• ২০ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mam

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর জবাব চাইলেন মুকুল-পুত্র

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়েই বাংলায় ক্ষমতায় আসবে। সেটা বুঝে রাজ্য থেকে জেলাস্তরে অনেকেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিতে যোগাযোগ করছেন। সেবা সপ্তাহ উদযাপনের শেষ দিনে রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর হুগলির শ্রীরামপুরে এক রক্তদান শিবিরে এসে এমন দাবিই করলেন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে সদ্য রাজ্য কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জবাবদিহি চেয়ে বলেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তোলার আগে তিনি বলুন কেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলো রাজ্য সরকার রূপায়িত করছে না? আগে তার জবাব দিন তারপরে তো বঞ্চনার প্রশ্ন। তিনি বলেন, বিলগ্নীকরণ নিয়েও তৃণমূল-সহ বিরোধী দলগুলি মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে। শিল্প বিলগ্নীকরণ তো নতুন নয়, ২০০৯ সালে কংগ্রেস সরকারের আমলেও বহু শিল্প বিলগ্নীকরণ হয়েছে। আর বিলগ্নীকরণ মানে তো পুরোপুরি বেচে দেওয়া নয়, এটা মানুষকে বুঝতে হবে। এদিনের অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হুগলি জেলা বিজেপি সভাপতি শ্যামল বসু-সহ দলীয় নেতৃবৃন্দ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

পিছোল মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফর

প্রাকৃতিক দুর্যোগের আশঙ্কায় পিছিয়ে গেল মমতার উত্তরবঙ্গ সফর। এর আগে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২১ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে ঝড় বৃষ্টির আভাসের কারণে আপাতত পিছিয়ে যাচ্ছে মমতার ওই সফর। জানা গিয়েছে, ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর উত্তরবঙ্গ সফরে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। নবান্ন সূত্রে খবর, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। সমস্ত প্রশাসনিক বৈঠক করা হবে শিলিগুড়ির উত্তরকন্যায়। জেলাশাসক, জেলা পুলিশসুপার, স্বাস্থ্য আধিকারিক, মহকুমাশাসকসহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা বৈঠকে হাজির থাকবেন। উন্নয়নের খতিয়ান দেখবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়াও উত্তরবঙ্গের করোনা পরিস্থিতির কি হাল তা নিয়েও তিনি খোঁজখবর নেবেন। জানা গিয়েছে, উত্তরবঙ্গ সফরকালে বেশ কিছু প্রকল্পের শিলান্যাস করার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
রাজনীতি

'মমতার মমতা' প্রকল্পে কুড়ি টাকায় মাংস-ভাত!

মাত্র কুড়ি টাকায় দুপুরে পেটপুরে মাংস ভাত ? করোনা আবহে দুর্মূল্যের বাজারে একথা কেউ বিশ্বাস করবেন না। আর এই অবিশ্বাস্য বিষয়টাকে বাস্তবায়িত করতে উদ্যোগী হাওড়া পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন পুরপিতা বাপি মান্না। এই কাউন্সিলর এবল এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের উদ্যোগে এই অভিনব প্রকল্প চালু করা হয়েছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে মমতার মমতা। এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিদিন মধ্যাহ্নে প্রায় ২০৫ থেকে ৩০০ জন মানুষের জন্য স্বল্প মূল্যে মধ্যাহ্ন ভোজনের ব্যবস্থা করা হবে। যেখানে মাত্র কুড়ি টাকা দিলেই পাতে পড়বে সপ্তাহে একদিন মাংস ভাত। এছাড়াও ডিম-সবজি ভাত, ১৫ টাকায় নিরামিষ ভাত সহ এরকম হরেক রকম দুপুরের মেনু। বাপি মান্না বলেন, ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এই অভিনব আয়োজন করা হয়েছে। মানুষের সহযোগিতায় এই আয়োজন। এলাকায় দিন আনা দিন খাওয়া অনেক গরিব মানুষদের প্রতিদিন দুপুরে হোটেলে খাবারের জন্য যেতে হয় তারা এখান থেকে সুলভ মূল্যে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজন করতে পারবেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষও চাইলে এখানে আসতে পারবেন। বাপি মান্না বলেন, প্রতিদিন দুপুরে স্বল্প মূল্যে সুলভ আহারের ব্যবস্থা করেছি। খুব অল্প মূল্যে আমরা এই খাবার সরবরাহ করব। অল্প দামে যে কেউ এখান থেকে খাবার কিনতে পারবে। এখানে তিন দিন নিরামিষ এবং চার দিন আমিষ থাকবে। ভাত, ডাল, সবজি, মাছ ছাড়াও সপ্তাহে একদিন মাংস ভাত থাকছে। কুড়ি টাকায় আমিষ ও ১৫ টাকায় নিরামিষ খাবার মিলবে। প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ জনের টার্গেট রাখছি। প্রকল্পটি সারা বছর চালানোর চেষ্টা করব। এখানে এলে কেউ অভুক্ত থেকে ফিরে যাবে না। ক্যারি ব্যাগ সিস্টেমে খাবার দেওয়া হবে। নামমাত্র টাকা দিয়েই সেই খাবার পার্সেল সিস্টেমে তাঁরা পাবেন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

পূর্বা দাম প্রয়াত, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

বিশিষ্ট রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী পূর্বা দাম প্রয়াত। তাঁর প্রয়াণে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোকবার্তায় লিখেছেন, এই বিশিষ্ট শিল্পীর মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ সকালে কলকাতায় প্রয়াত হন। বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। পূর্বা দাম আশির দশকে সমসাময়িক কালের অন্যতম প্রধান রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। রাজ্য সরকার তাঁকে ২০১৩ সালে 'সঙ্গীত সম্মান' প্রদান করেছে।তাঁর সঙ্গে আমার বিশেষ হৃদ্যতার সম্পর্ক ছিল। তাঁর মৃত্যুতে রবীন্দ্রসংগীত জগতে এক শূন্যতার সৃষ্টি হলো। আমি পূর্বা দামের পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

'জলস্বপ্ন' প্রকল্পের কাজ দ্রুত শেষ করতে লক্ষ্যমাত্রা স্থির হুগলির, এই বছরেই ১ লাখ

প্রত্যেক বাড়িতে নলবাহিত পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দিতে 'জলস্বপ্ন' প্রকল্প ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২৩ সালের মধ্যে রাজ্যে এই প্রকল্প রূপায়ণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সব সময় বলেন, ভালো কাজের প্রতিযোগিতা চলুক। সেই চ্যালেঞ্জে উদ্বুদ্ধ হয়েই 'জলস্বপ্ন' প্রকল্প নিয়েও তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে হুগলি জেলায়। শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর চুঁচুড়ার নতুন প্রশাসনিক ভবনের সর্বশিক্ষা সভাঘর থেকে জেলার এসডিও, বিডিও, জনস্বাস্থ্য কারিগরী দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে‌ করেন জেলাশাসক ওয়াই রত্নাকর রাও। উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি শেখ মেহবুব রহমান, জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলাশাসক পরে সাংবাদিকদের জানান, চলতি বছরেই এক লক্ষ বাড়িতে 'জলস্বপ্ন' প্রকল্পের মাধ্যমে পরিস্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। এ জন্য কাউকে কোনও আবেদন বা টাকা জমা দিতে হবে না। জেলায় প্রকল্পের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে, আগামী সোমবার থেকে পঞ্চায়েতগুলির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করে চাহিদা জেনে কীভাবে কাজ করতে হবে সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হবে। জেলার জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, জেলায় পিএইচই দফতরের ২৫টি প্রকল্পের কাজ চলছে। তার মধ্যে ১৭টি প্রকল্পের কাজ আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে শেষ করে ফেলার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এতেও উপকৃত হবেন লক্ষাধিক মানুষ। এ ছাড়া বলাগড়ে গঙ্গার জল পরিশোধন করে পানীয় জল সরবরাহের প্রকল্পের টেন্ডার হয়ে গিয়েছে। এই প্রকল্পে খরচ হবে ৫২০ কোটি টাকা। নভেম্বর-ডিসেম্বরে কাজ শুরু হয়ে যাবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বলাগড় থেকে পান্ডুয়া অবধি ৭ লক্ষ মানুষ উপকৃত হবেন। সবমিলিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই এই জেলায় 'জলস্বপ্ন' প্রকল্পের কাজ শেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নপূরণ করতে আমরা সকলে বদ্ধপরিকর।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

পুরোহিতদের জন্য বড়ো ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, পুজো নিয়েও দিলেন স্পষ্ট ইঙ্গিত

সনাতনী ধর্মের তীর্থস্থান হবে কোলাঘাটে। এ জন্য ১ টাকায় জমি দিয়েছে রাজ্য সরকার। আমার কাছে সনাতনী হিন্দুধর্মের প্রতিনিধিরা এসেছিলেন, কথা বলেছি। তাঁরা বলেছেন, সনাতন ধর্মের অনেক ব্রাহ্মণ পুরোহিত আর্থিক দুরবস্থায় রয়েছেন। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তত ৮ হাজার দরিদ্র পুরোহিতকে পুজোর মাস থেকে ১ হাজার টাকা সাম্মানিক দেওয়া হবে। বাড়ি যাঁদের নেই, তাঁদের আবাস যোজনায় বাড়ি করে দেওয়া হবে। এটাকে কেউ অন্যভাবে দেখবেন না। ওয়াকফ বোর্ড তাঁদের তহবিল থেকে ইমাম-মোয়াজ্জেনদের ভাতা দেয়। আমার কাছে সব ধর্ম সমান। কারও কোনও প্রয়োজন থাকলে সরকার পাশে থাকবে। সব ধর্মের মানুষজনকেই সাহায্য করতে প্রস্তুত সরকার। সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি আরও জানান, কালীঘাটে স্কাইওয়াক হচ্ছে। নবদ্বীপ, কোচবিহারকে হেরিটেজ টাউন গড়ার কাজ চলছে। নবদ্বীপে সংস্কৃতিচর্চা কেন্দ্র হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২৫ সেপ্টেম্বর পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠক হবে। ইতিমধ্যেই পুজো নিয়ে গ্লোবাল অ্যাডভাইসরি বোর্ডের প্রস্তাব জমা পড়েছে। ঠাকুরের জায়গাটুকু ঘুরে প্যান্ডেল খোলা রাখতে বলা হয়েছে, যাতে হাওয়া চলাচল করে। প্যান্ডেলে কীভাবে, কত মানুষ ঢুকবেন, কীভাবে অঞ্জলি হবে তা পরে ঠিক করা হবে। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম না নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ কেউ বলছেন করোনা চলে গেছে, মিটিং মিছিল করব। এরা কোনও নিয়ম মানছে না! ছাই থেকেও আগুন জ্বলে উঠে সব শেষ করে দেয়। করোনা সংক্মণেরর দ্বিতীয় ঢেউ এলে যাতে সামলানো যায় সেজন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। হিন্দি দিবসে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, ২০১১ সালে রাজ্য সরকার হিন্দি আকাদেমি গঠন করেছিল। এখন তার কাজ ব্যাপকভাবে করতে হবে। তাই বিবেক গুপ্তার নেতৃত্বে হিন্দি আকাদেমি পুনর্গঠন করা হলো। বাংলা আমাদের মাতৃভাষা, কিন্তু আমরা কোনও ভাষাকেই অবজ্ঞা করি না। দলিত সাহিত্য আকাদেমি গঠনের কথাও এদিন ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

বুকে শুভেন্দুর ছবি, সমাজসেবায় 'দাদার অনুগামী'রা

জেলায় জেলায় মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আদর্শে দীক্ষিত আমরা দাদার অনুগামী-র সদস্যরা বুকে শুভেন্দুবাবুর ছবি লাগিয়ে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর আমরা দাদার অনুগামী-র কর্মসূচি পালিত হলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরায়। পথচলতি মানুষ, পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের মধ্যে বিতরণ করা হলো মাস্ক, গ্লাভস, সাবান, স্যানিটাইজার ইত্যাদি। মোট ১৫০০ মাস্ক, ১০০০ পিস সাবান এবং ২০০ পিস গ্লাভস বিতরণ করা হয় দেবদীপ অধিকারী(বিলু), সহরব আলি, সুদীপ দাসদের উদ্যোগে। করোনা সচেতনতামূলক প্রচারও চালানো হয়।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

বীরাঙ্গনা আশা কর্মীদের সংবর্ধনা

বুধবার ৯ সেপ্টেম্বর তৃণমূল কংগ্রেসের বঙ্গজননী বাহিনীর তরফে সংবর্ধিত করা হলো আশা কর্মীদের। বীরাঙ্গনাদের সংবর্ধনা প্রদানের কর্মসূচি পালিত হলো কালনা ১ নং ব্লকের কৃষ্ণদেবপুরে। আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের সংবর্ধিত করেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদ সদস্য আরতি হালদার। তিনি বলেন, যেভাবে এই বীরাঙ্গনারা জীবনের ঝুঁকি নিয়েও করোনা আবহে নিজেদের কর্তব্যে অবিচল রয়েছেন তাতে তাঁদের সংবর্ধনা জানানো সঠিক ও মানবিক পদক্ষেপ। কেন্দ্র প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলেও আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানাভাবে আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের পাশে রয়েছেন। তাঁরাও মুখ্যমন্ত্রীর পরিকল্পনা মতো প্রতিটি বাড়িতে একাধিকবার ঘুরে করোনা মো

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

হুগলিতে পথ দুর্ঘটনায় মৃত দেবশ্রী, মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা

হুগলিতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা। শিলিগুড়ির ডাবগ্রাম থেকে বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর রাতে রওনা দিয়ে বেহালার পর্ণশ্রীর বাড়িতে ফেরার সময় শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সকালে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার দেবশ্রী চট্টোপাধ্যায়-সহ ৩ জন। ২ নং জাতীয় সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে তাঁদের স্করপিও গাড়িটি। দুর্ঘটনায় দেবশ্রীদেবী ছাড়াও প্রাণ হারান তাঁর নিরাপত্তারক্ষী তাপস বর্মণ ও চালক মনোজ সাহা। শোকবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার দেবশ্রী চ্যাটার্জির মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ হুগলির দাদপুরে এক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। দক্ষ এই পুলিশ আধিকারিক পরিশ্রম ও নিষ্ঠার গুণে ডেপুটি কমিশনার পর্যায়ে উন্নীত হন। রাজ্য পুলিশেও তিনি কর্মকৃতির স্বাক্ষর রাখেন। মানবপাচার রোধে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য তিনি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পান। তাঁর মৃত্যুতে আমরা এক দক্ষ পুলিশ অফিসারকে হারালাম। আমি দেবশ্রী চ্যাটার্জির পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। দেবশ্রী চট্টোপাধ্যায় বর্তমানে কমান্ডিং অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন, তিনি কলকাতা পুলিশের প্রথম মহিলা ওসি হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে উত্তরবঙ্গে বদলি হন। পথ দুর্ঘটনায় বাকি দুই মৃতের পরিবার-পরিজন ও অনুরাগীদের জন্যও সমবেদনা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • 45
  • 46
  • ›

ট্রেন্ডিং

স্বাস্থ্য

বর্ধমানে বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালন

২৫ বছর পূর্তিতে দিনভর নানা কর্মসূচি, ফ্রি কনসালটেশন ক্যাম্প ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার; কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক নিয়ে বিশেষ আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস পালন।ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা ও উপকারিতা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে বর্ধমান শহরের বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজে পালিত হল বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস। মঙ্গলবার কলেজ প্রাঙ্গণে দিনভর নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ছিল বিশেষজ্ঞদের আলোচনা, বৈজ্ঞানিক সেশন, লাইভ ডেমোনস্ট্রেশন এবং রোগীদের জন্য বিনামূল্যে কনসালটেশন ক্যাম্প।অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন বর্ধমান শহরের বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জেন ড. শাশ্বত দত্ত। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মেডিকেল কলেজের উইংস অনাময় হাসপাতালের নিউরো মেডিসিন বিভাগের সিনিয়র রেসিডেন্ট ড. শিলাদিত্য দাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বি আই এম এল এস কলেজের এথিকাল কমিটির চেয়ারম্যান ও বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর ড. অভিষেক মিশ্র এবং বেঙ্গল ফেত হাসপাতালের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ড. অরোদীপ দাশগুপ্ত -সহ অন্যান্যরা।অনুষ্ঠানে বক্তারা দৈনন্দিন জীবনে ফিজিওথেরাপির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে উঠে আসে, ফিজিওথেরাপি শুধু চোট বা অস্ত্রোপচারের পর পুনর্বাসনের জন্য নয়; দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, অস্থিসন্ধির সমস্যা, পেশির দুর্বলতা, স্নায়বিক সমস্যা, চলাফেরার অসুবিধা এবং বিভিন্ন ধরনের শারীরিক প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।এছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ড. এম এস আনোয়ার, সহকারি অধ্যাপক ড. সত্যেন ভট্টাচার্য্য, সহকারি অধ্যাপক ড. অমর্ত্য মল্লিক, সহকারি অধ্যাপক ড.তনিমা ভট্টাচার্য্য, সহকারি অধ্যাপক ড. প্রিয়াঙ্কা দাস ও সহকারি অধ্যাপক ড. রজনী মিশ্র দাসগুপ্ত।২৫ বছর পূর্তিতে রোগী পরিষেবায় বিশেষ উদ্যোগবি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ড. এম এস আনোয়ার জানান, বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের ওপিডি পরিষেবার মাধ্যমে রোগীদের চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপি পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। এছাড়াও বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে ওপিডিতে আয়োজন করা হয় ফ্রি কনসালটেশন ক্যাম্প। তিনি জানান দিনভর এই ক্যাম্পে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা নিয়ে আসা রোগীদের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি আয়োজিত হয় বিশেষ বৈজ্ঞানিক সেমিনার।কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক নিয়ে বিশেষ সেশনবি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপি ডাক্তার ড. সত্যেন ভট্টাচার্য্য জানান, এবারে বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসে বিশেষ থিম ছিল কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ ও স্ট্রোক। এদিনের বৈজ্ঞানিক সেশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ এবং স্ট্রোক। স্ট্রোকের পর রোগীর স্বাভাবিক চলাফেরা, পেশিশক্তি, ভারসাম্য এবং দৈনন্দিন কাজ করার সক্ষমতা ফিরিয়ে আনতে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। তিনি জানান, সেমিনারের পাশাপাশি বিভিন্ন থেরাপিউটিক পদ্ধতি নিয়ে লাইভ ডেমোনস্ট্রেশনও দেখানো হয়।রোগীদের সাফল্যের গল্পে উঠে এল ফিজিওথেরাপির গুরুত্বসহকারি অধ্যাপক ড. অমর্ত্য মল্লিক জনতার কথাকে জানান, আজকের বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবসের অনুষ্ঠানের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে উপকৃত হওয়া রোগীদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা। বিশেষ করে ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন ধরনের ডিফর্মিটি বা ডিসঅ্যাবিলিটি নিয়ে বেড়ে ওঠা কয়েকজন রোগী কীভাবে চিকিৎসা ও নিয়মিত ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে এসেছেন, সেই অভিজ্ঞতা তাঁরা তুলে ধরেন।তাঁদের এই অভিজ্ঞতা উপস্থিতদের কাছে শুধু অনুপ্রেরণার নয়, বরং পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবেও উঠে আসে।কলেজের অধ্যক্ষ ড. এম এস আনোয়ার বলেন মানুষ কে জানতে হবে ফিজিওথেরাপি কেন গুরুত্বপূর্ণ?ফিজিওথেরাপির অন্যতম লক্ষ্য হল শরীরের নড়াচড়া ও কার্যক্ষমতা উন্নত করা, ব্যথা নিয়ন্ত্রণ করা এবং রোগীকে যতটা সম্ভব স্বনির্ভর করে তোলা।স্ট্রোক-পরবর্তী পুনর্বাসন, অস্ত্রোপচারের পর দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরা, কোমর-ঘাড়-কাঁধ বা হাঁটুর ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, স্পোর্টস ইনজুরি, শিশুদের শারীরিক বিকাশজনিত সমস্যা এবং বয়স্কদের চলাফেরার সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।তবে রোগীর শারীরিক অবস্থা ও রোগের ধরন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপির পদ্ধতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন এবং প্রশিক্ষিত ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ অনুযায়ী থেরাপি নেওয়া উচিত।বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস উপলক্ষে বি আই এম এল এস ফিজিওথেরাপি কলেজের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে উঠে এল একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাফিজিওথেরাপি শুধু ব্যথা কমানোর পদ্ধতি নয়, বরং একজন মানুষকে সুস্থ, সচল ও স্বনির্ভর জীবনে ফিরিয়ে আনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে উপনির্বাচন, নামল বিশাল বাহিনী! দুই কেন্দ্রের জন্য চাওয়া হল ৭১ কোম্পানি

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রস্তুতি শুরু করেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। দুই কেন্দ্রের জন্য মোট ৭১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে রেজিনগরের জন্য ৩৬ কোম্পানি এবং নন্দীগ্রামের জন্য ৩৫ কোম্পানি বাহিনী চাওয়া হয়েছে।তবে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় আগে থেকেই যে ৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রয়েছে, সেই বাহিনীকে এই উপনির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা যাবে না বলে জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নীলম মীনা। সেখানেই উপনির্বাচনের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, নন্দীগ্রামে মোট ২৮৬টি এবং রেজিনগরে ২৮২টি বুথ রয়েছে। ভোটারের সংখ্যা অনুযায়ী এর সঙ্গে আরও কিছু সাহায্যকারী বুথ যুক্ত হতে পারে। তবে অ্যাডজুডিকেশন এবং ট্রাইব্যুনালে থাকা ভোটাররা আসন্ন উপনির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন না বলেই সিইও দফতরের তরফে ইঙ্গিত মিলেছে।নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর থেকেই দুই কেন্দ্রের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ততা বেড়েছে সিইও দফতরে। মঙ্গলবার বিকেলে পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদ জেলার জেলাশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করেন নীলম মীনা-সহ দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।বৈঠকে দুই জেলায় নির্বাচন পরিচালনার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়। ভোটকেন্দ্রগুলির অবস্থা কেমন, সব বুথে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করতে কোনও সমস্যা রয়েছে কি না, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন, কতগুলি এলাকা সংবেদনশীল এবং সেখানে কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনকে ঘিরে প্রশাসনের এই তৎপরতার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর চাহিদাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে রেজিনগরে ৩৬ কোম্পানি এবং নন্দীগ্রামে ৩৫ কোম্পানি বাহিনী চাওয়ার প্রস্তাব এখন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের অপেক্ষায়।প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুরদুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে একটি আসন ছাড়তে হয়। নিজের গড় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন তিনি। ফলে ওই আসনটি বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে। এবার উপনির্বাচনের মাধ্যমে নতুন বিধায়ক বেছে নেবেন নন্দীগ্রামের ভোটাররা।অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং নওদাদুই কেন্দ্রেই জয় পেয়েছিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। নিয়ম মেনে তিনিও রেজিনগর কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন। ফলে ওই কেন্দ্রেও উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়।নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে। ৯ অক্টোবর ভোটের ফল প্রকাশ করা হবে। তার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী, বুথের নিরাপত্তা, ওয়েব কাস্টিং এবং সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে বিশেষ নজরদারিসব দিকেই প্রস্তুতি জোরদার করছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বলরাম মল্লিকের দোকানে কী মিলল? পুরসভার অভিযানের পর লাইসেন্স সাসপেন্ড, তালিকায় আরও ৩৯ সংস্থা

পুজোর আগে কলকাতার একাধিক নামী খাবারের দোকানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে কলকাতা পুরসভা। সিমলা বিরিয়ানি, আরসালান থেকে শুরু করে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানমোট ৪০টি রেস্তোরাঁ, হোটেল ও খাবারের সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুরসভার তরফে দেওয়া তালিকা অনুযায়ী, খাবারের মান এবং স্বাস্থ্যবিধি নিয়ে একাধিক অনিয়ম সামনে এসেছে। কোথাও পচা খাবার বা মেয়াদ উত্তীর্ণ মশলার অভিযোগ রয়েছে, কোথাও আবার খাবারে বিষাক্ত রং ব্যবহারের বিষয়টি উঠে এসেছে। একাধিক মিষ্টির দোকানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরির অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। মিষ্টি তৈরিতে ব্যবহৃত দুধের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।টলিগঞ্জের বি এল সাহা রোডে বলরাম মল্লিকের মিষ্টির দোকানেও একাধিক নিয়ম না মানার অভিযোগ উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রতিষেধক টিকাদানের নথি পাওয়া যায়নি।এ ছাড়াও রেফ্রিজারেটরে রাখা তৈরি বা অর্ধেক তৈরি খাবারে তৈরির তারিখের কোনও ট্যাগ পাওয়া যায়নি বলে পুরসভার তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে। ব্যবহৃত ভোজ্যতেল কী ভাবে ফেলা বা নষ্ট করা হয়, সেই সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নথিও মেলেনি বলে দাবি পুরসভার।দোকানে ঢাকনাবিহীন আবর্জনার পাত্র থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। খাবার সংরক্ষণের জন্য তাপমাত্রা সঠিক ভাবে মাপা যায়, এমন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ছিল না বলেও পুরসভার পরিদর্শনে উল্লেখ করা হয়েছে।খাবার তৈরি ও পরিবেশনের সময় কর্মীদের মাথায় টুপি বা গায়ে অ্যাপ্রন না থাকার অভিযোগও রয়েছে। পুরসভার রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশির ভাগ খাবার খোলা বা ঢাকনাবিহীন অবস্থায় তাক কিংবা রেফ্রিজারেটরে রাখা ছিল।শুধু খাবার সংরক্ষণ নয়, রান্নার জায়গা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রান্নাঘরের বাইরে আলুর তরকারি তৈরি করা হচ্ছিল। পাশাপাশি নিচু জায়গা ও জলাভূমির কাছাকাছি বস্তায় আলু রাখার বিষয়টিও পরিদর্শনে ধরা পড়েছে।বলরাম মল্লিকের দোকান ছাড়াও কলকাতার আরও একাধিক মিষ্টির দোকানের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুজোর আগে শহরের খাবারের দোকানগুলিতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতেই এই ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, মোট ৪০টি সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি সমস্ত নিয়ম মেনে আবেদন করলে সেই আবেদন খতিয়ে দেখা হবে। অর্থাৎ নিয়ম মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে পুরসভার তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

নিউ মার্কেটের সেই আগুনের পর বদলে গেল নিয়ম? কলকাতার ৯১৯ হোটেল-গেস্ট হাউসের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

নিউ মার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বড় পদক্ষেপ করল নবান্ন। বিশেষজ্ঞ কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে শহরের ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত ওই হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের পরেই কলকাতার বিভিন্ন হোটেলে অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করে নবান্ন। কমিটির সদস্যরা শহরের ১৬টি ব্যুরোর আওতায় থাকা হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলিতে অভিযান চালান। সব মিলিয়ে ৯৬২টি হোটেল ও গেস্ট হাউস পরিদর্শন করা হয়।অভিযানের পর কমিটি নবান্নে রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টে ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসে অগ্নিসুরক্ষা বিধি যথাযথ ভাবে মানা হচ্ছে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরই ওই হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত সেগুলি বন্ধ থাকবে।এর নেপথ্যে রয়েছে নিউ মার্কেট এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। আগস্ট মাসে মির্জা গালিব স্ট্রিটের ১৫ এইচ নম্বর ভবনে থাকা ওই আবাসিক হোটেলে গভীর রাতে আগুন লাগে। রাত আনুমানিক পৌনে দুটো নাগাদ আগুনের সূত্রপাত হয় বলে জানা গিয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং হোটেলের ঘরগুলি ঘন কালো ধোঁয়ায় ভরে যায়।আগুন এবং ধোঁয়ার কারণে হোটেলের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই প্রাণ বাঁচাতে বাইরে বেরোনোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ঘন ধোঁয়ার কারণে বেশ কয়েক জন সমস্যায় পড়েন। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কয়েক জন জ্ঞান হারান বলেও জানা যায়।ভোররাতে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে হোটেল থেকে প্রায় ৮০ জনকে উদ্ধার করা হয় বলে জানানো হয়েছিল। ওই ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়। মৃতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি ছিলেন। আরও ৬ জন আহত হন।ঘটনার পরেই কলকাতার হোটেলগুলির অগ্নিসুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপর শহরের বিভিন্ন হোটেল ও গেস্ট হাউসে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয় নবান্ন। সেই অভিযানের রিপোর্টেই উঠে আসে ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসে অগ্নিসুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগ।রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই প্রশাসনের তরফে বড় পদক্ষেপ করা হয়েছে। ৯১৯টি হোটেল ও গেস্ট হাউসের লাইসেন্স বাতিল করে আপাতত সেগুলি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা দফতরের প্রধান সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওঙ্কার সিং মিনাকে। নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডের পর কলকাতার হোটেলগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
বিদেশ

দেশে ফেরার ঘোষণা, তার আগেই প্রকাশ্যে হাসিনার সম্পত্তির হিসাব! কত টাকার মালিক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী?

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের চর্চা শুরু হয়েছে তাঁর সম্পত্তির হিসাব নিয়ে। বাংলাদেশি সংবাদমাধ্যমের দাবি, দেশে গণহত্যার মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাঁর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে হাসিনার হলফনামা, যেখানে তাঁর স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির হিসাব উল্লেখ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।হলফনামায় দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশি মুদ্রায় শেখ হাসিনার মোট সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ৩৪ লক্ষ টাকা। ভারতীয় মুদ্রায় যার মূল্য প্রায় ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ টাকা। তাঁর হাতে নগদ ছিল ২৮ হাজার ৫০০ বাংলাদেশি টাকা। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর প্রায় ২ কোটি ৩৯ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা জমা ছিল বলে ওই হিসাব থেকে জানা যাচ্ছে।শুধু ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকাই নয়, শেখ হাসিনার নামে কৃষিজমিও রয়েছে। হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর কৃষিজমির পরিমাণ ১৫ বিঘার বেশি। তাঁর নামে মোট তিনটি গাড়ি রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গাড়ি উপহার হিসেবে পাওয়া। সেই গাড়ির মূল্য হলফনামায় উল্লেখ করা হয়নি। অন্য দুটি গাড়ির সম্মিলিত মূল্য প্রায় ৪৭ লক্ষ ৫০ হাজার বাংলাদেশি টাকা।হলফনামায় সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মূল্য প্রায় ১৩ লক্ষ ২৫ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া আসবাবপত্রের মূল্য প্রায় ৭ লক্ষ ৪০ হাজার বাংলাদেশি টাকা বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে হলফনামায় শেখ হাসিনার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির যে হিসাব দেওয়া হয়েছে, তা নিয়েই এখন নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে ফেরার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, তিনি নিজের দেশে ফিরতে চান এবং ফিরবেনই। ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফেরার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট অনির্দিষ্টকাল ধরে চলতে দেওয়া যায় না। দেশে ফেরা তাঁর কাছে ক্ষমতায় ফেরার বিষয় নয়, বরং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বিষয়।হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি সারা জীবন বিদেশে থাকতে পারেন না। নিজের দেশ এবং আপনজনদের কাছে তাঁকে ফিরতেই হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চা তৈরি করেছে।উল্লেখ্য, ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই শেখ হাসিনা ভারতে রয়েছেন। বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণার কথাও সামনে এসেছে। তাঁকে বাংলাদেশের হাতে প্রত্যর্পণ করা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপড়েনও চলছে বলে জানা যাচ্ছে।এরই মধ্যে গত ৫ আগস্ট দিল্লি থেকে ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন শেখ হাসিনা। সেখানেও দেশে ফেরার বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি। ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাসে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানান হাসিনা। তাঁর এই বক্তব্য এবং একই সময়ে প্রকাশ্যে আসা সম্পত্তির হিসাব ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে আরও চাপে অভিষেক! নিম্ন আদালতের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে গোয়েঙ্কা পরিবার

ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে আরও আইনি চাপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ওই বাড়ির মালিক তথা গোয়েঙ্কা পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। মামলাটি উঠেছে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের এজলাসে।ক্যামাক স্ট্রিটের ৯ নম্বর বাড়িটির মালিক রমাদেবী গোয়েঙ্কা। ২০২০ সালে ওই বাড়ি নিয়ে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সঙ্গে তাঁদের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু মালিকপক্ষের অভিযোগ, চুক্তিতে যে শর্তগুলি ছিল, তার সবগুলি মানা হয়নি। তাঁদের দাবি, প্রভাব খাটিয়ে বাড়িটির দুটি তলা দখল করে রাখা হয়েছিল।মালিকপক্ষের আরও অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি না নিয়েই বাড়িতে হোর্ডিং বা বিলবোর্ড লাগানো হয়েছিল। শুধু দুটি তলাই নয়, সিঁড়ির নীচের অংশ, গ্যারাজ এবং ছাদও দখল করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।এই অভিযোগের ভিত্তিতে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিস ছেড়ে দেওয়ার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ দেয় নিম্ন আদালত। নিম্ন আদালতের সেই নির্দেশকেই এবার চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেছে মালিকপক্ষ।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিসের হোর্ডিং ঘিরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। হোর্ডিংটি অবৈধ বলে অভিযোগ তুলে তা সরাতে গিয়েছিলেন পুরসভার কর্মীরা। তাঁদের সঙ্গে পুলিশও ছিল। অভিযোগ, অফিসে ঢোকার সময় পুরসভার কর্মীদের বাধার মুখে পড়তে হয়।এর পরেই পুলিশ ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে তীব্র বচসা শুরু হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ওব্রায়েন। অভিযোগ, অফিসে ঢোকার চেষ্টা ঘিরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও অফিসের কর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি চলে বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস নিয়ে মামলা পৌঁছল কলকাতা হাইকোর্টে। নিম্ন আদালতের স্থগিতাদেশকে চ্যালেঞ্জ করে মালিকপক্ষের এই আবেদনের ফলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আইনি টানাপড়েন তৈরি হয়েছে। গোয়েঙ্কা পরিবারের অভিযোগ এবং হাইকোর্টে তাঁদের আবেদনের পর মামলাটির পরবর্তী গতিপথের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর আগেই বড় ঘোষণা! আন্দোলনে নামার আগেই ২০ শতাংশ বোনাস চা শ্রমিকদের, বদলে গেল ডুয়ার্সের ছবি

পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্স মিলিয়ে প্রায় ২৭৫টি চা বাগানের শ্রমিকদের জন্য পুজোর আগে বড় ঘোষণা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চা শ্রমিকদের ২০ শতাংশ হারে বোনাস দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশিকা ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের দাবিতে যে আন্দোলনের ছবি দেখা যেত, এ বার তার আগেই স্বস্তি ফিরেছে শ্রমিকদের মধ্যে।চা শ্রমিকদের বোনাস নিয়ে প্রতি বছরই পুজোর আগে টানাপড়েন তৈরি হয়। কোথাও গেট মিটিং, কোথাও বিক্ষোভ, আবার কোথাও রাস্তা অবরোধ করে নিজেদের দাবি জানাতে দেখা যায় শ্রমিকদের। বোনাস ঘোষণা হওয়ার পরেও টাকা পাওয়া নিয়ে দেরি বা টালবাহানার অভিযোগ ওঠে বিভিন্ন সময়ে। ফলে পুজোর আগে বোনাস নিয়ে চা শ্রমিকদের মধ্যে একটা দুশ্চিন্তা থেকেই যায়।এ বার অবশ্য পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। পুজো আসার বেশ কিছুটা আগেই ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা হয়েছে। ফলে আন্দোলনে নামার আগেই বোনাসের খবর পেয়ে স্বস্তি পেয়েছেন চা শ্রমিকেরা। পাহাড়, তরাই এবং ডুয়ার্স মিলিয়ে প্রায় ২৭৫টি চা বাগানে তিন লক্ষেরও বেশি শ্রমিক রয়েছেন বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।জলপাইগুড়ি জেলাতেও এই ঘোষণার প্রভাব পড়েছে। জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে। এই বাগানগুলির শ্রমিকদের কাছে পুজোর বোনাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বছরের এই সময় বোনাসের টাকাতেই বহু পরিবার পুজোর কেনাকাটা থেকে শুরু করে সংসারের নানা প্রয়োজন মেটায়।শ্রমিকদের একাংশ জানিয়েছেন, বোনাসের টাকা হাতে এলে সন্তানদের নতুন পোশাক কিনে দিতে পারবেন তাঁরা। নিজেদের জন্যও নতুন জামাকাপড় কেনার পাশাপাশি পুজোর কয়েক দিন পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে। অনেকের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে মেরামতের প্রয়োজন রয়েছে। বোনাসের টাকা দিয়ে সেই কাজও সেরে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে অনেক পরিবারের।চা শ্রমিকদের বক্তব্য, প্রতি বছর পুজোর আগে বোনাসের জন্য আন্দোলন করতে হবে কি না, তা নিয়ে চিন্তা থাকত। এ বার আগেই ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা হওয়ায় সেই দুশ্চিন্তা অনেকটাই কমেছে। আন্দোলনে নামার আগেই দাবি মিটতে চলায় খুশি তাঁরা।এর মধ্যেই চা শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার কালিম্পঙে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক করার কথা ছিল। তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর কপ্টার সেখানে নামতে পারেনি। পরে উত্তরকন্যা থেকে ভার্চুয়ালি প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা জানা গিয়েছে।সব মিলিয়ে পুজোর আগে ২০ শতাংশ বোনাসের ঘোষণা চা শ্রমিকদের কাছে বড় স্বস্তির খবর। বোনাসের টাকায় নতুন পোশাক কেনা, পুজোর বাজার করা, পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা এবং ঘরদোর মেরামতের পরিকল্পনা করছেন অনেকেই। ফলে পুজোর আগে ডুয়ার্সের চা বাগানগুলিতে এ বার আন্দোলনের বদলে উৎসবের প্রস্তুতির ছবিই বেশি চোখে পড়ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় এসে বাঙালিকেই অপমান? বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে আইনের পথে কংগ্রেস

দুর্গাপুজোয় মাছ-মাংস খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের প্রতিবাদে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করল প্রদেশ কংগ্রেস। মঙ্গলবার মধ্য কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মানস সরকার থানায় অভিযোগ করেন। তিনি চৌরঙ্গির প্রার্থীও। দক্ষিণ কলকাতা জেলা কংগ্রেসের সভাপতি প্রদীপ প্রসাদও এই পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন বলে জানা গিয়েছে।কংগ্রেসের অভিযোগ, বাংলায় এসে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস এবং দুর্গাপুজো পালনের রীতি নিয়ে বাগেশ্বর বাবা মন্তব্য করেছেন। তাঁদের দাবি, এ ভাবে বাঙালির সংস্কৃতি নিয়ে মন্তব্য করা অবমাননাকর। অভিযোগপত্রে বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যের কয়েকটি শব্দপ্রয়োগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগ দায়েরের সময় ভবানীপুর থানার সামনে কংগ্রেসের কর্মী ও সমর্থকেরা জমায়েত করেন। সেখানে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভও দেখানো হয়। মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে এই অভিযোগ দায়ের হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।এই বিতর্কের সূত্রপাত হাওড়ায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যকে ঘিরে। অভিযোগ, সেখানে তিনি দুর্গাপুজোর সময়ে বাঙালির খাদ্যাভ্যাস নিয়ে মন্তব্য করেন। পুজোর সময়ে যাঁরা মাছ-মাংস খান, তাঁদের ধর্মীয় আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এমনকি তাঁদের ভণ্ড বলেও মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ।বাঙালির পুজোর সময়ে কী খাওয়া উচিত, তা নিয়েও বাগেশ্বর বাবা মন্তব্য করেন বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর সেই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পরেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। রাজনৈতিক দলগুলি নিজেদের মতো করে এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করে।এই বিতর্কে বিজেপির কয়েক জন নেতাও বাঙালির খাদ্যাভ্যাসের পক্ষেই সুর মিলিয়েছেন। দিলীপ ঘোষ এবং শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্য, বাঙালি এত দিন যেভাবে দুর্গাপুজো পালন করে এসেছে, এ বারও সেভাবেই পালন করবে। কে মাছ-মাংস খাবেন আর কে নিরামিষ খাবেন, তা ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয় বলেই তাঁদের মত।তবে বিষয়টি এখানেই থামাতে চাইছে না কংগ্রেস। দলের অভিযোগ, বাঙালি কী ভাবে দুর্গাপুজো পালন করবে বা কী খাবেন, সেই বিষয়ে বাইরে থেকে কোনও নির্দেশ চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়। মানস সরকারের অভিযোগপত্রেও এই বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।কংগ্রেসের আরও দাবি, বাঙালির সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের বিরুদ্ধে পুলিশ যথাযথ পদক্ষেপ করুক। এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী ব্যবস্থা নেয়, এখন সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।দুর্গাপুজোয় আমিষ না নিরামিষএই বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। তার মধ্যেই বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ায় বিতর্ক আরও নতুন মোড় নিল।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal