• ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mini

রাজ্য

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে যাচ্ছে কোন দফতর? সামনে এল সম্ভাব্য তালিকা, চমকে দিতে পারে একাধিক নাম

গত পয়লা জুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট পঁয়ত্রিশ জন। কিন্তু এখনও তাঁদের মধ্যে কার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম সামনে এসেছে।শপথ নেওয়া পঁয়ত্রিশ জনের মধ্যে তেরো জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং উনিশ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন সবার নজর দফতর বণ্টনের দিকে।সূত্রের খবর, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে মানিকতলার প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায়ের হাতে। উচ্চশিক্ষা দফতরের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্বও সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে যেতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।অন্যদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক ও চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।এ ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রম দফতরের দায়িত্বও তাঁর হাতে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের হাতে যেতে পারে কৃষি দফতর। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে। কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক অরূপ দাসের হাতে সেচ দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও আইন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা সংখ্যালঘু ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন। পাশাপাশি আইন দফতরের দায়িত্বও তিনি নিজের কাছেই রাখতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা হয়নি। ফলে কোন মন্ত্রীর হাতে শেষ পর্যন্ত কোন দফতর যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। এখন সবার নজর, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপরেখা সামনে আসে।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দুর পূর্ণ মন্ত্রিসভায় বড় চমক! চিকিৎসক, আদিবাসী নেতা থেকে প্রথমবারের বিধায়ক, কারা পেলেন দায়িত্ব?

লোকভবনে সোমবার গঠিত হল রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে শপথ নিলেন মোট পঁয়ত্রিশ জন বিধায়ক। পূর্ণমন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী এই তিন স্তরে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভায় যেমন রয়েছেন বর্ষীয়ান নেতারা, তেমনই জায়গা পেয়েছেন একাধিক নতুন মুখ এবং প্রথমবার নির্বাচিত বিধায়কেরাও।রাজ্যের বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়েছে নতুন মন্ত্রিসভায়। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল, দক্ষিণবঙ্গ এবং সীমান্তবর্তী এলাকার জনপ্রতিনিধিদেরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, সামাজিক এবং আঞ্চলিক ভারসাম্য বজায় রাখার দিকেও বিশেষ নজর রাখা হয়েছে।মন্ত্রিসভার অন্যতম চমক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। পেশায় চিকিৎসক শারদ্বত প্রথমবার নির্বাচনে লড়েই জয়ী হন এবং এবার সরাসরি পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেলেন। একইভাবে খড়দহের কল্যাণ চক্রবর্তীও পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে জায়গা পেয়েছেন।দীর্ঘদিনের সংগঠক এবং দলের পুরনো মুখদেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ময়ুরেশ্বরের দুধকুমার মণ্ডল পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। রাজ্যে দল শক্তিশালী হওয়ার অনেক আগেই তিনি সংগঠনের কাজ করতেন। কুলটির অজয় পোদ্দারও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকার পুরস্কার হিসেবেই এই দায়িত্ব বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।জঙ্গলমহল থেকেও একাধিক প্রতিনিধিকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গোপীবল্লভপুরের রাজেশ মাহাতো, নয়াগ্রামের অমিয় কিস্কু এবং আউশগ্রামের কলিতা মাজি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। প্রথমবার নির্বাচনে জয়ী হয়েই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় বিশেষভাবে আলোচনায় কলিতা মাজি।উত্তরবঙ্গ থেকেও একাধিক মুখকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফালাকাটার দীপক বর্মন, শিলিগুড়ির শঙ্কর ঘোষ, কুমারগ্রামের মনোজ কুমার ওরাওঁ পূর্ণমন্ত্রী হয়েছেন। পাশাপাশি তুফানগঞ্জের মালতী রাভা রায় স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। উত্তরবঙ্গের আরও কয়েকজন বিধায়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।নতুন মন্ত্রিসভায় শ্রীরামপুরের ভাস্কর ভট্টাচার্য, বলাগড়ের সুমনা সরকার, সোনামুখীর দিবাকর ঘরামী, কাকদ্বীপের দীপঙ্কর জানা-সহ একাধিক নতুন মুখ জায়গা পেয়েছেন। ফলে অভিজ্ঞতা এবং নতুন প্রজন্মের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন সরকার গঠনের পর এই মন্ত্রিসভা থেকেই আগামী দিনের প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট হয়ে গেল। এখন নজর থাকবে কে কোন দপ্তরের দায়িত্ব পান এবং সরকারের কাজ কত দ্রুত গতিতে এগোয়, তার দিকে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর ‘টিম বেঙ্গল’ সম্পূর্ণ: ৩৫ নতুন মুখের শপথে ৪১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা, আজই হতে পারে দফতর বণ্টন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করতে সোমবার বড়সড় মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের সাক্ষী থাকল রাজ্য। কলকাতার লোকভবনে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার ৩৫ জন নতুন সদস্য শপথ গ্রহণ করলেন। রাজ্যপাল আরএন রবি তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান। এর ফলে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভার মোট সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪১।বন্দেমাতরম ও জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। নতুন মন্ত্রীদের অনেকেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অধিকাংশকেই দেখা যায় ধুতি-পাঞ্জাবি বা ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পোশাকে।পূর্ণমন্ত্রী হিসাবে কারা শপথ নিলেন?মুখ্যসচিব মনোজ অগ্রবাল নতুন মন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করেন। পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তাপস রায়, মনোজ ওরাওঁ, অর্জুন সিংহ, গৌরীশঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মন, শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, অরূপ কুমার দাস, স্বপন দাশগুপ্ত, কল্যাণ চক্রবর্তী, শঙ্কর ঘোষ, অজয় পোদ্দার এবং দুধকুমার মণ্ডল।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীমন্ত্রিসভায় স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে জায়গা পেয়েছেন মালতি রাভা রায়, রাজেশ মাহাতো এবং ইন্দ্রনীল খাঁ। প্রশাসনিক ক্ষেত্রে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান, শপথ নিলেন ১৯ প্রতিমন্ত্রীপ্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন অশোক দিন্ডা, কৌশিক চৌধুরী, জুয়েল মুর্মু, হরেকৃষ্ণ বেরা, শান্তনু প্রামাণিক, উমেশ রায়, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, ভাস্কর ভট্টাচার্য, দিবাকর ঘরামি, চাঁদ বাউড়ি, গার্গী দাস ঘোষ, অমিয় কিস্কু, কলিতা মাজি, বিরাজ বিশ্বাস, সুমনা সরকার, আনন্দময় বর্মন, বিশাল লামা, দীপঙ্কর জানা-সহ একাধিক নেতা।কার হাতে কোন দফতর?শপথগ্রহণ পর্ব শেষ হলেও কোন মন্ত্রীকে কোন দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, সোমবার বিকেলেই নবান্নে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে দফতর বণ্টন করে দিতে পারেন। ফলে প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।৯ মে থেকে ১ জুন: দ্রুত বিস্তার শুভেন্দু সরকারেরউল্লেখ্য, গত ৯ মে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে শপথ নিয়েছিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, দিলীপ ঘোষ, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। তাঁদের মধ্যে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দফতর বণ্টন করা হয়েছিল। এবার আরও ৩৫ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রশাসনিক পরিসর অনেকটাই বিস্তৃত করল রাজ্য সরকার।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল, সামাজিক গোষ্ঠী এবং সাংগঠনিক স্তরের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতেই এই বৃহৎ মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছে। এখন দেখার, দফতর বণ্টনের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের কী রূপরেখা তুলে ধরেন।

জুন ০১, ২০২৬
দেশ

দেশে ফিরেই বড় বৈঠকে মোদী! মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের জল্পনা, বাংলা থেকে কি আসছেন নতুন মুখ?

বিদেশ সফর শেষ করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর দেশে ফিরেই তিনি বসতে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দিল্লিতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি এবং তার প্রভাবে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং তার প্রভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বিগ্ন। তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বিদেশ সফর থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী মোদী গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রকের গত দুই বছরের কাজের রিপোর্টও পর্যালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।বেশ কিছুদিন ধরেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, আগামী জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় বড়সড় পরিবর্তন হতে পারে। কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব বদল বা নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সাফল্যের পর বাংলা থেকে নতুন কোনও মুখকে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই আবহে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফর নিয়েও জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও তাঁর সফরের সরকারি কারণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি, তবু রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ২১, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বড় ঘোষণা থলপতি বিজয়ের! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ থেকে নারী সুরক্ষায় একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি

রবিবার তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার থলপতি বিজয়। শপথ নেওয়ার পরই প্রথম ভাষণে তিনি জানান, সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর মূল লক্ষ্য। ধর্মনিরপেক্ষতা ও সামাজিক ন্যায়ের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি রাজ্যের মানুষের জন্য একাধিক বড় ঘোষণা করেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী।চেন্নাইয়ে শপথ গ্রহণের পর প্রথম ভাষণে বিজয় বলেন, আমি সাধারণ মানুষ। আপনাদের ভালবাসা আর সমর্থনেই আজ এখানে পৌঁছেছি। সরকারের সমস্ত সিদ্ধান্ত এবং কাজের দায়ভার আমারই থাকবে। তিনি আরও বলেন, আগের ডিএমকে সরকার বিপুল ঋণের বোঝা রেখে গিয়েছে। তবে মানুষের সমর্থন থাকলে তাঁর সরকার সব প্রতিশ্রুতি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন জোট রাজনীতি নিয়েও স্পষ্ট বার্তা দেন বিজয়। তিনি বলেন, তাঁর নেতৃত্বাধীন সরকার কোনও জোটসঙ্গীর চাপের কাছে মাথা নত করবে না। সরকার নিজের নীতি মেনেই চলবে।অনুরাগীদের উদ্দেশেও আবেগঘন বার্তা দেন দক্ষিণী তারকা। তিনি বলেন, আপনারাই আমার জীবন। আপনাদের ভালোর জন্যই আমি কাজ করব। আপনাদের ছাড়া আমি কিছুই নই। তাঁর মুখে শোনা যায় জনপ্রিয় তামিল শব্দবন্ধ এন নেনজিল কুডিয়িরুক্কুম, যার অর্থ, যাঁরা আমার হৃদয়ে থাকেন।মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই একাধিক জনমুখী প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন বিজয়। তিনি জানান, তামিলনাড়ুর মানুষ মাসে ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিনামূল্যে বিদ্যুৎ পাবেন। মহিলাদের নিরাপত্তার জন্য আলাদা নারী সুরক্ষা বাহিনী গঠন করা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।এছাড়াও রাজ্যে মাদক রুখতে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নতির দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিজয়ের দাবি, নতুন সরকার স্বচ্ছভাবে কাজ করবে এবং নির্বাচনী ইস্তাহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি পূরণ করার চেষ্টা করবে।এদিন বিজয়ের সঙ্গে আরও নজন শপথ নেন। সূত্রের খবর, তাঁদের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সেই তালিকায় রয়েছেন কেএ সেনগোত্তাইয়ান, আধব অর্জুন, নির্মল কুমার, এন আনন্দ, অভিনেতা রাজ মোহন, চিকিৎসক টিকে প্রভু, প্রাক্তন আইআরএস আধিকারিক অরুণ রাজ, পি ভেঙ্কটারামনন এবং সর্বকনিষ্ঠ বিধায়ক কীর্তনা। বিরুধুনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন কীর্তনা।

মে ১০, ২০২৬
কলকাতা

২০২০-র সেই সিদ্ধান্তই বদলে দিল বাংলার রাজনীতি, আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর, শনিবার। মেদিনীপুরের কলেজ মাঠে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই দিনটি রাজ্য রাজনীতিতে বড় চমক তৈরি করেছিল। ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর পর আবারও এক শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকল। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বাংলার প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী।দুই শনিবারের এই রাজনৈতিক যাত্রা এখন শুভেন্দুর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় থেকেই তাঁর লক্ষ্য ছিল বাংলায় বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাতে খুব বেশি সময় পাননি তিনি। সেই নির্বাচনে বিজেপি ৭৭টি আসনে জয় পেলেও পরে একাধিক বিধায়ক দলবদল করেন। তৃণমূলে ফিরে যান মুকুল রায়ও।কিন্তু তারপরও থেমে থাকেননি শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতা হিসেবে বিধানসভার ভিতরে এবং বাইরে লাগাতার তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ চালিয়ে গিয়েছেন। বিজেপি কর্মীদের মনোবল বাড়াতে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ছুটে গিয়েছেন তিনি।শুভেন্দু বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন, নন্দীগ্রামে তিনি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেছিলেন। শুধু তাই নয়, ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগেও ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু বুঝেছিলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রীকে চাপে রাখতে পারলে তার প্রভাব গোটা রাজ্যে পড়বে।শেষ পর্যন্ত সেই কৌশলই সফল হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পরপর দুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নির্বাচনে হারিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। আর সেই সাফল্যের পর বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদে তাঁর নামই সবচেয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংগঠন শক্তিশালী করা থেকে শুরু করে বিজেপির ভোটব্যাঙ্ককে ধরে রাখাসব ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই শেষ পর্যন্ত বাংলার মসনদে তাঁর বসা অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল।

মে ০৯, ২০২৬
কলকাতা

দক্ষিণেশ্বরে পুজো দিয়ে বড় বৈঠকে শাহ, বাংলার নতুন মুখ কে? জোর জল্পনা

নতুন বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণের ঠিক একদিন আগে কলকাতায় পৌঁছলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার বেলা প্রায় ১১টা নাগাদ তিনি দমদম বিমানবন্দরে নামেন। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সুকান্ত মজুমদার এবং শুভেন্দু অধিকারী। বিমানবন্দর থেকে সোজা দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে যান শাহ। সেখানে পুজোও দেন তিনি।কলকাতায় পৌঁছেই সমাজমাধ্যমে বাংলায় পোস্ট করেন অমিত শাহ। বঙ্গবাসীকে প্রণাম জানিয়ে তিনি লেখেন নতুন সরকারের জন্য আশীর্বাদ কামনা করছেন। দক্ষিণেশ্বর থেকে বেরিয়ে নিউটাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে যাওয়ার কথা তাঁর। সেখানেই বিকেলে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি। সেই বৈঠকেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত হতে পারে বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি পরিষদীয় নেতা নির্বাচনও হতে পারে।রাজনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনা শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে। শেষ মুহূর্তে কোনও পরিবর্তন না হলে মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে তিনিই এগিয়ে রয়েছেন বলে সূত্রের খবর। উপমুখ্যমন্ত্রী পদ নিয়েও চলছে নানা জল্পনা। অগ্নিমিত্রা পাল, মালতী রাভা রায় এবং দীপক বর্মনের নাম ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে।শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হতে চলেছে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। সেখানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ছাড়াও বিজেপি শাসিত ২১টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।সূত্রের খবর, প্রথম দফায় গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন মন্ত্রী শপথ নিলেও পরে ডেপুটি, পূর্ণমন্ত্রী এবং রাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিয়ে মোট ৩৬ থেকে ৪০ জনের মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। কে মন্ত্রী হচ্ছেন, কার কাছে ফোন যাচ্ছে, তা নিয়ে এখন তীব্র উত্তেজনা বিজেপির অন্দরে। অনেক জয়ী বিধায়ক এখনও কোনও বার্তা পাননি বলেও জানা গিয়েছে।বিজেপি সূত্রে খবর, মন্ত্রিসভার তালিকা চূড়ান্ত করার আগে আরএসএস নেতৃত্বের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন অমিত শাহ। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্রিগেডে থাকছে বিশেষ আয়োজন। রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন হওয়ায় অনুষ্ঠানে বাজবে রবীন্দ্রসঙ্গীত। থাকছে আলাদা সাংস্কৃতিক মঞ্চও। বিশিষ্ট অতিথিদের জন্য বিশেষ বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।বিজেপির লক্ষ্য, অন্তত এক লক্ষ মানুষের জমায়েত করা। প্রত্যেক নবনির্বাচিত বিধায়ককে কমপক্ষে এক হাজার সমর্থক নিয়ে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। অনুষ্ঠান ঘিরে গোটা শহর এবং ব্রিগেড এলাকায় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোট চার হাজার পুলিশকর্মী মোতায়েন থাকবেন।

মে ০৮, ২০২৬
বিদেশ

কলকাতাকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! পাক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ভবিষ্যতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যদি কোনও সংঘাত তৈরি হয়, তবে তা আর সীমান্তে আটকে থাকবে না, বরং ভারতের ভিতরেও ছড়িয়ে পড়বেএমনই হুমকি দিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি সরাসরি কলকাতার নাম নিয়ে আক্রমণের কথাও বলেন, যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।শনিবার সিয়ালকোটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খোয়াজা আসিফ বলেন, ভারত যদি কোনও মিথ্যা অজুহাতে অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার ফল ভালো হবে না। তিনি দাবি করেন, সেই সংঘাত সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা কলকাতা পর্যন্ত গড়াবে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারতে শীঘ্রই একটি ভুয়া হামলা হতে পারে। তাঁর দাবি, ভারত নিজেই এমন হামলার পরিকল্পনা করছে এবং পরে সেটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে তুলে ধরবে। যদিও এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ দেননি।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যদি ভারত এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, তাহলে গত বছরের থেকেও বড় অপমানের মুখে পড়তে হবে। তাঁর কথায়, সংঘাত আর সীমান্তবর্তী কয়েকশো কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তারা ভারতের ভিতরে ঢুকে হামলা চালাতে পারে।অন্যদিকে, সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই মাসেই পাকিস্তানের ভিতরে এক বা একাধিক হামলা হতে পারে। সেই হামলার পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে অস্থিরতা তৈরি করে তার দায় ভারতের উপর চাপানোর পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলে সমর্থন পেতে বা কূটনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য এমন কৌশল নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেও বাইরের শত্রু তত্ত্ব সামনে আনা হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াল পাকিস্তান।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

কালিয়াচক কাণ্ডে নতুন বিস্ফোরণ! প্রাক্তন মন্ত্রীর দিকে আঙুল বিজেপির

বুধবার রাত থেকেই কালিয়াচকের ঘটনা নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সাত জন বিচারককে দীর্ঘ সময় ধরে ঘেরাও করে রাখার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্বাচন কমিশনও এই বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে। শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল।এই ঘটনার দায় নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর ক্রমশ বাড়ছে। এর মধ্যেই রাজ্যের এক বিদায়ী মন্ত্রীর নাম জড়িয়ে বড় অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করে তারা দাবি করেছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ থাকতে পারে।বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করেছেন দলের প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এই পুরো ঘটনার পিছনে শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব রয়েছে এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা নিয়েছেন মোথাবাড়ির বিধায়ক সাবিনা ইয়াসমিন।এরপর বিজেপির তথ্যপ্রযুক্তি শাখার প্রধান অমিত মালব্য সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, কয়েক জন সমর্থককে নিয়ে বসে রয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। মালব্যর দাবি, কালিয়াচকের ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই তাঁকে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের পোস্ট মুছে ফেললেও লাভ হবে না, কারণ সব তথ্য তাঁদের কাছে রয়েছে। তিনি এই ভিডিয়োর মাধ্যমে দেশের সর্বোচ্চ আদালত ও নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছেন।তবে এই সব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন সাবিনা ইয়াসমিন। তিনি পাল্টা কটাক্ষ করে বলেন, শুভেন্দু অধিকারী তাঁকে সব সময় ভয় পান, বিশেষ করে ভোটের সময়। তাঁর কথায়, এই ভয় তিনি উপভোগ করেন।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় থাকলেও এবার তাঁর কেন্দ্র বদল হয়েছে। আগে তিনি মোথাবাড়ির বিধায়ক ছিলেন, তবে এবারের নির্বাচনে তাঁকে সুজাপুর থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই তিনি এলাকায় প্রচারে নেমেছেন।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
দেশ

আবার কি লকডাউন আসছে? জ্বালানি সঙ্কটে দেশজুড়ে আতঙ্ক, মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

জ্বালানি সঙ্কট নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন উঠছে, আবার কি লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে? ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং মায়ানমারের মতো কয়েকটি দেশ জ্বালানি সংরক্ষণের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। সেই কারণেই ভারতে একই রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এমন আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-ও।তবে এই জল্পনাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানালেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশে আবার লকডাউন জারি করার কোনও পরিকল্পনা নেই। কোভিডের সময় যে ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তেমন কিছু ফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলেই আশ্বস্ত করেছেন তিনি।সামাজিক মাধ্যমে তিনি জানিয়েছেন, লকডাউন নিয়ে যে খবর ছড়াচ্ছে তা পুরোপুরি ভুল। এই সময়ে শান্ত থাকা এবং দায়িত্বশীল আচরণ করার উপর জোর দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেছেন, দেশের জ্বালানির জোগান স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়লেও কেন্দ্রের দাবি, ভারতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জ্বালানি মজুত রয়েছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে চাপ তৈরি হলেও দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই আতঙ্কে পেট্রোল পাম্পে ভিড় করছেন এবং আগাম জ্বালানি মজুত করার চেষ্টা করছেন। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, কোনও ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা নেই এবং যে কোনও জরুরি পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য দেশ প্রস্তুত।

মার্চ ২৭, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর শিলিগুড়ি সফরে প্রোটোকল বিতর্ক, কেন্দ্র রাজ্যকে রিপোর্ট তলব

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে রবিবার সকালে এই নির্দেশ পাঠানো হয়। বিকেল পাঁচটার মধ্যে লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোটবোনের মতো। আমি বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা হয়তো রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি বা কোনও মন্ত্রী আসেননি। তবে এটা বড় বিষয় নয়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবারই প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ওঁর (দ্রৌপদী মুর্মু) অনুষ্ঠানের কথা আমি জানতাম না। এটি কোনও সরকারি অনুষ্ঠান নয়, সম্পূর্ণ বেসরকারি। আমরা এখানে কী করব? আমি এখন ধরনায় আছি, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছি। আপনারা বিজেপির অগ্রাধিকার হতে পারেন, আমার কাছে আমার জনতাই সব। তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রপতি একজন সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ব্যক্তি, আমরা তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু বিজেপি তাঁকে রাজনীতি করতে পাঠিয়েছে।রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছিল, ঘটনা শান্ত হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছেন। মুখ্যসচিবকে জানতে চাওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সফরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল।

মার্চ ০৮, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে সুবিধা করে দিতেই ইজরায়েল হামলা চালায় ইরানের ওপর! আজব দাবি পাকিস্তানের

ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জেরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পাকিস্তানে। ইরানের সঙ্গে প্রায় নয়শো কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, ইরানে চলা সশস্ত্র সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে জায়নিস্ট চক্রান্ত। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধের লক্ষ্য পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করা।সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি বলেন, উনিশশো আটচল্লিশ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে মুসলিম বিশ্বে যত বড় সংঘাত হয়েছে, তার পিছনে সরাসরি বা পরোক্ষে জায়নিস্ট মতাদর্শের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জায়নিস্ট শক্তিই দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অর্থনীতির দিশা ঠিক করছে এবং বড় শক্তিগুলিকেও প্রভাবিত করছে।ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলতি সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আসিফের দাবি, তেহরান আলোচনায় রাজি থাকা সত্ত্বেও তাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, এই যুদ্ধ পরিকল্পিতভাবে শুরু করা হয়েছে, যাতে ইজরায়েলের প্রভাব পাকিস্তানের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, যদি ইজরায়েল এই যুদ্ধে জয়ী হয়, তা হলে ভারত, আফগানিস্তান ও ইরান একযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। এতে দেশের সীমান্ত চারদিক থেকে শত্রু দ্বারা ঘেরা হয়ে পড়বে এবং পাকিস্তান কার্যত দাস রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে দাবি তাঁর।তিনি পাকিস্তানের প্রায় পঁচিশ কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এই চক্রান্ত বোঝার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মুসলিম প্রধান দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন তিনি। পাকিস্তান যে একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আসিফ বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি উনিশশো আটানব্বই সালে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভূমিকাও উল্লেখ করেন।এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ তীব্র আকার নিয়েছে। হামলায় ইরানের সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান একাধিক দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলেও খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের চারদিক থেকে ঘেরা অবস্থায় দেখানোর চেষ্টা করে। কখনও বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে ভারতের যোগের অভিযোগ, কখনও আফগান তালিবানকে ভারতের মদতপুষ্ট বলা এই অবস্থান নতুন নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খোয়াজা আসিফের মন্তব্য সেই পুরনো অবস্থানকেই আরও জোরালো করল বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

ঢাকায় বড় চমক! তারেকের মন্ত্রিসভায় কারা পূর্ণমন্ত্রী, কারা প্রতিমন্ত্রী—ফাঁস সম্পূর্ণ তালিকা

আজ মঙ্গলবার শপথ নিচ্ছেন বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতিমধ্যেই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র নির্বাচিত সদস্যরা। বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন, কারা থাকছেন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায়।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো সূত্রে খবর, নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় থাকছেন ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই নামের তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে ৪৯ সদস্যের বড় মন্ত্রিসভা গড়তে চলেছেন তারেক রহমান।সূত্রের খবর, তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ মুখ হতে চলেছেন খলিলুর রহমান। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস-এর নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। ২০২৪ সালের নভেম্বরে তাঁকে রোহিঙ্গা সমস্যা ও অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয় সংক্রান্ত হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ করা হয়। পরে ২০২৫ সালের এপ্রিলে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হন। সম্প্রতি আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন তিনি। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তাঁকেই বিদেশমন্ত্রী করা হতে পারে বলে জোর জল্পনা।পূর্ণমন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ, মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, নিতাই রায় চৌধুরী, খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ, আফরোজা খানম, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আসাদুল হাবিব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের, দীপেন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন (বকুল), ফকির মাহবুব আনাম (স্বপন) এবং শেখ রবিউল আলম।প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, মো. শরিফুল আলম, শামা ওবায়েদ ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কায়সার কামাল, ফরহাদ হোসেন আজাদ, আমিনুল হক, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশীদ, মো. রাজিব আহসান, মো. আব্দুল বারী, মীর শাহে আলাম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন, শেখ ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক, ইয়াসের খান চৌধুরী, এক ইকবাল হোসেইন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ এবং আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম।তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় দুজন হিন্দু মুখও রয়েছেন। তাঁরা হলেন নিতাই রায় চৌধুরী ও দীপেন দেওয়ান। ফলে নতুন মন্ত্রিসভায় সাম্প্রদায়িক ভারসাম্যের দিকেও নজর রাখা হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আজকের শপথের পরই আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব নেবে নতুন সরকার। কোন মন্ত্রীর হাতে কোন দফতর যাবে, তা নিয়েও চলছে জোর জল্পনা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে বলেই মত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

‘বালোচিস্তানে সেনা অসহায়’—সংসদে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ জানিয়েছেন, বালোচিস্তানে মোতায়েন নিরাপত্তাবাহিনী কার্যত বড় সমস্যার মুখে পড়েছে। তাঁর দাবি, প্রদেশটির বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতির কারণে সেনারা অনেক ক্ষেত্রেই শারীরিকভাবে অসহায় হয়ে পড়ছেন। পিটিআই সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।সোমবার জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে খাজা আসিফ বলেন, পাকিস্তানের মোট ভূখণ্ডের ৪০ শতাংশেরও বেশি জুড়ে রয়েছে বালোচিস্তান। এত বড় এলাকা নিয়ন্ত্রণ করা কোনও জনবহুল শহরের মতো সহজ নয়। সেখানে বিপুল সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন করতে হয়। সেনারা জঙ্গিদের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অভিযান চালালেও এত বড় এলাকা পাহারা দেওয়া ও টহল দেওয়ার কারণে তারা বাস্তবে বড় সীমাবদ্ধতার মুখে পড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি বালোচিস্তানের ১২টি জায়গায় একযোগে জঙ্গি হামলার পর বড়সড় অভিযান চালায় নিরাপত্তাবাহিনী। সেই অভিযানে ১৭৭ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে বলে দাবি করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু অপরাধী চক্র নিষিদ্ধ বালোচ লিবারেশন আর্মির নাম ব্যবহার করে চোরাকারবারিদের রক্ষা করছে।সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে খাজা আসিফ বলেন, হিংসাকে কোনওভাবেই যুক্তিসঙ্গত বলে দেখানোর চেষ্টা মানা হবে না। তাঁর মতে, হিংসাকে স্বাধীনতা আন্দোলনের রং দেওয়া হচ্ছে, যা আদতে অপরাধমূলক কাজ ঢাকার চেষ্টা ছাড়া কিছু নয়।এ ছাড়াও তিনি অভিযোগ তোলেন, বালোচিস্তানে কিছু জঙ্গি গোষ্ঠী ভারতের মদতপুষ্ট এবং আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে তারা সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে। তাঁর দাবি, জঙ্গিদের নেতৃত্ব আফগানিস্তানে বসেই কাজ করছে এবং সেখান থেকেই সাহায্য পাচ্ছে।বালোচিস্তান বঞ্চিতএই অভিযোগও নাকচ করেন খাজা আসিফ। তাঁর দাবি, গত কয়েক বছরে প্রদেশটির উন্নয়ন হয়েছে এবং অন্য যে কোনও প্রদেশের তুলনায় এখানে বিমানবন্দরের সংখ্যাও বেশি। বন্ধ থাকা বিমানবন্দরগুলি চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। নিখোঁজ ব্যক্তিদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রেই নিরাপত্তাবাহিনীর অভিযানে নিহত জঙ্গিদের নামই ওই তালিকায় উঠে আসছে।জঙ্গিদের হাতে অত্যাধুনিক অস্ত্র থাকার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তাঁর দাবি, জঙ্গিদের ব্যবহৃত রাইফেলের দাম প্রায় ২০ লক্ষ পাকিস্তানি টাকা এবং থার্মাল সাইটের দাম ৪ থেকে ৫ হাজার ডলার। এত অর্থের জোগান কোথা থেকে আসছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তিনি। ইরান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত লাগোয়া বালোচিস্তানে দীর্ঘদিন ধরেই হিংসাত্মক বিদ্রোহ চলছে এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডরের সঙ্গে যুক্ত প্রকল্পগুলিও বারবার হামলার লক্ষ্য হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

রেজিনগরে হার হুমায়ুন-পুত্রের, কলকাতার বিজয় মিছিল থেকে ভাগীরথী নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর!

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে জয়ের পর কলকাতায় বিজয় মিছিল করল বিজেপি। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। মিছিলের পরে আয়োজিত সভা থেকে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। হুমায়ুনের ভাগীরথী মন্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ৩০ ভাগকে ভাগীরথীর জলে ভাসাবে বলেছিল। এখন নিজেই নাকের জলে চোখের জলে ভাসছে। একই সঙ্গে রেজিনগরের ফলকে সামনে রেখে সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে বিজেপির অবস্থানও তুলে ধরেন তিনি।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নওদা ও রেজিনগর, দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর। নিয়ম অনুযায়ী, পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। সেই কেন্দ্রে উপনির্বাচনে নিজের দলের প্রার্থী করেন ছেলেকে। ভোটের প্রচারে রেজিনগর থেকেই হিন্দুদের কেটে ভাগীরথীর জলে ভাসিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন হুমায়ুন। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়।কিন্তু রেজিনগরের উপনির্বাচনে জয় পায় বিজেপি। প্রায় ৭০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটার থাকা এই কেন্দ্রে হুমায়ুনের ছেলে পরাজিত হন। ফলাফলে বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ৭৫ হাজারের বেশি ভোটে জয়ী হন বলে দাবি করা হয়েছে। হারের আশঙ্কায় ফল প্রকাশের আগেই রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন হুমায়ুন। পরে তাঁকে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা যায়। সেই প্রসঙ্গ টেনেই কলকাতার সভা থেকে তাঁকে আক্রমণ করেন শুভেন্দু।রেজিনগরের ফলকে বিজেপির রাজনৈতিক সাফল্য হিসাবেই তুলে ধরেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সংখ্যালঘুদের ভোট পায় নাএই ধারণা ভেঙে দিয়েছে রেজিনগরের মানুষ। শুভেন্দুর দাবি, সংখ্যালঘু ভোটারদের একাংশও এখন বিজেপির দিকে ঝুঁকছেন। তাঁর কথায়, সংখ্যালঘুরা দেখেছেন, তাঁদের ভোট ছাড়াও মোদির জয়রথ চলছে। তাই মূলস্রোতে থাকতে তাঁরাও বিজেপিকে ভোট দিচ্ছেন।এ দিনের সভা থেকে হাওড়া ও কলকাতা পুরসভা নির্বাচন নিয়েও দলের পক্ষে প্রচার করেন শুভেন্দু। আগামী দিনে এই দুই পুরসভায় বিজেপিকে জেতানোর জন্য মানুষের কাছে আবেদন জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ডবল ইঞ্জিন সরকারের কথা উল্লেখ করে শুভেন্দু বলেন, এ বার ট্রিপল ইঞ্জিন সরকার গড়ার লক্ষ্য নিতে হবে। হাওড়া ও কলকাতার মানুষ বিজেপিকে সমর্থন করবেন কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। কলকাতার রাস্তায় দাঁড়িয়ে দুহাত পেতে ভোট চাওয়ার কথা বলে আগামী নির্বাচনের জন্য জনসমর্থন চান শুভেন্দু।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্ট অভিযানে রাহুল-মমতা, পাল্টা বিজেপির তোপ, দিল্লিতে মোতায়েন ২০ হাজার আধাসেনা!

ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে এই অভিযানে যোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কংগ্রেসের শীর্ষ নেতারা, বাম নেতারা এবং সমাজবাদী পার্টির কর্মীরা। অন্য দিকে, একই সময়ে সাংবাদিক বৈঠক করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, বিরোধীরা বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে কাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে দিল্লিতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে ২০ হাজার আধাসেনা মোতায়েন রয়েছেন। আরও এক মাস তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।রবিবারই সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল বিরোধী জোট। পরিকল্পনা ছিল, রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব-সহ বিরোধী নেতারা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি জমা দেবেন। কিন্তু রবিবার রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, তাঁদের সঙ্গে দেখা করার সময় দেওয়া সম্ভব নয়। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীরা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। সেগুলি নিয়ে শুনানিও চলছে। আদালতকে রাজনৈতিক মঞ্চ হিসেবে ব্যবহার করা যায় না বলেও বার্তা দেন তিনি।তবে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ না মেলায় অভিযান বাতিল করেনি বিরোধী জোট। সোমবার রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক নেতা সুপ্রিম কোর্টের উদ্দেশে রওনা হন। প্রথমে বাসে যাত্রা শুরু হলেও পরে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পায়ে হেঁটে এগোতে দেখা যায়। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বাম যুবনেত্রী নেহা বোরাকও।পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁদের জন্যই তাঁরা বিচার চাইছেন। জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতির সঙ্গে দেখা না হলেও সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বিরোধীদের। সিপিআই নেতা ডি রাজার বক্তব্য, বিরোধী নেতারা আদালত চত্বর পর্যন্ত যাবেন। পরে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দল পিটিশন জমা দেবে।অন্য দিকে, বিরোধীদের এই কর্মসূচির পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি। দলের নেতা শিবরাজ সিং চৌহান অভিযোগ করেন, বিরোধীরা দেশের সংবিধানকে অসম্মান করছেন। তাঁর দাবি, ইন্ডিয়া জোট বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল হয়ে উঠেছে। রাহুল গান্ধী অতীতে বিজেপির পাশাপাশি রাষ্ট্রশক্তির বিরুদ্ধেও লড়াইয়ের কথা বলেছেন বলে উল্লেখ করে শিবরাজের কটাক্ষ, এই ধরনের কাজের জন্যই এক দিন কংগ্রেস মুছে যাবে।এ দিকে, সমাজমাধ্যমে রাহুল গান্ধীও পাল্টা বার্তা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, শিবের তাণ্ডব শুরু হয়ে গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মিছিল শিবের মিছিল, এখানে যে কেউ যোগ দিতে পারেন। কাউকে আটকানো হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে ঘিরে ভোট চুরির অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি এবং বিরোধীদের সুপ্রিম কোর্ট অভিযানসব মিলিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে দিল্লিতে। এক দিকে আদালতে পিটিশন জমার প্রস্তুতি, অন্য দিকে বিজেপির পাল্টা আক্রমণ। এই পরিস্থিতিতে রাজধানীতে নিরাপত্তার কড়াকড়ি আরও এক মাস বজায় রাখার সিদ্ধান্ত ঘিরেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লির পর কলকাতাতেও ‘জ্ঞানেশ কুমার হটাও’ মিছিল! হাঁটতে পারেন মমতা, নজর পুলিশের অনুমতিতে

দিল্লির রাজনৈতিক আন্দোলনের আঁচ এ বার কলকাতাতেও। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে মঙ্গলবার মিছিলের ডাক দিল কালীঘাট তৃণমূল। রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত এই মিছিলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা। এই কর্মসূচি নিয়ে একটি প্রচারপত্র প্রকাশ করেছে কালীঘাট তৃণমূল। তবে শেষ পর্যন্ত মিছিল হবে কি না, তা নির্ভর করছে পুলিশের অনুমতির উপর।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনকে কেন্দ্র করে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। সেই অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতায় মিছিলের ডাক দিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল।প্রকাশিত প্রচারপত্রে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের অভিযোগ তোলা হয়েছে। দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আটক করা এবং তরুণ প্রজন্মের উপর অত্যাচার চালানোর অভিযোগও তুলে ধরা হয়েছে সেখানে। এই সব ঘটনার প্রতিবাদে সাধারণ মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আয়োজকেরা। জেলায় জেলায়ও কর্মসূচির বার্তা পাঠানো হয়েছে বলে খবর।মিছিলের অন্যতম আকর্ষণ হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি। তিনি আদৌ এই কর্মসূচিতে হাঁটবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আয়োজকদের তরফে প্রকাশিত প্রচারপত্রে মিছিলের কথা জানানো হলেও, পুলিশের অনুমতি না মেলা পর্যন্ত কর্মসূচির চূড়ান্ত ছবি স্পষ্ট হচ্ছে না।এ দিকে, পুজোর মরসুম শুরু হয়ে গিয়েছে। কলকাতার একাধিক বড় পুজোমণ্ডপ ইতিমধ্যেই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মিছিলের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। মিছিল হলে ওই এলাকায় যান চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। অনুমতি না মিললে কালীঘাট তৃণমূল কী পদক্ষেপ করবে, তা এখনও জানা যায়নি।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মাধ্যমে ভোটে কারচুপির অভিযোগ এবং জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সোমবার সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিরোধী জোট। রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সেই কর্মসূচিতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, একাধিক বাম নেতা এবং সমাজবাদী পার্টির নেতাকর্মীরাও যোগ দেন।দিল্লির পর এ বার কলকাতায় এই ইস্যুতে তৃণমূলের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার মিছিলের অনুমতি মেলে কি না এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাতে যোগ দেন কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের পীঠস্থান’, আন্দোলনের দিন ঠিক করতে পুলিশকে চরম বার্তা সিজেপির

যন্তর-মন্তরেই আন্দোলন করতে চায় ককরোচ জনতা পার্টি। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে এ বার দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিল সিজেপি। সোমবার পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যায়। থানায় ঢোকার আগে সিজেপি নেতারা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, যন্তর-মন্তর ছেড়ে অন্য কোথাও আন্দোলন করতে তাঁরা রাজি নন। তাঁদের দাবি, যন্তর-মন্তরই প্রতিবাদের অন্যতম প্রধান জায়গা। সেখানে বিক্ষোভের দিন ও সময় পুলিশকেই ঠিক করে দিতে হবে।সিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য, আন্দোলনের দিনক্ষণ ঠিক করার দায়িত্ব দিল্লি পুলিশের হাতেই ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে সিদ্ধান্ত জানাতে বেশি সময় নেওয়া যাবে না। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশকে নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাতে হবে বলে দাবি করেছেন তাঁরা।আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, আন্দোলনের তারিখ জানতে তাঁরা দিল্লি পুলিশের কাছে যাচ্ছেন। পুলিশই তাঁদের বিক্ষোভের দিন জানাবে। তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিদ্ধান্ত না জানালে তাঁরা পরবর্তী পদক্ষেপ করবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সৌরভ দাসের বক্তব্য, তাঁরা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চান। শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার সকলের রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, আগে পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি চাইতে গেলে অন্তত ১০ দিন আগে আবেদন করার কথা বলত। এ বার তাঁরা পুলিশের কাছেই আন্দোলনের দিন ও সময় জানতে চাইছেন। তবে সেই সিদ্ধান্তের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে রাজি নন তাঁরা।উল্লেখ্য, শনিবার সিজেপির আন্দোলনে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন দলের তিন শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপক, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তাঁদের অভিযোগ, দিল্লিতে পৌঁছনোর আগেই বিমানের ভিতর থেকে তাঁদের আটক করা হয়। পরে রবিবার ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।মুক্তি পাওয়ার পরেও আন্দোলন থেকে সরে আসার কোনও ইঙ্গিত দেননি সিজেপি নেতারা। বরং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চেয়ে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা জানিয়েছিলেন তাঁরা। সেই মতো সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যান দলের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল।যন্তর-মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে ব্যবহার করা নিয়ে দিল্লি পুলিশের সাম্প্রতিক নির্দেশিকার পরেই এই টানাপড়েন আরও বেড়েছে। সিজেপির দাবি, যন্তর-মন্তরেই তাঁদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সুযোগ দিতে হবে। অন্য দিকে, পুলিশ কী সিদ্ধান্ত নেয়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই বিষয়ে কোনও ঘোষণা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
বিদেশ

জ্বালানি সঙ্কট থেকে বাজারের ওঠানামা, অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের গবেষণা কেন গুরুত্বপূর্ণ?

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদএমনই দাবি করা হয়েছে প্রকাশের জন্য দেওয়া খবরে। সেখানে বলা হয়েছে, সোমবার রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস চলতি বছরের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় রয়েছেন রবার্ট ই হল এবং মাইকেল উডফোর্ড। সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখার ক্ষেত্রে ব্যষ্টিক অর্থনীতির তাত্ত্বিক ভিত্তি নিয়ে গবেষণার জন্য তাঁদের এই সম্মান দেওয়া হয়েছে বলে খবরটিতে উল্লেখ করা হয়েছে।রবার্ট ই হল আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। অন্য দিকে, মাইকেল উডফোর্ড নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত।দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণার মূল বিষয় হল, কী ভাবে একটি দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখা যায়। ব্যক্তি, পরিবার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কী ভাবে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়, তা ব্যষ্টিক অর্থনীতির আলোচ্য বিষয়। এই সিদ্ধান্তগুলির সঙ্গে সামগ্রিক অর্থনীতির ওঠানামার সম্পর্ক বুঝতে তাঁদের গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ বলে দাবি করা হয়েছে।বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক এবং সরকার অর্থনীতি পরিচালনার জন্য নানা ধরনের মডেল ব্যবহার করে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মডেলগুলির তাত্ত্বিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে দুই অর্থনীতিবিদের গবেষণা সাহায্য করেছে। বাজারের পরিবর্তন, অর্থনৈতিক ওঠানামা এবং আর্থিক সঙ্কট মোকাবিলায় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রেও তাঁদের কাজের গুরুত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার কমিটির চেয়ারম্যান জন হাসলারের বক্তব্য অনুযায়ী, এই গবেষণার ফলে জ্বালানি সঙ্কট কিংবা সাধারণ মানুষের খরচের অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তনের মতো অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলানোর প্রস্তুতি আরও ভাল ভাবে নেওয়া সম্ভব। অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কী ভাবে পরিবর্তন ঘটে, তা বুঝতে পারলে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলির পক্ষে উপযুক্ত নীতি তৈরি করা সহজ হতে পারে।গত বছর ব্যবসায়িক উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সম্পর্ক নিয়ে গবেষণার জন্য তিন জন গবেষক অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন। নতুন পণ্য ও উদ্ভাবন কী ভাবে অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতিতে সাহায্য করে, তা ব্যাখ্যা করেছিলেন তাঁরা।এর আগে গত সপ্তাহে চিকিৎসাবিজ্ঞান, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, সাহিত্য এবং শান্তিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছিল বলে দেওয়া খবরে উল্লেখ রয়েছে। অর্থনীতিতে পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে চলতি বছরের নোবেল ঘোষণা পর্ব শেষ হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন প্রকাশের আগে ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম এবং পুরস্কারের কারণ সরকারি সূত্র থেকে যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
রাজ্য

আন্দোলনে যোগ দিলেই দৈনিক সাড়ে ৯ হাজার টাকা! আরামবাগের পড়ুয়াদের নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বিজেপি বিধায়কের

ককরোচদের আন্দোলনে যোগ দিলেই মিলবে টাকা! দৈনিক ১০০ ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৯ হাজার টাকা। এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন পরশুড়ার বিজেপি বিধায়ক বিমান ঘোষ। তাঁর আরও অভিযোগ, আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন কাজে অংশ নিলে মাসে ৯৬ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছে। আরামবাগের প্রান্তিক এলাকার কলেজ পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে এই প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি তাঁর। এই অভিযোগের সমর্থনে কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার স্ক্রিনশটও দেখিয়েছেন বিধায়ক। তবে এই দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা যায়নি।বিমান ঘোষের দাবি, রবিবার পরশুড়া বিধানসভা এলাকার এক কলেজ পড়ুয়া তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। ওই পড়ুয়া তাঁকে কিছু তথ্য ও হোয়াটসঅ্যাপের বার্তা দেখান। সেই সূত্রেই বিষয়টি তাঁর নজরে আসে বলে জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ওই পড়ুয়ার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি। পাশাপাশি, সম্পূর্ণ কথোপকথনও প্রকাশ্যে আনেননি।বিমান ঘোষের অভিযোগ, ককরোচদের আন্দোলনের নামে পড়ুয়াদের টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। তাঁর দাবি, এই সংগঠনের মাধ্যমে দেশের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি এবং ভারতবিরোধী কাজকর্ম চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। আন্দোলনের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস এবং সিপিএমের একাংশের যোগ রয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। যদিও এই অভিযোগগুলির পক্ষে এখনও কোনও স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ সামনে আসেনি।বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য, বিষয়টি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। তাঁর কাছে আসা তথ্য ও নথি সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ে জানানোর প্রস্তুতি চলছে। খুব শীঘ্রই সমস্ত নথি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলেও দাবি করেছেন তিনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরে ককরোচদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে একাধিক বিক্ষোভ হয়েছে। কখনও কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি, আবার কখনও ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন হয়েছে। এই আন্দোলনের পিছনে বিদেশি অর্থের জোগান রয়েছে বলেও বিভিন্ন মহলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই অভিযোগের সত্যতা এখনও নিশ্চিত নয়।এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানা যায়নি। ফলে বিমান ঘোষের দাবি এবং দেখানো হোয়াটসঅ্যাপের বার্তাগুলি ঘিরে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত বা সরকারি তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয় কি না, এখন সে দিকেই নজর।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

‘সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা’, তা হলে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করলেন না কেন? জানালেন প্রধান বিচারপতি

সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য খোলা। সোমবার এই মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। কিন্তু তা হলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে দেখা করতে রাজি হলেন না কেন? এই প্রশ্নের জবাবে প্রধান বিচারপতি জানালেন, কেন তিনি সাক্ষাৎ করতে পারবেন না, তা চিঠিতেই জানিয়েছেন। তবে সেই চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ্যে আনতে চাননি তিনি।প্রধান বিচারপতি জানান, রাহুল গান্ধীর চিঠি তিনি আগের দিন পেয়েছিলেন। সে দিন রাতেই তার জবাবও দিয়েছেন। তাঁর কথায়, চিঠিতে এমন কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হয়েছে, যার জন্য তিনি রাহুলের সঙ্গে দেখা করতে পারছেন না।কী সেই কারণ? এই প্রশ্নের উত্তরে সূর্য কান্ত বলেন, চিঠিতে কী লেখা রয়েছে, তা রাহুল গান্ধীর কাছেই জানতে চাওয়া উচিত। তিনি চিঠির গোপনীয়তা বজায় রেখেছেন বলেও জানান প্রধান বিচারপতি।তবে সাধারণ নাগরিক থেকে জনপ্রতিনিধিসকলেরই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি। প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, যে কোনও ভারতীয় নাগরিক আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আসতে পারেন। তিনি সাধারণ নাগরিক হোন বা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, আইন মেনেই তাঁদের বক্তব্য শোনা হবে এবং তাঁদের অধিকার রক্ষা করা হবে।দিল্লির পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে কোনও মন্তব্য করতে চাননি প্রধান বিচারপতি। বিষয়টি আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত বলে জানান তিনি।উল্লেখ্য, ভোট চুরির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে প্রধান বিচারপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে চেয়েছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এবং রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সোমবার তাঁদের এই আবেদন ঘিরেই নতুন করে চর্চা শুরু হয়।তবে আগের দিন রাতেই তাঁদের আবেদন খারিজ করে দেন প্রধান বিচারপতি। তাঁর বক্তব্য, বিরোধী নেতারা যে বিষয়গুলি তুলতে চাইছেন, সেগুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন রয়েছে। সাংবিধানিক কাঠামো অনুযায়ী, সরকারের কাজে হস্তক্ষেপ করার প্রশাসনিক ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের নেই বলেও তিনি জানিয়েছেন।ফলে রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গে সাক্ষাৎ না হলেও আদালতের দরজা সকলের জন্য খোলাএই বার্তাই দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। তবে চিঠিতে সাক্ষাৎ না করার যে কারণগুলি উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলি আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬
দেশ

মোদি সরকারের অন্দরে ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ! সাংবাদিক বৈঠকে বিস্ফোরক দাবি রাহুলের

মোদি সরকারের অন্দরমহলের খবর কি পৌঁছে যাচ্ছে রাহুল গান্ধীর কাছে? সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে কর্মরত অন্তত ২০০ জন আধিকারিক নিয়মিত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তাঁদের কাছ থেকেই সরকারের নানা খবর পান বলে জানিয়েছেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, পুলিশের একাংশও বিরোধীদের আন্দোলনকে সমর্থন করছে বলে দাবি রাহুলের। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে ভোট চুরি এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি নিয়ে সরব হন রাহুল। সেই প্রসঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তাঁর সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তত ২০০ জন আধিকারিকের যোগাযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবং বিদেশমন্ত্রক-সহ বিভিন্ন দফতর থেকে তিনি তথ্য পাচ্ছেন। তবে কোন আধিকারিকেরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি কংগ্রেস নেতা।দিল্লিতে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশি পদক্ষেপ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন রাহুল। তাঁর দাবি, পুলিশের প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী তাঁদের জানিয়েছেন যে বিরোধীরা যা করছেন, তা ঠিক এবং সেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া উচিত। পুলিশ, আধাসেনা এবং দেশের সাধারণ মানুষ বিরোধীদের পাশে রয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও তাঁর এই দাবির সমর্থনে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ সাংবাদিক বৈঠকে তুলে ধরা হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়।শনিবারের বিক্ষোভে ধরপাকড়ের প্রসঙ্গেও কেন্দ্রকে নিশানা করেন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, ভোট চুরির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন হলেও দিল্লিকে কার্যত জেলখানায় পরিণত করা হয়েছে। তাঁর মতে, আন্দোলন দমনের চেষ্টা করে মোদি সরকার বড় ভুল করছে।ব্যঙ্গের সুরে রাহুল বলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করতে সরকার চাইলে ২০ থেকে ৩০ হাজার পুলিশকর্মীও মোতায়েন করতে পারে। তাঁর দাবি, গত ১২ বছর ধরে মানুষের মনে জমে থাকা ক্ষোভ এখন প্রকাশ্যে আসছে। সরকার যত বেশি বাধা দেবে, বিরোধীরা ততই তাদের লক্ষ্যের কাছে পৌঁছবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।রাহুলের বক্তব্য, শুধু রাজনৈতিক দল নয়, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন জমায়েত থেকেও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। ভোট চুরির অভিযোগ এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের আন্দোলন চলবে বলেও স্পষ্ট করেছেন তিনি।তবে কেন্দ্রীয় সরকারের ২০০ জন আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ এবং পুলিশের একাংশের সমর্থন নিয়ে রাহুলের দাবিগুলি তাঁর নিজের বক্তব্য হিসাবেই সামনে এসেছে। এই দাবিগুলির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

অক্টোবর ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal