• ৭ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ২১ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

India

দেশ

সন্ত্রাস বন্ধ না হলে জলও নয়! রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ভারতের

পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ বন্ধ না করা পর্যন্ত সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে কোনও আলোচনা করবে না বলে রাষ্ট্রসংঘে স্পষ্ট জানিয়ে দিল ভারত। বিশ্ব জল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পি হরিশ এই মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, চুক্তির পবিত্রতার কথা বলার আগে পাকিস্তানকে মানব জীবনের মূল্য বুঝতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করছে। তাই তাদের আচরণ না বদলালে এই চুক্তি নিয়ে কোনও কথাবার্তা হবে না।ভারত জানায়, তারা সবসময় দায়িত্বশীল উজান অঞ্চলের দেশ হিসেবে আচরণ করেছে। কিন্তু এই দায়িত্ব একতরফা হতে পারে না। পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদকে নীতির অংশ হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।এই অনুষ্ঠানে মূলত সবার জন্য নিরাপদ জল ও পরিষ্কার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারত অভিযোগ করে, পাকিস্তান সেখানে নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে তুলে ধরে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করেছে।এরপরই পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন পি হরিশ। তিনি বলেন, ভারত সদিচ্ছা ও বন্ধুত্বের মানসিকতা নিয়ে সিন্ধু জলচুক্তি করেছিল। কিন্তু পাকিস্তান সেই বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধ এবং বহু সন্ত্রাসবাদী হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, পাকিস্তান সমর্থিত হামলায় বহু নিরীহ ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন।উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে গত বছরের সন্ত্রাসবাদী হামলার পর থেকেই ভারত এই চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। ১৯৬০ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ভারতের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক নিয়মভঙ্গ বলে অভিযোগ করেছে পাকিস্তান।

মার্চ ২১, ২০২৬
রাজ্য

আচমকা বদলাবে আবহাওয়া! ঘণ্টায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়, সতর্ক করল আবহাওয়া দফতর

তীব্র গরমের মধ্যেই দেশজুড়ে হঠাৎ করে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিনে দেশের একাধিক রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২১টি রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কিছু জায়গায় এই বেগ ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সঙ্গে থাকবে বজ্রপাত এবং বিদ্যুৎ চমক। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড গরম পড়েছে। তাপমাত্রা বাড়ায় মানুষ বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টির খবর কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমলেও ঝড়-বৃষ্টির জন্য নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে।১৯ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে আবহাওয়ার এই বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অংশে আকাশ মেঘে ঢেকে যাবে এবং হঠাৎ করেই ঝড়-বৃষ্টি নামতে পারে।বর্তমানে উত্তর প্রদেশের পশ্চিম অংশ এবং পূর্ব অংশের উপর দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এই দুই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের বহু এলাকায় আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। প্রবল বাতাস, বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পশ্চিমবঙ্গেও এই প্রভাব পড়বে বলে জানানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় শনিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকতে পারে। শুক্রবার থেকে এই পরিস্থিতি আরও জোরালো হতে পারে।আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি ফসলের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও এই আবহাওয়ার পরিবর্তন নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ডাক, ভারত কি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? স্পষ্ট জানাল দিল্লি

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলিকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এখনও কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। কিন্তু এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক কোনও আলোচনা এখনও হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।এর আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে থাকলে বহু দেশ তার প্রভাবের মুখে পড়বে। তাই চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও খোলা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল করা হয়েছে। তবুও ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই আশঙ্কা থেকেই মিত্র দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।নিজের বার্তায় ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বহু দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে ওই জলপথকে নিরাপদ রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আমেরিকা সমুদ্রপথে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয়, তা আন্তর্জাতিক মহলেও নজরে রাখা হচ্ছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের মাঝেও ভারতের পাশে ইরান! হরমুজ প্রণালী দিয়ে ট্যাংকার যাওয়ার অনুমতি

ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে ভারতেও। ইতিমধ্যেই গ্যাসের দাম বেড়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেলের দামও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহনে সমস্যা হওয়ায় তেলের জোগান কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের জন্য স্বস্তির খবর এল ইরানের দিক থেকে। জানা গিয়েছে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।গত প্রায় পনেরো দিন ধরে ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘাত চলছে। এই অবস্থায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে পণ্য পরিবহন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের বড় অংশের তেল পরিবহন হয়।ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আগেই আশার কথা শোনান। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, খুব শিগগিরই ইতিবাচক খবর আসতে পারে। তাঁর কথার কিছু সময় পরেই দুটি পেট্রোলিয়াম পণ্যবাহী ট্যাংকারকে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ নিরাপদে যেতে পারবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে রাষ্ট্রদূত বলেন, অবশ্যই পারবে। তিনি বলেন, অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রমাণ মিলবে।রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ভারত ও ইরানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অনেক কঠিন সময়ে ভারত ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত নানা ক্ষেত্রে ইরানকে সাহায্য করেছে বলে তিনি স্মরণ করেন। সেই সম্পর্কের গুরুত্ব থেকেই ভারতের পণ্যবাহী ট্যাংকারকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২৬
দেশ

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক হলে মহিলাদের চাকরি দেবে না সংস্থা! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য প্রধান বিচারপতির

ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করার দাবি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে হওয়া এক মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। শুক্রবার এই মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বলেন, যদি ঋতুকালীন ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে অনেক সংস্থা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে চাইবে না। এই কারণ দেখিয়েই আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী নামে এক আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, ছাত্রী হোক বা কর্মরত মহিলা সবার জন্যই ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা উচিত। তিনি উদাহরণ হিসেবে কেরল সরকারের একটি সিদ্ধান্তের কথাও তুলে ধরেন। দুই হাজার তেরো সালে রাজ্যের অধীনস্থ সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রীদের জন্য ঋতুকালীন ছুটির ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল। কিছু বেসরকারি সংস্থাও কর্মীদের জন্য এই ধরনের ছুটি চালু করেছে বলেও তিনি আদালতে উল্লেখ করেন।আবেদনকারীর দাবি ছিল, সব রাজ্যেই যেন এই ধরনের ছুটি আইন করে বাধ্যতামূলক করা হয়। সেই উদ্দেশ্যেই শীর্ষ আদালতে এই পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল।তবে প্রধান বিচারপতি এই আবেদন সরাসরি খারিজ করে দেন। তিনি বলেন, ঋতুকালীন ছুটি বাধ্যতামূলক করা হলে তার উল্টো প্রভাবও পড়তে পারে। তাঁর মতে, এতে অনেক মহিলার মনে হতে পারে যে তাঁরা পুরুষদের তুলনায় পিছিয়ে। একই সঙ্গে অনেক সংস্থা তখন মহিলা কর্মীদের নিয়োগ করতে অনীহা দেখাতে পারে।প্রধান বিচারপতির কথায়, ঋতুস্রাব নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু যদি আইন করে এই ছুটি বাধ্যতামূলক করা হয়, তাহলে কিছু নিয়োগকারী সংস্থা মনে করতে পারে যে মহিলাদের কাজের ক্ষেত্রে আলাদা সমস্যা রয়েছে। সেই কারণ দেখিয়ে তারা মহিলা কর্মীদের নিয়োগ কমিয়ে দিতে পারে।তিনি আরও বলেন, কিছু সংস্থা ইতিমধ্যেই স্বেচ্ছায় কর্মীদের ঋতুকালীন ছুটি দেয়। কিন্তু বিষয়টি আইনের আওতায় আনা হলে তা অনেক সময় মহিলাদের কর্মজীবনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, দেশের কিছু রাজ্যে ইতিমধ্যেই এই ধরনের ছুটির ব্যবস্থা রয়েছে। কর্নাটকে গত বছর একটি আইন পাশ হয়েছে, যেখানে মহিলা কর্মীরা মাসে এক দিন সবেতন ঋতুকালীন ছুটি পাবেন। বিহারে আবার উনিশশো বিরানব্বই সাল থেকেই মাসে দুদিন ঋতুকালীন ছুটির নিয়ম চালু রয়েছে। দুই হাজার চব্বিশ সালে ওড়িশা সরকারও মহিলা কর্মীদের জন্য মাসে এক দিন ঋতুকালীন ছুটিতে সম্মতি জানিয়েছিল।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি! সংসদে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট

নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সংঘাতের আবহ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি জানিয়ে সংসদে প্রস্তাব জমা দিতে চলেছে ইন্ডিয়া জোট। তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে এই প্রস্তাব আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।সূত্রের খবর, লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ইতিমধ্যেই অন্তত একশো তিরানব্বই জন সাংসদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে লোকসভায় একশো তিরিশ জন এবং রাজ্যসভায় তেষট্টি জন সাংসদ রয়েছেন। এই স্বাক্ষর জোগাড়ের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হয়েছে বলেই দাবি বিরোধী শিবিরের।বিরোধীদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন। সংসদে জমা দেওয়া নোটিসে তাঁর বিরুদ্ধে মোট সাতটি অভিযোগ তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ, নির্বাচনী জালিয়াতির তদন্তে ইচ্ছাকৃত ভাবে বাধা তৈরি করা এবং বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বহু ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ।তৃণমূলের এক বর্ষীয়ান নেতার দাবি, সংসদের দুই কক্ষেই বহু সাংসদের মধ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই প্রস্তাবে স্বাক্ষর সংগ্রহের কাজ দ্রুত এগিয়েছে।আইন অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট বা হাইকোর্টের কোনও বিচারপতিকে অপসারণের যে প্রক্রিয়া রয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ক্ষেত্রেও প্রায় একই নিয়ম প্রযোজ্য। তবে এর আগে কোনও মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে এ ধরনের উদ্যোগ এতদূর এগোয়নি। সেই কারণেই তৃণমূল অত্যন্ত সতর্ক ভাবে এবং আইনি দিক খতিয়ে দেখে এই পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে জানা গেছে।নিয়ম অনুযায়ী এই প্রস্তাব সংসদের দুই কক্ষেই জমা দেওয়া হবে। এরপর লোকসভার স্পিকার এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ঠিক করবেন প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হবে কি না। যদি প্রস্তাবটি গৃহীত হয়, তবে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হবে।এই কমিটি অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখবে। কমিটির অনুমোদন মিললে বিষয়টি আবার সংসদে তোলা হবে এবং তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। আলোচনার পরে প্রস্তাবটি নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।তবে পুরো প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ এবং জটিল। এতে বিপুল সংখ্যক সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। সেই সমর্থন জোগাড় করাই বিরোধীদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকেরা।

মার্চ ১৩, ২০২৬
কলকাতা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চাইছে তৃণমূল, কিন্তু মিলছে না সময়! কেন তৈরি হচ্ছে নতুন জল্পনা

রাজ্যের আদিবাসী উন্নয়ন নিয়ে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে তুলে ধরতে চায় তৃণমূল। সেই কারণে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছে দলের সাংসদরা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই সময় পাওয়া যায়নি। এই বিষয়টি ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যে আদিবাসী সমাজের উন্নয়নের জন্য সরকার কী কী কাজ করেছে, তার একটি খতিয়ান রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন দলের সাংসদরা। সেই উদ্দেশ্যে প্রথমে রাষ্ট্রপতি ভবনে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার সেই আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, আপাতত এই বৈঠকের জন্য সময় দেওয়া সম্ভব নয়।এর পরেই আবার নতুন করে চিঠি পাঠিয়েছে তৃণমূল। দ্বিতীয়বার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন দলের সাংসদরা। জানা গিয়েছে, ওই চিঠিতে বারো থেকে পনেরো জনের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চায় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সেই আবেদন নিয়ে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের পক্ষ থেকে কোনও উত্তর আসেনি।দলীয় সূত্রে খবর, আগামী সপ্তাহে আবারও একটি চিঠি পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি হবে তৃতীয় চিঠি। সেখানে দলের পক্ষ থেকে নিজেদের অবস্থান এবং এই সাক্ষাতের প্রয়োজনীয়তার কথা বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হতে পারে।এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। গত শনিবার আন্তর্জাতিক আদিবাসী সম্মেলনে যোগ দিতে পশ্চিমবঙ্গে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেও একটি বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।শিলিগুড়ির বিধাননগরে তাঁর একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। পরে নিরাপত্তার কারণে সেই অনুষ্ঠানস্থল বদলে দেওয়া হয়। বাগডোগরার কাছে গোঁসাইপুরে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাষ্ট্রপতি নিজেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।পরে বিধাননগরে পৌঁছে তিনি বলেছিলেন, তিনি ওই এলাকাতেই সভা করতে চেয়েছিলেন এবং সেখানে পর্যাপ্ত জায়গাও ছিল। কিন্তু কেন রাজ্য সরকার সেখানে সভা করার অনুমতি দিল না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি।সেই সময় মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের ছোট বোন বলে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর অসন্তুষ্ট হয়েছেন। তাই সভা করার অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি।এই মন্তব্য ঘিরেই পরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরব হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রের একাধিক নেতা-মন্ত্রীও।

মার্চ ১৩, ২০২৬
দেশ

হরমুজ প্রণালী খুলল ভারতের জন্য! মোদি সরকারের কূটনীতিতে নরম ইরান

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তৈরি হওয়া জ্বালানি সংকটের মাঝেই ভারতের জন্য এল বড় স্বস্তির খবর। সূত্রের দাবি, কূটনৈতিক তৎপরতার জেরে হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। ইতিমধ্যেই পুষ্পক এবং পরিমল নামে দুটি পণ্যবাহী জাহাজ নিরাপদে হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা ভয়াবহ যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। ইরানের হামলার আশঙ্কায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল পরিবহণ কার্যত থমকে গিয়েছিল। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল বাণিজ্য হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর কার্যত হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। শুধু রাশিয়া এবং চিনের জাহাজকে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল ভারতের নামও। সূত্রের খবর, ইরানের বিদেশ মন্ত্রক মৌখিকভাবে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে। তবে আমেরিকা, ইজরায়েল এবং ইউরোপের দেশগুলির জাহাজের উপর এখনও নিষেধাজ্ঞা বজায় রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভলুশনারি গার্ড ফোর্স।এই সিদ্ধান্তের আগে ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আরাগাছির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই কথোপকথনে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় বলে জানা গিয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় জাহাজ চলাচলের বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে।সূত্রের দাবি, গত দুসপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে একাধিকবার এই বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছিল। একাধিকবার ফোনে কথা হয়েছে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে। পর্দার আড়ালেও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা চলছিল। সেই তৎপরতার ফলেই আপাতত হরমুজ প্রণালীর ওপারে আটকে থাকা ভারতীয় জাহাজগুলিকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার অনুমতি মিলেছে।মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে ভারত শুরু থেকেই প্রকাশ্যে নিরপেক্ষ অবস্থান নিয়েছে। তবে ভারত মহাসাগরে ভারতীয় জলসীমার কাছে ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজে আমেরিকার হামলার পর ভারত মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যেই হরমুজ প্রণালীর কাছেই একটি থাই পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছিল।তার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকে। ভারত সরকার দ্রুত ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। সেই কূটনৈতিক উদ্যোগের ফলেই এই অনুমতি মিলেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর ফলে দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের হামলায় জ্বলল মার্কিন তেল ট্যাঙ্কার, নিহত এক ভারতীয় নাগরিক

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে আরও এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের উপকূলের কাছে আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে হামলা চালিয়েছে ইরান। সেই হামলার পর ভয়াবহ আগুন ধরে যায় জাহাজে। ওই ঘটনায় এক ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে গোটা পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ও সংঘর্ষ চলছে। ইরানের উপর হামলা আরও জোরদার করেছে ইজ়রায়েল এবং আমেরিকা। পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইরানও। এই সংঘর্ষে ক্রমশ বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। সাধারণ মানুষও এই যুদ্ধের বলি হচ্ছেন। কাজের সূত্রে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বহু ভারতীয় থাকেন। সেই কারণে এই সংঘর্ষে ভারতীয় নাগরিকরাও বিপদের মুখে পড়ছেন।সংবাদসংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইরাকের জলসীমার মধ্যে খোর আল জুবায়ের বন্দরের কাছে হামলার ঘটনা ঘটে। সাফেসি বিষ্ণু নামে একটি জাহাজে থাকা আমেরিকার দুটি তেল ট্যাঙ্কারে ইরানের নৌকা থেকে হামলা চালানো হয়। হামলার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় ট্যাঙ্কার দুটিতে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং জাহাজ থেকে তেল সমুদ্রে পড়তে শুরু করে।এই ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ট্যাঙ্কার থেকে আগুনের বিশাল শিখা উঠছে এবং চারদিকে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে। জানা গিয়েছে, ওই ট্যাঙ্কারগুলিতে প্রায় চার লক্ষ ব্যারেল তেল ছিল।হামলায় নিহত ভারতীয় নাগরিকের নাম এখনও প্রকাশ করা হয়নি। জাহাজে থাকা বাকি সাতাশ জন সদস্য এবং কর্মীকে উদ্ধার করে দক্ষিণ ইরাকের বসরা শহরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার এই সংঘর্ষ এখন ত্রয়োদশ দিনে পৌঁছেছে। এখনও পর্যন্ত তিনজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কুড়ির বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে খবর।কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে ইতিমধ্যেই দুজন ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্বের প্রথম দিন সংসদে বিদেশমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্য জয়শঙ্কর জানান, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতে দুই ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন এখনও নিখোঁজ। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।মৃত ভারতীয় নাগরিকদের প্রতি শোকপ্রকাশও করেন বিদেশমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ইরানে বহু ভারতীয় পড়ুয়া এখনও আটকে রয়েছেন। পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে প্রায় এক কোটির বেশি ভারতীয় বসবাস করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁদের নিরাপত্তাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।

মার্চ ১২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুন, তবু বাংলাদেশের পাশে ভারত! পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর বড় সিদ্ধান্ত

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। তার জেরে গোটা বিশ্বেই জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা বাড়ছে। ভারতেও গ্যাস ও জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল ভারত। দুঃসময়ে প্রতিবেশী দেশকে সাহায্য করতে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইনের মাধ্যমে।বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল তিনটে কুড়ি মিনিট নাগাদ ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় চুয়াল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুর ডিপোতে পৌঁছে যাবে বলে জানা গেছে। তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার এই সময়ে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি জ্বালানি আসায় পরিবহন খরচ এবং সময় দুটোই অনেক কমে যায়।কিছুদিন আগেই বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছিল। সেই সময় ভারতের পক্ষ থেকে ডিজেল রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে জানা যায়। তবে পরে তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এই পরিস্থিতিতেই আবার বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করতে তৈরি করা হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব পাইপলাইন প্রকল্প। এই প্রকল্প দুই দেশের অর্থনীতি এবং জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই পাইপলাইনের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়।বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপাতত দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করেছে সেখানকার সরকার। তবে উদ্বেগ শুধু জ্বালানি নিয়েই নয়। খাদ্য সঙ্কটের আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের বাজারেও তার প্রভাব পড়তে পারে। সেই পরিস্থিতিতে ভারতের সাহায্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।এই পরিস্থিতির মূল কারণ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাতের পর ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে বলে খবর। এই প্রণালী দিয়েই বিশ্বের প্রায় কুড়ি শতাংশ অপরিশোধিত তেল পরিবহন হয়। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। হামলার আশঙ্কায় বিভিন্ন দেশের তেলের ট্যাঙ্কার এবং জাহাজ এখন সমুদ্রে অপেক্ষা করে রয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারতের বিশ্বজয় মানতে পারছেন না অনেকে! প্রতিবেশী দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভারত আবার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জেতার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব। বিভিন্ন জায়গায় ফাটছে বাজি, চলছে উদযাপন। কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকেই ভারতের এই সাফল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন।বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে আসা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। নানা আলোচনার পরও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে রাজি হয়নি বলে খবর ছড়ায়। অনেকেই মনে করেন, সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবই এর পেছনে কাজ করেছিল।অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভারত ম্যাচ নিয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছিল। এমনকি এক সময় ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি খেলা হয় এবং পাকিস্তান সেই ম্যাচে পরাজিত হয়।পাকিস্তানের কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহম্মদ আমির। তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, ভারত নাকি এই বিশ্বকাপ জিততে পারবে না।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয় বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জিতে নেয়। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দল।এই জয়ের পর পাকিস্তানের প্রাক্তন দ্রুতগতির বোলার শোয়েব আখতার একটি মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ভারতের আচরণ নাকি এমন, যেন ধনী পরিবারের ছেলে গরিব ছেলেকে খেলতে ডাকে এবং শেষে নিজেই জিতে যায়। তিনি দাবি করেন, এই ভাবে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে।অন্যদিকে মহম্মদ আমিরও ভারতের জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ভারত জিতেছে, ট্রফি তাদের দেশেই যাবে। তবে তা তাঁর বাড়িতে তো আসবে না।তবে সব প্রতিক্রিয়া সমালোচনামূলক ছিল না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তিনি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে অনেকেই পুরনো একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দশ বছর আগে এক বিশ্বকাপে ভারত পরাজিত হলে সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই পুরনো প্রসঙ্গও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর তাই শুধু আনন্দই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও এই সাফল্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

সত্যি কি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করা হয়েছে? কী বলছে নিয়ম

ভোটের আগে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজ্য ও কেন্দ্রের সম্পর্ক। রাজ্য বনাম রাজ্যপাল, রাজ্য বনাম নির্বাচন কমিশনের সংঘাতের পর এবার সামনে এল রাজ্য ও রাষ্ট্রপতির টানাপোড়েন। শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সেই সফর ঘিরেই রাজ্যের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয় নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এই ঘটনার পরেই বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র।সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতিকে অসম্মান করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক রাজ্যের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন চিঠি লিখে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে ঘটনার ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছেন বলে জানা গেছে।সাধারণত কোনও রাজ্যে রাষ্ট্রপতি গেলে তাঁকে স্বাগত জানাতে সেই রাজ্যের রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত থাকেন। অনেকেই বলছেন, এ বিষয়ে লিখিত নিয়ম না থাকলেও দীর্ঘদিনের একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে। যদি মুখ্যমন্ত্রী উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সাধারণত প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত থাকেন। সেখানে মুখ্যসচিব বা পুলিশের সর্বোচ্চ কর্তার উপস্থিতি দেখা যায়।কিন্তু শনিবার শিলিগুড়িতে সেই ছবি দেখা যায়নি বলেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানে দেখা যায়নি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। শুধু তাই নয়, রাজ্যের কোনও মন্ত্রীও উপস্থিত ছিলেন না। এমনকি মুখ্যসচিব বা পুলিশের শীর্ষ কর্তারও দেখা মেলেনি।এদিকে কয়েকদিন আগেই রাজ্যপালের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন সিভি আনন্দ বোস। তাঁর জায়গায় নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন আর এন রবি। তিনি আগামী বারো মার্চ শপথ নেবেন বলে জানা গেছে। ফলে এই সফরে তাঁর উপস্থিত থাকার প্রশ্নই ছিল না।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনি যদিও রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী, কিন্তু বর্তমানে মন্ত্রিসভার সদস্য নন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি যখন কোনও রাজ্যে সফরে যান, তখন সাধারণত মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কোনও সদস্য তাঁকে স্বাগত জানান।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে তীব্র চাপানউতোর। শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির প্রাক্তন মেয়র তথা বাম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বলেন, রাষ্ট্রপতি বাঙালি না অবাঙালি বা কোন সরকারের আমলে নির্বাচিত হয়েছেন, সেটি বড় বিষয় নয়। তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতির পদ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ এবং সেই পদকে সম্মান জানানো সব সরকারেরই দায়িত্ব।এই ইস্যুতে বিজেপিও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, রাষ্ট্রপতি কী বলেছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, দুটো বিষয় পাশাপাশি রাখলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তাঁর দাবি, তাতেই বোঝা যাবে কে সংবিধানের সীমার মধ্যে কথা বলেছেন আর কে তার বাইরে গিয়েছেন।আইন বিশেষজ্ঞদের একাংশও এই বিষয় নিয়ে মত প্রকাশ করেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত বলেন, রাজ্যের আগের রাজ্যপাল পদত্যাগ করার ফলে একটি প্রশাসনিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তবে তাঁর মতে, এই ধরনের অনুষ্ঠানে প্রোটোকল অনুযায়ী কোনও মন্ত্রীর উপস্থিত থাকা উচিত ছিল। কারণ রাষ্ট্রপতি দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে রয়েছেন এবং সেই পদকে সম্মান জানানো প্রথার অংশ।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

রাষ্ট্রপতিকে সামনে পেয়েই বড় দাবি! বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসনের ডাক বিজেপি সাংসদের

শনিবার আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দিতে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে স্বাগত জানানোর সময় প্রোটোকল ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি। যদিও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে লিখিতভাবে জানানো হয়, কোনও প্রোটোকল ভঙ্গ করা হয়নি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রপতি ভবন এবং নবান্নের মধ্যে নজিরবিহীন টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এর মধ্যেই সুযোগ নিয়ে রাজ্য প্রশাসনকে আক্রমণ করেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, বাংলার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। তাঁর দাবি, এই অবস্থায় একমাত্র রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে তার অধীনে নির্বাচন করলেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট সম্ভব। দ্রুত বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করার দাবি জানান তিনি।এর কিছুক্ষণ পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তিনিই শনিবার বাগডোগরা বিমানবন্দরে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠান শেষ করে দিল্লি পৌঁছানোর আগেই বিজেপি সাংসদ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলছেন। তাঁর প্রশ্ন, রাষ্ট্রপতিকে দেখেই কি এই কথা মনে পড়ল? তাঁর দাবি, দলের বড় নেতারা যা বলেন, রাজু বিস্তাও সেটাই বলছেন।গৌতম দেব আরও বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে বিজেপি সাংসদের চিন্তা করার কোনও প্রয়োজন নেই। তাঁর বক্তব্য, যদি তৃণমূল ভোটে কারচুপি করত, তাহলে রাজু বিস্তা কীভাবে জিতলেন? তিনি আরও অভিযোগ করেন, সাংসদ নিজের কেন্দ্রে খুব একটা থাকেন না, অথচ ভোটের আগে বড় বড় কথা বলছেন।উল্লেখ্য, বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ বলে অভিযোগ তুলে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব আগেও একাধিকবার রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবি তুলেছে। বিশেষ করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই দাবি বারবার করেছেন। তবে সেই দাবি এখনও পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি। তাই রাজু বিস্তার এই দাবিকেও গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল নেতৃত্ব।

মার্চ ০৮, ২০২৬
দেশ

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর শিলিগুড়ি সফরে প্রোটোকল বিতর্ক, কেন্দ্র রাজ্যকে রিপোর্ট তলব

রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর পশ্চিমবঙ্গ সফরের সময় প্রোটোকল ভাঙার অভিযোগে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট তলব করল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর কাছে রবিবার সকালে এই নির্দেশ পাঠানো হয়। বিকেল পাঁচটার মধ্যে লিখিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।শনিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি অভিযোগ করেন, তাঁকে স্বাগত জানাতে যাননি মুখ্যমন্ত্রী বা অন্য কোনো মন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি নিজেই বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোটবোনের মতো। আমি বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা হয়তো রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি বা কোনও মন্ত্রী আসেননি। তবে এটা বড় বিষয় নয়।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবারই প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ওঁর (দ্রৌপদী মুর্মু) অনুষ্ঠানের কথা আমি জানতাম না। এটি কোনও সরকারি অনুষ্ঠান নয়, সম্পূর্ণ বেসরকারি। আমরা এখানে কী করব? আমি এখন ধরনায় আছি, মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছি। আপনারা বিজেপির অগ্রাধিকার হতে পারেন, আমার কাছে আমার জনতাই সব। তিনি আরও যোগ করেন, রাষ্ট্রপতি একজন সর্বোচ্চ সাংবিধানিক ব্যক্তি, আমরা তাঁকে সম্মান করি। কিন্তু বিজেপি তাঁকে রাজনীতি করতে পাঠিয়েছে।রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছিল, ঘটনা শান্ত হতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ইতিমধ্যেই রিপোর্ট তলব করেছেন। মুখ্যসচিবকে জানতে চাওয়া হয়েছে, রাষ্ট্রপতির সফরে ঠিক কী ঘটেছিল এবং প্রশাসনের ভূমিকা কী ছিল।

মার্চ ০৮, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় এসে বিস্ফোরক মন্তব্য রাষ্ট্রপতির! ‘মমতা হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন’

ভোটের আগে বাংলায় রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সভাস্থল নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত অন্য জায়গায় সভা করতে হয়েছে।শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পর দেখা যায় দর্শকাসনে অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত চেয়ার ফাঁকা কেন। তাঁর সন্দেহ, কেউ হয়তো বাধা দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রথমে ঠিক হয়েছিল এই সম্মেলন হবে বিধাননগরে। কিন্তু পরে একাধিকবার সভাস্থল বদল করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি দেয় প্রশাসন। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, অনেক আমন্ত্রিত অতিথি নিরাপত্তা পাশ না পাওয়ায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি। পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সভা শেষে রাষ্ট্রপতি সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে যান, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বলেন, তিনি আসলে এখানেই সভা করতে চেয়েছিলেন। জায়গাও যথেষ্ট ছিল। তবে কেন রাজ্য সরকার অনুমতি দিল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি তাঁর ছোট বোনের মতো। তবে হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর রাগ করেছেন, সেই কারণেই সভা করতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি কোনও রাজ্যে গেলে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ তাঁকে স্বাগত জানান। সেটাই নিয়ম এবং প্রোটোকল।শেষ পর্যন্ত বিধাননগরে পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় একটি শালগাছ লাগিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা শাসক এবং পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন এসেছিলেন, তখনও তিনি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সভাস্থল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আর এক ধাপ ফাইনাল! ওয়াংখেড়েতে ইংল্যান্ডকে হারালেই বিশ্বকাপের স্বপ্নপূরণ ভারতের

আর মাত্র এক ধাপ। বৃহস্পতিবার রাতে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম-এ ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলেই আরও একবার বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নেবে ভারত। কিন্তু কাজটা সহজ নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড বরাবরই কঠিন প্রতিপক্ষ।দুই দলের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে এগিয়ে ভারত। মোট ঊনত্রিশ ম্যাচের মধ্যে ভারত জিতেছে সতেরোটি, ইংল্যান্ড বারোটি। তবে বিশ্বকাপে লড়াই অনেকটাই সমানে সমানে। পাঁচ ম্যাচের মধ্যে ভারত এগিয়ে তিন-দুই ব্যবধানে। এর মধ্যে দুবার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। দুদলই জিতেছে একটি করে ম্যাচ। আর দুবারই ফল হয়েছে একপেশে।দুই হাজার বাইশ সালের সেমিফাইনাল এখনও ভোলেননি সমর্থকেরা। সেবার ভারতকে দশ উইকেটে হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। প্রথমে ব্যাট করে ভারত তুলেছিল একশো আটষট্টি রান। কিন্তু কোনও উইকেট না হারিয়েই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ইংল্যান্ড। জস বাটলার করেছিলেন আশি রান, অ্যালেক্স হেলস ছিয়াশি। সেই হার ভারতীয় ক্রিকেটে বড় ধাক্কা দিয়েছিল।অধিনায়ক রোহিত শর্মা বুঝেছিলেন, ব্যাটিং মানসিকতায় বদল আনতেই হবে। এরপর থেকে ভারত আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে শুরু করে। তার ফলও মিলেছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের সেমিফাইনালে আবার ইংল্যান্ডকে একপেশেভাবে হারায় ভারত। সেবার ইংল্যান্ড হেরেছিল আটষট্টি রানে।তবে বিশ্বকাপে ভারত-ইংল্যান্ড লড়াইয়ের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত নিঃসন্দেহে যুবরাজ সিং-এর ছয় ছক্কা। দুই হাজার সাত সালে তাঁর সেই বিধ্বংসী ইনিংস দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল ভারত।এবার আবার সেই ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে টিম ইন্ডিয়া। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে টপকাতে পারলে আরও একবার শিরোপার হাতছানি। সমর্থকদের প্রশ্ন, এবার কোন ক্রিকেটার হবেন নায়ক? বৃহস্পতিবার রাতের ম্যাচেই মিলবে তার উত্তর।

মার্চ ০৫, ২০২৬
দেশ

ইরান ইস্যুতে কি বদলাচ্ছে ভারতের অবস্থান? নীরবতায় বাড়ছে জল্পনা

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আবহে ইরানকে ঘিরে ভারতের অবস্থান নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির পর সৌদি আরব এবং বাহারিনের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সব আলোচনায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলিতে হামলার নিন্দা করলেও ইরানের নাম সরাসরি উচ্চারণ করেননি তিনি। একইসঙ্গে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং জর্ডানের রাজা আবদুল্লাহ দ্বিতীয়ের সঙ্গেও কথা বলেছেন মোদী। তবে নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসের আবেদন সত্ত্বেও আয়াতোল্লা খামেনেই হত্যার ঘটনায় এখনও সরাসরি প্রতিবাদ জানায়নি ভারত।এই নীরবতা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেত্রী সনিয়া গান্ধী। একটি বহুল প্রচারিত সংবাদপত্রে লেখা প্রবন্ধে তিনি বলেন, ইরানের রাষ্ট্রপ্রধানকে টার্গেট করে হত্যার ঘটনায় ভারতের নীরবতা নিরপেক্ষতার পরিচয় নয়। তাঁর সেই লেখা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন রাহুল গান্ধী। তা ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, দীর্ঘদিনের অক্ষ নিরপেক্ষ অবস্থান থেকে কি সরে আসছে ভারত?বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে দাবি, বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে বিদেশে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাই এখন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে বৈঠকের পরও মোদী জানিয়েছেন, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে থাকা দেশগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের সমাধানে আলোচনা ও কূটনীতির পথেই এগোনোর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে কংগ্রেস সাংসদ মনীষ তিওয়ারির অভিযোগ, যুদ্ধের মাধ্যমে কোনও সার্বভৌম দেশের সরকার উৎখাতকে ভারত অতীতে কখনও সমর্থন করেনি। বর্তমান পরিস্থিতিতে নয়া দিল্লি খোলাখুলি কোনও অবস্থান নেয় কি না, সেদিকে নজর রাখছে আন্তর্জাতিক মহল। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মাঝে ভারতের কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

উপসাগর সংকটে তেল সরবরাহ বন্ধ? ভারতের পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত রাশিয়া!

উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জেরে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া ভারতের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে। একটি রুশ সূত্রের দাবি, উপসাগরীয় সংকটের কারণে যদি বিশ্ববাজারে তেলের প্রবাহ ব্যাহত হয়, তবে রাশিয়া ভারতকে জ্বালানি সরবরাহে সহায়তা করতে প্রস্তুত।পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা বাড়ার ফলে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের বড় অংশের অপরিশোধিত তেল ও গ্যাস এই পথ দিয়েই পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক হামলা ও পাল্টা হুমকির জেরে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে জানা গিয়েছে। বিমা সংস্থাগুলিও কিছু ক্ষেত্রে কভার প্রত্যাহার করায় ট্যাঙ্কার চলাচল প্রভাবিত হচ্ছে।এদিকে ভারত সরকার জানিয়েছে, দেশের কাছে আপাতত পর্যাপ্ত তেল ও জ্বালানির মজুত রয়েছে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য, পেট্রল, ডিজেল-সহ প্রয়োজনীয় জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ছয় থেকে আট সপ্তাহের মতো মজুত রয়েছে। মোট হিসাবে প্রায় পঞ্চাশ দিনের জ্বালানি মজুত আছে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় পঁচিশ দিনের অপরিশোধিত তেল এবং আরও পঁচিশ দিনের পরিশোধিত পেট্রোলিয়াম পণ্য রয়েছে।ভারতের প্রায় অর্ধেক অপরিশোধিত তেল ও তরল গ্যাস আমদানি হরমুজ প্রণালী হয়ে আসে। ফলে ওই অঞ্চলে অশান্তি দীর্ঘস্থায়ী হলে প্রভাব পড়তে পারে। তবে সরকার বিকল্প দেশ থেকে তেল, তরল গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির পথও খতিয়ে দেখছে। পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি জানিয়েছেন, স্বল্পমেয়াদি কোনও সরবরাহ ব্যাঘাত সামলাতে ভারত প্রস্তুত।বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অপরিশোধিত তেল আমদানিকারক দেশ ভারত। একই সঙ্গে পরিশোধন ক্ষমতায় চতুর্থ এবং পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানিতে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত তেল কেনার উৎস বাড়িয়েছে, যাতে একক অঞ্চলের উপর নির্ভরশীলতা কমে।পরিস্থিতি নজরে রাখতে কেন্দ্রীয় সরকার চব্বিশ ঘণ্টার নিয়ন্ত্রণকক্ষও চালু করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জ্বালানির মজুত ও সরবরাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সরকার বর্তমান পরিস্থিতিকে যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক বলেই বর্ণনা করেছে।এই আবহে রাশিয়ার প্রস্তাব বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। প্রয়োজনে রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত অপরিশোধিত তেল আমদানি করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। যদিও আগে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্যিক সমঝোতার ভিত্তিতে রুশ তেল কেনা ধীরে ধীরে কমানোর কথা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই অবস্থান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহে তৎক্ষণাৎ ঘাটতির সম্ভাবনা কম হলেও বড় প্রভাব পড়তে পারে দামের উপর। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি আশি ডলারের উপরে উঠে গিয়েছে, যা ইরান সংকটের পর প্রায় দশ শতাংশ বৃদ্ধি। এতে ভারতের আমদানি ব্যয় ও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়ছে। গত অর্থবর্ষে অপরিশোধিত তেল আমদানিতে বিপুল অর্থ ব্যয় করেছে ভারত।এদিকে বেসামরিক বিমান চলাচল ক্ষেত্রেও সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলিকে আগামী সাত দিনের জ্বালানি মজুত ও প্রয়োজনের হিসাব দিতে বলা হয়েছে। বর্তমানে দেশে তেত্রিশটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। পরিস্থিতি অস্থির থাকায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবেই এই পদক্ষেপ বলে জানা গিয়েছে।বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সমুদ্রপথে পরিবাহিত অপরিশোধিত তেল এবং প্রায় কুড়ি শতাংশ তরল প্রাকৃতিক গ্যাস হরমুজ প্রণালী দিয়ে যায়। সেখানে দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা তৈরি হলে তার প্রভাব বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়তে পারে। তবে আপাতত ভারত পরিস্থিতির উপর নজর রেখে বিকল্প পরিকল্পনা প্রস্তুত রেখেই এগোচ্ছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 38
  • 39
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে বেকার ভাতা! ইস্তাহারে চমকে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের ইস্তাহার প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিজ্ঞা নামে এই ইস্তাহারে দশটি অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরা হয়েছে। শিক্ষা, শিল্প, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক প্রকল্পে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ইস্তাহারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে আবারও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, মহিলারা সারা জীবন এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আগে ঘোষণা করা ভাতা বৃদ্ধির বিষয়টিও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।যুবকদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। চাকরি না পাওয়া পর্যন্ত প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এতে বহু বেকার যুবক-যুবতী উপকৃত হবেন বলে দাবি করা হয়েছে।কৃষিক্ষেত্রেও বড় প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কৃষির উন্নতির জন্য ত্রিশ হাজার কোটি টাকার বাজেটের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি শিল্প ও বাণিজ্যে নতুন বিনিয়োগ এবং পরিকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনাও তুলে ধরা হয়েছে।স্বাস্থ্য পরিষেবায় দুয়ারে চিকিৎসা নামে নতুন প্রকল্প চালুর কথা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি বছর প্রতিটি ব্লক ও শহরে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় চিকিৎসা সুবিধা পৌঁছয়।প্রবীণদের জন্যও বিশেষ উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। অনেক সময় পরিবারের সদস্যরা বাইরে থাকেন, ফলে বয়স্ক মানুষদের দেখাশোনার সমস্যা হয়। সেই বিষয়টি মাথায় রেখে তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের ইঙ্গিত রয়েছে। নতুন সাতটি জেলা গঠন এবং পৌরসভার সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি আবাস প্রকল্পে কাঁচা বাড়িকে পাকা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।পানীয় জলের ক্ষেত্রেও বড় লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বহু বাড়িতে জল পৌঁছেছে বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী দিনে প্রতিটি বাড়িতে পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে তিনি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগও তুলেছেন।সব মিলিয়ে, নির্বাচনের আগে এই ইস্তাহার ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। প্রতিশ্রুতিগুলি কতটা বাস্তবায়িত হবে, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

খড়গপুরে ফিরেই আগুন দিলীপ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে বিস্ফোরক মন্তব্য

দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর অবশেষে বিজেপির মধ্যে নিজের জায়গা আরও মজবুত করলেন দিলীপ ঘোষ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তাঁর পছন্দের খড়গপুর কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী করা হয়েছে তাঁকে। নাম ঘোষণার পর থেকেই আবার আগের মতোই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা গেল তাঁকে।শুক্রবার খড়গপুরে চা চক্রে অংশ নিয়ে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন দিলীপ। তৃণমূলের ইশতেহার নিয়ে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এখন আর কেউ এই ইশতেহার পড়ে না বা গুরুত্ব দেয় না। তাঁর দাবি, ভোটের আগে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়, কিন্তু বাস্তবে সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয় না।ভোটের আগে সিভিক ভলান্টিয়ার ও গ্রাম পুলিশদের বোনাস ঘোষণার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। দিলীপের বক্তব্য, একদিকে রাজ্য সরকার বলছে টাকা নেই, অন্যদিকে আবার নানা খাতে খরচ বাড়ানো হচ্ছে। তিনি সাধারণ মানুষকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাতা নয়, যদি বেতন বাড়াতে চান, তাহলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভোট দিতে হবে।রাজ্যে বিজেপির জয়ের ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর দাবি, একের পর এক রাজ্যে জয়ের ধারা বজায় রেখে এবার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও উন্নয়নের জন্য বাংলায় বিজেপির সরকার প্রয়োজন।এছাড়াও, নির্বাচন কমিশনকে লেখা মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি নিয়েও কড়া প্রতিক্রিয়া দেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন রাজ্যে শাসন করার পর এখন মুখ্যমন্ত্রীর বিশ্রাম নেওয়া উচিত। নির্বাচন কমিশন তার কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে বাকি দায়িত্ব বিজেপি সামলাবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।ভোটের আগে এই ধরনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা যে আরও বাড়বে, তা বলাই যায়।

মার্চ ২০, ২০২৬
বিদেশ

ইরান ভেঙে পড়ছে! আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় কার্যত শেষ পরমাণু শক্তি, দাবি নেতানিয়াহুর

ইরানকে ঘিরে চলা যুদ্ধে নতুন করে বড় দাবি করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আমেরিকাকে এই যুদ্ধে টেনে আনার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভুয়ো। তাঁর কথায়, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিজে সিদ্ধান্ত নেন, তাঁকে কেউ প্রভাবিত করতে পারে না।একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইজরায়েল ও আমেরিকার মধ্যে এই যুদ্ধে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রয়েছে এবং তারা খুব দ্রুত নিজেদের লক্ষ্য পূরণ করছে। তাঁর দাবি, টানা কুড়ি দিনের হামলার ফলে ইরান এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা রাখে না, এমনকি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সামর্থ্যও অনেকটাই নষ্ট হয়ে গিয়েছে।নেতানিয়াহুর বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের মিসাইল ও ড্রোন শক্তি কার্যত ধ্বংসের মুখে। এখন মূলত সেই সব কারখানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যেখান থেকে এই অস্ত্র তৈরি হত। তবে তাঁর এই দাবির পক্ষে কোনও নির্দিষ্ট প্রমাণ এখনও সামনে আসেনি।তিনি আরও দাবি করেন, ইরান এখন আগের থেকে অনেক দুর্বল, আর ইজরায়েল এই অঞ্চলের শক্তিশালী দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। প্রয়োজন হলে এই অভিযান আরও দীর্ঘ সময় চলবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।এদিকে, নেতানিয়াহুর সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীনই ইরান ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। ইজরায়েলের সেনাবাহিনীও জানায়, নতুন করে হামলা হয়েছে তাদের দিকে।ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্রে হামলার প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ওই হামলা ইজরায়েল নিজের সিদ্ধান্তেই চালিয়েছিল। তবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ভবিষ্যতে এমন হামলা না করার অনুরোধ করেছেন, তাই আপাতত সেই সিদ্ধান্ত মেনে চলছে ইজরায়েল।নেতানিয়াহু আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে বিশ্বকে চাপ দেওয়ার চেষ্টা করছে ইরান। কিন্তু সেই কৌশল সফল হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ যে আরও জটিল আকার নিতে পারে, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ২০, ২০২৬
রাজ্য

আচমকা বদলাবে আবহাওয়া! ঘণ্টায় ৮০ কিমি বেগে ঝড়, সতর্ক করল আবহাওয়া দফতর

তীব্র গরমের মধ্যেই দেশজুড়ে হঠাৎ করে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর। আগামী কয়েকদিনে দেশের একাধিক রাজ্যে ঝড়-বৃষ্টি, বজ্রপাত এবং শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই ২১টি রাজ্যে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭৫ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কিছু জায়গায় এই বেগ ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। সঙ্গে থাকবে বজ্রপাত এবং বিদ্যুৎ চমক। এর ফলে সাধারণ মানুষের জন্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড গরম পড়েছে। তাপমাত্রা বাড়ায় মানুষ বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন। এই পরিস্থিতিতে বৃষ্টির খবর কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, তাপমাত্রা ২ থেকে ৩ ডিগ্রি কমলেও ঝড়-বৃষ্টির জন্য নতুন সমস্যা তৈরি হতে পারে।১৯ থেকে ২২ মার্চের মধ্যে আবহাওয়ার এই বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে জানানো হয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন অংশে আকাশ মেঘে ঢেকে যাবে এবং হঠাৎ করেই ঝড়-বৃষ্টি নামতে পারে।বর্তমানে উত্তর প্রদেশের পশ্চিম অংশ এবং পূর্ব অংশের উপর দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এই দুই আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে উত্তর, পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের বহু এলাকায় আবহাওয়ার দ্রুত পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। প্রবল বাতাস, বজ্রপাত এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পশ্চিমবঙ্গেও এই প্রভাব পড়বে বলে জানানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় শনিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকতে পারে। শুক্রবার থেকে এই পরিস্থিতি আরও জোরালো হতে পারে।আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে কৃষক এবং মৎস্যজীবীদের বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ঝড়-বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি ফসলের ক্ষতি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও এই আবহাওয়ার পরিবর্তন নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের মাঝেই অ্যাপ ক্যাবে ২৫ লক্ষ! নিউটাউনে পুলিশের হানা, গ্রেফতার এক

রাজ্যে ভোটের আবহের মধ্যেই কলকাতায় বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শুক্রবার নিউটাউনের সিটি সেন্টারের কাছে একটি অ্যাপ ক্যাব থেকে ২৫ লক্ষ টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, তিনি গুজরাতের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন সূত্রে তথ্য পেয়ে সকাল থেকেই নিউটাউনের ওই এলাকায় নজরদারি চালাচ্ছিল বিধাননগর গোয়েন্দা পুলিশ এবং ইকোপার্ক থানার পুলিশ। সন্দেহজনক একটি অ্যাপ ক্যাবকে থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। সেই সময় গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধার হয়।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির নাম সুরেশ ঠাকুর। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি গুজরাতের বাসিন্দা। তাঁর দাবি, কলকাতার বড়বাজার এলাকা থেকে এই টাকা নিয়ে নিউটাউনে যাচ্ছিলেন। তবে এত বড় অঙ্কের টাকার সঠিক নথি তিনি দেখাতে পারেননি বলে জানা গেছে। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।উল্লেখযোগ্য, এর আগেও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নাকাতল্লাশির সময় নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। কয়েকদিন আগে আলিপুরদুয়ারে একটি গাড়ি থেকে প্রায় ২ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই ক্ষেত্রেও টাকার উৎস সম্পর্কে সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।গত ১৫ মার্চ রাজ্যে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, ৫০ হাজার টাকার বেশি নগদ বা ১০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের জিনিস নিয়ে যাতায়াত করলে তার সঠিক নথি দেখাতে হয়। এই নিয়ম ভাঙলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।এই ঘটনার পর ভোটের আগে নগদ টাকার লেনদেন এবং তার উৎস নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে কড়া বার্তা! নির্বাচন কমিশনের টানা বৈঠক, নজরে আইন-শৃঙ্খলা

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে প্রস্তুতি জোরদার করতে শুক্রবার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করছে নির্বাচন কমিশন। দুপুর সাড়ে বারোটা থেকে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক ভার্চুয়াল মাধ্যমে জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। এই বৈঠকে ভোটের প্রস্তুতি, সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে।জানা গেছে, এই বৈঠকের পর শনিবার আবার সব পর্যবেক্ষকদের নিয়ে আলাদা বৈঠক করা হবে। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য মোট ২৯৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক এবং ৮৪ জন পুলিশ ও ব্যয় পর্যবেক্ষকের সঙ্গে আলোচনা করবেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।এদিকে নতুন দফতরের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে নির্বাচন কমিশনের। শিপিং কর্পোরেশন ভবনে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নতুন অফিস আগামী সোমবার থেকে পুরোপুরি চালু হবে। কিন্তু সেই অফিসের নিরাপত্তা নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে কিছু উদ্বেগের কথা বলা হয়েছে।এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই নতুন দফতরে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বলয়েও রাখা হবে এই অফিসকে। কমিশন সূত্রে জানা যাচ্ছে, গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।ভোটের আগে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এই ধারাবাহিক বৈঠক ও পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

অটো নেই, বাসও উধাও! গ্যাসের দাম বাড়তেই শহরে যাতায়াতে চরম সঙ্কট

কলকাতায় গ্যাসের দামের বড় বৃদ্ধি এবং ভোটের প্রস্তুতির জেরে পরিবহণ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় ইতিমধ্যেই বহু অটো রাস্তায় নামছে না। তার উপর ভোটের কাজে বাস তুলে নেওয়া শুরু হলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।জানা গেছে, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কলকাতায় অটোতে ব্যবহৃত এলপিজির নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। প্রতি লিটার গ্যাসের দাম দাঁড়িয়েছে ৭০ টাকা ৬৮ পয়সা। এক ধাক্কায় প্রায় ৮ টাকা বেড়েছে দাম। এর আগেও মার্চের শুরুতে দাম বেড়েছিল। তখন লিটার প্রতি দাম ছিল ৫৭ টাকা ৬৮ পয়সা থেকে বেড়ে ৬২ টাকা ৬৮ পয়সা হয়েছিল। বারবার দাম বাড়ায় অটো চালকদের অনেকেই রাস্তায় নামতে চাইছেন না। ফলে ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০ শতাংশ অটো বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা যাচ্ছে। যেগুলি চলছে, সেগুলিও অনিয়মিত এবং অনেক ক্ষেত্রে ভাড়াও বেড়েছে।এর মধ্যে আবার ভোটের জন্য ধীরে ধীরে বাস কমতে শুরু করবে। নির্বাচন কমিশনের কাজে বহু বাস তুলে নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১৬০০ বেসরকারি বাস নেওয়া হয়েছে বলে বাসমালিকদের দাবি। এই বাসগুলি নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হবে। সামনে আরও বাস নেওয়া হতে পারে। কলকাতা ও আশপাশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে বাস তোলার প্রস্তুতি চলছে।বাসমালিকদের মতে, শহরে প্রায় আড়াই হাজার বেসরকারি বাস চলে। তার মধ্যে প্রায় দুই হাজার বাস রাস্তায় কমে যেতে পারে। ফলে যাত্রীদের সমস্যার শেষ থাকবে না। সরকারি বাসের সংখ্যাও এমনিতেই কম, ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।অন্যদিকে শুধু বাস নয়, স্কুলবাস, অ্যাপ ক্যাব, পুলকারসব ধরনের গাড়িই নির্বাচনের কাজে ব্যবহার করা হবে। এতে রাস্তায় সাধারণ মানুষের জন্য গাড়ির সংখ্যা আরও কমে যাবে। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে অটো কিছুটা ভরসা দেয়, কিন্তু এবার গ্যাসের সঙ্কটের কারণে সেই সুযোগও কমে গেছে। গ্যাস ভরার জন্য দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে চালকদের, ফলে রাস্তায় অটো কম দেখা যাচ্ছে।পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আগামী মাসের শুরু থেকেই এই সমস্যা আরও বাড়বে। ভোটের কারণে একসঙ্গে অনেক গাড়ি তুলে নেওয়া হলে শহরের রাস্তায় বের হওয়া মানুষের জন্য চরম ভোগান্তির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

মার্চ ২০, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় চমক! নতুন ইস্তেহারে কী দিচ্ছে তৃণমূল, জানলে অবাক হবেন

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, যুব সাথীর মতো একাধিক প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হাতে সরাসরি টাকা পৌঁছে দিয়েছে রাজ্য সরকার। ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বেশ কিছু ভাতার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। এবার নজর তৃণমূলের নতুন ইস্তেহারের দিকে। সূত্রের খবর, ইস্তেহার প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে এবং খুব শীঘ্রই তা প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার বা শনিবারের মধ্যেই সেটি সামনে আসতে পারে।জানা যাচ্ছে, এবারের ইস্তেহারে সামাজিক সুরক্ষার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন পরিকল্পনার কথা থাকতে পারে। নতুন কোনও প্রকল্প ঘোষণা করা হবে কি না, তা নিয়েও কৌতূহল বাড়ছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।এবারের ভোটে তৃণমূল আবারও বাংলা অস্মিতাকে বড় ইস্যু করতে চাইছে। অতীতে মুখ্যমন্ত্রী বারবার বাঙালিদের সম্মান এবং অধিকার নিয়ে কথা বলেছেন। ভিনরাজ্যে বাঙালি শ্রমিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ তুলে প্রতিবাদও করেছেন। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বাংলা-বিরোধী মনোভাবের অভিযোগ এনে রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করেছেন তিনি। সেই ধারাই বজায় রাখতে চায় শাসক দল।২০২১ সালের নির্বাচনে তৃণমূলের স্লোগান ছিল বাংলা নিজের মেয়েকেই চায়। এবার নতুন স্লোগান সামনে এসেছেযে লড়ছে সবার ডাকে, সেই বাঁচাবে বাংলা মা কে। এই স্লোগানকে সামনে রেখে ভোটের ময়দানে নামতে প্রস্তুত তৃণমূল। এখন দেখার, সাধারণ মানুষের জন্য কী কী প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসে এই ইস্তেহার।

মার্চ ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal