• ৪ আশ্বিন ১৪৩৩, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

LIC

রাজ্য

করোনা পরিস্থিতিতে মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক? কী চায় জনতা

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক আদৌ হবে কি না, সে নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি রাজ্য। কারণ, কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করলেও পরীক্ষা না নেওয়ার সুপারিশ করেছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। করোনা পরিস্থিতিতে হওয়া উচিত দুই বড় পরীক্ষা? সে বিষয়ে এবার রাজ্যবাসীর মতামত চাইল রাজ্য। খোদ মুখ্যমন্ত্রীও টুইটে সকলের মত জানতে চেয়েছেন। যদিও রাজ্যের সিদ্ধান্তে খুশি নয় শিক্ষক সংগঠন। তাঁদের কথায়, ইচ্ছে করেই তাঁদের মতামত বাদ দিয়ে অভিভাবকদের মত জানতে চাওয়া হয়েছে।রবিবার রাজ্য সরকারের শিক্ষাদপ্তরের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সেখানে বিশেষজ্ঞ কমিটি কোন কোন বিষয় খতিয়ে দেখেছে তা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বলা হয়েছে, এই দুই পরীক্ষা নিয়ে এবার রাজ্যবাসীর মতামত নেবে সরকার। তিনটি মেল আইডি দেওয়া হয়েছে ( pbssm.spo@gmail.com, commissionerschooleducation@gmail.com, ও wbssed@gmail.com)। সোমবার দুপুর ২ টোর মধ্যে পরীক্ষার্থী, অভিভাবক-সহ যে কোনও সাধারণ মানুষ পরীক্ষা সংক্রান্ত মতামত জানাতে পারবেন সেখানে।বেশ কিছুদিন আগেই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের সম্ভাব্য সময় জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। গত সপ্তাহে দিনক্ষণ ঘোষণার কথা থাকলেও তা হয়নি। করোনা পরিস্থিতিতে আদৌ পরীক্ষা নেওয়া যাবে কি না, পরীক্ষা নিলে কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে এই বিষয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। দফায় দফায় বৈঠকের পর কমিটির তিন সদস্য একটি রিপোর্ট তৈরি করেন। সেখানে পরীক্ষা নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ বলে তাঁরা জানিয়েছেন, এমনটাই খবর। পাশাপাশি, পরীক্ষা না নিয়ে কীভাবে মার্কশিট তৈরি করা হবে, সে বিষয়ও জানিয়েছিলেন ওই কমিটার সদস্যরা। বলেছিলেন, যেহেতু ইতিমধ্যেই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের প্রজেক্টের ১০ নম্বর জমা পড়ে গিয়েছে পর্ষদে। তাই বাকি নবম শ্রেণির রেজাল্টের ভিত্তিতে এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ফাইনাল মার্কশিট তৈরির পরামর্শ দেওয়া হবে। উচ্চমাধ্যমিকের ক্ষেত্রেও প্রজেক্ট জমা পড়ে গিয়েছে সংসদে। যেহেতু চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা করোনার জেরে একাদশের পরীক্ষাও দিতে পারেনি, সেই কারণে তাদের জন্য হোম অ্যাসাইনমেন্ট অর্থাৎ বাড়ি বসেই যদি আরও কোনও প্রজেক্ট করানো যায়, তার ভিত্তিতে মার্কশিট তৈরি করা যেতে পারে।

জুন ০৬, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্যে প্রশাসনিক ও পুলিশে রদবদল

রাজ্যে জেলাশাসক স্তরে এদিস ফের রদবদল হলো। বীরভূম জেলার নতুন জেলাশাসক হলেন বিধানচন্দ্র রায়। তিনি খাদ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব ছিলেন। এখনকার জেলাশাসক ডিপি কারানাম ক্ষুদ্র ও কুটীর শিল্প দপ্তরের অধিকর্তা হলেন। এই দায়িত্বে ছিলেন নিখিল নির্মল। তাঁকে বস্ত্র অধিকর্তা করা হলো। হাওড়া পুরসভার কমিশনার অভিষেক তিওয়ারিকে স্বাস্থ্য দপ্তরের যুগ্ম সচিব করা হলো। তাঁর জায়গায় এলেন দাভাল জৈন। তাঁকে হাওড়া জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসকের দায়িত্বও দেওয়া হলো। বুধবার এই সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কর্মীবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দপ্তর।এদিন আইপিএস স্তরেও বেশ কিছু রদবদল হয়েছে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার দেবেন্দ্র প্রকাশ সিং আইজি, উত্তরবঙ্গ হলেন। এই পদে ছিলেন আইপিএস বিশাল গর্গ। তাঁকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত নগরপাল করা হলো। কম্পালসারি ওয়েটিংএ থাকা আইপিএস শ্রীহরি পাণ্ডেকে ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের নর্থ জোনের ডিসি করা হলো। রায়গঞ্জের ফোর্থ ব্যাটেলিয়ান স্যাপের সিও আইপিএস প্রদীপ কুমার যাদবকে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্সের পুলিশ সুপার করা হলো।

মে ১২, ২০২১
কলকাতা

যুবককে পিটিয়ে খুন, রণক্ষেত্র হাওড়া

সামান্য বচসার জেরে যুবককে পিটিয়ে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হাওড়ার শিবপুর। সোমবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটলেও মঙ্গলবারও উত্তেজনা এলাকায়। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে জিটি রোড অবরোধ করেছন স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে মোতায়েন প্রচুর পুলিশ ও র্যাফ।হাওড়ার শিবপুরের বাগদি পাড়ার বাসিন্দা গুড্ডু চৌরাসিয়া নামে ওই যুবক। জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে পাশের পাড়ার ছেলেদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ে ওই যুবক ও তাঁর বন্ধুরা। ক্রমেই তা হাতাহাতিতে পৌঁছে যায়। একে অপরকে লক্ষ্য করে শুরু করে ইটবৃষ্টি। ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় এলাকার বেশ কয়েকটি দোকানে। কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। অভিযোগ, সেই সময় বেধড়ক মারধর করা হয় গুড্ডুকে। রক্তাক্ত অবস্থায় ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়েন যুবক। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শিবপুর চত্ত্বর। অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে জিটিরোড অবরোধ করে উত্তেজিত ঘটনা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে নামে প্রচুর পুলিশ ও ব়্যাফ। তাঁদের সামনেও চলে অবরোধ। এখনও রীতিমতো উত্তপ্ত এলাকা। বাগদি পাড়ার এক বাসিন্দার দাবি, সামান্য খেলাধুলো নিয়ে কথা কাথাকাটাকাটি থেকেই এই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। সামান্য অশান্তির কারণেই পিটিয়ে খুন করা হল যুবককে, নাকি নেপথ্যে লুকিয়ে অন্য রহস্য, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

মে ১১, ২০২১
রাজ্য

ফের রাজ্য পুলিশের বড়সড় রদবদল, কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে ৪ আইপিএস

রাজ্যে তৃতীয়বার সরকার গঠন করেই পুলিশ প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । বুধবারই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদে একাধিক রদবদল করা হয়েছিল। আর বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জেলাস্তরের পুলিশ আধিকারিকদের বদলির কথা জানানো হয়েছে। শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার দেবেন্দ্র কুমার সিংকে সরিয়ে কলকাতার অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পদে বহাল করা হল। অর্থাৎ তিনি কলকাতার পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্রকে সহায়তা করবেন। শিলিগুড়ি কমিশনারেটের ডিসির পদে গেলেন আইপিএস অমিতাভ মাইতি। কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে পাঠানো হয়েছে ৪ আইপিএসকে। একঝলকে দেখে নিন রদবদল পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক , পুলিশ সুপারকে বদলি করা হয়েছিল বুধবার। জেলার নতুন পুলিশ সুপারের দায়িত্বে এলেন আইপিএস অমরনাথ কে। আইপিএস ধৃতিমান সরকারকে ঝাড়গ্রাম থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল বারাকপুর নর্থের ডিসি পদে। সূর্যপ্রতাপ যাদবকে জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপারের পদ থেকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল বিধাননগরের। তিনি বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসির দায়িত্ব নিলেন। ক্লোজ করা হল মালদহের ইংরেজবাজারের আইসি মদনমোহন রায়কে। আইপিএস অজয় নন্দকে পাঠানো হল এডজি, সিআইএফ পদে। তিনি এতদিন বারাকপুরের সিপির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। এডিজি, পশ্চিমাঞ্চল রাজেশ কুমার, হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার শ্রীহরি পাণ্ডে, আলিপুরদুয়ারের এসপি অমিত কুমার সিং, পূর্ব বর্ধমানের এসপি অজিত কুমার যাদব এই চারজনকে পাঠানো হয়েছে কম্পালসরি ওয়েটিংয়ে। নতুন জেলাশাসক হলেন বদলি করা হয়েছে মানিকতলা, পার্ক স্ট্রিটের ওসিদেরও। কালীঘাট থানার ওসি পদে পুনর্বহাল হয়েছেন শান্তনু সিনহা। তিনি এই পদে ছিলেন টানা তিন বছর। ভোটের আগে নিয়ম অনুযায়ী তাঁকে অন্যত্র বদলি করে দেয় কমিশন। ভোট মিটতেই তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে আগের জায়গায়।পশ্চিম বর্ধমান ও দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক পদেও বদল হয়েছে। দার্জিলিংয়ের নতুন জেলাশাসক এস পুনামবালান, পশ্চিম বর্ধমানে বিভু গোয়েল। স্বরাষ্ট্র ও পুলিশ দপ্তর সাধারণত নিজের হাতেই রাখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রিত্বেও তাইই থাকার সম্ভাবনা। তাই পুলিশ প্রশাসনের রদবদলে তাঁর অনুমোদনই শেষ কথা। বুধবার ফের নবান্নে বসেই তিনি প্রয়োজনীয় রদবদল সারলেন। বৃহস্পতিবার আরও একপ্রস্ত বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি হল। আরও ভালভাবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য তাঁর এই পদক্ষেপ, মত ওয়াকিবহাল মহলের।

মে ০৬, ২০২১
রাজ্য

ব্যারাকপুরে অতিরিক্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ

রাত পোহালেই রাজ্যে ভোট ষষ্ঠী। আর এই দফায় সকলের নজরে আটকে ব্যারাকপুরে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকে ভোটের সময় অশান্তিতে উত্তাল হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার এই এলাকা। তাই এবারের উত্তপ্ত আবহে এই এলাকাকে নিয়ে বিশেষ সতর্ক নির্বাচন কমিশন।ভোটের মাত্র ২৪ ঘণ্টা ব্যারাকপুরের জন্য অতিরিক্ত আরও ১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন। তিনি শুধুমাত্র বারাকপুরের ঘটনা নিয়ে কমিশনকে রিপোর্ট দেবেন। উল্লেখ্য, এ বারের ভোটে ১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে দুই বা তার বেশি বিধানসভার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভোট করাতে এবার বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন। তাই বিশাল বাহিনী মোতায়েন থেকে ওয়েব কাস্টিং, কিউআরটি টিমের সংখ্যা বৃদ্ধি থেকে একাধিক পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ, একাধিক পদক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। ভোটষষ্ঠী নির্বিঘ্নে মেটাতে বিশেষ ব্যবস্থা নিল কমিশন। এই দফার ভোটে কয়েকটি এলাকাকে বিশেষ তালিকাভুক্ত করেছে কমিশন। ভোটের দিন এই এলাকাগুলিতে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে তারা। এর মধ্যে বেশির ভাগই উত্তর ২৪ পরগনা শিল্পাঞ্চলের অন্তর্গত এলাকা।

এপ্রিল ২১, ২০২১
রাজ্য

ফের রদবদল রাজ্য পুলিশে

শেষ তিন দফা ভোটের আগে ফের রদবদল রাজ্য পুলিশে। বদলি হলেন পূর্ব বর্ধমান, বীরভূমের পুলিশ সুপারদের। বদলে দেওয়া হল আসানসোল-দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনারকেও । সূত্রের খবর, তাৎপর্যপূর্ণভাবে বীরভূমের পুলিশ সুপারের দায়িত্বে আনা হল নন্দীগ্রামের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে। যিনি গত ১ তারিখ, রাজ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটের দিন হাই ভোল্টেজ নন্দীগ্রামের বুথে তৃণমূল সুপ্রিমোর চোখে চোখ রেখে নিজের দায়িত্ব পালনে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েছিলেন। ভোটে অশান্তি রুখতে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জানিয়েছিলেন, খাকি উর্দিতে তিনি কোনও দাগ লাগতে দেবেন না।বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে নির্বাচনী বিধি মেনে পুলিশ আধিকারিকদের রুটিন বদলি হয়েছিল নির্বাচন কমিশনের তরফে। সেসময়ে বীরভূমের এসপি শ্যাম সিংকে বদলি করে আনা হয়েছিল মীরাজ খালিদকে। ভোটের মাঝেই আবার এই পদে বদল করল কমিশন। মীরাজ খালিদকে সরিয়ে দায়িত্ব দেওয়া হল আইপিএস নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে। ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের মত, এই সিদ্ধান্ত থেকেই স্পষ্ট, উত্তেজনাপ্রবণ বীরভূম জেলাকে এবারের ভোটে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষত এখানকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে আগেই নজরবন্দি করা হয়েছে। তাঁর প্রতিটি গতিবিধির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। নগেন্দ্র ত্রিপাঠীকে এই জেলার দায়িত্ব দেওয়ার অন্যতম কারণ এটাই। বীরভূম জেলার ১১ টি কেন্দ্র ভোট শেষ দফায়, ২৯ এপ্রিল।এছাড়া পূর্ব বর্ধমানের ৮টি কেন্দ্রে ভোট আগামী ২২ তারিখ। তার আগে সেখানেও পুলিশ সুপার বদলি করা হল। ভাস্কর মুখোপাধ্যায়ের বদলে দায়িত্ব দেওয়া হল অজিত কুমার যাদবকে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের সিপি ছিলেন সুকেশ জৈন। তাঁর বদলে এলেন মিতেশ জৈন। এখানে ভোট সপ্তম দফায়, ২৬ তারিখ। বোলপুরের নতুন এসডিপিও হলেন নাগরাজ দেবরাকোন্দা। এতদিন এই পদে ছিলেন অভিষেক রায়।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
রাজ্য

কলকাতায় আর কোনও বড় সভা করবেন না মুখ্যমন্ত্রী

ক্রমবর্ধমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের । শহর কলকাতায় আর কোনও বড় রাজনৈতিক সমাবেশ করবেন না মমতা। শুধু আগামী ২৬ এপ্রিল বিডন স্ট্রিটে অনেক আগে থেকে পরিকল্পিত একটি রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। তৃণমূল দলের তরফে ছোটখাটো জনসভার আয়োজন করা হতে পারে। তবে, সেই সভাগুলিতে মমতা নিজে উপস্থিত থাকবেন না। রবিবার এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একথা জানিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী।ওই সাক্ষাৎকারে রাজ্য তথা দেশের করোনা পরিস্থিতির জন্য কেন্দ্রকে বিঁধেছেন মমতা। তাঁর দাবি, কেন্দ্রের তথা প্রধানমন্ত্রীর অদূরদর্শিতার জন্য বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, দূরদর্শিতার অভাব না থাকলে আমরা আজ এত বিপদে পড়তাম না হঠাৎ করে। মমতার দাবি,গত ছমাস সেভাবে কোনও করোনা হয়নি। সেই সময়টাকে অবহেলা করা হয়েছে। এই ছমাস পরিকল্পনা করলে, আগামী ছমাস ভাল কাটত। ওষুধের জোগান নেই, অক্সিজেনের জোগান নেই। ৮০টা দেশকে আমরা ওষুধ দিয়ে দিয়েছি। আমি এটার নিন্দা করছি না। কিন্তু নিজের দেশের দরকারটা তো আগে বুঝতে হবে। এখন হঠাৎ করে আমার কাছে অক্সিজেন নেই, ভ্যাকসিন নেই, ওষুধ নেই। দূরদর্শিতার অভাব। নাহলে হঠাৎ করে আমরা এর মধ্যে পড়তাম না।নির্বাচনে করোনার প্রভাব নিয়ে মমতা জানিয়েছেন, আমরা শেষ ৩ দফা একসঙ্গে ভোট করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন শুধু বিজেপির কথা শোনে। আমাদের কাছে শোনে না। তবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মমতা কলকাতায় নিজের সব বড় জনসভা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন,দল নিজের মতো ছোট করে জনসভা আয়োজন করলে করবে। কিন্তু আমি সেখানে যাব না। কারণ আমি গেলে বেশি জমায়েত হবে। আসলে, গোটা রাজ্যের মধ্যে শহর কলকাতাতেই করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। শুধু গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় ২ হাজার ১৯৭ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের অন্য প্রান্তের কথাও ভাবছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছেন, এরপর থেকে রাজ্যের অন্যপ্রান্তের জনসভাগুলিতেও নিজের বক্তৃতার সময় কমিয়ে দেবেন তিনি। ছোট করে ভাষণ দেবেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

করোনার সংক্রমণ রুখতে কড়া কলকাতা পুলিশ, একদিনে গ্রেপ্তার ১৬৭ জন

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত করছে কলকাতাকে। করোনা রুখতে চৈত্র সংক্রান্তির দিন থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে শুরু হয়েছে পুলিশের প্রচার। মাইক নিয়ে করোনা সম্পর্কে সতর্কতা প্রচার শুরু হয়েছে। সেই সঙ্গে ধরপাকড়ের উপর আরও গুরুত্ব দিল পুলিশ। বুধবার কলকাতার বিভিন্ন জায়গা থেকে মাস্ক না পরার অভিযোগে ১৫০ জনের উপর পথচারীকে ধরা হয়। এর মধ্যে নিউ মার্কেট এলাকা থেকে হাতেনাতে ধরা পড়ে ১৫ জন। অন্যান্য বাজারেও মাস্ক না পরলেই তাকে ধরেছে পুলিশ। পুলিশের অভিযোগ, করোনা আক্রান্তর সংখ্যা কলকাতায় বৃদ্ধি পাওয়া সত্ত্বেও বহু পথচারী ও গাড়ি, বাস আরোহীর মুখে মাস্ক নেই। মাস্ক নেই বাজারের ক্রেতা ও বিক্রেতাদেরও। এবার সেদিকেও বিশেষ নজর পুলিশের। পুলিশের উপর ভোটের ডিউটির চাপ রয়েছেই। সেই সঙ্গে এবার করোনা রোখারও ব্যবস্থা নিল পুলিশ।গত বছর করোনার ঢেউ কলকাতায় আছড়ে পড়ার পর লাগাতার সচেতনতার প্রচার শুরু করে কলকাতা পুলিশ। কিন্তু আক্রান্তর সংখ্যা কমতে থাকায় সেই প্রচারে ভাটা পড়ে। যদিও সংখ্যায় কম হলেও মাস্ক না পরার অভিযোগে চলছিল ধরপাকড়। গত মাস থেকে ধরপাকড়ের ব্যাপারে আরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু করোনা আক্রান্তর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবার গত বছরের আদলেই প্রচার করতে শুরু করেছে পুলিশ।এদিকে, বুধবার দুপুর থেকেই কলকাতার প্রত্যেকটি বাজারে করোনা বিরোধী সচেতনতার প্রচার শুরু করে প্রায় প্রত্যেকটি থানা। পুলিশের অভিযোগ, এই বছর এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ মানুষই করোনা নিয়ে সচেতন নন। তাই বাজারগুলিতে আসা বেশিরভাগ ক্রেতা, এমনকী, বিক্রেতাদের মুখেও নেই মাস্ক। পারস্পরিক দূরত্বও মানা হচ্ছে না। এদিন নিউ মার্কেট অঞ্চলে মাস্ক না পরে নামতে দেখলেই ওই যাত্রীকে ধরেছে পুলিশ। একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে গড়িয়াহাট, যদুবাবুর বাজার, যাদবপুর, হাতিবাগানের মতো বাজারগুলিতেও। এ ছাড়াও ওই বাজারগুলিতে মাস্ক না পরে কেনাকাটা করার অভিযোগেও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে বেশ কয়েকজন।

এপ্রিল ১৫, ২০২১
রাজ্য

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু ভিন রাজ্যের পুলিশের

দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে মৃত্যু হল এক পুলিশ কর্মীর। ঘটনার জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার বিহার-বাংলা সংলগ্ন পাঞ্জিপাড়ার পানতাপারা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বিহারের কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ দুটি দল গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বাইক চোরের সন্ধানে হানা দেয় এলাকায়। বাংলার পুলিশের সহযোগিতায় পানতাপারা গ্রামে অভিযানে যায় বিহার পুলিশ।সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন কিশনগঞ্জ থানার পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমার। গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মীকে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। ঘটনার খবর পেয়ে ছুটে আসেন বিহারের পূর্ণিয়ার আইজি সুরেশ প্রসাদ চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশ আধিকারিকেরা। হাসপাতালে আসেন ইসলামপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার শচিন মক্কর-সহ পুলিশ আধিকারিকেরা। মৃত পুলিশ কর্মী অশ্বিনী কুমারের মৃতদেহ ময়না তদন্তে জন্য পাঠানো হয় এবং ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ১০, ২০২১
কলকাতা

বাঙালি ক্রিকেটার খেলানোর দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনে বাংলা পক্ষ

সিএবি-তে বাঙালি ক্রিকেটার খেলানোর দাবিতে আন্দোলনের সময় বাংলা পক্ষের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে আগামী ৭ এপ্রিল, বুধবার প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছে এই বাঙালি সংগঠন।বাংলা ক্রিকেট দলে বাংলার খেলোয়াড়দের সুযোগ বৃদ্ধির জন্য ডোমেসাইল নিতি চালু করার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলা পক্ষ। ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার খেলোয়াড়দের জন্য ডোমেসাইল চালুর দাবিতে গত শনিবার ইডেন গার্ডেন্সে সিএবি অফিসে ডেপুটেশন প্রদান ও প্রতিবাদ কর্মসূচী নিয়েছিল এই সংগঠন। সেই সময় কয়েকজন বহিরাগত খেলোয়াড় বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধা দেবাশীষ মজুমদারের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় দেবাশীষ মজুমদারের ডান হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করেছেন সংগঠনের পক্ষে কৌশিক মাইতি। কৌশিকের দাবি, দেবাশীষ মজুমদারকে বাঁচাতে গেলে বেশ কিছু বহিরাগত বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধাদের ব্যাট, উইকেট দিয়ে মারতে আসে। এই আক্রমণে মহিলা সহযোদ্ধা সহ বেশ কয়েকজন আঘাত পেয়েছেন। এই বর্বরোচিত হামলা চলাকালীন পুলিস কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলে তাঁরাও ওই বহিরাগত দুস্কৃতিদের হামলার শিকার হন।তিনজন হামলাকারীকে চিহ্নিত করে ময়দান থানায় বাংলা পক্ষের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই তিনজন হামলাকারী দীপক পুনিয়া, হরষিত কাওসিক, ওমপাল বোকেম। এরা সকলেই ভিন রাজ্য থেকে কলকাতার ক্লাবে খেলতে এসেছে বলে জানিয়েছে বাংলা পক্ষ।এই ঘটনার প্রতিবাদে কড়া ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি এবং এই তিন খেলয়াড়কে সিএবি-র সমস্ত খেলা এবং খেলা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় থেকে বহিস্কারের দাবিতে আগামী ৭ এপ্রিল বাংলা পক্ষ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২১
বিদেশ

ফের ক্যাপিটলে হামলা, নিহত ২

ফের হামলার মুখে ক্যাপিটল হিল । এবার মার্কিন কংগ্রেসের ভবনটির কাছে পুলিশকর্মীদের প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা দেয় একটি গাড়ি। ওই হামলায় মৃত্যু হয়েছে এক পুলিশ আধিকারিকের। আহত আরও এক। নিরাপত্তারক্ষীদের গুলিতে নিহত হয়েছে হামলাকারী।এই ঘটনার পর ক্যাপিটল বন্ধ করে দিয়েছে ন্যাশনাল গার্ডস। ক্যাপিটল পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার স্থানীয় সময় মতে দুপুর ১টা নাগাদ ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ের উত্তরের ব্যারিকেডে প্রচণ্ড গতিতে ধাক্কা মারে একটি নীল রঙের সেডান। হামলায় আহত হন দুই পুলিশকর্মী। সেটির চালক ছুরি হাতে গাড়ি থেকে বেরোনোর চেষ্টা করে। তখন পুলিশের গুলিতে আহত হয় সে। পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান আহত পুলিশকর্মী। এ দিনের ঘটনায় নিহত আততায়ীর পরিচয় এখনও জানায়নি পুলিশ। ঘটনার কিছু ক্ষণ আগেই হোয়াইট হাউস থেকে ক্যাম্প ডেভিডে যান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ঘটনার তদন্তে ক্যাপিটল পুলিশকে সাহায্য করছে এফবিআই।উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে পরাজয়ের পর গত জানুয়ারি মাসে ক্যাপিটলে হামলা চালায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা। তখন জো বাইডেনকে জয়ের শংসাপত্র দিতে শুরু হয়েছিল মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশন। কিন্তু তারপরই ট্রাম্প সমর্থকদের হামলায় রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় ক্যাপিটল বিল্ডিং চত্বর। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয় পুলিশের। কয়েক হাজার সমর্থক ট্রাম্পের সমর্থনে স্লোগান ওই বিল্ডিংয়ে জোর করে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে। ট্রাম্পপন্থীরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ক্যাপিটল বিল্ডিংয়ে জোর করে ঢোকার চেষ্টা করতেই পরিস্থিতি সামলাতে পুলিশ গুলি ছোঁড়ে। সেই হামলায় এক পুলিশকর্মী-সহ পাঁচ জন নিহত হয়েছিলেন। তারপর থেকেই সুরক্ষা বাড়ানো হয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের ভবনটির।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
রাজ্য

বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, রণক্ষেত্র দিনহাটা

ভোট যত এগিয়ে আসছে, জেলায় জেলায় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনাও বাড়ছে। বুধবার বিজেপি-র মণ্ডল সভাপতির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহার জেলার দিনহাটায়। এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলেছে বিজেপি। তাদের অভিযোগ, খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে দেহ।ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দিনহাটা। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায় কমিশনের আধিকারিকরা।ঘটনার রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে নির্বাচন কমিশনের তরফে। স্থানীয় বিজেপি ঘটনায় সিবিআই তদন্তের দাবি করেছে। জানা গিয়েছে, ওই বিজেপি কর্মীর নাম অমিত সরকার। বুধবার সকালে দিনহাটার পশু হাসপাতালের বারান্দায় অমিতের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়। বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য তথা মুখপাত্র দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেছেন, ভোটে হেরে যাওয়ার ভয়ে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি-র সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও সরব হয়েছেন ঘটনা নিয়ে। বুধবার সকালে এই ঘটনা নিয়ে টুইট করে তৃণমূলের প্রতি আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। ঘটনার কথা ছড়িয়ে পড়তেই দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়েছে দিনহাটার পরিস্থিতি। সেখানকার বিভিন্ন রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। কোচবিহারের সাংসদ তথা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীরা থানায় যান। সেখানে দ্রুত তদন্তের দাবি জানান তাঁরা। থানা থেকে ফেরার পথে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে নিশীথের অনুগামীদের বিরুদ্ধে। সে সময় বাধা দিলে পুলিশের উপরে চড়াও হন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চালিয়েছে পুলিশ। পুলিশের দিকেও পাল্টা ঢিল ছুড়তে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। তখন কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায় পুলিশ। এর পরই এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নামানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।যদিও তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের কোচবিহার জেলা সভাপতি পার্থপ্রতিম রায় বলেছেন, যে কোনও মৃত্যুই দুঃখজনক। যে বিজেপি নেতা বা কর্মী খুনের অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে, তিনি নিশ্চয় দেখে ওই দাবি করছেন। তাহলে পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করুক। এই ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। তাই না জেনে কিছু বলতে চাইছি না। ঘটনা নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও করেছেন তিনি। দুপুরে দিনহাটা শহরে মিছিল করে দিনহাটা সদর মহকুমা শাসকের দপ্তরে সামনে অবস্থানে বসলেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূলের প্রার্থী উদয়ন গুহ। দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর এবং দিনহাটা শহরকে অশান্ত করার প্রতিবাদে অবস্থানে বসেছেন তিনি।

মার্চ ২৪, ২০২১
কলকাতা

ভোর থেকেই ব্রিগেডমুখী মোদি-ভক্তরা

আজ যখন ব্রিগেড গ্রাউন্ডে মোদির ভাষণ, ঠিক তখনই শিলিগুড়িতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পেট্রোপণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল করবেন তৃণমূল নেত্রী। আজ বিজেপির ব্রিগেড। প্রধান বক্তা নরেন্দ্র মোদি। শহরে প্রধানমন্ত্রী আসার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে।বিধানসভা ভোটের আগে ব্রিগেড চ্যালেঞ্জ বিজেপির । ব্রিগেড গ্রাউন্ড ভরাতে মরিয়া বিজেপি। রাত থেকেই হাওড়া, শিয়ালদা থেকে শহরমুখী বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। আজকের ব্রিগেড নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড। বিধানসভা নির্বাচনে এবার রাজ্যের মসনদ দখল পাখির চোখ বিজেপির। তাই ব্রিগেডে মোদি কী বার্তা দেন সেদিকে তাকিয়ে গোটা বাংলা। ব্রিগেড থেকেই নির্বাচনী প্রচারের সুর বেঁধে দেবেন মোদি, মনে করছেন বিজেপি নেতা-কর্মী থেকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরাও।

মার্চ ০৭, ২০২১
কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে এসএসসি প্রার্থীদের বিক্ষোভ

এবার কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির এলাকায় বিক্ষোভে শামিল এসএসসির চাকরিপ্রার্থীরা। নিয়োগের দাবিতে এদিন সরব হন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তারা। আটক করা হয় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে।মঙ্গলবার দুপুরে এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা জমায়েত হন হরিশ মুখার্জি রোডে অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির এলাকায়। চাকরির দাবিতে সুর চড়ান তাঁরা। পোস্টার হাতে শুয়ে পড়েন রাস্তায়। এদিকে রোদে দীর্ঘক্ষণ থাকার ফলে অসুস্থ হয়ে পড়েন বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী। অশান্তির খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাঁদের সামনেও চলে বিক্ষোভ। স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। অবশেষে বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ। টেনে হিঁচড়ে তাঁদের তোলা হয় গাড়িতে। ফলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয় বিক্ষোভকারীদের। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে এসেছে পরিস্থিতি।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর এখনও চাকরির নিয়োগপত্র পাননি বহু প্রার্থী। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এই চাকরি প্রার্থীরা প্রেস ক্লাবের সামনে দীর্ঘদিন বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন ভোট মিটলে তাঁদের দিক বিবেচনা করা হবে। পরবর্তীতে ৫ চাকরিপ্রার্থীকে ও অন্যান্যদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছিল। মঙ্গলবার বিক্ষোভে শামিল এসএসসি উত্তীর্ণদের অভিযোগ, কমিটির ৫ জন ও তাঁদের পরিবারের অনেকেই ইতিমধ্যেই চাকরি পেয়েছে। অর্থাৎ নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখা ও নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

মার্চ ০২, ২০২১
কলকাতা

শহরে জাল ছড়াচ্ছে ডার্কওয়েব

অপরাধেরর ধরণ পাল্টাচ্ছে কলকাতায়। ডার্কওয়েব ও সাইবার জালিয়াতি সংযুক্ত হচ্ছে অপরাধ জগতে। এবার এই আধুনিক অপরাধের মোকাবিলা করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিলেন পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্র। শনিবার প্রত্যেক থানার ওসি ও পুলিশ কর্তার সঙ্গে অপরাধ দমনে বৈঠক করেন পুলিশ কমিশনার। এই পদে দ্বিতীয়বারের জন্য আসার পর থানার ওসি ও পুলিশকর্তাদের নিয়ে এটিই তাঁর প্রথম বৈঠক। অপরাধ দমনের সঙ্গে সঙ্গে যাতে পুলিশের সুনাম বজায় থাকে, সেই ব্যাপারে আধিকারিকদের গুরুত্ব দিতে বলেন। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনীদের থাকার জায়গা ও বাহিনী কীভাবে কাজ করবে, তা নিয়েও আলোচনা হয়।পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, কয়েক বছর আগে পর্যন্ত ডাকাতির সংখ্যা বেশি ছিল কলকাতায়। চুরি-ডাকাতির মতো অপরাধের পরিমাণ ক্রমশ কমে আসছে। কিন্তু বাড়ছে অন্য ধরণের অপরাধ।যার মধ্যে ডার্কওয়েব বা সাইবার অপরাধ রয়েছে। উল্লেখ্য, শুক্রবার কলকাতা থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭৬ গ্রাম কোকেন। এই ধরনের মাদক ডার্কওয়েবের মাধ্যমে বিদেশ থেকে আনা হয়। এ ছাড়াও ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে যে ধরনের অপরাধ সংগঠিত হয়ে থাকে, সেই ব্যাপারে প্রত্যেক থানার ওসি ও পুলিশকর্তাদের জানানো হয়। এ ছাড়াও প্রত্যেকদিন কলকাতার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাইবার অপরাধের অভিযোগ আসছে। সেই কারণে লালবাজার সাইবার থানা ছাড়াও প্রত্যেকটি ডিভিশনে তৈরি হয়েছে সাইবার সেল। সাইবার অপরাধের মোকাবিলা ব্যাপারে বিভিন্ন নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার। সামনেই তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী কলকাতায় আসছে। এর পর আরও কেন্দ্রীয় বাহিনী শহরে আসবে। তাদের থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করতে করার নির্দেশ দেন পুলিশ কমিশনার। এ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বাহিনী কলকাতার কোন কোন জায়গায় রুট মার্চ করবে, তা নিয়েও আলোচনা করেন লালবাজারের কর্তারা।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২১
কলকাতা

বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার

বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানের শুরুতেই ধুন্ধুমার। পুলিশের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই আচমকা একেবারে নবান্নের সামনে চলে আসেন সিপিএম বিধায়ক তথা বাম ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলি। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে তাঁদের আটকান। ইব্রাহিম-সহ ৫ জনকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। তখনও উঁচু গলায় স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা। এ নিয়ে দিনের শুরুতে নবান্ন অভিযান নিয়ে অশান্তি ছড়াল। এরপর বেলা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে থাকে। ধর্মতলা চত্বর থেকে প্রায় চার হাজার সদস্য নবান্নের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চান বাম ছাত্র,যুবরা। প্রথম জলকামান, টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে তাঁদের রোখার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তাতেও আন্দোলনকারীরা দমে যাননি। এরপর পুলিশ নির্বিচার লাঠিচার্জ করলে অনেকে আহত হন, অসুস্থ হয়ে পড়েন কেউ কেউ। গুরুতর জখমদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও, তা অমান্য করে সিধু-কানু-ডহরে ঢুকে পড়েন কয়েকজন ছাত্র ও যুব। আন্দোলনকারীদের শক্তি দেখে কার্যত বিভ্রান্ত পুলিশও।শূন্যপদে নিয়োগ, সকলের জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষার অধিকার-সহ একগুচ্ছ দাবিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র-যুব সংগঠন। এসএফআই, ছাত্র ফেডারেশন, ডিওয়াইএফআই -সহ মোট ৮ বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে কংগ্রেসের ছাত্র, যুব সংগঠনকেও। সবমিলিয়ে ১০ টি সংগঠনের ডাকে এদিন নবান্ন অভিযানে নেমেছে বাম ও কংগ্রেস কর্মীরা। বাম ছাত্রনেতা তথা পাঁশকুড়ার সিপিএম বিধায়ক ইব্রাহিম আলি আচমকা নবান্নের সামনে হাজির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিদায় ঘটে গিয়েছে, এই বার্তা দিয়ে স্লোগান তোলেন। সেখান থেকেই আটক করা হয় তাঁকে। তারপর টেনেহিঁচড়ে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। একইভাবে আটক করা হয়েছে আরও ৫ জনকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজনীতি

মমতার সভায় দলে যোগ দিলেন প্রাক্তন পুলিশ কর্তা

স্ত্রী তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন আগেই। সময়ের আপেক্ষা ছিল, জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে শাসকদলে যোগ দিলেন প্রাক্তন পুলিশকর্তা হুমায়ুন কবির। মঙ্গলবার বর্ধমানের কালনায় মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন এই প্রাক্তন পুলিশ কর্তা। কবির গত ২৯ জানুয়ারি হুগলীর চন্দননগরের পুলিশ কমিশনারের পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেদিন থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। এদিন কালনায় তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতেই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ তৃণমূলের পতাকা তুলে দিলেন এই প্রাক্তন পুলিশ কর্তার হাতে।অবসরের প্রায় তিন মাস আগেই চাকরি থেকে ইস্তফা দেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর জায়গায় চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার করা হয় কলকাতা পুলিশের যুগ্ম পুলিস কমিশনার গৌরব শর্মাকে। কিছুদিন আগে হুমায়ুন কবিরের স্ত্রী অনিন্দিতা কবির তৃণমূলে কংগ্রেসে যোগ দেন। সেই কারণেই চাকরির শেষ সময়ে এসে কেন স্বেচ্ছাবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি তা নিয়ে গভীর জল্পনা তৈরি হয়। হুমায়ুন কবির জানিয়েছিলেন ব্যক্তিগত কারণেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত। তাঁর কথায় অনেক লেখালেখির কাজ জমে রয়েছে। সেগুলি শেষ করতে হবে। তাই চাকরি জীবনে ইস্তফা। তবে সেদিন রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কথা উড়িয়ে দেননি। প্রসঙ্গত, হুমায়ন কবীরের একজন ভাল লেখক হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে, তাঁর লেখা আলেয়া গল্প নিয়ে একটি বাংলা সিনেমাও তৈরি হয়। ওই ছবিতে তনুশ্রী চক্রবর্তী পুলিশের ভূমিকায় অভিনয় করেন।২০০৩ সালে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে যোগদান করেন এই আইপিএস অফিসার। তাৎপর্যপূর্ণ হল, বামফ্রন্ট আমলে যে সমস্ত পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে রাজ্যের বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস সবচেয়ে বেশী সরব ছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন হুমায়ুন কবীর। ২০১১ সালে রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসার পর আবার পট-পরিবর্তন হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুন কবীরকে মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিশ সুপার করেন। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তৃণমূলের জেলা সভাপতির মতো আচরণ করছেন হুমায়ুন। অধীরের আরও অভিযোগ, কংগ্রেস থেকে দল ভাঙানো থেকে শুরু করে বিরোধীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা সাজানো সবেরই মূল কারিগর ছিলেন তিনি।২০১৯ সালে জুলাই মাসে ব্যান্ডেলের তৃণমূল নেতা দিলীপ রাম খুন করা হয়। ওই বছরেরই অগস্ট মাসে তৎকালীন চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার অখিলেশ চতুর্বেদীকে সরিয়ে হুমায়ুন কবিরকে পুলিশ কমিশনার করা হয়।জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
দেশ

লালকেল্লার হিংসার ঘটনায় গ্রেপ্তার দীপ সিধু

গ্রেপ্তার লালকেল্লা হিংসার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত গায়ক-অভিনেতা দীপ সিধু। এমনটাই জানিয়েছে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যাল সেল। কয়েকদিন আগেই দীপ সিধুর হদিশ দিতে পারলেই দেওয়া হবে ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছিল দিল্লি পুলিশ। সাধারণতন্ত্র দিবসে লালকেল্লা দখলের ঘটনায় দীপের আরও দুই সহযোগীর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করা হয়। এর মধ্যে একজন যুগরাজ সিং। যাঁর বিরুদ্ধে লালকেল্লায় নিশান সাহিবের পতাকা তোলার অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্তদের খোঁজে ইতিমধ্যেই দিল্লি ও পঞ্জাবের একাধিক জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ। প্রায় ৪৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ১২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও শোনা গিয়েছে। জজবীর সিং, বুটা সিং, সুখদেব সিং এবং ইকবাল সিং নামের বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধেও লুকআউট নোটিস জারি করা হয়েছে। তাদের হদিশ দিতে পারলে মিলবে ৫০ হাজার টাকা নগদ পুরস্কার। অভিযুক্তদের ছবিও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। যাতে কেউ চিনতে পারলেই পুলিশে খবর দিতে পারেন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

পরিবর্তন যাত্রায় হাতাহাতি, রণক্ষেত্র বেলডাঙা

বিজেপির পরিবর্তন রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রথযাত্রায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। তারপরই বচসায় জড়িয়ে পড়ে বিজেপি কর্মী ও পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ পর শান্ত হয় এলাকা।বিজেপির তরফে আগেই রথযাত্রার রুট ঠিক করা হয়েছিল। কিন্তু ওই রাস্তায় অশান্তির আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে অন্য রাস্তা দিয়ে রথযাত্রার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তাতে কর্ণপাত না করে সোমবার বিজেপি নেতৃত্ব বেলডাঙা ও হরিহরপাড়া দিয়েই রথ নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ তাতে বাধা দেয়। সেই সময়েই দুপক্ষের মধ্যে অশান্তি বাধে। তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।এবিষয়ে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বিজেপিকে আগেই বলা হয়েছিল যে ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের বেলডাঙা থেকে বহরমপুর পর্যন্ত রথযাত্রা করা যাবে। এছাড়া অন্য কোনও রাস্তা ব্যবহার করা যাবে না। কারণ, বাকি এলাকাগুলো মুসলিম অধুষ্যিত। ফলে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা থেকেই যায়। কিন্তু পুলিশের নির্দেশ না মেনেই এদিন পূর্বসূচি অনুযায়ী রথযাত্রার চেষ্টা করে বিজেপি।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২১
দেশ

বেনজির নিরাপত্তার ঘেরাটোপে রাজধানী

সাধারণতন্ত্র দিবসের অশান্তির পর বুধবার সকাল থেকেই থমথমে রাজধানী দিল্লি। এদিন সকাল থেকে বেনজির নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছে রাজধানী দিল্লিকে। আধাসেনা, সিআরপিএফ-এর বহু জওয়ান এদিন সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় টহল দিচ্ছে। এদিন সকাল থেকে সিঙ্ঘু সীমান্তে কয়েক হাজার সিআরপিএফ জওয়ান মোতায়েন। আজও সিঙ্ঘু, গাজিপুর, টিকরি, মুকারবা চক, নাঙ্গলোইয়ের মতো এলাকায় বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। আজ সকাল থেকেও দিল্লির লালকেল্লা এবং জামা মসজিদ মেট্রো স্টেশনের গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিকে, গতকালের ঘটনার পর বিক্ষোভকারী কৃষকরা অনেকটাই ছত্রভঙ্গ। বিক্ষোভের আগামী দিনের রূপরেখা ঠিক করতে সিঙ্ঘু সীমান্তে আজ নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসতে পারেন কৃষকনেতারা। তার আগেই অবশ্য বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে বক্তৃতা রাখতে পারেন কৃষক সংঠনের নেতারা।Delhi: Heavy security deployment at Tikri border where farmers are protesting against #FarmLaws. pic.twitter.com/pizT7EJDHU ANI (@ANI) January 27, 2021এদিকে গতকালের বিক্ষোভের ঘটনার তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। পুলিশ সূত্রের খবর, কৃষক বিক্ষোভের এই হিংসা পূর্বপরিকল্পিতও হতে পারে। কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইতের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, ওই ভিডিও ছাড়াও আরও বেশ কিছু সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একাধিক জায়গায় বিনা প্ররোচনায় পুলিশের উপর চড়াও হয়েছে বিক্ষোভকারীরা। বেশ কিছু জায়গায় পুলিশকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়েছে। সব সিসিটিভ ফুটেজই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ সূত্রে দাবি, এই ঘটনায় ৩০০-র বেশি পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন। এঁদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর। দুজন ভর্তি আইসিইউতে। মোট ২৬টি এফআইআর দায়ের হয়েছে এই ঘটনায়। তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জামিন অযোগ্য ধারায় রয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি, পথে বর্ধমান—পথ নিরাপত্তার বার্তা নিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের বিশেষ র‍্যালি

বর্ধমান: চিকিৎসা পরিষেবার গণ্ডি পেরিয়ে এবার পথ নিরাপত্তার সচেতনতা ছড়ানোর বার্তা নিয়ে রাস্তায় নামলেন ফিজিওথেরাপিস্টরা। দক্ষিণেশ্বর থেকে দিল্লি পর্যন্ত দীর্ঘপথে বিশেষ র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপিস্ট, চিকিৎসক এবং পড়ুয়ারা এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। মঙ্গলবার সেই র্যালিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বের সাক্ষী থাকল বর্ধমান শহর।দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুজো দিয়ে পূর্ব ভারতের এই র্যালির সূচনা হয়। এরপর বর্ধমানের বিজয় তোরণ তথা কার্জন গেট হয়ে র্যালিটি এগিয়ে যাবে দুর্গাপুর, আসানসোল, ধানবাদ-সহ একাধিক শহরের দিকে। শেষপর্যন্ত দিল্লিতে গিয়ে এই যাত্রার সমাপ্তি হবে।র্যালিতে অংশ নেওয়া ফিজিওথেরাপিস্টদের বক্তব্যে উঠে আসে পথ নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। হেলমেট পরে বাইক চালানো, গাড়িতে সিটবেল্ট ব্যবহার এবং ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার মতো বিষয়গুলিতে সাধারণ মানুষকে সচেতন করাই এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।দক্ষিণবঙ্গ তথা বাংলার বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) জনতার কথা-কে জানান, ফিজিওথেরাপিস্টরা প্রতিদিনই দুর্ঘটনার পর গুরুতর শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করেন। সড়ক দুর্ঘটনার পরে অনেক রোগী পক্ষাঘাত, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অক্ষমতা কিংবা দীর্ঘস্থায়ী শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত হন। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো গেলে এই ধরনের বহু বিপর্যয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।বর্ধমান শহরের বি.আই.এম.এল.এস ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT) বলেন, এটি অত্যন্ত সাধু ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। আমাদের বি.আই.এম.এল.এস কলেজে বর্তমানে পরীক্ষা চলায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও বহু ছাত্রছাত্রী এই কনভেনশনে যোগ দিতে পারেনি। অন্য সময়ে এই আয়োজন হলে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আরও অনেক বেশি হত।ডঃ ভট্টাচার্যের কথায়, আমরা ফিজিওথেরাপিস্ট হিসেবে এমন বহু রোগীকে দেখি, যারা সড়ক দুর্ঘটনার পরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা পঙ্গুত্বের মতো গুরুতর সমস্যায় আমাদের কাছে আসেন। তাঁদের জীবন একেবারে অন্য জায়গায় চলে যায়। তাই দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার পাশাপাশি দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই সচেতনতা তৈরি করাও আমাদের দায়িত্ব।এই কর্মসূচি শুধুমাত্র পূর্ব ভারতেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিণচার প্রান্ত থেকেই একই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। তাঁদের দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিজিওথেরাপিস্টরা এই সচেতনতা কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছেন।র্যালির সঙ্গে ছিলেন West Bengal IAP-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT) এবং EC মেম্বার তথা জয়েন্ট সেক্রেটারি ডাঃ শুভেন্দু জানা (PT)। বর্ধমানের পক্ষ থেকেও একাধিক বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন IAP-এর কনভেনর ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ আদিত্য পাল (PT), ডাঃ সুখদেব মুখার্জি (PT), ডাঃ অতনু রায় (PT), ডাঃ অনিন্দ্য দে (PT) - সহ আরও অনেকে।দিল্লিতে বড় সম্মেলন, বিশ্ব রেকর্ডের লক্ষ্যর্যালির পাশাপাশি আগামী ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে একটি বৃহৎ ফিজিওথেরাপি সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও জানান আয়োজকরা। সেখানে প্রায় ১২ হাজার প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে দাবি করা হয়েছে। এত বিপুল সংখ্যক ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ঘটনাটি বিশ্ব রেকর্ডের জন্য মনোনীত হয়েছে বলেও জানান তাঁরা।দক্ষিণেশ্বর থেকে শুরু হওয়া র্যালির মূল সুর তাই শুধু চিকিৎসা পেশার প্রচার নয়দুর্ঘটনার পরে চিকিৎসার চেয়ে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণএই বার্তাই সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।বর্ধমান শহরের বুক দিয়ে ফিজিওথেরাপিস্টদের এই বিশেষ র্যালি অতিক্রম করার সময় সেই বার্তাই হয়ে উঠল দিনের অন্যতম আলোচ্য বিষয়। চিকিৎসক ও ছাত্রছাত্রীদের এই উদ্যোগে পথ নিরাপত্তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কতটা সচেতনতা তৈরি হয়, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

‘বন্দে মাতরম’ না গাইলেই কি জেল? সুপ্রিম কোর্টের বড় পর্যবেক্ষণে নড়েচড়ে বসল কেন্দ্র

বন্দে মাতরম-এর সবকটি স্তবক না গাওয়া বা গান গাইতে অস্বীকার করার ক্ষেত্রে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যায় কি না, সেই প্রশ্ন এবার খতিয়ে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট। কর্নাটকের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী টিএম কৃষ্ণের দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। দুই সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রকে জবাব দিতে বলা হয়েছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। কৃষ্ণ কেন্দ্রের নির্দেশিকা এবং জাতীয় সম্মানের অবমাননা প্রতিরোধ আইনে ২০২৬ সালে আনা সংশোধনীর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তাঁর মূল আপত্তি, সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়ার নির্দেশ এবং তার সঙ্গে যুক্ত শাস্তির বিধান নিয়ে।তবে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করেছে, জাতীয় গান হিসেবে কোন গান বা তার কোন সংস্করণ নির্ধারণ করা হবে, সেই প্রশ্নে আদালত আপাতত ঢুকছে না। দুই স্তবক না ছয় স্তবকএই বিতর্কের পরিবর্তে আদালতের নজর মূলত অন্য একটি বিষয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত আপত্তির কারণে কেউ গান না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি দেওয়া যাবে কি না, সেটিই খতিয়ে দেখতে চায় বেঞ্চ।এই প্রসঙ্গে ১৯৮৬ সালের বিজয় ইমানুয়েল মামলার নজিরের কথা উল্লেখ করে আদালত। ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে জাতীয় সঙ্গীত না গাওয়া কয়েক জন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপের বিষয়টি খতিয়ে দেখেছিল। মঙ্গলবারের শুনানিতে বেঞ্চ জানায়, সেই মামলায় আদালত যে আইনি অবস্থান জানিয়েছিল, সেটি বন্দে মাতরম সংক্রান্ত বিষয়েও প্রাসঙ্গিক হতে পারে।আবেদনকারীর পক্ষে প্রবীণ আইনজীবী এস মুরলীধর যুক্তি দেন, ২০২৬ সালের সংশোধনীতে জাতীয় গান-এর স্পষ্ট সংজ্ঞা নেই। তাঁর বক্তব্য, এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে ভবিষ্যতে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়নি বলেও তিনি আদালতের সামনে দাবি করেন।মুরলীধরের আরও বক্তব্য, বন্দে মাতরম-এর শেষের কয়েকটি স্তবকে দুর্গা, লক্ষ্মী ও সরস্বতীর মতো হিন্দু দেবদেবীর উল্লেখ রয়েছে। সেই কারণে সব নাগরিককে ওই স্তবক গাইতে বাধ্য করা হলে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির প্রশ্ন উঠতে পারে বলে তাঁর দাবি। এই বক্তব্য অবশ্য মামলাকারীর যুক্তি; এ বিষয়ে এখনও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।শুনানিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বিভিন্ন প্রশ্ন তোলেন। তিনি ইঙ্গিত করেন, অন্য দেশে জাতীয় প্রতীকের সঙ্গে ধর্মীয় শব্দের উপস্থিতি থাকলেও তা একা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশ্নের উত্তর নয়। মামলাটি নিয়ে আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা এবং মুরলীধরের মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময়ও হয়। মেহতা মামলাকারীর যুক্তির সমালোচনা করতে গিয়ে নকশাল শব্দ ব্যবহার করেন। সেই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন মুরলীধর।এদিন আদালত অবশ্য এই পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেনি। তবে কেন্দ্রের কাছ থেকে জবাব চাওয়া হয়েছে। বেঞ্চের মৌখিক পর্যবেক্ষণ, ধর্মীয় কারণে কেউ বন্দে মাতরম না গাইলে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি শাস্তি হওয়া উচিত নয়বিজয় ইমানুয়েল মামলার আইনি অবস্থানই এই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক থাকবে বলে আদালত আশা করছে।ফলে বন্দে মাতরম-এর ছয়টি স্তবক গাওয়া নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি এখন সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নকেউ ধর্মীয় বিশ্বাস বা বিবেকগত কারণে গানটি না গাইলে তাঁকে অপরাধী করা যাবে কি না। কেন্দ্রের জবাব পাওয়ার পর এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট কী অবস্থান নেয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
কলকাতা

পুরনো মামলায় জেল, আরও পাঁচ মামলায় রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন মিলন! হাই কোর্টে কী হল?

নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি ঘিরে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময়ের একটি পুরনো মামলায় গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আরও পাঁচটি মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হয় মঙ্গলবার। শুনানিতে রাজ্য জানায়, মিলনের বিরুদ্ধে নতুন করে যে পাঁচটি মামলা নিয়ে তিনি রক্ষাকবচ চেয়েছিলেন, সেগুলি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।মিলন প্রধানের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য অবশ্য জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও কয়েকটি মামলা রয়েছে। সেই মামলাগুলিতেও গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দেওয়ার আবেদন করেন তিনি। আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, ১৯ বছর আগের মামলায় গ্রেফতারির পর ভোটের প্রচারেও মিলন অংশ নিতে পারছেন না। ৪ অক্টোবর প্রচারের শেষ দিন হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বিবেচনা করার আবেদন জানানো হয়।তবে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের আদালতে শুনানির সময় জানানো হয়, নন্দীগ্রাম থানার মামলাটি ছাড়া বাকি পাঁচটি মামলায় মিলন প্রধান অভিযুক্ত নন। সেই কারণে ওই মামলাগুলির ক্ষেত্রে এই মুহূর্তে আলাদা করে রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলে আদালত মন্তব্য করে। মামলাটির পরবর্তী শুনানি আগামী ১০ অক্টোবর।এর আগে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন মিলন। সেই আশঙ্কা থেকেই কলকাতা হাই কোর্টে রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন করা হয়। তাঁর আইনজীবী আদালতের কাছে ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই বিষয়ে সুরক্ষা চেয়েছিলেন।মিলন প্রধানের গ্রেফতারির সময় নিয়েও রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শুক্রবার নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা জানান। সেই দিনই পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিলনকে। এই ঘটনাকে ঘিরে তৃণমূল ও কংগ্রেসের নেতারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ তুলেছেন। সেই অভিযোগ অবশ্য সংশ্লিষ্ট মামলার বিচারিক সিদ্ধান্ত নয়।তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ও মিলনের গ্রেফতারি নিয়ে রাজনৈতিক অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, বিরোধীদের হেনস্থা করার জন্য মামলা ব্যবহার করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশ নিয়ে অবশ্য তিনি মন্তব্য করতে চাননি বলে জানিয়েছেন।অন্য দিকে, মিলনের বিরুদ্ধে যে পুরনো মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে, সেটি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম জমি অধিগ্রহণবিরোধী আন্দোলনের সময়ের মামলা। বিভিন্ন প্রতিবেদনে ওই মামলায় গুরুতর অভিযোগ এবং দীর্ঘদিনের গ্রেফতারি পরোয়ানার কথা উঠে এসেছে। মিলন বর্তমানে ওই মামলাগুলির কারণে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন হওয়ার কথা ৬ অক্টোবর। তার আগে কংগ্রেস প্রার্থীর জেলবন্দি থাকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলির আইনি অবস্থান স্বাভাবিক ভাবেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবারের শুনানিতে পাঁচটি মামলা প্রত্যাহারের কথা রাজ্য জানালেও, মিলনের রক্ষাকবচের আবেদন নিয়ে আদালতের তরফে বড় কোনও নির্দেশ দেওয়া হয়নি। আগামী ১০ অক্টোবর ফের মামলাটি আদালতে উঠবে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
দেশ

আবারও ডেডলাইন শেষ! স্পিকারের নোটিসের জবাব দিতে আরও ৪ সপ্তাহ চাইলেন সুদীপ-কাকলিরা

আবারও সময়সীমা শেষ। কিন্তু লোকসভার স্পিকারের নোটিসের জবাব এখনও দেননি তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদ। ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জবাব দেওয়ার কথা থাকলেও, তার আগেই আরও চার সপ্তাহ সময় চেয়ে স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন জানাতে চলেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ওই সাংসদেরা। ফলে সাংসদ পদ খারিজের আবেদনকে ঘিরে ফের তৈরি হয়েছে নতুন টানাপোড়েন।লোকসভা সচিবালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য আরও চার সপ্তাহ সময় চাওয়া হবে। অর্থাৎ আরও প্রায় এক মাস সময় চেয়েছেন তৃণমূলত্যাগী সাংসদেরা। এর আগে প্রথমে তাঁদের এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত সময়ের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়। এবার সেই সময়সীমাও শেষ হওয়ার মুখে।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন ২০ জন সাংসদ। তাঁদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে সাংসদ পদ খারিজের আবেদন করেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভার স্পিকারের কাছে পৃথক ভাবে ওই সাংসদদের বিরুদ্ধে আবেদন জানানো হয়।স্পিকার দীর্ঘ সময় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে গত ২৫ অগস্ট ২০ জন সাংসদের কাছে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে স্পিকারের কাছেও এই বিষয়ে বক্তব্য জানতে চেয়েছিল আদালত।এর পর লোকসভার স্পিকারের সচিবালয়ও ২০ জন সাংসদকে নোটিস পাঠায়। প্রথমে সাত দিনের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। সেই সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সাংসদদের তরফে আরও সময় চাওয়া হয়। তাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছিলেন স্পিকার ওম বিড়লা।কিন্তু ২২ সেপ্টেম্বরও জবাব জমা না দিয়ে ফের সময় চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ ২০ সাংসদ। এবার তাঁদের আবেদনে চার সপ্তাহ সময় দেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে। স্পিকার সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন কি না, এখন সেটাই দেখার।এই ২০ সাংসদের দলবদল এবং তাঁদের সাংসদ পদ নিয়ে শুরু থেকেই রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের অভিযোগ, তাঁরা দল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিলেও লোকসভার নথিতে এখনও তাঁদের তৃণমূল সাংসদ হিসাবেই দেখা হচ্ছে। সেই কারণেই দলত্যাগ বিরোধী আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, সাংসদদের বক্তব্য এখনও স্পিকারের কাছে সম্পূর্ণ ভাবে জমা পড়েনি। ফলে অভিযোগের জবাব এবং তাঁদের বক্তব্যের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। স্পিকার নতুন করে চার সপ্তাহ সময় দেন কি না, নাকি দ্রুত পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু করেন, এখন সেই সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।অর্থাৎ, একবার নয়পরপর সময়সীমা পেরিয়ে ফের সময় চাওয়ার পথে হাঁটছেন সুদীপ-কাকলিরা। এবার স্পিকার ওম বিড়লা তাঁদের আরও এক মাস সময় দেন কি না, নাকি নোটিসের জবাব না পাওয়ার পর অন্য কোনও পদক্ষেপ করেন, সেটাই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

ফোন নিজে থেকেই নিল ‘আপডেট’, খুলতেই দেখলেন অ্যাকাউন্ট ফাঁকা! উধাও ৯৯ হাজার

ডিজিটাল লেনদেনের সময়ে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। তবে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে এক যুবকের অভিযোগ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট হওয়ার পর ফোন কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ফোন চালু হওয়ার পর ব্যাঙ্কের বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।ভাতার থানার ভুমশোর গ্রামের বাসিন্দা শেখ রাজেশের একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট রয়েছে। তাঁর দাবি, গত শনিবার তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর স্মার্টফোন নিজে থেকেই আপডেট নিতে শুরু করেছে। পরে রবিবার ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন তিনি।রাজেশ জানিয়েছেন, রবিবার কলকাতা থেকে ফেরার পথে বিকেল চারটে নাগাদ তাঁর ফোনে ফের আপডেট শুরু হয়। প্রায় ২০ মিনিট ফোনটি বন্ধ ছিল। আপডেট শেষ হওয়ার পর ফোন চালু করতেই তাঁর কাছে ব্যাঙ্কের বার্তা আসে। সেই বার্তায় তিনি জানতে পারেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ৯৯ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।বিষয়টি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারেননি রাজেশ। বাড়ি ফেরার পর তিনি ব্যাঙ্কে গিয়ে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন। সেখানে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয় বলে তাঁর দাবি।রাজেশের আরও দাবি, তিনি কাউকে কোনও ওটিপি দেননি। এমনকি টাকা তোলার জন্য কোনও অনুমতিও দেননি বলে জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কী ভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হল, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন ওই যুবক।ঘটনার পর প্রথমে ভাতার থানায় অভিযোগ জানান রাজেশ। পরে জেলা পুলিশের সাইবার অপরাধ শাখায় বিস্তারিত জানিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।তদন্তকারীরা ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। কী ভাবে অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা হল, লেনদেনটি কোন পথে হয়েছে এবং ফোন আপডেট হওয়ার সময়ের সঙ্গে ঘটনার কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তবে ফোনের আপডেটের কারণেই টাকা খোয়া গিয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। গোটা বিষয়টি তদন্তের পরেই পরিষ্কার হবে। অভিযোগের সত্যতা এবং টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি জানতে সাইবার অপরাধ শাখা বিভিন্ন তথ্য খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

তোলাবাজির মামলায় ভবানী ভবনে কীর্তি আজাদ! সিআইডির জেরায় কী বললেন তৃণমূল সাংসদ?

তোলাবাজির অভিযোগের মামলায় সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলেন বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ। কলকাতা হাই কোর্ট তাঁকে আপাতত কড়া পদক্ষেপ থেকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার ভবানী ভবনে সিআইডির দফতরে হাজির হন তিনি।মামলাটি এক ব্যবসায়ীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, ২০২৫ সালের মে মাসে ওই ব্যবসায়ীকে দুর্গাপুরের একটি বাংলোয় ডাকা হয়েছিল। সেখানে কীর্তি আজাদের এক সহযোগী তাঁর কাছে ১৫ লক্ষ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে তাঁর ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি অভিযোগকারীর। ওই কথোপকথনের একটি অডিয়ো রেকর্ড তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ বলে উঠে এসেছে।ঘটনার পর ব্যবসায়ী পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়। পরে তদন্তভার নেয় সিআইডি। কীর্তি আজাদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যও তলব করা হয়। গ্রেফতারির আশঙ্কায় এরপর কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সাংসদ।আদালতে কীর্তি আজাদের আইনজীবী অভিযোগের সময় এবং মামলা দায়েরের মধ্যে দীর্ঘ ব্যবধানের বিষয়টি তুলে ধরেন। তাঁদের দাবি ছিল, ঘটনার প্রায় ১৫ মাস পরে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কীর্তির বিরুদ্ধে সরাসরি টাকা নেওয়ার প্রমাণ নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কীর্তি আজাদ নিজেও অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।এর পর কলকাতা হাই কোর্ট কীর্তি আজাদকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেয়। আদালত তাঁকে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ দেয় এবং ভবানী ভবনে হাজির হয়ে সিআইডির প্রশ্নের উত্তর দিতে বলে। ভবিষ্যতে ফের জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হলে তাঁকে আগাম নোটিস দেওয়ার কথাও আদালত জানিয়েছে।কীর্তি আজাদ মঙ্গলবার নির্দিষ্ট সময়ে ভবানী ভবনে পৌঁছন। সেখানে তাঁকে মামলার অভিযোগ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সাংসদের দাবি, তোলাবাজির কোনও ঘটনার সঙ্গে তিনি যুক্ত নন। যে দিনের ঘটনা নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই দিন তিনি দুর্গাপুরে ছিলেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি। নিজের বক্তব্যের সমর্থনে তাঁর কাছে একাধিক নথি রয়েছে বলেও জানিয়েছেন কীর্তি।অন্য দিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ এবং অডিয়ো রেকর্ডের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিআইডি। আদালত আপাতত কীর্তি আজাদকে রক্ষাকবচ দিলেও তদন্ত বন্ধ করেনি। ফলে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের পরবর্তী ধাপে মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, সে দিকেই নজর রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
টুকিটাকি

আপনি কি ডায়াবেটিক? করলার জুস কি সত্যিই কমায় সুগার?

সকালে খালি পেটে করলার জুসডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের সহজ সমাধান, নাকি শুধুই প্রচলিত ধারণা? বিজ্ঞান কী বলছে?সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস করলার জুস। অনেকের কাছেই এটি যেন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের ঘরোয়া ফর্মুলা। কারও দাবি, নিয়মিত করলার জুস খেলেই কমে যায় রক্তে শর্করা। কেউ আবার বলেন, ওষুধের পাশাপাশি করলা নাকি প্রাকৃতিক ইনসুলিন হিসেবে কাজ করে। সামাজিক মাধ্যমেও এমন নানা পরামর্শের ছড়াছড়ি।কিন্তু সত্যিই কি করলার জুস ডায়াবেটিস কমাতে পারে? কতটা উপকারী এই তেতো পানীয়? প্রতিদিন খাওয়া কি নিরাপদ? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্নকরলার জুস খেলে কি ডায়াবেটিসের ওষুধ বন্ধ করা যায়?বিজ্ঞানের উত্তর একেবারে সরল নয়।গবেষণায় করলার কিছু উপাদানের রক্তে গ্লুকোজ কমানোর সম্ভাবনা দেখা গিয়েছে। কিছু clinical trial ও meta-analysis-এ fasting blood glucose এবং HbA1c কমার ইঙ্গিতও পাওয়া গেছে। কিন্তু অন্য গবেষণায় আবার উল্লেখযোগ্য উপকার মেলেনি। ফলে করলাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসা হিসেবে নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠা করার মতো শক্তিশালী প্রমাণ এখনও নেই। অর্থাৎ, করলা উপকারী হতে পারে, কিন্তু করলা ডায়াবেটিসের ওষুধ নয়।কেন করলাকে ঘিরে এত আলোচনা?করলায় রয়েছে একাধিক bioactive compound। এর মধ্যে charantin, polypeptide-p-সহ কয়েকটি উপাদান নিয়ে বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা করছেন।ল্যাবরেটরি ও প্রাণী-গবেষণায় করলার কিছু উপাদান insulin-এর মতো প্রভাব ফেলতে পারে, glucose metabolism-এ প্রভাব ফেলতে পারে এবং insulin sensitivity বাড়াতে পারেএমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।কিন্তু এখানেই গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে।ল্যাবরেটরিতে কোনও উপাদান কার্যকর প্রমাণিত হওয়া আর মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সেটি কার্যকর প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়। মানুষের উপর clinical trial-ই শেষ পর্যন্ত বেশি গুরুত্বপূর্ণ।গবেষণা কী বলছে?২০১৯ সালের একটি systematic review ও meta-analysis-এ টাইপ-২ ডায়াবেটিস নিয়ে করা ১০টি গবেষণা এবং ১,০৪৫ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। সেখানে করলার বিভিন্ন preparation ব্যবহারে fasting glucose, post-meal glucose এবং HbA1c কমার কিছু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে গবেষণার প্রমাণের মান ছিল কম থেকে খুব কম।অন্যদিকে, ২০২৪ সালের একটি systematic review-তে ৯টি randomised trial এবং ৪১৪ জন অংশগ্রহণকারীর তথ্য বিশ্লেষণ করে placebo-র তুলনায় fasting glucose বা HbA1c-তে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ, গবেষণার ফলাফল এখনও একমুখী নয়।আরও সাম্প্রতিক গবেষণাতেও করলার সম্ভাব্য উপকারের কথা উঠে এসেছে, কিন্তু একই সঙ্গে গবেষণার সীমাবদ্ধতার কথাও বলা হয়েছে।তাই বিজ্ঞানীদের বর্তমান অবস্থানকে সংক্ষেপে বলা যায়করলা রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এটিকে diabetes treatment-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার মতো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনও নেই।তাহলে করলার জুস খাবেন কীভাবে?এখানেই রয়েছে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।সামাজিক মাধ্যমে প্রায়ই বলা হয়, সকালে খালি পেটে এক গ্লাস করলার জুস ডায়াবেটিসের জন্য সবচেয়ে কার্যকর। কিন্তু করলার জুস খালি পেটে খেতেই হবেএমন কোনও শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।আর প্রতিদিন কত মিলিলিটার করলার জুস খেতে হবে, তারও কোনও সর্বজনস্বীকৃত therapeutic dose নেই।তাই তাজা করলা ভালোভাবে ধুয়ে নিন। অতিরিক্ত ঘন করে জুস বানাবেন না। জুসে চিনি, মধু বা অন্য কোনও মিষ্টি উপাদান মেশাবেন না। প্রথম থেকেই বেশি পরিমাণে খাওয়া শুরু করবেন না। খালি পেটে খাওয়াকে অবশ্যই করণীয় মনে করবেন না।অনেক ক্ষেত্রে করলাকে জুস না করে সাধারণ সবজি হিসেবে খাবারের সঙ্গে খাওয়াই বেশি বাস্তবসম্মত। এতে খাদ্যতালিকায় সবজি ও fibre যোগ হয় এবং অতিরিক্ত concentrated preparation নেওয়ার ঝুঁকিও কম থাকে।ডায়াবেটিসের ওষুধের সঙ্গে করলার জুস?এখানে কিন্তু যথেষ্ট সতর্ক হতে হবে।যাঁরা insulin অথবা রক্তে glucose কমানোর ওষুধ খান, তাঁদের ক্ষেত্রে করলার সম্ভাব্য glucose-lowering effect ওষুধের সঙ্গে যোগ হয়ে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে।ফলে নিজের মতো করে প্রতিদিন করলার জুস শুরু করা ঠিক নয়।হঠাৎ ঘাম হওয়া হাত-পা কাঁপা মাথা ঘোরা দুর্বল লাগা অতিরিক্ত ক্ষুধা বিভ্রান্তিইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিলে hypoglycaemia-এর সম্ভাবনা বিবেচনা করতে হবে।কারা সাবধান?গর্ভবতী মহিলা: concentrated বা medicinal preparation এড়ানো উচিত।Insulin বা diabetes medicine গ্রহণকারী: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত করলার জুস শুরু করা উচিত নয়।কিডনি বা লিভারের সমস্যা রয়েছে যাঁদের: বিশেষ করে concentrated extract বা supplement নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।শিশুদের ক্ষেত্রে: নিজের মতো করে করলার জুস বা extract দেওয়া উচিত নয়।সবচেয়ে বড় ভুলটা কী?ডায়াবেটিস ধরা পড়ার পর অনেকে ওষুধের পাশাপাশি বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় শুরু করেন। সমস্যা তখনই হয়, যখন সেই ঘরোয়া উপায়কে ওষুধের বিকল্প ভাবা শুরু হয়।করলার ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।করলার জুস খেয়ে যদি কারও blood sugar কিছুটা কমেও, তার অর্থ এই নয় যে তাঁর diabetes সেরে গেছে।ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদি metabolic condition। এর নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ, সুষম খাদ্য, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত blood glucose ও HbA1c পরীক্ষা।তাহলে করলা খাবেন কি খাবেন না?উত্তরটা সহজ।খাবার হিসেবে করলাহ্যাঁ।ডায়াবেটিসের ওষুধ হিসেবে করলানা।করলা একটি পুষ্টিকর, কম-ক্যালোরির সবজি হিসেবে সুষম খাদ্যের অংশ হতে পারে। রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে এর সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে গবেষণা চলছে। কিন্তু শুধুমাত্র করলার জুসের উপর নির্ভর করে diabetes management করা বৈজ্ঞানিকভাবে যুক্তিযুক্ত নয়।শেষ কথাতেতো স্বাদ মানেই বেশি ওষুধি শক্তিএমন ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।করলা নিয়ে গবেষণা আশাব্যঞ্জক হলেও এখনও চূড়ান্ত নয়। তাই করলার জুস খেলেই সুগার নিয়ন্ত্রণএমন সরল দাবি থেকে দূরে থাকাই ভালো।ডায়াবেটিস থাকলে করলাকে সহায়ক খাদ্য হিসেবে ভাবুন, চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে নয়।আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণওষুধ বন্ধ করার আগে নয়, করলার জুস শুরু করার আগেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬
রাজ্য

সমুদ্রে নামার আগে সতর্কবার্তা, তারপরেই তলিয়ে গেল তিনজন! মন্দারমণিতে চাঞ্চল্য

মন্দারমণিতে ফের সমুদ্রস্নানে নেমে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। জোয়ারের টানে সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু হল দুজনের। মৃতদের মধ্যে রয়েছে এক নাবালক। এখনও নিখোঁজ আরও এক জন। তাঁর খোঁজে সমুদ্রজুড়ে তল্লাশি চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উত্তাল থাকায় উদ্ধারকাজেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার বিকেলে মন্দারমণির তিন নম্বর ঘাটের কাছে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দিঘা থেকে টোটো ভাড়া করে মোট আট জন মন্দারমণিতে এসেছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সুমন শীল, বৃষ্টি শীল এবং প্রায় দশ বছরের নাবালক সোমনাথ হালদার।একটি রিসর্টের সামনে তাঁরা সমুদ্রে স্নান করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই সময় আচমকা জোয়ারের টানে তিন জন গভীর জলে চলে যান। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা সোমনাথকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করেন। তাঁকে দ্রুত বালিসাই বড় রাঙ্গুয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।সোমনাথের বাবা সন্তু হালদারের কথায়, ছেলে পাড়ের কাছেই স্নান করছিল। তিনি কিছুটা দূরে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে দেখেন, ছেলে সেখানে নেই। পরে খোঁজাখুঁজির পর তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ছেলেকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন তিনি।অন্য দিকে, সোমবার রাতে বৃষ্টি শীলের দেহও উদ্ধার করা হয়। তবে এখনও খোঁজ মেলেনি সুমন শীলের। তাঁর সন্ধানে স্পিড বোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তাল সমুদ্রের কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা তৈরি হলেও নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।ঘটনার পর মন্দারমণির উপকূল এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। পর্যটকদের সমুদ্রের কাছাকাছি যেতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ-প্রশাসনের তরফে মাইকিং করে পর্যটকদের সতর্ক করা হচ্ছে।পূর্ব মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা জানিয়েছেন, ওই আট জন নদিয়ার বাসিন্দা এবং তাঁরা দিঘা মোহনায় কাজ করেন। তাঁরা মন্দারমণিতে বেড়াতে এসেছিলেন। তাঁর দাবি, পর্যটকদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হয় এবং নজরদারির জন্য নুলিয়ার সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।পুলিশের দাবি, সমুদ্র উত্তাল থাকলে পর্যটকদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনের তরফে নজরদারি চললেও পর্যটকদের অসতর্কতার কারণে এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।গভীর নিম্নচাপের কারণে আপাতত মন্দারমণি-সহ উপকূলের সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রের ধারে পর্যটকদের নামার ক্ষেত্রে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। নিখোঁজ সুমন শীলের খোঁজে এখনও তল্লাশি চলছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal