• ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ২৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mam

কলকাতা

Assembly: বড় খবর: বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজই। তার আগে এমন যে কিছু একটা ঘটবে তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই। ঘটলও ঠিক তাই। মাত্র সাত মিনিটে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। আর এমন নজিরবিহীন ঘটনার পিছনে রয়েছে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোল। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রাজ্যপাল বললে বিজেপি বিধায়করা হইচই করতে পারেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর ছিল। কিন্তু, রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত কোনও কিছু না থাকার কারণেই বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে থমকে যায় রাজ্যপালের ভাষণ। প্রথমে স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফের শুরু হয় ভাষণ। কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চলেনি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ভাষণ শুরু করতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পোস্টার নিয়ে আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিধায়করা। উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা অধিবেশনে এরকম বিরোধী হট্টগোলের অনেক নজির রয়েছে। কিন্তু রাজ্যপালের এরকম ভাষণ না দিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা পরিষদীয় ইতিহাসে প্রথম। আশ্চর্যজনকভাবে এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের পালটা কোনও ঝামেলা করতে দেখা যায়নি সরকারপক্ষের কাউকেই।

জুলাই ০২, ২০২১
রাজ্য

Cancer Hospital: রাজ্যে ২টি নতুন ক্যানসার হাসপাতালের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

টাটা মেমোরিয়ালের সঙ্গে যৌথ ভাবে দুটি ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও রাজ্যের অধিকাংশ ক্যানসার আক্রান্ত মুম্বাই যান চিকিৎসা করাতে। তাতে একদিকে যেমন টাকা-পয়সার খরচ বেড়ে যায়, অন্যদিকে সঙ্গে থাকার লোকজনের ঝক্কিও থাকে।আরও পড়ুনঃ Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনএদিন নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন রাজ্যের মানুষ মুম্বাই যান ক্যানসারের চিকিৎসা করতে। এরপর এই রাজ্যেই উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে। টাটা মেমোরিয়াল ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে দুটো ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র করবে এখানে। তার মধ্যে একটা এসএসকেএমে অন্যটি উত্তরবঙ্গে তৈরি করা হবে। এর ফলে আর বাইরের রাজ্যে যেতে হবে না ক্যানসার আক্রান্তদের।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিএদিকে এদিনে বৈঠকে ফের ভ্যাকসিন নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। টিকাপ্রদানে রাজ্য দেশের মধ্যে সেরা কাজ করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইতিমধ্যে রাজ্যে ২.১৭ কোটি ডোজ টিকা দিয়েছি। কেন্দ্রের কাছ থেকে মোট ১.৯৯ কোটি টিকা পেয়েছি। তার মধ্যে ১.৯০ কোটি ডোজ দিয়েছি। রাজ্যে ৫৯ কোটি টাকা দিয়ে সরকারি ট্রেজারি থেকে ১৮ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন কিনেছে। মমতার প্রশ্ন, অন্যরা তিন কোটি ভ্যাকসিন পেলে আমি কেন এক কোটি কম পাব? ফের টিকার দাবি জানিয়ে আজই রাজ্য চিঠি দেবে কেন্দ্রকে।

জুন ৩০, ২০২১
কলকাতা

CM-Dhankhar: অতীত টেনে রাজ্যপালকে পালটা দুর্নীতিগ্রস্ত বললেন মমতা

উত্তরবঙ্গ সফর শেষে কলকাতায় ফেরার আগেই জিটিএ-কে দুর্নীতির আখড়া বলে চিহ্নিত করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। ক্যাগ (CAG) অডিট করানোর কথাও বলেছিলেন। এবার তারই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আর তা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তীব্র আক্রমণ শানালেন। বলেন, উনি নিজে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত। হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে কার নাম উল্লেখ ছিল? তারপর কীভাবে পার পেয়েছেন? জিটিএ-র দুর্নীতির কথা বলার আগে উনি কাদের নিয়ে, কত খরচ করে দার্জিলিং গেলেন, রাজভবনে কত খরচ হলো, সেসব নিয়ে তদন্ত হোক। আর ক্যাগ (CAG) দিয়ে জিটিএ-র অডিটের বিরোধিতায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্য সরকার নিজেই তার অডিট করছে, ক্যাগ (CAG) অডিট প্রয়োজন নেই।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ কবীর সুমনএদিন অতীত টেনে এনে রাজ্যপালকে বিদ্ধ করার পাশাপাশি ফের রাজ্যপালের অপসারণের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, যতদিন এ রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছেন, ততদিন কাজ করব একসঙ্গে। এটা সৌজন্য, কর্তব্য। ওঁকে সরানোর জন্য তিনটে চিঠি দিয়েছি কেন্দ্রকে। তাদের এবার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে মনে হয়। এখনও কেন্দ্রের তরফে কোনও উত্তর পাইনি। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত বাংলার পরিচিত ছবি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সঙ্গে রাজভবনের একটা দ্বন্দ্ব চলছে বরাবর। এমনকী তৃতীয়বার রাজ্যের ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই তাঁর সমালোচনা করেন। তা নিয়েও বেশ জলঘোলা হয়েছিল। এবার দুর্নীতির মতো ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীও কড়া ভাষায় তাঁকে পালটা আক্রমণে নামলেন।

জুন ২৮, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ বহাল থাকছে ১৫ জুলাই পর্যন্ত, বাড়ছে ছাড়-চলবে যাত্রীবাস

রাজ্যে ফের করোনার বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ল ১৫ জুলাই পর্যন্ত। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছাড় আরও বেড়েছে। সোমবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চলবে সরকারি ও বেসরকারি বাস। এখনই পুরোপুরি করোনাবিধি প্রত্যাহার হচ্ছে না। ১ জুলাই থেকে নতুন বিধিনিষেধ চালু হবে।কী কী ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী** রাত ৯টা থেকে সকাল ৫টা পর্যন্ত জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে বের হতে পারবেন না। আগের নিয়ম বহাল থাকছে।** সরকারি ও বেসরকারি বাস চালু করা হচ্ছে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে বাস রাস্তায় নামত পারবে।** কলকাতা, জেলা ও রাজ্যের মধ্যে বাস চলাচল করবে।** অটো, টোটোসহ যাত্রীবাহন চলবে করোনা বিধিন মেনে ।** সেলুন ও বিউটি পার্লার চালু রাখা যাবে। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৬টা পর্যন্ত। ৫০ শতাংশ কাষ্টমার থাকতে পারবে সেখানে। ভ্যাকসিন নিতে হবে কাস্টমার ও কর্মীদের। প্রতিদিন স্যানিটাইজ করতে হবে।** সবজি ও মাছের বাজার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২ পর্যন্ত খোলা থাকবে। আগের থেকে ১ ঘণ্টা বেড়েছে এক্ষেত্রে।** এছাড়া বাকি দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।** জিম খোলা থাকবে ৫০ শতাংশ হাজিয়ায়। সকাল ৬টা থেকে ১০টা ও বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা।** ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে দুপুর ২টো পর্যন্ত।** ট্রেন চালু করার ব্যাপারে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেই পরিস্থিতি হয়নি।** বিয়ের অনুষ্ঠান বা উৎসবে সর্বোচ্চ ৫০ জন হাজির থাকতে পারবে।** যারা মহামারি আইন মানছে না তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।** রেস্টুরেন্ট বা খাবারের দোকান খোলা থাকবে ১১টা থেকে ৮টা পর্যন্ত।** বেসরকারি বা কর্পোরেট সেক্টরে এখন থেকে ৫০ শতাংশ হাজিরা থেকে কাজ করতে পারবে। আগে ছিল ২৫ শতাংশ। কর্মীদের যাতায়াতের ব্যবস্থা করতে হবে সংস্থাকে।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

Narad-Supreme Court: মমতার আবেদনে সাড়া সুপ্রিম কোর্টের, হাইকোর্টকে হলফনামা জমা নেওয়ার নির্দেশ

নারদ মামলায় (Narada case) কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ জারি করল শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই মামলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইনমন্ত্রী মলয় ঘটকের দায়ের করা হলফনামা গ্রহণ করতে হবে হাইকোর্টকে (Calcutta HC)। এই মর্মে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ২৯ জুন, মামলার পরবর্তী শুনানির দিনই তা গ্রহণ করতে হবে বলে শুক্রবার জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মলয় ঘটককে নতুন করে হলফনামা জমা দিতে হবে। তা রেকর্ডও করতে হবে। এমনই জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। ফলে নারদ মামলায় আপাতত স্বস্তিতে রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ ইজরায়েলি দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণ-কাণ্ডে কারগিল থেকে ধৃত ৪ পড়ুয়ামুখ্যমন্ত্রীদের জবাবি হলফনামা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। সময়ের মধ্যে হলফনামা পেশ করা হয়নি, এই যুক্তিতে তাঁদের হলফনামা উচ্চ আদালত তা খারিজ করে। তাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ২১ তারিখ নারদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ নিয়ে মঙ্গলবারের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হেমন্ত গুপ্তা ও বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসুর বেঞ্চে শুনানির কথা থাকলেও, শুরুতেই নিজেকে সরিয়ে নেন বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু। তৈরি হয় নতুন বেঞ্চ। বিচারপতি বিনীত শরণ ও বিচারপতি দীনেশ মাহেশ্বরীর নতুন বেঞ্চ তৈরি করে শুনানি হয়। এরপর শুক্রবার নারদ মামলার শুনানিতে বিচারপতিরা জানান, কলকাতা হাইকোর্টকে এই হলফনামা গ্রহণ করতে হবে। নতুন করে হলফনামা পেশ করতে হবে এবং তার রেকর্ড রাখতে হবে।

জুন ২৫, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে কবে পুরভোট? কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে ১১২টি পুরসভার নির্বাচন বাকি রয়েছে। এরমধ্যে ৬টি কর্পোরেশনও আছে। পুরপ্রশাসক নিয়োগ করে পুরসভাগুলো পরিচালনা করা হচ্ছে। কবে পুরভোট হতে পারে বৃহস্পতিবার নবান্নে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।২০১৮-তেই বেশ কয়েকটি পুরসভার নির্বাচিত বোর্ডের পরিচালনের মেয়াদ ফুরিয়ে যায়। তারপর ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১১২টিতে। তার মধ্যা কলকাতা, হাওড়া, বিধাননগর, চন্দননগর, আসানসোল ও শিলিগুড়ি কর্পোরেশনের নির্বাচন বাকি রয়েছে। এবার রাজ্য অপেক্ষা করছে বিধানসভার ৭টি আসনে কবে উপনির্বাচন হবে। এর মধ্যে যে কোনও একটি আসন থেকে নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জয়ী হতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আরও পড়ুনঃ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডরাজ্যে পুরসভা নির্বাচন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইলেকশন কমিশন আগে উপনির্বাচনের কথা বলুক, আমাদের সময়মতো পুর নির্বাচন করব। আমরা অপক্ষো করছি। আমরা তৈরি। আমাদের নির্বাচন করতে কোনও ভয় নেই। আমাদের দেখতে হবে ৭ টি আসনে কবে উপনির্বাচন হয়। বাদ বাকিগুলো করে নেব।আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রাম মামলার শুনানি শেষ, রায়দান স্থগিতলোকসভা ভোটের পর থেকেই রাজ্যে পুরসভাগুলোর মেয়াদ শেষ হতে থাকে। নানা কারণে নির্বাচন পিছোতে থাকে। শেষমেশ কোভিড পরিস্থিতি এসে পড়ে এরাজ্যেও। এরইমধ্যে ৮ দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এবার দেখার বিষয় কবে উপনির্বাচন ঘোষণা করে। রাজ্য চাইছে যত দ্রুত সম্ভব উপনির্বাচন যেন হয়। সেক্ষেত্রে তারপরই পুরনির্বাচনও সম্পন্ন করে ফেলতে চায় রাজ্য।

জুন ২৪, ২০২১
রাজ্য

Student Credit Card: মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড

কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় মাসের মধ্যে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্প। আগামী ৩০ জুন এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুনঃ সিএবি-র উদ্যোগে ক্রিকেটারদের ৫ দিন ব্যাপী টিকাকরণ অভিযাননির্বাচনের আগে ইস্তেহারে একাধিক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল (TMC)। সেখানে বলা হয়েছিল, স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের কথা। এই প্রকল্পে পড়াশোনার জন্য পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা ঋণ দেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে এই প্রকল্প। তিনি জানিয়েছেন, দশম শ্রেণি থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন পড়ুয়ারা। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ১৭ জুলাই জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষাএদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পড়ুয়াদের ঋণ দেওয়ার যে প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছিল, তা মন্ত্রিসভার অনুমোদন পেয়েছে। আজকের দিনটি পড়ুয়াদের। রাজ্যে দশম শ্রেণিতে প্রতিবছর কম-বেশি ১০ লক্ষ পড়ুয়া থাকে, দ্বাদশ শ্রেণিতে থাকে সাড়ে ৯ লক্ষ। দশম থেকে স্নাতক, স্নাতকোত্তর-সহ যাবতীয় পড়াশোনার জন্য রাজ্যের তরফে এবার পড়ুয়াদের ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য করা হবে। যা ক্রেডিট হবে তা ফেরত দেওয়ার জন্য চাকরি পাওয়ার পর ১৫ বছর সময় পাবেন পড়ুয়ারা।

জুন ২৪, ২০২১
রাজনীতি

Mukul-Mamata: "মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার", বললেন মমতা

সম্প্রতি তৃণমূল ভবনে গিয়ে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন কৃষ্ণনগরের বিজেপি বিধায়ক মুকুল রায়। তবে বিধায়কপদ ছাড়েননি মুকুল। বরং তিনি বিধানসভায় পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্যপদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এই নিয়েই বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পিএসির মনোনয়ন প্রসঙ্গে বলেছেন, মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার।আরও পড়ুনঃ মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজের দাবিতে শুভেন্দুর চিঠি স্পিকারকেদল ছেড়ে আসার সময় মুকুল রায় ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি। দল ত্যাগ করলেও বিধানসভার সদস্যপদ ছাড়েননি কৃষ্ণনগরের বিধায়ক। অন্যদিকে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আদাজল খেয়ে নেমে পড়েছেন মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ করার জন্য। তিনি অধ্যক্ষকে মুকুলের বিধায়ক পদ বাতিলের জন্য লিখিত আবেদনও জানিয়েছেন। এদিকে বৃহস্পতিবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর কথায় নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। কী বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির নমিনেশন যে কেউ জমা দিতে পারেন। মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার। অসুবিধের কি আছে। তাঁকে তো বিনয় তামাংদের দল সমর্থন করেছে। আমরাও সাপোর্ট দেব। এটা স্পিকারের সিদ্ধান্ত। আর যদি ভোটাভুটি হয় ভোটে জিতবো। যাকে প্রয়োজন তাঁকে মানুষের ভোটে জেতাব।আরও পড়ুনঃ মুকুলের কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকদল ত্যাগ করলেও জনপ্রতিনিধির পদ না-ছাড়ার প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে এরাজ্য। বেশ কয়েকবছর ধরেই এই রেওয়াজ চলছে। মুকুল রায় বিজেপি ছেড়ে বিধায়ক পদ ছাড়েননি। অন্যদিকে বর্ধমান পূ্র্বের তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডল তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেও পদ আঁকড়ে বসে আছেন। যদিও তৃণমূল কংগ্রেসও শিশির অধিকারী ও সুনীল মন্ডলের সাংসদ পদ খারিজের জন্য লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছে।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

State By-Election: রাজ্যে দ্রুত উপনির্বাচনের আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর

কোভিড (COVID-19) পরিস্থিতি এখন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। নির্বাচন কমিশন চাইলেই উপনির্বাচন করতে পারে। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক থেকে কমিশনের (Election Commission) উদ্দেশে দ্রুত রাজ্যের ৭ আসনের উপনির্বাচন সেরে ফেলার আর্জি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে কমিশন এবং প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কটাক্ষও শোনা গেল মুখ্যমন্ত্রীর গলায়।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত পূর্ব বর্ধমান, চলল ব্যাপক মারধর-ভাঙচুরবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2021) বিপুল আসনে জিতে তৃতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে হ্যাটট্রিক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee)। তবে নির্বাচনে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। যদিও সেই ফলাফলে নানান কারচুপির অভিযোগ ওঠায়, বিষয়টি বর্তমানে আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তবে নিয়মমাফিক ছমাসের মধ্যে ভোটে জিতে আসতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। যার মধ্যে প্রায় মাস দেড়েক ইতিমধ্যেই কেটে গিয়েছে। বস্তুত রাজ্যে আগামী সাড়ে চার মাসের মধ্যে ৭ আসনে উপনির্বাচনও হওয়ার কথা। যার মধ্যে যে কোনও একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে চান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerejee)। আরও দুই মন্ত্রী অমিত মিত্র (Amit Mitra) এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কেও জিতিয়ে আনতে হবে।তৃণমূল নেতাদের আশঙ্কা, রাজ্যে সাংবিধানিক সংকট তৈরির উদ্দেশে এই উপনির্বাচনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে নির্বাচন কমিশন। করোনার অজুহাতে ছমাসের মধ্যে উপনির্বাচন নাও করানো হতে পারে। এদিন নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মমতার কথায় সেই আশঙ্কার আভাস মিলল। তিনি বললেন, আমি তো শুনেছি প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিত না পেলে নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের অনুমতি দেবে না। তাই আমি প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, আমাদের উপনির্বাচনটা ক্লিয়ার করে দিন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন জানিয়েছেন, রাজ্যে মোট ৭ আসনে উপনির্বাচন বাকি। এখন কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তাই যে কোনও সময় উপনির্বাচন হতে পারে। তাঁর আর্জি, সাতদিন সময় দিয়ে উপনির্বাচন করুন। উপনির্বাচনে প্রার্থীদের বেশি সময় দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

জুন ২৩, ২০২১
রাজনীতি

Narad-Case: এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী

নারদ মামলায় এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ তাঁর হলফনামা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদলতে মামলা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামিকাল, অর্থাৎ মঙ্গলবার হবে শুনানি।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ৩২হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরমে মাসের ১৭ তারিখ নারদ মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের তিন বিধায়ক ফিরহাদ হাকিম, মদন মিত্র, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। তারপরই নিজাম প্যালেসে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক। সেখানে প্রায় ৬ ঘণ্টা ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।দপ্তরের বাইরে ভিড় এত বেড়ে যায় যে বাড়তি বাহিনী মোতায়েন করে সেই ভিড় সামলাতে হয়। এই ঘটনাকে খুব একটা ভাল চোখে দেখেনি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, জনপ্রিয় নেতাদের গ্রেপ্তারির প্রতিবাদে চাপ তৈরি করছে দল। সিবিআই আধিকারিকদের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।সেই ঘটনাকে ঘিরে তুঙ্গে পৌঁছয় কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত। কলকাতা হাইকোর্টে নারদ মামলায় মুখ্যমন্ত্রীকে পার্টি করে মামলা করে সিবিআই। তারপরই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে হলফনামা দায়ের করার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সেই হলফনামা গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। তারপরই এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।

জুন ২১, ২০২১
শিক্ষা

Teacher Recruitment: বড় খবরঃ রাজ্যে ৩২হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

এবার ঢালাও শিক্ষক নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সোমবার নবান্নে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আন্দোলন চলছে। তারওপর আদালতেও নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা চলছিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় স্বস্তি মিলেছে কর্মপ্রার্থীদের।এদিন নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, দুর্গাপুজোর মধ্যে ১৪০০০ আপার প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য সরকার। তাছাড়া আরও ১০৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নেওয়া হবে। এরই পাশাপাশি তিনি ঘোষণা করেন, পুজোর পর আগামী মার্চের মধ্যে আরও ৭৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ করবে রাজ্য। অর্থাৎ রাজ্যে মোট ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।শিক্ষকপদে নিয়োগ নিয়ে এর আগে যোগ্যতা নিয়ে অভিযোগ উঠেছিল। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাই হবে একমাত্র বিচার্য বিষয়। আদালতে মামলার দরুন নিয়োগ আটকে ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় আশার আলো দেখতে পাচ্ছে কর্মপ্রার্থীরা। তবে তাঁদের একটাই দাবি, যোগ্য়তাই যেন মানদন্ড হয়।

জুন ২১, ২০২১
কলকাতা

Post-poll violence: হাইকোর্টের নির্দেশের স্থগিতাদেশের আবেদন মুখ্যমন্ত্রীর

ভোট পরবর্তী হিংসা (Post Poll Violence) নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন জানাতে চলেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। রবিবারই তিনি আবেদন জানাতে পারেন বলে খবর। শুক্রবার এই সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta HC) আরও একটি বিশেষ কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয়। সেই কমিটি ৩০ জুনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছে ৫ বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশের উপরই স্থগিতাদেশ চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২ মে, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের পর থেকে বিজেপির (BJP) অভিযোগ, ব্যাপক হিংসা চলছে। যার নেপথ্যে রয়েছেন শাসকদলের কর্মীরাই। বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা ভয়ে এলাকাছাড়া হয়ে পড়ছেন। কেউ কেউ ভিনরাজ্যেও পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। একটা নির্বাচিত সরকার আসার পর এ ধরনের হিংসা কাম্য নয় বলেও একাধিকবার উষ্মাপ্রকাশ করেছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের সমর্থকদের নিরাপত্তার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে এ নিয়ে মামলাও দায়ের করেন বিজেপি নেত্রী তথা আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। মামলার শুনানিতে ভিনরাজ্যে চলে যাওয়া বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের ফেরানো নিয়ে পদক্ষেপ করতে মানবাধিকার কমিশনের তত্বাবধানে একটি কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, এই কমিটি বিশেষ কাজই করেনি। এখনও ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো যায়নি। এমনকী এ বিষয়ে রাজ্য সরকারও যথেষ্ট উদসীনতার পরিচয় দিয়েছে। অথচ এই সমস্যা সমাধানে রাজ্যেরই সবচেয়ে বড় ভূমিকা নেওয়ার কথা, এমনই উল্লেখ করেছেন বিচারপতিরা।

জুন ২০, ২০২১
রাজ্য

CoronaVirus: প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর

কোভিড পরবর্তী প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। শনিবার রাত ৮.৪০ মিনিট নাগাদ তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩। তার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।Heartfelt condolences to the family supporters of Jayanta Naskar. Deeply pained at this colossal loss.As a 3-time MLA from Gosaba, he had dedicated his life towards serving people was always with us through our many struggles. He will be remembered dearly. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) June 19, 2021মাসখানেক আগেই কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন জয়ন্ত নস্কর। প্রথমে তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখান থেকে পরে নিয়ে যাওয়ায় হয় মধ্য কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। এক মাসের বেশি সময় ধরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল সেখানে। কোভিড মুক্ত হলেও শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। কোভিড পরবর্তী চিকিৎসা চলছিল জয়ন্ত নস্করের। সুন্দরবনের গোসাবা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তিন বার বিধায়ক পদে জিতেছেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক জয়ন্ত নস্কর। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে কংগ্রেসে ছিলেন তিনি। পরে তৃণমূলের জন্মলগ্নেই ওই দলে যোগদান করেন তিনি। বাসন্তির চুনাখালি গ্রামে তাঁর জন্ম। পরিবারে রয়েছেন স্ত্রী-সহ দুই ছেলে এবং তিন মেয়ে।

জুন ১৯, ২০২১
কলকাতা

High Court: নন্দীগ্রাম মামলায় 'পক্ষপাতদুষ্ট' বিচারপতিকে সরানোর আবেদন মমতার

ভোটের লড়াই এখন পৌঁছে গিয়েছে সোজা হাইকোর্টে(High court)। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জয়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী করা মামলায় এ বার বিচারপতিকে নিয়ে প্রশ্ন উঠল। এবং যে বিচারপতির এজলাসে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে তা সরানোর আবেদন জানালেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী। বিচারপতি কৌশিক চন্দের (Kaushik Chanda) এজলাস থেকে মামলা সরানোর আবেজন জানিয়ে হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দালকে একটি চিঠি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Bannerjee) আইনজীবী। এদিকে, নন্দীগ্রাম মামলা বিচারপতি চন্দের এজলাসে পাঠানোর প্রতিবাদে মুখে কালো মাস্ক এবং হাতে পোস্টার নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন আইনজীবীরা। পোস্টারে লেখা ছিল, বিচারব্যবস্থার সঙ্গে রাজনীতি করবেন না।বিচারপতি কৌশিক চন্দের ইতিহাস টেনে মমতা দাবি করেছেন, আইনজীবী থাকাকালীন কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি কর্মী ছিলেন। তিনি এই মামলার বিচার করলে রায় পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারে, এমন দাবি তোলা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে।ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে দেওয়া চিঠিতে মমতা মনে করিয়ে দিয়েছেন, কোনও আইনজীবী বিচারপতি হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর সম্মতির প্রয়োজন হয়। কৌশিক চন্দ আইনজীবী থেকে বিচারপতির পদে উন্নীত হওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও এই বার্তা গিয়েছিল এবং সেই সময় তিনি আপত্তি তুলেছিলেন। যেহেতু কৌশিক চন্দ সক্রিয় বিজেপি সমর্থক ছিলেন তাই মুখ্যমন্ত্রীর তাঁকে বিচারপতির পদে উন্নীত করা নিয়ে আপত্তি ছিল।যদিও তারপর বিচারপতির পদে শপথ নেন কৌশিক চন্দ। ঠিক এখানেই মমতার প্রশ্ন, যেখানে স্পর্শকাতর মামলাটি খোদ একজন বিজেপি প্রার্থীর জয়ের বিরুদ্ধে, সেখানে এই বিচারপতি কী ভাবে মামলাটি শুনতে পারেন! তিনি শুনলেও রায় পক্ষপাতদুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। প্রসঙ্গত, শুক্রবার মামলাটি এজলাসে উঠলে আইনজীবীদের একাংশও বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছিলেন। এ দিন দেখা যায়, যখন হাইকোর্টে মামলাটি দায়ের হয় সেদিনই আপত্তি তোলেন মমতা।

জুন ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Nandigram: ভোট পুনর্গননার মমতার আবেদনের শুনানি পিছল

নন্দীগ্রামের (Nandigram) নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলার শুনানি আজ হল না কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta HC)। আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত শুনানি পিছিয়ে দিলেন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। সূত্রের খবর, আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি। তবে আজ মামলাটি গৃহীত হয়েছে।এর মধ্যে এই মামলায় যুক্ত সব পক্ষকে এখনও আবেদনের প্রতিলিপি পাঠানো হয়নি। সেই কাজও সম্পূর্ণ করতে হবে। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)কাছেও মামলার নোটিস পাঠাতে হবে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ জানিয়ে দেন, এই সব আইনি প্রক্রিয়ার জন্য এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হচ্ছে। আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার পূর্ণাঙ্গ শুনানি হবে। একুশের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে লড়াইয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার সন্ধের পর হাইকোর্টে তিনি নিজেই মামলাটি দায়ের করেন। তা বিশেষ মামলা হিসেবে চিহ্নিত করে শুক্রবার দিনের শুরুতেই শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এদিন মামলাটি গ্রহণের পর শুনানি স্থগিত করে দিয়েছেন বিচারপতি।

জুন ১৮, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: বাধা বৃষ্টি, স্থগিত মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

বঙ্গে পা রেখেই ঝোড়ো ইনিংস শুরু করেছে বর্ষা (Monsoon)। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ের চাপে রাজ্যজুড়ে চলছে দুর্যোগ। একটানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন বহু এলাকা। চিন্তা বাড়াচ্ছে নদীর জলস্তর বৃদ্ধিও। শনিবার পর্যন্ত এমন আবহাওয়া জারি থাকবে বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাই উত্তরবঙ্গ সফর আপাতত স্থগিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।আগামী ২১ জুন উত্তরবঙ্গ সফরে যাওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee)। তৃতীয়বার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম উত্তরবঙ্গ সফর। তাই এবারের উত্তরবঙ্গ সফর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। গত লোকসভার মতো বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বেশ কঠিন লড়াই করতে হয়েছে ঘাসফুল শিবিরকে। হাতছাড়া হয়েছে বহু আসন। তাই মনে করা হচ্ছে কী কারণে ভোটবাক্সের এমন অবস্থা হল, তা খতিয়ে দেখতেই মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর। তাছাড়া উত্তরবঙ্গে প্রায়শই দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ-বিক্ষোভের কথা শোনা যায়। তা প্রশমন করাও লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এছাড়া দলনেত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর স্থানীয় দলীয় কর্মীদের মনোবল যে বেশ খানিকটা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট, তা নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এছাড়াও এবারের উত্তরবঙ্গ সফরে পাঁচ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে শিলিগুড়িতে বৈঠকেরও কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। সেক্ষেত্রে আধিকারিকদের নিজস্ব জায়গা ছেড়ে শিলিগুড়িতে আসতে হত। তার ফলে ত্রাণ এবং প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্তদের উদ্ধারকাজ থমকে যেতে পারে, তাই উত্তরবঙ্গ সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত বলেই জানিয়েছেন গৌতম দেব।

জুন ১৮, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: আজই ঘর ওয়াপসি? তৃণমূলভবনে চলছে বৈঠক

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি করতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুকুল নিজেও জানান, তৃণমূল ভবনেই যাচ্ছেন তিনি। দুপুর সাড়ে ৪টে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক।ইতিমধ্যেই তিনি ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূল ভবনে চলে এসেছেন। চলে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জল্পনা ঘোরাফেরা করছিলই। কয়েক বছর গেরুয়া শিবিরে কাটিয়ে, দলে বড় পদ পাওয়ার পর আর মন টিকছে না সেভাবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের তাই ধারণা হয়েছিল, ফের ঘাসফুলের পথে পা বাড়াবেন বলে জমি তৈরি করছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। সূত্রের খবর, তৃণমূল ভবনে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা (Mamata Banerjee) সাংগঠনিক বৈঠক চলছে।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

Mukul Roy: আজই ঘর ওয়াপসি? তৃণমূলভবনে চলছে বৈঠক

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি ছেড়ে ঘর ওয়াপসি করতে চলেছেন মুকুল রায়। তৃণমূল ভবনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূলের প্রথম সারির নেতাদের উপস্থিতিতে মুকুল এবং শুভ্রাংশুর রায়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কথা। শুক্রবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে মুকুল নিজেও জানান, তৃণমূল ভবনেই যাচ্ছেন তিনি। দুপুর সাড়ে ৪টে নাগাদ সাংবাদিক বৈঠক।ইতিমধ্যেই তিনি ছেলে শুভ্রাংশুকে নিয়ে তৃণমূল ভবনে চলে এসেছেন। চলে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জল্পনা ঘোরাফেরা করছিলই। কয়েক বছর গেরুয়া শিবিরে কাটিয়ে, দলে বড় পদ পাওয়ার পর আর মন টিকছে না সেভাবে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের তাই ধারণা হয়েছিল, ফের ঘাসফুলের পথে পা বাড়াবেন বলে জমি তৈরি করছিলেন মুকুল রায় (Mukul Roy)। সূত্রের খবর, তৃণমূল ভবনে এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা (Mamata Banerjee) সাংগঠনিক বৈঠক চলছে।

জুন ১১, ২০২১
রাজনীতি

ফেসবুক লাইভ নিয়ে মদনকে ভর্ৎসনা মমতার

দলের সাংগঠনিক বৈঠকে ফেসবুক লাইভ নিয়ে দলনেত্রীর কাছে একপ্রকার ধমক খেতে হল কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রকে । তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মদনকে সাফ জানিয়ে দিলেন, এভাবে সামাজিক মাধ্যমে যখন তখন সব কথা বলা যায় না। যদিও মিটিং শেষে মদনবাবু বললেন, দলনেত্রী তাঁকে ফেসবুক লাইভগুলি আরও সুন্দরভাবে করতে বলেছেন।গতরাতে ফেসবুক লাইভে এসে মদন মিত্র প্রকাশ্যেই বলে বসেন, কামারহাটির পুর প্রশাসকের দায়িত্ব আমাকে দায়িত্ব দিয়ে দেখুন। তিন মাসে সব বদলে দেব। কলকাতা শহরের চেয়েও উন্নত করবেন কামারহাটিকে। যা তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে দেয়। আজ দলের সাংগঠনিক বৈঠকে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ না করলেও মদন মিত্রকে মমতা তীব্র ভর্ৎসনা করেছেন বলেই সূত্রের খবর। তৃণমূল নেত্রী মদনকে স্পষ্ট সাবধান করে দিয়েছেন, এভাবে যাতে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি কিছু না বলেন। যদিও, বৈঠক শেষে মদনের প্রতিক্রিয়া, দলনেত্রী আমাকে বলেছেন, তোমায় সবাই ভালবাসে। তুমি তোমার ফেসবুকগুলো আরও সাজিয়ে-গুছিয়ে সুন্দর ভাবে করবে। যাতে আমাদের সুবিধা হয়। সাংগঠনিক বৈঠকে বড় কোনও পদ পাননি। তা সত্ত্বেও তাঁর বক্তব্য, সুন্দর কমিটি হয়েছে। বেস্ট টিম ইন দ্য হিস্ট্রি অব ইন্ডিয়ান ডেমোক্রেসি। এদিন ফের একবার ফেসবুক লাইভে এসে নেত্রীর মন্তব্য নিয়ে অভিমানও প্রকাশ করেন তিনি।

জুন ০৫, ২০২১
রাজনীতি

বড় দায়িত্বে অভিষেক, ব্যাপক রদবদল তৃণমূলে

বড়সড় সাংগঠনিক পরিবর্তন হল তৃণমূল কংগ্রেসে। শনিবার তৃণমূল ভবনে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ তথা মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন। যুব তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি করা হয়েছে অভিনেত্রী তথা আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রের প্রার্থী সায়ণী বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এছাড়াও একাধিক পরিবর্তন হয়েছে এদিনের কর্মসমিতির বৈঠকে। তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্য়ায় সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, এক ব্যাক্তি এক পদের নীতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। সায়ণী বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্য যুব তৃণমূলের সভানেত্রী। কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রী, ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায়কে রাজ্য আইএনটিটিইউসির সভাপতি ও সর্বভারতীয় স্তরে শ্রমিক সংগঠনরে দায়িত্বে থাাকছেন সাংসদ দোলা সেন। কৃষক সংগঠনের দায়িত্ব পেয়েছেন পূর্ণেন্দু বসু। বঙ্গজননী বাহিনীর সভানেত্রী করা হয়েছে মালা রায়কে। দলের সাংস্কৃতিক সেলের সভাপতি বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। এছাড়া কুনাল ঘোষ দলের রাজ্য় সাধারন সম্পাদক হলেন। সিঙ্গুরের বিধায়ক বেচারাম মান্না, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও দুজনকে দলের রাজ্য সম্পাদক করা হয়েছে।

জুন ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • ...
  • 45
  • 46
  • ›

ট্রেন্ডিং

ভ্রমণ

কম খরচে কেরালা ভ্রমণ: ব্যাকওয়াটার থেকে পাহাড়, সবই হাতের নাগালে স্বর্গীয় সৌন্দর্য

ভারতের মানচিত্রে কেরালাকে বলা হয় Gods Own Country। আর এই উপাধির সবচেয়ে বড় কারণ তার অনন্য ব্যাকওয়াটার, সবুজ নারকেল বন, শান্ত গ্রাম আর প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য। অনেকেই মনে করেন কেরালা ভ্রমণ মানেই প্রচুর খরচ, বিলাসবহুল হাউসবোট আর দামি রিসর্ট। কিন্তু একটু পরিকল্পনা করলেই খুব কম খরচেও উপভোগ করা যায় কেরালার মনোমুগ্ধকর ব্যাকওয়াটার এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।ভোরবেলা আলাপ্পুঝা (Alappuzha) বা আলেপ্পির ঘাটে দাঁড়িয়ে মনে হয় যেন প্রকৃতি নিজেই একটি জলরঙের ছবি এঁকেছে। চারদিকে শান্ত জলরাশি, তার মাঝে ভেসে চলেছে ছোট ছোট নৌকা। দূরে দেখা যাচ্ছে নারকেল গাছের সারি, মাঝে মাঝে গ্রামের মানুষ নৌকায় করে বাজারে যাচ্ছে। এই দৃশ্য দেখার জন্য লাখ লাখ পর্যটক কেরালায় আসেন। অনেকেই হাউসবোট ভাড়া করেন, যার খরচ বেশ বেশি। কিন্তু কম খরচে ব্যাকওয়াটার উপভোগ করতে চাইলে সরকারি ফেরি বা স্থানীয় নৌকায় চড়া সবচেয়ে ভালো উপায়। মাত্র কয়েকশো টাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যাকওয়াটারের বুক চিরে ভ্রমণ করা যায়। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে গল্প করতে করতে প্রকৃত কেরালাকে কাছ থেকে দেখা যায়।নৌকা যখন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে, তখন দুপাশে চোখে পড়ে সবুজ ধানক্ষেত, ছোট্ট চার্চ, মন্দির এবং নদীর ধারে গড়ে ওঠা গ্রাম। কোথাও জেলেরা মাছ ধরছেন, কোথাও আবার শিশুরা জলে খেলছে। শহরের কোলাহল থেকে অনেক দূরে এই শান্ত পরিবেশ মনকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেয়। কেরালার প্রকৃতির সৌন্দর্য শুধু ব্যাকওয়াটারেই সীমাবদ্ধ নয়। মুন্নারের পাহাড়ি অঞ্চলে গেলে দেখা যায় অসীম বিস্তৃত চা-বাগান। পাহাড়ের গায়ে সবুজের কারুকাজ যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা। সকালের কুয়াশা আর ঠান্ডা হাওয়া মুহূর্তেই মন জয় করে নেয়। কম খরচে থাকার জন্য এখানে অনেক হোমস্টে ও বাজেট হোটেল পাওয়া যায়।এছাড়া ভরকালা ও কোভালামের সমুদ্রসৈকতও পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সূর্যাস্তের সময় আরব সাগরের বুকে লাল আভা ছড়িয়ে পড়ার দৃশ্য জীবনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা হয়ে থাকতে পারে। সৈকতে বসে শুধু প্রকৃতিকে উপভোগ করলেও কোনও অতিরিক্ত খরচ হয় না। কেরালার স্থানীয় খাবারও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। কলাপাতায় পরিবেশিত ভাত, সাম্বর, থোরান, মাছের কারি কিংবা আপ্পাম ও স্ট্যু স্বাদে যেমন অনন্য, তেমনি দামেও সাধ্যের মধ্যে। স্থানীয় রেস্তোরাঁয় খেলে খাবারের খরচ অনেকটাই কমে যায়।কম খরচে কেরালা ভ্রমণের জন্য ট্রেন সবচেয়ে ভালো মাধ্যম। কোচি বা আলাপ্পুঝা পর্যন্ত ট্রেনে পৌঁছে স্থানীয় বাস ও ফেরি ব্যবহার করলে যাতায়াতের খরচ অনেক কম হয়। অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি সময়টি ভ্রমণের জন্য আদর্শ, কারণ তখন আবহাওয়া মনোরম থাকে।কেরালার ব্যাকওয়াটারে সূর্যাস্তের সময় যখন আকাশের রং জলের ওপর প্রতিফলিত হয়, তখন মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজের সেরা রূপটি মেলে ধরেছে। শান্ত জল, নারকেল গাছের ছায়া, পাখির ডাক আর গ্রামের সরল জীবনসব মিলিয়ে কেরালা শুধু একটি পর্যটনস্থল নয়, বরং এক অনুভূতির নাম। তাই যদি কম খরচে প্রকৃতির সান্নিধ্যে কয়েকটি স্মরণীয় দিন কাটাতে চান, তাহলে কেরালার ব্যাকওয়াটার আপনার জন্য এক অসাধারণ গন্তব্য। একবার ঘুরে এলে মন বারবার ফিরে যেতে চাইবে সেই শান্ত, সবুজ আর জলময় স্বর্গরাজ্যে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

‘ককরোচ’-এর আন্দোলনে বড় ধাক্কা কেন্দ্রের! তৃতীয় বৈঠকের আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ, নতিস্বীকার কি সরকারের?

নিজস্ব সংবাদদাতা: দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে বড় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পালাবদলের ইঙ্গিত। ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র লাগাতার আন্দোলন এবং দেশজুড়ে তৈরি হওয়া প্রতিবাদের আবহের মধ্যেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেছেন। নিট পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাঁর পদত্যাগের দাবিতে প্রথম থেকেই সরব ছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের স্পষ্ট বক্তব্য ছিলশিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ছাড়া কোনও সমঝোতাই সম্ভব নয়।এই পরিস্থিতিতে শনিবার কেন্দ্রের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের তৃতীয় দফার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৈঠক শুরু হওয়ার আগেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের খবর সামনে আসে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এল কেন্দ্র?ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজেই সমাজমাধ্যমে তাঁর পদত্যাগের কথা ঘোষণা করেন। জানা গিয়েছে, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয় এবং রাষ্ট্রপতি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন বলে সূত্রের খবর।নিট পরীক্ষাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের পর থেকেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি সামনে এনেছিল সিজেপি। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাঁদের দাবি, পরীক্ষাব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে এর জন্য রাজনৈতিক দায় স্বীকার করতে হবে।এই দাবিকে কেন্দ্র করেই গত কয়েকদিন ধরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। সিজেপির পক্ষ থেকে সরকারের কাছে মোট তিনটি প্রধান দাবি রাখা হয়েছিল। প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। পাশাপাশি আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ না করার নিশ্চয়তা এবং নিটের প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মঘাতী পড়ুয়াদের পরিবারকে এক কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবিও জানানো হয়।সরকারের সঙ্গে সিজেপি প্রতিনিধিদের ইতিমধ্যে দুদফা বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দাবির বিষয়ে সরকারের তরফে ইতিবাচক আশ্বাস দেওয়া হলেও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি নিয়ে কোনও সমঝোতা হচ্ছিল না। বরং কেন্দ্রের প্রতিনিধিরা আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।শনিবার বিকেল সাড়ে ৩টে নাগাদ ফের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কেন্দ্রের তরফে আলোচনায় থাকার কথা ছিল জেপি নড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংহের। কিন্তু বৈঠকের প্রায় দেড় ঘণ্টা আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের ঘোষণা হয়ে যায়। এর ফলে আন্দোলনকারীদের প্রথম এবং মূল দাবিই কার্যত পূরণ হয়ে গেল।শনিবার সকালেই সিজেপির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ নিয়ে কেন্দ্র যদি কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তৃতীয় দফার বৈঠকেরও কোনও অর্থ নেই। এমনকি আন্দোলনকারীদের তরফে আরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, ক্ষোভের পরিধি আরও বাড়তে পারে এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্ন তুলতে পারে।এই আবহেই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও তাঁর নিজের বক্তব্যে পদত্যাগকে সরাসরি আন্দোলনের চাপের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়নি। বরং তিনি গত কয়েকদিনের পরিস্থিতির জন্য দুঃখপ্রকাশ করে জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত। তাঁর দাবি, কোনও মেধাবী পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক, তা তিনি কখনও চাননি।পদত্যাগের ঘোষণা করে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, গত ৩ মে নিট পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পর থেকেই তিনি বিষয়টির দায় নিয়েছিলেন। তাঁর বক্তব্য, কখনও তিনি দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেননি। তাঁর কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রাখা এবং কোনও শিক্ষার্থীর সঙ্গে অন্যায় না হওয়া।গত ১০ দিনের ঘটনাপ্রবাহ তাঁকে ব্যথিত করেছে বলেও জানিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, যন্তর মন্তর-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তার সুযোগ যাতে কোনও দেশবিরোধী শক্তি নিতে না পারে, দেশের ঐক্য যাতে অটুট থাকে এবং আন্দোলনে যুক্ত কোনও পড়ুয়া যাতে আইনি জটিলতায় না জড়িয়ে পড়েএই বিষয়গুলিও তিনি বিবেচনায় রেখেছেন।ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্ন, আকাঙ্ক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত প্রত্যাশার প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। তাঁর মতে, তরুণদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার দায়িত্ব শুধু সরকারের নয়, গোটা সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থারও।তাঁর পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন নজর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। আন্দোলনকারীরা কি এই সিদ্ধান্তকে সরকারের সঙ্গে সমঝোতার পথ হিসেবে দেখবেন, নাকি তাঁদের বাকি দাবিগুলি নিয়ে আন্দোলন আরও জোরদার হবেতা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনিট পরীক্ষা ও শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা এখন আর শুধুমাত্র একটি পরীক্ষার অনিয়মের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতি পড়ুয়া ও অভিভাবকদের আস্থা পুনরুদ্ধার, পরীক্ষার নিরাপত্তা, প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা এবং রাজনৈতিক জবাবদিহির মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নও সামনে চলে এসেছে।ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সেই বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটালেও, বৃহত্তর প্রশ্নগুলির উত্তর এখনও বাকি। আগামী দিনে কেন্দ্র কীভাবে এই পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং শিক্ষাব্যবস্থায় আস্থা ফেরাতে কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।

জুলাই ২৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মন ও পরিবারও

নিজস্ব প্রতিবেদন: মাসের কয়েকটি দিন। ক্যালেন্ডারের পাতায় হয়তো নিছক কয়েকটি তারিখ, কিন্তু একজন নারীর শরীর ও মনের কাছে এই দিনগুলির অর্থ অনেক গভীর। কখনও তলপেটের অসহ্য ব্যথা, কখনও কোমর ও পিঠে টান, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা, বমি বমি ভাবতার সঙ্গে অকারণ মন খারাপ, বিরক্তি, কান্না পেতে থাকা, একা হয়ে যাওয়ার ইচ্ছে কিংবা অদ্ভুত এক মানসিক অবসাদ। ঋতুস্রাবের সময় অনেক নারীর কাছেই শরীর যেন নিজের স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে ফেলে। আর সেই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন মিশে যায় মানসিক চাপ, তখন কয়েকটি দিন হয়ে ওঠে এক দীর্ঘ, ক্লান্তিকর পথচলা।এই সময়টিকে তাই শুধু মেয়েদের মাসিকের সমস্যা বলে হালকা করে দেখার কোনও সুযোগ নেই। কারণ ঋতুস্রাব কেবল একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নয়; হরমোনের ওঠানামা, ব্যথা, ঘুমের ব্যাঘাত, কর্মক্ষেত্রের চাপ, সামাজিক অস্বস্তি এবং নিজের শরীর নিয়ে নানা সংকোচসব মিলিয়ে এটি অনেকের জন্য মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে।কখনও মনে হয়, পৃথিবীটা যেন একটু বেশি শব্দ করছে। সামান্য কথাতেও বিরক্তি আসে। যে মানুষটি প্রতিদিন হাসিমুখে সংসার সামলান, অফিস করেন, সন্তানকে স্কুলে পাঠান কিংবা জীবনের নানা দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন, তিনিই হয়তো সেই কয়েকটি দিনে নিঃশব্দে নিজের ভিতরের ক্লান্তির সঙ্গে লড়াই করেন।এই লড়াইকে বুঝতে হবে। বিচার নয়, প্রয়োজন সহমর্মিতা।কেন ঋতুস্রাবের সময় মন খারাপ হয়?ঋতুচক্রের বিভিন্ন পর্যায়ে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মতো হরমোনের মাত্রায় পরিবর্তন ঘটে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের সঙ্গে মেজাজের ওঠানামা, উদ্বেগ, বিরক্তি, মনোযোগে ঘাটতি কিংবা বিষণ্ণতার অনুভূতি দেখা দিতে পারে। এর পাশাপাশি ঋতুস্রাবের সময় ব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তি ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, যা পরোক্ষভাবে মানসিক ক্লান্তি আরও বাড়িয়ে দেয়।কারও ক্ষেত্রে উপসর্গগুলি তুলনামূলক হালকা। আবার কারও ক্ষেত্রে তা এতটাই তীব্র হতে পারে যে দৈনন্দিন কাজ, পড়াশোনা, চাকরি কিংবা সামাজিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়ে। ঋতুস্রাবের আগে ও আশপাশের সময়ে যদি প্রতি মাসেই তীব্র মানসিক পরিবর্তনযেমন গভীর বিষণ্ণতা, প্রচণ্ড খিটখিটে মেজাজ, উদ্বেগ বা আবেগের নিয়ন্ত্রণ হারানোর মতো সমস্যা দেখা দেয় এবং তা জীবনযাত্রাকে উল্লেখযোগ্যভাবে ব্যাহত করে, তবে প্রিমেনস্ট্রুয়াল সিনড্রোম (PMS) বা আরও গুরুতর ক্ষেত্রে প্রিমেনস্ট্রুয়াল ডিসফোরিক ডিসঅর্ডার (PMDD)-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করা প্রয়োজন।তবে প্রতিটি মন খারাপই যে PMS বা PMDD, তা নয়। আবার প্রতিটি শারীরিক কষ্টকেও স্বাভাবিক বলে এড়িয়ে যাওয়াও ঠিক নয়।শারীরিক যন্ত্রণার সঙ্গে মানসিক অবসাদের যোগসূত্রঋতুস্রাবের সময় তলপেটের ব্যথা বা ক্র্যাম্প অনেক নারীর দৈনন্দিন জীবনকে থামিয়ে দিতে পারে। কারও ব্যথা এতটাই তীব্র হয় যে বিছানা ছেড়ে ওঠাও কঠিন হয়ে পড়ে। মাথাব্যথা, দুর্বলতা, পেটের সমস্যা কিংবা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণও শারীরিক সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।এই শারীরিক অস্বস্তির সঙ্গে যখন কর্মক্ষেত্র বা পরিবারের প্রত্যাশা একই থাকে, তখন মানসিক চাপ আরও বাড়তে পারে।আজ শরীরটা ভালো নেইএই কথাটি বলার অধিকার একজন নারীর আছে।শরীর যখন বিশ্রাম চায়, তখন বিশ্রাম নেওয়া দুর্বলতা নয়। বরং নিজের শরীরের সংকেতকে সম্মান করা সুস্থ থাকারই একটি অংশ।মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: নিজের অনুভূতিকে অস্বীকার করবেন নামানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ঋতুস্রাবের সময় মেজাজের পরিবর্তন হলে প্রথমেই নিজের অনুভূতিকে অযৌক্তিক বা নাটক বলে দমন না করে তা স্বীকার করা জরুরি। যদি প্রতি মাসে একই ধরনের সমস্যা ফিরে আসে, তাহলে অন্তত দুই-তিনটি ঋতুচক্র ধরে নিজের উপসর্গের একটি ডায়েরি রাখা যেতে পারে।কোন দিনে মন খারাপ হচ্ছে, কতটা ব্যথা হচ্ছে, ঘুম কেমন হচ্ছে, ক্ষুধার পরিবর্তন হচ্ছে কি না, কাজকর্মে কতটা সমস্যা হচ্ছেএসব লিখে রাখলে সমস্যার ধরন বোঝা সহজ হয়। প্রয়োজন হলে গাইনোকলজিস্ট বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে আলোচনা করেও উপযুক্ত চিকিৎসা নেওয়া যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, পর্যাপ্ত ঘুম, সুষম খাদ্য এবং স্ট্রেস কমানোর অভ্যাস অনেকের ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে। তবে উপসর্গ গুরুতর হলে শুধু মন শক্ত করুন বলা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন অনুসারে চিকিৎসা, কাউন্সেলিং বা ওষুধের সাহায্যও লাগতে পারে।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথানিজে থেকে কোনও ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।কীভাবে কাটিয়ে উঠবেন এই কঠিন সময়?১. শরীরকে বিশ্রাম দিনঋতুস্রাবের সময় অতিরিক্ত ক্লান্তি থাকলে নিজের উপর অযথা চাপ দেবেন না। কাজের মধ্যে ছোট বিরতি নিন। পর্যাপ্ত ঘুমের চেষ্টা করুন। শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া মানে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়া নয়; বরং পরবর্তী দিনগুলির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা।২. হালকা শরীরচর্চা করুনশরীরের সামর্থ্য অনুযায়ী হাঁটা, স্ট্রেচিং, যোগব্যায়াম বা হালকা ব্যায়াম অনেকের ক্ষেত্রে মুড ভালো করতে এবং অস্বস্তি কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে তীব্র ব্যথা বা অসুস্থতা থাকলে জোর করে ব্যায়াম করার প্রয়োজন নেই।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওঋতুস্রাবের দিনগুলিতে মন খারাপ কেন? শরীরের যন্ত্রণার পাশে থাকুক মনও, পরিবারওসুষম ও পুষ্টিকর খাবার খান। পর্যাপ্ত জল পান করুন। অতিরিক্ত ক্যাফেইন, লবণ বা অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে অস্বস্তি বাড়াতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তন আনার আগে ব্যক্তিগত প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৪. নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখুনবই পড়া, গান শোনা, প্রিয় সিনেমা দেখা, ছবি আঁকা, বাগান করা কিংবা কোনও বন্ধুর সঙ্গে কথা বলাযে কাজটি মনকে শান্ত করে, সেটি করার চেষ্টা করুন। মনকে ভালো রাখার জন্য সবসময় বড় কোনও আয়োজন প্রয়োজন হয় না। কখনও এক কাপ গরম চা আর জানালার পাশে কয়েক মিনিট নীরবতাও যথেষ্ট হতে পারে।৫. অনুভূতি প্রকাশ করুনআমি ভালো নেইএই কথাটি বলতে ভয় পাবেন না। মন খারাপ হলে বিশ্বাসযোগ্য মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। নিজের কষ্টকে গোপন করে রাখলে অনেক সময় মানসিক চাপ আরও বেড়ে যেতে পারে।পরিবার ও বন্ধুরা কী করবেন?একজন নারীর ঋতুস্রাবের সময় তাঁর পাশে দাঁড়ানোর সবচেয়ে বড় উপায় সবসময় কোনও বড় সমাধান নয়অনেক সময় শুধু তাঁকে বোঝার চেষ্টা করাটাই যথেষ্ট।পরিবারের সদস্যরা যদি বলেন, তোমার শরীর খারাপ? তুমি একটু বিশ্রাম নাও, আজকের কাজটা আমি করে দিচ্ছিতাহলে সেই কথাটিই হয়তো একজন ক্লান্ত নারীর কাছে হয়ে উঠতে পারে এক মুঠো স্বস্তি।তাঁর মেজাজ খারাপকে উপহাস করবেন না। এগুলো সব মাসিকের অজুহাতএই ধরনের মন্তব্য এড়িয়ে চলুন। তাঁর কথা শুনুন। প্রয়োজন হলে ঘরের কাজ ভাগ করে নিন। তাঁকে একা থাকতে চাইলে সেই ব্যক্তিগত পরিসরটুকু দিন, আবার তিনি কথা বলতে চাইলে মন দিয়ে শুনুন।বন্ধুরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। বন্ধুর মন খারাপ বুঝলে জোর করে আনন্দ দেওয়ার চেষ্টা না করে পাশে থাকা, ফোন করা, একটু গল্প করা কিংবা প্রয়োজন হলে শুধু নীরবে শুনে যাওয়াএসবই অনেক সময় কার্যকর সহায়তা হয়ে ওঠে।মনে রাখতে হবে, মানসিক অবসাদ কোনও মেয়েলি দুর্বলতা নয়। এটি মানুষের অনুভূতিরই একটি অংশ। আর অনুভূতির যত্ন নেওয়া যেমন ব্যক্তিগত দায়িত্ব, তেমনই সামাজিক দায়িত্বও।কখন চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি?যদি প্রতি মাসে ঋতুস্রাবের আগে বা সময়ে তীব্র বিষণ্ণতা, উদ্বেগ, রাগ, হতাশা বা আবেগের পরিবর্তন দেখা দেয় এবং তা কাজ, পড়াশোনা, সম্পর্ক বা দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, অসহ্য ব্যথা, বারবার মাথা ঘোরা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো উপসর্গ কিংবা এমন শারীরিক সমস্যা যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে থামিয়ে দেয়এসবকেও অবহেলা করা উচিত নয়।আর যদি কখনও গভীর হতাশা, নিজেকে আঘাত করার চিন্তা বা বেঁচে থাকার ইচ্ছা হারিয়ে ফেলার মতো অনুভূতি তৈরি হয়, তাহলে বিষয়টি জরুরি হিসেবে বিবেচনা করে দ্রুত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।নারীর শরীরকে বোঝার পাশাপাশি নারীর মনকেও বুঝতে হবেঋতুস্রাব কোনও লজ্জার বিষয় নয়। এটি জীবনের স্বাভাবিক জৈবিক প্রক্রিয়া। অথচ এখনও সমাজের বহু স্তরে এই বিষয়টি নিয়ে সংকোচ, কুসংস্কার ও নীরবতা রয়েছে। সেই নীরবতাই অনেক সময় নারীর শারীরিক ও মানসিক কষ্টকে আরও একা করে দেয়।প্রখ্যাত লেখিকা ভার্জিনিয়া উলফ লিখেছিলেন, I would venture to guess that Anon, who wrote so many poems without signing them, was often a woman.নারীর অদৃশ্য কণ্ঠস্বরের প্রসঙ্গে তাঁর এই কথাটি যেন আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ বহু নারী এখনও নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ না করে নীরবে সহ্য করে যান।ঋতুস্রাবের দিনগুলিতে তাই প্রয়োজন একটু বেশি মানবিকতা। প্রয়োজন প্রশ্নের বদলে বোঝাপড়া, উপহাসের বদলে সহানুভূতি, নির্দেশের বদলে পাশে থাকা।একজন নারী সেই কয়েকটি দিনে যদি বলেন, আজ আমার একটু বিশ্রাম দরকারতবে তাঁর পাশে দাঁড়ানো মানে তাঁকে দুর্বল করে দেওয়া নয়। বরং তাঁর শক্তিকে সম্মান করা।কারণ প্রতিটি মাসে শরীরের ভিতর দিয়ে যে পরিবর্তনের স্রোত বয়ে যায়, তার সঙ্গে লড়াই করে আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন অসংখ্য নারী। তাঁদের এই নীরব লড়াইকে স্বীকৃতি দেওয়া, তাঁদের কষ্টকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনের সময়ে পাশে দাঁড়ানোএটাই হতে পারে আমাদের সবচেয়ে মানবিক দায়িত্ব।ঋতুস্রাবের দিনগুলি হয়তো মাসের কয়েকটি দিন। কিন্তু সেই কয়েকটি দিনে একজন নারীর পাশে থাকাতাঁর কাছে হয়ে উঠতে পারে সারা জীবনের এক গভীর আশ্বাস।

জুলাই ২৫, ২০২৬
দেশ

'ককরোচ'দের চাপেরই জের! অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী

অবশেষে ককরোচদের প্রধান দাবি মেনে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। আগেই ককরোচ জনতা পার্টির বেশিরভাগ দাবি মেনে নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়ে সিজেপির কাছ থেকে কেন্দ্র সময় নিয়ে নেয়। ককরোচ জনতা পার্টির দাবি মেনে অবশেষে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা দীর্ঘ পোস্টে নিজের পদত্যাগের কারণ জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে ইতিমধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধান নিজের ইস্তফাপত্র পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত সেই পদত্যাগ গৃহীত হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীকে নিজের ইস্তফা পাঠানোর পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দীর্ঘ পোস্টে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, দেশের পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ, উন্নত ও দুর্নীতিমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমি নিজের দায়িত্ব থেকে কোনও সময় মুখ ফিরিয়ে নিইনি। প্রথম দিন থেকে নিটে প্রশ্নফাঁসের দায় নিয়েছি, কোনওসময় মুখ লুকোয়নি। তাঁর দাবি, ছাত্র আন্দোলনের নামে কিছু দেশবিরোধী কুচক্রী ষড়যন্ত্র করছে। সেই কুচক্রীরা যাতে কোনওভাবেই পরিস্থিতির সুবিধা তুলতে না পারে, সেজন্যই আমার ইস্তফা। আমার এই পদত্যাগপত্র দেশের জন্য।যন্তর মন্তরে একাধিক দাবি নিয়ে ককরোচ জনতা পার্টি আন্দোলন শুরু করে। তারমধ্যে প্রধান দাবি ছিল, নিট পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র লিকের জন্য কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রথম দিকে শুধু মাত্র ককরোচ জনতা পার্টি সেই আন্দোলন করে। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছাত্র সংগঠন সেই আন্দোলনে যুক্ত হয়। দেশের প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো সেই আন্দোলনে যুক্ত হতে থাকে। সেলিব্রেটি, খেলোয়াররাও আন্দোলন নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। কার্যত চাপে পড়েই ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন বলেই বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় ঘিরে নতুন বিস্ফোরণ! কোটি টাকার নয়, এবার সামনে এল লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়ার অভিযোগ

প্রায় দুই বছর আগে সাধারণ মানুষের জন্য স্বল্প খরচে চিকিৎসার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয় শিবির। সেই উদ্যোগকে ঘিরে তখন ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এই প্রকল্প নিয়ে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসছে। এবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিষ্ণুপুর থানায় দায়ের হয়েছে নতুন অভিযোগ। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি রিসর্ট ভাড়া নেওয়া এবং লক্ষ লক্ষ টাকার বকেয়া বিল।অভিযোগকারী রিসর্ট মালিক জানিয়েছেন, সেবাশ্রয় শিবিরের কাজ পরিচালনার জন্য এক সময় তাঁর রিসর্ট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। সেখানে প্রায় দেড়শো জন কর্মী থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন বলে দাবি তাঁর। অভিযোগ, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রায় তিরিশ লক্ষ টাকার বিল এখনও পরিশোধ করা হয়নি।রিসর্ট মালিকের দাবি, সেই সময় বারবার টাকা চাওয়া হলেও কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি। বরং তাঁকে জানানো হয়েছিল, ব্যবসা করতে হলে এমন পরিস্থিতি মেনে নিতে হবে। তাঁর আরও অভিযোগ, তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তিনি তখন থানায় অভিযোগ করার সাহস পাননি। বর্তমানে সরকার পরিবর্তনের পর তিনি বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে আরও দাবি করা হয়েছে, রিসর্টে সেবাশ্রয়ের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা থাকতেন। অভিযোগকারী জানিয়েছেন, সেই সময় এই ব্যবস্থার সঙ্গে কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মীদের নামও জড়িত ছিল বলে তাঁর দাবি। তবে এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।শনিবার বিধানসভায় সেবাশ্রয় নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও প্রকল্পটি নিয়ে একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, সেবাশ্রয় সংক্রান্ত সমস্ত অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। যাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত গোটা বিষয়টি অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নলহাটিতে হানা দিতেই চক্ষু চড়কগাছ! একসঙ্গে উদ্ধার বিপুল বিস্ফোরক, বড় রহস্যের গন্ধ

বীরভূমের নলহাটিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। উদ্ধার হয়েছে বিশ বস্তা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এবং প্রচুর ডিটোনেটর। ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই বিপুল বিস্ফোরক কী উদ্দেশ্যে মজুত করা হয়েছিল, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কলকাতা থেকে তদন্তকারী দল নলহাটিতে পৌঁছে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় তল্লাশি শুরু করে। দীর্ঘ তল্লাশির পর একটি জায়গা থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকেই এক ব্যক্তিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক কী কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা ছিল, তা এখন তদন্তের মূল বিষয়। কোনও নাশকতার ছক ছিল কি না, নাকি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে এই বিস্ফোরক মজুত করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও ডিটোনেটর পরীক্ষার জন্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানো হতে পারে বলেও তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।তদন্তকারীরা আরও খতিয়ে দেখছেন, এই বিস্ফোরক কোনও বৈধ শিল্পকারখানা বা খনির কাজে ব্যবহার করার জন্য রাখা হয়েছিল কি না। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকজনের নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের দাবি। তাঁদের খোঁজেও তল্লাশি শুরু হতে পারে। গোটা ঘটনায় তদন্ত চলেছে এবং সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাবা বিক্রি করতেন সবজি, ছেলে জিতল দেশের প্রথম পদক! ঝন্ডুর লড়াই জানলে চোখে জল আসবে

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের পদক অভিযান শুরু হল দারুণ সাফল্যের মধ্য দিয়ে। পুরুষদের হেভিওয়েট প্যারা পাওয়ার লিফটিং বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জিতে দেশের ঝুলিতে প্রথম পদক তুলে দিলেন বিহারের ঝন্ডু কুমার। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত গোটা দেশ।ঝন্ডু কুমারের জীবন সংগ্রামের গল্প অনুপ্রেরণার। মাত্র পাঁচ বছর বয়সে পোলিও আক্রান্ত হন তিনি। ছোটবেলা থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পাশাপাশি আর্থিক সমস্যার সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর বাবা রাস্তার ধারে সবজি বিক্রি করেন। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে ঝন্ডুও একসময় ই-রিকশা চালিয়েছেন। কিন্তু কঠিন পরিস্থিতিও তাঁর স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে গিয়েছেন এবং দেশের হয়ে খেলার লক্ষ্য থেকে কখনও সরে যাননি।পরবর্তীতে তাঁর প্রতিভা নজরে আসে জাতীয় কোচ রাজিন্দর সিং রাহেলুর। তাঁর উদ্যোগেই ঝন্ডু জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুশীলনের সুযোগ পান। সেই সুযোগই বদলে দেয় তাঁর জীবন। এরপর জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য পেতে শুরু করেন তিনি।কমনওয়েলথ গেমসে ঝন্ডু মোট একশো নব্বই কেজি ওজন তুলে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেন। শেষ প্রচেষ্টায় আরও বেশি ওজন তোলার চেষ্টা করলেও সফল হননি। তবুও তাঁর পারফরম্যান্সই ভারতের প্রথম পদক এনে দেয়।পদক জয়ের পর আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় ঝন্ডু বলেন, তাঁর মনে হচ্ছে তিনি যেন আকাশে উড়ছেন। এই পদক শুধু তাঁর নয়, যাঁরা কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং অনুশীলনের সুযোগ করে দিয়েছেন, তাঁদের সকলেরও। ভবিষ্যতে দেশের জন্য আরও বড় সাফল্য আনার লক্ষ্য নিয়েই এগোতে চান তিনি।এর আগেও জাতীয় রেকর্ড গড়েছেন ঝন্ডু। আন্তর্জাতিক মঞ্চেও একাধিক পদক জিতেছেন। এবার কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম পদক জিতে তিনি প্রমাণ করে দিলেন, কঠোর পরিশ্রম, ইচ্ছাশক্তি এবং আত্মবিশ্বাস থাকলে কোনও বাধাই সাফল্যের পথে শেষ কথা হতে পারে না।

জুলাই ২৫, ২০২৬
কলকাতা

মিছিলে ঢুকেছিল বহিরাগত? সত্তর জন চিহ্নিত, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

ধর্মতলায় সাম্প্রতিক অশান্তি নিয়ে বিধানসভায় বিস্ফোরক দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, আন্দোলনের নামে পরিকল্পিতভাবে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কয়েকজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কর্মসূচিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন হিসেবে ঘোষণা করা হলেও পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁর দাবি, আন্দোলনে এমন বহু ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন, যাঁদের সঙ্গে ছাত্র আন্দোলন বা নিট ইস্যুর কোনও সরাসরি সম্পর্ক ছিল না। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহিরাগতদের আনা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, ডোরিনা ক্রসিং এলাকায় পুলিশ ও সাংবাদিকদের লক্ষ্য করে জলের বোতল, জুতো এবং অন্যান্য বস্তু ছোড়া হয়। তাঁর দাবি, উদ্দেশ্য ছিল পুলিশকে উসকে দিয়ে বড় সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি করা। তবে পুলিশ সংযম দেখিয়েছে বলেই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়নি।তিনি আরও জানান, ঘটনায় আহত হয়েছেন একাধিক সাংবাদিক। ইতিমধ্যেই সাতটি মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কয়েকজনের নামও বিধানসভায় উল্লেখ করে তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দেন মুখ্যমন্ত্রী।প্রশাসনের দাবি, ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধর্মতলার অশান্তির প্রকৃত কারণ এবং কারা এর নেপথ্যে ছিল, তা জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

জুলাই ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal