• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Music

বিনোদুনিয়া

কালী পুজোর নতুন মিউজিক ভিডিও

উমা বিদায়ের আবেগের মাঝেই অশুভ শক্তির বিনাশে মা কালির আবাহনে রাজ্য সহ গোটা দেশবাসী। কিন্তু মানবমনে এই দুর্গা বা কালীর ভাবাবেগ ঠিক কতটা আর তাকেই জাগ্রত করতে অর্পিতা রায় ও পরিচালক শুভ্রজিৎ দাসের পরিচালনায় সমস্ত অডিও প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে পুজোর নতুন গান জাগো দুগ্গা মা। কিশুর মিউজিক কম্পোজিশনে ও সৌহার্দ্যর কন্ঠে কালি পুজোর আগে মুক্তি পাওয়ার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই গান। এই মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন অর্পিতা রায়, প্রিয়া চন্দ, দিবেন্দু দাস দের মতো তরুণ প্রজন্মের শিল্পীদের। নারী ক্ষমতায়নের পাশাপাশি সাম্প্রতিক আরজিকরের ঘটনাও গান হয়ে ধরা দিয়েছে এই অডিও প্রোজেক্টটিতে। আর কিছুদিন অপেক্ষা। এরপরই প্রকাশিত হবে এই গানের ভিডিও। এই ভিডিওর দায়িত্বে রয়েছেন আরিয়ান শুভ্র ও অর্পন ঘোষ। প্রোজেক্টির পোস্টার ডিজাইন করেছেন সন্দীপন চক্রবর্তী।

নভেম্বর ০৩, ২০২৪
নিবন্ধ

'মহীনের ঘোড়া' নিয়ে পথ পরিক্রমা বর্ধমানের বাংলা ব্যান্ড প্রেমী শিল্পীদের

বিকালের সূর্যস্নাত শহর বর্ধমানের পথের দখল নিয়েছিল এক ঝাঁক কালো ঘোড়া। গিটার কাঁধে কালো পোশাকে পথে নামলো সঙ্গীত প্রিয় তরুণ প্রজন্ম। মহীনের ঘোড়ার শেষ ঘোড়া বাপিদা(তাপস দাস)-র প্রয়াণকে স্মরণ করতে তাঁরা আজ বিকালে বর্ধমানের কার্জন গেটের সামনে কাঁধে গিটার নিয়ে সমবেত গানে গলা মিলিয়ে পথ হাঁটলো মফস্বলের নবীন প্রজন্ম।ঘোড়াগুলি থামবে না এই শিরোনামে এক মনোজ্ঞ অনুষ্ঠানে আজ শেষ বিকেলে থমকে যায় শহর বর্ধমানের প্রানকেন্দ্র। বাংলা গানে রকব্যান্ড-র স্বাদ নিয়ে আসা আসা মহীনের ঘোড়াগুলির অন্যতম ঘোড়া তাপস দাস (বাপীদা)-র স্মরণে এই মহৎ উদ্যোগ। এই ছোট্ট কিন্তু প্রানোচ্ছল অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা বর্ধমান শহরেরই একঝাঁক তরুণ সঙ্গীত প্রেমী সংকেত ও গান বন্ধুরা এবং বর্ধমান ওয়েভ।শিল্পীর দল ও সংগীত প্রেমী এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী আজ রবিবাসরীয় বিকালে কার্জন গেটের সামনে জড়ো হয়। কোনও রকম আনুষ্ঠানিক উপঢৌকনতা ও গুরুগম্ভীর অভিভাষণ না করেই, গিটারে সুর তুলে সমবেত কন্ঠে গেয়ে ওঠে সত্তরের দশকের তুফান তোলা গান পৃথিবীটা নাকি ছোট ছোট হতে হতে... যে গান আজও সমান প্রসঙ্গিক এই প্রজন্মের সঙ্গীত প্রেমীদের কাছে।সংকেত, মধুবন্তী, অনির্বাণ, অয়ন, অরাত্রিকা হয়ে শত কন্ঠ মিলিয়ে দিল সত্তর দশককে একবিংশের সাথে। অষ্টাদশী থেকে মধ্যযৌবনা কেউই বাদ যাননি এই আনন্দের স্বাদ নিতে। মহীনের ঘোড়াগুলির অ্যালবাম থেকে একের পর এক গান উদ্ধত কন্ঠে মাতিয়ে দিল শহরের প্রান কেন্দ্র।প্রসঙ্গত, মহীনের ঘোড়াগুলি ১৯৭৬ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম বাংলা স্বাধীন রক ব্যান্ড। জানা যায়, এটিই ভারতের প্রথম রক ব্যান্ড, ১৯৭০-এর দশকের মাঝ পর্বে কলকাতায় এর যাত্রা শুরু হয়। গৌতম চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ চট্টোপাধ্যায়, প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জন ঘোষাল, এব্রাহাম মজুমদার, তাপস দাস ও তপেশ বন্দ্যোপাধ্যায়, এই সাত সঙ্গীতশিল্পী একত্রে নব্বই-এর দশকের পর তাঁরা ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আমেরিকান, লাতিন, রক, জ্যাজ, লোক, বাউল বিভিন্ন সঙ্গীত ধারায় পরীক্ষামূলক নানা কাজ তাঁরা করতে থাকে এবং তরুণ প্রজন্মের কছে প্রবল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।আজ বর্ধমানে নানারকমের পোশাক, বাদ্যযন্ত্র, পোস্টার আর প্লাকার্ডে ছয়লাপ হয়ে ওঠে কার্জনগেট চত্বর। নানারকম বার্তা প্লাকার্ডে লিখে তাঁরা হাজির হয়। সেইরকমই একটি প্লাকার্ডে লেখা...ঘোড়াগুলি ছুটছে.... শহর বর্ধমান উত্তেজনায় ফুটছে ছুটছে ওরা ছুটছে... মহীনের ঘোড়াগুলি ছুটছে...... কার্জন গেট থেকে টাউনহল প্রাঙ্গণ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পথ পরিক্রমা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। পরিশেষে এই কথাই মনে করায় মহীনের মৃত্যু হলেও ঘোড়া গুলির দৌড় বোধহয় থামার নয়।

জুলাই ০২, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

২৫- শে পা দিচ্ছে কৌশিক ইভেন্টস

কৌশিক ইভেন্টস একটি অর্গানিসশন যেটি এই বছর ২৫ এ বছরে পা দিচ্ছে। তারা এতো বছর ধরে কলকাতা তথা ভারত বর্ষে বিভিন্ন জায়গায় তাদের নিজস্ব অতুলনীয় উদ্ভাবনীয় অনুষ্ঠান করে দর্শক মহলে ছাপ ফেলে দিয়েছে তাদের জার্নি শুরু হয়েছিল ১৯৯৮ এর মাঝামাঝি একটা কলেজ সোশ্যাল ইভেন্ট করে। একটা দারুন বিষয় সেই কলেজে ২৫ বছর ধরে এখনো কৌশিক ইভেন্টস সুনামের সাথে কাজ করে চলেছে,এই দলের প্রধান উদ্যোক্তা কৌশিক রাহুল ঘোষ জনতার কথা কে জানিয়েছেন, আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে পশ্চিমবঙ্গের সংগীত ও শিল্প কর্ম সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে দিতে চেয়েছিলাম বলে এই দলটির শুরু হয়েছিল। মূলত নতুন শিল্পীদের প্লাটফর্ম দেয়ার পাশাপাশি আমরা বিখ্যাত শিল্পীদের একসাথে মঞ্চস্থ করার জন্য বহু ইভেন্ট করেছি। নজরুল মঞ্চে প্রথমবার একসাথে ভৌমিক ক্যাকটাস এবং চন্দ্রবিন্দুকে পারফর্ম করিয়েছিল এই ইভেন্টস তেমনি আবার রক সক নামে একটি রক কনসার্টের কলকাতা শহরে প্রথমবার আয়োজন করি। আমাদের ইভেন্টস যেখানে পারফর্ম করেছিল বিখ্যাত ব্যান্ড ফসিলস ক্যাকটাস এবং ক্রস উইন্স প্রথমবার একসাথে।এর পাশাপাশি তিনি জানান, কবীর সুমন একক নচিকেতা সুমন চক্রবর্তী এবং কলকাতার তথা পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত আর্টিস্টদেরকে নিয়ে করা বিভিন্ন সরকারি মেলা তার সঙ্গে সঙ্গে তাদের নিজস্ব চিন্তাধারায় অটুট বন্ধন নামে ওয়াল্ড মিউজিক ডে উদযাপন করা কৌশিক ইভেন্টস এর স্পেশালিটি,এর পাশাপাশি নতুন প্রজন্ম থেকে প্রতিভা তুলে আনার জন্য তারাই প্রথম শুরু করে আগামীর তারারা অনুষ্ঠান এবং সেই অনুষ্ঠান থেকেই অনেক শিল্পী আজ বিশ্বের দরবারে সুনামের সঙ্গে কাজ করে চলেছে। নতুন প্রজন্ম পুরনো প্রজন্ম এবং তার সঙ্গে নতুন প্রতিভা দের নিয়ে কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে তারা কলকাতার বুকে বিভিন্ন থিম পুজো, ঠাকুর এবং পুজোর থিম সং এর সঙ্গে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বিশেষ ছাপ ফেলেছে গত বছর কৌশিক ইভেন্টস ব্যাঙ্গালোরের বুকে এক অভিনব যাত্রা শুরু করে সেখানে তারা সর্বপ্রথম কলকাতায় কুমোরটুলির ঠাকুর মহিলা ঢাকি স্বনামধন্য শিল্পীদের দিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সঙ্গে থিমের প্যান্ডেল এবং ডেকোরেশনের কাজ শুরু করে যেটা একটা অন্য মাত্রায় কাজের রুচির পরিচয় পাওয়া যায়. করোনা কালে কৌশিক ইভেন্টস আর্টিস্টদের পাশে দাঁড়িয়ে লিজেন্ডদেরকে সম্মান জানিয়ে আ ট্রিবিউট টু দ্য লিজেন্ডস এর কাজ বিশেষ প্রশংসনীয়। এর পাশে কৌশিক ইভেন্টস কিছু সমাজমুলক কাজ করেন তাদের বিশিষ্ট কিছু ইভেন্টস এর মাধ্যমে যেমন তারা প্রত্যেক বছর নিয়ম করে দুস্থদের সেবা এবং গরীব দুঃখীদের বস্ত্র, পড়াশোনার জিনিসপত্র বিভিন্ন হাইজেনিক প্রোডাক্ট যেগুলো আমরা দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার করি তারা প্রদান করে থাকে। বৃদ্ধাশ্রম এর প্রবীণ দের পুজোর আগে নতুন জামা কাপড় পথ শিশুদের জন্য এবং তাদের পরিবারের জন্য পুজোর জামা কাপড় এবং প্রয়োজনীয় জিনিস প্রদান করে থাকে। ঠান্ডার সময় শীত বস্ত্র প্রদান এছাড়া নিয়ম করে গরীব মানুষদের জন্য তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী রেশনের ব্যবস্থা করে থাকে।ভবিষ্যতে আরো ভালো কাজ করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে কৌশিক ইভেন্টস। জনতার কথা-র পক্ষ থেকে তাদের জন্য রইল অনেক শুভকামনা।

জুন ১৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

এই বিশ্বখ্যাত প্রবাদপ্রতীম শিল্পী কে? বিস্তারিত জেনে নিন

বেশ কিছুদিন আগে থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত ফেসবুক বা ফেসবুক টাইম লাইনে অশীতিপর এক বৃদ্ধার সংগীত পরিবেশন কে ট্রোলড হতে দেখা গিয়েছে বারংবার। তিনি কে? কি ভাষায় তিনি গান গাইছেন ? অথবা গানের অর্থই বা কি এর তথ্যানুসন্ধান কেউ করেনি। আমাদের ক্ষুদ্র জ্ঞানের বিচারে এই মহান শিল্পীকে নিয়ে শুধু নানান মন্তব্য ও স্ববোধের বিচারে হাসাহাসি চলেছে। কিন্তু প্রকৃত সংগীত পিপাসুদের কানে এই শিল্পীর পরিবেশিত গানটি শুনে কেমন যেন একটা ভালোলাগা অনুভূত হয়। জানা গিয়েছে, গানটি সোয়াহিলি ভাষার একটি বিখ্যাত গান। আর এই অশীতিপর বৃদ্ধা শিল্পীটি আর কেউ নন আফ্রিকা মহাদেশের তানজানিয়ার মহান সংগ্রামী শিল্পী বিকিডুডু। যাঁর পোশাকি নাম ফাতুমা বিনতি বারাকা। এই সোয়াহিলি আরব প্রভাবিত সংগীতের স্টাইল তারাবোর কিংবদন্তী পারফর্মার তিনি। তাঁকে তারাব ও ইউনেয়াগো সংস্কৃতির রানীও বলা হয়। এটি মূলত তানজানিয়া এবং কেনিয়ার কিছু অঞ্চলের সংস্কৃতি। অনুমান করা হয় বিকিডুডের জন্ম ১৯১০সালে তানজানিয়া জাঞ্জিবার দ্বীপের একটি ছোট্ট গ্রামে, গ্রামটির নাম মাফাগিমিরিঙ্গ। তাঁর বাবা ছিলেন ওই দ্বীপেরই একজন নারকেল বিক্রেতা। বিকিডুডে তাঁর মাত্র ১০ বছর বয়সেই আফ্রিকান রক্ষণশীল সমাজের নিয়ম ভাঙতে শুরু করেন। তিনি সমাজ ও প্রথার বিরুদ্ধে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। নিজে ব্যক্তিগত বিপ্লবের মাধ্যমে আফ্রিকান সংগীতএবং নারী জাগরণের পথ তৈরি করে গেছেন। বিশ্ব সংগীতে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি পেয়েছেন ওমেক্স এওয়ার্ড। এই পুরস্কারপ্রাপ্তির আগে পর্যন্ত বিকিডুডে অনেকটা লোকচক্ষুর অন্তরালেই ছিলেন। ২০০৫ সালে প্রাপ্ত এই পুরস্কারে তিনি বিশ্ববাসীর নজরে আসেন এবং বিশ্ববাসীর মন জয় করেন। ব্রিটিশ নির্মাতা এন্ডি জোন্স শিল্পীর জীবন ও কর্ম নিয়ে প্রথম তথ্যচিত্র নির্মাণ করেন Shot Bi kidudu প্রবল লিঙ্গ বৈষম্যে জাঞ্জিবার সমাজে তিনি ছিলেন অকুতোভয়। তাঁর সারল্য জেদ আর অনমনীয় মনোভাবের মধ্যে দিয়ে পদদলিত করেন এই সমাজের জরা ও পশ্চাদপদ প্রথাকে। একক ও অক্লান্ত প্রচেষ্টায় জাঞ্জিবার প্রথার অমলিন সংস্কৃতিকে উন্মুক্ত করেন বিশ্ববাসীর সামনে। নিঃসন্তান প্রথাবিরোধী স্বাধীনচেতা এই শিল্পীর জীবনটাই ছিল বিতর্কিত। তথাকথিত একটা পর্দানশীন সমাজের বাইরে বেরিয়ে আসা তাঁর পক্ষে অত্যন্ত কঠিন ছিল। তিনি প্রকাশ্যে ধূমপান করতেন, আবিশ্ব ঘুরে বেড়াবেন এই স্বপ্ন ছিল তার। নিজের সমস্ত উপার্জিত অর্থ তিনি অকাতরে দুস্থ মানুষদের মধ্যে বিলিয়ে দিয়ে নিজে নিঃস্ব থাকতেন। হাঁপানি রোগ নিরাময়ে একজন ভেষজ বিশেষজ্ঞ হিসেবে এই শিল্পী পরিচিত ছিলেন। এই প্রবাদপ্রতীম শিল্পী জাঞ্জিবার তরুণ ও দুঃস্থ শিল্পীদের সংগীত শেখানো ও অর্থ দিয়ে সাহায্য করতেন। আফ্রিকার লোকসংগীত এর প্রচার ও প্রসারে তার ভূমিকা ছিল অবিসংবাদিত। ১৯৮০ সালে স্বৈরাচারী নাইজেরিয়ান সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিল তার কন্ঠ। তানজানিয়ার জাঞ্জিবার সমাজের তিনি ছিলেন জাতীয় ধন। দীর্ঘ ১০৩ বছরের জীবন পথ অতিক্রম করে মহান এই মানবতাবাদী শিল্পী ২০১৩ সালের ১৭ই এপ্রিল জাঞ্জিবার দ্বীপে নিজ গ্রামে লোকান্তরিত হন। গত ১৭ এপ্রিল ছিল তার মৃত্যুর দশম বৎসর।

মে ০৬, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

ঊড়িষ্যার প্রোজেক্টে পৃথার অভিষেক

বাঙালি অভিনেত্রীর এবার ঊড়িষ্যা পাড়ি! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন, অভিনেত্রী, মডেল পৃথা দাস এবার উড়িয়া ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনয় করছেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও জমুনা জিবাকু মতে হইচি মনা।উড়িয়া ইন্ডাস্ট্রি এর এক নামজাদা প্রোডাকশান থেকে মুক্তি পেয়েছে এই মিউজিক ভিডিওটি। পুরোপুরি ভিন্ন লুকে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রী পৃথা দাস কে এই মিউজিক ভিডিও তে। একদম উড়িয়া কমার্শিয়াল মিউজিক ভিডিও হিসাবে মুক্তি পেয়েছে এই গানটি। ভিডিওটির শ্যুটিং হয়েছে উড়িষ্যাতে।অভিনেত্রী পৃথা দাস জানান একটা অন্যরকম অনুভূতি এই প্রোডাকশন হাউসের সাথে কাজ করা। খুব প্রফেশনাল, খুব সাপোর্টিভ পরিচালক, প্রযোজক, পুরো ইউনিট। প্রচন্ড ভালো লাগছে এমন একটা টিমের সাথে কাজ করে। আশা করছি আরো ভালো কাজ আমার দর্শকদের উপহার দিতে পারবো।

মার্চ ২৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

সিনেমা, মডেলিং জগতে নতুন জনপ্রিয় মুখ মাম মন্ডল

বাংলা সিনেমা জগত ও মডেলিং জগতের নতুন নাম মাম মন্ডল। নানা মিউজিক ভিডিও তে নানান চরিত্রে দেখা গিয়েছিল তাকে। মিউজিক ভিডিওতে বেশ জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী। দর্শকদের মনে এক অনন্য জায়গা করে নিয়েছেন অভিনেত্রী, মডেল মাম মন্ডল।অন্যদিকে বেশ নাম করা ব্র্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শ্যুটে আলাদা আলাদা লুকে তাকে দেখা গিয়েছে। দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন। তবে বর্তমানে ভালো প্রজেক্টের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন অভিনেত্রী মডেল মাম মন্ডল। অভিনেত্রী মাম মন্ডল জানান ভালো প্রজেক্টে ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই। যেখানে নিজের অভিনয় দক্ষতা দেখানোর জায়গা পাবো। যার জন্য অপেক্ষা করছি, ভালো প্রজেক্ট পেলে অবশ্যই ভালো অভিনয় আমার দর্শকদের উপহার দেবো। সাথে মডেলিং টাও করতে চাই।

জানুয়ারি ২১, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

কৃষ্টি ক্রিয়েশান থেকে প্রকাশিত হলো নীলিমা কর্মকার এর আধুনিক গানের মিউজিক ভিডিও "ভুল শুধু হয়ে যায়"

ইউটিউব ও সমস্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এ কৃষ্টি ক্রিয়েশান থেকে প্রকাশিত হলো মিস নীলিমা কর্মকার এর আধুনিক গানের মিউজিক ভিডিও এ্যালবাম ভুল শুধু হয়ে যায়। শিল্পী নীলিমা একজন প্রবাসী বাঙালি গায়িকা যিনি ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি গান রেকর্ড করে জনপ্রিয় হয়েছেন। এনার কণ্ঠে আমরা ইতিপূর্বে আমরা ইংরেজি, স্কটিশ তথা আইরিশ ভাষায় এবং বিদেশী সুরে রবীন্দ্রসংগীত শুনেছি।সম্প্রতি তিনি একটি বাংলা আধুনিক গান (ভুল শুধু হয়ে যায়) কুন্দন সাহার সুরে ও দেবপ্রসাদ চক্রবর্তীর কথায় গেয়েছেন যেটি শ্রোতা মহলে বেশ সারা ফেলে দিয়েছে। পেশাগত ভাবে নীলিমা একজন অধ্যাপিকা ও বিজ্ঞানী। ভবিষ্যতে উনি দেশি ও বিদেশি লোকসংগীত নিয়ে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। খুব শীঘ্রই নীলিমা একটি পূর্ণ দৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রে প্লে ব্যাক সিঙ্গার হিসাবে কাজ করার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিজয় সম্মিলনী অনুষ্ঠানে গানে গানে আসর মাতালেন সুমন চক্রবর্তী

মোটা টাকার আর্কিটেক্ট এর চাকরি ছেড়ে নিজের পছন্দের গানের সমুদ্রে তরী ভাসানো সহজ কাজ নয়। সুমন চক্রবর্তী সেই কাজটা করে দেখিয়েছেন। অনেকেই নিছক পাগলামো বলে এড়িয়ে গিয়েছিল, কেউ বলেছিল এসব রোমান্টিসিজমের সময় এখন নয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়েছিল ট্রোলিং, সুমন কিন্তু হার মানেনি। অল্প কিছু বন্ধু আর শুভাকাঙ্ক্ষীর উৎসাহ আর নিজের সাহসে ভর করে সুমন তার সুরের তরী ভাসিয়েছিল। গানের রেওয়াজ ছিল, ছিল তালিম, দরকার ছিল শুধু ঝাঁপ দেওয়ার। সুমন সেটাই করেছে। আজ ইন্টারনেটে তার বাংলা গান অসম্ভব জনপ্রিয়। ২০২০ সালে এই প্রেস ক্লাবেই মুক্তি পেয়েছিল ওর গানের অ্যালবাম আবিরের সকাল। হারিয়ে যাওয়া বাংলার স্বর্ণযুগের সুর, গায়কী ফিরিয়ে দিয়েছিল সুমন। অসম্ভব প্রশংসিত হয় আবিরের সকাল। এর পরে গান মেলায় পারফর্ম, সাড়া ফেলে দেওয়া। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গান গাওয়ার অভিজ্ঞতায় আরও সমৃদ্ধ হল সুমন। কলকাতা প্রেস ক্লাবের বিজয় সম্মিলনী অনুষ্ঠান উপলক্ষে সুমনকে সন্মানিত করে, তার গান সবার সামনে তুলে ধরার দুর্দান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সলিল চৌধুরী থেকে সুধীন দাশগুপ্ত, হেমন্ত মুখোপাধ্যায় থেকে মুকুল দত্ত, আর ডি বর্মন, কিশোর কুমার, অনায়াস নস্টালজিয়ায় শ্রোতাদের পৌঁছে দিল সুমন। উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের মধ্যে অনেকেই অবাক হয়েছেন সুমনের গান শুনে। একঝলক বসন্তের বাতাসের মত সুমন স্বর্ণযুগের সুবাস ফিরিয়ে দিল যেন।

নভেম্বর ০৪, ২০২২
রাজ্য

ডিজে'র সর্টসার্কিটে নাতির জন্মদিনে মৃত্যু দাদু-ঠাকুমা সহ তিন জনের

যমজ নাতি-নাতনির জন্মদিন ছিলো। এলাহি আয়োজন। ডিজে বাজছিলো চটুল গান। শুরু হয়েছে নাচ। ডিজে সাউন্ড সিস্টেমের গাফিলতির জন্যে মৃত্যু হলো ৩ জনের। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই মৃত্যু হল ঠাকুরদা-ঠাকুমা সহ তিনজনের। রবিবার রাত সাড়ে সাতটা নাগাদ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে ইটাহার থানার তিলনা সংলগ্ন মোহনবাড়ি গ্রামে। পরিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে মৃতদের নাম বাবলু মুর্মু (৩৫), যুবরাজ মার্ডি (৫৫) ও হোপময়ি সোরেন (৪২)। যুবরাজ ও হোপময়ি সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। অপরজন আত্মীয় । ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন মৃত দম্পতির ছেলে গোপাল মুর্মু (২৭)। রায়গঞ্জ থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে।এলাকার বাসিন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার গোপাল মুর্মুর যমজ ছেলে-মেয়ে তুষার ও নিবেদিতার জন্মদিন ছিল। সেই উপলক্ষ্যে বাড়িতে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডিজে সাউন্ড সিস্টেম বাজানোর জন্য বাড়ির সামনের বিদ্যুতের খুঁটি থেকে সংযোগ নেওয়া হয়েছিল। সন্ধায় ঝোড়ো হাওয়া, বৃষ্টির কারণে তার ছিঁড়ে যায়। যারফলে গোটা বাড়িতে শর্ট-সার্কিট হয়ে যায়। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন চারজন। তাঁদেরকে উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক বাবলু মুর্মু যুবরাজ মার্ডি ও হোপময়ি সোরেন কে মৃত ঘোষণা করেন। গোপাল মুর্মু চিকিৎসাধীন। ঘটনার জেরে শোকস্তব্ধ গোটা গ্রাম।এলাকায় অন্ধকার।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গানের হাত ধরে ভ্রমণ এক অন্য রকম ট্রাভেল ভ্লগ

কখনো মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল, কখনো পোস্টার বয়, ভিনটেজ চলচ্চিত্রের পোস্টারের সংগ্রহ, পরিচর্যা, প্রদর্শনী, সেই দুষ্প্রাপ্য পোস্টার-ফিল্ম পাবলিসিটি মেটেরিয়াল-এর ছবি সম্বলিত ক্যালেন্ডার প্রকাশ, কখনো আবার কলকাতা স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর আয়োজন, আবার পাহাড় নিয়ে গান বানানো। এক ঝাঁক তরুণ শিল্পীদের নিয়ে পাহাড়ের গান শীর্ষক ছটা আধুনিক বাংলা গানের ডালি নিয়ে হাজির সুদীপ্ত চন্দ। গানের কথা-সুর সুদীপ্তের। গান নিয়ে নানা রকমের কাজের ফাঁকে মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর পরিকল্পনা করেন সুদীপ্ত। পাহাড়ের উপত্যকায় নানা ধারার সুরের মিশেলে হবে এক সঙ্গীতের মহোৎসব। যেমনটা ভাবনা, তেমনটা কাজ। ঠিক করোনা কালের আগেই ২০২০-তে ইস্ট সিকিমের আগোমলোকে বসল এই সঙ্গীতের উৎসব। কলকাতার শিল্পীদের পাশাপাশি স্থানীয়রাও গান-বাজনায় অংশগ্রহণ করেন। পরের বার দার্জিলিং-কে কেন্দ্র করে দেওয়াইপানির ছোট্ট গ্রামে অনুষ্ঠিত হয় এই উৎসব। পরে এরই রেশ ধরে একটা মিউজিক অ্যালবামের পরিকল্পনা করেন সুদীপ্ত। এর আগে তাঁরই কথায়-সুরে পাহাড় নিয়ে গান করেছেন রূপঙ্কর বাগচী। এবার ইচ্ছা ছিল উত্তরবঙ্গ-কলকাতার বেশ কিছু তরুণ প্রজন্মের শিল্পীদের নিয়ে কাজ করার। সেই হিসেবে ছটা নতুন গান লেখা-সুর করেন সুদীপ্ত। কলকাতা-শিলিগুড়ি-তে গানের রেকর্ডিং হলো। গত মার্চ মাসে চিলাপাতার জঙ্গলে, পাহাড়ি নদী সংলগ্ন অঞ্চলে,গ্যাংটকের নানা জায়গায়, ছাঙ্গু লেকে এই অ্যালবামের গানের শুটিং হয়েছে। প্রতিটা গানের মুড অনুযায়ী জায়গা নির্বাচন করা হয়। কোথাও রাতের অন্ধকার, তো কোথাও সাদা বরফের চাদর বিছানো, কোথাও সবুজে ভরা চায়ের বাগান, তো কোথাও পাইনের বন, তিস্তার পাড়। এরকমই বৈচিত্র্যে ভরা ছটা আধুনিক বাংলা গানের ডালি নিয়ে এই পাহাড়ের গান অ্যালবাম। সম্প্রতি বিশিষ্ট শিল্পী অমিত কুমার প্রকাশ করলেন এই অ্যালবাম।এই অ্যালবামে গান করেছেন মাধুর্য মুখোপাধ্যায়, অরিত্র মুখোপাধ্যায়, রিক বিশ্বাস, নীলাঞ্জন সাহা, অয়ন মুখোপাধ্যায়,ঋতবান গুহ, সুদীপ্ত চন্দ।যন্ত্রসংগীতে ছিলেন অনুনয় চামলিং রাই, সৌরজ্যোতি চ্যাটার্জি, শুভম ঘোষ, তীর্থঙ্কর সরকার দাস, পলাশ ভট্টাচার্য প্রমুখ। সমগ্র অ্যালবামের সঙ্গীত আয়োজনে ছিলেন মাধুর্য মুখোপাধ্যায়।রেকর্ডিং করেছেন বিশ্বজিৎ দত্ত। অ্যালবামের কভার এঁকেছেন অতনু রায়। এই অ্যালবামের একমাত্র হিন্দি গানটা গেয়েছেন রিক বিশ্বাস। ভিডিওগ্রাফিতেও অভিনবত্বের ছাপ রেখেছেন সৌরভ ব্যানার্জি ও অর্চন চক্রবর্তী।এবার সুদীপ্ত চন্দের নতুন উদ্যোগ নিজেদের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে ট্রাভেল ভ্লগ শুরু করার। সম্প্রতি এই কথাই জানিয়ে নিজের সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন তিনি। তিনি জানান এই ভ্লগে থাকছে নানা জায়গায় ঘোরার মুহূর্তের সঙ্গে সেই সব যায়গার খাওয়া-দাওয়ার খবরাখবর, সঙ্গে গান। সেখানকার স্থানীয় সুর, শিল্পীদের গান, থাকবে নানা রকমের গল্প। এই উদ্যোগ প্রসঙ্গে সুদীপ্ত চন্দ বললেন, আমার পাহাড় খুবই প্রিয়। মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর পাশাপাশি এবার একটা ট্রাভেল ভ্লগ শুরু করার ইচ্ছা ছিল।এবার সেটার কাজ শুরু করতে চলেছি। এতে ভ্রমণের সাথে সেই সব জায়গার সঙ্গীত খুব সুন্দর ভাবে ডকুমেন্টেড হবে। থাকবে আবহসঙ্গীত, নতুন শিল্পীদের গান। সব মিলিয়ে একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতার সাক্ষী হওয়ার অপেক্ষায় বলা যায়।অক্টোবরে শুরু হবে এই মিউজিকাল ট্রাভেল ভ্লগ।

জুন ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

না ফেরার গান

না ফেরার গানটি হল জিপসি গান ডিজেলেম ডিজেলেমের একটি রূপান্তর। গানটি মূলত ১৯৪৯ সালে সার্বিয়ান জিপসি সঙ্গীতশিল্পী জারকো জোভানোভিক লিখেছিলেন যিনি তিনটি কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে বেঁচে গিয়েছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরা ব্ল্যাক লিজিয়ন (হিটলারের সেনাবাহিনী) দ্বারা নিহত হয়েছিল। জার্মান অধিকৃত ইউরোপে ৬ মিলিয়ন ইহুদি ছাড়াও ৫০,০০০-১৫০,০০০ জিপসিকে নাৎসিরা হত্যা করেছিল। কেউ কেউ বলছেন আসল অঙ্ক দেড় লাখ। ১৯৭১ সালে, আন্তর্জাতিক রোমানি কংগ্রেস, লন্ডনে গানটি রোমানি সঙ্গীত হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করে।ভারত ও বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ঘৃণার রাজনীতির প্রেক্ষাপটে কবি ও সুরকার সান্তনু রায় এই ফ্যাসিবাদ-বিরোধী গানটি তৈরি করেছেন। বাংলা সংস্করণে জিপসিদের বিচরণ লালসা এবং সেই অসহায় দরিদ্র মানুষের আর্তনাদও রয়েছে যারা বেঁচে থাকার জন্য এক ভূখণ্ড থেকে অন্য অঞ্চলে চলে যায়।গানটি ইউডি এন্টারটেইনমেন্ট প্রকাশ করেছে এবং সমস্ত নেতৃস্থানীয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম জুড়ে উপলব্ধ। মিউজিক ভিডিওটি প্রকাশিত হবে ইউটিউব চ্যানেল সান্তনু রায়-দুপুরের নীলে।

জুন ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পোস্টকার্ডে বিশেষ ভাবনা, সঙ্গে গান

সময়টা বড়ই আধুনিক। যোগাযোগ ব্যবস্থাতেও তার প্রভাব যথেষ্ট। সেই রানারের চিঠি বিলির দিন আজ অনেকটাই সরকারি কাজে, না হলে খুব প্রয়োজনে, এছাড়া চিঠি-চাপাটির দিন আজ অনেকটাই সেকেলে।আধুনিকতার ছোঁয়ায় ইউটিউবে আজ মানুষ ভ্লগ দেখেন, ইমেল, হোয়াস্ট অ্যাপে মনের কথা, কাজের কথা আদান প্রদান করেন। একটা সময় ছিল যখন চিঠি লেখা ছিল অন্যতম যোগাযোগের মাধ্যম। যেহেতু মানুষের প্রয়োজনের মাধ্যম ছিল তাই অনেক সচেতনতা সংক্রান্ত বিষয়ও পোস্টকার্ডে ছাপা হতো। দেওয়া হতো নানা রকমের বিজ্ঞাপন। আজ এই সব অনেকটাই অতীত।সচেতনার পাঠে পোস্টকার্ড ব্যবহার এখন তেমন ভাবে চল না থাকলেও একটা সময় পোলিও দূরীকরণ কর্মসূচীর বিজ্ঞাপন বেশ চোখে পড়তো।থাকতো সিনেমার বিজ্ঞাপন, নানা রকম বানিজ্যিক দ্রব্যের বিজ্ঞাপনও। ডাক বিভাগের এছিল আয়ের এক সূত্র।সেটা আজ অতীত হলেও এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের কাছে পোস্টকার্ডের সেই চিঠি পাঠানোর নস্টালজিয়াকে উস্কে দিল সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন। এবার পোস্টকার্ডে জনসংযোগে নামলেন থ্যালাসেমিয়া সংক্রান্ত সচেতনতাকে কাজে লাগাতে। এই বিষয়ে সারা বছর নানা কর্মযজ্ঞে নিয়োজিত প্রাণ এই সংস্থা এবার পোস্টকার্ড পাঠালো বিভিন্ন ক্লাব, সামাজিক সংস্থার কর্মী-সদস্যদের। উদ্যেশ্য একটাই, থ্যালাসেমিয়া বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি। তবে পন্থা একটু অন্যরকম।এর উপরি পাওনা আন্তর্জাতিক সঙ্গীত দিবসের প্রাক্কালে বিশ্ব সঙ্গীতের আঙ্গিনায় সনামধন্য কৃতি সঙ্গীত শিল্পীদের পোস্টকার্ডে স্মরণ। পোস্ট কার্ডের একপাশে যেমন আছে থ্যালাসেমিয়া সংক্রান্ত সচেতনতার কথা, অপর দিকে আছে এলভিস প্রিসলি, ম্যাডোনা, সলিল চৌধুরী, রাহুল দেব বর্মণ, জন লেনন-এর মতো সঙ্গীতজ্ঞদের সম্পর্কিত কিছু তথ্য। গানের ভুবনে যাঁদের কৃতিত্ব অনস্বীকার্য এই পোস্টকার্ড থ্যালাসেমিয়া সচেতনতার পাশাপাশি ওঁদেরকেও স্মরণ করায়। এই ভাবনা প্রসঙ্গে সংস্থার সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য বলেন, পোস্টকার্ড হলো জনসংযোগের সব থেকে পকেটফ্রেন্ডলি মাধ্যম। এত সস্তায় আম আদমি পোস্টকার্ড ছাড়া নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখত না। এখন এসব অতীত। এখন পোস্টকার্ডের দাম কত জিজ্ঞাসা করলে অনেকেই বলতে পারবেননা। আমরা সেই নস্টালজিয়াটাকে ফিরে দেখলাম এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে কেন্দ্র করে। তিনি আরও জানান, গানের এই বিশেষ দিনকে মনে করলাম বিশ্বসঙ্গীতের কয়েকজন কিংবদন্তিকে যাঁরা সঙ্গীতের মাধ্যমে মানুষের সেবা করেছেন। মিউজিক থেরাপি। মানুষের মন ভালো রাখার ওষুধ। এই দুই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে মাথায় রেখেই আমরা এবার পোস্টকার্ডে জনসংযোগে নামলাম।

জুন ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ হল 'ম্যাহেসুস' মিউজিক অ্যালবাম, মাধুর্য ছড়ালেন 'মধুরা'

নিতিন জৈন পরিচালিত মিউজিক ভিডিও ম্যাহেসুস গানটি মুক্তি পেল এনভি প্রোডাকশনের ব্যানারে। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করতে দেখা যাবে বসুন্ধরা পণ্ডিতা ও করণ সারোহা কে। শিশুশিল্পী হিসাবে রয়েছেন কবীর পাহনা এবং অ্যামারাইরা সুদ।এই মিউজিক অ্যালবাম-এ কন্ঠ দিয়েছেন রাজ বর্মন ও মধুরা ভট্টাচার্য। এই প্রজন্মের বাঙ্গালি কণ্ঠ সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে অন্যতম মধুরা। সঙ্গীতের সুত্রে দীর্ঘ সময় মুম্বাই-য়ে কাটিয়েছেন। আর বাংলা টেলিভিশিন ও সিনেমার জগতে অতি পরিচিত মুখ তিনি।ম্যাহেসুস গানটা নিয়ে জনতার কথা কে সঙ্গীতশিল্পী মধুরা ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, খুব সুন্দর একটা ৯০ দশকের ফিল আছে গানটার মধ্যে। পুরুষ কন্ঠটা রাজ বর্মনের। ও প্রথমে গানটার ব্যাপারে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে। যারা মিউজিক করেন, তারা সবাই দিল্লি, মুম্বই দুই জায়গার ব্যস্ততম মানুষ। এই মিউজিক ভিডিওটার মাধ্যমে একটা গল্প খুব সুন্দরভাবে বলা হয়েছে। যাঁরা অভিনয় করেছেন তারাও খুব-ই ভালো অভিনয় করেছেন। পুরো ব্যাপারটা খুব ভালো ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ইতিমধ্যেই ৩ লক্ষের ও বেশি মানুষ গানটা শুনেছেন। এটাও একটা বিশেষ ভালোলাগা।কেকে-র অকাল প্রয়াণের পর যখন মুম্বাই ও কলকাতার সঙ্গীতশিল্পী দের মধ্যেআমরা-ওরা ধারনা-র অদৃশ্য প্রাচীর তৈরি হচ্ছে ঠিক সেই সময় মধুরা-র ম্যাহেসুস যেন সেই ক্ষতে প্রলেপ। অনেক আগেই তিনি সর্বভারতীয় স্তরে তাঁর সঙ্গীতের মাধ্যমে সামনে এসেছেন। আমাদের আশা ম্যাহেসুস তাঁকে প্রচারের আলোয় আরও সামনে এনে দেবে।

জুন ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গানের মাধ্যমে কেকে কে শ্রদ্ধা কলকাতার শিল্পীদের

কেকের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ দেশবাসী।তিনি যে আমাদের মধ্যে আর নেই সেটা মেনে নিতেই কষ্ট হচ্ছে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে থমথমে পরিবেশ বিনোদন মহলে। এদিন দক্ষিণ কলকাতার ক্যাফে ক্যাফে আলাপ প্রিয় শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিনোদন জগতের এক ঝাঁক তারকা।সারেগামা মঞ্চ খ্যাত অনুষ্কা পাত্র, রিক বসু, নবাগত সংগীত পরিচালক জুটি শুভম-শুভঙ্কর উপস্থিত ছিলেন এই বিশেষ অনুষ্ঠানে। এদের পাশাপাশি উপস্তিত ছিলেন অনুষ্কা চক্রবর্ত্তী, রেমো, জিৎ চক্রবর্ত্তী, সায়ন মুখোাধ্যায়, অধিরাজ গঙ্গোপাধ্যায়, নীলাঙ্কুর মুখোাধ্যায় এবং দীপান্বিতা নাথ।কেকের গানে জমজমাট ছিল সন্ধ্যা। আলোচনা হল এই বিশিষ্ট শিল্পীকে নিয়ে। কথা প্রসঙ্গে উঠে এল কেকে কিভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবনে গানের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন। কেকের জারা সা গানটি গাইলেন রিক বসু।

জুন ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মিলিন্দ গাবার মিউজিক ইন্ডিয়া ট্যুর

কলকাতার বৃহত্তম লাইভ এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি, সিলেক্ট দর্শকদের জন্য নিয়ে এল মিলিন্দ গাবার ইন্ডিয়া ট্যুর। এটি হল মিলিন্দ গাবার প্রথম লাইভ ইন কনসার্ট ইন্ডিয়া ট্যুর। কলকাতার জে ডব্লু ম্যারিওটে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সিলেক্টের এই উদ্যোগে ২ মাসে দেশের ৮ টি শহরে হবে মিলিন্দ গাবার এই মিউজিক ট্যুর। কনসার্টগুলি হবে একদম অনন্য, আগে কখনও দেখা যায়নি এমন অভিজ্ঞতা হবে। যেখানে মিলিন্দ গাবা তার সেরা পারফরম্যান্স তুলে ধরবেন৷ মিলিন্দ গাবার সঙ্গে লাইভ এবং প্রিয় গায়কের সঙ্গে ছন্দ ও সুরে ভক্তরা গান গাইতে এবং নাচতে পারে।মিলিন্দ গাবা একজন ভারতীয় বলিউড গায়ক, গীতিকার, সঙ্গীত প্রযোজক, পাঞ্জাবি এবং বলিউড সঙ্গীতের সঙ্গে যুক্ত অভিনেতা। তিনি তার নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না এবং ইয়ার মোদ দো গানগুলির জন্য পরিচিত। তার জনপ্রিয় একক গানগুলি হল নজর লাগা যায়েগি, সে জানে না, ম্যায় তেরি হো গায়ে, জিন্দেগি দি পাউদি, পিলে পিলে, সুন্দর, নাচুঙ্গা আইসে এবং কেয়া কারু। তার সে ডোন্ট নো গানের মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে টি-সিরিজে ৮ জানুয়ারী ২০১৯-এ প্রকাশিত হয়েছিল।এই ভিডিওটি ৫০০মিলিয়নেরও বেশি ভিউ নিয়ে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলিউড গায়ক মিলিন্দ গাবা বলেন , এটি হল আমার প্রথম সমন্বিত এবং একচেটিয়া ভারত সফর। বিভিন্ন শহরে আমার দর্শকদের জন্য লাইভ পারফর্ম করার এই সুযোগ পেয়ে আমি খুবই কৃতজ্ঞ। সিলেক্টের সঙ্গে এই যাত্রা অবশ্যই আমার জন্য একটি অবিশ্বাস্য অভিজ্ঞতা।এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, সিলেক্টের ম্যানেজিং ডিরেক্টর রবি আগরওয়াল এবং গীতেশ শর্মা, সিলেক্টের প্রতিনিধি বলেন, সিলেক্ট সারা ভারতে ভক্তদের কাছে সেরা লাইভ মিউজিক্যাল অভিজ্ঞতা আনার ক্ষেত্রে একটি অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করছে। আমরা এখন মিলিন্দ গাবার প্রথম মেগা ইন্ডিয়া ট্যুরে তার ভক্তদের বিনোদন দেওয়ার জন্য তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে উত্তেজিত। মিলিন্দ গাবা, তার প্রাণময় সুর দিয়ে, ভারতের লক্ষ লক্ষ ভক্তের সঙ্গে একসঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তিনি এই প্রজন্মের কণ্ঠস্বর। সিলেক্ট দ্বারা আয়োজিত এই মিউজিক ট্যুরটি অন্যান্য তিনটি শহরের সঙ্গে মুম্বই, কলকাতা, গোয়া, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদের মতো বড় শহরগুলিতে পৌঁছাবে।

জুন ০৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাইকেল এক করে দিল সাইক্লিস্ট ও সঙ্গীতশিল্পীকে

একজন পাহাড়ে, পাহাড়ে ঘুরে বেড়ান, আর আরেকজন স্ট্রিট মিউজিক করেন শহরের রাস্তা থেকে সুন্দরবনের গ্রামে।একজন চন্দন বিশ্বাস, আরেকজন নীলাঞ্জন সাহা। এদের মিল বাইসাইকেল-এ। চন্দন বেড়িয়ে পড়েন নানা পাহাড়ের উঁচু-নিচু রাস্তায়, ঘুরে ফেরেন এমন রাস্তায় যা খুব কম লোকই পাড়ি দিয়েছেন, শুধু ঘুরেই বেড়াননি,বানিয়েছেন ডকুমেন্টারি ছবি চরৈবেতি দেখান হয়েছে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে। আর এই ঘুরে বেড়ানোটা সবটাই কলকাতা থেকে সঙ্গী বাইসাইকেল। আরেকজন নীলাঞ্জন সাহা কলকাতার রাজপথে স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে কাজ করবেন বলে ভেবে ফেলেন এক অভিনব ভাবনা।মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ, হ্যাঁ এটাই তাঁর ব্র্যান্ড। এখন অনেকেই তাঁকে সেই নামেই চেনেন। পারফর্ম করেছেন কলকাতা স্ট্রিট মিউজিক ফেস্টিভ্যাল, মাউন্টেন মিউজিক ফেস্টিভ্যাল এর মতো অনুষ্ঠানে। নিজে উদ্যোগী হয়ে করেছেন কলকাতা ইনস্ট্রুমেন্টাল জ্যামিং ফেস্টিভ্যাল। গোলপার্কের মোড়ে বাইসাইকেলকে সঙ্গী করে স্যান্ডউইচ বিক্রির সাথে গানের উপহার আজ অনেকেই জানেন। অনেকেই আসেন এই স্ট্রিট মিউজিক উপভোগ করতে। এসেছেন তিমির বিশ্বাস, সমীধ-ঊর্ভির মতো পরিচিত শিল্পীরা গলা মিলিয়েছেন গানে। বাইসাইকেলকে সঙ্গী করে কলকাতা থেকে পাড়ি দেন সুন্দরবনে এক স্থানীয় স্কুলে কচিকাঁচাদের গান শেখাতে।এমনই দুই বাইসাইকেলিস্টদের সম্মান জানানো হল খুকুমণি-সিন্দুর ও আলতার পক্ষ থেকে কলকাতার আইসিসিআর এর স্পাইসেস এন্ড সসেস ক্যাফেতে। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার কর্ণধার অরিত্র রায়চৌধুরী। এদিন চন্দন বিশ্বাস বললেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি,২০১৮ সাইকেল নিয়ে ট্রান্স হিমালয়ান সফর শুরু করি, কলকাতা, বাংলাদেশ, ত্রিপুরা হয়ে গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চল ঘুরে সেখান থেকে ভুটান পৌঁছই। তারপর সিকিম ঘুরে শিলিগুড়িতে আসি। সেখান থেকে গন্তব্য ছিল নেপাল। ২-৩ মে সাইকেল নিয়ে রওনা দিই নেপালে। ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি সেই জায়গার ছবি-ভিডিও তোলা আর সেখানকার নানা তথ্য সংগ্রহের অমোঘ নেশা আমার এই সব জার্নির পিছনের মূল লক্ষ্য। সম্প্রতি একটা তথ্যচিত্র বানিয়েছি চরৈবেতি যেটা কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে দেখানো হয়েছে।নীলাঞ্জন সাহা তার জার্নি শেয়ার করে বলেন, গানকে সঙ্গী করে আগামী দিনে পথ চলার ইচ্ছা রয়েছে। মিউজিক্যাল স্যান্ডউইচ করার উদ্দেশ্য ছিল স্ট্রিট মিউজিককে একটা জায়গা করে দেওয়া। স্ট্রিট মিউজিক নিয়ে চর্চা হওয়া।সব কিছুর জন্য একটা অর্থ লাগে তাই স্যান্ডউইচ বিক্রির কনসেপ্টটা মাথায় আসে। কিছুটা হাতখরচ তো আসে।আর সাথে রইল গান। সঙ্গী বাইসাইকেল। এই বাইসাইকেল কেন বলতে দুজনেরই মত দূষণহীন এই যান প্রকৃতির পক্ষে ভালো, সাইকেলিং করলে শরীর ভালো থাকে, ভীড় এড়িয়ে নিজের মতো করে চলা যায়।এদিন খুকুমণি এর পক্ষে সংস্থার কর্ণধার অরিত্র রায়চৌধুরী বলেন, যাঁরা এই ধরনের কাজে এগিয়ে আসেন। এই অকুতোভয় যুবকেরা যাঁরা এই প্রজন্মের প্রতিনিধি এই রকম কাজ করে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছেন তাঁদের আমরা আমাদের সংস্থার পক্ষ থেকে কুর্নিশ জানাই। এরকম একটা উদ্যোগ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে। জীবনে একটু অন্যরকম ভাবেও যে ভাবা যায় আর সেই মাধ্যমের প্রতি ভালোবাসা, নিষ্ঠা দিয়ে যে নিজের পরিচয় গড়ে তোলা যায় এই দুই যুবক তার নজির সৃষ্টি করেছেন। বাইসাইকেলকে সঙ্গী করে ওঁদের এই যাত্রাপথ আরও ভালোভাবে এগিয়ে যাক এটাই আমি চাই।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল 'প্রাপ্তি'-র গান, ১০ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি

বুদ্ধদেব গুহর গল্প প্রাপ্তি অবলম্বনে আগামী ১০ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে অনুরাগ পাতি পরিচালিত ছবি প্রাপ্তি। এই ছবিরই গান মুক্তি পেল। গান মুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলীরা ছাড়াও অন্যান্য অভিনেতারা।প্রাপ্তি তে অভিনয় করেছেন সমদর্শী দত্ত, প্রত্যুষা রোসলিন, দেবদূত ঘোষ এবং অনন্যা পাল ভট্টাচার্য। ছবিটির প্রযোজনা করেছেন প্রত্যুষা। এই ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছে শ্রবণ ভট্টাচার্য। গানের কথা লিখেছেন ঋতম সেন। ছবিতে গানগুলি গেয়েছেন রেখা ভরদ্বাজ ও অমৃতা সিং।অনুরাগ পাতি-র প্রাপ্তি তে মোট ৩টি গান রয়েছে। একটি গান রাই। রিতম সেনের লেখায় শ্রবণ ভট্টাচার্যের সুরে গানটি গেয়েছেন রেখা ভরদ্বাজ। গানটির রিপ্রাইস ভার্সনও গেয়েছেন তারা। আরেকটি গান সই। এই গানটি গেয়েছেন ঋতম সেন ও শ্রবণ ভট্টাচার্যের কথায় শ্রবণ ভট্টাচার্যের সুরে গানটি গেয়েছেন শ্রবণ নিজেই। ছবির গানগুলো দর্শকদের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। এখন ছবিটি কতটা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যেতে পারে সেটাই দেখার।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গানের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে বিশেষ অনুভূতি

গানের মধ্যে কত অনুভূতিই না জুড়ে থাকে। কোনও গানে শৈশবকে তুলে ধরা হয়। কোনও গানে স্মৃতি জড়িয়ে থাকে। আবার কোনও গানে কাছের মানুষকে আবার ফিরে পাওয়া যায়।কিন্তু এমন একটা গান যেখানে এই সবকিছুর ছোঁয়া পাওয়া যাবে। শৈশবের পুরনো স্মৃতি, আবেগ ও কাছের মানুষটা আবার কাছে ফিরে পাওয়ার অনুভূতি এই নিয়েই আসছে একটি নতুন গান। গানটির নাম সোনালি দুপুর। শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায় এর কথায় জয় সরকারের সঙ্গীত পরিচালনায় বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী ফারজানা সিফাত গানটি গেয়েছেন। সৌমজিৎ আদকের পরিচালনায় গানটির মধ্যে দেখা যাবে ফারজানা সিফাত, শিশু শিল্পী রূপদীপ্তা মুখার্জি এবং লিনা মুখার্জিকে। গানটি নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে উন্মাদনা শুরু হয়েছে।

মে ১৯, ২০২২
দেশ

শততন্ত্রীবীনা-র তার ছিঁড়ে গেলো, চলে গেলেন পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা

ইন্দ্রপতন ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীত জগতে। চলে গেলেন ভারতীয় মার্গ সঙ্গীতের মহীরুহ পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা। প্রবাদ প্রতীম এই সন্তুর বাদক ভারতীয় প্রচলিত ভারতীয় সিনেমায় সঙ্গীত রচনা করেছেন। তিনি মঙ্গলবার মুম্বইয়ে নিজের বাসভবনে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন শিবকুমার। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। রেখে গেলেন স্ত্রী মনোরমা এবং পুত্র রাহুল শর্মাকে। তিনি গত ছয় মাস ধরে কিডনি সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিলেন এবং ডায়ালাইসিসে ছিলেন। উত্তর ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে সন্তুর বা শততন্ত্রীবীনা একটি লোক সঙ্গীত বাদ্যযন্ত্র বলেই গন্য করা হত। সেই যন্ত্রকে মার্গ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মূল ধারায় এনে ফেলার কৃতিত্ব সম্পুর্ন কৃতিত্ব শিবকুমার শর্মার। তিনি হরিপ্রসাদের চৌরাশিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধে বলিউডের বেশ কয়েকটি কালজয়ী সিনেমাতে সুরসৃষ্টি করেছেন। সেগুলির মধ্যে অন্যতম সিলসিলা, লমহে, চাঁদনী। তাঁর সুযোগ্য পুত্র রাহুল বাবার পিতার যোগ্য উত্তরসূরি। সন্তুরবাদক হিসাবে তিনি আজ সুপ্রতিষ্টিত।তিনি বহু ভারতীয় ও আন্তর্জাতীক পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি ও পদ্মবিভূষণ পান। এ ছাড়াও আমেরিকার বাল্টিমোরে তাঁকে সম্মাননীয় নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়।

মে ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল ‘চাঁদ সোহাগি মন’

রঙ টার্ন মোশন পিকচারস প্রোডাকশন হাউসের ব্যানারে মুক্তি পেল চাঁদ সোহাগি মন গানটি। সল্টলেকের বিদ্যুৎ ভবন অডিটোরিয়ামে মিউজিক্যাল কনসার্ট করে চাঁদ সোহাগি মন গানটি মুক্তি পেল।এই মিউজিক ভিডিওর পরিচালনার পাশাপাশি ক্যামেরার দায়িত্ব সামলেছেন তুহিন সাহা। গানটির গীতিকার ও সুরকার সোমেশ্বর চন্দ্র। সঙ্গীত পরিচালক ইশানু চক্রবর্তী। গানটি গেয়েছেন মনশ্বিতা ঠাকুর। মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করেছেন ঋষভ চক্রবর্তী, চিত্রাঙ্গদা সমাজদার, সুমনা মুখোপাধ্যায়, নীলাঞ্জনা দত্ত, ভাস্বর চন্দ্র প্রমুখ।চাঁদ সোহাগি মন প্রসঙ্গে ঋষভ চক্রবর্তী জানালেন, রঙ টার্ন এর প্রথম মিউজিক ভিডিও চাঁদ সোহাগি মন। গানটা অপূর্ব সুন্দর। আমার খুব ভালো লেগেছে কাজটা করে। সকলের কাছ থেকেই ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। ঋশভ আরও জানালেন, আমার কো-আরটিস্ট ছিল চিত্রাঙ্গদা। ওর সঙ্গে প্রথমবার স্ক্রিন শেয়ার করলাম। বেশ ভালো লাগলো।এদিন চাঁদ সোহাগি মন মুক্তির পাশাপাশি গানের আয়োজনও ছিল। গানের মধ্যে ছিল পুরাতন ও নতুনের মেলবন্ধন। সুরেলা কন্ঠের জাদুতে সকলের মন জয় করলেন রিষভ।

মে ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal