• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Music

বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ‘চাঁদ সোহাগি মন’

রঙ টার্ন মোশন পিকচারস প্রোডাকশন হাউসের ব্যানারে মুক্তি পেল চাঁদ সোহাগি মন গানটি। সল্টলেকের বিদ্যুৎ ভবন অডিটোরিয়ামে মিউজিক্যাল কনসার্ট করে চাঁদ সোহাগি মন গানটি মুক্তি পেল।এই মিউজিক ভিডিওর পরিচালনার পাশাপাশি ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন তুহিন সাহা। গানটির গীতিকার ও সুরকার সোমেশ্বর চন্দ্র। সঙ্গীত পরিচালক ইশানু চক্রবর্তী। গানটি গেয়েছেন মনশ্বিতা ঠাকুর। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন ঋষভ চক্রবর্তী, চিত্রাঙ্গদা সমাজদার, সুমনা মুখোপাধ্যায়, নীলাঞ্জনা দত্ত, ভাস্বর চন্দ্র প্রমুখ।চাঁদ সোহাগি মন প্রসঙ্গে ঋষভ চক্রবর্তী জানালেন, রঙ টার্ন এর প্রথম মিউজিক ভিডিও চাঁদ সোহাগি মন। গানটা অপূর্ব সুন্দর। আমার খুব ভালো লেগেছে কাজটা করে। সকলের কাছ থেকেই ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। ঋশভ আরও জানালেন, আমার কো-আরটিস্ট ছিল চিত্রাঙ্গদা। ওর সঙ্গে প্রথমবার স্ক্রিন শেয়ার করলাম। বেশ ভালো লাগলো।এদিন চাঁদ সোহাগি মন মুক্তির পাশাপাশি গানের আয়োজনও ছিল। গানের মধ্যে ছিল পুরাতন ও নতুনের মেলবন্ধন। সুরেলা কন্ঠের জাদুতে সকলের মন জয় করলেন রিষভ।

মে ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতার মানুষের মিষ্টি স্বভাব আমাকে আপ্লুত করে ,তাই বারবার চলে আসি এখানে পারফর্ম করতে : দর্শন রাওয়াল

কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়াতে, এখন শহরের বিভিন্ন জায়গায় আগের মতো মিউজিক কনসার্ট শুরু হয়ে গেছে। কলকাতাতেও এরকম অনেক মিউজিক কনসার্ট হচ্ছে। নজরুল মঞ্চে তাই বঙ্গবাসী কলেজের পক্ষ থেকে অর্গানাইজ করা হয়েছিল দর্শন রাওয়াল লাইভ কনসার্ট। সম্প্রতি কিছু মিউজিক ভিডিওর রিলিজ হয়েছে দর্শনের। সেই গানগুলো ছাড়াও পপুলার কিছু গান পারফর্ম করে শোনালেন। দর্শন রাওয়ালের লাইভ পারফরম্যান্স দেখার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। মঞ্চে উঠে গিটার নিয়ে বেশ কিছু গানের ছন্দে নেচেও নিলেন দর্শন। কিছু বিখ্যাত গানের মধ্যে যেমন ছিল মেহেরিমা,ছোগারা, ভুলা দুঙ্গা, ইয়ারা তেরি ইয়ারি তেমন ছিল কিছু ট্রেন্ডিং গান।এই অনুষ্ঠানকে প্রতিবছরের মতো এক সুতোয় বেধেঁছে বঙ্গবাসী কলেজের এম্প্লয়িস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জহরলাল দাস এবং কলেজের একাডেমিক কমিটির সদস্য দিলীপ বিশ্বাস। এই মেগা ইভেন্টের রূপায়নে ছিলেন কৌশিক ইভেন্টস। এরকম একটা ইভেন্ট সত্যিই সকলের মন ভালো করে দিয়েছিল।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শিল্পী মেয়ের অনুরোধে, গানের খাতা-র ধুলো ঝেড়ে ফের স্বমহিমায় সঙ্গীতশিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য

রাতের চোখে ঘুম যে নামে, চাঁদের পাশে মেঘ যে থামে, আমার পাশে নেই তো তুমি মা, তোমায় ছাড়া ঘুম আসে না মা...... হ্যাঁ, ঠিক-ই ধরেছেন, মা ও মেয়ের সম্পর্কের বন্ধন নিয়ে স্টার জলসা-র জনপ্রিয় সিরিয়াল মা-এর টাইটেল সঙ্গীতের কথাই বলছি। এই মুহুর্তে বাংলা সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে জনপ্রিয়তম মধুরা ভট্টাচার্যর যেন তাঁর শিল্পী সত্ত্বার পাশে মায়ের উপস্থিতি না পেলে, তাঁর অনেক কিছুই অপূর্ণ থেকে যাচ্ছিলো।মেয়েদের বড় করে তুলতে গিয়েই সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের খাতা কবেই আলমারী তে তুলে রেখেছিলেন। তাঁর একটাই লক্ষ্য ছিলো যেভাবেই হোক সন্তানদের প্রতিষ্ঠা করতেই হবে। আজ মধুরা সফল একজন সঙ্গীত শিল্পী ও বড় কন্যা সুমিত্রা একজন প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ডিজাইনার। মঞ্চের পাটাতন শক্ত হতেই মেয়ে মধুরা টেনে ধরলেন মা শম্পা ভট্টাচার্য-র হাত। এবার আর উপেক্ষা করতে পারলেন না মা।শম্পা ভট্টাচার্য-র সঙ্গীত শিক্ষা শুরু খুব ছোটো বয়সে। তাঁর ঠাকুমা শান্তিময়ী দেবী সেই সময়ের একজন বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ছিলেন, তিনি বেশ কয়েকটি কবিতার বই লিখেছিলেন। তদকালীন সময়ে তিনি এক বিদুষী মহিলা ছিলেন। শম্পার বাবা সাধনানন্দ মিশ্র রবীন্দ্রসঙ্গীত ও পুরাতনী গানে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন। ছোটো বয়স থেকেই শম্পা বাড়িতে এক সুন্দর সাংগীতিক পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রসংগীত ও ইতিহাসে মাস্টার্স করেন। তিনি যেকোনও ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানে অত্যন্ত পারদর্শী। তিনি ১৯৮১ সাল থেকে অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি এবং রজনীকান্তর গানের ধারায় আকাশবাণীর শিল্পী হিসেবে ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। এছাড়াও তিনি পুরাতনী গানেও খুব স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন কারণ তার বাবা এবং ঠাকুমার কাছ থেকে সেই গান তিনি শিখেছিলেন। তিনি একটি আদ্যন্ত সঙ্গীতীক পরিবারের বংশধর। ১৯৮৬ তে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি-র ক্যাসেট প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গানের একজন বি-হাই (B-High) শিল্পী, এবং শম্পা ১৯৮১ থেকে কলকাতা দূরদর্শনের সাথে যুক্ত।শম্পা কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন জায়গা যেমন, রবীন্দ্র সদন, মধুসূদন মঞ্চ, শিশির মঞ্চ, গিরিশ মঞ্চ, মহাজাতি সদন, অহীন্দ্র মঞ্চ, উত্তম মঞ্চ, শরৎ সদন-এ অনুষ্ঠান করেছেন। তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় মেলা তে তাঁর মধুর কন্ঠের মুর্ছনা ছড়িয়ে দিয়েছেন। শম্পা বিষ্ণুপুর ঘরনার প্রবাদপ্রতিম শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী পণ্ডিত তারাপদ চক্রবর্তী-র পিঠস্থান বিষ্ণুপুর মেলা এবং বাংলার বিভিন্ন জায়গায় অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণে সঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।মেয়ে মধুরা সাথে মা শম্পাশম্পা ভট্টাচার্য নীহার রঞ্জন বন্দোপাধ্যায়, সিদ্ধেশ্বর ভট্টাচার্যের কাছ থেকে তার ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তিনি সুকুমার মিত্র, বিমান মুখোপাধ্যায়, মীরা দত্ত রায়-র কাছ থেকে নজরুল গীতি এবং বাংলা আধুনিক গান শেখেন। শম্পা অতুল প্রসাদী, দ্বিজেন্দ্র গীতি, রজনীকান্ত গীতি শিক্ষা লাভ করেন নীলা মজুমদার কাছে।তাঁর রবীন্দ্রসংগীত শিক্ষা লাভ প্রবাদ প্রতিম রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুচিত্রা মিত্র-র কাছে এবং তিনি শ্রীমতি সুমিত্রা সেনের কাছ থেকেও রবীন্দ্র সঙ্গীত শিক্ষা লাভ করেন যখন তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে রবীন্দ্রসংগীতের ছাত্রী ছিলেন। শান্তিনিকেতনে থাকাকালীন তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীতের আরও দুই মহিরূহ শ্রীমতী কণিকা বন্দোপাধ্যায় ও শ্রীমতি নীলিমা সেন-র কাছে রবীন্দ্রসংগীত শেখার সুযোগ পেয়েছিলেন।শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য সমন্ধে জনতার কথা কে কন্যা বিশিষ্ঠ সঙ্গীত শিল্পী মধুরা বলেন, মা বাবা সমন্ধে কি আর বলবো, আমি আজ যা কিছু, যেটুকু হতে পেরেছি সমস্তটাই মা এবং বাবার জন্য। আমার সঙ্গীত জীবনের প্রথম গুরু আমার মা। আমার খুব মনে পড়ে, আমি যখন ছোট ছিলাম, মা রেওয়াজ করতে বসলেই আমার বসার যায়গা ছিল মায়ের হারমোনিয়াম ও তবলা। সেগুলি কে চেয়ার ভেবে বসে পড়তাম। কেননা ওই দুটো যন্ত্র-ই আমার বসার উচ্চতায় থাকতো। আজ বুঝতে পারি মাকে কতটা বিরক্ত করতাম! আমার গানের হাতে খড়ি মায়ের কাছেই। তাঁর কাছেই আমার প্রথাগত শিক্ষা শুরু। এখনও যেকোনো ঐতিহ্যবাহী (Traditional) গান যেমন, অতুল প্রসাদ, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি যাঁর গানই হোক তোলার প্রয়োজন হলেই মায়ের স্মরনাপন্ন হতে হয়। আর রবীন্দ্রসঙ্গীতের ক্ষেত্রে বলতে গেলে তিনি চলমান গীতবিতান, যে গানই বলি সেটা তাঁর তোলা আছে। কি করে যে এত রবীন্দ্রসঙ্গীত জানেন আমি জানি না। আমরা বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীরা নিজেদের গান গাইতে গেলেই খাতা বা ট্যাব ছাড়া গাইতে ভরসা পাই না। তিনি কি করে এত রবীন্দ্রসঙ্গীতের কথা-সুর একেবারে নোটেশন মিলিয়ে অবলীলায় গাইতে পারেন, ভাবতে অবাক লাগে। হয়ত তখনকার দিনের শিক্ষা পদ্ধতিটাও সেরকমই ছিল, তাই তিনি পারেন।মেয়ে মধুরার উৎসাহে শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য আবার জনসমক্ষে। বেতার ও দুরদর্শন ক্ষ্যাত সঙ্গীত শিল্পী শম্পা ভট্টাচার্য তাঁর গানের ডালি সাজিয়ে উপস্থিত সামাজিক মাধ্যমে। মধুরার উদ্যোগে তাঁর নতুন ফেসবুক পেজ গানে গানে শম্পা ভট্টাচার্য তে উঁকি দিলেই শোনা যাচ্ছে ঘরোয়া মেজাজে সেই উদাত্ত কণ্ঠের অতুল প্রসাদী, রজনীকান্ত এবং দ্বিজেন্দ্র গীতি ও রবীন্দ্রসঙ্গীত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর গাওয়া অতুল প্রসাদী চিত্ত দুয়ার খুলিবি কবে মা - চিত্ত-কুটীরবাসিনী মন ছুঁইয়ে যায়, নেটনাগরিক দের প্রসংশায় বোঝা যায় যে সঠিকভাবে সঙ্গীত পরিবেশন করতে পারলে এই প্রজন্ম-ও ভালো গান শুনতে প্রস্তুত। কুটির বাসিনী শম্পা-র চিত্ত দুয়ার খুলতে মেয়ে মধুরা সত্যিই সফল।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিষেক বসুর মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম 'নজরিয়া'

নজরিয়া- অ্যা মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম। গানের গল্প, গল্পে গল্পে গান, নৃত্য গীত আধারিত এই ছবিটির লেখক, সংগীত পরিচালক এবং সমগ্র কাজটি পরিচালনা করেছেন অভিষেক বসু। ছবির শুভ সূচনা হয়ে গেল ২০শে এপ্রিল, শহরের এক বিখ্যাত হোটেল ব্যাঙ্কোয়েটে। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী, সংগীত নাটক পুরস্কারে ভূষিত,প্রি গ্র্যামি নমিনি শ্রদ্ধেয় সন্তুর বাদক পন্ডিত তরুণ ভট্টাচার্য, চলচ্চিত্র অভিনেতা ,চিত্র পরিচালক ও অভিনেতা অনিন্দ্য সরকার, অভিনেত্রী অনিন্দিতা সরকার, এবং অন্যান্য বিশিষ্ট টলিউড ব্যক্তিত্ব।নজরিয়া - An incomplete love story is the greatest of all। নৃত্যগীত সমন্বিত ছবিটির পরিচালক অভিষেক বসু। দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার এবং বিবিসি পুরস্কার আরও নানান পুরস্কার এগিয়ে যাবার ছাড়পত্র হিসাবেই গ্রহণ করেছেন ধ্রুপদী ঘরানায় শিক্ষিত এই পারকাশনিস্ট অভিষেক বসু।অভিষেক পরিচালিত এই ছবির কেন্দ্রে রয়েছেন অভিজ্ঞ কত্থক শিল্পী তন্বী চৌধুরী, যিনি নিজে কত্থক নৃত্য পরিবেশন করে মোহিত করছেন সারা পৃথিবীর দর্শককে, গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে। রয়েছেন বিশিষ্ঠ অভিনেতা ফৈয়জ খান,মডেল ও অভিনেতা দেবারুণ স্বরাজ, পোশাক পরিকল্পনায় বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার তেজস গান্ধী, শ্রদ্ধেয় প্রযোজক হেমন্ত মার্দা, সন্তুর বাদক চিরদীপ সরকার, পিয়ানিস্ট অভিক গাঙ্গুলী এবং ছবিটির সঙ্গে যুক্ত আরও কলা কুশালিরা। তন্নী চৌধুরীর অভিযাত্রী হিসেবে এটি প্রথম কাজ। অভিনেত্রী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দুটি ভিন্ন শাজে নিজের বলিষ্ঠ অভিনয় দিয়ে নিজেকে ফুটিয়ে তুলেছেন।ছবিটি ইতিমধ্যেই দাদাসাহেব ফালকে, গেল্ডেন আর্থ ফিল্ম এওয়ার্ড, (টেক্সাস,ইউ এস এ) ওয়ান আর্থ এওয়ার্ড (ব্যাঙ্গালোর), লিফ্ট অফ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল প্যারিস, মিলান গোল্ড এওয়ার্ডস(ইটালি),নিউ ইয়র্ক মুভি এওয়ার্ড, ডাইরেক্ট মান্থলি অনলাইন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (ইউ এস এ) এর মত কিছু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় নমিনেশন পেয়েছে। এবং আমেরিকান ট্র্যাক মিউজিক এওয়ার্ড, টেক্সাস শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, সুইডেন ফিল্ম এওয়ার্ড ভার্জিন স্প্রিং সিনে ফিস্টের মত কয়েকটি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। ইনডিঅন অনলাইন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে দুটি পুরস্কার এবং ভারত ইনডিপেন্ডেন্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল পুরস্কারও এসেছে। অপেক্ষায় আছে আরও আটটি পুরস্কারের।কাহিনী বিন্যাস অনেকটা এরকম-মহারাজা অভিমন্যু সিং এর মহারানী রানী সৌগন্ধ্যা, নৃত্যকলায় এবং সৌন্দর্যে অতুলনীয়া। রাজারা যেমন হয় রক্ষনশীল, রানীকে পর্দানসীন রাখতে চায়, তার অন্তঃস্থিত শিল্প সত্তায় কোন মনযোগ দেন না রাজা। একাকী রানী মনের মানুষ চায়, এমন মানুষ যে শিল্প বুঝবে, তার শিল্পী মনকে ছায়া দেবে, আলো দেবে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে সাদা মাটা ধ্রুব আসে রানীর বন্ধুহীন জীবনে। প্রেমের বাঁধনে বাঁধা পড়ে সুগন্ধা ও ধ্রুব। এর পর কী হলো? প্রেম কী পরিনতি পেল? নাকি আধখানা কথাই ভালোবাসার গল্পটিকে শ্রেষ্ঠত্ব দেবে? জানতে হলে আপনাকে নজরিয়া দেখতে হবে।

এপ্রিল ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পূর্ব কলকাতার মাহেশ্বরী সভার উদ্যোগে ১৩ তম বার্ষিক গাঙ্গোর মহোৎসব

সদ্য সমাপ্ত হোলিকা দহনের পরের দিন থেকে অর্থাৎ চৈত্রের নবরাত্রির তৃতীয় দিন (শুক্ল পক্ষের তৃতীয়া তিথি) থেকে ১৬ দিনব্যাপী গাঙ্গোর পুজোর বিধান আছে শাস্ত্রে। উত্তর ও পশ্চিম ভারতে বিশেষ করে রাজস্থানে বাংলার দুর্গাপুজোর মতোই মহা ধুমধামে এই উৎসব পালিত হয়। কলকাতাও এর ব্যতিক্রম নয়। শহরের পশ্চিম প্রান্ত বড়বাজারে আগে এই উৎসব সীমাবদ্ধ ছিল। এখন জন বিস্তৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এই উৎসব পালিত হচ্ছে।২০০৯ সালে পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষের মঙ্গল কামনায় গাঙ্গোর উৎসব পালন করছে দুদিনব্যাপী। প্রতি বছরই কাঁকুড়গাছি সংলগ্ন রোজ ব্যাঙ্কয়েটে হাজার মানুষের সমাগম হয়। মূলত এই উৎসব পালিত হয় দেবাদিদেব মহাদেব,পার্বতী ও তাঁদের পুত্র গণেশের অর্চনার মধ্য দিয়ে। বিয়ের উপযুক্ত মেয়েরা মানত করেন মহাদেবের মত স্বামীর কামনায়। সদ্য বিবাহিত মেয়েরা অর্চনা করেন তাঁদের কাঙ্ক্ষিত মহাদেবের মত স্বামী পেয়ে । মেয়েরা গাঙ্গোর উৎসবে অংশ নিয়ে স্বামী সন্তানের মঙ্গল কামনা করেন।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হবেন বিনোদন ও ক্রীড়া জগতের বেশ কিছু ব্যক্তিত্বরা এবং রাজনৈতিক নেতারাও। উৎসবের অন্যতম আয়োজক পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সভাপতি এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী হেমন্ত মার্দা। তিনি জানালেন, ধর্মীয় উৎসবের মধ্য দিয়ে মানুষের মিলন মেলায় থাকে তৃপ্তি সুখ। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভা বছরব্যাপী সামাজিক দায়িত্বও পালন করে। কোভিড পরিস্থিতিতে মানুষের প্রয়োজনে খাদ্য,ওষুধ, ডাক্তার পরিষেবা এমনকি অক্সিজেনের ব্যবস্থা করে রোগীদের সহায়তা করেছে। এ্যাম্বুলেন্স পরিষেবার ব্যবস্থা করে রোগীদের হাসপাতালে পাঠানোরও ব্যবস্থা করেছে। এই বছর উৎসব উপলক্ষে প্রায় ২৫০ জন আর্থিকভাবে দুর্বল ছোট ছোট ছাত্রছাত্রীদের স্কুলের প্রয়োজনীয় খাতা, পেন, পেন্সিল তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তবে এই সামাজিক দায়বদ্ধতাকে প্রচারের আলোয় আনার কথা ভাবা হয় না। সকলের হাসিমুখ দেখার মধ্যেই যে নিবিড় শান্তি ও তৃপ্তি আছে আমাদের কাছে সেটাই কাম্য।গাঙ্গোর মহোৎসবদুদিনব্যাপী উৎসবের শুভ সূচনা করেন বৃহত্তর কলকাতা প্রদেশ মাহেশ্বরী সমাজের সভাপতি বিনোদ জাজু। তিনি বলেন, পূর্বাঞ্চল মাহেশ্বরী সভা প্রতি বছরের মত এবারও উৎসবের আয়োজন যেমন করেছে তেমন বছর ধরে সমাজসেবামূলক কাজে নিয়োজিত থাকে। যা প্রশংসার যোগ্য। উৎসবের প্রথম দিনে স্থানীয় বিধায়ক ও পুরপিতা পরেশ পাল সংগঠনের প্রশংসা করে বলেন, সামাজিক বিকাশের স্বার্থে সংগঠনের সব কাজেই যথাসাধ্য সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন - ভাওয়ার রাঠি, সুরেশ ঝাওয়ার, গোপাল দামানী, ভগবতী মুন্দ্রা, নারায়ণ মণিহার প্রমুখ। প্রথম দিনের পূজা পরিচালনা করেন বিজয় কোমল চান্দক। স্ত্রী আচারের অঙ্গ মেহেন্দি র আয়োজন করেন অনিতা রাঠী। প্রায় ২০০ মহিলা ভক্তকে মেহেন্দি পরান মঞ্জু ঝাওয়ার ও অঞ্জু ভূত্রা। মেহেন্দি অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যপূর্ণ রাজস্থানী গাঙ্গোর সঙ্গীত পরিবেশন করে তরুণীরা। সন্ধায় সংগঠনের সদস্য শিলজা ও বানোয়ারি বাহেটির বাসগৃহে অনুষ্ঠিত হয় সঙ্গীতানুষ্ঠান। ভক্তিমূলক গান রচনা করেন শশী কোঠারি ও বিনয় লাহোটি। সঙ্গীতে অংশ নেন প্রায় ১৬ জন নারীপুরুষ।শিল্পীদের তালিকায় ছিলেন ভামিকা মহতা, রুচিকা মাহেশ্বরী, পদ্মাবাগরি, রবি তাপারিয়া, গিরিরাজ কোঠারি প্রমুখ। গাঙ্গর গীত পরিবেশন করেন রাজকুমার দুজারি ও গিরিরাজ কোঠারি। বড়বাজার অঞ্চলে গত ১৫০বছর ধরে এই উৎসব পালিত হচ্ছে। পূর্ব কলকাতা মাহেশ্বরী সভার সদস্যা রতন বাহেটি বলেন, উৎসবের মধ্য দিয়ে রাজস্থানী ঐতিহ্য অবলম্বন করে মানুষের সামাজিক মেলবন্ধন গড়ে তোলাই লক্ষ্য।দ্বিতীয়দিনের পূজা পরিচালনা করেন রেশমি ও রাজেশ চান্দক। প্রায় দুহাজার মহিলা ভক্তের উপস্থিতিতে উৎসব সফল হয়ে ওঠে। এই উৎসব সফল করে তুলতে সুনিতা বাহেটি, রাজকুমারী দামানী, লীলা মণিহার এর মত সদস্যাদের সহযোগিতা স্মরণীয়। উৎসবের দু দিনে সমাজের বিভিন্ন স্তরের বহু বিখ্যাত মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ত্রিপুরার শিল্পীদের মিউজিক ভিডিও 'হৃদি'

জি মিউজিক বাংলা থেকে মুক্তি পেল মিউজিক ভিডিও হৃদি। এই মিউজিক ভিডিওর সঙ্গে ত্রিপুরার সব শিল্পীরা যুক্ত রয়েছেন। ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন অনুপম গোস্বামী। সুরকার সুরজিৎ পটারী, গানের কথা লিখেছেন সৈকত সরকার, সঙ্গীত ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন তাপস ধর, গান গেয়েছেন অর্পিতা সরকার ও কিষাণ দাস এবং অভিনয় করেছেন পূজা দেবনাথ ও কর্ণজিৎ ভট্টাচার্য। মিউজিক ভিডিও নিয়ে অর্পিতা জনতার কথা কে জানালেন, হৃদির সঙ্গে ত্রিপুরার কিছু শিল্পী জড়িত রয়েছে। প্রত্যেকের প্রচেষ্টায়, প্রত্যেকের ডেডিকেশনে কাজটি মুক্তি পেল। গানের ব্যাপারে আপনাদের বলতে পারি গানটি তিন-সাড়ে তিন বছর আগে আমাকে পাঠানো হয়েছিল। এটা একটা ভালোবাসার গান যেখানে ছেলেটি তার প্রেমিকার প্রতি অনুভূতি প্রকাশ করছে। অর্পিতা আরও জানান,মিউজিক ভিডিওর গল্পটা খুব সহজ। আর সহজ জিনিসের সঙ্গেই অডিয়েন্সরা বেশি কানেক্ট করতে পারে। গানটি অনেক মানুষের কাছে পৌঁছেছে এবং তারা যতটা যেভাবে পারছে আরও আরও ভালোবাসা দিয়ে যাচ্ছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মেঘের ঠিকানা খুঁজছেন তথাগত

মুক্তি পেল রেজারাকশন এন্টারটেনমেন্ট প্রযোজিত, সেলিব্রিটি ফ্যাশন ফটোগ্রাফার তথাগত ঘোষের পরিচালনায় মিউজিক ভিডিও মেঘের ঠিকানা। এই মিউজিক ভিডিওতে গানটি গেয়েছেন শ্রেষ্ঠা দে, গানের সুর করেছেন সৌপ্তিক মজুমদার। মিউজিক ভিডিওতে রয়েছেন নবাগতা নীল দে। পাহাড়ের সুন্দর বরফ ঢাকা পটভূমিতে এক নিঃসঙ্গ মেয়ের প্রকৃতির সঙ্গে মিলে মিশে বাঁচার একান্ত নির্জন গল্প মানুষের সামনে তুলে ধরল মিউজিক ভিডিও মেঘের ঠিকানা। সেই নির্জনতার গুঞ্জনও পাওয়া যাবে গানের মধ্যে।মিউজিক ভিডিও প্রসঙ্গে তথাগত জানালেন, নারীর মন আর প্রকৃতি কোথাও গিয়ে মিলে মিশে একাকার হয়ে যায়। এই মিউজিক ভিডিওতে একজন একলা নারীর মধ্যে দিয়ে সেরকমই এক সংমিলনের গল্প তুলে ধরতে চেয়েছি আমরা। বরফ আর কুয়াশা ঢাকা পাহাড়ের মাঝে এক একলা মেয়ে খুঁজতে বেরিয়েছে মেঘের ঠিকানা। ভালো থাকার রসদ। মিউজিক ভিডিওর মধ্যে দিয়ে সেই মন ভালো করা অভিযান তুলে ধরতে চলেছি আমরা।এই মিউজিক ভিডিওর অভিনেত্রী নীল জানালেন, তথাগত ঘোষের সঙ্গে কাজ করতে পারা সত্যি একটা দারুণ অভিজ্ঞতা। এই মিউজিক ভিডিওর শুটিংটা আমরা ভীষণ মজা করে করেছি। তথাগতর গাইডেন্স আমার অভিনয় করার ক্ষেত্রেও অনেক সাহায্য করেছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ হল 'আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা'-র গান

আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা ছবির গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন ছবির অভিনয় ও গানের সঙ্গে জড়িত কলাকুশলীরা। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা। টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রয়াণে তাঁকে স্মরণ করে দু মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।আবার কাঞ্চনজঙ্ঘার কাহিনি ও পরিচালনা রাজর্ষি দে-র। পদ্মনাভ দাশগুপ্তের চিত্রনাট্যে পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে, সম্পর্কের জটিল রসায়ন ঘিরে এগোয় গল্প। গানগুলি গেয়েছেন রূপঙ্কর বাগচী, অনুপম রায়, জয়তী চক্রবর্তী এবং উজ্জয়িনী। ছবিতে দুটি রবীন্দ্রসঙ্গীত জয়তীর কণ্ঠে দেখো সখা ভুল করে ভালোবেসো না এবং রূপঙ্করের গাওয়া মেঘ বলেছে যাবো যাবো এক আলাদা স্বাদ আনে। অনুপম রায়ের কণ্ঠে টয়ট্রেন গানটি যেন দার্জিলিঙের স্মৃতি, পাহাড়-প্রেম আর ছোটবেলার জিয়নকাঠি। ছবিতে বিশেষ আকর্ষণ দূর্বা সেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা পাহাড়ের গান। এটি শোনা যাবে উজ্জয়িনী মুখার্জীর কণ্ঠে।গান প্রকাশের অনুষ্ঠানে মেঘ বলেছে যাবো যাবো গানটি গাইলেন রূপঙ্কর বাগচী। মিউজিক ডিরেক্টর আশু এদিন জানালেন, পাহাড়কে ঘিরে যেহেতু পুরো কেমিস্ট্রি তাই আমার মিউজিকটাও সেটা নিয়েই। আমার নিজের কম্পোজ করা দুটো গান রয়েছে। একটি টয়ট্রেন ও একটি পাহাড়ের গান। দুটো রবীন্দ্র সঙ্গীত একটা জয়তি দি ও একটা রূপঙ্কর দা গেয়েছেন। ছবিটায় যেভাবে গানগুলো ব্যবহার করা হয়েছে সেইভাবেই আমার অ্যারেঞ্জ করা।

মার্চ ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষ‌ উদ্যোগ : ফরেস্ট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল

ওঁরা জঙ্গলের আদিবাসী। দীর্ঘ পরম্পরায় ওঁদের বাস উত্তরবঙ্গের জঙ্গল এলাকায়। গ্রামে থাকন নিজেদের ভাষায় গান বাঁধেন, দল বেঁধে নাচও করেন।ওঁরা উত্তর মেন্দাবাড়ি রাভা ফরেস্ট বস্তির অনেক প্রজন্মের বাসিন্দা। পরম্পরা ক্রমে নাচ-গান ওঁদের সংস্কৃতির অঙ্গ। রাভা ভাষায় নিজেদের লেখা গান পরিবেশন করেন। ডুয়ার্স ঘুরতে গেলে অনেক পর্যটক ওঁদের গান শোনেন। নাচের সাথে থাকে নিজেদের তৈরি করা বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার।আগামী ২১ মার্চ আন্তর্জাতিক অরণ্য দিবস। এই উপলক্ষে দ্যা ড্রিমার্স মিউজিক পি আর এজেন্সি পালন করবে ফরেস্ট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর প্রথম সিজন। অনুষ্ঠানটা দেখা যাবে দ্যা ড্রিমার্স এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে রাত ৯টায়। এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ রাভা জনগোষ্ঠীর সঙ্গীত পরিবেশন।উজ্জ্বল রাভা বললেন, আমি ঢোল বাজাই।এই ঢোলকে আমাদের ভাষায় হেম বলে।কাঠের তৈরি এই বাদ্যযন্ত্র আমাদের পরম্পরায় ব্যবহার হয়।বেলসি রাভা জানান, আমরা পর্যটকদের আমাদের গান পরিবেশন করে থাকি। নিজেদের ভাষায় গান করি।এতে মূলত মাছ ধরার গান, যুদ্ধের গান আমাদের জীবনের সাথে জড়িত নানা কার্যকলাপ গানের বিষয় হয়ে উঠে আসে। আমরা এই দলের নাম দিয়েছি খুশি কালচার ক্লাব।এছাড়াও কলকাতা এবং উত্তরবঙ্গের নানা জায়গার একঝাঁক তরুণ শিল্পীরা রয়েছেন। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত কখনো বাঁশিতে, কখনো রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুর সেতারে, আবার কখনো বিদেশি সিম্পনি বেহালায় শোনা যাবে। আর থাকছে গান। গানে মাধুর্য মুখোপাধ্যায়, রিক বিশ্বাস, ঋতবান গুহ,অরিত্র মুখোপাধ্যায়,অয়ন চক্রবর্তী, নীলাঞ্জন সাহা, বাঁশিতে অনুনয় চামলিং রাই, সেতারে শুভম ঘোষ, বেহালায় সৌরজ্যোতি চ্যাটার্জি, গীটারে তীর্থঙ্কর সরকার দাস নজর কাড়ে। চিলাপাতার জঙ্গল বুক হোমস্টের জঙ্গলে ঢাকা প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এই অন্য ধারার অনুষ্ঠান। সুরে,সুরে মিলে গেল ভিন্ন সংস্কৃতি। অসাধারণ ভিডিও করেছেন সৌরভ ব্যানার্জি,অর্চন চক্রবর্তী। এই অনুষ্ঠানের আয়োজক দ্যা ড্রিমার্স এর সুদীপ্ত চন্দ বলেন, এই প্রথমবার জঙ্গলে এই রকম একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করলাম। এর আগে কলকাতা স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল, মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর আয়োজন করেছি। আমাদের এই অনুষ্ঠান গুলোর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য থাকে নতুন প্রতিভার অন্বেষণ। এবারও অনেক নতুন প্রতিভার সন্ধান মিলবে এই অনুষ্ঠানে। আর অরণ্যের গুরুত্ব আমাদের জীবনে কি, কতটা গানে, গানে সচেতনতা বৃদ্ধি করাও আরেক অন্যতম উদ্দেশ্য এই উদ্যোগের। অনুষ্ঠানটা আগামী ২১ মার্চ আন্তর্জাতিক অরণ্য দিবসে দ্যা ড্রিমার্স মিউজিক পি আর এজেন্সি-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে রাত ৯টা থেকে দেখা যাবে।

মার্চ ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ফসিলসের মেগা কনসার্টে উপচে পড়া অনুরাগী

স্টাফ রিপোর্টারঃ তিন ঘন্টার ফসিলস ঝড় উঠল কলকাতার নিকো পার্কে। অনুষ্ঠানের আয়োজক থিজম ইভেন্টস। ২০১৯ এর ১ বৈশাখ নজরুল মঞ্চে প্রথম ফসিলস ঝড় অনুষ্ঠিত হয়। মাঝে করোনার কারণে এই অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্যায়ের অয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এই অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ অবশ্যই ছিল তিন ঘন্টার ফসিলস এর গানের ঝড়। থিজম ইভেন্টস এর পক্ষ থেকে সংস্থার প্রধান রীতম সাহা জানান, অনেকদিন আগেই এই অনুষ্ঠান করা সম্ভব হতো যদি মাঝে এই দুবছর করোনার জন্য আমাদের সময় নষ্ট না হতো। এবারে আরো বড় জায়গায় আয়োজন ছিল। অভাবনীয় সাড়া পেয়ে আমরা খুব খুশি। অন্যদিকে ফসিলস এর পক্ষে জানানো হয়েছে, ফসিলস ঝড় সিজন টু একটা মহা কনসার্ট। এই শো এর প্রথম অধ্যায় ২০১৯ এর পয়লা বৈশাখের দিনে নজরুল মঞ্চে আয়োজিত হয়েছিল। এবার নিক্কো পার্ক বিগ লনে আয়োজিত হল। প্রচুর ফ্যান শো দেখেছেন। আমরা মানে ফসিলস খুব এক্সাইটেড ছিলাম এই শো নিয়ে এবং তিন ঘন্টার এই স্পেশাল শো আমরা উপহার দিলাম সকল শ্রোতাকে, যারা ফসিলসকে ভালোবাসে, তাদের গান শোনে। দুবছর পর কলকাতায় এরকম এক মহা কনসার্টে দেখা হোলো সবার সাথে। থিজম ইভেন্টস নিবেদন করল ফসিলস ঝড়-দুই। অনেক বছর পরে এরকম একটা গ্রাউন্ড ইভেন্ট দেখে উচ্ছ্বসিত ব্যান্ডের ভক্তরা। ফসিলসের বিপুল জনপ্রিয় গানের মধ্যে আরো একবার, একলা ঘর, নীল রঙ ছিল ভীষণ প্রিয় উল্লেখযোগ্য।

মার্চ ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম 'মন রে ফিরে আয়'

২১ ফেব্রুয়ারি বাঙালির কাছে বিশেষ দিন। আবেগের দিন। এই দিনটা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আর এই বিশেষ দিনে মুক্তি পেয়েছে মণিদীপ সাহার মিউজিক্যাল শর্টফিল্ম মন রে ফিরে আয়। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন দেবতনু ও ঐশ্বর্য সেন। প্রযোজনা করেছেন সৌমেন চ্যাটার্জি। ইতিমধ্যে ২৩ হাজারের কাছাকাছি দর্শক এই মিউজিক্যাল শর্টফিল্ম দেখেছেন। অনেকেই এরকম সুন্দর একটা প্রোজেক্টের প্রশংসা করেছেন। এই প্রোজেক্টে কাজ করার অনুভূতি বেশ ভালো সকলেরই। অভিনেতা দেবতনু তাঁর অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নতুন কিছু করতে চেয়েছি। অডিয়েন্সের এত ভালো লেগেছে দেখে ভালো লাগছে। সবাই পাশে থাকলে বার বার নতুন কিছু করার সাহস পাবো। বিশ্বের দরবারে বাংলার কন্টেন্ট কে নিয়ে যাওয়া আমার স্বপ্ন। হয়তো পারবো সেটা। পুরো টিম কে অনেক ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্য।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পীদের সম্মাননা জানাতে বিশেষ উদ্যোগ

সঙ্গীতজগতে একের পর এক ইন্দ্রপতন। লতা মঙ্গেশকর এর প্রয়াণে যখন শিল্পী থেকে শ্রোতা আপামর ভারতবাসী শোকস্তব্ধ, তার রেশ কাটার আগেই চলে গেলেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। একসময় বাংলা গানের সুরে যে সুরজোয়ার এনেছিলেন, বদলে গেছিল গানের গতিপ্রকৃতি, সুরঝঙ্কার, তেমনই আচম্বিতে অমৃতলোকের পথে যাত্রা করলেন বাপ্পি লাহিড়ী। গান যতদিন থাকবে, এই সব শিল্পীদের নামও সমুজ্জ্বল থাকবে ততদিন৷ গান ভালবাসা, গান শেখা সমস্ত ক্ষেত্রেই কিংবদন্তী এই ত্রয়ী একেকটা প্রতিষ্ঠান। সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ তাই আন্তরিক শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মাধ্যমেই শিল্পীকে মনের মণিকোঠায় চিরকালের জন্য ধরে রাখতে চান৷ গানে গানে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন চিরাচরিত রীতি৷ কিন্তু এই রীতির বাইরে একেবারে অন্যরকমভাবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পরিকল্পনা এবং আয়োজন করেছিলেন তিন সঙ্গীতপ্রেমী কৌশিক রাহুল, গৌরব সরকার এবং তন্ময় কর।লতা মঙ্গেশকর ভালোবাসতেন ক্রিকেট, বাপ্পি লাহিড়ীও ছিলেন খেলার অনুরাগী৷ তাই শুধু গান নয়, গানের সঙ্গে ক্রিকেট খেলাকে সংযুক্ত করে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন এর আয়োজন করা হয়েছিল Play For Music অনুষ্ঠানে৷ তিনটি দল এই ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিন শিল্পীর পদবী অনুসারে তিনটি দলের নাম ছিল মঙ্গেশকর টিম, মুখোপাধ্যায় টিম এবং লাহিড়ী টিম। প্রত্যেকটি টিমে ১৬ জন করে খেলোয়াড় ছিলেন যাঁরা সকলেই সঙ্গীতের সঙ্গে ওতোপ্রতভাবে যুক্ত৷ কেউ গান করেন, কেউ সুর করেন কেউ বা যন্ত্রশিল্পী৷ এই অভিনব উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই অংশগ্রহণ করেছিলেন শিল্পীরা৷ খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন, অনুপম রায়, বাবুল সুপ্রিয়, জয় সরকার, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, রূপঙ্কর, মনোময় ভট্টাচার্য, রণজয় ভট্টাচার্য, রাজীব গানওয়ালা, রথীজিৎ ভট্টাচার্য, আরফিন রানা, আকাশ ভট্টাচার্য, অর্কদীপ মিশ্র, দেব চৌধুরী, সিধু, পটা, অনিন্দ্য শহর। অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা এবং আয়োজকদের অন্যতম কৌশিক রাহুল জানিয়েছেন, যতক্ষণ খেলা চলেছে ততক্ষণ মাঠে লতা মঙ্গেশকর, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এবং বাপ্পি লাহিড়ী এই তিন শিল্পীর গান বাজানো হয়েছে। গানের সঙ্গে খেলার সমন্বয়ে মিউজিক ফ্রেটার্নিটির সদস্যদের নিয়ে আগামীদিনেও এই ধরনের খেলার আয়োজন করা হবে বলেও জানিয়েছেন কৌশিক রাহুল। প্রবীণ এবং নবীন সঙ্গীতশিল্পীদের এই ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল কলকাতা বিবেকানন্দ পার্ক এর মেইনল্যান্ড সম্বরণ ব্যানার্জী ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত কিংবদন্তীদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে বিশেষ ভাবনা-"গানের জন্য খেলা"

একের পর এক ইন্দ্রপতন। লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে যখন শিল্পী থেকে শ্রোতা আপামর ভারতবাসী শোকস্তব্ধ, তার রেশ কাটার আগেই চলে গেলেন গীতশ্রী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়। একসময় বাংলা গানের সুরে যে সুরজোয়ার এনেছিলেন, বদলে গেছিল গানের গতিপ্রকৃতি, সুরঝঙ্কার, তেমনই আচম্বিতে অমৃতলোকের পথে যাত্রা করলেন বাপ্পি লাহিড়ী। গান যতদিন থাকবে, এই সব শিল্পীদের নামও সমুজ্জ্বল থাকবে ততদিন৷ গান ভালবাসা, গান শেখা সমস্ত ক্ষেত্রেই কিংবদন্তী এই ত্রয়ী একেকটা প্রতিষ্ঠান। সঙ্গীতপ্রেমী মানুষ তাই আন্তরিক শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের মাধ্যমেই শিল্পীকে মনের মণিকোঠায় চিরকালের জন্য ধরে রাখতে চান৷ গানে গানে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন চিরাচরিত রীতি৷ কিন্তু এই রীতির বাইরে একেবারে অন্যরকমভাবে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পরিকল্পনা এবং আয়োজন করেছেন তিন সঙ্গীতপ্রেমী কৌশিক রাহুল, গৌরব সরকার এবং তন্ময় কর৷ লতা মঙ্গেশকর ভালোবাসতেন ক্রিকেট, বাপ্পি লাহিড়ীও ছিলেন খেলার অনুরাগী৷ তাই শুধু গান নয়, গানের সঙ্গে ক্রিকেট খেলাকে সংযুক্ত করে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন এর আয়োজন করা হয়েছে প্লে ফর মিউজিক অনুষ্ঠানে৷ তিনটি দল এই ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণ করছেন৷ তিন শিল্পীর পদবী অনুসারে তিনটি দলের নাম মঙ্গেশকর টিম, মুখোপাধ্যায় টিম এবং লাহিড়ী টিম। প্রত্যেকটি টিমে ১৬ জন করে খেলোয়াড় রয়েছেন যাঁরা সকলেই সঙ্গীতের সঙ্গে ওতোপ্রতভাবে যুক্ত৷ কেউ গান করেন, কেউ সুর করেন কেউ বা যন্ত্রশিল্পী৷ এই অভিনব উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবেই অংশগ্রহণ করেছেন শিল্পীরা৷ খেলোয়াড়দের মধ্যে রয়েছেন, বাবুল সুপ্রিয়, জয় সরকার, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, রূপঙ্কর, মনোময় ভট্টাচার্য, রণজয় ভট্টাচার্য, রথীজিৎ ভট্টাচার্য, আরফিন রানা, আকাশ ভট্টাচার্য, অর্কদীপ মিশ্র।অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা এবং আয়োজকদের অন্যতম কৌশিক রাহুল জানিয়েছেন, যতক্ষণ খেলা চলবে ততক্ষণ মাঠে লতা মঙ্গেশকর, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় এবং বাপ্পি লাহিড়ী এই তিন শিল্পীর গান বাজবে৷ গানের সঙ্গে খেলার সমন্বয়ে মিউজিক ফ্রেটার্নিটির সদস্যদের নিয়ে আগামীদিনেও এই ধরনের খেলার আয়োজন করা হবে বলেও জানিয়েছেন কৌশিক রাহুল। প্রবীণ এবং নবীন সঙ্গীতশিল্পীদের এই ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কলকাতা বিবেকানন্দ পার্ক এর মেইনল্যান্ড সম্বরণ ব্যানার্জী ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে আজ। অভিনব এই উদ্যোগের জন্য সাধুবাদ জানাই আয়োজক ত্রয়ী কৌশিক রাহুল, গৌরব সরকার এবং তন্ময় কর কে৷

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালোবাসার দিনে নতুন কাজ

শ্রী দেলারট নিবেদিত সৌমেন চট্টোপাধ্যায় এর উদ্যোগে ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে সৌম্য চক্রবর্তীর শর্ট ফিল্ম পেন্ডুলাম এর ট্রেলার লঞ্চ হয়ে গেল। অভিনয় করেছেন সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা। জীবনটা আসলে পেন্ডুলাম এর মতো অনিশ্চিত। আজ যেখানে আছে, কাল সেখানে নাও থাকতে পারে। সেই অনিশ্চয়তার গল্প বলবে পেন্ডুলাম।এছাড়া দেখানো হল মিউজিক্যাল শর্ট ফিল্ম আবদার। পরিচালনায় রয়েছেন অরুদীপ্ত দাশগুপ্ত। অভিনয় করেছেন ঋতব্রত মুখার্জি ও নবাগতা দেবাঙ্গী। মিউজিক করেছেন শুভ।মণিদীপ এর পরিচালনায় মন রে ফিরে আয় মিউজিক ভিডিওটি প্রদর্শিত হল। অভিনয় করেছেন দেবতনু ও ঐশ্বর্য সেন। প্রদর্শিত হল সুদীপ মৃধার মিউজিক ভিডিওর টুকরো অংশ। শঙ্খ চক্রবর্তী পরিচালিত শর্ট ফিল্ম রে অফ হোপ জীবনের সেই আশার আলো যে আলো আমাদের বাঁচিয়ে রাখে সেই আশার কথা বলবে। রাজ দাস অভিনীত ফেসিং দ্য ফেস বিখ্যাত পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষকে উৎসর্গিত। রাজ দাস নিজেও ট্রান্সজেন্ডার। তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের জীবন ও যাপনের কথাই বলবে ফেসিং দ্য ফেস।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয়ে পা রাখলেন রাহুল, মিউজিক ভিডিওতে তাঁর সঙ্গী দর্শনা

রাহুল বসাক একজন সফল ব্যবসায়ী। কলকাতায় এবং কলকাতার বাইরে তাঁর পরিচিতি কম নয়। কিন্তু রাহুল এবার তাঁর চেনা গণ্ডী থেকে বেরিয়ে নতুন জায়গায় পা রাখছেন। অজানা কয়ে জানার চেষ্টায় হাত বাড়ালেন। রাহুলকে এবার প্রথমবারের জন্য অভিনয়ে দেখা যাবে। আলোর মেঘ এই মিউজিক ভিডিওতে সম্প্রতি অভিনয় করেছেন রাহুল। খুব শীঘ্রই মুক্তি পাবে এই মিউজিক ভিডিওটি। এখানে রাহুলের বিপরীতে রয়েছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দর্শনা বণিক। এই গানের কথা লিখেছেন শাশ্বতা রায় এবং কথা লিখেছেন সায়ক আমান। কন্ঠ দিয়েছেন অরিত্র সেনগুপ্ত। পরিচালনা করেছেন প্রশান্ত সিংহ। প্রথমবার অভিনয় নিয়ে রাহুল জানালেন, এই প্রোজেক্টটা নিয়ে খুব এক্সাইটেড আমি। সকলে মিলে আমাকে খুব ভালোভাবে গাইড করেছেন। উনাদের গাইডেন্সটা অবশ্যই আমাকে অনেকটা হেল্প করেছে। সাকসেসফুলি কাজ করতে পেরেছি। বাকী সাকসেসটা নির্ভর করছে দর্শকদের ওপর। তাদের থেকে কেমন ফিডব্যাক আসে তার অপেক্ষায় আমি রয়েছি।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রথমবার অনুপম রায়ের মিউজিক ভিডিওতে ঋদ্ধি-সুরঙ্গনা

সারেগামার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করলেন অনুপম রায়। আর সারেগামার হাত ধরেই ২০২২ এ নতুন কাজ শুরু করলেন অনুপম রায়। তাঁর নতুন প্রোজেক্টটি একটি মিউজিক ভিডিও। যার নাম পুতুল আমি। আগামীকাল ভ্যালেন্টাইন্স ডে অর্থাৎ ভালোবাসার দিনে মিউজিক ভিডিওটি মুক্তি পাবে। প্রথমবার ঋদ্ধি সেন ও সুরঙ্গনা বন্দ্যোপাধ্যায় কে এখানে অভিনয় করতে দেখা যাবে। এই মিউজিক ভিডিও সংক্রান্ত একটি সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। প্রকাশিত হল মিউজিক ভিডিওর টিজার। অভিনেতা ঋদ্ধি সেন এই মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে জানালেন, অনুপম দার ফ্যান আমরা সবাই। অনুপম দার সঙ্গে সিনেমায় আমি কাজ করেছি। কিন্তু এটা অনুপম দার নিজের গান, সিনেমার নয়। এই মিউজিক ভিডিওতে ফিচার করতে পারাটা আমার আর সুরঙ্গনার জন্য খুবই আনন্দের। অনুপম দার প্রচুর গান শুনে সময় কেটেছে। সেই জায়গা থেকে আই অ্যাম ভেরি হ্যাপি। সুরঙ্গনা জানালেন, অনুপম দা-র সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা খুব ভালো। আর ঋদ্ধির সঙ্গে আমি প্রথম মিউজিক ভিডিওতে কাজ করছি। সেটা আবার ভ্যালেন্টাইন্স ডের দিন বেরোবে। আমার গান টা খুব ভালো লেগেছে। কাজটা খুব আনন্দ করে করেছি। আমি আশা করছি দর্শকদের ভালো লাগবে কাজটা।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রাচ্য-প্রাশ্চাত্য-র এক অনবদ্য মেলবন্ধন 'রবির কিরণে সর্বজিৎ ও বন্ধুরা '!

সম্প্রতি মুক্তি পেল এক অনন্য মিউজিক অ্যালবাম। একইসঙ্গে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হল। রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর-র গানকে পাশ্চিমি সঙ্গীতের সাথে মেলবন্ধন করিয়ে সেই আঙ্গিকে যন্ত্রানুষঙ্গ দ্বারা পরিবেশিত করার এক অনন্য প্রয়াস এই অ্যালবাম। অ্যালবামের নামকরণ করা হয়েছে রবির কিরণে সর্বজিৎ ও বন্ধুরা। জনতার কথার মাধ্যমে অ্যালবামের গানগুলি শুনে দেখতে অনুরোধ জানান অ্যালবামের কলাকুশলীরা। তাঁরা কয়েকটি গানের কয়েক-কলি গেয়েও শোনান কেউ কেউ। অ্যালবাম অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত জয়েন্ট কমিশনার সুজয় চন্দ, জিও ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের রাজ্য অধিকর্তা সিদ্ধার্থ বসু, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী ও স্বনামধন্যা চিত্রকর সৌমিতা সাহা, অভিনেত্রী মৌবনী সরকার। জানুয়ারির শেষ রবিবার তাঁদের হাতেই ঘটল অ্যালবামের শুভমুক্তি ও এস আর এল-র বার্ষিক ক্যালেন্ডার প্রকাশ।করোনাকালীন প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা জারী থাকায় জমায়েত করা যায় নি। সে-কারনেই হয়ত ঝাঁ-চকচকে ব্যবস্থাপনার মাঝে শয়ে শয়ে অতিথির উপস্থিতি লক্ষ করা গেলো না। তবু ও এসআরএল মোশন পিকচার্সের নতুন বছরের ক্যালেন্ডার প্রকাশ এবং রবির কিরণে সর্বজিৎ ও তার বন্ধুরা নামক মিউজিক অ্যালবামটির মুক্তি অনুষ্ঠান বিন্দুমাত্র ফিকে হয়নি। তাঁরা সম্পূর্ণ কোভিডবিধি মেনেই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করেন দক্ষিন কলকাতার এক ওপেন এয়ার স্টুডিওতে। নতুন বছরে নতুন করে রবি ঠাকুরের গান কে জি মিউজিক থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের যন্ত্রানুষঙ্গের সাথে প্রকাশ করার প্রসঙ্গে অভিনেত্রী মৌবনি সরকার বলেন কোভিড প্রোটোকল মেনে মিউজিক ভিডিও শুট করার এক মধুর অভিঞ্জতা হল। তিনি আরো বলেন কাজটা করে তিনি যথেষ্ট সন্তুষ্ট। সুজয় বাবু ও যোগ দেন গান রেকর্ড করার অভিনবত্বের অভিজ্ঞতার স্মৃতি চারণে। সঙ্গীতশিল্পী ও আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্না চিত্রকর সৌমিতা সাহা বলেন, এই অ্যালবাম দারুনভাবে নতুন প্রজন্মের মন ছুঁয়ে গিয়ে, রবি ঠাকুরের গ্লোবালাইজেশনের দিকে একটি মাইল স্টোন। সাথে দীর্ঘ দিনের বন্ধু, ভাতৃ-সম সর্বজীতের প্রয়াস-কে এক অনবদ্য প্রয়াসের আক্ষা প্রদান করেন।SRL বার্ষিক ক্যালেন্ডার প্রকাশআমরা যেকোনো অনুষ্ঠানেই আক্ষরিক অর্থে যারা ব্যাক স্টেজ কর্মী তাঁদের উপেক্ষীত-ই থাকে। সেই ব্যাক স্টেজ কর্মী যাঁরা সারাবছর কলাকুশলীদের সাজানো থেকে শুরু করে লাইট-ক্যামেরাঅ্যাকশনে ব্যস্ত থাকেন, সমস্ত অতিথি-দর্শকদের সামনে তাঁদের ডেকে স্বীকৃতি দিলেন, সম্মানিত করলেন এসআরএল মোশন পিকচার্সের কর্ণাধার সর্বজিৎ ঘোষ৷ কাজের শেষে পারিশ্রমিক ছাড়াও সম্মান যে তাঁদের পাওনার মধ্যেই পড়ে, উপলব্ধিতে ভাসলেন ওঁরাও৷ বিশেষ সম্মানে ভূষিত হন চিত্রকর দিপঙ্কর সমাদ্দার।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বব ডিলানের গানের স্বত্ব কিনলো সনি

গত ডিসেম্বর ৪০ কোটি ডলারে নিজের লেখালেখির স্বত্ব ইউনিভার্সাল মিউজিকের কাছে বিক্রি করেন বব ডিলান। এবার সনির কাছে বিক্রি করলেন তাঁর যাবতীয় গানের স্বত্ব। ২০২১ সালের জুলাইয়ে এই চুক্তি হলেও সেটা সোমবার প্রকাশিত হয়েছে। ডিলান বা সনি কোনো পক্ষই চুক্তিতে আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি প্রকাশ করেনি। সংগীতবিষয়ক ম্যাগাজিন বিলবোর্ডএই বিষয়ে জানিয়েছে ডিলানের রেকর্ডিং স্বত্ব কিনতে সনির কলম্বিয়া রেকর্ডসকে ২০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্য দিতে হয়েছে। মোটের ওপর বছরে এক কোটি ৬০ লাখ ডলার বার্ষিক মুনাফা হিসাব করে এই চুক্তি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সংগীত জগতের সবচেয়ে বড় চুক্তি এটি। এই চুক্তির আওতায় ১৯৬০-এর দশকে মুক্তি পাওয়া ডিলানের ক্লাসিক অ্যালবামগুলো থেকে ২০২০ সালে মুক্তি পাওয়া সবশেষ অ্যালবাম রাফ অ্যান্ড রাউডি ওয়েসও পড়বে। সব মিলিয়ে ৩৯ অ্যালবাম ও ১৬ বটলেগ সিরিজ, লাইভ পারফরম্যান্সের সংকলন, অসংখ্য সিঙ্গেল ও অপ্রকাশিত গানের স্বত্ব পেল সনি। অপ্রকাশিত গান নিয়ে ভবিষ্যতে সংকলন প্রকাশ করার অনুমতিও আছে তাদের। চুক্তি সম্পর্কে সনি মিউজিক গ্রুপের চেয়ারম্যান রব স্ট্রিঞ্জার বলেন, বব ডিলানের ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই কলম্বিয়া রেকর্ডসের সঙ্গে তাঁর বিশেষ সম্পর্ক। কম্পানি বব ও তাঁর টিমের সঙ্গে কাজের ফের কাজের সুযোগ তৈরি করতে পেরে ভীষণ উত্তেজিত। এটা তাঁর সংগীতকে এই সময়ের ভক্ত ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সহজলভ্য করবে। আমরা তাঁর সঙ্গে ৬০ বছর সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়ে ভীষণভাবে গর্বিত।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

We for Love: বঙ্গাস-র ভাতৃদ্বয়ের নতুন ইপি" 'উই ফর লাভ'

কিংবদন্তী সরোদ শিল্পী ওস্তাদ আমজাদ আলি খান ও প্রথিতযশা নৃত্যশিল্পী শুভলক্ষ্মী বড়ুয়া খানের পুত্র-দ্বয় আমান আলি বঙ্গাস এবং আয়ান আলি বঙ্গাস তাঁদের তৃতীয় অ্যালবাম (ইপি) প্রকাশ করতে চলেছেন। অ্যালবামটির (ইপি) নামকরণ করেছেন উই ফর লাভ (We For Love)। বিশেষ ভাবে উল্লেখ্য, উই ফর লাভ কৈলাশ সত্যার্থী চিলড্রেনস ফাউন্ডেশন (KSCF)-র একটি প্রোজেক্ট জাস্টিস ফর এভরি চাইল্ড (Justice For Every Child) ক্যাম্পেইনের ক্যাচ লাইন। যার মূল লক্ষ্য হল প্রত্যেক শিশুর জন্য ন্যায়বিচার পাই তার জন্য সচেতনতা বাড়ানো। দুই ভাই ছাড়াও এই অ্যালবাম-এ (EP)-তে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি শুভা মুদগল, করণ জোহর, কার্শ কালে, মালিনী অবস্থি, মহেশ কালের মতো বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা এবং অবশ্যই আমজাদ আলি খান।ইপি সম্পর্কে বলতে গিয়ে আমান আলি বঙ্গাস বলেন, সাউন্ডস্কেপ এবং সংবেদনশীলতার পরিপ্রেক্ষিতে উই ফর লাভ-এর সমাজের বিভিন্ন স্তরের বৈচিত্র্যময় শিল্পীদের নিয়ে সংগঠিত হয়েছে। এখানে ইলেকট্রনিক ইন্সট্রুমেন্ট থেকে ইন্ডিয়ান ক্লাসিক্যাল, ঠুমরি থেকে ভজন সবকিছুই এত আসাধরণ ভাবে নির্বিঘ্নে মিশে রয়েছে, যেন এক ঐশ্বরিক অনুভুতি। তিনি আরও বলেন, প্রকল্পের প্রতিটি শিল্পীকে এই প্রোজেক্টে আন্তরিকভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য এবং এই ইপি (EP)-কে এখনও পর্যন্ত আমাদের সবচেয়ে স্মরণীয় প্রোজেক্টের মধ্যে অন্যতম করে তোলার জন্য আমরা সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। আসলে, এটাই আমাদের প্রথম উপস্থাপনা যেখানে এতজন গুনী শিল্পী একটি মহৎ উদ্দেশ্যে একত্রিত হচ্ছেন।আমান আলি বঙ্গাস-র ভাই আয়ান আলি বঙ্গাস তার দাদা-র কথা টেনেই বললেন, সংগীত একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা মানবজাতিকে একত্রীকরণ করে। উই ফর লাভ প্রকৃতপক্ষে শিল্পী এবং সহনাগরিক হিসাবে আমাদের জন্য একটি দারুন জার্নি। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, এক অন্তহীন পথ তৈরি করা যা ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করবে এবং কর্ম-অনুপ্রেরণা আনবে। আজকের দিনে সামাজ সচেতন সঙ্গীতের আবেদন ব্যাপক এবং আমরা বারবার এই বিপ্লবে অবদান রাখতে পেরে ভীষণ ভাবে আনন্দিত। উই ফর লাভ মুক্তি পাবে ২১ জানুয়ারি ২০২২।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

New song : পথের গানওয়ালা মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ এর প্রথম গান মুক্তি নতুন বছরে

বছর শুরুতে পাহাড়ের গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন কলকাতার স্ট্রিট মিউজিকে অতি চেনা নাম মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ। এই ব্র্যান্ডে বেশ পরিচিত নীলাঞ্জন সাহা। গোলপার্কে সাইকেলকে সম্বল করে স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে কাজ করার তাগিদেই স্যান্ডউইচ বিক্রির এই অভিনব পন্থা নেন নীলাঞ্জন। দেখতে, দেখতে বছর তিন পার করে ফেলেছেন এই তরুণ তুর্কী।এই প্রথম অরিজিনাল গান করলেন নীলাঞ্জন। সম্ববত এই প্রথম শহরের কোনো স্ট্রিট মিউজিশিয়ান গান রেকর্ড করলেন।আর এই গানের নেপথ্যে থাকা মানুষটি শহরের প্রথম স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর উদ্যোক্তা, পাশাপাশি মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এরও আয়োজক, সুদীপ্ত চন্দ। গানের কথা,সুর তাঁর এবং এই প্রথম গানও গাইলেন নীলাঞ্জনের সাথে। সুদীপ্ত মূলত পাহাড়ের গান করেন।এর আগে দুটো গানই পাহাড় নিয়ে বানিয়েছেন। গেয়েছেন রূপঙ্কর। এই প্রথম স্ট্রিট মিউজিশিয়ানকে সঙ্গী করে গান বানালেন সুদীপ্ত।গানের শুট হলো দার্জিলিং এর দাওয়াইপানির আনাচেকানাচে, লামাহাটার পাইন বনে,ত্রিবনীতে। গান জুড়ে পাহাড়ের দৃশ্যগুলো বেশ নজর কাড়ে। পাহাড়ের কোলে দুই বন্ধুর জার্নি নিয়ে বছর শুরুতে এই গান প্রকাশ পাবে দ্যা ড্রিমার্স মিউজিক পি আর এজেন্সি এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে। গানের সঙ্গীত আয়োজন করেছেন মাধুর্য মুখোপাধ্যায়। সুদীপ্ত চন্দ বললেন, ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে পড়ার সময় প্রথম গান করেছিলাম। পরে সুরঙ্গমা-তে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিক্ষা।মূলত মিউজিক নিয়ে সাংবাদিকতা করেই পরিচিত হই। নতুন গান তৈরি করার ইচ্ছে অনেক দিন ধরেই ছিল।কিন্তু নিজে গান রেকর্ড করবো আগে ভাবিনি।নীলাঞ্জনকে তিন বছর ধরেই চিনি। ওঁর কাজ বহু মানুষকে আনন্দ দেয়।আমাকও দেয়। তাই মনে হলো একজন স্ট্রিট মিউজিশিয়ানের সঙ্গেই গানটা রেকর্ড করি।আর পাহাড়ের প্রেক্ষাপটে গানটা শোনার সাথে দেখতেও বেশ ভালো হয়েছে।অন্যদিকে নীলাঞ্জন সাহা বলেন, সুদীপ্ত দা আমার থেকে বয়েসে অনেকটাই বড়। বয়েসের এই পার্থক্যকে উপেক্ষা করে গড়ে ওঠা একটা বন্ধুত্বের গল্প বলে আমাদের এই গান এ পথ চলা,যেটা খুব একটা দেখা যায় না বলে আমার মনে হয়। ফুটপাথের গানওয়ালা থেকে একজন রেকর্ডেড আর্টিস্ট হয়ে উঠতে পেরে সত্যি খুব ভালো লাগছে।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে অরূপের রক্ষাকবচ বাড়ল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বড় পদক্ষেপে নিষেধ! আদালতে কী হল?

মেসি-কাণ্ডে আপাতত স্বস্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।অরূপ বিশ্বাসকে আগেই রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাই কোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশই আপাতত বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। অরূপের রক্ষাকবচ বাতিলের দাবিতে শতদ্রু দত্ত যে মামলা করেছিলেন, তাতেও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।মঙ্গলবার শুনানিতে মেসি-কাণ্ডের তদন্ত সংক্রান্ত দুটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তিনি জানান, তদন্তে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সবরকম সহযোগিতা করছেন। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, পুলিশ অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তদন্ত শেষ হলে চার্জশিটও জমা দেওয়া যাবে। তবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা যাবে না।গত ডিসেম্বর মাসে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক ফুটবলপ্রেমী যুবভারতীতে জড়ো হয়েছিলেন। অনেকেই মোটা টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ব্যাপক ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার পরই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার দিন মেসির সঙ্গে একাধিক বার তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সমাজমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অরূপের ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেও মেসির ছবি প্রকাশ্যে আসে।অব্যবস্থার অভিযোগে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মেসির ভারত সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ মেসির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।এই মামলায় অরূপ বিশ্বাস ইতিমধ্যেই একাধিক বার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দিয়েছেন। পুলিশের তলবে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়টিও আদালতে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত সেই কারণেই তাঁর রক্ষাকবচ বহাল থাকল বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অরূপের বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ না করার নির্দেশের পর মেসি-কাণ্ডের তদন্ত কোন দিকে এগোয়। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে ফের তৎপরতা, অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদের তলব! জেরার তালিকায় আর কারা?

খুলল কি ফের অভয়া ফাইলস? আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন করে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেছে। এবার ঘটনার রাতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় রয়েছেন অভয়ার সঙ্গে রাতে ডিনার করা বন্ধুরাও।শুধু অভয়ার বন্ধুদেরই নয়, ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা নার্স, চিকিৎসক, নিরাপত্তারক্ষী এবং আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া হাসপাতালের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও ফের জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।আর জি কর-কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন এবং কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে সেই পরীক্ষা এবং তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণেই মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ফের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে কারা ডিনারে ছিলেন, সেই বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে। একই সঙ্গে ফের পরীক্ষা করা হবে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষকে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।অভয়ার মা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, ঘটনার রাতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যথাযথ ভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন। আদালতের তরফেও ঘটনার রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়।এর মধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিক বদল করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সীমা পাহুজাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপনী গর্গকে। কয়েক দিন আগে দিল্লি থেকে চার সদস্যের একটি বিশেষ দলও আর জি কর হাসপাতালে পৌঁছয়। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে ওই দলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই জায়গা ফের খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এবার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের তলব করার খবর সামনে আসায় আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে থাকা বন্ধু, হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসক ও নার্স এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, কর্মীদের বেতনও আটকে! সুপ্রিম কোর্টে কপিল সিব্বলের বিস্ফোরক সওয়াল

তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সব তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরছে না বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে দলের নিয়মিত খরচের হিসাব আদালতের সামনে তুলে ধরেন কপিল সিব্বল। তিনি জানান, তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং কর্মীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ইডির তরফে আদালতে বলা হয়, যে অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়নি, সেগুলি থেকে টাকা নিয়ে দল কাজ চালাতে পারে। তার জবাবে কপিল সিব্বল জানান, ওই অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থায়ী আমানত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ৩৬টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩১টি স্থায়ী আমানত এবং বাকি পাঁচটি সাধারণ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।সিব্বলের দাবি, স্থায়ী আমানত ভাঙলে সেই টাকা ফের ফ্রিজ করে রাখা অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও জানান, পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে চারটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছে না।তৃণমূলের আইনজীবী আরও দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থার মামলায় অপরাধলব্ধ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। কেন এত বেশি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলেন তিনি।দলের কর্মীদের বেতন নিয়েও আদালতে বিস্তারিত তথ্য দেন সিব্বল। তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রায় ২৫০ জন কর্মী রয়েছেন। চলতি মাসে তাঁদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বেতন-সহ অন্যান্য খরচ মেটাতে প্রায় ৫৩ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে আদালতে জানান তিনি।এর পাশাপাশি দলের বিভিন্ন অফিসের খরচের কথাও আদালতে তুলে ধরেন সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের ১৭টি অফিস চালাতে প্রতি মাসে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়। নিরাপত্তা সংস্থা এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও টাকা দিতে হয়। নির্বাচনের সময়ে যাঁরা কাজ করেছিলেন, তাঁদেরও কিছু টাকা এখনও বাকি রয়েছে বলে জানান তিনি।সিব্বল আরও জানান, দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য কলকাতা হাই কোর্টের একক বেঞ্চের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে বিশেষ আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, যখনই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তখনই আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে নেওয়া পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিও আদালতে তোলেন সিব্বল। তাঁর দাবি, ওই সংস্থা থেকে তৃণমূল একটি বিমান নিয়েছিল। সেই সংস্থার অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। তবে কী কারণে ওই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, তা তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেনি বলে অভিযোগ করেন সিব্বল।মামলায় তদন্তকারী সংস্থা এবং তৃণমূলের আইনজীবীর বক্তব্যের মধ্যে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, মঙ্গলবারের শুনানিতে তা স্পষ্ট হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখার যৌক্তিকতা, দলের দৈনন্দিন খরচ এবং কর্মীদের বেতন দেওয়ার বিষয়টি এখন আদালতের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

২৬ হাজার চাকরির ভবিষ্যৎ কি ফের অন্ধকারে? ডেডলাইনের আগেই বড় সিদ্ধান্ত স্কুল সার্ভিস কমিশনের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বড় জট তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগের জেরে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। এরপর শূন্যপদগুলিতে নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রক্রিয়া ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় পর্যন্ত চাকরিহারাদের বেতন দেওয়ার নির্দেশও ছিল।এর মধ্যেই নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের দাবি, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল। পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের কাউন্সেলিংও চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেন ভেরিফিকেশন বন্ধ করা হল, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর করার বিষয়টি নিয়েই এই মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন সংরক্ষণ বিধি কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ অগস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। কতদিন সময় চাওয়া হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংরক্ষণ নীতি কী ভাবে কার্যকর করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।নতুন করে নিয়োগের জন্য যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। ভেরিফিকেশন এবং কাউন্সেলিং থেমে যাওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়।ফলে একদিকে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি জটদুইয়ের মাঝে আটকে রয়েছে ২৬ হাজার নিয়োগের ভবিষ্যৎ। এখন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরের পর কলকাতাতেও মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভিড়ের মধ্যে থেকে উঠল সেই স্লোগান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফের বিক্ষোভের অভিযোগ। হালিশহরের ঘটনার পর এবার খাস কলকাতায় একই ধরনের স্লোগান শুনতে হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে চোর, চোর স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি।নেতাজির মূর্তির পাদদেশে ক্ষুদিরাম বসুর ছবি হাতে নিয়ে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী এবং মাতঙ্গিনী হাজরার কথাও স্মরণ করেন তিনি। মমতা বলেন, এই সংগ্রামীদের কোনও দিন ভোলা যাবে না। তাঁর দাবি, শুধু দেখানোর জন্য নয়, হৃদয় থেকেই এই সমস্ত মহান ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। আচমকা ভিড়ের মধ্যে থেকে চোর, চোর স্লোগান উঠতে শুরু করে বলে অভিযোগ। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা এক ব্যক্তির বক্তব্য, মমতা মালা দেওয়ার সময় তাঁরা কোনও স্লোগান দেননি। পরে তাঁরা স্লোগান দেন বলে জানান তিনি।বিক্ষোভের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। তবে তাঁর গাড়ি চলে যাওয়ার পরেও কিছুক্ষণ স্লোগান ও বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।এই ঘটনার আগে রবিবার হালিশহরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা করেছিল, তবে তিনি জনরোষের মুখে পড়েছিলেন।হালিশহরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে একই স্লোগান ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হল। ঘটনাটি ঘিরে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গলমহল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচায় নতুন আইন, আর কী করতে চলেছে সরকার?

বাঁকুড়ায় সাত জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জঙ্গলমহলের উন্নয়ন থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্যা, আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন তিনি।মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় সাতটি জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গত তিন মাসে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে এবং আগামী দিনে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তার একটি হিসাব তুলে ধরেন তিনি।জঙ্গলমহল এবং প্রান্তিক ও সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে জঙ্গলমহলের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি অর্থের সাহায্যে ধর্মান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। সীমান্ত এলাকায় জমি হস্তান্তর, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকা সংশোধন, ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা বাতিল এবং গো-সুরক্ষার মতো একাধিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি। মহরমের সময় তলোয়ার নিয়ে মিছিল বা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।এরপরই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কিছুদিনের মধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে। একইসঙ্গে এক দেশ, এক প্রধান, এক রাজ্য, এক মুখ্যমন্ত্রী, এক আইন-এর কথাও বলেন তিনি।ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়েও নতুন আইনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আরও দুটি কাজ তাঁর বাকি রয়েছে। তার মধ্যে ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত আইন আনার বিষয়টি রয়েছে।তবে শুধু আইন বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, জঙ্গলমহলের উন্নয়নকেও আগামী দিনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। আগামী তিন মাসের জন্য এই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানিয়েছেন তিনি।বাঁকুড়ার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচা নিয়ে প্রস্তাবিত আইন কেমন হবে এবং কবে তা কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজের ‘১০০ কোটির’ সম্পত্তির হদিশ! তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে এবার নজরে ৩০টি সম্পত্তি

দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে তদন্তে আরও তথ্য সামনে আসছে। সিন্ডিকেট চক্র চালানো এবং তোলাবাজির মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এই তৃণমূল নেতার প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে ঘিরে গ্রেপ্তারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অদিতিকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে দেবরাজ কোনও রক্ষাকবচ পাননি বলে জানা যায়। এরপর বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের অভিযোগ, রাজারহাট এবং আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। গত কয়েক বছরে সেই টাকা ব্যবহার করে দেবরাজ বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দমদম, নিউটাউন এবং বাগুইআটির মতো এলাকায় সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। উত্তরবঙ্গেও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই সম্পত্তিগুলির সবকটি সরাসরি দেবরাজের নামে রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের অনুমান, পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠদের নাম ব্যবহার করে বেশ কিছু সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। গত পাঁচ বছরে, অদিতি মুন্সি বিধায়ক থাকার সময়ে এই সম্পত্তিগুলির বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ওই প্রায় ৩০টি সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা হতে পারে। সম্পত্তিগুলির মালিকানা, কেনার সময়, অর্থের উৎস এবং লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই সংক্রান্ত তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে। সেই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধির কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিই এখন তদন্তকারীদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে কার নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল এবং সেই সম্পত্তি কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর মধ্যেই বারাসত আদালতে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা বলে জানা গিয়েছে। এবার সম্পত্তির নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal