• ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩, বুধবার ১৩ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

KK

বিনোদুনিয়া

Wrong Number : Klikk এর নতুন ডিজিটাল প্রিমিয়ার - ফিচার ফিল্ম Wrong Number

Klikk এর নতুন ডিজিটাল প্রিমিয়ার - ফিচার ফিল্ম Wrong Number আসতে চলেছে। আগামীকাল মুক্তি পাবে এই ছবি। এক ঝাঁক প্রখ্যাত ও প্রতিভাবান অভিনেতাদের দেখতে পাওয়া যাবে এই ফিল্ম টি তে। এদের মধ্যে রয়েছেন সৌরভ দাস, সায়নী ঘোষ, দূর্গা সাঁতরা, ভরত কল ও বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী।Wrong Number এর গল্পটি হল স্যান্ডি একজন অলস যুবক যে একটি ধনী পরিবার থেকে এসেছে এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন দেখে। তার রুমমেট জয় একজন আংশিক সময়ের (পার্ট টাইম) শিক্ষক যে মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসেছে এবং সে লেখক হতে চায়। যখন জয় রচিত এবং স্যান্ডির গাওয়া একটি গান ইউটিউবে হিট হয়ে যায়, তখন দিয়া এবং তার বন্ধু শ্রুতি ওই দুই পুরুষদের প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে। এই প্রজন্মের চার তরুণ-তরুণীর গল্প Wrong Number যেখানে তাঁরা প্রত্যেকেই তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে গুরুতরভাবে আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগছে। তাঁরা কি পারবে তাদের সেই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসতে? তাদের সম্পর্কেরপরিণতিই বা কি হবে?আরও পড়ুনঃ দক্ষিণ কলকাতায় দেবীসম্মানের ক্যালেন্ডার শুটWrong Number এর পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পন্ডিত সুবেন্দু । প্রযোজনা করছেন জয়দেব সমাদ্দার, লেখক ও গীতিকার সৌরভ মালাকার, লেখক বিশ্বজিৎ হালদার, সঙ্গীতজ্ঞ রাহুল মজুমদার এবং চিত্রগ্রাহক ইন্দ্রনীল সরকার।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Trawler: বকখালিতে মর্মান্তিক মৃত্যু ৯ মৎস্যজীবীর

বুধবার মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলার উল্টে মৃত্যু হয়েছে ৯ জন মৎস্যজীবীর। জানা গিয়েছে, এফবি হৈমবতী নামে একটি ট্রলারে চেপে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন ১২ জন মৎস্যজীবী। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ট্রলারটি ফিরে আসছিল। বুধবার ফেরার পথে রক্তেশ্বর চরের কাছে ট্রলারটি পাল্টি খায়।জলে পড়ে যায় ১২ জন মৎস্যজীবীই। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজে নেমে পড়ে ২ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ট্রলারটিকে উদ্ধার করে ফ্রেজারগঞ্জে মৎস্যবন্দরে নিয়ে আসা হয়। জল সেচার কাজও শুরু হয়। আরও পড়ুনঃ কৃষ্ণকলিতে মিছরির চরিত্রে পায়েলএদিন সকালে উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। শনাক্তকরণের জন্য মৃতদের পরিবারকেও খবর দেওয়া হয়েছে। গোটা ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃতদের পরিচয় জা্না গিয়েছে ইতিমধ্যেই। তাদের নাম, শঙ্কর শাঁসমল, বুদ্ধদেব মাইতি, অনাদি শাঁসমল, নারায়ন শাঁসমল, গোপাল জানা, রবীন বর, অজিৎ বেরা, গৌতম পারুই, সন্তোষ মণ্ডল এবং গৌরহরি দাস। নিখোঁজ একজনের খোঁজ শুরু করেছেন অন্যান্য মৎস্যজীবী ও প্রশাসন।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

বাঙালি ক্রিকেটার খেলানোর দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনে বাংলা পক্ষ

সিএবি-তে বাঙালি ক্রিকেটার খেলানোর দাবিতে আন্দোলনের সময় বাংলা পক্ষের উপর আক্রমণের বিরুদ্ধে আগামী ৭ এপ্রিল, বুধবার প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছে এই বাঙালি সংগঠন।বাংলা ক্রিকেট দলে বাংলার খেলোয়াড়দের সুযোগ বৃদ্ধির জন্য ডোমেসাইল নিতি চালু করার দাবি জানিয়ে আসছে বাংলা পক্ষ। ঘরোয়া ক্রিকেটে বাংলার খেলোয়াড়দের জন্য ডোমেসাইল চালুর দাবিতে গত শনিবার ইডেন গার্ডেন্সে সিএবি অফিসে ডেপুটেশন প্রদান ও প্রতিবাদ কর্মসূচী নিয়েছিল এই সংগঠন। সেই সময় কয়েকজন বহিরাগত খেলোয়াড় বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধা দেবাশীষ মজুমদারের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় দেবাশীষ মজুমদারের ডান হাত ভেঙে যায় বলে দাবি করেছেন সংগঠনের পক্ষে কৌশিক মাইতি। কৌশিকের দাবি, দেবাশীষ মজুমদারকে বাঁচাতে গেলে বেশ কিছু বহিরাগত বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধাদের ব্যাট, উইকেট দিয়ে মারতে আসে। এই আক্রমণে মহিলা সহযোদ্ধা সহ বেশ কয়েকজন আঘাত পেয়েছেন। এই বর্বরোচিত হামলা চলাকালীন পুলিস কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলে তাঁরাও ওই বহিরাগত দুস্কৃতিদের হামলার শিকার হন।তিনজন হামলাকারীকে চিহ্নিত করে ময়দান থানায় বাংলা পক্ষের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই তিনজন হামলাকারী দীপক পুনিয়া, হরষিত কাওসিক, ওমপাল বোকেম। এরা সকলেই ভিন রাজ্য থেকে কলকাতার ক্লাবে খেলতে এসেছে বলে জানিয়েছে বাংলা পক্ষ।এই ঘটনার প্রতিবাদে কড়া ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি এবং এই তিন খেলয়াড়কে সিএবি-র সমস্ত খেলা এবং খেলা সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয় থেকে বহিস্কারের দাবিতে আগামী ৭ এপ্রিল বাংলা পক্ষ বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে। পুলিশ আশ্বাস দিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত কেকে মেনন

২৬ বছরের কেরিয়ারে ৫০টিরও বেশি ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি। কেতন মেহতার পরিচালনায় ছোটপর্দায় অভিনয় করে একটু একটু করে পরিচিতি পান। বড় পর্দায় বেশ কয়েকটি ছবিতে কাজ করলেও সাফল্যের মুখ তিনি দেখেছেন ২০০৫ সালে রাম গোপাল ভার্মার সরকার ছবিতে। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে এবার ঝুলিতে এল অন্যতম বড় স্বীকৃতি। দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন অভিনেতা কেকে মেনন।মোস্ট ভার্সেটাইল অ্যাক্টর ক্যাটেগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন মেনন। সেই ছবি নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজে শেয়ার করেছেন অভিনেতা। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন নেটিজেনরা। তিন দশক ধরে ভারতীয় সিনে দুনিয়ায় অবদানের জন্য কেকে মেননকে এই পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি মাসের ২০ তারিখ সরকারি ভাবে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। দাদাসাহেব ফালকে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিজয়ীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি চিঠিও লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি জানিয়েছেন, ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র পুরস্কার এটি। যাঁরা এই সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন তাঁদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১
নিবন্ধ

নদী কে জায়গা দিনঃ প্রসঙ্গ গঙ্গা ভাঙ্গন

বর্ষা শুরু হলেই আতঙ্কের প্রহর গোনা শুরু হয় মানুষ গুলোর। ঝুপ ঝাপ নদী পাড়ের মাটি খসে পড়া নতুন নয় এদের কাছে। তবে বর্ষার বিপুল জলরাশির যোগানে উন্মত্ত নদী যখন বিঘের পর বিঘে জমি, বাস্তু ভিটে, রাস্তা থেকে শুরু করে সভ্যতার সব নিদর্শন মুছে দিতে উদ্যত হয়, তার প্রলয়ঙ্করী রূপে মানুষ আতঙ্কিত হয়, জীবন হানিও ঘটে। নদী ভাঙন এক অতি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম, কিন্ত এই ভাঙনের কবলে পড়ে যখন মানুষ বিপর্যস্ত হয় তখন তা বিপর্যয় রূপে দেখা দেয়। দিশেহারা, সর্বহারা মানুষের হাহাকারে ভারী হয়ে যায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকার বাতাস। এরা সেই মানুষ গুলো যাদের সাথে নদীর যুগযুগ ধরে আত্মীয়তার সম্পর্ক। নদীর তীরে বসবাসকারী কোটি কোটি মানুষের জীবনে নদী যেমন আশীর্বাদ স্বরূপ ঠিক তেমনই আতঙ্কের কারণ। নদীমাতৃক ভারতবর্ষ তথা পশ্চিমবঙ্গে প্রাচীন কাল থেকেই নদীর তীরবর্তী অঞ্চল মানুষের বসবাসের স্থান হিসাবে খুব জনপ্রিয়।তার অন্যতম কারণ গুলি হলো সুলভ উর্বর জমি, পরিবহনের সুবিধা, বানিজ্যিক আদান প্রদান, মাছ ধরা সহ নানা রকমের জীবিকার সুযোগ। গাঙ্গেয় সভ্যতা সংস্কৃতি অতি প্রাচীন, সেটা সন্দেহাতীত, কিন্ত ব-দ্বীপে গঙ্গার প্রাচীন প্রবাহ পথ নিয়ে যথেষ্ঠ মত পার্থক্য আছে। রাধাকমল মুখার্জি, কাননগোপাল বাগচী এবং ওল্ডহ্যাম, রিকস, শেরউইল প্রমূখ ব্রিটিশ নদী বিশেষজ্ঞরা ভাগীরথী কেই গঙ্গার প্রাচীন প্রবাহ পথ বলে তাঁদের লেখায় উল্লেখ করেছিলেন। পরবর্তীকালে সেচ বিশেষজ্ঞ উইলককস তাঁর ধারণার কথা বলতে গিয়ে ভাগীরথী কে সেচের জন্য কাটা খাল বলে উল্লেখ করেছিলেন, বিভিন্ন মানচিত্র বিশ্লেষণ করে অনেকেই তাঁর মত সমর্থন করেন এবং পদ্মাকেই গঙ্গার আদি প্রবাহ পথ বলে তাঁদের লেখায় উল্লেখ করেন। প্রাচীনত্বের দিক থেকে গঙ্গা বা ভাগীরথী যেটিই হোক কিন্ত জনবসতি ও সংস্কৃতির ক্ষেত্র হিসেবে ভাগীরথীর উপত্যকা বেশি প্রাচীণ তা এর তীরে ছড়িয়ে থাকা তাম্রলিপ্ত, কর্ণ সুবর্ণ, চন্দ্রকেতুগড় ইত্যাদি স্থান গুলি প্রমাণ করে।গগঙ্গা নদী বাংলায় প্রবেশ করেছে রাজমহল পাহাড়ের পাশ দিয়ে। প্রাচীণ যুগে গারো-রাজমহল গ্যাপ নামক ভূপ্রাকৃতিক খাতটি পলি সঞ্চয়ের ফলে বর্তমানে এই সমভূমিতে পরিণত হয়েছে। এই পলি শুধুমাত্র হিমালয় থেকে নিয়ে আসা সূক্ষ্ গঙ্গা বাহিত পলি নয়। দামোদর, অজয় সহ একাধিক নদ নদী, ছোটনাগপুরের মালভূমি থেকে মোটা দানার বালি মিশ্রিত পলি নিয়ে এসে প্রাথমিক ব- দ্বীপ গঠনের কাজ করেছিলো যাকে বলে প্যারা ডেল্টা। এর উপর সঞ্চিত হয়েছে গঙ্গার পলি। বালি মিশ্রিত নিম্নভাগে র পলির অভ্যন্তরীণ বাঁধন আলগা হওয়ার জন্য নদীর জলের প্রবল চাপে তা সহজেই আলগা হয়ে ধুয়ে যায়।উপরের কাদা মিশ্রিত পলি স্তর ঝুলন্ত অবস্থায় থাকতে না পেরে খসে পড়ে। এটিই পাড় ভাঙার প্রক্রিয়া। নদীর প্রস্থ বরাবর একটি নির্দিষ্ট অংশে পর্যা়ক্রমিকভাবে এই ভাঙাগড়ার কাজ চলে, ভূগোলের পরিভাষায় যাকে বলে meander belt বা রিচ পয়েন্ট। এর মধ্যে নদীর চলাচল এক অতি স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম।এটা ঘটবেই।রাজমহল থেকে ফারাক্কা পর্যন্ত ৭২ কিমি পথে বামদিক থেকে অনেক শাখানদী এসে মিশেছে, যেমন কালিন্দী, ফুলহার, মহানন্দা, ছোট ভাগীরথী ইত্যাদি। সম্ভবত ১৫৭৫ এ গৌড় এর ধ্বংসের আগে পর্যন্ত কালিন্দী, মহানন্দা, ছোট ভাগীরথী বরাবর ছিল গঙ্গার প্রবাহ পথ। কিন্ত ১৫৭৫ এর পর গঙ্গার গতিপথ পরিবর্তন ঘটে যার প্রমাণ পাওয়া যায় ১৭৭৯ এর J. D. Rennell এর মানচিত্রে যেখানে গঙ্গার অবস্থান গৌড়ের অনেকটা দক্ষিণে। রাধাকমল মুখোপাধ্যায় তাঁর The Changing Face of Bengal গ্রন্থে এই কালিন্দী কেই গঙ্গার মূলস্রোত বলে উল্লেখ করেছিলেন। যদুনাথ সরকারের রচনা The History of Bengal (Muslim Period) থেকে ধারণা করা যায় যে সেই সময় রাজমহলের পর গঙ্গা একাধিক শাখায় বিভক্ত হতো। একটি কালিন্দী- মহানন্দার পথে, অপরটি গঙ্গা -পদ্মার খাত ধরে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদ জেলার মিঠিপুর গ্রামের কাছে গঙ্গা দুটি শাখায় ভাগ হয়েছে, একটি পদ্মা নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে, আর ভাগীরথী দক্ষিণমুখী হয়ে প্রায় ৫০০কিমি পথ অতিক্রম করে মায়াপুরের কাছে জলঙ্গী র সাথে মিলিত হওয়ার পর হুগলী নদী নাম নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। গঙ্গার থেকে ভাগীরথীর যে উৎস মুখ তা বিগত কয়েক শতাব্দী তে বার বার পরিবর্তীত হয়েছে, বিভিন্ন গবেষণা প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রমান পাওয়া যায়। এরমধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ভাগীরথীর খাতটি পদ্মার তুলনায় কম বেশি এক মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। এরফলে একমাত্র বর্ষা কাল ছাড়া ভাগীরথী তে স্বাভাবিক জলপ্রবাহ আসা সম্ভব নয়। ফিডার ক্যানেল এর মাধ্যমে সারা বছর জলের ধারা অব্যাহত রাখা ও কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বজায় রাখার জন্য ফারাক্কা বাঁধের পরিকল্পনা করা হয়। প্রকৃতিকে আয়ত্তে আনতে গিয়ে হিমালয় থেকে নিয়ে আসা বিপুল পরিমাণ পলি সঞ্চয়ের ব্যাপারটা পরিকল্পনার ফাঁক হিসাবে থেকেই যায়। সূত্র বলছে প্রতি বছর আনুমানিক প্রায় ৬৪ কোটি টন পলি রাজমহল ও ফারাক্কার মাঝে গঙ্গা বক্ষে জমা হয়। গঙ্গা নদী প্রবাহ পথ আঁকাবাঁকা এবং ফারাক্কা ব্যারেজ নদীটির গতিশীল ভারসাম্য বিঘ্নিত করেছে এবং নদীটির স্বাভাবিক গতিপথ ব্যাহত করেছে। ফারাক্কা বাঁধের উজানে বাম দিকে এবং ফারাক্কা বাঁধের নিচের ডান প্রান্তের দিকে নদী প্রবাহের একটি সাধারণ প্রবণতা রয়েছে। ফারাক্কা বাঁধের উজানে পলিতে আবদ্ধ গঙ্গা পাড় ভেঙে নতুন পথের সন্ধান করছে।বাঁধ নির্মাণের পূর্বে এই ভাগীরথী তে জলের যোগান যা ছিল, পরবর্তীকালে তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। পলি উজানে সঞ্চিত হয়ে যাওয়ার ফলে ভার মুক্ত নদী প্রবাহ নিচের অংশেও ভাঙন ঘটাচ্ছে। নদী প্রবাহিত হয় প্রাকৃতিক নিয়ম মেনে। গাঙ্গেয় ব -দ্বীপের যে অংশে গঙ্গা ও ভাগীরথী বয়ে চলেছে সেটি মূলত মৃতপ্রায় ব -দ্বীপের অন্তর্গত। এই পর্যায়ে নদীর কার্যক্ষমতা হ্রাস পায় বলে অত্যন্ত আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহিত হয়। জলের চাপে অবতল দিকের পাড় ভাঙতে থাকে, অপর দিকে নতুন ভূমি জেগে ওঠে উত্তল দিকে। ক্রমাগত পলি সঞ্চয়ের ফলে ভূমিভাগের উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী তার পুরোনো খাত পরিত্যাগ করে নতুন পথে চলে। এসবের ফলশ্রুতি হিসেবে দেখা যাই এক বৃহৎ অংশের মানুষ এই নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়েন প্রতি বছর। এবছরও তার ব্যাতীক্রম ঘটে নি।পাড় ভাঙনের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে গঙ্গা বক্ষে গজিয়ে ওঠা চরের ভাঙ্গনের করুণ অধ্যায়। গঙ্গার ভাঙনের সাথে চর সৃষ্টি, অবলুপ্তি, পুনরাই জেগে ওঠার সম্পর্ক বেশ যে প্রাচীন তার প্রমান কিছুটা পাওয়া যায় Major Henry Thomas Colebrooke, W. W. Hunter (1876), Captain W. Sherwill দের বর্ণনায়। ভূতনির চর ও নিরমল চরে মানুষের জীবনযাপন চলে আবাস তৈরি, বাস্তুচুতি ও আবাস পুনর্নির্মাণের চক্রাকার আবর্তে।নদী মানুষের দ্বন্দ্বে অনেক ক্ষেত্রেই গঙ্গা বক্ষের চর গুলি হয়ে উঠেছিল মানুষের আশ্রয়ের ঠিকানা ও জীবনযাপনের রসদ।কিন্ত নদীর পাড় ভাঙ্গনের সুবাদে এবছর সেগুলিও সঙ্কটে।গঙ্গা তথা ভাগীরথীর তীরে পশ্চিমবঙ্গের মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, পূর্ব বর্ধমান, হুগলী, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার এক বৃহৎ অংশের মানুষের বাস যারা প্রতি বছর নদীর পাড় ভাঙ্গনের কবলে পড়ে চরম দুর্দশার সম্মুখীন হন। ফি বছর নদীর পাড় ভাঙ্গনে গড়ে ৮ বর্গ কিমি জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যায় আমাদের রাজ্যে। ফারাক্কা ব্যারেজের প্রবাহের উজানে ১৯৬৯ থেকে ১৯৯৯ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত মালদা জেলায় গঙ্গার বাম তীরের ভাঙনের ফলে ৪.৫ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। মনিচাকের ২২ মৌজা, কালিয়াচক-১ এবং কালিয়াচক-২, কালিয়াচক-৩, রতুয়া-১ এবং রতুয়া-২ সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের বিস্তীর্ণ অঞ্চল নদী গর্ভে চলে গেছে। কালিয়াচক-২ ব্লকের ভূতনির চর ও পঞ্চানন্দপুরের মধ্যে নদীর বাম তীরের অঞ্চলটি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। এই বছর ভাঙনের কবলে মালদার রতুয়া-১ নম্বর ব্লকের বিলাইমারি ও মহানন্দাটোলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা বিপর্যস্ত। ওই দুই পঞ্চায়েতের নয়া বিলাইমারি, খাকচাবনা, টিকলিচর ও জঞ্জালিটোলা গ্রামগুলিতে গঙ্গা ভাঙন শুরু হয়েছে।মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গার তীরেও প্রায় কয়েক কোটি মানুষ বাস করেন। ফারাক্কা ব্যারাজের নীচ থেকে জলঙ্গী পর্যন্ত গঙ্গার ডান তীরে ৯৪ কিমি ব্যাঙ্কলাইন রয়েছে এবং ফারাক্কা, সামশেরর গঞ্জ, সুতি-১, সুতি-২, রঘুনাথগঞ্জ-২, লালগোলা, ভগবানগোলা-১, ভগবানগোলা-২, রাণী নগর-১, রাণী নগর-২ এবং জলঙ্গী প্রভৃতি সমষ্টি উন্নয়ন ব্লকের এই সমস্ত এলাকায় তীব্র পাড় ভাঙন ঘটে। ফারাক্কার কুলদিয়ার চর সহ হোসেনপুর চর এই বছরে ইতিমধ্যেই ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। গঙ্গা ও ফুলহার নদী দিয়ে ঘেরা এই দুই পঞ্চায়েত এলাকার দুই নদীর মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে উর্বর কৃষিভূমি ও বিশাল গো চারণ এলাকা। তাই জীবন জীবিকা নির্বাহে গঙ্গা তীরের এই জায়গা ছেড়ে কেউ যেতে চান না। যোগাযোগ ব্যবস্থাও খুব কষ্টসাধ্য, বন্যা ও ভাঙনে প্রতি বছর হাজার হাজার বিঘা জমি, ভিটে মাটি হারানো সত্ত্বেও স্থানীয় বাসিন্দারা বংশানুক্রমে এখানেই থাকতে চান। অনেকেই আবার পরিনত হন নথিহীন নব্য শরণার্থী বা রুটি রুজির তাগিদে মুম্বাই গুজরাতের কোন পরিযায়ী শ্রমিকে।গঙ্গা নদী ভাগীরথী নাম নিয়ে দক্ষিণ বাহিনী হয়ে মায়াপুরের কাছে জলঙ্গী র সাথে মিলিত হয়ে, হুগলী নদী নাম নিয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। এই অংশেও নদী আঁকাবাঁকা পথে প্রবাহিত। এর ফলে নদীয়া ও পূর্ব বর্ধমানের পুর্বস্থলী ১ ও ২, কালণা ব্লকের বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙ্গনের কবলে পড়ে। পুর্বস্থলী ১নম্বর ব্লকের নসরতপুর, জালুইডাঙা সবচয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। নসরত পুরের কিশোরীগঞ্জ, মনমোহনপুরের বাসিন্দাদের অনেকের বাড়ি, চাষের জমি নদী গর্ভে তলিয়ে গিয়েছে এই বছরেই। পুর্বস্থলী ২ নম্বর ব্লকের মেরতলা, কুটুরিয়া, গোপীপুর, তামাঘাটা এবং অগ্রদ্বীপ এর বিভিন্ন অংশে ভাঙ্গনের কারণে অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নদীয়ার শান্তিপুর থানার বেলঘড়িয়া-2 নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মঠপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ভাগীরথী নদীর ভাঙ্গনে এই বছর বহু মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।কালনার ধাত্রীগ্রাম পঞ্চায়েতের কালিনগর, যার কাবাডি গ্রাম হিসেবে খ্যাতি রয়েছে দেশ জুড়ে। গ্রামের অনেকেই কাবাডিতে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এলাকার বাসিন্দাদের মতে, দীর্ঘদিনের ভাঙ্গনের জেরে বহু ঘরবাড়ি, জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে। মানুষ যখন ভেবে ফেলে নদী কেবল তার বেঁচে থাকার খোরাক জোগানোর উপকরণ মাত্র মুশকিলটা হচ্ছে ঠিক তখনই। জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথেসাথে, বাস্তু জমি, চাষের উপযোগী জমি সব কিছুর চাহিদা বেড়েছে বিপুল পরিমাণে। শুধু তাই নয়, মানুষ উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে প্রাকৃতিক প্রতিকূলতা কে জয় করতে চেষ্টা করছে। ঠিক যেমন হয়েছে ফারাক্কা ব্যারেজের ক্ষেত্রে। উত্তর বঙ্গের সাথে দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ থেকে শুরু করে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা স্বাভাবিক রাখা, ব্যবসা বানিজ্য সবকিছুই ফারাক্কা ব্যারেজের প্রস্তাবনা বা রূপায়ণের মাধ্যমে কিছুটা হলেও বাস্তবায়িত হয়েছে বা হচ্ছে। এর সাথে আছে বিপুল সংখ্যক মানুষ, যারা নদীর তীরে বসবাস করেন, নদীর বুকে জেগে ওঠা চর গুলিও বাদ থাকে না। অপরিকল্পিত ভাবে নদীর পাড়ের মাটি কেটে নিয়ে দিনের পর দিন চলে মাটি পাচার, গজিয়ে ওঠে ইট-ভাটা। এই সবের সাথেই নদী হারিয়ে ফেলেছে তার চলার স্বাভাবিক ছন্দ। কিন্ত নদীকেও তো তার স্বাভাবিক গতিপথ বজায় রাখতে জায়গা দিতে হবে। এর মধ্যে মানুষ তার সভ্যতা গড়ে তুললে, নদীর দোষ দিয়ে লাভ নেই। দোষ যদি থাকে সেটা আমাদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা ভাবনার।বছর দুয়েক আগে ট্রেনে যাবার পথে পরিচয় হওয়া এক সাধারণ মালদা বাসীর সাথে এই নদী ভাঙ্গনের কথা, ফারাক্কা ব্যারেজের কথা প্রসঙ্গে তার দেওয়া একটা সাধারন উপমার কথা বেশ ভালো লেগেছিল।তিনি বলেন নদীর চলার পথ ঠিক সাপের মতো, আর সাপ কে যদি তার মাথার কাছে চেপে ধরে সে গোটা শরীর আরো বেশী আঁকাবাঁকা করে নিজেকে মুক্ত করার জন্য। এই ফারাক্কা বাঁধ হলো সেই সাপের মাথার মতো, যা চেপে ধরেছে গঙ্গার স্বচ্ছন্দ গতিকে। আর নদী ক্রমশ চেষ্টা করে চলেছে তার মুক্তির পথ খোঁজার। নদীর তীরে বসবাসের সুযোগ যেমন অনেক, তেমনই ঝুঁকির কথাটাও ভুলে গেলে চলবেনা। স্রোতের সঠিক ঘাত প্রতিঘাত বিশ্লেষণ না করে অবৈজ্ঞানিক বাঁধ নির্মাণ, বোল্ডার ফেলা, বিদেশী ঘাসের চাষ, গাছ লাগানো, তার জালির ব্যবস্থা ইত্যাদি হয়তো সাময়িক ভাবে ক্ষতের মলম দিতে পারে কিন্ত তা দীর্ঘস্থায়ী সমাধান হতে পারে না। নদীর পাড়ে বসবাসকারী বিপুল মানুষের পুনর্বাসন করা হয়েতো কঠিন কাজ, কিন্ত দূরসংবেদন ও ভৌগলিক তথ্য ব্যবস্থা (GIS) র সঠিক প্রয়োগ এর কিছুটা সমাধান করতে পারে। ভাঙন প্রবন নদীর তীর গুলির মানচিত্র প্রস্তুত করে, কত বছরের মধ্যে সম্ভাব্য ভাঙন কবলিত হতে পারে তার ভিত্তিতে যদি সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া যায় তাহলে প্রতি বছর নদী ভাঙনের ফলে হাজার হাজার পরিবেশ-গত উদ্বাস্তু মানুষের যন্ত্রণা কিছুটা হলেও হয়তো কমানো যাবে।তথ্য সূত্রঃ১। বাংলার নদীকথা কল্যাণ রুদ্র, ২০০৮২। বাংলাদেশের নদ নদী ও পরিকল্পনা কপিল ভট্টাচার্য, ১৯৫৯৩। The Changing Face of Bengal রাধাকমল মুখোপাধ্যায়, ১৯৩৮৪। Rivers of Bengal(সঙ্কলিত) কুমুদ রঞ্জন বিশ্বাস, ২০০১৫। https://bn.m.wikipedia.org৬। No voice, no choice: Riverine changes and human vulnerability in the chars of Malda and Murshidabad, জিনিয়া মুখার্জী, ২০১১(http://idsk.edu.in/wp-content/uploads/2015/07/OP-28.pdf)৭। Time Streams: History and Rivers in Bengal, Graham P. Chapman Kalyan Rudra, ২০১৫ ডঃ কুণাল চক্রবর্তী, সহকারী অধ্যাপকশম্ভুনাথ কলেজ, লাভপুর, বীরভূম ওডঃ ইন্দ্রাণী মুখার্জী, সহকারী অধ্যাপকচন্দ্রপুর কলেজ, পূর্ব বর্ধমান

নভেম্বর ০২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

নাইটদের জয়েও কাঁটা নারিনের হলুদ কার্ড

হলুদ কার্ড দেখে এখন লাল কার্ডের আশঙ্কা। ফুটবলের পরিভাষাতেই বোঝানো যেতে পারে সুনীল নারিনের অবস্থা। কিংস ইলেভেন ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস জয়ের পরেও নাইটদের কাঁটা এখন নারিনের বোলিং অ্যাকশন। শনিবারের ম্যাচে আইপিএলের সন্দেহজনক বেআইনি বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত নিয়ম মেনে নারিনের অ্যাকশন নিয়ে রিপোর্ট জমা দিয়েছেন আম্পায়াররা। তবে এখনও টুর্নামেন্টে বোলিং করতে পারবেন। তবে ফের এমন রিপোর্ট জমা পড়লে বোর্ডের বোলিং অ্যাকশন কমিটির ছাড়পত্র না পাওয়া অবধি হাত ঘোরাতে পারবেন না কেকেআরের ট্রাম্প কার্ড, এই ক্যারিবিয়ান বিস্ময় স্পিনার।

অক্টোবর ১১, ২০২০
খেলার দুনিয়া

কামিন্সের পাশে দাঁড়িয়ে নাইট সমর্থকদের কী বার্তা দিলেন কার্তিক?‌

আই পি এল শুরু হওয়ার আগে নাইট রাইডার্সের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের মুখে প্যাট কামিন্সের ওপর বাড়তি ভরসার কথা শোনা গিয়েছিল। ম্যাকালাম বলেছিলেন, দলের প্রধান স্ট্রাইক বোলার কামিন্স। তিনিই দলের বোলিংকে নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু মু্ম্বইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ৩ ওভারে ৪৯ রান দেন কামিন্স। কামিন্সের পারফরমেন্স নিয়ে চারিদকে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপও শুরু করেছেন নাইট সমর্থকরা। বলেছেন, সাড়ে ১৫ কোটি টাকা জলে গেল। নাইট রাইডার্স অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক অবশ্য কামিন্সের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘‌কামিন্স বিশ্বমানের বোলার। বিশ্বের অন্যতম সেরা। ওর ওপর ভরসা আছে। একটা ম্যাচের পারফরমেন্স দেখে ওকে বিচার করা ঠিক হবে না। আমি নিশ্চিত পরের ম্যাচেই কামিন্স দারুণভাবে ফিরে আসবে। কোয়ারেন্টিন থেকে বেরিয়ে ও যখন খেলার অনুমতি পেল তখন বিকেল ৪টে বাজে। ওই অবস্থায় খেলেছে এটাই বড় ব্যাপার।’‌ আই পি এলে কামিন্স হলেন বিদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যের ক্রিকেটার। এবছর নিলামে কামিন্সকে ১৫.‌৫ কোটিতে কিনে নেয় নাইট রাইডার্স। এর আগে সবথেকে নিলামে সবথেকে বেশি অর্থ পেয়েছিলেন ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস। ২০১৭ সালে তাঁকে ১৪.‌৫ কোটিতে কিনেছিল রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
খেলার দুনিয়া

কামিন্সের পাশে দাঁড়িয়ে নাইট সমর্থকদের কী বার্তা দিলেন কার্তিক?‌

আই পি এল শুরু হওয়ার আগে নাইট রাইডার্সের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালামের মুখে প্যাট কামিন্সের ওপর বাড়তি ভরসার কথা শোনা গিয়েছিল। ম্যাকালাম বলেছিলেন, দলের প্রধান স্ট্রাইক বোলার কামিন্স। তিনিই দলের বোলিংকে নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু মু্ম্বইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে ৩ ওভারে ৪৯ রান দেন কামিন্স। কামিন্সের পারফরমেন্স নিয়ে চারিদকে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপও শুরু করেছেন নাইট সমর্থকরা। বলেছেন, সাড়ে ১৫ কোটি টাকা জলে গেল। নাইট রাইডার্স অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক অবশ্য কামিন্সের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘‌কামিন্স বিশ্বমানের বোলার। বিশ্বের অন্যতম সেরা। ওর ওপর ভরসা আছে। একটা ম্যাচের পারফরমেন্স দেখে ওকে বিচার করা ঠিক হবে না। আমি নিশ্চিত পরের ম্যাচেই কামিন্স দারুণভাবে ফিরে আসবে। কোয়ারেন্টিন থেকে বেরিয়ে ও যখন খেলার অনুমতি পেল তখন বিকেল ৪টে বাজে। ওই অবস্থায় খেলেছে এটাই বড় ব্যাপার।’‌ আই পি এলে কামিন্স হলেন বিদেশিদের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যের ক্রিকেটার। এবছর নিলামে কামিন্সকে ১৫.‌৫ কোটিতে কিনে নেয় নাইট রাইডার্স। এর আগে সবথেকে নিলামে সবথেকে বেশি অর্থ পেয়েছিলেন ইংল্যান্ডের বেন স্টোকস। ২০১৭ সালে তাঁকে ১৪.‌৫ কোটিতে কিনেছিল রাইজিং পুনে সুপারজায়ান্ট।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
খেলার দুনিয়া

আইপিএলে প্রথম মার্কিন ক্রিকেটারকে নিল কেকেআর

আলি খান। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই পেসারকে দলে নিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। হ্যারি গার্নির পরিবর্ত হিসেবে। কাঁধের চোটের কারণে অপারেশন হবে হ্যারির, তাই খেলতে পারবেন না এবারের আইপিএলে। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে চ্যাম্পিয়ন শাহরুখ খানের ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছেন আলি খান। ৮ ম্যাচে নিয়েছেন ৮ উইকেট, ইকনমি সাতের কিছু বেশি। ২৯ বছরের আলি গত বছর কেকেআরের ব্যাক আপ প্লেয়ার ছিলেন। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ, পাকিস্তান সুপার লিগ, কানাডায় গ্লোবাল টি ২০-তে খেলেছেন। কানাডায় আলি খানকে দেখে নাইট রাইডার্সে তাঁকে রাখার সুপারিশ করেন ডোয়েন ব্র্যাভো। আলি খান প্রথম মার্কিন ক্রিকেটার যিনি আইপিএলের আসরে সুযোগ পেলেন।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতারের সিদ্ধান্তেই চাঞ্চল্য, হাই এলার্টে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের আশঙ্কা, সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ শেষ হলে অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। বিশেষ করে পুশব্যাক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার হতে পারে বলেই মনে করছে ঢাকা। সেই কারণেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে পুশব্যাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে কড়া মন্তব্য করেছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেই অবস্থান হয়তো এতটা কঠোর হবে না।অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই সরব ছিল। বাংলায় অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি নিয়ে আগের সরকারের আপত্তির কারণে বহু এলাকা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় ছিল। নতুন সরকার জানিয়েছে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু মন্তব্য নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়, হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার শুনানি চলাকালীন নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। এর ফলে মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন, এই মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে।শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জানান, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে আলাদা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের পথে এগোচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শোনার প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।মামলার গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই মামলা শুধু আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা রাজ্য এবং দেশের বহু মানুষের নজর রয়েছে এই মামলার দিকে।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত কমিশন গঠনের ইঙ্গিত মিলতেই মামলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজে থেকেই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। মামলার সমস্ত নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন নজর রয়েছে, এই মামলার জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে নাকি আরও বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মে ১২, ২০২৬
দেশ

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত, বাতিল নিট ইউজি পরীক্ষা

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠতেই বাতিল করে দেওয়া হল নিট ইউজি পরীক্ষা। গত ৩ মে দেশজুড়ে ডাক্তারি পড়ার এই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল। প্রায় তেইশ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার পর থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সোমবার বিষয়টি আরও বড় আকার নেয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, নিট ইউজি পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই।তদন্তে উঠে এসেছে, রাজস্থানে পরীক্ষার অন্তত এক মাস আগে কিছু পড়ুয়ার হাতে একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল বিশাল বনশন জানিয়েছেন, ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে মোট চারশো দশটি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পরে দেখা যায়, তার মধ্যে একশো কুড়িটি রসায়নের প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, উত্তরের বিকল্পও একই ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।অন্য একটি সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রের মোট দুশো একাশি প্রশ্নের মধ্যে একশো পঁয়ত্রিশটি প্রশ্ন আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন পরীক্ষার দিন কবে ঘোষণা করা হবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকেরা।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা, ভিতরে যা মিলল তাতে হতবাক সবাই

শিবপুরে তৃণমূল নেতা মহম্মদ শামিম ওরফে বরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চমকে উঠল পুলিশ। বাইরে থেকে সাধারণ বাড়ি মনে হলেও ভিতরে ঢুকতেই সামনে আসে একের পর এক গোপন ব্যবস্থা। বাড়ির ভিতরে রয়েছে একাধিক সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় নীচের ফ্লোরে। সেখানে তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল ঘর। দামী কাঠের আসবাব, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা, ফ্রিজ-সহ নানা আধুনিক সুবিধায় সাজানো এই বাড়ি দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।জানা গিয়েছে, হাওড়া পুরসভার ছত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সামিমা বানোর স্বামী মহম্মদ শামিম। তিনি তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার শিবপুরে বিজেপির জেলা সংখ্যালঘু মোর্চার আহ্বায়কের বাড়িতে হামলা, গুলি ও বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তে শামিমের নাম সামনে আসে।বোমাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পলাতক ছিলেন শামিম। শুক্রবার তাঁর খোঁজে শিবপুরে বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানেই এই বিলাসবহুল বাড়ির ভিতরের ছবি সামনে আসে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার এমন জীবনযাপন দেখে বিস্মিত তদন্তকারীরাও।যদিও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও শামিমের খোঁজ মেলেনি। তিনি এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এর আগেও একাধিক অসামাজিক কাজের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। শিবপুরে রামনবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। বিজেপির অভিযোগ, সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছে শাসক দল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথ হত্যা তদন্তে নতুন মোড়, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিল সিবিআই

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় মোড় এল। বহু আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের হাতে তুলে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সুপারিশের পর মঙ্গলবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। কলকাতা অঞ্চলের যুগ্ম নির্দেশকের নেতৃত্বে এই সিট কাজ করবে। তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ আধিকারিকদের এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংক্রান্ত তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তঃরাজ্য চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন জন সন্দেহভাজন শার্পশুটারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি। তাঁদের সঙ্গে এই হত্যার মূলচক্রীদের যোগাযোগ ছিল কি না, কার নির্দেশে তারা কলকাতায় এসেছিল এবং খুনের পেছনে রাজনৈতিক না কি অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা আর্থিক কারণ রয়েছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার সরাসরি মাঠে নামছে সিবিআই।সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হতে পারে। ধৃতদের কল রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াতের রুট এবং স্থানীয় যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাহায্যও নেওয়া হবে।চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবির থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছিল। সেই আবহেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ায় মামলার রহস্যভেদে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর সিবিআইয়ের তদন্তে এই খুনের নেপথ্যে থাকা আসল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ কবে খুলে যায়, সেটাই দেখার।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

রেস্তোরাঁ না কালো টাকা সাদা করার আড্ডা? সুজিতকে ঘিরে ইডির বিস্ফোরক দাবি

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। সোমবার দীর্ঘ সাড়ে দশ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর গ্রেফতার করে ইডি। তদন্তকারীদের দাবি, পুরসভায় নিয়োগে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। বিশেষ করে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তদন্ত আরও গভীরে গিয়েছে।তদন্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন অয়ন শীল। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েই পুর নিয়োগ দুর্নীতির একাধিক তথ্য হাতে আসে ইডির। সেই সময় তদন্তকারীরা বলেছিলেন, তাঁরা যেন সোনার খনির সন্ধান পেয়েছেন। এরপর থেকেই তদন্তের নজরে আসেন সুজিত বসু।পরে সল্টলেক সেক্টর ফাইভে সুজিত বসুর ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোরাঁয় তল্লাশি চালায় ইডি। তদন্তকারীদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল বা রান্নাঘরের স্পষ্ট ব্যবস্থা ছাড়াই কীভাবে রেস্তোরাঁ চলছিল। ইডির অভিযোগ, ওই রেস্তোরাঁর আড়ালেই কালো টাকা সাদা করার কাজ চলত।শুধু তাই নয়, তারাতলায় সুজিত ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় তিন কোটি টাকা উদ্ধার হয় বলেও দাবি তদন্তকারীদের। সেই ঘটনার পর থেকেই তদন্ত আরও জোরদার হয়।সিবিআইয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে পুর নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে মামলা শুরু করে ইডি। তদন্তে উঠে এসেছে, দক্ষিণ দমদম পুরসভায় প্রায় তিনশো ঊনত্রিশ জন অযোগ্য প্রার্থীকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি চালক, ঝাড়ুদার ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।তদন্তকারীদের দাবি, অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে কারচুপি করা হয়েছিল। নম্বর বদলে দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি পাইয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এই মামলায় দক্ষিণ দমদম পুরসভার তৎকালীন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়কে একাধিক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। তাঁর বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা পড়েছে।অভিযোগ, পাঁচু রায় ও সুজিত বসুর প্রভাবেই অয়ন শীলের সংস্থার মাধ্যমে ওএমআর শিটে নম্বর বদল করা হয়েছিল। এমনকি মৌখিক পরীক্ষায় শূন্য নম্বর পাওয়া প্রার্থীদেরও চাকরি নিশ্চিত করা হয়েছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

বাথরুমে পড়ে গুরুতর অসুস্থ সুব্রত বক্সী, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ! কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সোমবার আচমকাই বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর চোট পান তিনি। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একাধিক শারীরিক পরীক্ষা ও স্ক্যানের পর চিকিৎসকেরা জানতে পারেন, মাথায় আঘাতের জেরে তাঁর মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে এবং সেখানে রক্ত জমাট বেঁধেছে।হাসপাতাল সূত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক মেডিক্যাল বুলেটিন প্রকাশ না হলেও ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, চিকিৎসকদের একটি অংশ মনে করছেন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে। আপাতত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বর্ষীয়ান এই নেতাকে।এই খবরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়েছে। তৃণমূলের অন্যতম সংগঠক মুখ হিসেবে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন সুব্রত বক্সী। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দলের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত এবং প্রার্থী তালিকা তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে তাঁর প্রভাব আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, দলীয় অন্দরের এই পরিবর্তিত পরিস্থিতি তাঁকে মানসিকভাবে কিছুটা হতাশ করেছিল। যদিও রাজনৈতিক সমীকরণ যাই থাকুক না কেন, তাঁর অসুস্থতার খবর সামনে আসতেই দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তৃণমূলের একাধিক শীর্ষ নেতা ইতিমধ্যেই তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।এখন চিকিৎসকদের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। সুব্রত বক্সীর শারীরিক অবস্থার উন্নতি কামনায় প্রার্থনা করছেন তাঁর অনুগামী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

মে ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal