• ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

KK

কলকাতা

কলকাতার হাসপাতালে 'নমস্তে', মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন প্রতিবাদ বাংলা পক্ষের

আর এন ট্যাগর হাসপাতালে নমস্কারের বদলে নমস্তে বলার ফরমানের বিরুদ্ধে অভিনব প্রতিবাদ জানালো বাংলা পক্ষ। মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন এই প্রতিবাদে বাংলা পক্ষের সহযোদ্ধাদের হাতে ছিল নমস্তে নয় নমস্কার বলুন। হিন্দি ভারতের রাষ্ট্র ভাষা নয় লেখা ব্যানার ও পোষ্টার। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বাংলায় যেখানে ৮৬ শতাংশ নাগরিক বাঙালি এমন একটি রাজ্যের রাজধানীতে অবস্থিত হাসপাতালে আগত রোগী, রোগীর আত্মীয় সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গকে নমস্কারের বদলে নমস্তে বলা হচ্ছে।এমনকি বহির্বিভাগে চিকিৎসা করাতে চাওয়া রোগীরা চিকিৎসকের সময় চাইলে তাদের হিন্দিতে তথ্য দিতে বলা হচ্ছে। এই কথায় সহজেই অনুমেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ভিন্ন এই কাজ অসম্ভব। বাংলা পক্ষের তরফে ডাকা প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা পক্ষের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, উত্তর চব্বিশ পরগণা (গ্রামীণ)-এর জেলা সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার এবং কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়।বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাংলার মাটিতে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম সামনে রেখে চলা হাসপাতালে বাংলা ভাষায় নমস্কার না বলে নমস্তে বলা চলবে না। তিনি বলেন, এটি হিন্দি চাপানোর প্রাথমিক ধাপ, এর পরের ধাপেই বাঙালি কর্মী ছাঁটাই করে বহিরাগত কর্মীদের হাসপাতালে নিযুক্ত করা হবে। কাজ হারাবে বাঙালি কর্মচারীরা।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, কলকাতার বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে রোগীদের আমিষ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ হিসেবে হাস্যকর যুক্তি দেওয়া হচ্ছে হাসপাতালের মালিক আমিষ খায় না। তিনি বলেন, বাংলার সরকারের দেওয়া জায়গায় হাসপাতাল তৈরি করে, বাংলার প্রাতঃস্মরণীয় মনিষীর নাম ব্যবহার করে বাঙালির উপর হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরপ বলেন, বহিরাগত এইচ আর কেন এগুলি করছেন তার উদ্দেশ্য বাংলা পক্ষ-র অজানা নয়। বাঙালি কর্মীদের সরিয়ে বহিরাগত কর্মীদের সেই জায়গায় কাজে নিয়োগ এই চক্রান্তের আসল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন হাসপাতাল একটি বিশেষ আপৎকালীন জায়গা। তাই কোনও প্রবেশ দ্বার না আটকে, মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন প্রতিবাদ করা হচ্ছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার এই চক্রান্ত চালাতে থাকলে বাংলা পক্ষ বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলা পক্ষ বাঙালির পাশে আছে। কোন ভাবেই বাংলা ভাষা তথা বাঙালির উপর এই হিন্দি চাপিয়ে দেওয়ার চক্রান্ত মেনে নেওয়া হবে না। কর্মসূচি চলাকালীন কলকাতা এবং বাইরের থেকে আশা বহু রোগীর আত্মীয়, পথ চলতি মানুষ বাংলা পক্ষ-র দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করেন। চারজনের একটি প্রতিনিধি দল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। কর্তৃপক্ষের তরফে স্মারকলিপি গ্রহণ করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

বাংলার পুলিসে এসআই (SI) নিয়োগের পরীক্ষায় ১০০ নম্বরের বাধ্যতামূলক বাংলা পেপারের দাবিতে আরক্ষা ভবনে বাংলা পক্ষর ডেপুটেশন

বুধবার বাংলা পক্ষ সংগঠনের পক্ষ থেকে পুলিসে এসআই (SI) নিয়োগে ১০০ নম্বরের বাংলা পেপার বাধ্যতামূলক করার দাবিতে ডেপুটেশন জমা দিল বাংলা পক্ষ। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন এবং অন্যান্য সদস্যরা।পুলিস রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের অফিসাররা কথা বললেন বাংলা পক্ষর দুই প্রতিনিধি গর্গ চট্টোপাধ্যায় এবং কৌশিক মাইতির সাথে বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ জানান, পুলিস রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের পক্ষ থেকে স্মারকলিপির রিসিভ কপি দেয়নি। বাংলার শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামে বাঙালিকে দৈনন্দিন জীবনে নিশ্চয়তা ও আইনের শাসন পৌঁছে দিতে পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই পুলিশের চাকরিতে সাব ইন্সপেক্টর (S.I) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ। বিভিন্ন থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে প্রথমেই এই SI পদমর্যাদার আধিকারিকদের সঙ্গেই কথা বলতে হয়।বাংলার জনসংখ্যার ৮৬% বাঙালি এবং তারমধ্যে ৮৩% শুধুই বাংলা ভাষায় কথা বলেন। সুতরাং ভাষা ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে অভিযোগকারী ও পুলিশ আধিকারিকের সমন্বয়ের ক্ষেত্রে। বাংলায় বাংলাভাষী পুলিশ আধিকারিক হবেন এটাই আশা করা যায়। কৌশিক জানান, ভারতের অন্যান্য রাজ্যের এই সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদায় নিয়োগ পরীক্ষায় রাজ্যের মূল ভাষার একটি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক ভাবেই রাখা হয়। যেমন- গুজরাতে ১০০ নম্বর গুজরাটি, তামিলনাড়ুতে ১০০ নম্বর তামিল, অন্ধ্র ও তেলেঙ্গানায় ১০০ তেলেগু, বিহারে ২০০, উত্তরপ্রদেশে ১০০ এবং রাজস্থানে ২০০ নম্বর হিন্দি, কর্ণাটকে ৫০ নম্বর কণ্ণড় বাধ্যতামূলক, পাঞ্জাব, মহারাষ্ট্রেও রাজ্যের মূলভাষার পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।তিনি আরও জানান, দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৮৬% বাঙালির রাজ্যে তিন নং পেপারে (Paper-III) ভাষার পরীক্ষায় বাংলা ও নেপালীর সঙ্গে হিন্দি এবং উর্দু রয়েছে। এরফলে বাংলা না জেনেই বাংলার পুলিশে S.I পদমর্যাদার অতি গুরুত্বপূর্ণ চাকরি পাওয়া যায়। এরফলে যেমন বাংলার চাকরি বাংলার বাইরে থেকে এসেও পাওয়া যায় তেমনি প্রশাসন ও সাধারণ বাঙালির মধ্যে ভাষাগত ব্যবধান থেকেই অবিশ্বাসের অবাঞ্চিত বাতাবরণ তৈরী হয়।কৌশিক মাইতি জানান, আমরা দেখেছি অতীতে কনস্টেবল নিয়োগের পরীক্ষায় আপনারা নিয়োগ প্রক্রিয়া সংশোধন করে শুধুমাত্র বাংলা ও নেপালী ভাষা রেখেছিলেন, এরফলে যেমন চাকরিপ্রার্থী বাঙালি উপকৃত হয়েছে তেমনি সাধারণ বাঙালি জনসাধারণও উপকৃত। আমরা আশা রাখি S.I নিয়োগের পরীক্ষাতেও দ্রুত সংশোধনী এনে বাংলা (দার্জিলিঙে নেপালী) ভাষার ন্যূনতম ১০০ নম্বরের পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করবেন।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

নদীয়া'য় বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে রাস্তায় নামল বাংলা পক্ষ

হরিণঘাটার ফ্লিপকার্ট, কল্যানীর AIIMS, কল্যানী শিল্পাঞ্চল, কাঁচরাপাড়ার রেলের ফ্যাক্টরিতে বাঙালির চাকরি ও কাজের দাবিতে নদীয়ার কল্যানীতে মিছিল করল বাংলা পক্ষ। নিজের মাটিতে কেন বঞ্চিত হবে বাঙালি? বিহার-ইউপি-ঝাড়খন্ড থেকে এসে কেন বহিরাগতরা চাকরি, কাজ ও ব্যবসা সব দখল করবে? এর প্রতিবাদে বাংলা পক্ষর নদীয়া জেলা শাখার উদ্যোগে মিছিল হল। মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, নদীয়া জেলার পর্যবেক্ষক রজত সেন, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, নদীয়ার সম্পাদক কৌশিক বর্মন, মধুসূদন ঘোষ, পিন্টু বণিক, প্রদীপ কর প্রমুখ। মিছিল শেষে গয়েশপুরে একটি পথসভাও হয়। পথসভায় বাংলা পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বাঙালির প্রহরী হিসাবে চিল ও বাজপাখির মতো উপর থেকে সব নজর রাখছে। বাংলা পক্ষ বাঙালির স্বার্থ রক্ষা করছে। বাঙালি বাঘের জাতি, তাই এই শিল্পাঞ্চলকে বিহার বানাতে দেবে না বাংলা পক্ষ। আমাদের ছেলেমেয়েরা মাথা উঁচু করে চাকরি, ব্যবসা ও কাজ করবে। ধানের গোলা থেকে রাইস মিল থেকে সমস্ত ফ্যাক্টরিতে বাঙালির কাজ চাই।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি বলেন, বাঙালি ছেলেমেয়েরা মূলত বাংলা মাধ্যমের ছেলেমেয়েরা যাতে নিজের মাতৃভাষার কেন্দ্র সরকারি চাকরির পরীক্ষা দিতে পারে সেজন্য বাংলা পক্ষ লড়াই করছে। বাংলার সমস্ত রাজ্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় লিখিত বাংলা পেপার বাধ্যতামূলক করবেই বাংলা পক্ষ। অনেক পরীক্ষায় ইতিমধ্যেই আমরা সাফল্য পেয়েছি। ফ্লিপকার্ট, এইএমস সহ সব জায়গায় ৮৬% বাঙালিকে কাজ না দিলে বাংলা পক্ষ তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে।

আগস্ট ২২, ২০২২
রাজ্য

সৈকত শহর দীঘার পথে রেল বৃদ্ধির দাবি বাংলা পক্ষের

বাংলা পক্ষ -এর তরফে দীঘা-সাঁতরাগাছি লোকাল ট্রেন এবং দীঘা-হাওড়া এক্সপ্রেস ট্রেনের অপ্রতুলতা এবং এই রেল পথের ট্রেন বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার দাবিতে দীঘা স্টেশন ম্যানেজারের কাছে রবিবার ১৭ জুলাই স্মারকলিপি জমা দেওয়া হল। এই রেলপথ হাওড়া এবং কলকাতার সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিদিন বাণিজ্যিক, চিকিৎসা, শিক্ষার প্রয়োজনে, পেশাগত, পরীক্ষার জন্য ও বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে বহু মানুষ এই পথে যাতায়াত করেন। ট্রেনের অপ্রতুলতার ফলস্বরূপ স্থানীয় মানুষদের কর্মস্থলে পৌঁছানো এবং ফিরবার ক্ষেত্রে ব্যাপক হায়রানির শিকার হতে হয়। বাংলা পক্ষের দাবি, এই সমস্যা সমাধানের জন্য লোকাল এবং এক্সপ্রেস ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। যাতে বাংলার রাজধানীর সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরের রেলপথ যোগাযোগের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে, নিত্যদিনের সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তির শিকার না হতে হয় এবং সৈকত শহর দীঘায় পর্যটকদের আসা-যাওয়া অত্যন্ত সুগম এবং সুলভ হয়। বাংলা পক্ষ মনে করে, দীঘা বাংলার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে রেলের সংখ্যা বৃদ্ধি করলে রাজ্যের অর্থনীতির উপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্টেশন ম্যানেজারের তরফে ইতিবাচক প্রচেষ্টার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গিয়েছে। আশা করা যায়, আগামী দিনে হাওড়া থেকে দীঘা এবং জেলার মধ্যে চলাচলের জন্য লোকাল ট্রেন বৃদ্ধি পাবে।

জুলাই ১৭, ২০২২
রাজ্য

শিলিগুড়িতে বাংলা পক্ষর বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলে অভুতপুর্ব সাড়া

রবিবার শিলিগুড়ির জলপাই মোড় থেকে শুরু করে পানিটাঙ্কি মোড় অবধি এক প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ জানাই বিজেপির বাংলা ভাগ ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে এই মহা মিছিলের আয়োজন। এই মিছিলে বাংলা পক্ষর বিভিন্ন জেলার সদস্যরা যোগ দেন। বাংলা পক্ষ-র তরফে তাঁদের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথা কে জানান, প্রায় এক হাজারেরও বেশি সহযোদ্ধা এই মিছিলে পা মেলান। তিনি আরও জানান, এই মহামিছিলে মহিলাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত এবং এই দীর্ঘ মিছিলে রাস্তার দুইপাশে উৎসুক বাঙালিদের মধ্যে বিপুল উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। বাঙ্গালী ও বাংলা প্রেমী মানুষজন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মিছিলে যোগ দেন।মিছিলের নেতৃত্ব দেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়। ছিলেন বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অমিত সেন, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দোপাধ্যায়, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, বাংলা পক্ষ শিলিগুড়ি জেলা সম্পাদক গিরিধারী রায়, বাংলা পক্ষ জলপাইগুড়ি জেলা সম্পাদক অভিষেক মিত্র মজুমদার, বাংলা পক্ষর উত্তর দিনাজপুর জেলা সম্পাদক শুভঙ্কর ঘোষ , বাংলা পক্ষর কোচবিহার নেতৃত্ব প্রশান্ত নাথ ও হাশিফুল হোসেন, প্রমুখ।মিছিল থেকে তাঁরা দাবী তোলেন- বাংলা ভাগ হবেনা। তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে দুটি এইমস-র (AIIMS) দাবী তোলেন। তাঁরা বলেন, যেখানে বিহারে দুটো এইমস হতে পারে সেখানে পশ্চিমবঙ্গে একটি কেন? তাঁদের দাবী জলপাইগুড়ি অথবা রায়গঞ্জে বাংলার দ্বিতীয় এইমস। এছাড়াও তারা বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তরবঙ্গের রেল ব্যবস্থার উন্নতি-র দাবী করে আসছেন। কয়েকদিন আগেই এর প্রতিবাদে জন্য শিয়ালদহ তে ডিআরএম অফিসে ধর্না দেন। তাঁদের দাবী এনজেপিকে হাব করে কোচবিহার ও মালদা অবধি বিস্তৃত লোকাল ট্রেন নেটওয়ার্ক চালু করা হয়।তাঁরা বেআইনী অনুপ্রবেশের বিরিদ্ধেও সরব হয়েছেন। তাঁরা অনুপ্রবেশ রুখতে নেপাল সীমান্ত সিল করার আবেদন জানান কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং সেখানে সশস্ত্র সীমান্ত রক্ষা বাহিনী (BSF) মোতায়েন করার দাবী তোলেন।

জুলাই ০৩, ২০২২
রাজ্য

বিজেপির বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বাংলা পক্ষর মহামিছিল

বাংলা পক্ষ বঙ্গভঙ্গ চক্রান্তের বিরুদ্ধে কলেজ স্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত মহামিছিল করল। মিছিলে হাজার হাজার বাঙালি উপস্থিত ছিল। বাংলার উত্তর দিকের জেলাগুলোকে বাংলা থেকে ভাগ করে আলাদা রাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার চক্রান্ত করছে বাংলা ও বাঙালির শত্রু বিজেপি-আরএসএস। এরই প্রতিবাদে কলেজষ্ট্রিট থেকে শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড় পর্যন্ত এক মহা মিছিল সংগঠিত করে বাংলা পক্ষ।মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. গর্গ চট্টোপাধ্যায়। উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস, মনন মণ্ডল, শোয়েব আমিন, অমিত সেন, কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায়, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষের দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, হাওড়া জেলার সম্পাদক জয়দীপ দে, হুগলী জেলার সম্পাদক দর্পণ ঘোষ, উত্তর চব্বিশ পরগণা শহরাঞ্চলের সম্পাদক পিন্টু রায়, উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ, পশ্চিম বর্ধমানের জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়, উত্তর চব্বিশ পরগণা গ্রামীনের সম্পাদক দেবাশিষ মজুমদার, বাঁকুড়ার জেলা সম্পাদক অচিন্ত্য নাথ, পূর্ব বর্ধমানের সম্পাদক জুয়েল মল্লিক, পূর্ব মেদিনীপুরের সম্পাদক সুতনু পণ্ডিত, বাংলা শ্রমিক পক্ষর অভিজিৎ কুন্ডু প্রমূখ।গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাংলা ভাগের চক্রান্ত ব্যর্থ করবোই। বাংলা পক্ষর মিছিল থেকে প্রমাণ হল বাঙালি জেগে গেছে। এবং বিজেপি চক্রান্ত করছে আমার মুখ বন্ধ করে দেওয়ায় জন্য, বাংলা থেকে আমাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য। বিজেপি বাংলা থেকে আমাকে সরিয়ে দিতে পারে কিন্তু আমার হৃদয় থেকে বাংলাকে সরাতে পারবেনা। তিনি আরও বলেন, একটি জাতিকে দুর্বল করে দেওয়ার সবথেকে সহজ উপায় হল তার মাতৃভূমিকে টুকরো টুকরো করে দেওয়া। ভূমিপুত্রদের ঐক্য ধ্বংস করে দেওয়া। জাতি হিসাবে বাঙালি টুকরো টুকরো হলে লাভ বাঙালি বিদ্বেষীদের। বাংলার উত্তরের জেলাগুলো কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হলে গোটা এলাকার জমি, অর্থব্যবস্থা, পুলিশ সবই কেন্দ্রের হাতে চলে যাবে। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্রীয় সরকার এনআরসি করে ভূমিপুত্রদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিয়ে তাদের নিজের মাতৃভূমি থেকে বেদখল করে, তাদের জমি দোকান সম্পত্তি রাখার অধিকার কেড়ে নিয়ে ইউ পি -বিহার-ঝাড়খণ্ড-রাজস্থান থেকে বহিরাগত ঢুকিয়ে এলাকার ভূমিপুত্রদের ওপর অত্যাচার চালাবে। উত্তরের জেলাগুলোর প্রাকৃতিক সম্পদ তুলে দেবে তাদের পছন্দের গুজরাট, রাজস্থানের পুঁজিপতিদের হাতে। সেখানে সম্পূর্ণ গুরুত্বহীন করে দেওয়া হবে বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের।কৌশিক মাইতি বলেন, গর্গ চট্টোপাধ্যায়ের উপর আঘাত হানলে বাংলার প্রতিটি জেলা বাংলার প্রতিটি ঘরে প্রতিবাদের আগুন জ্বলবে। তিনি আরও বলেন, বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকার তিস্তার জল বাংলাদেশে পাঠিয়ে বাংলার উত্তরের জেলাগুলোকে শ্মশানে পরিণত করতে চায়। বাংলার সরকার রাজি না হওয়ায় এখনও পর্যন্ত কেন্দ্র তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়ন করতে পারেনি। বাংলার উত্তরের জেলাগুলোকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করতে পারলে দিল্লি তিস্তার জল সহজেই বাংলাদেশে পাঠাতে পারবে। এখনও পর্যন্ত এই চক্রান্ত আটকে রেখেছে বাংলার সরকার। কিন্তু বাংলা ভাগ হলে উত্তরের জেলাগুলোর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ আর বাংলার সরকারের হাতে থাকবে না। বিপন্ন হয়ে যাবে উত্তরের জেলাগুলোর বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের অস্তিত্ব।বাংলা পক্ষ প্রথম দিন থেকে বিজেপির এই বঙ্গভঙ্গ চক্রান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে। এর আগে গোর্খাল্যান্ড তৈরি করে বাংলাকে দু-টুকরো করার ষড়যন্ত্র করেছিল বিজেপি-আরএসএস। সেই সময়ও বাংলা পক্ষ গোটা রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভ, পথ সভা প্রতিবাদ সংগঠিত করেছিল।

জুন ১৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধা জানানো হল শিল্পের মাধ্যমে

সম্প্রতি নজরুল মঞ্চে অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা সবার প্রিয় সংগীতশিল্পী কেকের প্রয়াণ হয়েছে এবং তার জন্য সঙ্গীতপ্রেমীরা বিভিন্ন রকম এই শহরে তাঁকে সম্মান জানিয়ে ইভেন্টের আয়োজন করেছে ইতিমধ্যে। তেমনই এক সন্ধ্যার সাক্ষ্য থেকে গেল কলকাতাবাসী। দক্ষিণ কলকাতার সাদার্ন এভিনিউয়ের কাছে গ্যালারি গোল্ডে এই বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।এখানে লাইভ আর্ট এর মাধ্যমে ৪৫ জন শিল্পী কেকে কে স্মরণ করলেন তাঁর গানের মাধ্যমে। প্রখ্যাত শিল্পী অ্যানি আহমেদ যিনি হইচই এর চরিত্রহীন ওয়েব সিরিজে গান করেছিলেন তিনি বহু গানের মাধ্যমে প্রয়াত শিল্পীকে সম্মান জানালেন।

জুন ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গানের মাধ্যমে কেকে কে শ্রদ্ধা কলকাতার শিল্পীদের

কেকের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ দেশবাসী।তিনি যে আমাদের মধ্যে আর নেই সেটা মেনে নিতেই কষ্ট হচ্ছে। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুতে থমথমে পরিবেশ বিনোদন মহলে। এদিন দক্ষিণ কলকাতার ক্যাফে ক্যাফে আলাপ প্রিয় শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপস্থিত ছিলেন বিনোদন জগতের এক ঝাঁক তারকা।সারেগামা মঞ্চ খ্যাত অনুষ্কা পাত্র, রিক বসু, নবাগত সংগীত পরিচালক জুটি শুভম-শুভঙ্কর উপস্থিত ছিলেন এই বিশেষ অনুষ্ঠানে। এদের পাশাপাশি উপস্তিত ছিলেন অনুষ্কা চক্রবর্ত্তী, রেমো, জিৎ চক্রবর্ত্তী, সায়ন মুখোাধ্যায়, অধিরাজ গঙ্গোপাধ্যায়, নীলাঙ্কুর মুখোাধ্যায় এবং দীপান্বিতা নাথ।কেকের গানে জমজমাট ছিল সন্ধ্যা। আলোচনা হল এই বিশিষ্ট শিল্পীকে নিয়ে। কথা প্রসঙ্গে উঠে এল কেকে কিভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবনে গানের অংশ হয়ে গিয়েছিলেন। কেকের জারা সা গানটি গাইলেন রিক বসু।

জুন ১০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ক্লিকের এনক্রিপটটেড নিয়ে উন্মাদনা

Klikk Originals এর আগামী ওয়েব সিরিজ এনক্রিপটটেড এরএর মিউজিক, টিজার ও পোস্টার মুক্তি পেল হাওড়ার অবনী মলে। ছবির পরিচালনা করেছেন সৌপ্তিক সি। সর্বপ্রথম বাংলা ওয়েব সিরিজের টাইটেল গান গেয়েছে এবং অভিনয় করেছে বাংলা রক ব্যান্ড ক্যাকটাস। এটি বাংলা ওটিটির ইতিহাসে সর্বপ্রথম সংযোজন। এর আগে নীল নির্জনে ছবিতেও ফিচার করা হয়েছিল ক্যাকটাস ব্যান্ডকে। উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার, ঐশ্বর্য সেন, রিচা শর্মা, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, অর্পিতা দাস, রানা মুখার্জি, সূর্যেন্দ্র বাগচী, ইন্দ্রনীল দে, সানু সোমনাথ, সুলগ্না চক্রবর্তী ও সঙ্গীত পরিচালক অম্লান চক্রবর্তী সহ ক্যাকটাস ব্যান্ড। এদিন সদ্য প্রয়াত সঙ্গীতশিল্পী কেকে কে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাল ক্যাকটাস ব্যান্ড। ক্যাকটাসের লাইভ পারফরম্যান্স দেখতে মলে সাধারণ মানুষের ভিড় ছিল দেখার মতো। কলাকুশলীরা দর্শকদের নিজস্বীর আবদারও রাখেন। সবমিলিয়ে একটা জমজমাট সন্ধ্যার সাক্ষী থাকল অবনী মল।

জুন ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কেকে'র প্রয়াণে বিশাল স্তব্ধতা

কেকে-র প্রয়াণে দেশবাসীর চুপ হয়ে গেছেন। কেকে-র প্রিয়জন থেকে শুরু করে তার অগুণিত ভক্ত কারোরই মনে ভালো নেই। একটি পোস্টের মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা শেয়ার করলেন পরিচালক বিশাল ভরদ্বাজ। টুইট করে তিনি লিখেছেন, আমার ছোট ভাই। একসঙ্গে দিল্লি থেকে এসেছিলাম। আমাদের প্রথম ব্রেক, প্রথম ছবি, প্রথম সফলতা একসঙ্গে- মাচিস। ছোড় আয়ে হাম ওহ গলিয়াঁ, লতাজির পানি পানি রে-তে দ্বিতীয় গানও গেয়েছিলেন। অগণিত সময়, অগণিত মুহূর্ত, অনেকটা যন্ত্রণা, সবটাই একটু একটু করে হারালো।Mera chhota Bhaiyaa.Hum saath aaye thay dilli se. Humara pehla break pehli film pehli kaamyaabi ek saath- MAACHIS(Chhodh aaye hum wo galiyan. He also sang the 2nd music in Lata jis pani pani re)Anginat lamhe.. anginat yaadein..Bepanah dard..Bichhdey sabhee baari baari.. pic.twitter.com/gHrJHqpA9g Vishal Bhardwaj (@VishalBhardwaj) June 1, 2022উল্লেখ্য বিশাল ভরদ্বাজের একাধিক ছবিতে গান গেয়েছেন কেকে। তাঁর পরিচালনাতে ১৯৯৬ সালে ছোড় আয়ে হাম ওহ গলিয়াঁ গানটা গেয়েছিলেন। বিশাল ভরদ্বাজের সঙ্গীত পরিচালনায় রঙ্গুন সিনেমাতেও গেয়েছিলেন কেকে।

জুন ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কে কে র মৃত্যুর জন্য এবার রূপঙ্করকে ট্রোল ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের

ভারতীয় সঙ্গীতের এক তারকা কে কে কে হারিয়ে আমরা সবাই মুহ্যমান। নজরুল মঞ্চে গতকাল পর্যন্ত যার লাইভ পারফরম্যান্সের সাক্ষী থাকলেন দর্শকরা সেই কে কে আজ আমাদের সঙ্গে নেই ভাবতে পারছেন না অনেকেই। এরকম একটা পরিস্থিতিতে সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্করের ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল সমালোচনা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারা কেউই রূপঙ্করকে ছেড়ে কথা বলেননি। এবার অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় রূপঙ্করের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাস্বর লিখেছেন, আজ থেকে রূপুংকরবাবুর নাম দিলীপ ঘোষ হোক। কারণ উনিও আলটপকা কথা বলে লাইমলাইটে থাকতে চান। কি অসহ্য সময়, নিজেকেই বলছেন KK-র থেকে ভালো গায়ক। সে তো মানুষ বলবে আপনি লাফাচ্ছেন কেন? রাঘবদা বা কাউকে তো এসব বলতে শুনি না। কমেন্ট বক্সে অভিনেত্রী রিমঝিম গুপ্ত লিখেছেন, এই লোকটা কারও মৃত্যুকেও একটা পাবলিসিটি স্টান্ট করতে পারে জাস্ট ভাবে না। ছি!! আমরা কোন সমাজে, কোন যুগে বসবাস করছি।প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে রূপঙ্কর সংবাদবাদ্যমকে কেকে-র মৃত্যু প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করেছেন রূপঙ্কর। তিনি বলেছেন, দু:খ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। কেকে অত্যন্ত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। এটা ওঁর মৃত্যুর বয়স নয়। অতীতে অনেক মিউজিশিয়ান ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ওর সেই বয়স নয়। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি কেকে-র বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইনি। মানুষ বুঝতে না পারলে সত্যি খারাপ লাগবে। বাংলা গান, বাংলা সাহিত্য নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম আমি। চিনিই না মানুষটাকে। ওঁর উপর কেন রাগ থাকবে। আমি ওঁর ভক্ত। আমার বক্তব্য নিয়ে কেউ অন্য কিছু ভেবে থাকলে সেটা তাঁদের ভুল।

জুন ০১, ২০২২
রাজ্য

বরাক উপত‍্যকার একাদশ অমর ভাষা শহীদদের স্মরণে 'বাংলা পক্ষ'

মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরে বাংলা পক্ষ সংগঠনের জেলা শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার ১৯ শে মে বরাক উপত্যকার একাদশ অমর ভাষাশহীদদের স্মরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। এই শোভাযাত্রায় বাংলা পক্ষের সসদ্যদের সাথে পা মেলান বহরমপুর সহ মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষজন। শোভাযাত্রার পথে বর্ণপরিচয় স্রষ্ঠা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন ও ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়।ভাষা আন্দোলন বলতে আমরা সাধারণ ভাবে যে দিনটির কথা জানি সেটা হল ২১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু স্বাধীন ভারতের মাটিতে হওয়া বাংলা ভাষা আন্দোলন দিবস ১৯ শে মে এবং ১ লা নভেম্বরের কথা অনেকেই জানে না। উল্লেখ্য, আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র সরকারি ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেহেতু সেই অঞ্চলে বসবাসকারী জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল বাংলাভাষী। এই গণ ঘটনাটি ১৯৬১ সালের ১৯ মে, ১১ জন প্রতিবাদে সামিল ভাষা আন্দোলনকারি কে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আসাম রাজ্য পুলিশ নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে।পদযাত্রার শেষে বহরমপুরের কালেক্টরেট ক্লাবের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গর্গ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, নুরুল হাসান ও কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে মঞ্চ আলোকিত করেন অধ্যাপক মধু মিত্র, ও অধ্যাপক জ্যোতির্ময় রায়চৌধুরী।জ্যোতির্ময় বাবু কিভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ আন্দামানের বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন সেই কথা তুলে ধরেন, মধু মিত্র মুর্শিদাবাদে বাংলা পক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে হিন্দী আগ্রাসনের বিরোধিতা শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন ভারতের প্রত্যেক রাজ্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণের মাধ্যমে নিজের জাতির ভবিষ্যত সুরক্ষিত করছে, বাংলা ব্যতিক্রম হতে পারে না। বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যেমন বাংলা ভাষা দাবি করে তেমন বাংলার রাজ্য সরকারি চাকরিতেও বাংলা ভাষা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করে। সার্বিক ভাবে বাংলা পক্ষ বাংলা ভাষাকে কাজের ভাষা করে তুলতে চায়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র তথা বাংলা পক্ষবার্তার প্রধান নুরুল হাসান তাঁর বক্তব্যে বাংলা পক্ষে প্রয়োজনীয়তা, লক্ষ্য ও বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি মুর্শিদাবাদের রেশম, বিড়ি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের কথা তুলে ধরেন। এতো কাজের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জেলার ছেলে দের কেন ভিনরাজ্যে যেতে হবে সেই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন বাংলা পক্ষ দাবি করে বেসরকারি চারকিতেও ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। সভায় উপস্থিত জেলা সংগঠনের পর্যবেক্ষক তথা শীষ পরিষদ সদস্য মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন বাংলা পক্ষ ভবিষ্যতের সংগঠন, তরুণ প্রজন্মের সংগঠন। বাংলার যুব সমাজের চাকরি, ব্যবসা, টেণ্ডারে ভূমিপুত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু সাংস্কৃতিক ভাবে বাংলা ভাষা তথা বাঙালিকে বাঁচানো যাবে না। রাজনৈতিক ভাবেই হিন্দি আগ্রাসনের প্রতিবাদ করতে হবে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহিরাগতদের সংখ্যা বাড়ায় বাঙালির চিকিৎসা পরিষেবায় সমস্যার কথা বলেন। বলেন বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে বাঙালির বঞ্চনার কথা। আগামীতে এই বিষয়েও বাংলা পক্ষ প্রতিবাদে সরব হবে বলে তিনি জানান। এই সভাটি সঞ্চালনা করেন মুর্শিদাবাদের বাংলা পক্ষের অন্যতম সংগঠক অরিন্দম চন্দ্র।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুর্দান্ত লড়াই করেও স্বপ্ন শেষ নাইটদের, প্লে অফে লখনউ

নাটকীয় ম্যাচে ফয়সালা হল শেষ ওভারে। দুর্দান্ত লড়াই করেও শেষরক্ষা করতে পারল না নাইট রাইডার্স। শ্রেয়স আয়ারের দলকে ২ রানে হারিয়ে প্লে অফে পৌঁছে গেল লখনউ সুপার জাযান্টস। কুইন্টন ডিকক ও লোকেশ রাহুলের দাপটে প্রথমে ব্যাট করে ২১০ রানের বিশাল স্কোর খাড়া করে লখনউ সুপার জায়ান্টস। সামনে বড় রানের টার্গেট দেখে চাপে পড়ে যান নাইট রাইডার্সের ব্যাটাররা। তার প্রতিফলন শুরুতেই দেখা যায়। প্রথম ওভারেই ধাক্কা। স্কোর বোর্ডে কোনও রান ওঠার আগেই চতুর্থ বলেই ভেঙ্কটেশ আয়ারকে (০) তুলে নেন মহসীন খান। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। এবার মহসীন ফেরান আইপিএলে অভিষেককারী নাইটদের ওপর ওপেনার অভিজিৎ টোমারকে। ৮ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হন অভিজিৎ। ৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর ঝড় তোলেন নীতীশ রানা ও শ্রেয়স আয়ার। দুজনে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অষ্টম ওভারে আবার ধাক্কা। এবার নীতীশকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ২২ বলে ৪২ রান করে আউট হন নীতীশ। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান শ্রেয়স ও স্যাম বিলিংস। শ্রেয়সকে তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন মার্কাস স্টইনিস। ২৯ বলে ৫০ রান করেন শ্রেয়স। ২৪ বলে ৩৬ রান করে বিলিংস আউট হন। রাসেল করেন ৫।এরপর ম্যাচ জমিয়ে দেন রিঙ্কু সিং। ঝড় তুলে ১৫ বলে ৪০ রান করে তিনি দলকে জয়ের কাছাকাছি পৌঁছে দেন। স্টইনিসের বলে তিনি যখন আউট হন জয় থেকে ৩ রান দূরে নাইটরা। শেষ বলে দরকার ছিল ৩। কিন্তু উমেশ যাদাবকে (০) বোল্ড করে লখনউকে নাটকীয় জয় এনে দেন স্টইনিস। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন স্টইনিস।টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে সতর্কভাবে শুরু করেছিলেন লখনউর দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও কুইন্টন ডিকক। প্রথম দিকে খুব বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার চেষ্টা করেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ওঠে ৪৪। এরপর ক্রমশ নাইট বোলারদের ওপর জাঁকিয়ে বসেন ডিকক ও লোকেশ রাহুল। ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ডিকক। অন্যদিকে, ৪১ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন লোকেশ রাহুল।লখনউ সুপার জায়ান্টসের এই দুই ওপেনারের ওপর কোনও প্রভাব ফেলতে পারেননি নাইট উমেশ যাদবরা। আন্দ্রে রাসেলকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে আইপিএলে জীবনের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিকক। এদিন ৫৯ বলে তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।৬ বছর আগে ২০১৬ সালে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে করেছিলেন ১০৮। এদিন ডিককের ব্যাটে রেকর্ডের ছড়াছড়ি। চলতি আইপিএলে সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেললেন ডিকক। ৭০ বলে ১৪০ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ১০টি চার ও ১০টি ছয়। চলতি আইপিএলে এক ম্যাচে সবথেকে বেশি ৬ মারার রেকর্ডেরও অধিকারী হলেন। ৫১ বলে ৬৮ রান করে অপরাজিত থাকেন লোকেশ রাহুল।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হায়দরাবাদকে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন টিকিয়ে রাখল নাইটরা

সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ৫৪ রানে হারিয়ে প্লে অফের স্বপ্ন জিইয়ে রাখল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নাইটদের জয়ের নায়ক আন্দ্রে রাসেল। ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এই ক্যারিবিয়ান অলরাউন্ডারের।বড় রান তাড়া করতে গেলে শুরুটা ভাল হওয়া জরুরি। কিন্তু উমেশ যাদবের আঁটোসাঁটো বোলিংয়ের সামনে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠার সুযোগ পাননি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের প্রারম্ভিক ব্যাটাররা। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে ওঠে মাত্র ৩১ রান। তার মাঝেই হারাতে হয় ১ উইকেট। নিজের প্রথম ওভারেই সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ১৭ বলে মাত্র ৯ রান করে বোল্ড হন উইলিয়ামসন। ওই ওভারে মাত্র ১ রান দেন রাসেল। উইলিয়ামসন আউট হলেও নিজের ছন্দ ধরে রাখেন অভিষেক শর্মা। ইনিংসের অষ্টম ও সুনীল নারাইনের দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় ও চতুর্থ বলে পরপর দুটি ছয় মারেন। নারাইনের ওই ওভারে ওঠে ১৭ রান। পরের ওভারে রাহুল ত্রিপাঠিকে তুলে নিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে আবার ধাক্কা দেন টিম সাউদি। ১২ বলে ৯ রান করে সাউদির বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দেন ত্রিপাঠি। দ্বাদশ ওভারের পঞ্চম বলে অভিষেককে তুলে নেন বরুণ চক্রবর্তী। ২৮ বলে ৪৩ রান করে আউট হন অভিষেক। পরের ওভারেই নিকোলাস পুরানকে (২) তুলে নেন নারাইন। তখনই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। ২২ রানে ৩ উইকেট নেন রাসেল।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার (৬ বলে ৭)। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। অজিঙ্কা রাহানেকেও (২৪ বলে ২৮) তুলে নেন তিনি। শ্রেয়স আয়ারও (১৫) দলকে নির্ভরতা দিতে ব্যর্থ। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেলের দাপটে ১৭৭/৬ রানে পৌঁছয় নাইটরা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করেন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তুলে ২৮ বলে ৪৯ রান করে অপরাজিত থাকেন রাসেল। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রাসেলের দাপটে বড় রান তুলে হায়দরাবাদকে চ্যালেঞ্জ কলকাতার

শনিবার আইপিএলের ম্যাচে মুখোমুখি সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখার জন্য দুই দলের কাছেই ম্যাচটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যে দল হারবে, প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যাবে। মরণবাঁচন ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে বড় রান তুলে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে তুলল ১৭৭/৬।এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা নাইট রাইডার্সের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে নাইটরা। প্রথম একাদশে ফিরেছেন উমেশ যাদব এবং স্যাম বিলিংস। অন্যদিকে, সানরাইজার্স হায়দরাবাদও দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে। এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন ওয়াশিংটন সুন্দর এবং টি নটরাজন।ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি কলকাতা নাইট রাইডার্সের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ছন্দে না থাকা ভেঙ্কটেশ আয়ার। ৬ বলে ৭ রান করে মার্কো জানসেনের বলে তিনি বোল্ড হন। প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে টেনে নিয়ে যান অজিঙ্কা রাহানে ও নীতীশ রানা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৪৮ রান। অস্টম ওভারের তৃতীয় বলে নীতীশ রানাকে (১৬ বলে ২৬) জুটি ভাঙেন উমরান মালিক। একই ওভারের শেষ বলে অজিঙ্কা রাহানেকেও তুলে নেন। ২৪ বলে ২৮ রান করে আউট হন রাহানে। বাউন্ডারি লাইনে দুরন্ত ক্যাচ ধরেন শশাঙ্ক সিং। এক ওভার পরেই অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারকেও তুলে নেন উমরান মালিক। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলকে নির্বরতা দিতে ব্যর্থ শ্রেয়স। এদিন ৯ বলে মাত্র ১৫ রান করে তিনি আউট হন। রিঙ্কু সিংও (৫) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি।৯৪ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নাইট রাইডার্স মনে হচ্ছিল এদিন বড় রানে পৌঁছতে পারবেন না শ্রেয়স আয়াররা। কিন্তু ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন স্যাম বিলিংস ও আন্দ্রে রাসেল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৬৩ রান। ২৯ রানে ৩৪ রান করে ভুবনেশ্বর কুমারের বলে আউট হন বিলিংস। শেষ দিকে ঝড় তোলেন রাসেল। ২৮ বলে ৪৯ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। মারেন ৩টি ৪ ও ৪টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে নাইটরা। ৩৩ রানে ৩ উইকেট নেন উমরান মালিক। ১টি উইকেট নেন ভুবনেশ্বর কুমার, মার্কো জানসেন এবং টি নটরাজন।

মে ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কামিন্সদের দুরন্ত বোলিংয়ে বেঁচে রইল নাইটদের প্লে অফের ক্ষীণ আশা

বোর্ডে খুব বেশি রান না নিয়েও দারুণ লড়াই। প্যাট কামিন্সদের দুরন্ত বোলিং মু্ম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৫২ রানের সহজ জয় এনে দিল কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। একই সঙ্গে নাইটদের প্লে অফের ক্ষীণ সম্ভাবনা এখনও বেঁচে রইল। এদিন জয়ের জন্য মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে ১৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল নাইট রাইডার্স। জয়ের জন্য লক্ষ্যটা খুব একটা বড় ছিল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে। কিন্তু প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় মুম্বই। টিম সাউদির ওভারের শেষ বলে উইকেটকিপার শেলডন জ্যাকসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মুম্বই অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ৬ বলে মাত্র ২ রান করেন তিনি। চলতি আইপিএলে বিরাট কোহলির মতো তিনিও চূড়ান্ত ব্যর্থ। কোহলির ব্যর্থতা বাকিরা পুশিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই দলে রোহিতের ব্যর্থতা পুশিয়ে দেওয়ার ব্যাটার নেই। মিডল অর্ডারকে যিনি এতদিন নির্ভরতা দিয়ে এসেছেন, সেই সূর্যকুমার যাদব হাতের পেশিতে চোট পেয়ে আইপিএলের বাইরে। রোহিত আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব ছিল ঈশান কিষানের ওপর। ভালোই খেলছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এই ওপেনার। রোহিতের ব্যর্থতা ঢেকে দিয়ে দলকে টেনে নিয়ে যান। কিন্তু তিলক ভার্মা (৬), রমণদীপ সিং (১৬ বলে ১২), টিম ডেভিডরা (৯ বলে ১৩) সঙ্গ দিতে পারেননি ঈশানকে। এদিন আগ্রাসী বোলিং করে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মিডল অর্ডারকে গুড়িয়ে দেন আন্দ্রে রাসেল ও প্যাট কামিন্স। রাসেল তুলে নেন তিলক ও রমণদীপকে। অন্যদিকে প্যাট কামিন্সের শিকার ঈশান (৪৩ বলে ৫১), ড্যানিয়েল সামস (১), মুরুগান অশ্বিন (০)। কায়রন পোলার্ড ১৬ বলে ১৫ রান করে রান আউট হন। ১৭.৩ ওভারে ১১৩ রানে শেষ হয়ে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ইনিংস। এদিন প্রথম পাঁচপাঁচটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬০। ভেঙ্কটেশ আয়ারকে তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। ২৪ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। রাহানের সঙ্গে জুটি বেঁছে দলকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ। একাদশ ওভারে রাহানেকে (২৪ বলে ২৫) তুলে নেন সেই কার্তিকেয়া। শ্রেয়স আয়ার (৬) এদিনও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৫ বলে ৯ রান করে বুমরার বলে আউট হন রাসেল। একই ওভারে নীতিশ রানাকেও তুলে নেন বুমরা। ২৬ বলে ৪৩ রান করে উইকেটের পেছনে ঈশান কিশানের হাতে ক্যাচ দেন নীতিশ। নীতিশ আউট হওয়ার পরপরই নাইটদের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ১৯ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ ১০ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন বুমরা। ১৬৫/৯ রানে থেমে যায় নাইটরা।

মে ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুমরার বিধ্বংসী বোলিংয়ে বড় রানের স্বপ্ন চুরমার নাইটদের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ নাইট রাইডার্স। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৫/৯ রান তুলতে সমর্থ হয় নাইটরা। দুরন্ত বোলিং করে ১০ রানে ৫ উইকেট নিলেন বুমরা। আইপিএলে এটাই তাঁর সেরা বোলিং। দলকে বড় ইনিংসের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন বেঙ্কটেশ আয়ার ও নীতিশ রানা। যশপ্রীত বুমরার দাপটে নাইটদের বড় রানের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। এদিন প্রথম পাঁচপাঁচটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শিবম মাভি, অনুকূল রায়, অ্যারন ফিঞ্চ, বাবা ইন্দ্রজিৎ, হর্ষিত রানা প্রথম একাদশের বাইরে। পরিবর্তে প্রথম একাদশে ভেঙ্কটেশ আয়ার, অজিঙ্কা রাহানে, শেলডন জ্যাকসন, বরুণ চক্রবর্তী ও প্যাট কামিন্স। প্রথম একাদশে পরিবর্তনের ব্যাপারে এবছর চলতি আইপিএলে সব দলকেই টেক্কা দিয়ে গেছে নাইট রাইডার্স। এদিন টস জিতে নাইট রাইডার্সকে ব্যাট করতে পাঠান মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার অজিঙ্কা রাহানে ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৬০। এরপরই প্রথম ধাক্কা খায় নাইটরা। ভেঙ্কটেশ আয়ারকে তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। ২৪ বলে ৪৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল নীতিশ রানাকে। রাহানের সঙ্গে জুটি বেঁছে দলকে টেনে নিয়ে যান নীতিশ। একাদশ ওভারে রাহানেকে (২৪ বলে ২৫) তুলে নেন সেই কার্তিকেয়া। অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার এদিনও নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৮ বলে ৬ রান করে তিনি মুরুগান অশ্বিনের বলে আউট হন। ব্যাটিং অর্ডারে এদিন আন্দ্রে রাসেলকেও এগিয়ে নিয়ে আসা হয়েছিল। তিনিও ব্যর্থ। ৫ বলে ৯ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। একই ওভারে নীতিশ রানাকেও তুলে নেন বুমরা। ২৬ বলে ৪৩ রান করে উইকেটের পেছনে ঈশান কিশানের হাতে ক্যাচ দেন নীতিশ। নীতিশ আউট হওয়ার পরপরই নাইটদের বড় রানের স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। ১৯ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন রিঙ্কু সিং। ডেথ ওভারে দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১টি মেডেনসহ ১০ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন বুমরা।

মে ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জ্বলে উঠতে ব্যর্থ শ্রেয়সরা, প্লে অফের স্বপ্ন শেষ নাইটদের

ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ শ্রেয়স আয়ারের দল। লখনউ সুপার জায়ান্টসের কাছে ৭৫ রানে হেরে প্লে অফের স্বপ্নের সলিল সমাধি নাইট রাইডার্সের। গত বছরের মতো স্বপ্নের প্রত্যাবর্তন করতে পারলেন না সুনীল নারাইনরা। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ব্যাটারদের ব্যর্থতার জন্যই ডুবতে হল নাইটদের। এদিন বল হাতে ভাল শুরু করেও লখনউ সুপার জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রাখতে পারেনি নাইট রাইডার্স। নাইটদের সামনে জয়ের জন্য ১৭৭ রানের টার্গেট রেখেছিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি নাইটদের। লখনউ সুপার জায়ান্টসের মতো প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় নাইটরা। ষষ্ঠ বলে ফিরে যান বাবা ইন্দ্রজিৎ। বোর্ডে তখনও কোনও রান ওঠেনি। ইন্দ্রজিৎকে তুলে নেন মহসীন খান। প্রথম ওভারের ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই আবার আঘাত। এবার দুষ্মন্ত চামিরার শিকার নাইট অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। ৯ বলে মাত্র ৬ রান করে তিনি আয়ুশ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। নাইটদের রান তখন ৩.৪ ওভারে ১১/২। এক ওভার পরেই আরন ফিঞ্চকে (১৪ বলে ১৪) তুলে নেন জেসন হোল্ডার। সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে ফর্মে থাকা নীতিশ রানাকে (১১ বলে ২) বোল্ড করেন আবেশ খান। ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পরে নাইটরা। এরপর ক্রিজে নেমে পাল্টা আক্রমণের রাস্তা বেছে নেন আন্দ্রে রাসেল। জেসন হোল্ডারের এক ওভারে তিনটি ৬, ১টি ৪ ও ২ রান নিয়ে তোলেন ২৪। দ্বাদশ ওভারের প্রথম বলেই রিঙ্কু সিংকে (১০ বলে ৬) তুলে নেন রবি বিশ্নই। এক ওভার পরেই রাসেলের ঝড় থামিয়ে দেন আবেশ খান। ১৯ বলে ৪৫ রান করে আউট হন রাসেল। নাইটদের জয়ের আশা তখনই শেষ হয়ে যায়। একই ওভারে অনুকূল রায়কেও (০) তুলে নেন আবেশ। ১২ বলে ২২ রান করে আউট হন সুনীল নারাইন। শেষ পর্যন্ত ১৪.৩ ওভারে ১০১ রানে থেমে যায় নাইটদের ইনিংস। ৩ টি করে উইকেট নেন আবেশ খান ও জেসন হোল্ডার।এদিন ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ সুপার জায়ান্টসও। তবু কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডার সৌজন্যে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭১। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন ডিকক। ২৭ বলে ৪১ রান করেন দীপক হুডা। ২৭ বলে ২৫ রান করেন ক্রূণাল। মার্কাস স্টয়নিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৬/৭ রানে পৌঁছয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৪ বলে ২৮ রান করেন স্টয়নিস।

মে ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে জ্বলে উঠতে ব্যর্থ কলকাতা নাইট রাইডার্স

জায়ান্টসকে কম রানে বেঁধে রাখতে পারল না কলকাতা নাইট রাইডার্স।প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে লখনউ সুপার তোলে ৭ উইকেটে ১৭৬। প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না কলকাতা নাইট রাইডার্সের সামনে। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে কাফ মাসলসে চোটের জন্য ছিটকে যান নাইট রাইডার্সের বোলিংয়ের অন্যতম ভরসা স্তম্ভ উমেশ যাদব। চলতি আইপিএলে ১০ ম্যাচে ১৫ উইকেট নিয়ে বোলারদের সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় ৬ নম্বরে রয়েছেন উমেশ যাদব। শুরুর দিকে তাঁর অভাব বুঝতে দেননি টিম সাউদি, সুনীল নারাইনরা। পরে অবশ্য ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি।ব্যাট করতে নেমে এদিন শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ সুপার জায়ান্টস। প্রথম ওভারেই কোনও বল না খেলেই রান আউট হয়ে ফিরে যান লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল (০)। শুরুর ধাক্কা চমৎকারভাবে সামাল দেন কুইন্টন ডিকক ও দীপক হুডা। দুজনের জুটিতে ওঠে ৭১। অষ্টম ওভারে জুটি ভাঙেন সুনীল নারাইন। তুলে নেন কুইন্টন ডিকককে। ২৯ বলে ৫০ রান করে আউট হন ডিকক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৪টি চার ও ৩টি ছয়। ১৩ তম ওভারে দীপক হুডাকে তুলে নেন আন্দ্রে রাসেল। ২৭ বলে ৪১ রান করে শ্রেয়স আয়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন দীপক হুডা।২ ওভার পরেই ক্রূণাল পান্ডিয়াকে তুলে নেন সেই রাসেলই। ২৭ বলে ২৫ রান করেন ক্রূণাল। ১৫ ওভারে লখনউ সুপার জায়ান্টসের রান ছিল ১২২/৪। এই সময় মনে হচ্ছিল বড় রানে পৌঁছতে পারবে না লখনউ সুপার জায়ানন্টস। মার্কাস স্টয়নিসের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৬/৭ রানে পৌঁছয় লখনউ সুপার জায়ান্টস। ১৪ বলে ২৮ রান করেন স্টয়নিস। শিবম মাভির এক ওভারে ৩টি ৬ মারেন তিনি। ১৮ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন আয়ূষ বাদোনি। ৪ বলে ১৩ রান করে অপরাজিত থাকেন জেসন হোল্ডার। ২২ রানে ২ উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। ১টি করে উইকেট নেন টিম সাউদি, শিবম মাভি ও সুনীল নারাইন।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়ার প্রতিবাদে পথে নামল বাংলা পক্ষ

বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, এর প্রতিবাদে রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রেলের চাকরির পরীক্ষাকেন্দ্র বাংলার বাইরে নির্ধারণ করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং এই সমস্যা দূর করার দাবি করে ইউনিয়ন রেল মন্ত্রীকে বাংলা পক্ষ-এর তরফে একটি প্রতিবাদ পত্র পাঠানো হলো। এই প্রতিবাদ পত্রে রেলের পরীক্ষায় বাংলার কর্ম প্রার্থীদের রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র জনিত সমস্যাগুলিকে তুলে ধরে রাজ্যের মধ্যে পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়েছে।রাজ্যের বাইরে পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ার ফলে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের উক্ত রাজ্যে পরীক্ষায় অবতীর্ণ হওয়ার জন্য নির্ধারিত দিনের আগেই সেখানে হোটেল বা মেস ব্যবস্থা করে চলে যেতে হত। সেক্ষেত্রে তাদের থাকা খাওয়ার জন্য অনেক টাকা খরচ হয়ে যায়। কর্ম পার্থীদের বেশীর ভাগই নিম্নবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত আর্থিক পরিকাঠামোই বসবাস করেন। কেউ কেউ টিউশন করে দিন গুজরান করেন, দূর দূরান্তে যাতায়াতের ফলে তাঁদের সময় ও মুল্য দুটোয় অতিরিক্ত ব্যয় করতে হয়।এছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই কর্ম প্রার্থীদের তাদের পরিবারের কোন অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে অন্য রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে যেতে হয়। মহিলা কর্ম প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রায় সকলেই তাদের অভিভাবককে সঙ্গে নিয়ে তবেই ভিন রাজ্যের পরীক্ষা কেন্দ্র যেতে বাধ্য হন। এর ফলে যেমন পরিবারের উপর আর্থিক বোঝা চাপে তেমন ভাবেই অনেক ক্ষেত্রে এই সমস্যার জন্য যোগ্য প্রার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারেন না।বাংলার ছেলেমেয়েদের রেলের চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার বাইরে দেওয়া যাবে না। এতে ছেলেমেয়েদের খুব সমস্যা হয়। তাই যাতে পরীক্ষা কেন্দ্র বাংলার মধ্যেই পড়ে, তাই রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিল বাংলা পক্ষ।জয় বাংলা pic.twitter.com/tSkGULWvMG বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) May 6, 2022তাছাড়া দূর পাল্লার রেলযাত্রার জন্য কমপক্ষে তৃতীয় শ্রেনী-র শয়ন যানের (স্লিপার ক্লাস) রিজার্ভেশন না করতে পারলে যাতায়াত অসম্ভব হয়ে ওঠে। এত কম সময়ের মধ্যে রেলের টিকিট রিজার্ভেশন এককথায় অবাস্তব। তাই অনেকেই পরীক্ষা দিতে যেতে পারেন না। যদিও তৎকালে ব্যবস্থায় টিকিট কাটার চেষ্টা করা হয় তাঁর মূল্যও সেই বেকার ছেলে-মেয়েদের কাছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। শুধু মাত্র তপশীলি ও উপ-জাতিদের জন্য রেলের তরফ থেকে টিকিটের মুল্য পাওয়া যায়। সাধরণ ক্যাটাগরি প্রাথীরা রেল কর্ত্তিপক্ষর কাছ থেকে যাতায়াত বাবদ কোনওরকম সাহায্য পান না। বর্ধমান শহরের এক চাকরি পার্থীর পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে দেশের একদম দক্ষিণের রাজ্যের তিরুচেরাপল্লী তে। হাওড়া থেকে রেল যাত্রা শুরু করলে যেখানে পৌঁছতে কমপক্ষে ৪২ ঘণ্টা সময় লাগে। যাত্রাপথ ও টিকিটের মুল্যের কথা ভেবে তিনি পরীক্ষা দেওয়া থেকে বিরত থাকেন। এছাড়াও উত্তরাখন্ড, বারানসি, গোরক্ষপুর সহ দূরদূরান্তের বিভিন্ন যায়গায় বাংলার ছেলে মেয়েদের পরীক্ষা কেন্দ্র পড়েছে।মুর্শিদাবাদ জেলার ছেলে রাধাবল্লব পাল, চাকরীর পড়াশোনার প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য থাকেন বর্ধমান শহরে। তিন বছর আগের আবেদন করা রেলের গ্রুপ-বি (অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার) চাকরির পরীক্ষার সেন্টার পড়েছে ওড়িশা রাজ্যের ভুবনেশ্বর শহরে। টিউশনের পয়সায় রেলের টিকিট কেটে আগের দিন থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রের আসে পাশের হোটলে রাত কাটাতে হবে। কানপাতলে বাংলার ঘরে ঘরে এরকম বহু উদাহরণ পাওয়া যাবে।এছাড়াও বিগত দিনের বিভিন্ন ঘটনা পরম্পরায় দেখা গেছে বাংলার কর্ম প্রার্থীদের ভিন রাজ্যে পরীক্ষা দিতে গিয়ে নানা ভাবে শারীরিক হেনস্থা এবং আক্রমণের স্বীকার হয়েছেন।ইতিমধ্যেই কর্ম প্রার্থীদের তরফে রেল দপ্তরের কাছে এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। এই দাবি মানা না হলে আগামী দিনে বাংলা পক্ষ সংগঠনের তরফে আন্দোলন আরও জোরদার হবে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

মে ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মেসি-কাণ্ডে অরূপের রক্ষাকবচ বাড়ল, ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বড় পদক্ষেপে নিষেধ! আদালতে কী হল?

মেসি-কাণ্ডে আপাতত স্বস্তিতে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ আরও বাড়িয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৭ নভেম্বর।অরূপ বিশ্বাসকে আগেই রক্ষাকবচ দিয়েছিল হাই কোর্টের একক বেঞ্চ। সেই নির্দেশই আপাতত বহাল রাখল বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ। অরূপের রক্ষাকবচ বাতিলের দাবিতে শতদ্রু দত্ত যে মামলা করেছিলেন, তাতেও এখনই কোনও হস্তক্ষেপ করেনি আদালত।মঙ্গলবার শুনানিতে মেসি-কাণ্ডের তদন্ত সংক্রান্ত দুটি রিপোর্ট আদালতে জমা দেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র। তিনি জানান, তদন্তে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সবরকম সহযোগিতা করছেন। আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, পুলিশ অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যেতে পারবে। তদন্ত শেষ হলে চার্জশিটও জমা দেওয়া যাবে। তবে আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ করা যাবে না।গত ডিসেম্বর মাসে ভারতে এসেছিলেন লিওনেল মেসি। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য বিপুল সংখ্যক ফুটবলপ্রেমী যুবভারতীতে জড়ো হয়েছিলেন। অনেকেই মোটা টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছিলেন। কিন্তু অনুষ্ঠান ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার অভিযোগ ওঠে। নির্ধারিত সময়ের আগেই যুবভারতী ছেড়ে বেরিয়ে যান মেসি। এরপর ক্ষুব্ধ দর্শকদের একাংশ ব্যাপক ভাঙচুর চালান বলে অভিযোগ।সেই ঘটনার পরই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে প্রশ্ন ওঠে। ঘটনার দিন মেসির সঙ্গে একাধিক বার তাঁকে দেখা গিয়েছিল। সমাজমাধ্যমে মেসির সঙ্গে অরূপের ছবি ও ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠদের সঙ্গেও মেসির ছবি প্রকাশ্যে আসে।অব্যবস্থার অভিযোগে ঘটনার দিনই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল মেসির ভারত সফরের অন্যতম উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্তকে। পরে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি ছিল, প্রভাব খাটিয়ে অরূপ মেসির কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।এই মামলায় অরূপ বিশ্বাস ইতিমধ্যেই একাধিক বার বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজিরা দিয়েছেন। পুলিশের তলবে সাড়া দিয়ে তদন্তে সহযোগিতা করার বিষয়টিও আদালতে উল্লেখ করা হয়েছে। আপাতত সেই কারণেই তাঁর রক্ষাকবচ বহাল থাকল বলে মনে করা হচ্ছে।এখন প্রশ্ন, আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত অরূপের বিরুদ্ধে কোনও কঠিন পদক্ষেপ না করার নির্দেশের পর মেসি-কাণ্ডের তদন্ত কোন দিকে এগোয়। আগামী ১৭ নভেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে ফের তৎপরতা, অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদের তলব! জেরার তালিকায় আর কারা?

খুলল কি ফের অভয়া ফাইলস? আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন করে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেছে। এবার ঘটনার রাতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় রয়েছেন অভয়ার সঙ্গে রাতে ডিনার করা বন্ধুরাও।শুধু অভয়ার বন্ধুদেরই নয়, ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা নার্স, চিকিৎসক, নিরাপত্তারক্ষী এবং আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া হাসপাতালের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও ফের জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।আর জি কর-কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন এবং কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে সেই পরীক্ষা এবং তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণেই মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ফের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে কারা ডিনারে ছিলেন, সেই বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে। একই সঙ্গে ফের পরীক্ষা করা হবে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষকে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।অভয়ার মা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, ঘটনার রাতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যথাযথ ভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন। আদালতের তরফেও ঘটনার রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়।এর মধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিক বদল করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সীমা পাহুজাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপনী গর্গকে। কয়েক দিন আগে দিল্লি থেকে চার সদস্যের একটি বিশেষ দলও আর জি কর হাসপাতালে পৌঁছয়। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে ওই দলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই জায়গা ফের খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এবার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের তলব করার খবর সামনে আসায় আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে থাকা বন্ধু, হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসক ও নার্স এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, কর্মীদের বেতনও আটকে! সুপ্রিম কোর্টে কপিল সিব্বলের বিস্ফোরক সওয়াল

তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত মামলায় মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হয়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সব তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরছে না বলে অভিযোগ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল। বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়।শুনানিতে তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে দলের নিয়মিত খরচের হিসাব আদালতের সামনে তুলে ধরেন কপিল সিব্বল। তিনি জানান, তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে। এর ফলে দলের দৈনন্দিন কাজ চালানো এবং কর্মীদের বেতন দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেন তিনি।ইডির তরফে আদালতে বলা হয়, যে অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়নি, সেগুলি থেকে টাকা নিয়ে দল কাজ চালাতে পারে। তার জবাবে কপিল সিব্বল জানান, ওই অ্যাকাউন্টগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি স্থায়ী আমানত। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ৩৬টি অ্যাকাউন্টের মধ্যে ৩১টি স্থায়ী আমানত এবং বাকি পাঁচটি সাধারণ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট।সিব্বলের দাবি, স্থায়ী আমানত ভাঙলে সেই টাকা ফের ফ্রিজ করে রাখা অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আরও জানান, পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মধ্যে চারটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থা আদালতকে সম্পূর্ণ তথ্য দিচ্ছে না।তৃণমূলের আইনজীবী আরও দাবি করেন, তদন্তকারী সংস্থার মামলায় অপরাধলব্ধ অর্থের পরিমাণ প্রায় ৬০ কোটি টাকা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ প্রায় ৪০০ কোটি টাকা ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। কেন এত বেশি অর্থ আটকে রাখা হয়েছে, সেই প্রশ্নও আদালতে তোলেন তিনি।দলের কর্মীদের বেতন নিয়েও আদালতে বিস্তারিত তথ্য দেন সিব্বল। তাঁর দাবি, তৃণমূলের প্রায় ২৫০ জন কর্মী রয়েছেন। চলতি মাসে তাঁদের বেতন দেওয়া সম্ভব হয়নি। বেতন-সহ অন্যান্য খরচ মেটাতে প্রায় ৫৩ লক্ষ ২৩ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে আদালতে জানান তিনি।এর পাশাপাশি দলের বিভিন্ন অফিসের খরচের কথাও আদালতে তুলে ধরেন সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলের ১৭টি অফিস চালাতে প্রতি মাসে প্রায় এক কোটি টাকা খরচ হয়। নিরাপত্তা সংস্থা এবং চুক্তিভিত্তিক কর্মীদেরও টাকা দিতে হয়। নির্বাচনের সময়ে যাঁরা কাজ করেছিলেন, তাঁদেরও কিছু টাকা এখনও বাকি রয়েছে বলে জানান তিনি।সিব্বল আরও জানান, দৈনন্দিন কাজ চালানোর জন্য কলকাতা হাই কোর্টের একক বেঞ্চের তরফে প্রাক্তন বিচারপতিকে বিশেষ আধিকারিক হিসেবে নিয়োগ করে নির্দিষ্ট অর্থ ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, যখনই অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের বিষয়ে অন্তর্বর্তী নির্দেশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তখনই আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে নেওয়া পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্থার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিও আদালতে তোলেন সিব্বল। তাঁর দাবি, ওই সংস্থা থেকে তৃণমূল একটি বিমান নিয়েছিল। সেই সংস্থার অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে বলে আদালতে জানান তিনি। তবে কী কারণে ওই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে, তা তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট করেনি বলে অভিযোগ করেন সিব্বল।মামলায় তদন্তকারী সংস্থা এবং তৃণমূলের আইনজীবীর বক্তব্যের মধ্যে যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে, মঙ্গলবারের শুনানিতে তা স্পষ্ট হয়েছে। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ রাখার যৌক্তিকতা, দলের দৈনন্দিন খরচ এবং কর্মীদের বেতন দেওয়ার বিষয়টি এখন আদালতের বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

২৬ হাজার চাকরির ভবিষ্যৎ কি ফের অন্ধকারে? ডেডলাইনের আগেই বড় সিদ্ধান্ত স্কুল সার্ভিস কমিশনের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বড় জট তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগের জেরে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। এরপর শূন্যপদগুলিতে নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রক্রিয়া ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় পর্যন্ত চাকরিহারাদের বেতন দেওয়ার নির্দেশও ছিল।এর মধ্যেই নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের দাবি, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল। পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের কাউন্সেলিংও চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেন ভেরিফিকেশন বন্ধ করা হল, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর করার বিষয়টি নিয়েই এই মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন সংরক্ষণ বিধি কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ অগস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। কতদিন সময় চাওয়া হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংরক্ষণ নীতি কী ভাবে কার্যকর করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।নতুন করে নিয়োগের জন্য যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। ভেরিফিকেশন এবং কাউন্সেলিং থেমে যাওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়।ফলে একদিকে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি জটদুইয়ের মাঝে আটকে রয়েছে ২৬ হাজার নিয়োগের ভবিষ্যৎ। এখন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

হালিশহরের পর কলকাতাতেও মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ, ভিড়ের মধ্যে থেকে উঠল সেই স্লোগান

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে ফের বিক্ষোভের অভিযোগ। হালিশহরের ঘটনার পর এবার খাস কলকাতায় একই ধরনের স্লোগান শুনতে হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। মঙ্গলবার শ্যামবাজারে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে চোর, চোর স্লোগানের মুখে পড়েন তিনি।নেতাজির মূর্তির পাদদেশে ক্ষুদিরাম বসুর ছবি হাতে নিয়ে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ক্ষুদিরাম বসুকে শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু, মহাত্মা গান্ধী এবং মাতঙ্গিনী হাজরার কথাও স্মরণ করেন তিনি। মমতা বলেন, এই সংগ্রামীদের কোনও দিন ভোলা যাবে না। তাঁর দাবি, শুধু দেখানোর জন্য নয়, হৃদয় থেকেই এই সমস্ত মহান ব্যক্তিত্বকে স্মরণ করা হয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজির মূর্তিতে মালা দেওয়ার পরই পরিস্থিতি বদলে যায়। আচমকা ভিড়ের মধ্যে থেকে চোর, চোর স্লোগান উঠতে শুরু করে বলে অভিযোগ। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের দাবি, বিজেপির কর্মীরাই মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। যদিও ঘটনাস্থলে থাকা এক ব্যক্তির বক্তব্য, মমতা মালা দেওয়ার সময় তাঁরা কোনও স্লোগান দেননি। পরে তাঁরা স্লোগান দেন বলে জানান তিনি।বিক্ষোভের মধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। তবে তাঁর গাড়ি চলে যাওয়ার পরেও কিছুক্ষণ স্লোগান ও বিক্ষোভ চলতে দেখা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়।এই ঘটনার আগে রবিবার হালিশহরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভের অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে কাদা ও জুতো ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে চোর স্লোগানও দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য ছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা করেছিল, তবে তিনি জনরোষের মুখে পড়েছিলেন।হালিশহরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কলকাতার শ্যামবাজারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মসূচিতে একই স্লোগান ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হল। ঘটনাটি ঘিরে তৃণমূল ও বিরোধীদের মধ্যে নতুন করে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
রাজ্য

জঙ্গলমহল নিয়ে বড় ঘোষণা শুভেন্দুর! ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচায় নতুন আইন, আর কী করতে চলেছে সরকার?

বাঁকুড়ায় সাত জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পর একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জঙ্গলমহলের উন্নয়ন থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার সমস্যা, আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখেন তিনি।মঙ্গলবার বাঁকুড়ায় সাতটি জেলাকে নিয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে গত তিন মাসে তাঁর সরকার কী কী কাজ করেছে এবং আগামী দিনে কোন কোন বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে, তার একটি হিসাব তুলে ধরেন তিনি।জঙ্গলমহল এবং প্রান্তিক ও সীমান্তবর্তী এলাকার উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দেওয়ার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে জঙ্গলমহলের আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিদেশি অর্থের সাহায্যে ধর্মান্তকরণের প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রশাসন বিষয়টি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন এবং এ নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে।সাংবাদিক বৈঠকে সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। সীমান্ত এলাকায় জমি হস্তান্তর, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির তালিকা সংশোধন, ইমাম-মোয়াজ্জেম ভাতা বাতিল এবং গো-সুরক্ষার মতো একাধিক পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেন তিনি। মহরমের সময় তলোয়ার নিয়ে মিছিল বা প্রদর্শনের উপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।এরপরই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় মন্তব্য করেন শুভেন্দু। তিনি জানান, কিছুদিনের মধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু হবে। একইসঙ্গে এক দেশ, এক প্রধান, এক রাজ্য, এক মুখ্যমন্ত্রী, এক আইন-এর কথাও বলেন তিনি।ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা নিয়েও নতুন আইনের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আরও দুটি কাজ তাঁর বাকি রয়েছে। তার মধ্যে ধর্ম পরিবর্তন এবং জমি কেনাবেচা সংক্রান্ত আইন আনার বিষয়টি রয়েছে।তবে শুধু আইন বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, জঙ্গলমহলের উন্নয়নকেও আগামী দিনের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরেছেন শুভেন্দু। আগামী তিন মাসের জন্য এই এলাকার উন্নয়ন নিয়ে একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানিয়েছেন তিনি।বাঁকুড়ার বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর একাধিক ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে ধর্ম পরিবর্তন ও জমি কেনাবেচা নিয়ে প্রস্তাবিত আইন কেমন হবে এবং কবে তা কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজের ‘১০০ কোটির’ সম্পত্তির হদিশ! তোলাবাজির অভিযোগের তদন্তে এবার নজরে ৩০টি সম্পত্তি

দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে তদন্তে আরও তথ্য সামনে আসছে। সিন্ডিকেট চক্র চালানো এবং তোলাবাজির মতো একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া এই তৃণমূল নেতার প্রায় ১০০ কোটি টাকা মূল্যের সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সেই তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে জানানো হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দেবরাজ চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিকে ঘিরে গ্রেপ্তারের জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অদিতিকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। তবে দেবরাজ কোনও রক্ষাকবচ পাননি বলে জানা যায়। এরপর বেশ কিছুদিন গা-ঢাকা দিয়ে থাকার পর পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের অভিযোগ, রাজারহাট এবং আশপাশের এলাকায় সিন্ডিকেট চক্রের মাধ্যমে বিপুল টাকা তোলা হয়েছিল। গত কয়েক বছরে সেই টাকা ব্যবহার করে দেবরাজ বিপুল সম্পত্তি তৈরি করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে প্রায় ৩০টি সম্পত্তির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে দমদম, নিউটাউন এবং বাগুইআটির মতো এলাকায় সম্পত্তি রয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। উত্তরবঙ্গেও তাঁর সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে এই সম্পত্তিগুলির সবকটি সরাসরি দেবরাজের নামে রয়েছে কি না, তা এখনও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের অনুমান, পরিচিত এবং ঘনিষ্ঠদের নাম ব্যবহার করে বেশ কিছু সম্পত্তি কেনা হয়ে থাকতে পারে। গত পাঁচ বছরে, অদিতি মুন্সি বিধায়ক থাকার সময়ে এই সম্পত্তিগুলির বেশিরভাগ তৈরি হয়েছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশের দাবি, ওই প্রায় ৩০টি সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা হতে পারে। সম্পত্তিগুলির মালিকানা, কেনার সময়, অর্থের উৎস এবং লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই সংক্রান্ত তথ্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছেও পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।দেবরাজের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগও রয়েছে। সেই অভিযোগের সঙ্গে তাঁর সম্পত্তি বৃদ্ধির কোনও যোগ রয়েছে কি না, সেটিই এখন তদন্তকারীদের কাছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। একই সঙ্গে কার নামে সম্পত্তি কেনা হয়েছিল এবং সেই সম্পত্তি কেনার টাকা কোথা থেকে এসেছিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এর মধ্যেই বারাসত আদালতে দেবরাজ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা বলে জানা গিয়েছে। এবার সম্পত্তির নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
বিদেশ

শেখ হাসিনাকে ঘিরে ফের জটিলতা! ভারতে আসছেন না তারেক রহমান? দিল্লির বার্তায় বাড়ছে জল্পনা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে নানা টানাপড়েন দেখা দিয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে থাকার পর সেই সম্পর্কের সমীকরণ আরও জটিল হয়েছে।গত ৫ অগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করে হাসিনা যে বার্তা দিয়েছেন, তা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু করেছে। বিশেষ করে তাঁর প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে ঘিরে বর্তমান সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়তে পারে কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে।এরই মধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা সামনে এসেছে। আগামী মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলা ব্রিকস সম্মেলনে তাঁর যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই সফর আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর একটি মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল। তিনি বলেছেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী মুখোমুখি বসে কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে। তাঁর এই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভারত ও বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সরাসরি বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি?তবে তারেক রহমানের ভারত সফর এখনই বাতিল হয়ে গিয়েছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা হয়নি। কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। সম্মেলনের পাশাপাশি আলাদা করে বৈঠক হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বেশ কিছু জটিল বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যের পরও নয়াদিল্লি স্পষ্ট করেছে, তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে ভারতের কোনও যোগ নেই। ফলে হাসিনাকে ঘিরে তৈরি রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কদুই বিষয়কেই আলাদা করে দেখছে দিল্লি বলে মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, তারেক রহমান শেষ পর্যন্ত ভারতে আসবেন কি না। তিনি এলে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বৈঠক হয় কি না, আর সেই বৈঠকে দীর্ঘদিনের জটিল সম্পর্কের কোনও বরফ গলে কি না, সেদিকেই নজর রয়েছে কূটনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal