• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

KKR,

খেলার দুনিয়া

ভাঁড়ার প্রায় খালি, দল গড়া অনেক বাকি, চিন্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স

আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, ভেঙ্কটেশ আয়ার, বরুণ চক্রবর্তীদের ধরে রাখতে অনেক টাকাই খরচ হয়ে গেছে। ৪৮ কোটি টাকা হাতে নিয়ে নিলামের ময়দানে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম দিনে শেষে খরচ প্রায় ৩৫ কোটি। হাতে রয়েছে মাত্র ১৩ কোটি। দ্বিতীয় দিনের নিলামের আগে চিন্তায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। কোন ক্রিকেটারকে কিনবে, তার জন্য পরামর্শ চেয়ে টুইট করেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। শ্রেয়স আয়ার, শিবম মাভি, নীতিশ রানা, প্যাট কামিন্সদের জন্য ঝাঁপাতে গিয়ে অনেকটাই টাকা খরচ করতে হয়েছে। সবথেকে বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে শ্রেয়স আয়ারের জন্য। আসলে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রাক্তন অধিনায়কের জন্য দারুণভাবে ঝাঁপাতে হয়েছে KKR টিম ম্যানেজমেন্টকে। কারণ গতবছরের ক্যাপ্টেন ইওয়িন মর্গানকে নিলামের আগে ছেড়ে দিয়েছিল KKR। ধরে রেখেছিল আন্দ্রে রাসেল, সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তী ও ভেঙ্কটেশ আয়ারকে। এদের মধ্যে কোনও ক্রিকেটারেরই দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্যতা নেই। তাই অধিনায়ক করার মতো নতুন কাউকে খুঁজছিল KKR টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই শ্রেয়স আয়ারের জন্য ঝাঁপিয়েছিল। ২ কোটি টাকার বেস প্রাইস শ্রেয়স আয়ারের জনয় ৫টি ফ্র্যাঞ্চাইজি ঝাঁপিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ১২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় শ্রেয়স আয়ারকে কিনতে হয় KKRকে। তাঁর হাতেই নেতৃত্ব তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা টিম ম্যানেজমেন্টের। যদিও KKR সিইও ভেঙ্কি মাইসোর বলেছেন, কোচের সঙ্গে কথা বলেই অধিনায়ক চূড়ান্ত করা হবে। শ্রেয়স আয়ারের মতো জাতীয় দলের ক্রিকেটারকে চেয়েছিলাম। সেই লক্ষ্য আমাদের পূরণ হয়েছে।নিলামের আগে প্যাট কামিন্স, নীতিশ রানাদেরও ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। লক্ষ্য ছিল কম টাকায় এদের আবার নিলাম থেকে কিনে নেওয়া। লক্ষ্যে সফল KKR। প্যাট কামিন্সের জন্য ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে হয়েছে। এত কম টাকায় কামিন্সকে পাবেন, ভাবেননি KKR কর্তারা। ২০২০ সালের নিলামে ১৫ কোটি টাকায় তাঁকে কিনতে হয়েছিল। নীতিশ রানার জন্য খরচ হয়েছে ৮ কোটি। শিবম মাভিকে KKR তুলেছে ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায়। শেলডন জ্যাকসনকে ৬০ লক্ষ টাকায়। নিকোলাস পুরাণের জন্য ঝাঁপিয়েছিল KKR। নিকোলাসকে ১০ কোটি ৭৫ লক্ষ তুলেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।ডেভিড মিলার, মহম্মদ নবি, মহম্মদ আজহারউদ্দিন, স্টিভ স্মিথরা এখনও অবিক্রিত রয়েছেন। দ্বিতীয় দিন এদের নিলামে তোলা হবে। এদের পাশাপাশি কেসি কারিয়াপ্পার দিকেও নজর রয়েছে KKR টিম ম্যানেজমেন্টের। বোলিং নিয়ে সমস্যায় না পড়তে হলেও ব্যাটিং নিয়ে সমস্যায় পড়তে হবে KKRকে। তাই দ্বিতীয় দিন নিলামে ব্যাটারদের দিকেই নজর থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নাইট রাইডার্সে ভারতীয় দলের প্রাক্তন বোলিং কোচ

একসময় ভারতীয় দলের বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। এবার কলকাতা নাইট রাইডার্স দলের বোলিং কোচের দায়িত্বে দেখা যাবে ভরত অরুণকে। শুক্রবারই তাঁকে নতুন দায়িত্ব দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট।দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় দলের দায়িত্ব সামলেছেন ভরত অরুণ। গতবছর টি২০ বিশ্বকাপের পরই তাঁর সঙ্গে ভারতীয় বোর্ডের চুক্তি শেষ হয়। ভরত অরুণের জায়গায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড দায়িত্ব দিয়েছেন পরশ মামরেকে। এই মুহূর্তে ভরত অরুণ ফাঁকাই ছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায় কলকাতা নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই ভরত অরুণকে বোলিং কোচের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শোনা যাচ্ছিল আমেদাবাদ ফ্র্যাঞ্জাইজির বোলিং কোচের দায়িত্ব পেতে পারেন ভরত অরুণ। কিন্তু আশিস নেহরা আমেদাবাদের হেড কোচ নিযুক্ত হওয়ায় নতুন করে বোলিং কোচ রাখার সম্ভাবনা কম। তাই কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রস্তাব গ্রহন করলেন ভরত অরুণ।🚨 𝘼𝙉𝙉𝙊𝙐𝙉𝘾𝙀𝙈𝙀𝙉𝙏 🚨We are delighted to introduce you to our new bowling coach! Welcome to the Knight Riders family, Bharat Arun 💜💛#KKR #AmiKKR #IPL2022 #BharatArun pic.twitter.com/MpAXJMa67C KolkataKnightRiders (@KKRiders) January 14, 2022কোচ হিসেবে ভরত অরুণের অভিজ্ঞতা যথেষ্ট। একসময় তিনি বাংলা ও তামিলনাডুর রনজি দলের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১২ সালে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপজয়ী ভারতীয় দলের কোচ ছিলেন। দীর্ঘদিন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলেছেন। দুদফায় ভারতীয় জাতীয় দলের বোলিং কোচ ছিলেন। আইপিএলেও কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। ২০১৫ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বোলিং কোচের দায়িত্ব সামলেছেন।আরও পড়ুনঃ ইতিহাস তৈরি করতে ব্যর্থ কোহলিরা, ভারত নেমে গেল পাঁচেএইরকম হাই প্রোফাইল কোচকে দায়িত্ব দিতে পেরে খুশি কলকাতা নাইট রাইডার্সের সিইও ভেঙ্কি মাইসোর। এক প্রেস বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ভরত অরুণের মতো দক্ষ বোলিং কোচ কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন। ওর অভিজ্ঞতা কলকাতা নাইট রাইডার্সকে আরও সমৃদ্ধ করবে। অন্যদিকে, কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে খুশি ভরত অরুণও। তিনি বলেন, কেকেআরের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে ভাল লাগছে। দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছি।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

IPL 2021: নারাইনের ম্যাজিকে ফাইনালের আশা নাইট রাইডার্সের

একসময় প্লে অফে ওঠাই কঠিন ছিল কলকাতা নাই রাইডার্সের কাছে। এলিমিনেটরের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন জিইয়ে রাখল নাই রাইডার্স। দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে এবার খেলবে দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে। নাইটদের জয়ের নায়ক সুনীল নারাইন।শারজার বাইশ গজে রান তাড়া করা কঠিন হবে এটা মনে করে টস জিLতে ব্যাটিং নেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর অধিনায়ক বিরাট কোহলি। দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার দেবদত্ত পাড়িক্কল ও বিরাট কোহলি। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে দলের ৪৯ রানের মাথায় আউট হন দেবদত্ত পাড়িক্কল। তিনি ২টি চারের সাহায্যে ১৮ বলে ২১ রান করেন। দশম ওভারের চতুর্থ বলে ৬৯ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। নিজের প্রথম ওভারেই কেএস ভরতের উইকেট তুলে নেন সুনীল নারাইন। নাইট রাইডার্সের স্পিনারদের দাপটে রান তোলা কঠিন হয়ে পড়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের। ১২.২ ওভারে ৮৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় ব্যাঙ্গালোরে। ৩০ বলে ৩৯ রান করে নারাইনের বলে বোল্ড হন কোহলি। এরপর রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তাকিয়ে ছিল ডিভিলিয়ার্সের দিকে। ১৫তম ওভারে নারাইনের দ্বিতীয় বলে ভিলিয়ার্সও বোল্ড হন। তিনি ৯ বলে ১১ রান করেন। নিজের শেষ ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকেও ফেরান নারাইন। ১৮ বলে ১৫ রান করেন ম্যাক্সওয়েল। ১৯তম ওভারে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন শাহবাজ আহমেদ। তিনি করেন ১৪ বলে ১৩। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৩৮ তোলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স। ৪ ওভারে ২১ রানের বিনিময়ে ৪ উইকেট নেন সুনীল নারাইন। লকি ফার্গুসন ৪ ওভারে ৩০ রানের বিনিময়ে ২টি উইকেট দখল করেন।গোটা ইনিংসে একটাও ছয় মারতে পারেননি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ব্যাটাররা। জয়ের জন্য ১৩৯ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না নাইট রাইডার্সের কাছে। ভাল শুরু করেন নাইটদের দুই ওপেনার শুভমান গিল ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ব্যাট শুরুতেই ঝড় তোলেন শুভমান। ৫ ওভারে ওঠে ৪১। এরপরই হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন শুভমান। ১৮ বলে তিনি করেন ২৯। ভেঙ্কটেশ আয়ারকেও (৩০ বলে ২৬) তুলে নেন হর্ষল। রাহুল ত্রিপাঠী (৫ বলে ৬) ব্যর্থ হলেও দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান নীতীশ রানা (২৫ বলে ২৩)। নীতীশ যখন আইট হন নাইট রাইডার্সের রান তখন ১১০/৪।এরপর মহম্মদ সিরাজের দাপটে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স। দ্রুত ২ উইকেট তুলে নেন তিনি। একই ওভারে ফেরান সুনীল নারাইন (২৬) ও দীনেশ কার্তিককে (১০)। শেষ ওভারে জয়ের জন্য নাইটদের দরকার ছিল ৭ রান। ২ বল বাকি থাকতে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন মর্গ্যান (অপরাজিত৫ ৫) ও সাকিব (অপরাজিত ৯)।

অক্টোবর ১১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL: নেতা হিসেবে চূড়ান্ত ব্যর্থ, মর্গ্যানকে সরানোর জোরালো দাবি উঠল

আইপিএলের প্রথম পর্বে একের পর এক ব্যর্থতায় নেতৃত্ব ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন দীনেশ কার্তিক। অধিনায়কের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছিল ইওয়িন মর্গানের হাতে। তাঁর নেতৃত্বেও যে কলকাতা নাইট রাইডার্স একটুও বদলায়নি, ইতিমধ্যেই প্রমানিত। দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে পরপর দুটি ম্যাচ জিতলেও নাইটদের প্লে অফের ভাগ্য এখন অন্য দলের ওপর নির্ভর করছে। আর সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ অধিনায়ক ইওয়িন মর্গান। একে তো ব্যাটে রান নেই, তার ওপর নেতা হিসেবেও দলকে উজ্জীবিত করতে চূড়ান্ত ব্যর্থ। আইপিএলে ৮ দলের অধিনায়কদের মধ্যে সবথেকে খারাপ হাল মর্গ্যানের। ১১ ইনিংসে তাঁর রান ২,০, ৮, ৭, ০, ০, ৪৭, ০, ৭, ২৯, ৭, ০। মোট ১০৯। গড় ১০.৯০, স্ট্রাইক রেট ১০০.৯২। আইপিএলে ইওয়িন মর্গ্যানের চেয়ে খারাপ গড় কোনও অধিনায়কের নেই। আইপিএলের অধিনায়ক হিসেবে খারাপ গড়ের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১২ সালের আইপিএলে হরভজন সিংয়ের ব্যাটিং গড় ছিল ১২। ২০০৯ সালে শেন ওয়ার্নের ১৩.৫। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ব্যর্থতার পর মর্গ্যানের দশা সেগুলির চেয়েও খারাপ। তার উপর রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে অনেকের কাছেই চক্ষুশূল হয়েছেন। নাইট রাইডার্স অধিনায়কের একের পর এক ব্যর্থতায় তাঁকে সরানোর দাবিও ইতিমধ্যে উঠতে শুরু করেছে। অধিনায়ক মর্গ্যানের একর পর এক ব্যর্থতায় অস্বস্তি বাড়ছে নাইট শিবিরেও। মর্গ্যান কার্যত দলের বোঝা হিসেবেই প্রতিপন্ন হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তাঁকে দল থেকে বাদ দেওয়ার দাবিও উঠেছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় মর্গ্যানকে উদ্দেশ্য করে নানা কটাক্ষ ভেসে উঠেছে। কেউ কেউ টুইট করে বলেছেন যে, মর্গ্যান আসন্ন টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের মহেন্দ্র সিং ধোনির মতোই ইংল্যান্ডের মেন্টরের ভুমিকা পালন করুন। কেউ কেই আবার লিখেছেন, পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে মর্গ্যানের ব্যর্থতা দেখে নিশ্চিতভাবেই খুশি হবেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন। হাইভোল্টেজ ম্যাচে স্টাম্প লক্ষ্য করে বল করে সামি ক্রিকেটীয় স্পিরিট ভেঙেছেন কিনা প্রশ্নও নাইট অধিনায়কের সামনে রেখেছেন নেটাগরিকরা। কেউ কেউ আবার মর্গ্যানের নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা আছে কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এরপরেও কি অধিনায়ক সরানোর পথে হাঁটবে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট?

অক্টোবর ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌KKR-Andre Russell : দিল্লির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আন্দ্রে রাসেল কেন চিন্তার কারন নাইট টিম ম্যানেজমেন্টের?‌

মঙ্গলবার শারজায় আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও দিল্লি ক্যাপিটালস। প্লে অফের ছাড়পত্রর জন্য এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ।এই মুহূর্তে ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে আইপিএলের লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে থেকে প্লে অফের রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার করে ফেলেছে ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস। অন্যদিকে, ১০ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তাদের সামনেও প্লে অফে ওঠার সুযোদ রয়েছে। দিল্লির থেকেও কলকাতার কাছে ম্যাচটা অবশ্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হারলেই প্লে অফে লড়াই কঠিন হয়ে পড়বে মর্গানদের সামনে। দিল্লির বিরুদ্ধে এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্টের মাথা ব্যাথা হয়ে দাঁড়িয়েছে অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেলের চোট।আগের ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হারের পাশাপাশি কলকাতা নাইট রাইডার্সকে বড় ধাক্কা দিয়ে গেছে আন্দ্রে রাসেলের চোট। ফিল্ডিং করার সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন রাসেল। মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। তাঁকে আর বল করাতে পারেননি মর্গান। রাসেল মাঠে থাকলে হয়তো হারতে হত না নাইট রাইডার্সকে। কারণ প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর পরিবর্তে ডেথ ওভারে তাঁর হাতেই বল তুলে দিতেন মর্গান। দিল্লির বিরুদ্ধে রাসেলের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। পরপর দুটি ম্যাচ জিতে আগের ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে হারতে হয়েছে নাইট রাইডার্সকে। জয়ের কাছাকাছি এসেও শেষরক্ষা হয়নি। ছোটখাট ভুল শুধরে দিল্লির বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। এছাড়া অন্য কোনও রাস্তা খোলা নেই ইওয়িন মর্গানদের সামনে। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই দুরে সরে যেতে হবে। এতদিন আবু ধাবিতে খেলে এসেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। দিল্লির বিরুদ্ধে এবার শারজায় মাঠে নামতে হবে। শারজার উইকেট আবু ধাবির থেকে অপেক্ষাকৃত মন্থর। দিল্লি বধের জন্য বরুণ চ্ক্রবর্তী, সুনীল নারাইনের দিকে তাকিয়ে নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। নাইট রাইডার্সের টপ অর্ডার যেমন রানের মধ্যে রয়েছে, মিডল অর্ডারের রান পাওয়াটা স্বস্তি দিচ্ছে নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে। তবে দিল্লির শক্তিশালী জোরে বোলিংয়ের বিরুদ্ধে শুভমান, ভেঙ্কটেশ, ত্রিপাঠীদের বড় পরীক্ষা। শুভমানরা স্বসম্মানে উত্তীর্ণ হলেই প্লে অফের রাস্তা অনেকটাই পরিস্কার হয়ে যাবে নাইটদের সামনে। পরীক্ষায় বসতে হবে বরুণ চক্রবর্তী, সুনীল নারাইনদেরও। চলতি আইপিএলে ধারাবাহিকতার দিক দিয়ে সবথেকে এগিয়ে রয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটাররা। শিখর ধাওয়ান, পৃথ্বী শ, শ্রেয়স আয়ার, ঋষভ পন্থ, শিমরণ হেটমায়ের সমৃদ্ধ ব্যাটিং লাইন যে কোনও বোলিং শক্তিকে বেগ দিতে পারে। টানা ৪ ম্যাচ জিতে আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে রয়েছে ঋষভ পন্থের দলের। ফলে নাইটদের কাছে লড়াইটা সহজ হবে না।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL Match : রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে নাটকীয় জয়ে প্লে অফ নিশ্চিত করল চেন্নাই সুপার কিংস

রোমাঞ্চকর ম্যাচ, নাটকীয় শেষ দুটি ওভার। ম্যাচের ১৯ তম ওভারই পার্থক্য গড়ে দিল। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর ওই ওভারে ২২ রান তুলে প্রায় হারা ম্যাচ জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দিয়েছিলেন স্যার রবীন্দ্র জাদেজা। আবু ধাবিতে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে শেষ বলে ২ উইকেটে হারিয়ে আইপিএলের প্লে অফে পৌঁছে গেল চেন্নাই সুপার কিংস। চাপের মুখে শেষ বলে দলকে জয়সূচক রানটি এনে দেন দীপক চাহার। দিল্লি ক্যাপিটালসকে সরিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষস্থানও ফের দখল করল চেন্নাই সুপার কিংস।ডেথ ওভারে ৬ বলের মধ্যে আউট হয়েছিলেন মঈন আলি, সুরেশ রায়না ও মহেন্দ্র সিং ধোনি। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে নাইট রাইডার্স যখন জয়ের গন্ধ পাচ্ছে তখন ১৯তম ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণকে সাধারণ মানে নামিয়ে পরিত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন রবীন্দ্র জাদেজা। ২টি ছয়ের পর ২টি চার মেরে এক ওভারে ২২ রান নিলেন। ফলে শেষ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের জন্য প্রয়োজন হয়ে পড়ে ৪ রান।শেষ ওভারেও রুদ্ধশ্বাস নাটক অপেক্ষা করছিল। প্রথম বলে স্যাম কারেনকে আউট করেন সুনীল নারাইন। কারেন করেন ৪ রান। পরের বলটিতে কোনও রান না হলেও তৃতীয় বলে তিন রান নিয়ে নেন শার্দুল ঠাকুর। চতুর্থ বলে রান নিতে পারেননি রবীন্দ্র জাদেজা। পঞ্চম বলে তিনি লেগ বিফোর হন। ৮ বলে ২২ রান করে আউট হন তিনি। শেষ বলে প্রয়োজনীয় এক রান নিয়ে চেন্নাই শিবিরে স্বস্তি এনে দেন দীপক চাহার।এদিন ধোনি যখন ব্যাট হাতে বাইশ গজে প্রবেশ করেন, চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের জন্য তখন দরকার ২০ বলে ৩৪। আগের ধোনি হলে চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যেত, চেন্নাই জিতবে। বরুণ চক্রবর্তীর ডেলিভারি মাহির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক খুঁজে স্টাম্পে আঘাত করতেই মনে হচ্ছিল চেন্নাইয়ের জয় হয়তো অধরাই থেকে যাবে। ধোনির অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করে গেলেন স্যার রবীন্দ্র জাদেজা। ক্যাপ্টেন কুলএর দেওয়া স্যার উপাধির মর্যাদা দিয়ে গেলেন। ধোনিকে জ্বলে উঠতে না দেওয়ার পেছনে নাইট ক্যাপ্টেন ইওয়িন মর্গানের মস্তিষ্কের প্রশংসাও করতে হবে। বরুণ চক্রবর্তীর রীতিমতো শিকার হয়ে দাঁড়িয়েছেন। গতবছর আইপিএলেও দুবাইয়ে ধোনিকে তুলে নিয়েছিলেন বরুণ। এবছরও সেই বরুণেরই শিকার। ধোনি ক্রিজে আসতেই বরুণকে আক্রমণে নিয়ে এসেছিলেন মর্গান। সুফলও পেয়েছিলেন। কিন্তু সব বুমেরাং করে দেন রবীন্দ্র জাদেজা।চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে প্রথম পর্বে নাইট রাইডার্সকে ডুবিয়েছিল ব্যাটিং। দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটসম্যানরা নিজেদের মেলে ধরলেও জয় এল না। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে শুভমান গিলকে (৯) হারালেও বড় রান পেতে অসুবিধা হয়নি নাইটদের। ভেঙ্কটেশ আয়ায় (১৫ বলে ১৮) ভাল শুরু করেও আটকে গেলেন। রাহুল ত্রিপাঠী (৩৩ বলে ৪৫) অবশ্য ধারাবাহিকতা ধরে রাখলেন। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে পরীক্ষায় লেটার মার্কস না পেলেও পাশ করে গেল মিডল ও লোয়ার মিডল অর্ডার। নীতিশ রানা (২৭ বলে অপরাজিত ৩৭), আন্দ্রে রাসেল (১৫ বলে ২০), দীনেশ কার্তিকদের (১১ বলে ২৬) সৌজন্যে ১৭১/৬ রানে পৌঁছয় নাইটরা।জয়ের জন্য ১৭২ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু করেন চেন্নাই সুপার কিংসের দুই ওপেনার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৭৪ রান। নবম ওভারের প্রথম বলে আন্দ্রে রাসেলকে স্টেপ আউট করে ছক্কা মারার পরের বলটিই ঠিকভাবে সামলাতে না পেরে মর্গ্যানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। দুটি চার ও তিনটি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪০ রান করেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। এরপর মঈন আলিকে সঙ্গে নিয়ে ১০.৫ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের ১০০ রান পূর্ণ করিয়ে দেন ফাফ ডুপ্লেসি। ১১.৩ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর বলে লকি ফার্গুসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। সাতটি চারের সাহায্যে তিনি করেন ৩০ বলে ৪৪ রান। ১৪.২ ওভারে দলের ১১৯ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় সিএসকে। সুনীল নারাইনের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৯ রান করেন অম্বাতি রায়ুডু।শেষ চার ওভারে সিএসকের জয়ের জন্য দরকার ছিল ৪০ রান। ১৭তম ওভারের চতুর্থ বলে মঈন আলিকে ফেরান লকি ফার্গুসন। ২টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৩২ রান করেন মঈন। শেষ তিন ওভারে চেন্নাইয়ের জয়ের জন্য ৩১ রান দরকার ছিল। ব্যক্তিগত ১১ রানে রান আউট হন সুরেশ রায়না। চেন্নাইয়ের পঞ্চম উইকেট পড়ে ১৪২ রানের মাথায়। কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই এই ওভারের তৃতীয় বলে বরুণ চক্রবর্তীর গুগলিতে ঠকে বোল্ড হন মহেন্দ্র সিং ধোনি। ৪ বলে ১ রানের বেশি করতে পারেননি সিএসকে অধিনায়ক। বরুণ চক্রবর্তী ৪ ওভারে ২৩ রানের বিনিময়ে ধোনির উইকেটটি তুলে নেন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে। ১৮তম ওভারে তিনি মাত্র ৫ রান খরচ করেন। এর আগে, টস জিতে ব্যাট করতে নেমে কলকাতা নাইট রাইডার্স ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭১ রান তোলে। সর্বাধিক ৪৫ রান করেন রাহুল ত্রিপাঠি। নীতীশ রানা অপরাজিত থাকেন ২৭ বলে ৩৭ রান করে। ১১ বলে ২৬ রান করেন দীনেশ কার্তিক। শার্দুল ঠাকুর ও জশ হ্যাজলউড নেন দুটি করে উইকেট।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL, KKR : চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের জন্য কাদের জন্য দিকে তাকিয়ে নাইট টিম ম্যানেজমেন্ট?‌

রবিবার আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্রথম পর্বে চেন্নাইয়ের কাছে হারতে হয়েছিল নাইটদের। এবার প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে কাজটা সহজ হবে না নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় পর্বে দুটি দলই দুটি করে ম্যাচ জিতেছে। নাইট রাইডার্সকে আগের তুলনায় অনেক বেশি ঝকঝকে মনে হচ্ছে। পরপর দুটি ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলে উঠে এসেছে ৪ নম্বরে। রবিবার চেন্নাই সুপার কিংসকে হারাতে পারলেই প্লে অফের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যাবে। নাইট টিম ম্যানেজমেন্টকে ভরসা জোগাচ্ছে টপ অর্ডার এবং বরুণ চক্রবর্তীর বোলিং। আগের দুটি ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন ভেঙ্কটেশ আয়ার, শুভমান গিল ও রাহুল ত্রিপাঠী। বরুণ চক্রবর্তীর বোলিংও ধাঁধায় ফেলছে ব্যাটসম্যানদের।দ্বিতীয় পর্বে নাইটদের বদলে যাওয়ার রহস্য টপ অর্ডার ব্যাটসম্যানদের পারফরমেন্স। প্রথম সাক্ষাৎকারে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়তে হয়েছিল নাইটদের। ৩১ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়েছিল। পরের দিকে কার্তিক, রাসেল, কামিন্সদের ঝোড়ো ব্যাটিং বাঁচাতে পারেনি নাইট রাইডার্সকে। দ্বিতীয় পর্বে নাইটদের দুটি জয়ে পেছনে রয়েছে টপ অর্ডারের অবদান। ভেঙ্কটেশ আয়ার, শুভমান গিল, রাহুল ত্রিপাঠীরা দলকে উতরে দিয়েছেন। তবে মিডল অর্ডারকে এখনও পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধেই হয়তো পরীক্ষার মুখে। কারণ, চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা বোলাররা ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ব্যাটসম্যানদের কাজ কঠিন করে দিচ্ছে। চেন্নাই সুপার কিংসের অবশ্য কোনও বিভাগ নিয়ে চিন্তা নেই। টানা ৫ ম্যাচ জিতে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে আত্মবিশ্বাসে টগবগ করে ফুটছে। আগের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে প্রতিকূল অবস্থা থেকেও দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। ডেথ ওভারে শার্দূল, দীপকরা দারুণ বোলিং করে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে বড় রান করতে দেননি। ব্যাটিংয়েও টপ অর্ডার দলকে নির্ভরতা দিয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা, ধোনি ব্রিগেডের ব্যাটিং লেজ যথেষ্ট লম্বা। তার ওপর রয়েছে অধিনায় ধোনির ক্রিকেটীয় মস্তিষ্ক। ফলে নাইটদের কঠিন লড়াইয়ের সামনে পড়তে হবে। একটা পরিসংখ্যান দুই শিবিরকেই আশাবাদী করে তুলেছে। দুই দলই দ্বিতীয় পর্বে হারিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে। দুই দলের শেষ পাঁচটি সাক্ষাতে চারটি ম্যাচেই জিতেছে চেন্নাই সুপার কিংস। গত বছরের আইপিএলে প্রথম সাক্ষাতে সিএসকে ৬ উইকেটে জিতলেও ফিরতি ম্যাচে কেকেআর জিতেছিল ১০ রানে। এখনও অবধি আইপিএলে দুই দল পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে ২৬ বার। ১৬টিতে জিতেছে সিএসকে, ৯টিতে কেকেআর, একটি ম্যাচ অমীমাংসিত ছিল।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

KKR : নাইট রাইডার্সে অশান্তি?‌ ম্যাকালামের উপর ক্ষিপ্ত কুলদীপ যাদব

দ্বিতীয় পর্ব শুরুর আগে টিম ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন কুলদীপ যাদব। আইপিএল ২০২১-র প্রথম পর্বে কেকেআরের জার্সিতে একটি ম্যাচেও মাঠে নামতে দেখা যায়নি কুলদীপ যাদবকে। এই ঘটনা যে তাঁকে হতাশ করেছিল, তা জানাতে ভোলেননি বাঁ-হাতি চায়নাম্যান। জানিয়েছেন, প্রতি ম্যাচে কেন তাঁকে মাঠের বাইরে বসে থাকতে হচ্ছে, তা তিনি জানতেই পারেননি। দল তাঁর সঙ্গে এ ব্যাপারে কখনওই কোনও কথা বলেনি বলেও দাবি করেছেন কুলদীপ। ভারতীয় স্পিনারের কথায়, তাঁর প্রতি কেকেআর ম্যানেজমেন্টের অবহেলা তাঁকে ব্যথা দিয়েছে। একই সঙ্গে কেকেআরের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের বিরুদ্ধেও পরোক্ষে বোমা ফাটিয়েছেন কুলদীপ। তাঁর কথায়, কোচ পুরনো হলে তাঁর সঙ্গে সেভাবে মেশা যায়। কিন্তু নতুন কোচ নিজের পরিকল্পনা ক্রিকেটারদের থেকে লুকিয়ে রাখলে এ ব্যাপারে ধোঁয়াশা তৈরি হল বলে বক্তব্য ভারতীয় স্পিনারের।ভারতীয় দলের হয়ে অনেকটা সময় ধরে চুটিয়ে ক্রিকেট খেলা কুলদীপ যাদব নিজের আইপিএল দল কেকেআরের আচরণে অপমানিত। যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও দলের প্রথম একাদশে সুযোগ পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়া বাঁ-হাতি চায়নাম্যান বুঝতেই পারছেন যে তাঁর সঙ্গে কেন এমন আচরণ করছে কেকেআর। কুলদীপের মনে হয়েছে যে তাঁর প্রতি ম্যাকালামদের কোনও ভরসা নেই। তাঁর দক্ষতাকেও ছোট করা হয়েছে বলে মনে করেন কেকেআরের বাঁ-হাতি স্পিনার।বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ার জন্য এবছর আইপিএল মাঝপথে স্থগিত হয়ে গিয়েছিল। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় পর্ব ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে শুরু হতে চলেছে। দ্বিতীয় পর্বে মাঠে নামার আগে প্রথম পর্বের ব্যর্থতা নিয়ে মুখ খুলেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। তাঁর দাবি, আতঙ্কেই ক্রিকেটাররা প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েছিলেন। এর ফলেই ক্রিকেটাররা নিজেদের ওজন অনুযায়ী পারফরম্যান্স করতে পারেননি। দলের ওয়েবসাইটে ম্যাকালাম বলেন, আইপিএলের শুরু থেকেই দলের ক্রিকেটারদের মনে ভয় বাসা বেঁধেছিল। সেই কারণেই নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি। তিনি আরও বলেন, আমার দলের ক্রিকেটাররা কেমন এবং তারা কেমন পারফরম্যান্স করতে পারে সবাই জানে। প্রত্যাশার চাপই দলের ক্রিকেটারদের মনে অন্য আতঙ্ক তৈরি করেছিল, যা দলকে প্রতিবন্ধী বানিয়েছিল।প্রথম পর্বের ব্যর্থতা ভুলে দ্বিতীয় পর্বে দলের ক্রিকেটাররা সেরাটা দেবেন বলে আশা করেছেন ম্যাকালাম। তাঁর কথায়, এখনও আমাদের সামনে প্লে-অফের দরজা খোলা রয়েছে। কঠিন চ্যালেঞ্জ সামলে দল হিসেবে একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করাই দলের মূল লক্ষ্য। প্রথম পর্বে দলের কাছ থেকে কী চেয়েছিলাম ক্রিকেট প্রেমীরা নিশ্চয় তা বুঝেছেন। দলের সাফল্যের দীর্ঘমেয়াদী রূপরেখা তৈরি করাই লক্ষ্য। কে কী বলল, তাতে গুরুত্ব দিচ্ছি না।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

নাইটদের জয়েও কাঁটা নারিনের হলুদ কার্ড

হলুদ কার্ড দেখে এখন লাল কার্ডের আশঙ্কা। ফুটবলের পরিভাষাতেই বোঝানো যেতে পারে সুনীল নারিনের অবস্থা। কিংস ইলেভেন ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস জয়ের পরেও নাইটদের কাঁটা এখন নারিনের বোলিং অ্যাকশন। শনিবারের ম্যাচে আইপিএলের সন্দেহজনক বেআইনি বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত নিয়ম মেনে নারিনের অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন আম্পায়াররা। তবে এখনও টুর্নামেন্টে বোলিং করতে পারবেন। তবে ফের এমন রিপোর্ট জমা পড়লে বোর্ডের বোলিং অ্যাকশন কমিটির ছাড়পত্র না পাওয়া অবধি হাত ঘোরাতে পারবেন না কেকেআরের ট্রাম্প কার্ড, এই ক্যারিবিয়ান বিস্ময় স্পিনার।

অক্টোবর ১১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

আইপিএলে প্রথম মার্কিন ক্রিকেটারকে নিল কেকেআর

আলি খান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পেসারকে দলে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। হ্যারি গার্নির পরিবর্ত হিসেবে। কাঁধের চোটের কারণে অপারেশন হবে হ্যারির, তাই খেলতে পারবেন না এবারের আইপিএলে। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন শাহরুখ খানের ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন আলি খান। ৮ ম্যাচে নিয়েছেন ৮ উইকেট, ইকনমি সাতের কিছু বেশি। ২৯ বছরের আলি গত বছর কেকেআরের ব্যাক আপ প্লেয়ার ছিলেন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, পাকিস্তান সুপার লিগ, কানাডায় গ্লোবাল টি ২০-তে খেলেছেন। কানাডায় আলি খানকে দেখে নাইট রাইডার্সে তাঁকে রাখার সুপারিশ করেন ডোয়েন ব্র্যাভো। আলি খান প্রথম মার্কিন ক্রিকেটার যিনি আইপিএলের আসরে সুযোগ পেলেন।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal