• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Land

খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand Test : ‌৩৭২ রানে বড় জয় ভারতের, হেডলিকে টপকে গেলেন অশ্বিন

তৃতীয় দিনের খেলার শেষে ভারতের জয় ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। নিউজিল্যান্ডকে দ্বিতীয় টেস্টে হারাতে চতুর্থ দিন ১ ঘন্টাও সময় লাগল না। মাত্র ৪৫ মিনিটের মধ্যেই কিউয়িদের ৫ উইকেট তুলে নিয়ে ৩৭২ রানে বড় জয় পেল ভারত। সিরিজ জয়ের পাশাপাশি একই সঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্করণের ফাইনালে হারের মধুর প্রতিশোধ নিলেন বিরাট কোহলিরা। আগের দিনে নিউজিল্যান্ডের রান ছল ৪৫ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪০। হেনরি নিকোলস ৩৬ এবং রাচিন রবীন্দ্র ২ রানে ক্রিজে ছিলেন। কিউয়িদের বাকি ৫ উইকেট তুলে নিতে ভারতীয় বোলারদের ১২ ওভারও লাগল না। মাত্র ১১.৩ ওভারেই এদিন বাকি ৫ উইকেট তুলে নেন দুই স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও জয়ন্ত যাদব। চতুর্থ দিন সকালে নিউজিল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন জয়ন্ত যাদব। দিনের সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে রাচিন রবীন্দ্রকে তুলে নেন। ৫০ বলে ১৮ রান করে চেতেশ্বর পুজারার হাতে ক্যাচ দেন রাচিন। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৬২। ১ ওভার পরেই সেই জয়ন্তর বলে লেগ বিফোর আউট হন কাইল জেমিসন (০)। ১ বলের ব্যবধানে টিম সাউদিকেও (০) তুলে নেন জয়ন্ত। উইলিয়াম সমারভিলেও (১) তাঁর শিকার। নিউজিল্যান্ডের শেষ উইকেট তুলে নেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তাঁর বলে হেনরি নিকোলসকে (৪৪) স্টাম্পড করেন ঋদ্ধিমান সাহা। নিউজিল্যান্ড গুটিয়ে যায় ১৬৭ রানে। ৪৯ রানে ৪ উইকেট পান জয়ন্ত যাদব। ৩৪ রানে ৪ উইকেট রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮ উইকেট নেওয়ায় এই বছরে টেস্টে অশ্বিনের উইকেট সংখ্যা ৫২। আর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে ৬৬ উইকেট তুলে নিয়ে স্যার রিচার্ড হেডলিকে টপকে গেলেন অশ্বিন। আজাজ প্যাটেল এই টেস্টে ১৪ উইকেট পেলেও ম্যাচের সেরা হয়েছেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল।নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৭২ রানে বড় জয় পেলেও আইসিসির বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। ভারতের ঝুলিতে ৪২ পয়েন্ট। এই বছর দুটি সিরিজ মিলিয়ে ভারত এখনও পর্যন্ত খেলেছে ৬টি টেস্ট। ৩টিতে জয় এসেছে। ১টি হার। ২টি ড্র।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs NZ Test : ‌স্পিনে বেসামাল কিউয়িরা, চারদিনেই টেস্ট জয়ের পথে ভারত

আজাজ প্যাটেলের দুরন্ত বোলিং সত্ত্বেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত। চারদিনেই দ্বিতীয় টেস্ট জিততে চলেছেন বিরাট কোহলিরা। জয়ের জন্য ৫৪০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় দিনের শেষে নিউজিল্যান্ড তুলেছে ১৪০/৫। অর্থাৎ হার বাঁচাতে কিউয়িদের এখনও প্রয়োজন ৪০০ রান। যা তোলা প্রায় অসম্ভব।প্রথম ইনিংসে ২৬৩ রানে এগিয়ে ছিল ভারত। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের রান ছিল ৬৯/০। তৃতীয় দিন ভাল শুরু করেছিলেন ভারতের দুই ব্যাটসম্যান মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও চেতেশ্বর পুজারা। ৩২তম ওভারে আজাজ প্যাটেলকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে উইল ইয়ংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মায়াঙ্ক। ৯টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ১০৮ বলে ৬২ রান করেন তিনি। ভারতের রান তখন ১০৭। চেতেশ্বর পুজারা ৯৭ বলে ৪৭ রান করে আজাজের বলেই স্লিপে রস টেলরের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তার আগেই তিনি একবার জীবন পেয়েছিলেন। ৭৫ বলে ৪৭ রান করে রাচিন রবীন্দ্রর বলে লাথামের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন শুভমান গিল। দ্বিতীয় ইনিংসেও বড় রান পেলেন না বিরাট কোহলি। তিনিও রাচিন রবীন্দ্রর শিকার। ৮৪ বলে ৩৬ রান করে কোহলি বোল্ড হন। এরপর দ্রুত রান তোলার দিকে মন দেয় ভারত। শ্রেয়শ আয়ার ৮ বলে ১৪ রান করে। তাঁকে ফেরান আজাজ প্যাটেল। ১২ বলে ১৩ রান করে ঋদ্ধিমান সাহা। জয়ন্ত যাদব ৬ রান করে আজাজের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দেন। ৭ উইকেটে ২৭৬ রান তুলে দ্বিতীয় ইনিংসের সমাপ্তি ঘোষণা করে ভারত। অক্ষর প্যাটেল ২৬ বলে ৪১ রান করে অপরাজিত থাকেন। আজাজ প্যাটেল ১০৬ রানে ৪ উইকেট নেন। ম্যাচে ১৪ উইকেট তাঁর।জয়ের জন্য ৫৪০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। দলের ১৩ রানের মাথায় টম লাথাম (৬) রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে লেগ বিফোর হন। উইল ইয়ংও (২০) বড় রান পাননি। তিনিও অশ্বিনের শিকার। রস টেলরকেও (৬) তুলে নেন অশ্বিন। ড্যারিল মিচেল (৬০) কিছুটা লড়াই করেন। তৃতীয় দিনের শেষে নিউজিল্যান্ড তুলেছে ১৪০/৫। হেনরি নিকোলস ৩৬ রানে ক্রিজে রয়েছেন। অশ্বিন ২৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌‌‌জিম লেকার, অনিল কুম্বলের কৃতিত্ব স্পর্শ আজাজ প্যাটেলের, তবু চালকের আসনে ভারত

জন্মভূমিতেই বল হাতে কামাল আজাজ প্যাটেলের। স্পর্শ করলেন জিম লেকার অনিল কুম্বলের কৃতিত্ব। এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে অনন্য নজির গড়লেন নিউজিল্যান্ডের এই স্পিনার। তাঁর দাপটেই বড় রানের স্বপ্ন দেখেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৩২৫ রানে শেষ ভারত। আজাজের ১০ উইকেট সত্ত্বেও ম্যাচে অবশ্য চালকের আসনে বিরাট কোহলিরা। ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬২ রানে গুটিয়ে যায় কিউয়িদের ইনিংস। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে তুলেছে কোনও উইকেট না হারিয়ে ৬৯। প্রথম দিনের ২২১/৪ রান হাতে নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল ভারত। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ১২০ রানে ও ঋদ্ধিমান সাহা ২৫ রানে অপরাজিত ছিলেন। দিনের দ্বিতীয় ও নিজের প্রথম ওভারে পরপর দুবলে ঋদ্ধিমান (২৭) ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে (০) তুলে নেন আজাজ। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির সময় ভারতের রান ছিল ৯৮ ওভারে ২৮৫/৬। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর দ্বিতীয় ওভারেই মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে তুলে নেন আজাজ প্যাটেল। ৩১১ বলে ১৫০ রান করে উইকেটের পেছনে টম ব্লান্ডেলের হাতে ধরা পড়েন মায়াঙ্ক। ভারতের রান তখন ২৯১। অক্ষর প্যাটেল ১২৮ বলে ৫২ রান করে আজাজের বলেই লেগ বিফোর হন। জল্পনা চলছিল জিম লেকার ও অনিল কুম্বলের রেকর্ড স্পর্শ করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে। শেষ পর্যন্ত জয়ন্ত যাদব (১২) ও মহম্মদ সিরাজকে (৪) ৩ বলের ব্যবধানে তুলে নিয়ে লেকার, কুম্বলেদের তালিকায় নিজের নাম লেখান আজাজ প্যাটেল। ৩২৫ রানে গুটিয়ে যায় ভারতের প্রথম ইনিংস। ৪৭.৫ ওভার বল করে ১১৯ রানে ১০ উইকেট নেন আজাজ প্যাটেল।নিউজিল্যান্ডও যে ওয়াংখেড়ের বাইশ গজে ভারতীয় বোলারদের সামনে দঁাড়াতে পারবে না, আজাজ প্যাটেলের বোলিংয়েই তার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। বাস্তবে তাইই ঘটে। মাত্র ৬২ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংস। ভারতের বিরুদ্ধে এটাই কিউয়িদের সর্বনিম্ন রানের ইনিংস। তাছাড়া ভারতের মাটিতে টেস্টে এত কম রানে আর কোনও দল গুটিয়ে যায়নি। একসময় নিউজিল্যান্ডের রান ছিল ৬ উইকেটে ৩৮। জেমিসনের ১৭ রান নিউজিল্যান্ডকে ৬০ রানের গন্ডি পার করে দেয়। নিউজিল্যান্ডের হয়ে তিনিই সর্বোচ্চ রান করেন। তিনি ছাড়া দুঅঙ্কের রানে পৌঁছন ওপেনার টম লাথাম (১০)। রবিচন্দ্রন অশ্বিন ৮ রানে ৪ উইকেট নেন। মহম্মদ সিরাজ ১৯ রানে নেন ৩ উইকেট। অক্ষর প্যাটেল ১৪ রানে ২টি ও জয়ন্ত যাদব ১৩ রানে ১টি উইকেট পান। সুযোগ পেয়েও নিউজিল্যান্ডকে ফলো অন করাননি বিরাট কোহলি। প্রথম ইনিংসে ২৬৩ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ভারত। দ্বিতীয় দিনের শেষে কোনও উইকেট না হারিয়ে তুলেছে ৬৯। মায়াঙ্ক আগরওয়াল ৩৮ রানে ও চেতেশ্বর পুজারা ২৯ রানে ক্রিজে রয়েছেন। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ৩৩২ রানে এগিয়ে হয়েছে ভারত।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : অক্ষরের ৫ উইকেট, স্পিনারদের দাপটে ম্যাচে ফিরল ভারত

দ্বিতীয় দিনের শেষে নিউজিল্যান্ডকে দেখে মনে হচ্ছিল করা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দেবে ভারতকে। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনেও দারুণ ব্যাট করছিলেন টম লাথামরা। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে স্পিনারদের দাপটে ম্যাচে ফেরে ভারত। সৌজন্যে অক্ষর প্যাটেল।আগের দিনের বিনা উইকেটে ১২৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করে নিউজিল্যান্ড। শুরু থেকেই ভারতীয় স্পিনারদের দারুণ সামলাচ্ছিলেন দুই ওপেনার টম লাথাম ও উইল ইয়ং। নিউজিল্যান্ডকে প্রথম ধাক্কা দেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ৬৬.১ ওভারে উইল ইয়ংয়ের বিরুদ্ধে ওঠা কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার নীতীন মেনন। ঋদ্ধিমান সাহার পরিবর্ত হিসেবে উইকেটকিপিং করতে নামা শ্রীকার ভরতের পরামর্শে রিভিউ নেন অজিঙ্কা রাহানে। রিভিউতে দেখা যায় অশ্বিনের বল ইয়ংয়ের ব্যাট ছুঁয়ে কিপারের হাতে জমা পড়েছে। ২১৪ বলে ৮৯ রানে আউট হন উইল ইয়ং। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৫১।এরপর দলকে টানছিলেন টম লাথাম ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। দলের ১৯৭ রানের মাথায় উমেশ যাদবের বলে লেগ বিফোর হন কিউয়ি অধিনায়ক। ৬৪ বল খেলে ১৮ রান করেন তিনি। এরপরই শুরু হয় ভারতীয় স্পিনারদের দাপট। অক্ষর প্যাটেলের স্পিনের সামনে দিশেহারা হয়ে পড়েন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। এক ওভারের ব্যবধানে রস টেলর (১১) ও হেনরি নিকোলসকে (২) তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। দুরন্ত ব্যাট করতে থাকা টম লাথামও তাঁর শিকার। ২৮২ বলে ৯৫ রান করে অক্ষরের বলে স্টাম্পড হন লাথাম। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ২২৭/৫। লাথাম আউট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের বড় রানের ইনিংসের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। টম ব্ল্যান্ডেল (১৩), টিম সাউদিকে (৫) তুলে নিয়ে ৫ উইকেট পূর্ন করেন অক্ষর প্যাটেল। ২৭০ রানে ৮ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। এরপর বেশিক্ষণ লড়াই জারি রাখতে পারেনি কিউয়িরা। ২৯৬ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। শেষ দুটি উইকেট তুলে নেন অশ্বিন। ৮২ রানে ৩ উইকেট নেন তিনি। অন্যদিকে, ৬২ রানে ৫ উইকেট নেন অক্ষর প্যাটেল।৪৯ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ভারত। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই শুভমান গিলকে তুলে নেন কাইল জেমিসন। মাত্র ১ রান করে বোল্ড হন শুভমান। তৃতীয় দিনের শেষে ভারত তুলেছে ১৪/১। দুই ইনিংস মিলিয়ে এগিয়ে রয়েছে ৬১ রানে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Wriddhiman Saha : কানপুরেই জীবনের শেষ টেস্ট খেলে ফেললেন ঋদ্ধিমান?

কানপুরেই কি জীবনের শেষ টেস্ট খেলে ফেললেন ঋদ্ধিমান সাহা? প্রশ্নটা ইতিমধ্যেই উঠতে শুরু করেছে। যদি শেষ পর্যন্ত এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ভবিষ্যৎ কিন্তু সেই দিকেই এগোচ্ছে। জল্পনা তৈরি হয়েছে কানপুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন উইকেটকিপিং করতে না নামায়।বিশ্বের সব দেশই অলরাউন্ডার উইকেটকিপার দলে নিতে চায়। অর্থাৎ উইকেটকিপিংয়ের পাশাপাশি ব্যাট হাতেও যিনি দলকে ভরসা দিতে পারবেন। উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে ঋদ্ধিমানের দক্ষতা প্রশ্নাতীত। কিন্তু ব্যাটিংয়ে অনেকটাই পিছিয়ে। ব্যাটিংয়ের জন্যই ঋষভ পন্থ নির্বাচকদের আস্থা অর্জন করে নিয়েছেন। ঋদ্ধিমানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছেন শ্রীকার ভরত, ঈশান কিষাণরা। ঋষভ পন্থকে নির্বাচকরা বিশ্রাম দেওয়ায় নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলার সুযোগ পেয়েছেন ঋদ্ধিমান। কিন্তু ব্যাট হাতে দলকে একেবারেই ভরসা দিতে পারেননি। গত বছর ডিসেম্বরে অ্যাডিলেডে শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ঋদ্ধিমান। অস্ট্রেলিয়ার কাছে ভারত সেই ম্যাচে পরাজিত হওয়ার পর ঋষভ পন্থ টেস্ট দলে সুযোগ পেয়ে জায়গা পাকা করে নেন। টেস্ট দল থেকে বাদ পড়ার পর ঘরোয়া ক্রিকেট কিংবা আইপিএলেও দাগ কাটতে পারেননি ঋদ্ধি।ঘাড়ে যন্ত্রণার জন্য নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে কানপুরে প্রথম টেস্টের তৃতীয় দিন মাঠে নামতে পারেননি ঋদ্ধিমান। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এদিন খেলা শুরুর আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়, ঘাড়ে টান ধরায় ঋদ্ধি আজ খেলতে পারবেন না। মেডিক্যাল টিম তাঁর চিকিৎসা করছে। ঋদ্ধির পরিবর্তে উইকেটকিপিং করছেন কেএস ভরত।১৯৪৬ সালের পর সবচেয়ে বেশি বছরের উইকেটকিপার হিসেবে টেস্ট খেলছেন ঋদ্ধিমান। কানপুর টেস্টের প্রথম দিন ঋদ্ধির বয়স ছিল ৩৭ বছর ৩২ দিন। ফারুখ ইঞ্জিনিয়ার ৩৬ বছর ৩৩৮ দিনের মাথায় নিজের শেষ টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন। ঋদ্ধি ইঞ্জিনিয়ারের রেকর্ড টপকালেন। তবে ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বয়সের উইকেটকিপার হিসেবে টেস্ট খেলার রেকর্ডটি দখলে রয়েছে দত্তরাম হিন্দেলকরের। তিনি শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ৩৭ বছর ২৩১ দিন। এই সিরিজের পর ঋদ্ধিমান যদি অবসর নেন, তাহলে দত্তরাম হিন্দেলকরের রেকর্ডটিও অক্ষত থাকবে। অবসর না নিলেও ঋদ্ধির দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাওয়া কঠিন।/p

নভেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs NZ Test : শ্রেয়স আয়ারের অভিষেকে সেঞ্চুরি সত্ত্বেও কেন চাপে ভারত?

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে ভারতকে বড় রানের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন শ্রেয়স আইয়ার ও রবীন্দ্র জাদেজা। কিন্ত দ্বিতীয় দিন লাঞ্চের পর ৩৪৫ রানে শেষ হয়ে যায় ভারতের ইনিংস। ভারতকে চাপে ফেলে ম্যাচের রাশ শক্ত হাতে ধরল বিশ্বের ১ নম্বর টেস্ট দল তথা টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নিউজিল্যান্ড। শ্রেয়স আয়ারের টেস্ট অভিষেকে সেঞ্চুরি সত্ত্বেও নিউজিল্যান্ডকে ম্যাচে ফেরালেন টিম সাউদি। আর ভারতকে চাপে ফেলার দুই কারিগর টম লাথাম ও উইল ইয়ং।আগের দিনের ৪ উইকেটে ২৫৮ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে ভারত। ৭৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন শ্রেয়স আয়ার। ৫০ রানে ক্রিজে ছিলেন রবীন্দ্র জাদেজা। লাঞ্চের সময় ভারতের রান ছিল ৩৩৯/৮। এদিন কোনও রান না করেই আউট হন রবীন্দ্র জাদেজা। ২৬৬ রানে পঞ্চম উইকেট পড়ার পর ২৮৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় ভারত। ঋদ্ধিমান সাহা ১২ বলে ১ রান করলেন। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে না পারায় নিউজিল্যান্ড সিরিজই ঋদ্ধিমানের শেষ আন্তর্জাতিক সিরিজ হতে চলেছে কিনা সেই জল্পনা জোরালো হলো। ঋদ্ধিমানের পর শ্রেয়স আয়ারকেও আউট করেন সাউদি। ২৬৭ মিনিট ক্রিজে কাটিয়ে ১৭১ বলে ১০৫ রান করেন শ্রেয়স আয়ার। ১৩টি চার ও দুটি ছয় মেরেছেন। ৯৬.১ ওভারে ভারতের সপ্তম উইকেট পড়ে ৩০৫ রানে।৯৯তম ওভারের শেষ বলে অক্ষর প্যাটেল সাউদির পঞ্চম শিকার। তিনি করেন তিন। টিম সাউদি ২৭.৪ ওভারে ৬টি মেডেন-সহ ৬৯ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট নেন। ভারত প্রথম ইনিংসে তোলে ৩৪৫। ভারত শেষ ৬টি উইকেট হারায় ৮৭ রানে।দ্বিতীয় দিনেও পিচে কোনও জুজু ছিল না তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন নিউজিল্যান্ডের ওপেনাররা। দ্বিতীয় দিনের শেষে ভারতের প্রথম ইনিংসে ৩৪৫ রানের জবাবে ৫৭ ওভার খেলে নিউজিল্যান্ড তুলেছে বিনা উইকেটে ১২৯ রান। দিনের শেষে লাথাম ১৬৫ বলে ৫০ রানে অপরাজিত রয়েছেন। উইল ইয়ং অপরাজিত রয়েছেন ১৮০ বলে ৭৫ রান করে। বেশ কিছু দৃষ্টিনন্দন ড্রাইভ শট দেখা গিয়েছে ইয়ংয়ের ব্যাট থেকে। স্যুইপের সঙ্গে লেগ ফ্লিক মেরে স্পিনারদের সামলেছেন লাথাম।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs NZ Test : অভিষেকেই দুরন্ত ব্যাটিং, বৃত্ত সম্পূর্ণ হল শ্রেয়স আয়ারের

২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়া সিরিজে প্রথম ভারতীয় টেস্ট দলে ডাক পেয়েছিলেন শ্রেয়স আয়ার। বিরাট কোহলি না থাকায় তাঁর পরিবর্তে শ্রেয়সকে দলে রেখেছিলেন নির্বাচকরা। সেই সিরিজে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন অজিঙ্কা রাহানে। যদিও টেস্ট অভিষেক হয়নি শ্রেয়সের। এবারও বিরাট কোহলি বিশ্রাম নেওয়ায় সুযোগ পেয়েছেন শ্রেয়স। নেতা সেই অজিঙ্কা রাহানে। তবে এবার আর রিজার্ভ বেঞ্চে বসে থাকতে হয়নি শ্রেয়সকে। সুযোগ পেয়েই অভিষেক টেস্টে দুরন্ত অর্ধশতরান। তাঁর দুরন্ত অর্ধ শতরানের সুবাদে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম দিনের শেষে ভাল জায়গায় ভারত।কানপুরের উইকেট বরাবরই স্পিন সহায়ক। চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করা কঠিন হবে। এই কথা মাথায় রেখে টস জিতে ভারত এদিন প্ৰথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। অজিঙ্কা রাহানের লক্ষ্য ছিল প্রথম ইনিংসে বড় রান তুলে নিউজিল্যান্ডকে চাপে ফেলা। সেই লক্ষ্যের পথে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে ভারত। এদিন প্রথম সেশনে একটি, দ্বিতীয় সেশনে তিনটি উইকেট পড়লেও, তৃতীয় সেশনের পর আর কোনও উইকেট হারায়নি ভারতীয় দল। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগে ভারতের স্কোর ছিল ২৯ ওভারে ১ উইকেটে ৮২।ভারত এদিন প্রথমে হারায় ময়াঙ্ক আগরওয়ালের উইকেটে । ১৩ রান করে কাইল জেমিসনের বলে তিনি কট বিহাইন্ড হন। লাঞ্চের পর প্রথম ওভারের শেষ বলে শুভমান গিলকে বোল্ড করেন জেমিসন। ৯৩ বলে ৫২ রান করেন গিল। নিজস্ব ভঙ্গীতে ২ ঘণ্টার বেশি ক্রিজে থেকে ৮৮ বল খেলে ২৬ রানে টিম সাউদির ওভারে কট বিহাইন্ড হন চেতেশ্বর পূজারা। ১০৬ রানে ভারত যখন তিন উইকেট হারিয়েছে তখন ব্যাট করতে নামেন শ্রেয়স। তিনি ও রাহানে দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অজিঙ্ক রাহানে ৬৩ বলে ৩৫ রান করার পর কাট শট মারতে গেলে বল তাঁর ব্যাটে লেগে উইকেট ভেঙে দেয়। রাহানে জেমিসনের তৃতীয় শিকার।রাহানে ফিরে যাওয়ার পর রবীন্দ্র জাদেজা ও শ্রেয়স আয়ার দলকে টেনে নিয়ে যান। এই দুই ব্যাটারের দুরন্ত অর্ধ শতরান দলকে মজবুত জায়গায় পৌঁছে দেয়। প্রথম দিনে আলোর অভাবে খেলা বন্ধের সময় ভারতের স্কোর ৪ উইকেটে ২৫৮ রান। সাতটি চার ও দুটি ছয়ের সাহায্যে ১৩৬ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত শ্রেয়স আইয়ার। ১০০ বলে ৫০ রানে ক্রিজে রবীন্দ্র জাদেজা। তাঁদের অবিচ্ছেদ্য পঞ্চম উইকেট জুটিতে উঠেছে ১১৩ রান। অভিষেক টেস্টে শতরানের দিকে এগোচ্ছেন শ্রেয়স আইয়ার, দরকার আর ২৫। রবীন্দ্র জাদেজা এদিন কেরিয়ারের ১৭তম অর্ধশতরান পূর্ণ করেছেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে নটিংহ্যামে প্রথম টেস্টে ৫৬ রান করার পর এদিন ফের টেস্ট হাফ সেঞ্চুরি পেলেন জাদেজা।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Indian Cricket: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের আগেই বড় ধাক্কা ভারতের, ছিটকে গেলেন এই তারকা

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের শেষ ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল ওপেনার লোকেশ রাহুলকে। এরপরই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র থেকে জানা যায়, টেস্ট সিরিজের জন্য সূর্য্কুমার যাদবকে দলে ডাকা হয়েছে। তখনই ইঙ্গিতটা ছিল। হয়তো কোনও ক্রিকেটারের চোটের জন্য সূর্যকে দলে ডাকা হচ্ছে। সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। চোটের প্রথম টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন লোকেশ রাহুল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এখবর জানানো হয়েছে। শুধু প্রথম টেস্ট নয়, সম্ভবত দ্বিতীয় টেস্টেও তিনি খেলতে পারবেন না। লোকেশ রাহুলের ছিটকে যাওয়াটা ভারতীয় দলের কাছে বড় ধাক্কা।জয়পুরে পৌঁছনোর পর সোমবার অনুশীলনে নেমে পড়ে ভারতীয় ক্রিকেট দল। প্র্যাক্টিসে লোকেশ রাহুলকে দেখা যায়নি। মনে করা হচ্ছিল, টি২০ সিরিজ খেলে ক্লান্ত থাকায় হয়তো অনুশীলনে আসেননি। কিন্তু মঙ্গলবারও অনুশীলনে গরহাজির ছিলেন রাহুল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এক কর্তা সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, লোকেশ রাহুল প্রথম টেস্টে খেলতে পারবে না। ওর চোট রয়েছে। লোকেশ রাহুলের পরিবর্তে সূর্য্কুমার যাদবকে দলে নেওয়া হয়েছে। তবে সূত্রের খবর, শুধু কানপুর নয়, মুম্বইয়ে দ্বিতীয় টেস্টেও খেলতে পারবেন না লোকেশ রাহুল। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে অবশ্য লোকেশ রাহুলের কোথায় ছোট রয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সংবাদমাধ্যমের খবর, তাঁর বাম উরুর পেশীতে টান ধরেছে৷ সেই কারনেই তাঁকে বাদ পড়তে হল৷ আপাতত তিনি জাতীয় ক্রিকেট একাডেমিতে রিহ্যাব করবেন। লোকেশ রাহুল ছিটকে যাওয়ায় সমস্যায় পড়তে হবে ভারতকে। কারণ ব্যাটিং শক্তি অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়বে। প্রথম টেস্ট থেকে আগেই বিশ্রাম নিয়েছেন বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা। চোটের জন্য এবার ছিটকে গেলেন লোকেশ রাহুল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেক্ষেত্রে মায়াঙ্ক আগরওয়ালের সঙ্গে শুভমান গিল ওপেন করবেন। সূর্য্কুমারের টেস্ট অভিষেক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সূর্য্কুমারের টেস্ট অভিষেক হলে তিনি কোহলির জায়গায় ৪ নম্বরে ব্যাট করতে নামবেন।

নভেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌‌কিউয়িদের হোয়াইট ওয়াশ করে বিশ্বকাপের ক্ষতে প্রলেপ ভারতের

জয়পুর ও রাঁচিতে পরপর দুটি একদিনের ম্যাচ জিতে সিরিজ আগেই দখল করে নিয়েছিল ভারত। ইডেনে নিয়মরক্ষার ম্যাচে ছিল নিউজিল্যান্ডকে হোয়াইট ওয়াশ করার হাতছানি। লক্ষ্যে সফল রোহিত ব্রিগেড। সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ৭৩ রানে জিতে কিউয়িদের হোয়াইট করার পাশাপশি বিশ্বকাপের পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিল ভারত। ইডেনে আবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠলেন রোহিত শর্মা।টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত। লোকেশ রাহুল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে বিশ্রাম দিয়ে ভারত এই ম্যাচে প্রথম একাদশে নিয়ে আসে ঈশান কিষাণ ও যুজবেন্দ্র চাহালকে। ওপেন করতে নেমে আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন রোহিত ও কিষাণ। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৬৯ রান। ১১ ওভারে ভারতের ১০০ রান পূর্ণ হয়। ১৭.৩ বলে হয় দেড়শো। সপ্তম ওভারে ওপেনিং জুটি ভাঙেন মিচেল স্যান্টনার। এই ওভারের দ্বিতীয় বলে ঈশান কিষাণ কট বিহাইন্ড হন। ৬টি চারের সাহায্যে তিনি করেন ২১ বলে ২৯। একই ওভারে সূর্যকুমার যাদব শূন্য রান করে আউট হন। নবম ওভারের শেষ বলে উইকেট ছুড়ে দিয়ে আসেন ঋষভ পন্থ। ৬ বলে ৪ রান করে তিনিও স্যান্টনারের শিকার। ভারতের তৃতীয় উইকেটটি পড়ে ৮৩ রানে।১১.২ ওভারে রোহিত শর্মাকে (৩১ বলে ৫৬) নিজের বলেই দুরন্ত ক্যাচে ফেরান ইশ সোধি। এরপর শ্রেয়স আইয়ার ও ভেঙ্কটেশ আইয়ার দলের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। ১৫.৫ ওভারে ভেঙ্কটেশ ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হন দলের ১৩৯ রানের মাথায়। একটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে তিনি ১৫ বলে ২০ রান করে ফেরেন। শ্রেয়সকে আউট করেন অ্যাডাম মিলনে। ২০ বলে ২৫ রান করেন তিনি। ১৮.৩ ওভারে হর্ষল প্যাটেল লকি ফার্গুসনের বলে হিট উইকেট হন। হর্ষল এদিন ২টি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে করলেন ১১ বলে ১৮। ২০ ওভারে ভারত তোলে ১৮৪/৭।এমনিতেই সিরিজ খুঁইয়ে মনোবল ভেঙে পড়েছিল নিউজিল্যান্ডের। তার ওপর বিশাল রানের চাপ নিতে পারেনি। রোহিত এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট নিয়ে দেখে নিতে চেয়েছিলেন বোলাররা কতটা শিশিরের চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন। অক্ষর প্যাটেল, হর্ষল প্যাটেলরা হতাশ করেননি ক্যাপ্টেনকে। অক্ষরের দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ে কিউয়ি ব্যাটংয়ের মেরুদন্ড। ৩ ওভারে ৯ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি। ২৬ রানে ২ উইকেট নেন হর্ষল প্যাটেল। ১৭.২ ওভারে মাত্র ১১১ রানে গুটিয়ে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস। কিছুটা লড়াই করেন মার্টিন গাপটিল। ৩৬ বলে ৫১ রান করেন তিনি।

নভেম্বর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌ইডেনে দ্রাবিড়, টিকিটের হাহাকার, কলোবাজারি তুঙ্গে

রোহিত শর্মার পয়া মাঠ ইডেন। ক্রিকেটের নন্দনকানন কখনও খালি হাতে ফেরায়নি তঁাকে। একদিনের ক্রিকেটে মহাকাব্যিক ২৬৪ রানের ইনিংসও সেই ইডেনে। রবিবার এই প্রিয় ইডেনেই নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজ ৩০ করার লক্ষ্যে মাঠে নামছে রোহিতের ভারত। জয়পুর ও রাঁচিতে পরপর দুটি ম্যাচ জিতে সিরিজ ইতিমধ্যেই পকেটে ভরে ফেলেছে ভারত। তৃতীয় ম্যাচে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করতে চায় ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে তা ভারসাম্যের কথা মাথায় রেখেই। কারণ হোয়াইট ওয়াশের কথাটা মাথায় রাখতে হচ্ছে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টকে। কিউয়িদের বিরুদ্ধে ৩০ ব্যবধানে জিতলে তবেই টি২০ বিশ্বকাপের ক্ষত কিছুটা হলেও নিরাময় হবে। রাঁচিতে ম্যাচ খেলে শনিবার দুই দলই কলকাতা পৌঁছনোর অনুশীলনের কোনও ব্যাপার ছিল না। তবে হোটেলে পৌঁছেই ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরকে সঙ্গে নিয়ে ইডেনে চলে এসেছিলেন হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড়। উইকেট দেখে যান। কথা বলেন ইডেনের পিচ কিউরেটর সুজন মুখার্জির সঙ্গে। ইডেনের বাইশ গজ, মাঠে কেমন শিশির পড়ছে, এসব বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেন। ইডেনের উইকেট দেখে খুশি ভারতীয় দলের হেড কোচ। সিরিজ আগেই জিতে যাওয়ায় ইডেনে শেষ ম্যাচে নতুনদের দেখে নেওয়ার পরিকল্পনা ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের। ওপেনিংয়ে লোকেশ রাহুলকে বিশ্রাম দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেক্ষেত্রে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের অভিষেক হতে পারে। ভুবনেশ্বর কুমার কিংবা দীপক চাহারের পরিবর্তে আবেশ খানকে খেলানো হতে পারে। প্রথম একাদশে ঢুকতে পারেন যুজবেন্দ্র চাহাল। অক্ষর প্যাটেলকে বসানো হতে পারে। ঋষভ পন্থের জায়গায় ঈশান কিষাণের খেলার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে ভারসাম্যের কথাও মাথায় রাখতে হচ্ছে ভারতীয় টিইম ম্যানেজমেন্টকে।সিরিজের ফয়সালা হয়ে গেলেও টিকিট নিয়ে হাহাকার। করোনার জন্য পুলিশ ৭০ শতাংশ দর্শক মাঠে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছে। কাউন্টার থেকে কোনও টিকিট বিক্রি হয়নি। যা টিকিট বিক্রি করা হয়েছে, সবই অনলাইনে। ফলে টিকিটের চাহিদা আরও বেড়েছে। ময়দানে কালোবাজারে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। ৬৫০ টাকার টিকিট দেড়হাজারে। দেড় হাজার টাকার টিকিট ২৫০০ টাকায়। এমনকি মেম্বারশিপ, কমপ্লিমেন্টারি টিকিটও কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে। কালোবাজারির দায়ে এদিন সাতজনকে আটক করেছে ময়দান থানার পুলিশ।

নভেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IND vs NZ T20 : বিশ্বকাপের ব্যর্থতা কটিয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয় ভারতের

দায়িত্ব পেয়েই প্রথম টি২০ সিরিজেই রোহিত শর্মারাহুল দ্রাবিড় জুটির কামাল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়পুরে জয় এসেছিল। শুক্রবার রাঁচিতে কিউয়িদের ৭ উইকেটে উড়িয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই টি২০ সিরিজ জিতে নিল ভারত। দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নেমে প্রথম ম্যাচেই চমক দেখালেন হর্শল প্যাটেল। ডেথ ওভারে দুরন্ত বোলিং এই জোরে বোলারের। ব্যাট হাতে আবার জ্বলে উঠলেন রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় ম্যাচেও টস ভাগ্য সহায় ছিল রোহিত শর্মার। টসে জিতে কিউয়িদের ব্যাট করতে পাঠান। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন মার্টিন গাপটিল। তাঁকে যোগ্য সঙ্গত দেন ড্যারিল মিচেল। ভুবনেশ্বর কুমারের প্রথম ওভারেই ১৪ রান নেন গাপটিল। দীপক চাহারের দ্বিতীয় ওভারে ১০ রান নেন ড্যারিল মিচেল। পরের ওভারে অক্ষর প্যাটেল কিছুটা কৃপণ বোলিং করলেও চতুর্থ ওভারে ভুবনেশ্বর ১৪ রান দেন। ক্রমশ বিধ্বংসী হয়ে উঠছিলেন মার্টিন গাপটিল। পঞ্চম ওভারে ভারতকে ব্রেক থ্রু এনে দেন দীপক চাহার। ১৫ বলে ৩১ রান করে তাঁর বলে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দেন গাপটিল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান চ্যাপম্যান ও মিচেল। ১৭ বলে ২১ রান করে অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হন চ্যাপম্যান। অভিষেক ম্যাচেই ড্যারিল মিচেলে (২৮ বলে ৩১) তুলে নিয়ে দেশের হয়ে প্রথম উইকেট সংগ্রহ করেন হর্ষল প্যাটেল। মিচেল যখন আউট হন, নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১১.২ ওভারে ৯০/৩। এই সময় মনে হচ্ছিল ১৭০১৮০ কাছাকাছি রান তুলে ফেলবে নিউজিল্যান্ড। কিন্তু রবিচন্দ্রন অশ্বিল, ডেথ ওভারে হর্ষল প্যাটেলের দুরন্ত বোলিংয়ে ২০ ওভারে ১৫৩/৬ রানে আটকে যায় নিউজিল্যান্ড। পরের দিইলে গ্লেন ফিলিপ ২১ বলে ৩৪ রান করেন। ভারতের হয়ে হর্ষল প্যাটেল ২৫ রানে ২টি, অশ্বিন ১৯ রানে ১টি উইকেট পান। ভুবনেশ্বর কুমার, দীপক চাহার, অক্ষর প্যাটেলও ১টি করে উইকেট নেন। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতেই ওঠে ১১৭। লোকেশ ও রোহিতই ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দেন। ১৪ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে লোকেশ রাহুলকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন টিম সাউদি। ৬টি ৪ ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ৪৯ বলে ৬৫ রান করে আউট হন লোকেশ রাহুল। ১৬ তম ওভারে রোহিতকেও তুলে নেন সাউদি। ৩৬ বলে ৫৫ রান করে আউট হন রোহিত। তিনি ১টি ৪ ও ৫টি ৬ মারেন। সূর্যকুমার যাদব ১ রান করে সাউদির বলে বোল্ড হন। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নামা বেঙ্কটেশ আয়ার ১১ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭.২ ওভারে ১৫৫/৩ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। পরপর দুম্যাচ জিতে নেওয়ায় ইডেনের শেষ ম্যাচ কার্যত নিয়মরক্ষার হয়ে দাঁড়াল।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : অভিষেকে বাজিমাত রো-রা জুটির, ৫ উইকেটে জয় ভারতের

অধিনায়ক হিসেবে দারুন শুরু রোহিত শর্মার। সিনিয়র দলের হেড স্যার হিসেবে দুর্দান্ত অভিষেক রাহুল দ্রাবিড়ের। প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত রো-রা জুটির। নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি২০ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ভারত।চোটের জন্য ডেভন কনওয়ে আগেই সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। টেস্ট সিরিজের কথা মাথায় রেখে টি২০ সিরিজ থেকে বিশ্রাম নিয়েছেন। তা সত্ত্বেও জয়পুরে সিরিজের প্রথম টি২০ ম্যাচে ভারতের বিরুদ্ধে শক্ত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় নিউজিল্যান্ড। সেই চ্যালেঞ্জ অবশ্য অবলীলায় অতিক্রম করে গেল ভারত। টস জিতে কিউয়িদের প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ভারতের অধিনায়ক রোহিত শর্মা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের তৃতীয় বলে ড্যারিল মিচেলকে শূন্য রানে তুলে নেন ভুবনেশ্বর কুমার। এরপর ব্যাট হাতে দাপট দেখাতে শুরু করেন মার্টিন গাপটিল ও মার্ক চ্যাপম্যান। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ১০৯ রান। গাপটিল ও চ্যাপমানের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েন মহম্মদ সিরাজ, রাহুল চাহার, অক্ষর প্যাটেলরা। অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিন কিউয়ি ব্যাটসম্যানদের কিছুটা আটকে রাখার চেষ্টা করেন। চতুর্দশ ওভারের দ্বিতীয় বলে মার্ক চ্যাপম্যানকে বোল্ড করেন অশ্বিন। ৫০ বলে ৬৩ রান করে চ্যাপম্যান আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি ৪ এবং ২টি ৬। একই ওভারে গ্লেন ফিলিপকে (০) তুলে নেন অশ্বিন। ডিআরএস নিয়েও তিনি বাঁচতে পারেননি। ১১০ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মার্টিন গাপটিল। বাইশ গজে ঝড় তুলে শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৭০ রান করে আউট হন তিনি। সপ্তদশ ওভারে দীপক চাহারের দ্বিতীয় বলে শ্রেয়স আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। নিউজিল্যান্ডের রান তখন ১৫০। পরের ওভারেই ফিরে যান সেইফার্ট (১১ বলে ১২)। তাঁকে ফেরান ভুবনেশ্বর কুমার। ইনিংসের শেষ ওভারে মহম্মদ সিরাজের বলে আউট হন রাচিন রবীন্দ্র (৮ বলে ৭)। শেষদিকে একের পর উইকেট হারানোয় ১৬৪/৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ভারতের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার ২৪ রানে ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ২৩ রানে ২টি করে উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৬৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুন শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ওপেনিং জুটিতে ৫ ওভারে ওঠে ৫০। এরপরই জুটি ভাঙে। ১৪ বলে ১৫ রান করে মিচেল স্যান্টনারের বলে চ্যাপমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লোকেশ রাহুল। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান রোহিত শর্মা ও সূর্য্কুমার যাদব। মাত্র ২ রানের জন্য হাফ সেঞ্চুরি হাতছাড়া করেন রোহিত। ৩৬ বলে ৪৮ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হন তিনি।তিন নম্বরে ব্যাট করার সুযোগ পেয়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরলেন সূর্য্কুমার। ঋষভ পন্থকে সঙ্গে নিয়ে দলকে জয়ের লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান তিনি। ৪০ বলে ৬২ রান করে ট্রেন্ট বোল্টের বলে আউট হন সূর্য্কুমার। ৬টি ৪ ও ৩টি ৬ মারেন তিনি। সূর্য্কুমার আউট হওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ভারত। শেষ ওভারে ভারতের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১০ রান। ২ বল বাকি থাকতে ১৬৬/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : প্রতিশোধের স্বপ্ন চূরমার, নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে প্রথম টি২০ বিশ্বজয় অস্ট্রেলিয়ার

২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ফাইনালে হেরে একদিনের বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের। এবছর টি২০ বিশ্বকাপে প্রতিশোধ নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। প্রতিশোধ নিতে ব্যর্থ কিউয়িরা। ৭ বল বাকি থাকতে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উড়িয়ে প্রথমবারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ ঘরে তুলল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের নায়ক মিচেল মার্শ। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।সেমিফাইনালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতেও সেই একই সিদ্ধান্ত। সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার ড্যারিল মিচেল ও মার্টিন গাপটিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে জস হ্যাজেলউড তুলে নেন ড্যারিল মিচেলকে। ৮ বলে ১১ রান করে তিনি ম্যাথু ওয়েডের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। শুরুতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান মার্টিন গাপটিল ও অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন।১০ ওভারে কিউয়িরা তোলে ৫৭/১। একাদশতম ওভারে মিচেল স্টার্কের বলে ১৯ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। পরের ওভারের প্রথম বলে অ্যাডাম জাম্পাকে ছয় মারতে গিয়ে মার্কাস স্টয়নিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন গাপটিল। ৩৫ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর গ্লেন ফিলিপকে সঙ্গে নিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান উইলিয়ামসন। জুটিতে ওঠে ৬৮। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে পরপর দুটি ৬ মেরে ৩৩ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন উইলিয়ামসন। ১৭ তম ওভারের দ্বিতীয় বলে গ্লেন ফিলিপকে তুলে নেন জস হ্যাজেলউড। ১৭ বলে ১৮ রান করেন তিনি। একই ওভারের পঞ্চম বলে আউট হন কেন উইলিয়ামসন। ৪৮ বলে ৮৫ রান করেন তিনি। উইলিয়ামসনের ইনিংসে রয়েছে ১০টি ৪ ও ৩টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭২ তোলে নিউজিল্যান্ড। ৭ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জিমি নিশাম। দুর্দান্ত বল করেন জস হ্যাজেলউড। ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রানে ৩ উইকেট তুলে নেন তিনি।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে আউট হন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। ট্রেন্ট বোল্টের বলে ড্যারিল মিচেলের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ৭ বলে ৫ রান করেন ফিঞ্চ। এরপর জ্বলে ওঠেন ডেভিড ওয়ার্নার। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও তিনি ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৩৮ বলে ৫৩ রান করে বোল্টের বলে বোল্ড হন ওয়ার্নার। তিনি মারেন চারটি ৪ ও ৩টি ৬। ওয়ার্নার ফিরে গেলেও চাপে পড়েনি অস্ট্রেলিয়া। কিউয়ি বোলারদের ওপর নিরঙ্কুশ প্রভাব বিস্তার করেন মিচেল মার্শ। তাঁর দাপটে ইশ সোধি, টিম সাউদিরা দিশা খুঁজে পাননি। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ১৮.৫ ওভারে ১৭৩/২ রান তুলে প্রথম বারের মতো টি২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া। ৫০ বলে ৭৭ রান করে অপরাজিত থাকেন মিচেল মার্শ। তিনি মারেন ৬টি ৪ ও ৪টি ৬। ১৮ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাক্সওয়েল। ট্রেন্ট বোল্ট ১৮ রানে ২ উইকেট নেন।

নভেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ফাইনালে কারা এগিয়ে?‌ কনওয়ের না থাকা বড় ধাক্কা নিউজিল্যান্ডের

টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে নিউজিল্যান্ড। অন্যদিকে পাকিস্তানকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। দুটি সেরা দল যে ফাইনালে মুখোমুখি হতে চলেছে, সে ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।এখন প্রশ্ন হল ফাইনালে এগিয়ে কোন দল? সত্যি কথা বলতে কী এই ধরণের ম্যাচে বিশেষ কোনও দলকে এগিয়ে রাখা বোকামি। একেই খেলাটার নাম ক্রিকেট। তার ওপর টি২০ ফর্ম্যাট। এই ফর্ম্যাটে ভবিষ্যতবানী করা খুবই কঠিন। টি২০ ক্রিকেটে টস জেতাটা অনেক সময় বড় ফ্যাক্টর হয়ে যায়। যেটা চলতি বিশ্বকাপের প্রায় সব ম্যাচেই দেখা গেছে। সুতরাং আমার মনে হয় না ফাইনালেও এর ব্যতিক্রম হতে পারে।ফাইনালে মুখোমুখি দুটি দল এর আগে কখনও টি২০ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়নি। ফলে অস্ট্রেলিয়া যেমন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মুখিয়ে, তেমনই নিউজিল্যান্ডও মুখিয়ে থাকবে। ২০১০ সালের টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেই পরাজয়ের পর আবার টি২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে অসিরা। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ড এই প্রথমবার। ফলে এবারের বিশ্বকাপ উপহার দেবে নতুন চ্যাম্পিয়নকে। নিউজিল্যান্ড ২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের ফাইনালে হেরেছিল। এইবছর আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়েছে। আইসিসি ইভেন্টে টানা তিনটি ফাইনাল খেলতে চলেছে। ফলে মানসিকভাবে ড়িউজিল্যান্ড কিন্তু এগিয়ে থেকে মাঠে নামবে।আইসিসির প্রতিযোগিতায় অস্ট্রেলিয়া কিন্তু বড় শক্তি। ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে ওরা অনেক এগিয়ে। এই বিশ্বকাপের প্রথম থেকে ভাল ক্রিকেট উপহার দিয়েছে। সবথেকে বড় কথা দলে একাধিক ম্যাচ জেতানোর ক্রিকেটার রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ওপেনিং জুটি দারুণ ভয়ঙ্কর। ছন্দে থাকলে ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ জুটি যে কোনও দলের বোলিং শক্তিকে গুঁড়িয়ে দিতে পারে। আইপিএলের ব্যর্থতা কাটিয়ে ওয়ার্নার ছন্দ ফিরে পেয়েছেন। মিডল অর্ডারে রয়েছে স্টিভ স্মিথের মতো ব্যাটসম্যান। বড় ম্যাচের ঘোড়া। ম্যাক্সওয়েলও যে কোনও মুহূর্তে ম্যাচের রং বদলে দিতে পারেন। ম্যাথু ওয়েড সেমিফাইনালে দেখিয়ে দিয়েছেন কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন। বোলিং শক্তিও অসাধারণ। প্যাট কামিন্স, মিচেল স্টার্ক, জস হ্যাজেলউডের মতো জোরে বোলার রয়েছে। অ্যাডাম জাম্পার মতো স্পিনার যে কোনও দলকে বেগ দিতে পারেন।নিউজিল্যান্ডে সেই অর্থে কোনও তারকা নেই। ওদের আসল শক্তি দলগত খেলা। নিউজিল্যান্ড বরাবরই দল হিসেবে খেলে। এই বিশ্বকাপেও সেই একই ধারা অব্যাহত। মার্টিন গাপটিল, ড্যারিল মিচেল ছন্দে থাকলে যে কোনও বোলারের মাথাব্যথা হয়ে উঠতে পারে। কেন উইলিয়ামসন নিঃশব্দে বিপক্ষে খুন করতে পারেন। তবে ফাইনালে ডেভন কনওয়ের খেলতে না পারাটা বড় ধাক্কা। মিডল অর্ডারে বড় শূন্যতা তৈরি হবে। এমনিতেই লকি ফার্গুসন আগেই ছিটকে যাওয়ায় বোলিং কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ডেভিড ওয়ার্নারদের থামানোর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ নিতে হবে ট্রেন্ট বোল্ট, টিম সাউদি, জিমি নিশামদের। দল হিসেবে খেললে নিউজিল্যান্ডকে আটকানো মুশকিল হবে। ভারতপাকিস্তান ম্যাচে যেমন চাপ থাকে, তেমনই অস্ট্রেলিয়ানিউজিল্যান্ড ম্যাচও স্নায়ুচাপের। এটাও অনেকটা ফ্যাক্টর করবে ফাইনালে।

নভেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup : মধুর প্রতিশোধ নিয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড

২০১৯ একদিনের বিশ্বকাপ ফাইনালের হারের মধুর প্রতিশোধ। আবু ধাবিতে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ১ ওভার বাকি থাকতে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড। কিউয়িদের স্মরণীয় জয় এনে দেন ড্যারিল মিচেল। তিনিই ম্যাচের সেরা।টস জিতে এদিন ইংল্যান্ডকে ব্যাট করতে পাঠান নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। চোটের জন্য জেসন রয় খেলতে না পারায় সেমিফাইনালে জস বাটলারের সঙ্গে ইংল্যান্ডের হয়ে ওপেন করতে নামেন জনি বেয়ারস্টো। ১৭ বলে ১৩ রান করে দলের ৩৭ রানের মাথায় আউট হন তিনি। অ্যাডাম মিলনের বলে বেয়ারস্টোর ক্যাচ অসামান্য দক্ষতায় তালুবন্দি করেন কিউয়ি অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ইংল্যান্ডের রান ছিল ১ উইকেটে ৪০। ৭.৩ ওভারে ৫০ রান পূর্ণ হয়। দলের ৫৩ রানের মাথায় আউট হন ইংল্যান্ডের অন্য ওপেনার জস বাটলার। ২৪ বলে ২৯ রান করে তিনি ইশ সোধির বলে এলবিডব্লু হন। তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৬৩ রান যোগ করেন ডেভিড মালান ও মইন আলি। চারটি চার ও একটি ছয়ের সাহায্যে ৩০ বলে ৪১ রান করে আউট হন মালান।মালান ফিরে গেলেও লিভিংস্টোনকে সঙ্গে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান মইন আলি। ১৮ তম ওভারে অ্যাডাম মিলনের বলে ১৬ রান তোলেন মইন ও লিভিংস্টোন। ১৯.২ ওভারে জিমি নিশামের বলে মিচেল স্যান্টনারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লিভিংস্টোন। ১০ বলে তিনি করেন ১৭। টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম অর্ধশতরান করে ৩৭ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন মইন আলি। তিনি মারেন ৩টি ৪ ও ২টি ৬। অধিনায়ক মর্গ্যান ২ বলে ৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রান তোলে ইংল্যান্ড। টিম সাউদি ৪ ওভারে ২৪ রানে ১ উইকেট পান। ট্রেন্ট বোল্ট ৪ ওভারে ৪০ রান দিয়ে কোনও উইকেট পাননি। অ্যাডাম মিলনে, ইশ সোধি ও জিমি নিশাম ১টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নিউজিল্যান্ড। প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই আউট হন মার্টিন গাপটিল (৪)। তাঁকে তুলে নেন ক্রিস ওকস। কেন উইলিয়ামসনও (৫) দ্রুত ফেরেন। তিনিও ওকসের শিকার। ১৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পরে নিউজিল্যান্ড। সেখান থেকে দলকে টেনে নিয়ে যান ড্যারেল মিচেল ও ডেভন কনওয়ে। জুটিতে ওঠে ৯২ রান। ৩৮ বলে ৪৬ রান করে আউট হন কনওয়ে। তাঁকে ফেরান লিয়াম লিভিংস্টোন। জিমি নিশাম ১১ বলে ১৭ রান করে আউট হন। দুর্দান্ত ব্যাট করেন মিচেল। ৪৭ বলে ৭২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে তিনি দলকে জয় এনে দেন। ১৯ ওভারে ১৬৭/৫ তুলে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ১০, ২০২১
দেশ

Covaxin: কোভ্যাকসিন নিয়েও এবার ইংল্যান্ড সফরে অনুমতি

দীর্ঘ টালবাহানার পর ভারত বায়োটেকের তৈরি করোনা টিকা কোভ্যাকসিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এবার এই টিকাকে মান্যতা দিল ব্রিটেন। এবার থেকে কেউ যদি কোভ্যাকসিন নিয়ে থাকেন, তা হলে তিনিও বিনা বাধায় ব্রিটেন সফর করতে পারবেন। ২২ নভেম্বর থেকে ইংল্যান্ড তাঁদের জন্য দরজা খুলে দেবে। এর আগে কোভিশিল্ড নিয়ে ব্রিটেনে প্রবেশের অনুমতি ছিল।ভারতের নিজস্ব টিকা কোভ্যাকসিনের অনুমোদন নিয়ে প্রথম থেকেই নানা জটিলতা তৈরি হয়েছে। বহু কাঠখড় পোড়ানোর পর দীপাবলির আগে আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু এই টিকাকে আপদকালীন ব্যবহারের জন্য মান্যতা দেয়। এরপর থেকেই চিকিৎসরা মনে করছিলেন, কোভ্যাকসিন গ্রহীতাদের জন্যও বিশ্বের দরজা এবার খুলতে শুরু করবে।ব্রিটেন সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, ২২ নভেম্বর থেকে কোভ্যাকসিনকে তারা অনুমোদনের তালিকায় সামিল করছে। প্রসঙ্গত, প্রথমে ব্রিটেন কোভ্যাকসিনে সম্মতি দেয়নি। তবে হু-এর স্বীকৃতিই অবস্থান বদল করাল। টিকার দু ডোজ নেওয়া থাকলেই ভারত, আরব এমিরেটস, মালয়েশিয়া থেকে ব্রিটেনে যাওয়া যাবে। সোমবারই সে দেশের পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১৮ বছরের মধ্যে যাদের বয়স, যারা টিকার সম্পূর্ণ ডোজ় নিয়েছেন। তারা অবতরণের পর কোনও রকম সেলফ আইসোলেশন ছাড়াই ইংল্যান্ডে প্রবেশ করতে পারবে।

নভেম্বর ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পাকিস্তান

সেমিফাইনালের ছাড়পত্র আগেই এসে গিয়েছিল। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ ছিল লিগ টেবিলে শীর্ষে থাকার লড়াই। বিপক্ষকে ৭২ রানে উড়িয়ে ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষ স্থানে শেষ করল পাকিস্তান। সেমিফাইনালে পাকিস্তান খেলবে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে মুখোমুখি ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড।রবিবার স্কটল্ল্যান্ডের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন বাবর আজম ও শোয়েব মালিক। এই দুজনের দাপটে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল স্কটল্যান্ডের বোলাররা। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে ৪টি অর্ধশতরানের মালিক হয়ে গেলেন বাবর। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারীর তালিকায় শীর্ষে পৌঁছলেন। টপকে গেলেন জস বাটলারকে। বাটলার মত রান ২৪০। অন্যদিকে বাবরের সংগ্রহ ২৬৪।স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। শুরুতে সতর্ক ছিলেন দুই পাক ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ান ও বাবর আজম। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ৩৫। সপ্তম ওভারের প্রথম বলেই আউট হন মহম্মদ রিজওয়ান (১৯ বলে ১৫)। ফকর জামান (১৩ বলে ৮) দ্রুত ফিরলেও পাকিস্তানকে টেনে নিয়ে যান বাবর আজম ও মহম্মদ হাফিজ। হাফিজ ক্রিজে এসে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে রান তোলার গতি বাড়ানোর দিকে নজর দেন। ১৯ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। বাবর আজম ৪৭ বলে করেন ৬৬। শেষ দিকে ঝড় তোলেন শোয়েব মালিক। মাত্র ১৮ বলে ৫৪ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১টি চার ও ৬টি ছয়। চলতি টি২০ বিশ্বকাপে দ্রুততম হাফসেঞ্চুরির দিক দিয়ে ছুঁয়ে ফেললেন ভারতের লোকেশ রাহুলকে। ২০ ওভারে পাকিস্তান তোলে ১৮৯/৪।ব্যাট করতে নেমে ২৩ রানে প্রথম উইকেট হারায় স্কটল্যান্ড। কাইল কোয়েটজারকে (৯) তুলে নেন হাসান আলি। এরপর ৫ রান করে রান আউট হন ম্যাথু ক্রস। ৩১ বলে ১৭ রান করে একাদশতম ওভারে শাদাব খানের প্রথম বলে ফিরে যান জর্জ মুনসে। এরপর স্কটল্যান্ডকে টেনে নিয়ে যান ব্যারিংটন ও লিয়াস্ক। ১৪ বলে ১৪ রান করে শাহিন শাহ আফ্রিদির বলে বোল্ড হন লিয়াস্ক। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১৭/৬ তোলে স্কটল্যান্ড। ৩৭ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ব্যারিংটন। শাদাব খান ৪ ওভারে ১৪ রানে ২ উইকেট নেন। ৫ ম্যাচে সব কটি জিতে ১০ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সেমিফাইনালে পৌঁছয় পাকিস্তান। ৮ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে শেষ চারে নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

TWO World Cup : আফগানদের ৮ উইকেটে হারিয়ে ভারতের সেমিফাইনালের স্বপ্ন শেষ করল কিউয়িরা

নিউজিল্যান্ডআফগানিস্তান ম্যাচের দিকেই তাকিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীরা। যদি কোনও ভাবে অঘটন ঘটে। ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রত্যাশা পূরণ হল না। রবিবার আবু ধাবিতে ১১ বল বাকি থাকতে আফগানিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিতীয় দল হিসেবে গ্রুপ ২ থেকে টি২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল নিউজিল্যান্ড। আফগানিস্তানকে কিউয়িরা হারিয়ে দিতেই টি২০ বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল ভারতের। ভারতের সঙ্গে ছিটকে গেল আফগানিস্তানও। নিউজিল্যান্ড জেতায় সোমবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের ম্যাচ হয়ে দাঁড়াল নিয়মরক্ষার।রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচে পাকিস্তান খেলতে নেমেছে স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে। বাবর আজমের দল যদি স্কটল্যান্ডের কাছে না হারে, তাহলে গ্রুপ ২ থেকে নিউজিল্যান্ড সেমিফাইনালে যাবে দ্বিতীয় দল হিসেবে। সেক্ষেত্রে সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ড খেলবে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। আর পাকিস্তান মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়ার।২০১৯ সালে একদিনের বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরেই ছিটকে গিয়েছিল ভারত। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালেও কিউয়িদের কাছেই হারতে হয়েছে বিরাট কোহলির দলকে ভারত। টি২০ বিশ্বকাপ থেকেও বিরাট কোহলিদের ছিটকে দিল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে কেন উইলিয়ামসনদের জয়। টি২০ বিশ্বকাপসহ আইসিসি ট্রফি অধরাই থেকে গেল ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছে।টস জিতে এদিন নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক মহম্মদ নবি। ৮ উইকেটে ১২৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি আফগানরা। ৪৮ বলে সর্বাধিক ৭৩ রান করেন নাজিবুল্লাহ জারদান। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি চার ও ৩টি ছয়। গুলবদিন নঈব ১৫ ও অধিনায়ক মহম্মদ নবি ১৪ রান করেন। ৪ ওভারে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুর্দান্ত বোলিং করে তিনিই ম্যাচের সেরা। টিম সাউদি ৪ ওভারে ২৪ রানে ২ উইকেট নেন। অ্যাডাম মিলনে, জিমি নিশাম, ইশ সোধি ১টি করে উইকেট নেন।ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। দলের ২৬ রানের মাথায় আউট হন ড্যারিল মিচেল (১২ বলে ১৭)। ৮.৫ ওভারের মাথায় আউট হন মার্টিন গাপটিল। ২৩ বলে তিনি করেন ২৮। এরপর দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন কেন উইলিয়ামসন (৪২ বলে ৪০) ও ডেভন কনওয়ে (৩২ বলে ৩৬)। ১৮.১ ওভারে ১২৫/২ তুলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে নিউজিল্যান্ড।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : জিতেও শেষরক্ষা হলে না দক্ষিণ আফ্রিকার, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধ গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠেও শেষরক্ষা হল না দক্ষিণ আফ্রিকার। টি২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ লিগ থেকেই বিদায় নিতে হল প্রোটিয়াদের। শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ১০ রানে হারিয়ে ৮ পয়েন্টে পৌঁছে গেলেও নেট রান রেটের বিচারে ছিটকে যেতে হল তেম্বা বাভুমাদের।শুক্রবার দিনের প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপের অঙ্ক জমিয়ে দিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। চাপ বেড়ে গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকার। সেমিফাইনালে যেতে গেলে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শুধু জিতলেই হত না, নেট রান রেটও অনেকটাই বাড়িয়ে নিতে হত। দক্ষিণ আফ্রিকা জিতলেও নেট রান রেটে টপকে যেতে পারল না অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডকে। তিন দলই শেষ করল ৮ পয়েন্টে। নেট রান রেটে শীর্ষে ইংল্যান্ড (+২.৪৬৪), দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া (+১.২১৬), তৃতীয় স্থান দক্ষিণ আফ্রিকা (+০.৭৩৯)। ইংল্যান্ডও যে খুব একটা স্বস্তিতে ছিল, একথা বলা যাবে না। তাদেরও নেট রান রেটের কথা মাথায় রাখতে হয়েছিল। তাই টস জিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ব্যাট করতে পাঠায়। ব্যাট করতে নেমে তৃতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। রেজা হেনড্রিকসকে (২) তুলে নেন মইন আলি। কুইন্টন ডিকক ও ভ্যান ডার ডুসেন জুটি দলকে টেনে নিয়ে যায়। ২৭ বলে ৩৪ রান করে আদিল রশিদের বলে আউট হন ডিকক। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ৮৬। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ভ্যান ডার ডুসেন ও এইডেন মার্করাম। দুজনেই বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন। ৫টি চার এবং ৬টি ছয়ের সাহায্যে ৬০ বলে ৯৪ রান করে অপরাজিত থাকেন ভ্যান ডার ডুসেন। ২৫ বলে ৫২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন এইডেন মার্করাম। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি চার ও ৪টি ছয়। এই দুজনের দাপটে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ১৮৯ রান তোলে দক্ষিণ আফ্রিকা। ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডও দারুণ জবাব দিতে শুরু করে। ওপেনিং জুটিতে ৪ ওভারে ওঠে ৩৭। এরপরই হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য মাঠ ছাড়েন জেসন রয় (১৫ বলে ২০)। বাটলার (১৫ বলে ২৬), মইন (২৭ বলে ৩৭), মালানরা (২৬ বলে ৩৩) দলকে টেনে নিয়ে যান। লিভিংস্টোন করেন ২৮। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের দরকার ছিল ১৪ রান। কাগিসো রাবাডা পরপর ৩ বলে তুলে নেন মর্গ্যান (১৭), ওকস (০) ও জর্ডনকে (০)। সেখানেই শেষ হয়ে যায় ইংল্যান্ডের জয়ের স্বপ্ন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ইংল্যান্ড ৮ উইকেট হারিয়ে তোলে ১৭৯।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : ‘‌ব্যাগ–পত্তর গুছিয়ে বাড়ি চলে যাব’‌, কেন এমন কথা বললেন রবীন্দ্র জাদেজা?

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম দুটি ম্যাচে পাকিস্তান এবং নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে সেমিফাইনালের রাস্তা কঠিন করে ফেলেছে ভারত। পরপর দুটি ম্যাচে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে নেট রান রেট অনেকটাই বাড়িয়ে নিয়েছেন বিরাট কোহলিরা। যদিও সেমিফাইনালে যাওয়ার রাস্তা মোটেই সুগম নয়। জটিল অঙ্কের ওপর নির্ভর করছে ভারতের সেমিফাইনালের ভাগ্য। রবিবার আফগানিস্তানের কাছে নিউজিল্যান্ড হারলে শেষ চারের ছাড়পত্র মিলবে বিরাট কোহলিদের। কারণ নেট রান রেটে আফগানিস্তানের থেকে এগিয়ে ভারত। আর নিউজিল্যান্ড জিতলে কোনও সম্ভাবনাই থাকবে না। ভারত কি শেষ পর্যন্ত পাবে সেমিফাইনালের টিকিট? স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে ম্যাচের সেরা রবীন্দ্র জাদেজার কাছে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছিল, আফগানিস্তানের কাছে নিউজিল্যান্ড হারলে ভারতের সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ এসে যাবে। আর নিউজিল্যান্ডের কাছে আফগানিস্তান হারলে কী করবেন? হাসতে হাসতে রবীন্দ্র জাদেজা উত্তর দেন, আবার ব্যাগপত্তর গুছিয়ে বাড়ি চলে যাব। এছাড়া আর কী করব। রবীন্দ্র জাদেজার এই জবাব সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ ভাইরাল হয়েছে। নেটিজেনরাও যথেষ্ট মজা পেয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার কথা শুনে। পরপর দুটি ম্যাচে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে গ্রুপে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। ৪ ম্যাচে কোহলিদের পয়েন্ট ৪। ৬ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে নিউজিইল্যান্ড। ৪ পয়েন্ট আফগানিস্তানের। নেট রান রেটে তারা ভারতের থেকে পিছিয়ে রয়েছে। পরপর দুটি ম্যাচে আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে নেট রান রেটে নিউজিল্যান্ড ও আফগানিস্তানকে অনেকটাই পেছনে ফেলেছে ভারত। তবে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড জিতলে ভারতের সব প্রয়াস ব্যর্থ হয়ে যাবে। তবে এখনও আশা ছাড়ছে না ভারতীয় শিবির। যতই হোক ক্রিকেট মহান অনিশ্চয়তার খেলা। কখন অঘটন ঘটে যায়, কেউ বলতে পারবে না। সেই অঘটনের আশায় বসে আছে ভারতীয় শিবির। স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে মজা করছিলেন মহম্মদ সামি, যশপ্রীত বুমরাআ, রবীন্দ্র জাদেজারা। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনেও জাদেজার সেই কৌতুক। জাদেজার স্পিনের সামনে দঁাড়াতেই পারেনি স্কটল্যান্ড। দুবাইয়ের আবু জায়েদ স্টেডিয়ামের বাইশ গজের সুবিধা দারুণ কাজে লাগিয়েছিলেন ভারতীয় বোলাররা। ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে স্কটল্যান্ডের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনিই ম্যাচের সেরা নির্বাচিত হন। ম্যাচের পর জাদেজা বলেন, দুবাইয়ের উইকেটে বোলিং দারুণ উপভোগ করেছি। বল যথেষ্ট ঘুরছিল। ব্যারিংটনের উইকেটটাই আমার কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। আমরা এইভাবে খেললে কোনও দলই হারাতে পারবে না।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal