্যমিকে বসছে ১১ লক্ষ ২৬ হাজার ৮৬৩ জন পরীক্ষার্থী। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের সংখ্য়া এবছর বেশি। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪। আর ছাত্রদের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫৯।পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় সাংবাদিক সম্মলনে বলেন, এবছর ৫০ হাজারের মতো পরীক্ষার্থী বেড়েছে। পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। পরীক্ষার সেন্টার বা মূল পরীক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা এবছর ১৪৩৫। এছাড়া সাব-ভেন্যু থাকছে ২ হাজার ৭৫৯টি। সব মিলিয়ে মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা চার হাজার ১৫৪টি।

মার্চ ০৭, ২০২২
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর বিমান বিভ্রাটের কারণ জানতে চেয়ে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে চিঠি নবান্নের

রাজ্য সরকার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমান বিভ্রাটের কারণ জানতে চেয়ে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে চিঠি দিয়েছে। শুক্রবার সেখানে কী হয়েছিল জানতে চেয়ে আজ মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী রিপোর্ট তলব করেছেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। বারাণসী থেকে মুখ্যমন্ত্রী যখন রাজ্য সরকারের ভাড়া করা বিমানে ফিরছিলেন তখন তা কোনও এয়ার পকেটে পড়েছিল কি না চিঠিতে সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের সঙ্গেও রাজ্যের তরফে কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফিরছিলেন বারাণসী থেকে। তখন তাঁর বিমান এয়ারপকেটে পড়েছিল কি না তা বিস্তারিতভাবে জানতে চাওয়া হল নবান্নের পক্ষ থেকে এয়ারপোর্ট অথরিটির কাছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব বিপি গোপালিকা চিঠি লিখেছেন এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়াকে। কলকাতায় বিমান নামার আগে প্রচণ্ড ঝাঁকুনি হয়। তাই বিষয়টি তিনি জানতে চেয়েছেন।রাজ্য প্রশাসনের তরফে বিষয়টি নিয়ে বেশি উদ্বেগের কারণ, শুক্রবার কলকাতারআকাশ যথেষ্ট পরিষ্কার ছিল। মেঘ, বৃষ্টি, ঝড় কোনওটাই ছিল না। তা সত্ত্বেও বিমানটি আচমকা একটি ঝঞ্ঝার মুখোমুখি হয়।ফলে পাইলট অত্যন্ত দ্রুততায় উচ্চতা প্রায় পাঁচ হাজার ফুট নামিয়ে আনেন। ফলে প্রবল ঝাঁকুনি ও উথালপাথাল হল বিমানে। বিমানের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সহযাত্রীরা অবশ্য জানতে পেরেছিলেন, তাঁদের বিমানের সামনে অন্য একটি বড় বিমান এসে পড়েছিল। সেটিই হল বিপত্তির কারণ। কিন্তু নবান্নের শীর্ষ কর্তারা এমন উত্তরে সন্তুষ্ট নন। তাঁরা চান এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ও অসামরিক বিমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছ থেকে এ বিষয়ে স্পষ্ট জবাব চাইছে নবান্ন। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর বিমান বিভ্রাট নিয়ে এখনও এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া বা অসামরিক বিমান প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কোনও বিবৃতি প্রকাশ্যে আসেনি।

মার্চ ০৫, ২০২২
রাজ্য

সোমবার শুরু মাধ্যমিক, একগুচ্ছ ব্যবস্থা রাজ্যের

চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা আগামী সোমবার শুরু হচ্ছে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের মতো ঘটনা এড়াতে এবং নির্বিঘ্নে পরীক্ষার পর্ব সম্পন্ন করতে রাজ্য সরকার একগুচ্ছ ব্যবস্থা নিয়েছে। পরীক্ষার দিনগুলোতে ইন্টারনেটে প্রশ্ন ফাঁস বা অন্য সমস্যা রুখতে যে সমস্ত এলাকায় নেট সার্ভারে অনিয়ম হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে সেই এলাকাগুলোতেই বিশেষভাবে নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে।পরীক্ষার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নবান্নে একপ্রস্থ বৈঠক সেরেছেন পুলিশ কর্তারা। প্রথমে ঠিক হয়েছিল পরীক্ষার দিনগুলোতে প্রশ্ন ফাঁস আটকাতে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ রাখা হবে। তবে পরে সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।আগামী ৭,৯,১১,১২ ও ১৪ তারিখ মাধ্যমিক পরীক্ষার দিনগুলোতে সকাল ১১টা থেকে দুপুর সওয়া ৩টে অবধি ইন্টারনেটে সাইবার বিশেষজ্ঞ দলের বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে।এছাড়া প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরারও ব্যবস্থা থাকছে। পুলিশকেও বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় এবার অফলাইনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে।তবে করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার হোম সেন্টারেই হবে পরীক্ষা।পরীক্ষা চলাকালীন কঠোরভাবে কোভিড বিধি নিষেধ মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে পরীক্ষার্থীদের শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনে বসাতে বলা হয়েছে। মাস্ক ও স্যানিটাইজার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্য কোনও পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে পেন, পেন্সিল, স্কেল ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় গাঙ্গুলী শনিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, সব মিলিয়ে চার হাজার ১৫৪টি কেন্দ্রে ১১ লাখ ২৬ হাজার ৮৬৩ জন পরীক্ষার্থী এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। যেটা একটা রেকর্ড। এর মধ্যে ৬ লক্ষ ২৬ হাজার ৮০৪ জন ছাত্রী রয়েছে। সকাল পৌনে বারোটায় পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষার্থীরা প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য পনেরো মিনিট সময় পাবেন। বেলা তিনটে পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। প্রশ্ন ফাঁস এড়াতে পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা পনেরো মিনিটের আগে ছাত্রছাত্রীরা কক্ষের বাইরে বের হতে পারবেন না।করোনার বাড়বাড়ন্তের কারণে গত বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা হচ্ছে অফলাইনে।৭ মার্চ থেকে ১৬ মার্চ অবধি চলবে পরীক্ষা। ইতিমধ্যেই অ্যাডমিট কার্ড হাতে পেয়ে গেছেন পড়ুয়ারা। এর আগে হোয়াটসঅ্যাপে মাধ্যমিকের প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই এবার বিশেষভাবে নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকছে মাধ্যমিক পরীক্ষায়।

মার্চ ০৫, ২০২২
রাজ্য

কোভিডবিধি বহাল থাকল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত

বাড়ানো হল পশ্চিমবঙ্গের কোভিড বিধির মেয়াদ। মেয়াদ বাড়ানো হল আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। তবে আলগা করা হল না কোভিড বিধিনিষেধ। বর্তমানে রাজ্যে যে কোভিডবিধি কার্যকর রয়েছে, তা-ই ১৫ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে। সোমবার সন্ধ্যায় নির্দেশিকা জারি করে জানাল নবান্ন।গত ১৪ ফেব্রুয়ারি নবান্নের জারি করা কোভিড বিধিনিষেধে নৈশ কার্ফুর মেয়াদ এক ঘণ্টা কমানো হয়েছিল। সময়সীমা রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত করা হয়েছিল। সোমবার জারি করা নির্দেশিকাতেও ওই একই নিয়ম বহাল রাখা হয়েছে। আগের মতোই কেবল জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের এই নৈশ কার্ফুর আওতা থেকে বাদ রাখা হয়েছে। পাশাপাশিই, মাস্ক পরা এবং শারীরিক দূরত্ববিধির নিয়ম আগের মতোই বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নের নির্দেশ, বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলিকেও আগের মতোই কোভিড নিরাপত্তা বজায় রাখতে হবে। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক উড়ানের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধের মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানো হল। সোমবার এক নির্দেশিকা জারি করে এমনটাই জানিয়েছে ডিজিসিএ।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

আনিস খান হত্যা মামলা এবার হাইকোর্টে

ছাত্রনেতা আনিস খান হত্যাকাণ্ডের জল গড়াল কলকাতা হাইকোর্টেও। রহস্যমৃত্যুর আসল কারণ কী, তা জানতে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার আরজি জানিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচি। দুপুর ২টোয় লিখিত পিটিশন জমা দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের। এদিকে, ঘটনার তদন্তে আমতায় ছাত্রনেতার বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি ডিএনটি সুব্রত ভৌমিক। নিহতের বাবা সালাম খানের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এদিকে এই ঘটনায় এবার হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী পুলক রায়ের মাধ্যমে আনিসের বাবাকে নবান্নে ডেকে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার দুপুর তিনটে নাগাদ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন আনিসের পরিজনেরা।সোমবার আনিসের বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি সুব্রত ভৌমিক। আমতা থানার ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজ্য সরকারের চাকরির প্রস্তাব তাঁর বাবাকে দেওয়া হয়। যদিও তিনি আগে বিচার চেয়ে বসেছেন। দুদিন কেটে গেলেও এখনও অধরা অভিযুক্ত। এই ঘটনায় হয়নি কেউই। উল্লেখ্য, সোমবার আনিসের বাড়িতে ভর্তি পুলিশ। আনিস আগে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। তিনি হুমকি পাচ্ছিলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে কোনও গুরুত্বই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

বুধবার থেকে খুলছে প্রাথমিক-উচ্চ প্রাথমিক স্কুল, শিথিল হচ্ছে নৈশ কার্ফু, উঠছে কোভিড বিধিনিষেধ

কোভিডের নাগপাশ মুক্ত হয়ে অবশেষে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। সোমবার বিবৃতি প্রকাশ করে সিদ্ধান্তের কথা জানাল রাজ্য সরকার। আগামী ১৬ তারিখ অর্থাৎ বুধবার থেকে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খুলে দেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, স্কুল খোলার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এবং বিধি নিয়ম সহ আলাদা নির্দেশিকা প্রকাশ করবে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর। কোভিড বিধি মেনেই স্কুল চলবে বলে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।প্রায় ২ বছর পর রাজ্যে খুলতে চলছে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, রাজ্যে বিধিনিষেধ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকছে। রাত্রীকালীন কার্ফু রাত ১১ টার পরিবর্তে ১২ টা থেকে শুরু হবে, চলবে ভোর ৫ টা পর্যন্ত। স্কুল খোলা ছাড়াও সব আইসিডিএস সেন্টারও খোলা হচ্ছে আগামী বুধবার থেকে।কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে ছোটদের স্কুল খোলা হতে পারে। তবে কোভিড পরিস্থিতি বুঝে ছোটদের স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে একদম আগের মতো না হলেও পরিস্থিতি বুঝে রোটেশনে স্কুল খোলা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী স্কুল খোলার ব্যাপারে নির্দেশিকা এসেই গেল। আসলে সাম্প্রতিক অনেক রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল যে, রাজ্যের শিক্ষার মান এবং হার দুইই পড়ে গিয়েছে লাগাতার স্কুল বন্ধ থাকার কারণে। বহু পড়ুয়া অক্ষর চিনতে পারছে না, বাক্য গঠন করতে পারছে না। এমনকী পঞ্চম বা অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারা দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির অঙ্ক সমাধান করতেও অনেকাংশে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই দ্রুত স্কুল খোলার দাবি বাড়ছিল।রাজ্যে উল্লেখযোগ্য হারে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় অন্তঃদেশীয় বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্ত রকম নিয়ন্ত্রণ তুলে নিল রাজ্য সরকার। ফলে বেঙ্গালুরু থেকেও এবার তিন দিনের বদলে প্রতিদিন বিমান চলাচল করবে। স্বরাষ্ট্র সচিব বিপি গোপালিকা সোমবার অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের সচিব রাজীব বনসলকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে উড়ান এ রাজ্যে আসতে পারে। তবে যাত্রীদের হয় ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা আরটিপিসিআর পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। একইরকম ভাবে বিদেশ থেকেও এ রাজ্যে বিমান চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রেও একই শর্ত থাকছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হলো।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে খরচ কমল আরটিপিসিআর টেস্টের

একধাক্কায় অনেকটাই কমানো হল করোনা পরীক্ষার খরচ। রাজ্যে প্রায় অর্ধেক করা হল আরটি-পিসিআর টেস্টের খরচ। এতদিন পর্যন্ত আরটি-পিসিআর টেস্ট করাতে খরচ হত ৯৫০ টাকা। এবার সেই খরচ কমিয়ে করা হল ৫০০ টাকা। বৃহস্পতিবারই রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে নির্দেশিকা দিয়ে খরচ কমানোর কথা জানানো হয়েছে। এ দিন থেকেই কার্যকর হচ্ছে এই নির্দেশিকা।করোনার উপসর্গ সাধারণ মানুষের কাছে মোটামুটি পরিচিত হয়ে যাওয়ায় সম্প্রতি দেখা গিয়েছে পরীক্ষা করাতে আগ্রহী নন অনেকেই। পাশাপাশি, খরচ একটা বড় সমস্যা অনেকের কাছেই। সম্ভবত সেই বিষয়টা মাথায় রেখেই খরচ কমানর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।এ দিকে, সারা দেশে করোনার ভ্যাকসিনের দামও কমানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কোভিশিল্ড এবং কোভ্যাক্সিনের প্রতি ডোজের দাম কমতে পারে অনেকটাই। প্রতি ডোজ়ের দাম ২৭৫ টাকা করা হতে পারে বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। এর সঙ্গে অতিরিক্ত পরিষেবা চার্জ সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা হতে পারে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার এই দুই ভ্যাকসিনের জন্য এই দাম কমানোর বিষয়টি ভারতের ওষুধ নিয়ামক সংস্থার কাছে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

আরও কিছুটা শিথিল হল কোভিড বিধিনিষেধ, তবে বন্ধই থাকছে স্কুল-কলেজ

করোনা সংক্রমণের হার কিছুটা নিম্নমুখী হওয়ায় রাজ্য সরকার চলতি কোভিড বিধিনিষেধে আরও কিছু ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এক সময় ৫০ শতাংশ গ্রাহক নিয়ে রাত নটা পর্যন্ত জিমগুলিকে খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে সেখানকার সমস্ত কর্মীদের দুটি ডোজ করোনা টিকা প্রাপ্ত হতে হবে অথবা আরটিপিসিআর নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। রাত নটা পর্যন্ত খোলা জায়গায় আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে যাত্রা মঞ্চস্থ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বদ্ধ জায়গায় সর্বাধিক ২০০ জন অথবা আসন সংখ্যার ৫০ শতাংশ যেটি কম হবে সেই সংখ্যক দর্শক নিয়ে যাত্রা মঞ্চস্থ করা যাবে বলে সোমবার নবান্ন থেকে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। কোভিড বিধি-নিষেধ কঠোরভাবে পালন করে, শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনে সিনেমা এবং টিভি সিরিয়ালের আউটডোর শুটিং এর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।শনিবারই বাড়তি কিছু ছাড় সহ রাজ্যে কোভিড জনিত বিধি-নিষেধের মেয়াদ ১৫ জানুয়ারি থেকে বাড়িয়ে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হয়। এই পর্বে বিয়ে ও মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেওয়া হয়। বিয়েবাড়ি বা বিয়ে সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে একই সময় সর্বোচ্চ ২০০ জন কিংবা অনুষ্ঠান স্থলের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক, এর মধ্যে যেটা কম, সেই সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন।খোলা আকাশের তলে মেলা করা যাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কঠোর ভাবে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো জিম এবং যাত্রাশিল্প।তবে এই পর্বেও সমস্ত স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকছে। অর্ধেক হাজিরা নিয়েই চলবে সরকারি অফিস। তবে আগের দেওয়া ছাড় বজায় রেখে ৫০ শতাংশ ক্রেতা নিয়ে সেলুন খোলা থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে রাত দশটা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। নৈশ বিধিনিষেধের সময়সীমাও একই থাকছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

বিয়ে ও মেলায় কিছু ছাড় দিয়ে রাজ্যে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জারি বিধিনিষেধ

করোনা সংক্রমণের বাড়বাড়ন্তের জেরে গত ২ জানুয়ারি মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী রাজ্যে নতুন করে করোনা বিধিনিষেধ জারি করেন।বাড়তি কিছু ছাড়-সহ রাজ্যে কোভিড জনিত বিধি-নিষেধের মেয়াদ আরো ১৫ দিন বাড়ানো হলো।আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিধিনিষেধ জারি থাকবে বলে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে। তবে এ বার বিয়ে ও মেলা আয়োজনের ক্ষেত্রে কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে।রাজ্য সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,বিয়েবাড়ি বা বিয়ে সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে একই সময় সর্বোচ্চ ২০০ জন কিংবা অনুষ্ঠান স্থলের মোট আসন সংখ্যার অর্ধেক, এর মধ্যে যেটা কম, সেই সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থাকতে পারবেন। খোলা আকাশের তলায় মেলা করা যাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে কঠোরভাবে করোনা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে।তবে এই পর্বেও সমস্ত স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকছে। জিম, সুইমিং পুল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।অর্ধেক হাজিরা নিয়ে চলবে সরকারি অফিস। তবে আগের দেওয়া ছাড় বজায় রেখে ৫০ শতাংশ ক্রেতা নিয়ে সেলুন খোলা থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে রাত দশটা পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চলাচল করবে। নৈশ বিধিনিষেধের সময়সীমাও একই থাকছে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

চার পুরভোট পিছলে আপত্তি নেই, কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানাল নবান্ন

পুরভোট পিছিয়ে দিতে সায় রাজ্যের। নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়ে এমনটাই জানিয়েছে নবান্ন। আদালতের নির্দেশের পরই রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরই শনিবার চিঠি দেয় নবান্ন। চিঠিতে রাজ্য জানিয়েছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাজ্য। তবে ভোট পিছিয়ে দিলে আপত্তি নেই। শনিবার দুপুরেই কমিশন বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ভোট পিছনোর ঘোষণা করবে বলে সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ কুঁড়ে ঘরের খুদে শিল্পীর মায়াবী গানের সুরের জাদুতে মুগ্ধ সংগীতপ্রেমীরাআগামি ২২ জানুয়ারি ভোট হওয়ার কথা ছিল বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল এবং চন্দনগর পুরসভার। কোভিড পরিস্থিতিতে এই পুরভোট নিয়ে আপত্তি তুলে অনেকেই আদালতে যান। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে ভোটের তারিখ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানায়। কোভিড আবহে জনস্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেয়। তবেআরও পড়ুনঃ অ্যাকাউন্ট প্রাইভেট রেখে ইন্সটাগ্রামে ফিরলেন রাজ কুন্দ্রাশুক্রবারই হাইকোর্টের রায় নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চেয়ে চিঠি দেয় কমিশন। তারই উত্তরে শনিবার রাজ্য ভোট পিছনোর পক্ষে সায় দেয়। চিঠিতে তারা জানায়, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৎপর রয়েছে রাজ্য। এখন কমিশন যদি কিছু দিনের জন্য ভোট পিছিয়ে দেয়, তাতে তাদের আপত্তি নেই। যদিও এর আগে আদালতে একাধিক বার ভোট পিছনোর বিরোধিতা করেছে নবান্ন। শনিবার নবান্নের চিঠি পাওয়ার পর, বিকেলের মধ্যেই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করতে পারে কমিশন। সূত্রের খবর, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট চাইছে নবান্ন।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
কলকাতা

উৎকণ্ঠা বাড়াচ্ছে অভিজাত আবাসনগুলিই, স্বাস্থ্য দপ্তরের রিপোর্ট পেশ নবান্নে

শহরের বড় আবাসনগুলিতেই বেশি করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এ নিয়ে একটি রিপোর্টও জমা পড়েছে নবান্নে। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে আরবানা, স্বর্ণমণি, শালবনি, এবং নিউটাউনের একাধিক আবাসনেও করোনা সংক্রমণের প্রকোপ বেশি। এই সব আবাসনে করোনা সংক্রমণ কীভাবে ঠেকানো যায়, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর ও নবান্নের কর্তাব্যক্তিরা। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তের নবান্নের চিন্তার কারণ কোনও বস্তি এলাকা নয়, বড় বড় আবাসনও। কারণ সেখানে অনেক ক্ষেত্রেই গিয়ে দেখা গিয়েছে, স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না আবাসিকরা। অরক্ষিত মুখের ভিড় সর্বত্র। কলকাতা পুরসভা ও নিউটাউনের ক্ষেত্রে হাউজিং ডিপার্টমেন্টে স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে সংক্রমণ ঠেকানোর পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিকর্তারা বলছেন, আবাসনগুলিতেই সবচেয়ে বেশি করোনা সংক্রমণ হচ্ছে। এই মুহূর্তে আবাসনগুলিই উৎকন্ঠার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের। এরই মধ্যে নবান্নে একটি রিপোর্ট জমা পড়েছে। আবাসনগুলিতে সংক্রমণ কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। নিউটাউনের আবাসনগুলির ক্ষেত্রে ফোরাম ও কমিটিগুলিকে নিয়ে একটি বৈঠক করার কথা ভাবা হচ্ছে। করোনার স্বাস্থ্যবিধি যাতে তাঁরা মেনে চলেন, সে ব্যাপারে সতর্ক করা হবে তাঁদের।কমিটিগুলিকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ঝুপড়ি অঞ্চল ঘিঞ্জি, উল্টোদিকে আবাসনগুলো অনেকটাই খোলামেলা। তা সত্ত্বেও কেন আবাসনগুলিতে হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ? অভিজাত আবাসনগুলিতে করোনা ছড়ানোর অন্যতম কারণ, বর্ষবরণের উৎসব-পার্টি-হুল্লোড়, আর লিফটের বহুল ব্যবহার।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Corona: করোনা রুখতে ৫ জেলাকে সতর্ক করল নবান্ন

করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির প্রেক্ষিতে রাজ্য সরকার রাজ্যের পাঁচ জেলাকে বিশেষভাবে সতর্ক করে দিয়েছে। মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠক করেন।কলকাতা, হাওড়া,উত্তর ২৪ পরগনা, হুগলি, বীরভূমে আশঙ্কাজনক সংক্রমণ বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যসচিব উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে নবান্নে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।ওইসব জেলায় কোভিড বিধি কঠোরভাবে বলবৎ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেজন্য প্রশাসনিক নজরদারি আরও বাড়াতে বলা হয়েছে। সংক্রমণ রুখতে প্রয়োজনে আরও বেশি করে মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন চালু করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা ও সব ধরনের কোভিডবিধি মেনে চলার ওপর নির্দেশ দিয়েছেন। তবে রাজ্য সরকারের নির্দেশিকার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা যাবে না বলেও প্রশাসনকে স্পষ্টভাবে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যসচিব।করোনা সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ গড়ে তুলতে টিকাকরেণ আরও জোর দেওয়ারও তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এ রাজ্যে বহু সংখ্যক মানুষের এখনো দ্বিতীয় ডোজের টিকা না পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি অবিলম্বে তাদের টিকাকরণ শেষ করার জন্য জেলা প্রশাসনকে উদ্যোগী হতে বলেন। হাসপাতালের বেড বাড়াতে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ সেফ হোম তৈরি করতে তিনি জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন। মানুষ যাতে বাড়িতে থেকেই উপযুক্ত চিকিৎসা পান তার জন্য টেলিমেডিসিন পরিষেবার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বিপুল সংখ্যক করোনার সংক্রমণ ছড়ানোর প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে অটুট রাখতে সংক্রমিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সাত দিনের নিভৃতবাসের শেষে অন্য কোনও শারীরিক সমস্যা না থাকলে নিয়ম মেনে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal