• ১৫ চৈত্র ১৪৩২, সোমবার ৩০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mayor

রাজনীতি

বিধাননগরে মেয়র কৃষ্ণাই, চেয়ারম্যান সুব্রত, ঘোষিত ৩ পুর নিগমের মেয়রের নামও

তিন পুরনিগমের মেয়র পদে দলের বিশ্বস্ত সৈনিকদেরই বেছে নিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। বিধাননগরের মেয়রের দায়িত্ব ফের দেওয়া হয়েছে কৃষ্ণা চক্রবর্তীকে। ডেপুটি মেয়র করা হয়েছে অনিতা মণ্ডলকে। বিজেপি থেকে ঘর ওয়াপসি করা সব্যসাচী দত্তকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আসানসোল পুর নিগমের মেয়র হয়েছেন বিধান উপাধ্যায়কে। আর চন্দননগরের মহানাগরিকের দায়িত্ব ফের বর্তেছে রাম চক্রবর্তীর কাঁধে। শুক্রবার দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক শেষে এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী ও কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম।গত সোমবার চার পুরনিগমের ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়র হিসেবে দলের দীর্ঘদিনের নেতা গৌতম দেবের নাম ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকি তিন পুরনিগমের মেয়র পদ নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল, তিন পুরনিগমের মেয়র পদে কারা বসবেন তা নিয়ে। একাধিক নামও বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছিল। বিধাননগরের মেয়র পদে দৌড়ে যেমন কৃষ্ণা চক্রবর্তী, সব্যসাচী দত্তের নাম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল, তেমনই আসানসোলের মেয়র হিসেবে বর্তমান প্রশাসক অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটকের নাম নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল।এদিন কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। ওই বৈঠকেই তিন পুরনিগমের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও চেয়ারম্যানকে বেছে নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, আসানসোলের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন বিধান উপাধ্যায়। দুজনকে ডেপুটি মেয়রের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। অভিজিৎ ঘটক ও ওয়াসিমুল হক ওই দায়িত্ব পাচ্ছেন। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলাবেন অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। চন্দননগরের মেয়রের দায়িত্ব থাকছে রাম চক্রবর্তীর কাঁধেই। বিধাননগরের মেয়রের দায়িত্ব পাচ্ছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র হচ্ছেন প্রাক্তন সাংসদ মনোরঞ্জন ভক্তের মেয়ে অনিতা মণ্ডল। চেয়ারম্যান হচ্ছেন প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। পুরবোর্ডের বাকি পদাধিকারীদের পরে বেছে নেওয়া হবে বলে এদিন জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়ির মেয়র হবেন গৌতম দেব

এই প্রথম বার শিলিগুড়ি পুরনিগমে বোর্ড গঠন করবে তৃণমূল। সোমবার সকালে ভোটগণনা শুরুর কিছু ক্ষণের মধ্যেই তা স্পষ্ট হয়ে যায়। সেই আবহেই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন শিলিগুড়ির মেয়র হবেন গৌতম দেব।ঘটনাচক্রে সোমবারই তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মমতা। ওই সফর শুরু হবে শিলিগুড়ি দিয়ে। মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরের দিনেই প্রথম বার শিলিগুড়ির ভার পেল তৃণমূল, ফলে শাসক শিবিরে অতিরিক্ত উচ্ছ্বাস। খুশি মমতাও। তিনি বলেন, আমি খুশি। শিলিগুড়িতে জয়ের খবর নিয়ে যাচ্ছি। এটা আমার কাছে বড় ব্যাপার। গৌতম দেব মেয়র হবে শিলিগুড়ির। কারণ ও প্রবীণ নেতা। অন্য জায়গাগুলিতে দল সিদ্ধান্ত নেবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, শিলিগুড়িতে আজ কত উন্নয়ন হচ্ছে। শিলিগুড়ি থেকে ভুটান, নেপাল, বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ হয়। সেখানে রাস্তা, ফ্লাইওভার, ভোরের আলো এমন সব নানা প্রকল্প আমরা নিয়েছি।শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জিতেছেন গৌতম। জয়ের পর তিনি বলেন, শিলিগুড়ির মানুষের হয়ে আজ আমরা দিদিকে অর্ঘ্য নিবেদন করব। এই জয় শিলিগুড়ির মানুষকে উৎসর্গ করছি।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

বিধাননগরের মেয়র কে? সব্যসাচীর পর মমতার বাড়িতে গেলেন কৃষ্ণাও

বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী জিতলেন এ বারও। জিতে সব্যসাচী দত্তের মতো তিনিও গেলেন দলনেত্রীর কালীঘাটের বাড়িতে। সেখান থেকে বেরিয়ে বলেন, আজ মানুষকে ধন্যবাদ জানানোর দিন। মানুষ যাকে জেতায়, সেই শেষ কথা বলে।বিধাননগরে ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে লড়েছিলেন কৃষ্ণা। ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলপ্রার্থী ছিলেন আর এক প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। দুজনেই জিতেছেন। স্বভাবতই জল্পনা তৈরি হয়েছে, এ বার বিধাননগরের মেয়র হবেন কে, কৃষ্ণা না সব্যসাচী? জয়ের পর এ দিন দুজনেই আলাদা আলাদা ভাবে মমতার কালীঘাটের বাড়িতে এসে দেখে করেন।বিধাননগরে জয় নিশ্চিত হতেই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দলনেত্রীর বাড়িতে আসেন সব্যসাচী। সেখান থেকে ফিরহাদ হাকিমের বাড়ি হয়ে তিনি যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। তার কিছু ক্ষণের মধ্যেই ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী ঘোষণা করা হয় কৃষ্ণাকে। সেই খবর পেয়েই সল্টলেক থেকে কৃষ্ণার গাড়ি ছোটে কালীঘাটের পথে। মমতার সঙ্গে দেখা করেন তিনি।প্রসঙ্গত, ফল প্রকাশের পরেই একটি সাক্ষাৎকারে কৃষ্ণা প্রসঙ্গে দলনেত্রী মমতা বলেন, কৃষ্ণা আমার চিরকালের সহসাথী। ওদের প্রত্যেককে আমি খুব ভাল করে চিনি। আজকের সম্পর্ক তো নয়, ৮৪ সালে আমি যখন যাদবপুরে এমপি হয়ে দিল্লি গিয়েছিলাম, তখন কৃষ্ণা আমার সঙ্গে গিয়েছিল। ৫ বছর আমার সঙ্গে ছিল। আমরা দুজনে রান্না করতাম। এবং কৃষ্ণা প্রেম করে যে বুয়া (সমীর চক্রবর্তী)কে বিয়ে করেছে, সেটাও আমার বাড়ি থেকেই। ওর অনেক মজার গল্প আছে। আমি চাইব, কারও বিরুদ্ধে কোনও বিদ্বেষ নয়। আমাদের উদ্দেশ্য, সবাই যাতে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

বাড়িতে বসেই এবার পাওয়া যাবে জন্ম-মৃত্যুর সংশাপত্র

কলকাতা পুরসভা থেকে জন্ম আর মৃত্যুর শংসাপত্র পাওয়ার পদ্ধতি আরও সহজ হচ্ছে। এখন থেকে বাড়িতে বসেই যেমন আবেদন করা যাবে জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্রের, তেমনই বাড়িতেই পৌঁছে যাবে ওই শংসাপত্র। খুব শিগগিরই এমন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে কলকাতা পুরসভায়। শনিবার এই পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন কলকাতা পুরসভার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম। শুধু তাই নয়, পুরসভার সমস্ত কাজকে সম্পূর্ণ পেপারলেস করারও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জন্ম ও মৃত্যু শংসাপত্রের জন্য সাধারণ মানুষকে যাতে হয়রানি পোহাতে না হয়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে না হয়, তার জন্য গত বছর থেকেই হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করেছিল কলকাতা পুর কর্তৃপক্ষ। বাড়িতে বসেই অনলাইনে ওই শংসাপত্রের জন্য আবেদন জানানো যায়। সেই সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জানা যায় কোন নির্দিষ্ট দিনে কোন সময়ে শংসাপত্র নিতে আসতে হবে। এতে অনেকটাই কমেছে হয়রানি। তবে শংসাপত্র নেওয়ার জন্য আসা সাধারণ মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে হয়। সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই এবার অন্য পথে হাঁটা হচ্ছে।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম জানান, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে কলকাতা পুরসভার সমস্ত কাজই অনলাইনে হবে। কাগজের ব্যবহার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পুরসভার কাজকর্ম পেপারলেস করার জন্য ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ৪২ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে। কীভাবে পুরসভাকে সম্পূর্ণ কাগজমুক্ত করা যায়, তার জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও কথা বলবেন।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

KMC Election: কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিমই, ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ

মহারাষ্ট্র নিবাস থেকে কলকাতার নতুন মেয়রের নাম ঘোষণা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী পাঁচ বছরের জন্য কলকাতার মহানাগরিক হলেন ফিরহাদ হাকিম। পুরসভার চেয়ারম্যান হলেন মালা রায়। এদিন শুরুতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলের জয়ী ১৩৪ জন কাউন্সিলরকে অভিনন্দন জানান। তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী নতুন চেয়ারম্যানের নাম প্রস্তাব করেন। কলকাতা পুরসভার চেয়ারম্যান হিসাবে মালা রায়ের নাম প্রস্তাব করেন সুব্রত বক্সী। কলকাতা পুরসভার দলনেতা হিসাবে ফিরহাদ হাকিমের নাম প্রস্তাব করেন বক্সী। দুই প্রস্তাবেই উঠে আসে সমর্থনের হাত।ডেপুটি মেয়র হলেন অতীন ঘোষ। ১৩ জন মেয়র পরিষদের সদস্য হলেন। নাম রয়েছে দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মজুমদার, বাবু বক্সী, আমিরুদ্দিন ববি, সন্দীপন সাহা, জীবন সাহা, রাম পেয়ারী রাম, অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়, তারক সিং, মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়, জীবন সাহা, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, স্বপন সমাদ্দারের।এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমাদের ১৬টা বরোর মধ্যে ১০টি বরো কমিটির চেয়ারম্যানই মহিলা। এটা মহিলাদের এমপাওয়ারমেন্টের একটা প্রকাশ। খুব ভাল করে কাজ করুন। খুব ভাল থাকুন। মালা রায় চেয়ারপার্সন হয়েছেন। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথের যে বিষয়গুলি আছে, সেগুলি সেরে ফেলতে হবে।কলকাতার মহানাগরিক পদে বসেই ফিরহাদ হাকিম বলেন, জীবন যদি যায় যাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বাসকে ভঙ্গ হতে দেব না। তাঁর আদর্শ, বিশ্বাস নিয়েই এতদিন পুরবোর্ড চলেছে। এরপরও চলবে। অর্থাৎ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথে হেঁটে আমরা শুধু কাজ করে যাব। আমৃত্যু ওনার বিশ্বাসের মর্যাদা দিয়ে উনি যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা পালন করব।একই সঙ্গে ১৬টি বরোর চেয়ারম্যানের নামও এদিন ঘোষণা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। ১ নম্বর বরো কমিটির দায়িত্বে তরুণ সাহা, ২ বরো সামলাবেন শুক্লা ভোঁড়, ৩ বরো অনিন্দ্যকিশোর রাউত, ৪ বরোয় সাধনা বোস, ৫ বরো রেহানা খাতুন, ৬ বরো সানা আহমেদ, ৭ বরো সুস্মিতা ভট্টাচার্য, ৮ বরো চৈতালী চট্টোপাধ্যায়, ৯ বরো দেবলীনা, ১০ বরো জুঁই বিশ্বাস, ১১ বরো তারকেশ্বর চক্রবর্তী, ১২ বরো সুশান্ত ঘোষ, ১৩ রত্না শূর, ১৪ বরো সংহিতা দাস, ১৫ বরো রঞ্জিত শীল, ১৬ বরো সুদীপ পোলে।এই মঞ্চ থেকেই নব নির্বাচিত কাউন্সিলরদের বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাদ বাকি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাউন্সিলররা আছেন। ধীরে ধীরে আমরা পারফরম্যান্স দেখব। আমরা কাজের রিভিউ করব। যাঁরা ভাল কাজ করবেন, ভাল পাবেন। যাঁরা ভাল কাজ করবেন না তাঁদের জন্য দল সিদ্ধান্ত নেবে। দলের উপর বিশ্বাস রাখুন সব হবে। ব্যক্তিগত লবি নয়। একটাই লবি, দল একটাই। আমাদের সবার নেতা কিন্তু জোড়া ফুলটাই। জোড়া ফুলের নেতা মা মাটি মানুষ।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Vaccine: টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র

করোনা ভ্যাকসিন দেওয়াকে কেন্দ্রে করে বিতর্কে জড়ালেন আসানসোল পুর প্রশাসক বোর্ডের সদস্যা তাবাসসুম আরা। অভিযোগ, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মী থাকা সত্বেও তিনি নিজে এক মহিলাকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন।ঘটনায় ইতিমধ্যেই পুরসভার প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র তথা তৃণমূল নেত্রী তাবাস্সুম আরাকে শোকজ করা হল। সেই সঙ্গে চবকার ওই শিবিরে উপস্থিত থাকা এক চিকিৎসক এবং দুই নার্সকেও কারণ দর্শানোর নোটিস ধরানো হয়েছে। ঘটনায় সরব হয়েছেন বাবুল সুপ্রিয় ও অগ্নিমিত্রা পল। শনিবার চবকায় যৌন কর্মীদের জন্য আয়োজন করা টিকা শিবিরে গুড়িয়া মাহাতো নামে এক মহিলাকে নিজেই টিকা দেন তাবাসসুম। ওই সময়কার যে ভিডিও পাওয়া গিয়েছে, তাতে দেখা গিয়েছে তাবাস্সুমের হাতে সিরিঞ্জ তুলে দিচ্ছেন নার্স। ওই কাণ্ডে স্বাভাবিক ভাবেই শোরগোল পড়ে যায়। এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আসানসোল পুরসভার পুর প্রশাসক বোর্ডের সদস্য তবস্সুমকে শোকজ করেছেন বোর্ডের চেয়ারপার্সন অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। শীঘ্রই ওই কাণ্ডেব জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুনঃ দাম্পত্যে ইতি। বিবাহ বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত লাগান খ্যত ভুবনেরবিষয়টি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলতে রাজি নন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা। তবে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ফোনে বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজ তারা করলেই ভালো। অন্য কারও তা করা উচিত নয়। এটি খুবই সেনসেটিভ বিষয়।আসানসোল(Asansol) পুরসভার স্বাস্থ্য আধিকারিক দিলীপ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, স্বাস্থ্য কর্মীরা নিজেদের কাজ করছিলেন। সেখানে অন্য কেউ তা না করাই উচিত। যে মহিলাকে উনি ভ্যাকসিন দিয়েছেন তাকে নজরে রাখা হচ্ছে। তাবাসসুম আরা এনিয়ে বলেন তাঁর নার্সিং ট্রেনিং রয়েছে। এসব কাজ তিনি জানেন। তবে তিনি মনে করেন কাজটা মনে হয় ভুলই হয়েছে।Seems like TMC govt has no control over its administrators.TMCs Tabassum Ara, a member of the administrative body of AMC, has vaccinated people herself and risked hundreds of livesWill her political colour shield her from stern punishment?@MamataOfficial pic.twitter.com/EaF3EsK9Bw Babul Supriyo (@SuPriyoBabul) July 3, 2021অন্যদিকে টিকা কাণ্ডে চবকার ওই টিকা শিবিরে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক অপূর্বকুমার পানকেও শোকজন করেছেন আসানসোলের পুর কমিশনার নীতিন সিংহানিয়া। তার পাশাপাশি, মনালি ভট্টাচার্য এবং শাহনওয়াজ পারভিন নামে দুই নার্সকেও শোকজ করা হয়েছে। তাঁরাও ওই টিকা শিবিরে ছিলেন।TMCs manhandling of the lives of people knows no bounds..A non-medical official, TMCs Tabassum Ara, member of administrative board of AMC, chose to vaccinate the people herself, in spite of doctors and nurses being present there Is she even medically authorised to do so? pic.twitter.com/3WSFqKw6hE Agnimitra Paul Official (@paulagnimitra1) July 3, 2021বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরও। গুড়িয়া নামের ওই মহিলাকে নজরে রাখার জন্য এক চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক অশ্বিনী কুমার মাজি। তিনি বলেন, যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য পুরসভার চিকিৎসক দীপক গঙ্গোপাধ্যায়কে নজর রাখতে বলা হয়েছে। কোনও রকম কোনও অসুবিধা হলে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সব সময় ওই মহিলার পাশে থাকবে।

জুলাই ০৩, ২০২১
কলকাতা

করোনা-বিধি মেনেই চলছে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব

ঙ্গার ঘাটগুলিতে প্রতিমা নিরঞ্জনের পালা শুরু হয়েছে মঙ্গলবার সকাল থেকেই। নির্বিগ্নে সমস্ত করোনা বিধি মেনে চলে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব। এর পাশাপাশি , গঙ্গার ঘাট পরিস্কার করার কাজও অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে করা হচ্ছে। নির্দেশ অনুযায়ী, মঙ্গল ও বুধবার প্রতিমা নিরঞ্জন করা যাবে । এই কাজের জন্য অতিরিক্ত পৌরকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও পুলিশ, ডুবুরি, ডিজ়াস্টার ম্যানেজমেন্টের কর্মীরা উপস্থিত রয়েছেন ঘাটগুলিতে ৷ যে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধ করতে গঙ্গার ঘাটগুলিতে চালানো হচ্ছে কড়া নজরদারি। আরও পড়ুন ঃ বাইক বুক করে চালকের হাতে হেনস্থার শিকার বাঙালি যুবক এদিন সকালে বাজা কদমতলা ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জন পর্যবেক্ষণ করতে আসেন কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পারিষদ সদস্য দেবাশিস কুমার। তিনি জানান , গতকালই কলকাতার ৫০ শতাংশ প্রতিমার নিরঞ্জন হয়েছে বিভিন্ন ঘাটে । বাজা কদমতলা ঘাটে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬০০ প্রতিমা নিরঞ্জন হয়েছে । আজ দিনভর প্রতিমা নিরঞ্জন চলবে । দ্রুত প্রতিমা নিরঞ্জন করে ঘাটগুলি থেকে কাঠামো সাফাই করার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে । পাশাপাশি, ১ ঘণ্টা অন্তর বাবুঘাট ও তার পার্শ্ববর্তী ঘাটগুলিকে জীবাণুমুক্তকরণের কাজ চলছে । যারা প্রতিমা নিরঞ্জন করতে আসছেন প্রত্যেককেই মাস্ক ব্যবহার করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ২৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

বিনোদুনিয়া

টলিপাড়ায় গভীর শোকের ছায়া! শুটিঙের মধ্যেই দীঘার সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা!

টলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। অকালপ্রয়াণ হল অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়-এর। মাত্র ৪৩ বছর বয়সেই এই মর্মান্তিক ঘটনায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে বাংলা বিনোদন জগৎ।দিঘার শুটিংয়ে কী ঘটেছিল?জানা গিয়েছে, রবিবার দিঘা-র তালসারি এলাকায় একটি ধারাবাহিকের শুটিং চলছিল। ভোলে বাবা পার করেগা নামের ওই ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছিলেন রাহুল। শুটিংয়ের মাঝেই তিনি সমুদ্রের জলে নামেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আচমকাই তিনি জলে তলিয়ে যান।সঙ্গে থাকা টেকনিশিয়ানরা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। এরপর তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতাল সূত্রে খবর, সেখানে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, জলে ডুবে যাওয়ার ফলেই এই মর্মান্তিক পরিণতি।সহ-অভিনেতার বক্তব্যধারাবাহিকে রাহুলের জেঠুর চরিত্রে অভিনয় করছিলেন ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, শুটিং প্রায় শেষের দিকেই ছিল এবং প্যাক-আপের পর এই দুর্ঘটনা ঘটে।ভাস্করের কথায়,আমরা সবাই শুটিং সেরে মধ্যাহ্নভোজ করতে গিয়েছিলাম। রাহুল বলেছিল, আরও কয়েকটা শট দিয়ে আসবে। তারপর হঠাৎই এই খবর পাই। বিশ্বাসই করতে পারছি নাএকজন সুস্থ, প্রাণবন্ত মানুষ এভাবে চলে যেতে পারেন!কী নিয়ে ধোঁয়াশা?ঘটনার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। সমুদ্রের স্রোত, অসতর্কতা, নাকি অন্য কোনও কারণসবটাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শুটিং ইউনিট এবং স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গিয়েছে।শোকস্তব্ধ টলিপাড়ারাহুল অরুণোদয়ের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে টলিউডে। সহকর্মী থেকে অনুরাগীসকলেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করছেন। একজন প্রতিভাবান অভিনেতার এই আকস্মিক বিদায়ে বাংলা ধারাবাহিক জগতে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি হল।এই মর্মান্তিক ঘটনাটি আবারও প্রশ্ন তুলে দিলসমুদ্রতীরবর্তী এলাকায় শুটিংয়ের সময় পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা জরুরি। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই হয়তো স্পষ্ট হবে, ঠিক কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা সংশোধন: ১৮ লক্ষ বাদ! ৪০ লক্ষ-র নিষ্পত্তি, এখনও অনিশ্চয়তায় ২০ লক্ষ নাম

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া জোরকদমে চলছে। প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে রবিবার পর্যন্ত প্রায় ৪০ লক্ষের তথ্য যাচাই ও নিষ্পত্তি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এখনও প্রায় ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বিবেচনাধীন রয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৬ এপ্রিলের আগেই এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা হবে।এখন পর্যন্ত খসড়া ও চূড়ান্ত তালিকা মিলিয়ে রাজ্যে মোট ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। প্রথম অতিরিক্ত তালিকা থেকেই বাদ পড়েছে প্রায় ১২ লক্ষ নাম। Supreme Court of India-এর নির্দেশে এই বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ করছেন বিচারকেরা। এই কাজে ভিন্রাজ্য থেকেও বিচারক আনা হয়েছে।২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে Election Commission of India। তখন বিবেচনাধীন ভোটারের সংখ্যা ছিল ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫। এই বিশাল সংখ্যক আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্বে রয়েছেন মোট ৭০৫ জন বিচারক। কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ধাপে ধাপে সংশোধিত তালিকা প্রকাশ করা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী ২৩ মার্চ রাতে প্রকাশিত হয় প্রথম অতিরিক্ত তালিকা। যদিও ওই তালিকায় কতজনের নাম যুক্ত বা বাদ পড়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য এখনও জানানো হয়নি।এসআইআর শুরুর আগে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় ৫৮ লক্ষ ২০ হাজার ৮৯৯ নাম বাদ পড়ে এবং মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ১৬ হাজার ৬৩০। পরে ২৮ ফেব্রুয়ারির চূড়ান্ত তালিকায় আরও ৫ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৩ জনের নাম বাদ যায়। ফলে ওই সময় পর্যন্ত মোট বাদ পড়া নামের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২।খসড়া তালিকায় থাকা ৭ কোটি ৮ লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষকে শুনানির জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে নো-ম্যাপিং ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩১ লক্ষ ৬৮ হাজার ৪২৬যাঁরা ২০০২ সালের শেষ এসআইআরের সঙ্গে নিজেদের তথ্যের মিল দেখাতে পারেননি। বাকি প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারকে তথ্যগত অসঙ্গতির কারণে চিহ্নিত করা হয়।সব মিলিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লক্ষ ভোটারের শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ৮২ লক্ষ ভোটারের নথি গ্রহণযোগ্য বলে মনে করেছে কমিশন। অন্যদিকে, শুনানির ভিত্তিতে বাছাই করে ৫ লক্ষের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপরই প্রকাশিত হয় প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা, যেখানে রাজ্যের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪। তবে সেই তালিকাতেও ৬০ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে রেখে দেওয়া হয়।নির্বাচনের মুখে এই বৃহৎ পরিসরের যাচাই প্রক্রিয়া প্রশাসনের কাছে যেমন বড় চ্যালেঞ্জ, তেমনই রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখন নজর, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি থাকা ভোটারদের ভাগ্য কীভাবে নির্ধারণ করে কমিশন।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

পুনর্নির্বাচন ঘিরে তীব্র অভিযোগ, “আমাদের এলাকাতেই টার্গেট”— মমতার দাবি

পুরুলিয়ার সভা থেকে আবারও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, যেখানে তৃণমূল শক্তিশালী, সেখানেই পরিকল্পিতভাবে পুনর্নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে। এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।সভামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মা-বোনেরা নির্বাচনের দিন ভাল করে বুথ পাহারা দেবেন। ওদের পরিকল্পনা আমাদের এলাকাগুলোতে পুনর্নির্বাচন করানো। অনেক চক্রান্ত হচ্ছে, এটা দিল্লির চক্রান্ত। এই চক্রান্ত আমরা ব্যর্থ করে দেব। তিনি আরও বলেন, মনে রাখবেন, সুস্থ বাঘের থেকে আহত বাঘ আরও ভয়ঙ্কর।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর কাছ থেকে প্রশাসনিক অনেক ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে তিনি মানুষের শক্তির ওপরই ভরসা রাখছেন। তাঁর কথায়, আমি মানুষের ক্ষমতা চাই। মানুষই এর জবাব দেবে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন এ বার অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে কড়া অবস্থান নিয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, কোথাও ভয় দেখানো হলে বা ভোট দিতে বাধা দেওয়া হলে তা গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজন হলে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।কমিশনের এক পর্যবেক্ষক জানান, যদি কোনও ভোটার নিজের বুথে গিয়ে ভোট দিতে না পারেন বা বাধার মুখে পড়েন, তবে সেটিকে গুরুতর সমস্যা হিসেবে ধরা হবে। সেই ক্ষেত্রে পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকও জানিয়েছেন, আগে পুনর্নির্বাচন ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। কিন্তু এখন কোনও সন্দেহ বা অভিযোগ উঠলেই তা খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকরাও পুনর্নির্বাচনের সুপারিশ করতে পারবেন।এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং কমিশনের কড়া অবস্থান দুই মিলিয়ে রাজ্যের নির্বাচনী আবহ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরক অসিত! রচনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড় চুঁচুড়া

সাংবাদিক বৈঠকে অসিত মজুমদার বলেন, রচনা চান না দেবাংশু জিতুক। সবাইকে নিয়ে চলার মানসিকতা তাঁর নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বলেছেন সবাইকে সঙ্গে নিয়ে চলতে, কিন্তু তিনি তা মানছেন না। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, রচনার জন্যই তিনি টিকিট পাননি। তাঁর কথায়, আমি এখনও বিধায়ক, অথচ মিছিলে আমার নাম নেই। রচনা দেবাংশুকে নিয়ে মিছিল করবে আর নির্দেশ দেবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।তিনি আরও বলেন, যাঁরা টিকিট পাননি সেই ৭৪ জন বিধায়ককে অপমান করা হয়েছে। রচনাকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ও নতুন এসে দল শেখাবে? ও চান না দেবাংশু জিতুক। দীর্ঘদিনের সংগঠক হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও তুলে ধরেন অসিত।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন লড়াই করে দলকে এগিয়ে এনেছি। এখন যারা নতুন, তারা এসে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। তাঁর অভিযোগ, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।ক্ষোভের সুরে তিনি আরও বলেন, দল যা বলেছে তাই করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে পুরনোদের আর বিশ্বাস করা হচ্ছে না। রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি বলেন, দম থাকলে চুঁচুড়ায় নির্দলে দাঁড়ান। আমিও দাঁড়াব। যদি ওর থেকে বেশি ভোট না পাই, তবে মাথা ন্যাড়া করে জেলায় ঘুরব।অন্যদিকে, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, নতুন প্রার্থী নির্ধারণ করেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। পুরনো প্রার্থীদের ক্ষেত্রে মানুষের বিশ্বাস এবং সমর্থনের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই প্রক্রিয়ার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।এই ঘটনার পর চুঁচুড়া সহ গোটা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরমহলের এই দ্বন্দ্ব আগামী নির্বাচনে কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেক আসার আগেই সভায় হাঙ্গামা, তৃণমূলের অন্দরেই সংঘাত প্রকাশ্যে

নওদায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাকে ঘিরে আচমকা চরম বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হল। সভামঞ্চের সামনেই তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারার ঘটনাও দেখা যায়। ফলে সভাস্থলের একটি বড় অংশ লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়।চোখে পড়ে, এক যুবক মঞ্চের সামনে এসে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। তাঁর পরনে ছিল সাদা রঙের টি-শার্ট। মূলত বিধানসভা নির্বাচনে পছন্দের নেতাকে টিকিট না দেওয়ার অভিযোগেই এই বিক্ষোভ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ টিকিট না পাওয়ায় তাঁর অনুগামীরাই এই বিক্ষোভে সামিল হন। তাঁরা মিছিল করে সভামঞ্চের সামনে চলে আসেন। প্রথমে তাঁরা দর্শক আসনের বাইরে ছিলেন। পরে ব্লক সভাপতি ভিতরে ঢোকার পর হঠাৎ করেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য মঞ্চ থেকে দলের নেতারা বারবার কর্মীদের শান্ত থাকার আবেদন জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুক্ষণের মধ্যেই সভায় উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই ভাঙা চেয়ার গুছিয়ে নেওয়ার কথাও বলা হয়। কিন্তু সেই কথা অনেকেই উপেক্ষা করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান। আগে থেকে বসে থাকা অনেককে সেখান থেকে উঠে যেতে বাধ্য করা হয়।এই ঘটনার জেরে সভাস্থলে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সূত্রের খবর, নওদা কেন্দ্রে এ বার টিকিট পেয়েছেন শাহিনা মমতাজ। সেই কারণেই ব্লক সভাপতির অনুগামীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

এক ধাক্কায় ৮৩ অফিসার বদলি, ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ কমিশনের!

নির্বাচনের আগে প্রশাসনিক মহলে বড়সড় রদবদলের সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। এক ধাক্কায় ৮৩ জন বিডিও এবং সহকারী রিটার্নিং আধিকারিককে বদলি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় এই বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক আধিকারিককে সরানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ১৪ জন এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ১১ জন আধিকারিকের বদলি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। মালদহ ও মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্লকেও এই রদবদল হয়েছে। পাশাপাশি নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার একাধিক জায়গাতেও বদলি হয়েছে আধিকারিকদের।দক্ষিণ ২৪ পরগনায় সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হয়েছে। মগরাহাট, বাসন্তী, কাকদ্বীপ, ফলতা, বিষ্ণুপুর, মিনাখা, পাথরপ্রতিমা, ডায়মন্ড হারবার, মথুরাপুর, ক্যানিং ও ভাঙড়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে নতুন বিডিও নিয়োগ করা হয়েছে। হাওড়া এবং হুগলির বেশ কয়েকটি এলাকাতেও এই বদল কার্যকর করা হয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরি, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, তমলুক, রামনগর, মহিষাদল, নন্দীগ্রাম, কাঁথি, এগরা, ভগবানপুর ও সুতাহাটার মতো জায়গাতেও একাধিক বিডিও বদলি হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এছাড়াও পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার একাধিক ব্লকের বিডিও বদল করা হয়েছে। এই হঠাৎ রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, এর আগে একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনের আধিকারিকদের সরানো হচ্ছে। সেই অভিযোগের আবহেই কমিশনের এই বড় সিদ্ধান্তকে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬
রাজ্য

“আমাকে মারার ছক কষছে?” পুরুলিয়া থেকে বিস্ফোরক মমতা, তীব্র আক্রমণ শাহকে

শনিবার রাজ্যে এসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কলকাতার একটি হোটেলে বসে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বলেন, তিনি নাকি বারবার ভিক্টিম কার্ড খেলেন। এই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে পুরুলিয়ার জনসভা থেকে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এবার কি আমাকে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করছে?শাহর অভিযোগ ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও পায়ে চোট পান, কখনও কপালে ব্যান্ডেজ বাঁধেন, আবার কখনও অসুস্থ হয়ে নিজেকে অসহায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর মতে, বাংলার মানুষ এই ধরনের রাজনীতি ভালোভাবেই বুঝে গিয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনকে অপমান করা বাংলার সংস্কৃতির বিরোধী।এই বক্তব্যের পাল্টা দিতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওরা বলছে আমি নাকি ব্যান্ডেজ নিয়ে ঘুরি। আমি বহুবার মৃত্যুর মুখ থেকে লড়াই করে ফিরেছি। হাসপাতালে গিয়ে আমার রিপোর্ট দেখে আসুন। আমার ওপর কী অত্যাচার হয়েছে, তা আপনারা জানেন না। তিনি আরও দাবি করেন, আগের নির্বাচনের সময় ইচ্ছা করে তাঁর পায়ে আঘাত করা হয়েছিল। তখনও তিনি প্লাস্টার নিয়ে হুইলচেয়ারে করে মানুষের কাছে পৌঁছেছিলেন।নন্দীগ্রামে বিধানসভা নির্বাচনের আগে তাঁর পায়ে চোট লাগার ঘটনাও তিনি তুলে ধরেন। সেই সময় তিনি অভিযোগ করেছিলেন, কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁকে ধাক্কা দেয়, যার ফলে গাড়ির দরজা তাঁর পায়ে লাগে। যদিও তদন্তে জানানো হয়েছিল, সেটি পরিকল্পিত হামলা নয়, বরং দুর্ঘটনা।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এভাবে কথা বলার মানে কী? কেউ কাউকে আক্রমণ করার আগে পরিকল্পনা করে। যে ভুল করে, সে কিছু প্রমাণ রেখে যায়। তাঁর কথাতেই বোঝা যাচ্ছে, কিছু একটা পরিকল্পনা চলছে।২০২৪ সালেও তাঁর মাথায় গুরুতর চোট লাগে। তখন জানা গিয়েছিল, নিজের বাড়িতে পড়ে গিয়ে তিনি আঘাত পান এবং কয়েকদিন তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ ছিল।মমতার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আসলে ভয় পেয়েছেন। তাঁর দাবি, এই অভিযোগপত্র বাংলার মানুষের কথা বলছে এবং মুখ্যমন্ত্রীর উচিত রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলা।

মার্চ ২৯, ২০২৬
কলকাতা

টিকিট না পেয়ে বিস্ফোরণ! তৃণমূল ছাড়ার ইঙ্গিত সুনীল সিংয়ের, নোয়াপাড়ায় বাড়ছে ক্ষোভ

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়ক টিকিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। সেই ক্ষোভ এবার প্রকাশ্যে আনলেন নোয়াপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক সুনীল সিং। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আর তৃণমূলে থাকতে চান না তিনি।নোয়াপাড়ায় তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যকে বেছে নেওয়ায় ক্ষুব্ধ সুনীল। তাঁর অভিযোগ, এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী এনে দলের ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, নোয়াপাড়ার মানুষ এই সিদ্ধান্তে খুশি নন। দলের কর্মীরাও ক্ষুব্ধ। তাঁর কথায়, এলাকায় অনেক যোগ্য নেতা থাকলেও তাঁদের কাউকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।একইসঙ্গে তিনি বলেন, চারবারের বিধায়ক মঞ্জু বসুকে প্রার্থী না করায় নোয়াপাড়ার মানুষ অপমানিত বোধ করছেন। এই সিদ্ধান্ত মানুষ মেনে নেবে না বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, রাজ্যে যেমন পরিবর্তন এসেছিল, তেমনই নোয়াপাড়াতেও পরিবর্তন আসতে পারে।উল্লেখ্য, মঞ্জু বসুও আগে টিকিট না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, টাকা না দেওয়ার কারণেই তাঁকে প্রার্থী করা হয়নি।সুনীল আরও প্রশ্ন তুলেছেন, কেন এলাকার বাইরে থেকে প্রার্থী আনা হল। তাঁর বক্তব্য, স্থানীয় অনেকেই প্রার্থী হওয়ার যোগ্য ছিলেন, কিন্তু তাঁদের কাউকেই বেছে নেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, নোয়াপাড়ার মানুষ বাইরের প্রার্থীকে ভোট দিতে রাজি নন।এর আগেও সুনীল সিংয়ের দলবদল নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। তিনি বিরোধী শিবিরের এক নেতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় তাঁদের সৌজন্য সাক্ষাৎ নিয়েও অনেক জল্পনা তৈরি হয়েছিল।এখন সুনীল সিংয়ের গলায় স্পষ্ট অভিমান। তিনি বলেন, দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে বিশ্বাস করা হয়নি। তাঁর মতে, যে দলে বিশ্বাস নেই, সেখানে থাকার কোনও মানে হয় না। তাই ভবিষ্যতে তিনি কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal