• ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Land

খেলার দুনিয়া

I‌PL England : ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট না খেলার প্রতিশোধ?‌ আইপিএল থেকে সরলেন বেয়ারস্টোরা

বিরাট কোহলিদের ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট না খেলার কি প্রতিশোধ? অনেকের ধারণা তেমনই। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ থেকে সরে দাঁড়ালেন ইংল্যান্ডের তিন ক্রিকেটার ক্রিস ওকস, দাওইদ মালান ও জনি বেয়ারস্টো। টি২০ বিশ্বকাপ ও অ্যাশেজ সিরিজের কথা ভেবেই এই তিন ক্রিকেটার আইপিএল না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেশের কথা বললেও ম্যাঞ্চেটার টেস্টের ঘটনার জন্যই বেয়ারস্টোরা যে সরে দাঁড়িয়েছেন, অনেকেই সেটা মনে করছেন।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরইংল্যান্ডের প্রাক্তন ও বর্তমান ক্রিকেটাররা মনে করছেন ভারতীয় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমার ছাড়া আর কেউ করোনা আক্রান্ত হননি, সেক্ষেত্রে দুএকদিন পরেও ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট শুরু করা যেত। কিন্তু আইপিএলের জন্যই ক্রিকেটাররা রাজি হননি। যদিও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের দাবি, আইপিএলকে দায়ী করা ঠিক নয়। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড চেষ্টা করেছিল টেস্ট খেলতে। কিন্তু করোনা আতঙ্কে সিনিয়র ক্রিকেটাররা টেস্ট খেলতে চাননি। যদিও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের দাবি, বৃহস্পতিবার ক্রিকেটারদের হোটেল রুমে থাকতে বলা সত্ত্বেও কয়েকজন ক্রিকেটারকে ম্যাঞ্চেস্টারে ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছে। ইংল্যান্ড দলকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জানানো হয়, কয়েকজন ক্রিকেটার ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট খেলতে আগ্রহী নন। এতে ভারতীয় দলের ওপর ক্ষিপ্ত ইংল্যান্ড ক্রিকেটাররা। তখনই বেয়ারস্টোরা সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা আইপিএল খেলতে যাবেন না।আরও পড়ুনঃ ২০০৮ সালের ২৬/১১র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?এই তিন তারকা ক্রিকেটার সরে দাঁড়ানোয় সমস্যা পড়ল দিল্লি ক্যাপিটালস, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও পাঞ্জাব কিংস। জনি বেয়ারস্টো খেলেন সানরাইজার্স হায়দরাবদে। ক্রিস ওকস দিল্লি ক্যাপিটাসে এবং দাওইদ মালান কযেলেন পাঞ্জাব কিংসে। তিনজন সরে দাঁড়ানোয় ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলি সমস্যায় পড়বে। তবে দাওইদ মালানের বিকল্প পেয়ে গেছে পাঞ্জাব কিংস। তারা দলে নিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মার্করামকে। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কা সফরে রয়েছেন মার্করাম। তাঁর নেতৃত্বে ২০১৪ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিল। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার সিনিয়র দলের নেতৃত্বের ভারও সামলেছেন মার্করাম।আরও পড়ুনঃ শ্রীলঙ্কার টি২০ বিশ্বকাপ দলে চমক রহস্যময় স্পিনার মহেশ থীক্ষণাঅন্যদিকে, সানরাইজার্স হায়দরাবাদ জনি বেয়ারস্টোর পরিবর্তে দলে নিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটার শেরফান রাদারফোর্ডকে। রাদারফোর্ড ২০১৯ সালের আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাতীয় দলে না থাকলেও এবার খেলেছেন ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে। বেয়ারস্টো আইপিএলের দ্বিতীয় পর্যায় থেকে সরে দাঁড়ানোয় ঋদ্ধিমান সাহার আইপিএল দলে নিয়মিত সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হল। তেমনই ডেভিড ওয়ার্নারের প্রথম একাদশে থাকা নিয়েও আর সংশয় বিশেষ থাকছে না। আগেই আইপিএল থেকে ছিটকে গিয়েছেন জোফ্রা আর্চার। বেন স্টোকস ক্রিকেট থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সরেছেন মানসিক স্বাস্থ্যের কারণে। সন্তানের পিতা হওয়ায় স্ত্রীর পাশে থাকতে জস বাটলারও আইপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন আগেই। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বেয়ারস্টোদের মত বদলের কারণ যে ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিল, তা নিয়ে সংশয় নেই। ইংল্যান্ডের যে ১০ জন ক্রিকেটাকে আইপিএলে দেখা যাবে তাঁরা হলেন মঈন আলি, স্যাম কারান, টম কারান, জর্জ গার্টন, ইওয়িন মর্গ্যান, ক্রিস জর্ডন, আদিল রশিদ, লিয়াম লিভিংস্টোন ও জেসন রয়।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌nd vs Eng Manchester Test : বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসি–কে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের

করোনা আতঙ্কে ভারতীয় ক্রিকেটাররা ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টেস্ট খেলতে চাননি। দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে ওল্ড ট্রাফোডের টেস্ট বাতিল করেছিল। বাতিল হওয়া পঞ্চম টেস্ট ফের কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড দফায় দফায় আলোচনায় বসেও কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। বল ঠেলে দেওয়া হয়েছে আইসিসি-র কোর্টে। বাতিল হওয়া ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট কবে ফের আয়োজন করা যায়, তার সমাধানসূত্র বের করতে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে বিশ্বের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ামক সংস্থাকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের মুখপাত্র এ খবর জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা আইসিসিকে চিঠি দিয়েছি বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচের ভবিষ্যত জানতে চেয়ে।আরও পড়ুনঃ ২০০৮ সালের ২৬/১১র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?ইংল্যান্ড সফরের শেষদিকে ভারতীয় শিবিরে থাবা বসিয়েছিল করোনা ভাইরাস। চতুর্থ টেস্ট চলাকালীনই ভারতীয় দলের হেড কোচ রবি শাস্ত্রীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শাস্ত্রীর সংস্পর্ষে আসা আরও তিন সাপোর্ট স্টাফকে লন্ডনের টিম হোটেলে আইসোলেশনে থেকে যেতে হয়। বাকি দল পঞ্চম টেস্ট খেলতে ম্যাঞ্চেস্টার রওয়া হয়। কিন্তু ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যে পঞ্চম টেস্ট শুরু হওয়ার আগে সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরফলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ক্রিকেটাররা। কোহলিরা খেলতে না চাওয়ায় ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিল করা হয় বলে শোনা যাচ্ছে। এ ব্যাপারে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ও ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা বিবৃতি জারি করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কী হবে ভারতইংল্যান্ড বাতিল টেস্টের ভবিষ্যত?ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট বাতিল হয়ে গেলেও সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে ভারত। বাতিল হওয়া ম্যাচ ফের খেলা হলে ভালো, না হলে বিজয়ী ভারতকে ঘোষণা করা হবে, নাকি ইংল্যান্ডের পক্ষে ২২ ফলাফলে সিরিজে ইতি টানা হবে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ২০২২ সালে আবার ইংল্যান্ড সফরে যাবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ১ জুলাই ওল্ড ট্রাফোর্ডে প্রথম টি২০ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও ইংল্যান্ড। দুই দলের মধ্যে পরের দুটি টি২০ ম্যাচ ট্রেন্টব্রিজ ও সাউদাম্পটনে অনুষ্ঠিত হবে। ৩ ও ৬ জুলাই হবে এই দুটি ম্যাচ। এরপর ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তাদেরই মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলবে ভারতীয় ক্রিকেট দল। ৯, ১২ এবং ২৪ জুলাই যথাক্রমে এজবাস্টন, কিয়া ওভাল ও লর্ডসে হবে মোকাবিলা। তারই ফাঁকে করোনা ভাইরাসের জেরে বাতিল হয়ে যাওয়া ভারত ও ইংল্যান্ড ওল্ড ট্র্যাফোর্ড টেস্ট আয়োজন করা সম্ভব কিনা, সে ব্যাপারে আই সি সির সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Sunil Gavaskar : ২০০৮ সালের ২৬/‌১১–র প্রসঙ্গ কেন তুললেন গাভাসকার?‌

ভারতীয় দলের ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ম্যাঞ্চেস্টারে ভারত ও ইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট নিয়ে প্রথমে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। পরে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা করে টেস্ট না খেলার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। জানা গেছে, আতঙ্কেই খেলতে চাননি ক্রিকেটাররা। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড চায় ভবিষ্যতে বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচ খেলতে। ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডও এই ব্যাপারে সম্মতি জানিয়েছে। যদিও এই টেস্ট ম্যাচটি সিরিজের অংশ হবে না। বাতিল হওয়া টেস্ট আবার খেলা হবে, আর দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের এই সিদ্ধান্তকে প্রশংসা করেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার। আর এই ব্যাপারে তিনি উদাহরণ তুলে ধরেছেন, ২০০৮ সালের ২৬/১১র ঘটনা। মুম্বইয়ে সন্ত্রাস বাদী হামলার জন্য একদিনের সিরিজের দুটি ম্যাচ বাতিল হয়েছিল। পরে ভারতে এসে ইংল্যান্ড ওই দুটি ম্যাচ খেলেছিল। এই প্রসঙ্গে সুনীল গাভাসকার বলেছেন, দুই দেশের বোর্ড যে আবার বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচ খেলতে রাজি হয়েছে, আমি মনে করি এটি সঠিক পদক্ষেপ হবে। ২০০৮ সালে ২৬/১১ সন্ত্রাস বাদী হামলার পর ইংল্যান্ড দল যা করেছিল তা আমাদের কখনই ভুলে যাওয়া উচিত নয়। সিরিজ শেষ করতে ওরা আবার পরে ফিরে এসেছিল। ইংল্যান্ড দল তখন বলতে পারত যে, ওরা ভারতকে নিরাপদ বোধ করছে না। আবার খেলতে ফিরে আসবে না। ইংল্যান্ড কিন্তু তা করেনি। সন্ত্রাসবাদীরা যখন মুম্বই আক্রমণ করেছিল, তারপরই সফরকারী ইংল্যান্ড দলের সঙ্গে ভারতের কটকে ম্যাচ ছিল। হামলার কারণে শেষ ২ টি একদিনের ম্যাচ বাতিল হয়েছিল। ইংল্যান্ড তাৎক্ষণিকভাবে দেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু পরে দুই টেস্টের সিরিজ খেলতে ফিরে আসে। যে সিরিজে ভারত ১-০ ব্যবধানে জিতেছিল। সিরিজ শেষ করার ব্যাপারে তৎকালীন ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেভিন পিটারসেনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সুনীল গাভাসকার। তিনি বলেন, কখনই ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে কেভিন পিটারসেন সেই দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে তিনিই ছিলেন প্রধান ব্যক্তি। কেভিন পিটারসেন যদি সেই সময়ে ভারতে আসতে অস্বীকার করতেন, তাহলে সফরটি সেখানেই শেষ হয়ে যেত। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পুনরায় ম্যাচ খেলার প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে সুনীল গাভাসকার বলেন, বাতিল টেস্ট আগামী বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের পর অনুষ্ঠিত হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ND vs ENG Test : কী হবে ভারত–ইংল্যান্ড বাতিল টেস্টের ভবিষ্যত?‌

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই অনিশ্চয়তায় দুলছিল ভারতইংল্যান্ড পঞ্চম টেস্ট। ভারতীয় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসা টেস্ট ম্যাচ বাতিলের আশঙ্কা ছিল। অবশেষে সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে দাঁড়াল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে বৈঠকের পর ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড। যোগেশ পারমারের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। যদিও দলের বাকি সদস্যদের আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। তখনই ম্যাঞ্চেস্টারে সিরিজের পঞ্চম টেস্ট শুরুর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। শুক্রবার ফের পালাবদল। ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের তরফে জানানো হয় বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড বলেছে, ভারতীয় শিবির করোনা বৃদ্ধির ভয়েই ম্যাঞ্চেস্টারে শেষ টেস্ট খেলতে চায় না। তবে কোনও ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তা নিয়েও জল্পনা চলছে। বৃহস্পতিবার রাতে অধিনায়ক বিরাট কোহলিসহ ভারতীয় দলের কয়েকজন সিনিয়র ক্রিকেটার হোটেলের একটি রুমে গিয়ে বোর্ড কর্তাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে অংশ নেন। করোনাতঙ্কে একাধিক ক্রিকেটার টেস্ট খেলার ব্যাপারে রাজি ছিলেন না। শুক্রবার সকালে ভারতীয় ক্রিকেটারদের প্রত্যেকের মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে বলা হয় টেস্ট ম্যাচ হবে না। সকলকে ঘরে থাকতেই বলা হয়। মিনিট দশেক পর আরও একটি বার্তা আসে। তাতে বলা হয় প্রত্যেকের ঘরে ব্রেকফাস্ট পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না। হোটেলে প্রাতঃরাশের যেখানে ব্যবস্থা রয়েছে সেখানে যেতে হবে।এখন প্রশ্ন হল টেস্ট বাতিলের ফলে সিরিজের ভবিষ্যত কী হবে। ভারত এই মুহূর্তে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নিয়মে বলা রয়েছে, করোনা পরিস্থিতিতে কোনও টেস্ট বাতিল বা পরিত্যক্ত হতেই পারে। কিন্তু ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড চাইছে ভারত যেহেতু দল নামাতে পারেনি, তাই তাদের ওয়াকওভার দেওয়া হোক। তাহলে সিরিজ ২২ হবে। ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডের সঙ্গে কথা বলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে আইসিসি।এদিকে, ম্যাঞ্চেস্টারে বাতিল হয়ে যাওয়া টেস্ট ম্যাচটি পরে আয়োজনের জন্য ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডকে প্রস্তাব দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। সূত্রের খবর, আগামী বছর ভারত যখন ইংল্যান্ড সফরে যাবে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে। তখনই ম্যাঞ্চেস্টারে বাতিল হওয়া টেস্ট ম্যাচটি হতে পারে। ভারতীয় বোর্ড সচিব জয় শাহ বলেছেন, বিসিসিআই ও ইসিবি যৌথভাবে আলোচনা করেই ম্যাঞ্চেস্টার টেস্ট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। টেস্ট ম্যাচটি যাতে খেলা যায় তা নিশ্চিত করতে দুই বোর্ডই দফায় দফায় বৈঠক করেছে। কিন্তু ভারতীয় শিবিরে করোনা সংক্রমণের জেরে সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্টটি স্থগিত রাখার পথে হাঁটতে হল। যেহেতু দুই দেশের ক্রিকেট বোর্ডের সুদৃঢ় পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে সে কথা মাথায় রেখে বিসিসিআইয়ের তরফে ইসিবিকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এই টেস্টটি পরে কখনও আয়োজনের জন্য সময় বের করার জন্য। কখন ম্যাচটি আয়োজন করা সম্ভব সে ব্যাপারে ইসিবির সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে বিসিসিআই।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : আবার করোনার হানা ভারতীয় শিবিরে, পঞ্চম টেস্ট নিয়ে অনিশ্চয়তা

শুক্রবার থেকে ম্যাঞ্চেস্টারে ভারতইংল্যান্ড সিরিজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট শুরু হওয়ার কথা। ভারতীয় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমার করোনা আক্রান্ত হওয়ায় শেষ টেস্ট নির্ধারিত সময়ে শুরু হওয়া নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এর আগে রবি শাস্ত্রী এবং বোলিং কোচ ভরত অরুণ আক্রান্ত হন। বৃহস্পতিবার যোগেশ পারমারের রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই তড়িঘড়ি অনুশীলন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় বোর্ড। গতকাল ভারতীয় দল ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অনুশীলন করে। কিন্তু এরপরই জানা যায় দলের সহকারী ফিজিও যোগেশ পারমারের করোনা পজিটিভ। এরপর আজ সকালে দলের সকলের করোনা পরীক্ষা হয়েছে। রিপোর্ট না আসা অবধি সকলকে টিম হোটেলের ঘরেই থাকতে বলা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় দল আজ ম্যাচের আগের দিন অনুশীলন করতে পারেনি। বাতিল হয়েছে প্রি ম্যাচ প্রেস কনফারেন্সও। জানা গিয়েছে, সকালে গোটা দলের সঙ্গে কথা হয়েছে বিসিসিআই কর্তাদের। বিসিসিআই ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকে অনুরোধ করেছে ফিজিও-র ব্যবস্থা করার জন্য। কারণ, রবি শাস্ত্রীর করোনা ধরা পড়ার পর আইসোলেশনে চলে গিয়েছিলেন বিরাটদের ফিজিও নীতীন প্যাটেল। ফলে তাঁর ভূমিকা পালন করছিলেন পারমার। এবার তাঁরও করোনা ধরা পড়ল। শাস্ত্রীর সংস্পর্শে আসার কারণে প্রধান ফিজিও নীতিন প্যাটেল আগেই আইসোলেশনে চলে যান। বৃহস্পতিবারের ঘটনায় ভারতীয় দলে আর কোনও ফিজিওই অবশিষ্ট রইল না। ওভালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২১ এগিয়ে যাওয়ার মুহূর্ত ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর ছাড়া বাকিদের টিভিতেই দেখতে হয়। ভারতের সব ক্রিকেটার এবং সাপোর্ট স্টাফ জোড়া ভ্যাকসিন নিয়েছিলেন আগেই। ব্রিটেনে কোভিডের বিধিনিষেধ উঠে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরেছে। তাই কড়াকড়ি বায়ো বাবল আর নেই। রবি শাস্ত্রী তাঁর একটি বইপ্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন টিম হোটেলে। এ জন্য তিনি বিসিসিআই বা ইসিবি, কারও কাছ থেকেই নাকি অনুমতি নেননি। তারপর থেকেই কোভিডের উপসর্গ দেখা দিতে থাকে ভারতের হেড কোচের মধ্যে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ওই অনুষ্ঠানে ভিড়ের মধ্যেই কোনও কোভিড আক্রান্তের সংস্পর্শে আসেন শাস্ত্রী।আপাতত ভারতীয় ক্রিকেটারদের বলা হয়েছে নিজেদের ঘরেই থাকার জন্য। টেস্টের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইসিবি-র সঙ্গে কথা চালাচ্ছেন বিসিসিআই কর্তারা। ভারতীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা নাগাদ ভারতীয় দলের ভার্চুয়ালি প্রেস কনফারেন্স হওয়ার কথা জানা গিয়েছিল। হেড কোচ রবি শাস্ত্রী করোনা আক্রান্ত হয়ে লন্ডনে, সঙ্গে বোলিং কোচ ভরত অরুণ, ফিল্ডিং কোচ আর শ্রীধরও। এই পরিস্থিতিতে কেয়ারটেকার কোচের ভূমিকায় রয়েছেন ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোর। তিনি বা বিরাট কোহলি ম্যাচের আগের দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হবেন বলে ঠিক ছিল। কিন্তু সেই সাংবাদিক বৈঠক বাতিল হয়েছে। পারমার গতকাল অনুশীলনের পর কোভিড উপসর্গ অনুভব করেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর বিকেলে করোনা পরীক্ষা হতেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে।এর মাঝে বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলিও একটি অনুষ্ঠানে সিরিজের শেষ ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তার কথা জানান। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে বলা যাচ্ছে না ম্যাচ আদৌ হবে কি না। তবে চাইব যাতে ম্যাচটা হয়। প্রাক ম্যাচ সাংবাদিক বৈঠকের সময় নির্ধারিত ছিল সন্ধে ৭:৩০এ। খেলোয়াড়রা আইসোলেশনে। খুব স্বাভাবিকভাবে সেই সাংবাদিক সম্মেলন বাতিল হল। বোর্ডের কাছেও উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ ছিল। এই ম্যাচ আর পাঁচটা ম্যাচের মতো হলে শ্রীলঙ্কা সিরিজে যেমনটা ঘটেছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঘটতেই পারত। মাঝে একআধখানা দিন অপেক্ষা করে শেষ টেস্ট খেলা যেত পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে। এক্ষেত্রে, তেমনটা সম্ভব নয়। বহু কষ্টে বাকি আইপিএলের জন্য একটা ফাঁকা উইন্ডো পেয়েছে বিসিসিআই। টেস্ট সিরিজ শেষ হলেই শুরু আইপিএল। ক্রিকেটারদের এমনিই শ্বাস নেওয়ার সময় নেই। এর মধ্যেই ইসিবি থেকে বিরাটদের কাছে নাকি ভারতকে ওয়াকওভার দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। বিরাট এবং ভারতের আরেক তারকা রোহিত শর্মা বিসিসিআইকে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রেখেছেন, তাঁরা কোনওভাবেই ম্যাচ ছাড়তে রাজি নন। প্রয়োজনে কোভিড আশঙ্কা নিয়েও মাঠে নামতে রাজি। একমাত্র ভারতকে সিরিজ জয়ী ঘোষণা করা হলে তবেই শেষ ম্যাচ ছাড়বেন। নয়তো দুই বোর্ড আলোচনা করে নতুন কোনও দিনক্ষণ স্থির করুক। ইংল্যান্ড ক্রিকেটার জস বাটলার বলেন, আমরা কাল নামার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি ম্যাচটা হবে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : ওভালে জিতে ইতিহাস কোহলিদের, সিরিজ জয়ের হাতছানি

দ্বিতীয় ইনিংসে ভেঙে পড়ার অভ্যাস ওভালেও বজায় রাখলেন জো রুটরা। আর তার জেরেই ভারতের কাছেও সিরিজ পরাজয়ের হাতছানি। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও ওভাল টেস্ট হেরে গেল ইংল্যান্ড। চতুর্থ টেস্টে ১৫৭ রানে জিতে সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত। বোলারদের সম্মিলিত প্রয়াসই ভারতকে দুর্দান্ত জয় এনে দিল।জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্য ছিল ৩৬৭। চতুর্থ দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৭৭/০। শেষ দিন জয়ের জন্য দরকার ছিল ২৯০। হাতে ছিল ১০ উইকেট। ৪১তম ওভারে ১০০ রানে প্রথম উইকেট পড়ার পর ইংল্যান্ড শেষ ২১০ রানে। লর্ডসের মতো ওভালেও ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন আপে ধস নামিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির ভারত। অস্ট্রেলিয়ার পর ইংল্যান্ডে এবার সিরিজ জয়ের হাতছানি ভারতের সামনে।আরও পড়ুনঃ বিজেপি নেতার মাকে খুনের তদন্তে অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার সিবিআইয়েরপ্রথম সেশনে ইংল্যান্ডের ২ উইকেট পড়ে। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ধস নামায় অবশ্য রুটরা সমস্যায় পড়ে যান। শেষ সেশনে ভারতের দরকার ছিল ২ উইকেট। চা বিরতির পর ক্রেগ ওভার্টনকে বোল্ড করে দেন উমেশ যাদব। জেমস অ্যান্ডারসনকেও ২ রানে কট বিহাইন্ড করেন উমেশ। রিভিউ নিয়ে বাঁচতে পারেননি জিমি। ১৮.২ ওভারে ২ টি মেডেন নিয়ে ৬০ রানে ৩ উইকেট নিলেন উমেশ। যশপ্রীত বুমরার ২২ ওভারে ৯টি মেডেন-সহ ২৭ রানের বিনিময়ে নেন ২ উইকেট। রবীন্দ্র জাদেজা ৩০ ওভারে ১১টি মেডেন নিয়ে ৫০ রানে ২ উইকেট পান। শার্দুল ঠাকুরও ৮ ওভার হাত ঘুরিয়ে একটি মেডেন নিয়ে ২২ রানের বিনিময়ে পেলেন ২ উইকেট।আরও পড়ুনঃ বআইপিএলের নতুন ফ্রাঞ্চাইজি নেওয়া হতে পারে কোন কোন শহর থেকে?ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান ওঠার পর এই পরাজয় শেষ টেস্টের আগে চিন্তায় ও চাপে রাখবে ক্রিস সিলভারউড, জো রুটদের। ২০১৬ তে ঢাকায় দ্বিতীয় ইনিংসে ওপেনিং জুটিতে ১০০ রান ওঠার পরেও ৬৪ রানের মধ্যে ১০টি উইকেট হারিয়েছিল। চলতি বছরেও রুট-নির্ভর ইংল্যান্ডের ব্যাটিং ধস বারবার দেখা গিয়েছে। আমেদাবাদ টেস্টে ২ উইকেটে ৭৪ থেকে ১২২ রানে অল আউট হয়েছিল রুট-বাহিনী, ৩৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে। ওই টেস্টেই ৩ উইকেটে ৫০ থেকে ৮১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড, শেষ সাত উইকেট পড়েছিল ৩১ রানে। ট্রেন্টব্রিজ টেস্টে ভারতের বিরুদ্ধেই তিন উইকেটে ১৩৮ থেকে ১৮৩ রানে শেষ হয়ে যায় রুটের দল। সাত উইকেট পড়ে ৪৫ রানে। তারপর এই ওভাল। ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে সর্বোচ্চ রান করেন হাসিব হামিদ ৬৩। বার্নস করেন ৫০, অধিনায়ক রুট করেন ৩৬।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IND vs ENG Test : শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতের

ওভালে চতুর্থ টেস্ট জিতে কি সিরিজে এগিয়ে যেতে পারবে ভারত? তেমন সম্ভাবনাই তৈরি হয়েছে। প্রথম দিনের ব্যর্থতা কাটিয়ে চতুর্থ দিনে ম্যাচের চালকের আসনে বিরাট কোহলির দল। ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে ৩৬৭। ভারতকে চালকের আসনে বসিয়েছে টেল এন্ডারদের দুরন্ত ব্যাটিং। ম্যাচের তৃতীয় দিনই ভারতের বড় রানের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন রোহিত শর্মা, চেতেশ্বর পুজারারা। সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে দলকে ৪৬৬ রানে পৌঁছে দেন টেল এন্ডাররা। আগের দিনের ৩ উইকেটে ২৭০ রান হাতে নিয়ে খেলতে নামে ভারত। বিরাট কোহলি ২২ ও রবীন্দ্র জাদেজা ৯ রানে ক্রিজে ছিলেন। দুজনই ভারতকে বড় রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে থাকেন। কোহলি ও জাদেজার জুটিতে ওঠে ৫৯ রান। এরপরই ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হন জাদেজা। ৫৯ বলে তিনি করেন ১৭ রান। ব্যাট হাতে আবার ব্যর্থ সহঅধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। মাত্র ৮ বল খেলে ক্রিস ওকসের বলে তিনিও লেগ বিফোর হন। ওকসের বলে একবার আম্পায়ার আউট দিয়েছিলেন রাহানেকে। কিন্তু ডিআরএস নিয়ে সে যাত্রায় বেঁচে যান। রাহানে যখন আউট হন ভারতের রান ২৯৬/৫। হাফ সেঞ্চুরি করার আগে মঈন আলির বলে স্লিপে ধরা পড়েন কোহলি (৪৪)। আবার বড় রান পেতে ব্যর্থ ভারত অধিনায়ক।এরপর ঋষভ পন্থ ও শার্দুল ঠাকুর দলকে টেনে নিয়ে যান। সপ্তম উইকেটে ঋষভ পন্থের সঙ্গে ১০০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ভারতকে মজবুত জায়গায় দাঁড় করান শার্দুল। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও জ্বলে ওঠেন ভারতীয় দলের এই জোরে বোলার। প্রথম ইনিংসে ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৫৭ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেছিলেন। একদিনের মেজাজে ব্যাট করে ৭২ বলে ৬০ রানের দুরন্ত ইনিংস উপহার দেন শার্দুল ঠাকুর। ৭টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন তিনি। জো রুটের বলে ক্রেগ ওভারটনের হাতে ধরা পড়েন শার্দুল। ম্যাচের দুই ইনিংসে অর্ধশতরান করে বিশ্ব ক্রিকেটের এক এলিট ক্লাবে প্রবেশ করেছেন তিনি। ৮ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে বিশ্বের ষষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে টেস্টের দুই ইনিংসে অর্ধশতরান করার বিরল নজির গড়েন। শার্দুল আউট হওয়ার পরপরই ফিরে যান ঋষভ পন্থ। ১০৬ বলে ৫০ রান করে তিনি মঈন আলির বলে তাঁরই হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ভারতকে ৪৬৬ রানে পৌঁছে দেন উমেশ যাদব (২৫) ও যশপ্রীত বুমরা (২৪)। ইংল্যান্ডের হয়ে ক্রিস ওকস ৩টি, মঈন ও রবিনসন ২টি করে এবং জো রুট, ক্রেগ ওভারটন ও অ্যান্ডারসন ১টি করে উইকেট পান। সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত প্রথম ইনিংস ১৯১, দ্বিতীয় ইনিংস ৪৬৬। ইংল্যান্ড প্রথম ২৯০।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lokesh Rahul : কেন জরিমানার কবলে পড়তে হল লোকেশ রাহুলকে?‌

লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর দুরন্ত সেঞ্চুরি জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিল ভারতের। চলতি সিরিজে বলতে গেলে তিনিই ভারতীয় ব্যাটিংয়ের অন্যতম মুখ। ওভাল টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরির দিকে এগোচ্ছিলেন। ব্যক্তিগত ৪৬ রানের মাথায় জেমস অ্যান্ডারসনের বলে আউট হতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন লোকেশ রাহুল। আম্পায়ারের অসন্তোষ প্রকাশ করে আর্থিক জরিমানার কবলে পড়েছেন ভারতীয় দলের এই ওপেনার। ওভালে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসের ৩৪তম ওভারে বোলিং করছিলেন ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন। ওভারের শেষ বলে পরাস্ত হন লোকেশ রাহুল। তাঁর বিরুদ্ধে কট বিহাইন্ডের আবেদন জানান ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। অনফিল্ড আম্পায়ার আবেদন নাকচ করে দেন। তখন ডিআরএসের আশ্রয় নেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। টিভি আম্পায়ার রিপ্লে দেখে অনফিল্ড আম্পায়ারকে সিদ্ধান্ত বদলের পরামর্শস দেন। রিপ্লেতে একটা শব্দ শুনে টিভি আম্পায়ার মনে করেছিলেন অ্যান্ডারসনের বল লোকেশ রাহুলের ব্যাট স্পর্শ করে উইকেটরক্ষক জনি বেয়ারস্টোর হাতে পৌঁছেছে। ফলে রাহুলকে আউট দেওয়ার পরামর্শ দেন। আম্পায়ারের সেই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি লোকেশ রাহুল। মাথা নাড়তে নাড়তে তিনি সাজঘরে ফেরেন। রাহুলের দাবি বল তাঁর ব্যাটে নয়, ব্যাট তাঁর প্যাডে লাগায় আওয়াজ হয়েছে।আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করা লোকেশ রাহুল আইসিসির কোড অফ কনডাক্টের ২.৮ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাই তাঁকে শাস্তির মুখে পড়তে হয়েছে। ভারতীয় এই ওপেনারের ম্যাচ ফির ১৫ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়েছে। রাহুলের শৃঙ্খলার রেকর্ডে একটা ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়েছে। ম্যাচের অনফিল্ড আম্পায়ার অ্যালেক্স হোয়ার্ফ, রিচার্ড ইলিংওর্থ, তৃতীয় আম্পায়ার মাইকেল গফ ও ম্যাচ রেফারি ক্রিস ব্রডের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত রাহুল মেনে নিয়েছেন। ওভাল টেস্টে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৭ রান করে আউট হয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন এই ভারতীয় ওপেনার। ডিআরএস সিদ্ধান্তে লোকেশ রাহুল যখন আউট হন, তিনি হাফ সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৪ রান দুরে। ১০১ বল খেলে তিনি এই রান করেন। দারুণ ব্যাট করছিলেন। বড় রানের দিকে এগোচ্ছিলেন। কিন্তু আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ফিরে যেতে হয়। ওভালে ভারত ও ইংল্যান্ডের চতুর্থ টেস্টে দুই দলের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। এর মধ্যেই লোকেশ রাহুলের শাস্তি পরিবেশ কিছুটা হলেও গম্ভীর করেছে। শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে জরিমানার কবলে পড়তে হল।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : রোহিতের শতরানে ভর করে ঘুরে দাঁড়াল ভারত

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ভারতের। রোহিত শর্মার দুরন্ত শতরানের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে তৃতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে ৩ উইকেটে ২৭০। রোহিত ছাড়াও রান পেলেন চেতেশ্বর পুজারা ও লোকেশ রাহুল। ক্রিজে জমে গিয়েছেন অধিনায়ক বিরাট কোহলিও। দেশকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেই পারেন ভারতীয় সমর্থকরা।আরও পড়ুনঃ প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতেরপ্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচের রাশ ফের ভারতের হাতে টেনে নিয়ে এলেন রোহিত শর্মা। হিটম্যানের দুরন্ত শতরানে ভর করে বড় লিডের দিকে এগোচ্ছে কোহলি ব্রিগেড। আগের দিনের দিনের বিনা উইকেটে ৪৩ রান হাতে নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। রোহিত ২০ ও লোকেশ রাহুল ২২ রানে ক্রিজে ছিলেন। দুই ওপেনারই এদিন সতর্কভাবে খেলা শুরু করেছিলেন। ৩৪ ওভারের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় ভারত। লোকেশ রাহুলকে (৪৬) তুলে নেন জেমস অ্যান্ডারসন। উইকেটের পেছনে তাঁর ক্যাচ ধরেন জনি বেয়ারস্টো। দ্বিতীয় সেশনে ভারতের কোনও উইকেট পড়েনি। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ১০৮/১।আরও পড়ুনঃ বাইশ গজের বাইরে দুরন্ত ব্যাটিং বিরাট কোহলিরমধ্যাহ্নভোজের বিরতির পরও ভারতীয় দুই ব্যাটসম্যানের ডিফেন্স টলাতে পারেননি ইংল্যান্ড বোলাররা। দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন রোহিত ও পুজারা। ১৪৫ বলে অর্ধ শতরান পূর্ণ করেন রোহিত। তার মধ্যে ছিল ৫টি বাউন্ডারি। জীবনের ৪৩তম টেস্টে ৭৪ তম ইনিংসে ২০৪ বলে শতরান পূর্ণ করলেন রোহিত। হাফ সেঞ্চুরি করার পর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। পরের ৫০ আসে মাত্র ৫৯ বলে। চা পানের বিরতিতে ১০০ রানে এগিয়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত ১২৭ রান করে অলি রবিনসনের বলে ক্রিস ওকসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান রোহিত। ভারতের রান তখন ২৩৬/২। একই ওভারের শেষ বলে পুজারাকে (৬১) তুলে নেন রবিনসন। মঈন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। দিনের শেষে ভারত তুলেছে ২৭০/৩। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এগিয়ে ১৭১ রানে। ক্রিজে রয়েছেন কোহলি (২২) ও জাদেজা (৯)।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Rohit Sharma : প্রতীক্ষার অবসান, বিদেশের মাটিতে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরি রোহিতের

দীর্ঘ ৮ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে বিদেশের মাটিতে টেস্ট সেঞ্চুরির মুখ দেখলেন রোহিত শর্মা। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ওভালে পৌঁছে গেলেন সেই কাঙ্খিত শতরানে। রোহিত শর্মার দুরন্ত শতরানের সুবাদে দ্বিতীয় ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। বড় রানের পথে বিরাট কোহলির দল। ২০১৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল রোহিত শর্মার। দেশের মাঠে ওই সিরিজে দুদুটি সেঞ্চুরি করে চমক দিয়েছিলেন। কিন্তু মিডল অর্ডারে ধারাবাহিকতার অভাবে টেস্ট দলে অনিয়মিত হয়ে পড়েন। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অবশ্য জায়গা পাকা করে নিয়েছিলে হিটম্যান। পরে টিম ম্যানেজমেন্ট রোহিতকে টেস্টে ওপেন করার পরামর্শ দেয়। ২০১৯ থেকে টেস্ট ক্রিকেটে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নামেন রোহিত। লাল বলের ক্রিকেটে ওপেনার হিসেবে চমক দিয়েছিলেন। প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে ওপেনার হিসেবে প্রথম দুটি ইনিংসে করেছিলেন ১৭৬ ও ১৭২ রান। প্রথম বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে ওপেনার হিসেবে ১৯ ইনিংসে ১০৯৪ রান করেন রোহিত। এর মধ্যে ৪টি সেঞ্চুরি এবং ২টি হাফ সেঞ্চুরি। এশিয়ার প্রথম টেস্ট ওপেনার হিসেবে দ্রুততম ১০০০ রানের গন্ডি টপকে যান রোহিত। খেলেছিলেন মাত্র ১৭ ইনিংস। দেশের মাঠে সেঞ্চুরি এলেও বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরি অধরাই ছিল ভারতের এই ওপেনারের কাছে। যদিও অভিষেক হওয়ার পর বিদেশের মাটিতে খুব বেশি টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি রোহিত। মাত্র ৬টি টেস্ট খেলেছেন। দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে খেলেছেন ১৬টি টেস্ট। শেষ পর্যন্ত ওভালে বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরির স্বপ্ন পূরণ হল রোহিতের। ইনিংসের ৬৪ তম ওভারে মঈন আলির বলে ৬ মেরে সেঞ্চুরিতে পৌঁছন। সেঞ্চুরিতে পৌঁছতে নেন ২০৪ বল। আগের দিনই রোহিত ১৫ হাজার আন্তর্জাতিক রান পূর্ণ করেছেন। প্রথম টেস্টে তিনি করেছিলেন ৩৬ ও ১২। দ্বিতীয় টেস্টে রোহিতের ব্যাট থেকে আসে ৮৩ ও ২১। লিডস টেস্টে তিনি ১৯ ও ৫৯ রানে আউট হয়েছিলেন। রোহিত ও লোকেশ রাহুল জুটি দলকে নির্ভরতা দেয়। চলতি সিরিজে এই নিয়ে তৃতীয়বার ভারতের ওপেনিং জুটি ৫০-এর বেশি রান যোগ করল। ট্রেন্ট ব্রিজে প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে উঠেছিল ৯৭ ও ৩৪। লর্ডসের দ্বিতীয় টেস্টে প্রথম ইনিংসে রোহিত-রাহুল জুটিতে ওঠে ১২৬, দ্বিতীয় ইনিংসে। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে ওপেনিং জুটি ১ রানে ভাঙলেও দ্বিতীয় ইনিংসে উঠেছিল ৩৪। ওভালে প্রথম ইনিংসে ২৮ রানের মাথায় আউট হয়েছিলেন রোহিত শর্মা। দলের ২৮ রানের মাথাতেই ফেরেন রাহুল। তবে এদিন ভারতের ওপেনিং জুটি ভাঙল ৮৩ রানের মাথায়।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : উমেশের ধাক্কা সত্ত্বেও প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড

দিনের শুরুতে উমেশ যাদব ধাক্কা দিলেও ইংল্যান্ডকে তেমন বেকায়দায় ফেলা গেল না। ভারতের বিরুদ্ধে চতুর্থ টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৯৯ রানে এগিয়ে গেল ইংল্যান্ড। বিপর্যয় সামলে দলকে এগিয়ে দিলেন অলি পোপ, ক্রিস ওকসরা। ভারতের ১৯১ রানের জবাবে প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ড তুলেছিল ৩ উইকেটে ৫৩। উমেশ যাদবের বলে দিনের শেষবেলায় আউট হয়েছিলেন অধিনায়ক জো রুট (২১)। দ্বিতীয় দিন খেলা শুরু হতেই স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই আউট হন ক্রেগ ওভার্টন (১)। তাঁকে তুলে নিয়ে টেস্ট কেরিয়ারের ১৫০ উইকেট দখল করেন উমেশ যাদব। এরপর দাওইদ মালানকেও ফেরান উমেশ। ৩১ রান করে স্লিপে রোহিত শর্মার হতে ক্যাচ দেন মালান। ৬২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ইংল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান অলি পোপ ও জনি বেয়ারস্টো। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ইংল্যান্ডের রান ছিল ৪২ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৯। পোপ পাঁচটি চারের সাহায্যে ৬৬ বলে ৩৮ এবং বেয়ারস্টো ৬৩ বলে ৩৪ রানে ক্রিজে ছিলেন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন মহম্মদ সিরাজ। তাঁর বলে জনি বেয়ারস্টো (৩৭) লেগ বিফোর হন। এরপর অলি পোপের সঙ্গে জুটি বেঁধে ইংল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান মঈন আলি (৩৫)। রবীন্দ্র জাদেজার বলে স্লিপে তিনি রোহিতের হাতে ক্যাচ দেন। সেঞ্চুরি থেকে ১৯ রান আগে শার্দুল ঠাকুরের বলে বোল্ড হন অলি পোপ (৮১)। তিনি যখন আউট হন, ইংল্যান্ড ২৫০ রানের গন্ডি পার করে গেছে। রবিনসন (৫) দ্রুত ফিরলেও ইংল্যান্ডে ২৯০ রানে পৌঁছে দেন ক্রিস ওকস (৫০)। ভারতের হয়ে উমেশ যাদব ৭৬ রানে ৩টি উইকেট নেন। বুমরা ও জাদেজা পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। শার্দুল ও সিরাজের ভান্ডারে ১টি করে।দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভালই শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে বিনা উইকেটে ৪৩। রোহিত ২০ ও লোকেশ রাহুল ২২ রানে অপরাজিত রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : আবার ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের, বুমরার দুর্দান্ত প্রত্যাঘাত

ইংল্যান্ডের মাটিতে টস হারাটা যেন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলি। ওভালে চতুর্থ টেস্টেও সেই টসে হার। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯১ রানে গুটিয়ে গেলেন বিরাট কোহলিরা। দুদুটি রেকর্ড করার দিনেও দলকে নির্ভরতা দিতে পারলেন না ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ওভাল টেস্টে মেঘলা আবহাওয়া দেখে টস জিতে ফিল্ডিং নিতে দ্বিধা করেননি ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট। বিরাট কোহলিরও সেইরকম পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু টস হারায় নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। তবে লক্ষ্য ছিল বড় রান তুলে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলা। সেই আশা পূরণ হয়নি ভারতীয় দলের অধিনায়কের। তাঁর পরিকল্পনা ধাক্কা খায় প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের ব্যর্থতায়। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই ৩ উইকেট হারানোয় বড় রানের স্বপ্নে সলিলসমাধি ঘটে। চতুর্থ টেস্টে দুই দলই দুটি করে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। চোটের জন্য ইশান্ত শর্মা ও মহম্মদ সামিকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নামতে হয় ভারতকে। এদের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছেন শার্দুল ঠাকুর ও উমেশ যাদব। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে চতুর্থ টেস্টেও প্রথম একাদশের বাইরে রাখা হয়। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের স্যাম কারেনের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সুযোগ পান ক্রিস ওকস। জস বাটলারের জায়গায় ওলি পোপ। আগের টেস্টের মত ভারতের দুই ওপেনার অবশ্য শুরুতে ফিরে যাননি। ওভালে বেশ সাবলীলভঙ্গীতেই শুরু করেছিলেন। প্রথম ঘণ্টায় শুধু রোহিত শর্মার উইকেটই হারিয়েছিল ভারত। ম্যাচের নবম ওভারের শেষ বলে দলের ২৮ রানের মাথায় ২৭ বলে ১১ করে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন রোহিত। জলপানের বিরতির পর ৩৫ বলের ব্যবধানে লোকেশ রাহুল ও চেতেশ্বর পূজারাও আউট হয়ে যান। তিনটি চারের সাহায্যে ৪৪ বলে ১৭ করে অলি রবিনসনের বলে লেগ বিফোর হন রাহুল। ২৮ রানে দুই উইকেট পড়ে ভারতের। এরপর দলের ৩৯ রানের মাথায় জেমস অ্যান্ডারসন দুর্দান্ত ডেলিভারিতে তুলে নেন চেতেশ্বর পুজারাকে। ৩১ বল খেলে ৪ রান করে উইকেটের পেছনে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ক্যাচ দেন পুজারা। মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ভারতের রান ছিল ২৫ ওভারে তিন উইকেটে ৫৪। তিনটি চারের সাহায্যে ২৯ বলে ১৮ করে অপরাজিত ছিলেন বিরাট কোহলি। ১৯ বলে ২ রান করে ক্রিজে ছিলেন জাদেজা।অজিঙ্কা রাহানের পরিবর্তে এদিন ৫ নম্বরে নামানো হয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে। তিনিও সুবিধা করতে পারেননি। মাত্র ১৪ রান করে ক্রেগ ওভারটনের বলে মঈন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। অধিনায়ক কোহলিও বেশিক্ষণ লড়াই করতে পারেননি। ৯৬ বলে ৫০ রান করে অলি রবিনসনের বলে উইকেটেপ পেছনে জনি বেয়ারস্টোর হাতে ধরা পড়েন। ভারতের রান তখন ১০৫/৫। ওভাল টেস্টেও খারাপ ফর্ম কাটিয়ে উঠতে পারলেন না রাহানে (১৪) ও ঋষভ পন্থ। চরিত্র বিরোধী ইনিংস খেলে ৩৩ বলে ৯ রান করে ক্রিস ওকসের বলে আউট হন তিনি। ১২৭ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ভারত। এরপর উমেশ যাদবকে সঙ্গে নিয়ে পাল্টা আক্রমণ চালান শার্দুল ঠাকুর। জুটিতে ওঠে ৬৩। এটাই ভারতের সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। ক্রিস ওকসের বলে লেগ বিফোর হওয়ার আগে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেন শার্দুল। এরপরই ধস নামে ভারতের ইনিংসে। ৬১.৩ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় কোহলিদের ইনিংস। ৫৫ রানে ৪ উইকেট নেন ক্রিস ওকস। রবিনসন ৩৮ রানে নেন ৩ উইকেট। অ্যান্ডারসন ও ওভারটন নেন ১টি করে উইকেট।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে ইংল্যান্ড। চতুর্থ ওভারের দ্বিতীয় বলে ররি বার্নসকে (৫) বোল্ড করেন যশপ্রীত বুমরা। একই ওভারের শেষ বলে হাসিব হামিদকে (০) তুলে নেন। তারপর রুখে দাঁড়ান দাওইদ মালান ও অধিনায়ক জো রুট।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG Test : অসহায় আত্মসমর্পন কোহলিদের, সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড

হেলিংলেতে তৃতীয় দিন চেতেশ্বর পুজারা ও বিরাট কোহলির ব্যাটিং দেখে আশায় বুক বেঁধেছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। অলৌকিক কিছুর প্রত্যাশায় ছিলেন। চতুর্থদিন প্রথম সেশনেই সব আশা শেষ। মধ্যাহ্নভোজের আগেই গুটিয়ে গেল ভারত। দুরন্ত রবিনসনের সামনে অসহায় আত্মসমর্পন বিরাট কোহলিদের। ইনিংস ও ৭৬ রানে তৃতীয় টেস্ট জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল ইংল্যান্ড। ভারতের শেষ ৭ উইকেট পড়ল মাত্র ৪১ রানে। বাইশ গজ অনেকটাই ব্যাটিং সহায়ক হয়ে উঠেছিল। চতুর্থ দিন সকালের প্রথম ঘণ্টা নতুন বল সামলে নিতে পারলেই কাজটা সহজহয়ে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের কাছে। হয়তো ম্যাচও বেঁচে যেত। কিন্তু হতাশ করলেন বিরাট কোহলিরা। ভারতের শেষ ৮ উইকেট তুলে নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরাতে ইংল্যান্ডের একটা সেশনও লাগল না। আগের দিনের ২ উইকেটে ২১৫ রান হাতে নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে ভারত। চেতেশ্বর পুজারা ৯১ ও বিরাট কোহল ৪৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। এদিন কোনও রান করার আগেই অলি রবিনসনের বল জাজমেন্ট দিয়ে ছাড়তে গিয়ে বিপত্তি। বল লাগে পুজারার প্যাডে। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেননি। ইংল্যান্ড অধিনায়ক জো রুট রিভিউ নেন। টিভি আম্পায়ারের সাহায্য নিয়ে অনফিল্ড আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো সিদ্ধান্ত পাল্টাতে বাধ্য হন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার পুজারা আউট হলেন নার্ভাস নাইন্টিতে। ২০১৭ সালের মার্চে বেঙ্গালুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৯২ রানে আউট হয়েছিলেন। এদিন শতরান হাতছাড়া ৯ রানের জন্য।পুজারা ৯১ রানে আউট হওয়ার পর আশা ছিল বিরাট কোহলিকে নিয়ে। ম্যাচের ৮৭তম ওভারের শেষ বলে জেমস অ্যান্ডারসনের বলে কট বিহাইন্ডের আবেদনে আম্পায়ার আউট দিয়েছিলেন। রিভিউ নিয়ে রক্ষা পান ভারত অধিনায়ক। তখন তিনি ৪৬ রানে ব্যাট করছিলেন। এরপর ৯০তম ওভারের প্রথম বলে অলি রবিনসনকে চার মেরে সিরিজের প্রথম অর্ধশতরান পূর্ণ করেন কোহলি। ১২০ বলে টেস্ট জীবনের ২৬তম টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি আসে কোহলির ব্যাট থেকে। একই ওভারের পঞ্চম বলে চার মেরে পৌঁছে যান ৫৫। ওভারের শেষ বলে প্রথম স্লিপে জো রুটের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান কোহলি। কোহলি যখন আউট হন, ভারতের রান ২৩৭। কোহলি ফিরে যাওয়ার পর ধস ভারতের ইনিংসে। ১ ওভার পরেই জেমস অ্যান্ডারসনের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন অজিঙ্কা রাহানে (১০)। মিছিলে পা মেলান ঋষভ পন্থ (১), মহম্মদ সামি (৬), ইশান্ত শর্মারা (২)। রবীন্দ্র জাদেজা (৩০) সামান্য লড়াই করেন। ইশান্তকে ফিরিয়ে রবিনসন ইনিংসে ৫ উইকেট দখল করেন। তাঁর দুরন্ত স্পেল ভারতের হার নিশ্চিত করে দেয়। ওভারটন নেন ৩ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন অ্যান্ডারসন ও মঈন। ২৭৮ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস। ম্যাচের সেরা রবিনসন।

আগস্ট ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

C‌heteshwar Pujara : চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাব

২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ইডেন টেস্টে ভিভিএস লক্ষ্মণ ও রাহুল দ্রাবিড়ের সেই জুটির কথা আজও বীরগাথা হয়ে আছে ক্রিকেট ইতিহাসে। ফলোঅনে বাধ্য হয়েও টেস্ট জিতেছিল ভারত। আরও একটা টেস্টের উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। সেটা আবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই। ২০০২ সালে নটিংহ্যাম টেস্টে প্রথম ইনিংসে ২৫০রও বেশি রানে পিছিয়ে থেকে টেস্ট ম্যাচ বাঁচিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির ভারত। হেডিংলেতে কি তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে পারবে টিম ইন্ডিয়া? ৩৫৪ রানে প্রথম ইনিংসে পিছিয়ে থেকে দুরন্ত লড়াই কোহলিদের। ভারতকে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন ছন্দে ফেরা চেতেশ্বর পুজারা।আগের দিনের ৮ উইকেটে ৪২৩ রান হাতে নিয়ে খেলতে নেমেছিল ইংল্যান্ড। শুক্রবার অবশ্য ইংল্যান্ডের ব্যাটিংকে বেশি বাড়তে দেননি ভারতীয় বোলাররা। তৃতীয় দিনের খেলা শুরু হওয়ার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই ইংল্যান্ডের ইনিংস শেষ। প্রথমে ফেরেন ক্রেগ ওভারটন। তিনি ৪২ বলে ৩২ রান করে মহম্মদ সামির বলে এলবিডব্লুউ হন। রবিনসন কোনও রান না করেই যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন। ৪৩২ রানে গুটিয়ে যায় ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস।আরও পড়ুনঃ ইতালিয়ান ফুটবলে সি আর সেভেন যুগের পরিসমাপ্তি, যোগ দিচ্ছেন ম্যান ইউতেএরপরই ব্যাট হাতে ইংল্যান্ডের বোলারদের সামলাতে নেমে পড়েন রোহিত শর্মা, লোকেশ রাহুলরা। ভারতের দুই ওপেনার ভালোই শুরু করেছিলেন। কিন্তু ছন্দ কাটে ক্রেগ ওভারটনের দুর্দান্ত একটা আউটসুইংয়ে। তাঁর বল লোকেশ রাহুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে দ্বিতীয় স্লিপের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল। বাঁদিকে শরীর ছুঁড়ে একহাতে দুরন্ত ক্যাচ নেন জনি বেয়ারস্টো। এরপর শুরু হয় রোহিত ও পুজারার লড়াই। এদিন অন্য পুজারাকে দেখা গেল। আগের তুলনায় অনেক বেশি কম্পোজড। রোহিত শর্মাকেও অন্যরকম মনে হল। ১২৫ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন রোহিত। মধ্যাহ্নভোজের সময় ভারতের রান যেখানে ১ উইকেটে ৩৪ ছিল, চা বিরতিতে গিয়ে স্কোর দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১১২।আরও পড়ুনঃ আর নিজের পায়ে হাঁটতে পারবেন না ক্রিস কেয়ার্নস?চা পানের বিরতির পরপরই ধাক্কা খায় ভারত। অলি রবিনসনের বলে এলবিডব্লুউ হয়ে সাজঘরে রোহিত। ১৫৬ বলে তিনি করেন ৫৯। পুজারার সঙ্গে জুটিতে তিনি তোলেন ৮২ রান। এরপরই ব্যাট হাতে অন্য ভুমিকায় দেখা গেল চেতেশ্বর পুজারাকে। যেন সমালোচকদের জবাব দিতেই মাঠে নেমেছেন। ৯১ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন। কোহলির ব্যাটিংয়েও বড় রানের ইঙ্গিত। এখন দেখার ২০০২ সালের নটিংহ্যামের স্মৃতি হেডিংলেতে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারে কিনা কোহলি ব্রিগেড। ৭৪ ওভারে ভারত তোলে ১৯৪/২। সেঞ্চুরি থেকে ১৮ রান তখন দুরে ছিলেন পুজারা (৮২)। তৃতীয় দিনের শেষে ভারত ২ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২১৫। পুজারা ৯১ ও কোহলি ৪৫ রানে ক্রিজে রয়েছেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ভারত এখনও ১৩৯ রানে পিছিয়ে।

আগস্ট ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

C‌hris Cairns : আর নিজের পায়ে হাঁটতে পারবেন না ক্রিস কেয়ার্নস?‌

নিজের পায়ে আর দাঁড়াতে পারবেন না ক্রিস কেয়ার্নস? এমনই সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিছুদিন আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন একসময়ের বিশ্ব কাঁপানো নিউজিল্যান্ডের এই অলরাউন্ডার। অস্ত্রোপচার চলার সময়ই স্ট্রোক হয়। তার ফলে প্যারালাইসিসের কবলে পড়ছেন। কেয়ার্নেস দুই পা পক্ষাঘাতগ্রস্থ হয়ে গেছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।নিউজিল্যান্ড ছেড়ে দীর্ঘদিন ধরেই সপরিবার অস্ট্রেলিয়াতে বসবাস করেন ক্রিস কেয়ার্নস। সেখানেই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। প্রান বাঁচানোর জন্য সিডনিতে নিয়ে এসে দ্রুত অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তিনি ক্যানবেরা ফিরে এসেছেন। কিন্তু দুই পা পক্ষাগ্রস্থ হয়ে পড়ায় কেয়ার্নসের স্বাস্থ্য নিয়ে উৎকন্ঠা থেকেই গেছে।আরও পড়ুনঃ ইতালিয়ান ফুটবলে সি আর সেভেন যুগের পরিসমাপ্তি, যোগ দিচ্ছেন ম্যান ইউতেকেয়ার্নসের আইনজীবী অ্যারন লয়েড বলেছেন, কেয়ার্নসকে বাঁচাতে জরুরিভিত্তিতে হৃদযন্ত্রে সার্জারি করতে হয়েছিল সিডনিতে। সার্জারি সময় আবার মেরুদণ্ডে স্ট্রোক হয়। এতেই তাঁর দুই পা পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে। কেয়ার্নসের শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক হলেও স্থিতিশীল। অস্ট্রেলিয়ারই এক নামী স্পাইনাল হাসপাতালে কেয়ার্নসের রিহ্যাব চলবে বলে জানিয়েছেন লয়েড।আরও পড়ুনঃ চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাবকেয়ার্নসের অসুস্থতাকে চিকিৎসার পরিভাষায় বলে অ্যাওর্টিক ডিসেকশন। যে কারণে লাইফ সাপোর্ট সিস্টেমে রেখে তাঁকে সিডনির সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যে শিরার মাধ্যমে হৃদযন্ত্র থেকে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত শরীরের বিভিন্ন অংশে যায় সেই অ্যাওর্টার ভিতরের স্তর ছিঁড়ে গিয়েছিল। এর ফলে প্রাণ সংশয় তৈরি হয় কেয়ার্নসের। সিডনির হাসপাতালে জরুরীকালীন অস্ত্রোপচারে প্রাণ বাঁচানো গেলেও পুরো সুস্থ করে তোলা সম্ভব হয়নি। গত সপ্তাহেই লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম থেকে বের করে আনা হয় কেয়ার্নসকে। তিনি পরিবারের সদস্যদের চিনতে পারছেন এবং কথাবার্তাও বলতে শুরু করেছেন।আরও পড়ুনঃ আবার সেঞ্চুরি রুটের, হেডিংলেতে চালকের আসনে ইংল্যান্ড১৯৮৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক কেয়ার্নসের। ২০০৬ সাল পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডের হয়ে ৬২টি টেস্ট, ২১৫টি একদিনের ম্যাচ ও ২টি টি২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন। ক্রিস কেয়ার্নসের বাবা ল্যান্স কেয়ার্নসও নিউজিল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন। ২০০৮ সালে কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট লিগে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ উঠেছিল। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণে তাঁকে দীর্ঘ আইনি রাস্তায় হাঁটতেও হয়। ২০১২ সালে তিনি ললিত মোদীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা জেতেন লন্ডনের আদালতে। এরপর লু ভিনসেন্ট ও ব্রেন্ডন ম্যাকালাম ফের কেয়ার্নসের বিরুদ্ধে ম্যাচ গড়াপেটার অভিযোগ তোলেন। মামলার খরচ জোগাড়ে তাঁকে অকল্যান্ড কাউন্সিলে ট্রাক চালানো ও বাস শেল্টার পরিষ্কারের কাজ নিতেও হয়েছিল।

আগস্ট ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IND vs ENG Test : আবার সেঞ্চুরি রুটের, হেডিংলেতে চালকের আসনে ইংল্যান্ড

লর্ডস টেস্টে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নেওয়ার পর দেশের বোলারদের নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। আশায় ছিল, হেডিংলেতেও জ্বলে উঠবেন। কিন্তু ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলেন না যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামিরা। ভারতীয় বোলারদের ব্যর্থতার সুযোগ নিয়ে তৃতীয় টেস্টে চালকের আসনে ইংল্যান্ড। আবার অধিনায়কোচিত সেঞ্চুরি জো রুটের। চলতি সিরিজে সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিক সেরে ফেললেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। ভারতের প্রথম ইনিংস ৭৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর প্রথম দিনের শেষে ইংল্যান্ডের রান ছিল বিনা উইকেটে ১২০। ররি বার্নস ৫২ ও হাসিব হামিদ ৬০ রানে ক্রিজে ছিলেন। প্রথমদিন যেখানে শেষ করেছিলেন, সেখান থেকেই দ্বিতীয় দিন শুরু করে ররি বার্নসহাসিব হামিদ জুটি। সকালের পরিবেশের কথা ভেবে প্রথম ৩০ মিনিট ভারতীয় বোলারদের কিছুটা সমীহ করেন এই দুই ব্যাটসম্যান। পরে সময় যত গড়িয়েছে, দাপট দেখিয়েছেন বার্নস ও হামিদ। ওপেনিং জুটিতে দুজনে তোলেন ১৩৫ রান। জুটি ভাঙেন মহম্মদ সামি। তিনি তুলে নেন ররি বার্নসকে। ৬১ রান করে বোল্ড হন বার্নস। দলের ১৫৯ রানের মাথায় ফেরেন অন্য ওপেনার হাসিব হামিদ। ৬৮ রান করে তিনি রবীন্দ্র জাদেজার বলে বোল্ড হন। রুট নামার পর ইংল্যান্ডের স্কোরবোর্ড দারুণ সচল ছিল। এই সময় ভারতীয় বোলাররা দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। জুটি ভাঙতে ৮০ ওভার শেষ হতেই দ্বিতীয় নতুন বল নেন কোহলি। কোনও লাভ হয়নি। কোহলি নতুন বল নিতেই রুটের দাপট যেন বেড়ে গিয়েছিল। মধ্যাহ্নভোডের বিরতির সময় ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ১৮২/২। সেখান থেকে চাবিরতিতে ২৯৮/৩।দুই ওপেনার ফিরে যাওয়ার পর ডেভিড মালানেন সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক জো রুট। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ওঠে ১৩৯ রান। ২৯৮ রানের মাথায় ইংল্যান্ড তৃতীয় উইকেট হারায়। ৭০ রান করে মহম্মদ সামির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন মালান। এরপর জনি বেয়ারস্টোকে সঙ্গে নিয়ে দলের লিড বাড়ানোর ফাঁকে দুরন্ত শতরান উপহার দেন রুট। বেয়ারস্টোকে (২৯) তুলে নেন সামি। রুট এদিন কেরিয়ারের ২৩তম টেস্ট শতরান পূর্ণ করলেন মাত্র ১২৪ বলে। ১২টি চারের সাহায্যে। রুটের বিধ্বংসী ফর্ম, সেই সঙ্গে প্রথম তিন ব্যাটসম্যানেরই অর্ধশতরানের সুবাদে রানের পাহাড় করছে ইংল্যান্ড। ১৬৫ বলে ১২১ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে বোল্ড হন রুট। ইংল্যান্ডের রান তখন ৩৮৩। পরের ওভারেই জাদেজার বলে আউট হন মঈন আলি (৮)। ইংল্যান্ডকে ৪০০ রানের গন্ডি পার করে দেন স্যাম কারেন ও ক্রেগ ওভারটন।

আগস্ট ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs ENG‌ Test : হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?‌

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রথম থেকেই আধিপত্য দেখিয়ে আসছে ভারত। সুবিধাজনক জায়গায় থেকেও নটিংহাম টেস্টে জয় আসেনি। নটিংহামের হতাশা কাটিয়ে লর্ডসে দুর্দান্ত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। হেলিংলেতে কি ব্যবধান বাড়াতে পারবেন বিরাট কোহলিরা? আত্মবিশ্বাসী ভারতীয় শিবির। তবে যতই চেতেশ্বর পুজারা, রবীন্দ্র জাদেজাদের নিয়ে প্রশ্ন উঠুক, তৃতীয় টেস্টে প্রথম একাদশে কোনও পরিবর্তন করছে না ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?শুধু কি পুজারা কিংবা রাহানে? অধিনায়ক বিরাট কোহলির ব্যাটেও রান নেই। ভারতকে হেডিংলেতে দাপট দেখাতে গেলে রানে ফিরতেই হবে ভারতীয় অধিনায়ককে। নিজের ফর্মের চেয়েও দলের স্বার্থের দিকে বেশি তাকিয়ে কোহলি। তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ফর্ম নিয়ে ভাবছি না। ইংল্যান্ডে একজন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সেট হওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং। প্রথম ২০ রানের জন্য যেভাবে লড়াই করতে হয়, গোটা ম্যাচে সেভাবেই খেলতে হয়। কোনও অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগে না। যে কোনও ব্যাটসম্যানের জন্য ইংল্যান্ডের পরিবেশ সবচেয়ে কঠিন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানতৃতীয় টেস্টে ইংল্যান্ড বেশ কয়েকজন সেরা ক্রিকেটারকে পাবে না। বোলিং শক্তি একেবারে বিপর্যস্ত। বিষয়টাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছেন না কোহলি। তিনি বলেন, ওদের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়রা থাকলেও আমরা ম্যাচ জয়ের পরিইকল্পনা করেই মাঠে নামতাম। বিপক্ষের দুর্বলতার অপেক্ষায় আমরা বসে থাকি না। যে কোনও পরিস্থিতিতে বিশ্বের যে কোনও দলকে হারানোর ক্ষমতা রাখি। প্রতিপক্ষর শক্তি আমাদের কাছে গুরুত্ব পায় না। লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে মাঠে নামতে পারেননি ইংল্যান্ডের জোরে বোলার স্টুয়ার্ট ব্রড। টেস্ট সিরিজ শুরু হওয়ার আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন জোফ্রা আর্চার। অলি স্টোন এবং ক্রিস ওকস চোটে কাবু। ব্যক্তিগত ও মানসিক স্বাস্থ্যের কারণ দর্শীয়ে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে অনুপস্থিত বেন স্টোকসও। কনকাশনে থাকায় হে়ডিংলে টেস্টে ক্রেগ ওভারটনকেও খেলাতে পারবে না ইংল্যান্ড। কাঁধে চোটের কারণে তৃতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন জোরে বোলার মার্ক উডও।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেলর্ডসের উইনিং কম্বিনেশন না ভাঙার পরিকল্পনা রয়েছে টিম ইন্ডিয়ার। তবে অশ্বিনকে খেলানোর ক্ষীণ সম্ভাবনার কথাও শুনিয়ে রেখেছেন বিরাট কোহলি। তিনি বলেন, চোটআঘাত সমস্যা না থাকলে উইনিং কম্বিনেশন ভাঙার প্রশ্ন ওঠে না। লর্ডসে সাফল্যের পর সকলে উত্তেজিত। রোহিতরাহুল দুর্দান্ত শুরুটাই দুটো টেস্টে সাফল্যের ভিত গড়ে দিয়েছিল। সিরাজকে দেখে ভাল লাগছে। তবে হেডিংলের পিচ দেখে বেশ অবাক কোহলি। যতটা ঘাস থাকবে আশা করেছিলেন, ততটা নেই।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Anderson : বুমরার বাউন্সারে কেমন অসহায় বোধ করেছিলেন অ্যান্ডারসন?‌

লর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় যশপ্রীত বুমরার বিষাক্ত বাউন্সারের সম্মুখীন হতে হয়েছিল জেমস অ্যান্ডারসনকে। প্রায় ৯০ মাইল গতিতে ধেয়ে আসা বুমরার একটা বাউন্সার তাঁর হেলমেটে আঘাত করে। এই ঘটনা নিয়ে মাঠেই ভারতীয় জোরে বোলারের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয় জেমস অ্যান্ডারসনের। বুমরার বাউন্সারে তিনি যে অসহায় বোধ করছিলেন, সে কথা স্বীকার করেছেন ইংল্যান্ডের এই জোরে বোলার। হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্ট শুরুর আগে সেই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন অ্যান্ডারসন।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?এক সাক্ষাৎকারে ইংল্যান্ডের এই জোরে বোলার বলেছেন, এত বছর ধরে ক্রিকেট খেলছি, এইরকম অসহায় অবস্থার মধ্যে জীবনে কখনও পড়িনি। ভাবনি বুমরা এত গতিতে বাউন্সার দেবে। প্রথম যে বাউন্সার আমার দিকে ধেয়ে এসেছিল তার গতি ছিল ঘন্টায় প্রায় ৯০ মাইল। ঠিকমতো চোখেও দেখতে পাইনি। ধাঁধাঁ লেগে গিয়েছিল। ম্যাচের তৃতীয় দিন আউট হয়ে সাজঘরে ফেরা আমাদের ব্যাটসম্যানরা মন্থর উইকেটের কথা বলছিল। অথচ মাঠে গিয়ে অন্য পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল আমাকে। অ্যান্ডারসনের মনে হয়েছিল যে বুমরা তাঁকে আউট করার জন্য নয়, আহত করার জন্য বোলিং করছিলেন। তাঁর কথায়, ওই ওভারে ১০১২টা ডেলিভারি করেছিল বুমরা। একটার পর একটা বাউন্সার দিয়ে যাচ্ছিল। একের পর এক নো ডাকা হলেও সেদিকে বুমরা কোনও ভ্রুক্ষেপ ছিল না। আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানলর্ডস টেস্টের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় ব্যাটিং করতে নেমেছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন। পিচের অন্যদিকে তখন দাঁড়িয়েছিলেন শতরান করা জো রুট। অ্যান্ডারসনের কথা অনুযায়ী, তিনি ক্রিজে যেতেই ইংল্যান্ড অধিনায়ক এগিয়ে গিয়ে জানিয়েছিলেন যে যশপ্রীত বুমরা অন্যান্য দিনের থেকে কম গতিতে বোলিং করছেন। সেই ধারণার বশবর্তী হয়ে তিনি ভারতীয় ফাস্ট বোলারের প্রথম যে বল ফেস করেছিলেন সেটি প্রায় ঘণ্টায় ৯০ মাইল গতিতে ছুটে আসা বাউন্সার ছিল।ভারতের বিরুদ্ধে নটিংহ্যামের মতো লর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসেও শতরান করেছিলেন জো রুট। তাঁর এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সৌজন্যে ওই ইনিংসে ভারতের থেকে ২৭ রানের লিড নিয়েছিল ইংল্যান্ড। দলের অধিনায়ক একটা কৌশলগত ভুল না করলে তাঁদের লিড ৫০ ছাড়িয়ে যেতে পারত।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেম্যাচের তৃতীয় দিনের শেষবেলায় রুটের সঙ্গে ব্যাটিং করছিলেন জেমস অ্যান্ডারসন। ভারতীয় ফাস্ট বোলার যশপ্রীত বুমরার বল তাঁর হেলমেটে লাগলে কনকাশন চেকের আওতায় পড়ে গিয়েছিলেন জিমি। স্নায়ুর চাপে ভুগতে শুরু করেছিলেন ব্রিটিশ ফাস্ট বোলার। তা বুঝে অ্যান্ডারসনকে লক্ষ্য করে বডি লাইন বোলিং করতে শুরু করেছিল ভারত। এমনই আবহে দিনের শেষ ওভারের তিন বল খেলে ফেলেন জো রুট। চতুর্থ বলে সিঙ্গলস নিয়ে কৌশলগত ভুল করে ফেলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। নড়বড়ে অ্যান্ডারসন দিনের শেষে আউট না হয়ে গেলে ইংল্যান্ডের লিড আরও কিছুটা বাড়তে পারত।

আগস্ট ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌jinka Rahane: সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানে

দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই। চারিদিক থেকে শুধুই সমালোচনার ঝড়। অনেকেই প্রথম একাদশ থেকে ছেঁটে ফেলার দাবি তুলেছিলেন। সমালোচকদের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুললেন অজিঙ্কা রাহানে। শুধু আত্মপক্ষ সমর্থনই করেননি, ভারতীয় দলের সহঅধিনায়ক পাশে দাঁড়িয়েছেন সতীর্থ চেতেশ্বর পুজারারও।আরও পড়ুনঃ বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে নামার আগে হুঙ্কার রয় কৃষ্ণারবুধবার থেকে হেডিংলেতে ভারতইংল্যান্ডের তৃতীয় টেস্ট শুরু। তার আগে সংবাদসংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অজিঙ্কা রাহানে বলেন, কে কী বলল, তা গায়ে মাখি না। সমালোচনাগুলিকে আশীর্বাদ হিসেবেই দেখি। সব গুরুত্বপূর্ণ মানুষদেরই সমালোচনা হজম করতে হয়। নিজের পারফরম্যান্সের থেকেও দিনের শেষে দলকে কতটা দিতে পারলাম, সেটাই আমার কাছে বড় ব্যাপার। চেতেশ্বর পুজারা ও আমি দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছি। এই পর্যায়ে কীভাবে চাপ ও কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় জানি। অন্যরা কী বলল, তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে দলের সাফল্যে মনোনিবেশ করি।আরও পড়ুনঃ ভারতীয় ফুটবল জগৎ থেকে খসে পড়ল আরও এক অলিম্পিয়ানলর্ডস টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ৬১ রান করে দলের জয়ের ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। ম্যাচের অতি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এইরকম ইনিংস খেলতে পেরে তিনি খুশি বলে জানিয়েছেন রাহানে। তিনি বলেনস উইকেটে টিকে থাকাটাই আমার ও চেতেশ্বর পুজারার পরিকল্পনা ছিল। মন্থর হলেও সেদিন ২০০ বল খেলে পুজারা যে ইনিংস উপহার দিয়েছে, তা অমূল্য। লর্ডসে ব্যাটিং করার সময় আমরা কে অপরকে তাতিয়েছিলাম। ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে ১৭০১৮০ রান তোলাও যে সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে, আগেই বুঝতে পেরেছিলেন বলে জানান রাহানে।আরও পড়ুনঃ এ কী করল শ্রী সিমেন্ট! চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গল২০১৪ ও ২০১৮ সিরিজে ইংল্যান্ডের কাছে পর্যুদস্ত হয়েছিল ভারত। সেই পরাজয়ের কথা মাথায় রাখছেন না রাহানে। লর্ডস টেস্টের জয়কে বড় সাফল্য বলে আখ্যা দিয়েছেন। তবে সেখানে আটকে না গোটা দল সামনের দিকে তাকাচ্ছে বলে রাহানে দাবি করেছেন। তিনি বলেন, আপাতত হেডিংলে টেস্ট জেতাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা প্রতিটা ম্যাচ ধরে এগিয়ে চলেছি। গোটা দল আত্মবিশ্বাসী। তাই আমরা এইরকম ভাল ক্রিকেট খেলতে পারছি।হেডিংলের পরিবেশ, উইকেট নিয়ে চিন্তা করছি না। পরিবেশ যাই হোক না কেন, ১০০ শতাংশ উজার করে দেব। চোটের জন্য লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে পারেননি শার্দুল ঠাকুর। তবে তৃতীয় টেস্টের আগে তিনি পুরো ফিট বলে জানিয়েছেন অজিঙ্কা রাহানে। তবে প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

আগস্ট ২৩, ২০২১
দেশ

Land Slide: কয়েক সেকেন্ডের তফাতে প্রাণে বাঁচলেন যাত্রীরা, কীভাবে জানুন

কয়েক দিন আগে ঘটে যাওয়া হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের ভয়ানক স্মৃতি ফের একবার উস্কে দিল শনিবারের ঘটনা। পাহাড়ের উপর থেকে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে এল বিশাল ধস।অল্পের জন্য রক্ষা পেল যাত্রীবোঝাই বাস। আতঙ্কে বাস থেকে লাফ মারলেন অনেকে। কেউ কেউ জানলা দিয়ে গলে বেরোনোর প্রাণপণ চেষ্টাও করলেন। শনিবার সকালে নৈনিতালে পাহাড়ি রাস্তা দিয়ে ১৪ জন যাত্রী নিয়ে যাচ্ছিল একটি বাস। হঠাৎ কয়েক হাত দূরে হুড়মুড়িয়ে ধস নামতেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চালক কোনওক্রমে বাস থামিয়ে দেন। বাস থামতেই আতঙ্কে বাস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন যাত্রীরা। কেউ আবার জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করেন। তবে এই ঘটনায় কারও মৃত্যু হয়নি। আহত হওয়ারও কোনও খবর নেই। এক মিনিটের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। দেখা যাচ্ছে বাসটির সামনেই ধস নেমেছে। পাহাড় থেকে লাগাতার পাথর, বোল্ডার ও কাদামাটি নেমে আসছে। ধস কিছুটা কমতেই যাত্রীরা হাতে ব্যাগ নিয়ে বাস থেকে নেমে পড়েন ও পিছন দিকে দৌ্ঁড়তে থাকেন। বাসের চালককেও দেখা যায়, রিভার্সে বাসটিকে ধসের জায়গা থেকে কিছুটা পিছিয়ে আনতে।#WATCH | Uttarakhand: A bus carrying 14 passengers narrowly escaped a landslide in Nainital on Friday. No casualties have been reported. pic.twitter.com/eyj1pBQmNw ANI (@ANI) August 21, 2021কয়েক দিন আগেই হিমাচল প্রদেশের কিন্নরের পাহাড়ি রাস্তায় যাত্রিবোঝাই বাস, বেশ কয়েকটি গাড়ির উপর আছড়ে পড়েছিল ধস। সেই ঘটনায় বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়। আহত হয়েছিলেন অনেকে। ধসের ধাক্কা পাহাড়ের খাদে আছড়ে ফেলেছিল বাস এবং কয়েকটি গাড়িকে। ভয়ানক সেই ঘটনার স্মৃতি ফিকে হতে না হতেই নৈনিতালের এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় আজও ধূপ-ধুনোয় সেজে ওঠে ‘স্টিম সাহেব’, জলপাইগুড়ির বুকে ব্রিটিশ আমলের জীবন্ত স্মৃতি

জলপাইগুড়ি শহরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়ার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী নাম, স্টিম সাহেব। ব্রিটিশ আমলের কয়লা চালিত এই স্টিম রোলারকে ঘিরে এখনও আবেগ রয়েছে বহু মানুষের। প্রতি বছর বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে জলপাইগুড়ি পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরে পরম যত্নে পুজো করা হয় ঐতিহাসিক এই যন্ত্রটিকে।স্বাধীনতার বহু আগে সুদূর লন্ডন থেকে জলপাইগুড়িতে আনা হয়েছিল কয়লা চালিত এই স্টিম রোলার। ব্রিটিশ সাহেবদের হাত ধরে শহরে আসার কারণেই স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে এর নাম হয়ে যায় স্টিম সাহেব। একসময় জলপাইগুড়ি থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর পর্যন্ত রাস্তা তৈরি ও মেরামতির কাজে নিয়মিত ব্যবহার করা হত এই রোলার।সেই সময়ের যান্ত্রিক প্রযুক্তির অন্যতম নিদর্শন ছিল এটি। রোলারের বয়লারে কয়লা দেওয়া থেকে শুরু করে স্টিয়ারিং ঘোরানোপুরো ব্যবস্থাটিই ছিল যান্ত্রিক পদ্ধতিনির্ভর। দেশভাগের পরেও দীর্ঘদিন নিজের দায়িত্ব পালন করেছে স্টিম সাহেব। তবে সময়ের সঙ্গে ডিজেল চালিত রোলারের ব্যবহার বাড়ায় ধীরে ধীরে গুরুত্ব কমতে থাকে এই পুরনো যন্ত্রটির। একসময় পূর্ত দপ্তরের এক কোণে অবহেলায় পড়ে ছিল এটি।১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় রোলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেটিকে উদ্ধার করে মেরামত করা হয়। সরকারি উদ্যোগে এরপর পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরেই স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় ঐতিহাসিক এই স্টিম রোলারকে। জানা যায়, কয়েক বছর আগে যে লন্ডন-ভিত্তিক সংস্থা এটি তৈরি করেছিল, তাদের পক্ষ থেকে রোলারটি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে রাজ্য সরকারের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।তাই আজও জলপাইগুড়ির মাটিতেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে স্টিম সাহেব। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন বর্তমান কর্মীদের পাশাপাশি বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীও নস্টালজিয়ার টানে ছুটে আসেন পূর্ত দপ্তরে।অবসরপ্রাপ্ত কর্মী পার্থপ্রতিম সেনের কথায়, স্টিম সাহেব এখনও তাঁদের কাছে এক জীবন্ত নস্টালজিয়া। বর্তমান কর্মী গৌতম দীক্ষিত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মী মধু সরকারও মনে করেন, এই ঐতিহ্য ও পরম্পরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও একইভাবে টিকে থাকুক। তাঁদের কাছে স্টিম সাহেব শুধু একটি পুরনো যন্ত্র নয়, বরং জলপাইগুড়ির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘ঝরা পাতা তৃণমূলে নয়’, কংগ্রেসের ‘বটগাছের’ ছায়ায় আসার ডাক অধীরের

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে ভোটে নামতে হয়েছে। মমতা শিবিরের জন্য ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জন্য খাম প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জোড়াফুল প্রতীক ও দলের পুরনো নামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রক্রিয়াধীন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানান। রেজিনগর নিয়ে অবশ্য মমতার শিবিরের অবস্থান তখনও স্পষ্ট ছিল না।নন্দীগ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে তৃণমূল বা তৃণমূলের অন্য কোনও শিবিরের পরিবর্তে কংগ্রেসের পাশে আসা উচিত বিরোধীদের।অধীর বলেন, কংগ্রেস একটি বটগাছের মতো এবং তৃণমূল সেই বটগাছের ঝরা পাতা। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করতে চান, তাঁদের কংগ্রেসের ছায়ায় আসা উচিত। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিজেপি-বিরোধী ভোটার ও রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে কংগ্রেসের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।তৃণমূলের নতুন প্রতীক নিয়েও কটাক্ষ করেন অধীর। তাঁর কথায়, মমতার শিবির ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক পেয়েছে এবং অন্য শিবির পেয়েছে খাম। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনাকেও তিনি তৃণমূলের জন্য রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে তুলে ধরেন। রেজিনগর নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।তবে সঞ্চিতা প্রধান দে কেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন, সেই বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কারণ জানানো হয়নি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে ওই সাক্ষাৎ এবং তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের মধ্যে কোনও নির্দিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা হয়নি।এর পর নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয়। মমতা জানিয়েছেন, উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন করে বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করাই তাঁদের উদ্দেশ্য।নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও সরব হয়েছেন অধীর। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করেন এবং কমিশনকে বিজেপির প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেন। তবে এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী নিজেদের বৈধ প্রতিনিধি দাবি করায় উপনির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহার, তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং মমতা শিবিরের কংগ্রেসকে সমর্থনএই তিনটি ঘটনা ঘিরে উপনির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। রেজিনগরেও শেষ পর্যন্ত কী ছবি দেখা যাবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
কলকাতা

খাম নিয়ে নতুন সংঘাত, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে আইনি পথে আইএসএফ? কী বললেন নওশাদ

ঘাসফুল আপাতত বাইরে। নতুন নাম গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, আর প্রতীক খাম। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই নতুন বিতর্কে জড়াল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। কারণ, খাম প্রতীকটি আগে থেকেই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই ভোটে লড়ার দাবি করেছে আইএসএফ। এবার সেই প্রতীকই ঋতব্রত শিবিরকে দেওয়া হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের দুই শিবিরের জন্য নতুন নাম ও প্রতীক ঘোষণা করে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের প্রতীক হিসেবে দেওয়া হয়েছে খাম। অন্য দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির পেয়েছে আলাদা নাম ও প্রতীক। পুরনো তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ব্যবহার করা যাবে না।কিন্তু ঋতব্রত শিবিরের নতুন প্রতীক সামনে আসার পরেই আপত্তি তোলে আইএসএফ। নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, ২০২১ সাল থেকেই তাঁদের দল খাম প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচনে লড়ছে। চলতি বছরেও ওই প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, সেই পরিস্থিতিতে একই প্রতীক অন্য একটি দলকে কী ভাবে দেওয়া হল?শুক্রবার ফুরফুরা শরিফে দলের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নওশাদ। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য গত ১০ মার্চ আইএসএফের খাম প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই দলটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাই ঋতব্রত শিবিরকে একই প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।নওশাদ জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, আইএসএফকে দুর্বল করার চেষ্টা হতে পারে। তবে এই অভিযোগ নওশাদ সিদ্দিকীর রাজনৈতিক বক্তব্য; নির্বাচন কমিশনের তরফে এমন কোনও ষড়যন্ত্রের কথা জানানো হয়নি।অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবির অবশ্য নতুন প্রতীক নিয়ে সন্তুষ্ট। নন্দীগ্রামের ওই শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক জানিয়েছেন, তাঁরা খাম প্রতীক পেয়েছেন এবং সেই প্রতীক নিয়েই প্রচারে নামবেন। ফলে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মূল প্রশ্ন, আইএসএফের দাবি নির্বাচন কমিশন কী ভাবে বিবেচনা করবে এবং নন্দীগ্রামের ভোটে শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থী কোন প্রতীকে লড়বেন। ঋতব্রত শিবিরকে খাম প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে কমিশন। এখন নওশাদ সিদ্দিকীর আপত্তির পর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতের ভবিষ্যৎ কী? দলবদলের জল্পনার মধ্যেই মিলল তাঁর নিজের বার্তা

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটমহলে নানা জল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে ঘিরে দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, রোহিত কি ফের মুম্বইয়ের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে পারেন? পাশাপাশি তাঁর অন্য কোনও আইপিএল দলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। সেই আলোচনাতেই নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটিং কোচ এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ অভিষেক নায়ার।তবে এই জল্পনার সূত্রপাত কোনও ক্রিকেট ম্যাচে নয়, রোহিত শর্মার নতুন একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা সেই অনুষ্ঠানের টিজারে রোহিত এবং অভিষেক নায়ারের কথোপকথনের একটি অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে রোহিতের পোশাকের রং নিয়েই মজার ছলে শুরু হয় দলবদলের প্রসঙ্গ।টিজারে দেখা যায়, রোহিতের পরনে হলুদ পোশাক। সেই রং দেখে অভিষেক নায়ার মজা করে চেন্নাইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানতে চান, রোহিত কি তবে দল বদলানোর কথা ভাবছেন? কারণ হলুদ রং চেন্নাইয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রশ্ন শুনে রোহিতও মজার ছলে পাল্টা জবাব দেন। তিনি বলেন, তাঁর পোশাকের রং সরষের মতো হলুদ।এর পরেই কথোপকথনে উঠে আসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রসঙ্গ। অভিষেক নায়ার বলেন, সোনালি এবং হলুদ রঙের সঙ্গে কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজিরও যোগ রয়েছে। ফলে রোহিত কি এবার কলকাতার দলে যোগ দেবেন, সেই ইঙ্গিতও মজার ছলে দেওয়া হয়।অভিষেকের প্রশ্নের মধ্যেই দর্শকদের একাংশ মুম্বইয়ের নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। সেই সময় রোহিত মৃদু হেসে বলেন, চিরকাল। তাঁর এই এক শব্দের উত্তর থেকেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুম্বইয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই বক্তব্যকে দলবদলের জল্পনার প্রেক্ষিতে দেখছেন। তবে টিজারের এই কথোপকথন থেকে রোহিতের আইপিএল ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিতের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। তাঁর নেতৃত্বে দলটি আইপিএলে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবেও রোহিতের সাফল্য রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে এবং এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে।এ বার ক্রিকেটের মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশনের পর্দাতেও নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে রোহিতকে। তাঁর নতুন অনুষ্ঠানের প্রথম টিজার প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। টিজারে অভিষেক নায়ারের সঙ্গে রোহিতের কথোপকথনও সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।রোহিত সত্যিই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়বেন কি না, কিংবা অন্য কোনও আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা নেই। তবে নতুন অনুষ্ঠানের টিজারে মুম্বই নিয়ে রোহিতের চিরকাল মন্তব্য দলবদলের জল্পনার মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে। এখন দেখার, টেলিভিশনের মঞ্চে রোহিতের এই নতুন ইনিংস দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

সারা ঘরে বেলুন দিয়ে সাজানো, ফ্রিজে মেয়ের দেহ, পাশে চকলেট! ঘরে উদ্ধার বাবার ঝুলন্ত দেহ

গুজরাটের আমরেলি জেলায় এক পাঁচ বছরের শিশুকন্যার মৃত্যু এবং তার বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ৪০ বছরের কিশোর ধনক তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে হিংমাশীকে হত্যা করার পর নিজে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘরের ভিতর থেকে তিনটি চিরকুট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি মেয়েকে কেন হত্যা করেছিলেন, তারও ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনাটি আমরেলি জেলার সাভরকুণ্ডলা এলাকার হাদিদা গ্রামের। কিশোর ধনক নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী মঞ্জুবেন বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরে স্বামীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফোন বন্ধ থাকায় তিনি তাঁর ভাইকে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই কিশোরের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়।এর পর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ ফ্রিজের ভিতর হিংমাশীর দেহ উদ্ধার করে। পুলিশের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করার পর তার দেহ ফ্রিজে রাখা হয়েছিল। ঘটনার পর দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কী ভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর আরও স্পষ্ট হবে।ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি তদন্তকারীদের আরও ভাবিয়ে তুলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরটি বেলুন ও মোমবাতি দিয়ে সাজানো ছিল। শিশুটির জন্য চকোলেটও রাখা হয়েছিল। এমনকি ফ্রিজের উপরে শুভ জন্মদিন হিংমাশী লেখা একটি কাগজ পাওয়া যায়। অথচ সেদিন হিংমাশীর জন্মদিন ছিল না। শিশুটিকে সাদা পোশাক পরানো হয়েছিল এবং মাথায় ওড়নাও দেওয়া ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফ্রিজের ভিতর কুশন রাখা ছিল বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ঘরে পুজোর আয়োজনও করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই সমস্ত বিষয় দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, মেয়ের জন্য শেষবারের মতো জন্মদিন পালনের মতো একটি আয়োজন করেছিলেন কিশোর। তবে কেন এমন আয়োজন করা হয়েছিল, কেনই বা মেয়েটিকে হত্যা করা হল, তা এখনও তদন্তের বিষয়। পুলিশের তরফে ঘটনাটির প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি চিরকুট তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চিরকুটে কিশোর তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে নির্মাণকাজে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে সেখানে লেখা ছিল। তাঁর দাবি ছিল, ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছ থেকে প্রায় সাত লক্ষ টাকার বেশি পাওনা ছিল। কিন্তু সেই টাকা না পাওয়ায় তিনি আর্থিক সমস্যায় পড়েছিলেন।অন্য একটি চিরকুটে মেয়েকে হত্যা করার কারণ হিসেবে কিশোর এমন কথা লিখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর মৃত্যুর পরে মেয়েকে যেন কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়, সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর একটি চিরকুটে নিজের কাজের জন্য ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে চিরকুটে লেখা কথাগুলি তদন্তের অংশ হিসেবেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরের স্ত্রী কয়েক দিন আগে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে পৌঁছন। সেখান থেকেই প্রথমে কিশোরের দেহ এবং পরে ফ্রিজের ভিতর শিশুকন্যার দেহের সন্ধান মেলে। ঘটনার পর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আর্থিক সমস্যাই এই ঘটনার মূল কারণ কি না, শিশুকন্যাকে হত্যার আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং ঘরটি কেন জন্মদিনের মতো করে সাজানো হয়েছিলএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, চিরকুট এবং পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য মিলিয়ে গোটা ঘটনার ছবি স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মমতা পাশে দাঁড়াতেই বড় ধাক্কা! পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হলেন মিলন। শুক্রবার তাঁকে একটি পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি খুনের মামলায় তিনি অভিযুক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বড় রাজনৈতিক ঘোষণাকে ঘিরে। তাঁর দলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা জানান, নন্দীগ্রামে তাঁর দল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। দেশের কথা এবং বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মমতার সেই ঘোষণার পরেই মিলন প্রধানের গ্রেফতারির খবর সামনে আসে। শুক্রবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এবং সেই মামলায় পরোয়ানাও জারি হয়েছিল। ফলে গ্রেফতারির সঙ্গে পুরনো মামলার যোগ রয়েছে বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে।কংগ্রেস অবশ্য এই গ্রেফতারিকে স্বাভাবিক ভাবে দেখছে না। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করার অর্থ বিজেপি কংগ্রেস প্রার্থীকে ভয় পাচ্ছে। তবে এটি অধীর চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; বিজেপির তরফে এমন অভিযোগের সমর্থনে কোনও বক্তব্য এই ঘটনায় সামনে আসেনি।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের ঠিক আগে মিলন প্রধান সকাল থেকেই প্রচারে ছিলেন। তার পর তাঁকে হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়। কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্থানীয় থানাগুলির কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভঙ্কর জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনের কাছেও লিখিত ভাবে জানতে চাওয়া হবে, কেন প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হল এবং বর্তমানে তিনি কোথায় রয়েছেন। কংগ্রেসের বক্তব্য, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়টি কমিশনের নজরেও থাকা উচিত।অন্য দিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্র এই গ্রেফতারিকে প্রশাসনের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ প্রার্থী হলেই তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না, এমন কোনও নিয়ম নেই। প্রশাসনের কাছে প্রয়োজন মনে হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার অধিকার রয়েছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি নন্দীগ্রামে মমতার কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েও মন্তব্য করেন।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত, অন্য দিকে সেই কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের পুরনো মামলায় গ্রেফতারিদুই ঘটনাই একই দিনে সামনে এসেছে। ফলে গ্রেফতারির সময় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠলেও, পুলিশ জানিয়েছে পুরনো মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে বিধানসভা উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের গ্রেফতারির ঘটনায় কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের পর এই ঘটনায় নন্দীগ্রামের ভোটের রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব পড়ে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

পুজোর আগে সিকিমে বড় বিপদ! পাহাড় থেকে নামছে কাদা-পাথরের স্রোত, বন্ধ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

একটানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসের খবর মিলছে। কোথাও জাতীয় সড়ক বন্ধ, কোথাও হাইওয়ে অবরুদ্ধ। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকেরাও। পুজোর মরসুম সামনে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মহলেও।উত্তর সিকিমে বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। শুক্রবার ভোরে সিকিম-শিলিগুড়ি যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বারডাংয়ের ২০ মাইল এলাকায় ধস নামে। রাস্তার উপর দিয়ে কাদা ও পাথরের স্রোত নামায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রী থেকে পর্যটক, সকলেই সমস্যায় পড়েন।গ্যাংটক জেলাতেও একাধিক জায়গায় ভূমিধস ও কাদাধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। ধসের কারণে বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও বাড়ি ও গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার কবি-টিংদা কেন্দ্রের বিধায়ক শেরিং টি ভুটিয়ার নেতৃত্বে একটি যৌথ দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে।বোজোগহারি সংলগ্ন লুয়িং-রাঙ্কা সড়ক, লোয়ার বোজোগহারি, লিংডিং, হাইকোর্ট রোড, টিএনএ গেট, ভিআইপি কলোনি, আপার জেড-বোজোগহারি, পাংথাং-লিংডক সড়ক, পামরো গাঁও, লিং পারবিং, আপার ও মিডল লুয়িং, ফেনজং, রাঙ্কা, রকডং তিনটেক, দারাগাঁও, আপার বুরতুক, সিচে এবং আরিথাং-সহ একাধিক এলাকায় ধসের প্রভাব পড়েছে।বহু জায়গায় এখনও রাস্তা পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কিছু বহুতলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। সিচের নিকাশি জল পরিশোধন কেন্দ্র এবং এনচে স্কুলের বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছেও ধ্বংসস্তূপ জমে রয়েছে। ফলে ওই এলাকাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।উত্তর সিকিমেও ব্যাপক ধসের খবর এসেছে। ফেনসং, কবি এবং লিংচুম-টিংদা এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা ফের চালু করার কাজ চলছে। ধসপ্রবণ এলাকায় বৃষ্টির জল যাতে মাটির গভীরে ঢুকে পরিস্থিতি আরও খারাপ না করে, সে জন্য ত্রিপল বিছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ধসপ্রবণ এলাকা দিয়ে যাতায়াত না করার জন্য বলা হয়েছে। বিশেষ করে রাতে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ৩২ মাইলের কাছে রাডাং এলাকাতেও ধসের কারণে রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার খবর মিলেছে।পূর্ব সিকিমের দুগা এলাকাতেও রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাত্রীরা নিজেরাই রাস্তা পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন। এই পথটি গ্যাংটকের সঙ্গে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রাস্তা। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের সমস্যাও বেড়েছে।শুধু সিকিম নয়, নেপালেও ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। জামিরেঘাটে ভূমিধসের কারণে পৃথ্বী হাইওয়ে অবরুদ্ধ হয়েছে। রাস্তার উপরের দিক থেকে বড় ধস নেমে কাঠমান্ডুগামী দুই দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ধাদিংয়ের ট্রাফিক পুলিশ প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, ধসের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগতে পারে। কৃষ্ণভির এলাকাতেও ধসের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।ভুটানেও কয়েকটি পাহাড়ি রাস্তায় বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। দোচুলা-ওয়াংদুয়ে সড়কের পেনজালুম দ্রুবচু এলাকায় একমুখী যান চলাচল শুরু হলেও পর্যটকদের সতর্ক হয়ে যাতায়াতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পানবাং-মাথাংগুড়ি সংযোগ সড়কের কিছু অংশও অবরুদ্ধ হয়েছে।সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পথে ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় পুজোর আগে পর্যটন শিল্প নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সময় পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। ফলে আগামী দিনে বৃষ্টি ও ধসের পরিস্থিতি কীভাবে বদলায়, তার দিকে নজর রাখছেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে’, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে সরব শুভঙ্কর সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ফুল-ঘাস ফ্রিজ করে দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করলেন, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে টালবাহানা করে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও সংরক্ষিত ফুল-ঘাস প্রতীক আপাতত ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুটি গোষ্ঠী নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে দাবি করছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক নাম ও প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।এই পরিস্থিতিতে শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বিতর্কের সমাধান করা। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর, স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ থাকে।কংগ্রেস সভাপতির মতে, ভারতের সংবিধানে প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রই দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর অন্যতম ভিত্তি। তাঁর কথায়, এই বহুদলীয় ব্যবস্থাই ভারতের বহুত্ববাদের প্রতিফলন। কংগ্রেস বরাবরই এই বহুত্ববাদে বিশ্বাসী।শুভঙ্কর সরকার মহারাষ্ট্রে শিবসেনার দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তাঁর অভিযোগ, একই ধরনের পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গেও তৈরি করা হচ্ছে।তবে তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জায়গাটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, মতাদর্শগত লড়াই থাকবেসংসদীয় গণতন্ত্রে এটাই কাম্য। কাউকে পরাজিত করতে হলে আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই করব। কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে হলে, সেটা বাংলার মানুষ তাঁদের ভোটের রায়ের মাধ্যমে করবেন।এরপরই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন তিনি। শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, আজ আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে। তারা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার খেলায় নেমেছে। এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।একইসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূলের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই চলেছে এবং চলবে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলা, দলীয় কার্যালয় দখল এবং রাজ্যে অপশাসনের অভিযোগও তোলেন তিনি।তবে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী পরিচয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কংগ্রেস মেনে নেবে না বলেই জানিয়েছেন শুভঙ্কর সরকার।শেষে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, নির্বাচন কমিশনের এই দলদাসসুলভ আচরণ গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করছে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal