• ১০ আশ্বিন ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Income

দেশ

মধ্যবিত্তের মুখে হাসি এল না! আয়কর স্ল্যাবে কোনও বদল নয় বাজেটে

বাজেটে মধ্যবিত্তের মুখে হাসি ফুটলেও, তা যেন পুরোপুরি স্থায়ী হল না। কেন্দ্রীয় বাজেটের দিকে তাকিয়ে ছিলেন লক্ষ লক্ষ করদাতা। অনেকেরই আশা ছিল, এবারের বাজেটে আয়করে আরও কিছু ছাড়ের ঘোষণা করতে পারেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। কিন্তু ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়কর কাঠামোয় কোনও পরিবর্তনের কথা ঘোষণা করলেন না অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।গত বছরের বাজেটেই মোদী সরকার নতুন কর কাঠামোর ঘোষণা করে জানিয়েছিল, বছরে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে কোনও আয়কর দিতে হবে না। এবছর সেই কর কাঠামোই অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। অর্থমন্ত্রী জানালেন, নতুন কর ব্যবস্থায় সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই অভ্যস্ত হয়ে পড়েছেন। সেই কারণেই আয়কর স্ল্যাবে কোনও রদবদল করা হয়নি।তবে করদাতাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আয়কর জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। এতদিন যেখানে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে আয়কর জমা দিতে হত, সেখানে এবার ৩১ মার্চ পর্যন্ত আয়কর জমা করা যাবে। যদিও এর জন্য নির্দিষ্ট ন্যূনতম ফি বা চার্জ দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।নতুন কর কাঠামো অনুযায়ী, বছরে ৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর কোনও আয়কর দিতে হবে না। ৪ লক্ষ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ হারে আয়কর ধার্য হবে। ৮ লক্ষ টাকা থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। ১২ লক্ষ থেকে ১৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে আয়করের হার ১৫ শতাংশ। ১৬ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে ২০ শতাংশ কর বসবে। ২০ লক্ষ থেকে ২৪ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের উপর ২৫ শতাংশ আয়কর দিতে হবে। আর বছরে ২৪ লক্ষ টাকার বেশি আয় হলে ৩০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।এছাড়াও, অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে আগামী ১ এপ্রিল থেকে নতুন আয়কর আইন চালু করা হবে। সরকারের দাবি, এই নতুন আইনের মাধ্যমে কর ব্যবস্থা আরও সহজ ও স্বচ্ছ হবে। তবে আয়কর স্ল্যাবে কোনও পরিবর্তন না হওয়ায় মধ্যবিত্তের বড় অংশ এখনও কিছুটা হতাশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোপন ইনপুট পেয়ে দুরন্ত হানা, ব্যাগ খুলতেই চোখ কপালে

আরপিএফের রুটিন তল্লাশিতে উদ্ধার টাকার পাহাড়। এই ঘটনায় আটক করা হয়েছে এক যাত্রীকে। যার জেরে ডানকুনি স্টেশনে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ধৃত যাত্রীর কাছ থেকে নগদ টাকা ছাড়াও উদ্ধার করা হয়েছে কয়েক কেজি রূপো। আরপিএফ সূত্রে খবর, জেরায় কোন বৈধ নথি দেখাতে পা পারায় আটক করা হয়েছে অভিযুক্ত যাত্রীকে। এত বিপুল পরিমাণ টাকা কী কারণে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল ওই যাত্রী তার খোঁজে তদন্ত শুরু হয়েছে। রেলযাত্রীদের নিরাপত্তা এবং বেআইনি কার্যকলাপ রুখতে তৎপর রেল। সেই লক্ষ্যেই পূর্ব রেলের রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (আরপিএফ) আগের তুলনায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করেছে। লাগাতার নজরদারি চালানো হচ্ছে বিভিন্ন স্টেশনে। সেই অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) হাওড়া ডিভিশনের ডানকুনি স্টেশনে সন্দেহভাজন এক যাত্রীকে আটক করে আরপিএফ।তল্লাশিতে ওই যাত্রীর কাছ থেকে উদ্ধার হয় সাড়ে ১২ লক্ষ টাকার বেশি নগদ। পাশাপাশি তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে ৩.০৫১ কেজি রূপো। জেরায় এত বিপুল পরিমাণ নগদ ও বাজেয়াপ্ত রূপোর কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেন নি ওই ব্যক্তি।এরপর বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) আটক ব্যক্তিকে উদ্ধার হওয়া নগদ ও রূপোর সঙ্গে আয়কর দপ্তর, কলকাতার হাতে তুলে দেয় আরপিএফ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে আয়কর দপ্তর।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৫
সম্পাদকীয়

আয়করের ছাড় বৃদ্ধি, ব্যাংকে একাধিক সুবিধাঃ সাধারণের এসব শোনাই যেন বিলাসিতা

কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে একপক্ষ দিনভর উচ্ছ্বাস করছে। দেশের আরেক পক্ষের এই বাজেট নিয়ে কোনও উৎসাহ নেই বা সেই পরিস্থিতিও নেই। পকেট যেখানে গড়ের মাঠ, বাজেট সেখানে বিলাসিতাই। এবারের বাজেটের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বিষয়ের মধ্যে রয়েছে, করকাঠামোয় ছাড় ঘোষণা। আয়কর ছাড়ের উর্ধ্বসীমা বেড়ে ৭ লক্ষ টাকা। আগে ছিল ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করশূন্য। মহিলাদের জন্য নতুন সঞ্চয় প্রকল্প মহিলাদের জন্য নতুন সঞ্চয় প্রকল্প ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। এতে মহিলারা ২ লক্ষ টাকার সঞ্চয়ের উপর ৭.৫ % সুদ পাবেন। সহজ কর ব্যবস্থার প্রস্তাব। ৭২ লক্ষ রিটার্ন একদিনে গ্রহণ করছে আয়কর বিভাগ। জয়েন্ট ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা রাখা যাবে। আগে ৯ লক্ষ পর্যন্ত রাখা যেত। সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিম সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমে টাকা জমা রাখার ঊর্ধ্বসীমা বাড়ল। ৪.৫ লক্ষ থেকে বেড়ে হল ৯ লক্ষ টাকা। তথ্য অনুযায়ীদেশের ৮কোটি মানুষ আইটি রিটার্ণ জমা দেয়। তবে সবাই যে মোটা টাকা কর দেন তা কিন্তু নয়। অভিজ্ঞ মহলের প্রশ্ন, আয়করের ৭ লক্ষ টাকা উর্ধ্বসীমা করা হয়েছে। এতেই আনন্দে আত্মহারা কেউ কেউ। কিন্তু এই বাংলার কতজন মানুষ এই টাকার ধারে কাছে রোজগার করে? তাঁরা জানেই না আইটি ফাইল কি। কেন দিতে হয়। একেই জিএসটির নামে প্রায় সর্বক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষকে করের বোঝা টানতে হয়। আর আয়ই শূন্য় তার আবার আয়কর। দেশ তথা রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে ঘাটতি থাকায় এই আয়করের উর্দ্ধসীমার কাছাকাছি রোজগার নেই অধিকাংশ সাধারণের। করোনা আবহে লকডাউনের ফলে আরও বিপদে পড়েছে সাধারণ মানুষ। নুন আনতে পান্তা ফুরনোর অবস্থা। রাজনীতির শিল্প করে যাঁরা কোটিপতি হয়েছেন তাঁদের কথা পৃথক। কলকারখানা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে সাধারণের আয়ের ব্যালান্স করা খুব জরুরি। তা নাহলে আয়কর বা ব্যাংকে জমানোর টাকা সুদ বাড়ল না কমল তাতে অধিকাংশ মানুষের কিচ্ছু যায় আসে না। পেট চালানোই যেখানে দায় সেখানে আবার টাকা ডিপোজিটের ভাবনা! আর পাগলের প্রলাপের মতো একদল বলে চলেছে আয়কর ছাড়ের ঘোষণা নিয়ে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৩
রাজ্য

আয়কর হানা বর্ধমান শহরের চালকল গদিতে, বীরভূম যোগ?

একটি রাইসমিলের বর্ধমানের সিটি অফিসে আয়কর হানা।কার্জনগেটের পাশে একটি মলের দ্বোতলায় মা শান্তি এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেডের অফিসে আয়কর বিভাগের আধিকারিকরা ঢুকে তল্লাশি চালাচ্ছে। এই রাইসমিলটি বীরভূমের রামপুরহাট চকপাড়ায় অবস্থিত। মালিকের নাম দিলীপ আগরওয়াল ও ললিত আগরওয়াল। কোম্পানির রেজিস্টার অফিস চকপাড়া, জেলা- বীরভূম, রামপুরহাট।তল্লাসী চলাকালীন স্থানীয় উৎসুক মানুষের ভীড় জমে যায়। বীরভূমের অফিস শুনে তাঁদের অনেককেই নিচুস্বরে বলতে শোনা যায়, অনুব্রত কেসের কোনও লিঙ্ক তো নয় এই রেড! যদিও তদন্তকারী অফিসারদের তরফে কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি।

ডিসেম্বর ১০, ২০২২
রাজ্য

উৎসবে কাতারে কাতারে মানুষ মেট্রোতে, ষষ্ঠীতে আয় কোটির ওপর

করোনা আবহ পেরিয়ে এবার দুর্গাপুজোয় মহানগর ভিড়ে ঠাসা। রেকর্ড ভিড় মেট্রোতেও। শহরের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত যাওয়ার ক্ষেত্রে মেট্রোকেই ভরসা যাত্রীদের। তাই রোজই নতুন নতুন রেকর্ড গড়ছে মেট্রো। চতুর্থী থেকে ষষ্ঠী পর্যন্ত কলকাতা মেট্রো কোটি কোটি টাকার ওপর আয় করেছে। গড় যাত্রী সংখ্যা নিত্য দিন প্রায় ৭ লক্ষ। দিনভর পরিষেবা দিচ্ছে মেট্রো। যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় টিকিট কাউন্টারের সংখ্যাও বাড়িয়েছে কতৃপক্ষ। মেট্রো রেল জানিয়েছে, ষষ্ঠীতে সাড়ে ৭ লক্ষেরও বেশি যাত্রী মেট্রোতে চড়েছেন। গতকাল অর্থাৎ ১ অক্টোবর মেট্রো রেলের মোট যাত্রী সংখ্যা ছিল ৭ লক্ষ ৫৩ হাজার ৩৯০ জন। ষষ্ঠীতে মোট ২৮৮টি ট্রেন চালিয়েছে কলকাতা মেট্রোরেল। এই দিন টোকেন, স্মার্ট কার্ড বিক্রি এবং স্মার্ট কার্ড রিচার্জে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের মোট আয় হয়েছে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৩০ টাকা।ষষ্ঠীতেও সর্বাধিক যাত্রী চড়ার রেকর্ড দমদম স্টেশনের। দমদমে ১ অক্টোবর ৮৭ হাজার ৩৬৪ জন যাত্রী মেট্রোয় চেপেছেন। কালীঘাট স্টেশন থেকে ৬০ হাজার ৯৮৮ জন, এসপ্ল্যানেড থেকে ৪৫ হাজার ৩০১ জন এবং রবীন্দ্র সদন থেকে ৩৭ হাজার ১৪ জন যাত্রী ষষ্ঠীতে মেট্রোয় চেপেছেন। গতকাল ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোয় ৩৬ হাজার ২৭৫ জন যাত্রী মেট্রোয় চেপেছেন।

অক্টোবর ০২, ২০২২
রাজ্য

রাত পোহালেই সরস্বতী পুজো, হাসি নেই প্রতিমা শিল্পীদের মুখে

একদিন পরেই বাঙালির ভ্যালেন্টাইন-ডে সরস্বতী পুজো। হিন্দু বিদ্যা ও সঙ্গীতের দেবী সরস্বতীর আরাধনাকে উপলক্ষ্য করে অনুষ্ঠেয় অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব। শাস্ত্রমতে মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে সরস্বতী পূজা আয়োজিত হয়। তিথিটি শ্রীপঞ্চমী বা বসন্ত পঞ্চমী নামেও পরিচিত। শীতকে বিদায় জানিয়ে বসন্তের আগমন শুরু হয় এই পুজোর মাধ্যমেই। গেঁদা,গোলাপ, চন্দ্রমল্লিকা শোভিত শ্বেতবসনে দেবীর আবহনে মেতে উঠে ৮ থেকে ৮০। প্রচলিত হিন্দু মতে এই দিন ঠাকুরের সামনে হাতে খড়ি দিয়ে অক্ষর পরিচয় হলে নাকি বিদ্বান হয়। কিন্তু সেই খড়িও নেই পাথরের স্লেটও নৈব নৈব চ। যাইহোক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তাতে আনন্দ উপভোগ করাতে কোনও বাধা নেই। গত বছর করোনার বিধিনিশেধ থাকায় স্কুল কলেজ বন্ধ ছিল। যাদের অনুষ্ঠান তারাই ব্রাত্য থাকলে সেই অনুষ্ঠানের কোনও আমেজই থাকে না। তাই মূর্তি পুজোর সংখ্যা অনেকাংশেই কম ছিল।হিন্দু ধর্মের যেকোনও পুজোর মূল আকর্ষণ মূর্তি। সেই মুর্তী-র কারিগড় তথা প্রতিমা শিল্পী-রা মহাসঙ্কটের সন্মুখীন। গত ২০২০ থেকে করোনা মহামারীর কারণে জমায়েতের বিধিনিষেধ, নিম্নবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত অর্থনীতিতে বিরাট ধাক্কা আসাতে বহু পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এই শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যক্তিরা শুধু প্রতিমা তৈরি করেই বা প্রতিমার সাজ-সরঞ্জাম তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন, আজ তাঁরা মহা সঙ্কটের মুখে।সরস্বতী পুজোশহর বর্ধমানের প্রবীন মৃৎ শিল্পী দ্বীনবন্ধু রানা, জনতার কথার প্রতিনিধিকে জানান, আমি প্রায় ৪০ বছর এই শিল্পের সাথে যুক্ত, এরকম ভয়ংকর সমস্যার মুখে কোনওদিন পড়তে হবে আগে ভাবিনি। তবে সরকার স্কুল কলেজ খুলে দেওয়াতে আগের বারের থেকে একটু বিক্রি বেড়েছে। কিন্তু অন্যান্য বছরের থেকে বিক্রিবাটা অনেকটাই কম। তিনি আরও জানান, অনান্য বছর এই সময় অর্ধেক ঠাকুর মণ্ডপে চলে যেত। ঠাকুরের আকৃতি একই কিন্তু কম দামে বেচতে হচ্ছে, যে ছোটো ঠাকুরগুলো আগের বার ১০০০-১২০০ টাকা তে বিক্রি করেছি ,সেই একই সাইজের ঠাকুর ৭৫০ টাকাতেও কেউ কিনতে চাইছে না। এদিকে কাঁচামালের দাম প্রায় শতকরা ৩০% থেকে ৪০% বেড়ে গিয়েছে।দ্বীনবন্ধু আরও বলেন, আমাদের পুঁজি কম থাকায় বর্ধমান শহর থেকেই ঠাকুরের সাজ কিনতে হয়, কলকাতা থেকে কিনলে আরও ২% দাম কম হত। তিনি বলেন, আমার পরিচিতি বড় ঠাকুরের কারিগর হিসাবেই। তিনি জানান, সে অর্থে কোনও বড় বাজেটের ঠাকুরের বায়না এবারে পাননি, তিনি সর্বোচ্চ ২৫০০ টাকার বেশী ঠাকুর এবছর বানাননি। পুরনো অনেক ক্লাব পুজো বন্ধ করে দিয়েছে। বাজেট পুজো প্রায় উঠেই গেছে। কলেজগুলোতে আগে বড় বড় প্রতিমার চাহিদা ছিল। কারোও কারোও ঠাকুরের বাজেট ছিল প্রায় ৪৫০০ টাকার কাছাকাছি, এখন তারাও ছোট ঠাকুর কিনছেন ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকার মধ্যে।সরস্বতী পুজোজনতার কথা কলকাতায় ঠাকুরের সাজ সরঞ্জাম বিক্রেতাদের যোগাযোগ করে কাচামালের দাম বৃদ্ধির কারন জানতে চাইলে তাঁরা বলেন, করোনার পর থেকেই নানাবিধ বিধিনিষেধের জন্য, চীন থেকে খুব কম পরিমাণ কাঁচামাল যেমন, কাপড়, রাংতা ইত্যাদি আসছে। আমদানি করা মালের দামও খুব বেড়ে গিয়েছে। তাই আমাদেরও দাম বাড়াতে হয়েছে। দীনবন্ধু রানার অক্ষেপ, সরকার করোনার আতিমারীর কারণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের শিল্পীদের নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। কিন্তু আমরা বঞ্ছিত, আপনাদের মাধ্যমে সরকারের কাছে আমার অনুরোধ রইল, যদি সহৃদয় হয় কখনও।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
দেশ

IT Raid: কানপুরের ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ ১৫০ কোটি টাকা, নোট গুনতে হিমশিম অবস্থা আয়কর আধিকারিকদের

পীযূষ জৈন নামে কানপুরের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে ১৫০ কোটির নোট উদ্ধার করেছে আয়কর বিভাগ। একই সঙ্গে তল্লাশি চালানো হয়েছে তাঁর একাধিক সংস্থায়। কানপুরের আয়কর বিভাগ যে ছবি দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, আধিকারিকেরা মাটিতে নোটের স্তূপের মধ্যে বসে মেশিনের সাহায্যে টাকা গুনছেন।কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগেই আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। আধিকারিকেরা জানান, ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ভুয়ো ইনভয়েস দিয়ে জিনিস পাঠানো, ই-ওয়ে বিল ছাড়া জিনিস পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল। ভুয়ো সংস্থার নামেও ইনভয়েস তৈরি করার অভিযোগ ছিল। ৫০ হাজার টাকার ২০০টি এমন ভুয়ো ইনভয়েস পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ পীযূষের সংস্থার বিরুদ্ধে। অন্য ছবিতে দেখা যায়, পীযূষের বাড়ির আলমারি ভর্তি টাকা। যে নোট রাখা হয়েছে ছোটছোট বাক্সে। হলুদ টেপ দিয়ে যে বাক্সের মুখ বন্ধ করা। আয়কর দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকালে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকার নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গণনা সম্পূর্ণ হয়নি। কানপুরের সঙ্গে মুম্বইয়েও পীযূষের অফিসে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।পীযূষের সুগন্ধী দ্রব্যের ব্যবসা। সেই সঙ্গে তাঁর কোল্ড স্টোর, পেট্রল পাম্পেরও ব্যবসা রয়েছে। মুম্বইয়ের একটি শো-রুমের মালিক তিনি। কানপুরে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে মুম্বইয়ের আধিকারিকেরাও যোগ দেন এই তল্লাশিতে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Self-Reliance: এক টাকার চপ বেচেই বিত্তশালী হিমাংশু আত্মনির্ভরতার দিশা দেখাচ্ছেন যুবকদের

অতিমারির মধ্যেও জ্বালানির আঁচে জ্বলছে গোটা দেশ। অগ্নিমূল্য সবেরই বাজার দর। কিন্তু তাতে কি !এই সব নিয়ে বিশেষ মাথাই ঘামাতে চান না পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পাঁচড়ার চপ-তেলেভাজা বিক্রেতা হিমাংশু সেন। বরং তিনি মনে করেন, এই কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও ষোল আনা অর্থাৎ ১ টাকা পিস দরে চপও অন্য তেলে ভাজা বিক্রি করেও বিত্তশালী হওয়া যায়। শুধু মনে করাই নয়,বাস্তবে সেটা তিনি করেও দেখিয়ে চলেছেন।আরও পড়ুনঃ মঙ্গলকোট-কাণ্ডে তদন্তভার সিআইডি-রচপ বিক্রেতা হিমাংশুবাবুর এমন ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডই এলাকার বেকার দের আত্মনির্ভর আর্থিক রোজগারে দিশা দেখাচ্ছে। যা চাক্ষুষ করে অনেকে এখন বলতে শুরু করেছেন,মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চপ শিল্প নিয়ে হক কথাই বলেছিলেন । জামালপুরের পাঁচড়া গ্রামের দক্ষিনপাড়ায় বাস হিমাংশু সেনের। বাড়ির কাছেই রয়েছে তাঁর প্রসিদ্ধ চপ-তেলে ভাজার দোকান। প্রতিদিন দুপুর ৩ টায় খুলে যায় তাঁর চপের দোকান। তারপর থেকেই পরিবারের সবাই মিলে দোকান চালান। দোকানের এক ধারে বসে গ্যাসের উনানে গরম তেলের কড়াইয়ে ফুলুড়ি, সিঙ্গারা, ভেজিটেবিল চপ, আলুর চপ এই সবকিছুই ভাজেন হিমাংশু বাবু। এছাড়াও ঘুগনি এবং অল্পস্বল্প করে রসোগোল্লা, পান্তুয়া, ল্যাংচা ও মাখা সন্দেশও বিক্রির জন্য তিনি তৈরি করেন। তবে চপ বিক্রিই তাঁর মূল ব্যবসা।দোকান খোলার কিছু সময় পর থেকেই খরিদ্দারের ভিড় বাড়তে শুরু করে শিমাংশুবাবুর দোকানে ।খরিদ্দার সামলান হিমাংশু বাবুর স্ত্রী বন্দনাদেবী, ছেলে কাশিনাথ ও পুত্রবধূ শম্পা। চপ ভাজা থেকে শুরু করে চপ, ঘুগনি বিক্রি এই দুই কাজে রাত ৯ টা পর্যন্ত সেন পরিবারের কেউ একমুহুর্ত ফুরসত পান না। প্রায় ৩০ বছর ধরে ১ টাকা মূল্যে চপ-তেলেভাজা বিক্রি করেই হিমাংশুবাবু ও তাঁর পরিবার এখন এলাকার বিত্তশালীদের মধ্যে একজন হয়ে উঠেছেন। যা দেখে অনেকের ঈর্ষা হয় ঠিকই। কিন্তু তারা হিমাংশুবাবুর ব্যবসায়িক বিচক্ষণতার কাছে মাথা নত না করে পারেন না।আরও পড়ুনঃ কফি ডেটে যেতে চান শ্রীলেখা! কিন্তু কার সঙ্গে?দুর্মূল্যের বাজারেও ১টাকা পিস দরে চপ-তেলে ভাজা বিক্রি করে লাভের মুখ দেখার ব্যবসায়িক রহস্যটা কি? এই প্রশ্নের উত্তরে হিমাংশু সেন বলেন, আমাদের পরিবার এক সময়ে আর্থিক ভাবে অত্যন্ত দুর্বল ছিল। রোজগারের বিকল্প আর কোনও পথ সেভাবে খুঁজে না পেয়ে বাবা বিশ্বনাথ সেন অনেক বছর আগে বাড়ি লাগোয়া জায়গায় চপের দোকান খুলে বসেন। তাঁর বাবা এলাকার মানুষের আর্থিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে তখন ৮০ পয়সা পিস দরে চপ-তেলে ভাজা বিক্রী করা শুরু করেছিলেন। এর পর বেশ কয়েক বছর হল তিনি মাত্র ২০ পয়সা দাম বাড়িয়ে ১ টাকা পিস দরেই চপ-তেলেভাজা বিক্রি করে চলেছেন। শুধু এক প্লেট ঘুগনির দাম ২ টাকা নেন বলে হিমাংশু বাবু বলেন। হিমাংশুবাবু দাবি, এলাকার গরিব, নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তরাই তাঁর দোকানের ১ টাকা মূল্যের চপ-তেলেভাজা ও ২ টাকা প্লেটের ঘুগনির সবথেকে বড় ক্রেতা। এছাড়াও দুর-দুরান্তের ক্রেতা তো রয়েইছে।প্রতিদিন ১০ কেজি বেসনের চপ- তেলেভাজা বিক্রি হয় হিমাংশুবাবুর দোকানে। শুধু ১০ কেজি বেসনই নয়। এর সঙ্গে প্রতিদিন লাগে ১ বস্তা আলু, ৫ কেজি মটর, হাজার টাকার সরষের তেল সহ অন্যান্য সামগ্রী। হিমাংশু বাবু জানান, এইসব সামগ্রী কিনে দোকান চালানোর জন্য প্রতিদিন তার প্রায় ৩৫০০ টাকা খরচ হয়। ১ টাকা পিস দরে চপ- তেলেভাজা আর ২ টা প্লেট দরে ঘুগনি বিক্রি করেও গড়ে প্রতিদিন ৫০০- ৭০০ টাকা লাভ থাকে বলে হিমাংশু বাবু জানান। সেই লাভের পয়সাতেই তিনি সংসার চালানোর পাশাপাশি মেয়ে কেয়াকে উচ্চশিক্ষিত করেছেন। এম এ, বিএড পাস করা মেয়ের বিয়েও তিন বছর আগে ধুমধাম করে দিয়েছেন। ছেলের ছেলে অর্থাৎ নাতি কুশল ও নাতনি কৃত্তিকাকেও উচ্চশিক্ষিত করার স্বপ্ন নিয়ে গ্রামের প্রথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করেছেন হিমাংশুবাবু। এছাড়াও চপ বিক্রির লাভের পয়সা দিয়েই তিনি পরিবারের সাবেকি বাড়িটিকে ঝাঁ চকচকে বানিয়েছেন। একই সঙ্গে চপের দোকানের লাগোয়া জায়গায় সম্প্রতি নতুন একটি সুন্দর দোতলা বাড়িও তৈরি করেছেন। নূন্যতম মূল্যে অধীক বিক্রি-ই তাঁর ব্যবসায়িক সাফল্যের চাবিকাঠি বলে হিমাংশু সেন জানিয়েছেন। পাঁচড়া গ্রামের বাসিন্দা প্রেমনাথ ঘোষাল বলেন, অর্থনীতিবিদরা বলছেন ভারতসহ গোটা বিশ্ব এখন অর্থনৈতিক মন্দায় ধুুঁকছে। ভারতীয় জিডিপির পতনের প্রভাব পুরো বিশ্বের অর্থনীতিতে পড়বে বলেও অর্থনীতিবিদরা আশঙ্কার কথা শোনাচ্ছেন।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটদেশের এমন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও ১ টাকা মূল্যে চপ বিক্রী করে হিমাংশু সেন কোন যাদুতে লাভের মুখ দেখছেন সেটাই সবচেয়ে আশ্চর্য্যের বিষয়। হিমাংশু সেনের ব্যবসায়ীক সাফল্যের বিষয়টি হয়তো অর্থনীতিবিদদেরও ভাবাবে । কারণ এই কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও হিমাংশু সেনের ব্যবসায়ীক কর্মকাণ্ড এখন এলাকার বেকার দের আত্মনির্ভর আর্থিক রোজগারে দিশা দেখাচ্ছে বলে প্রেমনাথ ঘোষাল মন্তব্য করেন। পাঁচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান লালু হেমব্রম জানান, চপ-তেলেভাজার দোকান করে জীবনে বড় হওয়া যায় বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন। তার জন্য বিরোধীরা ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করতে ছাড়েননি ।কিন্তু বাস্তবেই পাঁচড়ার হিমাংশু সেন প্রমাণ করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ভুল কিছু বলেননি। মুখ্যমন্ত্রী হক কথাই বলেছিলেন। হিমাংশুবাবুর ব্যবসায়িক স্ট্রাটেজির কথা জেনে তারিফ করেছেন অর্থনীতি নিয়ে পড়া শুনা জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার।

জুলাই ১৭, ২০২১
দেশ

Corona-Tax: করোনা চিকিৎসায় অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড়

কোভিড (COVID-19) চিকিৎসার সাহায্যের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড় নিয়ে বড় ঘোষণা কেন্দ্রের। মহামারিকালে কোনও সংস্থার কর্মীকে চিকিৎসার জন্য যে পরিমাণ অর্থ দিয়ে সাহায্য করবে, ঠিক সেই পরিমাণ আয়কর (Income Tax) ছাড় মিলবে। করোনায় নিহত কর্মীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ক্ষেত্রেও একই ছাড় মিলবে। শুক্রবার আয়কর কাঠামো সংশোধনের পর জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থ প্রতিমন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর (Anurag Thakur)। এই খবরে স্বভাবতই খুশির হাওয়া বিভিন্ন মহলে।আরও পড়ুনঃ টিকা বিতর্কে ভাঙা হল রবীন্দ্রনাথের মূর্তি থেকে দেবাঞ্জনের নামের ফলক শুক্রবার করদাতাদের স্বস্তি দিতে আরও বেশ কয়েকটি বড় ঘোষণা করেছে কেন্দ্রের আয়কর বিভাগ। তাতে বলা হয়েছে, সরাসরি যারা কর দেন, তাদের জন্য তৈরি প্রকল্প বিবাদ সে বিশ্বাস-এর মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। অগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত এই স্কিমে ট্যাক্স জমা দেওয়া যাবে। করদাতারা ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নিজেদের কর জমা দিতে পারবেন। কোনও অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে না।তবে সবচেয়ে বড় স্বস্তি মিলেছে কোভিডে অর্থসাহায্যের ক্ষেত্রে। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে অনুরাগ ঠাকুর জানিয়েছেন, ২০১৯-২০ এবং ২০২০-২১ অর্থবর্ষে কোভিড তহবিলে টাকা দান করলে, সেই পরিমাণ অর্থ করের আওতার বাইরে। সংকটের মধ্যে কোনও সংস্থা যদি তাদের কর্মীদের চিকিৎসার (Corona Treatment) খরচ বহন করে কিংবা এককালীন টাকা দিয়ে থাকে, তবে সেই টাকায় করছাড় দেওয়া হবে। সূত্রের খবর, ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অঙ্কের করছাড়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই টাকা এক্সগ্রাশিয়া বাবদ দান করতে পারে সংস্থা। মহামারি সংকটের মাঝে করকাঠামো নিয়ে কেন্দ্রের এই ঘোষণায় স্বস্তিতে বহু করদাতা। সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত বলে কেন্দ্রকে স্বাগত জানিয়েছেন তাঁরা সকলেই।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

বাংলা পক্ষের আন্দোলনের জের , ফের পাঁচ অস্থায়ী কর্মীকে পুনর্বহাল আয়কর দপ্তরে

কেন্দ্রীয় সরকারের আয়কর দপ্তরের কলকাতা শাখার পাঁচজন অস্থায়ী কর্মীকে ইংরেজি বলতে না পারার অজুহাত দেখিয়ে অন্যায় ভাবে চাকরি থেকে অপসারিত করা হয়েছিল। বাংলা পক্ষের প্রতিবাদ আন্দোলনের ফলে তাঁদের চাকরিতে পুনর্বহাল করা হয়েছে। এই পাঁচ অস্থায়ী টাইপিস্ট ও স্টেনোগ্রাফারকে গত অক্টোবরে হঠাৎ করেই অপসারিত করার নির্দেশ দেন আয়কর দপ্তরের কলকাতার অধিকর্তা। অভিযোগ করা হয় তাঁরা নাকি ইংরেজি বলতে স্বচ্ছন্দ নন। কিন্তু তাঁদের চাকরিতে ইংরেজি বলার প্রয়োজনও নেই আর চাকরির শর্তেও এমন উল্লেখ ছিল না। আরও পড়ুন ঃ কালীপুজো ও ভাইফোঁটায় কম ট্রেন চালাবে মেট্রো এই ঘটনা জানা মাত্র বাঙালির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ এই পাঁচ বাঙালি ভাইবোনের পাশে দাঁড়ায়। গত ১৬ ই অক্টোবর কলকাতায় আয়কর দপ্তরে বাংলা পক্ষ বিক্ষোভ সমাবেশ করে ও সংস্থার কর্তাদের স্মারকলিপি দিয়ে অবিলম্বে এবং নিঃশর্ত ভাবে এই পাঁচজনকে চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি জানায়। সংস্থার তরফে দাবি মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। শুক্রবার জানা যায় , পাঁচ বাঙালি ভাইবোনকেই পুনর্বহাল করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৪, ২০২০
কলকাতা

ইংরেজি বলতে না পারার অপরাধে আয়কর দফতরের পাঁচ কর্মীকে ছাঁটাই , ডেপুটেশন বাংলা পক্ষের

ইংরেজি বলতে না পারার অপরাধে আয়কর দফতর পাঁচজন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। এর প্রতিবাদে শুক্রবার বাঙালিদের জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষের তরফ থেকে শুক্রবার কলকাতার আয়কর দফতরে ডেপুটেশন জমা দেওয়া হল। আয়কর দফতরের ভাইস চেয়ারম্যান এবং সম্পাদককে স্মারকলিপি দেওয়া হয়। ভাইস চেয়ারম্যান বাংলা পক্ষের এই দাবি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী এবং সপ্তমীতে বৃষ্টির পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের স্মারকলিপিতে তাদের দাবি, অবিলম্বে বরখাস্ত হওয়া পাঁচ কর্মীকে পুনরায় চাকরিতে বহাল করতে হবে। কারণ, যখন এই পাঁচজনকে চাকরিতে নিয়োগ করা হয়েছিল, তখন কোথাও বলা ছিল না যে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজি জানা বাধ্যতামূলক। বাংলা পক্ষের প্রশ্ন, উত্তরপ্রদেশ, বিহারে তো সরকারি অফিসে সকলে হিন্দিতেই কথা বলে। সেখানে তো ইংরেজিতে কেউ কথা বলে না। আর পশ্চিমবঙ্গে সরকারি অফিসে বাংলা বললেই পাপ ? শেষ আদমসুমারী অনুযায়ী বাংলার ৮৩ শতাংশ মানুষ শুধু বাংলা বোঝেন, হিন্দি- ইংরেজি বোঝেন না। বাংলা না জানলে বরং বরখাস্ত করা উচিত। আরও পড়ুনঃ অনুদান কি শুধু দুর্গাপুজোতেই দেয় সরকার? প্রশ্ন হাইাকোর্টের এদিনের কর্মসূচিতে অনৈতিক ও বেআইনিভাবে ছাঁটাই হওয়া পাঁচজন কর্মীই উপস্থিত ছিলেন। তাদের দাবি, কাজ চালানোর মতো ইংরেজি তারা বলতে পারেন। চাকরির শর্ত ছিল না যে ইংরেজি বলতেই হবে। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন অমিত সেন , জয়দীপ দে, কৌশিক মাইতি ও সম্রাট বোস সহ আরও অনেকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

পিতৃতর্পণের সময় গঙ্গার পাড়ে বাজবে মহিষাসুরমর্দিনী, সাজবে ঘাট! বড় উদ্যোগের খবর

২০২৬ সালের দুর্গাপুজো ঘিরে কলকাতায় একের পর এক নতুন আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ১০ অক্টোবর মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজনের খবর প্রকাশ্যে এসেছে। এর পাশাপাশি মহালয়ার ভোরে কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতেও বিশেষ আবহ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার বলে সূত্রের খবর।মহালয়ার ভোর মানেই বাঙালির কাছে পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণ এবং বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী শোনা। সেই দীর্ঘদিনের আবেগ ও ঐতিহ্যকেই এবার গঙ্গার ঘাটে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরার পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে কলকাতার পাঁচটি গঙ্গার ঘাটকে এই আয়োজনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাট। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১০ অক্টোবর মহালয়ার ভোরে এই ঘাটগুলিতে মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী বাজানো হতে পারে। মহালয়া ২০২৬ সালে ১০ অক্টোবর শনিবার।শুধু মহিষাসুরমর্দিনী বাজানোই নয়, ঘাটগুলিকে বিশেষ আলোয় সাজিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। ফলে ভোরের গঙ্গার পাড়ে তর্পণের সময় এক অন্য ধরনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে। পিতৃতর্পণ করতে আসা মানুষের পাশাপাশি মহালয়ার আবহ উপভোগ করতে আসা মানুষের কাছেও এই আয়োজন আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।এই পরিকল্পনার আরও একটি বিশেষ আকর্ষণ হতে পারে বিশাল আকারের রেডিয়োর প্রতিকৃতি। মহালয়ার ভোরে রেডিয়োয় মহিষাসুরমর্দিনী শোনার যে দীর্ঘদিনের বাঙালি ঐতিহ্য, সেই স্মৃতিকেই গঙ্গার ঘাটে তুলে ধরার ভাবনা রয়েছে। ঘাটের চত্বরে বড় রেডিয়োর আদল তৈরি করে তার মাধ্যমে পুরনো দিনের সেই আবহ ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।মহালয়ার সঙ্গে বাঙালির এই আবেগ বহু পুরনো। পিতৃপক্ষের অবসান এবং দেবীপক্ষের সূচনার এই দিনে ভোর থেকেই কলকাতার গঙ্গার বিভিন্ন ঘাটে তর্পণ করতে মানুষের ভিড় হয়। তার সঙ্গে যদি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনী এবং বিশেষ আলোকসজ্জা যুক্ত হয়, তা হলে ঘাটগুলির পরিবেশ আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে রাজ্য সরকারের একাধিক বড় আয়োজনের পরিকল্পনার খবর ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে। মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে বলেও একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।সব মিলিয়ে মহালয়া ২০২৬-এ কলকাতার গঙ্গার ঘাটে নতুন ধরনের আবহ তৈরির প্রস্তুতি চলছে। বাবুঘাট, বাজে কদমতলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং আহিরীটোলা ঘাটে শেষ পর্যন্ত এই পরিকল্পনা কী ভাবে বাস্তবায়িত হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা SFI নেতার! নেপথ্যে কারণ কী

জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজে ক্লাস চলাকালীন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরানোর চেষ্টা ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার দুপুরে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রনেতা আচমকাই ক্লাসরুমে কেরোসিন ঢেলে নেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। পরে তিনি লাইটার বের করে আগুন ধরানোর চেষ্টা করলে ক্লাসে থাকা অধ্যাপক তাঁকে থামিয়ে দেন।ওই ছাত্রের নাম অর্ণব সরকার বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে এসএফআইয়ের স্থানীয় কমিটির সম্পাদক হিসাবেও উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার সময় ইতিহাসের ক্লাস চলছিল। অর্ণব ব্যাগ থেকে কেরোসিনের বোতল বের করে নিজের গায়ে ঢেলে নেন। এরপর লাইটার জ্বালানোর আগেই অধ্যাপক তাঁর হাত থেকে সেটি নিয়ে নেন। পরে তাঁকে অধ্যক্ষের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশও কলেজে যায়।ঘটনার পর অর্ণব দাবি করেন, কলেজে তাঁকে নিয়মিত নিগ্রহ করা হচ্ছিল। তাঁর অভিযোগ, এ বিষয়ে এন্টি র্যাগিং কমিটিতে জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ঘটনার দিন কলেজে ঢোকার মুখেও তাঁকে মারধর করা হয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই তিনি এমন পদক্ষেপ করেছেন বলে জানান অর্ণব।অর্ণবের দাবি, তিনি কাউকে মারতে চাননি। নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে তাঁর বক্তব্য। তাঁর আরও দাবি, বাড়ি থেকেই কেরোসিন নিয়ে কলেজে এসেছিলেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষও তদন্ত করবে বলে জানিয়েছে। অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, কলেজের ইতিহাসে এমন ঘটনা নজিরবিহীন এবং পড়ুয়া কী ভাবে দাহ্য পদার্থ নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকলেন, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।অন্য দিকে, অর্ণবের অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে এবিভিপি। সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি পরিকল্পিত এবং দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই এমন কাণ্ড ঘটানো হয়েছে। তাদের বক্তব্য, অর্ণবকে কে বা কারা মারধর করেছে বলে অভিযোগ করা হলেও তিনি নির্দিষ্ট কারও নাম বলতে পারেননি। ফলে অভিযোগের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এবিভিপি।এসএফআই অবশ্য পাল্টা অভিযোগ করেছে। সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক দেবাঞ্জন দে-র দাবি, এবিভিপির বিরুদ্ধে ছাত্রদের মারধর এবং ক্যাম্পাসে ভয় দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, কলেজের ভিতরে একটি নির্দিষ্ট অপরাধচক্র তৈরি হয়েছে। তবে এই অভিযোগও এখনও রাজনৈতিক পক্ষগুলির বক্তব্যের মধ্যেই রয়েছে এবং তা স্বাধীন ভাবে প্রমাণিত হয়নি।ঘটনার পর কলেজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কী ভাবে একজন পড়ুয়া কেরোসিনের মতো দাহ্য পদার্থ নিয়ে কলেজে ঢুকলেন, সেটি এখন তদন্তের অন্যতম বিষয়। একই সঙ্গে অর্ণবের অভিযোগের সত্যতা, তাঁকে কোনও ভাবে নিগ্রহ করা হয়েছিল কি না এবং ঘটনার পিছনে ঠিক কী পরিস্থিতি ছিল, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।আনন্দচন্দ্র কলেজের এই ঘটনা ইতিমধ্যেই এসএফআই ও এবিভিপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি করেছে। ছাত্রনেতার অভিযোগ এবং এবিভিপির পাল্টা বক্তব্যের মধ্যে আসল ঘটনা কী, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ! লেজেন্ডস লিগে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত আয়োজকদের?

সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে আগামী ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণ। চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। এবারের প্রতিযোগিতায় মোট সাতটি দেশের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের দল অংশ নিচ্ছে। ভারত, পাকিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পাশাপাশি এবার প্রথম বার খেলছে বাংলাদেশ।ভারতের দলে রয়েছেন যুবরাজ সিংয়ের মতো প্রাক্তন তারকারা। পাকিস্তানের দলেও রয়েছেন শাহিদ আফ্রিদি। আয়োজকদের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানকে এবারের প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়া হয়নি। বরং ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে তাদের অভিযান শুরু হওয়ার কথা।সবচেয়ে বেশি নজর অবশ্য ১০ অক্টোবরের ম্যাচে। ওই দিন দুবাইয়ে মুখোমুখি হওয়ার কথা ভারত এবং পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের। আয়োজকদের সরকারি সূচিতে এই ম্যাচটি রাখা হয়েছে। ফলে পাকিস্তান অংশ নেবে না বা ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বাতিল হয়েছেএমন তথ্য বর্তমান সরকারি সূচির সঙ্গে মিলছে না।এর আগে দ্বিতীয় সংস্করণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। পহেলগাঁও হামলার পর ভারতীয় কিংবদন্তিদের দল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামেনি। সেই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান ওয়াকওভার পেয়ে পরের পর্বে পৌঁছেছিল। সেই ঘটনার প্রভাব এবারের প্রতিযোগিতাতেও পড়বে কি না, তা নিয়ে ক্রিকেটমহলে আলোচনা ছিল।তবে তৃতীয় সংস্করণের বর্তমান সূচিতে ভারত ও পাকিস্তানকে একই প্রতিযোগিতায় রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দুই দলের মধ্যে ম্যাচের দিনও নির্ধারিত হয়েছে। ফলে গতবারের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হবে কি না, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।এবারের প্রতিযোগিতার আরও একটি বড় আকর্ষণ বাংলাদেশের অভিষেক। বাংলাদেশের কিংবদন্তি দল প্রথম বার এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে। সেই দলের অন্যতম পরিচিত নাম মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ৩ অক্টোবর প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।লেজেন্ডস লিগের তৃতীয় সংস্করণে মোট ২৪টি লিগ ম্যাচ হবে। শারজা এবং দুবাইয়ের মাঠে হবে ম্যাচগুলি। লিগ পর্বের পর ১৬ অক্টোবর সেমিফাইনাল এবং ১৮ অক্টোবর ফাইনাল হওয়ার কথা।ফলে পাকিস্তানকে প্রতিযোগিতা থেকে বাদ দেওয়ার যে দাবি সামনে এসেছে, তা অন্তত বর্তমান সরকারি সূচি অনুযায়ী সঠিক নয়। বরং পাকিস্তান এবারের প্রতিযোগিতার অন্যতম অংশগ্রহণকারী দল এবং ১০ অক্টোবর ভারত-পাকিস্তানের বহুল আলোচিত ম্যাচও সূচিতে রয়েছে। গতবারের বিতর্কের পর এবার সেই ম্যাচ সত্যিই মাঠে গড়ায় কি না, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
দেশ

যৌনাঙ্গ কাটা, চারতলা থেকে ঝাঁপ! প্রেমানন্দের শিষ্যের রহস্যজনক মৃত্যুতে ক্রমেই বাড়ছে ধোঁয়াশা

বৃন্দাবনে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধি ওরফে রসিক দুলারি শরণের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে নতুন প্রশ্ন। পঁচিশ বছরের দীপক উত্তরপ্রদেশের বৃন্দাবনের গুরু কৃপা কুঞ্জ আশ্রমের চারতলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে তাঁকে উপর থেকে পড়ে যেতে দেখা গিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তবে কী পরিস্থিতিতে তিনি ছাদ থেকে পড়েছিলেন, তা এখনও তদন্তের বিষয়।দীপক মূলত মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দুবছর আগে তিনি বৃন্দাবনে আসেন। পরে প্রেমানন্দ মহারাজের কাছে দীক্ষা নিয়ে রসিক দুলারি শরণ নাম গ্রহণ করেন। এরপর তিনি বৃন্দাবনেই থাকতেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।ঘটনার পর দীপকের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে একটি গ্রাইন্ডার উদ্ধার করা হয়। সেটিতে রক্তের দাগ ছিল বলে পুলিশ ও একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দীপকের শরীরে যৌনাঙ্গে কাটার চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তে উঠে এসেছে। গ্রাইন্ডারটি কী ভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং সেটিতে থাকা রক্ত কার, তা জানতে সেটি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।এই গ্রাইন্ডারই এখন তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হয়ে উঠেছে। সেটি দিয়েই দীপকের শরীরে ওই আঘাত করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এই মুহূর্তে সেটিকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না। তদন্তকারীরা ফরেন্সিক রিপোর্ট এবং অন্যান্য প্রমাণের সঙ্গে বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন।দীপকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েও সামনে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি উপর থেকে পড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে গুরুতর আঘাতও হয়েছিল। ফলে মৃত্যুর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, তা বুঝতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ এবং ফরেন্সিক প্রমাণ মিলিয়ে দেখা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দীপকের ঘর থেকে বেরিয়ে ছাদের দিকে যাওয়ার সময় এবং পরে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর শেষ কয়েক মিনিটের গতিবিধি এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি নিজেই ওই কাজ করেছিলেন, নাকি অন্য কোনও পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পুলিশ দীপকের মোবাইল ফোন, ডায়েরি, সিসিটিভি ফুটেজ এবং ঘর থেকে উদ্ধার হওয়া সামগ্রী পরীক্ষা করছে। আত্মহত্যার সম্ভাবনার পাশাপাশি অন্য কোনও ঘটনা ঘটেছিল কি না, সেই দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পরিবারের তরফে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে বলেও সংবাদমাধ্যমে এসেছে।ফলে প্রেমানন্দ মহারাজের শিষ্য দীপক লোধির মৃত্যু আপাতত একাধিক প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়েছে তদন্তকারীদের। চারতলা থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা সিসিটিভিতে ধরা পড়লেও তার আগে কী ঘটেছিল, ঘরে রক্তমাখা গ্রাইন্ডার কেন ছিল এবং শরীরে কাটার চিহ্নের সঙ্গে তার কোনও যোগ রয়েছে কি নাএসব প্রশ্নের উত্তর ফরেন্সিক পরীক্ষা ও তদন্ত শেষ হলেই স্পষ্ট হতে পারে। আপাতত ঘটনাটিকে ঘিরে কোনও একটি তত্ত্বকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে ধরা হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ইন্টারভিউ থেকে প্যানেল, সব তালিকাতেই বদল! একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগে এসএসসির বড় সিদ্ধান্ত

একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বড় পরিবর্তন করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে আগের মেধাতালিকা ও প্যানেল পুনর্গঠন করা হচ্ছে। কমিশনের ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই সংশোধিত শূন্যপদের তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মোট শূন্যপদ ১২ হাজার ৪৪৫টি।এর আগে একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগে প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে। পরে রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণের কাঠামোয় পরিবর্তন আসে। সেই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়োগের মেধাতালিকা নতুন করে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।নতুন সংরক্ষণ বিধি অনুযায়ী ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। সেই পরিবর্তনের ভিত্তিতেই একাদশ-দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগের শূন্যপদ এবং সংরক্ষণের হিসাব নতুন করে তৈরি করা হয়েছে।ফলে আগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকার ভিত্তিতে নিয়োগের যে প্রক্রিয়া চলছিল, তাতে পরিবর্তন আসছে। নতুন করে সংশোধিত মেধাতালিকা তৈরি করা হবে। এরপর নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করবে স্কুল সার্ভিস কমিশন।তবে আগে যাঁরা ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানে অংশ নিয়েছেন, তাঁদের নতুন করে সেই ধাপগুলিতে অংশ নিতে হবে না। তাঁদের আগের লিখিত পরীক্ষা, শিক্ষাগত যোগ্যতার নম্বর, ইন্টারভিউ এবং নমুনা পাঠদানের নম্বরই নতুন মূল্যায়নে বিবেচনা করা হবে বলে কমিশনের নিয়োগ প্রক্রিয়ার কাঠামো থেকে জানা যাচ্ছে।নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নথিপত্র যাচাই করা হবে। সেই যাচাই পর্ব শেষ হওয়ার পরে পরবর্তী ধাপে এগোবে কমিশন। সংশোধিত মেধাতালিকার ভিত্তিতেই পরবর্তী কাউন্সেলিং এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হবে।এই পরিবর্তনের ফলে আগের তালিকায় থাকা কিছু প্রার্থীর অবস্থান বদলাতে পারে। আবার নতুন সংরক্ষণ কাঠামোর কারণে এমন কিছু প্রার্থীও নতুন তালিকায় সুযোগ পেতে পারেন, যাঁরা আগের তালিকায় প্যানেল বা অপেক্ষমাণ তালিকায় ছিলেন না। তবে ঠিক কতজন প্রার্থীর অবস্থান বদলাবে বা কতজন আগের তালিকা থেকে বাদ পড়বেন, তা সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত নয়।একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের এই প্রক্রিয়ায় আগে প্রকাশিত তালিকা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্তের মূল কারণই হল সংরক্ষণ বিধির পরিবর্তন। কমিশন জানিয়েছে, নতুন নিয়ম মেনেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। এর ফলে আগের তালিকার পরিবর্তে সংশোধিত মেধাতালিকাই নিয়োগের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে একাদশ-দ্বাদশের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল ও অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশ করেছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। সেই তালিকার ভিত্তিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোচ্ছিল। পরে সংরক্ষণ কাঠামোয় পরিবর্তনের কারণে পুরো মেধাতালিকা পুনর্গঠনের প্রয়োজন তৈরি হয়।এখন চাকরিপ্রার্থীদের নজর সংশোধিত চূড়ান্ত মেধাতালিকার দিকে। নতুন প্যানেল এবং অপেক্ষমাণ তালিকা প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে, কার অবস্থান কোথায় বদলাল এবং কারা শেষ পর্যন্ত নিয়োগের সুযোগ পেলেন। কমিশনের পরবর্তী বিজ্ঞপ্তির উপরেই এখন নির্ভর করছে একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগের পরবর্তী ধাপ।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
বিদেশ

ছয় সেকেন্ডেই গলে গেল গোটা পাহাড়! নেপালে ভয়াবহ দৃশ্য, নদীতে মিশে গেল পাহাড়ের অংশ

নেপালে ফের প্রকৃতির তাণ্ডব। প্রবল বৃষ্টি, পাহাড় ধস এবং বন্যায় একাধিক এলাকা বিপর্যস্ত। মুস্তাং জেলার লেতে এলাকায় কালীগণ্ডকী নদীর দিকে পাহাড়ের একটি বড় অংশ ধসে পড়েছে। কয়েক সেকেন্ডের একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, বিশাল পাহাড়ের অংশ নদীতে গিয়ে পড়ছে। সেই সময় স্থানীয়দের চিৎকারও শোনা যায়। ধসের জেরে নদীর গতিপথ কিছু সময়ের জন্য বাধাগ্রস্ত হয়েছিল।টানা বৃষ্টির জেরে নেপালের পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক নদীর জলস্তর বেড়েছে। মুস্তাং, মিয়াগদি, পার্বত এবং স্যাংজার মতো এলাকায় বন্যা ও পাহাড় ধসের খবর মিলেছে। পার্বত জেলার একটি বসতিতে কালীগণ্ডকী নদীর জল ঢুকে প্রায় ৮০টি বাড়ি ভেসে যাওয়ার খবরও সামনে এসেছে। বিভিন্ন জায়গায় ধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে এবং উদ্ধারকাজেও সমস্যা তৈরি হয়েছে।সাম্প্রতিক বন্যা ও পাহাড় ধসে নেপালের বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আরও ১৪ জন নিখোঁজ বলে খবর। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাবাহিনী ও উদ্ধারকারী দল একাধিক এলাকায় কাজ করছে। বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।এর মধ্যেই মানাং জেলার হিমলুং হিমালেও ভয়াবহ তুষারধস নেমেছে। রবিবার ৭১২৬ মিটার উচ্চতার এই পর্বতের কাছে তুষারধসে পর্বতারোহী ও তাঁদের সহকারীদের একটি শিবির ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে প্রায় ১৪ জনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। পরে উদ্ধারকারীরা চারটি দেহ উদ্ধার করেন। আরও ১২ জন এখনও নিখোঁজ বলে সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।এই নতুন বিপর্যয় এমন সময়ে ঘটল, যখন গত ২৬ অগস্টের ভয়াবহ বন্যা ও হড়পা বান থেকে এখনও পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি নেপাল। সেই ঘটনায় দেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় বাড়িঘর, সেতু, রাস্তা এবং জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরবর্তী হিসাব অনুযায়ী, সেই বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা এক হাজার চারশোরও বেশি এবং নিখোঁজের সংখ্যাও কয়েক হাজারে পৌঁছেছে।২৬ অগস্টের বিপর্যয়ের পর থেকেই নেপালের একাধিক এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণকাজ চলছে। কিন্তু নতুন করে প্রবল বৃষ্টি, বন্যা এবং পাহাড় ধস পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় দুর্গতদের কাছে দ্রুত পৌঁছনো নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে।মুস্তাংয়ের পাহাড় ধসের ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করেছে। চোখের সামনে পাহাড়ের বিশাল অংশ নদীতে তলিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। একই সময়ে মানাংয়ে তুষারধসের ঘটনায় নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।নেপালে একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঘটনায় এখন সবচেয়ে বড় উদ্বেগ উদ্ধারকাজ এবং দুর্গত মানুষদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। প্রবল বৃষ্টি ও নতুন করে ধস নামার আশঙ্কায় পাহাড়ি এলাকাগুলিতে সতর্কতাও জারি রাখা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সোনার বাজারে ভূমিকম্প! এক ঝটকায় হুড়মুড়িয়ে কমল দাম, কলকাতায় আজ ২২ ক্যারেটের দাম জানলে চমকে যাবেন

বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কার মাঝে ভারতীয় বাজারে পতন লক্ষ্য করা গেল সোনার দামে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) প্রতি গ্রাম ২৪ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ১৫,০১৭ টাকায়, যা গত ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় গ্রাম প্রতি ২৫১ টাকা কম। একইভাবে ২২ ক্যারেট ও ১৮ ক্যারেটের সোনার দামও কমেছে। ভারতে আজ সোনার দর (প্রতি গ্রাম ও ১০ গ্রাম)২৪ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৫,০১৭ টাকা (১০ গ্রামে ১,৫০,১৭০ টাকা)। ২৬ সেপ্টেম্বরের তুলনায় দর কমেছে ২৫১ টাকা।২২ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১৩,৭৬৫ টাকা (১০ গ্রামে ১,৩৭,৬৫০ টাকা)। দর কমেছে ২৩০ টাকা।১৮ ক্যারেট: প্রতি গ্রাম ১১,২৬৩ টাকা (১০ গ্রামে ১,১২,৬৩০ টাকা)। দর কমেছে ১৮৮ টাকা।প্রধান শহরগুলিতে আজ সোনার দর (প্রতি ১০ গ্রাম)কলকাতা, মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ ও পুনে: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৩০ টাকা।দিল্লি: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,৩২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৮০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৭৮০ টাকা।চেন্নাই: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,১৭০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৬৫০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১৫,৩৫০ টাকা।আহমেদাবাদ ও বরোদা: ২৪ ক্যারেট ১,৫০,২২০ টাকা। ২২ ক্যারেট ১,৩৭,৭০০ টাকা। ১৮ ক্যারেট ১,১২,৬৮০ টাকা।কেন কমছে সোনার দাম?অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারের চাপই দেশীয় বাজারে সোনার দাম কমার প্রধান কারণ। ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম Giottus.com-এর সিইও বিক্রম সুব্বুরাজ জানিয়েছেন, বিশ্ববাজারে স্পট গোল্ডের দাম ১.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে ৪,২২৪ ডলারে নেমে এসেছে। পাশাপাশি ইউএস ফিউচার্স প্রতি আউন্সে প্রায় ৪,২৫৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।তেলের দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে, যার ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ডলারের শক্তি বৃদ্ধি ও সুদের হার বাড়ার কারণে অলঙ্কার ও সোনায় বিনিয়োগের প্রবণতা সাময়িকভাবে কমছে। তবে অন্যদিকে, রুপোর বাজারে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত মিলেছে। এমসিএক্স (MCX)-এ সিলভার মিনি কন্ট্রাক্ট প্রতি কেজিতে প্রায় ২,৩৬,৬৮০ টাকায় লেনদেন হয়েছে।পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক বাজারের অনিশ্চয়তাআন্তর্জাতিক অঙ্গনে পশ্চিম এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন চরম পর্যায়ে। হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সামুদ্রিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেস্তে গেছে। চুক্তি ভঙ্গের পর থেকেই দুই দেশ পুনরায় সামরিক অভিযান শুরু করেছে এবং সব ধরনের কূটনৈতিক পথ বন্ধ করে দিয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তেহরান আলোচনার জন্য প্রস্তুত হলেও মার্কিন হামলার জবাবে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের জন্যও তৈরি। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিশ্বজুড়ে সোনার চাহিদা ও দামের ওপর দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা বজায় থাকছে।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬
রাজ্য

‘জোড়া ফুল’ প্রতীক ফ্রিজ মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, হাতছাড়া হতে চলেছে মমতার সাধের প্রতীক?

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় নাম ও জোড়া ফুল প্রতীক ফ্রিজ করার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা মামলায় বড় নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তৃণমূলের ভেতরে চলা উপদলীয় কোন্দলের জেরে দলীয় নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধ নিষ্পত্তিতে নির্বাচন কমিশনকে (ECI) একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে উভয় পক্ষকে নিজেদের লিখিত বক্তব্য পেশ করতে হবে এবং তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে কমিশনকে।দলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করার অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার এই সংক্রান্ত আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের বেঞ্চ জানায়, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও স্পষ্টতা বজায় রাখতে দ্রুত এই বিরোধের সমাধান হওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, দলীয় কোন্দলের জের ধরে গত ১৮ সেপ্টেম্বর অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং তাদের ঐতিহ্যবাহী জোড়া ফুল (Flowers Grass) প্রতীক ফ্রিজ বা সাময়িকভাবে স্থগিত করার নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। দুই বিরোধী গোষ্ঠীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, বিতর্ক নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিকল্প নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে।উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণার ঠিক ১০ দিন পর কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আসে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন দুই পৃথক গোষ্ঠীই নিজেদের প্রার্থী মনোনীত করেছিল।কমিশনের ওই নির্দেশিকায় বর্তমানে বিকল্প প্রতীক নিয়ে লড়াইয়ে নেমেছে দুই শিবির। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে ফুটবলার প্রতীক নিয়ে এবং অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির নির্বাচন লড়ছে খাম (Envelope) প্রতীক নিয়ে। তবে দলের আসল মালিকানা ও নাম-প্রতীক কার দখলে যাবে, আগামী ৩ মাসের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের সেই সিদ্ধান্তের দিকে নজর থাকবে দেশের রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal