• ১৪ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Jamshedpur

কলকাতা

ভিন রাজ্যের দুই কুখ্যাত গ্যাংস্টার গ্রেফতার কলকাতায়, জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের

গতকাল গভীর রাতে চিংড়িঘাটা থেকে জামশেদপুরের কুখ্যাত গ্যাংস্টার মনোজ বিবার ও বিশাল বিবারকে গ্রেফতার করল বিধান নগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল ধৃত এই দুই ভাই জামশেদপুরে এক ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে তাতে জখম হন ওখানকার ব্যবসায়ী। ঘটনার পর গা ঢাকা দিতে কলকাতায় চলে আসে। প্রথমে ট্রেনে করে সাঁতরাগাছিতে নামে সেখান থেকে তাদের গন্তব্য ছিল নিউটাউনে তার পরিচিত এক ব্যক্তির বাড়ি। কিন্তু চিংড়িঘাটার কাছে তাদের গতিবিধির সন্দেহজনক মনে হয়। বিধাননগর দক্ষিণ থানার টহলদারি গাড়ি নাকা চেক করছিল সেই সময়। সেই সময় পালানোর চেষ্টা করে এই দুই ভাই। সেখান থেকে অগ্নেয়াস্ত্র সহ মনোজ বিবর ও বিশাল বিবরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে তাদের সঙ্গে আর কেউ ছিল কিনা এই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে বিধান নগর দক্ষিণ থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই বিধাননগর পুলিশের পক্ষ থেকে জামশেদপুর পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে এবং তাদেরকে জামশেদপুর পুলিশের হাতে তুলে দেবে বিধান নগর পুলিশ, এমনটাই সূত্রের খবর। ফের ভিনরাজ্যের দুষ্কৃতী এখানে ধরা পড়ায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পরেছে রাজ্য পুলিশের।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ছিটকে গেল লিগ টেবিলের চ্যাম্পিয়ন, আইএসএল ফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স

আইএসএলের লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানের মুখের গ্রাস কেড়ে নিয়েও শেষরক্ষা করতে পারল না জামশেদপুর এফসি। দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্সের সঙ্গে ড্র করে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিতে হল জামশেদপুরকে। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স জিতেছিল ১০ ব্যবধানে। দ্বিতীয় পর্বের সেমিফাইনালের ফল ১১। দুই পর্ব মিলিয়ে ২১ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে পৌঁছে গেল কেরালা ব্লাস্টার্স। ফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হলেও লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকার জন্য এফএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পাবে জামশেদপুর এফসি। এটাই তাদের কাছে একমাত্র সান্তনা। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে হারায় এদিন জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না লিগ পর্যায়ে এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে লিগ শিল্ড জেতা জামশেদপুর এফসির। কিন্তু ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হচ্ছিল কেরালা ব্লাস্টার্সের তাগিদ যেন বেশি। ম্যাচের প্রথম থেকেই জামশেদপুর এফসির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। ২ মিনিটেই গোলের সুযোগ তৈরি হয়েছিল। আলভারো ভাসকোয়েজ জামশেদপুর এফসি গোলকিপার টিপি রেহেনেশকে একা পেয়েও বল বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। ৬ মিনিটে আবার গোল করার মতো সুযোগ এসেছিল কেরালা ব্লাস্টার্সের কাছে। এবার নষ্ট করেন আয়ূষ অধিকারী। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার ফল পায় কেরালা ব্লাস্টার্স। ম্যাচের ১৮ মিনিটে এগিয়ে যায়। আলভারো ভাসকোয়েজের কাছ থেকে বল পেয়ে কেরালাকে এগিয়ে দেন আদ্রিয়ান লুনা। ৩৬ মিনিটে ড্যানিয়েল চিমা কেরালা ব্লাস্টার্সের জালে বল জড়ালেও অফসাইডের কারণে সেই গোল বাতিল হয়ে যায়। প্রথমার্ধে এই একটি আক্রমণ ছাড়া জামশেদপুর এফসির পক্ষে বলার মতো কিছু ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে জামশেদপুর এফসি। কারণ কেরালা গোল করায় ফাইনালে যেতে গেলে তাদের ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হত। ৫০ মিনিটে সমতা ফেরায় জামশেদপুর এফসি। গ্রেগ স্টুয়ার্টের কাছ থেকে বল পেয়ে ড্যানিয়েল চিমা শট নিলে প্রতিহত হয়। ফিরতি বলে গোল করেন প্রণয় হালদার। পরের মিনিটেই আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আলভারো ভাসকোয়েজের পুশ গোললাইন থেকে বাঁচান এল সাবিয়া। ম্যাচের শেষ দিকে চাপ রাখলেও আর গোল করতে পারেনি জামশেদপুর এফসি। ২০১৬র পর আবার আইএসএল ফাইনালে কেরালা ব্লাস্টার্স।

মার্চ ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জামশেদপুর এফসি–র ফাইনালের রাস্তা কঠিন করে তুলল কেরালা ব্লাস্টার্স

এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে সবুজমেরুণ শিবিরের লিগ উইনার্স শিল্ড জয়ের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল জামশেদপুর এফসি। এবার তাদের স্বপ্নের পথেও কাঁটা বিছিয়ে দিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আইএসএলের প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে ১০ ব্যবধানে জিতে জামশেদপুর এফসির ফাইনালে ওঠার রাস্তা কিছুটা হলেও কঠিন করে তুলল কেরালা। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে জয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল জামশেদপুর এফসি। ম্যাচের শুরুর দিকে তারই প্রতিফলন ছিল। পরের দিকে কেরালা ব্লাস্টার্স আস্তে আস্তে খেলায় ফিরে কঠিন লড়াইয়ের সামনে ফেলে দেয় জামশেদপুর এফসিকে। এদিন ৪২৩১ ছকে খেলা শুরু করেছিল জামশেদপুর এফসি। অন্যদিকে কেরালা ব্লাস্টার্স শুরু করেছিল ৪৪২ ছকে। শুরু থেকেই কেরালা ব্লাস্টার্সের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে জামশেদপুর এফসি। ম্যাচের ১০ মিনিটেই এগিয়ে যেতে পারত জামশেদপুর। গোলকিপার টিপি রেহেনেশের লম্বা ফ্রিকিক হেডে বক্সের মধ্যে নামিয়ে দেন সেইমিনলেন ডঙ্গেল। সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়ে যান লালহলুদের বাতিল ঘোড়া ড্যানিয়েল চিমা। কিন্তু তিনি বল জালে রাখতে পারেননি। মিনিট দশেক পর আরও একটা সহজ সুযোগ নষ্ট করেন ড্যানিয়েল চিমা। প্রণয় হালদারের কাছ থেকে বল পেয়ে তিনি তিনকাঠি ভেদ করতে পারেননি। ম্যাচের ২৫ মিনিটে ধাক্কা খায় জামশেদপুর এফসি। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন লেন। এরপরই আস্তে আস্তে মাঝমাঠে খেলা ধরে নেয় কেরালা ব্লাস্টার্স। আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়ায়। ৩৮ মিনিটে সুফলও পায়। থ্রো ইন পেয়েছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। আলভারো ভাজকোয়েজ যখন থ্রো করতে যান, তখন দৌড় শুরু করেন সাহাল সামাদ। তাঁকে দৌড় শুরু করতে দেখেই সাহালের মাথার ওপর দিয়ে থ্রো করেন আলভারো। লালমাওয়ামা বল বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বল চলে যায় সাহালের পায়ে। তিনি এগিয়ে আসা রেহেনেশের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে বল জালে পাঠান। প্রথমার্ধে ১০ ব্যবধানেই এগিয়ে থাকে কেরালা ব্লাস্টার্স। গোল ধরে রাখার জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া ছিল কেরালা ব্লাস্টার্স। অন্যদিকে, সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে জামশেদপুর এফসি। কিন্তু কেরালার আঁটোসাঁটো রক্ষণ ভেদ করতে পারছিলেন না ড্যানিয়েল চিমারা। ৬৫ মিনিটে চিমাকে তুলে জর্ডন মারেকে নামান জামশেদপুর কোচ। ৮১ মিনিটে জিতেন্দ্র সিংকে তুলে ইশান পান্ডিতাকে নামিয়ে আক্রমণ লোক বাড়ান। তাতেও কাজের কাজ কিছু হয়নি। প্রথম পর্বের সেমিফাইনালে হার স্বীকার করতে হল জামশেদপুর এফসিকে।

মার্চ ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

জামশেদপুরের কাছে হেরে লিগ–শিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের

লিগশিল্ড কাপ জেতার জন্য ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হত এটিকে মোহনবাগানকে। স্বপ্ন দেখেছিলেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। দলের ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় স্বপ্নপূরণ হল না। জামশেদপুর এফসির কাছে আইএসএলের লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে ১০ ব্যবধানে হেরে গত মরশুমের মতো এবছরও লিগশিল্ড জেতার স্বপ্ন অপূর্নই থেকে গেল সবুজমেরুণ ব্রিগেডের। ২০ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্টে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে শেষ করল এটিকে মোহনবাগান। ৪৩ পয়েন্টে শীর্ষে জামশেদপুর এফসি। ৩৮ পয়েন্টে দ্বিতীয় স্থানে হায়দরাবাদ এফসি। সেমিফাইনালে এটিকে মোহনবাগান খেলবে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে। অন্য সেমিফাইনালে জামশেদপুর এফসি খেলবে চতুর্থ স্থানে থাকা কেরালা ব্লাস্টার্সের (৩৪ পয়েন্ট) বিরুদ্ধে।জেতার কথা মাথায় রেখে প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে শুরু করে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ দাপট ছিল রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসোদের। কিন্তু গোল তুলে নিতে পারেনি। একের পর এক সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো, লিস্টন কোলাসোরা। ১৪ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর দুরন্ত ব্যাকহিল থেকে সুবিধাজনক জায়গায় বল পান শুভাশিস বসু। কিন্তু তিনি তিনকাঠির মধ্যে শট রাখতে পারেননি। ২ মিনিট পর আবার সুযোগ এসে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। লিস্টন কোলাসোর কাছ থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে শট নেন জনি কাউকো। এল সাবিয়ার মাথায় লেগে বল বাইরে যায়। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর মিনিট আটেকের মধ্যেই কার্ল ম্যাকহিউকে তুলে ডেভিড উইলিয়ামসকে মাঠে নামান এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। এই পরিবর্তনটাই ব্যাকফুটে ঠেলে দেয় সবুজমেরুণ শিবিরকে। মাঝমাঠের রাশ আলগা হয়ে যায় এটিকে মোহনবাগানের। দখল নিয়ে নেয় জামশেদপুর এফসি। ধীরে ধীরে তারা খেলায় ফেরে।৫৬ মিনিটে এগিয়ে যায় জামশেদপুর এফসি। স্টুয়ার্ট বল ধরে গোল লক্ষ্য করে শট নিতে গেলে লেনি রডরিগেজের পায়ে লেগে ঋত্ত্বিক দাসের কাছে যায়। ঠান্ডা মাথায় জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন ঋত্ত্বিক দাস। ৬৫ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে ডেভিড উইলিয়ামস দুরন্ত শট নিয়েছিলেন। ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান জামশেদপুর এফসি গোলকিপার টিপি রেহেনেশ।ম্যাচের শেষলগ্নে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসরা। কিন্তু তিন কাঠি ভেদ করতে পারেননি। ৯০ মিনিটে সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করেন ডেভিড উইলিয়ামস। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে লিস্টন কোলাসো বল সাজিয়ে দেন জনি কাউকোকে। ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন। অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করে জয় অধরা থেকে গেল এটিকে মোহনবাগানের। আসলে দিনটা সবুজমেরুণের ছিল না।

মার্চ ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুটি লক্ষ্য নিয়ে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে এটিকে মোহনবাগান। সেই দুটি লক্ষ্য কী?‌

দুটি লক্ষ্য নিয়ে সোমবার আইএসএলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এক, লিগ টেবিলের শীর্ষে থেকে লিগ উইনার্স শিল্ড জেতা। দুই, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ছাড়পত্র জোগাড় করা। আইএসএলে লিগ পর্যায়ে নিজেদের শেষ ম্যাচে জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিতলেই দুটি লক্ষ্য পূরণ হবে এটিকে মোহনবাগানের। সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো মনে করেন তাংর দলের ২৩ গোলের ব্যবধানে জেতার ক্ষমতা আছে।গত মরশুমে অল্পের জন্য লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছতে পারেনি এটিকে মোহনবাগান। এমনকি গোটা আইএসএলে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়েও রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট হয়েছিল আন্তোনীও হাবাসের দলকে। এই মরশুমে হাবাসের কোচিংয়ে প্রথম দিকে ছন্দে ছিল না সবুজমেরুণ ব্রিগেড। তাঁকে সরিয়ে জুয়ান ফেরান্দোকে দায়িত্ব দিতেই ঘুরে দাঁড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ফেরান্দোর সামনে এবার চ্যালেঞ্জ দলকে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ করে দেওয়া। সামনে মাত্র আর একটা ধাপ। জামশেদপুর এফসিকে ২ গোলের ব্যবধানে হারালেই অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে এটিকে মোহনবাগান। সবুজমেরুণ ব্রিগেডের সামনে লক্ষ্যটা যথেষ্ট কঠিন। কারণ এই মুহূর্তে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে জামশেদপুর এফসি। আগের ম্যাচে ওডিশা এফসিকে ৫১ ব্যবধানে উড়িয়েছে দিয়েছে, গোলের মধ্যে রয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের বাতিল ঘোড়া ড্যানিয়েল চিমা। ৮ ম্যাচে ৭ গোল করে রীতিমতো নজর কেড়েছেন জামশেদপুর এফসির জার্সিতে। লিগ শীর্ষে পৌঁছতে গেলে এইরকম শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ২ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। যা যথেষ্ট চ্যালেঞ্জিং। প্রথম পর্বে এই জামশেদপুর এফসির কাছে ২১ ব্যবধানে হেরেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচের কথা মাথায় রাখছেন না বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানোর চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন। তাঁর বিশ্বাস, ফুটবলাররা পরিকল্পনামাফিক খেলতে পারলে জামশেদপুরকে ২ গোলের ব্যবধানে হারানো সম্ভব। তিনি বলেন, এটা একটা বড় চ্যালেঞ্জ। চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে গেলে প্রতি ম্যাচে তিন পয়েন্ট জেতার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামতে হয়। আমাদের ২০ বা ৩০ গোলে জিততে হবে, এটা একটা ভাল চ্যালেঞ্জ। এর আগে প্রায় সব ম্যাচেই আমরা এরকম লক্ষ্য নিয়েই নেমেছি। তাই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এখন প্রতি মিনিট ধরে ধরে খেলতে হবে। শেষ ম্যাচে লিগশিল্ড জেতার এটা একটা বড় সুযোগ। এর জন্য আমি কোনও চাপ অনুভব করছি না। বরং আমি খুশি যে এ রকম একটা সুযোগ আমি আবার পেয়েছি। আমার দল চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য তৈরি। চোটের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে পারবেন না হুগো বোমাস। শুরু থেকেই আক্রমণভাগ সামলানোর দায়িত্ব রয় কৃষ্ণা, লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংয়ের ওপর। পরিবর্ত হিসেবে নিয়ে আসবেন ডেভিড উইলিয়ামসকে। মাঝমাঠে বড় ভরসা জনি কাউকো। তাঁকে সাহায্য করবেন কার্ল ম্যাকহিউ ও দীপক টাংরি। রক্ষণ সামলাবেন প্রীতম, সন্দেশ, তিরি, শুভাশিস।

মার্চ ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শীর্ষে থাকা জামশেদপুরের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান কমানোই লক্ষ্য জুয়ান ফেরান্দোর

১৮ ম্যাচে এই মুহূর্তে ৩৪ পয়েন্ট এটিকে মোহনবাগানের। আইএসএলের লিগ টেবিলে তিন নম্বরে রয়েছে সবুজমেরুন শিবির। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে জুয়ান ফেরান্দোর দল। জিতলে আরও একবার সেমিফাইনাল নিশ্চিত। একইসঙ্গে শীর্ষে থাকা জামশেদপুর এফসি-র সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধানও কমিয়ে ফেলতে পারবে এটিকে মোহনবাগান। সেই দিকেই তাকিয়ে বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। মঙ্গলবার হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে জামশেদপুর এফসি-র জয়ই চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। শীর্ষে ওঠার লড়াই অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার চেন্নাইন এফসি-র বিরুদ্ধে জিতলে জামশেদপুর এফসি-কে ধরে ফেলবে এটিকে মোহনবাগান। এক ম্যাচ বেশি খেলে পৌঁছবে দ্বিতীয় স্থানে। জামশেদপুর এফসি-র ম্যাচ বাকি ওড়িশা এফসি ও এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে। যদি ওড়িশার কাছে জামশেদপুর হারে, তাহলে এটিকে মোহনবাগান ও জামশেদপুর এফসি ম্যাচ হয়ে দাঁড়াবে লিগ শীর্ষে পৌঁছনোর লড়াই। আপাতত এসব অঙ্ক নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে চেন্নাইন এফসি ম্যাচে ৩ পয়েন্ট তোলার দিকে তাকিয়ে সবুজমেরুন কোচ জুয়ান ফেরান্দো। জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী এটিকে মোহনবাগান কোচ। জুয়ান ফেরান্দোকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে চেন্নাইন এফসি-র সাম্প্রতিক ফর্ম। ১৯ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে ৮ নম্বরে রয়েছে চেন্নাইন। দলের আত্মবিশ্বাসও তলানিতে। এই অবস্থায় জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য গোল পার্থক্য যথাসম্ভব বাড়িয়ে নেওয়া। যদিও চেন্নাইনকে যথেষ্ঠ গুরুত্ব দিচ্ছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওদের হারানোর কিছু নেই। মরিয়া হয়ে ঝাঁপাবে। কিন্তু আমাদের হারানোর অনেক কিছুই রয়েছে। ম্যাচ জেতার জন্য শুরু থেকেই আক্রমনাত্মক ফুটবল খেলতে হবে।গোলের জন্য লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংয়ের দিকে তাকিয়ে বাগান কোচ। আগের ম্যাচে লালকার্ড দেখায় রয় কৃষ্ণা খেলতে পারবেন না। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসরা ভাল ছন্দে নেই। তাই ফর্মে থাকা লিস্টন কোলাসো ও মনবীর সিংই ভরসা বাগান কোচের। সদ্য চোট সরিয়ে উঠেছেন বোমাস ও উইলিয়ামস। তাঁদের শুরু থেকে খেলবেন কিনা, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলেননি জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, ওরা কী অবস্থায় রয়েছে, ম্যাচের আগে দেখে সিদ্ধান্ত নেব।

মার্চ ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌ইতিহাস গড়েও জয় এল না এসসি ইস্টবেঙ্গলের

ভাগ্য বরাবরই সাহসীদের সঙ্গ দেয়। যেমন আইএসএলে আগের দুম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে দিয়েছিল। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে অবশ্য ভাগ্য সহায় হল না। স্বদেশি ব্রিগেড নিয়ে মাঠে নেমে নজির গড়লেন। আইএসএলের ইতিহাসে এই নজির আগে কোনও দল দেখাতে পারেনি। তবুও এদিন দলের হারল বাঁচাতে পারলেন না লালহলুদের অন্তর্বর্তীকলীন কোচ রেনেডি সিং। শেষ মুহূর্তের গোলে হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। টানা ৪ ম্যাচ পর আবার হারের মুখ দেখতে হল। তবে লালহলুদ ব্রিগেডের লড়াইকে কুর্নিশ জানাতেই হবে।এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে ছিল জামশেদপুর এফসি। অন্যদিকে লালহলুদ শিবির একেবারে শেষ স্থানে। তার ওপর ৪ জন বিদেশি নিয়ে মাঠে নেমেছিল জামশেদপুর এফসি। এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভরসা স্বদেশি ব্রিগেড। অসম লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত হাল মানল লালহলুদ ব্রিগেড।আরও পড়ুনঃ ভামিকার জন্মদিনে সেঞ্চুরি হাতছাড়া, রান পেলেও ব্যর্থ বাবা কোহলিযদিও ম্যাচের শুরু থেকে সমানে সমানে লড়াই করছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররা। এদিন জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে সেমবই হাওকিপকে একা ওপরে রেখে ৪১৪১ ছকে দল সাজিয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রেনেডি সিং। লক্ষ্য ছিল মাঝমাঠে প্রতিপক্ষকে আটকে দেওয়া। সৌরভ দাস দুই ডিফেন্ডারের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। ফলে প্রথমার্ধে তিনকাঠি খুঁজে পাননি জামশেদপুর এফসি স্ট্রাইকাররা।দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণত্মক হয়ে ওঠে জামশেদপুর এফসি। ৫২ মিনিটে গোল করার সুযোগও এসেছিল। সেবিয়ার সেন্টারে স্টুয়ার্ট হেড করলে বল বারে লেগে ফিরে আসে। অবশেষে ৮৮ মিনিটে কাঙ্খিত গোল পায় জামশেদপুর। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে ইশান পান্ডিতা গোল করে দলকে জেতান। ১৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে গেল জামশেদপুর।

জানুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএলে ইতিহাস গড়তে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। কীভাবে দেখে নিন

১০ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে। এখনও পর্যন্ত আইএসএলে জয়ের মুখ দেখেনি এসসি ইস্টবেঙ্গল। অতিবড় লালহলুদ সমর্থকও নিশ্চিতভাবে প্লে অফের আশা করছেন না। এসসি ইস্টবেঙ্গল ফুটবলাররাও হয়তো আশা ছেড়ে দিয়েছেন। এখন মোটিভেশন বলতে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা। সেই লক্ষ্যেই আপাতত এগিয়ে চলা। মঙ্গলবার সামনে শক্তিশালী জামশেদপুর এফসি। বিদেশি ছাড়াই জামশেদপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে এসসি ইস্টবেঙ্গল। বিদেশি ছাড়াই খেললে আইএসএলে ইতিহাস তৈরি হবে। এখনও পর্যন্ত কোনও দল এই সাহস দেখাতে পারেনি।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনন্য কৃতিত্ব ট্রেন্ট বোল্টেরজামশেদপুরের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ শিবিরকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে আগের ম্যাচে মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে দুর্দান্ত পারফরমেন্স। রেনেডি সিং অন্তর্বর্তীকালীন কোচের পদে বসার পর আমূল বদলে গেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আগের তুলনায় অনেকবেশি সঙ্ঘবদ্ধ। মাত্র একজন বিদেশি নিয়ে মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে লালহলুদ ব্রিগেডের দুর্দান্ত লড়াই মন জয় করে নিয়েছে বিশেষজ্ঞদের। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এটাই ভরসা জোগাচ্ছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ রেনেডি সিংকে। স্বদেশি ব্রিগেডের পারফরমেন্সে তিনি মুগ্ধ।আরও পড়ুনঃ সুপারস্প্রেডারের ভয়ে গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ করতে আদালতে আর্জি ডক্টর্স ফোরামেরজামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধেও রেনেডি সিংয়ের ভরসা সেই স্বদেশি ব্রিগেড। মুম্বই সিটি এফসি ম্যাচের পরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ড্যানিয়েল চিমাকে। আন্তোনীয় পেরোসেভিচ নির্বাসনের কবলে। টমিস্লাভ মার্সেলো ও ফ্রাঞ্জো পিরেজের চোট এখনও সারেননি। আগের ম্যাচে নতুন করে চোটের কবলে পড়ছেন জয়নার লরেন্সো। ফলে হাতে একমাত্র বিদেশি আমির ডার্বিসেভিচ। যার থেকে স্বদেশি ফুটবলারদের ওপরই ভরসা বেশি রেনেডি সিংয়ের।আরও পড়ুনঃ লোড হচ্ছে.... কি বোঝাতে চাইলেন পরীমনি? মা হচ্ছেন?এই অবস্থায় নিজেদের মেলে ধরার জন্য আরও একটা সুযোগ পাচ্ছেন সৌরভ দাস, অঙ্কিত মুখার্জি, হীরা মণ্ডলরা। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচও ভরসা করছেন স্বদেশি ব্রিগেডের ওপর। রেনেডি বলেন, যারা এতদিন সুযোগ পায়নি তাদের কাছে নিজেদের প্রমাণ করার ভাল সুযোগ। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে বিদেশি ছাড়াই শুরু থেকে দল মাঠে নামবে। ফুটবলাররা যে দারুণ লড়াই করবে, সে বিষয়ে আমি আশাবাদী। তবে জিততে গেলে সব বিভাগকে একসঙ্গে জ্বলে উঠতে হবে। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে প্রথম পর্বের ম্যাচে এগিয়ে গিয়েও রক্ষণের ব্যর্থতায় জিততে পারেনি ইস্টবেঙ্গল। রেনেডি সিংয়ের কোচিংয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে লালহলুদ শিবির। সেটাই আশাবাদী করে তুলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল সদস্যসমর্থকদের।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ISL : রেফারিং নিয়ে ক্ষোভের মাঝেই জয়ে ফিরতে মরিয়া এটিকে মোহনবাগান

ডার্বিতে দুরন্ত জয়ের পর পরের ম্যাচেই কুপোকাত পালতোলা নৌকা। গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসির কাছে ৫১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। মুম্বইয়ের কাছে হেরে রেফারিং নিয়ে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল সবুজমেরুণ শিবির। সেই ক্ষোভ এখনও যায়নি। সোমবার এটিকে মোহনবাগানের সামনে জামশেদপুর এফসি। রেফারিং নিয়ে ক্ষোভের মাঝে জয়ে ফিরতে মরিয়া বাগান শিবির।জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে মুম্বই এফসি ম্যাচের কথা মাথায় রাখতে চান না এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীও লোপেজ হাবাস। তবে রেফারিং নিয়ে অসন্তোষ যাচ্ছে না। হাবাস বলেন, মুম্বই সিটি এফসি ম্যাচ আমাদের কাছে অতীত। হারের জন্য কোনও অজুহাত দিতে চাই না। মুম্বই আমাদের থেকে অনেক ভাল খেলেছিল। তবে হ্যাঁ, রেফারিংয়ের জন্য আমাদের সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে মনোবল ভেঙে পড়েছিল। তার ওপর দ্বিতীয় গোলটা অবৈধভাবে করেছিল মুম্বই। তৃতীয় গোলের আগেও ফাউল হয়েছিল। রেফারি এড়িয়ে গিয়েছিলেন। চতুর্থ গোল তো পরিস্কার অফসাইড থেকে। রেফারি এতগুলো ভুল না করলে এত বড় ব্যবধানে হারতাম না। তার ওপর আমাদের দীপক টাঙরিকে লালকার্ড দেখিয়ে বার করে দিয়েছিলেন। তবে হ্যাঁ, স্বীকার করতে দ্বিধা নেই, মুম্বই আমাদের থেকে অনেক ভাল ফুটবল খেলেছিল। অতীত নিয়ে আর মাথা ঘামাতে চাই না। এখন জামশেদপুর এফসি ম্যাচে ফোকাস করছি। জেতার জন্য ঝাঁপাতে হবে।জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট সমীহ করছেন হাবাস। তিনি বলেন, জামশেদপুর যথেষ্ট শক্তিশালী দল। আক্রমণ ও রক্ষণ খুবই ভাল। ভালস্কিস, জর্ডান মারে, লিমার মতো দক্ষতাসম্পন্ন বিদেশি ফুটবলার রয়েছে। ওয়েন কোলও দারুণ বিচক্ষণ কোচ। সুতরাং গুরুত্ব দিতেই হবে। ওদের শক্তির কথা মাথায় রেখে দল সাজাতে হবে। জামশেদপুরের বিরুদ্ধে কোন ছকে দল সাজাবেন, তা অবশ্য ভাঙেননি সবুজমেরুণ কোচ। চোট সারিয়ে তিরি প্রথম একাদশে ফিরছেন। বাকি দল অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তবে আগের ম্যাচে রয় কৃষ্ণা ও হুগো বোমাসের ছন্দহীনতা চিন্তায় রাখছে এটিকে মোহনবাগান শিবিরকে।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : জামশেদপুরের বিরুদ্ধে এসসি ইস্টবেঙ্গলের ভরসা নতুন চিমা

এবছর আইএসএলে খেলা নিয়েই একসময় চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। সব বিতর্ক মিটিয়ে, বাধাবিপত্তি কাটিয়ে অবশেষে মাঠে নামছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ম্যাচেই মুখোমুখি জামশেদপুর এফসির। গতবছরের ব্যর্থতা ভুলে এবছর নতুনভাবে শুরু করতে চায় লালহলুদ ব্রিগেড। একই সঙ্গে ২৭ নভেম্বরের ডার্বির প্রস্তুতিও সেরে ফেলতে চায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। লক্ষ্য ৩ পয়েন্ট ঘরে তুলে এটিকে মোহনবাগান ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নেওয়া। আইএসএল খেলা নিয়ে টালবাহনা থাকায় এবছর অনেক দেরিতে দল গঠন করতে নেমেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ভাল মানের স্বদেশী ফুটবলার দলে নিতে পারেননি। গত বছর খেলা বিদেশিরাও কেউ নেই। কোচও নতুন। একঝাঁক নতুন স্বদেশী ফুটবলার। সব মিলিয়ে নতুন পরিবেশ। অতীত ভুলে নতুনভাবে শুরু করতে চাইছে লালহলুদ ব্রিগেড। প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলাররা যেরকম পারফরমেন্স করেছে, তাতে দল নিয়ে আশাবাদী এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। লালহলুদের দায়িত্ব নেওয়ার সময়ই গত বছরের ব্যর্থতার কথা জেনেছিলেন। এবছর সাফল্য এনে দিতে তিনি মরিয়া। তবে লালহলুদ কোচের প্রাথমিক লক্ষ্য প্রথম ম্যাচ। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে আইএসএল অভিযান শুরুর আগে মানোলো দিয়াজ বলেন, গত মরশুমে কী ফল হয়েছিল, আমরা সবাই জানি। এবছর সব ফুটবলারই নতুন, নতুন কোচ। আপাতত আমাদের লক্ষ্য প্রথম ম্যাচে ভাল ফল করা। তাহলে আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে যাবে। খুব ভাল প্রস্তুতি হয়েছে। প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতেও ভাল খেলেছি। আশা করছি ভালভাবে শুরু করতে পারব। এই প্রথম কোনও ভারতীয় দলের দায়িত্ব নিয়েছেন মানোলো দিয়াজ। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচিং দারুণ উপভোগ করছেন তিনি। স্পেনের ফুটবলে সব স্তরে সাফল্য পাওয়ার পর দিয়াজের আশা ভারতীয় ফুটবলেও সাফল্য পাবেন। লালহলুদের ফুটবলে স্প্যানিশ ছোঁয়া থাকবে কিনা, সে সম্পর্কে খোলসা করে কিছু বলেননি দিয়াজ। তবে দলের ফুটবলারদের দক্ষতা বুঝে নিয়েছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন লালহলুদ কোচ। ড্যানিয়েল চিমা চুকোউ প্র্যাকটিস ম্যাচগুলিতে নজর কেড়েছেন। এই বিদেশির ওপর বাড়তি ভরসা মানোলো দিয়াজের। জামশেদপুর এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, চিমা দারুণ স্কিলফুল ফুটবলার। নিজে যেমন গোল করতে পারে, গোল করাতেও পারে। ওর মতো ফুটবলারকে পেয়ে দলের খুব ভাল হয়েছে। তবে বাকি সতীর্থদের চিমাকে সাহায্য করতে হবে। প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ জামশেদপুর এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মানোলো দিয়াজ। কোন ৪ বিদেশিকে নিয়ে মাঠে নামবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় রয়েছেন লালহলুদ কোচ। আক্রমণভাগে চিমা নিশ্চিত। রক্ষণে দুই বিদেশি টমিস্লাভ মার্সেলো ও ফ্রাঞ্জো পার্চেকে নিয়ে দল সাজালে মাঝমাঠে আমির দেরভিসেভিচ। আর রক্ষণে এক বিদেশি নিয়ে মাঠে নামলে মাঝমাঠে আমিরের সঙ্গে ড্যারেন সিডোয়েল।

নভেম্বর ২০, ২০২১

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal