• ১ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার ১৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mini

রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করছে তৃণমূল, দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার পর থেকে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে তর্জা চলছেই। এদিন আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই রেরে করে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু বলেন, তিনি (মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।) ৭২ ঘন্টা ধরে মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন। আজ যেভাবে তিনি পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করেছেন। লক্ষ লক্ষ মেধাযুক্ত যুবক-যবুতীদের সর্বনাশ হওয়ার ব্যাপারে এমন কথা বলেছেন। সবসময় নিজেদের লোককে চাকরি দিতে হয়।এসএসসি, টেটকে প্রাইভেট অর্গানাজেশনের সঙ্গে তুলনা করা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, সরকরি চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষা, মেধা প্রয়োজন। চাকরির নিয়ম সংক্রান্ত সার্ভিস রুলে আইন স্বীকৃত, তাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে পারেন না। দুর্নীতির প্রশ্নে যে পর্দা ফাঁস হয়েছে। তিন মাসের মধ্যে ফাস্ট ট্রাক করতে হবে। এসব পরস্পরবিরোধী কথার মধ্যে মনে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী আতঙ্কিত। তিনি ভয় পেয়েছেন।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজ্য

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পার্থকে ভুবনেশ্বরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ আদালতের

কাল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ওডিষার ভুবনেশ্বরে এইমস নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এখন তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। বৃহস্পতিবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। একইসঙ্গে মোট ১৩ জায়গায় তল্লাশি করে ইডি আধিকারিকরা। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ২১কোটি টাকা ২০ টাকা উদ্ধার করে ইডি। এসএসকেএম থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে বিমানবন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে তৃণমূলের মহাসচিবকে।

জুলাই ২৪, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ আদালতের

এসএসসি দুর্নীতি মামালায় মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ২ দিনের ইডি হেফাজতেের নির্দেশ দিল ব্যাঙ্কশাল আদালত। আগামী সোমবার ফের তাঁকে ইডি-র স্পেশাল কোর্টে হাজির করা হবে। ইডি আর্থিক তছরুপের অভিযোগ এনেছে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে।গ্রেফতারের পর জোকা ইএসআই হাসপাতালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। তারপর তাঁকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করে ইডি। রাজ্যের পরিষদীয় মন্ত্রীকে ২ দিনের ইডি হেফাজতেের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ইতিমধ্যে পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে আটক করেছে ইডি। শুক্রবার সকালে রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় ইডি। সেই থেকে একটানা ২৭ ঘন্টা পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে দফায়-দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন ইডির আধিকারিকরা। ইডির সঙ্গে তদন্তে অসহযোগিতা করছিলেন বলে সূত্রের খবর। সব প্রশ্নের জবাব দিচ্ছিলেন না। শেষমেশ তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকেই নগদ ২১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এদিকে তৃণমূলের মহাসচিবকে গ্রেফতারের পর ঘণ্টাখানেক কলকাতার রাস্তায় ঘুরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় জোকায় ইএসআই হাসপাতালে।পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবীর বক্তব্য, ইডি রিমান্ডে নিতে চেয়েছিল। কিন্তু, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংস্থা কোনও তথ্য প্রমাণ দেখাতে পারেনি। আদালত ২ দিনের ইডি হেফাজত দিয়েছে। তাছাড়া মন্ত্রী শারীরিক অবস্থাও ভাল না। সেই বিষয়টিও বিবেচনার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছিল।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

'নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি'- পার্থ

গ্রেফতার করার পর শারীরিক পরীক্ষার জন্য রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে যাওয়া হয় জোকার ইএসআই হাসপাতালে। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নেত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম পাইনি। একথা বলার সময় তাঁর গলায় স্পষ্ট ছিল হতাশার সুর। এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সারা কলকাতার রাস্তা ঘুরিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় জেকার ইএসআই হাসপাতালে। এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন এই তদন্তের ক্ষেত্রে কেন দায় নেবে না দল। যা বলার তদন্তে অভিযুক্ত বা তাঁর আইনজীবী বলবেন।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

শহর কলকাতার নানা পথ ঘুরে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কেন্দ্রীয় হাসপাতালে

কলকাতার সারা রাস্তা ঘুরিয়ে শেষমেশ জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল স্কুল সার্ভিস কমিশনে নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া তৃণমূলের মহাসচিব এবং রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। টানা ২৭ঘন্টা জেরা করার আজ শনিবার সকালে তৃণমূলের মহাসচিবকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তাঁর নাকতলার বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে কলকাতা শহরের নানা রাস্তা ঘুরিয়ে নিয়ে আসা হয় জোকা কেন্দ্রীয় সরকারের অধিনস্ত ইএসাআই হাসপাতালে। প্রথমে মনে করা হচ্ছিল সল্টলেকের সিজিও কম্পলেক্স-এ নিয়ে যাওয়া হবে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। সুত্রের খবর, এরপর ইডির তরফে দিল্লিতে যোগাযোগ করে সেখানকার নির্দেশেমত পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের স্বাস্থ পরীক্ষার জন্য জোকা ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রতিবেদন প্রাকাশের মুহুর্ত অবধি তৃণমূলের মহাসচিব এবং রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ইএসআই হাসপাতালের চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আছেন।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে টানা ২৬ ঘন্টা ইডির তদন্তকারীরা, বাড়ল ঘনিষ্ঠের বাড়িতে টাকা উদ্ধারের পরিমান

পেরিয়ে গেল ২৬ ঘন্টা। এখনও রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ইডির তল্লাশি চলছে। এসএসসি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে মন্ত্রীকে। রাতভর অভিযান করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এদিকে মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি টাকা, ৫০ লক্ষ টাকার গহনাসহ বিভিন্ন নথি উদ্ধার করেছে। ইডি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে টাকার পাহাড় মিলেছে। এই টাকা ও গহনার সঙ্গে এসএসসি দুর্নীতি মামলার যোগ রয়েছে বলে মনে করছে ইডি।সূত্রের খবর, জিজ্ঞাসাবাদে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায় সহযোগিতা করছে না। শনিবার সকালে ফের অসুস্থ বোধ করেন মন্ত্রী। চিকিতসকদের একটা দল পার্থর বাড়িতে যায়। বাড়িতে পাহারায় রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রয়েছে নেতাজিনগর থানার পুলিশ। তল্লাশি চলাকালীন তদন্তকারীদের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। শেষমেশ ইডি কী সিদ্ধান্তে পৌঁছয় সেদিকে নজর রাখছে অভিজ্ঞ মহল।এদিকে তৃণমূলের মহাসচিবের বাড়িতে ইডি হানা দেওয়ায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। যদিও তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইট করে জানিয়ে দিয়েছে টাকা উদ্ধারের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই। তাছাড়া এই ঘটনায় যাঁদের নাম আসছে তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীরা এর জবাব দেবেন। টুইটে কুণাল লিখেছেন, ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাদের নাম এসেছে, এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে, দল নজর রাখছে। যথাসময়ে বক্তব্য জানাবে।

জুলাই ২৩, ২০২২
রাজ্য

টানা ১৫ ঘন্টা পার্থর বাড়িতে ইডি, চলছে তল্লাশি, জিজ্ঞাসাবাদ, দায় নেবে না তৃণমূল

সকাল সাড়ে ৮টায় রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নাকতলার বাড়িতে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ৮ জনের ইডি আধিকারিকের দল সেখানে বিভিন্ন নথি উদ্ধার করে। জিজ্ঞাসাবাদ করে মন্ত্রীকে। রাত সাড়ে দশটা নাগাদ আরেকজন ইডির আধিকারিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঢোকে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়। এর পাশাপাশি কলকাতা পুলিশ রয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে। আইনজীবীরা পার্থর বাড়িতে অপেক্ষা করছেন কথা বলার জন্য। এরই মাঝে দুপুরে পার্থ চট্টোপাধ্যায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসক এসে মন্ত্রীকে পরীক্ষা করেন।ইডি যে টাকা উদ্ধার করেছে, তার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই। এই তদন্তে যাদের নাম আসছে, এসংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তাঁদের বা তাঁদের আইনজীবীদের। কেন দলের নাম জড়িয়ে প্রচার চলছে, দল নজর রাখছে। যথাসময়ে বক্তব্য জানাবে। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) July 22, 2022এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে বস্তা বস্তা টাকা উদ্ধার হয়েছে। টাকার পরিমান ২০ কোটি টাকার বেশি বলে জানিয়েছে ইডি। মনে করা হচ্ছে এবিষয়ে মন্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডির আধিকারিকরা। টানা ১৫ ঘন্টা মন্ত্রীর বাড়িতে ইডির তল্লাশি অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম, তাঁরাই জবাব দেবে। অর্থাৎ দল এবিষয়ে দায় ঝেড়ে ফেলল বলে মনে করে রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ২২, ২০২২
রাজ্য

'বাংলা' না 'পশ্চিমবঙ্গ', বল পৌছালো সংসদে, প্রস্তাবের প্রাপ্তি স্বীকার কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের

নামটা মানের উদ্দেশ্য নয় - লোকে বড় বড় চুল রাখে ঝুঁটি ধরে টানবার জন্য নয়। বিখ্যাত লেখকের এই বক্র উক্তি অনেক কিছুই ভাবার অবকাশ দেয়। সব নামের মানে থাকবে যেমন আশা করা অন্যায়, তেমনি মানে খুঁজে ব্যঙ্গক্তি করাও সমীচীন নয়। কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন হতেই পারে, আতর আলি গায়ে আতরের গন্ধ খুঁজতে গিয়ে বিফল হওয়ার সমূহ সম্ভবনা থাকতে পারে। ঠিক তেমনই উত্তর পাড়া তে দক্ষিণ পাড়া খুঁজতে গিয়ে হয়রান হওয়ার সম্ভবনাও থাকে।ঠিক তেমনি এক নাম-র লড়াই বাংলায়। পশ্চিমবঙ্গের নাম বাংলাই পরিবর্তনের লড়াই অনেক পুড়ানো। রাজ্যের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বা প্রতিনিধিদের দীর্ঘদিনের আক্ষেপ, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) হওয়াতে ইংরাজি অক্ষর W শেষের দিকে বলে বাংলার প্রতিনিধিরা শেষের দিকে বলার সুযোগ পেতেন। রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আগে বহুবার অভিযোগ জানিয়েছেন, সংসদে যখনই রাজ্যের প্রতিনিধিরা বা মমতা নিজেই কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্যগুলির মধ্যে কোনও বৈঠকে বক্তব্য রাখার কথা থাকতো তখনই পশ্চিমবঙ্গের নাম সর্বদা তালিকার নীচে উপস্থিত হত। এখন রাজ্যের নাম পরিবর্তন হয়ে বাংলা হলে ইংরাজি B অনেক আগে হওয়াতে পশ্চিমবঙ্গ-র প্রতিনিধিরা অনেকটা সামনের দিকে বলার সুযোগ পাবেন।২০১৬-এর ২৯ আগস্ট রাজ্য বিধানসভা পশ্চিমবঙ্গের নাম পরিবর্তন করে ইংরেজিতে বেঙ্গল, বাংলায় বাংলা এবং হিন্দিতে বাঙ্গাল করার প্রস্তাব পাস করা হয়েছিল। তিনটি ভিন্ন ভাষায় তিনটি নাম রাখার প্রস্তাবটিকে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তর প্রত্যাখ্যান করে। ঠিক তার দুই বছর পর ২০১৮-র ২৬ জুলাই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা সেই প্রত্যাখ্যাত বিলটি পরিবর্তন করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে তিনটি ভিন্ন ভাষায় রাজ্যের নাম পরিবর্তন করে বাংলা করার বিল পাস করে।মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে যে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার রাজ্যের নামকরণ বাংলা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে যে প্রস্তাব পাঠিয়েছে, সেটির তারা প্রাপ্তি স্বীকার করেছে। কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই সংসদকে জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে এই প্রস্তাব তাঁরা পেয়েছেন।নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে তিনটি ভাষায় অর্থাৎ বাংলা, ইংরেজি এবং হিন্দিতে রাজ্যের বাংলা নামকরণের জন্য একটি প্রস্তাব এসেছে। রাই লোকসভায় লিখিত উত্তরে বলেছেন যে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক সারা দেশে শহরগুলির নাম পরিবর্তনের জন্য গত পাঁচ বছরে প্রাপ্ত প্রস্তাবগুলিতে অনাপত্তি শংসাপত্র (NOC) দিয়েছে।সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) সাংসদ সাইদা আহমেদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে জানতে চান, সারা দেশে বিভিন্ন শহরের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন পাওয়ার জন্য ঠিক কতগুলি প্রস্তাব এসেছে? তিনি আরও জানতে চান সরকার কি হেরিটেজ স্থানের নাম পরিবর্তন ক্ষেত্রে পুর্বতন নির্দেশিকাগুলি সংশোধন করেছে কিনা।নিত্যানন্দ রাই সেই প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন যে, হেরিটেজ জায়গাগুলির নাম পরিবর্তনের জন্য মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের সেরকম কোনও নির্দেশিকা নেই। তিনি আরও জানান, ২০১৭-তে অন্ধ্রপ্রদেশের রাজমুন্দ্রির নাম পরিবর্তন করে রাজামহেন্দ্রভারম করা হয়। ২০১৮ তে, ঝাড়খণ্ডের নগর উন্টারির নাম পরিবর্তন করে শ্রী বংশীধর নগর করা হয়।ওই একই বছরে, মধ্যপ্রদেশ নগর পঞ্চায়েত শহর বীরশিংপুর পালি পরিবর্তন করে মা বিরাসিনী ধামএ পরিণত হয়। ২০১৮ তেই, এক উল্লখযোগ্য নাম পরিবর্তন হল, উত্তরপ্রদেশের কুম্ভ শহর এলাহাবাদের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় প্রয়াগরাজ।মন্ত্রী সংসদকে জানান, ২০২১-এ মধ্যপ্রদেশের হোশাঙ্গাবাদ নগরর নাম পরিবর্তন করে নর্মদাপুরম এবং বাবাই শহরের নাম পরিবর্তন করে মাখন নগর করা হয়। ২০২২ এ, পাঞ্জাবের শহর শ্রী হরগোবিন্দপুরের নাম পরিবর্তন করে শ্রী হরগোবিন্দপুর সাহেব রাখা হয়। রাই আরও জানান যে নসরুল্লাগঞ্জ নগরের নাম পরিবর্তন করে ভৈরুন্ডা করার একটি প্রস্তাব ২৫ এপ্রিল, ২০২২-এ মধ্যপ্রদেশ সরকারের কাছ থেকে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক পেয়েছে।

জুলাই ১৯, ২০২২
রাজ্য

এসএসসি দুর্নীতিঃ সময়ের আগেই প্রথম কিস্তির টাকা জমা মন্ত্রীকন্যা অঙ্কিতার

আদালতের নির্দেশে আগেই মন্ত্রীকন্যা চাকরি খুইয়েছেন। তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল দুই কিস্তিতে টাকা ফেরত দেওয়ার। নির্দিষ্ট তারিখও জানিয়ে দিয়েছিল আদালত। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতা অধিকারী টাকা ফেরত দেওয়ার কথা জানিয়ে দিলেন। শুক্রবার অঙ্কিতা আদালতে জানিয়েছেন, সময়ের আগে দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও দিয়ে দেবেন। উল্লেখ্য, সময়ের আগেই দিয়েছেন প্রথম কিস্তির টাকা।রাজ্যে মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক-প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত একাধিক মামলা চলছে কলকাতা আদালতে। একইসঙ্গে একাধিক মামলায় সিবিআই তদন্ত চলছে। এরইমধ্যে মে মাসে এসএসসি চাকরিপ্রার্থী ববিতা সরকারের দায়ের করা মামলায় চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন অঙ্কিতা অধিকারী। মন্ত্রী কন্যা ৪১ মাস যা বেতন পেয়েছেন তা দুই কিস্তিতে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা করতে নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। কিস্তির তারিখ নির্ধারিত হয়েছিল ৭ জুন ও ৭ জুলাই। মন্ত্রী কন্যা এদিন আদালতে জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের আগেই প্রথম কিস্তির টাকা জমা দিয়েছেন। গত ৬ জুন ডিমান্ড ড্রাফটের মাধ্যমে ৭ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা অঙ্কিতা ফেরত দিয়েছেন।

জুন ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আসল মন্ত্রীর ব্যাটে চাপ কাটিয়ে উঠল বাংলা

এভাবেও ফিরে আসা যায়! বাংলাকে না দেখলে সত্যিই বিশ্বাস করা কঠিন। স্কোর বোর্ডে কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই প্রথম ওভারেই দুজন ব্যাটার সাজঘরে। চতুর্থ ওভারে আরও একজন। ১৬ ওভারের মধ্যে ৫৪ রানে ৫ উইকেট। সেখান থেকে দিনের শেষে ৫ উইকেটে ১৯৭। বাংলার এই প্রত্যাবর্তনের নায়ক মন্ত্রীমশাই মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে চাপ কাটিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস বাংলার।দিনের শুরুতে বাংলাকে অবশ্য চাপে ফেলেছিল মধ্যপ্রদেশের দুই ব্যাটার হিমাংশু মন্ত্রী ও পুনীত দুবে। দলকে বড়ে রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৩২৩ রানের মাথায় জুটি ভাঙেন শাহবাজ আমেদ। পুনীত দুবেকে তুলে নেন। ৩৭ বলে ৩৩ রান করে আউট হন পুনীত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন পুনীত। তিনি আউট হওয়ার ৪ ওভার পরেই হিমাংশু মন্ত্রীকে তুলে নেন মুকেশ কুমার। ৩৩৭ বলে ১৬৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন হিমাংশু। তিনি উইকেটের পেছনে অভিষেক পোড়েলের হাতে ক্যাচ দেন। শেষ পর্যন্ত ১০৫.৩ ওভারে ৩৪১ রানে গুটিয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের ইনিংস। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার ৬৬ রানে ৪টি ও শাহবাজ আমেদ ৮৬ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন আকাশ দীপ। ১টি উইকেট নেন প্রদীপ্ত প্রামানিক।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চূড়ান্ত বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। ব্যর্থ দুই ওপেনার অভিষেক রমন (০) এবং সুদীপ কুমার ঘড়ামি (০)। প্রথম ওভারেই কুমার কার্তিকেয়ার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন বাংলার এই দুই ব্যাটার। চতুর্থ ওভারে সারাংশ জৈনর বলে রজত পতিদারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অনুষ্টুপ মজুমদার। অধিনায়ক অভিমূন্য ঈশ্বরণ ২২ রান করে আউট হন পুনীত দুবের বলে। অভিষেক পোড়েলকেও (৯) পুনীত দুবে। ৫৪ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর রুখে দাঁড়ান মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। অসমাপ্ত জুটিতে দুজনে তুলেছেন ১৪৩ রান। এই জুটিই স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাকে। দিনের শেষে মনোজ ৮৪ রানে ও শাহবাজ ৭২ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

জুন ১৫, ২০২২
রাজ্য

সকাল পৌনে ১১টায় ঢুকে সন্ধ্যের পর সিবিআই দফতর থেকে বেরোলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে মামলায় রক্ষাকবচ মেলেনি সুপ্রিম কোর্টেও। তবে দ্বিতীয় দিন দুদফায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে প্রায় সাড়ে ৮ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। প্রায় ৭টা ১৫ মিনিট নাগাদ নিজাম প্যালেস ছাড়েন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, এদিন প্রথম দফায় তাঁকে প্রায় ২ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিছু সময় তাঁকে অপেক্ষা করতে হয়। তারপর ৪ ঘন্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। সিবিআইয়ের এসপি রাজীব মিশ্রও এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, এসএসসি নিয়োগে উপদেষ্টা কমিটি গঠন নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। ওই কমিটির কার্যকলাপের উপর তাঁর কতটা নিয়ন্ত্রণ ছিল তা-ও জানতে চায় সিবিআই। বর্তমান শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে অঙ্কিতার নিয়োগ নিয়েও তাঁর কাছে জানতে চান তদন্তকারীরা।বুধবার সকাল পৌনে ১১টা নাগাদ নিজাম প্যালেসে ঢোকেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সন্ধ্যা সাতটা ১৫ মিনিট নাগাদ তাঁকে সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। তারপর নিজের গাড়ি চড়ে নিজাম প্যালেস ছাড়েন মন্ত্রী। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতেও পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এর আগে হাইকোর্টেও সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে তাঁর কোনও রক্ষাকবচ জোটেনি। সূত্রের খবর, ফের পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব করতে পারে সিবিআই।

মে ২৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মানবিক কাজে মিমি চক্রবর্তী

মিমি চক্রবর্তী অভিনেত্রী হিসাবে সফলভাবে তার কাজ করে গেছেন। তার একাধিক ছবি দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে মিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতির ময়দানেও তিনি সফল। প্রয়োজনেই মানুষ তাকে কাছে পেয়েছে। এবার তার উদ্যোগেই এক মানবিক কর্মসূচী আয়োজিত হয়। যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষ, বিনামূল্যে আয়োজিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চক্ষু পরীক্ষা শিবিবে ৩৪০ জন মানুষ এই পরিষেবার সুবিধা পেলেন। বহু মানুষ বিনামূল্যে সঙ্গে সঙ্গে চশমাও পান। যাদের চোখে ছানি ধরা পরেছে তাদের কিছুদিনের মধ্যেই অপারেশন করিয়ে দেওয়া হবে।এই অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন যাদবপুর বিধানসভার বিধায়ক মাননীয় দেবব্রত (মলয়) মজুমদার। অনুষ্ঠানটি ১১০ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা স্বরাজ কুমার মন্ডলের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডে পৌরমাতা অনন্যা ব্যানার্জী, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে পৌরমাতা সীমা ঘোষ, ৯৯ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরমাতা মিতালী ব্যানার্জী, ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরপিতা অরিজিৎ দাস ঠাকুর। এছাড়াও ছিলেন ওয়ার্ডে একাধিক রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সাধারণ মানুষ। অভিনেত্রী ও সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর আরোও একটি মানবিক কাজের জন্য সকলে তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

মে ২৩, ২০২২
রাজ্য

আদালতের নির্দেশে চাকরি থেকে বরখাস্ত মন্ত্রীকন্যা অঙ্কিতা, বেতনও ফেরত

এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় নজিরবিহীন রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্যের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একইসঙ্গে মন্ত্রী কন্যাকে তিন মাসের মধ্যে দুটি কিস্তিতে বেতনর সমস্ত টাকা ফেরত দিতে হবে। এদিকে এদিন ফের নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন পরশে অধিকারী{।সূত্রের খবর, সিবিআই ফের তলব করেছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা বর্তমান শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে।এদিন হাইকোর্টে বিচারপতি পরেশ অধিকারীর কন্যা অঙ্কিতাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। এতদিন যা বেতন পেয়েছেন তা দুই কিস্তিতে হাইকোর্টের রেজিষ্ট্রারের কাছে জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এর জন্য সময় দেওয়া হয়েছে তিন মাস।

মে ২০, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের 'নিঁখোজ' মন্ত্রীর খোঁজে রাস্তায় এসএফআই, ছাত্র বিক্ষোভে ধুন্ধুমার মিন্টো পার্কে

শিয়ালদায় ট্রেন নেমেছে ১৩ ঘন্টা হয়ে গিয়েছে, এখনও দেখা মেলেনি রাজ্যের শিক্ষাদফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর। তাঁর খোঁজে মন্ত্রীর ছবি নিয়ে কলকাতার রাস্তায় নেমেছে এসএফআই। একইসঙ্গে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় এসএফআই। মিন্টো পার্ক থেকে নিজাম প্যালেসে মিছিলের ডাক দেয় এসএফআই। কিন্তু মিছিল শুরুর আগেই বাধা দেয় পুলিশ। গ্রেফতার করে আন্দোলনকারীদের।এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতিতে দোষী তৃণমূলী নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে চোর ধরো জেলে ভরো বলে মিছিল করতে গিয়েছিলাম আমরা। পুলিশ ভয়ানক মারধোর করে আটক করেছে। আমরা ছাড়ব না এ লড়াই। আগামীকাল রাজ্যজুড়ে ছাত্রযুব থানা ঘেরাও, বিক্ষোভ, মিসিং ডায়রি করা হবে। দুর্নীতিতে যুক্ত মন্ত্রীদের পুলিশ পাহারা দিচ্ছে আর আমাদের মিছিল করতে দিচ্ছে না পুলিশ। তার আগেই গ্রেফতার করছে।নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে তখন জিজ্ঞাসাবাদ চলছিল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীসহ এসএসসির পাঁচ উপাদেষ্টার। তখন এসএফআইয়ের মিছিল শুরু হতেই আটকে দেয় পুলিশ। সৃজন ভট্টাচার্য-সহ অন্য নেতাদের গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তুলে দেয় পুলিশ। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের শারীরিক নিগ্রহ করেছে বলেএসএফআই নেতৃত্ব অভিযোগ করেছে। কিন্তু রাত অবধি পরেশ অধিকারী কোথায় রয়েছেন তা খোলসা করেননি। সিসিটিভি ফুটেজে বর্ধমানে ভোট ৪টে ৫২ মিনিটে তাঁকে প্লাটফর্মে কন্য়ার সঙ্গে দেখা গিয়েছে।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতিঃ নিজাম প্যালেসে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শুরু হচ্ছে জিজ্ঞাসাবাদ

সন্ধ্যে ৬টার আগেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিজাম প্যালেসে প্রবেশ করলেন। ঠিক বিকেল ৫টা ৪০ মিনিটে লিফ্টে করে সিবিআই দফতরে উঠে যান প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে সিবিআইেয়ের আধিকারিকরা। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চের রায় বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চ। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। পাশাপাশি এসএসসির পাঁচ উপাদেষ্টাকে সিবিআই দফতরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। ডিভিশন বেঞ্চ কোনও স্থগিতাদেশ না দেওয়ায় সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাজির হতে হবে। সেই মত সময়ের আগে পার্থবাবু সিবিআই দফতরে পৌঁছে যান। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন এই মামলায় রায় দিতে অস্বীকার করেছে। পার্থবাবুর আইনজীবী মৌখিকভাবে আবেদন করেছিলেন। এভাবে এই ধরনের মামলায় শুনানি সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দিনে ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায় শুধু পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাজির হতেই বলেননি একই সঙ্গে সহযোগিতা না পেলে মন্ত্রীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। অর্থাৎ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী কোনও রক্ষাকবচ পেলেন না আদালত থেকে। জানা গিয়েছে, বিকেল প্যন্ত বাড়িতেই আছেন প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বিকেলের পরই বেরিয়ে পড়েন নিজাম প্যালেসেের দিকে। জানা গিয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হবে।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে আজ সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ আদালতের

রাজ্য়ের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের অফিসে আজ সন্ধ্যে ৬টার মধ্যে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে শান্তিপ্রসাদ সিনহা সহ শিক্ষাদফতরের পাঁচ উপাচেষ্টাকে বিকেল চারটের মধ্যে সিবিআইয়ের ওই দফতরে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। রাজ্যের আরেক মন্ত্রী পরেশ অধিকারীকেও সিবিআইয়ের কাছে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে তিনি ডিভিশন বেঞ্চে আপিল করেছেন। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন এসএসসির ৭টা মামলায় সিঙ্গল বেঞ্চের সমস্ত রায় বহাল রেখেছে।

মে ১৮, ২০২২
রাজ্য

কর্মী ঘাটতিতে বন্ধ হয়ে যাওয়া পূর্ব-বর্ধমান সহ রাজ্যের ৪৯০ টি লাইব্রেরির খবরে নড়ে চড়ে বসলো রাজ্য

গ্রন্থাগার অনেক থাকলেও নেই গ্রন্থাগারিক বা গ্রন্থাগার কর্মী। আর তার কারণেই তালা পড়ে গিয়েছে খোদ রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর নিজের জেলা পূর্ব বর্ধমানের প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগ্রারে। আর সারা রাজ্যে তালা পড়েছে ৪৯০ টি গ্রন্থাগারে। এছাড়াও কর্মী হীনতার কারণে রাজ্যের সর্বত্রই এখন দুরাবস্থায় ধুঁকছে গ্রামীন গ্রন্থাগার গুলি। তা নিয়ে হতাশ বাংলার বই প্রেমিরা। বিষয়টি নিয়ে বিরোধীরা রাজ্য সরকারের সমালোচনায় মুখর হলেও রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী দাবি করেছেন, কর্মী নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।যুগযুগ ধরেই বলা হয়ে আসছে অন্তহীন জ্ঞানের উৎস হল বই। আর গ্রন্থাগার অর্থাৎ লাইব্রেরি হল সেই বইয়েরই আবাসস্থল। তাই মূলত বাঙালির বই পড়ার আগ্রহ থেকেই রাজ্যে ১৫০০টির মতোন গ্রামীন গ্রন্থাগারের উৎপত্তি হয়। তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ১৫১ টি গ্রন্থাগার রয়েছে। গ্রন্থাগার দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এই দেড় শতাধীক গ্রন্থাগার গুলি পরিচালনার জন্যে সরকারী ভাবে প্রথম থেকেই ৩৪০ জন স্টাফ অনুমোদিত হয়ে আছে। আগে ছিলেনও তাই। কিন্তু বর্তমান সময় পর্যন্ত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে ২৬২ জন কর্মজীবন থেকে অবসর নিয়েছেন। তাঁদের শূণ্য পদে নতুন করে আর কোনও নিয়োগ হয় নি। ফলে এখন পূর্ব বর্ধমান জেলায় কর্মরত গ্রন্থাগারিক ও গ্রন্থাগার কর্মী মিলিয়ে সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭৮ জন।একই কারণে গোটা রাজ্যেও তৈরি হয়েছে গ্রন্থাগার কর্মীর ঘটতি। দফতর সূত্রে খবর, রাজ্যে ৪ হাজারের বেশী গ্রন্থাগার কর্মীর পদ এখন শূন্য হয়ে রয়েছে। তারমধ্যে প্রায় হাজারের বেশী গ্রন্থাগারিক (লাইব্রেরিয়ান) শূন্য পদ রয়েছে ।এত বিশাল সংখ্যক গ্রন্থাগার কর্মীর ঘাটতির কারণেই এখন কার্যত ধুঁকছে পূর্ব বর্ধমান সহ গোটা রাজ্যের গ্রামীণ গ্রন্থাগার গুলি।কর্মীদের কথায় জানা গিয়েছে, গ্রন্থাগার গুলির দুরাবস্থা কাটার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল তৃণমূল সরকার তৃতীয় বার রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর। গত বছরের জুলাই মাসে রাজ্য সরকার শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্তও নেয়। ২০২১ এর আগষ্ট মাস থেকে গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে বলে রাজ্যের গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতরের তরফে ঘোষণা করা হয়। তাতে বলা হয়, প্রথম দফায় ৭৩৮ টি গ্রন্থাগারিক শূন্য পদে নিয়োগ হবে। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরিও সেই কথা সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছিলেন। কিন্তু ঘোষণার সঙ্গে বাস্তবের কোন মিল আজও যেমন দেখা যায়নি, কাজের কাজও কিছু হয়নি। এমনটাই অভিযোগ, দুর্দশাগ্রস্ত গ্রন্থাগার গুলির পরিচালন কমিটির কর্তা ব্যক্তিদের। তাঁরা এও জানান, সম্প্রতি রাজ্য সরকার রাজ্যের ২৩ জেলা মিলিয়ে মোট ৭৩৭ টি গ্রামীণ লাইব্রেরিতে লাইব্রেরিয়ান শূন্যপদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এবারও যদি ঘোষণা মতো কাজ না হয় তবে আরো বহু পাঠাগারে তালা পড়ে যাবে।জেলা গ্রন্থাগারিক (পূর্ব বর্ধমান) নির্মাল্য অধিকারী জানিয়েছেন, গ্রন্থাগার কর্মীর সীমাহীন ঘাটতির কারণে জেলায় এখন প্রায় ১২ টি গ্রন্থাগার পুরোপুরি বন্ধ রাখতে হয়েছে। বাকি গ্রন্থাগার গুলি কোনরকমে সপ্তাহে একদিন বা দুদিন চালু রাখা হচ্ছে শুধুমাত্র সম্পদ টুকু বাঁচিয়ে রাখার জন্যে। তাও সব জায়গায় গ্রন্থাগারিক দিয়েই যে গ্রন্থাগার চালু রাখা যাচ্ছে, এমনটাও নয়। সম্পদ বাঁচিয়ে রাখার জন্যে এক একজন গ্রন্থাগার কর্মী বা গ্রন্থাগারিককে এখন একাধীক গ্রন্থাগারের দায়িত্ব সামলাতে হচ্ছে। এমনকি বহু গ্রন্থাগারিক পদ শূন্য থাকায় বেশীরভাগ জায়গায় গ্রন্থাগার কর্মীদেরকেই গ্রন্থাগার সামলাতে হচ্ছে ।তালা বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা জেলার গ্রন্থাগার গুলির অন্যতম একটি হল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। দেশ স্বাধীন হওয়ার অনেক আগে ১৯৩৬ সালে এই পাঠাগারটির প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তার পর থেকে ঐতিহ্যশালী এই পাঠাগারটি স্বাভাবিক নিয়মেই চলছিল। কিন্তু গত ৭ মাস কাল যাবৎ এই পাঠাগারটির দরজা তালা বন্ধ হয়েই পড়ে রয়েছে। কারণও সেই একটাই। এই পাঠাগারের পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মী অবসর নেওয়ার পর তাঁদের শূন্য পদ আজও পূরণ হয় নি। পাঠাগারটির পরিচালন কমিটির সভাপতি অরুপ মল্লিক ও যুগ্ম সম্পাদক দিব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় বলেন,স্বাধীনতার আগে তৈরি হয়েছিল জামালপুর সাধারণ পাঠাগার। কর্মী শূণ্যতার কারণে সেই পাঠাগারের দরজায় যে তালা পড়ে যাবে সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। বিষয়টি নিয়ে লিখিত ভাবে সংশ্লিষ্ট দফতরে একাধীকবার জানানো হয়েছে। তবে এখনও অবধি কোন সুরাহার ব্যবস্থা হয় নি। একই রকম পরিণতির অপেক্ষায় দিন গুনছে ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত জামালপুর ব্লকের জাড়গ্রামের মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগার। পাঠাগারিক ও পাঠাগার কর্মীরা অবসর নেওয়ার পর এখন একজন মাত্র দপ্তরী কাম বুক বাইন্ডার এই পাঠাগারটির হাল ধরে আছেন। ওই বুক বাইন্ডারই অন্য পাঠাগার সামলে সপ্তাহে ১-২ দিন মাখনলাল স্মৃতি পাঠাগারটি খুল বসছেন। এমন দুরাবস্থায় ধুঁকছে জেলার আরো অনেক পাঠাগার। তাই স্বাভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, কবে কাটবে বাংলার গ্রামীন পাঠাগার গুলির এই দুরাবস্থা?এরই উত্তর পাবার জন্যে রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী তথা মন্তেশ্বরের বিধায়ক সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, কাগজে কলমে রাজ্যে লাইব্রেরির সংখ্যা ২৪৮০টি। এর মধ্যে গ্রামে রয়েছে ১৫০০টি লাইব্রেরি। তবে ২৬ টি লাইব্রেরির কোন অস্তিত্বনেই। ২৪৫৪ টি লাইব্রেরির মধ্যে ৪৯০ টি লাইব্রেরি এখন বন্ধ রয়েছে কর্মীর অভাবে। ১৯০০ কিছু বেশী লাইব্রেরি এখন চালু রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৬০০ লাইব্রেরি এখন অ্যাডিশনাল চার্জে চলছে। মন্ত্রী জানান, লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদ পূরণে মুখ্যমন্ত্রী উদ্যোগী হওয়ায় রাজ্যে ৭৩৭টি লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ঠিকঠাক কাজ চললে আগামী চার মাসের মধ্যে ৫০ শতাংশ লাইব্রেরিয়ান শূণ্য পদে ফিলাপ পক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এটা হয়েগেলে অ্যাডিশনাল চার্জ আর কাউকে নিতে হবে না। পাশাপাশি মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরি এও জানান, আমফানে রাজ্যের লাইব্রেরি গুলির প্রায় ১০ লক্ষ বই নষ্ট হয়েছে। আর কোথায় কিভাবে বই নষ্ট হয়েছে সে বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। গ্রন্থাগার মন্ত্রীর কথায় ইঙ্গিত মিলেছে, সপ্তাহে পাঁচ দিন লাইব্রেরী খোলা থাকার দিন এবার এবার শেষ হতে চলেছে। এবার থেকে শুধু মাত্র প্রতি সপ্তাহের রবিবার লাইব্রেরি খোলা রাখার বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করছে দপ্তর।

মে ১৭, ২০২২
দেশ

ত্রিপুরায় শপথ মানিকের, অনুষ্ঠানে গড়হাজির দলের বিক্ষুব্ধ মন্ত্রীরা

ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন ডা. মানিক সাহা। গতকাল, শনিবার বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেন বিপ্লব দেব। মুখ্যমন্ত্রীর মেয়াদ শেষ হওয়ার দশ মাস আগেই সরতে হল বিপ্লব দেবকে। রবিবার দুপুরের এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন না উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেববর্মন। তবে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর রাজভবনে গিয়ে হাজির হন উপমুখ্যমন্ত্রী। এই গড়হাজিরা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। শপথগ্রহণে অনুপস্থিত ছিলেন রাজ্যের আরেক মন্ত্রী রামপ্রসাদ পাল। দলের বিক্ষুব্ধ অংশের লোকজন শপথগ্রহণে গড়হাজির ছিলেন। এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছেন বামফ্রন্টের বিধায়করা।Congratulations to Shri @DrManikSaha2 on taking oath as Tripuras CM. Best wishes to him for a fruitful tenure. I am confident he will add vigour to the development journey of Tripura which began in 2018. Narendra Modi (@narendramodi) May 15, 2022আগামী ২০২৩-এ ত্রিপুরায় বিধানসভার ভোট। তার আগে এভাবে মুখ্যমন্ত্রীকে পদত্যাগ করিয়ে অন্য় একজনকে সেই পদে বসিয়ে দিল বিজেপি। এই নয়া ঘোষণা নিয়ে গতকালই বিজেপির দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় বৈঠকে ব্যাপক গন্ডগোল হয়। প্রকাশ্য বিদ্রোহ করেন রামপ্রসাদ। বচসা, হৈ-হট্টগোল, ধাক্কাধাক্কি সবই চলতে থাকে। এর আগে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিপ্লব দেব। পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন বিপ্লব। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে তারপর ত্রিপুরায় ফিরে গিয়ে পদত্যাগ করেন বিপ্লব দেব। আগামি ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরা দখলে রাখা বিজেপির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।Extremely grateful to Honble PM Sh. @narendramodi ji,Honble Home Minister Sh @AmitShah ji,Honble National President Sh @JPNadda ji Honble Ex CM Shri @BjpBiplab ji MLAs for nominating me to take the oath as the Chief Minister of Tripura. pic.twitter.com/G1aYGYf1HG Dr Manik Saha (@DrManikSaha2) May 15, 2022

মে ১৫, ২০২২
রাজ্য

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতিঃ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে তোলপাড় সারা বাংলা। এবার এই দুর্নীতির তদন্তে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন তাঁরই প্রাক্তন সতীর্থ ক্যাবেনেট সদস্য তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে এক স্মরণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই দাবি জানান বিজেপি নেতা শুভেন্দু।এদিনই হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটি এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগের তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দেন। সেখানেই শিক্ষাদফতরের এই নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে শান্তিপ্রসাদ সিনহাসহ একাধিক ব্যক্তি জড়িত বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। নিয়োগে ভয়ঙ্কর বেনিয়মের কথা সেই রিপোর্টে তুলে ধরা হয়েছে। এই মামলার শুনানি হবে আগামী ১৮ মে।এদিন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর মূলাধার। এসপি সিনহা কমিটি পার্থ চট্টোপাধ্যায় তৈরি করেছেন। লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীর চোখের জল বৃথা যেতে পারে না। পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করা উচিত। তাহলেই পার্থ চট্টোপাধ্যায় পিসি-ভাইপোর নাম বলবে। তাঁর দাবি, টাকার বিনিময়ে চাকরি হয়েছে। এই জাহাজবাড়ির মালিক চাকরি বিক্রি করেছে। নিরপেক্ষ এজেন্সি তদন্ত করলেই লাইন দিয়ে তথ্যপ্রমান দিয়ে আসবে। এদিন বিরোধী দলনেতার মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে

মে ১৩, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে নতুন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে জেলার সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুন হতে পারে। এদিন কলকাতার টাউনহলে এক সভায় এই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। পাশাপাশি, আমলারাই যে সরকারের আসল মুখ সেকথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন মমতা বলেন, ২৩টা থেকে ৪৬টা জেলা হতে পারে। বিহারে প্রায় ৫০-৬০টা জেলা রয়েছে। তার জন্য অফিসার দরকার। পরিকাঠামো দরকার। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে আরও ডব্লুবিসিএস ও আইএএস প্রয়োজন রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, আমাদের সরকার এসেই আইএএস ও বিসিএস অফিসারদের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে। আরও বাড়ানো দরকার রয়েছে।২০১১-তে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং নতুন জেলা হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্যে একাধিক পুলিশ কমিশনারেট ও পুলিশ জেলা রয়েছে। জেলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে প্রশাসনিক কাজে আরও সুবিধা হবে বলে মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী।রাজ্যের আমলাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কোভিডে তাঁদের লড়াই ভুলবার নয় বলে তিনি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কোভিডে আমরা চার জন দক্ষ অল্পবয়সী বিসিএস অফিসারকে হারিয়েছি। সরকারি প্রকল্প রূপায়নে আমলাদের বড় ভূমিকা রয়েছে। আমলাদের তিনি বলেছেন, আপনারাই সরকারের আসল মুখ।

মে ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ...
  • 36
  • 37
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

১৬ মাস পর মুখোমুখি মোদী-ট্রাম্প! করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে তুমুল জল্পনা

জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি হলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার ফ্রান্সের এভিয়ানে সম্মেলনের ঐতিহ্যবাহী ফটো পর্বের সময় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা হয়। করমর্দনের সেই মুহূর্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।সম্মেলনে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যখন অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছচ্ছিলেন, তখনই মোদী ও ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ কথোপকথনের পর তাঁরা একসঙ্গে ফটো পর্বেও অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর দুই নেতার এই মুখোমুখি সাক্ষাৎ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহলের একাংশ।জানা গিয়েছে, বুধবার জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদী ও ট্রাম্পের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার আগেই এই সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগে দুই নেতার শেষ মুখোমুখি বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হলেও দুই নেতা একাধিকবার টেলিফোনে কথা বলেছেন।গত কয়েক মাসে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নানা কারণে আলোচনায় ছিল। বাণিজ্য শুল্ক, কৌশলগত সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত কয়েকটি বিষয়ে দুই দেশের অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার বিষয়েও দুই দেশ আগ্রহ দেখিয়েছে।কূটনৈতিক সূত্রের মতে, বুধবারের বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার রূপরেখা বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে।প্রসঙ্গত, ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁর আমন্ত্রণে এবারের জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। সঙ্গী দেশ হিসেবে ভারত একাধিকবার এই সম্মেলনে আমন্ত্রিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত এই সম্মেলনে ভারতের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।এখন সকলের নজর বুধবারের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের দিকে। দীর্ঘ ১৬ মাস পর মুখোমুখি সাক্ষাতের পর দুই দেশের সম্পর্ক কোন নতুন পথে এগোয়, তা জানতেই আগ্রহী আন্তর্জাতিক মহল।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

একুশের আগে বড় ধাক্কার ছক? তৃণমূলের প্রতীক নিয়েই কি আদালতে যাচ্ছেন সুদীপরা!

একুশে জুলাই তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটিকে দলের শক্তি প্রদর্শনের অন্যতম বড় মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এবার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। ক্ষমতা হারানোর পর দলীয় অন্দরে বিভাজন, বিদ্রোহ এবং নেতৃত্ব নিয়ে জটিলতার আবহে একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।এই আবহের মধ্যেই নতুন রাজনৈতিক জল্পনার জন্ম দিলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের অন্যতম প্রবীণ সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। বিদ্রোহী সাংসদদের একটি বড় অংশ সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন। ফলে অনেকেই মনে করেছিলেন, তাঁরা তৃণমূলের নাম, প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি থেকে সরে এসেছেন। কিন্তু সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য সেই ধারণায় নতুন প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।দিল্লি থেকে ফেরার পর তিনি বলেন, দলের প্রতীক, সম্পত্তি এবং ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা এখনও আলোচনার বিষয়। তাঁর অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, এই ধরনের বিষয় শেষ পর্যন্ত আদালতেই নিষ্পত্তি হয়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই মন্তব্যের মধ্যেই ভবিষ্যতের আইনি লড়াইয়ের ইঙ্গিত রয়েছে।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, অন্য রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার পরও কীভাবে তৃণমূলের প্রতীক বা সম্পত্তির দাবি তোলা সম্ভব? রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, লোকসভা ও বিধানসভার বিক্ষুব্ধ শিবিরকে একত্র করার চেষ্টা চলছে। যদি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলির মধ্যে সমঝোতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীক ও সাংগঠনিক অধিকার নিয়ে নতুন দাবি উঠতে পারে।সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ও জানিয়েছেন, বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে। কীভাবে সবাই একসঙ্গে বসবে, কীভাবে ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি হবে এবং নতুন দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে একাধিক বৈঠক হয়েছে। তাঁর দাবি, বিষয়টি ইতিমধ্যেই অনেক দূর এগিয়েছে এবং বিধানসভা স্তরেও একই ধরনের প্রস্তুতি চলছে।আগামী কুড়ি জুলাই সংসদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। তার আগেই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বলে রাজনৈতিক সূত্রের খবর। সুদীপ জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের কাজ শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী পর্যায়ের প্রস্তুতি চলছে এবং অধিবেশন শুরুর আগেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।তবে এই জল্পনায় জল ঢেলেছেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, বিদ্রোহী সাংসদরা ইতিমধ্যেই নতুন দলে যোগ দিয়েছেন এবং তাঁদের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে আলাদা করে কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। ফলে দুই পক্ষ একসঙ্গে আসবে কি না, তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট ছবি সামনে আসেনি।একুশে জুলাইয়ের আগে এই রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, তা নিয়েই এখন তীব্র আগ্রহ তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। বিশেষ করে দলীয় প্রতীক, সম্পত্তি এবং সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন কোনও আইনি লড়াই শুরু হয় কি না, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সুমিত কোথায়? গ্রেফতারি পরোয়ানার পর এবার লুক আউট নোটিস, চাপে অভিষেকের ঘনিষ্ঠ সহকারী

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহকারী সুমিত রায়কে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হল। তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকেই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। এবার তাঁকে খুঁজে না পাওয়ায় লুক আউট নোটিস জারি করল রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা। এর ফলে দেশের কোনও বন্দর, বিমানবন্দর বা সীমান্ত দিয়ে দেশ ছাড়ার চেষ্টা করলে তাঁকে আটক করা হতে পারে।গত কয়েক দিন ধরে সুমিত রায়ের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীরা কলকাতার একাধিক জায়গায় খোঁজ চালানোর পাশাপাশি কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও পৌঁছেছিলেন। সেখানে তল্লাশি চালানো হলেও সুমিতের কোনও হদিস মেলেনি। হুগলির শ্রীরামপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়িতেও খোঁজ করা হয়, কিন্তু সেখানেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, সুমিত রায় কোথায় রয়েছেন। তদন্তের অগ্রগতি থমকে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার আবেদন জানায়। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে।অন্যদিকে, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরই সুমিত রায় কলকাতা হাইকোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত হননি। তাঁর আবেদন নিয়ে চলতি সপ্তাহেই শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তদন্ত সূত্রে খবর, এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সেই কারণেই গোয়েন্দা সংস্থা অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে লুক আউট নোটিস জারির আবেদন করে। সেই আবেদন অনুমোদিত হওয়ায় এখন থেকে দেশের যে কোনও আন্তর্জাতিক প্রবেশ বা প্রস্থান কেন্দ্রে তাঁর নাম সতর্কতামূলক তালিকায় থাকবে।উল্লেখ্য, প্রতারণা এবং জমি সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগে সুমিত রায়ের নাম উঠে এসেছে তদন্তে। এই মামলায় এক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ককে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাঁর নাম সামনে আসে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। তারপর থেকেই তাঁকে খুঁজছে পুলিশ।এখন সবার নজর, সুমিত রায় কোথায় এবং তদন্তকারীরা কবে তাঁর নাগাল পান। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আগাম জামিনের আবেদনের শুনানিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে জিতেই বিপাকে ইরান! ম্যাচ শেষ হতেই দেশ ছাড়ার নির্দেশ, ক্ষোভ ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ভালো পারফরম্যান্সের পরই নতুন বিতর্কে জড়াল ইরান ফুটবল দল। দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পর্যাপ্ত বিশ্রাম বা পুনরুদ্ধারের সময় না দিয়েই তাদের দ্রুত যুক্তরাষ্ট্র ছাড়তে বলা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফের সদস্যরা।সূত্রের খবর, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য ইরান দলকে সীমিত সময়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে ম্যাচ ছাড়া বাকি সময় তারা অন্য দেশে অবস্থান করছে এবং সেখানেই অনুশীলন চালাচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ম্যাচের পর যুক্তরাষ্ট্রেই একটি রাত কাটানোর কথা ছিল দলের। কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি বদলে যায় বলে দাবি ইরান শিবিরের।দলের অভিযোগ, ম্যাচ শেষ হতেই তাদের দ্রুত রওনা হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই ইরান দলকে মেক্সিকোর তিজুয়ানায় ফিরে যেতে হয়। সেখানেই বর্তমানে তাদের বেস ক্যাম্প রয়েছে।ইরানের প্রধান কোচ আমির ঘালেনোই এই ঘটনায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, খেলোয়াড়দের জন্য ম্যাচের পর বিশ্রাম ও পুনরুদ্ধারের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে দলের প্রস্তুতি এবং শারীরিক অবস্থার উপর প্রভাব পড়তে পারে।কোচ আরও বলেন, শুরুতে যে পরিকল্পনা ছিল, তাতে ম্যাচের আগে এবং পরে নির্দিষ্ট সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা বাস্তবায়িত হয়নি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইরান শিবির জানিয়েছিল, তারা মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়াতে চায় না। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের একাংশের মতে, তাদের প্রতি আলাদা ধরনের আচরণ করা হচ্ছে।অন্যদিকে, অধিনায়ক মেহদি তারেমি নাকি এই বিষয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। ইরানের অভিযোগের পর পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর ফুটবলপ্রেমীদের।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের ভূমিকায় প্রশ্নচিহ্ন! আদালতের পর্যবেক্ষণে বাড়ল রাজনৈতিক চাপ

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম নিয়ে চলা আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং তাঁর ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, বিধানসভার অধিবেশন না ডেকে কীভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এবং স্পিকার কীভাবে নিশ্চিত হলেন যে বিরোধী শিবিরের কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় বিচারপতি বলেন, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব আকারে স্পিকারের কাছে জমা পড়ার পর তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব কী ছিল, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। আদালতের প্রশ্ন, প্রধান বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কোনও নাম পাঠানো হলে স্পিকার কি তা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?রাজ্যের পক্ষে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে জানান, বিরোধী শিবিরের ভিতরে মতবিরোধ থাকায় স্পিকারকে সবদিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তিনি উদাহরণ হিসেবে অন্য একটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথাও তুলে ধরেন, যেখানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন অনিশ্চয়তা ছিল।তবে আদালত এই যুক্তিতে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, যদি একই দলের দুই পক্ষ আলাদা দাবি জানায়, তাহলে সেই ক্ষেত্রে স্পিকারের ক্ষমতার সীমা কোথায়? তিনি কি নিজে থেকেই কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, নাকি বিধানসভার নিয়ম মেনেই তা নির্ধারণ করতে হবে?শুনানিতে আরও উঠে আসে সই জালিয়াতির অভিযোগের প্রসঙ্গ। রাজ্যের আইনজীবী জানান, বিরোধী শিবিরের দুই বিধায়ক সই জাল করার অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু হয়। তবে বিচারপতি জানতে চান, তদন্ত শুরু হওয়ার আগে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে স্পিকার কেন কোনও সিদ্ধান্ত নিলেন না।আদালতের পর্যবেক্ষণে স্পষ্ট, এই মামলায় স্পিকারের ভূমিকা এবং তাঁর সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। বিচারপতি বলেন, মূল প্রশ্ন হল, বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব হওয়ার পরও স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নিয়ে অপেক্ষা করলেন কেন।এদিনের শুনানিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মামলার পরবর্তী শুনানি বুধবার নির্ধারিত হয়েছে। ফলে এখন রাজনৈতিক মহলের নজর আগামী দিনের শুনানির দিকে। আদালত কী পর্যবেক্ষণ দেয় এবং এই মামলার ভবিষ্যৎ কোন দিকে এগোয়, তা নিয়েই জল্পনা তুঙ্গে।

জুন ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মাঠে বাঁশি বাজিয়ে কোটি টাকা! বিশ্বকাপের রেফারিদের আয় শুনলে চোখ কপালে উঠবে

বিশ্বকাপের মঞ্চে ফুটবলারদের পারফরম্যান্স যেমন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন রেফারিরা। একটি সিদ্ধান্ত কখনও ম্যাচের ফল বদলে দিতে পারে। সেই কারণেই তাঁদের কাজ সবসময় কঠোর নজরদারির মধ্যে থাকে। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, বিশ্বকাপে ম্যাচ পরিচালনা করে একজন রেফারি কত টাকা আয় করেন?তথ্য অনুযায়ী, আগের বিশ্বকাপে রেফারিরা নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক হিসেবে প্রায় সত্তর হাজার মার্কিন ডলার পেয়েছিলেন। এর পাশাপাশি প্রতি ম্যাচ পরিচালনার জন্য আলাদা অর্থ দেওয়া হত। ম্যাচের গুরুত্ব এবং রেফারির অভিজ্ঞতার উপর সেই অঙ্ক নির্ভর করত। সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিরাও উল্লেখযোগ্য পারিশ্রমিক পেতেন।এবার সেই অঙ্ক আরও বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, বিশ্বকাপে দায়িত্ব পাওয়া রেফারিরা এককালীন প্রায় এক লক্ষ মার্কিন ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। এর পাশাপাশি প্রতিটি ম্যাচ পরিচালনার জন্যও আলাদা পারিশ্রমিক থাকবে। প্রতিযোগিতার শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করলে সেই আয় আরও বাড়বে। হিসাব অনুযায়ী, ফাইনাল-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ পরিচালনা করা কোনও রেফারির মোট আয় কয়েক কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে।বিশ্বকাপে এবার শুধু পারিশ্রমিকই নয়, প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। রেফারিদের চোখের কাছে একটি বিশেষ ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই অত্যাধুনিক যন্ত্রের সাহায্যে দর্শকেরা সরাসরি দেখতে পারবেন, ম্যাচ চলাকালীন রেফারি ঠিক কী দেখছেন এবং কোন পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রযুক্তি রেফারির কাজকে আরও স্বচ্ছ করে তুলবে। দ্রুতগতির খেলায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কতটা কঠিন, তা বোঝার সুযোগও পাবেন দর্শকেরা। এই বিশেষ ক্যামেরা উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে পরিচালিত হয় এবং রেফারির দৌড় বা নড়াচড়ার সময়ও স্থির চিত্র ধারণ করতে সক্ষম।এছাড়া রেফারিদের কানে থাকে বিশেষ যোগাযোগ ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে তাঁরা সহকারী রেফারি এবং ভিডিও সহায়ক রেফারিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখতে পারেন। মাঠে কোনও বিতর্কিত পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত মতামত বিনিময় করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।সব মিলিয়ে, এবারের বিশ্বকাপে রেফারিদের দায়িত্ব যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে তাঁদের আয় এবং প্রযুক্তিগত সুবিধাও। ফলে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসরে এবার নতুনভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।

জুন ১৬, ২০২৬
কলকাতা

সাড়ে ছয় ঘণ্টার জেরা শেষে সরাসরি কালীঘাটে! ভবানী ভবন থেকে বেরিয়েই কোথায় গেলেন অভিষেক?

ডিজে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া জেরা চলে টানা প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টা। সন্ধ্যা ছটা পঁচিশ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি সরাসরি কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান।সূত্রের খবর, সেখানে দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছিল। ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে সেই বৈঠকেই যোগ দেন অভিষেক। যদিও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি।উল্লেখ্য, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় বিজেপিকে উদ্দেশ করে করা একটি মন্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। একটি জনসভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, ফল ঘোষণার দিন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেও বাজবে। সেই মন্তব্যের ভাষা ও প্রেক্ষাপট নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, ওই বক্তব্যের মধ্যে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পরোক্ষ হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল।এর পরেই অভিষেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। প্রথমে বিষয়টি বিধাননগর সাইবার থানায় নথিভুক্ত হলেও পরে তদন্তভার যায় সিআইডির হাতে। গত সপ্তাহে তদন্তকারীরা তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাজিরার নোটিস দেন। সেই নোটিসের ভিত্তিতেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে উপস্থিত হন তিনি।দুপুর বারোটা নাগাদ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। তদন্তকারীরা বক্তব্যের প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য এবং বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেন বলে সূত্রের খবর। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই জেরার পর সন্ধ্যায় ভবানী ভবন ছাড়েন অভিষেক।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাঁকে। বিভিন্ন মামলায় সিআইডি ও অন্যান্য সংস্থা ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন এই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। ভবিষ্যতে তাঁকে আবারও ডাকা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

জুন ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal